বিশিষ্ট ব্যাংকার শাব্বির আহমেদ আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এ পদে নিয়োগের আগে তিনি ২০১৯ সালের ৮ এপ্রিল থেকে ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকে যোগদানের আগে তিনি ওয়ান ব্যাংকে অতিরিক্ত উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শাব্বির আহমেদ বেসিক ব্যাংকে প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে ১৯৮৯ সালে যোগদানের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি আইএফআইসি ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, আমেরিকান এক্সপ্রেস ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক এবং ন্যাশনাল হাউজিং ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এ গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত ছিলেন। ব্যাংকিং অপারেশন বিশেষ করে বিনিয়োগ, বৈদেশিক বাণিজ্য এবং মার্কেটিং কার্যক্রমে তার রয়েছে অপার অভিজ্ঞতা। তিনি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বহু প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যাংকিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং দেশে ও বিদেশে অনুষ্ঠিত ব্যাংকিং এবং আর্থিক খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন। শাব্বির আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেছেন। বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ এবং ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিমের সঙ্গে এক জমকালো ডিনারে আনন্দঘন সময় কাটিয়েছেন নাম্বার ওয়ান রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনার ব্র্যান্ড ওয়ালটনের ২৪ জন ক্রেতা। দেশজুড়ে চলমান ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ এর আওতায় এই সুবিধা পান তাঁরা।
উল্লেখ্য, ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন ২৪ এ ‘নেক্সট লেভেল ডিল’ অফারের আওতায় ওয়ালটন ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন বা বিএলডিসি ফ্যান কিনে ক্রেতাদের জন্য রয়েছে মিলিয়নিয়ার বা নগদ ১০ লাখ টাকা পাওয়ার সুবিধা। এছাড়াও রয়েছে জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার তাসকিন এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমের সঙ্গে ডিনার করার সুবিধা। এরই ধারাবাহিকতায় সিজন-২৪ এ ওয়ালটন ফ্রিজ ও এসি কিনে এই সুবিধা পেয়েছেন ২৪ জন ক্রেতা। তাদের মধ্যে ২ জন পেয়েছেন থাইল্যান্ড ভ্রমণের ট্রাভেল কুপন।
গত শুক্রবার (২৭ জুন, ২০২৬) রাজধানীর পাঁচতারকা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ২৪ জন গ্রাহকের সম্মানে এক জমকালো ডিনার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ। অনুষ্ঠানে গ্রাহকেরা ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলায় অংশ নেন। পাশাপাশি অভিনেত্রী মিমের সঙ্গে গল্প-আড্ডায় মেতে ওঠেন।
সেসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেকের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ এবং সিনিয়র এডিশনাল এক্সিকিউটভি ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ।
ডিনার অনুষ্ঠানে চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ বলেন, ব্যবসার পাশাপাশি ওয়ালটন ব্র্যান্ডের টার্গেট থাকে গ্রাহকদের বাড়তি সুবিধা ও আনন্দ দেয়া। বাড়তি সুবিধা দেয়ার কারণে ওয়ালটন ও তার গ্রাহকদের মধ্যে আস্থার জায়গা আরো সুদৃঢ় হচ্ছে। ক্রেতাদের এই আস্থায় ভর করেই ওয়ালটন আজ এতোবড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। জাতীয় দলের ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ এবং ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিমের সঙ্গে ডিনারসহ আনন্দঘন এই মুহুর্তটি গ্রাহকরা জীবনে একটি সুখস্মৃতি হয়ে থাকবে। ওয়ালটন পণ্যের গ্রাহকদের জন্য এমন আয়োজন ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।
চলতি বছরের ৮ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী চলমান ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ এর মেয়াদ শেষ হবে ৩০ জুন, ২০২৬। ক্যাম্পেইনের এই সিজনে ইতোমধ্যে দেশজুড়ে ওয়ালটন ফ্রিজ এবং এসি কিনে মিলিয়নিয়ার অর্থাৎ ১০ লাখ টাকা পেয়েছেন ৬ জন ক্রেতা। তারা হলেন: ভালুকার খোকন মিয়া, রাজধানীর মাহমুদুল হাসান, নাটোরের গৃহবধূ আফরোজা বেগম, বান্দরবানের সুপ্রকাশ চাকমা, বাগেরহাটের দিনমজুর কুদ্দুস হাওলাদার এবং নরসিংদীর গৃহবধূ তাহমিনা আক্তার।
মিলিয়নিয়ারের পাশাপাশি তাসকিন এবং মিমের সঙ্গে ডিনারের সুযোগ পেয়েছে ২৪ জন। এছাড়াও এক লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশ ভাউচারসহ আর্জেন্টিনার ফ্যান জার্সি ফ্রি পেয়েছেন অসংখ্য ক্রেতা।
সম্প্রতি গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত ধনুয়া উচ্চবিদ্যালয়ে একটি অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাম্পেইনের আয়োজন করেছে এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসি। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং অন্যান্য কর্মীদের মধ্যে অগ্নি নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এ ক্যাম্পেইন আয়োজন করা হয়।
এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে সম্প্রতি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি হাতে-কলমে অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসির সিনিয়র ম্যানেজার (এইচএসই) মাহাদী হাসান। প্রশিক্ষণে অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ, জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয়, জীবন রক্ষার উপায়, বহনযোগ্য অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের সঠিক ব্যবহার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে নিরাপদে স্থানত্যাগের বিষয়ে ব্যবহারিক ধারণা দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং অভিভাবক প্রতিনিধিসহ প্রায় ৩১০ জন অংশগ্রহণ করেন। নানা ইন্টারেক্টিভ প্রদর্শনী ও ব্যবহারিক অনুশীলনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা অগ্নি নিরাপত্তার বিভিন্ন কৌশল হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পান। এতে বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সকলের অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ে প্রস্তুতি আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে অগ্নি নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ জননিরাপত্তার বিষয়। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশে ২৭ হাজার ৫৯টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭৫টি অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এসব অগ্নিকাণ্ডের প্রধান কারণ ছিল বৈদ্যুতিক ত্রুটি। তাই অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ, নিরাপদে বিদ্যুৎ ব্যবহার এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।
অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক ব্যবহারিক জ্ঞান এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি সমাজে এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, অর্থবহ করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশজুড়ে জননিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন এবং সামাজিক কল্যাণে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে এনার্জিপ্যাক।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে প্রায় ২ কোটি টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম দিয়েছে শিল্পগ্রুপ কেএসআএম।
কোম্পানির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রায় দুই কোটি টাকা দামের চারটি হিমোডায়ালাইসিস মেশিন, চারটি রিয়েল-টাইম ফোরডি আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন ও জিই ব্র্যান্ডের একটি উদ্ভাবনী কালার ডপলার সিস্টেম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করা হয়।
হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে কেএসআরএমের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম উদ্দিন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বাজেট) আরিফ আহমদ এবং হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিনের কাছে এসব সরঞ্জাম তুলে দেন।
কেএসআরএমের পরিচালক জসিম উদ্দিন, উপ পরিচালক ইলিয়াছ চৌধুরী, সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুল আলম, কেএসআরএম উপ মহাব্যবস্থাপক ওয়াহিদুজ্জামান,মোস্তফা আনোয়ার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
আরিফ আহমদ বলেন, “দুই হাজার ২০০ বেডের হাসপাতালের যে বাজেট, তা অপ্রতুল। কেএসআরএমের এমন সহায়তায় রোগীদের অনেক উপকার হবে।”
মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন বলেন, “যে কোনো মানবিক কাজে কেএসআরএম আমাদের সারথি হয়ে থাকে। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। অতিমূল্যবান এসব চিকিৎসা সরঞ্জাম জরুরি মূহুর্তে সংকটাপন্ন রোগীর জীবন বাঁচাবে।”
জসিম উদ্দিন বলেন, “কেএসআরএম পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত মানবিক সহায়তার সহযাত্রী হয়ে। আমাদের নিরলস প্রচেষ্টা মানুষের পাশে থাকা। যে কোনো মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন কাজে আমাদের সহযোগিতা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।”
শিল্পখাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের এক অনন্য ‘সেতুবন্ধন’ তৈরির লক্ষ্যে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশে (ইউল্যাবে) অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হলো ক্যারিয়ার ও নেটওয়ার্কিং বিষয়ক বিশেষ আয়োজন ‘মিট দ্য রিক্রুটার্স’। গত বুধবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অবস্থিত ইউল্যাবের স্থায়ী ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গতকাল শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক অফিশিয়াল সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সফল আয়োজনের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে ইউল্যাব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস এবং ক্যারিয়ার সার্ভিসেস অফিস (সিএসও) যৌথভাবে এই ক্যারিয়ারমুখী কর্মসূচির আয়োজন করে। বুধবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলা এই আয়োজনে দেশের বিভিন্ন খাতের শীর্ষস্থানীয় করপোরেট প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এই ক্যাম্পেইন ও অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তরুণ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সরাসরি ফুল-টাইম চাকরি এবং ইন্টার্নশিপের বাস্তব সুযোগ সম্পর্কে জানার পাশাপাশি করপোরেট নিয়োগদাতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও পেশাগত শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার দারুণ সুযোগ পেয়েছেন।
দিনব্যাপী আয়োজিত এই বিশেষ আয়োজনে দেশের স্বনামধন্য মোট ১১টি বড় কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—এবি ব্যাংক, আনোয়ার গ্রুপ, অ্যাপেক্স ডিএমআইটি, কোকাকোলা বেভারেজেস বাংলাদেশ লিমিটেড, ড্রিম টেক্সটাইলস মিলস লিমিটেড, এইচআরসফটবিডি, সোক্রিও টেকনোলজিস লিমিটেড, সুখের খামার অ্যাগ্রো, দৈনিক আগামীর সময়, মীনা বাজার এবং ইউনাইটেড ফাইন্যান্সিয়াল ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা সরাসরি বুথ বসিয়ে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) সংগ্রহ করেন, তাৎক্ষণিক ইন্টারভিউ নেন এবং বর্তমান করপোরেট বাজারের চাহিদা ও ক্যারিয়ার গঠনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন।
এর আগে, ইউল্যাবের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিলন কুমার ভট্টাচার্য প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ‘মিট দ্য রিক্রুটার্স’ অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এই বিশেষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউল্যাব স্কুল অব বিজনেসের ডিন অধ্যাপক সারওয়ার উদ্দিন আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ফয়জুল ইসলাম, ডেপুটি ডিরেক্টর এবং হেড অব কমিউনিকেশন আসিফুর রহমান খান, ক্যারিয়ার সার্ভিসেস অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক আসলাম হোসেন, এমবিএ ও ইএমবিএ প্রোগ্রামের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমাদ এবং বিবিএ প্রোগ্রামের পরিচালক ওয়াজির এ এফ আহমাদসহ স্কুল অব বিজনেসের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
২০২৬-২৭ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এর প্রভাব নিয়ে ‘সিম্পোজিয়াম’ করেছে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ।
বিশ্ববিদ্যালয়টির ব্যবসায় প্রশাসন ও অর্থনীতি বিভাগের সহযোগিতায় এ সিম্পোজিয়াম হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরেছে।
অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক শরীফ নাফে আস সাবের বলেন, “শুধু অর্থ বরাদ্দ করলেই হবে না, সেই অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় করার সক্ষমতাও থাকতে হবে।”
জনগণ, শিল্পখাত ও শিক্ষাঙ্গনের সমন্বয় ছাড়া কোনো বাজেটই প্রকৃত অর্থে সফল হতে পারে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব এ কে এম সোহেল, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ, বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কৃষি অর্থনীতিবিদ ইফতিখার মোস্তফা, বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদও আলোচনায় অংশ নেন।
কক্সবাজারে ‘পার্টনার সামিট’ আয়োজন করেছে ই-কমার্স ও অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্ম কার্টআপ।
এই আয়োজনে কার্টআপের ‘জুলাই জ্যাকপট’, ‘অক্টোবর অফার্স’, ‘বিগ ফ্রাইডে সেল’ ও ‘ইয়ার এন্ড সেল’ ক্যাম্পেইন ঘোষণা করা হয়।
শনিবার কার্টআপের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কক্সবাজারের ওশান প্যারাডাইস হোটেলে শুক্রবার রাতে প্রথম পার্টনার সামিট ‘কার্টআপ কানেক্ট’ আয়োজন করা হয়। সেখানে ৩৫০ জনেরও বেশি সেলার পার্টনার, ১৫০টি ব্র্যান্ড, ২০টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ও কার্টআপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন।
তিনি বলেন, “আমাদের সেলার ও পার্টনারদের আস্থা ও সহযোগিতাই কার্টআপের অগ্রযাত্রার মূল শক্তি। বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য, স্বচ্ছ ও আধুনিক ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস গড়ে তুলতে কাজ করছি।”
সামিটে ১৩ ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন পার্টনারকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
পরিবেশবান্ধব টেকসই যাতায়াত ব্যবস্থা প্রবর্তন এবং গ্রাহকদের গাড়ি ক্রয়ে অর্থায়ন সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) এবং বিওয়াইডি (BYD) বাংলাদেশ-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এই চুক্তির আওতায়, এমটিবি’র গ্রাহকরা বিওয়াইডি-এর গাড়ি ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ অফার উপভোগ করতে পারবেন। এর পাশাপাশি তারা আকর্ষণীয় সুদের হারে অর্থায়ন এবং দ্রুততম সময়ে ঋণ প্রক্রিয়াকরণের বিশেষ সুবিধাও পাবেন।
গত জুন ২৪, ২০২৬ তারিখে ঢাকার তেজগাঁওয়ে অবস্থিত সিজি রানার বিডি লিমিটেডের কার্যালয়ে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর পক্ষে ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব রিটেল ব্যাংকিং ডিভিশন মোঃ শাফকাত হোসেন এবং সিজি রানার বিডি লিমিটেড-এর পক্ষে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর, আমীদ সাকিফ খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে এমটিবি’র হেড অব রিটেল বিজনেস, তাহসিন শহীদ এবং সিজি রানার বিডি লিমিটেডের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা, ফেরদৌস উর রহমান, এফসিএ-সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এই যৌথ অংশীদারিত্ব পরিবেশবান্ধব ব্যাংকিং এবং টেকসই অর্থায়নের প্রতি এমটিবি’র ধারাবাহিক প্রতিশ্রুতিরই একটি প্রতিফলন। দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির (Electric Vehicles) ব্যবহার বাড়াতে উৎসাহিত করার মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন এবং সবুজতর বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানাধীন পাঁচরুখী গ্রামের মাদ্রাসা “দারুল হাদীস সালাফিয়াহর বালক হোস্টেলের অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করার জন্য শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ২৫ (পঁচিশ) লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
২৭ জুন ২০২৬ইং তারিখে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যাংকের জনসংযোগ বিভাগের ইনচার্জ জনাব কে. এম. হারুনুর রশীদ, মাদ্রসা দারুল হাদীস সালাফিয়াহ’র প্রিন্সিপাল জনাব মুহাম্মাদ মাসউদুল আলম এর নিকট উক্ত অনুদানের চেক প্রদান করেন।
অনুদানের চেক প্রদানকালে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের এক্সিকিউটিভ অফিসার মো: কামাল মিয়া এবং মাদ্রাসা দারুল হাদীস সালাফিয়াহ’র অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসির শরীয়াহ সুপারভাইজারী কমিটির ১০ম সভা সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির গুলশানে অবস্থিত প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব ড. মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ। কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মু. ফরিদউদ্দীন আহমেদ, মোঃ আব্দুল আউয়াল সরকার এবং নাসিমুল বাতেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ডিবিএইচ। সভায় অন্যান্য মেম্বার, ইসলামিক ফাইন্যান্সিং ডিভিশনের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাগণ ও প্রধান অর্থ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
সভার আলোচনা শেষে কমিটির চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যগণ শরীয়াহ পরিপালনের ক্ষেত্রে সজাগ দৃষ্টি রেখে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। ‘ডিবিএইচ ইসলামিক’ নামে দেশব্যাপী ডিবিএইচ-এর ১৭টি শাখা হতে গ্রাহকদের ইসলামিক হোম ফাইন্যান্সিং ও মুদারাবা ডিপোজিট সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি.’র পরিচালনা পর্ষদের ৭৮তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন, ২০২৬) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ, বাংলাদেশ ও কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আলী হোসেন ফকির। উক্ত সভায় কয়েকটি বিনিয়োগ প্রস্তাব ও ব্যাংকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
জনাব এ. কে. এম. আওলাদ হোসেন, অ্যাডিশনাল আইজি (অ্যাডমিন), বাংলাদেশ পুলিশ; জনাব মোঃ আকরাম হোসেন, বিপিএম (সেবা), অ্যাডিশনাল আইজি (ফিন্যান্স), বাংলাদেশ পুলিশ; জনাব সরদার নূরুল আমিন, বিপিএম (সেবা), অ্যাডিশনাল আইজি (স্পেশাল ব্রাঞ্চ), বাংলাদেশ পুলিশ; জনাব কাজী মো. ফজলুল করিম, বিপিএম (সেবা), অ্যাডিশনাল আইজি অ্যান্ড রেক্টর, পুলিশ স্টাফ কলেজ, বাংলাদেশ পুলিশ; জনাব কামরুল আহসান, ডিআইজি (কনফিডেন্সিয়াল), বাংলাদেশ পুলিশ; জনাব কামরুল হাসান তালুকদার, ইন্সপেক্টর, বাংলাদেশ পুলিশ; জনাব সৈয়দ রফিকুল হক, স্বতন্ত্র পরিচালক; জনাব মোহাম্মদ তফাজ্জুল হোসেন, এফসিএ, স্বতন্ত্র পরিচালক; জনাব সামসুল হক সুফিয়ানী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব), কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি. এবং কোম্পানি সচিব জনাব সাইফুল আলম এফসিএস সভায় উপস্থিত ছিলেন।
বেঙ্গল ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীরা পাবেন সর্বোচ্চ তিন বছর মেয়াদ পর্যন্ত ইএমআই সুবিধা। বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক ও সফটওয়্যার শপ লিমিটেড (এসএসএল কমার্জ)-এর মধ্যে এ বিষয়ক একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় বেঙ্গল ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীরা এসএসএল কমার্জ নেটওয়ার্কের আওতাধীন ১৫,০০০-এরও বেশি মার্চেন্টের যেকোনো পণ্যে এই ইএমআই সুবিধা নিতে পারবেন।
সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক মোর্শেদ এবং এসএসএল কমার্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইফতেখার আলম ইসহাক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের এএমডি ও সিবিও কে. এম. আওলাদ হোসেন এবং এএমডি নাসিম সিকান্দারসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ।
বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর ইন্টেরিয়র ডিজাইন (বি এ আই ডি) ২০২৫-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ইন্টেরিয়র ডিজাইনে সৃজনশীল উৎকর্ষ উদযাপন করল বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড
বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড ২৫ জুন ২০২৬ তারিখে রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনের গ্র্যান্ড বলরুমে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর ইন্টেরিয়র ডিজাইন (বি এ আই ডি)-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজন করে। ইন্টেরিয়র ডিজাইনের অসাধারণ প্রতিভাকে স্বীকৃতি ও উদযাপনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত এই প্ল্যাটফর্মটি সেসব সৃজনশীল ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা জানায়, যারা তাঁদের চিন্তা ও নকশার মাধ্যমে আমাদের অভ্যন্তরীণ পরিসরকে নতুনভাবে রূপ দিচ্ছেন।
বি এ আই ডি ২০২৫-এ প্রফেশনাল ও অ্যামেচার—এই দুই বিভাগে মোট ২০৮টি প্রকল্প জমা পড়ে। এ বছরের আয়োজনে মোট সাতটি প্রকল্প পুরস্কৃত হয়। প্রফেশনাল বিভাগে পুরস্কারপ্রাপ্ত চারটি প্রকল্প হলো— মেকওভারস বাই আনমন (স্থপতি নাজিফা তাবাসসুম ও স্থপতি আজরিন আলম), কবিতা কুঞ্জ (স্থপতি জুবায়ের হাসান ও স্থপতি তাহমিদা আফরোজ), সোল (স্থপতি উৎস জামান) এবং অজো আইডিয়া স্পেস, গুলশান (স্থপতি মো. রবিউল ইসলাম)। অ্যামেচার বিভাগে পুরস্কৃত হয় বীর চট্টলা (সঙ্গীতা চৌধুরী)। এছাড়া প্রফেশনাল বিভাগে যাত্রা বাংলাদেশ (স্থপতি সারাওয়াত ইকবাল ও স্থপতি মনন-বিন ইউনুস) এবং ছেই ব্লু (Seuil_Bleue) (স্থপতি রাহাত ইবনে হাসান, স্থপতি বিন সাঈদ বখতি এবং স্থপতি রাকিব আহমেদ সরকার) প্রকল্পকে কমেন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তি স্থপতি ও ‘মাস্টার অব মাস্টার্স’ খ্যাত স্থপতি প্রফেসর শামসুল ওয়ারেস, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী হক চৌধুরী এবং প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ও পরিচালক মোঃ মহসিন হাবিব চৌধুরী সহ বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বি এ আই ডি ২০২৫-এর উপদেষ্টা স্থপতি জালাল আহমেদ, জুরি চেয়ার স্থপতি এহসান খান, ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ (আইএবি)-এর সভাপতি স্থপতি প্রফেসর আবু সাঈদ এম আহমেদ এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি মোঃ আসিফুর রহমান ভূঁইয়া। জুরি প্যানেলের সদস্য স্থপতি বায়েজিদ মাহবুব খন্দকার, শিল্পী ঢালী আল মামুন, স্থপতি তানিয়া করিম এবং স্থপতি মোহাম্মদ এমরান হোসেনও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া দেশের খ্যাতনামা স্থপতি ও ইন্টেরিয়র ডিজাইনাররাও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী হক চৌধুরী বলেন, “বার্জারে আমরা সবসময় বিশ্বাস করি যে ডিজাইনের রয়েছে মানুষের জীবনযাপন ও কর্মপরিবেশকে ইতিবাচকভাবে রূপান্তরিত করার ক্ষমতা। বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর ইন্টেরিয়র ডিজাইন এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যা সেসব সৃজনশীল পেশাজীবীকে সম্মান জানায়, যারা তাঁদের কাজের মাধ্যমে আমাদের চারপাশের পরিসরে রঙ, রূপ এবং অর্থ যোগ করেন।”
বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ও পরিচালক মোঃ মহসিন হাবিব চৌধুরী মন্তব্য করেন, “বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর ইন্টেরিয়র ডিজাইন ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের ডিজাইন অঙ্গনের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবন এবং পেশাগত উৎকর্ষের অনন্য প্রকাশ ঘটিয়ে চলেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বার্জার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ডিজাইনারদের অনুপ্রাণিত করা এবং দেশের ইন্টেরিয়র ডিজাইন শিল্পের টেকসই বিকাশে অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
নিজের বক্তব্যে স্থপতি প্রফেসর শামসুল ওয়ারেস বলেন, “দশকের পর দশক ধরে আমি এই পেশার বিকাশ, সংগ্রাম এবং ধীরে ধীরে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করার পথচলা প্রত্যক্ষ করেছি। আজকের এই আয়োজন আমাদের ইন্টেরিয়র ডিজাইন কমিউনিটি কতদূর এগিয়েছে, তারই একটি উজ্জ্বল প্রমাণ। বিএআইডি কেবল একটি পুরস্কার নয়; এটি এমন একটি আয়না, যা পুরো একটি প্রজন্মের ডিজাইনারদের সামনে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত তুলে ধরে এবং দেখায়—যখন শৃঙ্খলার সঙ্গে কল্পনার মিলন ঘটে, তখন কী অসাধারণ সৃষ্টি সম্ভব।”
দেশের শীর্ষস্থানীয় এলপিজি ব্র্যান্ড ওমেরা এলপিজির আয়োজনে অন্যতম বৃহৎ রিটেইলার এনগেজমেন্ট ক্যাম্পেইন ‘ওমেরার রঙে দোকান সাজাই, বিজয়ীর বেশে বিদেশ যাই’-এর জমকালো সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ‘উইনার্স নাইট ২০২৬’ হয়েছে।
দেশজুড়ে ওমেরা এলপিজির ব্র্যান্ড ভিজিবিলিটি শক্তিশালী করা এবং খুচরা বিক্রেতা বা রিটেইলারদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে গত জানুয়ারি মাসে এই ব্যতিক্রমী ক্যাম্পেইন শুরু হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের রিটেইলারদের ওমেরা এলপিজির ব্র্যান্ডিং উপকরণ ও সিলিন্ডার ব্যবহার করে নিজেদের দোকান সাজিয়ে ছবি পাঠানোর আহ্বান জানিয়ে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
প্রাথমিকভাবে তিন মাসের পরিকল্পনা থাকলেও রিটেইলারদের অভূতপূর্ব সাড়া ও সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে সময়সীমা এক মাস বাড়িয়ে এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত এটি পরিচালিত হয়। চার মাসব্যাপী এই আয়োজনে দেশের ৬৪ জেলা থেকে সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি রিটেইলার অংশ নেন, যা দেশের এলপিজি শিল্পে রিটেইলার সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে একটি নতুন মাইলফলক।
এই ক্যাম্পেইনে জাতীয় পর্যায়ের শীর্ষ ১০ বিজয়ীর পাশাপাশি ৬৪ জেলার সেরা রিটেইলারদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে জামালপুরের মেসার্স রাইশা ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী আরিফুল ইসলাম রাসেল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার হিসেবে তিনি দুইজনের বিদেশ ভ্রমণের আকর্ষণীয় ট্যুর প্যাকেজ লাভ করেন।
এছাড়া মৌলভীবাজারের আরিফ সাউন্ড অ্যান্ড লাইটিংয়ের স্বত্বাধিকারী মো. আরিফুল ইসলাম প্রথম রানার-আপ এবং হবিগঞ্জের তোফাজ্জল দিনার আরতের স্বত্বাধিকারী মো. রুবেল দ্বিতীয় রানার-আপ নির্বাচিত হন। অন্যান্য বিজয়ীদের পুরস্কার হিসেবে মোটরসাইকেল, বিদেশ ভ্রমণ, বিভিন্ন হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও আকর্ষণীয় গিফট হ্যাম্পার দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি পুরো ক্যাম্পেইনজুড়ে সাপ্তাহিক ও মাসিক বিজয়ীদেরও বিভিন্ন উপহারের মাধ্যমে পুরস্কৃত করা হয়েছে।