চীনা প্রতিষ্ঠান ডিসি ইন্ডাস্ট্রি (বাংলাদেশ) কোম্পানি লিমিটেড চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৫৩ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার বিনিয়োগে একটি ব্যাগ এবং ওয়ালেট তৈরির কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে। বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমানের উপস্থিতিতে গতকাল বুধবার ঢাকার বেপজা কমপ্লেক্সে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করল বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)।
বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. আশরাফুল কবীর এবং ডিসি ইন্ডাস্ট্রি (বাংলাদেশ) কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হেন চ্যাংগুয়াং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বিদেশি মালিকানাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি বাৎসরিক ২৫ লাখ পিস হ্যান্ডব্যাগ, ১৫ লাখ পিস ব্যাকপ্যাক এবং ১০ লাখ পিস ওয়ালেট উৎপাদন করবে। কোম্পানিটিতে ২৯৯০ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, বেপজা সর্বদা বৈচিত্র্যময় পণ্য উৎপাদনের বিনিয়োগকে উৎসাহিত করে। তিনি বৈচিত্র্যময় পণ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলকে বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে নির্বাচনের জন্য ডিসি ইন্ডাস্ট্রি (বাংলাদেশ) কোম্পানি লিমিটেডকে ধন্যবাদ জানান। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সদস্য (অর্থ) আ ন ম ফয়জুল হক, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) আ স ম জামশেদ খোন্দকার, নির্বাহী পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মো. খুরশীদ আলম এবং নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ এস এম আনোয়ার পারভেজসহ প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ডিসি ইন্ডাস্ট্রি (বাংলাদেশ) সহ মোট ৩১টি প্রতিষ্ঠান বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের লক্ষ্যে চুক্তি স্বাক্ষর করল, যাদের প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ মোট ৭১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিজ্ঞপ্তি
২০২৫ সালে দেশের ইলেকট্রনিক্স ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স খাতের সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটনের পণ্য বিক্রয়, মুনাফা ও ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জনে বিশেষ অবদান রাখায় ১৮৮টি প্লাজা, বিক্রয় ব্যবস্থাপক, প্রতিনিধি এবং কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। এর মধ্যে গত বছর পণ্য বিক্রয় ও ব্যবসা সম্প্রসারণে বিশেষ অবদান রাখায় দেশব্যাপী বিভিন্ন জোনের আওতাধীন ১৬০টি ওয়ালটন প্লাজাকে পুরস্কৃত করা হয়। এ ছাড়া প্লাজা নেটওয়ার্কের ২৮ জন কর্মকর্তাকে ‘বেস্ট এমপ্লয়ি অ্যাওয়ার্ড’ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
‘অর্জনই আমাদের অঙ্গীকার’ স্লোগানে রবিবার (১২ এপ্রিল, ২০২৬) রাজধানীর ওয়ালটন করপোরেট অফিসে আয়োজিত দিনব্যাপী ‘ওয়ালটন প্লাজা ইয়ারলি অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রাম-২০২৫’-এ সেরা প্লাজা, বিক্রয় ব্যবস্থাপক ও কর্মকর্তাদের হাতে পুরস্কার এবং সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি চলতি বছরেও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা মোকাবিলা করে পণ্য বিক্রয়, অর্থ আদায় ও মুনাফায় সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে অনুষ্ঠানে প্লাজা ব্যবস্থাপক ও বিক্রয় প্রতিনিধিদের নানা সময়োপযোগী ও কৌশলগত দিক-নির্দেশনা প্রদান করেছে ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ।
সকালে বেলুন উড়িয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) এবং ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং পার্টনার এস এম মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেকের চেয়ারম্যান এস এম শামসুল আলম, ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম, পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি, এবং ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান।
ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আমিন খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ওয়ালটন প্লাজার পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তা অংশ নেন। তাঁদের ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় উৎসবমুখর হয়ে ওঠে ওয়ালটন করপোরেট প্রাঙ্গণ।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে ওয়ালটন হাই-টেকের চেয়ারম্যান এস এম শামসুল আলম বলেন, “ওয়ালটন প্লাজা ওয়ালটনের সবচেয়ে শক্তিশালী সেলস প্ল্যাটফর্ম এবং শক্তির বড় এক উৎস। তারা ওয়ালটন পণ্যের বিক্রয় ও মার্কেট শেয়ার বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।” তিনি বিক্রয় বৃদ্ধিতে প্লাজা ব্যবস্থাপকদের আরও নতুন নতুন উদ্ভাবনী কৌশল অবলম্বনের পরামর্শ দেন।
ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক টালমাটাল অবস্থার মধ্যে ওয়ালটনকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে দেশজুড়ে বিস্তৃত প্লাজাগুলো বিশেষ অবদান রাখছে।
এস এম মাহবুবুল আলম বিক্রয় ব্যবস্থাপক ও প্রতিনিধিদের সামনে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, “দেশের নাম্বার ওয়ান ও সর্ববৃহৎ সেলস নেটওয়ার্ক ওয়ালটন প্লাজা। এটি নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য এক বড় অর্জন। ওয়ালটন প্লাজার প্রতি ক্রেতাদের আস্থা, বিশ্বাস ও নির্ভরতা বজায় রাখাই আপনাদের মূল দায়িত্ব।” তিনি আগামী অর্থবছরে বিক্রয় ও মুনাফার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিপরীতে কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ দেওয়ার ঘোষণা দেন।
ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান বিক্রয় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনব্যাপী পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
রেমিট্যান্স সেবায় অনবদ্য অবদান রাখার জন্য ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-কে ‘গোল্ড অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করেছে সেন্টার ফর নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশিস (এনআরবি)।
গত ১২ এপ্রিল ২০২৬ রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর এনআরবি আয়োজিত ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের কাছ থেকে এই পুরস্কারের ক্রেস্ট গ্রহণ করেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ড. এম কামাল উদ্দিন জসিম এবং ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম।
সেন্টার ফর এনআরবি’র চেয়ারপারসন এম এস সেকিল চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নূরুল হক, এমপি।
এ সময় ফাউন্ডেশন ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ-এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আধুনিক, নিরাপদ ও দ্রুত ব্যাংকিং সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি, ঢাকায় পূবালী ব্যাংক পিএলসি'র ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আলী এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপক ডা. হাসিব রহমান ও অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানা, পূবালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক ও ঢাকা দক্ষিণ অঞ্চল প্রধান মো. রফিকুল ইসলামসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী বলেন, বর্তমান যুগে প্রযুক্তির্নিভর ব্যাংকিং সেবার বিকল্প নেই। গ্রাহকদের দোরগোড়ায় দ্রুত, নিরাপদ ও ঝামেলামুক্ত সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে পূবালী ব্যাংক পিএলসি ধারাবাহিকভাবে আধুনিক উদ্যোগ গ্রহণ করে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এই বুথ চালুর ফলে হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, রোগী ও তাঁদের স্বজনরা ২৪ ঘণ্টা সহজে নগদ টাকা উত্তোলন, জমা প্রদানসহ বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এতে যেমন সময় সাশ্রয় হবে, তেমনি আর্থিক লেনদেন হবে আরও নিরাপদ ও সহজ।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, “হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এ ধরনের ব্যাংকিং সুবিধা চালু হওয়ায় রোগী ও তাঁদের স্বজনদের জন্য আর্থিক লেনদেন অনেক সহজ ও সময়সাশ্রয়ী হবে, যা চিকিৎসা সেবাকে আরও সহায়ক করবে।” তিনি এই ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ চালুর ফলে সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য আধুনিক, নিরাপদ ও দ্রুত ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
এসবিএসি ব্যাংক পিএলসি-এর আমানত এক বছরের ব্যবধানে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধিতে ১১ হাজার কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এ উপলক্ষে সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে কেক কেটে এই সাফল্য উদযাপন করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. মোখলেছুর রহমান।
এ সময় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী এস. এম. মঈনুল কবীর, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রবিউল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলতাফ হোসেন ভূঁইয়াসহ ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান এবং শীর্ষ নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন।
গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এর ‘বিইউপি কালচারাল ফোরাম’-এর উদ্যোগে বর্ণিল আয়োজনে ‘বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩’ উদযাপন করা হয়েছে।
দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার লক্ষ্যে পহেলা বৈশাখের অতি প্রত্যুষে বিশ্ববিদ্যালয়ের মনপুরা মাঠ ও কনকোর্সে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন ধরনের মজাদার খাবার, প্রতিযোগিতা, খেলাধুলা ও বৈশাখী মেলাসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়।
বিইউপি-র উপাচার্য মেজর জেনারেল মোঃ মাহবুব-উল আলম, বিএসপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল, পিএইচডি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করেন। বিইউপি-র সকল স্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, কর্মচারী, তাঁদের পরিবারবর্গ এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর শরীয়াহ্ সুপারভাইজারী কমিটির ৯২তম সভা সম্প্রতি ব্যাংকের কর্পোরেট প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের শরীয়াহ্ সুপারভাইজারী কমিটির সম্মানিত চেয়ারম্যান মুফতী শামছুদ্দীন জিয়া।
সভায় ব্যাংকের বিনিয়োগ কার্যক্রমে শরীয়াহ্ পরিপালনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয় এবং উপস্থাপিত বিভিন্ন বিষয়ে শরীয়াহ্’র আলোকে দিকনির্দেশনা ও অনুমোদন প্রদান করা হয়।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে শরীয়াহ্ সুপারভাইজারী কমিটির সম্মানিত সদস্য মুফতী মিজানুর রহমান ও মুফতী আবদুল্লাহ মাসুম উপস্থিত ছিলেন। তাছাড়াও সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জনাব মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ এবং শরীয়াহ্ সেক্রেটারিয়েট-এর প্রধান জনাব মোঃ আবুল বাশার উপস্থিত ছিলেন।
পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াতের মাধ্যমে যথারীতি সভার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় এবং ব্যাংকের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার বাংলাদেশ সরকারের বহুল প্রতীক্ষিত ‘ফার্মার্স কার্ড’ উদ্বোধন করেছেন। সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্বখ্যাত ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ভিসা। এই কার্ডটি দেশের কৃষকদের মাঝে সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা বিতরণকে আরও কার্যকর ও স্বচ্ছ করার পাশাপাশি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে ও সোনালী ব্যাংক পিএলসি’র সহযোগিতায় ভিসা নেটওয়ার্ক-ভিত্তিক এই কার্ডে কৃষকের পরিচয় উল্লেখ থাকবে এবং তারা ডিজিটাল লেনদেন সুবিধা নিরাপদে উপভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি তারা সরকারি সহায়তাসহ অন্যান্য সেবা আরও দ্রুত ও সহজে লাভের সুযোগ পাবেন।
বাংলা নববর্ষের দিন চালু হওয়া এই উদ্যোগটি কৃষি খাতে আধুনিকায়ন, তথা জাতীয় উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গীকারকে তুলে ধরছে। মূলত কৃষক পরিচয়পত্র হিসেবে কার্ডটি ডিজাইন করা হলেও, ভিসার প্রযুক্তির মাধ্যমে এটি একটি নিরাপদ ও সহজ নগদহীন (ক্যাশলেস) লেনদেন ব্যবস্থাও নিশ্চিত করবে।
প্রাথমিক পরীক্ষামূলক পর্যায়ে প্রায় ২২,০৬৫ জন কৃষক এই উদ্যোগের আওতাধীন হয়েছে। তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা প্রেরণ করা হয়েছে, যা এই কার্ডের মাধ্যমে তারা ব্যবহার করতে পারবেন।
একই দিনে ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় মোট ২০,৬৭১ জন কৃষক, মৎস্যচাষি, খামারি ও লবণচাষীদের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রত্যেকে ২,৫০০ টাকা করে পেয়েছেন, যা তারা বীজ, সারসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ কিনতে ব্যবহার করতে পারবেন।
প্রাথমিকভাবে টাঙ্গাইল সদর, বগুড়া’র শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, বোদা, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেসারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুমিল্লা সদর, রাজবাড়ী’র গোয়ালন্দ এবং কক্সবাজারের টেকনাফ – এই ১১ উপজেলায় ফার্মার্স কার্ড বিতরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা মোট ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন, যার মধ্যে রয়েছে; ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, স্বল্প খরচে কৃষিযন্ত্র ব্যবহার, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, মোবাইলের মাধ্যমে আবহাওয়া ও বাজার তথ্য, কৃষি প্রশিক্ষণ, রোগ ও পোকামাকড় দমনের পরামর্শ, কৃষি বীমা সুবিধা এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগ।
এ প্রসঙ্গে ভিসা’র বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ বলেন, “এটি আধুনিক বাংলাদেশের জন্য একটি গৌরবময় মুহূর্ত। ফার্মার্স কার্ড উদ্যোগটি কৃষকের পরিচিতি, সেবা ও ডিজিটাল লেনদেনকে একত্রিত করেছে, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও উন্নত করবে। এটি আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষকদের ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পথও সহজ করবে। এমন একটি জাতীয় উদ্যোগে সরকার ও সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমরা আনন্দিত।”
সোনালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: শওকত আলী খান বলেন, “ফার্মার্স কার্ড উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা কৃষকদের কাছে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর করেছি। সরকারি উদ্যোগের সঙ্গে ব্যাংকিং সেবা সরাসরি যুক্ত হওয়ায় কৃষকরা উপকৃত হচ্ছেন। দেশের উন্নয়ন ও আর্থিক সেবার বিস্তারে আমাদের এই অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশাবাদী।”
এমন একটি যুগান্তকারী ও গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় উদ্যোগের আন্তর্জাতিক পেমেন্ট নেটওয়ার্ক হিসেবে নিরাপদ ডিজিটাল লেনদেনে ভিসা তাদের বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগাচ্ছে, যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবকাঠামোগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। ফার্মার্স কার্ড উদ্যোগটি সরকারি সেবায় পরিচয় ও পেমেন্ট ব্যবস্থার একটি সফল মডেল, যা ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশও অনুসরণ করতে পারে।
শীর্ষস্থানীয় বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো এর জনপ্রিয় ডিভাইস অপো এ৬–এর নতুন ৮ জিবি + ২৫৬ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্ট উন্মোচনের ঘোষণা দিয়েছে। এই ঘোষণা বাংলাদেশজুড়ে ব্যবহারকারীদের জন্য সাশ্রয়ী ও সর্বাধুনিক পারফরম্যান্স-নির্ভর আপগ্রেড নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অপোর প্রতিশ্রুতিকে আরও জোরদার করেছে।
অপো এ৬ ডিভাইসের মূলে রয়েছে এর শক্তিশালী ৭০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি; এর সাথে ৪৫ ওয়াট সুপারভুক ফাস্ট চার্জিং যুক্ত হয়ে ব্যবহারকারীর জন্য দীর্ঘসময় ধরে নির্ভরযোগ্য পাওয়ার নিশ্চিত করে। ডিভাইসটির স্থায়িত্ব আরও জোরদার করতে এতে ব্যবহার করা হয়েছে আইপি৬৯ ওয়াটার অ্যান্ড ডাস্ট রেজিজট্যান্স; যা পানি, ধুলা এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করে। হঠাৎ বৃষ্টি, অনিচ্ছাকৃত পানির ছিটা বা বাইরের পরিবেশ, সব ক্ষেত্রেই অপো এ৬ নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে সক্ষম।
ভারী ব্যবহারের সময় স্মার্টফোনকে স্মুথ রাখতে এতে যুক্ত করা হয়েছে সুপারকুল ভিসি সিস্টেম, যা গেমিং, স্ট্রিমিং এবং মাল্টিটাস্কিং চলাকালে কার্যকরভাবে তাপ নিয়ন্ত্রণ করে। এই উন্নত কুলিং প্রযুক্তি বিভিন্ন চ্যালেঞ্জিং অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সময়ও স্থিতিশীল পারফরম্যান্স ও টেকসই রেসপনসিভনেস বজায় রাখে। প্রতিদিনের ব্যবহারকে আরও সহজ করতে এতে রয়েছে রিভার্স ওয়্যার্ড চার্জিং ফিচার, যা অপো এ৬–কে একটি নির্ভরযোগ্য ব্যাকআপ পাওয়ার সোর্সে পরিণত করে। ফলে, ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনে অন্যান্য স্মার্টফোন বা ওয়্যারলেস ইয়ারবাড চার্জ করতে পারেন, যা দৈনন্দিন ব্যবহারে বাড়তি সুবিধা যোগ করে।
বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে অপো এ৬ কেনার সাথেসাথেই ক্রেতারা ৯০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারেন্টি ও ২ বছরের ওয়ারেন্টি পাবেন; যা ব্যবহারকারীদের জন্য আরও বেশি নিশ্চয়তা ও দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি, ক্রেতারা ও’লাইক এয়ারবাডস, এলিট ব্যাকপ্যাক, অপো টি-শার্ট ও অপো ক্যাপের মতো আকর্ষণীয় পুরস্কারও জিতে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এছাড়াও, টপপের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২০% ডাউন পেমেন্টে কার্ডলেস ইএমআই সুবিধা উপভোগ করার সুযোগ পাবেন।
অপো এ৬-এর ৮ জিবি + ২৫৬ জিবির নতুন ভ্যারিয়েন্টটি এখন সারাদেশে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২৯,৯৯৯ টাকায়। যা ব্যবহারকারীদের জন্য উন্নত স্টোরেজের পাশাপাশি, ডিভাইসটির সক্ষমতা, স্থায়িত্ব ও মসৃণ পারফরম্যান্সের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।
দেশের স্থাপত্য শিক্ষার উন্নয়নে দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরতে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের যৌথ উদ্যোগে গত ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ‘আর্ককেইউ–বার্জার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই বছরের আয়োজনটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এতে একসাথে পাঁচটি একাডেমিক সেশন (২০১৯–২০২৪)-এর শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। এই সম্মিলিত উদযাপন শুধুমাত্র একটি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান নয়—এটি দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে গড়ে ওঠা একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির একটি সফল অংশীদারিত্বের প্রতিফলন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ আশরাফুল আলম এবং বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড-এর চিফ অপারেটিং অফিসার ও ডিরেক্টর মো. মহসিন হাবিব চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের প্রধান ড. রুমানা আসাদ, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড-এর চিফ বিজনেস অফিসার এ কে এম সাদেক নেওয়াজ, চিফ মার্কেটিং অফিসার সালাহউদ্দিন আহমেদ, জেনারেল সেলস ম্যানেজার (করপোরেট সেলস অ্যান্ড সার্ভিস) শাব্বির আহমেদসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ আশরাফুল আলম বলেন, “বার্জার পেইন্টস-এর সাথে আমাদের এই অংশীদারিত্ব শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এই ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের জ্ঞানকে বাস্তব অভিজ্ঞতার সাথে যুক্ত করে এবং তাদেরকে পেশাগত জীবনের জন্য আরও প্রস্তুত করে তোলে।”
বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড-এর চিফ অপারেটিং অফিসার ও ডিরেক্টর মো. মহসিন হাবিব চৌধুরী বলেন, “আর্ককেইউ–বার্জার অ্যাওয়ার্ড আমাদের জন্য শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠান নয়—এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ গড়ার যৌথ যাত্রার প্রতিফলন। একাডেমিক এবং ইন্ডাস্ট্রির এই সমন্বয়ই ভবিষ্যতের দক্ষ ও বাস্তবমুখী স্থপতি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে শুরু হওয়া ‘আর্ককেইউ-বার্জার অ্যাওয়ার্ড’ প্রোগ্রামের মাধ্যমে বার্জার পেইন্টস ধারাবাহিকভাবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি প্রদান করে আসছে। এই দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগের আওতায় এখন পর্যন্ত ৭৭ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। এই প্রোগ্রামটি শুধুমাত্র একাডেমিক এক্সেলেন্স পুরস্কারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বেস্ট থিসিস অ্যাওয়ার্ড, নলেজ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম এবং এক্সপেরিয়েন্সিয়াল লার্নিং উদ্যোগের মাধ্যমে বাস্তবমুখী শিক্ষা ও পেশাগত প্রস্তুতির সুযোগ তৈরি করে যাচ্ছে।
এই আয়োজনের মাধ্যমে বার্জার পেইন্টস আবারও প্রমাণ করলো যে তারা বাংলাদেশের স্থাপত্য ও নির্মাণ খাতের উন্নয়নে একজন বিশ্বস্ত অংশীদার।
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপন করেছে এনআরবিসি ব্যাংক। এ উপলক্ষে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়সহ দেশব্যাপী সকল শাখা ও উপশাখায় আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য ও উৎসবমুখর কর্মসূচি।
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে আয়োজিত এই উৎসবে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, এফসিএমএ; ডিএমডি ও সিওও মোহাম্মদ আব্দুল কাইউম খান; ঋণ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান ও এসইভিপি তনুশ্রী মিত্র; প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা (সিএইচআরও) ও এসইভিপি ফয়সল আহমেদ; মানবসম্পদ প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন সেন্টারের (এইচআরটিডিসি) প্রধান ও এসইভিপি মিসেস ফাহমিদা চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
‘উৎসবের আল্পনা ছুঁয়ে যাক/ আগামীর সব সম্ভাবনার দুয়ার’ শীর্ষক স্লোগানে আয়োজিত এই উৎসবে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সম্মানিত গ্রাহকদের অংশগ্রহণে ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জা, বিভিন্ন ধরনের পিঠাসহ ঐতিহ্যবাহী খাবার এবং বৈশাখী পরিবেশনার আয়োজন করা হয়।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, এফসিএমএ বলেন, “বাংলা নববর্ষ আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক। বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে সবার মাঝে আনন্দ ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ উৎসবের মাধ্যমে ব্যাংক পরিবার ও গ্রাহকদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়। এই আন্তরিকতার সম্পর্ক নিরাপদ ব্যাংকিং কাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে।”
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে পাবনায় জমকালো আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে ‘রুচি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩’। এক বছর বিরতির পর এ বছর আবারও স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড-এর উদ্যোগে সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে দিনব্যাপী এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
উৎসবটি ছিল দুটি পর্বে বিভক্ত। সকাল ৮টায় শহরের স্বাধীনতা চত্বর ফটক থেকে শুরু হয় বর্ণিল বৈশাখী শোভাযাত্রা। দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের রঙে রাঙানো এই শোভাযাত্রায় পাবনার সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নববর্ষের শুভেচ্ছা ছড়িয়ে দেয় সর্বস্তরের মানুষের মাঝে।
পরবর্তীতে সকাল সাড়ে ৮টায় সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে শুরু হয় উৎসবের দ্বিতীয় পর্ব। মূল আয়োজনের শুরুতেই মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশন করেন নৃত্যশিল্পী মন্দিরা চক্রবর্তী ও সোহান ডান্স ট্রুপ। এরপর একে একে সঙ্গীত পরিবেশন করেন ‘ম্যাজিক বাউলিয়ানা ২০২৫’-এর সেরা তিন শিল্পী এনামুল হক মধু, মেহজাবিন মোবাহেরা ও সোহাগ নূরী। উৎসবের উচ্ছ্বাস আরও বাড়িয়ে তোলে জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ঐশী, ইমরান মাহমুদুল এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পী নগর বাউল জেমসের পরিবেশনা।
অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করে মাছরাঙা টেলিভিশন। আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব অঞ্জন চৌধুরী। এছাড়াও স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ও স্কয়ার গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, পাবনার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক দর্শক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে উৎসবটি উপভোগ করেন।
পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইন্দ্রাণী নিশি, আলিফ চৌধুরী ও নুসরাত জেরিন। অনুষ্ঠানের সম্প্রচার সহযোগী হিসেবে ছিল মাছরাঙা টেলিভিশন ও রেডিও দিন-রাত, স্থানীয় সম্প্রচার সহযোগী ছিল ভিশন টেকনোলজিস লিমিটেড এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল মিডিয়াকম লিমিটেড।
স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘রুচি’ সবসময় বাঙালির উৎসব ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজন করে আসছে। উল্লেখ্য, ‘রুচি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩’ সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল, যা দিনব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়।
সম্প্রতি সীমান্ত ব্যাংক-এর বিজনেস সামিট-২০২৬ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ নূরুল আজীমের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের সম্মানিত চেয়ারম্যান ও বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, ওএসপি, বিএসপি, এসইউপি, বিজিবিএম, এনডিসি, পিএসসি, এমফিল।
এছাড়াও ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, হেড অব বিজনেস মোঃ শহীদুল ইসলাম, হেড অব অপারেশনস মোহাম্মদ আজিজুল হকসহ সকল ডিভিশনের প্রধানগণ এবং ব্যাংকের সকল শাখা ও উপশাখার ব্যবস্থাপকবৃন্দ উক্ত বিজনেস সামিট-২০২৬ এ অংশগ্রহণ করেন।
বিজনেস সামিট-২০২৬ এ বিগত বছরের ব্যবসায়িক অর্জনসমূহ এবং আগামী দিনের ব্যবসায়িক লক্ষ্য ও কৌশল নিয়ে দিনব্যাপী আলোচনা করা হয়।
এনআরবি ব্যাংক পিএলসি-এর স্বতন্ত্র পরিচালক মিসেস ফেরদৌস আরা বেগম 'বাংলাদেশ সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম'-এর ২০২৬-২৭ মেয়াদের নির্বাহী পরিষদ নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
তিনি বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব, বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাবেক মহাপরিচালক এবং জাতিসংঘ সিডো কমিটির সাবেক সদস্য ছিলেন। এ ছাড়াও তিনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট জেন্ডার, নারী অধিকার ও নারীর ক্ষমতায়ন বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করছেন ।