বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
১০ আষাঢ় ১৪৩৩

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির সভা

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির নির্বাহী কমিটির ৮৭৩তম সভা সম্প্রতি ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান আক্কাচ উদ্দিন মোল্লা। ছবি: সংগৃহীত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২১ মে, ২০২৪ ১১:১৪

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির নির্বাহী কমিটির ৮৭৩তম সভা সম্প্রতি ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান আক্কাচ উদ্দিন মোল্লা। সভায় বিভিন্ন খাতে অর্থায়ন এবং ব্যাংকিং সম্পর্কিত বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় অন্যদের মধ্যে ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ফকির আখতারুজ্জামান, ব্যাংকের পরিচালক ও কমিটির সদস্যরা- মো. সানাউল্লাহ সাহিদ, মহিউদ্দিন আহমেদ, ইঞ্জি. মো. তৌহিদুর রহমান এবং মোহাম্মদ ইউনুছ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ এবং কোম্পানি সচিব মো. আবুল বাশার উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

দেশজুড়ে ৭ শতাধিক ওয়ালটন প্লাজায় মেডিক্যাল ক্যাম্পে ফ্রি চিকিৎসা প্রদান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিক্রয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজা সারাদেশে দিনব্যাপী মেডিক্যাল ক্যাম্পের আওতায় জনসাধারণকে ফ্রি চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছে। বুধবার (২৪ জুন, ২০২৬) দেশজুড়ে একযোগে ৭ শতাধিক ওয়ালটন প্লাজায় দিনব্যাপী এই চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। ওয়ালটন প্লাজার গ্রাহকগণ থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ ফ্রি মেডিক্যাল সেবা গ্রহণ করেন।

রাজধানীর মিরপুর মাজার রোড ওয়ালটন প্লাজায় ফিতা কেটে মেডিক্যাল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং পার্টনার এস এম মাহবুবুল আলম। সে সময় তিনি ওয়ালটন প্লাজার হ্যাপিনেস অ্যান্ড হেলথ কেয়ার প্রজেক্টের আওতায় গ্রাহকদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা দেয়ার লক্ষ্যে একটি বিশেষ হটলাইন নাম্বার (০৯৬০৬-৯৯০০২৯) উদ্বোধন করেন। সদ্য চালু হওয়া এই হটলাইন নাম্বারে কল করে ফ্রি চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন ওয়ালটন প্লাজার গ্রাহকগণ।

ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের আওতায় রোগিদের ব্যবস্থাপত্র এবং ওষুধ প্রদান করা হয়। এছাড়াও বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ছিলো রক্তদান কর্মসূচী। ওয়ালটন প্লাজা থেকে সংগৃহীত রক্ত ব্যবহার করা হবে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীদের সেবায়।

অনুষ্ঠানে ওয়ালটন প্লাজা ম্যানেজিং পার্টনার এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, দেশজুড়ে ওয়ালটন প্লাজাগুলোতে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের মাধ্যমে দিনব্যাপী ক্রেতাসাধারণসহ সকলকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ। ‘কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা পলিসি’সহ গ্রাহকবান্ধব বিভিন্ন প্রোগ্রামের আওতায় ওয়ালটন প্লাজার মাধ্যমে সারা বছরই ক্রেতাসাধারণের জন্য নানাবিধ বিশেষ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। এটা ক্রেতাদের জন্য আমাদের দায়িত্বশীলতা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। সারা দেশে একযোগে চলমান দিনব্যাপী এই ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের সুবিধা গ্রহণ করতে পারছেন ওয়ালটন প্লাজার গ্রাহক থেকে শুরু করে দেশের সর্বস্তরের মানুষ। আমাদের প্রত্যাশা, ওয়ালটনের এসব প্রোগ্রাম অনুসরণ করে দেশের অন্যান্য ব্র্যান্ড ও কোম্পানিও সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদানে উৎসাহিত হবে।

ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন হাই-টেকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মফিজুর রহমান, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ওয়ালটন হাই-টেকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তানভীর আঞ্জুম, ওয়ালটন প্লাজার হেড অব এইচআর মো. ফয়সাল ওয়াহিদ, ওয়ালটন প্লাজার চিফ সেলস এক্সিকিউটিভ এম এম নাজমুল হাসানসহ চিকিৎসা সেবা গ্রহণকারীগণ। অনলাইনে যুক্ত হন সারাদেশের সকল ওয়ালটন প্লাজার প্রতিনিধিবৃন্দ।

ওয়ালটন প্লাজার এমডি মোহাম্মদ রায়হান বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠান প্রমাণ করে ওয়ালটন প্লাজা শুধু পণ্য বিক্রির মাধ্যমে ব্যবসা করে না, গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। এভাবেই জনমানুষের আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে ওয়ালটন প্লাজা।

তিনি জানান, শুধু বাংলাদেশেই নয়; বিশ্বে একমাত্র ওয়ালটন প্লাজাই ক্রেতাদের জন্য ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষা নীতি’ পরিচালনা করছে। ব্যতিক্রমী ও মহৎ এই নীতির আওতায় দেশের যে কোনো ওয়ালটন প্লাজা থেকে কিস্তিতে পণ্য ক্রয়কারীদের দেয়া হচ্ছে সুরক্ষা কার্ড। কিস্তি চলমান থাকা অবস্থায় সুরক্ষা কার্ডধারীর মৃত্যু হলে পণ্যমূল্যের ভিত্তিতে ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ এবং তার পরিবারের কোনো সদস্য মৃত্যুবরণ করলে ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে ওয়ালটন প্লাজা। প্রদত্ত আর্থিক সহয়তার মধ্য থেকে সংশ্লিষ্ট পণ্যের অনাদায়ী কিস্তির টাকা সমন্বয়ের পর অবশিষ্ট নগদ টাকা সুরক্ষা কার্ডধারী বা তার পরিবারকে দেয়া হচ্ছে। এছাড়া মৃত্যুবরণকারী সুরক্ষা কার্ডধারীর পরিবারের যোগ্য সদস্যদের ওয়ালটনে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

জানা গেছে, দেশব্যাপী ইতোমধ্যে দেড় সহ¯্রাধিক কিস্তি ক্রেতা ও গ্রাহকের পরিবারকে তিন কোটি টাকারও বেশি আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ বকেয়া কিস্তির টাকা মওকুফ করা হয়েছে। এছাড়াও আর্থিক সহায়তা গ্রহণের অপেক্ষায় রয়েছে আরো বেশ কিছু গ্রাহকের পরিবার।

উল্লেখ্য, ওয়ালটন প্লাজা থেকে কিস্তিতে পণ্য কেনা গ্রাহকদের সেবা দিতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে ওয়ালটন প্লাজা। এর আওতায় স্বনামধন্য হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, জীবন বীমা, রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা কার্ডধারীদের জন্য সর্বোচ্চ সেবা ও মূল্যছাড়সহ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়েছে ওয়ালটন প্লাজা। প্রতিটি ওয়ালটন প্লাজায় সুরক্ষা কার্ডধারী গ্রাহকদের মেডিক্যাল সেবা প্রদানের জন্য সারাবছরই নিয়োজিত রয়েছেন ওয়ালটনের নিয়োগপ্রাপ্ত ‘হ্যাপিনেস অ্যান্ড হেলথ অফিসার’। এছাড়া বিশেষ বিবেচনায় সুরক্ষা কার্ডধারী গ্রাহকণের জন্য রয়েছে বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ।


মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ২৪ জুন, ২০২৬ ১৮:০১
কর্পোরেট ডেস্ক

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আজ ২৪ জুন বুধবার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ৩১শে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত সমাপ্ত বছরের ব্যালেন্স শিট অনুমোদিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ারুল হক ও স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসান।
এজিএমে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আকরাম হোসেন (হুমায়ুন) এবং মোঃ আব্দুল হান্নান, এমপি; নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এম. এ. খান বেলাল, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক অধ্যাপক ডঃ মোঃ রেজাউল কবির; পরিচালকবৃন্দ এ. এস. এম. ফিরোজ আলম, এম. আমানউল্লাহ, আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন, স্বতন্ত্র পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম ও প্রফেসর নাসরিন সুলতানা, পিএইচডি; ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিএফও ড. তাপস চন্দ্র পাল, কোম্পানি সেক্রেটারি মোহাম্মদ রেজাউল করিম, ব্যাংকের উদ্যোক্তাবৃন্দ, শেয়ারহোল্ডারবৃন্দ এবং ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান তাঁর বক্তব্যে ২০২৫ সালের অর্জিত সাফল্যকে গ্রাহকদের আস্থা, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অন্যান্য রেগুলেটরি সংস্থার সহযোগিতা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল হিসেবে উল্লেখ করে ধন্যবাদ জানান। তিনি উন্নত প্রযুক্তি, সুষ্ঠু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও খেলাপি ঋণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে আনার সাফল্য তুলে ধরেন। একই সাথে, ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রাকে ঝুঁকিমুক্ত করতে ব্যাংকের দূরদর্শী নীতিমালা গ্রহণ ও আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালীকরণের ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন, যা দীর্ঘমেয়াদে শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষা করবে।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসান স্বাগত বক্তব্যে শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশ্যে ২০২৫ সালে ব্যাংকের সামগ্রিক কার্যক্রম এবং ২০২৬ সালে ব্যাংকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি জানান, প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি খেলাপি ঋণের পরিমাণ ভবিষ্যতে আরও কমিয়ে আনতে ব্যাংক দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এছাড়া, ক্যাশলেস ব্যাংকিং ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে সম্ভাব্য বিভিন্ন কৌশল তিনি তুলে ধরেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বৈচিত্রময় উদ্ভাবনী ব্যাংকিং-এর দিকে মার্কেন্টাইল ব্যাংক আরও জোর দিবে, যাতে করে নিরবচ্ছিন্ন গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করা যায়।

উল্লেখ্য ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে ব্যাংকের সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১.১০ টাকা। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি নীট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৪.৩৫ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নীট অপারেটিং ক্যাশফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৫.৯৫ টাকা।

উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ জাকির হোসাইন, শামীম আহম্মদ, অসীম কুমার সাহা, ড. মোঃ জাহিদ হোসেন ও শাহ মোঃ সোহেল খুরশীদ, এসইভিপি মোহাম্মদ ইকবাল রেজওয়ান, মোঃ আব্দুল হালিম ও মোঃ আব্দুল আউয়ালসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও সম্পৃক্ত কর্মকর্তাবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।


ইউনিলিভার বাংলাদেশের উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো পরিবেশ সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নিত্যব্যবহার্য পণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল) সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবেশভিত্তিক সাংবাদিকতায় দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক), ইউনিলিভার বাংলাদেশ এবং ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন (ইপসা)-এর যৌথ উদ্যোগে চট্টগ্রাম নগরীতে পরিচালিত প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

দুই দিনব্যাপী আয়োজিত কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সামনে চট্টগ্রাম শহরের প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বর্তমান অবস্থা এবং চলমান উদ্যোগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি পরিবেশ সাংবাদিকতা বিষয়ে বিভিন্ন সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এসব সেশনে শিক্ষার্থীরা পরিবেশ সাংবাদিকতার মৌলিক ধারণা, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিবেদন উপস্থাপনার কৌশল এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তারা ফিল্ড ভিজিটে অংশ নিয়ে স্কুলভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম, বাসা-বাড়িতে বর্জ্য পৃথকীকরণ ব্যবস্থা, ভাঙারিওয়ালাদের কার্যক্রম এবং তাদের জন্য সরবরাহ করা সুরক্ষা সামগ্রী সম্পর্কে সরাসরি ধারণা লাভ করেন। কর্মশালার বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন দেশের অভিজ্ঞ সাংবাদিক ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা। কর্মশালা শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সনদ প্রদান করা হয়।

কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ আল-আমীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ও ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের ফ্যাক্টরি ডিরেক্টর এস এম তারেক সাইফুল্লাহ। এছাড়া, এ সময় ইপসা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

এ ধরনের উদ্যোগ তরুণদের মধ্যে পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চায় উৎসাহ জোগাবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে পরিবেশগত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন তৈরিতে তরুণদের আগ্রহ বাড়বে এবং সমাজ ও পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীল আগামী প্রজন্ম গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সাল থেকে ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এবং ইপসা’র সহযোগিতায় চট্টগ্রাম শহরের ৪১টি ওয়ার্ডজুড়ে একটি সমন্বিত প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে আসছে। এ উদ্যোগের আওতায় এ পর্যন্ত ৩৩,০০০ টনের বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াকরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩,০০০ জনের বেশি বর্জ্যকর্মী ও সংগ্রাহককে প্রশিক্ষণ ও সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে এবং ১,৮২৭ জনকে গ্রুপ ইনস্যুরেন্স সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে। উদ্যোগটি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই নগর ব্যবস্থাপনার মডেল হিসেবে কাজ করছে। নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন, দায়িত্বশীল ও পরিবেশবান্ধব শহর গড়ে তোলার প্রচেষ্টা এ উদ্যোগের মাধ্যমে অব্যাহত রয়েছে।


সোনালী ব্যাংক পেমেন্ট গেটওয়েতে যুক্ত হলো বেসিক ব্যাংক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের ব্যাংকিং খাতে ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা আরও সহজ ও গতিশীল করতে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক পিএলসি এবং বেসিক ব্যাংক পিএলসির মধ্যে একটি কৌশলগত সেবা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় বেসিক ব্যাংক এখন থেকে সোনালী ব্যাংকের নিজস্ব অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে’ (SPG)-তে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হলো। এর ফলে বেসিক ব্যাংকের গ্রাহকেরা এখন থেকে খুব সহজেই এই গেটওয়ে ব্যবহার করে বিভিন্ন আধুনিক ব্যাংকিং ও বিল পরিশোধের সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

নতুন এই সেবা চুক্তির ফলে বেসিক ব্যাংকের গ্রাহকেরা এখন যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো সময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ফি, ইউটিলিটি বিল, সরকারের সর্বজনীন পেনশনের মাসিক কিস্তি এবং চালানের ফি কোনো রকম জটিলতা ছাড়াই সরাসরি এই গেটওয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন। মূলত গ্রাহকদের লাইনে দাঁড়িয়ে বিল দেওয়ার ভোগান্তি দূর করতে এবং ক্যাশলেস লেনদেনকে উৎসাহিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬ তারিখে সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই চুক্তি স্বাক্ষর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোঃ শওকত আলী খান এবং বেসিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোঃ কামরুজ্জামান খান।

উক্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বেসিক ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু মোঃ মোফাজ্জেল ও সুভাষ চন্দ্র দাস, সোনালী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক আকলিমা ইসলাম এবং বেসিক ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক সুমিত রঞ্জন নাথসহ উভয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। রাষ্ট্রায়ত্ত দুই ব্যাংকের এই যৌথ উদ্যোগ দেশের ডিজিটাল ব্যাংকিং রূপান্তর ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই রেমিট্যান্সে ব্র্যাক ব্যাংকের বড় সাফল্য

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় সংগ্রহে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে বেসরকারি খাতের ব্র্যাক ব্যাংক। চলতি ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসেই (জানুয়ারি থেকে মে) ব্যাংকটি ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে। ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই বিশাল অংকের প্রবাসী আয় সংগ্রহের মাধ্যমে গত বছরের ঠিক একই সময়ের তুলনায় এবার ব্যাংকটির রেমিট্যান্স প্রবাহে রেকর্ড ৭৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

ব্যাংকটির অভ্যন্তরীণ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত প্রায় ১৫ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি তাঁদের দেশে থাকা পরিবারের কাছে নিরাপদে অর্থ পাঠাতে ব্র্যাক ব্যাংকের রেমিট্যান্স সেবা ব্যবহার করেছেন। প্রবাসীদের পাঠানো এই কষ্টার্জিত অর্থ দেশের লাখো পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা ও জীবনমান নিশ্চিত করার পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে জাতীয় অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

ব্র্যাক ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন নতুন আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স করিডরে নিজেদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বৈশ্বিক এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সঙ্গে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সংযোগ জোরদারের মাধ্যমেই বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্সের এই প্রবাহ বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে দেশজুড়ে বিস্তৃত ব্র্যাক ব্যাংকের ৩১০টি শাখা ও উপশাখা এবং ১ হাজার ১১৭টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটের এক বিশাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ অত্যন্ত দ্রুত ও নিরাপদে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

এই অনন্য অর্জন প্রসঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারেক রেফাত উল্লাহ খান উল্লেখ করেছেন, এই মাইলফলক মূলত ব্র্যাক ব্যাংকের ওপর প্রবাসী বাংলাদেশিদের গভীর আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন। তাঁর ভাষ্যমতে, আধুনিক প্রযুক্তি, শক্তিশালী আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব এবং নির্ভরযোগ্য সেবার সমন্বয়ের মাধ্যমে রেমিট্যান্স সেবাকে আরও দ্রুত, নিরাপদ ও সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য করতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক।

রেমিট্যান্স গ্রাহকদের ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে বিশেষায়িত সঞ্চয়ী হিসাব ও বিভিন্ন আকর্ষণীয় আর্থিক পণ্য চালু করেছে ব্যাংকটি। এখন গ্রাহকেরা ডিজিটাল অনবোর্ডিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে মাত্র কয়েক মিনিটে ঘরে বসেই ব্যাংক হিসাব খুলতে পারেন এবং তা ‘আস্থা’ অ্যাপের মাধ্যমে ডিজিটাল উপায়ে পরিচালনা করতে পারেন। এসব হিসাবে জমার পরিমাণ নির্বিশেষে নির্ধারিত হারে আকর্ষণীয় মুনাফা প্রদান করা হয়, যা মাসিক ভিত্তিতে সরাসরি গ্রাহকের হিসাবে যোগ হয়। প্রযুক্তিতে টেকসই বিনিয়োগ ও গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়াতে ব্যাংকটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


বিশ্বাস থেকে সফলতার পথে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে বিউটি টিউটোরিয়ালের ছড়াছড়ির আগের সময়টাতে নির্ভরযোগ্য স্কিনকেয়ার পরামর্শ খুঁজে পাওয়া ছিল বেশ কঠিন। অন্যদিকে ইন্টারনেটে পাওয়া অধিকাংশ তথ্যই ছিল ইংরেজিতে, যা বেশিরভাগ সময় বাংলাদেশের আবহাওয়া, জীবনযাপন কিংবা ত্বকের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। অন্যদিকে, দেশীয় বাজারও ছিল নানান অনিশ্চয়তায় ভরা। নকল পণ্যের আধিক্য ছিল। এছাড়াও কোন পণ্যটি ত্বকের জন্য উপযুক্ত, সে বিষয়ে গ্রাহকদের জন্য বিশ্বাসযোগ্য কোনো দিকনির্দেশনাও ছিল না।

আর এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই নিঃশব্দে তৈরি হয়েছিল একটি শূন্যস্থান। এই শূন্যস্থান দূর করতেই সাজগোজের সামনে ধরা দিয়েছিল একটি বিশেষ সম্ভাবনা। নিছক পণ্য বিক্রি করার উদ্দেশ্যে নয়, বরং গ্রাহকদের মধ্যে আস্থা তৈরির মাধ্যমে গভীর সব সমস্যার সমাধানই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য।

“ইনোভেশন ফর আ সাস্টেইনেবল ফিউচার: সিলেক্টেড কেসেস (২০২৪)”-এ প্রকাশিত, এম. সাঈদ আলম, কোহিনুর বিশ্বাস এবং বুশরা হুমায়রা এশা রচিত একটি কেস স্টাডি অনুযায়ী, ২০১৩ সালে সিনথিয়া শারমিন ইসলাম, নাজমুল শেখ এবং মিল্কি মাহমুদ সাজগোজ নামের এই প্রতিষ্ঠানটি শুরু করেন। অধিকাংশ স্টার্টআপের মতো শুরু থেকেই আগ্রাসী বিক্রয় কৌশল না নিয়ে তারা বেছে নিয়েছিলেন একেবারেই ভিন্ন পথ, আর তা ছিল ‘কন্টেন্ট’।

প্রথমদিকে সাজগোজ বাংলায় সৌন্দর্য আর ত্বকের যত্ন নিয়ে তথ্যভিত্তিক লেখা তৈরি করত। পরে এতে যুক্ত হয় প্রবন্ধ, টিউটোরিয়াল আর প্রোডাক্ট ব্যাবহার করার সঠিক পদ্ধতি নিয়ে লেখা, এবং পুরোটাই বাংলাদেশি গ্রাহকদের জন্য বানানো। ধারণাটা সহজ, কিন্তু এর শক্তি ছিল অসাধারণ। কারণ কোনো পণ্য কিনার আগে মানুষের সেটা বোঝা দরকার, আর কোনো অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে বিশ্বাস করার আগে দরকার তার রিসার্চ ও ডাটার ওপর ট্রাস্ট।

সাজগোজের এই কৌশল ধীরে ধীরে বদলে দেয় বাংলাদেশের মানুষের বিউটি ও স্কিনকেয়ার বিষয়ে ভাবনা ও সম্পৃক্ততার ধরন। পণ্য বিক্রির ওপর জোর না দিয়ে তারা উত্তর দিতে শুরু করে মানুষের নিত্যদিনের প্রশ্নগুলোর। এই পণ্য কি নিরাপদ? এটি কি আমার ত্বকের জন্য উপযোগী? পণ্যটির সঠিক ব্যবহার কী? এমন সব প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে সময়ের সাথে সাজগোজ শুধু একটি ওয়েবসাইট নয়, বরং সচেতন গ্রাহকের জন্য এক নির্ভরযোগ্য পরামর্শদাতায় পরিণত হয়েছে ।

সাজগোজের যাত্রা থেকে পাওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাগুলোর একটি হলো, প্রকৃত সমস্যা অনেকসময় আমাদের আপাতদৃষ্টির বাইরে থাকে। বিউটি ইন্ডাস্ট্রিতে পণ্যের অভাব কখনোই ছিল না। শুধু অভাব ছিল সঠিক তথ্য ও স্পষ্ট দিকনির্দেশনার। এবং এই জায়গাটায় সাজগোজ বুঝতে পেরেছিল, এক্ষেত্রে প্রকৃত ঘাটতি ছিল শেখার, সঠিক তথ্যের,, আর সেই তথ্য আর ট্রান্সপারেন্সি থেকেই জন্ম নেয় বিশ্বাস, যেটাই সবচেয়ে দামি।

অবশ্য আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল ভাষা নির্বাচন। ইন্টারনেটের বড় একটি অংশ জুড়ে যখন শুধু ইংরেজি কনটেন্টের ছড়াছড়ি, সাজগোজ তখন বাংলা ভাষার উপর জোর দেয়। স্থানীয়করণের পাশাপাশি তাদের এই পদক্ষেপটি বিশাল পরিসরের গ্রাহকদেরকে একসাথে নিয়ে আসে। এর মাধ্যমে স্কিনকেয়ার নিয়ে বিভিন্ন জরুরি তথ্য পৌঁছে যায় এমন লাখো মানুষের কাছে, যারা এতদিন বিশ্বজুড়ে সৌন্দর্যচর্চার আওতার বাইরে ছিলেন। ধীরে ধীরে বাংলাদেশের আবহাওয়া, সংস্কৃতি ও মানুষের দৈনন্দিন বাস্তবতাকে তুলে ধরায় তাদের কন্টেন্ট হয়ে ওঠে আরও প্রাসঙ্গিক, আরো ব্যক্তিগত।

পাঠকসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গড়ে ওঠে সাজগোজের একটি সক্রিয় কমিউনিটিও। এই প্রতিষ্ঠানটি একসময় এমন একটি প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়, যেখানে মানুষ শুধু কন্টেন্ট পড়েই থেমে থাকেনি। তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগ করেছে একে অন্যের সঙ্গে, প্রশ্ন করেছে এবং বিভিন্ন বিষয়ে শিখেছে। এই কমিউনিটিই পরবর্তীতে তাদের প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি হয়ে ওঠে এবং সাধারণ পাঠকরা রূপ নেয় সক্রিয় অংশগ্রহণকারীতে।

বর্তমানে সাজগোজকে নিঃসন্দেহে একটি পূর্ণাঙ্গ কনটেন্ট-নির্ভর ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম বলা চলে। তবে একথাও সত্যি যে, বাণিজ্য নয়, বিশ্বাসযোগ্যতাই তাদের প্রধান বৈশিষ্ট্য। বিজ্ঞাপন ও নানা মতামতের ভিড়ে সাজগোজ নিজেকে কেবল আরেকটি বিক্রয়মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং একজন নির্ভরযোগ্য পরামর্শদাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

উদ্যোক্তারা তাদের এই যাত্রা থেকে খুব সহজ একটি শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন। আসলে অধিকাংশ ব্যবসাই শুরু হয় এই প্রশ্ন দিয়ে, ‘কীভাবে আরও বেশি বিক্রি করা যায়?’ কিন্তু সাজগোজ শুরু করেছিল অন্যরকম একটি প্রশ্নকে সাথে নিয়ে, ‘কীভাবে মানুষকে আরও ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করা যায়?’ আর এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনই যেন তাদের গল্পের মোড় ঘুরিয়ে দিতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করেছে।

কারণ মানুষ যখন আপনার জ্ঞানের ওপর আস্থা রাখে, তখন একসময় তারা আপনার ব্যবসার ওপরও বিশ্বাস করতে শুরু করে। আর সেই বিশ্বাস যথেষ্ট শক্তিশালী হলে লেনদেনের বিষয়টি খুব স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে, এর জন্য বাড়তি কিছু করতে হয় না।

সবশেষে বলা যায়, সাজগোজের গল্পটি আসলে শুধু বিউটি পণ্য নিয়ে নয়। এটি আরও বিস্তৃত একটি সত্যের প্রতিফলন। যেকোনো ইন্ডাস্ট্রিতেই শেষপর্যন্ত এগিয়ে থাকে তারা, যারা আগে মানুষকে শেখায়, সহজ ভাষায় কথা বলে, একটি সক্রিয় কমিউনিটি গড়ে তোলে এবং সবকিছুর আগে মানুষের আস্থা অর্জনের উপর গুরুত্ব দেয়।


ওয়ান ব্যাংক থেকে নগদ-এ তাৎক্ষনিক টাকা পাঠানোর সেবা চালু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

গ্রাহকদের জন্য আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ ডিজিটাল লেনদেন সুবিধা নিশ্চিত করতে ওয়ান ব্যাংক পিএলসি-এর অ্যাপ থেকে মোবাইল আর্থিক সেবা নগদে টাকা আনার সেবা চালু হয়েছে। এর ফলে গ্রাহকদের লেনদেন স্বাধীনতা যেমন নিশ্চিত হবে একই সঙ্গে দেশের ক্যাশলেস লেনদেনের অগ্রযাত্রায় এটি একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে ওয়ান ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে এ বিষয়ক একটি অনুষ্ঠানে সেবাটি চালু করা হয়। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ এবং ওয়ান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহিত রহমান।

অনুষ্ঠানে নগদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মোহাম্মদ শাহীন সারওয়ার ভূঁইয়া, হেড অব বিজনেস সেলস মো. সাইদুর রহমান দীপু প্রমুখ। এছাড়া ওয়ান ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, ব্যাংকটির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব বিজনেস শাব্বির আহমেদ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জিয়াউল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইফতেখার আহমেদ জাফরসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে নগদ প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, “বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবার বিস্তারে ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবার মধ্যে আন্তঃসংযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ান ব্যাংকের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের ফলে গ্রাহকেরা আরও সহজে ডিজিটাল লেনদেন করতে পারবেন। একই সঙ্গে দেশের ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

ওয়ান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহিত রহমান বলেন, “ওয়ান ব্যাংকের তরফ থেকে আমরা সব সময় ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গ্রহন করার দিকে বিশেষ আগ্রহী যাতে গ্রাহকের জন্যে স্বচ্ছন্দ নিশ্চিত করা যায়। নগদের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব আমাদের গ্রাহকদের নিরাপত্তার সঙ্গে তাৎক্ষনিকভাবে লেনদেন করতে সহায়তা করবে যা প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্যাসলেস অর্থনীতি এবং আর্থিক অন্তর্ভূক্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যকে গতিশীল করবে।”


শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড অডিট কমিটির ২৭৯তম সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর বোর্ড অডিট কমিটির ২৭৯তম সভা সম্প্রতি ব্যাংকের কর্পোরেট প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক ও বোর্ড অডিট কমিটির চেয়ারম্যান জনাব মো: রিয়াজুল করিম। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে ব্যাংকের পরিচালক ও বোর্ড অডিট কমিটির সদস্য জনাব ফকির মাসরিকুজ্জামান এবং জনাব ফকির মনিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ এবং কোম্পানি সচিব জনাব মো: আবুল বাশার উপস্থিত ছিলেন।


২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে সর্বোচ্চ বীমা দাবি নিষ্পত্তি করেছে মেটলাইফ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ৬৬৯ কোটি টাকার বেশি বীমা দাবি নিষ্পত্তি করেছে মেটলাইফ বাংলাদেশ। এটি এ প্রান্তিকে দেশের সব জীবন বীমা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এ অর্জনের মাধ্যমে দাবি নিষ্পত্তিতে দেশের শীর্ষ জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান হিসেবে মেটলাইফ বাংলাদেশের অবস্থান আরও দৃঢ় হয়েছে।

অসুস্থতা বা চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতি, জীবনহানি কিংবা পলিসির মেয়াদপূর্তির মতো সময়ে গ্রাহকদের আর্থিক ভরসা হয়ে ওঠে মেটলাইফ বাংলাদেশের পরিশোধ করা বীমা দাবির অর্থ।

এ প্রসঙ্গে মেটলাইফ বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আলা আহমদ বলেন, ‘বীমা দাবি সময়মতো পরিশোধ করা একটি বীমা কোম্পানির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি। আমরা গর্বিত যে, দাবি নিষ্পত্তিতে মেটলাইফ বাংলাদেশ বীমা খাতে ধারাবাহিকভাবে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে।’

বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দাবি নিষ্পত্তিতে দীর্ঘদিন ধরেই বীমা খাতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে মেটলাইফ বাংলাদেশ। ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি ২ হাজার ৮৫৩ কোটি টাকার দাবি পরিশোধ করেছে, যা দেশের জীবন বীমা খাতে সর্বোচ্চ। এ সময়ে তাদের দাবি নিষ্পত্তির হার ছিল ৯৮ শতাংশের বেশি।

মেটলাইফ বাংলাদেশের সহজ ও ঝামেলামুক্ত ডিজিটাল দাবি নিষ্পত্তি ব্যবস্থার মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছেন গ্রাহকেরা। এ ব্যবস্থায় অনলাইনে বীমা দাবি জমা দেওয়ার পর সাধারণত তিন থেকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যেই দাবি বাবদ অর্থ পরিশোধ করা হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১০ লাখ ব্যক্তি গ্রাহক এবং ৯০০টির বেশি করপোরেট গ্রাহককে বীমা সেবা প্রদান করছে মেটলাইফ।


ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড-এ ২২টি পুরস্কার জিতে সেরা সাফল্য বিকাশ-এর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

‘ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এর ২২টি পুরস্কার জিতে সেরা সাফল্য দেখিয়েছে দেশের বৃহত্তম মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশ। বিকাশ সরাসরি পেয়েছে ১১টি পুরস্কার আর পার্টনার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পেয়েছে বাকি ১১টি।

দেশের বিভিন্ন খাতের শীর্ষস্থানীয় কর্পোরেট ও মার্কেটিং প্রফেশনালদের নিয়ে গঠিত জুরি প্যানেলের নির্বাচিত বিভিন্ন ক্যাটাগরির সেরা ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যাম্পেইনগুলোকে প্রতি বছর পুরস্কৃত করে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম।

বিকাশ এবছর ‘বেস্ট ইন্টিগ্রেটেড ডিজিটাল ক্যাম্পেইন’, ‘বেস্ট রিভ্যাম্প ক্যাম্পেইন’, ‘বেস্ট ডিজিটাল পারফর্মেন্স মার্কেটিং’, ‘বেস্ট কনটেন্ট মার্কেটিং’, ‘বেস্ট ডিজিটাল ক্যাম্পেইন ফর সাসটেইনেবিলিটি’ সহ সবচেয়ে বেশি ১৫টি ক্যাটাগরিতে এই স্বীকৃতিগুলো অর্জন করে।

সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড’-এর নবম আসরে বিজয়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাঝে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। এ বছর ২৫টি ক্যাটাগরিতে ৮৯টি সেরা ক্যাম্পেইন স্বীকৃতি পেয়েছে।


সিটি ব্যাংক, মিল্ক ভিটা ও অ্যাগ্রোশিফটের সমঝোতা সই

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

সিটি ব্যাংক পিএলসি, মিল্ক ভিটা এবং অ্যাগ্রোশিফট সম্প্রতি একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক (গড়ট) স্বাক্ষর করেছে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর একটি সমন্বিত ইকোসিস্টেম গড়ে তুলে দেশের দুগ্ধ ও গবাদিপশু খামারিদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণে একটি ডিজিটাল ডেইরি ফাইন্যান্সিং ইনিশিয়েটিভ চালু করা হবে।

সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন এবং মিল্ক ভিটার চেয়ারম্যান এস এম আমীর হামজা শাতিল-এর উপস্থিতিতে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাগ্রোশিফটের সিইও কাজী বুলান্দ মুসাব্বির; সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিএফও মো. মাহবুবুর রহমান; উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব স্মল, মাইক্রোফাইন্যান্স অ্যান্ড এজেন্ট ব্যাংকিং বিজনেস কামরুল মেহেদী; উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রধান অর্থনীতিবিদ ও কান্ট্রি বিজনেস ম্যানেজার মো. আশানুর রহমান; মিল্ক ভিটার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের যুগ্ম সচিব জাহিদুল ইসলাম; অ্যাগ্রোশিফটের সিওও দীপ্ত সাহাসহ তিন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এই অংশীদারত্বের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের দুগ্ধ খাতের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ-প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়নে সীমিত প্রবেশাধিকার ও সমাধান করা। এই খাত দেশের অর্থনীতি ও গ্রামীণ জীবিকায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। শিল্পখাত সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ১২ লাখ দুগ্ধ খামার রয়েছে, যা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৯৪ লাখ মানুষের জীবিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত। প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ উপখাত জাতীয় জিডিপির প্রায় ২.৭৩ শতাংশ এবং কৃষি জিডিপির ১৭.১৫ শতাংশ অবদান রাখে।

২০২৪ সালে বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি ৭ লাখ ৯০ হাজার টন দুধ উৎপাদিত হয়েছে, যা উৎপাদনের দিক থেকে এশিয়ায় পঞ্চম এবং বিশ্বে উনবিংশ অবস্থানে রয়েছে। ২০২৯ সাল পর্যন্ত দেশের দুগ্ধবাজারে বার্ষিক গড়ে ৯ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং বাজারের আকার দাঁড়াতে পারে প্রায় ১.০৩ লক্ষ কোটি টাকা। তবে এই সম্ভাবনা সত্ত্বেও দেশে দুধের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান রয়ে গেছে এবং মোট উৎপাদিত দুধের মাত্র ৯ শতাংশ বর্তমানে প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থার আওতায় আসে।

এই উদ্যোগের আওতায় দেশের বৃহত্তম দুগ্ধ সমবায় নেটওয়ার্ক মিল্ক ভিটা তাদের ৩,৩০০-এর বেশি প্রাথমিক সমবায় সমিতি, ৬১টি চিলিং সেন্টার এবং ৫৭টি জেলায় কার্যরত ৩ লক্ষাধিক দুগ্ধ খামারির বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে খামারিদের অন্তর্ভুক্ত করবে। অ্যাগ্রোশিফট প্রযুক্তি ও ইকোসিস্টেম সহযোগী হিসেবে কাজ করবে এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে খামারি শনাক্তকরণ, ডিজিটাল অনবোর্ডিং, ই-কেওয়াইসি, কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং ঋণের ব্যবহার ট্র্যাকিংয়ে সহায়তা করবে।

এই ডিজিটাল অবকাঠামোর ওপর ভিত্তি করে সিটি ব্যাংক দুগ্ধ ও গবাদিপশু খামারিদের প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থায়ন সুবিধা প্রদান করবে, যা উৎপাদনশীল বিনিয়োগ, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করবে।

সমবায় নেটওয়ার্কের ব্যাপ্তি, ডিজিটাল উদ্ভাবন এবং আর্থিক দক্ষতার সমন্বয়ে এই উদ্যোগ একটি শক্তিশালী সহযোগিতার উদাহরণ। একটি টেকসই ডিজিটাল তথ্যভা-ার ও খামারি অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তোলার মাধ্যমে এটি দুগ্ধ মূল্য শৃঙ্খলের বিভিন্ন স্তরে টেকসই প্রবৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করবে।

প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ খাতে সিটি ব্যাংকের দৃঢ় অঙ্গীকারও এ উদ্যোগে প্রতিফলিত হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্যাংকটি মোট ১,১০০ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণের মধ্যে প্রায় ৪১৩ কোটি টাকা দুগ্ধ খামার খাতে বিতরণ করেছে, যা ব্যাংকের কৃষি অর্থায়ন কার্যক্রমে এ খাতের কৌশলগত গুরুত্বকে তুলে ধরে।

ভবিষ্যতে মিল্ক ভিটার সমবায় নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ১ লক্ষাধিক খামারিকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অন্তর্ভুক্ত করা, দেশের ৬৪টি জেলায় সম্প্রসারণযোগ্য একটি দুগ্ধ অর্থায়ন মডেল প্রতিষ্ঠা করা এবং ৩ লক্ষাধিক খামারির জন্য একটি ডিজিটাল তথ্যভা-ার গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। এ উদ্যোগ আর্থিক অন্তর্ভুক্তি জোরদার করবে, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করবে, আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং সেবায় প্রবেশাধিকার সম্প্রসারণ করবে এবং গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি টেকসই কাঠামো গড়ে তুলবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত তিন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেন যে, এই সহযোগিতা প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি অর্থায়নের একটি রূপান্তরমূলক মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং দুগ্ধ খামারিদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনের পাশাপাশি বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।


এনসিসি ব্যাংক এর শরী‘আহ্ সুপারভাইজরি কমিটির ১০তম সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

এনসিসি ব্যাংক এর শরী‘আহ্ সুপারভাইজরি কমিটির ১০তম সভা সম্প্রতি এনসিসি ব্যাংক ভবনের বোর্ড রুমে অনুষ্ঠিত হয়। শরী‘আহ্ সুপারভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যান ড. এইচ. এম. শহীদুল ইসলাম বারাকাতি এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোঃ নূরুন নেওয়াজ সেলিম এবং পরিচালক ও নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান খায়রুল আলম চাকলাদার উপস্থিত ছিলেন। এসময় শরী‘আহ্ সুপারভাইজরি কমিটির সদস্যবৃন্দ ড. মোঃ আনোয়ার হোসাইন মোল্লা ও ড. মুহাম্মদ শাহজাহান মাদানী এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন সহ অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. খোরশেদ আলম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ মোঃ জাকির আনাম, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও মোঃ হাবিবুর রহমান এবং ইভিপি ও শরী‘আহ্ সেক্রেটারী আবুল কাসেম মোঃ ছফিউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। সভায় এনসিসি ইসলামিক ব্যাংকিং এর বিভিন্ন ধরনের আমানত ও বিনিয়োগ সেবাসমূহ নিয়ে আলোচনা শেষে অনুমোদন দেওয়া হয়।


রূপালী ব্যাংকে সিএমএসএমই ঋণ বিতরণ সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসিতে সিএমএসএমই খাতে ঋণ বিতরণ কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । সোমবার (২২ জুন ২০২৬) দিলকুশাস্থ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম ।

সভায় ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান তানভীর ও মো. হারুনুর রশীদ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও মহাব্যবস্থাপক মো. ইসমাইল হোসেন শেখ, মো. মইন উদ্দিন মাসুদ, সালামুন নেছা ও উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আফজাল হোসেন সভায় উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে সিএমএসএমই খাতে ঋণ বিতরণ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয় । পাশাপাশি ঋণের প্রবাহ বৃদ্ধি, প্রান্তিক ও নতুন উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে অর্থায়ন নিশ্চিতকরণ এবং গ্রাহকসেবার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয় ।

সভায় স্থানীয় কার্যালয় ও বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপকবৃন্দ, জোনাল ম্যানেজারবৃন্দ, প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ এবং কর্পোরেট ১ ও ২ শাখাসহ দেশের সকল শাখা প্রধান ভার্চ্যুয়ালি অংশগ্রহণ করেন ।

এ সময় ব্যাংকটির সামগ্রকি ব্যবসায়কি অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হয় এবং নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বতিভাবে কাজ করার আহবান জানানো হয় ।


banner close