মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
১০ আষাঢ় ১৪৩৩

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কাজ করবে প্রাণ-আরএফএল ও আমল ফাউন্ডেশন

করপোরেট ডেস্ক
প্রকাশিত
করপোরেট ডেস্ক
প্রকাশিত : ২০ জুন, ২০২৪ ১৩:৪৫

বর্জ্য অপসারণে কার্যকর ব্যবস্থাপনা এবং উৎসে বর্জ্য পৃথকীকরণে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আমল ফাউন্ডেশন’-এর সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ ‘প্রাণ-আরএফএল’।

গতকাল বুধবার বাড্ডায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে এই সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় বলে প্রাণ-আরএফএলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল এবং আমল ফাউন্ডেশনের পরিচালক ইশরাত করিম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই চুক্তিতে সই করেন।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হেড অব করপোরেট ব্র্যান্ড নুরুল আফসারসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ‘বর্জ্য অপসারণে কার্যকর ব্যবস্থাপনা ও বর্জ্য পৃথকীকরণের মাধ্যমে একটি সবুজ আগামী’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করবে দুই প্রতিষ্ঠান। প্রকল্পটির লক্ষ্য একটি বর্জ্য পৃথকীকরণ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও উৎসে বর্জ্য পৃথকীকরণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা, যার মাধ্যমে আরও টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

কামরুজ্জামান কামাল বলেন, ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এক্সটেন্ডেড প্রডিউসার রেসপন্সিবিলিটি বা ইপিআরের অংশ হিসেবে আমরা এ প্রকল্পটি গ্রহণ করেছি। এ প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য আমরা আমল ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করব।’

আমল ফাউন্ডেশনের ইশরাত করিম বলেন, ‘আমরা আশা করি, এই সমঝোতা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে। আমরা প্রাথমিকভাবে স্বল্প পরিসরে কাজ করছি। ভবিষ্যতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমরা আরও বড় পরিসরে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সাথে কাজ করতে পারব।’

তিনি জানান, দুই বছরব্যাপী এই প্রকল্পে আমল ফাউন্ডেশন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় জরিপ পরিচালনা, বর্জ্য সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে।


এক দশকের পথচলা উদযাপন করল দেশের অন্যতম শীর্ষ ফ্যাশন ব্র্যান্ড র' নেশন

আপডেটেড ২২ জুন, ২০২৬ ১৬:৫৮
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড র' নেশন (Raw Nation) সাফল্যের সঙ্গে পথচলার ১০ বছর পূর্ণ করেছে। ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করা এই ব্র্যান্ডটি গত এক দশকে আধুনিক, আরামদায়ক ও রুচিশীল ক্লথিংয়ের মাধ্যমে ক্রেতাদের কাছে একটি নির্ভরযোগ্য নাম হয়ে উঠেছে।

দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর গুলশান-২ এ অবস্থিত র' নেশনের হেড অফিসে কেক কাটার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন র' নেশনের চেয়ারম্যান মারুফা ইসলাম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাহরিয়ার আহমেদসহ ব্র্যান্ডের বিভিন্ন বিভাগের টিম মেম্বাররা। সকলের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে ব্র্যান্ডটির এক দশকের পথচলা উদ্‌যাপন করা হয়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই বিশেষ আয়োজনের অংশ হিসেবে র' নেশনের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর লয়্যালটি প্রোগ্রাম হিসেবে প্রিভিলেজ কার্ড (Privilege Card) উদ্বোধন করেন। এর মাধ্যমে গ্রাহকরা ভবিষ্যতে কেনাকাটায় বিভিন্ন সুবিধা এবং ব্র্যান্ডের এক্সক্লুসিভ (Exclusive) ক্যাম্পেইনে অগ্রাধিকার পাবেন। এক দশকের এই যাত্রায় গ্রাহকদের আস্থাই ব্র্যান্ডটির সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অংশ হিসেবে সকল স্টোরে বিশেষ ফ্ল্যাট ডিসকাউন্ট এবং কাস্টমার অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাকটিভিটির (Customer Appreciation Activity) আয়োজন করা হয়েছে, যাতে ক্রেতারা ব্র্যান্ডের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে আরও বিশেষভাবে অনুভব করতে পারেন।

শুরু থেকেই মানসম্মত, আরামদায়ক ও আধুনিক ডিজাইনের ক্লথিং তৈরি র' নেশনের প্রধান লক্ষ্য। বিশেষ করে এই ব্র্যান্ডের পুরুষদের ফ্যাশন লাইন—শার্ট, ক্যাজুয়াল পোশাক ও ডেনিম কালেকশন তরুণ ক্রেতাদের কাছে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। কাস্টমারদের ব্যাপক সাড়া পেয়ে র' নেশন বেশ কিছু বছর ধরে নারীদের জন্য নিয়ে এসেছে ‘র' নেশন পিংক’, যেখানে নারীদের নানা রকম ওয়েস্টার্ন, এথনিক এবং রেগুলার ওয়্যার যুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি অ্যাকসেসরিজ এবং অ্যাকটিভওয়্যারও যুক্ত করেছে তারা।

এক দশকের এই মাইলফলক প্রসঙ্গে র' নেশনের চেয়ারম্যান মারুফা ইসলাম বলেন, “র' নেশন শুধু একটি ক্লথিং ব্র্যান্ড নয়; এটি গ্রাহকদের রুচি এবং আধুনিক জীবনযাত্রার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। গত ১০ বছরের অর্জন আমাদের একার নয়, এটি আমাদের গ্রাহক ও টিমের সম্মিলিত ভালোবাসা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন।”

ব্র্যান্ডটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাহরিয়ার আহমেদ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য সবসময়ই ছিল মানসম্মত ফ্যাশন ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। ১০ বছর পূর্তির এই সময়ে আমরা পণ্যের মান, ডিজাইন এবং গ্রাহক অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছি।”

দেশীয় ফ্যাশন শিল্পের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পরবর্তী দশকে আরও বড় পরিসরে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে র' নেশনের। ব্র্যান্ডটির নতুন কালেকশন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ আয়োজন এবং অন্যান্য তথ্য জানা যাবে তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (www.rawnation.net) এবং ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পেজ থেকে।


কমিউনিটি ব্যাংক-এর ৭ম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত, নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র ৭ম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ ও কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির। সভায় ব্যাংকের ২০২৫ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় এবং শেয়ারহোল্ডারদের জন্য নগদ লভ্যাংশ প্রদানের অনুমোদন দেয়া হয়।

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ ও কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির সম্মানিত শেয়ার হোল্ডারগণের উদ্দেশ্যে বলেন, কমিউনিটি ব্যাংক শুধু পুলিশের ব্যাংক নয়, এটি সাধারণ জনগণের ব্যাংক। কমিউনিটিভিত্তিক প্রত্যেক শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য উদ্ভাবনী ও যুগোপযোগী স্মার্ট ব্যাংকিং সেবা চালুর মাধ্যমে কমিউনিটি ব্যাংকের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, কমিউনিটি ব্যাংকের প্রতিটি শাখা-উপশাখায় প্রান্তিক গ্রাহকগণের জন্য প্রযুক্তি নির্ভর ব্যাংকিং সেবার প্রচলন এবং আরও উন্নত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ব্যাংকের মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাংক আরও অধিকতর নজর অব্যাহত রাখবে।

জনাব এ. কে. এম. আওলাদ হোসেন, অ্যাডিশনাল আইজি (অ্যাডমিন), বাংলাদেশ পুলিশ; জনাব মোঃ আকরাম হোসেন, বিপিএম (সেবা), অ্যাডিশনাল আইজি (ফিন্যান্স), বাংলাদেশ পুলিশ; জনাব মোঃ ছিবগাত উল্লাহ, বিপিএম (সেবা), পিপিএম, অ্যাডিশনাল আইজি (ডেভেলপমেন্ট), পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, বাংলাদেশ পুলিশ; জনাব সরদার নূরুল আমিন, বিপিএম (সেবা), অ্যাডিশনাল আইজি (স্পেশাল ব্রাঞ্চ), বাংলাদেশ পুলিশ; জনাব কাজী মো. ফজলুল করিম, বিপিএম (সেবা), অ্যাডিশনাল আইজি অ্যান্ড রেক্টর, পুলিশ স্টাফ কলেজ, বাংলাদেশ পুলিশ; জনাব কামরুল আহসান, ডিআইজি (কনফিডেন্সিয়াল), বাংলাদেশ পুলিশ; জনাব মুনতাসিরুল ইসলাম, পিপিএম, অ্যাডিশনাল ডিআইজি (হাইওয়ে পুলিশ), বাংলাদেশ পুলিশ; জনাব আহম্মদ মুঈদ, বিপিএম (সেবা), অ্যাডিশনাল ডিআইজি, বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্ট, বাংলাদেশ পুলিশ; জনাব কামরুল হাসান তালুকদার, ইন্সপেক্টর, বাংলাদেশ পুলিশ; জনাব সৈয়দ রফিকুল হক, স্বতন্ত্র পরিচালক; জনাব মোহাম্মদ তফাজ্জুল হোসেন, এফসিএ, স্বতন্ত্র পরিচালক; জনাব সামসুল হক সুফিয়ানী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব), কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি. এবং কোম্পানি সচিব জনাব সাইফুল আলম এফসিএস সভায় উপস্থিত ছিলেন।


৯ম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে স্বীকৃতি পেল ৮৯টি ক্যাম্পেইন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

সম্প্রতি দেশের ডিজিটাল মার্কেটিং অঙ্গনের সেরা ক্যাম্পেইনগুলোকে স্বীকৃতি জানিয়ে লা মেরিডিয়ান ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ৯ম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডের গালা। এই আসরে ২৬টি আলাদা ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয় মোট ৮৯টি ক্যাম্পেইন। বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের উদ্যোগে এবং মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)-এর পরিবেশনায় ও ওয়ালটন রেফ্রিজারেটরের সঞ্চালনায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন দেশের ডিজিটাল মার্কেটার, বিজ্ঞাপন ও ব্র্যান্ড পেশাজীবী, এজেন্সি নেতৃবৃন্দ, মিডিয়া স্ট্র্যাটেজিস্ট এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

১ নভেম্বর ২০২৪ থেকে ২৫ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে চালু থাকা ক্যাম্পেইনগুলো মনোনয়নের জন্য বিবেচিত হয়। এবার প্রতিযোগিতার উত্তাপ ছিল রেকর্ড পর্যায়ে—৬৬টি প্রতিষ্ঠান হতে জমা পড়ে ১,০৭২টি মনোনয়ন। সেরা ক্যাম্পেইন বাছাইয়ে অনুসরণ করা হয় সুনির্দিষ্টভাবে সাজানো দুই ধাপের জুরি মূল্যায়ন প্রক্রিয়া। প্রথম ধাপে শর্টলিস্টিং পর্বে ৮টি জুরি প্যানেলে ১১৩ জন বিশিষ্ট জুরি ক্যাম্পেইনগুলো যাচাই-বাছাই করে সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করেন। এরপর শর্টলিস্ট হওয়া ক্যাম্পেইনগুলো ওঠে অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ গ্র্যান্ড জুরি পর্বে, যেখানে ৮টি গ্র্যান্ড জুরি সেশনে ১১০ জন স্বনামধন্য ক্যাটাগরি বিশেষজ্ঞ চূড়ান্ত মূল্যায়ন করে বেছে নেন সেরাদের সেরা।

চূড়ান্ত বিজয়ীদের মাঝে ৬৩টি ক্যাম্পেইন ব্রোঞ্জ, ২০টি ক্যাম্পেইন সিলভার এবং ৬টি ক্যাম্পেইন গোল্ড অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। উৎকর্ষের সর্বোচ্চ মান অটুট রাখার প্রতিশ্রুতি থেকে এবার কোনো গ্র্যান্ড প্রিক্স দেওয়া হয়নি। জমকালো এই গালায় উপস্থিত ছিলেন ৫০০-রও বেশি ডিজিটাল মার্কেটিং ও ব্যবসায়িক পেশাজীবী।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, শরিফুল ইসলাম বলেন, “প্রতিবছর ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড আমাদের মনে করিয়ে দেয়—আমাদের খাত কতদূর এগিয়েছে, আর কতদূর এগোনো সম্ভব। মার্কেটিং এখন আর কেবল গল্প বলা নয়; এটি এখন রিয়েল-টাইম এনগেজমেন্ট, হাইপার-পারসোনালাইজেশন আর তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়। আজ যাদের আমরা সম্মান জানাচ্ছি, সেই ক্যাম্পেইনগুলোই প্রমাণ করে—বাংলাদেশের মার্কেটাররা বিশ্বের সেরাদের সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে চলতে পারে। এই অ্যাওয়ার্ড শুধু উৎকর্ষের স্বীকৃতি নয়; এটি আমাদের সবার প্রতি এক চ্যালেঞ্জ—উদ্ভাবন চালিয়ে যাওয়ার, নতুন কিছু পরীক্ষা করার এবং বাংলাদেশে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের সম্ভাবনাকে নতুন করে গড়ার।”

অ্যাওয়ার্ড পর্বের আগে একই ভেন্যু লা মেরিডিয়ান ঢাকায় দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় ১২তম ডিজিটাল সামিট। বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজনে এই সামিটে বক্তা ও অংশগ্রহণকারী হিসেবে যোগ দেন দেশের ডিজিটাল মার্কেটার, বিজ্ঞাপন ও ক্রিয়েটিভ পেশাজীবী, ব্র্যান্ড ও কমিউনিকেশন নেতৃবৃন্দ, মিডিয়া ও মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজিস্ট, এজেন্সি নির্বাহী এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

“রিথিংকিং ডিজিটাল – স্ট্র্যাটেজি, স্টোরি অ্যান্ড সায়েন্স” প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এবারের সামিটের আলোচনায় উঠে আসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বদলে যাওয়া ভোক্তা প্রত্যাশা, প্ল্যাটফর্ম ডিসরাপশন এবং সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান সম্মিলনে প্রতিষ্ঠানগুলোর পথচলার নানা দিক। সামিটে ছিল ৩টি কিনোট সেশন, ৩টি প্যানেল ডিসকাশন, ৩টি ইনসাইট সেশন, ২টি কেস স্টাডি এবং ১টি এক্সপার্ট ডিপ ডাইভ।

কিনোট সেশনে বক্তা হিসেবে ছিলেন তানভীর ফারুক, চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, কাজী মিডিয়া লিমিটেড; দ্রাবির আলম, চিফ অপারেটিং অফিসার অ্যান্ড ডিরেক্টর, এক্স – ইন্টিগ্রেটেড মার্কেটিং এজেন্সি; এবং সালেহ ঘানায়েম, হেড মেটাপ (মিডল ইস্ট, টার্কি, আফ্রিকা অ্যান্ড পাকিস্তান), ইমার্জিং মার্কেট পার্টনারশিপ, টিকটক।

দিনব্যাপী আলোচনায় উঠে আসে ভোক্তার পুরো যাত্রাপথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান প্রভাব, অ্যাটেনশন-ড্রিভেন মার্কেটিং থেকে ইন্টেলিজেন্স-ড্রিভেন এনগেজমেন্টে রূপান্তর, নতুন ডিসকভারি ইকোসিস্টেমের উত্থান, ক্রিয়েটর ইকোনমি এবং তথ্য, সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তির সমন্বিত প্রয়োগের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব—যা দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের এই যুগে ব্র্যান্ডের প্রাসঙ্গিক থাকা ও ভোক্তার সঙ্গে আরও দৃঢ় সম্পর্ক গড়ার পথ দেখায়।

বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত ৯ম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড ও ১২তম ডিজিটাল সামিটের পরিবেশনায় ছিলো মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই); সঞ্চালনায় ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর; স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার – অ্যালেফ গ্রুপ, ইনক., বিবিএফ সিএমও ক্লাব, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভার্টাইজিং অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (আইএএবি) ও এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন (এএমএফ); নলেজ পার্টনার – মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এমএসবি); হসপিটালিটি পার্টনার – লা মেরিডিয়ান ঢাকা; অফিশিয়াল ক্যারিয়ার পার্টনার – টার্কিশ এয়ারলাইনস; এবং পিআর পার্টনার – ব্যাকপেজ পিআর।


বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে বগুড়ায় এসএমই উদ্যোক্তাদের মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ক্ষুদ্র, কুটির, ছোট ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের উদ্যোক্তাদের দক্ষতা ও ব্যবসায়িক সক্ষমতা বাড়াতে মাসব্যাপী “উদ্যোক্তা উন্নয়ন শীর্ষক” প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেছে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধায়নে এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন কর্মসূচি ‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (এসআইসিআইপি)’ প্রকল্পের আওতায় এই “উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি”আয়োজন করা হয়েছে।

বগুড়া অঞ্চলের তরুণ উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বিকাশ ও ব্যবসায়িক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সোমবার ১৫ জুন ২০২৬, বগুড়ার বনানী এলাকায় গাক টাওয়ারে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের বগুড়া কার্যালয়ের পরিচালক (অ্যাডমিন) সরদার আল ইমরান। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক মোর্শেদ। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘ (টিএমএসএস) এর প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম, বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক মো: আইয়ুব আলী, বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো: আব্দুল মজিদ প্রামানিক এবং বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ। এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা ব্যবসা পরিকল্পনা, বাজারজাতকরণ, অর্থায়ন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করবেন। প্রশিক্ষণে বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করবেন বাংলাদেশ ব্যাংক ও বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকগণ। নতুন উদ্যোক্তা তৈরী, বিদ্যমান ব্যবসাকে আরও বৃহৎ পরিসরে সম্প্রসারণ তথা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক অবদান রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে এই কর্মসূচি।


জাইকার উদ্যোগে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত পরিদর্শন করল জাপানের ৮ প্রতিষ্ঠান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) সফলভাবে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতভিত্তিক পাঁচ দিনব্যাপী একটি বিজনেস স্টাডি ট্যুর আয়োজন করেছে। জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেট্রো)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত ‘হেলথ সেক্টর বিজনেস স্টাডি ট্যুর’ ১৪ জুন থেকে ১৮ জুন ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। এতে জাপানের আটটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে ধারণা নেওয়া, টেকসই সমাধানের সম্ভাবনা খোঁজা এবং ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক সুযোগ অন্বেষণ ছিল এ সফরের মূল উদ্দেশ্য।

বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এবং দেশে জাপানি প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতিও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। একই সঙ্গে অসংক্রামক রোগ মোকাবিলা, স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো ও মানবসম্পদ উন্নয়ন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা এবং দুর্যোগকালীন স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা আরও জোরদারের সুযোগ রয়েছে, যা এ খাতে উদ্ভাবন ও সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে।

এ প্রেক্ষাপটে চিকিৎসা সরঞ্জাম, রোগ নির্ণয় কিট, পরিচ্ছন্নতা প্রযুক্তি, পুষ্টিকর খাদ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক পরামর্শসেবা, স্যাটেলাইট রিমোট সেন্সিং ও ভূ-স্থানিক তথ্যনির্ভর প্ল্যাটফর্ম এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সেবায় বিশেষজ্ঞ জাপানের আটটি প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশে নিয়ে আসে জাইকা। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সংযোগ স্থাপনই ছিল এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

সফরকালে প্রতিনিধি দল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস), বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, কন্টিনেন্টাল হাসপাতাল, গ্রামীণ হেলথ টেক লিমিটেড, জিএমই গ্রুপ এবং মনের বন্ধু কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করে। তারা জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত শিপ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতাল এবং মিউপ ইনকরপোরেটেডের পরীক্ষাগারও পরিদর্শন করেন। এছাড়া নরসিংদী জেলা সদর হাসপাতাল, রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং বাঁশগাড়ি কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার বাস্তব চিত্র সম্পর্কে ধারণা নেন।

এ সফরের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তাদের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন কীভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে, সে বিষয়ে সম্ভাবনা যাচাইয়ের সুযোগ পায়। একই সঙ্গে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ভিত্তিক ব্যবসায়িক মডেল গড়ে তুলতে জাইকার ‘জাইকা বিজ’ কর্মসূচির আওতায় ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং আরও টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করতে জাইকা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ ধরনের উদ্যোগ দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করবে।


বিশ্বকাপের প্রতি গোলে ১ জিবি বোনাস ডেটা দেবে বাংলালিংক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

চলমান ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিশেষ ‘ডেটা রিওয়ার্ড’ ক্যাম্পেইনের ঘোষণা দিয়েছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। এ অফারের আওতায় বিশ্বকাপের যেকোনো ম্যাচ চলাকালীন সময়ে নির্ধারিত বান্ডল কিনলেই ম্যাচে হওয়া প্রতিটি গোলের বিপরীতে ১ জিবি করে বোনাস ইন্টারনেট পাবেন গ্রাহকেরা।

অফারটি উপভোগ করতে ম্যাচ চলাকালীন সময়ে মাইবিএল অ্যাপ অথবা যেকোনো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) চ্যানেলের মাধ্যমে যেকোনো ৩০ দিনের ইন্টারনেট প্যাক বা মিক্সড বান্ডল কিনতে হবে গ্রাহকদের। এ জন্য আলাদা বা বিশেষ প্যাক কেনার প্রয়োজন হবে না।

প্রিপেইড ও পোস্টপেইড—উভয় ধরনের গ্রাহকেরা এ অফারটি উপভোগ করতে পারবেন। ম্যাচে যত গোল হবে, গ্রাহকেরা তত বেশি বোনাস ডেটা পাবেন। বোনাস ডেটা অর্জনের ক্ষেত্রে কোনো সর্বোচ্চ সীমা নেই এবং গ্রাহকেরা যতবার ইচ্ছা নির্ধারিত এ প্যাকগুলো কিনতে পারবেন। অর্থাৎ, ম্যাচে যত বেশি গোল, তত বেশি বোনাস ডেটা।

ম্যাচ শেষ হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিটি ম্যাচের বোনাস ডেটা গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে যোগ হবে।এ ডেটার মেয়াদ থাকবে সাত দিন। ফলে গ্রাহকেরা সহজেই ম্যাচের হাইলাইটস দেখতে, উদযাপনের মুহূর্তগুলো ভাগাভাগি করে নিতে এবং বিশ্বকাপের উন্মাদনার সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন।

বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, “আমাদের দেশে ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, এটি কোটি মানুষের আবেগ। প্রতি চার বছর পর বিশ্বকাপ এমন এক উপলক্ষ তৈরি করে, যা দেশের মানুষকে এক সুতোয় গেঁথে ফেলে। অন্য যেকোনো ক্রীড়া আসরের তুলনায় এ আয়োজন ঘিরে তৈরি হয় বাড়তি উৎসবের আমেজ। আমরা চেয়েছি বাংলালিংকও সেই আনন্দের অংশ হোক। ‘গোল বোনাস’ অফারের মাধ্যমে মাঠের প্রতিটি গোল আমাদের গ্রাহকদেকে আরও বেশি ডেটা উপহার দেবে। এর মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করতে চাই, মাঠের প্রতিটি গোলের উচ্ছ্বাস যেন আমাদের গ্রাহকেরাও অনুভব করতে পারেন। এভাবেই আমরা তাদের সঙ্গে বিশ্বকাপের আনন্দ উদযাপন ও ভাগাভাগি করে নিতে চাই।”

ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে ‘গোল বোনাস’ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বিশ্বকাপের উত্তেজনাকে আরও উপভোগ্য করে তুলতে চায় বাংলালিংক। বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই ফুটবল আসরকে ঘিরে কোটি মানুষের উচ্ছ্বাসের সময়ে গ্রাহকদের সঙ্গে সংযুক্ত রাখতে এবং অর্থবহ ডিজিটাল অভিজ্ঞতা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানটি।এছাড়া, রাইজ, টফি ও মাইবিএল সুপার অ্যাপের বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশন প্যাকেজের মাধ্যমে বিশ্বকাপের সবগুলো ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকেরা।


বাবা দিবসে গ্রী এসির ভিন্নধর্মী ওভিসি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাবা ও সন্তানের সম্পর্কের এক চেনা অথচ ভিন্নধর্মী ও আবেগঘন গল্প নিয়ে বাবা দিবস উপলক্ষে নতুন একটি ওভিসি (অনলাইন ভিডিও কমার্শিয়াল) প্রকাশ করেছে ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড গ্রী এসি। ওভিসিটিতে বাবার চিরন্তন স্নেহের সমান্তরালে সন্তানকে চার দেয়ালের আরামের বাইরে গিয়ে জীবনের আসল ‘কমফোর্ট’ বা আরামের সংজ্ঞা শেখানোর একটি সাহসী গল্প ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ঘরের আরামদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সমাজ ও নতুন প্রজন্মের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে ব্র্যান্ডটি এবার কমফোর্ট জোনের বাইরে গিয়ে জীবনকে চেনার আহ্বান জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপনচিত্রটির শুরুতে দেখা যায় একটি ঘরের চেনা আরামদায়ক পরিবেশ, যেখানে সগৌরবে চলছে গ্রী এসি। এমন স্বস্তিদায়ক আবহে মধ্যবয়সী এক বাবা যখন পাহাড়ে ট্রেকিংয়ে যাওয়ার জন্য নিজের ব্যাগ গোছাচ্ছেন, তখন পাশে চরম উদ্বেগ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে তাঁর কিশোরী মেয়ে। ঘরের এসির বাতাসে বড় হওয়া মেয়ের মনে রাজ্যের দুশ্চিন্তা ভর করে যে, তারা যেখানে যাচ্ছে সেখানে এসি আছে কি না। বাবার মুখে সেখানে বিদ্যুৎ ও এসি বাস না থাকার কথা শুনে মেয়ে একদম হতভম্ব হয়ে পড়ে। এ সময় মা পাশ থেকে মেয়ের এই অবস্থা দেখে স্বভাবসুলভ রসিকতায় তাকে ‘ফার্মের মুরগি’ বলে মন্তব্য করেন, যা আমাদের চেনা পারিবারিক আবহকে পর্দায় জীবন্ত করে তোলে।

তিন দিন এসি ছাড়া থাকার ভয়ে যখন মেয়েটি আতঙ্কিত, ঠিক তখনই বাবা পরম মমতায় মেয়ের হাতে গ্রী এসির রিমোটটা তুলে দেন। যেখানে এসিই নেই, সেখানে রিমোট দিয়ে কী হবে—মেয়ের এমন প্রশ্নের জবাবে বাবা রহস্যময় হাসি দিয়ে বলেন, পাহাড়ে উঠে সুইচ অন করলেই চারপাশে এসির বাতাস পাওয়া যাবে। গল্পের পরের দৃশ্যে দেখা যায়, সব চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বাবা ও মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে পাহাড়ের চূড়ায়, যেখানে চারপাশে খোলা আকাশ। মেয়েটি তখন বাবার দেওয়া সেই রিমোটের সুইচ অন করতেই একরাশ প্রাকৃতিক ঠান্ডা ও বিশুদ্ধ বাতাস এসে তার চুল উড়িয়ে দেয়। প্রকৃতির সেই অকৃত্রিম শীতলতায় মেয়েটি বুঝতে পারে, বাবারা শুধু চার দেয়ালের ভেতরের আরামটুকুই নিশ্চিত করেন না, বরং জীবনের কঠিন পথগুলোতেও সন্তান যেন সহজে মানিয়ে নিতে পারে, সেই ভবিষ্যৎ কমফোর্টের ভিতটাও গড়ে দেন।

গ্রী এসির ব্র্যান্ড স্লোগান “একটু বেশিই কমফোর্টেবল” ভাবনার সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই ওভিসির মাধ্যমে কমফোর্টের এক নতুন ও বৈপ্লবিক সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এখানে কমফোর্ট মানে শুধু ঘরের ঠান্ডা বাতাস নয়, বরং এমন এক মানসিক শক্তি যা সন্তানকে সাহসী, আত্মবিশ্বাসী আর প্রকৃতির কাছাকাছি গিয়ে জীবনের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত করে তোলে। ব্র্যান্ডটির এই দূরদর্শী চিন্তাকে পর্দায় নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছে বিজ্ঞাপনী সংস্থা ‘ক্রসওয়াক কমিউনিকেশনস’ এবং এর নির্মাণে জাদুকরী ছোঁয়া রেখেছেন জনপ্রিয় পরিচালক অনম বিশ্বাস। যে বাবারা পরম যত্নে সন্তানকে জীবনের জন্য তৈরি করে তোলেন, সেই সব সুপারহিরোদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতেই গ্রী এসি এই বিশেষ উদ্যোগটি গ্রহণ করেছে।


‘৬ষ্ঠ জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৬’-এ ইস্পাহানির অনন্য অর্জন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান ইস্পাহানি টি লিমিটেডের মালিকানাধীন ‘মির্জাপুর চা-বাগান’ এবারো শ্রমিক কল্যাণের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ চা বাগান ক্যাটাগরিতে ‘জাতীয় চা পুরস্কার’ জিতে নিয়েছে। এছাড়াও ইস্পাহানির মালিকানাধীন নেপচুন চা বাগানের চা শ্রমিক ‘জেসমিন আক্তার’ ‘শ্রেষ্ঠ চা-পাতা চয়নকারী’ ক্যাটাগরিতে তৃতীয়বারের মত পুরস্কার অর্জন করেছেন।

জাতীয় চা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে ‘জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৬’ এর পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মৌলভীবাজার-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আলহাজ্ব মোঃ মুজিবুর রহমান চৌধুরী, । ‘শ্রমিক কল্যাণের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ চা-বাগান’ ক্যাটাগরিতে ইস্পাহানির মির্জাপুর চা বাগানের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন ইস্পাহানি গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব মির্জা সালমান ইস্পাহানি ও ইস্পাহানি গ্রুপের পরিচালক জনাব মির্জা আহমেদ ইস্পাহানি। এছাড়াও ইস্পাহানির নেপচুন চা বাগানের চা শ্রমিক ‘জেসমিন আক্তার’ এবার ‘শ্রেষ্ঠ চা-পাতা চয়নকারী’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

দেশের চা-শিল্পের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ চা বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে ‘জাতীয় চা পুরস্কার’ দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব জনাব মোঃ আতাউর রহমান খান, এনডিসি। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোঃ মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ,এসপিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি; ‘টি ট্রেডার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ এর চেয়ারম্যান জনাব শাহ্‌ মঈনুদ্দীন হাসান এবং ‘বাংলাদেশীয় চা সংসদ’ এর সভাপতি জনাব কামরান টি রহমান। এছাড়াও বাংলাদেশের চা শিল্পের সাথে জড়িত বিভিন্ন ব্যক্তিগণ এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


এনআরবিসি ব্যাংকের নেতৃত্বে স্টুডেন্ট ব্যাংকিং কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে লিড ব্যাংক হিসেবে এনআরবিসি ব্যাংক সিরাজগঞ্জে স্টুডেন্ট ব্যাংকিং কনফারেন্স-২০২৬ অয়োজন করেছে। শনিবার (২০ জুন, ২০২৬) সিরাজগঞ্জের অফিসার্স ক্লাবে ‘আর্থিক সাক্ষরতায় সূচিত হোক নিরাপদ লেনদেন’ শীর্ষক স্লোগানে আয়োজিত কনফারেন্সে ৩৫টি ব্যাংক অংশগ্রহণ করে। শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাংকিং ও আর্থিক সচেতনতা সৃষ্টি, সঞ্চয়ের প্রবণতা বৃদ্ধি এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়।

এনআরবিসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুমের খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গনপতি রায় এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক কাজী মুতমাইন্না তাহমিদা ও এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী পরিচালক ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, এফসিএমএ অনলাইন প্লাটফর্ম জুমে অংশ নেন। অন্যদের মধ্যে এনআরবিসি ব্যাংকের রাজশাহী জোনের প্রধান অসিম কুমার দাস, সোনালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক উদয় কুমার দত্ত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। কনফারেন্সে সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে কুইজ প্রতিযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে উপহারসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গনপতি রায় বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরা আগামীর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। শিক্ষার্থীদেরকে ভবিষ্যতের নেতৃত্বের উপযোগী করে গড়ে তুলতে শিক্ষাজীবন থেকে অর্থনীতি এবং অর্থনীতির চালিকা শক্তি ব্যাংকিং সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক। সরকারের আর্থিক সাক্ষরতা কর্মসূচির বাস্তবায়নে প্রাতিষ্ঠানিক অর্থনীতির কাঠামো আরও শক্তিশালী হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক কাজী মুতমাইন্না তাহমিদা বলেন, স্কুল থেকে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ সহজ করতে বাংলাদেশ ব্যাংক স্কুল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছে। প্রয়োজনীয় নীতিমালা জারি করে বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের ব্যাংকিং সেবা গ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। দেশের ৬১টি ব্যাংকের মধ্যে ৫৯টি ব্যাংকই বর্তমানে ‘স্টুডেন্ট ব্যাংকিং’ সেবা দিচ্ছে। সর্বশেষ জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিক শেষে শিক্ষার্থী ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬২ লাখ ৭৩ হাজার। এসব হিসাবে শিক্ষার্থীদের জমানো মোট আমানতের পরিমাণ ২ হাজার ৯১০ কোটি টাকা।

এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী পরিচালক ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, এফসিএমএ বলেন, ব্যাংকিং পদ্ধতি এখন হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারছেন। শিক্ষার্থীদের সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধ করা এবং তাদের জন্য প্রয়োাজনীয় যুগোপযোগী ব্যাংকিং সেবা দিতে এনআরবিসি ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে।

এনআরবিসি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুমের খান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী এনআরবিসি ব্যাংক শিক্ষার্থীদের বিনাখরচে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের দেশে-বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে সহযোগিতায় বিশেষ সেবা চালু রেখেছে। এনআরবিসি ব্যাংকের সারাদেশে বিস্তৃত প্রায় ৫০৯টি শাখা-উপশাখায় শিক্ষার্থীদের জন্য সবধরনের ব্যাংকিং সেবা ও শিক্ষা সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।


মোহাম্মদ মামুন ফারুক এমটিবির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে পদোন্নতি লাভ করেছেন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

মোহাম্মদ মামুন ফারুক সম্প্রতি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি)-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর) পদে পদোন্নতি লাভ করেছেন।

পদোন্নতির পর তিনি ব্যাংকের হোলসেল ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান (Head of Wholesale Banking) হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এ ভূমিকায় তিনি ব্যাংকের সামগ্রিক হোলসেল ব্যাংকিং কার্যক্রম, করপোরেট সম্পর্ক ব্যবস্থাপনা এবং কৌশলগত ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির নেতৃত্ব ও তদারকি করবেন।

মোহাম্মদ মামুন ফারুক আর্থিক সেবা খাতে ২৬ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন দক্ষ ও দূরদর্শী ব্যাংকার। তিনি ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বরে দ্য সিটি ব্যাংক পিএলসি-তে প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে তাঁর ব্যাংকিং কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে ২০১০ সালে তিনি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি)-তে যোগদান করেন।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং, ট্রেড অপারেশনস এবং রিলেশনশিপ ব্যাংকিংসহ ব্যাংকিংয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশেষ করে বিগত ১৮ বছর ধরে করপোরেট ব্যাংকিং খাতে ব্যবসা সম্প্রসারণ, গুরুত্বপূর্ণ করপোরেট গ্রাহকদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং কৌশলগত ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি অর্জনে তিনি উল্লেখযোগ্য নেতৃত্ব প্রদান করে আসছেন।

বর্তমান দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হওয়ার পূর্বে তিনি এমটিবির হোলসেল ব্যাংকিং ডিভিশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বস্থানীয় পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা, নেতৃত্বগুণ এবং ব্যবসায়িক দূরদর্শিতা ব্যাংকের করপোরেট ও হোলসেল ব্যাংকিং কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছে।


শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। অনুষ্ঠানটি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির লেভেল-৬ এ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এই সমঝোতার মাধ্যমে একটি যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচর্য অধ্যাপক ড. মোঃ মাসুম ইকবাল শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন শেকৃবি’র রেজিস্ট্রার (চলতি দায়িত্ব) কৃষিবিদ মোঃ নজরুল ইসলাম এবং ড্যাফোডিল এর রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ নাদির বিন আলী । অনুষ্ঠানটি সমন্বয় করেন এর কৃষি অনুষদ এর ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রহিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শেকৃবি’র উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ বেলাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহাম্মদ আবুল বাশার, শেকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের পরিচালক অধ্যাপক ড. এফ. এম. আমিনুজ্জামান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আরফান আলী এবং এর সহকারী অধ্যাপক ড. এটিএম মাজহারুল মান্নান ও উসওয়াতুন হাসানা হাসি।

অনুষ্ঠানে শেকৃবি উপাচার্য এর উপ-উপাচার্য আশা প্রকাশ করেন, এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়ের সুযোগ পাবেন, যা কৃষি শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।


ডিজিটাল রূপান্তরের নতুন বাস্তবতা আলোচনার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হলো ১২তম ডিজিটাল সামিট

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

রাজধানীর লা মেরিডিয়ান ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের ফ্ল্যাগশিপ আয়োজন ১২তম ডিজিটাল সামিট। মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)-এর পরিবেশনায় ও ওয়ালটন রেফ্রিজারেটরের সঞ্চালনায় আয়োজিত এই সামিটে অংশ নেন দেশের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞাপন ও বিপণন পেশাজীবী, ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দ, প্রযুক্তিবিদ, যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ এবং শিল্পসংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা।

ক্রম উদ্ভাবনশীল ডিজিটাল দুনিয়ায় কৌশল, গল্প বলা, প্রযুক্তি আর তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্রমবর্ধমান সম্মিলন—এই বিষয়গুলো নিয়েই দিনব্যাপী অর্থবহ আলোচনার মঞ্চ হয়ে ওঠে এবারের সামিট।

“রিথিংকিং ডিজিটাল – স্ট্র্যাটেজি, স্টোরি অ্যান্ড সায়েন্স” প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এবারের সামিটের আলোচনায় উঠে আসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বদলে যাওয়া ভোক্তা প্রত্যাশা, প্ল্যাটফর্ম ডিসরাপশন এবং সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান সম্মিলনের মতো বিষয়। দ্রুত বদলে যাওয়া এই বাস্তবতায় প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে পথ চলবে, ছিল সেই প্রশ্নই আলোচনার কেন্দ্রে।

দিনব্যাপী বক্তা ও প্যানেলিস্টরা তুলে ধরেন—কীভাবে ব্র্যান্ডগুলো নিজেদের প্রাসঙ্গিক রেখে ভোক্তার সঙ্গে আরও দৃঢ় সম্পর্ক গড়তে পারে এবং দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের এই যুগে দীর্ঘমেয়াদি মূল্য তৈরি করতে পারে।

এবারের সামিটে ছিল ৩টি কিনোট সেশন, ৩টি প্যানেল ডিসকাশন, ৩টি ইনসাইট সেশন, ২টি কেস স্টাডি এবং ১টি এক্সপার্ট ডিপ ডাইভ।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের গ্রুপ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং নির্বাহী সম্পাদক, সাজিদ মাহবুব বলেন, “ডিজিটাল এখন আর কেবল একটি চ্যানেল বা ফাংশন নয়। এটি এখন সেই ভিত্তি, যার ওপর দাঁড়িয়ে প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে প্রাসঙ্গিকতা, আস্থা ও প্রবৃদ্ধি। প্রযুক্তি যখন বাজার আর ভোক্তা আচরণকে নতুন করে সাজাচ্ছে, তখন প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে কৌশলগত স্পষ্টতা, সৃজনশীল উৎকর্ষ আর তথ্যনির্ভর প্রজ্ঞাকে একসঙ্গে কাজে লাগাতে হবে। এই সামিটের লক্ষ্য এমন অর্থবহ সংলাপ ও কার্যকর শিক্ষা তৈরি করা, যা নেতৃবৃন্দকে এই রূপান্তরের পথ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পাড়ি দিতে সাহায্য করবে।”

১২তম ডিজিটাল সামিটে তিনটি বিশেষ কিনোট সেশন পরিচালনা করেন খ্যাতিমান বক্তারা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন তানভীর ফারুক, চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, কাজী মিডিয়া লিমিটেড; দ্রাবির আলম, চিফ অপারেটিং অফিসার অ্যান্ড ডিরেক্টর, এক্স – ইন্টিগ্রেটেড মার্কেটিং এজেন্সি; এবং সালেহ ঘানায়েম, হেড মেটাপ (মিডল ইস্ট, টার্কি, আফ্রিকা অ্যান্ড পাকিস্তান), ইমার্জিং মার্কেট পার্টনারশিপ, টিকটক।

এই সেশনগুলোতে আলোচিত হয় নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—অ্যালগরিদম-চালিত বিশ্বে মানবকেন্দ্রিক প্রবৃদ্ধি, সোশ্যাল-ফার্স্ট মার্কেটিং কৌশল, ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের বিবর্তন, ক্রিয়েটর ইকোনমির উত্থান, ব্যবসার সহায়ক শক্তি হিসেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বদলে যাওয়া ভোক্তা আচরণ এবং ব্র্যান্ড এনগেজমেন্টের ভবিষ্যৎ।

কিনোট সেশনের বাইরেও সামিটে আধুনিক মার্কেটিং ও ব্যবসায়িক কৌশলকে নতুন করে গড়ে তোলা শক্তিগুলো নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। আলোচনায় উঠে আসে ভোক্তার পুরো যাত্রাপথে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান প্রভাব, অ্যাটেনশন-ড্রিভেন মার্কেটিং থেকে ইন্টেলিজেন্স-ড্রিভেন এনগেজমেন্টে রূপান্তর, নতুন ডিসকভারি ইকোসিস্টেমের উত্থান এবং তথ্য, সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তির সমন্বিত প্রয়োগের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব।

প্যানেল ও ইনসাইট সেশনে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আহসানুর রহমান, পার্টনার ডিরেক্টর – গুগল বাংলাদেশ অ্যান্ড শ্রীলঙ্কা, অ্যালেফ গ্রুপ, ইনক.; মুনাফ মোজিব চৌধুরী, হেড অফ ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশন, অ্যাক্সেনটেক পিএলসি., এবং ফাউন্ডার, একসাথে ফাউন্ডেশন; সৈয়দা উম্মে সালমা ঝুমুর, ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও, ইগনিশিয়া থ্রি সিক্সটি লিমিটেড; মাহাদী হাসান সাগর, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, গিকি সোশ্যাল; ইমতিয়াজ খান ইমরান, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, এফসিবি বিটোপি; ইয়াসিন নুর, ফাউন্ডার অ্যান্ড সিইও, ফাস্টকম এআই; এবং রফিউদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর অব মার্কেটিং, স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকস, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিসহ আরও অনেকে।

২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করা ডিজিটাল সামিট এখন দেশের ডিজিটাল মার্কেটার, যোগাযোগ পেশাজীবী ও ব্যবসায়িক নেতৃবৃন্দের অন্যতম প্রভাবশালী জ্ঞান-বিনিময়ের মঞ্চ। বছরের পর বছর ধরে এই আয়োজন উদীয়মান প্রযুক্তি, বদলে যাওয়া ভোক্তা আচরণ, উদ্ভাবন ও শিল্পের রূপান্তর নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা এগিয়ে নিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় ১২তম সংস্করণও ডিজিটাল কৌশল, গল্প বলা ও বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভবিষ্যৎ নিয়ে বৈচিত্র্যময় দৃষ্টিভঙ্গি আর অর্থবহ সংলাপকে একই মঞ্চে নিয়ে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত ১২তম ডিজিটাল সামিটের পরিবেশনায় ছিলো মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই); সঞ্চালনায় ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর; স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার – অ্যালেফ গ্রুপ, ইনক., বিবিএফ সিএমও ক্লাব, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভার্টাইজিং অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (আইএএবি) ও এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন (এএমএফ); নলেজ পার্টনার – মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ (এমএসবি); হসপিটালিটি পার্টনার – লা মেরিডিয়ান ঢাকা; অফিশিয়াল ক্যারিয়ার পার্টনার – টার্কিশ এয়ারলাইনস; এবং পিআর পার্টনার – ব্যাকপেজ পিআর।


জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় সাফল্য পেয়েছে মাইলস্টোন কলেজ দক্ষিণখান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা (এনএইচএসপিসি) ২০২৬’ এ গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেছে উত্তরা মডেল টাউনের দক্ষিণখানে অবস্থিত ‘মাইলস্টোন কলেজ দক্ষিণ’। বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে দেশব্যাপী আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার প্রধান উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রযুক্তিবিষয়ক জ্ঞান বৃদ্ধি করা। প্রতিযোগিতার প্রাথমিক পর্বে মাইলস্টোন কলেজ দক্ষিণখান থেকে ইংরেজি ভার্সনের ১১ জন শিক্ষার্থী বিভাগীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। পরবর্তীতে বিভাগীয় প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিভাগে মাইলস্টোন কলেজ দক্ষিণখানের শিক্ষার্থী আকরামুল ইসলাম ও উমায়ের ইসলাম তৃতীয় এবং ষষ্ঠ স্থান অধিকার করে। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে ৭ম স্থান অধিকার করে শিক্ষার্থী আকরামুল ইসলাম। গত ১৩ জুন, আগারগাঁওয়ের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব ফকির মাহবুব আনাম।
জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় গৌরবময় সাফল্য অর্জনের জন্য বিজয়ী এবং অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন মাইলস্টোন কলেজ দক্ষিণখান’র সম্মানিত উপদেষ্টা কর্নেল নুরন্ নবী (অব.), অধ্যক্ষ মেজর এম এইচ এম মঈনউদ্দীন (অব.), মাইলস্টোন প্রিপারেটরি কেজি স্কুলের নির্বাহী অধ্যক্ষ রিফাত নবী আলম এবং মাইলস্টোন দক্ষিণখানের পরিচালক ফাল্গুনী অধিকারী। অভিনন্দন বার্তায় তারা বলেন, সৃজনশীল যেকোনো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ নিয়মিত অনুশীলন ও মেধা চর্চার উৎকর্ষতা বহন করে এবং তুলে ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিপূর্ণ শিক্ষা প্রদানের সক্ষমতাকে।


banner close