বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

উদ্ভাবনী প্রযুক্তির স্মার্ট ফ্রিজ আনল ওয়ালটন

ওয়ালটন ফ্রিজ আরঅ্যান্ডআই টিমের নিজস্ব উদ্ভাবিত অত্যাধুনিক ‘এআই ডক্টর’ ফিচারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত  
করপোরেট ডেস্ক
প্রকাশিত
করপোরেট ডেস্ক
প্রকাশিত : ১০ জুন, ২০২৪ ১৩:৪৭

বাংলাদেশের সুপার ব্র্যান্ড ওয়ালটনের আইওটি (ইন্টারনেট অব থিংস) সমৃদ্ধ স্মার্ট ফ্রিজে যুক্ত করা হয়েছে ‘এআই ডক্টর’ ফিচার। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট এই ফিচার গ্রাহকের বাসায় ব্যবহৃত ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজের কুলিং পারফরম্যান্স, সেন্সরসহ অন্যান্য কম্পোনেন্টসে কোনো সমস্যা হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে তৎক্ষণাৎ নিজেই সমাধানের চেষ্টা করবে। যদি তা না পারে, সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহকের বাসার কাছের সার্ভিস সেন্টারে নোটিফিকেশন পাঠিয়ে দেবে। নোটিফিকেশন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাস্টমার কেয়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি গ্রাহকের সাথে যোগাযোগ করে বাসায় গিয়ে সমস্যা সমাধান করে দেবে। ফলে গ্রাহক ফ্রিজের কোনো অস্বাভাবিকতা বোঝার অনেক আগেই পেয়ে যাবেন প্রয়োজনীয় বিক্রয়োত্তর সেবা।

বাংলাদেশে ওয়ালটনই প্রথম স্মার্ট ফ্রিজে এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ফিচার সংযোজন করেছে। এর মধ্য দিয়ে উৎকর্ষ ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তির স্মার্ট ফ্রিজ উৎপাদনে বাংলাদেশকে নতুন এক উচ্চতায় নিয়ে গেল ওয়ালটন।

গতকাল রোববার সকালে রাজধানীর বসুবন্ধরায় ওয়ালটন করপোরেট অফিসের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘এআই ডক্টর ফিচার’ উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকার ও ইভা রিজওয়ানা নিলু, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউসুফ আলী, চিফ মার্কেটিং অফিসার দিদারুল আলম খান, ওয়ালটন ফ্রিজের চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) তাহসিনুল হক, ডেপুটি সিবিও আনিসুর রহমান মল্লিক, ফ্রিজ রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন (আরঅ্যান্ডআই) বিভাগের প্রধান আজমল ফেরদৌস বাপ্পী ও ডেপুটি হেড আব্দুল মালেকসহ প্রতিষ্ঠানের অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে ওয়ালটন ফ্রিজের সিবিও তাহসিনুল হক বলেন, গ্রাহকদের হাতে বিশ্বমানের পণ্য তুলে দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত এবং সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ওয়ালটন। তাই ব্যাপক গবেষণার মাধ্যমে ফ্রিজে প্রতিনিয়ত নিত্য নতুন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও ফিচার যুক্ত করছে ওয়ালটনের রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন টিমের প্রকৌশলীরা। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে বাংলাদেশে প্রথম স্মার্ট ফ্রিজে নিজস্ব উদ্ভাবিত ‘এআই ডক্টর’ ফিচার সংযোজন করতে সক্ষম হয়েছে ওয়ালটন। এর ফলে ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজের গ্রাহকেরা এখন আরো উন্নত ও দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবা পাবেন। পাশাপাশি উদ্ভাবনী প্রযুক্তির স্মার্ট ফ্রিজ উৎপাদনে বাংলাদেশ এক বিশাল মাইলফলক অর্জন করল।

এআই ডক্টর ফিচারের বিস্তারিত তুলে ধরে ওয়ালটন ফ্রিজ আরঅ্যান্ডআই বিভাগের প্রধান আজমল ফেরদৌস বাপ্পী বলেন, এআই ডক্টর ফিচার ওয়ালটন আরঅ্যান্ডআই টিমের নিজস্ব উদ্ভাবন। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বেজড এই ফিচারটি ডেভলপ, ডাটা অ্যানাইলিস ইত্যাদি নিয়ে আমাদের আরঅ্যান্ডআই টিমের প্রকৌশলীরা প্রায় দুই বছর ধরে কাজ করেছে। আজ (গতকাল) আনুষ্ঠানিকভাবে এইআই ডক্টর ফিচার উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে তাদের সেই অক্লান্ত পরিশ্রম স্বার্থকতা পেল।

তিনি জানান, এআই ডক্টর ফিচারের মাধ্যমে ফ্রিজ ওয়াইফাই এ সংযুক্ত থাকলেই তার বিভিন্ন সেন্সর থেকে প্রতিনিয়ত পাঠানো তথ্যগুলো এনালাইসিস করবে। আর সেট করা স্ট্যান্ডার্ডের সাথে ওই সব প্রাপ্ত তথ্যের সামান্যতম ভেরিয়েশন হলে তৎক্ষণাৎ এআই ডক্টর স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা ঠিক করার চেষ্টা করবে। যদি না পারে, এআই ডক্টর গ্রাহকের বাসার নিকটস্থ সার্ভিস সেন্টারে নোটিফিকেশন পাঠিয়ে দেবে। নোটিফিকেশন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাস্টমার কেয়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি গ্রাহকের সাথে যোগাযোগ করে বাসায় গিয়ে সমস্যা সমাধান করে দেবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, যেসব গ্রাহক ইতোমধ্যে ওয়ালটনের আইওটি বেজড স্মার্ট ফ্রিজ ব্যবহার করছেন, তাদের ওই সব ফ্রিজেও এআই ডক্টরের সুবিধা পাবেন। তাদের ফ্রিজগুলো ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় আসা মাত্রই স্বয়ংক্রিয়ভাবে এআই ডক্টর ফিচার আপডেট হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে সারা দেশে ওয়ালটনের কয়েক সহস্রাধিক গ্রাহকের স্মার্ট ফ্রিজ ‘এআই ডক্টর’ সুবিধার আওতাভুক্ত হয়েছে। বর্তমানে ওয়ালটনের আইওটি বেজড ৫টি মডেলের স্মার্ট ফ্রিজ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। এই বছরের মধ্যে আরও ৬টি নতুন মডেলের স্মার্ট ফ্রিজ বাজারে ছাড়বে।

ওয়ালটন ফ্রিজে ক্রেতারা পাচ্ছেন ১ বছরের রিপ্লেসমেন্টসহ কম্প্রেসরে ১২ বছরের গ্যারান্টি এবং ৫ বছরের ফ্রি বিক্রয়োত্তর সেবার সুবিধা। এছাড়া রয়েছে আইএসও সনদপ্রাপ্ত দেশব্যাপী বিস্তৃত ৮০টিরও বেশি সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবার নিশ্চয়তা।

বিষয়:

ট্রফি উন্মোচনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো ফ্রস্ট ব্লাস্ট টি-টোয়েন্টি সিজন-০৩ (কর্পোরেট)-এর কাউন্টডাউন

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৭
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের কর্পোরেট ক্রিকেটের অন্যতম জমকালো আসর ফ্রস্ট ব্লাস্ট টি-টোয়েন্টি সিজন-০৩ (কর্পোরেট)-এর অধিনায়কদের মিলনমেলা ও ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠান আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ক্যাফে লিও-তে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজক প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাভেরিক্স-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে অংশগ্রহণকারী ১২টি দলের অধিনায়ক, প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, স্পন্সর ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে গ্রুপ পর্বের ড্র সম্পন্ন হয়।

এবারের আসরে দেশের শীর্ষস্থানীয় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও বহুজাতিক কোম্পানির মোট ১২টি দল অংশ নিচ্ছে। দলগুলোকে চারটি করে তিনটি গ্রুপে (এ, বি ও সি) ভাগ করা হয়েছে। গ্রুপ পর্ব শেষে দলগুলো তিনটি আলাদা শিরোপার লড়াইয়ে নামবে: কাপ, প্লেট ও বোল চ্যাম্পিয়নশিপ।

টুর্নামেন্ট শুরু হবে ২ অক্টোবর ২০২৬ (শুক্রবার), আর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৩ নভেম্বর ২০২৬ (শুক্রবার)। সব ম্যাচ হবে ঐতিহ্যবাহী বসুন্ধরা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে (বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটি)। গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো হবে দিনে, আর নকআউট পর্বের ম্যাচগুলো হবে ফ্লাডলাইটের আলোয়। পূর্ণাঙ্গ সূচি শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।

ঢাকা ম্যাভেরিক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. তৌহিদ বিন শফি বলেন,

"ফ্রস্ট ব্লাস্ট শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, এটি কর্পোরেট বাংলাদেশের কর্মীদের একসঙ্গে মাঠে নামার উৎসব। তৃতীয় আসরে ১২টি দলের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, কর্পোরেট অঙ্গনে ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। পেশাদার মানের আয়োজন আর অপেশাদার ক্রিকেটের সততা, এই দুইয়ের মেলবন্ধনই আমাদের লক্ষ্য। আমাদের স্পন্সর ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।"

অংশগ্রহণকারী দলসমূহ:
Japan tobacco international Bangladesh, standard Chartered Bank, Grameenphone, ঢাকা প্লেয়ার্স, Weekend sports family, HSBC, United commercial bank PLC, Bashundhara strikers, Team Architect, Bangladesh lawyers cricket club, ঢাকা ম্যাভেরিক্স ও dhaka ক্রিকেটার্স।

স্পন্সর ও সহযোগী প্রতিষ্ঠান:

  • টাইটেল স্পন্সর: গোল্ড'স জিম
  • কো-টাইটেল স্পন্সর: সেন্ট্রাম
  • পাওয়ার্ড বাই: ক্যাফে লিও
  • মিডিয়া পার্টনার: টি স্পোর্টস ও দৈনিক বাংলা
  • ফ্যান এনগেজমেন্ট পার্টনার: কানেক্ট
  • গিফট পার্টনার: মুজার ঘর


হৃদরোগ সচেতনতায় পেশেন্ট ফোরাম আয়োজন করেছে এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

হৃদযন্ত্র থেমে গেলে থেমে যায় জীবন। তবে হৃদরোগের অনেক ঝুঁকি ও উপসর্গ সময়মতো শনাক্ত করা গেলে গুরুতর পরিণতি এড়ানো সম্ভব। এই বার্তাকে সামনে রেখে বিশ্ব হার্ট দিবস ২০২৬ উপলক্ষে এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা আয়োজন করে একটি র‍্যালি এবং বিশেষ পেশেন্ট ফোরাম- এর। এবারের প্রতিপাদ্য ‘ডোন্ট মিস এ বিট’ বা ‘কোনো হৃদস্পন্দনকে উপেক্ষা নয়’ এর মাধ্যমে হৃদরোগ প্রতিরোধ, প্রাথমিক শনাক্তকরণ এবং সবার জন্য মানসম্মত হৃদরোগ চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে এভারকেয়ার হসপিটালস, বাংলাদেশ- এর গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ সহ হাসপাতালের কার্ডিওলজিস্ট, কর্মকর্তা ও রোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

পেশেন্ট ফোরামে বিশেষজ্ঞ কার্ডিওলজিস্টরা জানান, হৃদরোগ সবসময় স্পষ্ট লক্ষণ নিয়ে আসে না। বুকে ব্যথা বা চাপ, অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্ট, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া কিংবা অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের মতো উপসর্গ দেখা দিলে তা অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত ওজন, ধূমপান এবং পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস থাকলে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ঝুঁকি মূল্যায়নের প্রয়োজন আরও বেশি। সময়মতো রোগ শনাক্ত করা গেলে অনেক ক্ষেত্রেই জটিলতা কমানো এবং জীবন রক্ষা করা সম্ভব।

হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে কার্ডিওলজিস্টরা সুষম খাবার গ্রহণ, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ওজন নিয়ন্ত্রণ, মানসিক চাপ কমানো, ধূমপান ত্যাগ এবং পর্যাপ্ত ঘুমের ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে রক্তচাপ, রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। হৃদরোগ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনকে চিকিৎসার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন তারা।

আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায় মা ও শিশুর হৃদস্বাস্থ্য। জন্মগত হৃদরোগ পরিকল্পিত গর্ভধারণের ৩ মাস আগে এমএমআর টিকা, ডায়াবেটিস মেলাইটাস নিয়ন্ত্রণ, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং গর্ভাবস্থায় টেরাটোজেনিক ওষুধ পরিহারের মাধ্যমে প্রতিরোধ করা যেতে পারে। গর্ভাবস্থায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি জন্মগত হৃদরোগ দ্রুত শনাক্ত করতে উপযুক্ত ক্ষেত্রে ফিটাল ইকোকার্ডিওগ্রাফির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। শিশুদের হৃদরোগের ঝুঁকি ও প্রাথমিক পর্যায়ে তা শনাক্ত করার বিষয়েও অভিভাবকদের সচেতন করা হয়। জন্মের পর থেকেই দ্রুত শ্বাস নেওয়া, বয়স অনুযায়ী ওজন না বাড়া, ত্বক বা ঠোঁট নীলচে হয়ে যাওয়া এবং বারবার নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়া— হতে পারে জন্মগত হৃদ্‌রোগের সম্ভাব্য লক্ষণ ও উপসর্গ হতে পারে।

অনুষ্ঠানে রোগীদের সঙ্গে বিশেষজ্ঞ কার্ডিওলজিস্টরা সরাসরি মতবিনিময় করেন। রোগীরা হৃদরোগ, চিকিৎসা, জীবনযাপন ও ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন এবং চিকিৎসকদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ নেন। এ সময় কার্ডিওলজিস্টরা বলেন, আধুনিক ও বিশ্বমানের হৃদরোগ চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়াই একমাত্র পথ নয়; বাংলাদেশেও এখন উন্নত কার্ডিয়াক চিকিৎসার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে সচেতনতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা বিভিন্ন কর্পোরেট অফিস ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিনামূল্যে ইসিজি ক্যাম্পেইন পরিচালনা করেছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি, প্রাথমিক পর্যায়ে সম্ভাব্য হৃদরোগ শনাক্তকরণ এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে মানুষকে উৎসাহিত করা হয়।

এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি, ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড ইন্টারভেনশনাল পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজি, কার্ডিওথোরাসিক অ্যান্ড ভাসকুলার সার্জারি এবং হার্ট ফেইলিওর অ্যান্ড অ্যারিদমিয়া এই বিশেষায়িত সেবাগুলোর সমন্বয়ে হৃদরোগীদের জন্য পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। আধুনিক প্রযুক্তি, বিশেষজ্ঞ কার্ডিওলজিস্ট এবং সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থার মাধ্যমে হাসপাতালটি হৃদরোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সময়মতো রোগ নির্ণয় ও উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। বিশ্ব হার্ট দিবসের বার্তাও তাই স্পষ্ট হৃদযন্ত্রের যত্নে অপেক্ষা নয়, সচেতনতাই হতে পারে জীবন রক্ষার প্রথম পদক্ষেপ।


ভয়েস কলে আনলিমিটেড ইন্টারনেট দেবে বাংলালিংক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

প্রতি মিনিট কথা বলার বিপরীতে গ্রাহকদের ১০ মেগাবাইট (এমবি) করে বিনা মূল্যে ইন্টারনেট দিচ্ছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। বাংলাদেশে কোনো মোবাইল অপারেটরের এ ধরনের উদ্যোগ এটিই প্রথম।

আজ ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে চালু হওয়া এ অফার বাংলালিংকের সকল প্রিপেইড ও পোস্টপেইড গ্রাহক উপভোগ করতে পারবেন। আউটগোয়িং কলে এক মিনিট কথা বললেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১০ এমবি করে বোনাস ইন্টারনেট পাবেন তাঁরা। এ বোনাসের মেয়াদ থাকবে এক দিন। অনলাইনে যেকোনো কাজে এ বোনাস ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন গ্রাহকেরা।

এ সুবিধা পেতে গ্রাহকদের আলাদা করে কোনো অফার চালু করতে হবে না। এক মিনিটের কল শেষ হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাঁদের অ্যাকাউন্টে ১০ এমবি ইন্টারনেট যোগ হবে।

এক মিনিট পূর্ণ হওয়ার পর অতিরিক্ত যত সেকেন্ড কথা বলা হবে, তা পরের কলের সময়ের সঙ্গে যোগ হবে। যেমন, কোনো গ্রাহক এক মিনিট ৪০ সেকেন্ড কথা বললে প্রথম এক মিনিটের জন্য ১০ এমবি বোনাস ইন্টারনেট পাবেন। বাকি ৪০ সেকেন্ড পরের কলের সঙ্গে যোগ হবে। ফলে পরের কলে ২০ সেকেন্ড কথা বললেই আগের ৪০ সেকেন্ডসহ এক মিনিট পূর্ণ হবে এবং আরও ১০ এমবি বোনাস ইন্টারনেট পাবেন গ্রাহক।

এ উদ্যোগের বিষয়ে বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন,“বাংলালিংকে গ্রাহকদেরকে আমরা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিই। তাঁরা প্রতিদিন কীভাবে সেবা ব্যবহার করেন, সেটি আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। সেই ভাবনা থেকেই এই উদ্যোগ। সাধারণ ফোন কলের সঙ্গে আমরা এবার বাড়তি একটি সুবিধা যোগ করেছি। গ্রাহক যত মিনিট কথা বলবেন, সেই সময়ের বিপরীতে তাঁরা বোনাস ইন্টারনেট পাচ্ছেন।”

গ্রাহকদের প্রতিদিনের যোগাযোগের অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করতে এ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলালিংক। পরবর্তী নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত এ অফার চালু থাকবে। ফলে নিয়মিত কানেক্টিভিটি সেবা ব্যবহারেই বাড়তি এ সুবিধা পাচ্ছেন বাংলালিংক গ্রাহকেরা।


বিইউএফটির ট্রাস্টি বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান মেসবা উদ্দিন আলী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি)-এর নবগঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের (বিওটি) চেয়ারম্যান মনোনীত হয়েছেন ওয়েগা গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. মেসবা উদ্দিন আলী।

আজ সোমবার অনুষ্ঠিত বিইউএফটির নবগঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের প্রথম সভায় তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করা হয়।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা, প্রশাসন ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন আরও জোরদার করার পাশাপাশি ধারাবাহিক অগ্রযাত্রা ও বিকাশে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা।

সভায় বাংলাদেশের টেক্সটাইল, পোশাক ও ফ্যাশন খাতে শিক্ষা ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে বিইউএফটির ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে কৌশলগত উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়।


বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ২৮তম এজিএম

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ২৮তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এজিএম অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমান। সভায় উপস্থিত ছিলেন পর্ষদ সদস্য মো. মহসিন মিয়া, কামরুল হক মারুফ ও শেখ আশ্রাফুজ্জামান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওবায়দুল হক, অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম এবং কোম্পানি সচিব মো. ওমর ফারুক ভূঁঞা। এতে ২০২৫ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুমোদন এবং ২০২৬ সালের জন্য নিরীক্ষক নিয়োগ ও ফি নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া ব্যাংকের আগামী বছরের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।


পুন:অর্থায়ন স্কিমের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি সই

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে টেকসই শিল্পায়ন, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির বিকাশে অর্থায়নের সুযোগ বাড়াতে ২,০০০ (দুই হাজার) কোটি টাকা পুন:অর্থায়ন স্কিমের আওতায় গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি প্রতিষ্ঠা এবং আইসিটি খাতের উন্নয়নে সহায়তার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট এর সঙ্গে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর দুইটি অংশগ্রহণমূলক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট এর পরিচালক জনাব এ কে এম নূরুন্নবী এবং শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে উক্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। দেশের পরিবেশবান্ধব শিল্প ও তথ্য-প্রযুক্তি খাতে অর্থায়ন বাড়াতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। উক্ত চুক্তির ফলে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।


দেশজুড়ে ওয়ালটন প্লাজার টিভি স্ক্রিনে প্রচারিত হবে মুন অ্যালার্টের নিখোঁজ বার্তা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

হারিয়ে যাওয়া বা নিখোঁজ মানুষকে দ্রুত খুঁজে পেতে এবার এগিয়ে এলো দেশের বৃহৎ ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিক্রয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজা। এ লক্ষ্যে নিখোঁজ ব্যক্তিদের জরুরি তথ্য প্রচারকারী প্ল্যাটফর্ম ‘মুন অ্যালার্ট’-এর সঙ্গে যৌথভাবে ‘মিসিং পারসনস ব্রডকাস্ট’ উদ্যোগ চালু করেছে ওয়ালটন প্লাজা। এর আওতায় দেশজুড়ে ৭০০টিরও বেশি ওয়ালটন প্লাজার টিভি স্ক্রিনে যাচাইকৃত নিখোঁজ ব্যক্তিদের ছবি ও প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়মিত প্রচার করা হবে।

এই লক্ষ্যে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) রাজধানীর ওয়ালটন করপোরেট অফিসে ওয়ালটন প্লাজা এবং মুন অ্যালার্টের মধ্যে এক পারস্পরিক সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান এবং মুন অ্যালার্ট এর প্রতিষ্ঠাতা প্রতিষ্ঠান জিরো মিসিং ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট সাদাত রহমান।

সে সসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ক্রিয়েটিভ পার্টনার পপ-ফাইভ এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার মাসুদ পারভেজসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাগণ।

অনুষ্ঠানে ওয়ালটন প্লাজার এমডি মোহাম্মদ রায়হান বলেন, “ওয়ালটন প্লাজা শুধু পণ্য বিক্রয় ও সেবাদানের মধ্যেই নিজেদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখেনি বরং সাধারণ মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগেও সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই নিখোঁজ মানুষের তথ্য দ্রুত ও ব্যাপকভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে মুন অ্যালার্টের সঙ্গে আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি।”

তিনি জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ নিকটস্থ ওয়ালটন প্লাজায় গিয়ে সর্বশেষ নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্য দেখতে পারবেন। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে মুন অ্যালার্টের হেল্পলাইন ১৩২১৯ ও ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে নিখোঁজ ব্যক্তির বিষয়ে রিপোর্ট এবং পূর্ববর্তী রিপোর্টের তথ্য অনুসরণ করতে পারবেন।

ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ বলেন, “দেশজুড়ে বিস্তৃত ওয়ালটন প্লাজাগুলোতে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটে। এই শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ও প্লাজার টিভি স্ক্রিনগুলোকে নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্য প্রচারে কাজে লাগানো আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতারই অংশ। আমরা বিশ্বাস করি, উদ্যোগটি নিখোঁজ মানুষকে দ্রুত খুঁজে পেতে এবং তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”

মুন অ্যালার্ট এর প্রতিষ্ঠাতা সাদাত রহমান বলেন, “যাচাইকৃত তথ্য যত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাবে, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনাও তত বাড়বে। ওয়ালটন প্লাজার দেশব্যাপী বিস্তৃত নেটওয়ার্ক এমন অনেক জায়গায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্য পৌঁছে দিতে সহায়তা করবে, যেখানে আমাদের একার পক্ষে পৌঁছানো কঠিন। এই মানবিক উদ্যোগে ওয়ালটন প্লাজাকে পাশে পেয়ে আমরা আনন্দিত।”


ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের ৩০ বছর পূর্তি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

গৃহঋণকে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসা এবং দেশের আবাসন খাতের বিকাশে অবদান রাখার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করা ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি ৩০ বছর পূর্ণ করেছে। ১৯৯৬ সালে কার্যক্রম শুরুর পর থেকে দেশের গৃহায়ন অর্থায়ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। তিন দশকের পথচলায় ৬৩ হাজারের বেশি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে ডিবিএইচ। এর মাধ্যমে বহু মানুষের নিজস্ব বাড়ির স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

গ্রাহককেন্দ্রিক সেবা, ঋণ ব্যবস্থাপনায় বিচক্ষণতা এবং সেবার মান ধরে রাখার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে গৃহায়ন অর্থায়ন খাতে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে ডিবিএইচ। প্রতিষ্ঠানটির ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিমুল বাতেন বলেন, ৩০ বছর পূর্ণ করা ডিবিএইচের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক। তবে এর চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো হাজারো পরিবার, গ্রাহক, অংশীদার ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারের দীর্ঘদিনের আস্থাকে উদযাপন করা। ভবিষ্যতেও দায়িত্বশীল অর্থায়ন, উদ্ভাবন ও টেকসই সমাধানের মাধ্যমে দেশের আবাসন খাতকে এগিয়ে নিতে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

দীর্ঘদিনের কার্যক্রমে আর্থিক শৃঙ্খলা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে ডিবিএইচ। প্রতিষ্ঠানটি টানা ২১ বছর ‘এএএ’ ক্রেডিট রেটিং অর্জন করেছে। পাশাপাশি, ডিবিএইচের খেলাপি ঋণের হার কখনো ১ শতাংশ ছাড়ায়নি। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এই ধারাবাহিকতা তাদের আর্থিক সক্ষমতা, বিচক্ষণ ঋণ ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার প্রতিফলন।

বর্তমানে দেশের ১৯টি শাখার মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে ডিবিএইচ। এসব শাখা থেকে প্রচলিত ও ইসলামী—দুই ধরনের অর্থায়ন ব্যবস্থার আওতায় সাধারণ ও সাশ্রয়ী গৃহঋণসহ বিভিন্ন সেবা দেওয়া হচ্ছে।

আগামী দিনে তিন দশকের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আরও বেশি মানুষের কাছে গৃহায়ন অর্থায়নের সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। একই সঙ্গে সারা দেশে কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানো এবং পরিবেশবান্ধব ও টেকসই আবাসনকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যেও কাজ করবে ডিবিএইচ।


জনতা ব্যাংক পিএলসি’র ৯০৩তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

২৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার জনতা ব্যাংক পিএলসি’র ৯০৩তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মুহঃ ফজলুর রহমান সিএসপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পর্ষদের পরিচালক আব্দুল আউয়াল সরকার, ড. মোঃ শাহাদাৎ হোসেন, মোঃ আহসান কবীর, অধ্যাপক ড. এ. এ. মাহবুব উদ্দিন চৌধুরী, খন্দকার মামুন এফসিএ, আজিজুন নাহার ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মজিবর রহমান এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফয়েজ আলম ও মোঃ নূরুল হুদা উপস্থিত ছিলেন। সভায় শ্রেণীকৃত খেলাপি ঋণ আদায়সহ ব্যাংকের অন্যান্য করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়।


আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সাউথইস্ট ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান টেলিক্যাশ-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণ এবং ক্যাশলেস বা নগদবিহীন ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করেছে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘টেলিক্যাশ লিমিটেড’। সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-র অঙ্গপ্রতিষ্ঠান টেলিক্যাশ লিমিটেড গত ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বাণিজ্যিকভাবে সেবা চালুর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে। এই ঐতিহাসিক অর্জন উপলক্ষে ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ঢাকার সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-র প্রধান কার্যালয়ে এক বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-র সম্মানিত চেয়ারম্যান, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি জনাব এম. এ. কাশেম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টেলিক্যাশ লিমিটেড-এর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জনাব নাসির উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব মো. খালিদ মাহমুদ খান এবং টেলিক্যাশ লিমিটেড-এর ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব এ.কে.এম. মনিরুল ইসলামসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-র চেয়ারম্যান জনাব এম. এ. কাশেম বলেন, “বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি জোরদার ও ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সেবাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে টেলিক্যাশ লিমিটেড-এর যাত্রা শুরু একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। মূল ব্যাংক হিসেবে সাউথইস্ট ব্যাংক টেলিক্যাশকে প্রয়োজনীয় কৌশলগত সহায়তা ও নির্দেশনা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে তারা সাধারণ মানুষের কাছে নিরাপদ, সহজ ও উদ্ভাবনী আর্থিক সমাধান পৌঁছে দিতে পারে।”

টেলিক্যাশ লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান জনাব নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, “টেলিক্যাশ-এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ দেশের ডিজিটাল আর্থিক সেবার প্রসারে আমাদের অঙ্গীকারের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। সাউথইস্ট ব্যাংকের অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতাকে কাজে লাগিয়ে আমরা একটি নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য এবং গ্রাহক-কেন্দ্রিক এমএফএস প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির টেকসই প্রবৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”

অনুষ্ঠানে টেলিক্যাশ লিমিটেড-এর ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব এ.কে.এম. মনিরুল ইসলাম প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কৌশল ও লক্ষ্য তুলে ধরে বলেন, “টেলিক্যাশ কেবল বাজারে আরেকটি এমএফএস ব্র্যান্ড হিসেবে নয়; বরং প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ, ঝুঁকি-সচেতন পরিচালন এবং সুশাসনের সমন্বয়ে একটি আস্থাশীল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে চায়।” তিনি উল্লেখ করেন, "নিরাপদ লেনদেন নিমিষেই" অঙ্গীকারকে পাথেয় করে ইধহমষধ ছজ ভিক্তিক ডিজিটাল লেনদেনকে সহজতর ও সাশ্রয়ী করাই টেলিক্যাশের মূল লক্ষ্য।

সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জনাব মো. খালিদ মাহমুদ খান ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে একটি শক্তিশালী ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি, ব্যবসায়িক সহযোগী ও সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ডিজিটাল ও ক্যাশলেস বাংলাদেশ নির্মাণের নতুন অঙ্গীকারের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।


আকিজ ফ্লাওয়ার মিলস লিমিটেডের ১০ বছর পূর্তি উদযাপন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশের অন্যতম ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান আকিজ ফ্লাওয়ার মিলস লিমিটেডের সেলস কনফারেন্স ও ১০ বছর পূর্তি উৎসব শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) উদযাপিত হয়েছে।

শেরাটন ঢাকার গ্র্যান্ড বলরুমে, সারা দেশ থেকে আগত ডিস্ট্রিবিউটর, সেলস নেতৃবৃন্দ, কর্পোরেট গ্রাহক এবং প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আকিজ ইনসাফ গ্রুপের সম্মানিত ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস কে জামিল উদ্দিন। তিনি তার বক্তব্যে আগত অতিথিদের ধন্যবাদ জানান এবং বিগত বছর গুলোতে উল্লেখযোগ্য ফলাফল অর্জন করায় সর্বস্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন আকিজ ইনসাফ গ্রুপের সম্মানিত ডিরেক্টর ডা. রেজওয়ানা আফরোজ স্বরণী। আরো উপস্থিত ছিলেন আকিজ ইনসাফ গ্রুপের অ্যাডভাইজার ডাক্তার আশরাফুল বারি এবং মুসলিম চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আকিজ ফ্লাওয়ার মিলস লিমিটেডের সম্মানিত সিইও অনুপ কুমার সাহা এবং বিভিন্ন স্তরের সেলস নেতৃবৃন্দ।


আইএফআইসির গবেষণা অনুদান ও বৃত্তি পেলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০ শিক্ষার্থী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০ শিক্ষার্থীকে গবেষণা অনুদান ও বৃত্তি দিয়েছে আইএফআইসি ব্যাংক।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে তাদের হাতে চেক তুলে দেওয়া হয় বলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টির ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২০২৪ সেশনের ৫০ শিক্ষার্থীকে গবেষণা অনুদান ও ৩০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তির চেক হস্তান্তর করা হয়।

২০১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আইএফআইসি ব্যাংক ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হয়। ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টির বিভিন্ন অনুষদের সাড়ে ৪ শতাধিক শিক্ষার্থী গবেষণা অনুদান ও শিক্ষাবৃত্তি পেয়েছেন।

সোমবারের অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও আইএফআইসি ব্যাংক ট্রাস্ট ফান্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন।

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আইএফআইসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ ইনফরমেশন অফিসার মনিতুর রহমান, চিফ অব ব্রাঞ্চ বিজনেস হেলাল আহমেদ, হেড অব ট্রেজারি মোহাম্মদ শাহীন উদ্দিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক সাইফুদ্দিন মো. তারিক, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক আল আমিন উপস্থিত ছিলেন।


এনআরবি ইসলামিক লাইফের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

এনআরবি ইসলামিক লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পঞ্চম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এনআরবি ইসলামিক লাইফ ইন্স্যুরেন্সের কোম্পানির চেয়ারম্যান কিবরিয়া গোলাম মোহামাদের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন শেয়ারধারী এম মাহফুজুর রহমান, আফতাব আহমেদ, ফারিয়া মোস্তাফিজ (উজিরপুর ফিস পার্কের প্রতিনিধি), আরিফ সিকদার (আম্বালা আইটির প্রতিনিধি), মো. জামাল উদ্দিন (লিবার্টি লিভিংয়ের প্রতিনিধি) ও মো. নুরুল আজিম রিফাত।

আরও উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. শাহ জামাল হাওলাদার এবং সিএফও মোহাম্মদ আবু হাসান। এজিএম পরিচালনা করেন কোম্পানি সচিব মো. সালাহউদ্দীন।


banner close