শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

তিন উৎসবে রঙিন এনআরবিসি ব্যাংক

দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল, ২০২৪ ১৩:০১

এনআরবিসি ব্যাংক নিজেদের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ১২ বছরে পদার্পণ, বাংলা নববর্ষ বরণ এবং ঈদ পুনর্মিলনী বর্ণাঢ্যভাবে উদযাপন করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এই তিন উৎসব উপলক্ষে প্রধান কার্যালয়ের সকল বিভাগ এবং সারা দেশের সব শাখা-উপশাখায় মতবিনিময় সভা ও ‘ওয়ান ডিস পার্টি’র আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। হাইব্রিড পদ্ধতিতে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ব্যাংকের চেয়ারম্যান পারভেজ তমাল, ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মিয়া আরজু, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আদনান ইমাম এফসিসিএ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান একেএম মোস্তাফিজুর রহমান, পরিচালক ওলিউর রহমান, এ এম সাইদুর রহমান, লকিয়ত উল্লাহ, মোহাম্মদ নাজিম, স্বতন্ত্র পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান আবু এসরার, স্বতন্ত্র পরিচালক খান মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, রাদ মজিব লালন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম আউলিয়াসহ ব্যাংকের উদ্যোক্তা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

নির্বাচিত

স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৪৩৪তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের ৪৩৪তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকায় ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের বোর্ডরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান।

সভায় ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান গুলজার আহমেদ, পরিচালক অশোক কুমার সাহা, এস এ এমডি হোসেন, মো. আবদুল আজিজ, আলহাজ মোহাম্মদ শামসুল আলম, ফেরদৌস আলী খান, এ কে এম আবদুল আলীম, অসিত কুমার সাহা এবং স্বতন্ত্র পরিচালক গোলাম হাফিজ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া সভায় স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পর্যবেক্ষক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক (পিএসডি) মো. শরাফাত উল্লাহ খান উপস্থিত ছিলেন।

সভায় আরও অংশ নেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সিদ্দিকুর রহমান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাবেদুল আলম এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. মিজানুর রহমান।


নির্বাচিত

সিলেটে ভাইব্রেন্টের ২২তম সেলস সেন্টার উদ্বোধন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

গ্রাহকদের চাহিদা ও ব্যবসা সম্প্রসারণের ধারাবাহিকতায় সিলেটের জিন্দাবাজার পয়েন্টে ২২তম সেলস সেন্টার চালু করেছে ইউএস-বাংলা গ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠান ভাইব্রেন্ট।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জিন্দাবাজারে নতুন সেলস সেন্টারটির উদ্বোধন করেন ভাইব্রেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এ কে এম হারুনুর রশিদ ও রিটেইল ম্যানেজার মো. জাহিদুল ইসলাম রবিন।

ভাইব্রেন্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, যাত্রা শুরুর পর থেকে গ্রাহকদের চাহিদা, রুচি, আধুনিকতা ও ক্রয়ক্ষমতাকে বিবেচনায় রেখে বিভিন্ন ধরনের লাইফস্টাইল পণ্য বাজারজাত করছে প্রতিষ্ঠানটি। পুরুষ, নারী ও শিশুদের জন্য আধুনিক নকশার জুতার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের লেদার সামগ্রী, ট্রাভেল ব্যাগ, শার্ট ও টি-শার্টসহ নানা পণ্য রয়েছে ভাইব্রেন্টের সেলস সেন্টারগুলোতে। শিশুদের জন্যও রয়েছে বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক ও লাইফস্টাইল পণ্য।

নতুন সেলস সেন্টার উদ্বোধন উপলক্ষ্যে আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ভাইব্রেন্টের যেকোনো পণ্যে ২৬ শতাংশ ছাড় দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ভাইব্রেন্টের পণ্য নিজস্ব কারখানায় উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়। বর্তমানে বিভিন্ন সেলস সেন্টারে সহস্রাধিক ডিজাইনের লাইফস্টাইল পণ্যের সংগ্রহ রয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিলেটের ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. নাহিদুর রহমানসহ ইউএস-বাংলা গ্রুপের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে ইউনিলিভারের সাড়ে ৭ কোটি টাকা জমা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে মোট ৭ কোটি ৫৯ লাখ ২৬ হাজার ৮৯৩ টাকা দিয়েছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল) ও ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার লিমিটেড (ইউসিএল)।

এর মধ্যে ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড দিয়েছে ৭ কোটি ৭ লাখ ৫৮ হাজার ৫২০ টাকা। আর ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার লিমিটেড দিয়েছে ৫১ লাখ ৬৮ হাজার ৩৭৩ টাকা।

মঙ্গলবার শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে দুটি চেকের মাধ্যমে এই অর্থ হস্তান্তর করা হয় বলে বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ইউনিলিভার।

ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রুহুল কুদ্দুস খান ও ইউনিলিভার বাংলাদেশের এইচআর ডিরেক্টর সৈয়দা দুরদানা কবির এবং ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নাহারুল ইসলাম মোল্লা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চেক হস্তান্তর করেন। দুই কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শ্রমিক ও তাদের পরিবারের চিকিৎসা, শিক্ষা এবং বিভিন্ন জরুরি প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা দিতে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন কাজ করে আসছে।

“এই তহবিলে অবদানের মাধ্যমে দেশের শ্রমজীবী মানুষের সামাজিক সুরক্ষা ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমে নিজেদের অংশীদারত্ব অব্যাহত রেখেছে ইউবিএল ও ইউসিএল।”


নির্বাচিত

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির ৯২৯তম সভা অনুষ্ঠিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর নির্বাহী কমিটির ৯২৯তম সভা ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং তারিখে ব্যাংকের কর্পোরেট প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান জনাব মো: সানাউল্লাহ সাহিদ। সভায় বিভিন্ন খাতে অর্থায়ন এবং ব্যাংকিং সম্পর্কিত বিষয়াবলী নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে ব্যাংকের পরিচালক ও কমিটির সদস্যবৃন্দ ইঞ্জি. মো: তৌহীদুর রহমান, জনাব মোহাম্মদ ইউনুছ, জনাব আক্কাচ উদ্দিন মোল্লা এবং খন্দকার শাকিব আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ এবং কোম্পানি সচিব জনাব মো: আবুল বাশার উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

রূপালী ব্যাংকে চেক ছাড়াই টাকা উত্তোলন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য চেক ছাড়াই নগদ টাকা উত্তোলন সেবা চালু হয়েছে। ‘ক্যাশ বাই কিউআর’ নামের এ সেবায় রূপালী ই-ব্যাংক অ্যাপ ব্যবহার করে ব্যাংকের যেকোনো শাখা থেকে কোনো অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই টাকা উত্তোলন করা যাবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর দিলকুশায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সেবাটির উদ্বোধন করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম। এ সময় উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তাহমিনা আখতার ও মো. হারুনুর রশীদ উপস্থিত ছিলেন।

সেবা নিতে গ্রাহককে সংশ্লিষ্ট শাখায় প্রদর্শিত কিউআর সংকেত স্ক্যান করে রূপালী ই-ব্যাংক অ্যাপে ‘ক্যাশ বাই কিউআর’ সুবিধা নির্বাচন করতে হবে। এরপর উত্তোলনের পরিমাণ ও অনুমোদন সংকেত শাখার নগদ কাউন্টারে দিলে টাকা গ্রহণ করা যাবে। ব্যাংক জানিয়েছে, পুরো প্রক্রিয়ায় প্রায় দুই মিনিট সময় লাগবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী, মো. ইসমাইল হোসেন শেখ, সালামুন নেছা ও মো. মইন উদ্দিন মাসুদ এবং উপমহাব্যবস্থাপক মো. আনিছুর রহমান, মো. আবদুল মান্নান মিয়া ও মোল্লা রেজাউল করিমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

রাকাবের চেয়ারম্যান হলেন অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম। যোগদানের তারিখ থেকে তিন বছরের জন্য তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন উপসচিব আফরোজা আক্তার রিবা।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক আইন, ২০১৪-এর ধারা ৯(২) অনুযায়ী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলামকে যোগদানের তারিখ থেকে তিন বছরের জন্য রাকাবের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো।

নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।

তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্বও পালন করেছেন।


নির্বাচিত

ব্র্যাক ব্যাংকের বৈদেশিক রেমিট্যান্স ছাড়াল ২.৫ বিলিয়ন ডলার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৫৬
কর্পোরেট ডেস্ক

চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে ব্র্যাক ব্যাংকের মাধ্যমে আসা বৈদেশিক রেমিট্যান্স ২.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ব্যাংকটি ২০২৫ সালে অর্জিত ২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেকর্ড অতিক্রম করেছে।

ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

ব্র্যাক ব্যাংক ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। গত পাঁচ বছরের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির ওপর ভিত্তি করে ব্যাংকটি এ লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছে।

আন্তর্জাতিক পার্টনারশিপ বৃদ্ধি, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা এবং প্রবাসী বাংলাদেশি ও তাদের পরিবারের জন্য ব্যাংকিং সেবা আরও সহজলভ্য করার উদ্যোগ এই প্রবৃদ্ধিতে মূল ভূমিকা রেখেছে। মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের মতো প্রধান রেমিট্যান্স করিডোরগুলোর এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংক একটি শক্তিশালী গ্লোবাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।

ব্যাংকটির অ্যাডভান্সড হোস্ট-টু-হোস্ট টেকনোলজি ইন্টিগ্রেশন এবং আন্তর্জাতিক পার্টনারদের সঙ্গে এপিআই কানেক্টিভিটি ক্রস-বর্ডার অর্থ স্থানান্তর আরও দ্রুত, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য করে তুলেছে।

অর্থ প্রেরণ সেবার পাশাপাশি অনাবাসী বাংলাদেশি ও তাদের পরিবারের বৃহত্তর আর্থিক চাহিদা পূরণেও ব্র্যাক ব্যাংক সেবার পরিসর বাড়িয়েছে। তাদের জন্য রয়েছে ‘প্রবাসী ভার্চুয়াল সেভিংস অ্যাকাউন্ট’, ‘প্রবাসী পরিবার অ্যাকাউন্ট’, ‘তারা প্রবাসী পরিবার অ্যাকাউন্ট’ এবং অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট সেবা।

প্রবাসীরা ব্যাংকটির ডিজিটাল ই-কেওয়াইসি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিদেশ থেকেই অ্যাকাউন্ট খুলতে পারছেন এবং ‘আস্থা’ অ্যাপ ব্যবহার করে ফান্ড ট্রান্সফার, বিল পরিশোধ, ডিপিএস ও এফডিআর খোলাসহ প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সেবা উপভোগ করতে পারছেন। এসব সেবার মাধ্যমে প্রবাসীরা বিদেশে থেকেও দেশে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারছেন।

এ ছাড়া ব্যাংকটি রেমিট্যান্স গ্রহণকারী গ্রাহকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগের জন্য ‘উঠান বৈঠক’-এর আয়োজন করে আসছে, যা বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানো এবং ব্যাংকিং সেবা সম্পর্কে মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করছে।

ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, বছরের প্রথম নয় মাসের ২.৫ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স সংগ্রহ ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতি প্রবাসী ও আন্তর্জাতিক পার্টনারদের আস্থার প্রতিফলন। আমাদের লক্ষ্য হলো রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের বিশেষ ও কার্যকর ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা, যাতে তারা দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশে তাদের অর্থ সঠিকভাবে বিনিয়োগ করতে পারেন।


নির্বাচিত

প্রিমিয়ার লিজিং এন্ড ফাইন্যান্স লিমিটেডের রিকভারি এজেন্টের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

নন্-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফসি) প্রিমিয়ার লিজিং এ- ফাইন্যান্স লিমিটেড সম্প্রতি কোম্পানির শ্রেণীকৃত ঋণ ও দীর্ঘদিন ধরে অনাদায়ী ঋণ/লীজের অর্থ আদায়ের লক্ষ্যে স্বনামধন্য রিকভারি এজেন্সি স্ট্যান্ডার্ড ম্যানেজমেন্ট এন্ড লজিস্টিকস সার্ভিস লিমিটেড এর সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

প্রিমিয়ার লিজিং এ- ফাইন্যান্স লিমিটেড-এর পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জনাব মোস্তফা হোসেন এবং স্ট্যান্ডার্ড ম্যানেজমেন্ট এন্ড লজিস্টিকস সার্ভিস লিমিটেড-এর পক্ষে চেয়ারম্যান জনাব মোঃ রেফায়েতুল ইসলাম চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

সম্প্রতি প্রিমিয়ার লিজিং এ- ফাইন্যান্স লিমিটেড-এর প্রধান কার্যালয়, হ্যাপী রহমান প্লাজা (৬ষ্ঠ তলা), ২৫-২৭, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, বাংলামোটর ক্রসিং, ঢাকা-১০০০-এ আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের জন্য স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর এক্সক্লুসিভ প্রায়োরিটি ব্যাংকিং সুবিধা চালু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ এবং ইনস্টিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ বাংলাদেশ (আইসিএবি) একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। এর মাধ্যমে আইসিএবি-এর নির্দিষ্ট সদস্যদের জন্য এক্সক্লুসিভ প্রায়োরিটি ব্যাংকিং সুবিধা চালু করা হচ্ছে।

চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টরা সুশাসন, স্বচ্ছতা, টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করায় সহায়তার পাশাপাশি অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের এ অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁদের জন্য কাস্টমাইজড ফিনান্সিয়াল ও লাইফস্টাইল সুবিধার একটি প্যাকেজ প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রযোজ্য শর্ত সাপেক্ষে, এখন যোগ্য চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টরা ব্যাংকটির বিশেষ সেবাগুলো উপভোগ করতে পারবেন, যার মধ্যে রয়েছে আইসিএবি সদস্যপদ ও প্র্যাকটিশনার ফি-তে সাশ্রয়, নির্দিষ্ট পণ্যে ক্যাশব্যাক ও ফি মওকুফ, বাছাইকৃত লাইফস্টাইল ও ভ্রমণ সুবিধা, পাশাপাশি বিনামূল্যে ডেবিট কার্ড করার সুবিধা।

এছাড়াও এই অংশীদারিত্বের আওতায়, যোগ্য আইসিএবি সদস্যরা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড-এর বিস্তৃত প্রায়োরিটি ব্যাংকিং সেবাসমূহও উপভোগ করতে পারবেন, যার মধ্যে রয়েছে নিবেদিত রিলেশনশিপ ম্যানেজারের সহায়তা, ব্যাংক্যাসুরেন্স সুবিধা এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড সাদিক-এর মাধ্যমে শরিয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকিং সুবিধা।

এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, এনামুল হক বলেন, “১২১ বছর ধরে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, বাংলাদেশের একটি বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছে; যার মূল লক্ষ্য হলো ব্যাংকটির অনন্য ও বৈচিত্র্যময় কার্যক্রমের মাধ্যমে ব্যবসা ও সমৃদ্ধির প্রসার ঘটানো। চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টরা পেশাজীবীরা কেবল বাংলাদেশেই নয়, বরং বিশ্বজুড়েই সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং ব্যবসায়িক ও নীতিগত কাঠামো সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আইসিএবি (ICAB)-এর সাথে আমাদের এই অংশীদারিত্ব তাঁদের সেই গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে স্বীকৃতি দেয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা তাঁদের ব্যক্তিগত আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বাচ্ছন্দ্য ও কাস্টমাইজড ব্যাংকিং সেবা করতে পারবো।”

“আইসিএবি-এর চেয়ারম্যান, সাব্বির আহমেদ এফসিএ বলেন, ‘আমাদের সদস্যদের জন্য সময় উপযোগী সেবা উপস্থাপন

করা আইসিএবির একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। আমরা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড-এর সঙ্গে এই সহযোগিতাকে স্বাগত জানাই, যা চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টদের পেশাগত এবং ব্যক্তিগত উভয় প্রকারের আর্থিক চাহিদা পূরণ করবে। ব্যাংকিং এবং ফাইন্যান্সিং-এর সুবিধাগুলো আমাদের সদস্যদেরকে তাদের আর্থিক অগ্রাধিকারগুলো সুচারুরূপে পরিচালনা করতে সহায়তা করবে। আমরা আশা করি, আমাদের সদস্যরা এই অংশীদারিত্ব থেকে উপকৃত হবেন এবং প্রস্তাবিত সুযোগগুলোর সদ্ব্যবহার করবেন।”

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, এনামুল হক এবং আইসিএবি-এর প্রেসিডেন্ট, সাব্বির আহমেদ এফসিএ, এই সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটালের মাসব্যাপী আয়োজন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে হার্টের সুস্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা ও আধুনিক কার্ডিয়াক চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য করার অঙ্গীকার নিয়ে মাসব্যাপী বিশেষ আয়োজন করেছে মাদানী এভিনিউ’র ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটাল।

এ উপলক্ষে ইউনাইটেড কার্ডিয়াক সেন্টারের বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এর সাফল্য, অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

এই দিন বিশেষ অনুষ্ঠানে কার্ডিওলজি ও কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের অর্জন ও অগ্রগতি তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস) উপপরিচালক (হাসপাতাল) ডা.মো. ইব্রাহিম টিটন ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতলের (এসআইসিভিডি) কার্ডিওলজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ডা.হাসিনা বানু।

অনুষ্ঠানে ডা. মো. ইব্রাহিম টিটন বলেন, ‘ইউনাইটেড কার্ডিয়াক সেন্টারের দক্ষ চিকিৎসক দল, আধুনিক অবকাঠামো ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তি প্রমাণ করে যে উন্নতমানের কার্ডিয়াক চিকিৎসাসেবা এখন দেশের মাটিতেই পাওয়া সম্ভব। দেশের ভেতরেই এ ধরনের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত হওয়ায় রোগীদের বিদেশে চিকিৎসার জন্য যাওয়া এবং এর সঙ্গে যুক্ত বিপুল ব্যয় থেকেও সাশ্রয় হবে।’

অধ্যাপক ডা. হাসিনা বানু বলেন, ‘বাংলাদেশে হৃদরোগে আক্রান্তদের বেশিরভাগই বংশগত কারণে ঝুঁকিতে থাকেন, তাই চিকিৎসক হিসেবে এটা আমাদের দায়িত্ব সাধারণ মানুষকে সচেতন করা ও এমন উদ্যোগ নেওয়া, যাতে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম হৃদরোগের ঝুঁকি নিয়ে বেড়ে না ওঠে।’

অনুষ্ঠানে ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিজামুদ্দিন হাসান রশিদ বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবায় ইউনাইটেড গ্রুপের কমিটমেন্ট তুলে ধরেন।

এছাড়াও ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটালের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম মোহসেন বলেন, ‘বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ কার্ডিওলজি চিকিৎসকরা জানেন, ৪০ বছর আগেও দেশে বিশ্বের সমমানের আধুনিক কার্ডিয়াক প্রযুক্তি ও সরঞ্জামের সুযোগ খুবই সীমিত ছিল। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে, আর বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেই অগ্রযাত্রাকে আরও এগিয়ে নিতে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটাল কাজ করছে, যাতে দেশের মানুষ উন্নতমানের কার্ডিয়াক চিকিৎসা দেশের মাটিতেই পান এবং চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে না হয়।’

এর অংশ হিসেবে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ‘সেলিব্রেটিং লাইফ, কেয়ার অ্যান্ড রিকভারি’ আয়োজনে এই হসপিটালে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের সুস্থ হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন এবং ইউনাইটেড কার্ডিয়াক সেন্টারের ভবিষ্যৎ সেবার পরিকল্পনা সম্পর্কে জানার সুযোগ পান।

এই দিন ‘সেলিব্রেটিং লাইফ, কেয়ার অ্যান্ড রিকভারি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটালে হৃদরোগের চিকিৎসা নেওয়া সকল রোগীদের জন্য তাদের সংগ্রাম, চিকিৎসা ও সুস্থ হয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা তুলে ধরার জন্য একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে ইউনাইটেড কার্ডিয়াক সেন্টারের আধুনিক প্রযুক্তি, অভিজ্ঞ চিকিৎসক পুল এবং ক্রমবর্ধমান সেবার পরিধি সম্পর্কে তাদের জানানো হয়। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় তপু বর্মণ। চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের নিয়মিত খোঁজ নেওয়ার মাধ্যমে হাসপাতালটি রোগীর প্রতি তার দায়বদ্ধতা আরও এগিয়ে নিয়েছে।

হৃদরোগ সচেতনতার এই মাসব্যাপী কার্যক্রম শুরু হয়, ‘দ্য হান্ড্রেড কিলোমিটার ওয়াকিং চ্যালেঞ্জ’ এর মধ্য দিয়ে। এর পাশাপাশি রোগী ও স্বজনদের জন্য কার্ডিয়াক হেলথ চেকআপের সুযোগ রাখা হয় এবং পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস থাকা ব্যক্তিদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হয়।


নির্বাচিত

আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান পুনর্নির্বাচিত হলেন মো. মেহমুদ হোসেন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন মো. মেহমুদ হোসেন। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৯৮৬তম সভায় তিনি সর্বসম্মতিক্রমে চেয়ারম্যান হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে আইএফআইসি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের পর ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে মো. মেহমুদ হোসেন স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে পরিচালনা পর্ষদে যোগ দেন। পরবর্তীতে ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তিনি পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

মো. মেহমুদ হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে বিএসএস (অনার্স) ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৪ সালে ব্যাংকিং পেশায় কর্মজীবন শুরু করা মো. মেহমুদ হোসেনের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে প্রায় চার দশকের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। এছাড়াও, তিনি একাধিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে একযুগেরও বেশি সময় সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।


নির্বাচিত

এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামে ২০০০ জনেরও বেশি হৃদরোগীর এনজিওপ্লাস্টি সম্পন্ন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বন্দরনগরীর সর্ববৃহৎ হাসপাতাল এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রাম অত্যন্ত জটিল এবং ঝুকিপূর্ণ রোগীসহ ২০০০ জনেরও বেশি হৃদরোগীর এনজিওপ্লাস্টি/ স্টেন্টিং (পিটিসিএ) চিকিৎসা সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এই সাফল্য চট্টগ্রামসহ আশপাশের অঞ্চলের মানুষের জন্য বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে এভারকেয়ার হসপিটালের প্রচেষ্টার প্রমাণস্বরূপ।

এই সাফল্য উদযাপনে এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রাম আজ একটি প্রেস ইভেন্ট ও র‍্যালি আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৬ উদযাপন করেছে। ‘ডোন্ট মিস অ্যা বিট’ প্রতিপাদ্যের সাথে প্রেস ইভেন্ট হৃদরোগের প্রাথমিক শনাক্তকরণ, দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন এবং উন্নত কার্ডিয়াক সেবা নিশ্চিতের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

সেসময় উপস্থিত ছিলেন এভারকেয়ার হসপিটালস, বাংলাদেশ (ঢাকা ও চট্টগ্রাম)-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও ডা. রত্নদ্বীপ চাস্কার; বিনয় কউল, এভারকেয়ার হসপিটালস চট্টগ্রাম এর চিফ অপারেটিং অফিসার; এভারকেয়ার হসপিটালস চট্টগ্রাম এর মেডিকেল সার্ভিসেস বিভাগের ডিরেক্টর ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির; এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের কার্ডিওলজি বিভাগের সিনিয়র কনসাল্টেন্ট ও কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ডা. শেখ মোহাম্মদ হাছান মামুন; সিনিয়র কনসাল্টেন্ট ডা. জহির উদ্দিন মাহমুদ ইলিয়াছ; সিনিয়র কনসাল্টেন্ট ডা. মো: তারিক বিন আব্দুর রশিদ; অ্যাটেন্ডিং কনসাল্টেন্ট ডা. সমীর কুমার পাল; অ্যাটেন্ডিং কনসাল্টেন্ট ডা. রাকিব চৌধুরী সহ হসপিটালের অন্যান্য চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

হৃদরোগের মতো জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ রোগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা পাওয়া, যা ধারাবাহিকভাবে দিয়ে আসছে হসপিটালটি। অনুষ্ঠানে ৬০০০ এর বেশি ক্যাথ প্রসিডিউর চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এবং হৃদরোগের চিকিৎসায় এভারকেয়ার হাসপাতাল চট্টগ্রামের সক্ষমতা সম্পর্কে চিকিৎসকবৃন্দ কথা বলেন।

বক্তব্যকালে এভারকেয়ার হসপিটালস, বাংলাদেশ (ঢাকা ও চট্টগ্রাম)-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও ডা. রত্নদ্বীপ চাস্কার বলেন, “দুই হাজারেরও বেশি রোগীকে এনজিওপ্লাস্টি/স্টেন্টিং সেবা দিতে পেরে আমরা গর্বিত। রোগীদের আস্থা ও আমাদের পুরো টিমের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই এই অর্জনের মূল শক্তি। ভবিষ্যতেও আরও উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

কার্ডিওলজি বিভাগের সিনিয়র কনসাল্টেন্ট ও কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ডা. শেখ মোহাম্মদ হাছান মামুন বলেন, “এখন পর্যন্ত ২ হাজারেরও বেশি রোগীকে এনজিওপ্লাস্টি/স্টেন্টিং সেবা দেওয়া আমাদের জন্য বড় প্রাপ্তি। রোগীরা আমাদের ওপর আস্থা রেখেছেন বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। এই পথচলায় আমাদের চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্টাফরা একসঙ্গে কাজ করেছেন। তাই তাদের আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাতে চাই। ভবিষ্যতে আমরা আরও ভালো করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবো।”

সিনিয়র কনসাল্টেন্ট ডা. জহির উদ্দিন মাহমুদ ইলিয়াছ বলেন, “বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা অনিয়মিত স্পন্দনের মতো উপসর্গ অবহেলা করা উচিৎ নয়। নিয়মিত চেকআপের মাধ্যমে প্রাথমিক অবস্থায় রোগ শনাক্ত করা গেলে জীবন বাঁচানোর সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়। উচ্চ-রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, ধূমপানসহ বংশগত কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি দৈনন্দিন জীবনযাপনে ইতিবাচক পরিবর্তন, সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত শরীরচর্চা, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ধূমপান বর্জন, পর্যাপ্ত ঘুম ইত্যাদির মাধ্যমে হার্ট সুস্থ রাখাও সম্ভব। সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে হৃদরোগ প্রতিরোধ করা কঠিন কিছু নয়।”

সিনিয়র কনসাল্টেন্ট ডা. মো: তারিক বিন আব্দুর রশিদ বলেন, “হৃদরোগ এখন কেবল বয়স্কদের সমস্যা নয়, যেকোন বয়সেই এটি দেখা যাচ্ছে, যা ভীষণ উদ্বেগজনক। কিছু ক্ষেত্রে উপসর্গও বোঝা যায় না, আবার কিছু ক্ষেত্রে রোগী বা স্বজনরা তা অবহেলা করে যান। তাই নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা করানো সর্বোত্তম। যারা আগে থেকেই হৃদরোগের চিকিৎসা নিচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে ওষুধ চালিয়ে যাওয়া ও নিয়মিত ফলো-আপ নেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।”

এভারকেয়ার হসপিটালস বাংলাদেশ-এর মেডিকেল সার্ভিসেস বিভাগের ডিরেক্টর ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির বলেন, “এভারকেয়ার হসপিটালস বাংলাদেশ সবসময় চেষ্টা করে উন্নত ও নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা-সেবা নিশ্চিত করতে। প্রতিটি মানুষ হার্টের অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকুক এবং প্রয়োজনে সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ করুক ও সুস্থ থাকুক – এটিই আমাদের কাম্য।”

অ্যাটেন্ডিং কনসাল্টেন্ট ডা. সমীর কুমার পাল বলেন, “অনেক রোগী চিকিৎসার পর একটু ভালো অনুভব করলে ওষুধ বন্ধ করে দেন বা ফলো-আপে আসেন না। এক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে, হৃদরোগের চিকিৎসা একবারের ব্যাপার নয়, বরং একটি চলমান প্রক্রিয়া। পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ খাওয়া এবং নির্দিষ্ট সময় পরপর পরীক্ষা করালেই সুস্থতা ধরে রাখা সম্ভব।”

অ্যাটেন্ডিং কনসাল্টেন্ট ডা. রাকিব চৌধুরী বলেন, “হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে প্রতিটি মিনিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হঠাৎ বুকে তীব্র চাপ বা ব্যথা শুরু হলে অনেকে ভাবেন একটু বিশ্রাম নিলেই ঠিক হয়ে যাবে। তবে সেটি বিপদ বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই সচেতন হতে হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে চিকিৎসার আওতায় আনতে হবে।”

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে একটি র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব তুলে ধরে র‍্যালিটি হাসপাতাল প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে, যার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।


নির্বাচিত

এসিআই’র ওয়েলনেস ও হাইজিন বিজনেসের সিওও ইশতিয়াক আহম্মদ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

এসিআই পিএলসি’র ওয়েলনেস ও হাইজিন বিজনেসের চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন খন্দকার ইশতিয়াক আহম্মদ।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন বহুজাতিক ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠানে প্রায় দুই দশকের পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। এসিআই পিএলসি’র হাইজিন প্রোডাক্ট বিজনেস গড়ে তোলা ও সম্প্রসারণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

নতুন দায়িত্বে তিনি এসিআই পিএলসি’র ওয়েলনেস এবং হাইজিন বিজনেসের পরিধি বাড়ানো, নতুন ব্যবসার সুযোগ তৈরি এবং প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবেন।


নির্বাচিত

banner close