বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের (বিসিবিএল) নতুন লক্ষ্মীপুর উপশাখা সম্প্রতি উদ্বোধন করা হয়। বিসিবিএল পর্ষদ নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হুমায়ুন বখতিয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক পিংকু এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. তাজুল ইসলাম, উপজেলা চেয়ারম্যান ও লক্ষ্মীপুর বণিক সমিতির সভাপতি সালাউদ্দিন টিপু, বিসিবিএলের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. আব্দুল কাদের। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট বাহারউদ্দীন, ব্যবসায়ী মো. সেলিম, চেয়ারম্যান শেখ মজিব, মান্দারী বাজার শাখার এবং রায়পুর শাখার ব্যবস্থাপক, সংশ্লিষ্ট উপশাখার ইনচার্জসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও গ্রাহকরা। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন ‘লক্ষ্মীপুর’ উপশাখাটি দ্রুততম সময়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে গ্রাহকদের মন জয় করতে পারবে। সভাপতি হুমায়ুন বখতিয়ার এফসিএ আশাপ্রকাশ করেন, সর্বাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত এই নতুন উপশাখা নিজস্ব এলাকার অর্থনীতিকে আরও বেগবান করতে যথাযথ ভূমিকা পালন করবে। নতুন উদ্বোধিত উপশাখা এলাকা ক্রমবর্ধিষ্ণু ব্যবসায়িক এলাকা হিসেবে অবহিত করে বলেন, আমাদের নতুন উপশাখাটি ব্যাংকিং নিয়মের মধ্যে থেকে এলাকার গ্রাহককে সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা প্রদানে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। গ্রাহকদের সর্বোচ্চমানের সেবা প্রদান নিশ্চিতকল্পে তিনি উপশাখার ইনচার্জসহ সব কর্মকর্তাকে নির্দেশনা প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও তার বক্তব্যে দেশের সব অঞ্চলে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের সেবাকে দ্রুত সম্প্রসারণ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, পাশাপাশি তিনি গ্রাহক সেবার ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করে ব্যবসা-বাণিজ্যের সব ক্ষেত্রে ব্যাংকের বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা সভায় উপস্থিত সবাইকে অবহিত করেন। বিশেষ অতিথি তাদের বক্তব্যে ব্যাংকারদের প্রতি গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বিজ্ঞপ্তি
জনতা ব্যাংক পিএলসি’র আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণে অ্যাসেট-লায়াবিলিটি ম্যানেজমেন্ট কমিটির (এ্যালকো) একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ব্যাংকের বর্তমান তারল্য পরিস্থিতি ও ঋণ ব্যবস্থাপনার সার্বিক চিত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
গত বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজধানীর প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমান। অনুষ্ঠানে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আব্দুর রহমান ও মো. ফয়েজ আলমসহ ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমান বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে যুতসই কৌশল অবলম্বনের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি ব্যাংকের আমানত সংগ্রহে স্বল্প সুদের ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি বৈদেশিক রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির নির্দেশ দেন। এছাড়া শ্রেণিকৃত ঋণ আদায় ও তা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করার লক্ষ্যে বিশেষ তৎপরতা চালানোর তাগিদ দেন। একইসাথে অবলোপনকৃত ঋণ পুনরুদ্ধারে কর্মকর্তাদের অধিকতর সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন তিনি। এ সংক্রান্ত তথ্য গণমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি সবসময়ই মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে। এরই অংশ মুদারাবা ওয়াকফ ক্যাশ জমা হিসাব থেকে শুরু করে বিবাহ ও মোহর সেভিংসের মতো অনন্য উদ্ভাবনগুলো আজ লাখো মানুষের নিরাপদ ও পবিত্রময় আগামীর স্বপ্ন পূরণ করছে।
মুদারাবা ওয়াকফ ক্যাশ জমা হিসাব: এটি একটি স্থায়ী সাদাকায়ে জারিয়াহ, যেখানে দানকৃত মূল টাকা সংরক্ষিত রেখে অর্জিত শরী’আহ সম্মতভাবে আর্তমানবতার সেবায় ব্যয় করা হয়। এই অ্যাকাউন্টে জমাকৃত অর্থ মুদারাবা নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।
ব্যাংকের নির্ধারিত খাতে অথবা হিসাবধারীর পছন্দ অনুযায়ী শরীয়াহসম্মত খাতে মুনাফা ব্যয়ের নির্দেশনা প্রদান করা যায়। এ হিসাবে অর্জিত মুনাফা বন্টন ও স্থানান্তর করার জন্য এক বা একাধিক সঞ্চয়ী/চলতি হিসাব সংশ্লিষ্ট শাখায় পরিচালনা করা যাবে। হিসাবের বর্ষপূর্তিতে মুনাফা প্রদান করা হয়। তবে গ্রাহক যদি মাসিক মুনাফা নিতে আগ্রহী হন, তা প্রাক্কলিত হারে প্রদান করা হয়। হিসাবধারী চাইলে নিজেও সেই মুনাফা নির্ধারিত কল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করতে পারেন।১৮ বছর ও তদূর্ধ্ব যেকোনো নাগরিক বা প্রতিষ্ঠান ন্যূনতম ১০০০ টাকা জমা দিয়ে এই অ্যাকাউন্ট খোলে এককালীন বা কিস্তিতে দান সম্পন্ন করতে পারেন। নাবালকের নামে পিতা-মাতা অথবা বৈধ অভিভাবক এই হিসাব খুলতে পারবেন ।
বিবাহ ও মোহর সেভিংস অ্যাকাউন্ট: বিবাহ একটি পবিত্র বন্ধন যা সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে এবং বিবাহ পরবর্তী মোহর আদায়কে সহজতর করতে ইসলামী ব্যাংকে রয়েছে মুদারাবা বিবাহ সেভিংস অ্যাকাউন্ট এবং মুদারাবা মোহর সেভিংস অ্যাকাউন্ট। মুদারাবা বিবাহ সেভিংস অ্যাকাউন্ট একটি মাসিক কিস্তিভিত্তিক সঞ্চয় হিসাব। প্রাপ্তবয়স্ক যুবক কিংবা অভিভাবকরা বিবাহের খরচ নির্বাহের জন্য এ হিসাব খুলতে পারবেন। এই হিসাবে মাসিক কিস্তি ৫০০ টাকা কিংবা তার গুণিতক সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা যায়। মেয়াদ হবে সর্বনিম্ন ৩ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৫ বছর। হিসাব খুলার সময় কিস্তির পরিমাণ সামর্থ্য ও লক্ষ্যের সাথে সমন্বয় করে নির্ধারণ করতে হয়। এ অ্যাকাউন্টে বছরে দুইবার প্রাক্কলিত মুনাফা প্রদান করা হয় এবং বছর শেষে চূড়ান্ত মুনাফা সমন্বয় করা হয়।
মুদারাবা মোহর সেভিংস অ্যাকাউন্ট একটি মাসিক কিস্তিভিত্তিক সঞ্চয় হিসাব। পেশাজীবী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী কিংবা প্রবাসী পুরুষ যারা স্ত্রীর মোহর পরিশোধের জন্য পরিকল্পিত সঞ্চয় করতে চান তাঁরা সামর্থ অনুযায়ী এই একাউন্ট খুলতে পারবেন। এই হিসাবে মাসিক কিস্তি ৫০০ টাকা থেকে ৫,০০০ টাকা এবং ৫ বছর ও ১০ বছর মেয়াদ। স্ত্রীর নামেও এই হিসাব খোলা হয়। অবিবাহিত পুরুষরা নিজ নামে হিসাবটি খুলতে পারবেন ।
বিবাহেচ্ছুকদের লক্ষ্যমাত্রার সাথে আর বিবাহিতদের ক্ষেত্রে কাবিননামায় উল্লেখিত মোট টাকার পরিমাণ, আদায়কৃত টাকা এবং আদায়যোগ্য টাকার পরিমাণ উল্লেখ করে আদায়যোগ্য টাকার উপর মাসিক হার নির্ধারণ করা হয়।
ইসলামী ব্যাংকের সেলফিন, আই-ব্যাংকিং বা শাখা/উপশাখা/এজেন্টে স্পেশাল ইনস্ট্রাকশন দিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব অ্যাকাউন্টের মাসিক কিস্তি জমা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবিসহ যেকোনো শাখা, উপ-শাখা, এজেন্ট আউটলেট এমনকি সেলফিন অ্যাপের মাধ্যমেও ঘরে বসে এই হিসাবগুলো খোলা সম্ভব। প্রযুক্তির উৎকর্ষ আর আমানতদারিতার সংমিশ্রণে ইসলামী ব্যাংক কেবল একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক দায়বদ্ধতা পূরণের এক বিশ্বস্ত ঠিকানায় পরিণত হয়েছে। ইহকালীন স্বাচ্ছন্দ্য ও পরকালীন মুক্তির এই অনন্য মেলবন্ধনই যুগ যুগ ধরে গ্রাহকদের আস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে ইসলামী ব্যাংকের অবস্থানকে করেছে সুদৃঢ়।
দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান জীবন বীমা কর্পোরেশনের ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রণয়নে বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে ২০২৬ সালের জন্য নতুন ব্যবসায়িক রোডম্যাপ চূড়ান্ত করা হয়েছে।
গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজধানীর মতিঝিলে কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘বার্ষিক ব্যবসায় উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্মেলন-২০২৬’ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জীবন বীমা কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব মো. সাঈদুল কুতুব। সভায় প্রধান কার্যালয়ের জিএম, ডিজিএম ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি উপস্থিত ছিলেন এবং আঞ্চলিক, কর্পোরেট ও সেলস অফিসের ইনচার্জরা ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।
সম্মেলনে উন্নয়ন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. লিয়াকত আলী খান বিগত ২০২৫ সালের ব্যবসায়িক সাফল্যের পর্যালোচনা তুলে ধরেন। সভায় বিস্তারিত আলাপ-আলোচনার প্রেক্ষিতে বর্তমান ২০২৬ সালের জন্য ১১০০ কোটি টাকার ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাঈদুল কুতুব ব্যবসার প্রবৃদ্ধি অর্জনে যেকোনো অন্তরায় বা প্রতিবন্ধকতা দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দেন। তিনি নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে অর্জনে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। এ সংক্রান্ত তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রিটেইল চেইন ‘স্বপ্ন’ বা এসিআই লজিস্টিকসের সাথে ব্যবসায়িক জোট গড়তে সম্মত হয়েছে জাপানের প্রখ্যাত বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান মিতসুই অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড। এই চুক্তির ফলে মিতসুইর সহযোগী প্রতিষ্ঠান মিতসুই অ্যান্ড কোম্পানি (এশিয়া প্যাসিফিক) প্রাইভেট লিমিটেড প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর এসিআই লজিস্টিকসকে বৈদেশিক মুদ্রায় একটি রূপান্তরযোগ্য ঋণ সুবিধা প্রদান করবে।
গত বুধবার রাজধানীর এসিআই সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই অংশীদারিত্বের চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে এসিআইর চেয়ারম্যান এম. আনিস উদ্দৌলা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আরিফ দৌলা এবং এসিআই লজিস্টিকসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান নাসির উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও মিতসুই অ্যান্ড কোম্পানির কনজিউমার সেন্ট্রিক বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ইউনিটের চিফ অপারেটিং অফিসার কজুহাইদে নাকাজোসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে অংশ নেন।
এসিআই লিমিটেডের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এসিআই লজিস্টিকসের অধীনে পরিচালিত সুপারশপ স্বপ্নের বর্তমানে সারাদেশে ৮৩৫টিরও বেশি আউটলেট রয়েছে। অন্যদিকে, মিতসুই অ্যান্ড কোম্পানি বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশে বিস্তৃত বিনিয়োগ, গভীর কারিগরি জ্ঞান এবং বৈশ্বিক সোর্সিং অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান।
উক্ত অনুষ্ঠানে জানানো হয়, মিতসুইর সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। স্বপ্নের ব্যবসায়িক পরিচালনা, পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থাপনা এবং একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্যে মিতসুই নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
এখন থেকে দেশজুড়ে ক্রেতারা সহজেই কিনতে পারবেন বিদ্যুচ্চালিত মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড রিভো বাংলাদেশের ই-বাইক। যাতায়াতে স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিতে বেস্ট ইলেকট্রনিক্সের নির্দিষ্ট শোরুম থেকে নিজেদের পছন্দের রিভোর ই-বাইক কিনতে পারবেন ক্রেতারা।
এ উপলক্ষে, সম্প্রতি বেস্ট ইলেকট্রনিক্সের রাজধানীর বাসাবো আউটলেটে রিভো বাংলাদেশ ও বেস্ট ইলেকট্রনিক্সের মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ফিতা কেটে এ অংশীদারিত্বের সূচনা করেন ও বক্তব্য প্রদান করেন।
এ চুক্তির অধীনে, দেশজুড়ে বেস্ট ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের নির্বাচিত শোরুমগুলোতে রিভোর আধুনিক ই-বাইকগুলো বাজারজাতকরণ শুরু হয়েছে। বৈদ্যুতিক বাহনের ক্ষেত্রে নিজেদের পোর্টফোলিও সহজলভ্য করে চলেছে রিভো; অন্যদিকে, দেশজুড়ে শোরুম রয়েছে বেস্ট ইলেক্ট্রনিক্সের।
এ দুই প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্বের ফলে দেশজুড়ে আগ্রহী ক্রেতারা আরও সহজে রিভোর ই-বাইক কিনতে পারবেন। তারা নির্ভরযোগ্য বিক্রয়কেন্দ্র থেকে সরাসরি দেখে পণ্য ক্রয়ের সুবিধা পাবেন, প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবেন এবং বেস্ট ইলেকট্রনিক্সের শক্তিশালী রিটেইল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিক্রয়োত্তর সেবা পাবেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেস্ট ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সৈয়দ তাহমিদ জামান রাশিক এবং রিভো বাংলাদেশের হেড অব সেলস মো. নাজমুল আহসান সুমন।
অনুষ্ঠানে রিভো বাংলাদেশের হেড অব সেলস মো. নাজমুল আহসান সুমন বলেন, “দেশের বাজারে রিভো নিয়ে এসেছে প্রযুক্তিখাতে শীর্ষস্থানীয় চীনা প্রতিষ্ঠান ট্রানশন হোল্ডিংস। গত প্রায় এক দশক ধরে তারা টেকনো, ইনফিনিক্স ও আইটেল ব্র্যান্ডের মাধ্যমে দেশের বাজারে সাফল্যের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করছে। শক্তিশালী মোটর আর অত্যধুনিক লং-রেইঞ্জ প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি রিভোর বৈদ্যুতিক বাইক। এছাড়াও, ক্রেতাদের সুবিধার্থে আমাদের রয়েছে ‘ডোরস্টেপ হোম সার্ভিস।’ এ সুবিধার আওতায় হটলাইনে কল করার তিন কর্মদিবসের মধ্যে নিজেদের কাঙ্ক্ষিত ঠিকানায় সেবা গ্রহণ করতে পারবেন ক্রেতারা। ক্রেতাদের সেরা বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রিভো।”
বেস্ট ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সৈয়দ তাহমিদ জামান রাশিক বলেন, “বিদ্যুচ্চালিত বাহনই কমিউটিং -এর ভবিষ্যৎ। সাশ্রয়ী, ঝামেলামুক্ত ও পরিবেশবান্ধব যাতায়াত নিশ্চিত করতেই রিভো ও বেস্ট ইলেকট্রনিক্স অংশীদারিত্ব করেছে। আমরা চাই, সবাই যেন ‘বেস্ট ইলেকট্রনিক্স’ -এ তাদের দৈনন্দিন যাতায়াতের সেরা স্মার্ট সল্যুশনটি খুঁজে পান। আমাদের লক্ষ্য, ভবিষ্যতে প্রতিটি আউটলেটকে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘রিভো ইলেকট্রিক মোটরসাইকেল জোন’ -এ রূপান্তর করা।”
বর্তমানে রিভো বাংলাদেশ তাদের ‘ঈদ ডাবল ধামাকা’ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছে। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় যেকোন মডেলের রিভো ই-বাইক কিনলে ক্রেতারা সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক এবং অতিরিক্ত একটি ই-বাইক জিতে নেয়ার সুযোগ পাবেন। এছাড়াও, প্রতিটি ই-বাইক ক্রয়ের সাথে পাবেন একটি ফ্রি সার্ভিস কুপন। এই অফারগুলো এখন বেস্ট ইলেকট্রনিক্সের নির্ধারিত শোরুমগুলোতেও কার্যকর থাকবে।
বর্তমানে, পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী যাতায়াতের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। রিভো ও বেস্ট ইলেকট্রনিক্সের এই যৌথ উদ্যোগ সাধারণ মানুষের জন্য ইলেকট্রিক বাইক কেনা আরও সহজ করে তুলবে। দেশজুড়ে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা বা স্মার্ট মোবিলিটি উৎসাহিত করতে এবং ক্রেতাদের হাতের নাগালে উন্নত প্রযুক্তি পৌঁছে দিতে একসাথে কাজ করবে এ দুই প্রতিষ্ঠান।
বৈধ পথে প্রবাসী আয় বৃদ্ধিতে উৎসাহিত করতে এবং সংশ্লিষ্ট সেবার পরিধি বাড়াতে পবিত্র রমজান মাসকে ‘বিশেষ রেমিট্যান্স সেবা মাস’ হিসেবে উদযাপন করছে এনআরবিসি ব্যাংক। এই উদ্যোগের আওতায় আসন্ন ঈদুল ফিতর পর্যন্ত রেমিট্যান্স গ্রহণকারীদের জন্য ব্যাংকের পক্ষ থেকে বিশেষ উপহারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী ড. মো. তৌহিদুল আলম খান। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম খান, চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার ফয়সাল আহমেদ, চিফ রিস্ক অফিসার সিরাজুল আমিন আহমেদ, ইন্টারন্যাশনাল ডিভিশনের প্রধান হাসনাত রেজা মহিব্বুল আলম এবং চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার রাশেদুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. তৌহিদুল আলম খান বলেন, “এনআরবিসি ব্যাংক রেমিট্যান্সনির্ভর ব্যাংক হিসেবে প্রবাসী আয় সেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছে। পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ রেমিট্যান্স খাতকে ব্যাংকের অন্যতম কৌশলগত সেবা খাত হিসেবে বিবেচনা করছে। প্রবাসীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদের খুশি ভাগাভাগি করতে এই উপহার প্রদান করা হচ্ছে।”
সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা শাখা ও উপশাখা নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে প্রবাসীদের অর্জিত অর্থ দ্রুত, নিরাপদ ও সহজে গ্রাহকের হাতে পৌঁছে দিতে ব্যাংকটি বদ্ধপরিকর। রেমিট্যান্স গ্রাহকদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে প্রতিটি আউটলেটে পৃথক ‘রেমিট্যান্স সার্ভিস ডেস্ক’ চালু করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় পুরো রমজান মাসজুড়ে এই বিশেষ উপহার বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নগদ ইসলামিক ওয়ালেট ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষ ক্যাম্পেইন ঘোষণা করেছে নগদ। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে গ্রাহকরা পবিত্র ওমরাহ পালনের সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
নগদ জানিয়েছে, ক্যাম্পেইনে অংশ নিতে হলে নগদ ইসলামিক ওয়ালেট ব্যবহারকারীকে তার অ্যাকাউন্ট থেকে ন্যূনতম ৩ হাজার টাকা লেনদেন করতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে পারসন টু পারসন (P2P) লেনদেন গণ্য হবে না। অর্থাৎ P2P ছাড়া অন্যান্য মাধ্যমে মোট ৩ হাজার টাকা লেনদেন করলেই গ্রাহক ক্যাম্পেইনের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন।
প্রথম রমজান থেকে শুরু হওয়া এ উদ্যোগ চলবে শেষ রমজান পর্যন্ত। ক্যাম্পেইন শেষে নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী লেনদেনকারীদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে বিজয়ী নির্বাচন করা হবে। বিজয়ী ভাগ্যবান গ্রাহকদের সঙ্গে ‘নগদ ইসলামিক’-এর গ্রাহকসেবা কেন্দ্র থেকে ফোন করে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানানো হবে।
এ বিষয়ে নগদ ইসলামিক শরিয়াহ বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতি বলেন, ‘পবিত্র রমজান মাসে ধর্মপ্রাণ মুসলমান ভাই-বোনেরা তাদের প্রয়োজনীয় কেনাকাটা ও লেনদেন নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে করলে পবিত্র ওমরাহ পালন করার সুযোগ পেতে পারেন। আমরা এই ক্যাম্পেইনটি চালু করেছি ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য মহান আল্লাহর পবিত্র ঘর তাওয়াফ করার অংশীদার হওয়ার আশায়।’
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ক্যাম্পেইন সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত নগদ কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে এবং নগদ ইসলামিকের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। ক্যাম্পেইনের সুবিধা পেতে হলে গ্রাহকের নগদ ইসলামিক অ্যাকাউন্ট সচল ও ফুল প্রোফাইল সম্পন্ন থাকতে হবে।
এছাড়া ওমরাহ প্যাকেজ পাওয়ার লক্ষ্যে কেউ অসদুপায় অবলম্বন করলে বা সন্দেহজনক লেনদেন পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে ক্যাম্পেইন থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
সোনালী ব্যাংক পিএলসি ও পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে কর্পোরেট স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত একটি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোনালী ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের মিনি কনফারেন্স রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সোনালী ব্যাংকের পক্ষে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. রেজাউল করিম এবং পপুলার ডায়াগনস্টিকের পক্ষে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার অচিন্ত কুমার নাগ চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার মো. শরিয়ত উল্লাহর সভাপতিত্বে উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তির ফলে সোনালী ব্যাংকের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্পোরেট স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।
পবিত্র রমজান উপলক্ষে বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে অনার বাংলাদেশ। এ আয়োজনে অংশ নিলে গ্রাহকেরা জিতে নিতে পারবেন জর্ডান ভ্রমণের আকর্ষণীয় সুযোগ। ঐতিহাসিক নিদর্শন ও মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা দেশটির বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা মিলবে বিজয়ীদের।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অনার বাংলাদেশ জানায়, ক্যাম্পেইনের আওতায় নির্দিষ্ট কিছু অনার ডিভাইস কিনলে থাকছে বিশেষ উপহার। অনারের এক্স ফাইভ সি, এক্স সিক্স সি, এক্স সেভেন বি, এক্স নাইন সি, ম্যাজিক এইট প্রো, প্যাড এক্স এইট এ, প্যাড এক্স এইট বি এবং প্যাড নাইন—এই মডেলগুলোর যেকোনোটি কিনলেই গ্রাহকেরা পাবেন নেকব্যান্ড, ইয়ারবাড বা ব্যাকপ্যাক।
এ ছাড়া অনার ৪০০ ও অনার ৪০০ প্রো মডেলে রয়েছে আকর্ষণীয় ক্যাশব্যাক সুবিধা। মডেলভেদে ৫ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পাওয়া যাবে।
জর্ডান ভ্রমণের সুযোগ পেতে অংশ নিতে হবে বিশেষ লটারিতে। শুধু আন্তর্জাতিক ভ্রমণ নয়, দেশীয় ভ্রমণের ব্যবস্থাও রয়েছে। বিজয়ীরা জিতে নিতে পারেন ঢাকা–কক্সবাজার ভ্রমণের সুযোগ। পাশাপাশি পুরস্কার তালিকায় রয়েছে স্মার্ট টিভি, এয়ার ফ্রায়ার ও হোম থিয়েটার সিস্টেম।
লটারিতে অংশগ্রহণ ও তাৎক্ষণিক অফার পেতে ক্রয়ের সময় ডিভাইসের আইএমইআই নম্বর রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। নিবন্ধন সম্পন্ন হলে এসএমএসের মাধ্যমে নিশ্চিতকরণ ও অফারের বিস্তারিত জানানো হবে।
উৎসবের আনন্দ আরও বাড়াতে আয়োজন করা হয়েছে এই ক্যাম্পেইন। বিশেষ ছাড়, ক্যাশব্যাক, ভ্রমণ ও লাইফস্টাইল উপহারের সমন্বয়ে গ্রাহকদের জন্য জমজমাট ঈদ অভিজ্ঞতা উপহার দিতে চায় অনার বাংলাদেশ।
পবিত্র রমজান মাসে সমাজের সামর্থ্যবান ও বিত্তবানরা বেশি করে দান-সদকা, জাকাত দেয়ার মাধ্যমে সমাজের অসচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ান। সময়, দূরত্ব ও নির্ভরতার কারণে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেকসময় সঠিক মানুষকে অনুদান পৌঁছে দেয়াটা কঠিন হয়ে পড়ে। এই প্রতিকূলতাগুলোকে সহজ করে দিয়েছে ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থা। বিকাশ এর মাধ্যমে দেশজুড়ে কাজ করা ৫০টিরও বেশি দাতব্য ও স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানে খুব সহজে জাকাত কিংবা অনুদানের অর্থ পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে হাজারো অসহায় মানুষের কাছে।
বর্তমানে, বিকাশ-এর মাধ্যমে সারাবছরই দাতব্য ও স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানে সরাসরি অনুদান পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন, মাস্তুল ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন, আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম, মজার ইশকুল, অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন, জাগো ফাউন্ডেশন, ঢাকা আহছানিয়া মিশন, সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্ট, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন, আইসিডিডিআর,বি, ইউনিসেফ, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP), ন্যাশনাল লিভার ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ, ডুনেশন ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট, প্রথম আলো ট্রাস্ট। এর বাইরেও, বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠনের মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেও জাকাত ও অনুদান পাঠাতে পারছেন মানুষ।
অনুদান দিতে গ্রাহককে বিকাশ অ্যাপের ‘ডোনেশন’ আইকনে ক্লিক করে যে প্রতিষ্ঠানকে অনুদান দিতে চান তা নির্বাচন করতে হবে। এরপর নাম, ই-মেইল ও অনুদানের পরিমাণ উল্লেখ করে সাবমিট করতে হবে। গ্রাহক চাইলে ‘আমি আমার পরিচয় শেয়ার করতে চাইনা’ অপশন নির্বাচন করে নিজের পরিচয় গোপনও রাখতে পারবেন। পরের ধাপে বিকাশ পিন নাম্বার দিয়ে অনুদান কার্যক্রম শেষ করার পর ‘আপনার অনুদান সফল হয়েছে’ লেখা একটি প্রাপ্তিস্বীকারপত্র পেয়ে যাবেন গ্রাহক।
যে প্রতিষ্ঠানে গ্রাহক অনুদান দিচ্ছেন সে প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাবে প্রতিষ্ঠানটির নামের নিচে ‘আরো জানতে’ অংশে ক্লিক করে। আবার অনুদানের অর্থ কোথায় ব্যয় হচ্ছে সে তথ্য জানার জন্য অনুদান শেষে প্রাপ্তিস্বীকারপত্রে দেওয়া ই-মেইলে যোগাযোগ করতে পারবেন দাতারা। বিকাশ অ্যাপের পাশাপাশি গ্রাহক চাইলে https://www.bkash.com/products-services/donation ওয়েব ঠিকানা থেকেও অনুদান বিকাশ করতে পারবেন।
বর্তমানে করপোরেট জগতের পেশাজীবীরা কাজের চাপ আর ব্যক্তিগত দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে প্রতিনিয়ত হিমশিম খান। প্রজেক্ট ডেডলাইন, মিটিং এবং অফিসের চাপের মাঝে নিজের স্বাস্থ্য বা ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টি অনেক সময় অবহেলিত থেকে যায়। একজন ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার পেছনে আর্থিক নিশ্চয়তার ভূমিকা অনেক। তবে, কোনো বড় বিপদ বা অসুস্থতা সামনে না আসা পর্যন্ত এই সুরক্ষা নিয়ে খুব একটা চিন্তা করা হয় না।
সাধারণত পরিবারের মূল উপার্জনক্ষম ব্যক্তির ওপর পুরো সংসারের দায়িত্ব থাকে। কোন কারণে সেই ব্যক্তি অসুস্থ হলে বা বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে পুরো পরিবার আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়ে যায়। চিকিৎসা খরচ বা আকস্মিক দুর্ঘটনার দুশ্চিন্তা একজন কর্মীর কাজের বা ব্যক্তিগত জীবনের প্রতি মনোযোগ নষ্ট করতে পারে। আর এখানেই ইন্স্যুরেন্সের গুরুত্ব অনেক।
হেল্থ ইন্স্যুরেন্স বা লাইফ ইন্স্যুরেন্স শুধুমাত্র চিকিৎসা খরচের বোঝা হ্রাস করে না বরং এটি মানসিক শান্তি প্রদান করে। একজন ব্যক্তি যখন জানেন যে, জরুরি পরিস্থিতিতে তার এবং তার পরিবারের জন্য সুরক্ষা রয়েছে, তখন সেই অবস্থায় আর্থিক সংকট নিয়ে তার ওপর বাড়তি চাপ থাকে না। এই মানসিক প্রশান্তি তাকে কাজে আরও বেশি মনোযোগী হতে সাহায্য করে এবং ব্যক্তিগত জীবনেও মানসিক চাপ কমিয়ে দেয়।
এক সময় মনে করা হত, অফিসের জিম মেম্বারশিপ বা মাঝেমধ্যে বিনোদনের ব্যবস্থা মানেই কর্মীদের সুস্থতার খেয়াল রাখা। কিন্তু আধুনিক বিশ্বে সত্যিকারের ‘ওয়েলনেস’ বলতে কর্মীর আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করাকেও বোঝায়। বাংলাদেশে কর্পোরেট ইন্স্যুরেন্স সেবায় অন্যতম নির্ভরযোগ্য নাম হলো গার্ডিয়ান লাইফ। প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক ও কাস্টমাইজড গ্রুপ ইন্স্যুরেন্স সমাধান প্রদান করে, যা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন অনুযায়ী সাজানো যায়। তাদের বিস্তৃত হাসপাতাল নেটওয়ার্ক, দ্রুত ক্লেইম নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া এবং গ্রাহকসেবার মান কর্পোরেট গ্রাহকদের মধ্যে আস্থা তৈরি করেছে। গার্ডিয়ানের মত প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে এই সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাদের হেল্থ ও লাইফ ইন্স্যুরেন্স পলিসি কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করে, যাতে প্রতিটি কর্মী তার কাজ এবং জীবনে স্বাচ্ছন্দ্যে মনোযোগ দিতে পারে।
যেসব প্রতিষ্ঠান কর্মীদের ইন্স্যুরেন্স সুবিধাকে গুরুত্ব দেয়, সেখানে কর্মীরা অনেক বেশি নিরাপদ বোধ করেন। যখন কোন প্রতিষ্ঠান কর্মীকে কেবল একটি ‘পদবি’ হিসেবে না দেখে একজন ব্যক্তি হিসেবে মূল্যায়ন করে, তখন কর্মীদের আনুগত্য ও কাজের গতি বহুগুণ বেড়ে যায়। এটি পরোক্ষভাবে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
অন্যদিকে, অফিস থেকে গ্রুপ ইন্স্যুরেন্স সুবিধা থাকলেও, প্রত্যেক কর্মীর নিজস্ব পলিসি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি। ইন্স্যুরেন্স ভবিষ্যতের কোনো বিলাসিতা না ভেবে আজকের প্রয়োজনীয়তা হিসেবে দেখা উচিত। কারণ, শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় থাকলে তবেই পেশাগত জীবনে ভালো ফলাফল পাওয়া সম্ভব। আর সেই সুস্থতার অন্যতম ভিত্তি হলো সঠিক বিমা পরিকল্পনার মাধ্যমে সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
মনে রাখতে হবে, ইন্স্যুরেন্স কেবল একটি আর্থিক পণ্য নয়; এটি কর্মজীবি ব্যক্তি এবং তার প্রিয়জনের জন্য শান্তি, সুরক্ষা ও সুন্দর ভবিষ্যতের এক নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি।
হুয়াওয়ে সম্প্রতি স্মার্ট পিভি (ফটো ভোলটাইক) ও এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (ইএসএস)- এর ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের শীর্ষ ১০টি প্রবণতা (ট্রেন্ড) প্রকাশ করেছে। হুয়াওয়ে ডিজিটাল পাওয়ার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ট্রেন্ডগুলি প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানটির প্রতিপাদ্য ছিল — “অল-সিনারিও গ্রিড-ফর্মিং, আনলিশিং এআই অ্যান্ড ফোর্জিং এক্সেলেন্স: অ্যাডভান্সড রিনিউএবলস অ্যাজ মেইন এনার্জি সোর্সেস”।
অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে ডিজিটাল পাওয়ারের স্মার্ট পিভি ও ইএসএস প্রোডাক্ট লাইনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ মার্কেটিং অফিসার এরিক ঝং শীর্ষ ১০টি ট্রেন্ড এবং সংশ্লিষ্ট হোয়াইট পেপার উন্মোচন করেন। এতে পিভি, উইন্ড পাওয়ার এবং ইএসএস-কে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রধান শক্তির উৎস হিসেবে দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও বাস্তবমুখী দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি শিল্পের মানসম্মত উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
ঝং উল্লেখ করেন যে, গত এক দশকে পিভি, উইন্ড পাওয়ার এবং ইএসএস খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তবে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন, গ্রিড ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভারসাম্য ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করা নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে সামনে আসছে।
শিল্পখাত এখন উন্নয়নকে আরও একধাপ এগিয়ে নেওয়ার পর্যায়ে রয়েছে, যেখানে একক উদ্ভাবন থেকে সরে এসে সমন্বিত অগ্রগতির দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পিভি ও এনার্জি স্টোরেজ খাতে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে হুয়াওয়ে শীর্ষ ১০টি ট্রেন্ড প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে চারটি ব্যবহারভিত্তিক (সিনারিও-নির্ভর) এবং ছয়টি প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবন।
ট্রেন্ড ১: পিভি + উইন্ড + ইএসএস-এর সমন্বয় নবায়নযোগ্য শক্তিকে আরও পূর্বানুমানযোগ্য, নিয়ন্ত্রণযোগ্য ও স্থিতিশীল বিদ্যুৎ উৎসে পরিণত করবে।
ট্রেন্ড ২: গ্রিড-ফর্মিং ইএসএস পাওয়ার গ্রিডের স্থিতিশীলতা ও ভারসাম্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
ট্রেন্ড ৩: বিদ্যুৎ উৎপাদন, সরবরাহ, ব্যবহার ও সংরক্ষণের সমন্বয় স্থানীয় স্বনির্ভরতা বাড়াবে এবং বৈশ্বিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সমন্বয়কে শক্তিশালী করবে।
ট্রেন্ড ৪: আবাসিক পিভি + ইএসএস ব্যবস্থায় এআই-সক্ষম (এআই-এনাবেলড) থেকে এআই-নেটিভ ব্যবস্থায় রূপান্তর ঘটবে, যা আরও উন্নত অভিজ্ঞতা দেবে।
ট্রেন্ড ৫: উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ও উচ্চ ঘনত্ব পিভি + ইএসএস ডিভাইসের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।
ট্রেন্ড ৬: উচ্চ ভোল্টেজ ও নির্ভরযোগ্যতা এলসিওই (লেভেলাইজড কস্ট অব এনার্জি) কমাতে সহায়তা করবে।
ট্রেন্ড ৭: ইএসএস মানে কেবল ব্যাটারি নয়; নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিচালনার জন্য সিস্টেম-লেভেল ব্যাটারির ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য।
ট্রেন্ড ৮: উন্নত গ্রিড-ফর্মিং প্রযুক্তি ব্যবস্থা নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবস্থার নির্মাণকে ত্বরান্বিত করবে।
ট্রেন্ড ৯: এআই এজেন্ট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্বয়ংক্রিয় পরিচালনা সম্ভব করবে।
ট্রেন্ড ১০: নিরাপত্তার পরিমাপযোগ্য মান নির্ধারণ এনার্জি স্টোরেজ শিল্পে সামগ্রিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি করবে।
সব পরিস্থিতিতে গ্রিড-ফর্মিং, এআই-এর শক্তি উন্মোচন, আর উৎকর্ষ গড়ে তোলা—এগুলো শুধু প্রযুক্তিগত অগ্রগতির পথনির্দেশক নয়, টেকসই উন্নয়নেরও মূলনীতি। হুয়াওয়ে ডিজিটাল পাওয়ার আশা করে শিল্পের অংশীদার ও বিভিন্ন ক্ষেত্রের পেশাজীবীদের সঙ্গে একসাথে কাজ করতে, যাতে পিভি+ ইএসএস শিল্পের ভবিষ্যৎ শক্তিশালী হয়।
উল্লেখ্য, হুয়াওয়ে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় একটি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো ও পরিষেবা এবং স্মার্ট ডিভাইস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। এর লক্ষ্য হলো সম্পূর্ণভাবে সংযুক্ত ও বুদ্ধিবৃত্তিক একটি বিশ্ব গড়ে তোলার জন্য প্রতিটি ব্যক্তি, বাড়ি এবং প্রতিষ্ঠানের কাছে ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দেওয়া।
বাংলাদেশে ২৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে হুয়াওয়ে থ্রিজি, ফোরজি এবং ফাইভজি প্রযুক্তির মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ খাতে সহযোগিতা করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি হুয়াওয়ে ক্লাউড সলিউশন, ডিজিটাল পাওয়ার সলিউশন ও মোবাইল আর্থিক পরিষেবা প্ল্যাটফর্ম প্রদান করছে এবং দেশের প্রায় প্রতিটি খাতে আইসিটি অন্তর্ভুক্তিকে ত্বরান্বিত করেছে। এছাড়া কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্ব পালনে, বিশেষ করে প্রতিভা বিকাশে হুয়াওয়ে অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে ভূমিকা পালন করে আসছে।
দেশের আইসিটি অবকাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার সহযোগী হিসেবে হুয়াওয়ে একটি সম্পূর্ণভাবে সংযুক্ত ও বুদ্ধিবৃত্তিক বাংলাদেশ গড়তে সবসময় এর সাথে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।
বাংলাদেশে নিজেদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে ট্রান্সকম ডিজিটালের সঙ্গে নতুন এক পথচলা শুরু করেছে বিশ্বখ্যাত ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড এলজি। বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজধানীর গুলশান-১ এলাকায় অবস্থিত ট্রান্সকম ডিজিটালের আউটলেটে সম্প্রতি এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ব্র্যান্ড লঞ্চিং সম্পন্ন হয়।
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো স্থানীয় গ্রাহকদের দোরগোড়ায় আধুনিক ও প্রিমিয়াম হোম সলিউশন পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করা। এর ফলে একটি ‘স্ট্র্যাটেজিক রিটেইল পার্টনারশিপ’ বা কৌশলগত খুচরা ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। এই সমঝোতার অধীনে ট্রান্সকম ডিজিটালের দেশব্যাপী ছড়িয়ে থাকা বিক্রয়কেন্দ্র এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে এলজি তাদের উদ্ভাবনী ও বিদ্যুৎসাশ্রয়ী হোম অ্যাপ্লায়েন্স পণ্যগুলো সাধারণ মানুষের নাগালে নিয়ে আসবে।
অনুষ্ঠানে নিজেদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে এলজি-এর হোম সলিউশনস প্রোডাক্ট ডিরেক্টর মি. হান চাংহো বলেন,
“দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ ও উন্নত করতে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি পৌঁছে দিতে LG প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ট্রান্সকম ডিজিটালের সঙ্গে আমাদের এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশি গ্রাহকদের কাছে বিশ্বস্ত বৈশ্বিক প্রযুক্তি আরও কাছে নিয়ে যেতে পারবো।”
ট্রান্সকম ডিজিটালের হেড অব বিজনেস মি. রাশেদুল ইসলাম এই সহযোগিতাকে মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করে বলেন,
“বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড LG–এর সঙ্গে অংশীদার হতে পেরে আমরা গর্বিত। এই সহযোগিতার মাধ্যমে আমাদের প্রিমিয়াম পণ্যের পরিসর আরও সমৃদ্ধ হবে এবং গ্রাহকরা উন্নত প্রযুক্তি ও নির্ভরযোগ্য সার্ভিস সাপোর্ট উপভোগ করতে পারবেন।”
নতুন পণ্যের উন্মোচন ও প্রদর্শনী শেষে উপস্থিত গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। উক্ত আয়োজনে এলজি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মি. জেরাল্ড ছোন এবং ট্রান্সকম ডিজিটালের চিফ অপারেটিং অফিসার মি. শহিদুল ইসলামসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই উদ্যোগ মূলত দেশের বাজারে এলজির অবস্থান আরও সুসংহত করা এবং উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার একটি নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টার অংশ।
বিশ্বের শতাধিক দেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী এলজি ইলেকট্রনিক্স মূলত গ্রাহককেন্দ্রিক প্রযুক্তির মাধ্যমে জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কাজ করছে। অন্যদিকে, ট্রান্সকম ডিজিটাল বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় মাল্টি-ব্র্যান্ড ইলেকট্রনিক্স রিটেইল চেইন হিসেবে আসল পণ্য ও নির্ভরযোগ্য সেবার মাধ্যমে গ্রাহক আস্থা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।