শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের প্রতি ঢাকা চেম্বারের শোক

দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ১২ আগস্ট, ২০২৪ ১৬:১৬

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ছাত্র আন্দোলনে নিহত ও আহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। একই সঙ্গে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়েছে। এ ঘটনায় যাদের জীবন-জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করছে ডিসিসিআই।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিসিসিআই বলেছে, এমন কঠিন সময়ে জাতিকে একত্রিত করার দায়িত্বভার গ্রহণ করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে অভিনন্দন ও স্বাগত জানাচ্ছে ডিসিসিআই। এই অন্তর্বর্তী সরকারের সাফল্য কামনা করে এবং তাদের হাত ধরে দেশের আইনশৃঙ্খলা, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসুক সেই প্রত্যাশা জানাচ্ছে ডিসিসিআই। একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরে আসবে সে কামনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। ডিসিসিআই যত দ্রুত সম্ভব বিভিন্ন নাশকতা ও নৈরাজ্য বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অনুরোধ করছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে আসা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়। এ ব্যাপারে ডিসিসিআই সরকারকে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও সুশাসন নিশ্চিতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠারও অনুরোধ জানাচ্ছে।

অর্থনৈতিক কার্যক্রম শুরু করা প্রয়োজন। সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বেসরকারি খাতের প্রয়োজন দ্রুত এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা। রাজনৈতিক এবং আইনি পরিবেশ নিশ্চিতের মাধ্যমে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সুবিধার্থে একটি অনুকূল পরিবেশ চালু করতে হবে। একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা দেশে ও বিদেশে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের আস্থা পুনর্গঠন করতে সক্ষম হব। একটি টেকসই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাম্প্রতিক ক্ষয়ক্ষতির পরিনতি কাটিয়ে উঠতে অন্তর্বর্তী সরকার বেসরকারিখাত এবং রাজনৈতিক দলগুলোসহ সব স্টেকহোল্ডারদের কাছ থেকে সম্মলিত প্রচেষ্টা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে ডিসিসিআই। অর্থনীতির ক্ষতি ও অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনায় নবগঠিত অন্তর্বর্তী সরকারকে ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার এবং ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির ধারা পুনর্বহালের জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছে ঢাকা চেম্বার। এ বিষয়ে সরকারকে আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের স্থিতিশীলতা, পুঁজিবাজারের সংস্কার, জাতীয় রাজস্ব বৃদ্ধি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দুর্নীতি হ্রাস এবং সিএমএসএমই খাতের পুনরুদ্ধারসহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানায় ডিসিসিআই।

ডিসিসিআই বলছে, আমরা বিশ্বাস করি অর্থনীতির পুনর্গঠন প্রক্রিয়া পুনরুদ্ধারের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার কার্যকর পদক্ষপে গ্রহণ করতে পারবে। ডিসিসিআই জাতির উন্নয়ন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পুনরুদ্ধারের স্বার্থে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

নির্বাচিত

ট্রাস্ট ব্যাংক-মাল্টিব্র্যান্ড ওয়ার্কশপ সমঝোতা স্মারক সই

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির কার্ডধারী ও কর্মীদের জন্য বিশেষ অটোমোটিভ সেবা নিশ্চিত করতে ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি এবং মাল্টিব্র্যান্ড ওয়ার্কশপ লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

চুক্তির আওতায় ট্রাস্ট ব্যাংকের কার্ডধারীরা গাড়ির সার্ভিস চার্জ এবং প্রি-পারচেজ ইন্সপেকশন (পিপিআই) সেবায় বিশেষ মূল্যছাড় পাবেন। পাশাপাশি কুইক সার্ভিস টিম (কিউএসটি)'র মাধ্যমে অগ্রাধিকারভিত্তিক সেবা এবং একজন ডেডিকেটেড কি অ্যাকাউন্ট ম্যানেজারের সহায়তা গ্রহণের সুযোগ থাকবে।

ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর কার্ডধারী ও কর্মীদের জন্য বিশেষ অটোমোটিভ সার্ভিস সুবিধা নিশ্চিত করতে ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি এবং মাল্টিব্র্যান্ড ওয়ার্কশপ লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এই চুক্তির আওতায় ট্রাস্ট ব্যাংকের কার্ডধারীরা গাড়ির সার্ভিস চার্জ ও প্রি-পারচেজ ইন্সপেকশন (PPI) সেবায় বিশেষ মূল্যছাড়, কুইক সার্ভিস টিম (QST)-এর মাধ্যমে অগ্রাধিকারভিত্তিক সেবা এবং একজন ডেডিকেটেড কি অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার-এর সহায়তা পাবেন।

ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর পক্ষে মোঃ মাহবুব হোসেন, এসইভিপি ও হেড অব বিজনেস এবং মাল্টিব্র্যান্ড ওয়ার্কশপ লিমিটেডের পক্ষে মাসুদ করিম চৌধুরী, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মোঃ কামাল হোসেন সরকার-সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির পক্ষে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট (এসইভিপি) ও হেড অব বিজনেস মো. মাহবুব হোসেন এবং মাল্টিব্র্যান্ড ওয়ার্কশপ লিমিটেডের পক্ষে এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মাসুদ করিম চৌধুরী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. কামাল হোসেন সরকারসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

প্রিমিয়ার ব্যাংকের নারী কর্মীদের নিয়ে স্বাস্থ্য ক্যাম্প

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

নারী কর্মীদের সুস্বাস্থ্য, মানসিক সুস্থতা এবং কর্মক্ষেত্রে তাদের অবদানকে গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্য ক্যাম্প আয়োজনের কথা জানিয়েছে প্রিমিয়ার ব্যাংক।

সোমবার ব্যাংকের লার্নিং অ্যান্ড ট্যালেন্ট ডেভেলপমেন্ট সেন্টারে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান অমনিকেয়ারের সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনজুর মফিজ পরিবার ও সমাজের প্রতিটি স্তরে নারীর ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, “নারীদের সুস্থতা, নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করাই একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ইতিবাচক কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার অন্যতম ভিত্তি।”

অমনিকেয়ারের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রিফাত উজ জোহরা মানসিক সুস্থতা, মানসিক চাপ মোকাবিলা এবং কাজ ও ব্যক্তিজীবনের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়ে কথা বলেন। স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ডা. সাইন ফারিয়া সেতু নারীর প্রজনন স্বাস্থ্য, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং স্বাস্থ্যসচেতন জীবনযাপনের নানাদিক ও গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রিমিয়ার ব্যাংকের লার্নিং অ্যান্ড ট্যালেন্ট ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের এসএভিপি নওরিন নকীব।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়ামত উদ্দিন আহমেদ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক অমলেন্দু রায় এবং মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান (ইনচার্জ) ও ভিপি মইনুল হক সিরাজী।


নির্বাচিত

আইএফআইসি ব্যাংক ও অ্যাস্ট্রা এয়ারওয়েজ লিমিটেডের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি এবং অ্যাস্ট্রা এয়ারওয়েজ লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ঢাকাস্থ আইএফআইসি টাওয়ারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

আইএফআইসি ব্যাংকের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ব্যাংকের চিফ অব ব্রাঞ্চ বিজনেস অ্যান্ড হেড অব অপারেশন্স জনাব হেলাল আহমেদ এবং অ্যাস্ট্রা এয়ারওয়েজ লিমিটেডের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জনাব মেস-বাহ-উল ইসলাম। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন হেড অফ কার্ড এন্ড ডিজিটাল ব্যাংকিং জনাব মোঃ জাকির হোসেন; অ্যাস্ট্রা এয়ারওয়েজ লিমিটেডের মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস বিভাগের এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার খন্দকার আরিফ-উল ইসলামসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এই চুক্তির আওতায় আইএফআইসি ব্যাংকের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারী সকল গ্রাহক অ্যাস্ট্রা এয়ারওয়েজ লিমিটেডের সকল ডোমেস্টিক ফ্লাইটের টিকেটে ১০ শতাংশ ছাড় উপভোগ করতে পারবেন।


নির্বাচিত

চবি-তে নগদের ক্যারিয়ার ফেস্টে ৫ শিক্ষার্থীর অন-স্পট চাকরি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পাঁচজন শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে বসেই দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল লেনদেন সেবা ‘নগদ’-এ তাৎক্ষণিক চাকরির সুযোগ পেয়েছেন। ডাক বিভাগের এই ডিজিটাল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দিনব্যাপী ক্যারিয়ার ফেস্ট ‘নগদ নেভিগেট: শেপ ইউর ফিউচার’-এ অংশ নিয়ে অন-স্পট নিয়োগপত্র পান তারা।

আজ বুধবার চবির বিবিএ অডিটোরিয়ামে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এমবিএ এসোসিয়েশনের (এমএইউসি) সহযোগিতায় এ উৎসবের আয়োজন করে নগদ।

​সকাল থেকেই ফিনটেকখাতে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে আসা শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণ। দিনব্যাপী এ আয়োজনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে সরাসরি জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) গ্রহণ, স্ক্রিনিং ও অন-স্পট সাক্ষাৎকার নেয় নগদের মানবসম্পদ বিভাগ। নগদের ফ্ল্যাগশিপ ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম ‘এন-রাইজার্স’, টেরিটরি অফিসার/টেরিটরি ম্যানেজার (টিও/টিএম) এবং সেলস টিমের বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য সরাসরি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। এতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী নিজেদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দেন।

​অন-স্পট নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন চবি শিক্ষার্থী ফারহানা আলম নিপা। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে বসে ইন্টারভিউ দিয়ে মুহূর্তের মধ্যে অফার লেটার পাওয়াটা কল্পনার মতো। নগদের মানবসম্পদ বিভাগের পেশাদার দৃষ্টিভঙ্গি ও তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া আমাদের আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।”

​চাকরি পাওয়া আরেক শিক্ষার্থী মো: হৃদয় বলেন, “শুধু চাকরির সুযোগই নয়, একজন ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েটের কাছে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর আসলে কী প্রত্যাশা – তা এই দিনব্যাপী প্রোগ্রামে এসে স্পষ্ট হওয়া গেছে।”

​তরুণদের কর্মসংস্থান নিয়ে নগদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে নগদের সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর সৈয়দ হিমিয়ানউদ্দিন আহমেদ বলেন, “একাডেমিক অর্জনের পাশাপাশি করপোরেট জগতের বাস্তব চাহিদার সংযোগ ঘটানোই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মেধা ও উদ্দীপনা আমাদের মুগ্ধ করেছে।” হিমিয়ানউদ্দিন আহমেদ এআই নিয়ে একটি সেশন পরিচালনা করেন। এ সময় এআই নিয়ে প্রশ্নোত্তরে অংশ নিয়ে পুরস্কার জিতে নেন শিক্ষার্থীরা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এমবিএ এসোসিয়েশন-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট আ ন ম ওয়াজেদ আলী বলেন, “ঢাকার বাইরে চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীরা সাধারণত কর্পোরেট এক্সপোজারের সুযোগ কম পায়। নগদ সরাসরি ক্যাম্পাসে এসে অন-স্পট ইন্টারভিউ, সিভি স্ক্রিনিং ও ক্যারিয়ার নির্দেশনার মাধ্যমে প্রথাগত চাকরির ধারণা বদলে দিয়েছে। অ্যাকাডেমিয়া ও ফিনটেকের এই আধুনিক উদ্যোগ একদিকে শিক্ষার্থীদের যেমন আত্মবিশ্বাসী করবে, অন্যদিকে কর্পোরেটগুলোও তাদের পছন্দের সেরা মেধা খুঁজে পেলে উপকৃত হবে।”

দিনজুড়ে শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে একাধিক সেশন পরিচালিত হয়। এরমধ্যে ‘এমএফএস: দ্য ফিউচার অফ ডিজিটাল ক্যারিয়ার্স’, ‘প্রফেশনালিজম দ্যাট এলিভেটস’, ‘রিজিউমি দ্যাট উইনস’ এবং ‘শেপ দ্য ফিউচার: হাউ এআই ইজ ট্র্যান্সফর্মিং ক্যারিয়ার্স’ শীর্ষক আলোচনাগুলোতে অংশ নেন শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি অভিজ্ঞ মানবসম্পদ কর্মকর্তাদের কাছ থেকে শিক্ষার্থীরা কীভাবে আধুনিক মানের জীবনবৃত্তান্ত তৈরি করবেন, সে বিষয়ে ‘ওয়ান-টু-ওয়ান’ ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং বা ব্যক্তিগত পরামর্শের সুযোগ পান।

​শেখার পাশাপাশি বিনোদনের ছোঁয়া রাখতে কুইজ প্রতিযোগিতা, ফুসবল এবং প্লেস্টেশন-৫ (PS5) গেমের আয়োজন করা হয়।

​দেশের তরুণদের ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থানের উদ্যোগ হিসেবে নিয়মিত এই ধরনের আয়োজন করে থাকে নগদ। সম্প্রতি, ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ-এ (আইইউবি) আয়োজিত জব ফেয়ারের মাধ্যমে অন-ক্যাম্পাস প্লেসমেন্টে ইন্টার্ন নিয়োগ দিয়েছিল এই ডিজিটাল আর্থিক প্রতিষ্ঠান।


নির্বাচিত

কর্মসংস্থানে সমতার অঙ্গীকারে এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হলো স্বপ্ন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

আরেকটি আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন করল স্বপ্ন। দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ স্বপ্ন চতুর্থ এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস-এ 'এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন ইন সাসটেইনেবল পার্টনারশিপস অ্যান্ড ইনস্টিটিউশনস – এমপ্লয়মেন্ট ফর ডিফারেন্টলি-এবলড ইন্ডিভিজুয়ালস' ক্যাটাগরিতে উইনার হিসেবে সম্মাননা অর্জন করেছে।

প্রতিবন্ধী অর্থাৎ বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য সমান কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে স্বপ্নের ধারাবাহিক উদ্যোগের স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বাস করে, দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই টেকসই উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি।

এ অর্জন প্রসঙ্গে স্বপ্ন জানায়, এই স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠানটির অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসংস্থান এবং বৈচিত্র্যকে উৎসাহিত করার দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকারের প্রতিফলন। ভবিষ্যতেও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং একটি নিরাপদ, সম্মানজনক ও সমান সুযোগভিত্তিক কর্মপরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাবে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ১৯টি ক্যাটাগরিতে মোট ৪৭২টি মনোনয়ন জমা পড়ে। সাতটি গ্র্যান্ড জুরি প্যানেলে বিভিন্ন খাতের ২৭ জন বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে পরিচালিত বহু-ধাপের মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়। এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস-এর চতুর্থ আসরে ৩৪টি উদ্যোগ উইনার এবং ২৫টি উদ্যোগ অনারেবল মেনশন সম্মাননা অর্জন করে।

এ ছাড়া, ইন্ডাস্ট্রি, ইনোভেশন অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার – ফার্ম-টু-শেলফ ক্যাটাগরিতেও স্বপ্ন অনারেবল মেনশন অর্জন করেছে।

স্বপ্ন বিশ্বাস করে, দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক চর্চা, অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসংস্থান এবং টেকসই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেসরকারি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতেও মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখার উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।


নির্বাচিত

কেন শুধু লেনদেন নয়, প্রয়োজন আস্থা ও শক্তিশালী ইকোসিস্টেম

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

এক দশক আগেও বাংলাদেশের খুচরা বাণিজ্যে ই-কমার্স ছিল একটি সীমিত পরিসরের ধারণা। আজ এটি ধীরে ধীরে দেশের খুচরা বাণিজ্য অবকাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হচ্ছে। তবে এই পরিবর্তন রাতারাতি ঘটেনি। এর পেছনে রয়েছে লজিস্টিকস, গ্রাহক সুরক্ষা, বিক্রেতা সক্ষমতা উন্নয়ন, ডিজিটাল পেমেন্ট এবং প্রযুক্তিনির্ভর নানা ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ- যেসব বিষয় সাধারণত চোখে পড়ে না, কিন্তু সেগুলো ব্যর্থ হলে তার প্রভাব গ্রাহকরা সঙ্গে সঙ্গেই অনুভব করেন।

বাংলাদেশের বৃহত্তম ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস হিসেবে দারাজ এই পরিবর্তনের যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তবে এই গল্প কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের আকার বা ব্যবসায়িক সাফল্যের নয়; বরং এমন এক ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার, যা ডিজিটাল বাণিজ্যের টেকসই বিকাশকে সম্ভব করে।

গত এক দশকে বাংলাদেশের ভোক্তাদের মধ্যে অনলাইন কেনাকাটার প্রতি আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বর্তমানে দেশের খুচরা বাণিজ্যের প্রায় ৩ শতাংশ আসে ই-কমার্স থেকে- বৈশ্বিক মানদণ্ডে সংখ্যাটা হয়তো তেমন বড় নয়, কিন্তু ১৭ কোটি মানুষের এই দেশে এটি একটি মৌলিক আচরণগত পরিবর্তনের প্রতিফলন। ২০২৪ সালে বাংলাদেশের ই-কমার্স বাজারের আকার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৫০ কোটি ডলারে, আর বছরে ১২ শতাংশের বেশি হারে বেড়ে ২০২৯ সাল নাগাদ তা ১,২৪৪ কোটি ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এই পরিসংখ্যানের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো, এর পেছনে থাকা মানুষগুলো, প্রথমবারের মতো অনলাইনে কেনাকাটা করা লাখো ক্রেতা, নতুন উদ্যোক্তাদের হাজারো গল্প, আর ডিজিটাল লেনদেনের সঙ্গে ক্রমেই সহজ হয়ে ওঠা একটি অর্থনীতি।

অনলাইন বাণিজ্যের মূল ভিত্তি হলো আস্থা। আর সেই আস্থা তৈরির জন্য গ্রাহক সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্যেই দারাজ মার্কেটপ্লেসের নির্বাচিত পণ্যের জন্য ১৪ দিনের রিটার্ন সুবিধা চালু করেছে। অতীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতার কারণে এখনও অনেক গ্রাহকের মধ্যে অনলাইন কেনাকাটা নিয়ে কিছুটা সংশয় কাজ করে। দীর্ঘতর রিটার্ন সুবিধা সেই উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে এবং গ্রাহকদের জন্য একটি বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এটি প্রমাণ করে যে গ্রাহক সুরক্ষা কোনো অতিরিক্ত সুবিধা নয়, বরং অনলাইন কেনাকাটার অভিজ্ঞতার একটি মৌলিক উপাদান।

আস্থার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পণ্যের সত্যতা ও নির্ভরযোগ্যতা। এ ক্ষেত্রে দারাজমল একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দারাজমলের মাধ্যমে গ্রাহকরা যাচাইকৃত ব্র্যান্ড ও বিক্রেতাদের কাছ থেকে পণ্য কেনার সুযোগ পান। বিশেষ করে বিউটি, ইলেকট্রনিকস, ফ্যাশন ও লাইফস্টাইলের মতো ক্যাটাগরিতে, যেখানে নকল বা ভুলভাবে উপস্থাপিত পণ্য নিয়ে উদ্বেগ থাকে, সেখানে যাচাইকৃত বিক্রেতা ও ব্র্যান্ড গ্রাহকদের জন্য অতিরিক্ত নিশ্চয়তা তৈরি করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দারাজমল ব্যাজটি শুধু একটি পরিচয়চিহ্ন নয়, বরং আস্থা ও নির্ভরযোগ্যতার প্রতীক হয়ে উঠছে।

তবে কেবল আস্থা দিয়েই ই-কমার্সের বিকাশ সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন শক্তিশালী লজিস্টিকস ব্যবস্থা। ভৌগোলিক বৈচিত্র্য, জনঘনত্ব এবং অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জের কারণে বাংলাদেশে ডেলিভারি ও ফুলফিলমেন্ট এখনো ডিজিটাল বাণিজ্যের অন্যতম জটিল ক্ষেত্র। বর্তমানে দারাজ দেশের ৬৪টি জেলায় পণ্য সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ডিজিটাল ট্র্যাকিং, কালেকশন পয়েন্ট, আধুনিক পণ্য ব্যবস্থাপনা এবং দ্রুত ডেলিভারি মডেলের মতো উদ্যোগগুলো অনলাইন কেনাকাটাকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তুলছে। দ্রুত ও সময়মতো পণ্য পৌঁছানো শুধু গ্রাহকের সুবিধাই বাড়ায় না, বরং অনলাইন কেনাকাটার প্রতি দীর্ঘমেয়াদি আস্থা তৈরি করে।

ই-কমার্স ইকোসিস্টেমের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো বিক্রেতারা। ডিজিটাল মার্কেটপ্লেস ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করেছে। এখন একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাও নিজস্ব শোরুম বা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শাখা না খুলেই সারা দেশের গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে পারেন।

এ লক্ষ্যেই দারাজ ইউনিভার্সিটির মাধ্যমে বিক্রেতাদের পণ্য তালিকাভুক্তকরণ, অর্ডার ব্যবস্থাপনা, গ্রাহকসেবা, প্রচারণা পরিচালনা এবং ডিজিটাল ব্যবসার বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। কারণ অনেক উদ্যোক্তার জন্য এটি কেবল অফলাইন থেকে অনলাইনে স্থানান্তরের বিষয় নয়; বরং সম্পূর্ণ নতুন এক ব্যবসায়িক বাস্তবতার সঙ্গে নিজেদের খাপ খাইয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া।

বিক্রেতাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দারাজের ভূমিকা শুধু প্রশিক্ষণে সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ, ডিজিটাল মার্কেটিং সহায়তা, সার্চ ভিজিবিলিটি, ভার্চুয়াল বান্ডলিং এবং তথ্যভিত্তিক ব্যবসায়িক বিশ্লেষণসহ নানা ধরনের টুলস ও সুবিধা উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে সহায়তা করছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য এসব সুবিধা প্রবৃদ্ধির পথে থাকা নানা বাধা দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশের উদ্যোক্তা উন্নয়নে ই-কমার্সের এটি অন্যতম বড় অবদান।

একই সঙ্গে পরিবর্তিত হচ্ছে গ্রাহকদের কেনাকাটার অভ্যাসও। ১১.১১-এর মতো বড় ক্যাম্পেইনগুলো এখন দেশের অন্যতম বড় শপিং ইভেন্টে পরিণত হয়েছে। তবে বর্তমান গ্রাহকরা শুধু বড় ডিসকাউন্ট ক্যাম্পেইনের অপেক্ষায় থাকেন না; তারা প্রতিদিনের কেনাকাটায়ও ভালো মূল্য ও নির্ভরযোগ্য সেবা প্রত্যাশা করেন।

এ কারণেই দারাজ চয়েসের আওতায় এভরিডে লো প্রাইস (ইডিএলপি) চ্যানেলের মতো উদ্যোগগুলো ক্রমশ গুরুত্ব পাচ্ছে। যখন গ্রাহকরা প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় পণ্য প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে এবং দ্রুত ডেলিভারির মাধ্যমে পেতে শুরু করেন, তখন ই-কমার্স আর কেবল বিশেষ উপলক্ষের কেনাকাটার মাধ্যম থাকে না; বরং দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে ওঠে।

দারাজের অবদান শুধু বাণিজ্যিক কার্যক্রমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দারাজ ফিউচার লিডারস প্রোগ্রাম (ডিএফএলপি) দেশের তরুণদের ডিজিটাল ব্যবসায় নেতৃত্ব গড়ে তুলতে সহায়তা করছে। অন্যদিকে নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়ন আর কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গসমতা নিশ্চিতে দারাজের নিবেদিত উদ্যোগ 'ডিউমেন' গড়ে তুলছে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এক কর্মপরিবেশ।

ডিজিটাল বাণিজ্য সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে লজিস্টিকস, প্রযুক্তি, মার্কেটিং, ডেটা অ্যানালিটিকস, পেমেন্ট, কমপ্লায়েন্স ও কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্সের মতো ক্ষেত্রে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা আরও বাড়বে। তাই ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় মানবসম্পদ তৈরি করাও শিল্পখাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

আগামী দশকের প্রতিযোগিতা শুধু কে সবচেয়ে বেশি পণ্য বিক্রি করবে, তার ওপর নির্ভর করবে না। বরং নির্ভর করবে কে সবচেয়ে শক্তিশালী আস্থার ভিত্তি, সেবার মান, বিক্রেতা সক্ষমতা এবং ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির পরিবেশ গড়ে তুলতে পারে তার ওপর।

দারাজের লক্ষ্যও সেই বৃহত্তর ভিত্তি নির্মাণে অবদান রাখা- শুধু একটি মার্কেটপ্লেস হিসেবে নয়, বরং একটি ইকোসিস্টেম নির্মাতা হিসেবে।

বাংলাদেশের জন্য ই-কমার্স ভবিষ্যতে কেবল একটি কেনাকাটার মাধ্যমের চেয়েও অনেক বেশি কিছু হয়ে উঠতে পারে। এটি স্থানীয় ব্যবসাকে বৃহত্তর বাজারের সঙ্গে সংযুক্ত করতে পারে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে, ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারে এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মানসম্মত পণ্যের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে পারে।

ভিত্তি ইতোমধ্যেই তৈরি হয়েছে। এখন প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি, দায়িত্বশীলতা এবং ধৈর্যের সঙ্গে সেই ভিত্তির ওপর ভবিষ্যতের ডিজিটাল বাণিজ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা।


নির্বাচিত

দেশজুড়ে সর্বোচ্চ সংখ্যক বাংলা কিউআর প্রতিস্থাপন করে ক্যাশলেস পেমেন্ট উদ্যোগকে বেগবান করেছে বিকাশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিটাল পেমেন্ট সম্প্রসারণের উদ্যোগকে কার্যকরী ও সফল করে তুলতে দেশের সব প্রান্তে ছোট বড় মিলিয়ে ৮ লাখের বেশি মার্চেন্টকে বাংলা কিউআর-এ প্রতিস্থাপন করেছে বিকাশ। বাড়তি লোকবল ও বিনিয়োগ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারণ করে দেয়া সময়ের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বাংলা কিউ আর প্রতিস্থাপন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ফলে, গ্রাহকের জন্য বিকাশ সহ যেকোন ওয়ালেট থেকেই ক্যাশলেস পেমেন্টের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়েছে। মার্চেন্ট পেমেন্ট সম্প্রসারণের সফল এই উদ্যোগে প্রতিদিন গড়ে ২০০ কোটি টাকার বেশি পেমেন্ট হচ্ছে বিকাশ প্রতিস্থাপিত বাংলা কিউআর মার্চেন্ট দিয়ে।

ছোট মুদি দোকান থেকে শুরু করে, লাইফস্টাইল পণ্য, ঔষধ সামগ্রী, হোটেল রেস্টুরেন্টসহ বড় সব সুপারশপ ও লাইফস্টাইল চেইন শপে এখন বিকাশ প্রতিস্থাপিত বাংলা কিউআর কোড স্ক্যান করে স্বাচ্ছন্দ্যে পেমেন্ট করতে পারছেন গ্রাহকরা। সবচেয়ে বেশী মার্চেন্ট পয়েন্টে কিউআর কোড বসানো এবং তার রক্ষণাবেক্ষণে বিকাশের সক্ষমতা ও বিনিয়োগ, দেশে ডিজিটাল পেমেন্টের ইকোসিস্টেম শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখছে এবং সরকারের ক্যাশলেস অভিযাত্রায় প্রধান অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে।

কেবল বাংলা কিউআর প্রতিস্থাপন নয়, ডিজিটাল পেমেন্টে গ্রাহকদের অভ্যস্ত করে তুলতে সারাদেশের ৪৫ হাজার মার্চেন্ট পয়েন্টে বিশেষ অফার চালু করেছে বিকাশ। এই অফারের আওতায় একজন গ্রাহক বিকাশ অ্যাপ থেকে বাংলা কিউআর স্ক্যান করে পেমেন্ট করার মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক ও ডিসকাউন্ট কুপন অর্জন করতে পারছেন।

মার্চেন্ট পয়েন্টে ডিজিটাল পেমেন্ট উৎসাহিত করতেও বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে বিকাশ। পেমেন্ট গ্রহণের সময় কমাতে দেশে প্রথমবারের মত ‘ডিজিটাল পেমেন্ট স্পিকার’ স্থাপন করেছে বিকাশ- যা গ্রাহক এবং মার্চেন্ট, উভয়ের জন্যই ডিজিটাল পেমেন্টকে আরো নিরাপদ ও সময় সাশ্রয়ী করেছে।

পাশাপাশি, পরীক্ষামূলকভাবে ব্র্যাক ব্যাংকের সাথে যৌথভাবে মার্চেন্টদের জন্য স্বল্পমেয়াদী, তাৎক্ষণিক ঋণ সুবিধা চালু করেছে বিকাশ। এই সেবার আওতায়, মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে লেনদেনের ভিত্তিতে নির্ধারিত রেটিং অনুসারে মার্চেন্টরা তাৎক্ষণিক ডিজিটাল ঋণ সুবিধা নিতে পারবেন।

দেশের মানুষকে ডিজিটাল পেমেন্টে কেনাকাটায় উৎসাহিত করার জন্য বছরব্যাপী ছাড়, ক্যাশব্যাক সহ নানা অফার দিয়ে আসছে বিকাশ। এতে গ্রাহকদের অভ্যস্ততা ও অংশগ্রহণ বাড়ার ফলে প্রতিবছরই আশাব‍্যঞ্জক হারে বাড়ছে ক্যাশলেস পেমেন্টের পরিধি।


নির্বাচিত

বাংলাদেশের হস্তশিল্প খাতের উন্নয়নে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও বাংলাক্রাফটের সমঝোতা স্মারক সই

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশের হস্তশিল্প খাতে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও বাংলাদেশ হস্তশিল্প প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বাংলাক্রাফট) একটি সমঝোতা স্মারক সাক্ষর করেছে।

মঙ্গলবার. ২১ জুলাই ২০২৬, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে এই সমঝোতা স্মারক সই হয়। এই সমঝোতার আওতায় উদ্যোক্তা উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি, উদ্ভাবন, গবেষণা, বাজার সম্প্রসারণ এবং রপ্তানি উন্নয়নে দুই প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে কাজ করবে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, ব্যবসায়িক সহায়তা এবং বিনিয়োগকারী ও বাজারের সঙ্গে সংযোগ তৈরির সুযোগের মাধ্যমে কারুশিল্পী, নারী উদ্যোক্তা এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

সমঝোতা অনুযায়ী, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর এন্ট্রারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট (সিইডি) উদ্যোক্তা উন্নয়নে কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, ব্যবসা উন্নয়ন সেবা এবং যৌথ উদ্যোগে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করবে।

বাংলাক্রাফট হস্তশিল্প উদ্যোক্তা ও কারুশিল্পী গোষ্ঠীর সঙ্গে সংযোগ তৈরি, খাতভিত্তিক অভিজ্ঞতা ও শিল্পসংশ্লিষ্ট জ্ঞান প্রদান এবং যৌথ কার্যক্রম বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের সহযোগিতা করবে।

এই সহযোগিতার আওতায় ব্যবসা ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল মার্কেটিং, ই-কমার্স, আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি নিয়ে যৌথ প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি হস্তশিল্প খাতের উন্নয়ন, কারুশিল্পীদের জীবন-জীবিকা, বাজারের পরিস্থিতি এবং রপ্তানি সক্ষমতা নিয়ে যৌথ গবেষণা, পণ্য উন্নয়ন, উদ্যোক্তা বুটক্যাম্প, ব্যবসায়িক ফোরাম ও নেটওয়ার্কিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

এই পার্টনারশিপের ফলে শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টার্নশিপ ও মাঠপর্যায়ে কাজের সুযোগও তৈরি হবে, যা শিল্পখাত ও অ্যাকাডেমিয়ার মধ্যে সরাসরি সংযোগ আরও শক্তিশালী করবে।

এই সহযোগিতার একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ হবে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাফটস শো বাংলাদেশ (আইসিএসবি) আয়োজন।

এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের হস্তশিল্প তুলে ধরা হবে। কারুশিল্পীদের সঙ্গে ক্রেতা, বিনিয়োগকারী ও উন্নয়ন সহযোগীদের সংযোগ তৈরি করা হবে। পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তা ও কারুশিল্পী-নির্ভর উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে এবং দেশের হস্তশিল্পের আন্তর্জাতিক পরিচিতি ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করবে।

সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম এবং বাংলাক্রাফটের সভাপতি মো. বেলাল হোসেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর এন্ট্রারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্টের হেড আফসানা চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের ডিন প্রফেসর মোহাম্মদ মুজিবুল হকসহ দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


নির্বাচিত

‘হজ ও ওমরাহ ফেয়ার-২০২৬’-এ স্পন্সর হিসেবে যুক্ত হলো শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি হজ্জ এজেন্সীজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) কর্তৃক আয়োজিতব্য “হজ্জ ও ওমরাহ ফেয়ার-২০২৬” এ স্পন্সর বাবদ ১৫.০০ লক্ষ (পণের লক্ষ) টাকা প্রদান করেছে। ২১ জুলাই ২০২৬ইং তারিখে ব্যাংকের কর্পোরেট প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ, হজ্জ এজেন্সীজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার এর নিকট উক্ত স্পন্সরের চেক প্রদান করেন। উক্ত স্পন্সরের চেক প্রদানকালে অন্যান্যদের মধ্যে, হজ্জ এজেন্সীজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর মহাসচিব জনাব ফরিদ আহমেদ মজুমদার, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’র অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো: আব্দুল্লাহ আল-মামুন, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব এম. এম. সাইফুল ইসলাম ও জনাব মো: জাফর ছাদেক, এফসিএ, ব্যাংকের এসইভিপি ও কোম্পানি সচিব জনাব মো: আবুল বাশার এবং ব্যাংকের জনসংযোগ বিভাগের ইনচার্জ ও ব্যাংক ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব কে. এম হারুনুর রশীদ উপস্থিত ছিলেন।

আগামী ৩০ জুলাই থেকে ০১ আগস্ট ২০২৬ইং তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র (বিসিএফসিসি), শেরে বাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকায় তিন দিনব্যাপী এই ‘‘হজ্জ ও ওমরাহ ফেয়ার-২০২৬” অনুষ্ঠিত হবে। পবিত্র হজ্জ ও ওমরাহ গমনেচ্ছু ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন এজেন্সী, অসংখ্য দর্শণার্থী এবং তাদের আত্মীয়-স্বজন এই ফেয়ার পরিদর্শন করবেন বলে আয়োজক সূত্রে জানা যায়।


নির্বাচিত

সদ্য লঞ্চ হওয়া স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৩৭ ৫জি তে আকর্ষণীয় অফার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৩ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৮
কর্পোরেট ডেস্ক

বাজারে স্মার্টফোনের চলমান মূল্যবৃদ্ধির মাঝেই গ্রাহকদের জন্য নতুন গ্যালাক্সি এ৩৭ ৫জি’র দাম কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে স্যামসাং। এ সিরিজের আধুনিক সব ফিচার ও পারফরম্যান্স-এর সুবিধা আরও বেশি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এই মুল্যছাড়ের মূল উদ্দেশ্য।

এ ডিসকাউন্টের আওতায়, গ্যালাক্সি এ৩৭ ৫জি’র ৮ জিবি/১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৫৯,২৯৯ টাকা থেকে কমিয়ে ৫৪,৯৯৯ টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে, ৮ জিবি/২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম ৬৭,৭৯৯ টাকা থেকে কমিয়ে ৫৭,৯৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্লিম ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের ডিভাইসটিতে রয়েছে ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ। ছবি তোলার জন্য আছে ৫০ মেগাপিক্সেলের ওয়াইড ক্যামেরা, ৮ মেগাপিক্সেলের আলট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা এবং ৫ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো ক্যামেরা।

ডিভাইসটির সামনে রয়েছে ১২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা যার মাধ্যমে সুপার এইচডিআর ভিডিও ধারণ করা যায়। ফলে ভিডিও হয় আরও প্রাণবন্ত ও বাস্তবসম্মত। ডিভাইসটিতে আরও রয়েছে ‘অসাম ইন্টেলিজেন্স’ ফিচার যার মাধ্যমে ছবি-তে অবজেক্ট ইরেজার ও এডিট সাজেশন-এর মতো টুল ব্যবহার করা যায়।

এছাড়া, স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৫,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। এর মাধ্যমে ডিভাইসটি একবার চার্জে সর্বোচ্চ দুই দিন পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি, দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের কথা বিবেচনা করে এতে ৬ জেনারেশন পর্যন্ত অপারেটিং সিস্টেম আপগ্রেড এবং ৬ বছর পর্যন্ত সিকিউরিটি আপডেট দেওয়ার নিশ্চয়তা দিচ্ছে স্যামসাং।

গ্যালাক্সি এ৩৭ ৫জি ডিভাইসটি স্যামসাংয়ের যেকোনো অনুমোদিত শোরুম-এ স্টক থাকা পর্যন্ত পাওয়া যাবে।


নির্বাচিত

ঢাকায় নেক্সটজবসের ‘ক্যারিয়ার সামিট ও জব ফেস্ট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হবে ১৮ আগস্ট

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল ক্যারিয়ার ইকোসিস্টেম প্ল্যাটফর্ম ‘নেক্সটজবস’ (nextjobz) আগামী ১৮ আগস্ট রাজধানী ঢাকার ফার্মগেটে অবস্থিত কেআইবি (KIB) ভবনে তাদের ফ্লাগশিপ ইভেন্ট ‘ক্যারিয়ার সামিট ও জব ফেস্ট ২০২৬’ আয়োজন করতে যাচ্ছে। দেশের অন্যতম বৃহৎ এই ক্যারিয়ার সামিট ও জব ফেস্টে শতাধিক স্বনামধন্য নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, শিল্প বিশেষজ্ঞ এবং হাজার হাজার চাকরিপ্রত্যাশী একই ছাদের নিচে মিলিত হবেন। দিনব্যাপী এই বিশাল আয়োজনটি মূলত দুটি ইন্টিগ্রেটেড ট্র্যাকে বিভক্ত করা হয়েছে, যেখানে চাকরিপ্রার্থীরা সরাসরি নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি ক্যারিয়ার বিষয়ক নানা গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা লাভের সুযোগ পাবেন।

আয়োজনের প্রথম ভাগে কেআইবি মিলনায়তনের ৯০০ আসনবিশিষ্ট অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ‘ক্যারিয়ার সামিট’। এখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতা, শিল্প বিশেষজ্ঞ এবং ক্যারিয়ার স্পেশালিস্টরা বাংলাদেশের বর্তমান কর্মসংস্থানের প্রবণতা, নেতৃত্ব এবং পেশাগত উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন প্যানেল আলোচনা ও সেশনে অংশ নেবেন। এর পাশাপাশি কেআইবি কনভেনশন হল-১-এ অনুষ্ঠিত হবে জব ফেস্ট বা চাকরি মেলা, যেখানে ১০০টিরও বেশি স্বনামধন্য দেশি ও বহুজাতিক কোম্পানি তাদের বিভিন্ন সেক্টরে কর্মী নিয়োগের জন্য উপস্থিত থাকবে। এই আয়োজনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো ‘অন-দ্য-স্পট’ ইন্টারভিউ বা তাৎক্ষণিক সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে চাকরি পাওয়ার সুযোগ, যেখানে যোগ্য প্রার্থীরা একই দিনে নিয়োগপত্র হাতে নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন। এছাড়াও শিক্ষার্থী, ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েট থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ পেশাজীবী এবং সিনিয়র এক্সিকিউটিভদের জন্য দিনব্যাপী ইন্টারেক্টিভ অ্যাক্টিভিটি, র‍্যাফেল ড্র ও ওপেন নেটওয়ার্কিং স্পেসের ব্যবস্থা থাকবে।

অনুষ্ঠানস্থলে নেক্সটজবসের দক্ষতা উন্নয়ন শাখা ‘নেক্সটজবস লার্নিংল্যাব’ উপস্থিত থাকবে, যারা চাকরিপ্রার্থীদের প্রতিযোগিতামূলক জব মার্কেটে নিজেদের আরও যোগ্য করে তোলার জন্য বিভিন্ন আপস্কিলিং প্রোগ্রাম ও সার্টিফিকেশনের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেবে। এর পাশাপাশি প্ল্যাটফর্মটির বিশেষায়িত বিভাগ ‘নেক্সটজবস রিসোর্স’ তাদের হেডহান্টিং, পেরোল ম্যানেজমেন্ট এবং স্টাফিং সলিউশনগুলো প্রদর্শন করবে। এই বিভাগটি মূলত নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কাস্টমাইজড সেবা দেওয়ার পাশাপাশি অভিজ্ঞ চাকরিপ্রার্থীদের জন্য গোপনীয় ও লিডারশিপ লেভেলের বিভিন্ন এক্সক্লুসিভ চাকরির সুযোগ নিয়ে কাজ করবে, যা অভিজ্ঞ ও উচ্চপদস্থ পেশাজীবীদের জন্য দারুণ একটি সুযোগ হতে যাচ্ছে।

‘ক্যারিয়ার সামিট ও জব ফেস্ট ২০২৬’-এ অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহীদের নেক্সটজবস অ্যাপ বা তাদের অফিশিয়াল পোর্টালের মাধ্যমে আগে থেকে নিবন্ধন করতে হবে। অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের সময় কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করে চেক-ইন করার আধুনিক ব্যবস্থা থাকবে। নিবন্ধিত দর্শনার্থীদের ইভেন্টের বিভিন্ন অংশে মসৃণভাবে চলাচলের সুবিধার্থে কালার-কোডেড বা রঙের ওপর ভিত্তি করে রিস্টব্যান্ড দেওয়া হবে; জব ফেস্টে প্রবেশের জন্য পার্পল (বেগুনি) এবং ক্যারিয়ার সামিটের সেশনগুলোর জন্য ব্ল্যাক (কালো) রঙের রিস্টব্যান্ড নির্ধারিত থাকবে। নেক্সটজবস বর্তমানে বাংলাদেশের একটি আধুনিক ক্যারিয়ার ইকোসিস্টেম প্ল্যাটফর্ম হিসেবে চাকরি খোঁজা, নিয়োগ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং স্টাফিং সলিউশনকে এক জায়গায় নিয়ে আসার মাধ্যমে দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।


নির্বাচিত

বিআরবি হসপিটালস লিমিটেড-এ আইভিএফ সেন্টারের সাফল্য উদযাপন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বিআরবি হসপিটালস লিমিটেড-এ আইভিএফ সেন্টারের সাফল্য উপযাপন উপলক্ষে জাঁকজমকপূর্ণ ও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিআরবি হসপিটালস লিমিটেড এর সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো. পারভেজ রহমান। আইভিএফ সাফল্যের উদযাপন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা জনাব লোকমান হোসেন মিয়া। অনুষ্ঠানে বিআরবি হসপিটালের কনসালটেন্ট বৃন্দ, ডাক্তার, নার্স, টেকনিশিয়ান, অন্যান্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগন, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বিআরবি আইভিএফ সেন্টারে প্রথম নবজাতক ডেলিভারির সাফল্যে আইভিএফ টিম সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে উৎসাহ প্রদান করেন এবং স্বাস্থ্যখাতে আন্তর্জাতিক মানদন্ড বজায় রেখে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করার জন্য বিআরবি হসপিটালসকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। বিআরবি হসপিটাল চিকিৎসা সেবায় মানুষের ভালবাসা ও আস্থা অর্জন করেছে এবং আগামীতেও আরও উন্নত ও মানসম্পন্ন সেবা অব্যাহত রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য যে, অত্র হসপিটালের আইভিএফ সেন্টারের যাত্রার মাত্র এক বছরের মধ্যেই সেন্টারে প্রেগন্যান্সি সাফল্যের হার শতকরা ৮০ শতাংশের অধিক।


নির্বাচিত

নগদ–এনআরবি ব্যাংকের কৌশলগত অংশীদারিত্বের চুক্তি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

গ্রাহকদের আর্থিক লেনদেনের সেবা আরো সহজ, সাশ্রয়ী এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে উদ্ভাবনীয় এক চুক্তি করেছে ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবা নগদ ও এনআরবি ব্যাংক পিএলসি।

সোমবার রাজধানীর গুলশানে এনআরবি ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে নগদের প্লাটফর্ম ব্যবহার করে এনআরবি ব্যাংক দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে তাদের কোনো শাখা নেই সেখানেও গ্রাহকদের সেবা দিতে পারবে। এর মাধ্যমে ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটবে বলে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আশা করা হয়।

চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ এবং এনআরবি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারেক রিয়াজ খান। চুক্তির আওতায় এনআরবি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাস থেকে আসা রেমিট্যান্স নিমিষেই প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাহকদের ওয়ালেটে পৌঁছে দেবে নগদ। ফলে দেশের যে কোনো স্থান থেকে উপকারভোগীরা ২৪ ঘণ্টা রেমিট্যান্স গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারবেন। তাছাড়া নগদ ও এনআরবি ব্যাংক মিলে ন্যানো লোন, কর্পোরেট কালেকশনসহ আরো অনেক সেবার কলেবর প্রসারিত করবে বলে জানানো হয়।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নগদের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মোহাম্মদ শাহীন সারওয়ার ভূঁইয়া, রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মো. আহসানুল হক বাশারসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া এনআরবি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার উদ্দিন ও এম. রশিদুল হুদা, শাখা ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান ও সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ তৌফিকুল আলম চৌধুরী, ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান মো. আরিফুজ্জামান, রেমিট্যান্স বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান সৈয়দ মাহফুজ আলীসহ ব্যাংকটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, “ফিনকেট সামনের দিনে লেনদেনের প্রথাগত পদ্ধতি বদলে দেবে। সময়ের দাবি মেটাতে হলে প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। নগদ সময়ের এই চাহিদা পূরণ করে এগিয়ে যাচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখছে।”

এনআরবি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক রিয়াজ খান বলেন, “প্রথাগত লেনদেন পদ্ধতি বদলে ফেলতে চাই আমরা। সে জন্যে নগদের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্ব আমাদের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা মনে করি এই চুক্তির মাধ্যমে আমরা আমাদের সেবার কলেবর আরো বৃদ্ধি করতে পারবো। দেশব্যাপী আমাদের ১০৯টি শাখা ও উপশাখার মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রাহকদের সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে নগদের তিন লক্ষাধিক এজেন্ট পয়েন্ট থেকেই এনআরবি ব্যাংকের গ্রাহকরা সেবা পেলে সেটি আমাদের সেবার কলেবরকে অনেক প্রসারিত করবে।”

দেশে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানোসহ ডিজিটাল লেনদেনকে উৎসাহিত করতে নানান রকম কার্যক্রম হাতে নিয়েছে নগদ। এর মধ্যে প্রবাসী ও তাদের পরিবারের জন্য শুরু থেকেই বিভিন্ন সচেতনতামূলক ও পুরস্কারভিত্তিক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে আসছে নগদ। সম্প্রতি ‘হার না মানা হার’ শিরোনামে একটি ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে নগদের মাধ্যমে রেমিট্যান্স গ্রহণকারী প্রবাসী পরিবারের সদস্যদের জন্য স্বর্ণের হার জয়ের সুযোগও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

তাছাড়া ‘বাংলা কিউআর’ (Bangla QR) পেমেন্ট সেবা এবং ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) সুবিধা চালু করে ক্যাশলেস লেনদেনের সম্ভাবনাকে আরো প্রসারিত করেছে নগদ। এখন দেশের ১০ লাখ বাংলা কিউআর মার্চেন্টে নগদ অ্যাপ থেকে সহজেই পেমেন্ট করা যাচ্ছে।


নির্বাচিত

banner close