শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের এক জায়গায় সব ব্যাংকিং সেবা দিতে ‘প্রাইমএকাডেমিয়া’ নামে একটি নতুন সেবা চালু করেছে প্রাইম ব্যাংক। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নানামুখী আর্থিক প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখেই ‘প্রাইমএকাডেমিয়া’ সেবাটি চালু করা হয়েছে। এ সেবার আওতায় রয়েছে যথাক্রমে: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য টিউশন ফি কালেকশন, স্টাফদের জন্য পেরোল ব্যাংকিং সেবা, বিশেষ সুবিধাসহ শিক্ষার্থীদের সেভিংস অ্যাকাউন্টস সেবা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য আকর্ষণীয় মুনাফা আয়ের সুবিধাসহ প্রতিষ্ঠানিক অ্যাকাউন্ট সেবা, শিক্ষকদের ইন্স্যুরেন্স সুবিধাসহ টিচার্স সেভিংস অ্যাকউন্ট সেবা, সন্তানের শিক্ষা নিশ্চিতে আর্থিক সুরক্ষার জন্য অভিভাবকদের জন্য ঋণ সুবিধা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও প্রসারে আর্থিক সহায়তা করতে প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ-বিনিয়োগ সুবিধা এবং বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে শিক্ষার্থীদের জন্য স্টুডেন্ট ফাইল সেবা। সম্প্রতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সিলেটের স্বনামধন্য ব্লু বার্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রাইমএকাডেমিয়ার প্রথম গ্রাহক হিসাবে প্রাইম ব্যাংকের এ সেবা চালু করা হয়। অনুষ্ঠানে ব্লুবার্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হুসনে আরা এবং প্রাইম ব্যাংক পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর নাজিম এ. চৌধুরী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিনামা হস্তান্তর করেন।
অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংক পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর নাজিম এ চৌধুরী বলেন, ‘দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এ ধরনের একটি ব্যতিক্রমী অর্থিক সেবা চালু করতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। আমরা আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ তরুণদের উন্নয়নের সর্বাধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও পরিষেবাসহ উন্নত শিক্ষা প্রদানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সক্ষম করে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
ব্লুবার্ড হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হুসনে আরা বলেন, ‘শিক্ষা খাতের উন্নয়নে এ ধরনের একটি সেবা নিয়ে এগিয়ে আসার জন্য আমরা প্রাইম ব্যাংক পিএলসির কাছে কৃতজ্ঞ। সন্তানদের শিক্ষা-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সব প্রয়োজন মেটাতে এই সেবা আমাদের শিক্ষক এবং অভিভাকদের জন্য সত্যিই সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।’
প্রাইমএকাডেমিয়া বিভিন্ন সুবিধা ও আর্থিক সক্ষমতা সরবরাহ করে এই খাতের আর্থিক চিত্র পরিবর্তন করতে প্রস্তুত। তারা সব স্কুলসহ বাংলাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এই সেবার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করেছে, যা দেশব্যাপী সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতির অংশ। বিজ্ঞপ্তি
মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি. (এমডিবি) তার সকল বিদ্যমান গ্রাহকের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ‘এমডিবি ডিজিটাল ন্যানো লোন’ সেবা চালু করেছে। এই উদ্যোগটি বাংলাদেশ ব্যাংকের বিআরপিডি সার্কুলার নং–১১, তারিখ ০২ জুন ২০২২–এর নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি জোরদারকরণ এবং করপোরেট ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ঋণ ঝুঁকি বৈচিত্র্যকরণের লক্ষ্যে এন্ড-টু-এন্ড ডিজিটাল ঋণ কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে ব্যাংকের এমডি ও সিইও মো. আহসান-উজ জামান আনুষ্ঠানিকভাবে “এমডিবি ডিজিটাল ন্যানো লোন” চালু করেন। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ডিএমডি ও সিআরও মো. জাহিদ হোসেন, ডিএমডি ও সিটিও মো. নাজমুল হুদা সরকার, সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকের ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের প্রধান ওমর শরীফ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, যারা এই প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন।
এমডিবি ডিজিটাল ন্যানো লোন একটি সম্পূর্ণ অ্যাপভিত্তিক ডিজিটাল ঋণসেবা, যার মাধ্যমে উপযুক্ত গ্রাহকরা অনলাইনে আবেদন, অনুমোদন এবং ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন। এই সেবার আওতায় ১,০০০ টাকা থেকে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ প্রদান করা হবে, যার মেয়াদ সর্বোচ্চ ৬ মাস। যেসব গ্রাহকের মিডল্যান্ড ব্যাংকে রক্ষিত হিসাবে মাসিক ন্যূনতম ১৫,০০০ টাকা গড় স্থিতি রয়েছে, তারা এ ঋণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী আবেদনসমূহ দ্রুততম সময়ে প্রক্রিয়াকরণ করা হবে এবং অনুমোদিত ঋণের অর্থ সরাসরি গ্রাহকের মিডল্যান্ড ব্যাংক হিসাবে জমা করা হবে।
গ্রাহকদের স্মার্টফোনের মাধ্যমে “midland online” অ্যাপ ডাউনলোড ও নিবন্ধন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোডের মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি. প্রযুক্তিনির্ভর, নিরাপদ ও সহজলভ্য আর্থিক সেবা সম্প্রসারণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে এবং দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সারাদেশের গ্রাহকদের কাছে উন্নতমানের সরঞ্জাম বা টুলস পণ্য সহজে পৌঁছে দিতে বিশেষ এক ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বে আবদ্ধ হয়েছে এসিআই স্মার্ট টুলস ও জনপ্রিয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান পিকাবু। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে আরও সহজতর করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজধানীর এসিআই সেন্টারে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই সংক্রান্ত একটি কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এ সি আই মটরস্ লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার আবদুল্লাহ আল ইমরান এবং পিকাবু ডট কম-এর অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মিনহাজ উদ্দিনসহ দুই প্রতিষ্ঠানের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রতিনিধিগণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করা এবং গ্রাহকসেবা সম্প্রসারণের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
এসিআই মটরস লিমিটেডের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে এসিআই স্মার্ট টুলস বর্তমানে তিন শতাধিক স্মার্ট পণ্য নিয়ে বাজারে সক্রিয় রয়েছে। এদের পণ্যের তালিকায় রয়েছে পাওয়ার টুলস, হ্যান্ড টুলস, এয়ার কম্প্রেসর, ওয়েট স্কেল ও বিভিন্ন আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম। পণ্যের দীর্ঘস্থায়িত্ব, উন্নত ডিজাইন এবং নির্ভরযোগ্য বিক্রয়োত্তর সেবার কারণে পেশাদার টেকনিশিয়ান ও সাধারণ ব্যবহারকারী— উভয়ের কাছেই ব্র্যান্ডটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
এই নতুন সমন্বয়ের ফলে এখন থেকে ক্রেতারা ঘরে বসেই পিকাবুর ওয়েবসাইট বা অ্যাপের মাধ্যমে এসিআই স্মার্ট টুলসের পণ্যগুলো ক্রয় করতে পারবেন। এতে দ্রুত ডেলিভারি ও আধুনিক অনলাইন শপিংয়ের যাবতীয় সুবিধা নিশ্চিত হবে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই পদক্ষেপটি ডিজিটাল কমার্স খাতে এসিআই স্মার্ট টুলসের সক্ষমতা ও পরিচিতি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। আগ্রহীরা অনলাইনে সরাসরি (https://www.pickaboo.com/shop/aci-smart-tools) ভিজিট করে পছন্দের পণ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।
পবিত্র রমজান মাসে ঘরে ফেরার পথে থাকা রোজাদারদের প্রতি সহমর্মিতা জানাতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে দেশের অন্যতম শীর্ষ ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক। এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, মাসের প্রথম দিন থেকেই দেশব্যাপী এই ইফতার বিতরণ কর্মসূচি শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি, যা পুরো রমজান মাস জুড়ে অব্যাহত থাকবে।
ইফতারের মুহূর্তে যারা রাস্তায় কিংবা যাতায়াতের মধ্যে থাকেন, তাদের সুবিধার্থে দেশের ১২০টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিশেষ কিয়স্ক স্থাপন করা হয়েছে। বিশেষ করে বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন, লঞ্চঘাট ও বিমানবন্দরের প্রবেশপথগুলোতে স্থাপিত এসব কিয়স্ক থেকে পথচারী ও যাত্রীদের হাতে ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। রাজধানী ঢাকার মহাখালী, সায়েদাবাদ ও কমলাপুর রেলস্টেশনের মতো ব্যস্ত এলাকা ছাড়াও চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। যানজট কিংবা কাজের চাপে ইফতারের সময় অনেককেই রাস্তায় অবস্থান করতে হয়; মূলত রোজাদারদের এই সীমাবদ্ধতার কথা বিবেচনা করেই বাংলালিংক সময়মতো তাদের হাতে ইফতার পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, “রমজান আমাদের সমাজে সহমর্মিতা, উদারতা ও পারস্পরিক দায়িত্ববোধকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। শহুরে ব্যস্ততা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দীর্ঘ হচ্ছে যাতায়াতের সময়; ফলে ইফতারের সময় ঘরের বাইরে থাকা মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে। ‘পিপল ফার্স্ট’ অপারেটর হিসেবে আমরা মানুষের এই দৈনন্দিন বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিই। চলার পথে থাকা রোজাদারদের হাতে ইফতারসামগ্রী তুলে দেওয়ার এই উদ্যোগ সেই অঙ্গীকারেরই অংশ। আপাতদৃষ্টিতে ছোট মনে হলেও এটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ একটি প্রচেষ্টা। কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানুষের জীবনের বাস্তব মুহূর্তগুলোতে আন্তরিকতা, সম্মান ও সহমর্মিতা নিয়ে তাদের পাশে থাকাই আমাদের লক্ষ্য।”
উল্লেখ্য, ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ক্ষমতায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বাংলালিংক। গ্রাহকদের জন্য তাদের পোর্টফোলিওতে রয়েছে সুপার অ্যাপ ‘মাইবিএল’, বিনোদন প্ল্যাটফর্ম ‘টফি’ এবং এআই-নির্ভর প্যাকেজ ‘রাইজ’। নাসডাক তালিকাভুক্ত বৈশ্বিক ডিজিটাল অপারেটর ভিওন লিমিটেডের এই সহযোগী প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ডিজিটাল সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ায় অঙ্গীকারবদ্ধ।
বাংলাদেশের ফ্যাশন শিল্পের চিত্রপটে কিছু নাম আছে, সেগুলো কেবল একটি ব্র্যান্ড নয়, সময়ের সাথে গড়ে ওঠা এক জীবনযাপন, এক রুচি, এক আত্মপরিচয়ের আরেক নাম। সাম্প্রতিক সময়ে সেই নামগুলোর অগ্রভাগে অনিবার্যভাবে উচ্চারিত হয় টুয়েলভ ক্লোথিং-এর নাম। শহরের ব্যস্ত মোড়ে, আলোকোজ্জ্বল শোরুম কিংবা উৎসবের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের রঙিন পাতায় টুয়েলভ যেন আজকের তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে পরিবারের প্রতিটি সদস্যের হৃদস্পন্দনের সাথে যুক্ত এক অবিচ্ছেদ্য উপস্থিতির পরিচায়ক। এবারের ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তাদের নতুন কালেকশন সেই উপস্থিতিকে আরও গভীর, আরও নান্দনিক মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে।
ঈদ মানেই তো ফিরে যাওয়া নিজের কাছে, প্রিয়জনের কাছে, শৈশবের কাছে। দীর্ঘ এক মাসের সংযমের পর যখন রমজানের বিদায়ের আকাশে উঁকি দেয় পবিত্র শাওয়ালের চাঁদ, তখন বাঙালির প্রতিটি ঘরে ঘরে ওঠে সাজ সাজ রব। নতুন পোশাকের গন্ধে ভরে ওঠে আলমারি। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করার এক নীরব উল্লাস। টুয়েলভ-এর এবারের ঈদ কালেকশন সেই আবিষ্কারের গল্পই বলে। তার নাম দেওয়া হয়েছে ‘থ্রেডস অব সেলিব্রেশন’। আত্মবিশ্বাসী, স্বতন্ত্র এবং আধুনিক এক বাঙালির ফ্যাশন রুচিতে যা রচনা করে ভিন্ন এক গল্প।
এই কালেকশনের মূল ভাবনা ঘুরে ফিরে এসেছে ঐতিহ্য ও সমসাময়িকতার মেলবন্ধনকে কেন্দ্র করে। পুরনো দিনের কারুকাজ, নকশা আর রঙের আবহকে আধুনিক কাট, সিলুয়েট ও টেক্সচারের সাথে এমনভাবে যুক্ত করা হয়েছে, যেন প্রতিটি পোশাক নিজেই হয়ে উঠেছে একেকটি জীবন্ত ক্যানভাস। এখানে উৎসব মানে কেবল চাকচিক্য নয়, আছে এক গভীর শিকড়ের টান, আছে বাঙালিয়ানার স্বতন্ত্র সুর।
নারীদের জন্য এবারের আয়োজন বিশেষভাবে সমৃদ্ধ। সিল্ক, মসলিন, লিনেন, কটন কিংবা ভিসকোস, বিভিন্ন ধরনের কাপড়ে ফুটে উঠেছে সূক্ষ্ম কারুকাজ। কোথাও মৃদু প্যাস্টেল, কোথাও উজ্জ্বল কোরাল বা এমরাল্ড রঙের ব্যবহারে আছে ঋতুর উচ্ছ্বাস, আবার আছে সংযমের সৌন্দর্য। লম্বা কুর্তা, ফ্লোরি গাউন, সোজা কাটের থ্রি-পিস কিংবা এমব্রয়ডারির মৃদু ছোঁয়া, সব মিলিয়ে এমন এক বৈচিত্র্য, যেখানে প্রতিটি নারী নিজের মনের সাথে মিলে যায় এমন একটি রূপ খুঁজে নিতে পারেন।
এবারের কালেকশনে বিশেষভাবে লক্ষণীয় সূচিশিল্পের ব্যবহার। সূক্ষ্ম থ্রেডওয়ার্ক, জরি, সিকুইন কিংবা টোন-অন-টোন এমব্রয়ডারি, সবই করা হয়েছে পরিমিতির বোধ নিয়ে। অতিরিক্ত অলংকরণ নয় বরং পরিশীলিত আভিজাত্যই এখানে মুখ্য। পোশাক যেন পরিধানকারীকে ছাপিয়ে না যায়, বরং তার ব্যক্তিত্বকে আলোকিত করে তোলে— এই দর্শন যেন স্পষ্ট প্রতিটি নকশায়।
পুরুষদের ঈদ আয়োজনেও টুয়েলভ রেখেছে বিশেষ মনোযোগ। পাঞ্জাবি বরাবরই ঈদের অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ। কিন্তু সেই পাঞ্জাবিকে কীভাবে প্রতিবার নতুন করে উপস্থাপন করা যায়, সেটিই যেন টুয়েলভ-এর ডিজাইনারদের সৃজনশীল চ্যালেঞ্জ। এবারের কালেকশনে দেখা যায় ক্লাসিক সাদা, অফ-হোয়াইট কিংবা প্যাস্টেল শেডের পাশাপাশি গাঢ় নীল, মেরুন ও অলিভ রঙের ব্যবহার। সোজা কাট, মিনিমাল কলার ডিটেইলস, মৃদু এমব্রয়ডারি কিংবা টেক্সচার্ড ফ্যাব্রিক, সব মিলিয়ে এমন এক আভিজাত্য, যা একই সাথে ঐতিহ্যমণ্ডিত ও আধুনিক।
কিশোর ও তরুণদের জন্যও রয়েছে আলাদা ভাবনা। ট্রেন্ডি কাট, টেইলরিং-এর সুযোগ, আরামদায়ক ফ্যাব্রিক তৈরি করেছে এমন পোশাকী আমেজ, যা ঈদের নামাজ থেকে শুরু করে বিকেলের আড্ডা কিংবা রাতে দাওয়াত, সব জায়গাতেই মানানসই। এই প্রজন্ম ফ্যাশনে চায় নিজস্বতা, চায় স্বাচ্ছন্দ্য। টুয়েলভ সেই চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে এমন ডিজাইন উপস্থাপন করেছে, যা আত্মপ্রকাশের ভাষা হয়ে উঠতে পারে।
শিশুদের পোশাকে আছে আলাদা মাধুর্য। ছোট্ট পাঞ্জাবি, ফ্রক বা সেট, সবকিছুতেই রঙের উচ্ছ্বাস, নরম কাপড়ের ব্যবহার এবং আরামের প্রতি যত্ন। ঈদের সকালে যখন পরিবারের সবাই একসাথে ছবি তোলে, তখন এই ছোটদের পোশাকই যেন ছবির প্রাণ হয়ে ওঠে।
টুয়েলভ-এর এবারের কালেকশন কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্যের কথা বলে না, এটি বলে অভিজ্ঞতার কথা। শোরুমে প্রবেশের মুহূর্ত থেকে শুরু করে পোশাক বেছে নেওয়া, ট্রায়াল রুমের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের প্রতিচ্ছবির সাথে কথা বলা, সবকিছু মিলিয়ে এক সম্পূর্ণ উৎসব-অভিজ্ঞতা। ব্র্যান্ডটি জানে, আজকের ভোক্তা কেবল একটি পোশাক কেনেন না, তিনি কিনে নেন একটি অনুভূতি, একটি মুহূর্ত, একটি স্মৃতি।
ঈদ মানেই তো পরিবার। মা, বাবা, ভাইবোন, সবার জন্য একসাথে পোশাক কেনার আনন্দ। টুয়েলভ-এর কালেকশনে সেই পারিবারিক বন্ধনের ছাপ স্পষ্ট। নারী, পুরুষ ও শিশু সবাইকে মাথায় রেখে পরিকল্পিত এই আয়োজন যেন একটি পরিবারের সামগ্রিক গল্প বলে। একই রঙের ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইন, কিংবা একটি থিমকে কেন্দ্র করে সাজানো নানা ভ্যারিয়েশন, সবই উৎসবের দিনে মিলেমিশে এক হয়ে যাওয়ার অনুভূতিকে জাগিয়ে তোলে।
ফ্যাশনের ভাষা বদলেছে। গ্লোবাল ট্রেন্ড, ডিজিটাল প্রভাব, সোশ্যাল মিডিয়ার দ্রুত পরিবর্তনশীল রুচি— সবকিছুর মধ্যেও টুয়েলভ নিজের স্বকীয়তা ধরে রেখেছে। তারা জানে, আন্তর্জাতিক প্রভাব গ্রহণ করা যায়, কিন্তু শিকড় ভুলে গেলে চলে না। তাই তাদের কালেকশনে যেমন আছে আধুনিক সিলুয়েট, তেমনি আছে দেশীয় নকশার অনুপ্রেরণা। এই সমন্বয়ই তাদের আলাদা করে।
ঈদের পোশাক অনেক সময়ই হয়ে ওঠে বছরের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত কেনাকাটা। সেই প্রতীক্ষার মর্যাদা রাখতে টুয়েলভ গুরুত্ব দিয়েছে কাপড়ের গুণগত মান, ফিনিশিং এবং পরার আরামের ওপর। গরমের এই সময়ে হালকা ও স্বস্তিদায়ক ফ্যাব্রিক ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে দিনের ব্যস্ততা কিংবা ভ্রমণেও স্বস্তি বজায় থাকে। ফ্যাশন যেন কখনোই অস্বস্তির কারণ না হয়, এই বার্তাই যেন লুকিয়ে আছে প্রতিটি সেলাইয়ে।
এই কালেকশন যেন রঙের এক কবিতা। কোথাও সূর্যাস্তের কোমল কমলা, কোথাও ভোরের আকাশী, কোথাও সবুজের প্রশান্তি। প্রতিটি রঙ যেন একেকটি অনুভূতি, আনন্দ, কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসার মিলন। ঈদের সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নানা মুহূর্তে এই রঙগুলোই হয়ে উঠবে স্মৃতির পটভূমি।
ফ্যাশন আবহে বলতে গেলে টুয়েলভ এবারের ঈদে কেবল একটি কালেকশন উপস্থাপন করেনি, তারা নির্মাণ করেছে এক আবহ। যেখানে ঐতিহ্য আধুনিকতার সাথে হাত মিলিয়েছে, যেখানে আভিজাত্য ও সরলতা পাশাপাশি হেঁটেছে, যেখানে ব্যক্তিত্ব ও পারিবারিক বন্ধন এক সুতোয় গাঁথা হয়েছে।
ঈদুল ফিতর আমাদের মনে করিয়ে দেয় কৃতজ্ঞতার কথা, সংযমের কথা, ভাগ করে নেওয়ার আনন্দের কথা। সেই আনন্দের বহিঃপ্রকাশ যদি হয় একটি সুন্দর, আরামদায়ক, রুচিশীল পোশাকের মাধ্যমে, তবে তার গুরুত্বও কম নয়। টুয়েলভ-এর এবারের আয়োজন সেই আনন্দকে আরও পরিপূর্ণ করে তুলতে চায়।
পোশাক কেবল কাপড় নয়, এটি আত্মপ্রকাশের এক ভাষা। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে যখন কেউ নিজের চোখে নিজের প্রতিফলন দেখে মৃদু হাসেন, তখন সেই হাসির অংশ হয়ে যায় পোশাকটিও। টুয়েলভ-এর ঈদ কালেকশন সেই হাসিরই অংশ হতে চায় উজ্জ্বল আলোকে, আত্মবিশ্বাসী রূপে এবং স্মরণীয় সুষমায়।
এই ঈদে, নতুন চাঁদের আলোয়, যখন শহর জেগে উঠবে উৎসবের রঙে, তখন টুয়েলভ-এর নকশাগুলোও হয়তো ছড়িয়ে পড়বে ঘরে ঘরে। প্রাঞ্জল শান্ত সাদা, মিলনের উষ্ণ রঙ, আর ভালোবাসার অনন্ত আভায় টুয়েলভ প্রকাশ করেছে তাদের এবারের ঈদ ফ্যাশন। ফ্যাশনের ভাষায় এটিই তো ঈদের সবচেয়ে সুন্দর সংজ্ঞা।
বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড কনকা ইলেকট্রনিক্স ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স পণ্যের উৎপাদনকারী ও বিপণনকারী ইলেক্ট্রো মার্ট গ্রুপ খুচরা ও পাইকারি ক্রেতাদের জন্য ঈদ-উল-আযহা পর্যন্ত এক বিশেষ প্রমোশনাল কার্যক্রম শুরু করেছে।
এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, খুচরা ক্রেতারা কনকা ও হাইকো ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, এলইডি টিভি, মাইক্রোওয়েভ ওভেন ও ওয়াশিং মেশিন ক্রয় করলে একটি স্ক্র্যাচকার্ড পাবেন, যা ঘষা দিলেই স্বর্ণালঙ্কার অথবা নগদ টাকাসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতার সুযোগ পাবেন।
সম্মেলনের শুরুতে ইলেক্ট্রো মার্ট লিমিটেড গ্রুপের ডিএমডি মো. নূরুল আফসার আগত পার্টনার ও অতিথিবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বসেরা ব্র্যান্ড কনকা ইলেকট্রনিক্স ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স সামগ্রী দেশের গ্রাহকদের আস্থা ও নির্ভরযোগ্যতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি ঘরে ঘরে এখন কনকা’র ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী সহজলভ্য। যার সকল কৃতিত্ব আমাদের পার্টনার, শুভানুধ্যায়ী, ক্রেতা, ভোক্তা এবং তাঁদের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও আস্থার। কনকা ও হাইকো ব্র্যান্ডের ইলেকট্রনিক্স ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স পণ্যের বিশেষ বৈশিষ্ট্য, গুণগতমান, গ্রহণযোগ্যতা, বিক্রয়োত্তর সেবা এবং সাশ্রয়ী মূল্যের কারণে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী গ্রাহকদের প্রথম পছন্দ। তিনি আরো জানান, শীঘ্রই বাজারে সংযোজন হতে যাচ্ছে আরও নিত্যনতুন মডেলের কনকা ও হাইকো রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজার।
সম্মেলনে বিশ্বের সর্বাধিক অধিক দেশে সমাদৃত কনকা’র পণ্য নিয়ে বিশেষ আলোচনা হয়। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড কনকা রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজার, সিলিং ফ্যান এখন সম্পূর্ণ বাংলাদেশেই তৈরি হচ্ছে। কনকা ইলেকট্রনিক্স-এর প্রতিটি পণ্য দেশীয়, পরিবেশবান্ধব, সহজে ব্যবহারযোগ্য, সুলভ মূল্যের এবং গ্রাহকদের চাহিদা ও মননশীলতার সাথে মানানসই করে ডিজাইন করা এবং বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি। কনকা রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজার পণ্যে ব্যবহৃত সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও বিশেষ ফিচার একে বাজারের অন্যান্য ফ্রিজ থেকে আলাদা করেছে, এনে দিয়েছে বিশেষ সুনাম। উল্লেখযোগ্য ফিচারগুলো হচ্ছে— ব্লু-জোন এন্ড ভিটামিন ফ্রেশ টেকনোলজি, ফেস-আপ ফোমিং টেকনোলজি, অ্যাক্টিভ কার্বন ডিওডোরাইজার, হিউমিডিটি কন্ট্রোলার, অ্যান্টিফাঙ্গাল ডোর গ্যাসকেট, ডিজিটাল ডিসপ্লে ইনভার্টার টেকনোলজি এবং কনকা ডিপ ফ্রিজার অটো টেকনোলজি।
যেমন কনকা’র অ্যাক্টিভেটেড কার্বন ডিওডোরাইজার মূলত যে কাজটি করে তা হচ্ছে ব্যাকটেরিয়াকে ৯৯.৯% পর্যন্ত ডিঅ্যাক্টিভ করে খাবারের গুণগত মান ঠিক রাখে। ফলে এক খাবারের গন্ধ আরেক খাবারে যায় না এবং খাবার ভালো থাকে দীর্ঘদিন। কনকা ফ্রিজে ওয়াইডেস্ট (Widest) ও ডিপেস্ট (Deepest) ডিজাইন থাকার কারণে ফ্রিজের ভেতরের জায়গা নিয়ে চিন্তা করার সুযোগ নেই। মাছ, মাংস, সবজি, ফল যা-ই কিনুন না কেন, সব বাজার একসাথে ফ্রিজে রাখা সম্ভব। কনকা ফ্রিজে আমেরিকান এফডিএ (FDA) কর্তৃক সার্টিফাইডকৃত ১০০% ফুড গ্রেডেড উপাদান ব্যবহার করা হয়। বাড়তি বিদ্যুৎ বিলের কথা মাথায় রেখে কনকা ফ্রিজে ইনভার্টার টেকনোলজি যুক্ত করা হয়েছে, যাতে করে ফ্রিজের দীর্ঘস্থায়িত্ব বাড়ে ও পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিলেরও সাশ্রয় করে। কনকা ফ্রিজারের ট্রিপল মোড ডিজিটাল টেম্পারেচার কন্ট্রোল একই সাথে রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজার এবং সুপারকুল সুবিধা নিশ্চিত করে।
এছাড়া কনকা’র হোম অ্যাপ্লায়েন্স পণ্য যেমন; এলইডি টিভি, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, মিক্সার গ্রাইন্ডার, ইলেকট্রিক কেটলি, গ্যাস স্টোভ, ইনফ্রারেড কুকার, প্রেসার কুকার, রাইস কুকার, ইলেকট্রিক আয়রনসহ বেশ কিছু হোম অ্যাপ্লায়েন্স পণ্যের কিছু যন্ত্রাংশ আমদানি করে উৎপাদন করা হয়।
সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন গ্রুপের ডিএমডি মোহাম্মদ নুরুন্নাসাফা বাবু, পরিচালক মোহাম্মদ সাজ্জাদ-উন-নেওয়াজ, বিক্রয় ও বিপণন জিএম মাহমুদুন নবী চৌধুরী, এনএসএম জুলহাস হোসেন সহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ।
পবিত্র রমজান উপলক্ষে গ্রাহকদের জন্য বিশেষ ‘হেলিকপ্টার অফার’ চালু করেছে দেশের অন্যতম মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘নগদ’। কেনাকাটার পর নির্দিষ্ট মার্চেন্টে পেমেন্ট করলেই মিলছে হেলিকপ্টার ভ্রমণের সুযোগ এবং আকর্ষণীয় ক্যাশব্যাক সুবিধা।
এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিতে গ্রাহকদের জুতা, পোশাক, অনলাইন শপিং, ইলেকট্রনিক্স, সুপারস্টোর ও রেস্টুরেন্টসহ নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির মার্চেন্টে নগদ অ্যাপ বা ইউএসএসডি কোড (*১৬৭#) ব্যবহার করে পেমেন্ট করতে হবে। মার্চেন্ট ক্যাটাগরি অনুযায়ী সর্বোচ্চ পেমেন্টের ভিত্তিতে পয়েন্ট তালিকা থেকে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে। পুরো ক্যাম্পেইন চলাকালে একজন গ্রাহক একবারই এই অফারের জন্য যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।
মূল পুরস্কারের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন মার্চেন্ট পেমেন্টে দুই হাজার টাকারও বেশি ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন। জুতার অংশীদার ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে এপেক্স, বাটা, বে এম্পোরিয়াম ও ওরিয়ন। পোশাকের ক্ষেত্রে রয়েছে ইনফিনিটি মেগা মল, লুবনান, রিচম্যান, রাইজ, জেন্টল পার্ক, টুয়েলভ ক্লোথিং, আর্টিসান আউটফিটার্স, সারা লাইফস্টাইল, র নেশন, মেনস ওয়ার্ল্ড, বি-টু, স্বদেশ পল্লী, তাহুর ও অঞ্জন’স। অনলাইন মার্চেন্ট হিসেবে দারাজ, ফুডি, অথবা ডটকমসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান যুক্ত রয়েছে। ১৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এ ক্যাম্পেইন পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত চলবে।
নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার মো. ইমরান হায়দার বলেন, হেলিকপ্টার ভ্রমণ অনেকের কাছেই বিশেষ অভিজ্ঞতা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য আনন্দের একটি অনন্য সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি দুই হাজার টাকার বেশি ক্যাশব্যাক সুবিধাও থাকছে।
অফারে অংশ নিতে গ্রাহকের নগদ অ্যাকাউন্ট সচল ও পূর্ণাঙ্গ প্রোফাইলভুক্ত হতে হবে। বিজয়ীদের নগদের অফিসিয়াল কাস্টমার সার্ভিস নম্বর ১৬১৬৭ বা ০৯৬০৯৬১৬১৬৭ থেকে জানানো হবে। প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের পিন বা ওটিপি কারও সঙ্গে শেয়ার না করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।
বিশ্বখ্যাত ইউরোমানি ট্রেড ফাইন্যান্স জরিপে বাংলাদেশে টানা অষ্টমবারের মতো শীর্ষ ট্রেড ফাইন্যান্স ব্যাংক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে দি হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন লিমিটেড এইচএসবিসি বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ব্যাংকটি বিশ্বব্যাপী টানা নবম বছর এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে সপ্তমবারের মতো প্রথম স্থান ধরে রেখেছে।
এই স্বীকৃতি গ্রাহকসেবা, পণ্য বৈচিত্র্য ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় ধারাবাহিক অগ্রগতির ফল বলে জানিয়েছে ব্যাংকটি।
ইউরোমানি পরিচালিত এ জরিপ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অর্থায়নে ব্যাংকগুলোর সক্ষমতার ভিত্তিতে তৈরি বিশ্বের অন্যতম নির্ভরযোগ্য র্যাংকিং হিসেবে বিবেচিত। জরিপে ৯৬টি দেশের ১২ হাজার ৭০০ ট্রেড ফাইন্যান্স বিশেষজ্ঞ ও করপোরেট ট্রেজারারের মতামত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
২০২৬ সালের ফলাফলে এইচএসবিসি ১৮টি অপারেটিং মার্কেটের মধ্যে ১৬টিতে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। এর মাধ্যমে ব্যাংকটি বৈশ্বিক বাণিজ্য অর্থায়নে একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে। শক্তিশালী আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, গভীর অভিজ্ঞতা এবং উদ্ভাবনী সমাধানের মাধ্যমে জটিল বাণিজ্যিক কার্যক্রমে সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি এ সাফল্যের ভিত্তি বলে জানানো হয়েছে।
এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহবুব উর রহমান বলেন, বাংলাদেশে অষ্টমবার এবং বিশ্বব্যাপী নবমবারের মতো শীর্ষ ট্রেড ফাইন্যান্স ব্যাংক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া গর্বের বিষয়। গ্রাহকদের বাণিজ্যের গুরুত্ব ও জটিলতা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি হওয়ায় এই অর্জন আরও তাৎপর্যপূর্ণ। এটি গ্রাহকদের আস্থা ও কর্মীদের নিষ্ঠার প্রতিফলন।
ব্যাংকের গ্লোবাল ট্রেড সলিউশনস প্রধান আহমদ রাবিউল হাসান বলেন, এই স্বীকৃতি সহকর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের ফল। গ্রাহকদের অব্যাহত আস্থা ও অংশীদারত্বই এ সাফল্যের মূল ভিত্তি। তিনি জানান, বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বাংলাদেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করতে উদ্ভাবনী ব্যাংকিং সমাধানে বিনিয়োগ অব্যাহত থাকবে।
এইচএসবিসি জানিয়েছে, তাদের বৈশ্বিক উপস্থিতি, উন্নত ডিজিটাল সক্ষমতা ও গ্রাহককেন্দ্রিক সেবাই আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নির্ধারণে ভূমিকা রাখছে। এ অর্জন নিরাপদ ও সহজ ব্যাংকিং সেবা প্রদানের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
রমজানের মাত্র তৃতীয় দিন। এর মধ্যেই সাদিয়া বুঝতে পারলেন, পবিত্র এই মাসে ঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের চাহিদা কতটা দ্রুত বেড়ে যায়।
রমজানের ঠিক আগে কেনা সয়াবিন তেল অর্ধেক হয়ে এসেছে, ডিশওয়াশিং লিকুইড শেষ হওয়ার পথে। ইফতারের জন্য মেহমান আসার কারণে ঘরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, লন্ড্রি আর রান্নাবান্নার চাপ বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। ফলস্বরূপ, দরকার হচ্ছে বারবার বাজার করার। ঢাকার অধিকাংশ কর্মজীবী দম্পতির মতো সাদিয়া ও তার স্বামীরও দিনের বড় একটা সময় অফিসে কাটে। বড় কোনো কেনাকাটার জন্য তারা সাধারণত ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোর বড় ক্যাম্পেইন বা বিশেষ ছাড়ের দিনের অপেক্ষায় থাকেন। ইলেকট্রনিক্স, ঘর সাজানোর সরঞ্জাম কিংবা নতুন পোশাকের ক্ষেত্রে এই পরিকল্পনা কাজ করলেও সাদিয়ার উপলব্ধি হলো- নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের প্রয়োজন কোনো বিশেষ ক্যালেন্ডার মেনে আসে না।
সাদিয়া বলেন, “বিলাসবহুল কেনাকাটার জন্য আমরা বড় ছাড়ের দিনের অপেক্ষা করতে পারি। কিন্তু তেল বা ডিটারজেন্ট সপ্তাহের মাঝপথে শেষ হয়ে গেলে তা তো আর ফেলে রাখা যায় না।”
ঠিক এই জায়গাতেই ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলো তাদের কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশে অনলাইন কেনাকাটা মানেই ছিল বড় কোনো উৎসব বা বিশেষ দিনের ‘মেগা ক্যাম্পেইন’, যেখানে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিশাল ছাড় দেওয়া হতো। এখনো বড় কেনাকাটার জন্য এই ধরনের ক্যাম্পেইনগুলো অত্যন্ত কার্যকর।
তবে ঘরের দৈনন্দিন খরচের হিসাবটা ভিন্ন। গ্রোসারি, ব্যক্তিগত পরিচর্যা কিংবা ঘর পরিষ্কার করার পণ্যগুলো সারা বছর নিয়মিত কিনতে হয়। মাস শেষে যোগ করলে দেখা যায়, এই ছোট ছোট কেনাকাটার মোট খরচ মাঝেসাঝে কেনা বড় কোনো গ্যাজেটের চেয়েও অনেক বেশি। এই চাহিদাকে মাথায় রেখে দারাজ তাদের ‘চয়েস’ চ্যানেলকে নতুনভাবে সাজিয়েছে ‘এভরিডে লো প্রাইস’ (ইডিএলপি) মডেলে। এখানে ছাড়ের জন্য কোনো নির্দিষ্ট দিন বা ফ্ল্যাশ সেলের অপেক্ষা করতে হয় না। বরং সারা মাস এবং সারা বছর জুড়েই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলোর দাম একটি সাশ্রয়ী ও স্থিতিশীল পর্যায়ে রাখা হয়।
এই পদ্ধতি মেগা ক্যাম্পেইনের আকর্ষণকে কমিয়ে দেয় না, বরং তাকে পূর্ণতা দেয়। বড় ক্যাম্পেইনগুলো যখন বড় কেনাকাটার সুযোগ করে দিচ্ছে, তখন ‘এভরিডে লো প্রাইস’ মডেল নিশ্চিত করছে যেন সাধারণ মানুষ তাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় জিনিসের জন্য কোনো বিশেষ অফারের অপেক্ষায় না থাকে।
সাদিয়ার মতো ক্রেতাদের জন্য এই দ্বিস্তরবিশিষ্ট কেনাকাটার কৌশল বেশ সুবিধাজনক। এতে ক্যাম্পেইনগুলো হয়ে ওঠে বড় আপগ্রেডের সুযোগ, আর দৈনন্দিন বাজার হয়ে ওঠে নিরবচ্ছিন্ন। কোনো কাউন্টডাউন টাইমার কিংবা হুট করে দাম বাড়া-কমার চিন্তা ছাড়াই এখন ঘরের বাজার করা সম্ভব।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে যেকোনো পরিবারের জন্য বাজেটের নিশ্চয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যখন প্রতিদিন পণ্যের দাম উঠানামা করে, তখন মাসের হিসাব মেলানো কঠিন হয়ে পড়ে। সেখানে স্থিতিশীল দাম ক্রেতাকে দেয় মানসিক প্রশান্তি ও খরচের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ।
দারাজের এই মডেলে ক্রেতাদের জন্য রাখা হয়েছে বাড়তি কিছু সুবিধাও। যেমন- একসাথে ৩টি পণ্য কিনলে থাকছে ফ্রি ডেলিভারি। আবার ৫টি বা তার বেশি পণ্য কিনলে পাওয়া যাচ্ছে বিশেষ উপহার সাথে ফ্রি ডেলিভারি। এছাড়া নির্দিষ্ট অংকের কেনাকাটা করলে রয়েছে অতিরিক্ত ভাউচার ব্যবহারের সুযোগ। এর ফলে ক্রেতারা বিচ্ছিন্নভাবে অল্প অল্প কেনাকাটা না করে একসাথে পুরো সপ্তাহের বাজার করতে উৎসাহিত হচ্ছেন, যা একদিকে ডেলিভারি খরচ কমায়, অন্যদিকে সাশ্রয়ও বাড়ায়।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো দ্রুত ডেলিভারির নিশ্চয়তা। এই মডেলের অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি পণ্য সরাসরি দারাজের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো হয়। ফলে ডেলিভারি হয় দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে পণ্য হাতে পাওয়াটা দামের মতোই গুরুত্বপূর্ণ।
আসলে রমজান এই চাহিদাকে আরও স্পষ্ট করে তোলে। বাড়তি রান্না ও মেহমানদারির কারণে খরচের গতি বেড়ে যায়। তবে রমজান শেষ হলেও সস্তায় মানসম্মত পণ্যের প্রয়োজনীয়তা শেষ হয় না।
বাংলাদেশের ই-কমার্স বাজার যত পরিপক্ব হচ্ছে, প্ল্যাটফর্মগুলো ততই ক্রেতাদের অভ্যাসের সাথে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করছে। একদিকে রয়েছে মেগা ক্যাম্পেইনের উৎসবমুখর কেনাকাটা, অন্যদিকে ‘এভরিডে লো প্রাইস’ এর মাধ্যমে গড়ে উঠছে নিয়মিত কেনাকাটার নির্ভরতা।
সাদিয়া এখন তার ঘরের কেনাকাটার জন্য একটি সাধারণ নিয়ম ঠিক করে নিয়েছেন। তার মতে, বড় কেনাকাটার জন্য বড় ক্যাম্পেইনই সেরা, কিন্তু রান্নাঘরের বাজারের জন্য এমন এক জায়গা চাই যেখানে দামের সাথে কোনো কাউন্টডাউন টাইমার ঝুলবে না।
পবিত্র রমজান বা সারা বছরের পারিবারিক বাজেট নিয়ে যারা নতুনভাবে ভাবছেন, তাদের জন্য দারাজের এই ‘এভরিডে লো প্রাইস’ একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে। দারাজ অ্যাপের ‘চয়েস’ সেকশনে গেলেই ক্রেতারা তাদের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় পণ্যগুলো এক জায়গায় সাশ্রয়ী দামে খুঁজে পাবেন।
এখন আর পরবর্তী বড় কোনো ঘোষণা না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করার দরকার নেই। আগামী সপ্তাহের বাজারের তালিকা নিয়ে আজই দেখে নিতে পারেন প্রয়োজনীয় পণ্যগুলো। তিনটি বা তার বেশি পণ্যের বান্ডেল তৈরি করে ফ্রি ডেলিভারিসহ সাশ্রয় নিশ্চিত করা এখন স্রেফ কয়েক ক্লিকের ব্যাপার।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং রিয়া মানি ট্রান্সফারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্যাশ রেমিট্যান্স উৎসবে’ প্রথম মোটরসাইকেলটি জিতে নিয়েছেন মুন্সিগঞ্জের গ্রাহক শাবনূর খাতুন। ব্রুনাই প্রবাসী মোহাম্মদ আতিকের পাঠানো রেমিট্যান্সের বিপরীতে নিমতলা শাখার এই গ্রাহক বিশেষ এই পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
আজ রবিবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে এক ডিজিটাল র্যাফেল ড্র-এর মাধ্যমে এই বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয় বলে গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক খান। ড্র অনুষ্ঠানে আরও অংশগ্রহণ করেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মাসুদ, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নজরুল ইসলাম ও মো. মোতাহার হোসেন মোল্লা এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন। এছাড়াও রিয়া মানি ট্রান্সফার বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম তালুকদারসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে আয়োজিত এই উৎসবে রিয়া মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে ক্যাশ রেমিট্যান্স পাঠালে প্রতি ব্যাংকিং কার্যদিবসে একটি করে মোট ২০টি মোটরসাইকেল উপহার দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও রেমিট্যান্স গ্রাহকদের জন্য নিশ্চিত উপহারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ১৮ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত এই বিশেষ অফারটি চলবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
দেশে উদ্ভাবনী অর্থায়নের সুযোগ বৃদ্ধি এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে 'স্টার্টআপ ফাইন্যান্সিং ইনিশিয়েটিভ'-এর আওতায় বিশেষ অবদান রেখেছে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানিকে আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়েছে।
রোববার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য ও উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থায়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই এই সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো জাতীয় পর্যায়ে নতুন উদ্যোক্তা বিকাশ, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখা। বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমইএসপিডি বিভাগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) কিমিয়া সাআদাত সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের নিকট পে-অর্ডার হস্তান্তর করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমইএসপিডি-র পরিচালক নওশাদ মোস্তফা এই অর্থ গ্রহণ করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি ব্যাংকের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম কাদির, এসএমই বিভাগের প্রধান হোসেন-আল-সাফির চৌধুরী, কৃষি বিভাগের প্রধান শরীফ হাসান মামুনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। ব্যাংকের এই বিনিয়োগ স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গ্রাহকদের মাঝে শরিয়াহ ভিত্তিক সঞ্চয় পদ্ধতির ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হলো ঢাকা ব্যাংকের স্বল্পমেয়াদী ‘সাপ্তাহিক’ ইসলামিক ডিপিএস সেবা। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে সর্বনিম্ন ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জমা করার সুযোগ পাবেন। ৬ অথবা ১২ মাস মেয়াদী এই সঞ্চয় পদ্ধতিটি সরাসরি ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হবে।
দেশের প্রান্তিক ও স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠীর আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই সাপ্তাহিক সঞ্চয় প্রকল্প বিশেষ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে দৈনিক মজুরি ভিত্তিক পেশাজীবীরা অল্প অল্প করে অর্থ জমিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা, কৃষি বা ব্যবসার উন্নয়ন এবং শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো জরুরি প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হবেন।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালে আইডিপিসি ফাইন্যান্সের মাসিক ডিপিএস সেবার মাধ্যমে বিকাশের এই ডিজিটাল সঞ্চয় কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে ঢাকা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক এই সেবায় যুক্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে সিটি ব্যাংকের পর এবার ঢাকা ব্যাংকও তাদের ইসলামিক ডিপিএস সেবাটি বিকাশের প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এলো।
নতুন এই সঞ্চয় হিসাব খোলার প্রক্রিয়াটিও বেশ সহজ ও গ্রাহকবান্ধব। বিকাশ অ্যাপের হোম স্ক্রিন থেকে ‘সেভিংস’ আইকনে প্রবেশ করে ‘নতুন সেভিংস খুলুন’ অপশনে ট্যাপ করতে হবে। এরপর সেভিংসের ধরন হিসেবে ‘ইসলামিক সেভিংস’ নির্বাচন করে সাপ্তাহিক কিস্তি এবং ৬ বা ১২ মাসের মেয়াদ নির্ধারণ করতে হবে। কিস্তির পরিমাণ ২৫০ থেকে ৫০০০ টাকার মধ্যে পছন্দ করার পর ব্যাংকের তালিকা থেকে ঢাকা ব্যাংক নির্বাচন করে নমিনির তথ্য প্রদান করতে হবে। সবশেষে সেভিংসের নিয়ম ও শর্তাবলী গুরুত্বের সাথে পড়ে সম্মতি দিয়ে পিন নাম্বার প্রদান করে স্ক্রিনের নিচের অংশ ট্যাপ করে ধরে রাখলেই আবেদনের কাজ সম্পন্ন হবে।
সফলভাবে হিসাব খোলার পর বিকাশ ও ব্যাংক থেকে গ্রাহককে নিশ্চিতকরণ বার্তা পাঠানো হবে। বিকাশ অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স থাকা সাপেক্ষে নির্দিষ্ট তারিখে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কিস্তির টাকা কেটে নেওয়া হবে। মেয়াদের শেষে মুনাফাসহ সম্পূর্ণ টাকা গ্রাহকের বিকাশ অ্যাপেই চলে আসবে, যা কোনো বাড়তি খরচ ছাড়াই ক্যাশ আউট করা সম্ভব। এছাড়া বিশেষ প্রয়োজনে মেয়াদের আগেও ডিপিএসটি বন্ধ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিকাশের এই ডিজিটাল সঞ্চয় সেবায় নারীদের অংশগ্রহণ প্রায় ৩০ শতাংশ। এছাড়া সঞ্চয়কারীদের ৮০ শতাংশই ঢাকা ও চট্টগ্রামের মতো বড় শহরের বাইরে বসবাস করেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রায় ৫৫ শতাংশ গ্রাহক প্রচলিত ব্যাংকিং সময়ের বাইরে ডিপিএস খুলেছেন, যা এই ডিজিটাল সেবার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করে। জরীপ অনুসারে, যাদের ডিপিএস-এর মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে, তাদের মধ্যে ৯৬ শতাংশ গ্রাহক আবারও এই প্রক্রিয়ায় সঞ্চয় করতে আগ্রহ দেখিয়েছেন।
আসন্ন ঈদুল ফিতরের আনন্দ, ভালোবাসা এবং ঐতিহ্যের গল্পকে আরও রঙিন ও উৎসবমুখর করে তুলতে দেশের অন্যতম ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘ভারগো’ নিয়ে এসেছে তাদের বিশেষ ‘ঈদ কালেকশন ২০২৬’। এবারের সংগ্রহের মূল প্রতিপাদ্য হিসেবে কাজ করেছে উৎসবের প্রাণ এবং সমসাময়িক ফ্যাশনের চমৎকার মেলবন্ধন। ভারগোর প্রতিটি ডিজাইনে নান্দনিকতার পাশাপাশি প্রিমিয়াম মানের ফেব্রিক এবং আধুনিক সিলুয়েটের ব্যবহারের মাধ্যমে আরাম ও স্টাইলের এক নিখুঁত ভারসাম্য নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। ব্র্যান্ডটির মতে, ফ্যাশন মানে কেবল চলমান ট্রেন্ড অনুসরণ নয়, বরং এটি নিজের শেকড়, সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিত্ব প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম।
নারীদের জন্য ভারগোর এবারের ঈদ সম্ভারে রয়েছে আভিজাত্যের বৈচিত্র্য। জর্জেট ফেব্রিকের তৈরি নান্দনিক কারচুপি ও এমব্রয়ডারি ডিজাইনের সালোয়ার কামিজ, টু-পিস সেট এবং আধুনিক কর্ড সেট এবারের কালেকশনের অন্যতম আকর্ষণ। এছাড়া তরুণীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকা ডিজিটাল প্রিন্টেড কামিজ, ভিসকস ফেব্রিকের পোশাক, কুর্তি, টপস ও টিউনিকের বিশাল সংগ্রহ রাখা হয়েছে। ঈদ উৎসবের ভিড়ে স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা নিশ্চিত করতে ক্যাজুয়াল টপস এবং ওমেন্স রিলাক্স প্যান্টের নতুন সব ডিজাইন যুক্ত করেছে ব্র্যান্ডটি।
পুরুষদের ঈদ ফ্যাশনে ভারগো নিয়ে এসেছে আভিজাত্য ও আভিজাত্যের সংমিশ্রণ। কটন ও পরিবেশবান্ধব ব্যাম্বু ফেব্রিকের তৈরি ইউনিক এমব্রয়ডারি ডিজাইনের প্রিমিয়াম ও ক্যাজুয়াল পাঞ্জাবি, কাবলি সেট এবং রুচিশীল কোটির কালেকশন রাখা হয়েছে এই সংগ্রহে। ঈদ পরবর্তী সময়েও ব্যবহারের উপযোগী হিসেবে ১০০% কটন ফেব্রিকের তৈরি ক্যাজুয়াল ও ফরমাল শার্ট, পোলো শার্ট এবং টি-শার্টের বিশাল সম্ভার রয়েছে। আরামদায়ক মুভমেন্টের কথা মাথায় রেখে ডেনিম, চিনোস ও রিলাক্স প্যান্টের নানা রঙের অপশন এবারের ঈদ আয়োজনে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।
শিশুদের ঈদের আনন্দকে শতভাগ পূর্ণতা দিতে ভারগো সাজিয়েছে তাদের সমৃদ্ধ কিডস জোন। ছোটদের জন্য আকর্ষণীয় ডিজাইনের পাঞ্জাবি, ফ্রক, সালোয়ার কামিজ ও পাজামাসহ আরামদায়ক সব পোশাক রাখা হয়েছে। বিশেষ করে নবজাতকদের জন্য ‘স্পেশাল নিউ-বর্ন কালেকশন’ এবারের আয়োজনে নতুনত্ব নিয়ে এসেছে। ভারগোর এই বিস্তৃত ঈদ কালেকশন রাজধানী ঢাকার উত্তরা, মোহাম্মদপুর, বসুন্ধরা সিটিসহ চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও দেশের সকল প্রধান জেলা শহরের আউটলেটগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়াও যারা ঘরে বসে কেনাকাটা করতে আগ্রহী, তাদের জন্য Virgobd.com ওয়েবসাইট এবং ব্র্যান্ডটির অফিসিয়াল ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পেজের মাধ্যমে অনলাইনে অর্ডারের সুব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে গুণগত মান এবং শৈল্পিক ডিজাইনের মাধ্যমে ভারগো এবারও ঈদ ফ্যাশনে গ্রাহকদের বিশেষ পছন্দ হিসেবে নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করেছে।
দেশের শীর্ষস্থানীয় রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান উইকন প্রোপার্টিস লিমিটেড এবং প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর মধ্যে সম্প্রতি একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। গুলশানে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই চুক্তিটি সম্পন্ন হয়।
এই চুক্তির আওতায় প্রাইম ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করে উইকন প্রোপার্টিস-এর ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে হোম লোন গ্রাহকরা বিশেষ ছাড় ও নানা সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন, যা গ্রাহকদের নিজেদের স্থায়ী ঠিকানার জন্য দেশের প্রিমিয়াম রিয়েল এস্টেট প্রকল্পে বিনিয়োগের সুযোগকে আরও সহজতর করবে। অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংকের পক্ষে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন মামুর আহমেদ এবং উইকন প্রোপার্টিস-এর চিফ বিজনেস অফিসার রেজাউল হক লিমন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর ইভিপি ও হেড অব কার্ডস অ্যান্ড রিটেইল অ্যাসেটস জোয়ার্দ্দার তানভীর ফয়সাল, উইকন প্রোপার্টিস-এর গ্রুপ চিফ অফারেটিং অফিসার মেজর মো. আমিনুল হক এবং এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর দেওয়ান রাশিদুল হাসানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের লাইফস্টাইল ভিত্তিক মানসম্পন্ন সেবা ও আর্থিক সমাধান প্রদানের মাধ্যমে তাদের স্বপ্নপূরণে সহায়ক ভূমিকা পালনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।