সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
২৫ ফাল্গুন ১৪৩২

শেফ অব দ্য ইয়ার প্রতিযোগিতা: সেরা ১০ জন পুরস্কার পাবেন ২৮ অক্টোবর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৯:৩০
প্রকাশিত
প্রকাশিত : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৯:২৫

ব্রিটেনে বাংলাদেশি কারি ইন্ড্রাস্ট্রির বৃহত্তম সংগঠন বাংলাদেশ ক্যাটারসাস অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএ) বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৭তম বিসিএ অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠান আগামী (২৮ অক্টোবর) সোমবার লন্ডনের ওটু ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিসিএ-এর কর্মকর্তারা।

বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ব্রিটেনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও বিশিষ্টজনেরা। অ্যাওয়ার্ডসকে সামনে রেখে গত (১৭ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার লন্ডনের হ্যার্মাস স্মিথ অ্যান্ড ফুলহ্যাম কলেজে শতাধিক প্রতিযোগীর মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই করে ৭৫ জন উদীয়মান শেফের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, ফাইনালে তাদের মধ্যে সেরা ১০জন বিসিএ অ্যাওয়ার্ড পাবেন। প্রতিযোগিতার এবারের শিরোনাম (Best bar naan)। এটি কারি শিল্পের এমন একটি প্রতিযোগিতা যেখানে একজন শেফ কারি মসলা ও সাদা ক্রিমের সংমিশ্রণে ক্রিয়েটিভ চিন্তার সমন্বয়ে নতুন কারি ডিশ উদ্ভাবন করবেন। যা হতে পারে (The UK’s King or Queen of Spice) দুপুর ১২টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত সরাসরি এই প্রতিযোগিতায় ব্রিটেনের বিভিন্ন শহর থেকে রেস্টুরেন্ট ও টেকওয়ের শেফরা এতে অংশগ্রহণ করেন। প্রসঙ্গত বিসিএ বিশেষ করে মহিলা ও তরুণ শেফদের জন্য একটি উত্তরাধিকারী, যোগ্য স্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যকে সামনে রেখে এই প্রথমবারের মতো চালু করেছে ইউকে দ্য বেস্ট ইয়াং কারি শেফ অ্যাওয়ার্ড। এই প্রতিযোগিতায় রেকর্ডসংখ্যক তরুণ উদীয়মান শেফ অংশ নিয়েছেন এবার।

লাইভ শেফ কুক অব বিসিএ-ব্রিটেনে বাংলাদেশি কারি ইন্ডাস্ট্রির একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রতিযোগিতা। ব্রিটেনের অভিজ্ঞ শেফ এবং ক্যাটারার্সদের সমন্বয়ে গঠিত বিচারকরা এই প্রতিযোগিতা থেকে সেরা দশজন শেফ বাচাই করেন। যেখানে শেফদের উদ্ভাবিত নানা পদের মৌলিক ডিস ও এর সৃজনশীল উপস্থাপনা সর্বোপরি কারি শিল্পের সঙ্গে জড়িত রেস্টুরেন্ট কর্মীদের অনুপ্রাণিত করতে বিসিএ এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে। বিসিএ ‘শেফ অফ দ্য ইয়ার’ এর বিচারক প্যানেলে ছিলেন এগ্রোসুপারের হেড অব ইউরোপ ভেনোরিকা মূর্তি ও হেড অব সেইলস ডেইভ ফ্যিটউড, পজিটিভ এনার্জির হেড অব মার্কেটিং জোশ এডওয়ার্ড, ফেডারেশন অব ফিশ এন্ড চিপস এর প্রেসিডেন্ট এনড্রিউ র্কক।এই প্রতিযোগিতা থেকে সেরা দশজন বিজয়ীর নাম বিসিএ’র ১৭তম অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে বিখ্যাত ওটু ইন্টারকন্টিনেন্টাল এ সেলিব্রেটি ও বিশিষ্টজনদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা ও অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে। এবারের বিসিএ এওয়ার্ডস এর স্লোগান হচ্ছে-“Uniting Heritage with Fresh Perspective”।

বিসিএ ⁠এ্যাওয়ার্ড কমিটির কনভেনার আতিক রহমান বিইএম ও শেফ অব দ্যা ইয়ার এর হেড শামসুল আলম খান শাহিন বাংলাদেশি ক্যুজিন এর শেফদের বৈচিত্র্যময় মৌলিক রন্ধনশৈলীর প্রতিযোগিতাটি পরিচালনা করেন।বিসিএ সভাপতি অলি খান এমবিই বলেন, কারি শিল্পের উন্নতি এবং সমৃদ্ধির জন্য আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের শেফদের প্রতিভা ও শিল্পসত্তায় বিনিয়োগ করতে হবে। এই এ্যাওয়ার্ড এগুলোতে মূলত প্রতিশ্রুতিশীল মেধাবী তরুণ শেফদের খুজে বের করে তাদের কর্মের স্বীকৃতি তুলে ধরা হয়। তিনি জানান , যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশি কারি ইন্ড্রাস্ট্রি দিন দিন বিস্তৃত ও শক্তিশালী হচ্ছে । বাংলাদেশি কারির স্বাদ ও গুণগত মান অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে উন্নত ও বৈচিত্র্যময়।লাইভ শেফ কুক অফ বিসিএ-প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দক্ষ শেফ তৈরি এবং তাদের উদ্ভাবিত ডিসগুলো মূলধারায় তুলে ধরার পাশাপাশি ব্রিটেনের রেস্টুরেন্টগুলোতে ‘স্কিল্ড স্টাফ‘ তৈরিতেও বিশেষ ভূমিকা রাখবে।বিসিএ সেক্রেটারি জেনারেল মিটু চৌধুরী বলেন, আমাদের কারি শিল্প ব্রিটেনের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। বিসিএ নিরবিচ্ছিন্নভাবে আমাদের রেস্টুরেন্টগুলোর মান উন্নয়নে কাজ করছে। কারি ইন্ড্রাস্ট্রির জন্য মর্যাদাকর ও অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ সেরা শেফ বাছাই প্রতিযোগিতাটি ব্রিটেনের সেলিব্রেটি শেফ ও অভিজ্ঞদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয়।আমাদের বিশ্বাস এই উদ্যোগ থেকে বাংলাদেশি কারী শিল্পে যুক্ত হবে বহু মাত্রিক নানা পদ, স্বাদ ও মানের নতুন ডিশ। একই সাথে আমরা পাবো মেধাবী প্রতিশ্রুতিশীল নতুন প্রজন্মের শেফ।

সংগঠনের চিফ ট্রেজারার টিপু রহমান বলেন, বিসিএ প্রায় বিশ বছর থেকে বাংলাদেশি কারি ইন্ড্রাস্ট্রির শেফদের তাদের কাজের স্বীকৃতি প্রদান করে আসছে। বাংলাদেশি কারী ব্রান্ডিং ও সর্বোপরি কারী ইন্ড্রাস্ট্রির উজ্জ্বল অবস্থানে তাদের মেধা ও শ্রম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। নতুন নতুন শেফদের প্রতিভা খুজে বের করা সহ তাদের সম্মানিত করতে পেরে আমরা আনন্দিত।

বিসিএ ⁠এ্যাওয়ার্ড কমিটির কনভেনার আতিক রহমান বিইএম বলেন, ব্রিটেনের নানা প্রান্ত থেকে প্রতিভাবান তরুণ শেফদের অনুপ্রাণিত ও তাদের কাজগুলো তুলে ধরার লক্ষ্যে এই আয়োজন। লাইভ শেফ কুক অফ বিসিএ প্রতিযোগিতায় ৭৫জন শেফ অংশ নিয়েছেন। প্রতিযোগীদের মৌলিক ডিশ, স্বাদ ও সৃজনশীল আমাদেরকে আশাবাদী করছে।বিশেষ করে মাছ, শাক-সবজি ও বাংলাদেশি ঐতিহ্যবাহী সুগন্ধি ফলের ফিউশন কারী ডিশগুলো মূলধারায় বাংলাদেশি কারী শিল্পের ব্রান্ডিং তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

বিসিএ‘র মেম্বারশিপ সেক্রেটারি ইয়ামিম দিদার ও শেফ অব দ্যা ইয়ার এর হেড শামসুল আলম খান শাহিন এর প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিসিএ প্রেসিডেন্ট ওলি খান এমবিই, সেক্রেটারি জেনারেল মিটু চৌধুরী, চিফ ট্রেজারার টিপু রহমান, সাবেক প্রেসিডেন্ট কামাল ইয়াকুব, ভাইস প্রেসিডেন্ট ফায়জুল হক, অর্গানাইজিং সেক্রেটারি ফরহাদ হোসেন টিপু, এ্যাওয়ার্ড কমিটির কনভেনার আতিক রহমান বিইএম, প্রেস এন্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারি নাজ ইসলাম প্রমুখ।

লন্ডন থেকে ড. আজিজুল আম্বিয়া


নীরা গ্রাহকদের সুস্থ জীবনযাপনে সহায়তায় ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টারের সঙ্গে প্রাইম ব্যাংকের চুক্তি

আপডেটেড ৯ মার্চ, ২০২৬ ১৭:২২
করপোরেট ডেস্ক

নীরা গ্রাহকদের সুস্থ জীবনযাপনে সহাতা করতে ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টার-এর সঙ্গে একটি কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.। সম্প্রতি ঢাকার প্রাইম অ্যাসপায়ারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা গ্রাহকদের জন্য লাইফস্টাইল ও ওয়েলনেসভিত্তিক সুবিধা সম্প্রসারণে ব্যাংকের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

এই চুক্তির আওতায় প্রাইম ব্যাংক নীরা গ্রাহকরা ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টার প্রদত্ত বিভিন্ন পুষ্টি ও খাদ্যাভ্যাস-সংক্রান্ত সেবায় আকর্ষণীয় ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। পেশাদার পরামর্শ ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক স্বাস্থ্যসমাধানের জন্য সুপরিচিত এ প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে এ অংশীদারিত্ব গ্রাহকদের জন্য বিশেষজ্ঞ পুষ্টি সহায়তা সহজলভ্য করবে এবং সুস্থ জীবনযাপনে উৎসাহিত করবে।

চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর এসইভিপি ও হেড অব লাইয়াবিলিটি শায়লা আবেদিন এবং ডায়েট কাউন্সেলিং সেন্টারের প্রিন্সিপাল নিউট্রিশনিস্ট ও সিইও সাইয়েদা শারমিন আক্তার। এ সময় প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর হেড অব কাস্টমার প্রপোজিশন হোসাইন মোহাম্মদ জাকারিয়াসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই অংশীদারিত্ব প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকিং সেবার বাইরেও সমন্বিত ও কল্যাণমুখী সুবিধা প্রদানের ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই অংশ, যা তাদের সামগ্রিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।


“বিকাশ ফুটসাল কার্নিভাল ২০২৬” -এ অংশ নিল চট্টগ্রামের ১৬টি শীর্ষ ব্র্যান্ড

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

পারস্পারিক সম্পর্ককে জোরদার করতে চট্টগ্রামের শীর্ষ ১৬টি ব্র্যান্ডকে নিয়ে উৎসবমুখরওপ্রতিযোগিতাপূর্ণপরিবেশে“বিকাশফুটসালকার্নিভাল২০২৬”আয়োজনকরেছেবিকাশ।

বন্দরনগরীর প্রিমিয়ার মাল্টি-স্পোর্ট ডেসটিনেশন সিকো এরিনা ফুটবল গ্রাউন্ডে এশিয়ান গ্রুপ, শৈল্পিক, সেকশন সেভেন গ্রুপ, সেভেন ডেজ, মেট্রোপলিটান হসপিটাল, ওয়েস্টউড, সনেট গ্রুপ, রেডিসন ব্লু, নাহার এগ্রো, কিশোয়ান গ্রুপ, সিকো এরিনা, সাজিনাজ হসপিটাল, উৎসব সুপার মার্কেট, হোম রেসিপি, ক্লিফটন গ্রুপ ও অ্যাপোলো ইম্পেরিয়াল হসপিটাল -এর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই ফুটসাল কার্নিভালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এশিয়ান গ্রুপ এবং রানার-আপ হয়েছে উৎসব সুপার মার্কেট।

শীর্ষ মার্চেন্টদের নিয়ে চট্টগ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এই কার্নিভালে প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীরা আনন্দ ও খেলার মাধ্যমে পারস্পারিক সম্পর্ক ও যোগাযোগকে আরও জোরদার করতে পেরেছেন। নিয়মিত যোগাযোগের বাইরে বিকাশও তার মার্চেন্টদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ পেয়েছে।

কার্নিভাল এর ফাইনাল ম্যাচের চ্যাম্পিয়ন সহ বিজয়ী দলগুলোর হাতে ট্রফি তুলে দেন বিকাশ-এর চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ।


আর.এ. স্পিনিং-আউটপেস স্পিনিং মিলসে জন্য ৬৫০ কোটি টাকার সিন্ডিকেটড ফাইন্যান্সিং এর ব্যবস্থা করবে কমিউনিটি ব্যাংক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

আর.এ. স্পিনিং মিলস লিমিটেড ও আউটপেস স্পিনিং মিলস লিমিটেডের জন্য ৬,৫০০ মিলিয়ন বা ৬৫০ কোটি টাকা সংগ্রহের সিন্ডিকেটড ফাইন্যান্সিং কাঠামোর আওতায় অর্থায়ন ব্যবস্থার লক্ষ্যে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।

এই ব্যবস্থার আওতায় কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র কর্পোরেট ব্যাংকিং বিভাগের স্ট্রাকচার্ড ফাইন্যান্স ইউনিট ফ্যাসিলিটি অ্যারেঞ্জার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। ব্যাংকটি সিন্ডিকেশন প্রক্রিয়া সমন্বয় করবে এবং অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন সংগ্রহে ভূমিকা রাখবে।

এই অর্থায়ন আর.এ. স্পিনিং মিলস লিমিটেড ও আউটপেস স্পিনিং মিলস লিমিটেডের ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং কার্যক্রমের উৎকর্ষতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে। প্রতিষ্ঠান দুটি অত্যাধুনিক ইউরোপীয় যন্ত্রপাতি, জ্বালানি-সাশ্রয়ী ও প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা এবং টেকসই উৎপাদন মানদণ্ড অনুসরণের জন্য ইতোমধ্যে সুপরিচিত। পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে পোশাক খাতের প্রতিষ্ঠান দুটি বাংলাদেশ ব্যাংক সমর্থিত টেকসই অর্থায়ন সুবিধাও গ্রহণ করেছে।

উচ্চমানের সুতা উৎপাদন নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলো যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল ও পশ্চিম আফ্রিকা থেকে আমদানিকৃত প্রিমিয়াম মানের কাঁচা তুলা ব্যবহার করে। দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যবস্থাপনা দল এবং উন্নতমানের আধুনিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের উৎপাদন ও পরিচালনা কার্যক্রম দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও কার্যকরী নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে।

এছাড়াও আন্তর্জাতিক মান ও টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলো Oeko-Tex, SEDEX, GOTS, OCS, RCS & GRS (Recycling), BCI, CmiA এবং US Cotton Trust Protocol সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন অনুসরণ করে; যা বৈশ্বিক ক্রেতাদের কাছে তাদের গ্রহণযোগ্যতা আরও জোরালো করেছে। পাশাপাশি দক্ষ জনবল, কারখানা প্রাঙ্গণে আবাসন সুবিধা এবং সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য শ্রম ও পারিশ্রমিক নীতিমালা তাদের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করেছে।

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র প্রধান কার্যালয়ের অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) কিমিয়া সাআদাত, আর.এ. স্পিনিং মিলস লিমিটেড ও আউটপেস স্পিনিং মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব হায়দার-এর সঙ্গে ম্যান্ডেট চুক্তি স্বাক্ষর ও বিনিময় করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কোম্পানি দুটির পরিচালক রুবায়েত হায়দার এবং কমিউনিটি ব্যাংকের হেড অফ কর্পোরেট ব্যাংকিং ও হেড অফ বিজনেস (ব্রাঞ্চ) ড. মো. আরিফুল ইসলামসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।


সীমান্ত ব্যাংকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে “আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সীমান্ত ব্যাংক। সম্প্রতি ব্যাংকের নারী কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নূরুল আজীম। এ সময় ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সদস্যরা এবং প্রধান কার্যালয় ও ঢাকাস্থ বিভিন্ন শাখার নারী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে নারীর অধিকার, নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়ন বিষয়ে গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।


বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সাথে আইসিএমএবি প্রতিনিধিদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশ-এর (আইসিএমএবি) প্রেসিডেন্ট মো: কাউসার আলম, এফসিএমএ এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল গত ৮ মার্চ, ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের নবনিযুক্ত গভর্নর মো: মোস্তাকুর রহমান, এফসিএমএ এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।

সাক্ষাতকালে, উভয় প্রতিষ্ঠানই বাংলাদেশের আর্থিক ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে। আলোচনাকালে, প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সাথে আর্থিক খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করে, যার মধ্যে; কর্পোরেট গভর্ন্যান্স, আর্থিক প্রতিবেদনের মানদণ্ড, নিয়ন্ত্রক বিধিমালা অনুসরণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার আধুনিক পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয়গুলো উল্লেখযোগ্য।

আইসিএমএবি-এর প্রেসিডেন্ট মো: কাউসার আলম, এফসিএমএ বলেন, “দেশের সরকারি-বেসরকারি উভয় খাতে ব্যয় ব্যবস্থাপনা, আর্থিক সুশাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতে কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্টদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড-ভিত্তিক পদ্ধতির প্রসারে আইসিএমএবি কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে অর্থনৈতিক পরিবেশ ক্রমেই জটিল হচ্ছে। আর সেক্ষেত্রে, দক্ষ অ্যাকাউন্টেন্টরা আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সুশাসন নিশ্চিত এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”

আর্থিক শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও প্রমাণভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে অ্যাকাউন্টেন্টদের ভূমিকার বিষয়ে উভয় পক্ষ গুরুত্বারোপ করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর অর্থনীতিতে সিএমএ-দের অবদান এবং দক্ষ পেশাজীবী তৈরিতে আইসিএমএবি’র ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি আর্থিক প্রতিবেদন, নিয়ন্ত্রক বিধিমালা অনুসরণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে আইসিএমএবি’র সাথে সহযোগিতার বৃদ্ধির আগ্রহ প্রকাশ করেন।

আইসিএমএবি’র প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারি মনজুর মো: শাইফুল আজম, এফসিএমএ; ট্রেজারার ড. মো: মুসফিকুর রহমান, এফসিএমএ; সাবেক প্রেসিডেন্ট আরিফ খান এফসিএমএ; কাউন্সিল সদস্য এ.কে.এম. কামরুজ্জামান, এফসিএমএ; ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন, এফসিএমএ; এবং আইসিএমএবি’র এক্সেকিউটিভ ডিরেক্টর মো: মাহবুব-উল-আলম এফসিএমএ। এছাড়াও, ঢাকা ব্রাঞ্চ কাউন্সিল-এর (ডিবিসি) চেয়ারম্যান মান্নান বেপারি, এফসিএমএ, ডিবিসি’র অন্যান্য কাউন্সিলর এবং সিএমএ কমিউনিটির সিনিয়র ব্যাংক এক্সেকিউটিভবৃন্দ সেসময় উপস্থিত ছিলেন।


রমজান উপলক্ষ্যে ইউএই এইড ও এমিরেটস রেড ক্রিসেন্ট-এর খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে ইউএই এইড এবং এমিরেটস রেড ক্রিসেন্ট বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার প্রায় ৪,০০০ সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মধ্যে উপহার হিসেবে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিটি পরিবারকে প্রায় ২৪ কেজি ওজনের একটি খাদ্য প্যাকেজ প্রদান করা হয়। প্যাকেজটিতে রমজান মাসজুড়ে প্রতিদিনের ইফতার প্রস্তুতিতে সহায়ক বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ঢাকায় নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাসের ফরেন এইড বিভাগের পরিচালক মি. রাশেদ মোহাম্মদ নাসের আলমাইল আলজাবি ব্যক্তিগতভাবে কর্মসূচির স্থান পরিদর্শন করেন এবং খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

উপকারভোগী পরিবারগুলো এই সহায়তার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। তারা বলেন, পবিত্র রমজান মাসে এই খাদ্যসামগ্রী তাদের জন্য অনেক উপকারে আসবে।


ইসলামী ব্যাংকের সাথে আমেরিকান ওয়েলনেস সেন্টার বাংলাদেশ-এর চুক্তি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ও আমেরিকান ওয়েলনেস সেন্টার বাংলাদেশ (এডব্লিউসি)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক গত ৮ মার্চ ২০২৬, রবিবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং ডেবিট-ক্রেডিট কার্ডধারী গ্রাহকবৃন্দ অগ্রাধিকারভিত্তিতে ও বিশেষ সুবিধায় এডব্লিউসিতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সুস্থতা প্রোগ্রাম এবং জীবনধারা পরিবর্তন বিষয়ে সেবা পাবেন। এছাড়া সেবার পরিধির মধ্যে রয়েছে, স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনধারা পরিষেবা, কার্যকরী এবং সমন্বিত ঔষধ পরামর্শ, পুষ্টি ও জীবনধারা পরামর্শ, রোগ প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি, ওজোন থেরাপি, ফিজিওথেরাপি, পিআরপি থেরাপি এবং ফটোথেরাপি রোগ নির্ণয় এবং ল্যাবরেটরি পরীক্ষা স্বাস্থ্য শিক্ষা এবং সচেতনতা প্রচারণা।
ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ ওমর ফারুক খাঁন-এর উপস্থিতিতে ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ড. এম কামাল উদ্দীন জসিম ও আমেরিকান ওয়েলনেস সেন্টার-এর চেয়ারম্যান মোঃ মাহবুবুল হক এ সমঝোতা স্মারকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন। এসময় ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ মজনুজ্জামান ও এডব্লিউসি-এর ম্যানেজার অপারেশন্স কামরুল হাসানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
এই চুক্তির মাধ্যমে বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা সুবিধার মধ্যে রয়েছে ১০০% ফ্রি ডাক্তার কনসালটেশন, ১০০% ফ্রি পুষ্টিবিদের কাউন্সেলিং, ৩৫% ছাড়ে ডায়াগনস্টিক টেস্ট, ২০% ছাড়ে ওজোন থেরাপি, ২০% ছাড়ে গ্রিন কিচেন (হেলদি রেস্টুরেন্ট), ২০% ছাড়ে জিও ন্যাচারাল প্রোডাক্টস এবং সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হেলথ সেমিনারে অংশগ্রহণ।


আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নারী অধিকার ও স্বাস্থ্য সচেতনতায় যমুনা ব্যাংকের বিশেষ আয়োজন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

যমুনা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গত ০৮ মার্চ যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল “আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার: সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার”।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা ইলিয়াস উদ্দীন আহম্মদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেজর জেনারেল (অবঃ) প্রফেসর ডঃ লিজা চৌধুরী এবং প্রফেসর ডঃ ফওজিয়া হোসেন। এ সময় ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আবদুস সালাম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর মোহাম্মদ, এ. কে. এম. আতিকুর রহমান, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

নারীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অনুষ্ঠানে Cervical Cancer, Breast Cancer এবং Endometriosis বিষয়ক একটি সচেতনতামূলক সেশন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নারীদের সুস্বাস্থ্য ও সচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।


জনতা ব্যাংকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে ৮ মার্চ রোববার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের নারীকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জনতা ব্যাংক পিএলসি.।

‘আজকের পদক্ষেপ, আগামী দিনের ন্যায়বিচার সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মুহঃ ফজলুর রহমান। ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ মজিবর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডিএমডি কাজী আবদুর রহমান ও মোঃ ফয়েজ আলম উপস্থিত ছিলেন। এ সময় নারী নির্বাহী ও কর্মকর্তাদের পাশাপাশি প্রধান কার্যালয়ের অন্যান্য নির্বাহী-কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংক্ষিপ্ত বক্তব‌্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান মুহঃ ফজলুর রহমান দেশের নারীদের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ক্রীড়া চর্চায় মনোযোগ দেয়ার আহ্বান জানান। ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মজিবর রহমান বলেন, নারীদের জন্য বিশেষ কিছু সার্ভিস চালু আছে জনতা ব্যাংকে।


মিরপুর-১২ এ – মিঃ ডি আই ওয়াই গ্র্যান্ড ওপেনিং

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

মালয়েশিয়ার শীর্ষস্থানীয় হোম ইমপ্রুভমেন্ট ব্র্যান্ড মিঃ ডি আই ওয়াই বাংলাদেশের বাজারে আরো নতুন একটি স্টোর উদ্বোধন করেছে। নতুন এই আউটলেটি ঢাকার মিরপুর ১২ বাসস্ট্যান্ড, নুর ইসলাম মোল্লা এভিনিউ, ৫ মার্চ ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) এক উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্বোধন হয় ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিনোদন ও ডিজিটাল মিডিয়া অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানের উৎসবমুখর পরিবেশকে আরও বর্ণিল করে তোলে। তারা মিঃ ডি আই ওয়াই বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিতা কেটে স্টোরটি উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিঃ ডি আই ওয়াই বাংলাদেশের মার্কেটিং ম্যানেজার মোঃ রাহাত নবী, হেড অব অপারেশনস সৈয়দ নূর আনোয়ার, হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মোহাম্মদ নাজির হোসেন, ফাইন্যান্স ম্যানেজার মোহাম্মদ নাসিম আহমেদ, ইমপোর্ট ম্যানেজার মো. মাসুদুর রহমান, এবং মিঃ ডি আই ওয়াই এর উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের বাজারে ক্রমাগত সম্প্রসারণ এবং উন্নত গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তারা পুনরায় উল্লেখ করেন, ব্র্যান্ডটি সবসময় তাদের মূলমন্ত্রে অটল —“To offer everyone everything, everyday, at always low prices.”

ঢাকার মিরপুর-১২ এর নতুন স্টোরে রয়েছে ১০টি প্রধান ক্যাটাগরির ১০,০০০-এর বেশি পণ্য, যার মধ্যে রয়েছে গৃহস্থালি সামগ্রী, হার্ডওয়্যার, ইলেকট্রনিক্স, অটোমোটিভ এক্সেসরিজ, ফার্নিশিং, স্টেশনারি, খেলাধুলা ও খেলনা সামগ্রী, উপহার, কম্পিউটার ও মোবাইল এক্সেসরিজ এবং গয়না ও কসমেটিক্স। এতে করে পরিবারের প্রতিটি সদস্যের জন্য কিছু না কিছু প্রোডাক্ট দিয়ে এক সম্পূর্ণ শপিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করছে মিঃ ডি আই ওয়াই বাংলাদেশ।

গ্র্যান্ড ওপেনিং উপলক্ষে ৫ থেকে ৭ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য রাখা হয়েছিলো বিশেষ অফার ও উপহারের ব্যাবস্থা। ১,৫০০ টাকা বা তার বেশি কেনাকাটা করলে ক্রেতারা পাবেন একটি মিঃ ডি আই ওয়াই ছাতা ফ্রী , এবং পাশাপাশি থাকছে মিঃ ডি আই ওয়াই Top Fan Campaign-এ অংশ নিয়ে পুরস্কার জিতে নেয়ার সুযোগ।

বাংলাদেশে মিঃ ডি আই ওয়াই এর সম্প্রসারণ যাত্রা

২০০৫ সালে মালয়েশিয়ায় যাত্রা শুরু করা মিঃ ডি আই ওয়াই বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ৫,০০০-এরও বেশি আউটলেট পরিচালনা করছে। এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে—থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইনস, সিঙ্গাপুর, ব্রুনাই, ভারত, তুরস্ক, স্পেন ও দক্ষিণ আফ্রিকাসহ—ব্র্যান্ডটি সফলভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

‎বাংলাদেশে মিঃ ডি আই ওয়াই প্রথম দুটি স্টোর উদ্বোধন করে ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে, উত্তরার পলওয়েল কার্নেশন শপিং সেন্টার এবং যমুনা ফিউচার পার্কে। পরবর্তীতে ব্র্যান্ডটি তাদের উপস্থিতি বিস্তৃত করে মিরপুর, ধানমন্ডি, শান্তিনগর, মোহাম্মদপুর, চট্টগ্রামের বালি আর্কেড, সাভার, বাসাবো, রামপুরা, ময়মনসিংহে এবং মিরপুর-১২।

মিরপুর-১২ উদ্বোধনের মাধ্যমে মিঃ ডি আই ওয়াই বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারের কাছে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত হোম ইমপ্রুভমেন্ট পণ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে তাদের অঙ্গীকার আরও এক ধাপ এগিয়ে নিল।


আরও কর্মসংস্থান তৈরির প্রত্যাশা এমজিআই'র

মেঘনা গ্রুপের ডাইরেক্টর তানভীর মোস্তফা নব্য পদোন্নতি প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সাথে গ্রুপের বার্ষিক "লিপ অব প্রগ্রেস" অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশের বেকারত্ব নিরসনে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)। গত ৭ মার্চ রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত গ্রুপটির বার্ষিক কর্মী মূল্যায়ন অনুষ্ঠান “লিপ অব প্রগ্রেস”-এ বোর্ড অব ডাইরেক্টরস এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

“লিপ অব প্রগ্রেস” এমজিআই’র এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে কর্মকর্তাদের পারফরম্যান্স মূল্যায়নের ভিত্তিতে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। এবারের আয়োজনে গ্রুপটির প্রায় ৫০০ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে এমজিআই’র চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার (সিএইচআরও) জনাব আতিক উজ জামান খান অনুষ্ঠানের তাৎপর্য তুলে ধরে ম্যানেজমেন্ট ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অভ্যর্থনা জানান।

৫০ বছরের গৌরবময় অগ্রযাত্রা পেরিয়ে আগামী ৫০ বছরে এমজিআই’কে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে বোর্ড অব ডিরেক্টরস বিভিন্ন কৌশলগত পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ কর্মপরিবেশ আধুনিকায়ন ও টেকসই উন্নয়নের নানা উদ্যোগ সম্পর্কেও আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠানে এমজিআই’র চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব মোস্তফা কামাল বলেন, “বিগত ৫০ বছরে এমজিআই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে লক্ষণীয় ভূমিকা পালন করেছে। এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আমরা নতুন নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের কাজ এগিয়ে নিচ্ছি। ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের পাশাপাশি দেশের মেধাবী জনশক্তির জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে এমজিআই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

তিনি আরও বলেন, “প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও বৈশ্বিক বাজারের পরিবর্তনের ফলে ব্যবসা পরিচালনায় নতুন নতুন দক্ষতার প্রয়োজন হচ্ছে। আমাদের তরুণ প্রজন্ম সাহসিকতার সঙ্গে নতুন কর্মপরিবেশ গ্রহণ করছে। তরুণদের বাজারভিত্তিক জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়নে আরও মনোযোগী হলে বাংলাদেশের শিল্পায়ন বৈশ্বিক পরিসরে নতুন মাত্রা যোগ করতে সক্ষম হবে।”

অনুষ্ঠানে এমজিআই ডিরেক্টর তাহমিনা মোস্তফা, তানজিমা মোস্তফা, তানভীর মোস্তফা, ব্যারিস্টার তাসনিম মোস্তফা, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তায়েফ বিন ইউসুফ, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এন্ড হেড অব এক্সপোর্ট সামীরা রহমান এবং ওয়াশিকুর রহমান ও রাশিক চৌধুরীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) ও তদূর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি ঘোষণা করা হয় এবং তাঁদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পদোন্নতিপত্র তুলে দেওয়া হয়।

এমজিআই বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী। বর্তমানে গ্রুপটির ৫৭টি শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেখানে ৬৫,০০০-এর অধিক কর্মী কর্মরত আছেন। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে এফএমসিজি ও নির্মাণ সামগ্রী থেকে শুরু করে জ্বালানি, হসপিটালিটি ও আর্থিক সেবা খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছে এমজিআই। বর্তমানে প্রতিদিন বাংলাদেশের প্রতি দুটি পরিবারের একটি এমজিআই-এর পণ্য ব্যবহার করে।


ডেলিভারি ও রাইড-শেয়ারিং পার্টনারদের জন্য বিশেষ ‘রাইডার্স প্যাক’ চালু করল বাংলালিংক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশের দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল জীবনধারার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ ডেলিভারি রাইডার ও রাইড-শেয়ারিং পার্টনাররা। যাত্রী পরিবহন হোক কিংবা জরুরি খাবার ও পণ্য পৌঁছে দেওয়া—দিন-রাত নিরলস পরিশ্রমে তাঁরাই শহুরে জীবনকে সচল রাখছেন। এই পরিশ্রমী কর্মীদের সুবিধার্থে বিশেষ বান্ডেল অফার ‘রাইডার্স প্যাক’ চালু করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় উদ্ভাবনী ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। যাঁদের জীবিকা সংযোগনির্ভর, তাঁদের প্রয়োজনের কথা বিবেচনায় নিয়েই প্যাকটি সাজানো হয়েছে—যাতে তাঁদের কর্ম ও ব্যক্তিজীবন আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হয়।

৪৯৯ টাকার এই প্যাকে থাকছে ২০ জিবি ইন্টারনেট ও ৩০০ মিনিট কথা বলার সুবিধা, যার মেয়াদ ৩০ দিন। ডেলিভারি ও রাইড-শেয়ারিং কাজের ধরন অনুযায়ী এতে রাখা হয়েছে বিশেষ সুবিধা। প্যাকটি চালু করলে ব্যবহারকারীরা ডেটা খরচ ছাড়াই উবার, ফুডপান্ডা, পাঠাও, ফুডি এবং গুগল ম্যাপসসহ প্রয়োজনীয় প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারবেন সর্বোচ্চ ১০ জিবি পর্যন্ত। প্রাথমিকভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে ‘মাইবিএল’ অ্যাপের মাধ্যমে এই অফারটি পাওয়া যাবে।

প্রতিদিন হাজারো রাইডার যানজট, প্রতিকূল আবহাওয়া ও ব্যস্ত সময়সূচি সামলে কাজ করেন। তাঁরা মানুষের দোরগোড়ায় খাবার পৌঁছে দেন, যাত্রী পরিবহন করেন এবং জরুরি পার্সেল গন্তব্যে পৌঁছে দেন। কাজের প্রতিটি ধাপে তাঁদের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় জিনিস হলো স্থিতিশীল মোবাইল ডেটা। নেভিগেশন, অর্ডার ব্যবস্থাপনা ও গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ—সবই নির্ভর করে নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের ওপর। তাই সামান্য বিঘ্ন মানেই সময় ও আয়ের ক্ষতি। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই বাংলালিংক এনেছে এই নির্ভরযোগ্য ও ভারসাম্যপূর্ণ বান্ডেলটি, যা কাজের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি ব্যক্তিগত যোগাযোগের চাহিদাও পূরণ করবে।

মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবধর্মী সেবা দেওয়ার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নিয়েছে বাংলালিংক। পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ‘রাইডার্স প্যাক’ চালু করা হবে। প্রথমে বড় শহরগুলোতে, যেখানে অ্যাপভিত্তিক সেবা বেশি সক্রিয়, সেখানে এই সেবা দিয়ে কার্যক্রম শুরু হবে।

এ প্রসঙ্গে বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান বলেন, “ডেলিভারি রাইডার ও রাইড-শেয়ারিং পার্টনাররা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আমাদের শহরকে সচল রাখেন। তাঁদের অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে এবং কাজ ও প্রাত্যহিক জীবনকে নির্ভরযোগ্য সংযোগের মাধ্যমে আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ করতেই আমরা ‘রাইডার্স প্যাক’ চালু করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “পিপল-ফার্স্ট ব্র্যান্ড হিসেবে বাংলালিংক গ্রাহকের প্রতি যত্নশীল দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করে। রাইডারদের জীবিকায় সহায়তা করা এবং তাঁদের কাজকে স্বীকৃতি দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনের মুহূর্তে যেন তাঁরা সংযুক্ত থাকতে পারেন—এটাই আমাদের লক্ষ্য।”


আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন করেছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি-র উদ্যোগে আয়োজিত হলো আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬। এ উপলক্ষে আজ ৮ মার্চ প্রধান কার্যালয়ে নারী কর্মকর্তাদের নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও দেশব্যাপী ব্যাংকের শাখাসমূহে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হয়।

ঢাকায় কর্মরত ব্যাংকের নারী শাখা ব্যবস্থাপক, নির্বাহী ও কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রত্যেক নারী সহকর্মীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাকির হোসেন, শামীম আহমেদ, অসীম কুমার সাহা, ড. মো. জাহিদ হোসেন, ড. তাপস চন্দ্র পাল ও শাহ্ মো. সোহেল খুরশীদ। এছাড়াও এসইভিপি মোহাম্মদ ইকবাল রেজওয়ান, মো. আব্দুল হালিম ও আব্দুল আউয়াল, এসভিপি ও মগবাজার শাখা প্রধান লপিতা মান্নান, ভিপি ও আসাদ গেট শাখা প্রধান ফারহানা হোসেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


banner close