বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩

বন্যার্তদের ৫ কোটি টাকা দেবে ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৭ আগস্ট, ২০২৪ ১৬:৫৩

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ ও পুনর্বাসনের জন্য দুই দিনের বেতনের সমপরিমাণ ৫ কোটি টাকা প্রদান করবে। গত শনিবার ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী, জোন ও শাখা প্রধান এবং উপশাখা ইনচার্জদের অংশগ্রহণে এক ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ফেনী, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, কুমিল্লা, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলাসহ ইসলামী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখা ও উপশাখার মাধ্যমে এ ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। ইতোপূর্বে এ ধরনের বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগেও ইসলামী ব্যাংকের কর্মীরা দুর্গতদের পাশে ছিল।

ভার্চুয়াল সভায় ব্যাংকের ডেভেলপমেন্ট উইং প্রধান এ কে এম মাহবুব মোরশেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আলতাফ হুসাইন ও ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবুল ফায়েজ মুহাম্মাদ কামালউদ্দিন। বিজ্ঞপ্তি

বিষয়:

নির্বাচিত

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘এথনিক’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ঢাকায় প্রথম ফ্ল্যাগশিপ স্টোর উদ্বোধন এবং অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্ম চালুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘এথনিক’ (ETHNC)। রাজধানীর সেন্টারপয়েন্ট শপিং মলের লেভেল ২, শপ ডি২-তে ৭,৬৯৬ বর্গফুট আয়তনের ব্র্যান্ডটির ফ্ল্যাগশিপ স্টোর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো এই যাত্রা। স্বতন্ত্র প্রিন্ট, নান্দনিক ডিজাইন ও সমসাময়িক ফ্যাশন ট্রেন্ডের জন্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বেশ পরিচিত ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘এথনিক’। ফিজিক্যাল স্টোরের পাশাপাশি বাংলাদেশের ক্রেতাদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে এথনিক-এর কালেকশন পাওয়া যাবে ব্র্যান্ডটির অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্ম bd.ethnc.com-এ।

বাংলাদেশে এথনিক-এর আনুষ্ঠানিক ফ্র্যাঞ্চাইজি পার্টনার হিসেবে রয়েছে রেনেসাঁ ডেকোর লিমিটেড। নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের ফ্যাশনপ্রেমীদের কাছে ব্র্যান্ডটির বৈচিত্র্যময় কালেকশন পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি গড়ে তুলতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। ফিজিক্যাল স্টোরের পাশাপাশি চালু হয়েছে ব্র্যান্ডটির অনলাইন প্ল্যাটফর্ম bd.ethnc.com। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ক্রেতারা অনলাইনে এথনিক-এর কালেকশন দেখতে ও কেনাকাটা করতে পারবেন। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে ফিজিক্যাল স্টোর ও অনলাইন শপিং সুবিধা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনলাইন উপস্থিতির পর এথনিক-এর আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণে নতুন সংযোজন— বাংলাদেশ। রেনেসাঁ ডেকোর লিমিটেডের সহযোগিতায় বাংলাদেশে অন্তত আরও তিনটি স্টোর চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে এথনিক কর্তৃপক্ষ। এর মাধ্যমে দেশের আরও বিভিন্ন শহরের ক্রেতাদের কাছে ব্র্যান্ডটির কালেকশন পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

মুহাম্মদ উসমান, চিফ কমার্শিয়াল অ্যান্ড মার্কেটিং অফিসার (CCMO), এথনিক, বলেন, “বাংলাদেশ আমাদের আন্তর্জাতিক যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ দেশের প্রাণবন্ত ফ্যাশন সংস্কৃতি এবং ব্র্যান্ডটির প্রতি ক্রেতাদের দীর্ঘদিনের আগ্রহ ও ভালোবাসাকে আমরা গভীরভাবে মূল্যায়ন করি। ঢাকায় আমাদের প্রথম ফ্ল্যাগশিপ স্টোর ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালুর মাধ্যমে স্থানীয় ক্রেতাদের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তুলতে আমরা আশাবাদী।”

মেহরীন আসাফ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, রেনেসাঁ ডেকোর লিমিটেড, বলেন, “আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড এথনিক-কে বাংলাদেশে নিয়ে আসা আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত এবং বিশ্বাস করি, ব্র্যান্ডটির স্বতন্ত্র ডিজাইন ও বৈচিত্র্যময় কালেকশন দেশের ফ্যাশন বাজারে নতুন মাত্রা যোগ করবে। বাংলাদেশের ক্রেতাদের কাছে ব্র্যান্ডটির পরিচিতি ও উপস্থিতি আরও বিস্তৃত করতে আমরা কাজ করে যেতে চাই।”

এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য ‘এথনিক’ সেন্টারপয়েন্ট মল ম্যানেজমেন্ট, ইউনাইটেড টার্মিনাল, ইউনাইটেড গ্রুপ, রেনেসাঁ ডেকোর লিমিটেড এবং সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।

‘এথনিক’ একটি সমসাময়িক আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড, যা স্বতন্ত্র প্রিন্ট, বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ডিজাইন ও আধুনিক ফ্যাশন ট্রেন্ডের সমন্বয়ে বৈচিত্র্যময় পোশাকের কালেকশন তৈরি করে। আন্তর্জাতিক রিটেইল নেটওয়ার্ক ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ব্র্যান্ডটি বিভিন্ন দেশের ক্রেতাদের কাছে তার সৃজনশীল ফ্যাশন পরিচিতি তুলে ধরছে।

অনলাইন শপ: bd.ethnc.com


নির্বাচিত

জনতা ব্যাংকে অ্যাসেট-লায়াবিলিটি ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার জনতা ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্বে) মোঃ ফয়েজ আলমের সভাপতিত্বে ‘অ্যাসেট-লায়াবিলিটি ম্যানেজমেন্ট কমিটি’ (অ্যালকো) সভা অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের বোর্ড রুমে অনুষ্ঠিত সভায় উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আব্দুল মতিন ও মোঃ ইকবাল হোসেন খাঁসহ মহাব্যবস্থাপকবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট উপমহাব্যবস্থাপকবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে মোঃ ফয়েজ আলম বর্তমান বাস্তবতার নিরিখে সুনির্দিষ্ট কর্মকৌশল প্রণয়নের তাগিদ দেন। তিনি স্বল্প সুদের আমানত সংগ্রহ ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি অটো চালান, বাংলা কিউআর কোডের ব্যবহার ও সিএমএসএমই খাতে অর্থায়ন বৃদ্ধির জন্য কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন।

বিষয়:

নির্বাচিত

বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি’ এবং ‘তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন’ পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের চুক্তি স্বাক্ষর করল এমটিবি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি), বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত ১,০০০ কোটি টাকার ‘গ্রিন ফ্যাক্টরি বিল্ডিং ও গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’ এবং ১,০০০ কোটি টাকার ‘তথ্যপ্রযুক্তি (ICT) খাতের উন্নয়ন সংক্রান্ত পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’-এর আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে দুটি পৃথক অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চুক্তি দুটি স্বাক্ষরিত হয়। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাস্টেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের পরিচালক এ. কে. এম. নুরুন্নবী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

‘গ্রিন ফ্যাক্টরি বিল্ডিং ও গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’-এর আওতায় পরিবেশবান্ধব কারখানা নির্মাণ ও পরিবেশবান্ধব শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য অর্থায়ন সুবিধা প্রদান করা হবে। শিল্প খাত যাতে পরিবেশগতভাবে টেকসই অবকাঠামো তৈরি এবং আরও কার্যকর উৎপাদন ব্যবস্থায় বিনিয়োগ করতে পারে, সে লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, ‘তথ্যপ্রযুক্তি (ICT) খাতের উন্নয়ন সংক্রান্ত পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’-এর মাধ্যমে আইসিটি-সংক্রান্ত কার্যক্রম এবং প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য ও সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থায়নের সুযোগ দেওয়া হবে। এই স্কিমের আওতায় সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ইন্টারনেট অব থিংস (IoT), হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্কিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ফিনটেক, ডেটা অ্যানালিটিক্স, সাইবার সিকিউরিটি, ক্লাউড কম্পিউটিং, রোবোটিক্স, ই-কমার্সসহ উদীয়মান প্রযুক্তি খাতসমূহকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও গ্রুপ চিফ রিস্ক অফিসার, উসমান রাশেদ মুঈন এবং সাস্টেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের প্রধান, তাহমিনা জামান খানসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এই দুই পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার মাধ্যমে এমটিবি গ্রিন ইন্ডাস্ট্রি এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের যোগ্য প্রতিষ্ঠানসমূহকে ঋণ সুবিধা প্রদান করবে। ফলে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ, সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ এবং প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য ও সেবার প্রসারে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হলো।

বিষয়:

নির্বাচিত

প্রাইম ব্যাংকের অংশীদারত্বে বাংলাদেশে প্রণীত অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং প্রশিক্ষণ মডিউলের বৈশ্বিক যাত্রা শুরু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি, টিম ইনক্লুশন বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন এবং অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ ইউনিভার্সিটির যৌথভাবে প্রণীত প্রতিবন্ধি ব্যক্তির-অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং প্রশিক্ষণ মডিউলটি আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণের নতুন ধাপে প্রবেশ করেছে। এর অংশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার সুরাবায়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি ‘ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স’ (টিওটি) কর্মসূচি।

‘ব্রেকিং অ্যাটিটিউডিনাল ব্যারিয়ারস: ইনক্লুসিভ ব্যাংকিং ফর পারসনস উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিজ’ শীর্ষক চার দিনের এ কর্মসূচি ১২ থেকে ১৫ অক্টোবর ২০২৬ সুরাবায়ার ইনস্টিটিউট টেকনোলজি সেপুলুহ নোপেম্বারে (আইটিএস) অনুষ্ঠিত হয়। এতে ব্যাংকার, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকারকর্মী, শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

গবেষণাভিত্তিক এ মডিউল প্রথম বাস্তবায়িত হয় ২০২৫ সালের মে মাসে বাংলাদেশে, প্রাইম ব্যাংকের আয়োজনে। আচরণবিজ্ঞান, ব্যাংকিংয়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনের অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তৈরি মডিউলটির লক্ষ্য আর্থিক অন্তর্ভুক্তির পথে মনোভাবগত, যোগাযোগগত ও প্রাতিষ্ঠানিক বাধা দূর করা।

আন্তর্জাতিক এ কর্মসূচি আয়োজিত হয় প্র্যাকটিস পার্টনার বা অনুশীলন অংশীদার হিসেবে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি, টিম ইনক্লুশন বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন, মোনাশ বিজনেস স্কুলের অপরচুনিটি টেক ল্যাব, আইটিএস সুরাবায়া এবং পেরতুনি সুরাবায়ার যৌথ সহযোগিতায়।

প্রাইম ব্যাংক পিএলসির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন অ্যান্ড স্কুল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান এম এম মাহবুব হাসান প্রশিক্ষক ও ব্যাংকিং অনুশীলনকারী হিসেবে অবদান রাখেন। তিনি অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক সেবা ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংকিং চর্চা নিয়ে তাঁর ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

টিম ইনক্লুশন বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মো. জহিরুল ইসলাম কর্মসূচির প্রোগ্রাম ডিজাইনার ও লিড ট্রেইনারের দায়িত্ব পালন করেন। কর্মসূচির নকশা, ইন্দোনেশিয়ার প্রেক্ষাপটে তা উপযোগী করা এবং প্রশিক্ষণ পরিচালনার তত্ত্বাবধান করেন তিনি।

মোনাশ ইউনিভার্সিটির মোনাশ বিজনেস স্কুলের সহযোগী অধ্যাপক এবং অপরচুনিটি টেক ল্যাবের সঙ্গে যুক্ত আবু জাফর শাহরিয়ার উদ্যোগটিতে একাডেমিক ও গবেষণা নেতৃত্ব দেন।

আইটিএস সুরাবায়ার বিজনেস ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান ড. বের্তো মুলিয়া উইবাওয়া প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব ও সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁকে সহায়তা করেন আইটিএসের শিক্ষক মোহামাদ রিজাল ইসকান্দার ও ড. পুতি সিনানসারি।

কর্মসূচিতে আরও যুক্ত ছিলেন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকারকর্মী ইউস্তিতিয়া এম আরিফ এবং দৃষ্টি ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী প্রশিক্ষকেরা। অংশগ্রহণকারী ও সহায়ক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল পিএনএম, উপ্রিন্টিস ইন্দোনেশিয়া, কাওয়ান আয়ু, ব্যাংক ইন্দোনেশিয়া ও ব্যাংক মেগা শারিয়াহ।

অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং প্রশিক্ষণ পরিচালনায় অংশগ্রহণকারীদের সক্ষমতা বাড়াতে প্রশিক্ষণে অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিখন, প্রবেশগম্য যোগাযোগ, আচরণগত অনুশীলন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকারের মূলনীতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক কর্মপরিকল্পনার সমন্বয় ঘটানো হয়।

মোনাশ ইউনিভার্সিটি কর্মসূচির মূল্যায়ন ও সনদ প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। এতে অংশগ্রহণকারীদের শিখনফল এবং প্রতিবন্ধিতা-অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং প্রশিক্ষণ পরিচালনায় তাঁদের প্রস্তুতি যাচাই করা হয়।

মূল্যায়নে দেখা গেছে, অংশগ্রহণকারীদের জ্ঞান, প্রশিক্ষণ পরিচালনায় আত্মবিশ্বাস এবং স্বাধীনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রস্তুতি বেড়েছে। এটি বৃহত্তর প্রাতিষ্ঠানিক পরিসরে মডিউলটির প্রয়োগের সম্ভাবনাকে সামনে এনেছে।

ইন্দোনেশিয়ার কর্মসূচির পর বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্পৃক্ততায় লিড ব্যাংক মডেলের আওতায় বাংলাদেশে একটি প্রস্তাবিত জাতীয় টিওটি কর্মসূচির মাধ্যমে উদ্যোগটির সম্প্রসারণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রবেশগম্য, ন্যায্য ও অধিকারভিত্তিক ব্যাংকিং সেবা প্রসারে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নেতৃত্বাধীন সংগঠন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতারই প্রতিফলন এ উদ্যোগ।

বিষয়:

নির্বাচিত

বিকাশ অ্যাপে গ্রহণ করা যাবে ট্রাস্ট ব্যাংক-এর সেভিংস, লোনসহ বিভিন্ন সেবা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হলো ট্রাস্ট ব্যাংকের সঞ্চয় সেবা। সামনের দিনগুলোয় পর্যায়ক্রমে ব্যাংকটির ঋণ, পে-লেটারসহ অন্যান্য সেবাও যুক্ত হবে বিকাশ অ্যাপে। সব ধরনের গ্রাহকদের জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ আরও সহজ করতে এই যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাস্ট ব্যাংক এবং বিকাশ।

মূলত আর্থিক খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে, আরও বেশি সংখ্যক গ্রাহকের কাছে উন্নত সেবা পৌঁছে দিয়ে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে টেকসই করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সেবা নিজ প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করছে বিকাশ। তারই ধারাবাহিকতায় এবার যুক্ত হলো ট্রাস্ট ব্যাংকের বিভিন্ন সেবা।

রাজধানীর একটি হোটেলে “এক্সপান্ডিং অ্যাক্সেস, এম্পাওয়ারিং পসিবিলিটিজ” শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই যৌথ যাত্রার ঘোষণা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এই যৌথ সেবার উদ্বোধন করেন ট্রাস্ট ব্যাংক-এর ভাইস-চেয়ারম্যান এবং অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, মেজর জেনারেল মোহাঃ হোসাইন আল মোরশেদ, ndc, afwc, psc। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোঃ সিরাজুল ইসলাম ও আরিফ হোসেন খান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ট্রাস্ট ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আহসান জামান চৌধুরী এবং বিকাশ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার কামাল কাদীর।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ট্রাস্ট ব্যাংকের ভাইস-চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাঃ হোসাইন আল মোরশেদ বলেন, “প্রযুক্তি এখন আর্থিক লেনদেনের ধরণ বদলে দিয়েছে, এরপরও অনেকের জন্য প্রয়োজনের সময় সহজ শর্তে আর্থিক সহায়তা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সীমিত আয়ের মানুষের ক্ষেত্রে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় রেখেই আমাদের আজকের এই যৌথ উদ্যোগ।”

তিনি আরও বলেন, “ট্রাস্ট ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বশীল ব্যাংকিং সেবা দিয়ে আসছে, অন্যদিকে বিকাশ দেশের অসংখ্য মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনকে সহজ করেছে। এই দুই প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা একসঙ্গে কাজে লাগিয়ে আরও অধিকসংখ্যক মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় আর্থিক সেবা পৌঁছে দেয়া যাবে।”

বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, “বিকাশ-এর অগ্রযাত্রা দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে ত্বরান্বিত করেছে এবং তাদের সাথে ট্রাস্ট ব্যাংক-এর অংশীদারিত্ব এই অন্তর্ভুক্তিকে আরও জোরদার করবে বলেই নিয়ন্ত্রক সংস্থা আশা করছে। মানুষের জীবনমান উন্নয়নের উদ্যোগে দুটো শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের যৌথভাবে কাজ করাটা আশাব্যঞ্জক।”

এদিকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, “বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের ঋণ ব‍্যবস্থা প্রচলিত আছে। ‘ন্যানো লোন’ অপ্রাতিষ্ঠানিক লোনের ধারণা থেকে এসেছে। মানুষের জরুরি প্রয়োজন মেটাতে প্রতিষ্ঠান দুটি যে উদ্যোগ নিয়েছে, তার সফলতা কামনা করছি। অতিপ্রয়োজনীয় সেবা প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে এবং দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।”

ট্রাস্ট ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আহসান জামান চৌধুরী বলেন, “এই অংশীদারিত্বের মূল ভাবনা ছিল সহজ। ট্রাস্ট ব্যাংকের আছে আস্থা, দীর্ঘ ব্যাংকিং এবং ক্ষুদ্র-মাঝারি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা; এদিকে, বিকাশের আছে দেশব্যাপী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, এজেন্ট নেটওয়ার্ক এবং মানুষের আস্থা। এই আস্থার উপর ভর করেই দুই প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে ব্যাংকিং সেবা এখন প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছাবে। এজেন্ট বা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাঁর প্রয়োজনের সময় এখন বিকাশ অ্যাপ থেকেই ট্রাস্ট ব্যাংকের লোন নিতে পারবেন। পাশাপাশি, ডিপিএস, এফডিআর, পে-লেটার-এর সেবা গ্রাহকের লেনদেনকে সহজ করবে।”

এ সময় বিকাশ-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার কামাল কাদীর বলেন, “প্রযুক্তি আমাদের সঠিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে সাহায্য করছে। ফলে, এখন যে কেউ ১০,০০০ টাকার এফডিআরও খুলতে পারছেন। এই ধরণের প্রযুক্তি বিভিন্ন বাধা দূর করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সৃজনশীল, নিয়মসম্মত ও উপযুক্ত আর্থিক সেবা পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে। যখন সঠিক সুযোগ তৈরি হয়, তখন সবাই সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করেন। তাই আজ আমরা মানুষের জন্য সুযোগ উন্মুক্ত করে দিচ্ছি।”

ট্রাস্ট ব্যাংকের যে সেবাগুলো যুক্ত হচ্ছে বিকাশ অ্যাপে:

 ডিপিএস: বিকাশ অ্যাপ থেকে এখন ট্রাস্ট ব্যাংক এর মাসিক ডিপিএস খুলতে পারছেন গ্রাহক। ৫০০ টাকা থেকে ২০,০০০ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন অংকের এবং মেয়াদের ডিপিএস খোলা যাচ্ছে।

 এফডিআর: বিভিন্ন মেয়াদ এবং অংকের ফিক্সড ডিপোজিট সেবা চালু হবে শীঘ্রই।

 এজেন্ট লোন: বিকাশ এজেন্টদের জন্য চালু হবে ট্রাস্ট ব্যাংকের লোন। এজেন্টরা তাৎক্ষণিক তাদের এজেন্ট অ্যাপ থেকেই জামানতবিহীন এই লোন নেয়া এবং পরিশোধের সুযোগ পাবেন।

 গ্রাহক লোন: নির্বাচিত গ্রাহকরা বিকাশ অ্যাপ থেকেই জামানতবিহীন লোন নিতে পারবেন ট্রাস্ট ব্যাংক থেকে।

 পে লেটার: ট্রাস্ট ব্যাংকের ঋণ সেবার আওতায় বিকাশ অ্যাপে চালু হবে পেমেন্ট এবং মোবাইল রিচার্জ-এর জন্য পে-লেটার সেবা। উল্লেখ্য, পে-লেটার সেবার মাধ্যমে গ্রাহক তার ঋণসীমার মধ্যে কোনো পণ্য বা সেবা কিনে পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে তা ইন্টারেস্ট ছাড়া সম্পূর্ণ পরিশোধ অথবা সহজ মাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করতে পারবেন।

 রেমিটেন্স: প্রবাসী বাংলাদেশীদের রেমিটেন্স পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ করতেও একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার রয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠানের।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বিকাশ-এর ৮ কোটি ৫০ লাখ গ্রাহক অ্যাপ থেকেই নিতে পারছেন ট্রাস্ট ব্যাংক সহ আরও ৫টি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সেভিংস ও লোন-এর মতো ব্যাংকিং সেবা। ২০২১ সালে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের মাসিক ডিপিএস দিয়ে যাত্রা শুরু হয় বিকাশ-এর ডিজিটাল সেভিংস সেবা। পর্যায়ক্রমে এই সেবায় যুক্ত হয়েছে ঢাকা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংক।

বিষয়:

নির্বাচিত

মার্সেলের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৫ শুরু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশজুড়ে শুরু হয়েছে জনপ্রিয় ইলেকট্রনিকস ব্র্যান্ড মার্সেলের ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৫’। এর আওতায় ফ্রিজ, টিভি, এসি বা সিলিং ফ্যান কিনে ক্রেতারা পাচ্ছেন ঘরভর্তি পণ্য বিনামূল্যে পাওয়াসহ বিদেশ ভ্রমণ ও ক্যাশব্যাকের সুযোগ। পাশাপাশি থাকছে নিশ্চিত উপহার। আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত এ সুবিধা পাওয়া যাবে।

সম্প্রতি রাজধানীর বসুন্ধরায় মার্সেল করপোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম, ভাইস চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ক্যাম্পেইন চলাকালে মার্সেলের ফ্রিজ, টিভি, এসি বা ফ্যান কেনার পর ক্রেতার নাম, মোবাইল নম্বর ও পণ্যের বারকোড দিয়ে ডিজিটাল নিবন্ধন করা হবে। নিবন্ধনের পর সম্পূর্ণ কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে নির্ধারিত হবে ক্রেতার প্রাপ্য উপহার। ফিরতি এসএমএসের মাধ্যমে উপহারের তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট শোরুম কর্তৃপক্ষ তা ক্রেতাকে বুঝিয়ে দেবে।

ক্যাম্পেইনের উপহার তালিকায় রয়েছে ফ্রিজ, এসি, টেলিভিশন, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, গ্যাস স্টোভ, ইনফ্রারেড কুকার, রাইস কুকার, ব্লেন্ডার, সিলিং ফ্যান, রিচার্জেবল ফ্যান, গিজার, ইস্ত্রি, ইলেকট্রিক কেটলিসহ বিভিন্ন পণ্য। এ ছাড়া রয়েছে বিদেশ ভ্রমণ, ক্যাশব্যাক ও নিশ্চিত উপহার।

অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম বলেন, ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে মার্সেল পণ্যের ক্রেতারা বিশেষভাবে উপকৃত হচ্ছেন। ফলে দেশজুড়ে গ্রাহকদের মধ্যে এ ক্যাম্পেইন ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সিজন-২৫ চালু করা হয়েছে। আগের আয়োজনগুলোর মতো এবারের ক্যাম্পেইনও গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রতিষ্ঠানের ভাইস চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম বলেন, গ্রাহকসন্তুষ্টি অর্জন ও আস্থা বাড়াতে ক্রেতাদের সর্বোচ্চ সুবিধা এবং সেবা দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে সিজন-২৫-এ মার্সেল পণ্যের ক্রেতাদের জন্য ঘরভর্তি প্রয়োজনীয় পণ্য বিনামূল্যে পাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। ক্যাম্পেইনে ক্রেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পরিবেশক, বিক্রয় প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, মার্সেলের পণ্য টেকসই, বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ও সাশ্রয়ী মূল্যের। পাশাপাশি ক্রেতাদের দ্রুত ও মানসম্মত বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। পণ্যের এসব বৈশিষ্ট্য এবং ক্যাম্পেইনের উপহার ও সুবিধার তথ্য গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিতে দেশজুড়ে প্রচার কার্যক্রম জোরদারের পরামর্শ দেন তিনি।

মার্সেলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ও চিত্রনায়ক আমিন খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইভা রিজওয়ানা নিলু, মার্সেলের হেড অব বিজনেস মো. রুহিন সাব্বির, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ ছাড়া অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সারা দেশের মার্সেল পরিবেশক ও বিক্রয় প্রতিনিধিরা।

উল্লেখ্য, বিক্রয়োত্তর সেবা আরও দ্রুত ও স্বয়ংক্রিয় করতে ডিজিটাল গ্রাহক তথ্যভান্ডার গড়ে তুলছে মার্সেল। পণ্য কেনার পর ডিজিটাল নিবন্ধনের মাধ্যমে ক্রেতার নাম, মোবাইল নম্বর ও পণ্যের বারকোডসহ প্রয়োজনীয় তথ্য প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এর ফলে ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে গেলেও দেশের যেকোনো মার্সেল সার্ভিস সেন্টার থেকে সহজে সেবা নিতে পারছেন গ্রাহকেরা। এ নিবন্ধন কার্যক্রমে ক্রেতাদের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করতেই নিয়মিত ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আয়োজন করছে মার্সেল।


নির্বাচিত

মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও ট্রেডউইন্ড এর সমঝোতা স্মারক সই

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি সম্প্রতি জার্মানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ট্রেডউইন্ড জিএমবিএইচ-এর সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। ট্রেডউইন্ড জিএমবিএইচ এই সমঝোতার আওতায় মার্কেন্টাইল ব্যাংকের রপ্তানি ও আমদানিকারক গ্রাহকদের জন্য বিক্রয় চুক্তির বিপরীতে নন-রিকোর্স ভিত্তিতে এক্সপোর্ট ফ্যাক্টরিং, ইউজ্যান্স এলসি ডিসকাউন্টিং এবং ইমপোর্ট ফ্যাক্টরিং সেবা প্রদান করবে।

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন মার্কেন্টাইল ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ শাহীন, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ঈঅগখঈঙ শামীম আহম্মদ এবং ইভিপি ও আন্তর্জাতিক বিভাগ এর প্রধান মোঃ ফখরুজ্জামান চৌধুরী। ট্রেডউইন্ড এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেইল জালি, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালন পরিচালক মাহমুদ ইব্রাহিম এবং বাংলাদেশ এর কান্ট্রি কমার্শিয়াল প্রধান মোঃ রাশেদুল হাসান। অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠান এর অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়:

নির্বাচিত

ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং তারিখে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের সদস্যদের মধ্যে ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি সম্পর্কে সচেতনতা ও ধারণা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে "জরংশ ইধংবফ ঝঁঢ়বৎারংরড়হ (জইঝ) অধিৎবহবংং চৎড়মৎধস ভড়ৎ ইড়ধৎফ ড়ভ উরৎবপঃড়ৎং" শীর্ষক এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। উক্ত কর্মশালায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি পলিসি এন্ড কোঅর্ডিনেশন ডিপার্টমেন্ট (এসপিসিডি) এর পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবদুর রব এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের একই বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মিস সিরাজুম মুনীরা আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে রিস্ক বেইজড সুপারভিশন এর উপর বিশেষ বক্তব্য প্রদান করেন। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালক ও রিক্স ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ইঞ্জি. মো: তৌহীদুর রহমান। আলোচকবৃন্দ আরবিএস কাঠামো, পর্ষদের ভূমিকা, ঝুঁকি সংস্কৃতি ও পর্ষদ মূল্যায়নের উপর গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের ভাইস-চেয়ারম্যান জনাব ফকির আখতারুজ্জামান, পরিচালকবৃন্দ জনাব মো: সানাউল্লাহ সাহিদ, জনাব আব্দুল বারেক, জনাব আক্কাচ উদ্দিন মোল্লা, জনাব খন্দকার শাকিব আহমেদ, জনাব মো: মশিউর রহমান চমক, জনাব আবদুল হাকিম, স্বতন্ত্র পরিচালক জনাব মো: রিয়াজুল করিম, জনাব মোয়াল্লেম এ চৌধুরী এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান ঝুঁকি কর্মকর্তা জনাব এম. এম. সাইফুল ইসলাম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো: আব্দুল্লাহ আল-মামুন, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো: জাফর ছাদেক, এফসিএ, ব্যাংকের এসইভিপি ও কোম্পানী সচিব জনাব মো: আবুল বাশার এবং ব্যাংকের এসইভিপি ও ইন্টারনাল কন্ট্রোল অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স বিভাগের প্রধান জনাব মোহাম্মদ আশফাকুল হক, এফসিএ, এফসিএস-সহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি সম্পর্কে পরিচালনা পর্ষদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এ বিষয়ে কার্যকর ধারণা তৈরিতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়াও আরবিএস বিষয়ক উক্ত সচেতনতা প্রোগ্রামটি ব্যাংকের সার্বিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বিষয়:

নির্বাচিত

আবুল খায়ের স্টীল মেল্টিং লিমিটেড কারখানা পরিদর্শন করলেন জার্মান ভাইস মিনিস্টার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

জার্মানির অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার ও স্টেট সেক্রেটারি ড. বারবেল কোফলারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল আবুল খায়ের স্টীল মেল্টিং লিমিটেড (একেএসএমএল) কারখানা পরিদর্শন করেছে।

সোমবার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত কারখানাটি পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদলকে একেএসএমএল-এর আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তি, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অর্জন এবং পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে অবহিত করা হয়। পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান একেএসএমএল-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান মোমিন।

জার্মান প্রতিনিধিদলে ড. বারবেল কোফলার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জার্মান উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জিআইজেড বাংলাদেশ, জার্মান উন্নয়ন ব্যাংক কেএফডব্লিউ এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) এর জেষ্ঠ্য কর্মকর্তাগণ।

একেএসএমএল আধুনিক ইলেকট্রিক আর্ক ফার্নেস প্রযুক্তি, উন্নত প্রকৌশল এবং উচ্চগতির রিবার রোলিং প্রযুক্তির সমন্বয়ে স্টীল উৎপাদন করে। উচ্চ উৎপাদন সক্ষমতা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের স্টীলশিল্পে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এর স্বীকৃতিস্বরূপ, সম্প্রতি উৎপাদন সক্ষমতা-সংক্রান্ত একটি রেকর্ডের জন্য একেএসএমএল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অর্জন করেছে। প্রাকৃতিক সম্পদের সাশ্রয়ী ব্যবহার ও পরিবেশগত দায়িত্বশীলতার অংশ হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন, ফিউম ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে বায়ুদূষণ রোধ এবং ভূগর্ভস্থ পানির পরিবর্তে বৃষ্টির পানি পুনর্ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে একেএসএমএল। কারখানাটির এসব পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ পরিদর্শন করে ভূয়সী প্রশংসা করেন জার্মান প্রতিমন্ত্রী।

এ সময় স্টীলশিল্পে নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নে একেএসএমএলের উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন জার্মান প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশের শিল্প খাতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং তাঁদের ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি, বাংলাদেশের স্টীলশিল্পের অগ্রগতি ও আধুনিকায়ন সম্পর্কেও ইতিবাচক ধারণা লাভ করেন।


নির্বাচিত

সংযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর ডিজিটাল প্রবৃদ্ধিতে জোর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সংযোগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে, এ বিষয়ে আলোচনার জন্য ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৬’। বাংলাদেশ সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং হুয়াওয়ের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে অংশ নেন নীতিনির্ধারক, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিসহ পাঁচ শতাধিক ব্যক্তি।

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. কামরুজ্জামান, এনডিসি; তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞা এবং হুয়াওয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট জেসন উ’র উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের যুগ্ম সচিব সাইদা আফরোজ।

শক্তিশালী নেটওয়ার্ক, নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল অবকাঠামো এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ, বিনিয়োগনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির দিকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, এমপি বলেন, “বাংলাদেশ ফার্স্ট’ রূপকল্পকে সামনে রেখে আমরা একটি সমৃদ্ধ ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে কাজ করছি। এ জন্য নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরি, বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা এবং আগামী পাঁচ বছরে ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি। দেশের টেলিযোগাযোগ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের উন্নয়নে হুয়াওয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রাকে আরও এগিয়ে নিতে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি।”

শুভেচ্ছা বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. কামরুজ্জামান, এনডিসি বলেন, “বাংলাদেশ টেককানেক্ট এখন একটি জাতীয় পর্যায়ের প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে, যেখানে সরকার, শিল্পখাত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী ও গণমাধ্যমের পাঁচ শতাধিক প্রতিনিধি একত্রিত হয়েছেন। আমাদের সবার লক্ষ্য হলো নীতিনির্ধারক ও শিল্পখাতের মধ্যে সম্মিলিত সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করা। কারণ, ডিজিটাল অবকাঠামো এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং একটি সমৃদ্ধ, বিনিয়োগনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার অন্যতম প্রধান ভিত্তি।”

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞা বলেন, “বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করতে সরকার পাঁচটি কৌশলগত অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছে। এগুলো হলো শক্তিশালী আইনি ও নীতিগত কাঠামো, নির্ভরযোগ্য সংযোগব্যবস্থা, ডিজিটাল পাবলিক অবকাঠামো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সাইবার নিরাপত্তা এবং দেশীয় উৎপাদন। আমরা ইতোমধ্যে একটি জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছি, যা আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার আশা করছি। সরকার ও শিল্পখাতের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই পাঁচটি অগ্রাধিকারের মাধ্যমে একটি সমন্বিত, নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল ব্যবস্থা গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য, যা প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ, সরকারি সেবার মান উন্নয়ন এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।”

হুয়াওয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট জেসন উ বলেন, “বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামোর উন্নয়ন ও প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণে হুয়াওয়ে সরকার এবং শিল্পখাতের অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংযোগব্যবস্থা, ক্লাউড এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তিতে আমাদের সক্ষমতার মাধ্যমে স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর দক্ষতা বাড়াতে, নতুন সেবা উদ্ভাবনে এবং বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখতে আমরা কাজ করতে চাই।”

অনুষ্ঠানে ‘ভবিষ্যত প্রযুক্তি ও কানেক্টিভিটি’, ‘শিল্পখাতে দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রযুক্তির ভূমিকা’, এবং ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: বৈশ্বিক প্রবণতা, প্রভাব ও বাংলাদেশের প্রস্তুতি’ শীর্ষক তিনটি পৃথক প্যানেল আলোচনারও আয়োজন করা হয়। আলোচনা তিনটি সঞ্চালনা করেন বিটিআরসির কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ইকবাল আহমেদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সৈয়দা নওশিন পর্ণিনী, এবং জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক ড. মো. তৈয়বুর রহমান। প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করেন টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) এবং প্রযুক্তিশিল্পের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এসব আলোচনায় বাংলাদেশে ফাইভজি ও সংযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রযুক্তির মাধ্যমে শিল্পখাতের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের প্রস্তুতির বিষয়গুলো উঠে আসে। পাশাপাশি তৈরি পোশাক শিল্প (আরএমজি), বন্দর, কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন খাতে ফাইভজি, ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাকসেস (এফডব্লিউএ) এবং এন্টারপ্রাইজ কানেক্টিভিটির বাণিজ্যিক সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

এছাড়া ক্লাউড কম্পিউটিং, অটোমেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ও স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, অপারেটিং খরচ কমানো এবং সরকারি সেবার মান উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক আলোচনায় ব্যাংকিং, উৎপাদন, পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ এবং সরকারি সেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে নির্ভরযোগ্য ক্লাউড অবকাঠামো, প্রয়োজনীয় তথ্যের প্রস্তুতি, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং সহায়ক নীতিমালার গুরুত্ব তুলে ধরেন বক্তারা।

সম্মেলনের প্রযুক্তি প্রদর্শনীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল রূপান্তর, স্মার্ট গভর্নমেন্ট, স্মার্ট এডুকেশন, ডিজিটাল পাওয়ার, স্মার্টফোন প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিভিন্ন সমাধান তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ডিজিটাল পাওয়ার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও এন্টারপ্রাইজ এবং ডিজিটাল অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান নিয়ে উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসব বৈঠকে বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা নিজ নিজ অভিজ্ঞতা ও মতামত বিনিময়ের পাশাপাশি ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।


নির্বাচিত

শিশুদের ক্যান্সার চিকিৎসায় সহায়তার লক্ষ্যে হাতিরঝিলে চ্যারিটি রান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় সহায়তা ও সুবিধাবঞ্চিত রোগীদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে আগামী ৮ জানুয়ারি, ২০২৭ শুক্রবার ঢাকার হাতিরঝিলে আয়োজন করা হচ্ছে চ্যারিটি রান ‘অ্যাক্সিওম রিচ ৭.৫ কে টু ফাইট ক্যানসার’। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অ্যাক্সিয়ম রিচ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে আয়োজিত হচ্ছে এই ফান রান। এই ইভেন্টের মূল আয়োজনে থাকছে ৭.৫ কিলোমিটার দৌড় এবং ১৪ বছরের কম বয়সী শিশু ও ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য ১ কিলোমিটার হাঁটা। শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে বিশেষ নিবন্ধন সুবিধা। এ ছাড়া বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে ভার্চুয়াল রানের মাধ্যমে অংশ নেওয়া যাবে। । পাশাপাশি শিশু ক্যান্সার চিকিৎসায় সহায়তার জন্য অনুদান দেওয়ার সুযোগও থাকছে। দৌড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা তৈরি এবং শিশু ক্যান্সার চিকিৎসায় সহায়তা জোগাড় করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত চ্যারিটি রানের আদলে বাংলাদেশে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে দৌড়প্রেমীদের পাশাপাশি মানবিক কাজে আগ্রহী ব্যক্তিদেরও অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকছে।

২০২৩ সাল থেকে অ্যাক্সিওম রিচ ফাউন্ডেশনের চিলড্রেনস ক্যানসার ফান্ডের (সিসিএফ) মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্যান্সার আক্রান্ত ৭০ জন শিশুর চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত অ্যাক্সিওম রিচ ফাউন্ডেশন সম্প্রতি দাতব্য সংস্থাগুলোর মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান চ্যারিটি নাভিগেটরের সর্বোচ্চ ফোর-স্টার রেটিং অর্জন করেছে। ঢাকায় অ্যাক্সিওম রিচ ফাউন্ডেশনের প্রথম চ্যারিটি রান আয়োজনের উদ্যোগ নিয়ে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিউজউইকে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এ উদ্যোগের সঙ্গে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনা অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যুক্ত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেন অ্যাক্সিয়ম রিচ ফাউন্ডেশন-এর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ এহসান।

এই আয়োজন সম্পর্কে ল্যাবএইড ক্যানসার হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও অ্যাক্সিয়ম রিচ ফাউন্ডেশন এর বোর্ড সদস্য অধ্যাপক ডা. এম. এ. খান বলেন “ক্যান্সারের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যয়বহুল হওয়ায় অনেক পরিবারের পক্ষে তা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কোনো শিশুর চিকিৎসা যেন থেমে না যায়, সে জন্য সম্মিলিত সহায়তা জরুরী। আসুন আমরা তাদের পাশে দাঁড়াই, ক‍্যান্সার চিকিৎসায় সহযোগিতা করি।”

আয়োজকেরা ঢাকায় এক হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারীর পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ভার্চুয়াল অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করছেন। নিবন্ধনকারীদের জন্য থাকছে বিশেষ মেডেল, পরিবেশবান্ধব টি-শার্ট, ব্যক্তিগত রানার বিব, হাইড্রেশন সুবিধা ও দৌড় শেষে পুষ্টিকর খাবার। এ ছাড়া বিজয়ীদের জন্য আকর্ষণীয় পুরস্কার এবং র‍্যাফেল ড্রতে অংশ নেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা এ দৌড়ের মাধ্যমে শিশু ক্যান্সার চিকিৎসার বিষয়টি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাবে। একই সঙ্গে দৌড়কে শুধু শরীরচর্চার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সামাজিক দায়িত্ব পালনের একটি মাধ্যম হিসেবেও গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

আসগর আলী হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট

ও অ্যাক্সিয়ম রিচ ফাউন্ডেশন এর বোর্ড সদস্য অধ্যাপক ডা. অখিল রঞ্জন বিশ্বাস বলেন “এই দৌড়ে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে আমরা ক্যান্সার আক্রান্ত শিশু ও তাদের পরিবারকে জানাতে পারি তারা একা নয়। সবার অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা তাদের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পথে সহায়ক হতে পারে।”

রেস ডিরেক্টর ও আল্ট্রা রানার এম. নাহিদুল ইসলাম নাহিদ বলেন, সরাসরি দৌড়ে অংশগ্রহণ, ভার্চুয়াল রানে যুক্ত হওয়া কিংবা অনুদান দেওয়ার মতো ছোট ছোট উদ্যোগও সম্মিলিতভাবে একটি ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে।


নির্বাচিত

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক-আমরার্কের সমঝোতা স্মারক সই

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন ও টেকসই বিনিয়োগের সম্ভাবনা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. এবং আমরার্ক লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। ২৭ অক্টোবর ২০২৬ইং তারিখে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি.-এর করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উক্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ এর উপস্থিতিতে ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো: জাফর ছাদেক, এফসিএ এবং আমরার্ক লিমিটেডের চেয়ারম্যান জনাব জিসু পার্ক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ্যে উক্ত সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। এ সময় শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর পরিচালক পর্ষদের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ ইউনুছ উপস্থিত ছিলেন।

এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন (গ্রীণ ফাইন্যান্স) ও টেকসই বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণে উভয় প্রতিষ্ঠান পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করবে। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্পে বিনিয়োগ ও অর্থায়নের সম্ভাবনা বিকাশে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এ লক্ষ্যে টেকসই প্রকল্পে পরিবেশবান্ধব অর্থায়নে আগ্রহী গ্রাহক, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও সম্ভাব্য অংশীদারদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন, তথ্য বিনিময়, পরিচিতি বৃদ্ধি, এবং পারস্পরিক নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ সৃষ্টিতে উভয় প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করবে। এর মাধ্যমে দেশে টেকসই বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উক্ত সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে, কেবিসিসিআই এর সেক্রেটারি জেনারেল জনাব মিলিয়ন পার্ক, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. এর স্পেশাল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট ডিভিশনের (এসএএমডি) ইভিপি জনাব মো: মজহারুল হক, ব্যাংকের কার্ড ডিভিশনের প্রধান জনাব মো: রিয়াদ হোসেন, ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ের এসএভিপি জনাব মো: ইব্রাহিম হোসেন, কার্ড ডিভিশনের এভিপি জনাব মো: শফিউল ইসলাম, ব্যাংকের জনসংযোগ ও ব্যাংক ফাউন্ডেশনের প্রধান জনাব কে. এম. হারুনুর রশীদ-সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

নারী কর্মীদের জন্য স্তন ক্যানসার সচেতনতামূলক সেশন আয়োজন ব্যাংক এশিয়ার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

স্তন ক্যানসার সচেতনতা মাস উপলক্ষে ব্যাংকের নারী কর্মীদের জন্য স্তন ক্যানসার সচেতনতামূলক সেশনের আয়োজন করেছে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি। কর্মীদের সুস্বাস্থ্য ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহায়ক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার প্রতি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

২৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে রাজধানীর কারওয়ান বাজারস্থ ব্যাংক এশিয়া টাওয়ারে আয়োজিত সেশনটি পরিচালনা করেন আসগর আলী হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শিফাত তানজিলা। তিনি স্তন ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণের গুরুত্ব, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনা করেন।

ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা জনাব মোঃ সাব্বির হোসেন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ জিয়াউল হাসান মোল্লা, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব মুন্তাসির রহমান এবং সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মো. জাহাঙ্গীর আলম এতে উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাংক এশিয়া কর্মীদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সার্বিক কল্যাণকে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে একটি ইতিবাচক, সহায়ক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


নির্বাচিত

banner close