সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে সাড়ে ৫৩ লাখ ডলার বিনিয়োগ করবে চীনা প্রতিষ্ঠান

চীনা প্রতিষ্ঠান ডিসি ইন্ডাস্ট্রি (বাংলাদেশ) কোম্পানি লিমিটেড চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৫৩ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার বিনিয়োগে একটি ব্যাগ এবং ওয়ালেট তৈরির কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে। বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমানের উপস্থিতিতে গতকাল বুধবার ঢাকার বেপজা কমপ্লেক্সে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করল বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)। ছবি: সংগৃহীত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৯ আগস্ট, ২০২৪ ১৭:৪১

চীনা প্রতিষ্ঠান ডিসি ইন্ডাস্ট্রি (বাংলাদেশ) কোম্পানি লিমিটেড চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৫৩ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার বিনিয়োগে একটি ব্যাগ এবং ওয়ালেট তৈরির কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে। বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমানের উপস্থিতিতে গতকাল বুধবার ঢাকার বেপজা কমপ্লেক্সে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করল বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)।

বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. আশরাফুল কবীর এবং ডিসি ইন্ডাস্ট্রি (বাংলাদেশ) কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হেন চ্যাংগুয়াং নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বিদেশি মালিকানাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি বাৎসরিক ২৫ লাখ পিস হ্যান্ডব্যাগ, ১৫ লাখ পিস ব্যাকপ্যাক এবং ১০ লাখ পিস ওয়ালেট উৎপাদন করবে। কোম্পানিটিতে ২৯৯০ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, বেপজা সর্বদা বৈচিত্র্যময় পণ্য উৎপাদনের বিনিয়োগকে উৎসাহিত করে। তিনি বৈচিত্র্যময় পণ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলকে বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে নির্বাচনের জন্য ডিসি ইন্ডাস্ট্রি (বাংলাদেশ) কোম্পানি লিমিটেডকে ধন্যবাদ জানান। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সদস্য (অর্থ) আ ন ম ফয়জুল হক, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) আ স ম জামশেদ খোন্দকার, নির্বাহী পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মো. খুরশীদ আলম এবং নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ এস এম আনোয়ার পারভেজসহ প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ডিসি ইন্ডাস্ট্রি (বাংলাদেশ) সহ মোট ৩১টি প্রতিষ্ঠান বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের লক্ষ্যে চুক্তি স্বাক্ষর করল, যাদের প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ মোট ৭১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিজ্ঞপ্তি


নির্বাচিত

রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসায় অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করল ব্যাংক এশিয়া

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

২০২৬ সালের প্রথমার্ধে রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অসাধারণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করল ব্যাংক এশিয়া পিএলসি। গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কারওয়ান বাজারস্থ ব্যাংক এশিয়া টাওয়ারে এ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহেল আর কে হোসেন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনএম মাহফুজ, নূরুল্লাহ চৌধুরী ও মো. সাব্বির হোসেনসহ ব্যবস্থাপনা পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিষদ পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মীদের নিষ্ঠা, দায়িত্বশীলতা ও অসাধারণ সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতেও এ সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে ব্যাংকের রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসার প্রবৃদ্ধিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে উৎসাহিত করেন।


নির্বাচিত

ইস্পাহানি মির্জাপুর চায়ের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর মৌসুমী মৌ

ইস্পাহানি মির্জাপুর চা-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল মৌসুমী মৌ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল মৌসুমী মৌ দুই বছরের জন্য ইস্পাহানি মির্জাপুর চা-এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। ইস্পাহানি টি লিমিটেডের সঙ্গে এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে তিনি মির্জাপুর চা-এর বিভিন্ন ব্র্যান্ড ক্যাম্পেইন ও প্রচারণায় অংশ নেবেন।

এ ছাড়া বাংলা ভাষা নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রিয়্যেলিটি শো ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদের সপ্তম বর্ষে উপস্থাপিকা হিসেবে দেখা যাবে মৌসুমী মৌকে। বাংলা ভাষা, ব্যাকরণ, সাহিত্য ও সংস্কৃতিভিত্তিক এই আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাংলা ভাষার চর্চা ও জ্ঞানকে আরও উৎসাহিত করার প্রয়াস চালিয়ে আসছে ইস্পাহানি মির্জাপুর।

দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী চা ব্র্যান্ড ইস্পাহানি মির্জাপুর চা দীর্ঘদিন ধরে গুণগত মান ও ভোক্তাদের আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত। মৌসুমী মৌর জনপ্রিয়তা ও উপস্থিতি ব্র্যান্ডটির যোগাযোগ কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করছে ইস্পাহানি টি লিমিটেড।

মৌসুমী মৌ বলেন, ‘ইস্পাহানি মির্জাপুর চায়ের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত। আগামী দুই বছর ব্র্যান্ডটির সঙ্গে কিছু দারুণ কাজ হবে

বলে আশা করছি। বিশেষ করে বাংলাবিদের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি গর্বিত।’


নির্বাচিত

২০২৬ সালের প্রথমার্ধে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে শীর্ষে স্যামসাং

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি–জুন) বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোন সরবরাহের হিসেবে শীর্ষে রয়েছে স্যামসাং। এ সময়ে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানটির দখল ছিল ২১ দশমিক ৮ শতাংশ। সম্প্রতি প্রকাশিত কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী এ চিত্র উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০ দশমিক ৯ শতাংশ বাজার হিস্যা নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে অ্যাপল। এরপর রয়েছে শাওমি (১১ দশমিক ৪ শতাংশ), অপো (১০ দশমিক ৩ শতাংশ) এবং ভিভো (৭ দশমিক ৬ শতাংশ)।

কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের তথ্য বলছে, ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল–জুন) বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোন সরবরাহ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ শতাংশ কমেছে। যন্ত্রাংশের দাম বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির বিভিন্ন চাপের কারণে এ সময়ে স্মার্টফোনের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

এমন পরিস্থিতির মধ্যেও স্যামসাংয়ের স্মার্টফোন সরবরাহ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ শতাংশ বেড়েছে। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের মতে, অনুকূল মূল্য নির্ধারণ এবং বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান স্যামসাংয়ের এই প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।

২০২৬ সালের প্রথমার্ধের এই প্রবৃদ্ধির মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে স্যামসাংয়ের অবস্থান আরও দৃঢ় হয়েছে। উদ্ভাবনী মোবাইল প্রযুক্তি, বিভিন্ন ডিভাইসের সমন্বিত ইকোসিস্টেম এবং উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন স্মার্টফোনের প্রতি গ্রাহকদের আগ্রহ প্রতিষ্ঠানটির বাজার সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজারে স্যামসাংয়ের স্মার্টফোনের ব্যবহার ও গ্রাহক আনুগত্যও অব্যাহত রয়েছে। বছরের দ্বিতীয়ার্ধে গ্রাহকদের প্রয়োজন ও প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন প্রযুক্তি ও পণ্য নিয়ে আসার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।


নির্বাচিত

সাউথইস্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৭৯৯তম সভায় বিচারপতি মোঃ আজিজুল হক ও নুরজাহান বেগম, এনডিসি স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে যোগদান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদের ৭৯৯তম সভা ব্যাংকের দিলকুশাস্থ প্রধান কার্যালয়ের বোর্ডরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাকালীন ও বর্তমান চেয়ারম্যান জনাব এম. এ. কাশেম।

সভায় ব্যাংকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় বিচারপতি মোঃ আজিজুল হক এবং মিসেস নুরজাহান বেগম, এনডিসি স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদে যোগদান করেন।

বিচারপতি আজিজুল হক ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগদান করেন। তিনি ২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আইন বিষয়ে তাঁর একাধিক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে তিনি আরবিট্রেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মিস নুরজাহান বেগম, এনডিসি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন সাবেক অতিরিক্ত সচিব। জনপ্রশাসন, কর প্রশাসন, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও সুশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর প্রায় চার দশকের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (BPSC) সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের (NDC)-এর সিনিয়র ডিরেক্টিং স্টাফ (সিভিল) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদে তাঁদের যোগদানের মাধ্যমে ব্যাংকের সুশাসন, অভিজ্ঞতা ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা আরও সমৃদ্ধ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের ৪১৩তম সভা অনুষ্ঠিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর পরিচালক পর্ষদের ৪১৩তম সভা ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং তারিখে ব্যাংকের কর্পোরেট প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ ইউনুছ সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় বেশ কিছু সংখ্যক বিনিয়োগ প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের ভাইস-চেয়ারম্যান জনাব ফকির আখতারুজ্জামান, পরিচালকবৃন্দ জনাব মো: সানাউল্লাহ সাহিদ, জনাব আব্দুল বারেক, জনাব আক্কাচ উদ্দিন মোল্লা, জনাব খন্দকার শাকিব আহমেদ, জনাব এ. কে. আজাদ, জনাব মো: মশিউর রহমান চমক, জনাব ফকির মাসরিকুজ্জামান, জনাব ফকির মনিরুজ্জামান, স্বতন্ত্র পরিচালক জনাব মো: রিয়াজুল করিম এবং জনাব মোয়াম্মেল এ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ এবং কোম্পানি সচিব জনাব মো: আবুল বাশার উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

রপ্তানি বহুমুখীকরণ খাতে গতি আনতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩,০০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের যোগদান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে আরও বহুমুখী ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩,০০০ কোটি টাকার ‘রপ্তানি বহুমুখীকরণ খাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’-এ অংশগ্রহণের জন্য মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) গত সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬ বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে একটি অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে এমটিবি সম্ভাবনাময় রপ্তানিমুখী খাতসমূহকে সহজ শর্তে অর্থায়ন সুবিধা প্রদান করবে, যা দেশের রপ্তানি খাত সম্প্রসারণ এবং নতুন নতুন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের মাধ্যমে সামগ্রিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি)-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার চৌধুরী আখতার আসিফ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স বিভাগের পরিচালক এ. কে. এম. নূরুন্নবী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

বাংলাদেশের রপ্তানি অর্থনীতি ঐতিহাসিকভাবে সীমিতসংখ্যক পণ্য ও বাজারের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। ফলে পণ্য ও বাজারের অতিরিক্ত কেন্দ্রীভবনের কারণে রপ্তানি খাতে বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের রপ্তানি পণ্যের পরিধি বাড়াতে সম্ভাবনাময় রপ্তানিমুখী খাতগুলোতে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করার উদ্দেশ্যেই এই পুনঃঅর্থায়ন স্কিম চালু করা হয়েছে। পাট ও চামড়াজাত পণ্য-এর মতো খাত, যেগুলো দেশের অভ্যন্তর থেকেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কাঁচামাল সংগ্রহ করতে পারে, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা রাখে। তবে পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাব দীর্ঘদিন ধরে এসব খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা হিসেবে রয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে যোগ্য শিল্প ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে তুলনামূলক সাশ্রয়ী অর্থায়নের সুযোগ দেওয়া হবে। এর ফলে তারা উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে, নতুন রপ্তানিযোগ্য পণ্য তৈরি করতে, নতুন আন্তর্জাতিক বাজার অনুসন্ধান করতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবে। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশের বাণিজ্য ব্যবস্থাকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ, বৈচিত্র্যময় ও স্থিতিশীল করতে সহায়তা করবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এমটিবি-এর পক্ষ থেকে ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের প্রধান তাহমিনা জামান খান ও ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের ইউনিট হেড এ.টি.এম. নেসারুল হক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ আবু আলম মহসিন ও যুগ্ম পরিচালক সজীব কুমার দাস উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সময়োপযোগী উদ্যোগে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এমটিবি সম্ভাবনাময় রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সহজ অর্থায়ন নিশ্চিত করতে এবং নতুন পণ্য, উদীয়মান শিল্প ও আন্তর্জাতিক বাজারের বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালনে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।


নির্বাচিত

মাইক্রো আরজিবি প্রযুক্তি নিয়ে দেশে স্যামস্যাং-এর নতুন এইচ-সিরিজ টিভি লাইনআপ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের বাজারে নতুন এইচ-সিরিজ টিভি লাইনআপ নিয়ে এসেছে স্যামসাং বাংলাদেশ। মাইক্রো আরজিবি, ওএলইডি এবং মিনি এলইডি ডিসপ্লের পাশাপাশি এই সিরিজের কয়েকটি মডেলে রয়েছে সর্বাধুনিক এআই প্রযুক্তি।

গত দুই দশকে ধরে নিত্যনতুন টেলিভিশন প্রযুক্তি বাজারে নিয়ে আসার মাধ্যমে এ খাতে অনন্য মাত্রা যোগ করেছে স্যামস্যাং। উদ্ভাবনের এ ধারাবাহিকতায় তাদের নতুন সংযোজন অত্যাধুনিক এই এইচ-সিরিজ টিভি। এর ফলে বিশ্বের প্রথম আরজিবি প্রযুক্তি সমৃদ্ধ টেলিভিশন এখন বাংলাদেশের ক্রেতাদের হাতের নাগালে।

দর্শকদের ভিন্ন ভিন্ন পছন্দের কথা মাথায় রেখে স্যামসাংয়ের নতুন এইচ-সিরিজে রাখা হয়েছে বিভিন্ন ক্যাটাগরির টিভি এবং ডিসপ্লে প্রযুক্তি।

এইচ-সিরিজ লাইনআপের শীর্ষে রয়েছে প্রিমিয়াম মাইক্রো আরজিবি রেঞ্জ ‘আর৯৫এইচ’ (R95H)। এর পাশাপাশি রয়েছে ওএলইডি সিরিজ ‘এস৯৫এইচ’ ও ‘এস৮৫এইচ’ (S95H ও S85H)। এই টিভিগুলোর নিখুঁত কনট্রাস্ট ও আল্ট্রা-ফাস্ট রিফ্রেশ রেট সিনেমা দেখা ও গেমিংয়ে প্রতিটি দৃশ্যকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

বাসার ভেতরে স্টেডিয়ামের আবহ তৈরি করতে স্যামসাং আরও এনেছে মিনি এলইডি (M70H) মডেল ‘এম৭০এইচ’। এর অসাধারণ ডাইনামিক সাউন্ড প্যাক খেলা দেখার প্রতিটি মুহূর্তকে করে তোলে আরও বেশি রোমাঞ্চকর। অন্যদিকে, প্রতিদিনের টিভি দেখার অভিজ্ঞতায় ক্রিস্টাল ইউএইচডি ‘ইউ৮৫০০এইচ’ এবং ‘ইউ৯০০০এইচ’ এবং এফএইচডি/এইচডি ‘এফ৬০০০এফ’ ‘এফ৫০০০এফ’ সিরিজ নিশ্চিত করে চমৎকার রেজল্যুশন।

নতুন এইচ-সিরিজের মূল আকর্ষণ স্যামসাংয়ের মাইক্রো আরজিবি প্রযুক্তি। উন্নত এআই ইঞ্জিন এবং তুষারকণার চেয়েও ক্ষুদ্র লাল, সবুজ ও নীল লাইট চিপের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে এই প্রযুক্তি। ফলে স্ক্রিনে ফুটে ওঠে আরও উজ্জ্বল দৃশ্য, নিখুঁত কনট্রাস্ট ও প্রাণবন্ত রঙ; যা দর্শককে দেয় সিনেমা হলের মত উজ্জ্বল ও বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতা।

পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সৌন্দর্যের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে স্যামসাংয়ের নতুন এই টিভিগুলো। শিল্পকর্মের অনুপ্রেরণায় তৈরি এর সাবলীল ডিজাইন আধুনিক টিভির প্রচলিত ধারণাকে বদলে দেবে। লিভিং রুমের সৌন্দর্য বাড়িয়ে ঘরকে করে তুলবে আরও আকর্ষণীয়। এই টিভিগুলোর প্রযুক্তিগত আপগ্রেড টিভি দেখার অভিজ্ঞতাকে করবে আরও সহজ ও জীবন্ত।

এর গ্লেয়ার-ফ্রি স্ক্রিন কোটিং-এর কারণে স্ক্রিনে ঘরের বা বাইরের আলো প্রতিফলিত হয় না। ফলে দিনের যেকোনো সময়ে ঝকঝকে ছবি দেখা যায়।

গেমারদের জন্য এতে যুক্ত করা হয়েছে ১৬৫ হার্জ রিফ্রেশ রেট। আর এনভিডিয়া জি-সিঙ্ক ও এএমডি ফ্রিসিঙ্ক সাপোর্ট স্ক্রিন টিয়ারিংয়ের ঝামেলা পুরোপুরি দূর করে নিশ্চিত করে সুপার-স্মুথ অ্যাকশন। নির্ধারিত কিছু মডেলে রয়েছে মিনি এলইডি ব্যাকলাইট যা কম শক্তি খরচে দেয় বেশ উজ্জ্বল ছবি। এছাড়া, এআই ফুটবল মোড রিয়েল-টাইম এআই বিশ্লেষণের মাধ্যমে ছবির মান স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঠিক করে নেয় এবং স্টেডিয়ামের শব্দকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত।

নতুন এই টিভি লাইনআপের উন্মোচন উপলক্ষে স্যামসাং বাংলাদেশের কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস ডিভিশনের ডিরেক্টর এবং হেড অব বিজনেস শাহরিয়ার বিন লুৎফর বলেন, “ব্যবহারকারীদের বাস্তব জীবনের প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখেই আমরা ধারাবাহিকভাবে নতুন উদ্ভাবন নিয়ে আসছি। যার সুবাদে গত বিশ বছর ধরে বিশ্বজুড়ে টিভি বাজারে আমরা আমাদের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছি। বাংলাদেশে নতুন এইচ-সিরিজের মাধ্যমে আমরা উচ্চমানের টিভি প্রযুক্তিকে করে তুলছি সবার জন্য আরও সহজলভ্য ও উপভোগ্য। এই টিভিগুলো আপনার প্রতিদিনের হোম এন্টারটেইনমেন্টের অভিজ্ঞতাকে নিয়ে যাবে নতুন এক উচ্চতায়।”

নতুন স্যামসাং এইচ-সিরিজ টিভি এখন সারাদেশের অনুমোদিত স্যামসাং আউটলেট ও পার্টনার রিটেইল স্টোরগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে।


নির্বাচিত

প্রিমিটেক ওয়াটার পাম্পের সাথে চুক্তিবদ্ধ হলেন অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের শীর্ষস্থানীয় ওয়াটার পাম্প ব্র্যান্ড ‘প্রিমিটেক’- এর বিজ্ঞাপনের মডেল হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে প্রিমিটেক গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে জমকালো এক আয়োজনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি স্বাক্ষর শেষে ইরফান সাজ্জাদ বলেন, “প্রিমিটেক ওয়াটার পাম্পের আধুনিক প্রযুক্তি, দীর্ঘস্থায়িত্ব এবং গুণগত মান আমাকে দারুণভাবে মুগ্ধ করেছে। আমার বিশ্বাস, দেশের প্রতিটি ঘরে নিশ্চিন্তে অফুরান পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রিমিটেক ওয়াটার পাম্প অনন্য ভূমিকা রাখবে। এমন একটি নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনের সাথে যুক্ত হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।”

অনুষ্ঠানে প্রিমিটেক গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. ওমর ফারুক বলেন, “পণ্যের সেরা কোয়ালিটি নিশ্চিত করার পর আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল এই আস্থার বার্তাটি মানুষের কাছে সুন্দরভাবে পৌঁছে দেওয়া। আর সেই কাজের জন্য আজ আমাদের সাথে যুক্ত হলেন জনপ্রিয় অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ।”

প্রিমিটেক গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এম এ কাইয়ুম বলেন, “ইরফান সাজ্জাদের মতো জনপ্রিয় অভিনেতাকে প্রিমিটেক ওয়াটার পাম্পের সাথে যুক্ত করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। প্রিমিটেক সবসময়ই গ্রাহকদের কাছে সেরা প্রযুক্তি ও সর্বোচ্চ নির্ভরতা পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

উল্লেখ্য, অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি প্রিমিটেক ওয়াটার পাম্প কম বিদ্যুৎ খরচে দীর্ঘস্থায়ী পারফরম্যান্সের জন্য সুপরিচিত। বাসা-বাড়ি থেকে শুরু করে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ব্যবহারের জন্য আন্তর্জাতিক মানের নির্ভরযোগ্য সব পাম্প বাজারে এনেছে প্রিমিটেক, যা দেশের প্রতিটি প্রান্তে নিশ্চিত করছে নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রিমিটেক গ্রুপের ডিরেক্টর দেলোয়ার হোসেন মজুমদার মাশুক, চিফ অপারেটিং অফিসার মোঃ নাজিবুজ্জামান, হেড অব মার্কেটিং সানজিদ ইব্রাহিম সহ বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।


নির্বাচিত

দেশের চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত: স্কয়ার হসপিটালে রোবোটিক সার্জারির যাত্রা শুরু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই স্কয়ার হসপিটাল দেশের মানুষের জন্য বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এরই ধারাবাহিকতায়, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারে স্কয়ার হসপিটাল অত্যাধুনিক রোবটিক সার্জারি সেবা প্রদান শুরু করেছে। এই উন্নত ও যুগোপযোগী চিকিৎসার সুবাদে দেশের রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আর বিদেশ যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। রোবোটিক সার্জারির মাধ্যমে অত্যন্ত সাশ্রয়ী ব্যয়ে নিখুঁত ও ঝুঁকিমুক্ত অস্ত্রোপচার সম্ভব। এটি রোগীর রক্তপাত ও জটিলতা যেমন কমায়, তেমনি হাসপাতালে অবস্থানের সময়কাল সংক্ষিপ্ত করে দ্রুত কর্মক্ষেত্রে ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে সাহায্য করে।

স্কয়ার হসপিটাল বিশ্বাস করে, এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন বাংলাদেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা খাতকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং রোগীদের জন্য আরও নিরাপদ ও আরামদায়ক চিকিৎসার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।

বাংলাদেশে একমাত্র স্কয়ার হসপিটালের রোবটে দুটি কনসোল রয়েছে যার মাধ্যমে নতুন রোবোটিক সার্জন প্রশিক্ষণ নিতে পারবে । স্কয়ার হসপিটাল রোবটের বাণিজ্যিক ব্যবহারের বাইরে দেশের কর্মরত চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের জন্য এই উদ্যোগ গ্রহন করেছে ।শুধু তাই নয় এই রোবটে রয়েছে রিমোট সার্জারি সুবিধা- দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের রোগীর অপারেশন এখন সহজেই সম্ভব।

রোগ নির্ণয় এর জন্য আমাদের রয়েছে মোনালিসা নামক আরও একটি বিশেষ রোবট যার মাধ্যমে অত্যন্ত নিখুঁত ভাবে প্রস্টেট এর ক্যান্সার সনাক্ত করা যায় । আমরা ইতেমধ্যে এই পদ্ধতিতে অনেক রোগীর ক্যান্সার সনাক্ত করে সঠিক চিকিৎসা প্রদান করেছি ।

স্কয়ার হসপিটাল সম্পূর্ণ সফলতার সাথে বিশ্বমানের রোবটিক সার্জারি প্রযুক্তির মাধ্যমে জটিল অপারেশন সম্পন্ন করে চিকিৎসা বিজ্ঞানের এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে।


নির্বাচিত

ডিজিটাল উদ্ভাবনে ’প্রজেক্ট অব দ্য ইয়ার’ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করল ইউসিবি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)। ব্যাংকটির ‘এগ্রি রুরাল ফাস্ট লোন’ (এআরএফএল) উদ্যোগটি ‘বাংলাদেশ প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’ এ ইনফরমেশন টেকনোলজি (মিডিয়াম ক্যাটাগরি) বিভাগে ‘চ্যাম্পিয়ন প্রজেক্ট অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার অর্জন করেছে।

সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট (পিএমআই), বাংলাদেশ চ্যাপ্টার এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। ইউসিবির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ অপারেটিং অফিসার মো. আবদুল্লাহ আল মামুনসহ ব্যাংকের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষি ঋণ বিতরণকে আরও দ্রুত, সহজ ও সবার জন্য সহজলভ্য করার লক্ষ্যে এআরএফএল উদ্যোগটি গ্রহণ করেছে ইউসিবি। এ উদ্যোগের মাধ্যমে যোগ্য কৃষকদের এক দিনের মধ্যেই কৃষি ঋণ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এআরএফএলের এই স্বীকৃতি ইউসিবির বৃহত্তর ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। একই সঙ্গে এটি সমন্বিত, সম্প্রসারণযোগ্য এবং গ্রাহককেন্দ্রিক আর্থিক সেবা প্রদানে ইউসিবির ‘ইউসিবি ওয়ান’ ব্যাংকটির কোর ডিজিটাল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম ও প্রযুক্তিগত ভিত্তির সক্ষমতাকে তুলে ধরে।

পুরস্কার অর্জনের বিষয়ে ইউসিবি জানায়, বিশেষ করে কৃষি ও পল্লী উদ্যোগের ক্ষেত্রে এ স্বীকৃতি ব্যাংকের জন্য একটি গর্বের মাইলফলক। একই সঙ্গে এটি আরও কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক সেবা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল উদ্ভাবন কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে ব্যাংকের চলমান প্রচেষ্টার স্বীকৃতি।


নির্বাচিত

এসবিএসি ব্যাংকে অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

এসবিএসি ব্যাংক পিএলসি-এর ঢাকা অঞ্চলের বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাদের নিয়ে ‘অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা শনিবার (সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬) ব্যাংকের ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের প্রিন্সিপাল মোঃ সাইদুর রহমান। প্রধান আলোচক ছিলেন ব্যাংকের ডিক্যামেলকো এবং এএমএল ও সিএফটি ডিভিশনের প্রধান এএনএম মেজবাহুল হাসান ও ব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডিভিশনের প্রধান ও এসভিপি মোঃ মাজহারুল হাসান সিডিসিএস, সিএমএমএস। কর্মশালায় ব্যাংকের এএমএল ও সিএফটি ডিভিশনের অন্যান্য কর্মকর্তাগণও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ।


নির্বাচিত

এস. এম. শফিকুল হক সিটিজেনস ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

এস. এম. শফিকুল হক সিটিজেনস ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন । এস. এম. শফিকুল হক সিটিজেনস ব্যাংক পিএলসির অন্যতম স্পন্সর ডিরেক্টর প্রতিষ্ঠান রহিমআজিজ নিটস্পিন লিমিটেডের প্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘদিন পরিচালনা পর্ষদে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি বর্তমানে এনআর গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

টেক্সটাইল শিল্পে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এস. এম. শফিকুল হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ২০০৪ সালে আরিফ নিটস্পিন লিমিটেডে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার হিসেবে তার পেশাগত জীবন শুরু করেন। কর্মজীবনে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে তিনি ২০২৫ সালে এনআর গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পেশাগত জীবনে তিনি ফরেন প্রকিউরমেন্ট ও মার্কেটিংসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। শিল্পখাতের বাস্তব অভিজ্ঞতা, পেশাগত জ্ঞান এবং কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি সিটিজেন্স ব্যাংক পিএলসির ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো আরও সুসংহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

১২ হাজার কোটি টাকার ডিপোজিট অর্জনের মাইলফলক উদযাপন মধুমতি ব্যাংকের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

১২ হাজার কোটি টাকার ডিপোজিট মাইলফলক অর্জন করেছে মধুমতি ব্যাংক পিএলসি। রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে, ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সাফল্য উদযাপন করা হয়।

মধুমতি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জনাব সালাউদ্দিন আলমগীর, ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান জনাব এ মান্নান খান, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ মিসেস সুলতানা জাহান, মিসেস তানজিমা বিনতে মোস্তফা, জনাব মোঃ মাহবুবুর রহমান, জনাব তানভীর আহমেদ মোস্তফা, মিসেস সৈয়দা শারমিন হোসেন, স্বতন্ত্র পরিচালকবৃন্দ জনাব মোঃ শফিকুল আলম ও জনাব মনজুরুল আহসান বুলবুল, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ সফিউল আজম, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব শাহনেওয়াজ চৌধুরী, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার জনাব আরব ফজলুর রহমান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ রিস্ক অফিসার জনাব আরিফ হাসান খান, এসইভিপি ও হেড অব হিউম্যান রিসোর্স ডিভিশন জনাব মোঃ সফিকুর রহমান, ভিপি ও কোম্পানি সেক্রেটারি জনাব মোঃ রেজাউল করিম, এবং ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ডিপোজিট সংগ্রহে ব্যাংকের ধারাবাহিক অগ্রগতি, গ্রাহক আস্থা এবং সুশাসনভিত্তিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের প্রতি প্রতিশ্রুতির বিষয়টি তুলে ধরা হয়।


নির্বাচিত

banner close