পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রাষ্ট্র মালিকানাধীন রূপালী ব্যাংক পিএলসির নবম বিশেষ সাধারণ সভা এবং ৩৮তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার রাজধানীর দিলকুশাস্থ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের কনফারেন্স রুম থেকে হাইব্রিড পদ্বতিতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল হুদা। এছাড়া সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে সভায় উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম এবং বক্তব্য প্রদান করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পরিচালকবৃন্দ। এ ছাড়া ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালকরা সভায় উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকের কোম্পানি সচিবের সঞ্চালনায় এতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারহোল্ডার সরাসরি অংশ নেন। বিজ্ঞপ্তি
রাজধানীর জনপ্রিয় বুফে রেস্তোরাঁ বিয়ন্ড বাফেটে শুরু হয়েছে ‘এরাবিয়ান ফুড ফেস্ট’। আরবীয় খাবারের রাজকীয় স্বাদ ও ঐতিহ্যবাহী নানা পদ নিয়ে আয়োজিত এ ফুড ফেস্টিভ্যালে পরিবার, বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে বিশেষ খাবারের অভিজ্ঞতা নেওয়ার সুযোগ থাকছে।
গত রোববার শুরু হওয়া এ আয়োজন চলবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। অর্থাৎ ৪৫ দিনব্যাপী এ আয়োজনে অতিথিরা আরবীয় খাবারের পাশাপাশি বিয়ন্ড বাফেটের নিয়মিত বুফের বিভিন্ন পদ উপভোগ করতে পারবেন।
গুলশান ও মিরপুর—বিয়ন্ড বাফেটের উভয় শাখাতেই এ ফুড ফেস্টের আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, গুলশান শাখায় লাঞ্চে থাকছে ১০০টির বেশি এবং ডিনারে ১২০টির বেশি আইটেম। অন্যদিকে মিরপুর শাখায় লাঞ্চে ৯০টির বেশি এবং ডিনারে ১০০টির বেশি আইটেম থাকছে।
গুলশানে লাঞ্চ ১,৪৫০, ডিনার ১,৭৫০ টাকা
বিয়ন্ড বাফেটের গুলশান শাখায় লাঞ্চ বুফের মূল্য ১ হাজার ৪৫০ টাকা। এতে ১০০টির বেশি আইটেম উপভোগ করা যাবে। ডিনার বুফের মূল্য ১ হাজার ৭৫০ টাকা, যেখানে থাকছে ১২০টির বেশি আইটেম।
এ ছাড়া বুফের সঙ্গে থাকছে আনলিমিটেড সৌদি জুস ও সফট ড্রিংকস উপভোগের সুবিধা।
মিরপুরে তুলনামূলক কম দামে বুফে
মিরপুর শাখায় লাঞ্চ বুফের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৯৯ টাকা। এতে থাকছে ৯০টির বেশি আইটেম।
অন্যদিকে ডিনারে ১০০টির বেশি আইটেম নিয়ে বুফের মূল্য ১ হাজার ২৯৯ টাকা। মিরপুর শাখাতেও বুফের সঙ্গে আনলিমিটেড জুস ও সফট ড্রিংকসের সুবিধা থাকছে।
নির্দিষ্ট ব্যাংক কার্ডে ‘একটি কিনলে একটি ফ্রি’
‘এরাবিয়ান ফুড ফেস্ট’-এর অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকছে নির্দিষ্ট ব্যাংক কার্ডের বিশেষ অফার। আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচিত ব্যাংকের কার্ডে নিয়মিত মূল্যের ওপর ‘একটি কিনলে একটি ফ্রি’ সুবিধা পাওয়া যাবে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট ব্যাংকের যোগ্য কার্ড ব্যবহার করে বুফে কিনলে একই মূল্যের দ্বিতীয় বুফে বিনামূল্যে পাওয়ার সুযোগ থাকছে। তবে কোন কোন ব্যাংকের কার্ড এ অফারের আওতায় রয়েছে, তা বুকিংয়ের আগে বিয়ন্ড বাফেটের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে নিশ্চিত করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দুই শাখায় আয়োজন
গুলশান শাখা: ৭ম তলা, পিঙ্ক সিটি শপিং সেন্টার, এভিনিউ-১৫, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২।
মিরপুর শাখা: ৫ম তলা, রূপায়ণ লতিফা শামসুদ্দিন স্কয়ার, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬।
বুকিংয়ের জন্য
গুলশান: ০১৯৯৮-৪০০৫০০, ০১৯৬১-৪০০৪০০ মিরপুর: ০১৭৮০-৮০৮০৬২, ০১৯৬১-৯৯২২৫৫
পরিবার, বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে আরবীয় খাবারের স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি বুফের নানা পদ উপভোগ করতে আগ্রহীরা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিয়ন্ড বাফেটের গুলশান অথবা মিরপুর শাখায় গিয়ে ‘এরাবিয়ান ফুড ফেস্ট’-এর এ বিশেষ আয়োজন উপভোগ করতে পারবেন।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দামের চাপে থাকা ভোক্তাদের কিছুটা স্বস্তি দিতে বিশেষ মূল্যছাড় নিয়ে এসেছে দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ স্বপ্ন। দৈনন্দিন বাজারে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যে মূল্যছাড় দেওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু পণ্য আগের চেয়ে কম দামে কেনার সুযোগ করে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
স্বপ্নের বিভিন্ন আউটলেটে এই বিশেষ মূল্যছাড়ের আওতায় রয়েছে দুধ, আটা, সয়াবিন তেল, রাইস ব্র্যান অয়েল, লবণ, চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, ডিম, নুডলস ও ডিটারজেন্টসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্য।
মূল্যছাড়ের তালিকায় ৫০০ গ্রাম ফ্রেশ মিল্ক পাউডার ৬০ টাকা কমে এখন ৪২০ টাকা, আর ১ কেজি ফ্রেশ মিল্ক পাউডার ১২৫ টাকা ছাড়ে ৮২৫ টাকা দামে পাওয়া যাচ্ছে। একইভাবে ১ কেজি পুষ্টি প্লাস ১৫০ টাকা কমে ৮০০ টাকা এবং ২ কেজি পুষ্টি আটা ৩৫ টাকা কমে ৯৫ টাকা দামে কেনা যাচ্ছে। ২ কেজি এসিআই পিওর আটা ২৫ টাকা ছাড়ে পাওয়া যাচ্ছে ১০৫ টাকায়।
তেলের বাজারেও থাকছে মূল্যছাড়। ৫ লিটার রূপচাঁদা সয়াবিন তেল ২০ টাকা কমে ৯৫৫ টাকা এবং ১ লিটার রূপচাঁদা সয়াবিন তেল ৩ টাকা কমে ১৯৬ টাকা দামে পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি ৫ লিটার এসিআই নিউট্রিলাইফ রাইস ব্র্যান অয়েল ১২০ টাকা ছাড়ে ১,০৪০ টাকা এবং ৫ লিটার ফরচুন রাইস ব্র্যান অয়েল ১৬০ টাকা ছাড়ে ১,০৫০ টাকা দামে পাওয়া যাচ্ছে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের মধ্যে ১ কেজি ফ্রেশ লবণ ৮ টাকা কমে ৩৪ টাকা, লুজ মিনিকেট চাল প্রতি কেজি ৫ টাকা কমে ৫৫ টাকা, জিরাশাইল মিনিকেট চাল প্রতি কেজি ১৪ টাকা কমে ৫৮ টাকা, ১ কেজি পেঁয়াজ ৭ টাকা কমে ৪৮ টাকা (ঢাকা বিভাগ), প্রতি কেজি আলু ৫ টাকা কমে ২৫ টাকা এবং ১ কেজি মসুর ডাল ১০ টাকা কমে ৯০ টাকা দামে পাওয়া যাচ্ছে।
শুধু খাদ্যপণ্য নয়, পরিবারের দৈনন্দিন ব্যবহারের প্রয়োজনীয় পণ্যেও বিশেষ মূল্যছাড়ের সুবিধা দিচ্ছে স্বপ্ন। ৪৯ গ্রাম ওয়াও মসলা ইনস্ট্যান্ট নুডলস ৭৬ টাকা কমে এখন ৯৯ টাকা, ১ কেজি রিন পাওয়ার ব্রাইট ২০ টাকা কমে ১৭৫ টাকা, ১ কেজি হুইল ক্লিন অ্যান্ড ফ্রেশ ১৫ টাকা কমে ১৫০ টাকা এবং ১ কেজি মি. হোয়াইট ডিটারজেন্ট পাউডার ৮০ টাকা কমে ১২০ টাকা দামে পাওয়া যাচ্ছে।এছাড়া পরিবারের নিয়মিত ব্যবহার্য পণ্যের মধ্যেও রয়েছে বিশেষ মূল্যছাড়।
স্বপ্নের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভোক্তাদের দৈনন্দিন প্রয়োজন ও বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এই বিশেষ মূল্যছাড় দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত বাজারের গুরুত্বপূর্ণ পণ্যগুলোতে সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি করার মাধ্যমে ক্রেতাদের ব্যয়ের চাপ কিছুটা কমানোই এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য।
আধুনিক খুচরা বিক্রয়ব্যবস্থায় পণ্যের মান ও প্রাপ্যতার পাশাপাশি ভোক্তাদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্য নিশ্চিত করাকেও গুরুত্ব দেয় স্বপ্ন। সে লক্ষ্যেই বিভিন্ন সময়ে বাজার পরিস্থিতি ও ভোক্তার প্রয়োজন বিবেচনায় বিশেষ মূল্যছাড় ও অফার নিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।
গুলশান ইয়ুথ ক্লাব লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত ‘উল্লাস’ ২০২৬ ইন্টার ক্লাব স্পোর্টসফেস্ট — সিজন ২ উপলক্ষে আজ সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে ঢাকার শেরাটন ঢাকা বানানী-এর ১৪তম তলার এরিয়াল হলে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
গুলশান ইয়ুথ ক্লাব লিমিটেড আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছে যে, বহুল প্রতীক্ষিত ‘উল্লাস’ ২০২৬ ইন্টার ক্লাব স্পোর্টসফেস্ট— সিজন ২ আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে 7 নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
এবারের আয়োজনে মোট ১৪টি আকর্ষণীয় ক্রীড়া ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। ইভেন্টগুলো হলো—১০০ বল ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, বাস্কেটবল, দাবা, ফুটবল (৭-এ-সাইড), গলফ, ৮ বল পুল, প্যাডেল বল, সাঁতার, টেবিল টেনিস, টেনিস, কুইজ, আর্ম রেসলিং ও ম্যারাথন।
দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য ক্লাবের অংশগ্রহণে এবারের প্রতিযোগিতায় মোট ২১টি ক্লাবের প্রায় 100০ জন ক্রীড়াবিদ অংশগ্রহণ করবেন।
অংশগ্রহণকারী ক্লাবসমূহ:
১. অল কমিউনিটি ক্লাব লিমিটেড
২. গুলশান নর্থ ক্লাব লিমিটেড
৩. বাঘা ক্লাব
৪. আইবিএ অ্যালামনাই ক্লাব লিমিটেড
৫. বানানী ক্লাব লিমিটেড
৬. ইন্টারন্যাশনাল রিক্রিয়েশন ক্লাব লিমিটেড
৭. বারিধারা কসমোপলিটন ক্লাব
৮. কুর্মিটোলা গলফ ক্লাব
৯. বাংলাদেশ চায়না ক্লাব লিমিটেড
১০. নারায়ণগঞ্জ ক্লাব
১১. ক্যাডেট কলেজ ক্লাব
১২. নেদারল্যান্ডস রিক্রিয়েশন সেন্টার (ডাচ ক্লাব, ঢাকা)
১৩. ক্লাব নটরডেমিয়ানস বাংলাদেশ লিমিটেড
১৪. নর্ডিক ক্লাব
১৫. ক্লাব শাহীন লিমিটেড
১৬. সেইন্টস ক্লাব লিমিটেড
১৭. ঢাকা বোট ক্লাব লিমিটেড
১৮. উত্তরা ক্লাব লিমিটেড
১৯. ঢাকা ক্লাব লিমিটেড
২০. কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ ক্লাব
২১. গুলশান ক্লাব লিমিটেড
আয়োজক ক্লাব: গুলশান ইয়ুথ ক্লাব লিমিটেড।
সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন গুলশান ইয়ুথ ক্লাব লিমিটেডের সভাপতি ড. ওয়াহিদুজ্জামান (তমাল), সেক্রেটারি জেনারেল ও ‘উল্লাস ২০২৬’ আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান ইফতেখার রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান ও ‘উল্লাস ২০২৬’ আয়োজক কমিটির সদস্য ইফফাত আমবারিন (জয়া) এবং ভাইস চেয়ারম্যান আমীর আলী মোস্তফা।
এছাড়াও ‘উল্লাস ২০২৬’ আয়োজক কমিটির স্পোর্টস কো-অর্ডিনেটর ফুয়াদ বিন সাজ্জাদ এবং প্রেস, মিডিয়া ও মার্কেটিং কো-অর্ডিনেটর অজয় কুমার কুন্ডু সভায় উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ক্লাবসমূহের সম্মানিত চিফ কো-অর্ডিনেটর ও অফিস কো-অর্ডিনেটরবৃন্দ, পাশাপাশি গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের ‘উল্লাস’ ২০২৬ ইন্টার ক্লাব স্পোর্টসফেস্ট -এর কনভেনর ও কো-কনভেনরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
গুলশান ইয়ুথ ক্লাব লিমিটেডের সভাপতি ড. ওয়াহিদুজ্জামান (তমাল) খেলাধুলার প্রসার ও ‘উল্লাস’ ২০২৬ ইন্টার ক্লাব স্পোর্টসফেস্ট — সিজন ২ সফলভাবে আয়োজনে অংশগ্রহণকারী সকল ক্লাব ও ক্রীড়াবিদদের আন্তরিক সহযোগিতা, অঙ্গীকার ও সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
একই সঙ্গে ‘উল্লাস ২০২৬’ আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান অংশগ্রহণকারী সকল ক্লাবকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই ব্যতিক্রমী ক্রীড়া উৎসব সকল ক্রীড়াপ্রেমী ও অংশগ্রহণকারীদের জন্য একটি আনন্দময়, প্রাণবন্ত ও স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।
চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সরাসরি সংযোগ তৈরি এবং দেশের পরিবর্তনশীল শ্রমবাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে মঙ্গলবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নেক্সটজবজ ক্যারিয়ার সামিট ও জব ফেস্ট ২০২৬’। নেক্সটজবজের আয়োজনে দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন খাতের ১০০টির বেশি নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, শিল্প বিশেষজ্ঞ এবং হাজারো চাকরিপ্রার্থী অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সচিব ও নির্বাহী চেয়ারম্যান, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নেক্সটজবজ লিমিটেডের চিফ বিজনেস অফিসার শোয়েব হাসান। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আকিজ রিসোর্সের চিফ পিপল অফিসার মো. আফসার উদ্দিন, চিফ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার তৌফিক হাসান এবং আকিজ এগ্রিলাইফ এর চিফ বিজনেস অফিসার আকতারুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী বলেন, “বর্তমান শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জন করলেই হবে না; চাকরিপ্রার্থীদের কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রযুক্তিগত ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি যোগাযোগ, নেতৃত্ব ও সমস্যা সমাধানের মতো দক্ষতাও উন্নত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগকে আরও কার্যকরভাবে একসঙ্গে নিয়ে আসতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। নেক্সটজবজের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো চাকরিপ্রার্থীদের সুযোগ সম্পর্কে জানার পাশাপাশি নিজেদের দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রেও সহায়তা করতে পারে।”
নেক্সটজবজ লিমিটেডের চিফ বিজনেস অফিসার শোয়েব হাসান বলেন, “ নেক্সটজবজ ৩৬০ ডিগ্রি মানবসম্পদ উন্নয়ন সেবা নিয়ে কাজ করছে। এর অন্যতম লক্ষ্য হলো চাকরিপ্রার্থী এবং নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর ও সরাসরি সংযোগ তৈরি করা। ‘ক্যারিয়ার সামিট অ্যান্ড জব ফেস্ট ২০২৬’-এর মাধ্যমে একই প্ল্যাটফর্মে চাকরিপ্রার্থী, নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, শিল্প বিশেষজ্ঞ এবং দক্ষতা উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমকে যুক্ত করা করা হয়েছে।”
আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সরাসরি সাক্ষাৎকার ও নিয়োগ কার্যক্রম। প্রায় ৭৫০টি পদের বিপরীতে ২,৫০০ চাকরিপ্রার্থী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়ার এবং চাকরির প্রস্তাব পাওয়ার সুযোগ পান। এ ছাড়া আয়োজনে ছিল অভিজ্ঞ পেশাজীবী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ক্যারিয়ার বিষয়ক দিকনির্দেশনা, ইন্টার্যাকটিভ কার্যক্রম, র্যাফেল ড্র এবং উন্মুক্ত নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে নেক্সটজবজ এর দক্ষতা উন্নয়ন প্ল্যাটফর্ম নেক্সটজবজ লার্নিং ল্যাবের কার্যক্রমও তুলে ধরা হয়। অংশগ্রহণকারীরা বিশেষ প্রশিক্ষণ ও সার্টিফিকেশন কর্মসূচি সম্পর্কে জানার সুযোগ পান। এছাড়া নেক্সটজবজের হেডহান্টিং প্ল্যাটফর্ম নেক্সট রিসোর্স এর পে-রোল ব্যবস্থাপনা ও স্টাফিং সলিউশন সংক্রান্ত সেবাগুলোও তুলে ধরা হয়।
আয়োজনে শিক্ষার্থী ও সদ্য স্নাতক থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ পেশাজীবী এবং উচ্চপর্যায়ের নির্বাহীদের অংশগ্রহণের সুযোগ ছিল। এর ফলে চাকরির বাজারে প্রবেশের প্রস্তুুতি, দক্ষতা উন্নয়ন, নিয়োগ ও পেশাগত নেটওয়ার্কিং সবকিছুকে একই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়।
দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে অংশগ্রহণ করেছে যমুনা ব্যাংক পিএলসি। এ লক্ষ্যে ১৬ আগস্ট ২০২৬ বাংলাদেশ ব্যাংক ও যমুনা ব্যাংক পিএলসির মধ্যে একটি অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তিন বছর মেয়াদি এই রিভলভিং পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় কৃষি ও পল্লী খাতের বিভিন্ন কার্যক্রমে অর্থায়নের সুযোগ থাকবে। এর মধ্যে শস্য ও ফসল উৎপাদন, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, কৃষি ও সেচ যন্ত্রপাতিসহ পল্লীভিত্তিক আয়বর্ধক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্কিমের আওতায় কৃষক ও গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ সরল সুদে ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা দেওয়ার বিধান রয়েছে। চুক্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে কৃষি ঋণ বিভাগ-২-এর পরিচালক একেএম সাইদুজ্জামান স্বাক্ষর করেন। এ সময় যমুনা ব্যাংক পিএলসির পক্ষে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিআরও মোঃ শাহিদুল ইসলাম এবং হেড অফ এগ্রিকালচারাল লোন ইউনিট মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের এগ্রি ক্রেডিট বিভাগের যুগ্ম-পরিচালক-২ মোঃ সাখাওয়াত হোসেন ও অতিরিক্ত পরিচালক রাফিয়া সুলতানা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের কৃষক ও গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের জন্য সহজতর অর্থায়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতি গড়ে তোলায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে চায় যমুনা ব্যাংক পিএলসি।
এলজি ইলেকট্রনিক্স সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ (এলজি) আনুষ্ঠানিকভাবে এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জ ২০২৬-এর বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে। নির্বাচিত পাঁচটি সামাজিক উদ্যোগ বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে উদ্ভাবনী ও কার্যকর সমাধান প্রদানের জন্য স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
২০১৭ সালে বাংলাদেশে যাত্রা শুরুর পর থেকে এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জ সমাজের বিভিন্ন সমস্যার টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে উদ্ভাবনী চিন্তাধারার ব্যক্তিদের উৎসাহিত ও ক্ষমতায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে আসছে। আর্থিক অনুদান, দিকনির্দেশনা এবং ধারাবাহিক সহায়তার মাধ্যমে এই কর্মসূচি সম্ভাবনাময় উদ্যোগগুলোকে বাস্তব সামাজিক পরিবর্তনে রূপ দিতে সহায়তা করে।
এ বছরের বিজয়ী প্রকল্পগুলো শিক্ষা, দারিদ্র্য বিমোচন, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রাখার সক্ষমতার ভিত্তিতে নির্বাচিত হয়েছে। এসব উদ্যোগ তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্থানীয় উদ্ভাবনের মাধ্যমে কমিউনিটির উন্নয়ন
২০২৬ সালের এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জের বিজয়ী পাঁচটি প্রকল্প হলো:
মিনহাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই প্রকল্পটি উপকূলীয় অঞ্চলের দুর্যোগ-ঝুঁকিতে থাকা এবং অসচ্ছল জনগোষ্ঠীর আর্থিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করবে।
মো. আবদুল্লাহ রনির নেতৃত্বে পরিচালিত এই উদ্যোগ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে অবদান রাখবে।
মো. হাবিবুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই প্রকল্পটি উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জন্য টেকসই জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক সক্ষমতা জোরদারে কাজ করবে।
শুভ কুমার ঘোষের নেতৃত্বে পরিচালিত এই উদ্যোগ নারীদের কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে টেকসই আয়ের সুযোগ সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে সহায়তা করবে।
সাবরিনা হকের পরিচালনায় এই প্রকল্পটি স্থানীয় অসচ্ছল পরিবারগুলোর আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং সামগ্রিক জীবনমান বৃদ্ধিতে কাজ করবে।
অর্থবহ সামাজিক পরিবর্তনের পথে:
আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি এলজি বিজয়ী অ্যাম্বাসেডরদের সঙ্গে পুরো বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনে সর্বোচ্চ ইতিবাচক প্রভাব নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে।
“২০১৭ সালে বাংলাদেশে এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জ শুরু হওয়ার পর থেকে আমরা অসংখ্য সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পকে সহায়তা করেছি, যা সমাজে অর্থবহ ও দীর্ঘস্থায়ী ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করেছে। এলজিতে আমরা বিশ্বাস করি, ‘Life’s Good’ শুধু একটি ব্র্যান্ড প্রতিশ্রুতি নয়; এটি মানুষের জীবনকে আরও ভালো করার প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা স্থানীয় পরিবর্তনসাধকদের ক্ষমতায়ন এবং টেকসই সামাজিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাব, যাতে বাংলাদেশের বিভিন্ন কমিউনিটিতে আরও ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়,” বলেন Sungho Chun, ব্রাঞ্চ লিডার, এলজি ইলেকট্রনিক্স সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ।
একসঙ্গে গড়ে তুলি আরও সুন্দর ভবিষ্যৎ:
উদ্ভাবনের মাধ্যমে মানুষের জীবনকে সমৃদ্ধ করার অঙ্গীকার নিয়ে এলজি ইলেকট্রনিক্স সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ ব্যবসায়িক কার্যক্রমের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এলজি অ্যাম্বাসেডর চ্যালেঞ্জ প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (CSR) কর্মসূচি, যা সমাজের বাস্তব সমস্যার সমাধানে কাজ করা উদ্ভাবনী ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিদের উৎসাহিত ও সহায়তা করে।
তৃণমূল পর্যায়ের উদ্ভাবনী উদ্যোগে বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক মূল্য সৃষ্টি করে এমন প্রকল্পগুলোকে সমর্থনের মাধ্যমে এলজি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, শক্তিশালী এবং টেকসই সমাজ গঠনে অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এভাবেই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের মানুষের জীবনে "Life’s Good" দর্শনের বাস্তব প্রতিফলন ঘটিয়ে চলেছে।
এলজি ইলেকট্রনিক্স সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ সম্পর্কে:
এলজি ইলেকট্রনিক্স সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও সমাধানের মাধ্যমে মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ, উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের পাশাপাশি বিভিন্ন করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, কমিউনিটির ক্ষমতায়ন এবং টেকসই সামাজিক অগ্রগতিতে অবদান রেখে চলেছে।
বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড শাওমি ২০২৬ সালের ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় ২৩২তম অবস্থান অর্জন করেছে। ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজস্বের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি বার্ষিক তালিকা, যা বিশ্বজুড়ে কর্পোরেট স্কেল ও ব্যবসায়িক পারফরম্যান্সের মানদণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। শাওমি ২০১৯ সালে সর্বপ্রথম ৪৬৮তম স্থানে এ তালিকায় নিজের জায়গা করে নেয়। ওইবছরে ফরচুনে সবচেয়ে নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পায় শাওমি। পরবর্তীতে, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালে ২৯৭তম স্থানে উঠে আসে শাওমি।
প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও জোরদার করতে শাওমি ২০২৬ সালে এক্সরিং ০১ ৩-ন্যানোমিটার উন্মোচন করে, যা প্রতিষ্ঠানটির নিজের তৈরি প্রথম ফ্ল্যাগশিপ এসওসি (সিস্টেম অন চিপ)। একইসাথে, ক্রস-ডিভাইস কানেক্টিভিটি আরও কার্যকর করতে প্রতিষ্ঠানটি এআই ও হাইপারওএস সক্ষমতা বৃদ্ধি করছে। এছাড়াও শাওমি হোম অ্যাপ্লায়েন্স, এআইওটি ও ইভি সহ আরও বিভিন্ন খাতে নিজের পোর্টফলিও সমৃদ্ধ করেছে। চীনা গ্লোবাল কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে শাওমি বর্তমানে ১ নম্বরে রয়েছে এবং ১০০ কোটিরও (১ বিলিয়ন) বেশি কানেক্টেড ডিভাইস নিয়ে বিশ্বজুড়ে কনজ্যুমার এআইওটি মার্কেটের নেতৃত্ব দিচ্ছে।
শাওমি ইলেকট্রিক ভেহিকল খাতে ইন্টেলিজেন্ট কানেক্টিভিটি, সফটওয়্যার-হার্ডওয়্যারের সমন্বয় ও উন্নত প্রযুক্তিতে নিজেদের দক্ষতা নিশ্চিত করেছে। শাওমি এসইউ৭, শাওমি ওয়াইইউ৭ ও শাওমি স্কাইনোম্যাড মডেলগুলো উন্নত ইলেকট্রিক পাওয়ারট্রেন, লং রেঞ্জ পারফরম্যান্স ও ইন্টেলিজেন্ট ইন-কার প্রযুক্তিতে প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা প্রতিফলিত করে।
শাওমি এসইউ৭ ও শাওমি ওয়াইইউ৭ যেখানে চালকের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেয়, সেখানে সম্প্রতি উদ্বোধন হওয়া স্কাইনোম্যাড চালকের পাশাপাশি, অন্যান্য যাত্রীদের আরাম, সুবিধা ও উন্নত অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এর কেবিনকে এমন একটি অ্যাডাপ্টেবল লিভিং স্পেস হিসেবে তৈরি করা হয়েছে, যা সারাদিন ব্যবহারকারীর প্রয়োজনের সাথে তালমিলিয়ে অনন্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে।
গত ১২ বছরে রেডমি নোট সিরিজ ৫০ কোটিরও বেশি স্মার্টফোন বিক্রির মাইলফলক অতিক্রম করেছে। যা বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা অর্জনের পাশাপাশি, সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে অনন্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করেছে। ক্রেতাদের এ ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা শাওমির ধারাবাহিক ব্যবসায়িক বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক প্রসারে বিশেষ অবদান রেখেছে, যা ২০১৯ সালে ফরচুন গ্লোবাল ৫০০ তালিকায় প্রথমবার ৪৬৮ নম্বর স্থান থেকে ২০২৬ সালে ২৩২ নম্বর স্থানে উঠে আসতে সহায়তা করেছে। বর্তমানে, বিশ্বজুড়ে ১০০-এরও বেশি বাজারে শাওমির ‘হিউম্যান × কার × হোম’ ইকোসিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “উদ্ভাবন, অনন্য প্রযুক্তি ও ইকোসিস্টেম উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে শাওমি এ বছর ফরচুন গ্লোবাল ৫০০-এর তালিকায় ২৩২তম অবস্থান অর্জন করেছে। স্মার্টফোন থেকে শুরু করে এআই, স্মার্ট হোম, ইন্টেলিজেন্ট মোবিলিটি ও অন্যান্য খাতে নিজেদের অবস্থান জোরদার করার পাশাপাশি, আমাদের ক্রেতাদের জন্য সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে এমন একটি ইন্টারকানেক্টেড ইকোসিস্টেম তৈরি করতে চাই। এসব উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় আমরা সময়ের সঙ্গে ফরচুন গ্লোবাল ৫০০-এর তালিকায় শাওমির অবস্থান আরও শক্তিশালী ও উন্নত করতে চাই।”
আগামীতেও শাওমি প্রযুক্তিগত বিনিয়োগ, বৈশ্বিক ইকোসিস্টেম সম্প্রসারণ ও বিশ্বের আরও বেশি মানুষ ও কমিউনিটির কাছে সহজলভ্য ও ইন্টেলিজেন্ট প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাবে।
কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সম্প্রতি নিজেদের কারখানায় ‘মৌসুমি রোগ থেকে সুরক্ষা ও সচেতনতা ক্যাম্প’আয়োজন করেছে হপ লুন অ্যাপারেলস লিমিটেড। ব্র্যাক হেলথকেয়ারের সহযোগিতায় আয়োজিত এ ক্যাম্পে স্বাস্থ্য সচেতনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের নিজস্ব মেডিক্যাল সেন্টারে বিনা মূল্যে কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়।
এছাড়াও, রোগ প্রতিরোধ, স্বাস্থ্যবিধি, খাদ্যাভ্যাস ও সুস্থ জীবনযাপন নিয়ে তাঁদের পরামর্শ দেন স্বাস্থ্যসেবা বিশেষজ্ঞরা।
এই আয়োজনের অংশ হিসেবে কর্মীদের রক্তে শর্করার মাত্রা (ব্লাড সুগার), রক্তচাপ ও রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় কোনো শারীরিক সমস্যা ধরা পড়লে হপ লুনের নিজস্ব চিকিৎসকেরা তাৎক্ষণিকভাবে ঐ কর্মীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেন। ফলে ক্যাম্পে স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুযোগ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দুটিই পান কর্মীরা।
স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশাপাশি কর্মীদের সঙ্গে বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সরাসরি কথা বলেন ব্র্যাক হেলথকেয়ারের স্বাস্থ্যসেবা বিশেষজ্ঞ। সাধারণ রোগ কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়, কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন এবং কর্মক্ষেত্র ও বাড়িতে কীভাবে সুস্থ থাকা যায়, সে বিষয়ে তাঁরা কর্মীদের পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে সুস্থতার সঙ্গে কাজের দক্ষতার পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন তাঁরা।
একজন কর্মী সুস্থ থাকলে শুধু তাঁর নিজের কাজ নয়, তাঁর ব্যক্তিগত জীবনেও এর প্রভাব পড়ে। এ বিষয়টিও কর্মীদের সামনে তুলে ধরেন স্বাস্থ্যসেবা বিশেষজ্ঞরা। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস কর্মীদের নিজেদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হতে এবং সময়মতো চিকিৎসা নিতে সহায়তা করতে পারে বলেও তাঁরা জানান।
ব্র্যাক হেলথকেয়ার লিমিটেডের কিউএ ও পেশেন্ট এক্সপেরিয়েন্স ম্যানেজার ডা. তাহমিদ হাসান প্রবাদ বলেন, “কর্মীদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এবং তাদের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমরা এ উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলে কর্মীরা কর্মস্থলে আরও স্বাচ্ছন্দ্যে ও মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে পারেন।”
হপ লুন বাংলাদেশের সোশ্যাল ইনিটিয়েটিভস হেড গুলশান আরা বলেন, “কর্মীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন করার পাশাপাশি তাদের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য করাও সমনভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা কর্মীদের জন্য দুটো দিকই নিশ্চিত করতে চেয়েছি।”
পোশাক কারখানায় কর্মীদের দীর্ঘ সময় শারীরিক পরিশ্রম করতে হয়। তাই তাঁদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা এবং নিজেদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকা গুরুত্বপূর্ণ। এ হেলথ ক্যাম্পের মাধ্যমে কর্মস্থলেই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন হপ লুনের কর্মীরা। কর্মীদের স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক কল্যাণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
নিজের ব্যক্তিত্ব, রুচি ও জীবনযাপনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি সুন্দর ঘর সাজানোর স্বপ্ন সবারই থাকে। তবে সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে গিয়ে দেয়াল রং করা, পুরোনো আসবাবের পরিবর্তন, ইন্টেরিয়র ডিজাইনসহ বিভিন্ন সেবার জন্য আলাদা আলাদা জায়গায় যোগাযোগ করতে হয়, যা অনেক সময় পুরো প্রক্রিয়াটিকে করে তোলে জটিল ও সময়সাপেক্ষ। এই অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ, সুবিধাজনক ও নির্বিঘ্ন করতে ভোক্তাদের আরও কাছে কমপ্লিট ইন্টেরিয়র সলিউশন নিয়ে আসছে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড।
বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোন ও বার্জার ডিজাইন স্টুডিও এর মাধ্যমে বার্জার তার অভিজ্ঞতা ও সেবাকে প্রচলিত টাচপয়েন্টের বাইরে নিয়ে যাচ্ছে। গ্রাহকরা যেখানে বসবাস করেন, কেনাকাটা করেন ও সময় কাটান—সেখানেই পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বার্জার এর বিস্তৃত কমপ্লিট ইন্টেরিয়র সলিউশন. লক্ষ্য একটাই—অনুপ্রেরণা থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত পুরো যাত্রাকে আরও সহজ করে তোলা এবং প্রয়োজনীয় সমাধান খুঁজতে গ্রাহকদের অতিরিক্ত ঝামেলা থেকে মুক্তি দেওয়া।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে আগামী ২০ আগস্ট ২০২৬ থেকে তিন দিন বিজয় রাকিন সিটি -তে উপস্থিত থাকবে বার্জার । সেখানে বাসিন্দারা তাদের নিজস্ব কমিউনিটির মধ্যেই পেয়ে যাবেন সহজ ও ঝামেলামুক্ত পেইন্টিং সলিউশন, সুবিধাজনক পেমেন্ট অপশন এবং ওয়ান-স্টপ ইন্টেরিয়র সলিউশন। পাশাপাশি থাকবে বিভিন্ন ডেমনস্ট্রেশন দেখার সুযোগ, লাইভ ডেমোনস্ট্রেশন এবং বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী পরামর্শ। এ সময় বাসিন্দারা পাবেন বিশেষ আকর্ষণীয় ছাড় .
এটি দেশের বিভিন্ন কমিউনিটিতে বার্জার -এর সেবা আরও কাছাকাছি পৌঁছে দেওয়ার একটি বৃহত্তর উদ্যোগের সূচনা। ভবিষ্যতেও দেশের অন্যান্য কমিউনিটিতে পৌঁছে গিয়ে ভোক্তাদের কাছে কমপ্লিট হোম ইমপ্রুভমেন্ট সলিউশন আরও সহজলভ্য করে তুলবে বার্জার ।
শুধু কমিউনিটি নয়, ২১ আগস্ট ২০২৬ থেকে নির্দিষ্ট মডার্ন ট্রেড আউটলেটেও বার্জার এর ইন্টেরিয়র সলিউশন পাওয়া যাবে। ফলে নিয়মিত কেনাকাটার সময়ই ভোক্তারা জানতে পারবেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গ্রহণ করতে পারবেন বার্জার -এর বিভিন্ন সেবা। ঘর নতুন করে রং করা, পুরোনো আসবাবকে নতুন রূপ দেওয়া কিংবা সম্পূর্ণ ইন্টেরিয়র সলিউশন নেওয়া—প্রতিটি প্রয়োজনের সমাধানই এখন আরও সহজে পৌঁছে যাবে ভোক্তাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে।
বার্জার -এর কাছে কমপ্লিট ইন্টেরিয়র সলিউশন আরও সহজলভ্য করে তোলার অর্থ শুধু সেবা গ্রাহকের কাছাকাছি নিয়ে আসা নয়; বরং গ্রাহকের মনে যখন একটি সুন্দর ঘরের ভাবনা তৈরি হয়, ঠিক তখনই তার পাশে থাকা এবং সেই ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পথ সহজ করে দেওয়া। ভোক্তারা যেখানে থাকেন, কেনাকাটা করেন কিংবা সময় কাটান, সেখানেই পৌঁছে দিয়ে বার্জার তৈরি করছে অনুপ্রেরণা থেকে সঠিক সমাধান পর্যন্ত আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় একটি যাত্রা।
কারণ, যে ঘরকে নিজের মতো করে ভালোবাসতে চান, সেই স্বপ্ন কখনোই যেন নাগালের বাইরে না থাকে। সেই লক্ষ্যেই ভোক্তাদের আরও কাছে বার্জার—ভাবনার শুরু থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত, একটি সুন্দর ঘরকে সত্যিকার অর্থে নিজের করে তোলার যাত্রায় পাশে থাকতে।
দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা আরও জোরদার করতে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)-এর সহায়তায় ১২টি রেসকিউ স্পিডবোট হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ সরকার। দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদারকরণ প্রকল্পের (DRMEP) আওতায় দেশের ১২টি দুর্যোগপ্রবণ উপকূলীয় জেলার জেলা প্রশাসকদের কার্যালয়ে কাছে এসব স্পিডবোট হস্তান্তর করা হয়।
নারায়ণগঞ্জের গোল্ডেন ফাইবার গ্লাস কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জাপান সরকার ও জাইকার প্রতিনিধি, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
রেসকিউ স্পিডবোটগুলো বরিশাল, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, ভোলা, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, কক্সবাজার, খুলনা, বরগুনা, ঝালকাঠি, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলায় দূর্যোগ মোকাবেলায় ব্যবহার করা হবে। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় জরুরি যোগাযোগ, অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় এসব নৌযান ব্যবহার করা হবে।
অনুষ্ঠানে জাইকা বাংলাদেশ অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকো গত জুলাইয়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে আকস্মিক বন্যার সময় জাইকার সহায়তায় দেওয়া রেসকিউ বোটগুলো জরুরি উদ্ধার কার্যক্রমে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে বলে উল্লেখ করেন । নতুন নৌযানগুলো দুর্যোগের সময় দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা আরও বাড়াবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলেও জানান তিনি।
তাকাহাশি জুনকো আরও বলেন, “জাপান দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে পাশে রয়েছে। আজকের এই নৌযান হস্তান্তর বাস্তবভিত্তিক দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের মাধ্যমে আরও নিরাপদ ও দুর্যোগসহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দুই দেশের অভিন্ন অঙ্গীকারের প্রতিফলন।”
অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি, সংসদ সদস্য আবুল কালাম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা ও অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া, প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ মোকাবিলায় চলমান সহযোগিতার অংশ হিসেবে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যাপ্রবণ জেলা ও উপজেলায় আরও ৪৩টি অগভীর পানিতে চলাচল উপযোগী রেসকিউ স্পিডবোট বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, সিলেট, নেত্রকোনা ও জামালপুরসহ বিভিন্ন বন্যাপ্রবণ এলাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোর বন্যা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্রমবর্ধমান দুর্যোগঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে জরুরি উদ্ধার ও দুর্যোগ মোকাবিলা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ফেডারেল ইনস্যুরেন্স পিএলসি’র ৩৮তম বার্ষিক সাধারণ সভা ডিজিটাল প্লাটফর্মে কোম্পানীর চেয়ারম্যান এনামুল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শেয়ারহোল্ডারবৃন্দের সর্বসম্মতিতে কোম্পানীর ২০২৫ সনের বার্ষিক হিসাব ও ১০% নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়।
সভায় ভাইস চেয়ারম্যান ইলিয়াস সিদ্দিকী, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন জামাল, অডিট কমিটি ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ গিয়াস উদ্দিন এফসিএ, মনোনয়ন ও পারিশ্রমিক কমিটি এবং গ্রাহক সুরক্ষা ও অভিযোগ প্রতিকার কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ মাহফুজুর রহমান, বিনিয়োগ কমিটির চেয়ারম্যান আবেদা আক্তাার, পরিচালক মোরশেদুল শফি, খাদিজাতুল আনোয়ার, তাহরির নাওয়াজ, তৌফিকুল ইসলাম চৌধুরী, তৌহিদুল আলম, মমতাজ বেগম, রাকিবুল হক, হাসিনা বানু, আবরারুল হক ও জিয়া উদ্দিন, অলটারনেট পরিচালক সৈয়দ আমজাদ হোসেন ও রাশেদা বেগম, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব এ এম এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও সিএফও মাসুদ হোসাইন সহ কোম্পানীর অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় পাবলিক শেয়ারহোল্ডারগণ অনলাইনে বিভিন্ন মতামত প্রদান করেন। শেয়ারহোল্ডারগণ কোম্পানী ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের জন্য মর্যাদাপূর্ণ সর্ব্বোচ্চ ক্রেডিট রেটিং ‘এএএ’ অর্জন করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। শেয়ারহোল্ডারগণ ইউক্রেন-রাশিয়া ও ইসরাইল-হামাস যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা, ইরান-আমেরিকা-ইসরাইল যুদ্ধ, কোভিড-১৯ পরবর্তী বৈষিক মন্দার প্রভাব সত্ত্বেও কোম্পানীর পারফরমেন্স ও ধারাবাহিক ভাবে নগদ লভ্যাংশ প্রদান করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। সভা সঞ্চালন করেন সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানী সেক্রেটারী শেখ মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন।
শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল থানাধীন চক পাঁচপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে অবস্থিত রহিমা ও আরিফা খাতুন মহিলা মাদরাসা ও এতিমখানা-এর নির্মাণাধীন ৫ম তলা বিশিষ্ট ভবনের অসম্পূর্ণ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য ১৫,০০,০০০ (পণের লক্ষ) টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। সম্প্রতি ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যাংকের জনসংযোগ বিভাগের ইনচার্জ জনাব কে. এম. হারুনুর রশীদ, রহিমা ও আরিফা খাতুন মহিলা মাদরাসা ও এতিমখানা’র প্রিন্সিপাল মাওলানা মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম এর নিকট উক্ত অনুদানের চেক প্রদান করেন। অনুদানের চেক প্রদানকালে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের এক্সিকিউটিভ অফিসার মো: কামাল মিয়া উপস্থিত ছিলেন।
তরুণদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করতে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ফুটবলের কিংবদন্তিকে নিয়ে এলো IFAD Pillow Chips. আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি ক্লদিও ক্যানিজিয়া বাংলাদেশ সফরে এসে IFAD Pillow Chips Presents Dhaka Inter School Champions League (DISCL) 2026-এর গ্র্যান্ড ফাইনালে অংশ নেন। তাঁর উপস্থিতি ও মূল্যবান বক্তব্য হাজারো তরুণ ফুটবলপ্রেমীকে অনুপ্রাণিত করে।
রাজধানীর Fortis Downtown Resort & Grounds-এ অনুষ্ঠিত এই গ্র্যান্ড ফাইনালে আর্জেন্টিনার সাবেক তারকা ও দিয়েগো ম্যারাডোনার সাবেক সতীর্থ ক্যানিজিয়াকে সামনে থেকে দেখতে ও তাঁর সঙ্গে সময় কাটাতে পেরে উচ্ছ্বসিত ছিল টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া তরুণ ফুটবলাররা। বিশ্ব ফুটবলের এমন একজন তারকার উপস্থিতি তাদের জন্য তৈরি করে বিশেষ এক অনুপ্রেরণার মুহূর্ত।
ঢাকার ৩৬টি স্কুলের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে তরুণ ফুটবলাররা নিজেদের প্রতিভা ও দক্ষতা তুলে ধরার সুযোগ পায়। ফাইনালে নৌবাহিনী কলেজ, ঢাকা দুর্দান্ত ৩-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় এবং বিআইটি স্কুল রানার্স-আপ হয়। খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের বিকাশে IFAD Group-এর প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন এই উদ্যোগ।
অনুষ্ঠানে IFAD Multiproducts Limited-এর CEO কাজী আরিফ জামান বলেন:
“আমরা চাই আমাদের তরুণরা অতিরিক্ত সময় মোবাইল বা স্ক্রিনে না কাটিয়ে মাঠে খেলাধুলায় ফিরে আসুক। ফুটবল শুধু খেলা নয়, এটি শৃঙ্খলা, দলবদ্ধভাবে কাজ করা, নেতৃত্ব দেওয়া এবং প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করতে শেখায়। তরুণদের জন্য এমন সুযোগ তৈরি করতে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোরও এগিয়ে আসা উচিত। আমরা চাই, আমাদের তরুণ ফুটবলাররা তাদের স্বপ্ন অনুসরণ করুক এবং নিজেদের প্রতিভাকে আরও সামনে নিয়ে যাক।”
অনুষ্ঠানে ক্যানিজিয়া বাংলাদেশের ফুটবলের প্রতি মানুষের গভীর ভালোবাসার প্রশংসা করেন এবং দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। খেলোয়াড় তৈরিতে মানসম্মত কোচিং, প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা এবং মানসিক দৃঢ়তার গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার অভিজ্ঞতা এবং উচ্চতর প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের গুরুত্বও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্যে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত হয়, যাদের অনেকেরই স্বপ্ন ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা, পাশাপাশি ছিলেন IFAD Group, Fortis FC, Sportamagica-এর প্রতিনিধিবৃন্দ, অংশগ্রহণকারী স্কুলগুলোর শিক্ষক ও কর্মকর্তারা, কোচ, অভিভাবক এবং ফুটবলপ্রেমীরা।