ঈদুল ফিতর ও পহেলা বৈশাখের ছুটিকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হবে সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের বেলাভূমি ‘সাগরকন্যা’ কুয়াকাটায়। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর ব্যাপকভাবে পর্যটক দেখা গেছে কুয়াকাটায়। তাই এবারের ঈদে ব্যবসা-বাণিজ্য গতি পাবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। এরই মধ্যে ৬০ শতাংশ হোটেল মোটেল কক্ষ বুকিং হয়েছে বলে হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পর্যটকদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও সেবা দিতে প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পৌর কর্তৃপক্ষ।
খুশির ছোঁয়া লেগেছে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যে, ইতোমধ্যে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাজিয়েছেন আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁ। বেচাকেনার জন্য তৈরি রয়েছে রাখাইন মহিলা মার্কেট, ঝিনুক মার্কেট, বার্মিজ আচার, কাঁকড়া ফ্রাই, পর্যটকদের ছবি তোলার জন্য প্রস্তুত ক্যামেরাম্যান। চটপটি-ফুচকার দোকানে দেখা গেছে মানুষের আনাগোনা। কুয়াকাটা দর্শনীয় স্থানগুলো ভ্রমণ করাতে প্রস্তুত , মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা চালক, কুয়াকাটা থেকে সমুদ্রপথে বিভিন্ন দ্বীপ ও বনাঞ্চল ভ্রমণ করানোর জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ট্যুরিস্ট বোট, স্পিড বোট ও ওয়াটার বাইক ।
কুয়াকাটা সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে পূর্ব ও পশ্চিমে মনোমুগ্ধকর ১৮ কিলোমিটার বেলাভূমি রয়েছে। পর্যটকরা এখানকার ট্যুরিজম পার্ক, জাতীয় উদ্যান (ইকোপার্ক), শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহার, সীমা বৌদ্ধ বিহার ঘুরে দেখেন। এ ছাড়া কুয়াকাটার পশ্চিমে সমুদ্র পথে ফাতরার বন, সোনাকাটা ফকিরহাট (ইকোপার্ক), লাল কাঁকড়ার চর, লেম্বুর বন, শুটকি পল্লি ও ভ্রমণপিপাসুদের আগ্রহের কেন্দ্রে থাকে।
আচার বিক্রেতা মো. জহির রায়হান বলেন, নানা ধরনের দেশি বিদেশি আচার ও চকলেট উঠেয়েছি দোকানে। টানা ছুটিতে কুয়াকাটায় হাজারো পর্যটকের আনাগোনা থাকবে। তাদের কাছে আমরা বাহারী স্বাদের আচার ও চকলেট বিক্রি করব। দাম ও মানের বিষয়ে আমরা পর্যটকদের কথা মাথায় রাখি বরাবরই।
অভিজাত আবাসিক সিকদার রিসোর্ট এন্ড ভিলার্স এবং ওসান ভিউ হোটেল এন্ড কনভেনশন এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার মো. আল-আমীন খান বলেন, ‘আমাদের এখন পর্যন্ত ৫০ শতাংশ অগ্রীম বুকিং সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিক্ষণই পর্যটকরা ফোনে খোঁজ-খবর নিচ্ছে। আশাবাদী শতভাগ রুম বুক হয়ে যাবে। আমরা পর্যটকদের জন্য স্পেশাল ডিসকাউন্ট রেখেছি।’
হোটেল মোটেল ওনার্স অসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরিফ বলেন, ‘আমরা আশাবাদী পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পহেলা বৈশাখের ছুটিকে কেন্দ্র করে কুয়াকাটায় অনেক ট্যুরিস্টের আগমন হবে। আবার আগের মত প্রাণ খুঁজে পাবে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত, হাসি ফুটবে সকল ব্যবসায়ীদের মনে। হোটেল মোটেল গুলোতে ৬০ শতাংশের মত আগাম বুকিং হয়েছে।’
কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘ঈদ পরবর্তী সময়ে কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড় বাড়বে এমন ধারণা মাথায় রেখেই আমরা প্রস্তুতি সভা করেছি। ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি দল সার্বক্ষণিক মাঠে থাকবে। চিকিৎসক দল, ফায়ার সাভির্স অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সদসরাও তৈরি রয়েছে।
টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘কুয়াকাটায় ঘুরতে আসা সব পর্যটকের সেবা দেওয়া ও আইনি সহায়তা দেওয়া আমাদের কর্তব্য। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কুয়াকাটায় অনেক পর্যটক আসবে, তাই আমরা অনেক নিরাপত্তাব্যবস্থা করেছি। সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। সাদা পোশাকে আমাদের সদস্যরা টহলে থাকবেন। আশা করছি আমরা পর্যটকদের শতভাগ নিরাপত্তা দিতে পারব।’
কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র মো. আনোয়ার হাওলাদার জানান, এবারের ঈদুল ফিতরের লম্বা ছুটিতে অনেক বেশি পর্যটক আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই নিরাপত্তাসহ সবকিছু বিবেচনা করেই এবার ঈদের ছুটিতে আগত পর্যটকদের সেবা দিতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের উদ্যোগে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত রূপায়ণ লেক ক্যাসেল কনডোমিনিয়াম প্রকল্পে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন ‘রূপায়ণ প্রপার্টি ফেয়ার ২০২৬’। ২০ অক্টোবর শুরু হওয়া এ মেলা চলবে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত।
মেলার উদ্বোধন করেন রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের ডেপুটি চিফ বিজনেস অফিসার মো. সাদ্দাম হোসেন। এ আয়োজনের মাধ্যমে আগ্রহী ক্রেতারা রূপায়ণ লেক ক্যাসেলের প্রস্তুত ফ্ল্যাট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন এবং বিশেষ সুযোগ-সুবিধায় পছন্দের ফ্ল্যাট কেনার সুযোগ পাবেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে মো. সাদ্দাম হোসেন বলেন, “রূপায়ণ লেক ক্যাসেল বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক কনডোমিনিয়াম প্রকল্প। আধুনিক জীবনযাপনের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা, নান্দনিক স্থাপত্য ও পরিকল্পিত আবাসনব্যবস্থার সমন্বয়ে প্রকল্পটি ক্রেতাদের জন্য একটি আকর্ষণীয় আবাসন গন্তব্য।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের হেড অব মার্কেটিং শরীফুল ইসলাম তারেক বলেন, “রূপায়ণের এক্সক্লুসিভ প্রকল্পগুলোর মধ্যে রূপায়ণ লেক ক্যাসেল অন্যতম। এখানে বসবাসকারীরা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশে আধুনিক জীবনযাপনের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা উপভোগ করছেন। প্রকল্পটিতে সুইমিং পুল, জিমনেসিয়াম, শিশুদের খেলার জায়গা, সুপারশপ ও মেডিসিন কর্নারসহ বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে।”
তিনি আগ্রহী ক্রেতাদের রূপায়ণ প্রপার্টি ফেয়ার ২০২৬ পরিদর্শন এবং এ আয়োজনের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের বসুন্ধরা জোনাল হেড টারজান চৌধুরী, ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং ম্যানেজার ওবায়দুল করিম মাসুম এবং ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের নূর হোসেনসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
তিন দিনব্যাপী এ মেলায় আগ্রহী ক্রেতারা রূপায়ণ লেক ক্যাসেলের আবাসনসুবিধা সরেজমিনে দেখার পাশাপাশি প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ ও ফ্ল্যাট কেনার বিষয়ে বিস্তারিত জানার সুযোগ পাবেন।
সোনালী ব্যাংক পিএলসির বিভিন্ন স্থাপনায় বিদ্যুৎ ব্যয় হ্রাস ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে রাজধানীর উত্তরায় সোনালী ব্যাংক স্টাফ কলেজে ১১৫ kWp ক্ষমতার অনগ্রিড সোলার সিস্টেমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
ফিতা কেটে স্টাফ কলেজের ছাদে স্থাপিত সোলার সিস্টেমের উদ্বোধন করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. শওকত আলী খান। এর আগে স্টাফ কলেজের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন তারা।
স্টাফ কলেজের প্রিন্সিপাল মো. ফজলুল হকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্টাফ কলেজের ফ্যাকাল্টি, ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাহী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাসহ প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডিজিটাল লেনদেনের আওতা বাড়ানো এবং প্রাতিষ্ঠানিক ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ তৈরিতে যৌথভাবে কাজ করবে ব্র্যাক ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএফপিআরআই। গেটস ফাউন্ডেশনের সহায়তায় দুই বছর মেয়াদি এ উদ্যোগের আওতায় ৫০ হাজার কৃষক ও ১ হাজার ৫০০ কৃষি উপকরণ বিক্রেতাকে যুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
ব্র্যাক ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
‘ফিনোভিশন’ (FINNOVISION) নামের ব্যাংকটির ইমপ্যাক্ট-ড্রিভেন এসএমই ইনোভেশন ল্যাবের আওতায় এ পাইলট উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৮ সালের অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এটি। উদ্যোগের আওতায় কৃষক ও কৃষি উপকরণ বিক্রেতাদের ডিজিটাল লেনদেনের ইতিহাস কাজে লাগিয়ে ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা মূল্যায়ন করা হবে। এর ফলে এত দিন অনানুষ্ঠানিক উৎস থেকে ঋণ নেওয়া কৃষক ও ব্যবসায়ীদের প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়ন পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
এ অংশীদারত্বের আওতায় ব্র্যাক ব্যাংকের ‘আস্থা’, ‘সাফল্য’ ও ‘জীবিকা’ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং এজেন্ট ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ডিজিটাল পেমেন্ট ও ঋণসেবা চালু করা হবে। অন্যদিকে, আইএফপিআরআই উদ্যোগটির কার্যকারিতা ও প্রভাব নিয়ে গবেষণা করবে। দৈবচয়নভিত্তিক মূল্যায়নের মাধ্যমে ডিজিটাল সেবা গ্রহণে সহায়ক বিষয়গুলো চিহ্নিত করা হবে। পাশাপাশি উদ্যোগটি কতটা কার্যকর এবং বৃহত্তর পরিসরেবাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা যাচাই করা হবে। গবেষণার ফলাফল নীতিনির্ধারণ ও দেশব্যাপী উদ্যোগটি সম্প্রসারণের পরিকল্পনায় সহায়তা করবে।
এ অংশীদারত্ব চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন ব্র্যাক ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন এবং আইএফপিআরআইয়ের ডিরেক্টর জেনারেল জোহান সোয়িনেন। এ সময় ব্র্যাক ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব হোলসেল ব্যাংকিং মো. শাহীন ইকবাল উপস্থিত ছিলেন।
আইএফপিআরআইয়ের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. কেট অ্যাম্বলার, বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. মুগ্ধ মহজাব এবং রিসার্চ ফেলো ও প্রকল্পপ্রধান ড. মেহরাব বখতিয়ার।
সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেছেন, কৃষক ও ক্ষুদ্র কৃষিভিত্তিক ব্যবসা দেশের অর্থনীতি ও খাদ্যনিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও তাঁদের অনেকেই প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়ন পেতে বাধার মুখে পড়েন। দৈনন্দিন ডিজিটাল লেনদেনের তথ্য ব্যবহার করে তাঁদের আর্থিক কার্যক্রমের চিত্র পাওয়া এবং ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা মূল্যায়ন সহজ করা সম্ভব। এ উদ্যোগ ডিজিটাল লেনদেন ও প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়নের মধ্যকার ব্যবধান কমাবে। পাশাপাশি কৃষক ও কৃষি উপকরণ বিক্রেতাদের চলতি মূলধন ব্যবস্থাপনা, ব্যবসা শক্তিশালী করা এবং সম্প্রসারণে সহায়তা করবে।
গেটস ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি প্রোগ্রাম অফিসার স্নিগ্ধা আলী বলেছেন, একটি শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক ও আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে নিয়ে আসার মাধ্যমে বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। কৃষকের দৈনন্দিন ডিজিটাল লেনদেন প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ পাওয়ার পথ তৈরি করতে পারে। গবেষণার মাধ্যমে উদ্যোগটির কার্যকারিতা যাচাই করে দেশজুড়ে কৃষকদের কাছে এ সেবা পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
আইএফপিআরআইয়ের রিসার্চ ফেলো ও প্রকল্পপ্রধান ড. মেহরাব বখতিয়ার বলেছেন, বাংলাদেশের অনেক কৃষক এখনো প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে রয়েছেন। ডিজিটাল আর্থিক সেবা কৃষকদের জীবনে কী ধরনের পরিবর্তন আনে এবং তাঁদের এ ব্যবস্থার আওতায় আনতে কী প্রয়োজন, তা গবেষণার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে। এ গবেষণার ফলাফল সফল পরীক্ষামূলক উদ্যোগটিকে কৃষি অর্থায়নের জাতীয় মডেলে রূপ দিতে সহায়তা করবে।যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে সদর দপ্তর অবস্থিত আইএফপিআরআই খাদ্যনীতি বিষয়ে গবেষণাকারী একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান। এটি আন্তর্জাতিক কৃষি গবেষণা অংশীদারত্ব সিজিআইএআরের (CGIAR) অংশ।
উদ্যোক্তাদের অবদান স্বীকৃতি ও এমএসএমই গ্রাহকদের সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে ট্রাস্ট ব্যাংকের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘উদ্যোক্তা উৎসব সিলেট ২০২৬’।
প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের এমডি ও সিইও আহসান জামান চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এসএমই ডিভিশন প্রধান সাদাত আহমেদ খান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সিলেট কার্যালয়ের পরিচালক নওশাদ মোস্তফা এবং এসএমইএসপিডি বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক সুধাংশু রঞ্জন দেব।
অনুষ্ঠানে করপোরেট গ্রাহকরা অংশ নেন। ব্যবসায়িক সাফল্য ও ব্যাংকের সঙ্গে সুসম্পর্কের স্বীকৃতিস্বরূপ নির্বাচিত গ্রাহকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।
গ্রাহকদের চিকিৎসাসংক্রান্ত ভ্রমণ সুবিধা দিতে মিডল্যান্ড ব্যাংক এবং প্ল্যান মেডি ট্রিপ লিমিটেডের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
চুক্তির আওতায় ব্যাংকের কার্ডধারী, গ্রাহক ও কর্মীরা ভারত, থাইল্যান্ড ও চীনে বিশেষ চিকিৎসাসেবা পাবেন। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন মিডল্যান্ড ব্যাংকের ডিএমডি মো. জাহিদ হোসেন এবং প্ল্যান মেডি ট্রিপের এমডি ফ্লোরা নাজনীন।
অনুষ্ঠানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আবেদ-উর-রহমান, মো. জুবায়েদ উর রহমান ও মো. রাশাদুল আনোয়ার এবং প্ল্যান মেডি ট্রিপের চেয়ারম্যান সৈকত ভদ্র, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার ফাতিমা তুজ জোহরা ও এক্সিকিউটিভ মোছা. সাদিয়া খাতুন উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ব চাহিদার সঙ্গে মিল রেখে তৈরি পোশাক খাতে পরিবেশগত নিরাপত্তা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মধ্যে রপ্তানি বাণিজ্যে টিকে থাকতে কারখানাগুলোকে তথ্যসমৃদ্ধ ও নির্ভরযোগ্য হতে হবে। এই বাস্তবতায় পোশাক খাতে ‘ইএসজি ড্যাশবোর্ড’ চালু করেছে তৈরি পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিজিএমইএ।
গত সোমবার পোশাক খাতে পরিবেশগত, সামাজিক ও সুশাসন (ইএসজি) সম্পর্কিত প্ল্যাটফর্মটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পণ্যের গন্তব্য দেশের নীতিমালা মেনে পরিবেশবান্ধব কারখানা, নবায়নযোগ্য শক্তি ও কার্বন কমানোর ক্ষেত্রে পরিবেশগত মানদণ্ড, ন্যায়সঙ্গত মজুরি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ, সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা-সংক্রান্ত তথ্যউপাত্ত প্রাপ্তি, বিশ্লেষণ ও প্রবণতা বোঝার ড্যাশবোর্ড এটি।
রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এতে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম মাসরুর রিয়াজ, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বিআইজিডির রিসার্চ পরিচালক অধ্যাপক মুন্সি সোলায়মান ও ম্যাপড ইন বাংলাদেশের (এমইবি) টেকনিক্যাল লিড অধ্যাপক মতিন আব্দুল্লাহ। স্বাগত বক্তব্য দেন বিজিএমইএর পরিচালক শেখ হোসেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজ।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, বিগত সরকারের দুর্বল নীতির কারণে বিপুলসংখ্যক মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে। বর্তমান সরকার ভঙ্গুর অর্থনীতি সংস্কার, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে জোর দিচ্ছে। আগামীতে দেশের রূপকল্প বাস্তবায়নে পোশাক শিল্পের গতিশীল নেতৃত্ব বড় ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে কারখানাগুলোকে তথ্যসমৃদ্ধ ও নির্ভরযোগ্য হতে হবে। ইতোমধ্যে ৩২৬টি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হলেও শিগগিরই পোশাক খাতের যৌথ সুরক্ষায় এটি বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ সদস্যদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হবে।
বিজিএমইএ পরিচালক শেখ হোসেন মোহাম্মাদ মোস্তাফিজ বলেন, কমপ্লায়েন্সকে কেবল নিয়ম রক্ষার মধ্যে না রেখে ব্যবসায়িক সক্ষমতায় রূপান্তর করাই এই প্ল্যাটফর্মের উদ্দেশ্য।
ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার সরকারের সংস্কার এজেন্ডায় পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, কেবল গতানুগতিক নিয়ম পালন নয়, টেকসই শিল্প পরিচালনাই দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের প্রধান শর্ত।
বিআইজিডির গবেষণা পরিচালক প্রফেসর মুন্সি সোলায়মান দেশের সব পোশাক কারখানাকে এই ব্যবস্থার আওতায় আনার আহ্বান জানান।
এ ছাড়া ম্যাপড ইন বাংলাদেশের কারিগরি প্রধান অধ্যাপক মতিন আব্দুল্লাহ প্ল্যাটফর্মটির কারিগরি দিকের ওপর আলোকপাত করেন। ডেনমার্ক দূতাবাসের আর্থিক সহায়তায় এবং বিআইজিডি ও এমআইবির কারিগরি যৌথতায় বিজিএমইএ এ সম্পর্কিত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এমটিএম অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের তৃতীয় অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে অনুষ্ঠিত এই অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাদিয়া নূর খান ও পিএস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহিদ হোসেন। এ ছাড়া ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম জাহিদ অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।
প্রধান অতিথি ইসমাইল জবিউল্লাহ তাঁর বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এমটিএম অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি মাস্টার অব ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রামটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত মাস্টার অব ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম আবার চালু করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অনুরোধ জানাবেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত সভাপতি মুসতবা ইশতিয়াক আহমদ, ইভেন্ট চেয়ার হোসাইন আব্দুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেন ও ইভেন্ট কো–চেয়ার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। অভিষেক অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কে এম এনায়েতুল করিম হেলাল।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের শাখাগুলো নিয়ে একটি স্ট্র্যাটেজিক কনক্লেভ সম্প্রতি বগুড়ার একটি স্থানীয় হোটেলে হাইব্রিড মডেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শাখাগুলোর ব্যবসায়িক কার্যক্রমের কৌশল পর্যালোচনা এবং গ্রাহকসেবার মান আরও উন্নত করার লক্ষ্যে এ কনক্লেভের আয়োজন করা হয়।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এহতেশামুল হক খান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। বক্তব্যে তিনি বলেছেন, গ্রাহকদের জন্য ‘বেস্ট সলিউশন পার্টনার’ তথা ‘বিশ্বস্ত সহযোগী’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
কনক্লেভে রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের শাখা ও উপশাখার কর্মকর্তা, রকেট ও এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আঞ্চলিক প্রধান এবং এডিসি সুপারভাইজাররা অনলাইনে অংশ নেন।
‘বিশ্বজুড়ে একদিন, আমাদের গর্বের দিন’ প্রতিপাদ্যে সিলেটে উদযাপিত হয়েছে আন্তর্জাতিক শেফ দিবস ২০২৬। এ উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা, রান্নাবিষয়ক পরামর্শ ও কুইজ প্রতিযোগিতাসহ দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন সিলেট বিভাগের পাঁচ শতাধিক শেফ ও রন্ধনশিল্পী।
মঙ্গলবার সকালে নগরীর মির্জাজঙ্গল এলাকার একটি কনভেনশন সেন্টারে শেফস অ্যান্ড কুকস অব সিলেট ডিভিশনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে সকালে কনভেনশন সেন্টার থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবারও কনভেনশন সেন্টারে এসে শেষ হয়। পরে শেফদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা পর্ব। এতে রান্নার বিভিন্ন কৌশল, খাবারের মান বজায় রাখা এবং রন্ধনশিল্পের উন্নয়নে নানা পরামর্শ তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে রান্নায় ব্যবহৃত দেশের স্বনামধন্য ব্র্যান্ড রাঁধুনী এবং স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের বিভিন্ন পণ্য নিয়ে আলোচনা করেন প্রতিষ্ঠানটির মার্কেটিং ম্যানেজার মো. শাহরিয়ার আলম।
তিনি বলেন, স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড গত ২৫ বছর ধরে গুণগত মান, আস্থা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রেখে তাদের যাত্রা অব্যাহত রেখেছে। শেফদের সঙ্গে রাঁধুনী ব্র্যান্ডের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও শেফরা রাঁধুনীর সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের এই সম্পর্ক বজায় রাখবেন বলে তারা প্রত্যাশা করেন।
এদিকে দেশের জনপ্রিয় রান্নাবিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সেরা রাঁধুনী’র শীর্ষ প্রতিযোগী অভিরূপ কুমার সিং বলেন, শেফদের প্রতিভা বিকাশ ও নিজেদের পরিচিতি তুলে ধরার জন্য ‘সেরা রাঁধুনী’ দেশের অন্যতম বড় একটি প্ল্যাটফর্ম। এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতা ও সৃজনশীলতা তুলে ধরার সুযোগ রয়েছে। তিনি শেফদের ‘সেরা রাঁধুনী’তে অংশ নিয়ে নিজেদের প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি অর্জনের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে পাঁচ শতাধিক শেফের অংশগ্রহণে একটি কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিজয়ী তিনজনকে পুরস্কৃত করা হয়। পুরো অনুষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল রাঁধুনী ও স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড।
গ্লোবাল স্মার্ট লাইফ কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড আইটেল তাদের নতুন স্মার্টফোন A300+ বাংলাদেশের বাজারে এনেছে। আইটেল এই দামের ক্যাটাগরিতে প্রথম ডুয়াল-স্ক্রিন অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছে। ফোনটির পেছনে রয়েছে বিশেষ ডিসপ্লে, যা স্মার্টফোন ব্যবহারে যোগ করবে নতুন অভিজ্ঞতা। আকর্ষণীয় ডিজাইনের পাশাপাশি এতে রয়েছে ৭০০০ এমএএইচের শক্তিশালী ব্যাটারি, আইপি৬৫ পানি ও ধুলা প্রতিরোধী সুবিধা, মিলিটারি-গ্রেড স্থায়িত্ব এবং আধুনিক সব স্মার্ট ফিচার। তরুণদের দৈনন্দিন প্রয়োজন ও পছন্দের কথা মাথায় রেখে সাশ্রয়ী দামে নতুন প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা দিতে ফোনটি বাজারে এনেছে আইটেল।
আইটেল A300+ এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় ফিচার হলো ফোনটির পেছনে থাকা ২.০১ ইঞ্চির ইন্টারঅ্যাকটিভ ডিসপ্লে, যা এআই ডুয়াল ভিশন ডিসপ্লে নামেও পরিচিত। এই ডিসপ্লের সাহায্যে মূল স্ক্রিন চালু না করেই বেশ কিছু প্রয়োজনীয় কাজ করা যাবে। পেছনের ক্যামেরা দিয়ে সেলফি তোলার সময় নিজের ছবি দেখে ফ্রেম ঠিক করা, মেসেজ ও নোটিফিকেশন দেখা এবং গান চালু বা পরিবর্তন করা যাবে সহজেই। শুধু তাই নয়, নিজের পছন্দের ঘড়ি, ছবি কিংবা বিভিন্ন ডিজাইন ব্যবহার করে পেছনের স্ক্রিনটি সাজিয়ে নেওয়ার সুযোগও রয়েছে। ফলে ফোনটি শুধু ব্যবহারের জন্যই নয়, তরুণদের ব্যক্তিগত স্টাইলের অংশ হিসেবেও নতুন অভিজ্ঞতা দেবে।
বিনোদনের অভিজ্ঞতা আরও আকর্ষণীয় করতে ফোনটিতে রয়েছে ৩০০ শতাংশ আল্ট্রা ভলিউম স্পিকার। এর ফলে গান শোনা, সিনেমা দেখা কিংবা গেম খেলার সময় পাওয়া যাবে আরও জোরালো শব্দ। পাশাপাশি স্মার্ট নয়েজ কন্ট্রোল ৩.০ প্রযুক্তি ফোনে কথা বলার সময় আশপাশের অপ্রয়োজনীয় শব্দ কমাতে সাহায্য করে। ফলে ব্যস্ত রাস্তা কিংবা কোলাহলপূর্ণ পরিবেশেও কথা শোনা যাবে আরও স্পষ্টভাবে।
চমৎকার ডিজাইন ও আধুনিক ফিচারের পাশাপাশি ফোনটির স্থায়িত্বের দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে আইটেল। এতে রয়েছে আইপি৬৫ পানি ও ধুলা প্রতিরোধী সুবিধা এবং মিলিটারি-গ্রেড বিল্ড, যা প্রতিদিনের ব্যবহারে ফোনকে বাড়তি সুরক্ষা দেয়। ধুলাবালি, হঠাৎ পানির ছিটা কিংবা অসাবধানতাবশত হাত থেকে পড়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতিতে ফোনটির টেকসই গঠন ব্যবহারকারীদের আরও নির্ভরযোগ্য অভিজ্ঞতা দিতে সাহায্য করবে।
তরুণদের প্রয়োজন মাথায় রেখে ডিজাইন করা আইটেল A300+ আধুনিক প্রযুক্তি ও সহজ ব্যবহারযোগ্য ফিচারের মাধ্যমে সবার কাছে উন্নত স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়ার আইটেলের প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরে। ইন্টারঅ্যাকটিভ ডুয়াল-স্ক্রিন, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি, উন্নত সাউন্ড, টেকসই গঠন ও আল্ট্রালিংক প্রযুক্তির সমন্বয়ে সাশ্রয়ী দামের স্মার্টফোনেও নতুন ধরনের সুবিধা নিয়ে এসেছে ব্র্যান্ডটি।
রাষ্ট্র মালিকানাধীন শরিয়াহভিত্তিক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’র নির্বাহী কমিটির ৫ম সভা গত ১৯ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান কাজি শায়রুল হাসান এতে সভাপতিত্ব করেন। ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির সদস্য লে. কর্নেল (অবঃ) মোঃ খান সুবায়েল বিন রফিক পিএইচডি এবং কে. এম. জাকারিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবেদুর রহমান সিকদার ও কোম্পানি সচিব (চলতি দায়িত্ব) মোঃ মনিরুল ইসলাম সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ব্যাংকের সেবা, ব্যবসা, বিনিয়োগ ও আমানতসহ সার্বিক কার্যক্রমে গতিশীলতা বাড়াতে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয় এবং বিভিন্ন প্রস্তাবনা পর্যালোচনাপূর্বক অনুমোদন করা হয়।
দেশের বাজারে গ্যালাক্সি এ০৮ এলটিই স্মার্টফোন এনেছে স্যামসাং বাংলাদেশ। মাঝারি দামের এই স্মার্টফোনে রয়েছে দ্রুতগতির পারফরম্যান্স, দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার উপযোগী ডিজাইন, স্মার্ট এআই সুবিধা এবং দৈনন্দিন কাজের উপযোগী বিভিন্ন ফিচার।
মিডিয়াটেক হেলিও জি৯৯ প্লাস প্রসেসর, অ্যান্ড্রয়েড ১৭ অপারেটিং সিস্টেম, ওয়ান ইউআই ৯ এবং দ্রুতগতির এলপিডিডিআর৫এক্স মেমোরির সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে গ্যালাক্সি এ০৮ এলটিই। ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন অ্যাপ ব্যবহার, বিনোদন, যোগাযোগ, গেমিং ও একসঙ্গে একাধিক কাজ করার অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ করবে এটি।
দীর্ঘ সময় ব্যবহারের জন্য ডিভাইসটিতে রয়েছে ২৫ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধাসহ ৬০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-আওয়ারের (এমএএইচ) ব্যাটারি। এছাড়া রয়েছে আইপি৬৪ রেটিং, যা ডিভাইসটিকে ধুলাবালি ও পানি থেকে সুরক্ষিত রাখবে।
স্মার্টফোনটির সফটওয়্যার ও নিরাপত্তার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে স্যামসাং। গ্যালাক্সি এ০৮ এলটিইতে ছয়টি বড় অপারেটিং সিস্টেম আপডেট এবং ছয় বছর পর্যন্ত সিকিউরিটি আপডেট পাওয়া যাবে। পাশাপাশি, হার্ডওয়্যারভিত্তিক স্যামসাং নক্স ভল্ট নিরাপত্তাব্যবস্থা ব্যবহারকারীর তথ্য সুরক্ষিত রাখবে।
আরও রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) বিভিন্ন সুবিধা। এর সার্কেল টু সার্চ ফিচারের সাহায্যে স্ক্রিনে থাকা যেকোনো বিষয় সম্পর্কে সরাসরি খোঁজ করা যাবে। এছাড়া, এআই ওভারভিউয়ের সাহায্যে যেকোনো প্রয়োজনীয় তথ্য সহজে ও দ্রুত জানা যাবে। কাজের সুবিধা বাড়াতে স্মার্টফোনটিতে যুক্ত করা হয়েছে জেমিনি ও পারপ্লেক্সিটির মাল্টি-এজেন্ট সুবিধা।
ডার্ক ব্লু, সিলভার ও গ্রিন রঙে স্যামসাংয়ের অনুমোদিত শোরুমগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে গ্যালাক্সি এ০৮ এলটিই।
দেশের কুটির, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (সিএমএসএমই) জন্য বাণিজ্যিক যানবাহন ক্রয়ে অর্থায়ন সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি ও রানার মোটরস পিএলসি একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষায়িত অটো লিজ ফাইন্যান্সিং সুবিধা চালু করা হবে, যা তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণে সহায়তা করবে। সম্প্রতি ঢাকায় প্রাইম ব্যাংক পিএলসির করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
এই অংশীদারত্বের আওতায় সিএমএসএমই গ্রাহকেরা রানার মোটরস পিএলসির বাণিজ্যিক যানবাহন কেনার জন্য আকর্ষণীয় সুদহারে খুব দ্রুত অটো লিজ ফাইন্যান্সিং সুবিধা পাবেন। এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়নপ্রাপ্তির প্রতিবন্ধকতা কমানো, যাতে তারা ব্যবসার পরিবহন ও সরবরাহ সক্ষমতা বাড়াতে, পরিচালন কার্যক্রম আরও দক্ষ করতে এবং ব্যবসার পরিধি সম্প্রসারণ করতে পারেন।
নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. নাজিম এ. চৌধুরী এবং রানার মোটরস পিএলসির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা রাজেশ কুমার যাদব। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসির চিফ বিজনেস অফিসার সাজিদ রহমান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসির ইভিপি ও এসএমই ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান মো. মহসিনুর রহমান এবং ইভিপি ও সিআরএম-এসএমই বিভাগের প্রধান নাইমুল হাসান খান। রানার মোটরস পিএলসির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মো. ফিরোজ কবির।
প্রাইম ব্যাংক ও রানার মোটরসের এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে সিএমএসএমই খাতের উদ্যোক্তাদের চাহিদা অনুযায়ী গ্রাহকবান্ধব অটো ফাইন্যান্সিং সেবা নিশ্চিত করার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এ সহযোগিতা ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা, উৎপাদনশীল সম্পদ অর্জনের সুযোগ বৃদ্ধি এবং দেশের সিএমএসএমই খাতের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।