শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

এমটিবি ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চুক্তি

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সরবরাহকারীদের অর্থায়নের বিষয়ে সম্প্রতি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। চুক্তিটি ব্যাংকের করপোরেট হেড অফিসে অনুষ্ঠিত হয়। ছবি : সংগৃহীত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ১২ আগস্ট, ২০২৪ ১৬:১৩

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের সরবরাহকারীদের অর্থায়নের বিষয়ে সম্প্রতি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। চুক্তিটি ব্যাংকের করপোরেট হেড অফিসে অনুষ্ঠিত হয়।

এমটিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের উপস্থিতিতে এমটিবির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিবিও মো. খালিদ মাহমুদ খান এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ডিরেক্টর-ফাইন্যান্স, উজমা চৌধুরী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে এমটিবির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব সিআরএম উসমান রাশেদ মুয়ীন, হেড অব ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং ডিভিশন আবদুল মান্নান, ডিভিশনাল হেড অব হোলসেল ব্যাংকিং-১ মোহাম্মদ মামুন ফারুক, হেড অব এসএমই ও এগ্রি ব্যাংকিং ডিভিশন সঞ্জীব কুমার দে সহ এমটিবি ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানটিতে। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস বে হিলস হোটেলে বিশেষ ছাড় পাবেন প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশের পর্যটন শহর কক্সবাজারে ভ্রমণের ক্ষেত্রে আতিথেয়তায় এখন থেকে বিশেষ সুবিধা ও মূল্যছাড় উপভোগ করবেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর গ্রাহক ও কর্মীরা। বিলাসবহুল ‘বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস বে হিলস হোটেল কক্সবাজার’-এর সঙ্গে প্রাইম ব্যাংকের সম্প্রতি স্বাক্ষরিত এক কৌশলগত চুক্তির ফলে এই সুযোগ তৈরি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত প্রাইম অ্যাসপায়ারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান দুটি আনুষ্ঠানিকভাবে এই অংশীদারিত্বের যাত্রা শুরু করে।

চুক্তির আওতায় প্রাইম ব্যাংকের সকল ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডধারী এবং ব্যাংকের নিজস্ব কর্মীরা হোটেলের নির্ধারিত ভাড়ার ওপর আবাসনের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ সরাসরি ছাড় পাবেন। করপোরেট ও ব্যক্তিগত আয়োজনের সুবিধার্থে হোটেলটির মিটিং রুম এবং ব্যাংকুয়েট হল বুকিংয়ে থাকছে ৫০ শতাংশের বিশাল মূল্যছাড়। এ ছাড়াও হোটেলের রেস্টুরেন্টে আ লা কার্ট খাবারের অর্ডারের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ ছাড় উপভোগ করা যাবে। এর ফলে প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সাশ্রয়ী ও আরামদায়কভাবে কক্সবাজারে তাঁদের অবসর বা দাপ্তরিক সময় কাটাতে পারবেন।

আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর পর্বে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর পক্ষে ব্যাংকের এসইভিপি ও হেড অব ডিস্ট্রিবিউশন মামুর আহমেদ এবং বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস বে হিলস হোটেল কক্সবাজারের পক্ষে সিইও শাহাদাত হোসেন বাহার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংকের ইভিপি ও হেড অব কার্ডস অ্যান্ড রিটেইল অ্যাসেট জোয়ার্দ্দার তানভীর ফয়সাল এবং হোটেলের হেড অব সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং মো. আবু সহীর ফেরদৌসসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রাইম ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গ্রাহকদের উন্নত জীবনধারা ও ভ্রমণ অভিজ্ঞতাকে আরও আনন্দময় করতে তারা সব সময়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বৈশ্বিক মানের আতিথেয়তা সেবা প্রদানে পরিচিত বেস্ট ওয়েস্টার্ন প্লাস বে হিলস হোটেলের সঙ্গে এই সমঝোতা সেই প্রতিশ্রুতিরই একটি অংশ। আধুনিক ব্যাংকিং সেবার পাশাপাশি গ্রাহকদের লাইফস্টাইল ও আতিথেয়তা চাহিদা মেটাতে এমন উদ্ভাবনী সমাধান আগামীতে গ্রাহক সন্তুষ্টি আরও বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশি পর্যটকদের কাছে কক্সবাজারের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।


রেমিট্যান্স সেবা সহজ করতে নগদ ও মিডল্যান্ড ব্যাংকের চুক্তি

আপডেটেড ১২ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৫১
করপোরেট ডেস্ক

দেশের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আরও দ্রুত ও সহজে প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে দেশের অন্যতম সেরা মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ ও মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি চুক্তি করেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত মিডল্যান্ড ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। দুই পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ এবং নগদের বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ।

চুক্তির আওতায় প্রবাসে বাংলাদেশী কর্মীদের কষ্টার্জিত অর্থ মিডল্যান্ড ব্যাংকের মাধ্যমে নগদ সরাসরি সুবিধাভোগীদের মোবা ইল ওয়ালেটে পৌঁছে দেবে। এই প্রক্রিয়ায় প্রবাসীরা আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ হাউস, মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) কিংবা ব্যাংকের মাধ্যমে বৈধ পথে দেশে অর্থ পাঠাতে পারবেন। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ যেকোনো স্থান থেকে উপকারভোগীরা ২৪ ঘণ্টা এই অর্থ গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারবেন নগদ গ্রাহক।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের পক্ষে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ব্যাংকটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিআরও মো. জাহিদ হোসেন, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জাভেদ তারেক খান ও খন্দকার তৌফিক হোসেন খান প্রমুখ।

এছাড়া নগদের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মোহাম্মদ শাহীন সারওয়ার ভূঁইয়া, চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার আফজাল আহমেদ ও রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মো. আহসানুল হক বাশার সহ প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “মিডল্যান্ড ব্যাংক বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিস্তৃত অংশীদার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করে থাকে। নগদের সঙ্গে এই চুক্তির মাধ্যমে প্রবাসী ও তাঁদের পরিবার এখন থেকে আরো দ্রুত ও সহজে রেমিট্যান্স সেবা পাবেন।”

এসময় নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, “এই চুক্তির ফলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার সঙ্গে প্রবাসীদের পাঠানো কষ্টার্জিত অর্থ খুব সহজেই তৎক্ষনিকভাবে প্রাপক নগদ ওয়ালেটে পৌঁছে যাবে। উপকারভোগীরা চাইলে যে কোনো সময় এই অর্থ যেমন নগদ ওয়ালেট থেকে ব্যবহার করতে পারবেন একইভাবে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা নগদের তিন লক্ষাধিক উদ্যোক্তা পয়েন্ট থেকেও সবচেয়ে কম খরচে টাকা ক্যাশআউট করে নিতে পারবেন। এই উদ্যোগ দেশের রেমিট্যান্স ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, গতিশীত ও কার্যকর করবে। ফলে দেশে বৈধ পথে রেমিটেন্সের প্রবাহ বাড়বে।”


ইউনেস্কোর দুই বৈশ্বিক শিক্ষা উদ্যোগে যুক্ত হলো ব্রিটিশ কাউন্সিল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বিশ্বব্যাপী মানসম্মত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ব্রিটিশ কাউন্সিলকে আনুষ্ঠানিকভাবে দুইটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক শিক্ষা উদ্যোগের সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। উদ্যোগ দুটি হলো ‘গ্লোবাল এডুকেশন কোয়ালিশন’ এবং ‘ইন্টারন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স অন টিচার্স ফর এডুকেশন ২০৩০’। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির মাধ্যমে ব্রিটিশ কাউন্সিলের দীর্ঘকালীন সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ড এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে শিক্ষাখাতে সমতা ও উদ্ভাবনের অঙ্গীকার আরও এক ধাপ সুসংহত হলো।

ইউনেস্কো ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বিশ্ব শিক্ষাখাতের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় ‘গ্লোবাল এডুকেশন কোয়ালিশন’ যাত্রা শুরু করেছিল। বর্তমানে এই জোটটির মূল লক্ষ্য পরিবর্তিত হয়ে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ৪ (এসডিজি ৪) অর্জনে মনোনিবেশ করেছে, যার প্রধান উদ্দেশ্য হলো সবার জন্য সমতাভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষা ও আজীবন শেখার সুযোগ তৈরি করা। ২০০-রও বেশি অংশীদারের এই বিশাল নেটওয়ার্কের সদস্য হিসেবে ব্রিটিশ কাউন্সিল এখন তাদের দীর্ঘ অর্জিত অভিজ্ঞতাকে বৈশ্বিক শিক্ষানীতি নির্ধারণে সরাসরি কাজে লাগাতে পারবে।

অন্যদিকে, ‘টিচার্স টাস্ক ফোর্স’ বা ‘ইন্টারন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স অন টিচার্স ফর এডুকেশন ২০৩০’-এর সাথে যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্বজুড়ে শিক্ষক স্বল্পতা এবং তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধির সংকটেও কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হলো। ব্রিটিশ কাউন্সিলের রয়েছে শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং পেশাগত উন্নয়নে প্রায় ৯০ বছরেরও বেশি সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা। বিশেষ করে প্রতিকূল পরিবেশে এবং সীমিত সরঞ্জামের মধ্যে থাকা শিক্ষকদের সক্ষমতা বাড়াতে তারা তাদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সাব-সাহারান আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ায় শিক্ষকদের ডিজিটাল উন্নয়ন এবং ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে সংস্থাটির ইতিপূর্বে পরিচালিত কার্যক্রমগুলো বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে।

এই সদস্যপদ অর্জন নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস। তিনি বলেন, বাংলাদেশে শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে বড় ধরণের অগ্রগতি হয়েছে, তবে বর্তমানে মানসম্মত শিক্ষা ও সমতা বজায় রাখা এক বড় জাতীয় অগ্রাধিকারের বিষয়। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ইউনেস্কোর মতো বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে ব্রিটিশ কাউন্সিলের এই সদস্যপদ সংস্থাটির দীর্ঘদিনের স্থানীয় অভিজ্ঞতাকে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের সাথে সংযুক্ত করবে। এর মাধ্যমে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এবং শিক্ষকদের জন্য আরও টেকসই ও ভবিষ্যৎমুখী শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর শিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সুদীর্ঘদিনের সরাসরি কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁদের গবেষণাভিত্তিক পরিকল্পনা এবং স্থানীয় বাস্তবতাকে গুরুত্ব দেওয়ার ফলে নেওয়া প্রকল্পগুলো দীর্ঘমেয়াদী সুফল বয়ে আনে। ইউনেস্কোর এই বৈশ্বিক জোট দুটিতে ব্রিটিশ কাউন্সিলের অংশগ্রহণ একুশ শতকের উদ্ভাবনী শিক্ষা ব্যবস্থার রূপরেখা তৈরি করতে এবং বিশ্বজুড়ে শিক্ষার যে ফারাক রয়েছে তা ঘুচিয়ে দিতে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।


টোল প্লাজায় দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি শেষ: বিকাশেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া যাবে ১৪ প্রধান সেতুর টোল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিক ও গতিশীল করতে এক বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। এখন থেকে দেশের ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ সেতুর টোল প্লাজায় আর হাতে হাতে টাকা দিয়ে সিরিয়ালের অপেক্ষায় থাকতে হবে না। মোবাইল আর্থিক সেবা ‘বিকাশ’-এর মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে এখন থেকে নির্ধারিত টোল পরিশোধ করা সম্ভব হবে। মূলত আরএফআইডি (RFID) প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই নতুন সেবাটি চালু করা হয়েছে, যা যানবাহনের যাতায়াতকে আরও দ্রুত ও যানজটমুক্ত করতে সহায়ক হবে।

এই ডিজিটাল সুবিধার ফলে গাড়ি চালকরা কোনো রকম বিরতি ছাড়াই টোল বুথ অতিক্রম করতে পারবেন। গ্রাহক একবার তাঁর বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে যানবাহনটি নিবন্ধন করলে, গাড়ির উইনশিল্ডে থাকা আরএফআইডি স্টিকার শনাক্ত করে সেন্সর স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত ফি অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে নেবে। গাড়ি যখন টোল প্লাজা অতিক্রম করবে, তখন সেখানে ইন্টারনেট বা বিকাশ অ্যাপ সচল না থাকলেও টাকা পরিশোধ হয়ে যাবে। প্রতিবার টাকা কাটার পরপরই গ্রাহকের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে তাৎক্ষণিক নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে, যা লেনদেনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বড় ও ব্যস্ত ১৪টি সেতুতে বর্তমানে এই স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাটি সচল রয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অন্যতম প্রবেশপথ মেঘনা ও গোমতী সেতু, নরসিংদীর শহীদ ময়েজ উদ্দিন ও চরসিন্দুর সেতু এবং বন্দর নগরীর কর্ণফুলী সেতু। এছাড়া খুলনার খান জাহান আলী সেতু, সিলেটের হযরত শাহ পরান সেতু, পটুয়াখালীর লেবুখালী এবং পিরোজপুরের ৮ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর টোল প্লাজাগুলোতেও এই ডিজিটাল সেবা কার্যকর হয়েছে। নাটোরের হাটিকামরুল-বনপাড়া এবং কুষ্টিয়ার লালন শাহ সেতুর যাত্রী ও চালকরাও এই সুযোগ ব্যবহার করতে পারছেন।

নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশনের প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সাধারণ গ্রাহকের কথা মাথায় রেখে খুব সহজ করা হয়েছে। বিকাশ অ্যাপের হোমস্ক্রিন থেকে ‘টোল’ অপশন নির্বাচন করে নিজের গাড়ির প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে পিন দিলেই এই সেবাটি সক্রিয় হয়ে যাবে। প্রয়োজনে যেকোনো সময় এই নিবন্ধন বাতিল করার সুবিধাও অ্যাপে রাখা হয়েছে। প্রযুক্তি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যাতায়াতের এমন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি যেমন সময়ের সাশ্রয় করবে, তেমনি দীর্ঘ যানজট নিয়ন্ত্রণে এনে জাতীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আসন্ন ঈদের যাতায়াতে এই সেবা সাধারণ যাত্রীদের বড় এক ভোগান্তি থেকে মুক্তি দেবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।


শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির ৯১৫তম সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর নির্বাহী কমিটির ৯১৫তম সভা গত ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখে রাজধানীর বনানিস্থ ব্যাংকের কর্পোরেট প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ সভাকক্ষে যথাযথ মর্যাদার সাথে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় সভাপতিত্ব করেন নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মো. সানাউল্লাহ সাহিদ। সভায় ব্যাংকের সাম্প্রতিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যালোচনার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে অর্থায়ন এবং উন্নত গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পর্কিত নানা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বৈঠকে অংশ নেওয়া পরিচালনা পর্ষদ ও কমিটির সদস্যরা ব্যাংকের স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান খন্দকার শাকিব আহমেদসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক মহিউদ্দিন আহমেদ, আক্কাচ উদ্দিন মোল্লা, ইঞ্জি. মো. তৌহীদুর রহমান, ফকির আখতারুজ্জামান এবং আবদুল হাকিম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ব্যাংকটির পেশাদার ব্যবস্থাপনাগত নেতৃত্বের অংশ হিসেবে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ এবং পর্ষদ সচিবালয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট এ. এইচ. এম. আশরাফ উদ্দিন সভায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। মূলত বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যাংকের বিনিয়োগ ব্যবস্থাকে আরও সুরক্ষিত ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই সভার আয়োজন করা হয়েছিল।


স্মার্টফোন কিনলেই ল্যাপটপ-ট্যাবলেট জেতার সুযোগ, শুরু হলো ‘টেকনো মেগা ঈদ ফেস্ট’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে স্মার্টফোন প্রেমীদের জন্য দারুণ এক সুখবর নিয়ে এসেছে বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড টেকনো। গ্রাহকদের ঈদের আনন্দকে আরও উৎসবমুখর করতে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে বিশেষ ক্যাম্পেইন ‘টেকনো মেগা ঈদ ফেস্ট’। আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) থেকে শুরু হওয়া এই অফারের আওতায় টেকনোর প্রিমিয়াম ও জনপ্রিয় সিরিজের স্মার্টফোন কিনলেই মিলছে আকর্ষণীয় সব নিশ্চিত উপহার। মূলত উন্নত প্রযুক্তির প্রতি মানুষকে উৎসাহিত করতে এবং উৎসবের আমেজে গ্রাহকদের বাড়তি প্রাপ্তি নিশ্চিত করতেই টেকনোর এই বিশেষ আয়োজন।

ক্যাম্পেইনের নিয়ম অনুযায়ী, ক্রেতারা যদি টেকনোর ‘ক্যামন’ অথবা ‘পোভা’ সিরিজের যেকোনো মডেলের স্মার্টফোন কেনেন, তবে তাঁরা সরাসরি টেকনোর ঈদ গিফট পুলে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। প্রতিটি স্মার্টফোন কেনার সঙ্গেই থাকছে কোনো না কোনো নিশ্চিত পুরস্কার। এই গিফট পুলে ল্যাপটপ, ইয়ারবাড, স্মার্টওয়াচ ও ট্যাবলেটের মতো ডিভাইসের সমন্বয়ে গড়া বিশাল ‘এআইওটি মেগা প্যাক’ জেতার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। এছাড়া যারা মেগা প্যাক পাবেন না, তাদের জন্য রয়েছে আলাদা এআইওটি ডিভাইস, প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ব্যাকপ্যাক এবং ৬ মাসের ফ্রি স্ক্রিন ইনস্যুরেন্স সুবিধা।

নিজেদের ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসের মালিক হওয়া আরও সহজ করতে টেকনো এনেছে চমৎকার আর্থিক সুবিধা। নির্দিষ্ট কিছু মডেল যেমন— টেকনো ক্যামন ৫০ সিরিজ এবং পোভা কার্ভ ২ ফাইভজি কেনার ক্ষেত্রে গ্রাহকরা জিরো পারসেন্ট ডাউন পেমেন্ট এবং ১২ মাসের দীর্ঘ ইএমআই বা সহজ কিস্তি সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। এর ফলে গ্রাহকরা কোনো আগাম টাকা পরিশোধ না করেই হাতে পেয়ে যাবেন পছন্দের অত্যাধুনিক ফাইভজি স্মার্টফোনটি। আর্থিক এই নমনীয়তা মধ্যবিত্ত গ্রাহকদের ঈদের কেনাকাটায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা টেকনোর সকল রিটেইল আউটলেট ও ব্র্যান্ড শপগুলোতে ইতিমধেই এই ‘মেগা ঈদ ফেস্ট’ এর উৎসব আমেজ শুরু হয়ে গেছে। টেকনো বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদ পর্যন্ত এই ক্যাম্পেইনটি চালু থাকবে এবং নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী উপহারগুলো প্রদান করা হবে। নতুন ফোনের পাশাপাশি ঘর সাজানো বা ব্যবহারিক নানা প্রযুক্তিগত সামগ্রী পাওয়ার এই সুযোগ নিয়ে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বাড়তি উন্মাদনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিস্তারিত তথ্য এবং স্টকের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে নিকটস্থ টেকনো স্টোর অথবা তাদের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করলো বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক

আপডেটেড ১১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২০
করপোরেট ডেস্ক

বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক তাদের পথচলার ষষ্ঠ বছরে পা রেখেছে। এই যাত্রায় ব্যাংকটি নিরবচ্ছিন্ন গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করা, ব্যাংকিং খাতের সকল আইনি বিধিবিধান যথাযথভাবে মেনে চলা এবং সাধারণ মানুষকে আর্থিক সেবার আওতায় আনার বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

প্রতিষ্ঠার এই গৌরবময় মাইলফলক উদযাপন করতে বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখে রাজধানীর একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে ব্যাংকটি সারাদেশে ৩৪টি শাখা চালু করতে সক্ষম হয়েছে, যার মধ্যে শরিয়াহভিত্তিক সেবার জন্য ৪টি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকিং শাখাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। শুরুর লগ্ন থেকেই সিএমএসএমই (CMSME) খাতকে গুরুত্ব দিয়ে ব্যাংকটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এছাড়া আধুনিক অনলাইন ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করা এবং ক্রেডিট রেটিং সূচকে ‘AA-’ অর্জন নতুন প্রজন্মের এই ব্যাংকের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এসসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন গ্রাহকদের অবিচল আস্থা, অংশীদারদের সহযোগিতা এবং সকল কর্মীর নিরলস পরিশ্রমের জন্য তাঁদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “সিএমএসএমই খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। আগামীতেও এই খাতের টেকসই উন্নয়নে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক পাশে থাকবে।”

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক মোর্শেদ তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, “ব্যাংকিং খাতের নিয়মনীতি যথাযথ পরিপালন, উন্নত গ্রাহক সেবা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং নিশ্চিত করাই বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের মূল লক্ষ্য।”

এই আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোহাম্মদ আলমগীরসহ পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকদ্বয়, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকদ্বয়, বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ব্যাংকের বিভিন্ন স্তরের গ্রাহক ও স্টেকহোল্ডাররাও এই উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি কেক কাটা, বিশেষ দোয়া ও ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সারাদেশের সকল শাখা ও উপ-শাখায় গ্রাহক, পৃষ্ঠপোষক ও শুভানুধ্যায়ীদের নিয়ে দোয়া ও ইফতার মাহফিলসহ দিনব্যাপী নানা আনন্দদায়ক কর্মসূচি পালিত হয়েছে।


গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে আড়ং, বিশ্বের বৃহত্তম কারুশিল্প বিপণন কেন্দ্রের স্বীকৃতি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

ব্র্যাকের সামাজিক উদ্যোগ এবং বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ং আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে যে, ‘বিশ্বের সর্ববৃহৎ কারুশিল্প বিপণন কেন্দ্র’ হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর স্বীকৃতি পেয়েছে আড়ং ধানমণ্ডি ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট। এই স্বীকৃতি আউটলেটটির বিশাল পরিসর, বৈচিত্র্যময় কারুশিল্প এবং ক্রাফট অভিজ্ঞতাকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেয়।

অনুষ্ঠানে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সনদ উন্মোচনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় প্রদর্শিত হয় একটি বিশেষ মিউজিক ভিডিও, যেখানে আরমিন মুসা ও ঘাসফড়িং কয়ার পরিবেশন করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আনন্দলোকে’।

ভিডিওটিতে ধানমন্ডি ফ্ল্যাগশিপকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের এক জীবন্ত প্রদর্শনভূমি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে কারুশিল্প, জীবনের গল্প এবং ঐতিহ্য একসূত্রে গাঁথা।

ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ বলেন, ‘এটি শুধু একটি রেকর্ড নয়, কারুশিল্পের পেছনে থাকা মানুষের স্বীকৃতি। কারুশিল্পকে সম্মান জানানো মানে আমাদের ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করা। আর এর পরিসর যত বাড়ে, ততই বাড়ে মানুষের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের সুযোগ।

এই অর্জন সেই কারুশিল্পীদের, যাদের দক্ষতা ঐতিহ্যকে জীবিকা ও মর্যাদায় রূপ দেয়।’

উপহার ও উদযাপনের সঙ্গে আড়ং-এর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ধানমন্ডি ফ্ল্যাগশিপ আউটলেটের স্থাপত্যে ব্যবহার করা হয়েছে রিবন-প্রেরিত নকশা, যা দর্শনার্থীদের জন্য তৈরি করেছে এক দারুণ স্থাপত্যশৈলীর অভিজ্ঞতা। এখানে রয়েছে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য কারুশিল্প স্থাপনা—এর মধ্যে ‘সাঁওতাল গাঁও’ টেরাকোটা ওয়ালটি প্রায় ১০০টি কুমোর পরিবারের অংশগ্রহণে নির্মিত একটি বৃহৎ মৃৎশিল্প স্থাপনা; এবং ‘দ্য গ্রেট এরিনা’, ২৫০ জন কারিগরের ছয় মাসের পরিশ্রমে তৈরি ৪৪ ফুট দীর্ঘ নকশি কাঁথা, যা চার তলা জুড়ে রয়েছে এবং এটি বাংলাদেশের সূচিশিল্প ঐতিহ্যের প্রতি এক অনন্য শ্রদ্ধা নিবেদনের প্রতীক।

এই স্বীকৃতিকে কেন্দ্র করে শুরু হচ্ছে একটি দেশব্যাপী উদযাপনও।

দেশের ১০টি আড়ং আউটলেটে আয়োজন করা হবে একটি পপ-আপ গ্যালারি অভিজ্ঞতা, যেখানে দর্শনার্থীরা ধানমন্ডি ফ্ল্যাগশিপের বিশেষ বৈশিষ্ট্য এবং এই বিশ্বরেকর্ড অর্জনের গল্প কাছ থেকে জানার সুযোগ পাবেন।

আড়ং-এর এই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অর্জন বাংলাদেশের কারুশিল্প ঐতিহ্যের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক স্বীকৃতি, যার পেছনে রয়েছে এমন একটি সামাজিক উদ্যোগ, যেখানে প্রতিটি ক্রয় কারুশিল্পীদের জীবিকা টিকিয়ে রাখতে এবং ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পকে জীবন্ত রাখার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।


শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতায় এনএসইউতে ‘ওয়েলবিয়িং সিরিজ’ আয়োজন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক সুস্থতা বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (এনএসইউ) ‘ওয়েলবিয়িং সিরিজ’ শীর্ষক একটি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সেলিং অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং সেন্টারের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অডি-৮০১ কক্ষে কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সুস্থতা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে চারটি অংশগ্রহণমূলক সেশন আয়োজন করা হয়।

সেশনগুলোতে ঘুমের ভালো অভ্যাস গড়ে তোলা, সুস্থ যোগাযোগের মাধ্যমে সম্পর্ক উন্নয়ন, সুস্থ জীবনযাপনের জন্য আত্মযত্নের চর্চা এবং সম্পর্কের ধরন বোঝার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়। কাউন্সেলিং অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং সেন্টারের পরামর্শকরা এসব সেশন পরিচালনা করেন।

কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের অনেক শিক্ষার্থী নিবন্ধন করে অংশ নেয়। তারা আগ্রহের সঙ্গে আলোচনা ও বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত হয়।

প্রথম সেশনে ঘুমের অভ্যাস মানুষের কর্মক্ষমতা ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলে তা তুলে ধরা হয়। দ্বিতীয় সেশনে কার্যকর যোগাযোগের গুরুত্ব ও সম্পর্ক শক্তিশালী করার বিভিন্ন উপায় আলোচনা করা হয়।

তৃতীয় সেশনে সুস্থ জীবনযাপনের জন্য আত্মযত্ন চর্চার বাস্তবধর্মী পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। শেষ সেশনে মানুষের সম্পর্কের ধরন নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং এসব আচরণ কীভাবে ইতিবাচকভাবে উন্নত করা যায় তা ব্যাখ্যা করা হয়।

সেশনগুলোতে শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে এবং বিভিন্ন আলোচনায় যুক্ত হয়। এতে একটি প্রাণবন্ত ও সহায়ক শেখার পরিবেশ তৈরি হয়।

অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজনের আহ্বান জানান।

কাউন্সেলিং অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং সেন্টার জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা, মানসিক দৃঢ়তা এবং ব্যক্তিগত উন্নয়ন বাড়াতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ চালিয়ে যাওয়া হবে।


আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সপ্তাহজুড়ে বাংলালিংকের উদ্যোগে সমতা ও অংশীদারিত্বের বার্তা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

সপ্তাহজুড়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন করেছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। গত ৫ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত আয়োজিত এসব কর্মসূচির মধ্যে ছিল কমিউনিটি স্বেচ্ছাসেবক কার্যক্রম, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে সচেতনতামূলক উদ্যোগ, বাংলালিংকের কর্মীদের অংশগ্রহণে আলোচনা ও শিক্ষামূলক আয়োজন এবং কর্মীদের বিশেষ স্বীকৃতি প্রদান অনুষ্ঠান।

‘ফ্রম রাইটস টু রিয়েলিটি’ (‘অধিকার থেকে বাস্তবতায়’) এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে এবং ‘সবার জন্য অধিকার ও ন্যায়বিচার ও কার্যকর উদ্যোগ’ এই আহ্বান সামনে রেখে আয়োজনগুলো অনুষ্ঠিত হয়। বাংলালিংকের কর্মী, তাঁদের পরিবারের সদস্য এবং বিভিন্ন কমিউনিটির প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। নারী অধিকার নিশ্চিতে নেওয়া উদ্যোগগুলোকে আরও সামনে এগিয়ে নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরাই ছিল এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

নারী দিবস উদযাপনের সূচনা হয় ৫ মার্চ। এই দিন অপরাজয় বাংলাদেশ-এর সঙ্গে অংশীদারিত্বে একটি কমিউনিটি স্বেচ্ছাসেবক কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলালিংক। সেখানে প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও মায়েদের সঙ্গে সময় কাটান। এই কর্মসূচিতে প্রায় ৭৫ জন উপকারভোগী ও ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেন। শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও অংশগ্রহণমূলক শেখার পরিবেশ তৈরি করা হয়। এই আয়োজনে ছিল একটি সৃজনশীল চিত্রাঙ্কন পর্ব, যেখানে অংশগ্রহণকারী শিশুরা আশা, সমতা ও ক্ষমতায়নের নানা ভাবনা তুলে ধরে। এর পাশাপাশি একজন পেশাদার চিকিৎসকের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য ও সচেতনতা সেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যচর্চা এবং ঋতুস্রাবকালীন স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।

আয়োজনের অংশ হিসেবে বাংলালিংকের কর্মীরা একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য নাটক মঞ্চস্থ করেন। সামাজিক কুসংস্কার, সচেতনতার ঘাটতি এবং বৈষম্যের কারণে নারীরা যে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন, সেই বিষয়গুলো নাটকে তুলে ধরা হয়। গল্পভিত্তিক উপস্থাপনার মাধ্যমে মেয়েদের শিক্ষার গুরুত্ব, পারিবারিক সমর্থন এবং প্রচলিত ধ্যানধারণা ভেঙে তরুণীদের স্বপ্নপূরণের পথ তৈরির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

সপ্তাহের শেষ দিকে, ৯ মার্চ রাজধানীতে বাংলালিংকের প্রধান কার্যালয় টাইগার্স ডেনে কর্মীদের নিয়ে একটি অভ্যন্তরীণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মক্ষেত্র নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোকপাত করা হয়। অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশে গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সদস্য ড. নাবিলা ইদ্রিস এবং সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস-এর করপোরেট আইনজীবী ব্যারিস্টার নাজিয়া কবির। তাঁরা অধিকার, ন্যায়বিচার ও সমান সুযোগের বিভিন্ন দিক নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে ও সমাজে কীভাবে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ গড়ে তোলা যায়, সে বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের ভাবতে অনুপ্রাণিত করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলালিংকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা রুহুল কাদের বলেন, “বাংলালিংকে আমরা বিশ্বাস করি, অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিবেশ শুধু নীতিমালা তৈরির মাধ্যমে গড়ে ওঠে না, এর জন্য প্রয়োজন নিয়মিত কার্যকর উদ্যোগ, সহমর্মিতা এবং একে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা। এই উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে আমরা এ সংক্রান্ত আলোচনা ও মতবিনিময়কে উৎসাহিত করতে চাই, যা অধিকার ও সমতার ধারণাকে নারীদের জীবনে বাস্তব অভিজ্ঞতায় রূপ দিতে সহায়তা করবে।”

অনুষ্ঠানের বিশেষ পর্বে বাংলালিংকের ‘হি ফর শি’ (He4She) উদ্যোগের বিজয়ীকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এই পর্বে বাংলালিংকের একজন কর্মীর বাবা তাঁর মেয়ের স্বপ্ন পূরণে পাশে থাকার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। সমঅধিকার বিষয়ে সচেতনতা ও এর পক্ষে অবস্থান নেওয়ার মানসিকতা অনেক সময় পরিবার থেকেই গড়ে ওঠে, এই উদ্যোগে সেই বিষয়টিই তুলে ধরা হয়।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বাংলালিংক উইমেনস নেটওয়ার্ক-এর চলমান কার্যক্রমও তুলে ধরা হয়। বিদায়ী কমিটির সদস্যদের তাঁদের অসামান্য অবদানের জন্য স্বীকৃতি জানানো হয় এবং ২০২৬ সালের জন্য নতুন কমিটিকে স্বাগত জানানো হয়। সপ্তাহব্যাপী নানা ধরনের বৈচিত্র্যময় আয়োজনের মধ্য দিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহায়ক কর্মসংস্কৃতি গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলালিংক।


উৎসবের কেনাকাটায় বাড়তি আনন্দ বিকাশ পেমেন্টে ডিসকাউন্ট-ক্যাশব্যাক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উৎসবের কেনাকাটার ধরণে গ্রাহকদের মাঝে মৌলিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দিন দিন তারা অভ্যস্ত হয়ে উঠছেন ক্যাশবিহীন লেনদেনে- হোক তা সরাসরি কেনাকাটা বা অনলাইনে অর্ডার। বিশেষ করে ঈদের কেনাকাটায় ডিজিটাল পেমেন্ট এখন আর সাধারণ কোনো মাধ্যম নয়, বরং কেনাকাটার এক অপরিহার্য অংশে পরিণত হয়েছে। লেনদেনের নিরাপত্তা ও দ্রুততার পাশাপাশি উৎসবকেন্দ্রিক বিভিন্ন ক্যাশব্যাক ও ডিসকাউন্ট অফারের কারণে গ্রাহকরা নগদ অর্থের বদলে ডিজিটাল পেমেন্টেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন। আর এই পরিবর্তিত কেনাকাটার প্রেক্ষাপটে ডিজিটাল পেমেন্টের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে বরাবরের মতোই এগিয়ে আছে বিকাশ।

প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও রমজান ও ঈদ-উল-ফিতর-কে সামনে রেখে আকর্ষনীয় সব অফার নিয়ে এসেছে বিকাশ। বিভিন্ন ধরনের কেনাকাটায় একজন গ্রাহকের জন্য বিকাশ পেমেন্টে এবছর রয়েছে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক পাওয়ার সুযোগ। এই ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক পাওয়া যাচ্ছে সুপারস্টোর থেকে শুরু করে ব্র্যান্ডেড শপ, ফ্যাশন হাউস, জুতার দোকান, ইলেকট্রনিক্স, অনলাইন মার্কেটপ্লেস, রেস্টুরেন্ট, টিকিটিং প্ল্যাটফর্মসহ বিভিন্ন খাতে। বর্তমানে সারাদেশে বিকাশ-এর প্রায় ১০ লাখ মার্চেন্ট রয়েছে, যেখানে কিউআর কোড স্ক্যান, এনএফসি ট্যাপ, পেমেন্ট গেটওয়ে অথবা *২৪৭# ডায়াল করে খুব সহজেই লেনদেন করা সম্ভব।

যেসব অফার আছে বিকাশ পেমেন্টে:
পুরো রমজান জুড়ে উৎসবের কেনাকাটায় বিকাশ পেমেন্টে পাওয়া যাচ্ছে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক। বিকাশ পেমেন্টে কেনাকাটার সব ক্যাম্পেইন দেখে নেয়া যাবে এই লিংকে: https://www.bkash.com/campaign/ramadan-offer-payment-hero-2026

সুপারস্টোর:
রমজান মাস জুড়ে এবং ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে গ্রাহকরা বিকাশ অ্যাপে ‘D2’ কুপন ব্যবহার করে আগোরা, মীনা বাজার, ইউনিমার্ট, প্রিন্স বাজার, বেঙ্গল মিট, হোলসেল ক্লাব, খুলশি মার্ট, উৎসব সুপার মার্কেটসহ আরও বেশকিছু সুপারস্টোর ৫০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাওয়া যাচ্ছে। পাশপাশি, ‘D3’ কুপন ব্যবহার করে দেশজুড়ে সুপারস্টোর চেইন স্বপ্ন ও ডেইলি শপিং-এ বিকাশ পেমেন্টে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও, অনলাইনে চালডাল, ডেইলি শপিং, মীনা বাজার, ও প্যারাগন থেকে গ্রোসারি অর্ডারে মিলছে ২০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক।

লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড:
বিকাশ অ্যাপে ‘S3’ কুপন ব্যবহার করে ফ্যাশন ব্র্যান্ড সেইলর-এ ৩০০ এবং সারা লাইফস্টাইল-এ ২০০ টাকা ডিসকাউন্ট। ‘D1’ কুপন ব্যবহার করে মি. ডিআইওয়াই, আর্টিসান, কান্ট্রি বয়, দর্জি বাড়ি, এক্সটেসি, ফ্যাব্রিলাইফ, ফ্রিল্যান্ড, ইয়েলো, ইলিয়েন, কে ক্রাফট, বিশ্বরঙ, অঞ্জন’স, র নেশন, শৈল্পিক, স্মার্টেক্স, টেক্সমার্ট, হুর, গয়না বাক্স, সানভি’স সহ আরও বেশ কিছু ব্র‌্যান্ডে রমজানজুড়ে পাওয়া যাবে ১০০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। ‘D5’ কুপনে ২০০ টাকা ডিসকাউন্ট মিলবে তাকদুম, মিনিসো বাংলাদেশ সহ বেশকিছু মার্চেন্টে। কুপন কোড ‘D8’ ব্যবহার করে ৩০০ টাকা ডিসকাউন্ট মিলছে ইজি ফ্যাশন, জেন্টেল পার্ক, ইনফিনিটি মেগা মল, লুবনান, রিচম্যান, টপ টেন ফেব্রিক্স অ্যান্ড টেইলার্সসহ আরও বেশ কিছু আউটলেটে। পাশাপাশি, লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ং-এ বিকাশ পেমেন্টে গ্রাহকরা পেতে পারেন ২০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক।

অনলাইন মার্কেটপ্লেস:
অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ-এ বিকাশ পেমেন্টে ৬০ টাকার ডিসকাউন্ট ভাউচার রয়েছে গ্রাহকদের জন্য। এছাড়াও, স্টার টেক-অনলাইন, অথবা, রবিশপ, লুবনান, অ্যারোমেটিকা সহ বিভিন্ন অনলাইন শপে ১০% এবং ২০% হারে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পাওয়া যাবে। এদিকে, আমার পেট, পেট ফুড বিডি এবং পেট মামা থেকে পোষা প্রাণীর যত্নের জিনিসপত্র অর্ডার করার ক্ষেত্রেও এই ক্যাশব্যাক প্রযোজ্য।

রেস্টুরেন্ট:
সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা দুই হাজারেরও বেশি রেস্তোরাঁয় ‘D4’ কুপন ব্যবহার করে গ্রাহকরা ৭৫০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পেতে পারেন। ঢাকায় গ্যালিটো’স, বার্গার কিং, সিপি ফাইভ স্টার, চিলিস রেস্তোরাঁ, দিল্লি দরবার সহ ইত্যাদি বিভিন্ন আউটলেটে ছাড় উপভোগ করা যাবে। এদিকে, চট্টগ্রামে পিৎজা লাউঞ্জ, সিক্রেট রেসিপি, বে লিফ রেস্তোরাঁ, কুটুম বাড়ি, পাপা চিনোস ইত্যাদি বিভিন্ন আউটলেটে পাওয়া যাবে এই ডিসকাউন্ট।
পাশাপাশি, ডিসেন্ট পেস্ট্রি শপ, স্টার বেকারি, স্টার হোটেল অ্যান্ড রেস্তোরাঁর বিভিন্ন আউটলেটে গ্রাহকরা ইফতার কেনার উপর রমজানজুড়ে মোট ১,০০০ টাকা ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়াও, ২৫০ টিরও বেশি অন্যান্য খাবারের দোকান এবং বেকারিতে ইফতার অর্ডার করে মিলতে পারে আরও ৫০০ টাকা ডিসকাউন্ট।

ইলেকট্রনিকস ও ফার্নিচার:
‘D6’ কোড ব্যবহার করে গ্রাহকরা সারাদেশে ওয়ালটন প্লাজা, হায়ার, সিঙ্গার, ভিশন এম্পোরিয়াম, অ্যাপল মার্ট বিডি এবং গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের ১২শর বেশি আউটলেটে ২০০ টাকার ছাড় পেতে পারেন। এদিকে, আখতার ফার্নিচার, ব্রাদার্স ফার্নিচার, হাতিল, হাই-টেক ফার্নিচার, নাদিয়া ফার্নিচার, নাভানা ফার্নিচার, অটোবি, তানিন বাংলাদেশ-এর মতো ফার্নিচার ব্র্যান্ডগুলোতে ৬০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যাবে।

টিকেটিং এবং হোটেল বুকিং:
ঈদের ছুটির আগে বিকাশ পেমেন্টে ইম্পেরিয়াল এক্সপ্রেস, সেবা গ্রিন লাইন, শ্যামলী পরিবহন সহ বেশকিছু বাসের টিকিটে ২০০ টাকা ক্যাশব্যাক পাচ্ছেন গ্রাহকরা। এদিকে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস বাংলা, এয়ার অ্যাস্ট্রা এবং নভো এয়ারে বিকাশ পেমেন্টের মাধ্যমে টিকিট বুক করে পাওয়া যাচ্ছে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক। এছাড়াও, গ্রাহকরা সারা দেশে নির্বাচিত হোটেল এবং রিসোর্ট বুকিং করে পেতে পারেন ৬০০ টাকা ক্যাশব্যাক।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গ্রাহকদের কেনাকাটার অভ্যাসে যে দ্রুত পরিবর্তন ঘটেছে, তার কেন্দ্রে রয়েছে ডিজিটাল পেমেন্টের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা। কেবলমাত্র ক্যাশব্যাক বা ডিসকাউন্টের আকর্ষণে নয়, বরং আধুনিক ও নিরাপদ জীবনযাত্রার অংশ হিসেবেই মানুষ এখন ক্যাশলেস লেনদেনে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। নিরাপদ, দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত লেনদেনের সুবিধার কারণে বিকাশ পেমেন্ট প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে কোটি গ্রাহকের দৈনন্দিন জীবনে।


আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে প্রাইম ব্যাংকের অনন্য উদ্যোগ - দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী গ্রাহকদের মাঝে চেকবই ও ডেবিট কার্ড বিতরণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

একটি বাধাহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার নিরন্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. সাভারে ‘এক্সেস টু এমপাওয়ারমেন্ট: অ্যাডভান্সিং ব্যাংকিং ফর পারসনস উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিজ’ শীর্ষক একটি বিশেষ সেশনের আয়োজন করেছে। স্থানীয় সংগঠন ‘টিম ইনক্লুশন বাংলাদেশ’-এর আয়োজনে সম্প্রতি এই সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী গ্রাহকদের মাঝে চেকবই ও ডেবিট কার্ড বিতরণ করা হয়, যা তাদের স্বাধীনভাবে আর্থিক লেনদেন করতে সক্ষম করে তুলবে। এ ছাড়া, বিভিন্ন শারীরিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন ব্যক্তিদের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা প্রদান করা হয়, যা তাদের মূলধারার অর্থনীতিতে সম্পৃক্ত করতে সহায়ক হবে।

অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপনকালে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং হেড অব ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন অ্যান্ড স্কুল ব্যাংকিং এম এম মাহবুব হাসান বলেন, `অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং কোনো বিকল্প কাজ নয়, বরং এটি একটি দায়িত্ব। সবার জন্য ব্যাংকিং সেবা সহজলভ্য করতে আমরা আমাদের সেবাগুলোকে নতুনভাবে সাজাচ্ছি। প্রাইম ব্যাংক কনজ্যুমার ও এসএমই ব্যাংকিংয়ের ওপর ব্রেইল পদ্ধতিতে আর্থিক সাক্ষরতা বই প্রকাশ করেছে, যা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে। আমাদের নতুন এবং রিনোভেশনকৃত শাখাগুলোতে হুইলচেয়ার ফ্রেন্ডলি ক্যাশ সার্ভিস কাউন্টার স্থাপনের উদ্যোগটি ইতিমধ্যে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। এ ছাড়াও, শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধী গ্রাহকদের জন্য প্রাইম ব্যাংকের চালু করা ‘সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ভিডিও কল সার্ভিস’ গত বছর ন্যাশনাল ফিনটেক অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে।‘

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং হেড অব কনজ্যুমার প্রোটেকশন অ্যান্ড সার্ভিস কোয়ালিটি কাজী রেশাদ মাহবুব এবং হেমায়েতপুর শাখার প্রধান মো. সাখাওয়াত হোসেন। টিম ইনক্লুশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, `আর্থিক সাক্ষরতা, প্রযুক্তি এবং সহজলভ্য অবকাঠামোর সমন্বয়ে প্রাইম ব্যাংকের এই অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতি ব্যাংকিং খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড স্থাপন করেছে।‘ এ সময় তিনি আগামী দিনগুলোতেও প্রাইম ব্যাংকের সঙ্গে একযোগে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. দেশের সকল নাগরিকের জন্য আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছে। অন্তর্ভুক্তিমূলক অবকাঠামো, উদ্ভাবনী সমাধান এবং আর্থিক সাক্ষরতা কর্মসূচির মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা জনগোষ্ঠীকে সেবার আওতায় আনতে ব্যাংকটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে এমটিবি-র বিনম্র শ্রদ্ধা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশের প্রথিতযশা শিল্পোদ্যোক্তা ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি) পিএলসি-র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে স্মরণ করছে এমটিবি। এই মহীয়সী ব্যক্তিত্বের প্রয়াণ দিবসে এমটিবি এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানসমূহ— এমটিবি ক্যাপিটাল লিমিটেড ও এমটিবি সিকিউরিটিজ পিএলসি তাঁকে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সাথে স্মরণ করছে।

সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী ছিলেন একাধারে একজন দূরদর্শী ব্যবসায়ী, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সফল রাষ্ট্রনায়ক। ১৯৭৬ সালে অ্যাপেক্স ট্যানারি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাঁর শিল্প বিপ্লবের যাত্রা শুরু হয়, যা পরবর্তীতে অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড ও গ্রে অ্যাডভারটাইজিং (বাংলাদেশ) লিমিটেডের মতো বড় প্রতিষ্ঠানে রূপ নেয়। ১৯৯৯ সালে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি দেশের ব্যাংকিং ও করপোরেট খাতে এক অনন্য ও অগ্রগামী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। অসামান্য নেতৃত্ব ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালে দুই মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষা ও মানবাধিকারের প্রসারে তিনি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সমাজ গঠনে জোরালো ভূমিকা রেখে গেছেন।

সারা জীবন সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে তিনি দেশ-বিদেশে অসংখ্য সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে ২০২৩ সালে ইউকেবিসিসিআই (UKBCCI) প্রদত্ত ‘লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীর এই ক্ষণে এমটিবি পরিবার মরহুমের সুযোগ্য নেতৃত্ব, কর্মময় জীবন ও কালজয়ী উত্তরাধিকারকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছে।


banner close