বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬
২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

মিডল্যান্ড ব্যাংক ও জেনিথ ইসলামী লাইফের মধ্যে ব্যাংকাসুরেন্স চুক্তি

মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি এবং জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের মধ্যে ব্যাংকাসুরেন্স চুক্তি সই হয়েছে। ছবি : সংগৃহীত
আপডেটেড
২৩ মে, ২০২৪ ১২:২৬
করপোরেট ডেস্ক
প্রকাশিত
করপোরেট ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০২৪ ১২:২৫

মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি এবং জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের মধ্যে ব্যাংকাসুরেন্স চুক্তি সই হয়েছে। এর ফলে মিডল্যান্ড ব্যাংকের গ্রাহকরা ব্যাংক থেকেই সরাসরি জেনিথ লাইফের সব ধরনের জীবন ও স্বাস্থ্যবিমা সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। গুলশানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সম্প্রতি এ চুক্তি সই হয়। জেনিথ লাইফের পক্ষে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম নুরুজ্জামান ও মিডল্যান্ড ব্যাংকের পক্ষে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আহসান-উজ জামান চুক্তিতে সই করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মিডল্যান্ড ব্যাংকের হেড অব রিটেইল ডিস্ট্রিবিউশন ডিভিশন ও চিফ ব্যাংকাসুরেন্স অফিসার মো. রাশেদ আকতার, ব্যাংকাসুরেন্স ম্যানেজার খন্দকার ইমরান হোসেন এবং জেনিথ লাইফের কোম্পানি সচিব আবদুর রহমান, হেড অব ব্যাংকাসুরেন্স মো. শাহাদাত হোসেন, হেড অব গ্রুপ ইন্স্যুরেন্স মো. আনোয়ার হোসেন সরকার প্রমুখ।


জনাব মোঃ আরিফুল বারী ব্যাংক এশিয়ার নতুন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

অভিজ্ঞ ব্যাংকার জনাব মোঃ আরিফুল বারী ব্যাংক এশিয়া পিএলসি-তে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ ক্রেডিট অফিসার হিসেবে যোগদান করেছেন।

ব্যাংকিং খাতে ২৫ বছরেরও বেশি সময়ের বহুমাত্রিক ও সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতার অধিকারী জনাব বারী টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি অর্জন, প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক সুদৃঢ়করণ এবং বিচক্ষণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একজন দক্ষ ও সফল পেশাজীবী হিসেবে সুপরিচিত।

ব্যাংক এশিয়ায় যোগদানের আগে তিনি সিটি ব্যাংক পিএলসি-এর হোলসেল ব্যাংকিং বিভাগে বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ও নেতৃত্বস্থানীয় দায়িত্ব পালন করেন। এইচএসবিসি বাংলাদেশ-এ যোগদানের মাধ্যমে তিনি পেশাগত জীবন শুরু করেন এবং ব্যাংকিংয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত ও বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

জনাব মোঃ আরিফুল বারী অর্থনীতিতে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও দেশ-বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সেমিনারে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি পেশাগত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করেছেন।


এশিয়ান ডিস্ট্রিবিউশন থেকে ওমোডা জাইকু গাড়ির সার্ভিসিংয়ে বিশেষ সুবিধা পাবেন প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর গ্রাহকরা এখন এশিয়ান ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড থেকে ওমোডা জাইকু (Omoda Jaecoo) ব্র্যান্ডের গাড়ির সার্ভিসিংয়ে বিশেষ সুবিধা ও আকর্ষণীয় অফার উপভোগ করতে পারবেন। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি ঢাকায় ব্যাংকের কর্পোরেট অফিসে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. এবং বাংলাদেশে ওমোডা জাইকু ব্র্যান্ডের গাড়ির অনুমোদিত পরিবেশক এশিয়ান ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

চুক্তিতে প্রাইম ব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ব্যাংকের হেড অব কনজ্যুমার অ্যাসেটস অ্যান্ড কার্ডস জোয়ার্দার তানভীর ফয়সাল এবং এশিয়ান ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সাদিকুল মোস্তাক।

এই অংশীদারিত্বের আওতায় প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা এশিয়ান ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের মাধ্যমে ওমোডা জাইকু গাড়ির সার্ভিসিংয়ে এক্সক্লুসিভ সুবিধা ও বিশেষ অফার উপভোগ করবেন। এর মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য আরও উন্নত সেবা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি কৌশলগত সহযোগিতার মাধ্যমে অতিরিক্ত মূল্য সংযোজন হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট, সিকিউরড কনজ্যুমার ফাইন্যান্সিং অ্যান্ড এমবেডেড পেমেন্টস তাকিয়ান চৌধুরী; এশিয়ান ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের সিনিয়র ম্যানেজার ও হেড অব করপোরেট সেলস মাহবুব আলম এবং ডেপুটি ম্যানেজার (মার্কেটিং) মো. জাফরুল খান। এছাড়াও প্রাইম ব্যাংক ও এশিয়ান ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


দীর্ঘস্থায়ী ৭,৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি নিয়ে শাওমি উন্মোচন করল নতুন রেডমি ১৭

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড ও বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান হ্যান্ডসেট ব্র্যান্ড শাওমি বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নতুন স্মার্টফোন রেডমি ১৭ উন্মোচন করেছে। ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনীয় মুহূর্তে নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে ডিভাইসটি তৈরি করা হয়েছে। ডিভাইসে ৭,৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি এবং কর্নিং গরিলা গ্লাস ৭আই ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাটারির স্থায়িত্ব ও ডিভাইসের টেকসই সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। এছাড়াও, স্মার্টফোনে প্রিমিয়াম লুক দেওয়ার জন্য ডায়নামিক আরজিবি লাইট ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে রেডমি ১৭-এ ৭,৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল এবং এই সেগমেন্টের শক্তিশালী ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের নির্বিঘ্নে ভিডিও স্ট্রিমিং, অনলাইন ক্লাস ও গেমিংয়ের সুবিধা নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে, ডিভাইসটি একবার পূর্ণ চার্জে ব্যবহারকারীদের দুই দিনেরও বেশি সময় পর্যন্ত সংযুক্ত রাখতে সক্ষম হবে। এছাড়াও, স্মার্টফোনটিতে ৪৫ ওয়াট টার্বো চার্জিং সুবিধা রয়েছে, যা ৪৫ মিনিটে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ সম্পন্ন করে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি ঘন ঘন চার্জ দেওয়ার দুশ্চিন্তা থেকেও মুক্ত থাকতে পারবেন।

রেডমি ১৭-এ ৬.৯ ইঞ্চির ডিসপ্লের পাশাপাশি ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট ব্যবহার করা হয়েছে, যা স্ক্রলিং, ব্রাউজিং ও বিনোদনের ক্ষেত্রে অনবদ্য ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। প্রতিদিনের অনাকাঙ্ক্ষিত স্ক্র্যাচ ও আঘাত থেকে ফোনকে সুরক্ষিত রাখতে এর ডিসপ্লেতে শক্তিশালী কর্নিং গরিলা গ্লাস ৭আই ব্যবহার করা হয়েছে।

স্মার্টফোনটিতে শক্তিশালী মিডিয়াটেক হেলিও জি৯১-আলট্রা প্রসেসর এবং শাওমি হাইপারওএস ৩ ব্যবহার করা হয়েছে, যা প্রতিদিনের ব্যবহার, বিনোদন ও মাল্টিটাস্কিংয়ে চার বছর পর্যন্ত স্মুথ ও নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি, রেডমি ১৭-এ ৫০ মেগাপিক্সেলের এআই ডুয়েল ক্যামেরা সিস্টেম রয়েছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা প্রতিদিনের অর্থবহ মুহূর্তগুলো ধারণ করতে পারবেন। এছাড়াও, ডিভাইসটিকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলতে এতে আইপি৬৪ ডাস্ট অ্যান্ড স্প্ল্যাশ রেজিস্ট্যান্স রেটিং ব্যবহার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “বর্তমান প্রজন্মের ব্যবহারকারীদের জন্য একটি শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য স্মার্টফোন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে রেডমি ১৭ তৈরি করা হয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি লাইফ, কর্নিং গরিলা গ্লাস প্রোটেকশন, ফাস্ট চার্জিং, টেকসই ফিচার, নির্ভরযোগ্য ও শক্তিশালী পারফরম্যান্স এবং প্রিমিয়াম ডিজাইনের সমন্বয়ে এই ডিভাইস তৈরি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এখনকার দ্রুততম লাইফস্টাইলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারবেন এবং একই সঙ্গে কোনো ধরনের ছাড় না দিয়েই প্রতিদিনের কাজ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সম্পন্ন করতে পারবেন।”

ওক গ্রিন, ডিপ ব্লু ও ব্ল্যাক—এই তিনটি অনন্য রঙে পাওয়া যাচ্ছে রেডমি ১৭। ডিভাইসটি ৪ জিবি + ১২৮ জিবি এবং ৬ জিবি + ১২৮ জিবি—এই দুটি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে। এর দাম যথাক্রমে ২২,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য) এবং ২৪,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য)।

অনবদ্য ব্যাটারি সক্ষমতা, ফাস্ট চার্জিং, নির্ভরযোগ্য স্থায়িত্ব ও প্রতিদিনের স্মুথ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে তৈরি রেডমি ১৭ এখন দেশজুড়ে সব শাওমি অথোরাইজড স্টোর ও রিটেইল পার্টনারদের কাছে পাওয়া যাচ্ছে।

আরও বিস্তারিত জানতে https://www.mi.com/bd/ ভিজিট করুন অথবা শাওমি বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/XiaomiBangladesh ফলো করুন।


অনলাইনে আর্থিক অপরাধ দমনে বিকাশের বিশেষ সচেতনতামূলক সেমিনার

ছবি: বিকাশের সৌজন্যে
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশ সম্প্রতি অনলাইনে অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন প্রতিরোধে তাদের কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দুই দিনব্যাপী একটি বিশেষ সেমিনার সম্পন্ন করেছে। ‘ম্যানেজিং এমএল ও টিএফ রিস্কস্‌ ইনভল্ভিং অনলাইন কানেক্টিভিটি’ শীর্ষক এই অর্ধবার্ষিক সেমিনারের মূল লক্ষ্য ছিল ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে সংঘটিত সম্ভাব্য আর্থিক ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত নজরদারি আরও জোরালো করা। এই আয়োজনে ২০২৬ সালের জুয়া প্রতিরোধ আইনের আলোকে অনলাইন বেটিং, অবৈধ ভার্চুয়াল অ্যাসেট লেনদেন এবং সাইবার অপরাধের মাধ্যমে অর্থ পাচার রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হয়। এছাড়াও গ্রাহকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উন্নত সার্ভিস মডেল অনুসরণ এবং সময়মতো নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে রিপোর্ট করার ওপর বিশেষ তাগিদ দেওয়া হয়।

বিকাশ কর্তৃপক্ষ তাদের সকল ব্যবসায়িক কার্যক্রমে দেশের প্রচলিত আইন ও কমপ্লায়েন্স মেনে চলার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। এই সেমিনারে বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর, চিফ এক্সটার্নাল অ্যান্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার ও প্রধান অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার মেজর জেনারেল শেখ মো. মনিরুল ইসলাম (অব.), চিফ কাস্টমার সার্ভিস অফিসার নিশাত রহমান এবং চিফ লিগ্যাল অফিসার মাজেদুল ইসলামসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এতে রাজধানীসহ সারা দেশের আঞ্চলিক পর্যায়ের এএমএল-সিএফটি বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী বিকাশ নিয়মিতভাবে তাদের মাঠ পর্যায়ের এজেন্ট, মার্চেন্ট ও ডিস্ট্রিবিউটরদের জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

উল্লেখ্য যে, বিকাশ তাদের অত্যাধুনিক কমপ্লায়েন্স প্রযুক্তি ‘এএমএল ৩৬০ ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সল্যুশন’ এবং স্ক্রিনিং ইনটেলিজেন্স সিস্টেম (এসআইএস) ব্যবহারের মাধ্যমে যেকোনো সন্দেহজনক বা নিয়মবহির্ভূত লেনদেন অতি দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে। অনলাইন কানেক্টিভিটি কেন্দ্রিক ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় কর্মকর্তাদের দক্ষ করে তোলাই ছিল এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতে গ্রাহকদের নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে এ ধরনের শিক্ষামূলক ও প্রতিরোধমূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।


মাইকেল জ্যাকসনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি- সংগীত ও ফ্যাশনের অনন্য মেলবন্ধনে টুয়েলভ ক্লদিং

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

একটি সফল কনসার্ট কেবল ভালো গান পরিবেশনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং মঞ্চসজ্জা, আলো, শিল্পীর উপস্থিতি, দর্শকের অংশগ্রহণ এবং পোশাক, সবকিছুর সমন্বয়ে তৈরি হয় একটি পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা। রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ট্রিবিউট টু অরিজিনাল এমজে অ্যান্ড ওয়ারফেজ বাই টুয়েলভ কনসার্ট সেটিরই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এই বিশেষ আয়োজনে কিংবদন্তি পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসনের সংগীত ও মঞ্চসত্ত্বাকে জানানো হয় ব্যতিক্রমী শ্রদ্ধাঞ্জলি। দেশের জনপ্রিয় রক ব্যান্ড ওয়ারফেজের পরিবেশনা, চমৎকার মঞ্চ পরিকল্পনা এবং টুয়েলভ ক্লদিংয়ের নান্দনিক ফ্যাশন সহযোগিতা মিলিয়ে কনসার্টটি হয়ে ওঠে দর্শকদের জন্য স্মরণীয় এক সন্ধ্যা।

বিশ্বসংগীতের ইতিহাসে মাইকেল জ্যাকসন এমন এক শিল্পী, যিনি গান, নৃত্য ও মঞ্চনির্মাণের ধারণাকেই বদলে দিয়েছেন। তাঁর পরিবেশনার প্রতিটি উপাদান আলো, পোশাক, কোরিওগ্রাফি কিংবা দর্শকের সঙ্গে মনের গভীরে জায়গা করে নেয় নিজস্ব অনন্যতায়। সেই ঐতিহ্যকে ধারণ করেই আয়োজিত হয় এই থিমভিত্তিক কনসার্ট, যেখানে তাঁর কালজয়ী গানগুলো নতুনভাবে পরিবেশন করে দেশের বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা ব্যান্ড ওয়ারফেজ।

বাংলাদেশের রক সংগীতের অন্যতম জনপ্রিয় এই ব্যান্ড মাইকেল জ্যাকসনের জনপ্রিয় গানগুলোকে নিজেদের স্বতন্ত্র রক ধাঁচে পরিবেশন করে দর্শকদের উচ্ছ্বসিত করে তোলে। একই সঙ্গে নিজেদের জনপ্রিয় গানও পরিবেশন করে তারা। দুই ভিন্ন সংগীতধারার এই সৃজনশীল সংমিশ্রণ কনসার্টে নতুন মাত্রা যোগ করে। আলো, শব্দ, ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট এবং নৃত্যের সমন্বয়ে প্রতিটি পরিবেশনা যেন হয়ে ওঠে একেকটি জীবন্ত সংগীতকাব্য।

তবে কনসার্টটির বিশেষত্ব কেবল সংগীতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। এর অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিল্পীদের পোশাক, যার দায়িত্বে ছিল ওয়ারড্রব পার্টনার টুয়েলভ ক্লদিং। যেখানে তারা আশি ও নব্বইয়ের দশকের বিভিন্ন ঐতিহাসিক মঞ্চ পরিবেশনা নিয়ে গবেষণা করে শিল্পীদের জন্য বিশেষ পোশাক তৈরি করে। তাঁর বিখ্যাত সামরিক ধাঁচের জ্যাকেট, ঝলমলে অলংকরণ, শক্তিশালী সিলুয়েট এবং মঞ্চ-উপযোগী নকশাকে আধুনিক রুচির সঙ্গে মিলিয়ে তৈরি করা এসব পোশাক পুরো কনসার্টের ভিজ্যুয়াল আবেদনকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

শিল্পীদের পোশাক কেবল নান্দনিকতাই বাড়ায়নি; বরং পুরো কনসার্টের থিমকে দৃশ্যমানভাবে তুলে ধরেছে। দর্শকদের কাছে মনে হয়েছে, সংগীতের পাশাপাশি পোশাকও যেন মাইকেল জ্যাকসনের শিল্পজীবনের এক নীরব ভাষ্য হয়ে উঠেছে। এ ধরনের পরিকল্পিত কস্টিউম ডিজাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশের কনসার্ট আয়োজনেও নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে টুয়েলভ ক্লদিং।

দর্শকদের সম্পৃক্ত করতে টুয়েলভ ক্লদিং আয়োজন করে একটি আকর্ষণীয় ফটো বুথ অ্যাকটিভেশন। সেখানে মাইকেল জ্যাকসনের জনপ্রিয় গানের সঙ্গে নাচে অংশ নেওয়া দর্শকদের জন্য ছিল বিশেষ স্মারক টি-শার্ট। ছোট-বড় সব বয়সের দর্শক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন এই আয়োজনে। কেউ উপস্থাপন করেন মাইকেল জ্যাকসনের বিখ্যাত মুনওয়াক, আবার কেউ তাঁর অন্যান্য স্বাক্ষর রাখা সেই দৃষ্টি নন্দন নৃত্যভঙ্গি। দর্শকদের এই প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ কনসার্টকে শুধু দেখার নয়, বরং উপভোগ ও অংশগ্রহণের একটি উৎসবে পরিণত করে।

এর পাশাপাশি কনসার্টে উপস্থিত দর্শকদের জন্য টুয়েলভের পক্ষ থেকে ১৫ শতাংশ মূল্যছাড়ের ভাউচার বিতরণ করা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশের যেকোনো টুয়েলভের আউটলেটে এই ভাউচার ব্যবহার করা যাবে। এমন উদ্যোগ দর্শকদের জন্য বাড়তি আনন্দের পাশাপাশি ব্র্যান্ড ও ভোক্তার মধ্যে একটি ইতিবাচক সংযোগও তৈরি করেছে।

বর্তমান সময়ে বিশ্বের বড় বড় কনসার্টে থিমভিত্তিক উপস্থাপনা, নির্দিষ্ট ফ্যাশন ভাবনা এবং দর্শকদের সক্রিয় অংশগ্রহণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ট্রিবিউট টু অরিজিনাল এমজে অ্যান্ড ওয়ারফেজ বাই টুয়েলভ সেই বৈশ্বিক ধারা অনুসরণ করে বাংলাদেশের কনসার্ট সংস্কৃতিতে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এখানে সংগীত, ফ্যাশন, প্রযুক্তি এবং বিনোদন একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠেছে।

বিশেষ করে টুয়েলভ ক্লদিংয়ের অংশগ্রহণ তুলে ধরেছে, একটি ফ্যাশন ব্র্যান্ড কেবল পোশাক সরবরাহকারী নয়; বরং একটি কনসার্টের নান্দনিক পরিচয় নির্মাণেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতে পারে। গবেষণাভিত্তিক কস্টিউম ডিজাইন, দর্শক সম্পৃক্ততা এবং সৃজনশীল ব্র্যান্ড উপস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি এই আয়োজনের ভিজ্যুয়াল পরিচয়কে আরও শক্তিশালী করেছে দেশের অন্যতম সেরা ফ্যাশন ব্র‌্যান্ড টুয়েলভ ক্লদিং।

সব মিলিয়ে ট্রিবিউট টু অরিজিনাল এমজে অ্যান্ড ওয়ারফেজ বাই টুয়েলভ ছিল সংগীত, নৃত্য, মঞ্চনির্মাণ এবং ফ্যাশনের এক সফল সম্মিলন। মাইকেল জ্যাকসনের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি এই আয়োজন প্রমাণ করেছে, পরিকল্পিত থিম, সৃজনশীল উপস্থাপনা এবং দর্শকের সক্রিয় অংশগ্রহণ একটি কনসার্টকে কেবল বিনোদনের সীমায় আটকে রাখে না; বরং সেটিকে একটি স্মরণীয় সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতায় রূপ দেয়। বাংলাদেশের লাইভ বিনোদন অঙ্গনে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় আয়োজনের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।


কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি. -এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগ দিলেন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি. -এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে যোগ দিয়েছেন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন। সোমবার (০৩ আগস্ট, ২০২৬) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে কমিউনিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, নির্বাহী, উচ্চপদস্থ কমকর্তারাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা জনাব ইমতিয়াজ উদ্দিনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা দেন।

২৫ বছরেরও বেশি সময়ের বর্ণাঢ্য ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন রিটেইল ব্যাংকিং, এসএমই ও অ্যাগ্রিকালচার ব্যাংকিং, করপোরেট ব্যাংকিং, ট্রানজেকশন ব্যাংকিং এবং ব্রাঞ্চ ব্যাংকিংয়ে দক্ষ নেতৃত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। কৌশলগত ব্যবসায়িক নেতৃত্ব, ব্যালান্স শিট শক্তিশালীকরণ, টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, গ্রাহক সম্পর্ক উন্নয়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সাংগঠনিক রূপান্তরে তাঁর উল্লেখযোগ্য সাফল্য রয়েছে।

কমিউনিটি ব্যাংকে যোগদানের আগে তিনি পদ্মা ব্যাংক পিএলসি. -এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৩ সালের ৩ মার্চ তিনি প্রতিষ্ঠানটিতে যোগদান করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি ব্যাংকের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিতকরণ, গ্রাহক সম্পর্ক সুদৃঢ়করণ, ব্যবসায়িক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই প্রবৃদ্ধিমুখী কৌশলগত উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে তিনি একই প্রতিষ্ঠানে চিফ রিকভারি অফিসার (সিআরও) এবং চিফ অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার (ক্যামেলকো) -এর অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন। এ সময়ে তিনি ঋণ পুনরুদ্ধার কার্যক্রম, রেগুলেটরি সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রতিপালন এবং সুশাসন নিশ্চিতকরণে কার্যকর নেতৃত্ব প্রদান করেন।

এর আগে তিনি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি. -এর হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং, হেড অব এসএমই ও অ্যাগ্রিকালচার ব্যাংকিং এবং হেড অব করপোরেট ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশ, এইচএসবিসি বাংলাদেশ, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি. (ইবিএল) এবং ঢাকা ব্যাংক পিএলসি.-সহ দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকগুলোতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বমূলক ও ব্যবস্থাপনাগত পদে দায়িত্ব পালন করেন। এসব প্রতিষ্ঠানে তিনি ব্যবসায় উন্নয়ন, গ্রাহক সম্পর্ক ব্যবস্থাপনা, ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, রিটেইল ও করপোরেট ব্যাংকিং, এসএমই ও অ্যাগ্রিকালচার ব্যাংকিং এবং শাখা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে বিএসএস (অনার্স) ও এমএসএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে মার্কেটিং বিষয়ে এমবিএ সম্পন্ন করেন।

ব্যাংকিং খাতে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি দেশের ব্যাংকারদের পেশাগত উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেড -এর প্রতিষ্ঠাতা সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং পরবর্তীতে সংগঠনটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি দেশে ও বিদেশে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ প্রোগ্রাম, পেশাগত উন্নয়ন কোর্স, কর্মশালা এবং আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ব্যাংকিং, নেতৃত্ব, সুশাসন ও কৌশলগত ব্যবস্থাপনায় নিজের জ্ঞান ও দক্ষতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন।

নবনিযুক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালককে স্বাগত জানিয়ে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি. -এর পরিচালনা পর্ষদ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, তাঁর অভিজ্ঞ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে ব্যাংকটি একটি আধুনিক, গ্রাহককেন্দ্রিক ও প্রযুক্তিনির্ভর ক্যাশলেস আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের অভিযাত্রাকে আরও বেগবান করবে। একই সঙ্গে টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি, সুশাসন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার, ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার সম্প্রসারণ এবং গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার ও অন্যান্য অংশীজনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টিতে কমিউনিটি ব্যাংক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।


নিজস্ব বাড়ির স্বপ্ন পূরণে আইপিডিসি ও দ্য স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড-এর যৌথ উদ্যোগ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের অন্যতম শীর্ষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি এবং অন্যতম সেরা রিয়েল এস্টেট ও নির্মাণ প্রতিষ্ঠান দ্য স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড (এসইএল) সম্ভাব্য আবাসন ক্রেতাদের জন্য গৃহঋণ সুবিধা আরও সহজলভ্য ও আকর্ষণীয় করতে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আবাসন ও অর্থায়ন সেবাকে একই প্ল্যাটফর্মে এনে গ্রাহকদের জন্য একটি সমন্বিত সমাধান নিশ্চিত করা হবে।

আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি-এর পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির হেড অব রিটেইল বিজনেস মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এবং দ্য স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের হেড অব মর্টগেজ (রিটেইল বিজনেস) মেহেদী মাহমুদ খান এবং হেড অব হোম লোন সেলস (মেট্রো) মো. ইমরান হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এসইএলের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডিশনাল ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আব্দুর রহমান। এছাড়া উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

এই অংশীদারিত্বের আওতায় দ্য স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের নির্বাচিত আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রকল্পের ক্রেতারা বিশেষ বুকিং অফার, সম্পত্তির মূল্যে বিশেষ সুবিধা, প্রতিযোগিতামূলক সুদের হারে গৃহঋণ এবং ঋণ প্রসেসিং ফিতে বিশেষ ছাড়সহ বিভিন্ন সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি গ্রাহকদের জন্য আরও সহজ ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করতে দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে ডিজিটাল প্রচারণা ও বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

এই উদ্যোগের ফলে সম্পত্তি নির্বাচন থেকে শুরু করে গৃহঋণের অর্থায়ন পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি আরও সহজ, দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত হবে। একই সঙ্গে গ্রাহকরা একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবাসন এবং অর্থায়ন-সংক্রান্ত সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি-এর হেড অব রিটেইল বিজনেস মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, “গ্রাহকদের জন্য গৃহঋণকে আরও সহজলভ্য ও সুবিধাজনক করা আইপিডিসির অন্যতম অঙ্গীকার। দ্য স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বিশ্বস্ত আর্থিক সেবা ও মানসম্পন্ন আবাসনকে একত্রিত করে আমরা গ্রাহকদের জন্য আরও সহজ, নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর গৃহঋণ সেবা নিশ্চিত করতে চাই।”

দ্য স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল বলেন, “আইপিডিসি ফাইন্যান্সের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে মানসম্মত আবাসন আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। আমাদের আবাসন উন্নয়নের অভিজ্ঞতা এবং আইপিডিসির অর্থায়ন সক্ষমতার সমন্বয়ে গ্রাহকরা আরও সহজ, সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্যভাবে নিজস্ব বাড়ি কেনার সুযোগ পাবেন। আমরা বিশ্বাস করি, এই সহযোগিতা দেশের আবাসন খাতের টেকসই বিকাশেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”

এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি উদ্ভাবনী আর্থিক সমাধান এবং কৌশলগত সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের আবাসন খাতের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি ব্যক্তি ও পরিবারের নিজস্ব বাড়ির স্বপ্ন বাস্তবায়নে আরও কার্যকর অবদান রাখতে কাজ করে যাবে।


ঈদুল আজহার ক্যাম্পেইনে সেরা ২৫৩ রাইডারকে ই-বাইকসহ নানা পুরস্কার দিল ফুডপ্যান্ডা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ঈদুল আজহার ক্যাম্পেইনে সেরা পারফরম্যান্সের জন্য ২৫৩ জন রাইডারকে পুরস্কৃত করেছে শীর্ষস্থানীয় অনলাইন খাবার ও গ্রোসারি ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম ফুডপ্যান্ডা। পুরস্কার হিসেবে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ই-বাইক, স্মার্টওয়াচ, ব্যাকপ্যাক, বাইসাইকেল ট্র্যাকার এবং পাওয়ার ব্যাংক।

ই-বাইক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান 'ডংজিন'-এর সহায়তায় সেরা তিন রাইডারকে ই-বাইক দেওয়া হয়। এ ছাড়া আরও ৫০ জন করে মোট ২০০ জন রাইডারকে দেওয়া হয় স্মার্টওয়াচ, ব্যাকপ্যাক, পাওয়ার ব্যাংক ও বাইসাইকেল ট্র্যাকিং ডিভাইস।

সম্প্রতি ফুডপ্যান্ডা বাংলাদেশের হেডকোয়ার্টারে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে এসব পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ই-বাইক বিজয়ী রাইডার আবু জাফর বলেন, “পরিশ্রমের পর এমন অসাধারণ স্বীকৃতি পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এই ই-বাইকটি পাওয়ার ফলে এখন থেকে আরও সহজে ও দ্রুত সময়ে গ্রাহকদের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে পারব।”

এ সময় ফুডপ্যান্ডা বাংলাদেশের লজিস্টিকস প্রধান মুকিতুর রহমান বলেন, “ঈদুল আজহার সময় গ্রাহকদের সেবা দেওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং। এই ব্যস্ত সময়ে আমাদের রাইডারদের পরিশ্রম আমরা আন্তরিকভাবে মূল্যায়ন করি। তাদের এই নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি দিতেই আমাদের এ উদ্যোগ। বিজয়ী সবাইকে অভিনন্দন এবং তাদের নিরবচ্ছিন্ন সেবার জন্য ধন্যবাদ।”

রাইডারদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ফুডপ্যান্ডার এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।


শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কক্সবাজার রেলস্টেশনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন দেশের পরিবেশ ও জলবায়ু সুরক্ষায় করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিবছর ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার মাধ্যমে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ০১ আগস্ট ২০২৬ইং তারিখে কক্সবাজারের রেল স্টেশন প্রাঙ্গণে এক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন এবং রেল স্টেশন প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ এবং ঔষধি বৃক্ষের চারা রোপন করেন। পরবর্তীতে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো: আব্দুল্লাহ আল-মামুন, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব রাশেদ সরওয়ার, জনাব এম. এম. সাইফুল ইসলাম ও জনাব মো: জাফর ছাদেক, এফসিএ উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা সবুজ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালনা করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে বক্তব্য রাখেন। বৃক্ষ পরিবেশকে সুন্দর করার পাশাপাশি ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে গড়ে উঠে। তাই ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও নিরাপদ ভবিষ্যত গড়ে তোলার জন্য সবাইকে অধিক পরিমাণে বৃক্ষরোপণ করার জন্য আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর পাহাড়তলী শাখার ব্যবস্থাপক জনাব মোহাম্মদ এসকান্দার আলম, কক্সবাজার শাখার ব্যবস্থাপক জনাব মো: জানে আলম, চকরিয়া শাখার ব্যবস্থাপক জনাব মো: মিজানুল করিম, মদুনাঘাট শাখার ব্যবস্থাপক জনাব মোহাম্মদ ফয়সাল এবং কক্সবাজার রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার জনাব মেহেদি হাসান উপস্থিত ছিলেন।


প্রাইম ব্যাংক গ্রাহকদের চেরি ব্র্র্যান্ডের গাড়ি সার্ভিসিংয়ে বিশেষ সুবিধা দেবে এশিয়ান মোটরস্পেক্স

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর গ্রাহকরা চেরি ব্র্যান্ডের গাড়ি সার্ভিসিংয়ে বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। সম্প্রতি ঢাকায় ব্যাংকের কর্পোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি ও চেরি ব্র্যান্ড গাড়ির অনুমোদিত পরিবেশক এশিয়ান মোটরস্পেক্স লিমিটেড-এর মধ্যে এ সম্পর্কিত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তিতে প্রাইম ব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ব্যাংকের হেড অব কনজ্যুমার অ্যাসেটস অ্যান্ড কার্ডস জোয়ার্দ্দার তানভীর ফয়সাল এবং এশিয়ান মোটরস্পেক্স লিমিটেডের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মোহাম্মদ জাহেদ হোসেন।

এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা এশিয়ান মোটরস্পেক্স লিমিটেডের কাছ থেকে চেরি ব্র্যান্ডের গাড়ির সার্ভিসিংয়ে বিশেষ সুবিধা ও আকর্ষণীয় অফার উপভোগ করবেন। এর ফলে গ্রাহকদের জন্য আরও উন্নত সেবা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে অতিরিক্ত মূল্য সংযোজন হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট, সিকিউরড কনজ্যুমার ফাইন্যান্সিং অ্যান্ড এমবেডেড পেমেন্টস তাকিয়ান চৌধুরী; এশিয়ান মোটরস্পেক্স লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার ও হেড অব সেলস আবু নাসের মোহাম্মদ এবং ডেপুটি ম্যানেজার, মার্কেটিং মো. জাফরুল খান। এছাড়াও প্রাইম ব্যাংক ও এশিয়ান মোটরস্পেক্স লিমিটেড- এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


এনআরবিসি ব্যাংকে ‘ট্রিপল ওয়ান ক্যাম্পেইন ২০২৬’-শুরু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

গ্রাহক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, আমানত সংগ্রহ জোরদার করা এবং ক্রেডিট কার্ড ব্যবসার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কৌশলগত উদ্যোগ ‘ট্রিপল ওয়ান ক্যাম্পেইন ২০২৬’ শুরু করেছে এনআরবিসি ব্যাংক। রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ‘ওয়ান ইমপ্লয়ি, ওয়ান স্কিম, ওয়ান কার্ড- টুগেদার উই বিল্ড আওয়ার ব্যাংক’ শীর্ষক স্লোগানে মাসব্যাপী এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, এফসিএমএ।

অনুষ্ঠানে ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম খান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) মো. শাহীন হাওলাদার, ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিভাগের (সিআরএমডি) প্রধান তনুশ্রী মিত্র, প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা (সিএইচআরও) ফয়সল আহমেদসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকের সকল শাখা ও উপশাখার ব্যবস্থাপকরা অনলাইন প্লাটফর্ম জুমে অংশ নেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ড. তৌহিদুল আলম খান বলেন, ‘ট্রিপল ওয়ান ক্যাম্পেইন ২০২৬’ ব্যাংকের ব্যবসায়িক অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করার একটি কৌশলগত উদ্যোগ। এই ক্যাম্পেইন সম্মিলিত দায়িত্ববোধ, গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার মানসিকতা এবং টেকসই ব্যবসায়িক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্মিলিত প্রচেষ্টা ব্যাংকের অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করবে।

উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম খান ক্যাম্পেইনের সফল বাস্তবায়নে কার্যকর পরিচালন শৃঙ্খলা, সমন্বিত পরিকল্পনা একং কর্মকর্তাদের উৎসাহ ও সম্পৃক্ততার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে ডিএমডি ও সিবিও মো. শাহীন হাওলাদার ক্যাম্পেইনের কৌশলগত উদ্দেশ্য, বাস্তবায়নের পরিকল্পনা এবং কর্মদক্ষতা মূল্যায়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ ব্যাংকের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার করবে। গ্রাহককেন্দ্রিক সেবা, উদ্ভাবনী কার্যক্রম ও টেকসই প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে এনআরবিসি ব্যাংকের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

এই ক্যাম্পেইন ১ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। এই উদ্যোগ ব্যাংকের আমানতের পরিমান এবং ক্রেডিট কার্ডের সংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি এনআরবিসি ব্যাংককে একটি টেকসই গতিশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবে।


বিক্রয় ও মুনাফায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিতে কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করলো ওয়ালটন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

গত বছর প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় ও মুনাফার ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে কঠোর শ্রম, প্রতিষ্ঠানে কাজের প্রতি আত্মনিবেদন এবং কর্মনৈপুণ্যের স্বীকৃতিস্বপরূপ ২৪ জন কর্মকর্তা এবং দুইটি সেলস উইংকে ‘পিন্যাকল অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ শীর্ষক সম্মাননা প্রদান করেছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। এমডি’স অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সট্রাঅর্ডিনারি বিজনেস ইমপ্যাক্ট, সিবিও’স এক্সট্রাঅর্ডিনারি কন্ট্রিবিউশন, পিপল অ্যান্ড কালচারাল এক্সিলেন্স, সেলস এক্সিলেন্স এবং স্পেশাল কন্ট্রিবিউশন এই পাঁচ বিভাগে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়।

শনিবার (১ জুলাই, ২০২৬) গাজীপুরের সারাহ রিসোর্টে ‘দ্য লরিয়েট সোয়ারি’ শিরোনামে দিনব্যাপী আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ওই সেরা কর্মকর্তাদের বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট, সম্মাননা ও চেক তুলে দেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) এস এম মাহবুবুল আলম। এসময় অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেকের ডিরেক্টর জাকিয়া সুলতানা শিখা, এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি ও নিশাত তাসনিম শুচি।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার এমডি মোহাম্মদ রায়হানসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ।

অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে ওয়ালটন হাই-টেকের এমডি এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, ওয়ালটন পরিবারের সদস্যদের আনন্দময় জীবন আমাদের কাম্য। কোম্পানিতে তাদের কাজে ডেডিকেশনের জন্যে ওয়ালটন এগিয়ে যাচ্ছে উন্নতির শিখরে। তাদের কাজের স্বীকৃতি দিতেই আজকের এই পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন। ওয়ালটন পরিবারের সদস্যদের স্বীকৃতি প্রদানের এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে তিনি আগামি দিনের কর্মপরিকল্পনা ও অগ্রগতির রূপরেখা নিয়ে ওয়ালটন সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন।

অনুষ্ঠানে এমডি’স অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সট্রাঅর্ডিনারি বিজনেস ইমপ্যাক্ট ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টও (এএমডি) ও চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মো. জিয়াউল আলম, এফসিএ, এসিএ (আইসিএইডব্লিউ), এএমডি ইউসুফ আলী ও লিয়াকত আলী, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মফিজুর রহমান, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, শাহজালাল হোসেন লিমন, তানভীর আঞ্জুম ও জোহেব আহমেদ এবং ডেপুটি অপারেটিভ ডিরেক্টর তানজিমুল হক তম্ময়।

সিবিও’স এক্সট্রাঅর্ডিনারি কন্ট্রিবিউশন ক্যাটাগরিতে ওয়ালটন ফ্রিজের সিবিও মো. তাহসিনুল হক, হোম অ্যাপ্লায়েন্সের সিবিও মো. আব্দুল্লাহ-আল-জুনায়েদ এবং ক্যাবলসের সিবিও রাজু আহমদকে পুরস্কৃত করা হয়।

পিপল অ্যান্ড কালচারাল এক্সিলেন্স ক্যাটাগরিতে ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্স এবং করপোরেটের এইচআর বিভাগের প্রধান মো. কাওসার উদ্দিন চৌধূরী ও প্রদীপ প্রামাণিককে, স্পেশাল কন্ট্রিবিউশন ক্যাটাগরিতে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. জাহিদুল ইসলাম, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. নাজমুল ইসলাম, সিনিয়র অ্যাডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. রবিউল ইসলাম মিলটন, অ্যাডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও সিনিয়র অ্যাডিশনাল অপারেটিভ ডিরেক্টর মো. মোস্তাফিজুর রহমান রাজুকে পুরস্কৃত করা হয়।

এছাড়াও সেলস এক্সিলেন্স ক্যাটাগরিতে ডেপুটি অপারেটিভ ডিরেক্টর মো. শাহরিয়ার হোসেন, সিনিয়র অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর মো. আবু সুফিয়ান, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রিন্সিপাল অফিসার মো. নাজমুল সানা, সিনিয়র অফিসার সৌভিক অধিকারী, অফিসার মো. হেলাল সরদারসহ ওয়ালটন প্লাজা এবং করপোরেট সেলস ডেভলপমেন্ট উইংকে পুরস্কৃত করা হয়।

সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান।


মো. জাকির আনাম এনসিসি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

মো. জাকির আনাম এনসিসি ব্যাংক পিএলসি-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে পদোন্নতি লাভ করেছেন। পদোন্নতির আগে তিনি উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে করপোরেট ব্যাংকিং, ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ফাইন্যান্স, রেমিট্যান্সসহ প্রধান কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালের অক্টোবরে এনসিসি ব্যাংকে যোগদানের পর তিনি এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে বনানী শাখার ব্যবস্থাপক এবং পরবর্তীতে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে গুলশান শাখার ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব সফলতার সঙ্গে পালনের পাশাপাশি ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ও পরিচালনাগত উৎকর্ষ সাধনে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।

মো. জাকির আনাম ১৯৯৫ সালে প্রাইম ব্যাংকে যোগদানের মাধ্যমে তাঁর ব্যাংকিং ক্যারিয়ার শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি এক্সিম ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক এবং মিডল্যান্ড ব্যাংকের বিভিন্ন করপোরেট শাখায় শাখা ব্যবস্থাপক হিসেবে সুনামের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। বৈদেশিক বাণিজ্য, ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং শাখা ব্যাংকিং খাতে তাঁর ৩১ বছরেরও বেশি সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে।

ব্যাংকিং পেশায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি চেয়ারম্যানস্ বেস্ট ম্যানেজার অ্যাওয়ার্ড, অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাওয়ার্ডসহ দুইবার স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন। এছাড়া কর্মদক্ষতা ও নেতৃত্বের জন্য তিনি বিভিন্ন সময়ে অসংখ্য সম্মাননা ও পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।


banner close