রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
১০ শ্রাবণ ১৪৩৩

প্রাইম ব্যাংকের ২৯তম এজিএম অনুষ্ঠিত

প্রাইম ব্যাংক পিএলসির ২৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: সংগৃহীত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ৪ জুন, ২০২৪ ১৩:১৬

প্রাইম ব্যাংক পিএলসির ২৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত সভায় ৩১২ জন নিবন্ধিত শেয়ারহোল্ডারসহ স্টক এক্সচেঞ্জ ও অডিটরদের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। লাইভ ট্রান্সমিশনকৃত ওই সভায় ২০২৩ সালে সমাপ্ত অর্থ বছরের জন্য ১৭.৫ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ, আর্থিক বিবরণী, ডিরেক্টরস ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন, অবসরগ্রহণকারী পরিচালকদের পুনর্নির্বাচন, স্বতন্ত্র পরিচালকদের নিয়োগ-পুনঃনিয়োগ এবং স্ট্যাটুইটরি ও কমপ্লায়েন্স অডিটরের পুনঃনিয়োগসহ ছয়টি সাধারণ এজেন্ডা শেয়ারহোল্ডাররা অনুমোদন করেন। ব্যাংকের চেয়ারম্যান তানজিল চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও কোম্পানি সেক্রেটারির মডারেশনে অনুষ্ঠিত সভায় ব্যাংকের বিভিন্ন কমিটির সভাপতিরাসহ পর্ষদের অন্য সদস্যরা, চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছাড়া, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান আনোয়ার উদ্দিন চৌধুরী এফসিএ, ও চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার হাসান ও রশীদ শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

স্টীল শিল্পে নতুন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড স্থাপন করল AKS

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৫ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৩
কর্পোরেট ডেস্ক

স্টীল শিল্পে নতুন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড স্থাপন করল AKS। এক মিনিটে সর্বাধিক স্টীল রিবার উৎপাদনের স্বীকৃতি অর্জনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি GUINNESS WORLD RECORDS™-এর "Most Steel Rebars Produced in One Minute" রেকর্ডের অধিকারী হয়েছে।

এই অর্জনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্টীল শিল্পের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, উৎপাদন দক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক মানের উৎপাদন ব্যবস্থাপনা বিশ্বপরিসরে নতুন স্বীকৃতি লাভ করেছে।

Guinness World Records™-এর নির্ধারিত যাচাই প্রক্রিয়া অনুযায়ী, AKS মাত্র ১ মিনিট-এ ৫২টি স্টীল রিবার উৎপাদন করে, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ছিল ১০৮ মিটার। বিশ্বের দ্রুততম রিবার রোলিং মিলের সক্ষমতা, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ প্রকৌশল ও উৎপাদন ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে এই রেকর্ড অর্জিত হয়েছে। AKS-এর উৎপাদন ব্যবস্থার অন্যতম ভিত্তি হলো Electric Arc Furnace (EAF) প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ১০০% রিফাইন্ড স্টীল উৎপাদন করা হয়।

এ বিষয়ে আবুল খায়ের স্টীল মেল্টিং লিমিটেড এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, জনাব ইমরান মোমিন বলেন, "এই বিশ্বরেকর্ড অর্জন শুধু AKS-এর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক নয়, এটি বাংলাদেশের উৎপাদন শিল্পের সক্ষমতা ও সম্ভাবনারও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। বিশ্বমানের প্রযুক্তি, দক্ষ জনবল এবং উৎকর্ষের প্রতি আমাদের অবিচল প্রতিশ্রুতির ফলেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে সর্বোচ্চ মানের স্টীল উৎপাদনে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"

উৎপাদন উৎকর্ষের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই শিল্পায়নের প্রতিও প্রতিষ্ঠানটি সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশে একমাত্র আবুল খায়ের স্টীল-ই তাদের উৎপাদন ব্যবস্থায় Zero Water Discharge প্রযুক্তির মাধ্যমে শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত পানি সম্পূর্ণভাবে পরিশোধন ও পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করছে। একই সঙ্গে সৌরশক্তির ব্যবহার, অত্যাধুনিক Fume Treatment System-এর মাধ্যমে নির্গমন নিয়ন্ত্রণ, উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত উপকরণের পুনর্ব্যবহার এবং নিজস্ব Power Plant-এর মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন ও দক্ষ জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হয়। পরিবেশ সংরক্ষণ, সম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং প্রযুক্তিনির্ভর টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থার সমন্বয়ে AKS শিল্পোন্নয়ন ও পরিবেশগত দায়বদ্ধতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে।

দেশের আবাসন, শিল্প ও বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণে নির্ভরযোগ্য স্টীল সরবরাহের মাধ্যমে AKS দীর্ঘদিন ধরে আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।


ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অর্থায়নে এনসিসি ব্যাংক ও পিকেএসএফ-এর মধ্যে চুক্তি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়নের সুযোগ আরও সম্প্রসারণ এবং ঋণপ্রবাহ সহজতর করার লক্ষ্যে এনসিসি ব্যাংক পিএলসি এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর মধ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম (সিইএস)-এর আওতায় একটি চুক্তি সম্প্রতি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তির আওতায় পিকেএসএফ-এর গ্যারান্টি সহায়তায় এনসিসি ব্যাংক পিকেএসএফ-এর তালিকাভুক্ত অংশীদার সংস্থাগুলোকে ঋণসুবিধা প্রদান করবে। পরবর্তীতে এসব অংশীদার সংস্থা দেশের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মধ্যে এই অর্থ বিতরণ করবে। এর ফলে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহজে অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে, নতুন উদ্যোক্তা গড়ে উঠবে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে।

এনসিসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান এবং পিকেএসএফ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্র হস্তান্তর করেন। এসময় এনসিসি ব্যাংকের এসভিপি ও হেড অব এসএমই শরীফ মোহাম্মদ মহসীনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক অর্থায়নের পরিধি আরও বিস্তৃত হবে। পাশাপাশি দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি জোরদার, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।


চট্টগ্রামে এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবসায়িক কৌশল ও প্রবৃদ্ধি বিষয়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

এনআরবিসি ব্যাংকের চট্টগ্রাম অঞ্চলের শাখা ও উপশাখাগুলোর ব্যবসায়িক কৌশল ও প্রবৃদ্ধি বিষয়ক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি হোটেলে আয়োজিত সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, এফসিএমএ, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সভায় ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার মো. শাহীন হাওলাদার, চট্টগ্রাম জোনের প্রধান কাজী মো. সাফায়েত কবীরসহ শাখা ও উপশাখার ব্যবস্থাপকবৃন্দ এবং স্থানীয় ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. তৌহিদুল আলম খান খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধার এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এমএসএমই) খাতে ব্যবসা সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী খেলাপি ঋণের হার একটি গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে। একই সঙ্গে ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে ব্যবসার প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং গ্রাহকসেবার মান আরও উন্নত করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, “সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে আর্থিক সেবা পৌঁছে দিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।” এছাড়াও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা, বিশেষ করে বাংলা কিউআর সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি ক্যাশলেস চট্টগ্রাম গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যাংকারদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার মো. শাহীন হাওলাদার বলেন, দেশের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে চট্টগ্রামে ব্যবসা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। তিনি নতুন গ্রাহক সংযুক্তি, ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে সকলকে আরও আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের সার্বিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয় এবং খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, গ্রাহককেন্দ্রিক সেবা সম্প্রসারণ, ডিজিটাল উদ্ভাবনের সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কৌশলগত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।


ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিনির্মাণে আইএফআইসি ব্যাংকের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’বিনির্মাণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি-এর আয়োজনে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জামে মসজিদ মার্কেট এবং আশেপাশের এলাকায় বাংলা কিউআর সম্পর্কিত একটি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ২৫ জুলাই ২০২৬, শনিবার এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মসজিদ মার্কেট এলাকায় বেলুন উড্ডয়নের মধ্যদিয়ে আইএফআইসি ব্যাংক বাংলা কিউআর বুথ উদ্বোধন করা হয়। এরপর বায়তুল মোকাররম মার্কেট প্রদক্ষিণ করে একটি র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয় এবং লাইভ কিউআর পেমেন্টের মাধ্যমে ক্যাশলেস লেনদেনের সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে ব্যবসায়ী ও সাধারণ গ্রাহকদের অবহিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সৈয়দ মনসুর মোস্তফা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ডিএমডি ও চিফ ইনফরমেশন অফিসার জনাব মোঃ মনিতুর রহমান এবং চিফ অব ব্রাঞ্চ বিজনেস ও হেড অব অপারেশনস জনাব হেলাল আহমেদ। অনুষ্ঠানে বায়তুল মোকাররম ব্যবসায়ী গ্রুপের সহ-সভাপতি জনাব মোঃ নাসিরউদ্দিন গাজী, বায়তুল মোকাররম লেদার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ চৌধুরী মিজানসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী, ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও গ্রাহকগণ অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সৈয়দ মনসুর মোস্তফা বলেন, “ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার বিস্তার দেশের অর্থনীতিকে আরও স্বচ্ছ, নিরাপদ ও গতিশীল করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনকে আরও সহজ ও নির্বিঘ্ন করে তুলবে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সাধারণ গ্রাহকদের জন্য কিউআরভিত্তিক লেনদেন একটি সহজ, সাশ্রয়ী ও সময়োপযোগী সমাধান। বাংলাদেশ ব্যাংকের দিকনির্দেশনায় আইএফআইসি ব্যাংক সারাদেশে ক্যাশলেস লেনদেনের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে। ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে ১৪ হাজার মার্চেন্টকে আমাদের ডিজিটাল পেমেন্ট নেটওয়ার্কের আওতায় এনেছি এবং এই কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।”

আইএফআইসি ব্যাংক দেশের সর্বস্তরের মানুষকে আধুনিক, নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে ১৪০০+ শাখা-উপশাখার বিস্তৃত নেটওয়ার্ক ও ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।


ব্যাংক এশিয়া ও র‌্যাংগস্-এর মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি সই

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশে মিতশুবিশি গাড়ির একমাত্র অনুমোদিত পরিবেশক র‌্যাংগস্ লিমিটেড-এর সাথে একটি অংশীদারিত্বমূলক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি। এ চুক্তির আওতায় ব্যাংক এশিয়া মিতশুবিশি ব্রান্ডের গাড়ি ক্রয়ের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের আকর্ষণীয় ও সহজলভ্য অটো লোন সুবিধা প্রদান করবে, যা গ্রাহকদের জন্য সহজপ্রাপ্য সেবা নিশ্চিত করবে।

২২ জুলাই ২০২৬ তারিখে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ব্যাংক এশিয়ার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং জনাব সৈয়দ জুলকার নাইন ও র‌্যাংগস লিমিটেড- এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর জনাব মোহাম্মদ হামদুর রহমান সায়মন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।

এই অংশীদারিত্ব রিটেইল ব্যাংকিং খাতে অগ্রাধিকারভিত্তিক ও উন্নত সেবা প্রদানে ব্যাংক এশিয়ার অঙ্গীকারের প্রতিফলন।


২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ১,৩৮৪ কোটি টাকার বীমা দাবি নিষ্পত্তি করেছে মেটলাইফ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) ১,৩৮৪ কোটি টাকার বীমা দাবি নিষ্পত্তি করেছে মেটলাইফ বাংলাদেশ। গ্রাহকদেরকে বীমা সুবিধা হিসেবে পরিশোধ করা অর্থের পাশাপাশি চিকিৎসা ও মৃত্যু দাবি হিসেবে পরিশোধ করা অর্থ এর অন্তর্ভুক্ত। 

এ বিষয়ে মেটলাইফ বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আলা আহমদ বলেন, ‘বছরের প্রথম ছয় মাসে নিষ্পত্তি হওয়া বীমা দাবির এই পরিমাণই প্রমাণ করে, গ্রাহক ও তাঁদের পরিবারের প্রয়োজনে পাশে থাকার ব্যাপারে আমরা কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দাবি নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, সহজ ও স্বচ্ছ করার মাধ্যমে আমরা গ্রাহকদের আস্থা আরও সুদৃঢ় করতে এবং দেশের বীমা খাতের প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখতে চাই।’

মেটলাইফ ধারাবাহিকভাবে সময়মতো বীমা দাবির অর্থ পরিশোধের রেকর্ড বজায় রেখে আসছে। ২০২৫ সালের পুরো বছরে মেটলাইফ ২,৮৯৫ কোটি টাকার দাবি নিষ্পত্তি করেছে যা বাংলাদেশের সকল জীবনবীমা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সর্বোচ্চ । একই বছরে প্রতিষ্ঠানটি ৯৮% দাবি নিষ্পত্তির হার বজায় রেখেছে, যা জীবনবীমা খাতের অন্যতম সর্বোচ্চ দাবি নিষ্পত্তির হার।

মেটলাইফের সহজ ও ঝামেলামুক্ত ডিজিটাল দাবি নিষ্পত্তি ব্যবস্থার মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছেন গ্রাহকেরা। এ ব্যবস্থায় অনলাইনে বীমা দাবি জমা দেওয়ার পর সাধারণত তিন থেকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যেই দাবি করা অর্থ শোধ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির দ্রুত ও কার্যকর দাবি নিষ্পত্তি ব্যবস্থা গ্রাহকের সন্তুষ্টি বাড়ানোর পাশাপাশি বীমা খাতের প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১০ লাখ ব্যক্তি গ্রাহক এবং ৯০০টির বেশি করপোরেট গ্রাহককে বীমা সেবা দিচ্ছে মেটলাইফ বাংলাদেশ।


টেকসই আর্থিক খাত ও কমিউনিটি উন্নয়নে এসডিজি অ্যাওয়ার্ড জিতল বিকাশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এ ২টি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতে নিয়েছে বিকাশ। বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভের উদ্যোগে আয়োজিত এই অ্যাওয়ার্ডের চতুর্থ সংস্করণে ‘মোস্ট সাসটেইনেবল ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন অফ দ্য ইয়ার ইন এমএফএস’ এবং ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন ইন সাসটেইনেবল কমিউনিটি’ ক্যাটাগরিতে ‘বিজয়ী’ হিসেবে পুরস্কার পেয়েছে দেশের বৃহত্তম মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানটি।

সম্প্রতি, রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই সম্মাননা দেয়া হয়। বিকাশ-এর পক্ষ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানটির হেড অব ডিজিটাল অ্যাসেটস অ্যান্ড কমিউনিকেশনস ইশতিয়াক শাহরিয়ার।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে টেকসই সামগ্রিক কৌশল, পরিচালনা পদ্ধতি ও অংশীজনদের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেয়ায় ‘মোস্ট সাসটেইনেবল ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন অফ দ্য ইয়ার ইন এমএফএস’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার অর্জন করে বিকাশ।

পাশাপাশি, সুন্দরবনের মৌয়ালদের জন্য বিকাশ ডিজিটাল লেনদেনের সুযোগ তৈরি করায় নদীপথে টাকা বহনের ঝুঁকি ও মধ্যস্বত্বভোগীদের শোষণ দূর হয়েছে। তাদের জীবনধারা সুরক্ষায় ভূমিকা রাখার এই অনন্য গল্প নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘সাহসেই বিকাশ’ ‘সাসটেইনেবল কমিউনিটি’ ক্যাটাগরিতে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন’ পুরস্কার এনে দিয়েছে বিকাশকে।


টেকসই প্রবৃদ্ধি ও ব্যবসা সম্প্রসারণে ‘রিভার ওয়েভ’ কৌশলগত রোডম্যাপ উন্মোচন করল এনার্জিপ্যাক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের অন্যতম শীর্ষ বিদ্যুৎ ও প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান এনার্জিপ্যাক সম্প্রতি রাজধানীর গুলশান ক্লাবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি নির্বাহী সভার আয়োজন করে। সভায় প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি পরিকল্পনা এবং নতুন আর্থিক পুনর্বিন্যাস কৌশল তুলে ধরা হয়।

‘গ্রোথ ফর গুডনেস’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এনার্জিপ্যাকের নেতৃত্ব ভবিষ্যতমুখী একটি ব্যবসায়িক রূপরেখা উপস্থাপন করেন। এর লক্ষ্য উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো, কার্যক্রম আরও দক্ষ করা এবং মূল ব্যবসা খাতে বাজার সম্প্রসারণ।

সভায় এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসি এর চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রবিউল আলম এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হুমায়ুন রশিদ প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তারা জানান, প্রতিষ্ঠানটি লাইট কমার্শিয়াল ভেহিকল (এলসিভি), ইলেকট্রিক বাস, বাল্ক ও বোতলজাত এলপিজি, সাবস্টেশন এবং ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (বিইএসএস) খাতে কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করবে। পাশাপাশি শিল্প অবকাঠামো খাতেও নতুন বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।

পৃথক এক উপস্থাপনায় প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) মো. আমিনুর রহমান খান প্রতিষ্ঠানের নতুন আর্থিক পুনর্বিন্যাস কৌশল ‘রিভার ওয়েভ’ তুলে ধরেন। এই কৌশলের মূল ভিত্তি হলো রেভিনিউ বেইজড ফাইন্যান্সিং (আরবিএফ)। এর মাধ্যমে রাজস্বভিত্তিক প্রবৃদ্ধি, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং তথ্যনির্ভর সিক্স সিগমা পদ্ধতি অনুসরণ করে উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি কার্যকরভাবে কার্যকরী মূলধন ব্যবস্থাপনা, অপ্রয়োজনীয় সম্পদের পুনর্বিন্যাস এবং দায় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ সময় প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মো. আমিনুর রহমান খান বলেন, “আমাদের ‘রিভার ওয়েভ’ কৌশল একটি সুস্পষ্ট রেভিনিউ বেইজড ফাইন্যান্সিং (আরবিএফ) মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এর মাধ্যমে আমরা দায় কমাতে, কার্যকরী মূলধন ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী করতে এবং ইতিবাচক নগদ প্রবাহ নিশ্চিত করতে চাই। আর্থিক অংশীদারদের সহযোগিতা এবং একটি সুসংগঠিত পরিচালন কাঠামোর মাধ্যমে আমরা একটি শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি গড়ে তুলতে এবং টেকসই মুনাফা অর্জনে আত্মবিশ্বাসী।”

এনার্জিপ্যাক জানায়, এসব কৌশলগত উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তার মূল ব্যবসাকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে টেকসই ও উদ্ভাবনী প্রকৌশল সমাধানের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে অবদান রাখার অঙ্গীকার অব্যাহত রাখবে।


বিকাশ পার্টনার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল হুয়াওয়ে

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বিকাশ আয়োজিত ৬ষ্ঠ ’পার্টনার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানে ‘টেকনোলজি অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে হুয়াওয়ে। বাংলাদেশজুড়ে আট কোটি চল্লিশ লাখেরও বেশি ব্যবহারকারীর জন্য ডিজিটাল আর্থিক সেবার উন্নয়নে প্রযুক্তি সরবরাহকারী ও সহযোগী হিসেবে হুয়াওয়ের অবদানকে এই পুরস্কারের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

বিকাশের সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট বিভাগ আয়োজিত এই বার্ষিক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ৮টি বিভাগে মোট ১৭টি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। প্রতিষ্ঠানগুলি বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের জন্য মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) আরও সহজলভ্য ও নিরবচ্ছিন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। হুয়াওয়ে বিকাশের প্রযুক্তিগত অবকাঠামোতে অবদান রাখায় এই স্বীকৃতি পেয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিকাশের উচ্চ পদস্থ কর্মক্তারা সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে অভিনন্দন জানান। এ সময় বিকাশের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মঈনুদ্দিন মোহাম্মদ রাহগীর এবং সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রাশেদুল আলম হুয়াওয়ের সততা, নিষ্ঠা, নিয়মানুবর্তীতা, এবং সহযোগিতামূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন।

বিকাশের সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রাশেদুল আলম বলেন,“হুয়াওয়ের মতো সহযোগীরা সুনিয়ন্ত্রিত কমপ্লায়েন্স, সর্বোচ্চ নিষ্ঠা এবং সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এই বিষয়গুলো আমাদের কোটি কোটি ব্যবহারকারীর জন্য আরও উন্নত সেবার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করছে।”

হুয়াওয়ে বাংলাদেশের অ্যাকাউন্ট ডিরেক্টর ডু কংকং বলেন, “এই স্বীকৃতি বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গঠনে আমাদের দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারকে তুলে ধরেছে। বিকাশের সঙ্গে আমরা এমন একটি প্রযুক্তিগত অবকাঠামো নির্মাণে কাজ করে যাব, যা আধুনিক আর্থিক সেবার মাধ্যমে দেশের কোটি কোটি মানুষের ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখবে।”

প্রায় এক দশক ধরে হুয়াওয়ে ও বিকাশ বাংলাদেশের ডিজিটাল আর্থিক সেবার অবকাঠামো গঠন ও সম্প্রসারণে এবং এটিকে ভবিষ্যতের জন্য উপযোগী করে তুলতে একসঙ্গে কাজ করে আসছে। বিকাশের অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি অংশীদার হিসেবে হুয়াওয়ে ধারাবাহিকভাবে আধুনিক, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য প্রযুক্তিগত অবকাঠামো নিশ্চিত করেছে, যা সারা দেশে বিকাশের দ্রুত সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

হুয়াওয়ের সমন্বিত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সল্যুশন বিকাশের দৈনন্দিন কার্যক্রমকে প্রযুক্তিগতভাবে সহায়তা করছে। বিকাশের মূল ফিনটেক ই-ওয়ালেট প্ল্যাটফর্ম হুয়াওয়ের প্রযুক্তি অবকাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয় । এর মাধ্যমে দৈনিক বিভিন্ন লেনদেন, যেমন ক্যাশ-ইন, ক্যাশ-আউট, পিয়ার-টু-পিয়ার ট্রান্সফার এবং ইউটিলিটি বিল পরিশোধের ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিকাশের ৮.২ কোটিরও বেশি নিবন্ধিত ব্যবহারকারী প্রতিদিন নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল আর্থিক সেবা গ্রহণ করছেন।

বিকাশের এই স্বীকৃতি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নে হুয়াওয়ের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। একই সাথে এটি বিশ্বের অন্যতম বিকাশমান মোবাইল আর্থিক সেবার বাজারে বিশ্বস্ত প্রযুক্তি সহযোগী হিসেবে হুয়াওয়ের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে। বর্তমানে হুয়াওয়ের ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল প্ল্যাটফর্ম বিশ্বব্যাপী প্রায় ৪১ কোটি ব্যবহারকারীকে সেবা প্রদান করছে। এই প্ল্যাটফর্ম এশিয়া ও আফ্রিকার ৬০টিরও বেশি বাজারে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং বিশ্বের ডিজিটাল অর্থনীতির সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।


আইইউবিএটি ও লে মেরিডিয়ান ঢাকার মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)-এর কলেজ অব ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট (সিটিএইচএম) এবং দেশের অন্যতম আন্তর্জাতিক মানের পাঁচ তারকা হোটেল লে মেরিডিয়ান ঢাকা-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সম্প্রতি লে মেরিডিয়ান ঢাকায় এক বর্ণাঢ্য স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এই সমঝোতা স্মারক আইইউবিএটির কলেজ অব ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট এবং লে মেরিডিয়ান ঢাকার মধ্যে শিক্ষা ও শিল্পখাতের পারস্পরিক সহযোগিতাকে আরও সুদৃঢ় করবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ, শিল্প-প্রশিক্ষণ, বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা, যৌথ গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

অনুষ্ঠানে আইইউবিএটির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুর রব, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মমতাজুর রহমান এবং কলেজ অব ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট-এর চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা তালুকদার। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

অন্যদিকে, লে মেরিডিয়ান ঢাকার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন হোটেলের জেনারেল ম্যানেজার মি. কনস্টান্টিনোস এস. গ্যাভ্রিয়েল, মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক মো. এমামুল হক এবং হোটেলের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর অংশীদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের পেশাগত পরিবেশে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে, যা তাদের কর্মজীবনে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। অনুষ্ঠানটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ভবিষ্যতে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তারা আশা প্রকাশ করেন, এই অংশীদারিত্ব শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন, শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা জোরদার এবং বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই সমঝোতা স্মারক আইইউবিএটির কলেজ অব ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট-এর শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন আতিথেয়তা শিক্ষা ও পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।


পিকেএসএফ’র সঙ্গে ক্রেডিট গ্যারান্টি চুক্তি স্বাক্ষর করল মার্কেন্টাইল ব্যাংক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর সঙ্গে ‘ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম’ (সিইএস)-এর আওতায় ক্রেডিট গ্যারান্টি সেবা গ্রহণের লক্ষ্যে সম্প্রতি একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিআরও মো. জাকির হোসেন এবং ব্যাংকের গুলশান শাখার প্রধান ও ইভিপি ফরিদ আহমেদ।

উক্ত চুক্তির শর্তানুযায়ী, পিকেএসএফ’র ক্রেডিট গ্যারান্টি সুবিধার বিপরীতে মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিকেএসএফ-এর সিইএস তালিকাভুক্ত অংশীদার প্রতিষ্ঠানসমূহকে ঋণ সুবিধা প্রদান করবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে দেশজুড়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিভিন্ন উদ্যোগে অর্থায়নের গতি আরও জোরদার ও বেগবান করতে উভয় প্রতিষ্ঠানই উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে।


ক্রেডেন্স হাউজিংয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে মিডল্যান্ড ব্যাংক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ক্রেডেন্স হাউজিং লিমিটেডের গ্রাহকদের ঋণ সুবিধা দিতে কোম্পানিটির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে মিডল্যান্ড ব্যাংক।

ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চুক্তির আওতায় ক্রেডেন্স হাউজিংয়ের গ্রাহকরা মিডল্যান্ড ব্যাংক থেকে ‘প্রতিযোগিতামূলক শর্তে’ হোম লোন নিতে পারবেন।

মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ ইউ আহমেদ এবং ক্রেডেন্স হাউজিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিল্লুর করিম নিজ নিজ কোম্পানির পক্ষে সই করেন।

অনুষ্ঠানে ক্রেডেন্স হাউজিংয়ের পরিচালক সৈয়দ মাহমুদ জোবায়ের, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার কণিকা কবির ও হেড অব প্ল্যানিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট রেজাউল করিম উপস্থিত ছিলেন।

মিডল্যান্ড ব্যাংকের এসইভিপি ও হেড অব ইনস্টিটিউশনাল ব্যাংকিং মোহাম্মদ জাভেদ তারেক খান, ভিপি ও রিটেইল কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ রাশাদুল আনোয়ার এবং ধানমন্ডি শাখার প্রধান মোহাম্মদ তারিকুল হাসানও অনুষ্ঠানে ছিলেন।


নোয়াখালী ক্লাবে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের নতুন এটিএম বুথ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

রাজধানীর নোয়াখালী ক্লাব, ঢাকা লিমিটেড প্রাঙ্গণে নতুন একটি এটিএম বুথ চালু করেছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি। এর মাধ্যমে ব্যাংকটির এটিএম বুথের সংখ্যা বেড়ে ২০০-তে দাঁড়িয়েছে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বুথটির উদ্বোধন করেন মার্কেন্টাইল ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ খান বেলাল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নোয়াখালী ক্লাব, ঢাকা লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল হাই।

এ সময় মার্কেন্টাইল ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিবিও ড. মো. জাহিদ হোসেন, ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তারা এবং নোয়াখালী ক্লাবের পরিচালক ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন এই এটিএম বুথ চালুর মাধ্যমে ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবার পরিধি আরও বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রাহকদের আধুনিক ও সার্বক্ষণিক আর্থিক সেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক।


banner close