রোববার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

বিদেশে কর্মী পাঠাতে রিক্রুটিং এজেন্সিকে মানবিক হওয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১৮ এপ্রিল, ২০২৪ ১১:২০

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী এমপি বলেছেন, বিদেশে কর্মী পাঠাতে রিক্রুটিং এজেন্সিকে অবশ্যই মানবিক দিক বিবেচনা করতে হবে। বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি যেন আরও উজ্জ্বল হয় তা বিবেচনা করে দক্ষ কর্মী প্রেরণ করতে সবাইকে আরও উদ্যোগী হতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিক-কর্মীদের ন্যূনতম বেতন-ভাতা ও অন্যান্য বিষয় সম্পর্কিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বায়রা এ মন্ত্রণালয়ের প্রধান অংশীজন জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি কর্মীদের ন্যূনতম বেতন কাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে যৌক্তিক প্রস্তাব পাঠাবেন। ন্যূনতম বেতনের বিষয়ে মন্ত্রণালয় কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। পাশাপাশি, আমরা আরও কম অভিবাসন ব্যয়ে কর্মী পাঠাতে চাই।

তিনি বলেন, বিদেশে কর্মী পাঠানোর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বায়রাকে একসূত্রে কাজ করতে হবে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও এর অংশীজনরা সমন্বিতভাবে কাজ করলে মন্ত্রণালয়ের সুনাম আরও বৃদ্ধি পাবে। সবার সম্মিলিত প্রচেস্টায় আমরা দ্রুত সময়ে একটি স্মার্ট মন্ত্রণালয় তৈরি করতে পারবো।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী দক্ষ কর্মী পাঠানোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন। এ লক্ষ্যে আমাদের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে আধুনিক ও যুগোপযোগী যন্ত্রপাতি স্থাপনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে । প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রুহুল আমিন, জনশক্তি কমর্সংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক সালেহ আহমদ মোজাফফর, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমান, বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন, বায়রার মহাসচিব মো. আলী হায়দার চৌধুরীসহ বায়রার প্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়:

“ক্লাব নটরডেমিয়ান্স বাংলাদেশ লিমিটেড প্রেসিডেন্ট কাপ ইনডোর টুর্নামেন্ট- –২০২৫ এর পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।”

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্লাব নটরডেমিয়ান্স বাংলাদেশ লিমিটেড-এর আয়োজনে গত ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ অনুষ্ঠিত হলো প্রেসিডেন্ট কাপ ইনডোর টুর্নামেন্ট ২০২৫-এর পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ১৫ নভেম্বর ২০২৫ মাসব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলা ও স্পোর্টসম্যানশিপের সমন্বয়ে সিএনবিএল প্রেসিডেন্ট কাপ ইনডোর টুর্নামেন্ট ২০২৫ সমাপ্ত হয়। ১৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলা এই টুর্নামেন্টে মোট ১১৫ জন ক্লাব সদস্য পাঁচটি ইভেন্টে অংশ নেন টেবিল টেনিস, দাবা, ক্যারম, ৮-বল পুল এবং স্নুকার।
ফলাফল:
টেবিল টেনিস (সিঙ্গেলস): চ্যাম্পিয়ন: বদরুল হাসান (৯১ ব্যাচ), রানার-আপ: ফয়সাল মাহমুদ সজিব (২০০৩ ব্যাচ)
টেবিল টেনিস (ডাবলস): চ্যাম্পিয়ন: সুজন মাহমুদ (৯৪ ব্যাচ) ও ফয়সাল মাহমুদ সজিব (২০০৩ ব্যাচ), রানার-আপ: সাইফুল আলম ও জিয়াউল হক রাজীব (৯৮ ব্যাচ)
দাবা: চ্যাম্পিয়ন: আসাদুজ্জামান (৯৯ ব্যাচ), রানার-আপ: আনিসুর রহমান
ক্যারম (সিঙ্গেলস): চ্যাম্পিয়ন: জুয়েল গোমেজ (৯৯ ব্যাচ), রানার-আপ: মাহফুজুর রহমান (৯৫ ব্যাচ)
ক্যারম (ডাবলস): চ্যাম্পিয়ন: মাহফুজুর রহমান (৯৫ ব্যাচ) ও জুয়েল গোমেজ (৯৯ ব্যাচ), রানার-আপ: চন্দন চন্দ্র দাস (৯৪ ব্যাচ) ও মোহাম্মদ আবু নাদের আল মোকাদ্দেস (৯৪ ব্যাচ)
৮-বল পুল: চ্যাম্পিয়ন: তানিম মো. মাশরুর আলম, রানার-আপ: মো. খালেদ বিন সালাম
স্নুকার (সিএনবিএলের প্রথম স্নুকার টুর্নামেন্ট): চ্যাম্পিয়ন: মো. সাইফুল আলম দিপু (৯৮ ব্যাচ), রানার-আপ: আশওয়ার হোসেন শান্ত (৯৮ ব্যাচ)
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) মো. রিফায়েত উল্লাহ, প্রেসিডেন্ট, ক্লাব নটরডেমিয়ান বাংলাদেশ লিমিটেড। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব সৈয়দ আবু বাসের বখতিয়ার, চেয়ারম্যান, অগ্রণী ব্যাংক। ইসি (স্পোর্টস) মো. খালেদ বিন সালাম এবং নির্বাহী কমিটির সকল সদস্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সিএনবিএল প্রেসিডেন্ট ক্লাবের ক্রীড়া কার্যক্রমে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে ইসি (স্পোর্টস) মো. খালেদ বিন সালামের নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি সকল অংশগ্রহণকারীদের খেলাধুলার মনোভাবের প্রশংসা করে বলেন, এমন আয়োজন সদস্যদের আরও কাছাকাছি আনে, সম্পর্ক দৃঢ় করে এবং নেটওয়ার্কিংকে সমৃদ্ধ করে। তিনি নিয়মিত এমন আয়োজন করার আশা ব্যক্ত করেন। ইসি (স্পোর্টস) মো. খালেদ বিন সালাম টুর্নামেন্টকে সফল ও প্রাণবন্ত করে তুলতে সকল অংশগ্রহণকারীর সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি তার স্পোর্টস কমিটির সদস্য আবু সায়েম, শাখাওয়াত পারভেজ, মো. সাইফুল আলম দিপু ও সুজন মাহমুদ এর সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।


ব্র্যাক ব্যাংক ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উদ্যোগে ‘ঐতিহ্যের হাট ২০২৫’ আয়োজন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের ঐতিহ্যকে আধুনিক প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরতে এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরির লক্ষ্য নিয়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ব্র্যাক ব্যাংক আয়োজন করেছে ‘ঐতিহ্যের হাট ২০২৫’।

গ্লোবাল অন্ট্রপ্রেনরশিপ উইকের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই ইভেন্টের আয়োজন করা হয়, যেখানে এক মঞ্চে প্রদর্শিত হয়েছিল বাংলাদেশের ৬৪ জেলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, পণ্য ও খাবারের অনন্য বৈচিত্র্যতা।

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য কীভাবে তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দিতে পারে, এ বছরের থিম ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’-এর মাধ্যমে সেটিই তুলে ধরা হয়েছে।

দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির ইনোভেশন অ্যান্ড অন্ট্রপ্রেনরশিপ ডিপার্টমেন্টের ও ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগিতায়। ইভেন্টে গ্রাম-বাংলার পণ্য, হ্যান্ডিক্রাফট, আঞ্চলিক খাবার ও লোকজ ঐতিহ্য তুলে ধরার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ব্র্যান্ডিং প্রজেক্ট ও স্টার্টআপ আইডিয়াগুলোও তুলে ধরা হয়েছে। আয়োজনে প্রায় ৫,০০০ শিক্ষার্থী উদ্যোগ, ব্র্যান্ডিং, মার্কেটিং, গ্রাহক সম্পৃক্ততা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, যা দেশে নতুন ব্যবসায় তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করে সংস্লিষ্টরা।

২৩ নভেম্বর ২০২৫ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. আর. কবির, উপ-উপাচার্য প্রফেসর মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, ট্রেজারার ড. হামিদুল হক খান এবং ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অব এসএমই স্ট্র্যাটেজি, ইনোভেশন অ্যান্ড নিউ বিজনেস জাকিরুল ইসলাম এবং হেড অব এসএমই বিজনেস সাপোর্ট মো. মহসিনুর রহমান। এছাড়াও আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন ফ্যাকাল্টি মেম্বার, শিক্ষার্থী, শিল্প নেতৃবৃন্দ, ও তরুণ উদ্যোক্তারা।

২০২২ সালে শুরু হওয়া ‘ঐতিহ্যের হাট’ বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টির একটি ফ্ল্যাগশিপ ইভেন্ট, যা কালচারাল ব্র্যান্ডিং ও তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তায় একটি উল্লেখযোগ্য মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ বছরের আয়োজনে প্রায় ৭০,০০০ শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই, উদ্যোক্তা এবং দর্শনার্থী অংশগ্রহণ করেছে। এই ইভেন্ট গ্রামীণ কারুশিল্পী ও যুব-নেতৃত্বাধীন উদ্যোগগুলোর মধ্যে অর্থপূর্ণ সংযোগ তৈরি করতে ভূমিকা রেখেছে, যা কারুশিল্পের মার্কেট তৈরি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য তুলে ধরেছে।

তরুণ-কেন্দ্রিক উদ্যোগ সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, “ব্র্যাক ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে এসএমই উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে সহায়তা করে আসছে। ঐতিহ্যের হাট স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সম্ভাবনাকে তুলে ধরার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম। আমরা তরুণদের উদ্যোক্তা স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তাঁদের সহায়তায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের অনুপ্রাণিত করতে এবং বাংলাদেশে উদ্ভাবন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা- এর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প নরসিংদীতে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের প্রথম জেসিআই স্বীকৃত হাসপাতাল, এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা- এর শিশু হৃদরোগ বিভাগ বিনামূল্যে শিশুদের হৃদরোগ চিকিৎসা প্রদানের লক্ষ্যে নরসিংদী জেলায় দুই দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করেছে। এই কার্যক্রমটি দেশের মানুষের জন্য বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে হাসপাতালের প্রতিশ্রুতিরই একটি অংশ।

২৮ ও ২৯ নভেম্বর নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলার ভাটেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পটি দুই দিনব্যাপী চলে। ক্যাম্পের নেতৃত্ব দেন এভারকেয়ার হসপিটালস, বাংলাদেশ (ঢাকা ও চট্টগ্রাম)-এর শিশু হৃদরোগ বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিনিয়র কনসালটেন্ট ও কো-অর্ডিনেটর ডা. তাহেরা নাজরীন। তিনি বিনামূল্যে হৃদরোগে আক্রান্ত শতাধিক শিশুদের আউটডোর স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেন এবং ২ডি ও কালার ডপলার ইকোকার্ডিওগ্রাফি করেন। ডা. সোহেল আহমেদ, সিনিয়র কনসালটেন্ট, কার্ডিওথোরাসিক এন্ড ভাস্কুলার সার্জারি ডিপার্টমেন্ট, এভারকেয়ার হসপিটালস, বাংলাদেশ (ঢাকা ও চট্টগ্রাম) সার্জারি রোগীদের সেবা প্রদান করেন। উক্ত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধন করেন নরসিংদী জেলার সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ আমিরুল হক । অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খান নূরউদ্দিন মো: জাহাঙ্গীর; সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, বেলাবো, নরসিংদী আবু তারেক মো: আ: আল হোসাইন; এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা- এর শিশু হৃদরোগ বিভাগের ডাক্তারগণ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।

এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা সর্বস্তরের মানুষের জন্য সাধ্যের মধ্যে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে থাকে। সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে বিনামূল্যে এই মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। যেখানে উল্লেখযোগ্য একটি সেবা ছিল, বিশ্বমানের মেশিনের সাহায্যে বিনামূল্যে ইকোকার্ডিওগ্রাফি পরীক্ষার মাধ্যমে শিশুদের রোগ নির্ণয় ও পরবর্তী চিকিৎসা প্রদান করা। এছাড়াও, রোগীদের ডাক্তার অ্যাপয়েন্টমেন্ট, ভর্তি-পূর্ব সহায়তা এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তরের ব্যবস্থাও করা হয়। এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার শিশু হৃদরোগ বিভাগটি শিশুদের সেরা মানের জন্মগত হৃদরোগ চিকিৎসা প্রদানে বিনামূল্যে ডিভাইস, বেলুন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান করে যেন তারা সঠিকভাবে হৃদরোগের চিকিৎসা পেতে পারে।

ক্লিনিক্যাল ও ইন্টারভেনশনাল পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজিস্ট ডা. তাহেরা নাজরীন বলেন, “বিশ্বে এক হাজার জন বাচ্চার মধ্যে ৮ থেকে ১২ জন বাচ্চা হৃদরোগ নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। আমাদের দেশে জন্মগত হৃদরোগ চিকিৎসা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এভারকেয়ার হসপিটালের শিশু হৃদরোগ বিভাগটি অক্লান্তভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত সর্বস্তরের শিশুদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করছে। এই বিভাগটি বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে বিশ্বমানের সেবা প্রদান করতে বদ্ধপরিকর। এ মানবিক উদ্যোগে সরকারি ও বেসরকারি সব পক্ষকে একসাথে কাজ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।”


আউটস্ট্যান্ডিং কেমব্রিজ লার্নার অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫ পেলেন ১২৪ কৃতী বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্টের ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন গ্রুপ ও ব্রিটিশ কাউন্সিল যৌথভাবে এ সম্মাননা প্রদান করে
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুন ২০২৫ সিরিজের কেমব্রিজ পরীক্ষায় অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য দেশের ১২৪ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্টের ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন গ্রুপ ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘আউটস্ট্যান্ডিং কেমব্রিজ লার্নার অ্যাওয়ার্ডস (ওসিএলএ)’ অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। আজ ২৭ নভেম্বর রাজধানীর র‍্যাডিসন ব্লু ঢাকায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

জুন ২০২৫ কেমব্রিজ পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সাফল্য উদযাপন করতেই এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বিশ্বব্যাপী ৪০টিরও বেশি দেশে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন। প্রতিষ্ঠানটি ১৬০ বছরের বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পরিচালনা করে আসছে।

‘টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড,’ ‘হাই অ্যাচিভমেন্ট,’ ‘টপ ইন কান্ট্রি,’ ও ‘বস্ট অ্যাক্রোস,’ এই চারটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ বছর বাংলাদেশের ১২৪ জন পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর মধ্যে ৯৪ জন পেয়েছে ‘টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’ অ্যাওয়ার্ড, যারা নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশ্বে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে। এছাড়াও, দেশে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ায় ৪১ শিক্ষার্থী পেয়েছে ‘টপ ইন বাংলাদেশ’ অ্যাওয়ার্ড।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট, বাংলাদেশের কান্ট্রি লিড সারওয়াত রেজা। স্বাগত বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের সাফল্যের প্রশংসা করেন। পরবর্তী পর্বে ভিডিও বার্তা দেন কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর রড স্মিথ। ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর মার্টিন ডসন দেশের শিক্ষার মানোন্নয়নে যুক্তরাজ্যের সহায়তার অঙ্গীকার এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে তার বক্তব্যে ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্টের রিজিওনাল ডিরেক্টর (সাউথ এশিয়া) বিনয় শর্মা বলেন, “কেমব্রিজ লার্নাররা আমাদের সকল কার্যক্রমের প্রাণস্বরুপ। শিক্ষাক্রম প্রণয়ন ও পাঠদান থেকে শুরু করে মূল্যায়ন, প্রতিটি ধাপই আমরা এমনভাবে ডিজাইন করি, যেন শিক্ষার্থীরা তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে সাফল্য অর্জন করতে পারেন। জুন ২০২৫ -এর পরীক্ষায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এই অসাধারণ সাফল্যের জন্য আমরা আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।”

ব্রিটিশ কাউন্সিলের এক্সামস ডিরেক্টর বাংলাদেশ ম্যাক্সিম রেইম্যান বলেন, “সকল কৃতী শিক্ষার্থীরা যারা অসাধারণ এ সাফল্য অর্জনে নিষ্ঠা, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও মানসিক দৃঢ়তার প্রমাণ দিয়েছেন তাদের আমি আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই। । কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে পরীক্ষা আয়োজন করতে পেরে আমরা আনন্দিত। নানা উদ্ভাবনী পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে নেওয়া এ পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জন্য সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়, শিক্ষকদের মানোন্নয়নে সহায়তা করে এবং কৃতীদের সাফল্যকে স্বীকৃতি প্রদান করে।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবীর। তিনি শিক্ষার্থীদের মানসম্পন্ন শিক্ষা, অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষ এবং ভবিষ্যৎ গঠনে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়াও, অনুষ্ঠানে কয়েকজন সফল কেমব্রিজ অ্যালামনাই বক্তব্য দেন। প্লেপেনের সাবেক শিক্ষার্থী ও বর্তমান বুয়েট শিক্ষার্থী রিজক আমিন খান, মানারাত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ও বর্তমান আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থী সামিহা শেহমীম খান এবং বিএএফ শাহীন ইংলিশ মিডিয়াম কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট হিশাম তাদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় ছিল একটি মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক আয়োজন।

এরপরে, অনুষ্ঠানে অসামান্য অ্যাকাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ পর্বে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘হাই অ্যাচিভমেন্ট’ ও ‘টপ ইন কান্ট্রি’ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের ডিরেক্টর অব অপারেশনস জুনায়েদ আহমেদ এবং কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্টের অ্যাকাডেমিক অ্যাডভাইজর জুলিয়েট গোমেজ। এরপর টপ ইন কান্ট্রি পুরস্কার প্রদান করেন কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্টের রিজিওনাল ডিরেক্টর ফর ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন (সাউথ এশিয়া) বিনয় শর্মা এবং ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর তাহনী ইয়াসমিন। সমাপনী বক্তব্যে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তাহনী ইয়াসমিন।


বিশিষ্ট কবি ও চিন্তক ফয়েজ আলমের কবিতা নিয়ে চারুকণ্ঠের আবৃত্তি আয়োজন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশিষ্ট কবি ও চিন্তক মোঃ ফয়েজ আলমের কবিতা নিয়ে এবার চারুকণ্ঠ আবৃত্তি সংসদের ত্রৈমাসিক আবৃত্তি আয়োজন ‘বিনম্র রোদের ছায়া’র ৩৭তম পর্ব অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে। গত বুধবার (২৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠানে অতিথি আলোচক ছিলেন কবি ও কথাশিল্পী জোহরা পারুল এবং গবেষক ও নাট্যসমালোচক আবু সাঈদ তুলু।
আয়োজনের প্রথম পর্বে চারুকণ্ঠের আবৃত্তিশিল্পীবৃন্দ ও আমন্ত্রিত আবৃত্তিশিল্পীরা কবির কবিতা আবৃত্তি করেন। দ্বিতীয় পর্বে কবির কবিতা ও চিন্তাজগতের নানাবিধ বিষয় নিয়ে তথ্য ও তত্ত্বগত বিষয়ে আলোকপাত করেন গবেষক ও নাট্যসমালোচক আবু সাঈদ তুলু এবং কবির লেখার জগৎ ও পারিবারিক জীবন নিয়ে কথা বলেন কবি ও কথাশিল্পী জোহরা পারুল। অনুষ্ঠানে কবি খলিল মজিদ, মামুন খানসহ বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই চারুকণ্ঠের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক জি এম মোরশেদ স্বাগত বক্তব্যে ‘বিনম্র রোদের ছায়া’র প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। এরপর চারুকণ্ঠের সাধারণ সম্পাদক ফারজানা রোজি কবির সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করেন। কবিতা আবৃত্তি পর্বে দেশ বরেণ্য কবি ও আবৃত্তিকার ফয়জুল আলম পাপপু ও রফিকুল ইসলামসহ পর্যায়ক্রমে কবির কবিতা আবৃত্তি করেন দিলশাদ জাহান পিউলী, সুসমিতা হক, রুবাইয়া রুমকি, আনোয়ার পারভেজ, কাজী রাজেশ, অনন্যা সাহা, মুরাদ হোসেন,সৈয়দ আশিকুল ইসলাম, মোফাজ্জেল হোসেন সবুজ, জেসমিন বন্যা, হিমেল অনার্য, আসমা মালিহা, জিএম মোরশেদ, শিখা সেনগুপ্ত, মুহ. সিদ্দিকুর রহমান পারভেজ ও ফারজানা রোজী।
দ্বিতীয় ও শেষ ভাগের শুরুতে কবি ও অতিথিদের শুভেচ্ছা স্মারক হিসেবে উত্তরীয় ও ক্রেস্ট তুলে দেন চারুকণ্ঠের সদস্যরা। এ পর্বে সভপতিত্ব করেন চারুকণ্ঠের সহ-সভাপতি আনোয়ার পারভেজ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রশান্ত অধিকারী।


উত্তরা ব্যাংক পিএলসি' র নতুন আধুনিক ‘কন্টাক্ট সেন্টার’এর উদ্বোধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

উত্তরা ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আবুল হাশেম গত ২৬ নভেম্বর ২০২৫ নতুন আঙ্গিকে ব্যাংকের “কন্টাক্ট সেন্টার” এর শুভ উদ্বোধন করেন। এই সেন্টার থেকে হটলাইন নম্বর ১৬৬৪৫-র মাধ্যমে ২৪ ঘন্টা ব্যাংকিং সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে। উক্ত অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাকসুদুল হাসান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ মো: রেজাউল করিম, খন্দকার আলী সামনুন ও ব্যাংকের উর্ধ্বতন নির্বাহীগণ উপস্থিত ছিলেন।


প্রাইম ব্যাংক ফাউন্ডেশনের সহায়তায় কুলাউড়ায় চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ২৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১৯:১৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রাইম ব্যাংক ফাউন্ডেশন (প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র সহযোগী প্রতিষ্ঠান)-এর সহায়তায় মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় দিনব্যাপী আয়োজিত হলো বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও তদপরবর্তী সেবা ক্যাম্প।

বখতুন্নেছা চৌধুরী চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন-এর উদ্যোগে গত ২২ নভেম্বর কুলাউড়া গার্লস উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এই চক্ষু ক্যাম্পটি অনুষ্ঠিত হয়।

এই ক্যাম্পের মাধ্যমে উপকারভোগীরা সম্পূর্ণ চক্ষু পরীক্ষা, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী চিকিৎসা সহায়তার পরামর্শ পেয়েছেন। প্রাইম ব্যাংক আই হসপিটালের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চোখে ছানি পড়া রোগীদের ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত হাসপাতালে আনা হয়, সেখানে তাদের ছোখের ছানি অপারেশনের পর আবারও কুলাউড়ায় পৌঁছে দেওয়া হয়।

দিনব্যাপী চলা এই ক্যাম্পে মোট ৩৬৩ জনকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান করা হয়। যাদের মধ্যে বিনামূল্যে ৬২ জনের চোখের ছানি অপারেশন করা হয় প্রাইম ব্যাংক আই হসপিটালে।

চক্ষু ক্যাম্প-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ইস্ট- কোস্ট গ্রুপের হেড অব সিএসআর কর্নেল (অব.) লিয়াকত আলী খান; কুলাউড়া উপজেলার ইউএনও মো. মহিউদ্দিন; প্রাইম ব্যাংকের কুলাউড়া ব্রাঞ্চের হেড অব ব্রাঞ্চ নাসির উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

প্রাইম ব্যাংক ফাউন্ডেশন ধারাবাহিকভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চক্ষু সেবা ক্যাম্প পরিচালনা করবে।


কমিউনিটি ব্যাংক ও ট্রপিক্যাল হোমসের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং ট্রপিক্যাল হোমস লিমিটেড- রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ে ঋণ সুবিধা প্রদান ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্প্রতি একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। ব্যাংকের হেড অফিসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

কমিউনিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) কিমিয়া সাআদত এবং ট্রপিক্যাল হোমস লিমিটেডের চেয়ারম্যান তানভীর রেজা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর শেষে সমঝোতা স্মারক বিনিময় করেন।

এই চুক্তির মাধ্যমে রিয়েল এস্টেট সেক্টরে গ্রাহকদের জন্য ঋণ সুবিধা আরও সহজ, দ্রুত ও মানসম্মতভাবে প্রদান করা সম্ভব হবে। উভয় প্রতিষ্ঠানের আশা, এই সহযোগিতা রিয়েল এস্টেট খাতে গ্রাহকসেবা উন্নয়ন এবং আর্থিক সুবিধা সম্প্রসারণে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।


ব্রিটিশ কাউন্সিলের আয়োজনে অ্যালামনাই ইউকে গালা নাইট ২০২৫ উদযাপিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকায় গতকাল, ২৫শে নভেম্বর, অ্যালামনাই ইউকে গালা নাইট ২০২৫ আয়োজন করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষাগ্রহণ করা ৩ শ’ অ্যালামনাই এ অনুষ্ঠানে একত্রিত হয়ে দেশের উন্নয়নে তাদের অর্জন, নেতৃত্ব ও সাফল্য উদযাপন করেন। বৈশ্বিকভাবে যুক্তরাজ্যের অ্যালামনাই কমিউনিটি ধারাবাহিকভাবে যে প্রভাব রেখে চলেছে, গালা ইভেন্টে এ ব্যাপারে আলোকপাত করা হয় এবং যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অংশীদারিত্ব নিয়ে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানটি হোটেল লা মেরিডিয়ান ঢাকায় উদযাপিত হয়।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের ইউকে অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক মেধা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা রাখছে। এর সদস্যরা সবাই যুক্তরাজ্যের বিশ্বমানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন। তারা গবেষণা, নানা উদ্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ, সুশাসন এবং সৃজনশীল বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছেন। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ গঠনে তাদের সাফল্য ও অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, যা একইসাথে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে শক্তিশালী ও টেকসই সম্পর্কেরও প্রতিফলন। মূল্যবোধ ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। ে আমরা সহযোগিতা ও ইতিবাচক প্রভাবের আমাদের এই যাত্রা অব্যাহত রাখতে প্রত্যাশী।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস এবং ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা এবং শিক্ষা খাত, ব্যবসা খাত ও সুশীল সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

স্বাগত বক্তব্যে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যফেরত স্নাতকদের সাথে যুক্ত থাকা ও তাদের ক্ষমতায়নে ব্রিটিশ কাউন্সিলের দীর্ঘদিনের অঙ্গীকার তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “ব্রিটিশ কাউন্সিল যুক্তরাজ্য এবং বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সংযোগ, বোঝাপড়া এবং বিশ্বাস তৈরিতে কাজ করছে। আলামনাই ইউকে প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এমন দুই হাজার আটশ’র বেশি যুক্তরাজ্যফেরত বাংলাদেশী অ্যালামনাই কমিউনিটির সাথে যুক্ত হতে পেরে আমরা গর্বিত। আজকের আয়োজন তাদের সাফল্য উদযাপনের জন্য একটি অনবদ্য সুযোগ। পাশাপাশি, নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ও অংশীদারিত্ব বৃদ্ধিতে এবং অন্যদের অনুপ্রাণিত করতেও এ ধরনের অনুষ্ঠান নতুন ক্ষেত্র তৈরি করবে।”

সন্ধ্যায় সৃজনশীলতা ও সংলাপের গুরুত্ব নিয়ে, অভিবাসন, আত্ম-পরিচয় ও প্রতিকূল অবস্থায় টিকে থাকার প্রতিপাদ্যে ড. শাহমান মইশানের পরিবেশনায় ‘আওয়ার হ্যামলেট: পারফর্মিং মাইগ্রেশন, ডিসপ্লেসমেন্ট, স্টেট ভায়োলেন্স, অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান ক্রাইসিস’ নাটকটি মঞ্চস্থ করা হয়।

গালায় অ্যালামনাই ইউকে নেটওয়ার্কের সাফল্যের গল্পও উপস্থাপন করা হয় এবং দেশজুড়ে জলবায়ু কার্যক্রম, উদ্ভাবন ও সামাজিক পরিবর্তনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এমন গ্রাজুয়েটদের স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের রূপান্তরমূলক প্রভাবকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যফেরত স্নাতকদের একত্রিত করা, অভিজ্ঞতা বিনিময় ও নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রাখে অ্যালামনাই ইউকে গালা নাইট ২০২৫।

অ্যালামনাই ইউকে প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় রিসোর্স ব্যবহার, পেশাগত উন্নয়নের এবং বৈশ্বিকভাবে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নানা সুযোগ পান যুক্তরাজ্যের অ্যালামনাইরা। স্টাডি ইউকে অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ডস, নেটওয়ার্কিং ইভেন্ট ও লিডারশিপ প্রোগ্রামের মতো উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় ও বৈশ্বিক পর্যায়ে ইতিবাচক প্রভাব রাখা যুক্তরাজ্যফেরত বাংলাদেশি স্নাতকদের সাফল্য ও অর্জন ধারাবাহিকভাবে উদযাপন করে ব্রিটিশ কাউন্সিল।


ঘরে বসেই মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করা যাচ্ছে বিকাশ-এ

থাকছে ১০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

এখন ঘরে বসেই যাত্রীরা মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করতে পারছেন বিকাশ-এ। নতুন এই সুবিধার মাধ্যমে যাত্রীদের আর স্টেশন কিংবা ব্যাংকের বুথে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে কার্ড রিচার্জ করার ঝামেলা যেমন থাকলো না তেমনি মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের কার্ড রিচার্জ ব্যবস্থাপনাও হলো আরও সহজ, দ্রুত ও সাশ্রয়ী।

বর্তমানে মেট্রোরেলে দুই ধরনের কার্ড ব্যবহৃত হচ্ছে — র‍্যাপিড ও এমআরটি পাস। নতুন ব্যবস্থায় দুই ধরনের কার্ডই বিকাশ-এর মাধ্যমে রিচার্জ করা যাবে। আর, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত মেট্রোরেলের কার্ডের রিচার্জ বিকাশ করলেই গ্রাহকরা পাচ্ছেন ৫% করে ক্যাশব্যাক। দিনে ১ বার এবং অফার চলাকালীন সর্বোচ্চ ২ বারে ১০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পাচ্ছেন গ্রাহকরা।

মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ করার জন্য বিকাশ অ্যাপ এর সাজেশন বক্স থেকে মেট্রোরেল আইকনে ট্যাপ করে অথবা সরাসরি র‍্যাপিড পাস এর ওয়েবসাইট (www.rapidpass.com.bd) বা অ্যাপে যেতে হবে। র‍্যাপিড পাস ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করা না থাকলে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এরপর গ্রাহকের কার্ডটির তথ্য দিয়ে কার্ডটি নিবন্ধন করতে হবে।

পরের ধাপে রিচার্জ অপশনে যেয়ে যে কার্ডটি রিচার্জ করতে চান সেটি সিলেক্ট করতে হবে। এরপর পেমেন্ট অপশন হিসেবে বিকাশ সিলেক্ট করে নিশ্চিত করলেই কার্ডটি রিচার্জ হয়ে যাবে। অনলাইন রিচার্জের পর স্টেশনে থাকা অ্যাড ভ্যালু মেশিন (এভিএম)-এ কার্ডটি ট্যাপ করে রিচার্জকৃত ব্যালেন্স যুক্ত করতে হবে। রিচার্জ সফল হলে নিবন্ধিত মোবাইল নাম্বারে একটি এসএমএস চলে যাবে। একটি কার্ডে একবারে ১০০ থেকে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত রিচার্জ করা যাবে।


কমিউনিটি ব্যাংক ও ট্রপিক্যাল হোমসের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং ট্রপিক্যাল হোমস লিমিটেড- রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ে ঋণ সুবিধা প্রদান ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্প্রতি একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। ব্যাংকের হেড অফিসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

কমিউনিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) কিমিয়া সাআদত এবং ট্রপিক্যাল হোমস লিমিটেডের চেয়ারম্যান তানভীর রেজা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর শেষে সমঝোতা স্মারক বিনিময় করেন।

এই চুক্তির মাধ্যমে রিয়েল এস্টেট সেক্টরে গ্রাহকদের জন্য ঋণ সুবিধা আরও সহজ, দ্রুত ও মানসম্মতভাবে প্রদান করা সম্ভব হবে। উভয় প্রতিষ্ঠানের আশা, এই সহযোগিতা রিয়েল এস্টেট খাতে গ্রাহকসেবা উন্নয়ন এবং আর্থিক সুবিধা সম্প্রসারণে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।


গ্রাহকদের ডিজিটাল অভিজ্ঞতার মানোন্নয়নে একসাথে কাজ করবে বাংলালিংক ও হুয়াওয়ে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের গ্রাহকদের ডিজিটাল অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করতে আবারও হুয়াওয়ের সাথে কৌশলগত বিনিয়োগে যুক্ত হয়েছে বাংলালিংক।
‘কাস্টমার-ফার্স্ট’ প্রতিশ্রুতি নিয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বাংলালিংক। এ প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে গ্রাহকদের প্রাত্যহিক জীবনে ডিজিটাল সেবার পরিসর বিস্তৃৃত ও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে হুয়াওয়ের সাথে এ উদ্যোগ গ্রহণ করে প্রতিষ্ঠানটি। এ উদ্যোগের ফলে, দেশজুড়ে গ্রাহকদের জন্য ডিজিটাল সেবার বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পাবে, ঘরের ভেতরে নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী ও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক হবে এবং স্মার্ট ও এআই প্রযুক্তিনির্ভর সেবার ব্যবহার আরও কার্যকরী হবে।
এ অংশীদারিত্বের অধীনে, উন্নত নেটওয়ার্ক কাভারেজ প্রদানে, সেবার অভিজ্ঞতার মানোন্নয়নে এবং ভবিষ্যতে বরাদ্দকৃত তরঙ্গের পূর্ণ সম্ভাবনা উন্মোচনে বাংলালিংক অত্যাধুনিক জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সাইটগুলোর আধুনিকায়ন করবে।
এ উদ্যোগ নিয়ে বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী ইওহান বুসে বলেন, “বর্তমানে, একে অন্যের সাথে কানেক্ট হওয়া থেকে শুরু করে শেখা এবং নতুন কিছু তৈরি করাসহ সকল ক্ষেত্রেই মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের মূল কেন্দ্রে রয়েছে ডিজিটাল সেবা। আমাদের লক্ষ্যও এক্ষেত্রে স্পষ্ট: মাইবিএল, টফি ও রাইজের মত প্ল্যাটফর্ম এবং আমাদের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের মাধ্যমে সব জায়গায়, প্রতি মুহূর্তে গ্রাহকদের ডিজিটাল অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করা। কৌশলগত বিনিয়োগের মাধ্যমে হুয়াওয়ে গ্রাহকদের জন্য সত্যিকার অর্থেই ডিজিটাল অভিজ্ঞতার ভিত্তি শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে। আমাদের লক্ষ্য সম্পূর্ণভাবে একটি ডিজিটাল প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলা, যারা শুধু দেশকে কানেক্টই করবে না, পাশাপাশি দিনের পুরোটা সময় অর্থবহ ও নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল সেবা প্রদানের মাধ্যমে মানুষের জীবনকে আরও সমৃদ্ধ করবে।”
হুয়াওয়ের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী জেসন উ বলেন, “ধারাবাহিকভাবে আস্থা রাখার জন্য ও একসাথে গুরুত্বপূর্ণ এ মাইলফলক উদযাপনের সুযোগ করে দেয়ার জন্য বাংলালিংককে আন্তরিক ধন্যবাদ। বাংলালিংকের ডিজিটাল রূপান্তর এগিয়ে নিয়ে যেতে আমরা তিন দশক ধরে একই লক্ষ্য, পারস্পারিক সম্মান ও অটল প্রতিশ্রুতি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। নতুন এ চুক্তি আমাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করেছে এবং নেটওয়ার্কের মানোন্নয়ন, উৎকর্ষ অর্জন ও বাংলালিংকের গ্রাহকদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে অর্থবহ প্রভাব রাখার ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিশ্রুতিকে আরও জোরদার করেছে। আমাদের বিশ্বাস, এ মাইলফলক সামনে আরও শক্তিশালী যাত্রার সূচনা করবে। হুয়াওয়েতে আমরা অংশীদারিত্বের শক্তিতে বিশ্বাস করি; আমরা মনে করি, একসাথেই এগিয়ে যাই, একসাথেই সাফল্য অর্জন করি।”


অনুষ্ঠিত হলো মারিকো বাংলাদেশের ‘ওভার দ্য ওয়াল’ সিজন-৪ এর গ্র্যান্ড ফাইনাল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড-এর জনপ্রিয় ক্যাম্পাসভিত্তিক প্রোডাক্ট ইনোভেশন প্রতিযোগিতা ‘ওভার দ্য ওয়াল সিজন ৪’-এর গ্র্যান্ড ফাইনাল সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) টিম জিনক্সড। ‘ইনোভেট উইথ ইমপ্যাক্ট’ স্লোগানকে সামনে রেখে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতা দেশের তরুণদের বাস্তবসম্মত ও উদ্ভাবনী আইডিয়া তৈরিতে উৎসাহিত করে আসছে।


ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির টিম ‘উপস উই ট্রাইড’ প্রথম রানার-আপ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম ‘দ্য ল্যানিস্টার্স’ দ্বিতীয় রানার-আপ হয়েছে। বিজয়ী তিন দলকেই ম্যারিকো বাংলাদেশ আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান করে। চ্যাম্পিয়ন দল ম্যারিকো লিমিটেডের একটি আন্তর্জাতিক অফিসে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পাবে। গত বছরের বিজয়ী দল ম্যারিকো মালয়েশিয়াতে ইন্টার্নশিপ করেছিল। পাশাপাশি প্রথম ও দ্বিতীয় রানার-আপ দলও ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পাবে। তিনটি দলই আগামী ডিসেম্বরে গ্লোবাল গ্র্যান্ড ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।

গ্র্যান্ড ফাইনালের বিচারক হিসেবে ছিলেন ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুমিতাভা বসু, কি-মেকার্স কনসালটিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার স্বানন শাহরিয়ার এবং সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এইচ এম ফাইরোজ।

এ প্রসঙ্গে ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুমিতাভা বসু বলেন, “ওভার দ্য ওয়াল শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে তরুণ উদ্ভাবকরা নতুন আইডিয়া নিয়ে আসে এবং তা বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যায়। এ বছর অংশগ্রহণকারীরা অসাধারণ সৃজনশীলতা ও নিষ্ঠা দেখিয়েছে। তাদের যাত্রায় অংশ হতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত এবং আমরা বিশ্বাস করি তাদের এই সৃজনশীলতা বাস্তব পরিবর্তন আনবে।”

প্রতিযোগিতায় এবার সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ দেখা গেছে। বাংলাদেশের ৪৫ টিরও বেশি ক্যাম্পাস থেকে ৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী নিবন্ধন করে। আইডিয়া সাবমিশন, ডেভেলপমেন্ট রাউন্ড ও মেন্টরশিপসহ একাধিক ধাপ অতিক্রম করার পর ছয়টি দল গ্র্যান্ড ফাইনালে জায়গা করে নেয়। ফাইনাল রাউন্ডে তারা প্রযুক্তিগত এবং টেকসই ও সৃজনশীল ব্যবসায়িক কৌশলের সমন্বয়ে ভবিষ্যতমুখী বিভিন্ন সমাধান তুলে ধরে।


উদ্যোগটি প্রসঙ্গে মারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের এইচআর ডিরেক্টর কে এম সাব্বির আহমেদ বলেন, “ওভার দ্য ওয়ালের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্যোগী মানসিকতা গড়ে তোলা। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আজকের এই উদ্ভাবনী তরুণরাই আগামী দিনে নেতৃত্ব দেবে এবং ইতিবাচক অগ্রগতির পথ দেখাবে”

চতুর্থ আসরের সফল সমাপ্তির মাধ্যমে ‘ওভার দ্য ওয়াল’ দেশের উদীয়মান নেতৃত্ব ও উদ্যোক্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ম্যারিকো বাংলাদেশ তাদের অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরেছে।


banner close