ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেসের (ইউআইটিএস) আইন বিভাগের বিভাগীয় মুট কোর্ট রুমে গত বুধবার আইন অনুষদের ডিন অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া, বিভাগীয়প্রধান রেহনুমা চৌধুরী, বিভাগীয় শিক্ষকমণ্ডলী ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে ঈদ পূর্ব মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় আইন অনুষদের ডিন অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া সবাইকে নিরাপদে ঈদ পালন করার এবং কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে তার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান, সেই সাথে সবাইকে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানান। পরে মতবিনিময় সভায় ইউআইটিএস ল’ ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হন শার্মিলা আঞ্জুম ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন রিয়াদ মিয়া। ক্লাবটির অ্যাডভাইজর হিসেবে রয়েছেন আইন বিভাগের শিক্ষক মেহেদী হাসান সরকার। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রেহনুমা চৌধুরী ইউআইটিএস ল’ ক্লাবের সব সদস্যকে অভিনন্দন জানান এবং ক্লাবের সর্বাত্মক সফলতা কামনা করেন। বিজ্ঞপ্তি
যমুনা ব্যাংক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ও অর্থায়নে মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিম পৌরসভার গোয়ালঘুন্নী গ্রামে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রায় ৫ হাজার সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে সাত ধরনের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। পাশাপাশি আড়াই হাজার দুস্থ ও শীতার্ত মানুষের মধ্যে কম্বল এবং ২০০ অসহায় নারীকে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যমুনা ব্যাংকের নির্বাহী কমিটি ও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ নূর মোহাম্মদ। সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সিইও ও ফাউন্ডেশনের মেম্বার সেক্রেটারি মির্জা ইলিয়াস উদ্দীন আহম্মদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ফাউন্ডেশনের সিইও মো. শাহিদুল ইসলাম। এ সময় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও স্থানীয় শাখার কর্মকর্তাসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির ২০০তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৫ অক্টোবর ব্যাংকটির নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক ও নির্বাহী কমিটির সদস্য মাস্টার আবুল কাশেম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ ইউ. আহমেদ, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ রিস্ক অফিসার মো. জাহিদ হোসেন এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ টেকনোলজি অফিসার মো. নাজমুল হুদা সরকার।
সভায় ব্যাংকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ও পরিচালনসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রমের উন্নয়ন, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ব্যাংকটির নির্বাহী কমিটির ২০০তম সভাকে কৌশলগত লক্ষ্য অর্জন, পরিচালনগত উৎকর্ষ বজায় রাখা এবং টেকসই অগ্রযাত্রার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ব্যাংকের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
হাতিরঝিল লেক রোডে আয়োজিত এ র্যালিতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন ও সচেতনতামূলক বার্তা স্থান পায়। রোটারিয়ানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অংশগ্রহণকারীরা র্যালিতে অংশ নিয়ে পোলিও নির্মূলে বিশ্বব্যাপী চলমান কার্যক্রমের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।
র্যালিতে নেতৃত্ব দেন রোটারি ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর ও সাবেক রোটারি গভর্নর ডা. ইশতিয়াক জামান এবং ডেপুটি কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর ও সাবেক রোটারি গভর্নর এ কে এম শামসুল হুদা।
এ কর্মসূচির মাধ্যমে পোলিও নির্মূলে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, শিশুদের টিকাদানে উৎসাহিত করা এবং পোলিওমুক্ত বিশ্ব গড়ার উদ্যোগে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
রোটারি ইন্টারন্যাশনাল দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বব্যাপী পোলিও নির্মূল কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার মাধ্যমে শিশুদের পোলিও থেকে সুরক্ষিত রাখতে সংস্থাটি নিরলসভাবে কাজ করছে।
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রীর অফিসে ২০২৩-২৪ অর্থবছর পর্যন্ত ঘোষিত লভ্যাংশের ৬০ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে। চেকটি অর্থ মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ড. এ কে এম জাহাঙ্গীর এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালমা বানু অর্থমন্ত্রীর হাতে এ চেকটি তুলে দেন। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক এসময় উপস্থিত ছিলেন।
চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ব্যাংকের পরিচালক নুরে আলম তালুকদার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. গোলাম মরতুজা, মহাব্যবস্থাপক এ. বি. এম. জাহিদ হোসেন ও মো. আলা উদ্দিন, বোর্ড সচিব ও সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মুহাম্মদ আলী, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার সুকান্ত কুমার ঘোষ।
একটি ধারণাকে ব্যবসায় রূপ দেওয়া থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসাকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত, প্রবৃদ্ধির প্রতিটি পর্যায়েই নারী উদ্যোক্তাদের প্রয়োজন হয় ভিন্ন ধরনের সহায়তা। তাদের এই পরিবর্তনশীল চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক উইমেন উইমেন ব্যাংকিং সেগমেন্ট ‘তারা’-এর আওতায় এমন সব উদ্যোগ নিয়েছে, যা উদ্যোক্তাদের মজবুত ভিত্তি গড়ে তুলতে, নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে এবং নতুন সুযোগ কাজে লাগাতে সহায়তা করে।
মূল্যবোধনির্ভর ব্যাংক হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক নারী উদ্যোক্তাদের এই যাত্রায় সহায়তা দিতে অর্থায়ন, প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন, নেটওয়ার্কিং ও বিক্রির প্ল্যাটফর্ম-সবকিছুকে একসূত্রে যুক্ত করেছে। এসব উদ্যোগের মধ্য দিয়ে নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসার বিকাশের পথে পাশে থাকার অঙ্গীকার তুলে ধরেছে ব্র্যাক ব্যাংক। পাশাপাশি, এগুলো উদ্যোক্তাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ, যোগাযোগের সুযোগ ও আত্মবিশ্বাস জোগায়।
‘উদ্যোক্তা ১০১’ গড়ে তোলে ব্যবসার মজবুত ভিত্তি: ‘তারা’র প্রধান উদ্যোক্তা বিকাশ কর্মসূচি ‘উদ্যোক্তা ১০১’ নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা ব্যবস্থাপনা, আর্থিক সাক্ষরতা এবং বাজারে প্রবেশের প্রস্তুতিমূলক দক্ষতা গড়ে তুলতে সহায়তা করে। তিন মাসের এই কর্মসূচিতে রয়েছে ব্যবসাবিষয়ক শিক্ষা, পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা, কেস স্টাডি, অংশগ্রহণমূলক শিক্ষার ব্যবস্থা এবং বাণিজ্য মেলা। এর মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালনার সক্ষমতা বাড়ে এবং আনুষ্ঠানিক আর্থিক সেবা সম্পর্কে তারা ধারণা পান। ২০২১ সালে চালু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং চট্টগ্রাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে এক হাজার নারী উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
তৃণমূল পর্যায়ে ব্যবসায়িক জ্ঞান পৌঁছে দেয় ‘আমরাই তারা’ কর্মসূচি: ‘আমরাই তারা’ কর্মসূচির আওতায় নারী উদ্যোক্তাদের মালিকানাধীন ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (ডব্লিউএসএমই) জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তিন দিনব্যাপী নিবিড় কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এসব কর্মশালায় ব্যবসা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা, নথিপত্র ব্যবস্থাপনা, ব্র্যান্ডিং, বিপণন এবং আর্থিক ও ডিজিটাল কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রতি বছর নারী উদ্যোক্তাদের মালিকানাধীন ১,২০০টিরও বেশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের উদ্যোক্তারা প্রশিক্ষণ পান। চার বছরে এই উদ্যোগের কার্যক্রম বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৪০টিতে ছড়িয়ে পড়েছে, যার আওতায় রয়েছে গ্রামীণ, আধা-শহুরে ও শহরাঞ্চল।
‘উদ্যোগ তারা’ (UddogTARA) বাড়ায় ডিজিটাল ব্যবসায়িক দক্ষতা: ‘উদ্যোগতারা’ কর্মসূচিতে বিশেষজ্ঞদের পরিচালনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবসা ব্যবস্থাপনা, কৌশলগত বিপণন, ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাপ্লিকেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) টুল এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ২০২৪ সাল থেকে নারী-মালিকানাধীন ৩০০টি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের জন্য উন্নত ডিজিটাল সাক্ষরতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ প্রশিক্ষণ তাদের অনলাইন বাণিজ্য পরিচালনায় সহায়তা করছে।
পণ্য ও ক্রেতাদের মধ্যে সংযোগ গড়ে তোলে ‘তারা উদ্যোক্তা মেলা’: প্রতি বছর আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘তারা উদ্যোক্তা মেলা’ ঈদকে কেন্দ্র করে কেনাকাটার ব্যস্ততম সময়ে স্থানীয়ভাবে তৈরি পণ্যের প্রচার ও প্রসারে ভূমিকা রাখে। মেলার চারটি আসরে ৪০০ নারী উদ্যোক্তা বিনা মূল্যের স্টলে নিজেদের পণ্য প্রদর্শন করেছেন। এতে তাদের পণ্যের পরিচিতি বাড়ানো, ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিক্রির নতুন সম্ভাবনা খোঁজার সুযোগ তৈরি হয়েছে। মেলায় স্থানীয় উদ্ভাবন ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যও তুলে ধরা হয়।
নিয়মিত বিক্রির সুযোগ তৈরি করে ‘উদ্যোগতারা বাজার-তালিকাভুক্তি কর্মসূচি’: ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রতি তিন মাস পরপর এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এর মাধ্যমে প্রায় ৬০০ নারী উদ্যোক্তা ব্যাংকের কর্মীদের কাছে নিজেদের পণ্য প্রদর্শনের সুযোগ পেয়েছেন। এই কর্মসূচি ও ‘তারা উদ্যোক্তা মেলা’ মিলিয়ে বছরে নারী উদ্যোক্তাদের ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকার বেশি পণ্য বিক্রি হয় এবং ৭০ লাখ টাকার আগাম অর্ডার পান।
ব্রাঞ্চ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আর্থিক সাক্ষরতা কার্যক্রমের বিস্তার: ব্র্যাক ব্যাংক তার ১৯৫টি শাখার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রতি বছর প্রায় ২ হাজার নারী উদ্যোক্তাকে ব্যাংকিং সেবা ও আর্থিক সাক্ষরতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়। অর্থায়ন, দক্ষতা উন্নয়ন ও বাজারে প্রবেশের সুযোগের সমন্বয়ে এসব উদ্যোগ নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা শুরু ও সম্প্রসারণে সহায়তা করে।
নারীদের উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও বাজার সৃষ্টির নানা উদ্যোগ সস্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নারীদের উদ্যোক্তা হয়ে ওঠাকে একটি অর্থনৈতিক সম্ভাবনা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। নারীরা যখন সফল ব্যবসা গড়ে তোলেন, তখন তারা মানুষের জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি করেন, নিজেদের পরিবারের পাশে দাঁড়ান এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখেন। ব্যাংক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো তাদের এই সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ নিশ্চিত করতে সহায়তা করা। আমরা চাই, আরও বেশি নারী দীর্ঘস্থায়ী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলুক এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ গঠনে তাদের কণ্ঠ আরও জোরালো হোক।
২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই–সেপ্টেম্বর) বিশ্বে সবচেয়ে বেশি স্মার্টফোন বাজারজাত করেছে স্যামসাং। এ সময়ে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে দক্ষিণ কোরীয় প্রতিষ্ঠানটির হিস্যা ছিল ২৩ শতাংশ। বাজার গবেষণাপ্রতিষ্ঠান কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তৃতীয় প্রান্তিকে বিশ্ববাজারে ২২ শতাংশ হিস্যা নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে অ্যাপল। তৃতীয় অবস্থানে থাকা শাওমির বাজার হিস্যা ১২ শতাংশ। এ ছাড়া অপোর বাজার হিস্যা ৯ শতাংশ এবং ভিভোর ৮ শতাংশ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেমোরি চিপের ঘাটতির কারণে অধিকাংশ স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সরবরাহব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ পতন হয়েছে। এর ফলে গত ১৪ বছরের মধ্যে তৃতীয় প্রান্তিকে স্মার্টফোন বাজারের আকার সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে।
বাজারে প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও স্যামসাংয়ের স্মার্টফোন সরবরাহ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ শতাংশ কমেছে। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় পণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতি ভালো থাকায় এবং গ্যালাক্সি জেড ফোল্ড৮-এর নেতৃত্বে নতুন ফোল্ডেবল স্মার্টফোন সিরিজের প্রতি ক্রেতাদের আগাম আগ্রহ থাকায় বাজারে শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পেরেছে প্রতিষ্ঠানটি।
তৃতীয় প্রান্তিকের বাজার পরিস্থিতি পেরিয়ে স্যামসাং বিশ্বজুড়ে গ্রাহকদের জন্য উদ্ভাবনী মোবাইল প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং আরও কার্যকর ও অর্থবহ স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেড-এর ২০তম বার্ষিক সাধারণ সভা ২৫ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১১ ঘটিকায় হাইব্রিড প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর কবির। এতে উপস্থিত ছিলেন গ্রুপ চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলমাস শিমুল, পরিচালক মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান, মোঃ আব্দুল আহাদ এবং মোঃ আজিজুল হক, স্বতন্ত্র পরিচালক শফিউল আলম খান চৌধুরী, রেজিনা পারভীন, পরিচালক সাদমান সাইকা সেফা, সালেহীন মুশফিক সাদাফ এবং সায়হাম সাদিক পিয়াল, গ্রুপ সিইও মোঃ মোক্তার হোসেন তালুকদার এফসিএ, গ্রুপ সিএফও এইচএম আশরাফুজ্জামান এফসিএ, সিএফও মোঃ আতিকুর রহমান চৌধুরী, বিধিবদ্ধ নিরীক্ষক, কর্পোরেট গভর্ন্যান্স কমপ্লায়েন্স নিরীক্ষক, স্বতন্ত্র স্ক্রুটিনাইজার এবং কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও বিপুলসংখ্যক শেয়ারহোল্ডার বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ দেন। কোম্পানি সচিব মোঃ মোশাররফ হোসেন সভা সঞ্চালনা করেন।
সভায় ৩০ জুন ২০২৬ সমাপ্ত বছরের কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন, সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষা প্রতিবেদন এবং পরিচালনা পর্ষদের প্রতিবেদন সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়। সভায় ৩০ জুন ২০২৬ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য স্পনসর ও পরিচালক ব্যতীত শুধুমাত্র সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ঘোষিত ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদিত হয়। সভায় কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে পাঁচ বছরের জন্য পুনর্নিয়োগ অনুমোদিত হয়। স্বতন্ত্র পরিচালক পদে রেজিনা পারভীনকে তিন বছরের জন্য নিয়োগ এবং শফিউল আলম খান চৌধুরীকে তিন বছরের জন্য পুনর্নিয়োগ অনুমোদিত হয়।
স্বাগত বক্তব্যে কোম্পানির চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর কবির বলেন, বাংলাদেশে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নগরায়ণ, শিল্পায়ন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিস্তারের সঙ্গে মানসম্পন্ন ইস্পাত পণ্যের চাহিদা দীর্ঘমেয়াদে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি, অর্থায়ন ব্যয়ের স্থিতিশীলতা এবং নির্মাণ ও অবকাঠামো খাতে পুনরায় গতি সঞ্চারিত হলে ইস্পাত শিল্পেও ইতিবাচক পরিবর্তনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্য জিপিএইচ ইস্পাত তার উৎপাদন সক্ষমতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, মানবসম্পদ এবং ব্যবসায়িক সক্ষমতাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
গ্রুপ চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে কোম্পানির সামগ্রিক কার্যক্রম বর্ণনা করে বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ঋণের উচ্চ ব্যয়, জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি, চলতি মূলধন সংকট এবং প্রতিকূল ব্যাংকিং পরিস্থিতিতে নতুন মূলধন সংগ্রহের চাপসহ বিভিন্ন সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি অবকাঠামো এবং আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগ ও বাস্তবায়নের গতি কমে যাওয়ায় নির্মাণ কার্যক্রম সামগ্রিকভাবে মন্থর ও নিম্নমুখী রয়েছে। একই সঙ্গে ইস্পাত শিল্পের অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা এবং শিল্পখাতে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে পণ্যের মূল্য ও মুনাফার ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া, প্রাকৃতিক গ্যাসের সীমিত ও অনিয়মিত সরবরাহ উৎপাদন কার্যক্রমকে ব্যাহত করেছে। চ্যালেঞ্জিং ব্যবসায়িক পরিবেশের মধ্যেও জিপিএইচ ইস্পাত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং বিক্রয় কার্যক্রমকে বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখার মাধ্যমে ব্যবসায়িক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে এবং পণ্যের উচ্চমান ও গ্রাহকদের আস্থা অক্ষুণ্ণ রেখেছে।
অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলমাস শিমুল শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশে বলেন, জিপিএইচ ইস্পাতে যারা বিনিয়োগ করেছেন, তাঁদের বিনিয়োগ নিরাপদ রাখতে পরিচালনা পর্ষদ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর জন্য কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ এবং ম্যানেজমেন্ট কারখানার উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সেলস অ্যান্ড মার্কেটিংকে আরও বিস্তৃত করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি সকলের উপস্থিতি এবং সমর্থনের জন্য সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) অক্টোবর ২৫, ২০২৬ তারিখে আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করেছে তাদের প্রতিষ্ঠার ২৭তম বার্ষিকী। “27 Years Anchored In Trust” প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই উৎসব ব্যাংকটির এক অনুপ্রেরণামূলক ও সফল যাত্রার এক অনন্য মাইলফলক।
রাজধানীর গুলশানে এমটিবি সেন্টারে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এমটিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী, সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিবিও, চৌধুরী আখতার আসিফসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানে অতিথিদের অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য, এমটিবি’র ২৭ বছরের পথচলার স্মৃতিচারণা, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা এবং কেক কাটা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
সৈয়দ মাহবুবুর রহমান তাঁর বক্তব্যে নিয়ন্ত্রক সংস্থা, সকল এমটিবিয়ান, গ্রাহক, অংশীদার এবং মিডিয়ার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন যে, গত ২৭ বছরের এই পথচলায় মানুষের অকৃত্রিম বিশ্বাস-ই হলো এমটিবি’র সবচেয়ে বড় শক্তি।
এমটিবি টাওয়ারসহ দেশের সব শাখা ও উপশাখায় দিনটি অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়, যা উদ্ভাবন, স্থায়িত্ব এবং গ্রাহককেন্দ্রিক ব্যাংকিংয়ের প্রতি ব্যাংকের অবিচল প্রতিশ্রুতিকে আরও সুদৃঢ় করে।
‘এনআরবিদের জন্য এনআরবি ব্যাংক’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে নন রেসিডেন্ট কনর্ভাটেবল টাকা এ্যাকাউন্ট প্রডাক্ট চালু করেছে এনআরবি ব্যাংক পিএলসি।
বাংলাদেশে প্রথম ব্যাংক হিসেবে এই সেবা চালু করলো এনআরবি ব্যাংক। রবিবার (২৫ অক্টোবর ২০২৬) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব তারেক রিয়াজ খান আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রডাক্ট চালু করেন।
এসময় ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালবৃন্দ জনাব আনোয়ার উদ্দিন ও জনাব কিমিওয়া সাদ্দাত, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব এম রাশিদুল হুদা ও রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান জনাব অলি আহাদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেড (“এসএলএনজি”) গর্বের সঙ্গে জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি তাদের ৩০০তম ‘শিপ-টু-শিপ’ (এসটিএস) কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করার মাইলফলক উদযাপন করছে। বিশ্বমানের নিরাপত্তা ও পরিচালনগত উৎকর্ষের প্রতি অবিচল অঙ্গীকার বজায় রেখেই তারা এই সাফল্য অর্জন করেছে তারা।
শুধুমাত্র ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরেই, টার্মিনালটি দেশের মোট গ্যাস চাহিদার প্রায় ১৮ শতাংশ সরবরাহ করেছে, যা বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এক অপরিহার্য ভূমিকা পালন করেছে। ২০১৯ সালের এপ্রিলে কার্যক্রম শুরুর পর থেকে, এসএলএনজি (SLNG) মোট ৪১,৮৫৩,২৯৪ ঘনমিটার এলএনজি (LNG) গ্রহণ করেছে এবং জাতীয় গ্যাস গ্রিডে প্রায় ৯৪৫,৩৩৭,৩০৬ এমএমবিটিইউ (MMBTU) রিগ্যাসিফাইড লিকুইফাইড ন্যাচারাল গ্যাস (RLNG) সরবরাহ করেছে।
দক্ষতার সাথে, নিরাপদে এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে শিপ-টু-শিপ (STS) ও টার্মিনাল কার্যক্রম পরিচালনায় অসামান্য সহায়তার জন্য এক্সিলারেট এনার্জি এলপি এবং পিএসএ মেরিন সিঙ্গাপুর' এর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে এসএলএনজি।
এসএলএনজি'র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আমাদের সম্মানিত গ্রাহক—বাংলাদেশ সরকার, পেট্রোবাংলা, এবং আরপিজিসিএলকে—সামিটের প্রতি তাদের আস্থা রাখার জন্য কৃতজ্ঞ। এছাড়াও, এসএলএনজি তার বিদেশি ঋণদাতাদের, যেমন এসএমবিসি, সিঙ্গাপুর এবং অন্যান্যদের কাছ থেকে পাওয়া সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্বীকার করছে। তাদের এই অংশীদারিত্ব সামিট এলএনজি টার্মিনালের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এসএলএনজি তাদের এই সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ইঞ্জিনিয়ারিং ও শ্রেণিবিভাগ অংশীদার বিশেষ করে ম্যাকগ্রেগর, জি-ওশান, DNV, ব্যুরো ভেরিটাস (BV), শেলফ সাবসি এবং জিওসিন এর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। এসএলএনজি অত্যন্ত সম্মানিত যে, বিশ্বব্যাপী শীর্ষ তেল ও গ্যাস কোম্পানি—কাতার গ্যাস, বিপি, শেল, টোটাল, শেভরন শিপিং, চেনিয়ের এনার্জি, পেট্রোনাস এবং NLNG—টার্মিনালটিকে নিরাপদ ও আন্তর্জাতিক মানসম্মত হিসেবে যাচাই করেছে।
সামিট এলএনজি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আমরা বিভিন্ন সরকারি ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অসামান্য সহযোগিতাকে কৃতজ্ঞতার সাথে স্বীকার করছি। তন্মধ্যে নৌপরিবহন অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, পরিবেশ অধিদপ্তর, বিডা (BIDA), বিইআরসি (BERC), বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, কাস্টমস, এনবিআর (NBR), আরজেএসসি (RJSC), বিস্ফোরক পরিদপ্তর, বাংলাদেশ ব্যাংক, জিটিসিএল (GTCL), বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, মহেশখালী উপজেলা প্রশাসন, বিআইডব্লিউটিএ (BIWTA), মৎস্য অধিদপ্তর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, রিভার পুলিশ এবং কক্সবাজার জেলা প্রশাসনসহ অসংখ্য সরকারি ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অমূল্য সহায়তার কথা আমরা গভীর কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি।
পাশাপাশি, সমুদ্রের মাঝে এসটিএস (STS) কার্যক্রমের ধারাবাহিক সাফল্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সহযোগিতার জন্য এসএলএনজি (SLNG) এলএনজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে—কাতার এনার্জি, বিপি শিপিং, নকিলাত শিপিং, মারান গ্যাস মেরিটাইম, এমওএল এলএনজি শিপম্যানেজমেন্ট, এনওয়াইকে (NYK), কে-লাইন, হুঘ এলএনজি (Höegh LNG), টিকায় শিপিং, গোলার এলএনজি (Golar LNG), শেল ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডিং অ্যান্ড শিপিং কোম্পানি লিমিটেড (STASCO), টোটাল এনার্জিজ, শেল, ভিটল, বিপি গ্যাস, অ্যাঙ্গোলা এলএনজি, ইএনএন এলএনজি (ENN LNG), টোটাল গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার, শেনিয়ার (Cheniere), পেট্রোচায়না, এক্সনমোবিল এলএনজি এবং এক্সিলারেট।
পরিশেষে, এসএলএনজি (SLNG) অত্যন্ত গর্বের সাথে তার কর্মীদের নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব এবং সহনশীলতাকে উদযাপন করছে—যাদের অকৃত্রিম ও নিরবচ্ছিন্ন অঙ্গীকারের কারণেই প্রতিদিন টার্মিনালটি নিরাপদ ও দক্ষতার সাথে পরিচালিত হচ্ছে।
সৌদি আরবের জেদ্দায় চার দিনব্যাপী চতুর্থ 'সৌদি ফ্যাশন অ্যান্ড টেক্স এক্সপো ২০২৬' শুরু হয়েছে। জেদ্দা ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এ মেলায় বাংলাদেশের ১১টি পোশাক ও ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) আর্থিক সহায়তা এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেট জেনারেলের সহযোগিতায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন স্থাপন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এক্সপোর উদ্বোধন করেন জেদ্দা চেম্বার অব কমার্সের ভাইস চেয়ারম্যান ইমাদ মোহাম্মদ আল আবউদ।
পরে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং সৌদি ফেডারেশন অব চেম্বারের সদস্য ও সৌদি রিজিওনাল বিজনেস কাউন্সিল ফর সাউথ ইস্ট এশিয়ার এক্সিকিউটিভ বোর্ড সদস্য ওসামা কোউকানদি যৌথভাবে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন করেন। এ সময় মিনিস্টার (কমার্শিয়াল) সৈয়দা নাহিদা হাবিবা, কনসুলেটের কর্মকর্তা, সৌদি ব্যবসায়ী, আমদানিকারক, প্রবাসী ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো জাকারিয়া নিটওয়্যার লিমিটেড, আলেয়া এপারেলস লিমিটেড, এম এস এএইচ কিউ অ্যাপপেরেলস, মডেস্ট অ্যাট্যায়ার বাই জাহান, ইতন ফ্যাশনস লিমিটেড, স্বপ্নীল হাউজ, বনুম গার্মেন্টস লিমিটেড, বেল বটম লিমিটেড, মার্কার, সাওদা ফ্যাশন ও আল নূর গার্মেন্টস লিমিটেড।
ইপিবির উদ্যোগে পৃথক একটি বুথে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, উৎপাদন সক্ষমতা ও রপ্তানিযোগ্য পণ্য নিয়ে তথ্যচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে।
আয়োজক পিরামিডস গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, এবারের এক্সপোতে ৫৫০টির বেশি বুথ রয়েছে। বিশ্বের ২৫টির বেশি দেশ থেকে প্রায় ১০ হাজার বাণিজ্য দর্শনার্থী ও ক্রেতার অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ মেলার মাধ্যমে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের নতুন ক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে। প্রদর্শনী চলবে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
গ্রাহকদের জন্য প্রিমিয়াম লাইফস্টাইল, ভ্রমণ, ডাইনিং ও পেমেন্ট সুবিধার সমন্বয়ে নতুন ‘ভিসা সিগনেচার ক্রেডিট কার্ড’ চালু করেছে মিডল্যান্ড ব্যাংক। সম্প্রতি ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কার্ডটি উদ্বোধন করা হয়।
মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমতিয়াজ ইউ আহমেদ নতুন এই ক্রেডিট কার্ডের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. জাহিদ হোসেন ও মো. নাজমুল হুদা সরকার এবং কার্ড বিভাগের প্রধান মো. আবেদ-উর-রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে মিডল্যান্ড ব্যাংক।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রাহকদের প্রিমিয়াম ও আকর্ষণীয় পেমেন্ট অভিজ্ঞতা প্রদানের লক্ষ্যে ভিসা সিগনেচার ক্রেডিট কার্ডটি আনা হয়েছে। এই কার্ডে গ্রাহকেরা সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্রেডিট লিমিট এবং সর্বোচ্চ ৪৫ দিন পর্যন্ত সুদমুক্ত সুবিধা পাবেন। এ কার্ডের প্রতিটি কেনাকাটায় ৮ গুণ রিওয়ার্ড পয়েন্ট ও ডুয়াল কারেন্সি সুবিধা রয়েছে। সেই সঙ্গে আছে দেশি-বিদেশি এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ ব্যবহারের সুযোগ, সুবিধাজনক এয়ারপোর্ট পিকআপ ও ড্রপ সেবা এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুবিধা। এ ছাড়া নির্বাচিত হোটেলে বাই ওয়ান গেট ওয়ান অফার, বুফে ডাইনিং ও থাকার সুবিধা রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ কার্ডধারীরা ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত ফান্ড ট্রান্সফারের পাশাপাশি বিমা, অনলাইন শপিং, টিউশন ফি ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধ করতে পারবেন। এ ছাড়া মোবাইল টপ-আপ, এনএফসি কন্ট্যাক্টলেস পেমেন্ট এবং বিকাশ, নগদ, রকেট ও উপায়ের মতো সার্ভিস থেকে বিনা মূল্যে অ্যাড মানি করার সুবিধাও আছে এ কার্ডে।
কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষকদের আর্থিক সক্ষমতা উন্নয়ন এবং দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশেষ সিএসআর কর্মসূচির আওতায় বগুড়ার বাগবাড়ী, পদ্মপাড়া ও মহাস্থানগড় এলাকায় সম্প্রতি ৩,০০০ প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ করেছে এনসিসি ব্যাংক পিএলসি। বিতরণকৃত উপকরণের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন জাতের সবজি বীজ, সরিষা বীজ, বিভিন্ন ধরনের সার এবং কীটনাশক।
বাগবাড়ী, গাবতলীর সরকারি শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ আয়োজিত অনুষ্ঠানে বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ মিলটন প্রধান অতিথি এবং এনসিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুন নেওয়াজ সেলিম সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রন্তিক কৃষকদের মাঝে উক্ত কৃষি উপকরণ সমূহ বিতরণ করেন। বগুড়ার জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে এনসিসি ব্যাংকের ভাইস-চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সালাম, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান খায়রুল আলম চাকলাদার, ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ জাকির আনাম, পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ প্রামাণিক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সোহেল মোঃ শামসুদ্দিন ফিরোজ, গাবতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাফিজুর রহমানসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট এলাকার গণ্য মান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য মোরশেদ মিলটন কৃষকদের কল্যাণে এনসিসি ব্যাংকের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, কৃষি উপকরণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর এ উদ্যোগ স্থানীয় কৃষি ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তিনি কৃষকদের উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে এ ধরনের উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এনসিসি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।
এনসিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরুন নেওয়াজ সেলিম বলেন, “এনসিসি ব্যাংক কেবল মুনাফা অর্জনের জন্য কাজ করে না; বরং সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাই কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে কৃষকদের উন্নয়নে বগুড়া জেলার কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন ধরনের বীজ, সার ও কীটনাশক বিতরণ করা হলো। ভবিষ্যতে অন্যান্য জেলার প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণসহ উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণের সুবিধা বৃদ্ধি এবং আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণেও সহায়তা প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে।”
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন বলেন, “দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করার লক্ষ্যে এনসিসি ব্যাংক বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে অত্র এলাকার প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে। আমরা আশা করি, এ উদ্যোগ বগুড়া অঞ্চলের কৃষকদের সরিষা ও সবজি চাষে আরও উৎসাহিত করবে, উৎপাদন ব্যয় কমাতে সহায়তা করবে এবং সামগ্রিক কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে।”
পদ্মপাড়া হাফিজিয়া মাদরাসা ও কারিগরি এতিমখানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত অপর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু এবং মহাস্থানগড়ের মহাস্থান শাহ সুলতান বলখী ফাজিল মাদরাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম. আর. ইসলাম স্বাধীন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রন্তিক কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করেন।