সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

এলকো ওয়্যারসের সেলস কনফারেন্স

এলকো ওয়্যারস অ্যান্ড কেবলস লিমিটেডের বাৎসরিক সেলস কনফারেন্স সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবি : সংগৃহীত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ১০ জুলাই, ২০২৪ ১৫:৩০

দেশব্যাপী বিক্রয় পরিষেবা বৃদ্ধি, বাৎসরিক বিক্রয় পর্যালোচনা এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে বাৎসরিক সেলস কনফারেন্সের ২০২৩-২০২৪ আয়োজন করেছে এলকো ওয়্যারস অ্যান্ড কেবলস লিমিটেড।

সম্প্রতি ধানমন্ডি গ্রিন গার্ডেন কনভেনশন হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কোম্পানিটি দীর্ঘদিন যাবৎ ইলেকট্রিক কেবলস বাজারজাত করে আসছে।

অনুষ্ঠানে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও তারেক মাহমুদ মতিন, কোম্পানির পরিচালক (অর্থ) মো. গোলাম মোরশেদ রাসেল, পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং) মো. কামাল হোসেন মজুমদার ডলার, নির্বাহী পরিচালক সাফকাত শহীদ মোহাম্মাদ খৈয়াম, এবং কোম্পানির নির্বাহী পরিচালক (বিক্রয় ও বিপণন) মো. মুস্তাফিজুর রহমান। এ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত বিপণন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

নির্বাচিত

বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের ”ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা ২০২৬” অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

সফলভাবে অনুষ্ঠিত হল বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের “ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা-২০২৬”। বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, রাজধানীর গুলশানে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভার সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক মোর্শেদ। চলতি বছরের ৩১ মে পর্যন্ত ব্যাংকের ব্যবসায়িক অগ্রগতি এবং ভবিষ্যত লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাসহ আগামীর কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিবিও কে. এম. আওলাদ হোসেন। তিনি শাখাভিত্তিক ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমানত সংগ্রহ, মানসম্মত ঋণ বিতরণ এবং গ্রাহকসেবা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিম সিকান্দার, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিটিও ড. মো. রফিকুল ইসলাম, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানি সচিব মো. হুমায়ুন কবির, এফসিএস; বিভাগীয় প্রধানগণ এবং সকল শাখা ব্যববস্থাপকগণ সভায় অংশ নেন।


নির্বাচিত

জাতীয় সাইবার ড্রিলের বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর প্রতিনিধিরা প্রধান অতিথির কাছ থেকে চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করছেন
আপডেটেড ১৪ জুন, ২০২৬ ২০:২০
কর্পোরেট ডেস্ক

জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (NCSA)-এর উদ্যোগে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগিতায় আয়োজিত জাতীয় সাইবার ড্রিলের বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ১৩ জুন ২০২৬ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাইবার ড্রিলের প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব ফকির মাহবুব আনাম, এমপি, মাননীয় মন্ত্রী, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

এছাড়া অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং এর আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞা, ভারপ্রাপ্ত সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং ড. মো. তৈয়বুর রহমান, মহাপরিচালক, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি।

বক্তারা দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা দক্ষতা বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক মানের সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তৈরিতে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।


নির্বাচিত

সুফি নাইটস আয়োজন করলো টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোট

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্যানেল টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোট শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি কনভেনশন হলে “সুফি নাইটস ও ডিনার” শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে টোয়াবের সম্মানিত সদস্যদের উপস্থিতিতে গড়ে ওঠে এক অনন্য সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি ও পেশাগত ঐক্যের পরিবেশ।

সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে টোয়াবের সদস্যবৃন্দ, পর্যটন খাতের বিভিন্ন অংশীজন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় এবং নৈশভোজের মধ্য দিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পেশাগত বন্ধন ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখে। আগামী টোয়াব নির্বাচনের প্রাক্কালে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র একটি সামাজিক মিলনমেলা নয়, বরং দেশের পর্যটন শিল্পের অংশীদারদের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে।

অনুষ্ঠানে সুফি সংগীত পরিবেশনা, নৈশভোজ এবং অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা পর্যটন শিল্পের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। উপস্থিত প্যানেল প্রধান ও প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জনাব ড. তাসলিম আমিন শোভন ও সদস্যরা একটি শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ এবং টেকসই পর্যটন খাত গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প আজ এমন এক পর্যায়ে রয়েছে যেখানে অভিজ্ঞ নেতৃত্ব, স্বচ্ছতা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত জরুরি। তারা শিল্পের উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তি এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৌফিক উদ্দিন আহমেদ, সাবেক সভাপতি, টোয়াব এবং গ্রুপ চেয়ারম্যান, গ্যালাক্সি বাংলাদেশ; ফরিদুল হক, সাবেক সভাপতি, টোয়াব ও চেয়ারম্যান, ইনোগ্লোব; সৈয়দ গোলাম মোহাম্মদ, সভাপতি, বাংলাদেশ আউটবাউন্ড ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন (বোটোয়া); সৈয়দ গোলাম কাদির, প্রধান সম্পাদক, ট্রাভেল ক্যানভাস; এবং রেজাউল একরাম (রাজু), প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ আউটবাউন্ড ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন (বোটোয়া) ও নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ফর ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট (বিএফটিডি)। এছাড়াও টোয়াবের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ এবং পর্যটন শিল্পের বিশিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও ট্রাভেলবাংলা ডটকমের প্রধান সম্পাদক প্রণব সাহা। পুরো আয়োজনটি সমন্বয় করেন টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোটের প্রধান সমন্বয়কারী চৌধুরী হাসানুজ্জামান রনি, সভাপতি, বোটফ; এবং উপ-সমন্বয়কারী আবদুল্লাহ আল কাফি, সিইও, বাংলাদেশ ভ্যাকেশন।


নির্বাচিত

ইবিএলের ২৮ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসির (ইবিএল) শেয়ারহোল্ডাররা প্রতিষ্ঠানটির ২০২৫ সালের জন্য মোট ২৮ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন করেছেন। এই লভ্যাংশের মধ্যে ২৫ শতাংশ নগদ এবং ৩ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ হিসেবে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত ব্যাংকের ৩৪তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। ইবিএলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।

বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ইবিএলের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. শওকত আলী চৌধুরী। সভায় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও বিশিষ্ট পরিচালক আনিস আহমেদ, সেলিনা আলী, গাজী মো. শাখাওয়াত হোসেন, কেজেএস বানু, মোফাকখারুল ইসলাম খসরু, মাহরীন নাসির, মো. আবদুর রহিম, খন্দকার আতিক-ই-রব্বানী এবং মসিহ মালিক চৌধুরী অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান ও. রশীদ এবং কোম্পানি সচিব মো. আবদুল্লাহ আল মামুনসহ বহিঃস্থ নিরীক্ষক, করপোরেট গভর্ন্যান্স নিরীক্ষক, স্বাধীন স্ক্রুটিনাইজার, ইবিএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার অংশ নেন।

বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থাপিত প্রতিটি এজেন্ডা শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে সফলভাবে অনুমোদিত হয়। সভায় অংশগ্রহণকারী শেয়ারহোল্ডাররা ২০২৫ সালে ইবিএলের স্থিতিশীল আর্থিক সাফল্য, শক্তিশালী করপোরেট সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং ডিজিটাল রূপান্তর ও নতুন প্রযুক্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক অগ্রগতির জন্য পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা দলের প্রশংসা করেন।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং দেশীয় বাজারের নানাবিধ চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ইবিএলের সামগ্রিক ব্যবসায়িক পারফরম্যান্স, ঘোষিত লভ্যাংশের হার এবং ব্যাংকের টেকসই প্রবৃদ্ধির ধারা ধরে রাখার কৌশলগত পদক্ষেপে শেয়ারহোল্ডাররা গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও গ্রাহকসেবা আধুনিকীকরণে ব্যাংকের নেওয়া বিভিন্ন কৌশলগত উদ্যোগ আগামী দিনেও অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ইবিএল নেতৃবৃন্দ।


নির্বাচিত

চিত্রকর্ম প্রদর্শনীর মাধ্যমে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজে বিশ্ব ফ্যাটি লিভার দিবস পালন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

জনসচেতনতামূলক চিত্রকর্ম প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে ঢাকার মাদানী অ্যাভেনিউয়ে অবস্থিত ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটাল প্রাঙ্গণে পালিত হয়েছে বিশ্ব ফ্যাটি লিভার দিবস। গত বৃহস্পতিবার হাসপাতাল চত্বরে এই দিনব্যাপী সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে। দিনব্যাপী আয়োজিত এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল লিভারের স্বাস্থ্য রক্ষা এবং সচেতনতামূলক শিল্পকর্ম প্রদর্শনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবার্তা পৌঁছে দেওয়া।

ব্যতিক্রমী এই আয়োজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান, সিএফবিও আবু রায়হান আল বেরুনি এবং মেডিকেল সার্ভিসেস ডিরেক্টর আজহারুল ইসলাম খান। উদ্বোধনী বক্তৃতায় তাঁরা লিভারের রোগ ও এর নানাবিধ জটিলতা নিয়ে আলোচনা করেন এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে সচেতনতা গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

বিশ্বব্যাপী ফ্যাটি লিভার রোগ অন্যতম একটি বড় স্বাস্থ্য সমস্যা হলেও বাংলাদেশে এর কারণ, জটিলতা এবং প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতনতা এখনও তুলনামূলকভাবে বেশ কম। জনস্বাস্থ্যের এই বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হসপিটাল এই বিশেষ চিত্রাঙ্কন কর্মসূচির আয়োজন করে। এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছয়জন শিল্পী উপস্থিত ছিলেন, যাঁরা ক্যানভাসে লিভারের সুস্থতা ও এই রোগের সুরক্ষার বিষয়গুলো চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলেন।

চিকিৎসা ও শিল্পকলাকে এক সুতোয় বাঁধার কারণ ব্যাখ্যা করে হসপিটালের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) আরিফুল হক বলেন, “চিকিৎসকেরা যেমন মানুষের জীবন রক্ষার জন্য নিরলস কাজ করেন, তেমনি শিল্পীরাও তাঁদের সৃজনশীলতার মাধ্যমে সমাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পৌঁছে দিতে এবং সচেতনতা তৈরি করতে সক্ষম। এই দুই ক্ষেত্রকে একত্রিত করার মাধ্যমে আমরা ফ্যাটি লিভার রোগ সম্পর্কে আরও আকর্ষণীয় ও কার্যকরী উপায়ে মানুষের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে চেয়েছি।” এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাধারণ দর্শনার্থীদের কাছে সহজ ভাষায় লিভারের যত্ন নেওয়ার উপায়গুলো তুলে ধরে।


নির্বাচিত

বাংলাদেশ ডেনিম এক্সপোতে টেকসই উৎপাদন তুলে ধরল তানধান ডেনিম

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ডেনিম এক্সপোর ২০তম আসরে অংশ নিয়েছে পূর্ব ভারতের বৃহৎ ডেনিম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ‘তানধান ডেনিম’ (Tandhan Denim)। এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি পোশাক শিল্পে আধুনিক উদ্ভাবন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উৎপাদন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার ব্যাপারে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। তিন দশকের পুরোনো শিল্পগোষ্ঠী তানধান গ্রুপের একটি অংশ হিসেবে তানধান ডেনিম এই এক্সপোতে তাদের বৈচিত্র্যময় ফেব্রিক ও টেকসই উৎপাদন প্রযুক্তি প্রদর্শন করে।

প্রদর্শনী চলাকালে তানধান ডেনিমের কান্ট্রি হেড শাকিরুল খান বাংলাদেশের পোশাক খাতের প্রশংসা করে বলেন, “আমাদের উৎপাদন কারখানাটি কলকাতায় অবস্থিত, যা ভৌগোলিক দিক থেকে বাংলাদেশের অত্যন্ত কাছে। এই কৌশলগত ও ভৌগোলিক অবস্থানের সুবিধার কারণে আমরা বাংলাদেশের পোশাক প্রস্তুতকারক ও ক্রেতাদের অত্যন্ত দ্রুত ডেলিভারি এবং একটি নির্ভরযোগ্য সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ সেবা নিশ্চিত করতে পারছি।” কলকাতার কাছাকাছি হওয়ায় পরিবহন খরচ ও সময় সাশ্রয়ে এটি বড় ভূমিকা রাখছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশের ডেনিম বাজারকে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তানধান ডেনিমের ভাইস প্রেসিডেন্ট নিশান্ত গিরি বলেন, “বাংলাদেশ আমাদের ব্যবসার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাজার। এই প্রদর্শনীতে আমরা যেসব নতুন পণ্য প্রদর্শন করেছি, তা আমাদের ডেনিম ফেব্রিকের বহুমুখী বৈচিত্র্য এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের ভিন্নধর্মী চাহিদা পূরণের সক্ষমতাকে তুলে ধরেছে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের পোশাক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে তাঁদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও গভীর হবে।

বাংলাদেশ ডেনিম এক্সপো মূলত ডেনিম শিল্পের উন্নয়ন এবং বিশ্বমানের টেকসই পোশাক উৎপাদনে বাংলাদেশসহ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর জন্য একটি নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। তানধান ডেনিমের মতো আঞ্চলিক বড় প্রতিষ্ঠানের ডেনিম এক্সপোতে অংশগ্রহণ শুধু ব্যবসায়িক অংশীদারত্বই বাড়ায় না, বরং বৈশ্বিক বাজারে দক্ষিণ এশিয়ার ডেনিম পোশাকের গুরুত্ব ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


নির্বাচিত

বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে বিশেষ কুইজ ও রিচার্জ ক্যাম্পেইন নিয়ে এল নগদ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

চলমান বিশ্বকাপ ফুটবলের উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলতে দেশের জনপ্রিয় মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’ গ্রাহকদের জন্য বিশেষ কুইজ ও মোবাইল রিচার্জ ক্যাম্পেইন নিয়ে এসেছে। বিশ্বকাপজুড়ে চলা এই আয়োজনের মাধ্যমে ফুটবলপ্রেমীরা আকর্ষণীয় সব উপহার সামগ্রী জেতার পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের পরবর্তী একটি আন্তর্জাতিক অ্যাওয়ে ম্যাচ সরাসরি স্টেডিয়ামে বসে উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। কুইজ ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রতিদিন জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াকে নিয়ে তৈরি সংক্ষিপ্ত ভিডিওর প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়ে অংশগ্রহণকারীরা প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। সঠিক উত্তরটি হ্যাশট্যাগ দিয়ে ফেসবুকে শেয়ার করার পর যাঁর পোস্টে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার বেশি থাকবে, তিনি বিজয়ী হিসেবে পাবেন স্মার্টওয়াচ, মিনি ফুটবল, নগদ ব্র্যান্ডেড জার্সি ও রিস্টব্যান্ড সংবলিত বিশেষ গিফট বক্স।

বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ উপলক্ষে থাকবে একটি বিশেষ মেগা কুইজ আয়োজন। ফাইনালের দিন তিনটি পৃথক কুইজের সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্যে সর্বোচ্চ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এনগেজমেন্ট অর্জনকারী সৌভাগ্যবান বিজয়ী পাবেন জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার সঙ্গে সরাসরি স্টেডিয়ামে বসে বাংলাদেশ দলের পরবর্তী অ্যাওয়ে ম্যাচ উপভোগ করার সুযোগ। কুইজের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীদের জন্য থাকছে বিশেষ মোবাইল রিচার্জ ক্যাম্পেইন। বিশ্বকাপ চলাকালীন নগদ ওয়ালেট ব্যবহার করে ৫০ টাকা বা তার বেশি যেকোনো পরিমাণ টাকা রিচার্জ করে যেকোনো গ্রাহক এই অফারে অংশ নিতে পারবেন। এই রিচার্জ ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রতিদিন পাঁচজন বিজয়ী পাবেন নিজের নাম ও পছন্দের নম্বর সংবলিত কাঙ্ক্ষিত দেশের কাস্টমাইজড জার্সি। এছাড়া রিচার্জে অংশ নেওয়া তিনজন সৌভাগ্যবান বিজয়ী জিতে নিতে পারবেন আকর্ষণীয় ভিডিও গেম কনসোল প্লেস্টেশন ৫ (PS5)।

দেশের তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত হতে এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবার সঙ্গে এই বৈশ্বিক ফুটবল উৎসবের সমন্বয় ঘটাতে এক মাসব্যাপী বিশেষ ক্যাম্পাস অ্যাক্টিভেশনেরও আয়োজন করছে নগদ। এই কার্যক্রমের আওতায় দেশের ২৯টি অঞ্চলের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে নগদের বিশেষ ব্র্যান্ডেড ক্যারাভান পৌঁছাবে। সেখানে জনপ্রিয় ক্রীড়া ইনফ্লুয়েন্সারদের অংশগ্রহণে শিক্ষার্থীদের জন্য ‘কুইজ শো’ এবং প্লেস্টেশন ৫ গেমিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা মিনি ফুটবল, নগদ জার্সি ও রিস্টব্যান্ডসহ নানা আকর্ষণীয় উপহার জিতে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

নগদের হেড অব মার্কেটিং হেরাস উদ্দীন মুহাম্মদ মেহেদী সাজ্জাদ বলেন, বিশ্বকাপ ঘিরে গ্রাহকদের জন্য একটি ভিন্নধর্মী ও উৎসবমুখর অভিজ্ঞতা তৈরি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। কুইজ, রিচার্জ অফার এবং সরাসরি সম্পৃক্ততামূলক বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে ফুটবলপ্রেমীদের খেলা উপভোগের আনন্দ আরও বাড়িয়ে দিতে নগদ সচেষ্ট থাকবে। এই কুইজ ও রিচার্জ ক্যাম্পেইনের শর্ত ও বিস্তারিত তথ্য জানতে গ্রাহকদের নগদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নজর রাখতে বলা হয়েছে। যেকোনো তথ্যের প্রয়োজনে নগদের গ্রাহকসেবা বা কলসেন্টারে সরাসরি যোগাযোগ করার সুযোগ রয়েছে।


নির্বাচিত

মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বিশ্বখ্যাত পেমেন্ট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাস্টারকার্ড বাংলাদেশে তাদের শীর্ষ নেতৃত্বে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাকিয়া সুলতানা। মাস্টারকার্ডের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এবং জানানো হয়েছে যে এই নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

বাংলাদেশের পেমেন্টস ইকোসিস্টেম বা লেনদেন ব্যবস্থা যখন দ্রুত প্রযুক্তিগত অগ্রগতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। বর্তমানে দেশের ব্যাংক, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এবং ফিনটেক প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে ডিজিটাল লেনদেন গ্রহণ ও পারস্পরিক সমন্বয় ক্রমাগত বাড়ছে। এই রূপান্তরকালীন সময়ে মাস্টারকার্ডের ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও অংশীদারত্ব ধরে রাখার ক্ষেত্রে নতুন নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জাকিয়া সুলতানা দীর্ঘদিন মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সৈয়দ মোহাম্মদ কামালের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। প্রতিষ্ঠানটিতে টানা ১৩ বছর সফলভাবে দায়িত্ব পালনের পর চলতি বছরের শেষ দিকে অবসরে যাবেন সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল। তাঁর এই সুদীর্ঘ গৌরবময় অধ্যায় শেষে মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের নতুন অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব বুঝে নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাবেন জাকিয়া সুলতানা।

জাকিয়া সুলতানা আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী এই বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন পেশাদার। তিনি ২০১৫ সাল থেকে মাস্টারকার্ডের সাথে কাজ করে আসছেন। নতুন এই গুরুদায়িত্ব পাওয়ার পূর্বে তিনি মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের ডিরেক্টর হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা ও পেমেন্ট খাতের গভীর জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে তিনি মাস্টারকার্ডের বাংলাদেশের কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারবেন বলে আশা ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।


নির্বাচিত

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ৬ষ্ঠ বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’র পরিচালনা পর্ষদের ষষ্ঠ (৬ষ্ঠ) বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’র প্রধান কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ পর্ষদ সভাটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ব্যাংকটির অভ্যন্তরীণ পরিচালন কার্যক্রম, উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা ও সমসাময়িক ব্যবসায়িক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ এই বোর্ড সভায় সভাপতিত্ব করেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান কাজি শায়রুল হাসান। সভায় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’র পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ সশরীরে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া দেশের ব্যাংকিং খাতের সার্বিক শৃঙ্খলার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক রেজল্যুশন ডিপার্টমেন্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালকও এই সভায় অংশ নেন।

এবারের সভার একটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য দিক ছিল একীভূতকরণ প্রক্রিয়ার অংশীদারদের সম্পৃক্ততা। পরিচালনা পর্ষদের বিশেষ আমন্ত্রণে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’র সঙ্গে মার্জার বা একীভূতকরণ প্রক্রিয়ার আওতাধীন থাকা পাঁচটি ব্যাংকের নিয়োজিত প্রশাসকবৃন্দ এই সভায় উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা একীভূতকরণের বিভিন্ন আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক দিক নিয়ে পর্ষদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিনিধির উপস্থিতি এবং একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকগুলোর প্রশাসকদের এই অংশগ্রহণ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ যাত্রাকে আরও সুসংগঠিত করবে। প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা রক্ষা এবং গ্রাহকসেবার মান উন্নত করার ক্ষেত্রে এই বোর্ড সভাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

টেক্সটাইল সোর্সিংয়ের বিশ্ব আসছে ঢাকায়: ইন্টেক্স বাংলাদেশ ২০২৬ উন্মুক্ত করছে নতুন বৈশ্বিক সুযোগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে শিল্পখাত প্রস্তুতি নিচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ টেক্সটাইল সোর্সিং আয়োজনের জন্য। ইন্টেক্স বাংলাদেশ ২০২৬ আগামী ১৮–১৯–২০ জুন ২০২৬, আইসিসিবি, পূর্বাচল এক্সপ্রেস হাইওয়ে, ঢাকা-তে অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রদর্শনী বৈশ্বিক টেক্সটাইল ভ্যালু চেইনকে এক ছাদের নিচে একত্রিত করবে এবং সোর্সিং, বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের নতুন দ্বার উন্মোচন করবে।

দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বি-টু-বি টেক্সটাইল সোর্সিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে স্বীকৃত ইন্টেক্স বাংলাদেশ ২০২৬-এ ভারত, চীন, তাইওয়ান, জাপান, বাংলাদেশ, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, হংকং ও উজবেকিস্তানসহ ১২টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের নির্মাতা এবং সরবরাহকারীরা অংশ নেবেন। প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম তন্তু, সুতা, কাপড়, ট্রিমস, এক্সেসরিজ, রং, রাসায়নিক পদার্থ, কমপ্লায়েন্স সেবা এবং টেকসই সাপ্লাই চেইন উদ্ভাবনের বিস্তৃত পরিসর এখানে প্রদর্শিত হবে।

বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলো দ্রুতগতিতে তুলার বাইরে বিকল্প উপকরণের দিকে ঝুঁকছে — ফলে ম্যান-মেড ফাইবার (এমএমএফ), পারফরম্যান্স টেক্সটাইল, পুনর্ব্যবহারযোগ্য তন্তু এবং ট্রেসযোগ্য সাপ্লাই চেইনের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। এই সংস্করণ সরাসরি সেই পরিবর্তনের সাড়া দেবে — শীর্ষ টেক্সটাইল উৎপাদনকারী দেশগুলোর বিশেষ প্যাভিলিয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশি নির্মাতাদের সামনে পরবর্তী প্রজন্মের উপকরণ ও উদ্ভাবনী সমাধান তুলে ধরা হবে।

প্রধান আকর্ষণের মধ্যে রয়েছে ইনক্রেডিবল টেক্সটাইলস অব ইন্ডিয়া প্যাভিলিয়ন — টেক্সপ্রোসিল, ম্যাটেক্সিল ও পিডেক্সিলসহ শীর্ষস্থানীয় রপ্তানি উন্নয়ন পরিষদের সহায়তায় — ৭৫টিরও বেশি ভারতীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে অংশ নেবে। পাশাপাশি চায়না ফ্যাশন টেক্সটাইলস প্যাভিলিয়নে চীনের শীর্ষ প্রদেশগুলো থেকে ৭০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান আরএমজি শিল্পের জন্য এমএমএফ, টেকসই উপকরণ, পোশাক এক্সেসরিজ এবং উন্নত ফেব্রিক প্রযুক্তির উদ্ভাবন উপস্থাপন করবে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জাপান, আর্জেন্টিনা, ভারত, ব্রাজিল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ২০টিরও বেশি দেশের টেক্সটাইল ও পোশাক ক্রেতারা ইন্টেক্স বাংলাদেশ ২০২৬-এ অংশ নিতে আগ্রহী।

প্রদর্শনীতে আরও থাকবে ইন্টারেক্টিভ বিজনেস ফোরাম (আইবিএফ) সেমিনার সিরিজ — ফ্যাশন বিজনেস জার্নালের সহযোগিতায় — যেখানে শিল্প নেতারা টেকসইতা, সাপ্লাই চেইন স্থিতিশীলতা, ট্রেসেবিলিটি ও উদীয়মান বাজারের প্রবণতা নিয়ে আলোচনা করবেন। এর পাশাপাশি বি-টু-বি কানেক্ট ওয়ান-টু-ওয়ান ম্যাচমেকিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে ক্রেতা ও সরবরাহকারীদের মধ্যে লক্ষ্যভিত্তিক বৈঠকের সুযোগ তৈরি হবে, যা দীর্ঘমেয়াদী বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। অফিশিয়াল ট্রেসেবিলিটি পার্টনার হিসেবে টেক্সটাইলজেনেসিস ডিজিটাল সাপ্লাই চেইন স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীল সোর্সিংয়ের আলোচনাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

“ ইন্টেক্স বাংলাদেশ বৈশ্বিক টেক্সটাইল সরবরাহকারীদের সাথে বাংলাদেশের গতিশীল পোশাক শিল্পকে সংযুক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে চলেছে। এ ধরনের উদ্যোগ সোর্সিং সক্ষমতা বৃদ্ধি, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত এবং টেক্সটাইল ভ্যালু চেইন জুড়ে মূল্যবান সহযোগিতার সুযোগ তৈরিতে সহায়তা করে। ”

— মোহাম্মদ হাতেম, সভাপতি, বিকেএমইএ

“ বাংলাদেশ যখন বৈশ্বিক পোশাক সোর্সিং গন্তব্য হিসেবে তার অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে, তখন ইন্টেক্স বাংলাদেশের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো আন্তর্জাতিক সরবরাহকারী, ক্রেতা ও নির্মাতাদের সংযুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিজিবিএ এই উদ্যোগকে সমর্থন জানাতে পেরে গর্বিত এবং ইন্টেক্স বাংলাদেশ ২০২৬-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করে। ”

— মো. আব্দুল হামিদ, সভাপতি, বিজিবিএ

বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও ভারতে হাজার হাজার ব্যবসায়িক বৈঠক সহজতর করার ইতিহাস নিয়ে ইন্টেক্স ধারাবাহিকভাবে দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও সাপ্লাই চেইন একীকরণকে শক্তিশালী করে আসছে। আন্তর্জাতিক পরিসর, ভবিষ্যৎমুখী কর্মসূচি এবং শক্তিশালী নেটওয়ার্কিং সুযোগ নিয়ে ইন্টেক্স বাংলাদেশ ২০২৬ বাংলাদেশের পোশাক শিল্প ও বৈশ্বিক টেক্সটাইল সাপ্লাই চেইনের নির্ধারিত মিলনস্থল হয়ে উঠতে প্রস্তুত।

আজই আপনার বিনামূল্যে ই-ব্যাজ নিবন্ধন করুন bd.intexsouthasia.com-এ — দ্রুত প্রবেশাধিকারের জন্য।


নির্বাচিত

শেষ হলো ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশকে দেখার অভ্যাস আমাদের সবার আছে কিন্তু বাংলাদেশকে খুঁজে বের করা—সেটা তো কঠিন কাজ।

সেই খোঁজ থেকেই জন্ম নেয় ‘রুচি বিউটিগ্রাম’ – যেখানে ভ্রমণ শুধু গন্তব্য নয়, বরং ছবি, ভিডিও আর গল্পের মধ্য দিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশের একটি প্ল্যাটফর্ম। এই ধারাবাহিক আয়োজনের সপ্তম আসর ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’-এ দেশের নানা প্রান্তের তরুণ ক্রিয়েটররা তুলে ধরেছেন বাংলাদেশকে নিজেদের লেন্সে, নিজেদের ভাষায়।

২০২৫ এর জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এই সিজনে অনলাইনে ওপেন সাবমিশনের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। অল্প সময়েই জমা পড়ে ১২ হাজারেরও বেশি ছবি, ভিডিও ও গল্প। একাধিক ধাপে বাছাই প্রক্রিয়া, বিচারকদের সঙ্গে মাস্টারক্লাস এবং নতুন করে দেওয়া টাস্ক সম্পন্ন করার পর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয় ৪২টি ছবি, ১৮টি ভিডিও ও ২৫টি গল্প।

এই নির্বাচিত কাজগুলো নিয়েই ১১, ১২ ও ১৩ জুন, ২০২৬ তারিখে ধানমন্ডির গ্যালারি চিত্রকে আয়োজন করা হয় ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’-এর তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান।

এবারের আসরে গল্প বিভাগে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন লেখক-কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব ও ট্র্যাভেলার বাবর আলী। ছবি বিভাগে বিচারক হিসেবে ছিলেন সাইফুদ্দীন হাসান চন্দন ও শফিকুল আলম কিরণ। ভিডিওগ্রাফি বিভাগে বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন সিনেমাটোগ্রাফার রাশেদ জামান।

এবারের আসরে বিচারকদের মূল্যায়নের পাশাপাশি দর্শকদের ভোটের মাধ্যমেও বিজয়ী নির্বাচন করা হয়। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শিত নির্বাচিত ছবি, ভিডিও ও গল্প থেকে দর্শকরা তাদের পছন্দের কনটেন্টে ভোট দেন। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় যুক্ত হয় দর্শকদের সরাসরি অংশগ্রহণ, যা আয়োজনটিকে আরও ইন্টারেক্টিভ করে তোলে।

প্রদর্শনীর শেষ দিনে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে রুচির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড-এর সিইও জনাব মো: পারভেজ সাইফুল ইসলাম, হেড অব মার্কেটিং জনাব ইমতিয়াজ ফিরোজ এবং প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত বিচারকবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রুচি বিউটিগ্রামের মতো একটি আয়োজন দেশের তরুণ প্রজন্মকে ভ্রমণ ও সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরিতে উৎসাহিত করছে। ছবি, ভিডিও ও গল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে নতুনভাবে তুলে ধরার এই উদ্যোগ দেশের সৃজনশীল চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড-এর পক্ষ থেকে সিইও জনাব মো: পারভেজ সাইফুল ইসলাম এই সফল আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত সকল অংশগ্রহণকারী, দর্শক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের সৃজনশীল আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গল্প বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


নির্বাচিত

ওয়ালটনের নতুন স্মার্ট ফোন ‘য্যানন এক্স২২ ৫জি’ বাজারে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

য্যানন’ সিরিজের অত্যাধুনিক ফিচার ও ৫জি নেটওয়ার্ক সমৃদ্ধ নতুন স্মার্টফোন বাজারে ছেড়েছে ওয়ালটন। সাশ্রয়ী মূল্যের নতুন স্মাটফোনটির মডেল ‘য্যানন এক্স২২ ৫জি’।

দৃষ্টিনন্দন ডিজাইনে তৈরি ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি ক্যামেরার ফোনটিতে থাকছে ৬ ন্যানোমিটারের মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৭১০০ ৫জি প্রসেসর। ফলে এই ফোনের সার্বিক পারফরমেন্স হবে দারুণ। এই স্মার্টফোনে আরও আছে ১৬ জিবি র‌্যাপিড মেমোরিসহ বিশাল স্টোরেজ ও দ্রুতগতির চার্জিং সুবিধার শক্তিশালী ব্যাটারিসহ অসংখ্য অত্যাধুনিক ফিচার।

ওয়ালটন মোবাইলের চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) আবু জাহিদ জানান, অবসিডিয়ান গ্রে এবং জেনিথ গ্রিন এই দুটি আকর্ষণীয় রঙে ফোনটি বাজারে এসেছে। ফোনটির মূল্য ২৫ হাজার ৯৯৯ টাকা (ভ্যাট ছাড়া)। দেশের সব ওয়ালটন প্লাজা, নেক্সজি ব্র্যান্ডশপ, পরিবেশক শোরুম, মোবাইলের ব্র্যান্ড ও রিটেল আউটলেট থেকে কেনা যাচ্ছে নতুন এই ৫এ স্মার্টফোন। এছাড়া ঘরে বসেই ওয়ালটনের অনলাইন সেলস প্ল্যাটফর্ম (যঃঃঢ়ং://ধিষঃড়হঢ়ষধুধ.পড়স.নফ) এবং (যঃঃঢ়ং://ধিষঃড়হফরমরঃবপয.পড়স/) থেকেও এই নতুন ফোনটি সহজেই কিনতে পারছেন ক্রেতারা।

জানা গেছে, অ্যান্ড্রয়েড ১৬ অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত এই ফোনে এলপিডিডিআর৫ (খচউউজ৫) মেমোরি টেকনোলজি ব্যবহৃত হয়েছে। যা ব্যবহারকারী ১৬ জিবি পর্যন্ত র‌্যাপিড মেমোরি সুবিধা পাবেন, গ্রাফিক্স হিসেবে আছে এআরএম মালিজি৬১০ এমসি২। ফলে ফোনের কার্যক্ষমতা ও গতি হবে অনেক বেশি। বিভিন্ন অ্যাপসের ব্যবহার, দ্রুত গতির ইন্টারনেট ব্রাউজিং, থ্রিডি গেমিং এবং দ্রুত ভিডিও লোড ও ল্যাগ-ফ্রি ভিডিও স্ট্রিমিং সুবিধা মিলবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ফোনটিতে অভ্যন্তরীণ মেমোরি রয়েছে ১২৮ গিগাবাইট। যা মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে ৫১২ গিগাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। এই ফোনে আছে ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেটের ৬ দশমিক ৮ ইঞ্চির ইউ-নচ আইপিএস ডিসপ্লে। ফোনটির ডিসপ্লেতে পাওয়া যাবে ৬৩০ নিটস এইচবিএম ব্রাইটনেস। এসবের ফলে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার এবং ভিডিও দেখা, গেম খেলা, বই পড়া বা ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ে মোবাইল স্পর্শে অনন্য অভিজ্ঞতা পাবেন গ্রাহক।

ফোনটির পেছনে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের সনি আইএমএক্স৭৫২ (ঝড়হু ওগঢ৭৫২) সেন্সরযুক্ত মেইন ক্যামেরা, ২ মেগাপিক্সেল ম্যাক্রো ক্যামেরা, পিডিএএফসহ ৮ মেগাপিক্সেলের আকর্ষণীয় সেলফি ক্যামেরা। ফোনটিতে আছে মাল্টিপল শুটিং মোড যেমন নাইট, প্রো ভিডিও, স্লো মোশন ও ম্যাক্রো। ভিডিও রেকর্ডিংয়ের জন্য রয়েছে ২কে ইআইএস সুবিধা। আছে সাইড মাউন্টেড ফিঙ্গার প্রিন্ট স্ক্যানার।

নতুন মডেলের ফোনে পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য ডিভাইসটিতে রয়েছে ছয় হাজার এমএএইচ দীর্ঘস্থায়ী হাইক্যাপাসিটি আল্ট্রা-লার্জ ব্যাটারি। সঙ্গে ১৮ ওয়াট টাইপ-সি ফাস্ট চার্জিং থাকায় দ্রুততম সময়ে চার্জিং সুবিধা থাকছে এই ডিভাইসে। এছাড়াও অন্যান্য ফিচারের মধ্যে রয়েছে আইপি৬৪ ডাস্ট এন্ড ওয়াটার রেসিস্ট্যান্স, ডুয়াল মাইক অ্যাকটিভ নয়েজ ক্যান্সেলেশন, স্মার্ট টাচ। আছে স্পেশাল ফাংশন যেমন নেটলেস, চ্যাট, ডায়নামিক উইনডো, অ্যাপ ক্লোন, অ্যান্টিথেফ টাচ মোড, হিডেন অ্যাপস ইত্যাদি ফিচার। এসব ফিচারের সমন্বয়ে প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা হবে আরও ফাস্ট, পাওয়ারফুল এবং সীমলেস।

ওয়ালটনের নিজস্ব কারখানায় তৈরি এই স্মার্টফোনে ৩০ দিনের বিশেষ রিপ্লেসমেন্ট সুবিধাসহ এক বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা পাচ্ছেন গ্রাহক।


নির্বাচিত

ব্যাংক এশিয়ার ২৭ তম বার্ষিক সাধারণ সভা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ব্যাংক এশিয়া পিএলসি’র ২৭ তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ১১ জুন ২০২৬ তারিখে ডিজিটাল প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যাংকের চেয়ারম্যান জনাব রোমো রউফ চৌধুরী সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় শেয়ারহোল্ডারগণ ২০২৫ সালের জন্য ঘোষিত ১৭% লভ্যাংশ অনুমোদন করেন, যার মধ্যে ৮.৫% নগদ লভ্যাংশ এবং ৮.৫% স্টক লভ্যাংশ।

ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব জাকিয়া রউফ চৌধুরী, পরিচালক ও বোর্ড নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান জনাব রুমি এ হোসেন, পরিচালক জনাব এনাম চৌধুরী, জনাব রোমানা রউফ চৌধুরী, জনাব ফারহানা হক, জনাব নাফিস খন্দকার ও জনাব ফারজানা খান, পরিচালক ও বোর্ড অডিট কমিটির চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আতাউর রহমান, এনডিসি, পরিচালক ও বোর্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান জনাব সাবেত নাঈম চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সোহেল আর কে হোসেন এবং কোম্পানী সেক্রেটারী (ভারপ্রাপ্ত) জনাব জাহিদ হাসান সভায় যোগদান করেন। এছাড়া বিপুল সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার ও ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় শেয়ারহোল্ডারগণ ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রম ও ব্যবসায়িক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের হিসাব প্রতিবেদন এবং নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুমোদন করেন।


নির্বাচিত

banner close