১ জুন ছিল বিশ্ব দুগ্ধ দিবস। জাতিসংঘের অঙ্গসংগঠন খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) সর্বপ্রথম ২০০১ সালের ১ জুনকে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস হিসেবে উদ্যাপনের ঘোষণা দেন। তার পর থেকে বিশ্বের প্রায় ৪০টিরও বেশি দেশে এই দিবসটি উদ্যাপিত হয়ে আসছে। তবে ১ জুন কোনো কারণে উদ্যাপন করতে না পারলে জুনের প্রথম সপ্তাহে (১-৭) যেকোনো দিন দিবসটি উদ্যাপন করা যায়। দিবসটি উদ্যাপনের উদ্দেশ্য হলো বৈশ্বিক খাদ্য হিসেবে দুধের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করে ডেইরি শিল্পের বিকাশ ঘটানো।
দুধ প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ খাবার। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি স্তরেই রয়েছে দুধের প্রয়োজনীয়তা। খাদ্যের ছয়টি উপাদান (পানি, আমিষ, চর্বি, শর্করা, মিনারেল ও ভিটামিন) সুষমভাবে দুধে উপস্থিত থাকায় এটিকে শুধু পানীয় না বলে আদর্শ খাদ্যও বলা হয়। স্বাভাবিক গাভীর দুধে প্রায় ৮৭.৫% পানি, ৩.৫% আমিষ, ৩.৫% দুগ্ধ চর্বি, ৪.৮৫% দুগ্ধ শর্করা, ০.৬৫% খনিজ পদার্থ এবং প্রচুর পরিমাণে পানিতে এবং চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনস রয়েছে।
মানব সভ্যতার বিকাশে এবং মেধাবী জাতি গঠনে দুধ নিবিড়ভাবে জড়িত। দুধের আমিষ প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ আমিষ, এতে জীবনধারণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় সব অ্যাসাইনো অ্যাসিড সুষম আকারে বিদ্যমান। পক্ষান্তরে উদ্ভিদ আমিষে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড লাইসিন, মিথিওনিন এবং ট্রিপটোফেনের ঘাটতি থাকায় শরীরে প্রোটিন সিনথেসিস প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটে এবং শরীরের বর্ধন এবং ক্ষয়পূরণ যথাযথভাবে হয় না। প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ (২০০-২৫০ মিলি) পান করলে অন্যান্য আমিষের অ্যামাইনো অ্যাসিডের ঘাটতি পূরণ হয়ে যায়। দুধের আমিষের প্রায় ৮০% হলো কেসিন এবং বাকি ২০% হোয়ে আমিষ নামে পরিচিত। পৃথিবীর আর কোনো খাদ্যে কেসিনের উপস্থিতি নেই। এটাই দুধের শ্রেষ্ঠত্ব। শিশুদের বৃদ্ধির জন্য দুধের আমিষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে, তা ছাড়া দুধে উপস্থিত দুগ্ধ শর্করা (যা ল্যাকটোজ নামে পরিচিত) শিশুদের মস্তিষ্কের কোষ বর্ধনে সহায়তা করে। তাই যেসব শিশু বেশি বেশি দুধ পান করার সুযোগ পান তারা বেশি মেধাবী হয়ে থাকে। মনে রাখতে হবে জন্মের পর ৬-৭ বছরের ভিতর মানুষের ব্রেইনের প্রায় ৯০% বর্ধন হয়ে থাকে। সে জন্য জন্মের পর থেকে ৬-৭ বছর পর্যন্ত বাচ্চাদের প্রতিদিন দুধ খাওয়াতে পারলে তারা মেধাবী জাতিতে পরিণত হয়। ল্যাকটোজ শুধু দুধেই পাওয়া যায়। প্রকৃতির অন্য কোনো খাদ্যে ল্যাকটোজ নেই, যার ফলে মস্তিষ্কের বৃদ্ধির জন্য দুধের কোনো বিকল্প নেই। তা ছাড়া দুধের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে মিনারেলজাতীয় খাদ্য উপাদান যেমন- ক্যালশিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদির উপস্থিতি শরীরের হাড় ও দাঁতের বর্ধন ও গঠনে সহায়তা করে। যার ফলে বাচ্চাদের শারীরিক কাঠামো মজবুত হয়।
অনিদ্রা, উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগ প্রতিরোধেও দুধ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। রাত্রে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ দুধ পান করলে প্রচুর ঘুম হয়ে থাকে। দুধে উপস্থিত ট্রিপটোফেন ভেঙে, মেলানিন এবং সিরোটনিন নামক দুটি কেমিক্যাল তৈরি হয় যা ঘুমাতে সাহায্য করে। যারা ঘুমের বড়ি খেয়ে অভ্যস্ত তারা ঘুমের বড়ি ছেড়ে দিয়ে এক গ্লাস দুধ পানের অভ্যাস করলে ঘুমও হবে এবং ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে বেঁচে যাবেন। দুধে অবস্থিত ক্যালশিয়াম, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে থাকে। আমাদের রক্তে অবস্থিত এনজিওটেনসিন কনভারটিন এনজাইম (এসিই) রক্তের এনজিওটেনসিন-১ হরমোনকে যখন সক্রিয় করে এনজিওটেনসিন-২ হরমোন তৈরি করে তখন এই সক্রিয় এনজিওটেনসিন-২ হরমোন ভাসকুলার পেশিকে সংকুচিত করে এবং এতে রক্তের চাপ বেড়ে যায়; কিন্তু দুধের আমিষ এবং অ্যাসেনসিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড এই এসিই এনজাইম অকেজো করে রাখতে পারে। যার ফলে ইনঅ্যাকটিভ এনজিওটেনসিন-১ হরমোন অ্যাকটিভ এনজিওটেনসিন-২-তে রূপান্তরিত হতে পারে না, তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। অনেকে মনে করে থাকেন দুগ্ধচর্বি হৃদরোগের কারণ, আসলে সেটা সম্পূর্ণ ঠিক নয়। সেচুরেটেড এবং ট্রান্স ফ্যাটকে হৃদরোগের জন্য দায়ী করা হয়; কিন্তু দুধের ফ্যাটের প্রায় ৪০% আনসেচুরেটড ফ্যাট, যা এইচডিএল বাড়াতে সাহায্য করে। অন্যদিকে দুধের সব সেচুরেটেড ফ্যাট হৃদরোগের জন্য দায়ী নয়। লরিক, মাইরেস্টিক এবং পালমেটিক অ্যাসিডকে হৃদরোগের জন্য বেশি দায়ী করা হয়, এদের পরিমাণ এক গ্লাস দুধে খুবই কম। একজন সুস্থ মানুষ যদি এক গ্লাস দুধ খান তাতে যে পরিমাণ ফ্যাট থাকে তা বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় অ্যানার্জি তৈরিতে খরচ হয়ে যায় এবং হৃদরোগের আশঙ্কা থাকে না। তবে যারা হৃদরোগে আক্রান্ত তারা দুধের চর্বি উঠায়ে চর্বিবিহীন দুধ খেলে কোনো ক্ষতি হবে না। মনে রাখতে হবে খাদ্যে কিছু পরিমাণ ফ্যাট থাকতেই হবে অন্যত্থায় গোনাডোট্রফিক হরমোন তৈরি বাধাগ্রস্ত হবে।
বয়স্কদের অস্টিওপরোসিস এবং দাঁতের ক্যারিস নিয়ন্ত্রণে দুধের ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ খেলে এসব সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত লোকজন অনায়াসেই দুধ খেতে পারেন, গবেষণায় দেখা গেছে দুধ খেলে ১৪% পর্যন্ত টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে আসে। দুধের শর্করা (ল্যাকটোজ) মস্তিষ্কের কোষের বর্ধন এবং যত্ন করে বিধায় দুধ পান করা জাতি বেশি মেধাবী হয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে সুইডেন ও সুইজারল্যান্ডের জনগণ প্রতিদিন ৮২০ থেকে প্রায় ৯৬০ মিলি দুধ পান করে। যার ফলে তাদের মধ্যে নভেল পুরস্কার প্রাপ্ত বিজ্ঞানীর সংখ্যা অনেক বেশি, প্রতি ১০ মিলিয়নে প্রায় ৩২-৩৩ জন। অন্যদিকে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ প্রতিদিন ৬৬০-৬৮৫ মিলি দুধ পান করে এবং তাদের প্রতি ১০ মিলিয়নের মধ্যে নভেল পুরস্কার প্রাপ্তির সংখ্যা প্রায় ১০-১২ জন। এতে বোঝা যায় মেধাবী জাতি গঠনের ক্ষেত্রে দুধের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
দুধের এত গুণাগুণ থাকার পরও কোনো কোনো মানুষ দুধ হজম করতে পারে না। দুধ খেলে তাদের পেটের নানাবিদ সমস্যা দেখা দেয়। এটিকে বলা হয় ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স সিনড্রোম। এর মূল কারণ হলো এ ধরনের মানুষের শরীরে ল্যাকটোজ হজম করার জন্য ল্যাকটোজ এনজাইমের ঘাটতি রয়েছে। কিছুদিন দুধ পান করলে ধীরে ধীরে শরীরে ল্যাকটোজ এনজাইমটি তৈরি হতে থাকে এবং এক সময় তিনি দুধ হজমে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। যদি এই এনজাইম শরীরে কোনো সময়ই তৈরে না হয় তা হলেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই। তারা দুধ থেকে তৈরি দই কিংবা অন্যান্য ফারমেন্টেড ডেইরি ফুড অনায়াসে খেতে পারেন। কারণ ফারমেন্টেড ডেইরি ফুডে ল্যাকটোজের পরিমাণ কম থাকে। তা ছাড়া দই তৈরিতে প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া ব্যবহৃত হয়, যা শরীরে অনেক উপকার করে থাকে।
বাংলাদেশের ডেইরি শিল্প অনেক এগিয়েছে। আমাদের ন্যূনতম প্রয়োজন প্রতিদিন ২৫০ মি.লি. তরল দুধ। বর্তমানে আমাদের প্রাপ্যতা প্রায় ২২১ মি.লি। আমরা আমাদের চাহিদা পূরণের প্রায় দ্বারপ্রান্তে। কৃষির বিভিন্ন সেক্টরে বর্তমান সরকারের গুরুত্ব দেওয়ার জন্য আজ ডেইরি শিল্পেও বিপ্লব সাধিত হয়েছে। মেধাবী জাতি গঠনে দুধের কোনো বিকল্প নেই। তা ছাড়া আমাদের প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে মেধাবী এবং দক্ষ জনগণ দরকার। তাই মেধাবী জাতি গঠন ও ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে দেখতে চাইলে দুগ্ধশিল্পকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।
লেখক: দুগ্ধ বিজ্ঞানী এবং ট্রেজারার, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ
ডেসকো বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সানোয়ার জাহান ভূঁইয়া বলেছেন, পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক বাস্তবতার মধ্যে দাঁড়িয়ে ডেসকো ধারাবাহিকভাবে নিজেকে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সেবামুখী বিদ্যুৎ বিতরণ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য কেবল বিদ্যুৎ বিতরণে সীমাবদ্ধ নয়; বরং একটি আর্থিকভাবে সক্ষম, পরিচালনাগতভাবে দক্ষ এবং গ্রাহকের আস্থা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডেসকোকে প্রতিষ্ঠিত করা। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ঢাকার খিলক্ষেতে রিজেন্সি হোটেলে আয়োজিত ডেসকোর বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সভাপতির বক্তব্যে সানোয়ার জাহান ভূঁইয়া বলেন, ‘রাজস্ব আয়ের উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি আগের বছরের তুলনায় নিট লোকসানের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে, যা ব্যবস্থাপনার দক্ষতা, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং আর্থিক শৃঙ্খলার প্রতিফলন। একই সঙ্গে গ্রাহক সংখ্যার ধারাবাহিক বৃদ্ধি ডেসকোর প্রতি জনগণের আস্থা ও নির্ভরতার প্রমাণ বহন করে। গ্রাহকসেবাকে আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার আমাদের অগ্রাধিকার।’
স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপন, মোবাইল অ্যাপস, কল সেন্টার, এসএমএসভিত্তিক তথ্যসেবা, অনলাইন বিলিং ও বহুমুখী ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে আমরা গ্রাহক অভিজ্ঞতায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতেও এই ডিজিটাল রূপান্তরকে আরও সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ডেসকোর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সচেতন। অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, নিরীক্ষা কার্যক্রম, বাজেট নিয়ন্ত্রণ এবং প্রযোজ্য আইন ও নীতিমালার যথাযথ অনুসরণের মাধ্যমে কোম্পানির সুনাম, সম্পদ এবং স্টেকহোল্ডারদের স্বার্থ সুরক্ষায় আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
সভায় ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম আহমেদ বলেন, ‘ডেসকোর কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে গ্রাহকসেবা। স্মার্ট প্রিপেইড মিটারিং, ডিজিটাল বিলিং, মোবাইল অ্যাপস, কল সেন্টার, এসএমএসভিত্তিক তথ্যসেবা। এরই মধ্যে অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমরা বিদ্যুৎসেবাকে আরও সহজ, দ্রুত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সক্ষম হয়েছি। জাতীয় উন্নয়ন ও টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তার বিকল্প নেই। এই বাস্তবতায়, ডেসকো নবায়নযোগ্য জ্বালানির গ্রিড সংযোগ বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সবুজ প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করে যাচ্ছে।
সরকারের সামগ্রিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে একটি স্থিতিস্থাপক ও ভবিষ্যৎমুখী বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলাই আমাদের অগ্রাধিকার বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, শনিবার ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর উপশাখা ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ব্যাংকটির সাম্প্রতিক ঈর্ষণীয় প্রবৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকের মোট আমানতের পরিমাণ ১ লক্ষ ৮৩ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে কেবল উপশাখাসমূহের আমানতই প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা এবং গত এক বছরে এই খাতে ৩ হাজার ৭ শত কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রবাসীদের অবিচল আস্থায় টানা ১৮ বছর ধরে রেমিট্যান্স আহরণে শীর্ষস্থান ধরে রাখা এই ব্যাংকটির মাধ্যমে গত এক বছরেই ৭৬,০০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। বর্তমানে ৩ কোটি গ্রাহকের এক বিশাল পরিবারে পরিণত হওয়া এই প্রতিষ্ঠানে গত এক বছরেই নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ৫০ লক্ষ গ্রাহক। ইসলামী ব্যাংক বর্তমানে ৪০০টি শাখা, ২৭১টি উপশাখা, ২৭৮৮টি এজেন্ট আউটলেট এবং ৩০৪০টি এটিএম/সিআরএম বুথের দেশের সর্ববৃহৎ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদান করে যাচ্ছে।
ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ ওমর ফারুক খাঁন উক্ত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ আলতাফ হুসাইন ও ড. এম কামাল উদ্দীন জসীম এবং স্বাগত বক্তব্য দেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ মাহবুব আলম। অনুষ্ঠানে প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীসহ ২৭১টি উপশাখার ইনচার্জগণ অংশ নেন।
সম্মেলনে দেশের অর্থনৈতিক বিকাশে ব্যাংকের অবদানের কথা স্মরণ করে মোঃ ওমর ফারুক খাঁন বলেন, “দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইসলামী ব্যাংকের অবদান অবিস্মরণীয়। জুলাই বিপ¬বের পর পরিবর্তিত ব্যাংকিং পরিস্থিতিতে আমাদের গ্রাহকদের মাঝে আস্থা ফিরে এসেছে। ২০২৫ সালে নানান চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে ইসলামী ব্যাংক দেশের ব্যাংকিং খাতে সবচেয়ে বেশি ডিপোজিট সংগ্রহ করেছে এবং সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।”
ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, “আমরা একটি শক্তিশালী, শরী’আহ সম্মত, প্রযুক্তি নির্ভর, পরিপালনের সংস্কৃতি লালনকারী আধুনিক ইসলামী ব্যাংক গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছি। ইসলামী ব্যাংক দেশের ব্যাংকিং খাতে একটি শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলছে।” তিনি ‘ইনোভেশন অ্যান্ড ডিজিটাইজেশন ড্রাইভিং ট্রান্সফরমেশন’’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে গ্রাহক সেবায় আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে উদাত্ত আহ্বান জানান।
এনসিসি ব্যাংকে নবযোগদানকৃত ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসারদের পেশাগত জীবনের যাত্রারম্ভে সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এক ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. খোরশেদ আলম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান ও মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং হিউম্যান রিসোর্সেস ডিভিশনের প্রধান রিশাদ হোসেন উপস্থিত থেকে নবীন কর্মকর্তাদের স্বাগত জানান।
বর্তমানের আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আর্থিক প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে উঠছে উল্লেখ করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন নবাগতদের উদ্দেশ্যে বলেন, একজন ব্যাংক কর্মকর্তার শুধু প্রফেশনাল নলেজ থাকাই যথেষ্ট নয়; উদ্ভাবনী চিন্তা, পরিশ্রম ও নৈতিকতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি গ্রাহকসেবায় সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের সমন্বয়ে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলে ভবিষ্যতে ব্যাংকিং সেক্টরে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য নতুন প্রজন্মের কর্মকর্তাদের অনুপ্রাণিত করেন।
সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি. সম্প্রতি ঢাকা জোনের এজেন্ট পার্টনারদের নিয়ে “বার্ষিক এজেন্ট ব্যাংকিং সম্মেলন ২০২৬” আয়োজন করেছে। উক্ত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান এম.এ কাশেম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ খালিদ মাহমুদ খান। ঢাকা জোনের সকল এজেন্ট পার্টনারদের পাশাপাশি এই অনুষ্ঠানে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ট্যাগড শাখা প্রধানগণ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ অংশ নেন।
মূলত ২০২৫ সালের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং ২০২৬ সালের ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিভিন্ন সময়োপযোগী নীতিমালা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার উদ্দেশ্যেই এই সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।
দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিয়ে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ধারাকে বেগবান করার লক্ষ্যে ২০২১ সালের ৭ই মার্চ যাত্রা শুরু করে সাউথইস্ট ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং “স্বাগতম”।
ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, কৃষক ও শিক্ষার্থীদের বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এটি বর্তমানে দেশব্যাপী ‘তিজারাহ’-ইসলামিক এবং কনভেনশনাল আউটলেটের মাধ্যমে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে। তথ্য প্রযুক্তিসমৃদ্ধ এই সেবার আওতায় গ্রাহকগণ সঞ্চয়ী ও চলতি হিসাব খোলা, নগদ অর্থ লেনদেন এবং বি. ই. এফ. টি. এন ও আরটিজিএস-এর মাধ্যমে যেকোনো ব্যাংকের হিসাবে অর্থ স্থানান্তরের সুবিধা পাচ্ছেন।
এছাড়াও সাউথইস্ট ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং “স্বাগতম” থেকে রেমিটেন্স গ্রহণ, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড প্রসেসিং, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কৃষি ঋণসহ ভোক্তা ঋণ ও সরকারি ভাতা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। আউটলেটগুলোতে স্থাপিত রিসাইক্লার এটিএম-এর মাধ্যমে গ্রাহকগণ ২৪ ঘণ্টা ব্যাংকিং সুবিধা উপভোগ করতে পারছেন এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে যাবতীয় আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা গ্রহণ করছেন।
আবাসন খাতের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান রূপায়ণ গ্রুপের সকল প্রতিষ্ঠানের অ্যানুয়াল বিজনেস প্ল্যান (এবিপি) ২০২৬ হস্তান্তর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুলের হাতে সকল কোম্পানির পক্ষে অ্যানুয়াল বিজনেস প্ল্যান ২০২৬ হস্তান্তর করেন রূপায়ণ গ্রুপের উপদেষ্টা ও এবিপি কমিটি ২০২৬ এর চেয়ারম্যান ক্যাপটেন পিজে উল্লাহ অব. ।
এতে রূপায়ণ গ্রুপের কো চেয়ারম্যান মাহির আলী খান রাতুল , ভাইস চেয়ারম্যান নওরিন জাহান মিতুল, সাবরিনা রশিদ নোভা , সাইফ আলী খান অতুল , রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যানের মাতা ফরিদা বেগম উপস্থিত ছিলেন ।
অনুষ্ঠানে রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন দক্ষ মানব সম্পদ ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানকে সাফল্যের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে।
নতুন বছরে লক্ষ্য পূরণে সকলকে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
রুপায়ন গ্রুপের কো চেয়ারম্যান মাহির আলী খান রাতুল বলেন নতুন বছর নানাভাবে চ্যালেঞ্জিং । এর মধ্যেও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে।
টিমওয়ার্কের মাধ্যমে চেষ্টা চালিয়ে গেলে সাফল্য অনিবার্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি
এতে অন্যানের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন রূপায়ণ গ্রুপের উপদেষ্টা সাদাত হোসাইন সেলিম, রূপায়ণ গ্রুপের সিইও সাব্বীর হোসেন খান , রূপায়ণ গ্রুপের উপদেষ্টা ব্রি জেনারেল আবুল কালাম আজাদ (অব.), আব্দুল গাফফার , এ এস এম সাইখুল ইসলাম, দেশ রূপান্তর সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজসহ সংশ্লিষ্ট কোম্পানি প্রধানগণ ।
‘বিকাশ রেমিটেন্সে ঘর ভর্তি উপহার’ ক্যাম্পেইনে মালয়েশিয়া থেকে আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার প্রতিষ্ঠান ‘টাচ এন গো’ এর মাধ্যমে বিকাশ-এ পাঠানো সর্বোচ্চ রেমিটেন্স গ্রহণের ভিত্তিতে বিজয়ী হয়েছেন ৬৩ জন প্রবাসীর স্বজন।
সম্প্রতি, বিকাশ-এর প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। প্রতি মাসের বিজয়ীদের জন্য ভিন্ন আয়োজনে মোট তিন ধাপে পুরস্কারের কুপন তুলে দেয়া হয়। বিকাশ থেকে পেমেন্ট করে কুপনের অর্থে বিজয়ী তাঁর নিকটস্থ মিনিস্টার শোরুম থেকে পছন্দের পণ্য সংগ্রহ করার সুযোগ পেয়েছেন।
প্রিয়জনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে রেমিটেন্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখায় উৎসাহিত করতে ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত এই ক্যাম্পেইন আয়োজন করে ‘টাচ এন গো’, মিনিস্টার ও বিকাশ। ক্যাম্পেইনের ব্যাংকিং পার্টনার ছিল ইস্টার্ন ব্যাংক। ক্যাম্পেইন চলাকালীন মাসিক সর্বোচ্চ রেমিটেন্স গ্রহণকারী পেয়েছেন ১,৫০,০০০ টাকার মিনিস্টার পণ্যের কুপন। পাশাপাশি প্রতি সপ্তাহে পাঁচজন বিজয়ী পেয়েছেন ২৫ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকার মিনিস্টার পণ্যের কুপন।
বর্তমানে, ১৭০টিরও বেশি দেশ থেকে ১৩৫টি আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) এর মাধ্যমে প্রবাসীরা দেশে থাকা স্বজনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে যতবার প্রয়োজন ততবার রেমিটেন্স পাঠাতে পারছেন। সেই রেমিটেন্স ২৭টি শীর্ষ বাণিজ্যিক ব্যাংকে সেটেলমেন্ট হয়ে প্রতি হাজারে ২৫ টাকা সরকারি প্রণোদনাসহ নিমেষেই পৌঁছে যাচ্ছে দেশে থাকা প্রিয়জনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছাড়াই বিকাশ অ্যাকাউন্টে তাৎক্ষণিক, সহজ, যেকোনো অংকের রেমিটেন্স পাঠানো, রেমিটেন্স স্টেটমেন্ট তোলার সুযোগ সহ নানা সুবিধার কারণে বিকাশ অ্যাকাউন্টে রেমিটেন্স পাঠানোর সেবা ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
গ্লোবাল ইনোভেটিভ টেকনোলজি ব্র্যান্ড টেকনো বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নতুন স্মার্টফোন ‘স্পার্ক গো ৩’ উন্মোচন করেছে। আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সুবিধা এবং টেকসই ডিজাইনের সমন্বয়ে তৈরি এই ডিভাইসটি সাশ্রয়ী মূল্যে গ্রাহকদের উন্নত স্মার্টফোনের অভিজ্ঞতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে এসেছে। দৈনন্দিন ব্যবহারের উপযোগিতা এবং শক্তিশালী পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে ফোনটিতে বেশ কিছু আকর্ষণীয় ফিচার যুক্ত করা হয়েছে।
টেকনো স্পার্ক গো ৩ স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৬.৭৫ ইঞ্চির বিশাল ডিসপ্লে, যেখানে ব্যবহার করা হয়েছে ১২০ হার্জ হাই রিফ্রেশ রেট প্রযুক্তি। এই উন্নত ডিসপ্লের কারণে স্ক্রলিং হবে অনেক বেশি মসৃণ এবং ভিডিও দেখা বা দৈনন্দিন ব্যবহারে পাওয়া যাবে চমৎকার ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা। ফোনটির পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে এতে দেওয়া হয়েছে ইউনিসক টি৭২৫০ অক্টা-কোর প্রসেসর, যা মাল্টিটাস্কিং ও গেম খেলার সময় নিরবচ্ছিন্ন ও দ্রুতগতি নিশ্চিত করবে। এছাড়া অ্যান্ড্রয়েড ১৫ স্লিম অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীদের একটি স্মুথ ইন্টারফেস উপহার দেবে।
ডিভাইসটির স্থায়িত্ব ও সুরক্ষার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে টেকনো। ফোনটিতে আইপি৬৪ রেটিং যুক্ত করা হয়েছে, যা ধুলো ও পানির ঝাপটা থেকে ফোনটিকে রক্ষা করবে। পাশাপাশি ১.২ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত ড্রপ প্রোটেকশন থাকায় হাত থেকে পড়ে গেলেও বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে ফোনটি। ব্যবহারকারীর তথ্যের নিরাপত্তা ও দ্রুত আনলকের জন্য ডিভাইসের পাশেই যুক্ত করা হয়েছে সাইড-মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। কানেক্টিভিটির জন্য এতে জিপিএস, ওয়াইফাই, ব্লুটুথ ও এফএম রেডিও সুবিধা রয়েছে।
ফটোগ্রাফি প্রেমীদের জন্য স্পার্ক গো ৩-এ রয়েছে ফ্ল্যাশস্ন্যাপ ফার্স্ট ক্যাপচার ইঞ্জিনসহ ১৩ মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরা, যা দ্রুত ও স্পষ্ট ছবি তুলতে সক্ষম। সেলফির জন্য রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। উভয় ক্যামেরাতেই ডুয়াল ফ্ল্যাশ থাকায় কম আলোতেও ভালো মানের ছবি ও ভিডিও পাওয়া যাবে। এছাড়া ফোনটিতে রয়েছে টেকনো এআই-এর একাধিক স্মার্ট টুল। এর মধ্যে ‘আস্ক এলা’ তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদান করে, ‘ওয়েব সামারি’ দ্রুত তথ্য বুঝতে সাহায্য করে এবং ‘হাই ট্রান্সলেট’ ভাষাগত যোগাযোগ সহজ করে তোলে। এছাড়াও ফটো বেসড প্রবলেম সলভিং ও এআই রাইটিং সাপোর্টের মতো ফিচারও এতে যুক্ত করা হয়েছে।
দীর্ঘ সময় ব্যবহারের নিশ্চয়তা দিতে ফোনটিতে ৫ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার শক্তিশালী ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যা ১৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সমর্থন করে। বিশেষ ফিচার হিসেবে এতে রয়েছে ‘টেকনো ফ্রিলিংক ২.০’, যার মাধ্যমে মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকলেও টেকনো থেকে টেকনো ফোনে কল ও মেসেজ আদান-প্রদান করা সম্ভব হবে। এছাড়া ইনফ্রারেড রিমোট কন্ট্রোল ফিচারের মাধ্যমে ঘরের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। বাংলাদেশের সব টেকনো আউটলেটে ফোনটি দুটি ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে। এর ৬৪ জিবি স্টোরেজ ও ৮ জিবি (৪ জিবি + ৪ জিবি এক্সটেন্ডেড) র্যাম ভ্যারিয়েন্টের মূল্য ১২,৯৯৯ টাকা এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজ ও ৮ জিবি (৪ জিবি + ৪ জিবি এক্সটেন্ডেড) র্যাম ভ্যারিয়েন্টের মূল্য ১৪,৪৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে (ভ্যাট প্রযোজ্য)।
তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে কাজ করা শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ডি.নেট-এর গভর্নিং বডির নতুন চেয়ারপার্সন হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবিব। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি ২০২৬) সংস্থাটির পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। তার এই নিয়োগ চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। ডি.নেট-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার পর এবার চেয়ারপার্সন হিসেবে তার দায়িত্ব গ্রহণকে প্রতিষ্ঠানটির চলমান কার্যক্রম ও প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রযাত্রায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবিব বর্তমানে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম)-এর সিলেকশন গ্রেড অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষা, নীতিনির্ধারণী গবেষণা, সুশাসন এবং উন্নয়ন অর্থায়ন খাতে তার কয়েক দশকের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিশেষ করে ব্যাংকিং খাত, অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়ন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই) উন্নয়ন এবং গ্রিন ব্যাংকিংয়ে তার অবদান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপকভাবে সমাদৃত। ডি.নেট-এর এই নতুন দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি বর্তমানে আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি-এর একজন স্বাধীন পরিচালক হিসেবেও কাজ করছেন এবং প্রতিষ্ঠানটির বোর্ড অডিট কমিটি ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
বর্ণাঢ্য শিক্ষাজীবনের অধিকারী অধ্যাপক হাবিব ভারতের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সিরাকিউজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানজনক সিনিয়র ফুলব্রাইট স্কলারশিপের আওতায় গ্রিন ব্যাংকিং বিষয়ে পোস্ট-ডক্টরাল ফেলোশিপ সম্পন্ন করেন। ২৯ বছরেরও বেশি সময়ের পেশাগত জীবনে তিনি দেশ ও বিদেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পাঠদান করেছেন। পাশাপাশি বিশ্বব্যাংক, এডিবি, আইএফসি, ইউএনডিপি, ইউএনইপি, জিআইজেড এবং ডিএফআইডির মতো আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাগুলোতে পরামর্শক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। একজন প্রথিতযশা লেখক ও কলামিস্ট হিসেবেও তিনি সুপরিচিত; অর্থনীতি ও উন্নয়ন বিষয়ে তার ২৫০টিরও বেশি গবেষণা প্রকাশনা এবং সমসংখ্যক সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রবন্ধ রয়েছে।
নতুন দায়িত্ব গ্রহণ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবিব বলেন, এই দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে তিনি অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছেন এবং ভবিষ্যতের বিষয়ে আশাবাদী। তিনি উল্লেখ করেন যে, ডি.নেট বরাবরই উদ্ভাবন, অন্তর্ভুক্তি ও মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রতিশ্রুতি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। জ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের ক্ষমতায়নে ডি.নেট-এর ভূমিকা আরও জোরদার করতে পারবেন বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বর্তমানে তিনি আইসিসি বাংলাদেশ ব্যাংকিং কমিশনের সদস্য এবং ‘ভ্যালর অব বাংলাদেশ’-এর ট্রাস্টি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তার এই নিয়োগ ডি.নেট-এর সুশাসন, নেতৃত্ব এবং উদ্ভাবনী কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর পরিচালনা পরিষদের এক সভা বুধবার (জানুয়ারি) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম. জুবায়দুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন।
সভায় এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম, এফসিএ, এফসিএস, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান, স্বতন্ত্র পরিচালক মো. আবদুল জলিল, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড ইমেজ বৃদ্ধি এবং পণ্য বিক্রয়ে বিশেষ অবদান রাখায় ৫৬০ জনকে বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার দিয়েছে দেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ও সুপার ব্র্যান্ড ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন—ওয়ালটন প্লাজা, ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্ক, মার্সেল ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্ক, স্মল অ্যাপ্লায়েন্স ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্ক, ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্স ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্ক, স্মল ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্স ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্ক, করপোরেট সেলস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এবং গ্লোবাল বিজনেস ডিভিশন নেটওয়ার্কের বিক্রয় প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন বিভাগের সদস্যরা।
গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে ব্র্যান্ড ইমেজ ও পণ্য বিক্রয়ে তাদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘এমপ্লয়ি অব দ্য মান্থ’ অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। কোম্পানিতে তাদের ডেডিকেশন, প্যাশন, পরিশ্রম ও অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কৃত করে ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ।
গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীতে ওয়ালটন করপোরেট অফিসে আয়োজিত বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তাদের পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানে পুরস্কাপ্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট, সম্মাননা ও চেক তুলে দেন ওয়ালটন হাইটেকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) এস এম মাহবুবুল আলম।
এ সময় অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- ওয়ালটন প্লাজার এমডি মোহাম্মদ রায়হান, অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) নজরুল ইসলাম সরকার ও জিয়াউল আলম এফসিএ, ওয়ালটন ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের প্রধান মো. ফিরোজ আলম, চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) জোহেব আহমেদ, মার্সেলের হেড অব বিজনেস মতিউর রহমান প্রমুখ।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে ওয়ালটন হাইটেকের এমডি এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, ‘ওয়ালটন পরিবারের সদস্যদের আনন্দময় জীবন আমাদের কাম্য।’
তাদের কাজের স্বীকৃতি দিতে চাই আমরা। কোম্পানিতে তাদের কাজে ডেডিকেশনের জন্যে ওয়ালটন এগিয়ে যাচ্ছে উন্নতির শিখরে। তাদের কাজের স্বীকৃতি দিতে আজকের এই অনুষ্ঠান। ওয়ালটন পরিবারের সদস্যদের স্বীকৃতি প্রদানের এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক পণ্যের মেলা কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস শো (সিইএস) ২০২৬ শেষ হয়েছে। এবার মেলায় প্রদর্শিত হয় ভবিষ্যতের নানা প্রযুক্তি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও স্মার্ট হোম প্রযুক্তির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে চলতি বছর সিইএস -এ সবার নজর কেড়েছে স্যামসাং।
মেলার ‘ফার্স্ট লুক’ ইভেন্টে স্যামসাং তাদের ‘কম্প্যানিয়ন টু এআই লিভিং’ লক্ষ্য সবার সামনে তুলে ধরে, যেখানে টেলিভিশন, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, গেমিং মনিটর ও হেলথ টেকসহ বিভিন্ন পণ্যে এআই প্রযুক্তি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। শুধুমাত্র ফিচার হিসেবেই নয়, স্যামসাংয়ের উৎপাদিত পণ্যগুলো যেন ক্রেতাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ করে তুলতে পারে, এ লক্ষ্যেই পণ্যে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্যামসাং।
টিভি শিল্পখাতে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে নেতৃত্বদায়ক অবস্থান ধরে রেখেছে স্যামসাং। নিজেদের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ব্র্যান্ডটি একটি পূর্ণাঙ্গ এআই টিভি লাইনআপ তৈরি করেছে, যা ব্যবহারকারীদের বিনোদন উপভোগের ক্ষেত্রে যুক্ত করেছে নতুন মাত্রা। গত বছর উন্মোচিত স্যামসাং -এর ভিশন এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে টেলিভিশন এখন ধীরে ধীরে স্মার্ট হোম অভিজ্ঞতার গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশে পরিণত হচ্ছে। ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী কনটেন্ট রিকমেন্ডেশন, সহজ নেভিগেশন এবং কনটেন্ট সাজেশন- সবই সম্ভব হচ্ছে, স্যামসাং -এর ভিশন এআই এর মাধ্যমে।
ব্যবহারকারীদের ভিউইং অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে এই বছর সিইএস ২০২৬ -এ স্যামসাং নিয়ে এসেছে ভিশন এআই কম্প্যানিয়ন (ভিএসি), যা টিভির ক্ষেত্রে অ্যাসিস্টেন্ট হিসেবে কাজ করবে। ব্যবহারকারী টিভিতে কী দেখবেন বা কী ধরনের খাবার খেতে পারেন কিংবা মুড অনুযায়ী কোন গান শুনতে ভালো লাগবে, এসব বিষয়ে টিভি এখন নিজ থেকেই ব্যবহারকারীকে সাজেশন দিবে। ওএলইডি, নিও কিউএলইডি, কিউএলইডি ও ইউএইচডি টিভিসহ স্যামসাংয়ের ২০২৬ সালের সম্পূর্ণ টিভি লাইনআপেই যুক্ত থাকছে ভিএসি। এছাড়াও, এই বছরের সিইএস -এ স্যামসাংয়ের প্রদর্শনীর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল ব্র্যান্ডটির ১৩০-ইঞ্চি মাইক্রো আরজিবি ডিসপ্লে প্রযুক্তির বৈশ্বিক উন্মোচন।
বাংলাদেশের একমাত্র টিভি ব্র্যান্ড হিসেবে সার্টিফায়েড কোয়ান্টাম ডট প্রযুক্তি (রিয়েল কিউএলইডি) নিশ্চিত করছে স্যামসাং। ফলে, স্যামসাং টিভি ব্যবহারকারীরা উপভোগ করবেন সমৃদ্ধ ভিউইং অভিজ্ঞতা।
মেলার শেষ দিনে স্যামসাংয়ের ডিজিটাল অ্যাপ্লায়েন্সেস উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানটির শিল্পখাতে নেতৃত্ব প্রদানকারী উদ্ভাবন ও স্মার্ট হোমের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।
বাংলাদেশে গ্লোবাল ব্র্যান্ড কেএফসি’র একমাত্র ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘ট্রান্সকম ফুডস লিমিটেড’ ২০০৬ সাল থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কেএফসি বাংলাদেশ প্রতিবারের মতো এবারও গ্রাহকদের জন্য নিয়ে এসেছে স্বাদের নতুন এক চমক– বক্স মাস্টার!
নতুন ও ভিন্ন অভিজ্ঞতা খুঁজে বেড়ানো ফুড লাভারদের জন্য এটি একটি অনন্য উদ্ভাবন, যা একসঙ্গে উপস্থাপন করে স্বাদ, টেক্সচার এবং অতুলনীয় ফ্লেভারের অসাধারণ সমন্বয়।
নতুন এই আইটেমটিতে তুলতুলে নরম টর্টিয়াতে মোড়ানো হয়েছে কেএফসির সিগনেচার হট অ্যান্ড ক্রিস্পি জিঙ্গার ফিলে। এর সঙ্গে রয়েছে হ্যাশ ব্রাউন, ফ্রেশ ভেজ মিক্স, স্পাইসি ন্যাশভিল সস ও চিজ স্লাইস।
প্রতিটি কামড়ে থাকবে ঝাল, ক্রিমি আর ক্রাঞ্চের দুর্দান্ত মেলবন্ধন– যা একদিকে যেমন মজাদার, অন্যদিকে তেমনি রোমাঞ্চকর।
বক্স মাস্টার এখন পাওয়া যাচ্ছে দেশের সকল কেএফসি আউটলেটে– ডাইন-ইন, টেকঅ্যাওয়ে, হোম ডেলিভারি, কেএফসি অ্যাপ এবং অনলাইন অর্ডারে: kfcbd.com/menu/box-master
রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এরফান গ্রুপের জনপ্রিয় পণ্য ‘এরফান চিনিগুড়া এরোমেটিক চাল’-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন দেশের বিশিষ্ট অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। গত ১১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন এরফান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব মাহবুব আলম এবং অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ নিজে। এই চুক্তির ফলে আগামী দুই বছর তাসনিয়া ফারিণ এই ব্র্যান্ডটির প্রচার ও প্রসারে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবেন। তিনি এরফান চিনিগুড়া চালের বিভিন্ন টেলিভিশন বিজ্ঞাপন (টিভিবি), অনলাইন ভিডিও কমার্শিয়াল (ওভিসি) এবং ফটোশুটের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক ও প্রচারণামূলক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এরফান গ্রুপের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে এই নতুন অংশীদারিত্বকে স্বাগত জানান। তাঁদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিজিএম (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) জনাব মাহমুদ রহমান বুলবুল, এজিএম জনাব জিয়াউর রহমান, ম্যানেজার (এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন) এস এম সোরমান আলী, অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার জনাব মাসুদ পারভেজ এবং ব্র্যান্ড ম্যানেজার জনাব সাজ্জাদ মোহাম্মদ জহিরসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। তাসনিয়া ফারিণের মতো একজন জনপ্রিয় ও রুচিশীল তারকাকে ব্র্যান্ডের সাথে যুক্ত করার মাধ্যমে এরফান গ্রুপ তাঁদের পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা সাধারণ মানুষের কাছে আরও দৃঢ় করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করছে। এই চুক্তিটি উভয় পক্ষের জন্যই একটি সফল ও দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্যিক সম্পর্কের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।