‘শেখ হাসিনা আন্তব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৪’ এ রানার আপ হয়েছে শরিআহ্ভিত্তিক স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসি। শনিবার ঢাকায় বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনাল খেলা শেষে প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে রানার আপ ট্রফি গ্রহণ করেন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের চেয়ারম্যান কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ এবং ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ মোহন মিয়া। মাঠে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপন এমপি, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (ব্যাব) চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার। এ সময় টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকসমূহের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের পরিচালক কামাল মোস্তফা চৌধুরী, ফিরোজুর রহমান, এস. এ. এম. হোসাইন, মোহাম্মদ আবদুল আজিজ এবং মো. জাহেদুল হক উপস্থিত ছিলেন। স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিওও মো. সিদ্দিকুর রহমান, এসইভিপি ও চিফ রেমিটেন্স অফিসার মো. মোশাররফ হোসাইন, এসইভিপি ও হেড অব এসএএম ডিভিশন মুহাম্মাদ সাঈদ উল্লাহ এবং ইভিপি ও চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মো. আলী রেজা এফসিএমএ, সিআইপিএসহ প্রধান কার্যালয় ও বিভিন্ন শাখার নির্বাহী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মাঠে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করেন। ব্যাংকারদের স্বাস্থ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধের উন্নয়নকল্পে প্রধানমন্ত্রীর উৎসাহ ও পৃষ্ঠপোষকতায়, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস্ (ব্যাব) এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধানে ২০২৩ সাল থেকে ‘শেখ হাসিনা আন্তব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্ট’ শুরু হয়। বিজ্ঞপ্তি
দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি (ইবিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন হাসান ও. রশিদ ।
ইবিএলে যোগদানের আগে তিনি প্রাইম ব্যাংক পিএলসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যাংকিং খাতে ৩১ বছরেরও বেশি কাজ করার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হাসান দেশীয় ও বহুজাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে পালন করেছেন। কর্মজীবনে তিনি ক্রেডিট অ্যাগ্রিকোল ইন্দোসুয়েজ, এইচএসবিসি এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র পদে কাজ করেছেন।
ট্রান্সফরমেশন, ইনোভেশন এবং কৌশলগত নেতৃত্বের জন্য হাসান ও রশিদ সুপরিচিত। ইতোপূর্বে তিনি ২০১৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ইবিএলের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এসময় তিনি ব্যাংকের অবস্থান সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার নেতৃত্বে ইবিএলের ব্যালান্স শিট দ্বিগুণ হয়, ট্রেড ফাইন্যান্স কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হয় এবং দেশে প্রথমবারের মতো কমার্শিয়াল পেপার ও জিরো-কুপন বন্ডের মতো আর্থিক উপকরণ চালু করা হয়।
তার সুদীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন বড় অবকাঠামো প্রকল্পে অর্থায়ন, এসএমই ব্যাংকিং খাতকে শক্তিশালী করা এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতি ও ব্যবসা প্রশাসনে স্নাতক এবং গারভিন স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল ম্যানেজমেন্ট, থান্ডারবার্ড থেকে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ওয়াল স্ট্রীট জার্নাল স্টুডেন্ট অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড লাভের কৃতিত্ব অর্জন করেন এবং যুক্তরাজ্যের ওমেগা থেকে ‘ক্রেডিট প্রফেশনাল’ সনদ অর্জন করেছেন।
পেশাগত জীবনের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গেও যুক্ত। বর্তমানে তিনি Association of Bankers, Bangladesh (এবিবি)-এর ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি রোটারি ক্লাব অব রমনা, কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবের সদস্য এবং সেন্ট জোসেফ ওল্ড বয়েজ অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি গলফ খেলা ও লং ডিস্ট্যান্স রানিং এ আগ্রহী।
উত্তরা ব্যাংক পিএলসি-এর নবনিযুক্ত প্রবেশনারী অফিসারদের জন্য সম্প্রতি ব্যাংকের অডিটোরিয়ামে একটি ‘ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উত্তরা ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জনাব মো: আবুল হাশেম।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মাকসুদুল হাসান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো: রেজাউল করিম, জনাব খন্দকার আলী সামনুন এবং জনাব মো: রাফিদুল ইসলামসহ ব্যাংকের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে নবনিযুক্ত কর্মকর্তাদের ব্যাংকিং কার্যক্রম এবং পেশাগত উৎকর্ষ সাধনের বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেশের স্বনামধন্য ইলেকট্রনিক্স বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান সনি-র্যাংগস তাদের নতুন পণ্যসম্ভার উন্মোচন করেছে। র্যাংগস ইলেকট্রনিক্স লিমিটেডের নিজস্ব কারখানায় প্রস্তুতকৃত ডাউ, কেলভিনেটর এবং র্যাংগস ব্র্যান্ডের ৪৮টি ভিন্ন ভিন্ন রঙ ও আকারের রেফ্রিজারেটর এখন থেকে বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে পাওয়া যাবে।
চার দশকেরও বেশি সময় ধরে অর্থাৎ ১৯৮৪ সাল থেকে র্যাংগস ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড অত্যন্ত সুনাম ও আস্থার সাথে বিশ্বখ্যাত ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ করে আসছে। আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থার প্রসার ঘটাতে ২০২৫ সালে সিলেটের হাই-টেক পার্কে ১২০ একরেরও অধিক জায়গাজুড়ে ইউরোপীয় প্রযুক্তিনির্ভর একটি অত্যাধুনিক রেফ্রিজারেটর কারখানা প্রতিষ্ঠা করা হয়। শুরুতে ১০টি মডেল নিয়ে উৎপাদন শুরু হলেও গ্রাহকদের বিশেষ চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে এই বছর ১৭০ লিটার থেকে শুরু করে ৩৭৭ লিটার সক্ষমতার ২৫টি নতুন মডেলসহ সর্বমোট ৪৮টি ভিন্ন ভিন্ন কালার ও সাইজের ডাউ, কেলভিনেটর ও র্যাংগস ব্র্যান্ডের রেফ্রিজারেটর বাজারে আনা হয়েছে। সনি-র্যাংগস-এর ভাইস চেয়ারপারসন মিসেস সাচিমি হোসেন এই “GRAND LAUNCHING” কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ নির্বাহী কর্মকর্তা, ডিলার, ব্যবসায়িক অংশীদার এবং সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ রিটেইল ফোরামের উদ্যোগে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম আয়োজিত ‘বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ -এ ‘সেরা রিটেইল স্টার্টআপ (বিশেষ সম্মাননা) বিভাগে স্বীকৃতি পেয়েছে দেশের প্রথম গোল্ড সঞ্চয় অ্যাপ ‘গোল্ড কিনেন’।
গত ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ঢাকায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় রিটেইল প্রতিষ্ঠান ও উদ্ভাবকদের উপস্থিতিতে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। মোট ৬৪টি প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগকে এ আয়োজনে সম্মাননা দেওয়া হয়, যারা ডিজিটাল যুগে রিটেইল খাতে পরিবর্তন ও উদ্ভাবনে ভূমিকা রাখছে।
২০২৩ সালের এপ্রিলে বাণিজ্যিক যাত্রা শুরুর তিন বছর পূর্তির সময়কালে এই স্বীকৃতি অর্জন করলো গোল্ড কিনেন।
বিগত তিন বছরে প্রতিষ্ঠানটি গোল্ড সঞ্চয়ের প্রক্রিয়াকে সহজ এবং সুবিধাজনক করতে কাজ করে চলেছে, যেখানে গ্রাহকেরা প্রতিদিনের অফিসিয়াল বাজারমূল্যে মাত্র ৫০০ টাকা থেকে গোল্ড সঞ্চয় শুরু করতে পারেন। অফিসিয়াল বাজারমূল্যে ২২-ক্যারেট গোল্ড ক্রয়-বিক্রয়, বীমাকৃত ভল্ট স্টোরেজ এবং অ্যাপ-ভিত্তিক পরিষেবা এবং গোল্ড বার ও কয়েনের ডেলিভারি ও পিকআপ সুবিধার মাধ্যমে দেশজুড়ে গোল্ড সঞ্চয়কে আরও সহজলভ্য করে তুলেছে প্ল্যাটফর্মটি। বর্তমানে প্রায় ৪ লাখ গ্রাহক এই মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ২২ ক্যারেট হলমার্ক সার্টিফাইড গোল্ড বার ও কয়েন সঞ্চয়, সংরক্ষণ ও উত্তোলন করছেন।
গোল্ড কিনেন-এর প্রতিষ্ঠাতারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “গোল্ড সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে একটি নির্ভরযোগ্য ও স্বচ্ছ সেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার যে লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি, এই স্বীকৃতি তারই প্রতিফলন। আমরা আমাদের টিম, পার্টনার এবং গ্রাহকদের প্রতি কৃতজ্ঞ, যাদের আস্থা আমাদের পথচলাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।”
হজ্জ যাত্রীদের মাঝে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পক্ষ থেকে হজ্জ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সিআরও এবং চিফ অফ ইসলামিক ব্যাংকিং মো. জাকির হোসেন মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ইসলামিক ব্যাংকিং 'তাকওয়া'-র সৌজন্যে গত ১৭ এপ্রিল, শুক্রবার আশকোনা হজ্জ ক্যাম্পে প্রথম হজ্জ ফ্লাইটের যাত্রীদের মাঝে হজ্জ উপহার সামগ্রী বিতরণের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন।
এ সময় মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ইসলামী ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান, ডেপুটি চিফ অফ ইসলামিক ব্যাংকিং ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মিজানুর রহমান সরকারসহ ব্যাংকের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উক্ত অনুষ্ঠানে সম্মানিত হাজীদের নিরাপদ হজ্জযাত্রা ও সুস্বাস্থ্য কামনাসহ মহান রাব্বুল আলামিনের নিকট তাঁদের পবিত্র হজ্জ কবুল হওয়ার জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
হজ পালনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা এবং সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে রাজধানীর আশকোনায় হজ ক্যাম্পে একটি বিশেষ হজ বুথ স্থাপন করেছে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক। শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর সৌজন্যে হজে গমনেচ্ছুদের মাঝে বিনামূল্যে ‘হজ গাইড’ এবং ‘ছাতা’ বিতরণ করা হচ্ছে।
আজ ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ জাফর ছাদেক, এফসিএ প্রধান অতিথি হিসেবে উক্ত বুথ এর উদ্বোধন করেন এবং হজ্জযাত্রীদের সেবার জন্য প্রদত্ত দ্রব্যাদি হস্তান্তর করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ঢাকা হজ অফিসের পরিচালক (যুগ্ম-সচিব) জনাব মোঃ লোকমান হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের এসইভিপি ও কোম্পানি সচিব জনাব মোঃ আবুল বাশার, উত্তরা শাখার ব্যবস্থাপক জনাব মোহাম্মদ আবু হানিফ, আশকোনা শাখার ব্যবস্থাপক আহসানুল হক ফেরদৌস এবং ব্যাংকের জেএভিপি ও জনসংযোগ ও ব্যাংক ফাউন্ডেশনের ইনচার্জ জনাব কে. এম. হারুনুর রশীদ উপস্থিত ছিলেন। এই বুথটির মাধ্যমে হজ্জযাত্রীরা হজে যাওয়ার আগে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবা সহজে গ্রহণ করতে পারবেন।
দেশের শিল্প খাতের উন্নয়নে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে, কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএসএমই) শিল্পের উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে এসএমই ফাউন্ডেশন এবং প্রাইম ব্যাংক একটি পুনঃঅর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। সরকারের ৩০০ কোটি টাকার ‘রিভলভিং ফান্ড’-এর আওতায় এবং ক্রেডিট হোলসেলিং নির্দেশিকা অনুসরণ করে তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক গতিশীলতা আনাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) ব্যাংকটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সরকারের অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
এই চুক্তির অধীনে, প্রাইম ব্যাংক যোগ্য উদ্যোক্তাদের বার্ষিক সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ সুদে স্বল্পমূল্যের ঋণ প্রদান করবে। এই অর্থায়ন সুবিধাটি অত্যন্ত সহজলভ্য করা হয়েছে, যেখানে প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী সর্বনিম্ন ১ লক্ষ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আর্থিক চাপ কমাতে এই কর্মসূচিতে সর্বোচ্চ চার বছর পর্যন্ত ঋণ পরিশোধের সময়সীমা রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ছয় মাসের একটি গ্রেস পিরিয়ডও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং সামাজিক সাম্য নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তহবিলের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নারী উদ্যোক্তা এবং নির্দিষ্ট শিল্প ক্লাস্টারে কর্মরত উদ্যোক্তাদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়াও আইসিটি খাতের তরুণ উদ্ভাবক, আমদানি-বিকল্প পণ্য উৎপাদনকারী এবং জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ বা সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলের উদ্যোক্তাদের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে কোনো আনুষ্ঠানিক জামানত বা স্থাবর সম্পত্তির বাধ্যবাধকতা না থাকায়, যাদের পর্যাপ্ত সম্পদ নেই তারাও নিজেদের ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধন সংগ্রহ করতে পারবেন।
উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নেতৃত্ব জাতীয় অর্থনীতিতে এই তহবিলের প্রভাব নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। কেবল ঋণ প্রদানের মধ্যেই এই কর্মসূচি সীমাবদ্ধ নয়; এটি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি উৎসাহিত করার মাধ্যমে টেকসই শিল্পায়ন এবং বিদেশ ফেরত অভিবাসীদের উৎপাদনশীল কর্মসংস্থানে যুক্ত করার লক্ষ্যও রাখে। এম. নাজিম এ. চৌধুরী এবং আনোয়ার হোসেন চৌধুরী জোর দিয়ে বলেন যে, এই কৌশলগত অংশীদারিত্ব কেবল কর্মসংস্থানই সৃষ্টি করবে না, বরং বাংলাদেশের সিএমএসএমই খাতের সামগ্রিক সক্ষমতাকেও আরও শক্তিশালী করবে।
বাংলাদেশ রিটেইল ফোরাম ও বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের উদ্যোগে রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে ‘বাংলাদেশ রিটেইল কংগ্রেস ২০২৬’-এর ৮ম আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের কংগ্রেসের মূল প্রতিপাদ্য ছিল “ট্রান্সফর্মিং রিটেইল থ্রু নলেজ” বা “জ্ঞানের মাধ্যমে খুচরা বিক্রয় খাতের রূপান্তর।” স্বপ্নের পরিবেশনায় এবং সিঙ্গার ও বাটার সঞ্চালনায় আয়োজিত এই সম্মেলনে সহযোগিতা করেছে কনকা ও গ্রি (ইলেক্ট্রো মার্ট লিমিটেড)।
দিনব্যাপী এই সম্মেলনে দেশের শীর্ষস্থানীয় রিটেইলার, ব্র্যান্ড নেতৃত্ব, সাপ্লাই চেইন বিশেষজ্ঞ এবং বিপণন পেশাজীবীরা অংশ নেন। সম্মেলনে ৩টি কি-নোট সেশন, ৩টি প্যানেল আলোচনা এবং ২টি ইনসাইট সেশন অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় বাংলাদেশের রিটেইল খাতের পরিবর্তনশীল বাস্তবতা, ডাটা-নির্ভর কৌশল, গ্রাহক আচরণ বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তির ব্যবহারের গুরুত্ব বিশেষভাবে উঠে আসে।
আয়োজনের উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের গ্রুপ চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার সাজিদ মাহবুব বলেন, “বর্তমান সময়ে রিটেইল খাতকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে জ্ঞানকে কার্যকর কাজে রূপান্তরের সক্ষমতা। পরিবর্তিত গ্রাহক চাহিদা বোঝা এবং দ্রুত অভিযোজনই ভবিষ্যতের নেতৃত্ব নির্ধারণ করবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের রিটেইল খাত যত বিস্তৃত হচ্ছে, ততই তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে।
কি-নোট সেশনে বক্তব্য রাখেন ইন্টারন্যাশনাল ডিসট্রিবিউশন কোম্পানি বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আশরাফ বিন তাজ, ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের কাস্টমার বিজনেস ডেভেলপমেন্ট (সিবিডি) হেড শাদমান সাদিকিন এবং ওমনি স্ট্র্যাটেজির সিইও সামি আশরাফ। তাঁদের আলোচনায় ডিস্ট্রিবিউশন দক্ষতা, উদ্দেশ্যনির্ভর ব্যবসায়িক কৌশল এবং ভোক্তাদের প্রত্যাশার সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রযুক্তিনির্ভর রিটেইল ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা ফুটে ওঠে।
কংগ্রেসে বক্তা হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাটা বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ফারিয়া ইয়াসমিন, সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেডের এমডি ও সিইও এমএইচএম ফাইরোজ, গ্রামীণ ডানোন ফুডস লিমিটেডের এমডি দীপেশ নাগ, বিজিএমইএ-এর পরিচালক ফাহিমা আখতার ও শাহ রায়ীদ চৌধুরীসহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞবৃন্দ। প্যানেল আলোচনাগুলোতে রিটেইল খাতের ভবিষ্যৎ ধারা, ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য ও মুনাফার ভারসাম্য এবং গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নয়নে ডাটা ও প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সম্মেলনের শেষভাগে অংশগ্রহণকারীরা একটি টেকসই ও ভবিষ্যৎমুখী রিটেইল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্যে সম্মিলিত ও সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এই আয়োজনের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার ছিল বিজিএমইএ, নলেজ পার্টনার মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ, অফিসিয়াল ক্যারিয়ার পার্টনার টার্কিশ এয়ারলাইন্স এবং পিআর পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল ব্যাকপেজ পিআর।
বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের এই সময়ে তেলচালিত যানবাহনের ব্যয় ও ভোগান্তি যখন সাধারণ মানুষকে নাজেহাল করছে, তখন গ্রাহকদের জন্য সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব সমাধান নিয়ে ওয়ালটন তাকিওন ইলেকট্রিক বাইক শুরু করেছে ‘সুপার সেভার কার্নিভাল’। এই বিশেষ ক্যাম্পেইনের আওতায় তাকিওন ইলেকট্রিক বাইকে সর্বোচ্চ ৯,৬০০ টাকা পর্যন্ত মূল্যছাড় দেওয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে ভাগ্যবান একাধিক গ্রাহকের জন্য থাকছে সরাসরি মাঠে বসে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের খেলা দেখার রোমাঞ্চকর সুযোগ।
ক্যাম্পেইনটি প্রচারের উদ্দেশ্যে সম্প্রতি দেশের ৬৪টি জেলার ৭০টিরও বেশি স্থানে একযোগে বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। র্যালির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইলেকট্রিক বাইক ব্যবহারের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ‘সুপার সেভার কার্নিভাল’-এর অফারগুলো তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে তাকিওন ইলেকট্রিক বাইকের ‘ফ্রি সার্ভিস ক্যাম্পেইন’ ও ‘টেস্ট রাইড’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যেখানে তাকিওন ব্যবহারকারীরা আকর্ষণীয় ছাড়ে পার্টস কেনার সুবিধার পাশাপাশি বিনামূল্যে বাইক সার্ভিসিং করিয়ে নিতে পারছেন। এছাড়া আগ্রহী ক্রেতাদের জন্য রয়েছে সরাসরি বাইক দেখা ও চালিয়ে দেখার (টেস্ট রাইড) সুযোগ।
তাকিওন ইলেকট্রিক বাইক বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ই-বাইক ব্র্যান্ড। দেশের রাস্তা ও পরিবেশের উপযোগী করে তৈরি এই বাইক আরামদায়ক রাইডিং অভিজ্ঞতা ও দ্রুত সেবার কারণে গ্রাহক চাহিদার শীর্ষে রয়েছে। বর্তমানে তাকিওন ব্র্যান্ডের ৯টি ভিন্ন মডেলে আকর্ষণীয় সব কালার ভ্যারিয়েন্ট বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
এই ইলেকট্রিক বাইক অত্যন্ত সাশ্রয়ী; মডেলভেদে প্রতি কিলোমিটারে যাতায়াত খরচ মাত্র ১০ থেকে ২০ পয়সা। এতে রয়েছে ৮০ থেকে ১২০ কিলোমিটার রেঞ্জ, উন্নত গ্রাফিন ব্যাটারি, শক্তিশালী সাসপেনশন, রিমোট কি, ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড এবং স্পিড মোডসহ আধুনিক সব ফিচার। তাকিওন ই-বাইকে দুজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ অনায়াসেই যাতায়াত করতে পারেন।
উল্লেখ্য, দেশের প্রথম বিআরটিএ অনুমোদিত তাকিওন ইলেকট্রিক বাইক বর্তমানে ৭৮,৭৫০ টাকা থেকে ১,৮৩,০০০ টাকা মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে। গ্রাহকরা দেশের প্রতিটি প্রান্তে থাকা ওয়ালটনের অফিসিয়াল শোরুম বা তাকিওন এক্সক্লুসিভ ডিলার আউটলেট থেকে নগদ অথবা সহজ কিস্তিতে এই বাইক ক্রয় করতে পারবেন।
ব্যাংক এশিয়া সিকিউরিটিজ লিমিটেড (বিএএসএল)-এর ১৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা গত ১৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে রাজধানীর বিজয় সরণিস্থ ব্যাংক এশিয়া পিএলসি-এর বোর্ড রুমে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংক এশিয়া সিকিউরিটিজ লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান জনাব রোমানা রউফ চৌধুরী।
সভায় কোম্পানির পরিচালক অধ্যাপক এম শাহজাহান মিনা, জনাব সোহেল আর কে হোসেন, জনাব এ এন এম মাহফুজ এবং জনাব মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল এফসিএ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মি. সুমন দাস, কোম্পানি সচিব জনাব মো. আনিসুল আলম সরকার এবং হেড অব ফিন্যান্স জনাব মো. নাহিদ রেজা উক্ত সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় কোম্পানির ব্যবসায়িক অগ্রগতি পর্যালোচনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
রমজান মাসজুড়ে বিকাশ-এ রেমিট্যান্স গ্রহণ করে এক লাখ টাকা সহ বিভিন্ন অঙ্কের কুপন জিতেছেন প্রবাসীদের ২১ জন স্বজন। রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে দেশে থাকা প্রিয়জনের কাছে সবচেয়ে সহজে, বৈধপথে, নিরাপদে তাৎক্ষণিক রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করতে এই বিশেষ ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে বিকাশ। বিজয়ীদের কুপনগুলো সরাসরি তাদের বিকাশ অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৮ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত চলা এই ক্যাম্পেইনে মাসিক সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স গ্রহণকারী মো. নয়ন মিয়া পেয়েছেন ১ লাখ টাকার মেগা কুপন।
পাশাপাশি, প্রতি সপ্তাহে পাঁচজন বিজয়ী পেয়েছেন ২৫ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক ডিভাইস কুপন। এছাড়াও, প্রতিদিন অন্তত ১০ হাজার টাকা রেমিটেন্স গ্রহণ করলেই গ্রাহকরা পেয়েছেন ৩০০ টাকার ডিসকাউন্ট কুপন।
বর্তমানে, ১৭০টিরও বেশি দেশ থেকে ১৩৫টি আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) এর মাধ্যমে প্রবাসীরা দেশে থাকা স্বজনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে যতবার প্রয়োজন ততবার রেমিট্যান্স পাঠাতে পারছেন। সেই রেমিট্যান্স ২৭টি শীর্ষ বাণিজ্যিক ব্যাংকে সেটেলমেন্ট হয়ে প্রতি হাজারে ২৫ টাকা সরকারি প্রণোদনাসহ নিমেষেই পৌঁছে যাচ্ছে দেশে থাকা প্রিয়জনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে।
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছাড়াই বিকাশ অ্যাকাউন্টে তাৎক্ষণিক, সহজ, যেকোনো অঙ্কের রেমিট্যান্স পাঠানো, রেমিট্যান্স স্টেটমেন্ট তোলার সুযোগ সহ নানা সুবিধার কারণে বিকাশ অ্যাকাউন্টে রেমিট্যান্স পাঠানোর সেবা ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করতে অবদান রাখছে।
বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের আরও সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতে নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রায়শই এ ধরনের আকর্ষণীয় অফার নিয়ে আসে বিকাশ।
‘অ্যাক্সেনটেক প্রেজেন্টস এফআইসিসিআই ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’-এর জন্য সকল প্রস্তুতি নেয়া শেষ। বিদেশী বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অন্যতম শীর্ষ সংগঠন ফরেন ইনভেস্টরস’ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই)-এর ব্যানারে, নাটমেগের আয়োজনে কর্পোরেট এই খেলার আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এফআইসিসিআই বর্তমানে বাংলাদেশের ঝ্যবসায়িক উন্নয়ন, নীতিনির্ধারণী বিষয়ক সহায়তা এবং টেকসই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে একই ছাতার নিচে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছে।
২০২৫ সালের সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায়, এবারের বিশাল পরিসরের এই আসরে অংশ নিচ্ছে ২০টি শীর্ষ মানের বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান। এর মাধ্যমে কর্পোরেট সম্পর্ক, দলগত কাজ এবং সুস্থ প্রতিযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের ক্রমবর্ধমান ফুটবল সংস্কৃতিকেও সামনে এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে এফআইসিসিআই তাদের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ব্যবসার বাইরেও পারস্পরিক সংযোগ ও সম্পর্ক জোরদার করছে।
গুলশানে এফআইসিসিআই সেক্রেটারিয়েটে ক্যাপ্টেন ও ম্যানেজারদের একটি সভার মাধ্যমে সফলভাবে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। এতে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দলের অধিনায়ক, ম্যানেজার, স্পন্সর, আয়োজক এবং শীর্ষ কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত অতিথিরা। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল অফিসিয়াল গ্রুপ ড্র ও ফিক্সচার চূড়ান্তকরণ, যেখানে দলগুলো তাদের নির্ধারিত গ্রুপ সম্পর্কে জানতে পারে। এছাড়াও টুর্নামেন্টের নিয়মাবলী, ম্যাচ ফরমাট এবং প্রতিযোগিতার কাঠামো নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এফআইসিসিআই-এর নির্বাহী পরিচালক এবং অভিজ্ঞ বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও নীতি বিশ্লেষক টি.আই.এম, নুরুল কবির: নাটমেগের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব আলম; রবি আজিয়াটা পিএলসি-এর পরিচালক (ফাইনান্স) এবং রবি রিক্রিয়েশন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মইন উদ্দিন রিয়াদ; সিঙ্গার বেকোর ব্যবস্থাপক নাজমুস সাকিব; ব্যাকপেজ পিয়ার-এর পরিচালক সাব্বিরে ফেরদৌস, এবং কোকা-কোলা বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ট্রেড মার্কেটিং স্পেশালিস্ট মেজবাহ উল ইসলাম।
এবারের টুর্নামেন্টে মোট ৫০টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এই ম্যাচগুলো টানা ১৬টি ম্যাচ ডে জুড়ে ২৪ এপ্রিল থেকে ১৫ মে ২০২৬ পর্যন্ত নাটমেগ ফিল্ড, মাদানী অ্যাভিনিউ, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমে গ্রুপ পর্ব দিয়ে শুরু হয়ে পরে নকআউট পর্বে গড়াবে এই প্রতিযোগিতা। এতে কাপ এবং প্লেট, দুই ধরনের সেগমেন্ট থাকছে, যাতে খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণ ও উত্তেজনা দুইই আরও বেড়ে যাবে।
এই টুর্নামেন্টে টাইটেল স্পন্সর হিসেবে রয়েছে আঅ্যাক্সেনটেক, কো-স্পন্সর সিঙ্গার-থেকো, বেভারেজ পার্টনার স্প্রাইট মিন্ট এবং পিআর পার্টনার হিসেবে রয়েছে ব্যাকপেজ পিআর। প্রতিটি মরচ নাটমেগ ঢাকা এবং এফআইসিসিআই ফেসবুক পেজে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে, যাতে করে টুর্নামেন্ট চলাকালীন দর্শকরা প্রতি মুহূর্তের আপডেট পেতে পারেন।
সাউথইস্ট ব্যাংক গ্রিন স্কুলে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করা হয়েছে।
গত ১৬ এপ্রিল আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সব শ্রেণীর শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে পুরো পরিবেশকে প্রাণবন্ত করে তোলে। মেলায় খাবারের স্টল, খেলাধুলার আয়োজন এবং ঐতিহ্যবাহী পণ্যের প্রদর্শনী ছিল উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান এমএ কাশেম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খালিদ মাহমুদ খান। এছাড়া বোর্ড অব ডিরেক্টরসের সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার বদরুল হাসানসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চেয়ারম্যান এমএ কাশেম তার বক্তব্যে স্কুলের অগ্রগতি ও সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। স্কুলের প্রিন্সিপাল সৈয়দা নাসরিন আক্তার অতিথি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানান।