বাংলাদেশের জনপ্রিয় ক্লিয়ার ড্রিঙ্কস ব্র্যান্ড ‘ক্লেমন’সম্প্রতি নতুন ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। এই ক্যাম্পেইনে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, ফাস্ট বোলার শরিফুল ইসলাম ও জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট কাস্টিং হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তাদের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে প্রতিভাবান ক্রিকেট প্লেয়ার তৈরির পেছনে ক্লেমনের যে অবদান তা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
‘ক্লেমন স্পোর্টস’-এর তত্ত্বাবধানে সারা বাংলাদেশে সাতটি ক্রিকেট একাডেমি পরিচালিত হচ্ছে। খালেদ মাসুদ পাইলট ক্লেমন স্পোর্টসের পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও বোলার শরিফুল ইসলাম দুজনের ক্রিকেটের হাতেখড়ি ক্লেমন ক্রিকেট একাডেমিতে।
এই একাডেমির মাঠ থেকে আজ তারা ক্রিকেট বিশ্বমঞ্চে আলো ছড়াচ্ছেন। পাশাপাশি শামীম পাটোয়ারী, মাহমুদুল হাসান জয় ও নাহিদ রানাসহ আরও অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার তৈরি হচ্ছে বিশ্বের কাছে নিজের প্রতিভাকে তুলে ধরতে ক্লেমন ক্রিকেট একাডেমির মাধ্যমে।
ক্লেমন ক্রিকেট একাডেমি টিভি বিজ্ঞাপন বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যায়। বর্তমানে সব দেশীয় টিভি চ্যানেলে টিভিসিটি সম্প্রচারিত হচ্ছে। এ ছাড়া ডিজিটাল মাধ্যমগুলোতে প্রোমোশন, মার্কেটে পয়েন্ট অব সেলস ম্যাটরিয়াল দেওয়া, অফ লাইন ক্যাম্পেইন ও প্রিন্ট মিডিয়া কার্যক্রম চালু রয়েছে। বিজ্ঞপ্তি
প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে আজ বুধবার ২০২৬ সকাল ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে ‘এডমিশন ফেস্ট, সামার–২০২৬’। নতুন শিক্ষাবর্ষে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত এই মাসব্যাপী উৎসবটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এক প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে এডমিশন ফেস্টের শুভ উদ্বোধন করেন প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল মান্নান চৌধুরী ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সম্মানিত প্রিন্সিপাল অ্যাডভাইজার প্রফেসর ড. মো. আনোয়ারুল কবির, রেজিস্ট্রার মো. সাকির হোসাইন, স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ডিন প্রফেসর ড. শহিদুল ইসলাম খান, স্কুল অব বিজনেস-এর ডিন প্রফেসর আবুল কালাম, স্কুল অব ‘ল’ -এর ডিন প্রফেসর মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান, ইউনিভার্সিটির প্রক্টর মো: আনিছুর রহমান, স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড অ্যাডমিন ডিরেক্টর আফরোজা হেলেন, এডমিশন অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস ডিপার্টমেন্টের ডেপুটি ডিরেক্টর ও হেড জাহিদ হাসানসহ বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ।
উল্লেখ্য, ‘এডমিশন ফেস্ট, সামার–২০২৬’ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি ফি-তে ৭৫% ছাড় এবং টিউশন ফি-তে ১০% স্পেশাল স্কলারশিপসহ মেধার ভিত্তিতে ১০০% পর্যন্ত স্কলারশিপের সুযোগ প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়াও উপহার হিসেবে থাকছে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির ফ্ল্যাগশিপ ব্যাগ, আকর্ষণীয় টি-শার্ট ও গ্র্যান্ড গিফট বক্স।
পুরো মাস জুড়ে এডমিশন ফেস্টে শিক্ষার্থীদের জন্য থাকবে তথ্যভিত্তিক দিকনির্দেশনা, একাডেমিক ও ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং।
উল্লেখ্য, গবেষণা ও কর্মমুখী শিক্ষায় অগ্রাধিকার, আধুনিক ও সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড ক্লাসরুম, উন্নত ল্যাব সুবিধা, উচ্চগতির ইন্টারনেট, পৃথক স্টুডেন্ট জোন এবং সমৃদ্ধ লাইব্রেরির মাধ্যমে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি দেশি ও বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের গ্র্যাজুয়েট তৈরিতে গত বাইশ বছরে একটি নির্ভরযোগ্য ও সর্বজগ্রাহ্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় ডিজিটাল রূপান্তর এখন আর কেবল আলোচনার বিষয় নয়, এটি একটি চলমান বাস্তবতা। স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন, ডিজিটাল ক্লাসরুম পরিচালনা এবং শিক্ষার্থীদের হাতে প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ ক্রমশ বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সাশ্রয়ী কিন্তু টেকসই প্রযুক্তি সমাধান খুঁজে পাওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
একটি কম্পিউটার ল্যাবে যদি ৩০ থেকে ৫০টি ওয়ার্কস্টেশন থাকে, তাহলে প্রতিটিতে বড় ডেস্কটপ স্থাপন করলে জায়গা, বিদ্যুৎ এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ অনেক বেড়ে যায়। সেই তুলনায় Mini PC দিয়ে একটি পরিপাটি, কম খরচের এবং কার্যকর ল্যাব সেটআপ তৈরি করা সম্ভব। পাশাপাশি শিক্ষকদের জন্য ক্লাসরুম প্রেজেন্টেশন ও গবেষণার কাজে Alpha 95 MX ল্যাপটপ একটি আদর্শ সঙ্গী হতে পারে।
শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি ভালো ডিজিটাল শিক্ষাপরিবেশ গড়ে তুলতে নির্ভরযোগ্য হার্ডওয়্যার অপরিহার্য। যদি ডিভাইসগুলো ঘন ঘন নষ্ট হয় বা ধীর গতির হয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগ্রহণের গতি ব্যাহত হয়। সেজন্য টেকসই ও পারফরম্যান্টসম্পন্ন ডিভাইস বেছে নেওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
দেশীয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ড Qbits শিক্ষাখাতের এই চাহিদাকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে তাদের পণ্য তৈরি করেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য বাল্ক ক্রয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত মানের প্রযুক্তি সরবরাহ করতে Qbits প্রস্তুত, যা দেশের শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তরে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষাখাতে সঠিক প্রযুক্তি বিনিয়োগ দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ডিজিটাল দক্ষতায় এগিয়ে নিয়ে যাবে। Qbits সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর একটি বিশ্বস্ত প্রযুক্তি অংশীদার হতে পারে।
রাজধানীর নিকুঞ্জ এলাকায় গ্রাহকদের জন্য আধুনিক ও নিরবচ্ছিন্ন ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি একটি নতুন এটিএম বুথ চালু করেছে। আজ মঙ্গলবার ৫ মে ২০২৬ তারিখে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বুথটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এটিএম বুথটির শুভ সূচনা করেন আইএফআইসি ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান জনাব মো. এবতাজুল ইসলাম। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সৈয়দ মনসুর মোস্তফা। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিবিপিএল-এর এমডি এন্ড সিইও জনাব মো. আব্দুল মোতালিব, সিসিবিপিএল-এর ভারপ্রাপ্ত এমডি এন্ড সিইও এ.এস.এম খায়রুজ্জামান এবং অ্যারিস্টোক্র্যাট অ্যাডভাইজারস অ্যান্ড অ্যারেঞ্জার্স-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এ হাফিজ। এছাড়া আইএফআইসি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় সম্মানিত গ্রাহকগণ এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন।
নতুন এই এটিএম বুথটি স্থাপিত হওয়ায় নিকুঞ্জ ও এর আশপাশ এলাকার গ্রাহকরা এখন থেকে অত্যন্ত সহজে নগদ অর্থ উত্তোলন, আইএফআইসি কিংবা অন্য যে কোনো ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট ও কার্ডে অর্থ স্থানান্তর করতে পারবেন। পাশাপাশি ব্যালেন্স চেক, মিনি স্টেটমেন্ট সংগ্রহ, কার্ড সচল করা এবং পিন পরিবর্তনের মতো জরুরি ব্যাংকিং সেবাগুলোও এখান থেকে পাওয়া যাবে। মূলত গ্রাহকদের প্রাত্যহিক আর্থিক লেনদেনকে আরও সুবিধাজনক, নিরাপদ ও সময়সাশ্রয়ী করে তোলার লক্ষ্যেই আইএফআইসি ব্যাংক দেশজুড়ে তাদের সেবার পরিধি বিস্তৃত করছে।
উল্লেখ্য যে, চলতি বছরের মধ্যে সারা দেশে আরও দেড় শতাধিক এটিএম বুথ স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে আইএফআইসি ব্যাংক। বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৪০০টিরও বেশি শাখা ও উপশাখার সমন্বয়ে গঠিত বিশাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যাংকটি দেশের অন্যতম বৃহত্তম ও শক্তিশালী ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে।
বাংলাদেশের শিল্প অঙ্গনকে আরও পরিবেশবান্ধব ও আন্তর্জাতিক মানে প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তুলতে ইএসজি (পরিবেশ, সমাজ ও সুশাসন) দক্ষতার গুরুত্ব উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রয়োজনীয়তাকে সামনে রেখে দেশের শিল্পখাতে ইএসজি দক্ষতা বৃদ্ধিতে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও সুইসকন্ট্যাক্ট যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মেরুল বাড্ডা প্রাঙ্গণে “স্ট্রেনথেনিং লোকাল ক্যাপাসিটি ফর সাসটেইনেবল ইন্ডাস্ট্রি” শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বর্তমানে বিশ্ববাজারে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে হলে পণ্যের গুণগত মানের পাশাপাশি উৎপাদন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখা অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বিনিয়োগকারীরা এখন কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, উন্নত শ্রমমান, সুশাসন এবং টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদন উপস্থাপনের মতো বিষয়গুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। ফলে স্থানীয় শিল্পগুলোর জন্য ইএসজি এখন আর কেবল একটি তাত্ত্বিক ধারণা নয়; এটি বিদেশের বাজারে রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার অন্যতম মাধ্যম।
সেমিনারে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি ও সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত একটি জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করা হয়। তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, ব্যাংকিং ও উৎপাদন খাতের ১০৬ জন পেশাজীবীর ওপর এই জরিপ চালানো হয়েছিল। জরিপের প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, পেশাজীবীদের মধ্যে ইএসজি বিষয়ে সচেতনতা বাড়লেও ইএসজি রিপোর্টিং, কার্বন হিসাবায়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই অর্থায়নের মতো প্রায়োগিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে। তবে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের প্রতি পেশাজীবীদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে ইএসজি বিষয়ের ওপর ৬০ ঘণ্টার একটি বিশেষ পেশাগত সার্টিফিকেট কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করা প্রথম ব্যাচের ২৪ জন শিক্ষার্থীকে সনদ প্রদান করা হয়। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি কর্তৃক প্রণীত এই কোর্সটি সুইসকন্ট্যাক্টের “প্রগেস” উদ্যোগের সহায়তায় বাস্তবায়িত হয়েছে। পুরো কার্যক্রমটিতে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে বাংলাদেশে অবস্থিত সুইডেন ও সুইজারল্যান্ডের দূতাবাস। অ্যাকাডেমিক বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি খাতের অভিজ্ঞ পেশাজীবীরাও এই কোর্সে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছেন।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্যে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ইএসজি শিক্ষাকে আরো এগিয়ে নিতে ও অ্যাকাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি সহযোগিতা জোরদারে কাজ করছে।” এক গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও সুইসকন্ট্যাক্ট স্থানীয় প্রেক্ষাপটে প্রাসঙ্গিক ইএসজি জ্ঞান ও ব্যবহারিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে সচেষ্ট রয়েছে।
অনুষ্ঠানে শিল্পখাত, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. শহিদুর রহমান ও প্রফেসর ড. সৈয়দ এ. মামুন; এবি লিনডেক্স-এর গ্লোবাল সাসটেইনেবিলিটি ম্যানেজার কাজী মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন; সুইডেন দূতাবাসের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার ইকরামুল এইচ সোহেল এবং প্রগ্রেস প্রকল্পের টিম লিডার ফারজানা আমিন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সমন্বিত উদ্যোগ বাংলাদেশকে একটি সবুজ ও টেকসই শিল্প ব্যবস্থার দিকে ধাবিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বেসরকারি ব্যাংক উদ্যোক্তাদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) তাদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে নতুন দুই মুখ যুক্ত করেছে। সংগঠনের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দুই বিশিষ্ট ব্যাংকারকে নির্বাচিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) বিএবির এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের সম্মানীয় চেয়ারম্যান রাশেদ আহমেদ চৌধুরী এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান শরীফ জহির নতুন ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তাঁরা বর্তমান কমিটির চলমান মেয়াদের অবশিষ্ট সময়ের জন্য অর্থাৎ ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই পদে বহাল থাকবেন।
সংগঠনের ২৩০তম নির্বাহী কমিটির এই সভায় নতুন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়। বিএবির সম্মানীয় চেয়ারম্যান এবং ঢাকা ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল হাই সরকারের সভাপতিত্বে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল শেখ সোহেল খুরশীদের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। নতুন এই নেতৃত্ব দেশের ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।
এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসি. বিশ্ব কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে তার সকল কারখানা ও নির্মাণস্থলে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করেছে। এ বছরের প্রতিপাদ্য “চলুন এমন একটি কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করি, যেখানে কর্মীরা মানসিক, সামাজিক ও আবেগগতভাবে নিরাপদ ও স্বস্তিতে থাকে” কে সামনে রেখে কোম্পানিটি তার কর্মীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করে।
দিবসটি উপলক্ষে এনার্জিপ্যাক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক, জি গ্যাস এলপিজি প্ল্যান্ট, দাকোপ, খুলনা, জি গ্যাস স্যাটেলাইট প্ল্যান্ট রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের নির্মাণস্থলে আলোচনা সভা, ৱ্যালি, নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) বিতরণ, ফায়ার ড্রিল এবং সচেতনতামূলক ওয়ার্কশপ আয়োজন করা হয়।
এনার্জিপ্যাকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জনাব হুমায়ুন রশিদ বলেন,
“আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় সম্পদ আমাদের কর্মীরা। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বিশ্ব কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য দিবস আমাদেরকে এই অঙ্গীকার নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। আমরা শুধু আজকের দিনে নয়, প্রতিদিনই নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে কাজ করে যাচ্ছি।”
এনার্জিপ্যাক দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা অনুসরণ করে আসছে এবং কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে যাচ্ছে।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি)-এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান এমটিবি ক্যাপিটাল পিএলসি সম্প্রতি তাদের স্থানান্তরিত কর্পোরেট অফিসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে। নতুন অফিসটি ঢাকার মহাখালী বাণিজ্যিক এলাকায় ৪২, ইজাব ফ্লোরা ইউনিটি টাওয়ারের ৭ম তলায় অবস্থিত। পূর্বে প্রতিষ্ঠানটির অফিস ছিল পান্থপথের চন্দ্রশিলা সুবাস্তু টাওয়ারে।
এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন অফিসের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিব নারায়ন কৈরী, চেয়ারম্যান, এমটিবি ক্যাপিটাল পিএলসি এবং স্বতন্ত্র পরিচালক, এমটিবি; এবং জেরিন মাহমুদ হোসেন, ভাইস-চেয়ারম্যান, এমটিবি ক্যাপিটাল পিএলসি এবং স্বতন্ত্র পরিচালক, এমটিবি।
অন্যান্য উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, পরিচালক, এমটিবি ক্যাপিটাল পিএলসি এবং এমডি ও সিইও, এমটিবি; চৌধুরী আখতার আসিফ, পরিচালক, এমটিবি ক্যাপিটাল পিএলসি এবং এএমডি ও সিবিও, এমটিবি; মোঃ শামসুল ইসলাম, পরিচালক, এমটিবি ক্যাপিটাল পিএলসি এবং ডিএমডি, এমটিবি; পাশাপাশি গৌতম প্রসাদ দাস, রেইস উদ্দিন আহ্মাদ, মোঃ বখতিয়ার হোসেন এবং মোঃ শাফকাত হোসেন, ডিএমডি, এমটিবি। এমটিবি ক্যাপিটাল পিএলসি-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সুমিত পোদ্দারও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
নতুন ও আধুনিক এই অফিস থেকে কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। এটি গ্রাহকসেবা, সমন্বয় এবং সৃজনশীলতাকে আরও শক্তিশালী করবে। অনুষ্ঠানে এমটিবি ক্যাপিটাল পিএলসি-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
দেশে ও বিদেশে নিজেদের সফল ব্যবসা গড়ে তুলেছেন এমন ছয়জন প্রাক্তন শিক্ষার্থী নিয়ে ‘আইএসডি অ্যালামনাই এন্টারপ্রেনারিয়াল সামিট ২০২৬’ আয়োজন করে ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা (আইএসডি)।
‘ফ্রম আইএসডি টু ইন্ডাস্ট্রি: লেসনস ফ্রম দ্য এন্টারপ্রেনারিয়াল ফ্রন্টলাইন’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে ব্যবসা গড়ে তোলার বাস্তবতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। সম্প্রতি আয়োজিত অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইএসডির করপোরেট রিলেশনস রিপ্রেজেন্টেটিভ ফারেস্তা আলী মালিক।
আলোচনায় অংশগ্রহণকারী হিসেবে ছিলেন স্টার্জন ক্যাপিটালের ভেঞ্চার পার্টনার ও রাহিমোটো এক্সপ্রেসের প্রধান নির্বাহী ওয়াইজ রহিম; আমলিন স্কিন ও ইনডারফুলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নামিত কবির; আমলিন স্কিন ও ল্যাটিটিউড টুয়েন্টিথ্রি ইনকরপোরেটেড-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা মেহরান কবির; বেয়ার অ্যান্ড ব্লুম বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা আলিশা লাবিবা রহমান; এমেরাল্ড ইভেন্টসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মারিহা কাদের চৌধুরী; এবং আর্ডামান অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার নাফিস জলিল।
আলোচনায় উঠে আসে কীভাবে মানুষের ছোটবেলার আগ্রহ পরবর্তীতে তাদের ক্যারিয়ারের বিকাশে ভূমিকা রাখে। এ বিষয়ে মারিহা কাদের চৌধুরী বলেন, “এই আইএসডি থেকেই আমার যাত্রা শুরু। স্কুলে পড়ার সময় আমি স্টুডেন্ট কাউন্সিল থেকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করতাম। তখন জানতাম না যে একদিন এটাই আমার পেশা হবে। আমার মতে, পছন্দের কাজ খুঁজে পেলে তাকে ক্যারিয়ারে রূপ দেওয়া সহজ।”
পেশার ক্ষেত্রে কাজের প্রতি ভালোবাসার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেন মেহরান কবির। তিনি বলেন, “আমি শুরুতেই বুঝে গিয়েছিলাম যে কাজে আমার আগ্রহ ও উদ্যম নেই, তা আমি করতে পারব না। নিজের কাজের প্রতি ভালোবাসা না থাকলে, সে কাজে সফল হওয়া অসম্ভব।”
ব্যর্থতা এবং মানসিক দৃঢ়তা নিয়ে কথা বলেন ওয়াইজ রহিম। তিনি বলেন, “পছন্দের কাজের সাথে একজন মানুষের পরিচয় মিশে থাকে। সেই ব্যবসা সফল না হলে মানুষ মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। তবে, সেই কঠিন সময় কাটিয়ে উঠে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়া জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।”
আলোচনায় ব্যবসা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কিং, টেকসই পণ্য তৈরি এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার ওপর জোর দেওয়া হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রসঙ্গে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, “চিন্তার বিকল্প হিসেবে নয় বরং এআই মানুষের কাজকে সহজ করার একটি মাধ্যম হিসেবে সবচেয়ে ভালো কাজ করে।”
অনুষ্ঠানটির বিষয়ে আইএসডি’র ডিরেক্টর স্টিভ ক্যাল্যান্ড-স্কোবল বলেন, “আমাদের ৭০০ এর বেশি প্রাক্তন শিক্ষার্থী বিশ্বের ১৫টি দেশে ছড়িয়ে আছেন। তাদের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা আমাদের স্কুলের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান।”
সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন তৈরি করার উদ্দেশ্যে আইএসডি আগামীতেও এ ধরণের আয়োজন চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে।
স্কয়ার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান স্যামসন এইচ চৌধুরীর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে দেশব্যাপী পরিচালিত ‘৫৬ হাজার স্কয়ার মাইল জুড়ে’ শীর্ষক মোবাইল স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোগের ভোলা জেলার কার্যক্রমের দ্বিতীয় দিন ৪ মে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলার মনিরাম বাজার সংলগ্ন হাফিজ ইব্রাহিম কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই স্বাস্থ্য ক্যাম্পে দিনব্যাপী প্রায় ২৬০০ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ প্রদান করা হয়।
ক্যাম্পটি পরিদর্শন করেন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম। পরিদর্শনকালে তিনি অসহায় মানুষের দোরগোড়ায় বিনামূল্যে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগের জন্য স্কয়ার গ্রুপের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এই কর্মসূচির আওতায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে সাধারণ রোগের চিকিৎসার পাশাপাশি বিনামূল্যে ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হওয়া এই উদ্যোগে ইতোমধ্যে ১৩টি জেলায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছেন।
আগামী ৫ মে ভোলার বাংলাবাজারের হালিমা খাতুন মহিলা ডিগ্রি কলেজে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত পরবর্তী ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচির সমাপনী দিন অর্থাৎ ৬ মে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ বাসের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরাসরি চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া হবে।
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার যে মূল দর্শন নিয়ে স্যামসন এইচ চৌধুরী স্কয়ার গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নেই এই বিশেষ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার প্রতিষ্ঠান ‘রিয়া’-এর মাধ্যমে পাঠানো রেমিটেন্স বিকাশ-এ নিলেই মিলছে ২০০ টাকা ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক। সরকারি ২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রণোদনা বাদে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা সরাসরি বিকাশ অ্যাকাউন্টে নিয়ে প্রবাসীর স্বজনেরা এই সুবিধা উপভোগ করতে পারছেন। অফার চলাকালীন একবারই এই ক্যাশব্যাক পাওয়া যাবে।
ব্যাংকিং চ্যানেল হয়ে বৈধপথে রেমিটেন্স পাঠানোকে আরও উদ্বুদ্ধ করতেই রিয়া মানি ট্রান্সফার ও বিকাশ এই যৌথ ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেছে। ক্যাম্পেইনটি শুরু হয়েছে ১ মে এবং চলবে ২৫ মে পর্যন্ত। রিয়া মানি ট্রান্সফার ও এর অ্যাপের মাধ্যমে মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইতালি, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, পর্তুগাল, জার্মানি, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া সহ বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে প্রবাসীরা দেশে থাকা স্বজনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে যতবার প্রয়োজন ততবার রেমিটেন্স পাঠাতে পারছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী প্রবাসীরা বিকাশ-এ প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাঠাতে পারছেন।
রিয়া মানি ট্রান্সফার থেকে বৈধপথে পাঠানো রেমিটেন্সের ওপর হাজারে ২৫ টাকা সরকারি প্রণোদনাসহ পুরো টাকা ব্যাংকিং চ্যানেল হয়ে মুহূর্তেই নিজেদের বিকাশ অ্যাকাউন্টে পেয়ে যাচ্ছেন দেশে থাকা প্রবাসীর স্বজনেরা। পাশাপাশি, রিয়া মানি ট্রান্সফার অ্যাপের মাধ্যমে যেকোনো সময় যেকোনো স্থান থেকে তাৎক্ষণিক রেমিটেন্স পাঠিয়ে দেয়া যাচ্ছে সেরা এক্সচেঞ্জ রেটে। এসব সুবিধার কারণে রিয়া মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে বিকাশে রেমিটেন্স পাঠানোর এই সেবা দ্রুতই প্রবাসী ও তার স্বজনদের কাছে নির্ভরতা ও আস্থা অর্জন করেছে।
এদিকে, রেমিটেন্সের টাকা এখন আরও কম খরচে ক্যাশ আউটের সুযোগ নিতে পারছেন দেশে থাকা প্রবাসীর স্বজনেরা। দেশজুড়ে ১৯টি শীর্ষ বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রায় ২ হাজার ৫০০ এটিএম বুথ থেকে বিকাশ অ্যাপ দিয়ে বা *২৪৭# ডায়াল করে হাজারে মাত্র ৭টাকা চার্জে ক্যাশ আউট করতে পারছেন প্রবাসীর স্বজনরা। এছাড়া, ক্যাশ আউট না করেও প্রবাসীর প্রিয়জনরা বিকাশ-এর মাধ্যমেই বিভিন্ন পণ্য ও সেবার পেমেন্ট, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির মতো ইউটিলিটি সেবার বিল পরিশোধ, টাকা পাঠানো, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সরকারি সেবার ফি পরিশোধ, ব্যাংকে সেভিংস খোলা, যাত্রার টিকেট-টোল, অনুদান প্রদানসহ বিভিন্ন ধরনের সেবা নিতে পারছেন ঘরে বসেই।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত রেমিট্যান্স উৎসবের প্রথম দিনেই দুই সৌভাগ্যবান গ্রাহক আকর্ষণীয় গিয়ার বাই-সাইকেল উপহার হিসেবে পেয়েছেন। বিজয়ীদের মধ্যে একজন হলেন টাঙ্গাইলের গোড়াই উপ-শাখার গ্রাহক হামিদা বেগম এবং অন্যজন রাজধানীর গুলশান কর্পোরেট শাখার গ্রাহক অনুপ কুমার। ব্রুনাই দারুসসালাম প্রবাসী জাহিদ শিকদার এবং মার্কিন নাগরিক সারাহ সাবরিনার পাঠানো প্রবাসী আয়ের বিপরীতে তাঁরা এই বিশেষ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। গত সোমবার ৪ মে ২০২৬ তারিখে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে এক ডিজিটাল র্যাফেল ড্র-এর মাধ্যমে এই বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. আলতাফ হোসেন। এছাড়াও ড্র অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. আবুল হাসান, ফরেন রেমিট্যান্স সার্ভিসেস ডিভিশনের প্রধান মো. মোতাহার হোসেন মোল্লা, ওভারসিজ ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন এবং ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের প্রতিনিধিবৃন্দ।
এই বিশেষ প্রচারণার আওতায় ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের মাধ্যমে নগদ রেমিট্যান্স গ্রহণকারীদের মধ্য থেকে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে প্রতিটি কার্যদিবসে দুইজন করে মোট ৩৪ জন গ্রাহককে গিয়ার বাই-সাইকেল প্রদান করা হচ্ছে। উপহারের এই তালিকায় যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি রেমিট্যান্স সংগ্রহকারী প্রত্যেক গ্রাহক নিশ্চিত উপহার হিসেবে একটি করে দেয়াল ঘড়ি পাচ্ছেন। আগামী ৩১ মে ২০২৬ পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য এই বিশেষ সুবিধাটি অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান শাওমি বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো তাদের নতুন হোম অ্যাপ্লায়েন্স পণ্য নিয়ে এসেছে। এ উপলক্ষে ‘শাওমি স্মার্ট লিভিং ফর এভরিওয়ান’ থিমে আজ (০৪ মে) ঢাকার বনানীতে অবস্থিত শেরাটনে জমকালো এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে ব্র্যান্ডটি স্মার্টফোনের নেতৃস্থানীয় জায়গা থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ স্মার্ট লাইফস্টাইল ইকোসিস্টেম নিশ্চিতকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরলো।
স্মার্টফোন ও এআইওটি (এআই অব থিংস) উদ্ভাবনের জন্য বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত শাওমি বাংলাদেশের হোম ও লাইফস্টাইল ক্যাটাগরিতে তাদের উপস্থিতি আরও জোরদার করছে। যেন স্মার্ট ও কানেক্টেড লাইফস্টাইলের বাড়তে থাকা চাহিদা পূরণ করা যায়। চীনা গ্লোবাল কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে শাওমি বর্তমানে ১ নম্বরে রয়েছে এবং ১০০ কোটিরও (১ বিলিয়ন) বেশি কানেক্টেড ডিভাইস নিয়ে বিশ্বজুড়ে কনজ্যুমার এআইওটি মার্কেটের নেতৃত্ব দিচ্ছে। এছাড়াও, স্মার্টফোন খাতে শাওমি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ব্র্যান্ড এবং ২০২৫ সালে শাওমি টিভি বৈশ্বিক শিপমেন্টে শীর্ষ ৫-এ অবস্থান করেছে। এর মধ্য দিয়ে ব্র্যান্ড ও স্মার্ট ইকোসিস্টেমের প্রতি ক্রেতাদের আস্থার প্রতিফলন বোঝা যায়।
বৈশ্বিক এই লক্ষ্যকে স্থানীয়ভাবে কাজে লাগানোর অংশ হিসেবে, শাওমি এখন স্মার্ট হোম কেয়ার সেগমেন্টে প্রবেশ করেছে। ব্র্যান্ডটি মিজিয়া ফ্রন্ট লোড ওয়াশার ড্রায়ার ১০.৫ কেজি নিয়ে এসেছে, যার দাম রাখা হয়েছে মাত্র ৭৪,৯৯৯ টাকা। ব্যস্ত পরিবারগুলোর জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই অ্যাপ্লায়েন্সের মাধ্যমে মাত্র ৫৯ মিনিটেই কাপড় ধোয়া ও শুকানোর সুবিধা পাওয়া যাবে। বাংলাদেশের নাগরিক জীবনের জন্য আদর্শ সমাধান এটি।
ক্রেতাদের জন্য শাওমি টিভি এস মিনি এলইডি সিরিজে কিউডি-মিনি এলইডি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। যেখানে ব্যবহারকারীদের জন্য সিনেমাটিক এক্সপেরিয়েন্স নিশ্চিত করতে রয়েছে ১২০০ নিটস ব্রাইটনেস, ১৪৪ হার্জ রিফ্রেশ রেট, ডলবি ভিশন ও ডলবি অ্যাটমোস। এর ৯৮” ভ্যারিয়েন্টের দাম মাত্র ৪,৯৯,৯৯৯ টাকা, ৮৫” মাত্র ২,৪৫,৯৯৯ টাকা, ৭৫” মাত্র ১,৭৯,৯৯৯ টাকা, ৬৫” মাত্র ১,৩৯,৯৯৯ টাকা এবং ৫৫” মাত্র ১,০৩,৯৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
একইসাথে, বিনোদন খাতে আধুনিক প্রযুক্তি নিশ্চিত করতে শাওমি টিভি এ প্রো সিরিজ ২০২৬ নিয়ে এসেছে ব্র্যান্ডটি। শাওমি টিভি এ প্রো সিরিজ ২০২৬-এ ৪কে ইউএইচডি ডিসপ্লে, প্রাণবন্ত ভিজ্যুয়াল ও স্মার্ট বিনোদনের জন্য গুগল টিভি ব্যবহার করা হয়েছে। এর ৭৫” ভ্যারিয়েন্টের দাম মাত্র ১,৫৩,৯৯৯ টাকা, ৬৫” মাত্র ১১৪,৯৯৯ টাকা, ৫৫” মাত্র ৮৪,৯৯৯ টাকা এবং ৪৩” মাত্র ৫২,৯৯৯ টাকা।
এছাড়াও, ব্র্যান্ডটি বেশকিছু লাইফস্টাইল-ভিত্তিক পণ্য নিয়ে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে এয়ার ফ্রায়ার ৬.৫ ও ৬ লিটার, স্মার্ট এয়ার পিউরিফায়ার ৪ কম্প্যাক্ট ও লাইট, শাওমি স্মার্ট ক্যামেরা সি২০১ ও সি৩০১, আউটডোর স্মার্ট ক্যামেরা এবং শাওমি স্মার্ট ট্যাগ। পণ্যগুলো নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও প্রতিদিনের সুবিধাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “হোম অ্যাপ্লায়েন্স খাতে শাওমির শক্তিশালী বৈশ্বিক অবস্থান রয়েছে। আমরা সেই একই মানের উদ্ভাবন বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়ে আসছি। আজকের ক্রেতারা কেবল আলাদা আলাদা গ্যাজেট নয়, বরং এমন প্রযুক্তি চান যা তাদের প্রতিদিনের জীবনকে আরও সহজ করে তুলবে। আমাদের ‘হিউম্যান × হোম × কার’ ভিশনের মাধ্যমে আমরা একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছি, যেন আমরা ‘গ্লোবাল হার্ডকোর টেক পার্টনার’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারি। মিনি এলইডি টিভি থেকে শুরু করে স্মার্ট লন্ড্রি ও ট্র্যাকিং সল্যুশন, সবকিছুতেই আমরা ক্রেতাদের জন্য স্মার্ট লিভিংকে আরও সহজ ও সাবলীল করতে চাই।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পণ্য প্রদর্শনী, মিডিয়া ইন্টারঅ্যাকশন ও পণ্য সম্পর্কে সরাসরি জানাশোনার গ্রহণের ব্যবস্থা ছিল। হোম অ্যাপ্লায়েন্স সেগমেন্টে আসার মধ্য দিয়ে শাওমি বাংলাদেশ একটি পূর্ণাঙ্গ স্মার্ট লিভিং ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতিই পুনর্ব্যক্ত করলো, যেখানে সাশ্রয়ী মূল্য ও সর্বোচ্চ মানের পণ্য নিশ্চিত করা হবে।
ন্যাশনাল ফাইন্যান্স পিএলসি’র পরিচালনা পর্ষদে রিজওয়ান মান্নান ও মাইশা ফারিজমা খান নতুন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
রিজওয়ান মান্নান বর্তমানে ওএমসি স্টিল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ওএমসি গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নেতৃত্ব ও উদ্যোক্তা দক্ষতার পাশাপাশি কর্পোরেট গভর্ন্যান্সে তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব হIল থেকে আইন বিষয়ে পড়াশোনাকরেছেন।
মাইশা ফারিজমা খান অনন্ত কোম্পানিজের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও পোশাক খাতের বিভিন্ন কার্যক্রম, কর্পোরেট কমিউনিকেশন ও গভর্ন্যান্সে তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কমিউনিকেশনসে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি পাশাপাশি বিভিন্ন শিল্প ও সামাজিক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত আছেন।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন এই দুই পরিচালকের অভিজ্ঞতা পর্ষদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবে।