বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
১৬ বৈশাখ ১৪৩৩

আমেরিকার সিকিউরিটি ডিভাইসের মাদারবোর্ড (পিসিবিএ) রপ্তানি করছে ওয়ালটন

ছবি: আমেরিকায় ওয়ালটনের প্রথম পিসিবিএ বা মাদারবোর্ড রপ্তানি কার্যক্রম উদ্বোধন করছেন অতিথিবৃন্দ।
করপোরেট ডেস্ক
প্রকাশিত
করপোরেট ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ২১:১৩

বাংলাদেশের হাই-টেক পণ্য উৎপাদন খাতে অনন্য এক মাইলফলক অর্জিত হলো। দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্যের ব্র্যান্ড ওয়ালটন প্রথমবারের মতো আমেরিকাতে রপ্তানি শুরু করলো মাদারবোর্ড (পিসিবি ও পিসিবিএ)। ওয়ালটনের তৈরি বিশ্বমানের এই মাদারবোর্ড ব্যবহৃত হবে আমেরিকায় তৈরি অত্যাধুনিক সক্রিয় গানশট শনাক্তকরণ এবং জরুরি উদ্ধারকাজ পরিচালনা সিস্টেমের সিকিউরিটি ডিভাইসে। মানুষের জীবন রক্ষাকারী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা সরঞ্জামে ওয়ালটন হার্ডওয়্যার ব্যবহৃত হওয়া বাংলাদেশের হাই-টেক পণ্য উৎপাদন খাতের জন্য অত্যন্ত গর্ব ও সম্মানের। আমেরিকাতে মাদারবোর্ড রপ্তানির মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে বিশ্বমানের বাংলাদেশি প্রযুক্তিপণ্যের বিপুল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করলো ওয়ালটন।

এই উপলক্ষ্যে সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫) রাজধানীতে ওয়ালটন করপোরেট অফিসে এক জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে জানানো হয়, বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত ইলেকট্রনিক্স পণ্য রপ্তানি করা ওয়ালটন প্রাথমিকভাবে আমেরিকার উইসকনসিন প্রদেশে অবস্থিত তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠান সেফপ্রো টেকনোলজিস ইনকরপোরেশন (ঝঅঋঊচজঙ ঞবপযহড়ষড়মরবং ওহপ.) এর অনুকূলে প্রায় ২,৫০০ পিসেরও বেশি মাদারবোর্ড রপ্তানি করছে, যা প্রায় ২.৫ মিলিয়ন বাংলাদেশি টাকার সমপরিমাণ। জরুরি অবস্থায় আমেরিকার স্কুল-কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ সব ধরনের মানুষের জীবন রক্ষায় কার্যকর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরবরাহে সেফপ্রো টেকনোলজিস ইনকরপোরেশনের ব্যাপক সুনাম ও অবদান রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ডিভাইসে এবার যুক্ত হলো বাংলাদেশের ওয়ালটনের হার্ডওয়্যার।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের একমাত্র পিসিবি (প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড) উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন। মাদারবোর্ড হিসেবে পরিচিত প্রযুক্তিপণ্যের অন্যতম প্রধান যন্ত্রাংশ ওয়ালটনের পিসিবিএ দিয়ে তৈরি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ নিরাপত্তা ডিভাইস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে স্থাপন করা হবে। এই ডিভাইস তাৎক্ষণিক অবৈধ শুটিং সনাক্তকরণ, প্রতিরোধ, সতর্কীকরণ ও দ্রুত উদ্ধারকাজ পরিচালনা করায় সহযোগিতা করবে। এটি অডিও এবং ভিজ্যুয়াল সংকেতের মাধ্যমে সতর্ক করে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিশ্চিত করবে, আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিপদ থেকে দ্রুততার সাথে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে এবং হুমকির প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয়ভাবে সাহায্য করবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। অন্যদের মধ্যে আরো ছিলেন ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম রেজাউল আলম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি, ওয়ালটন মাইক্রো-টেক করপোরেশনের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) নিশাত তাসনিম শুচি এবং রবি আজিয়াটার সহযোগী প্রতিষ্ঠান এক্সেনটেকের এমডি ও সিইও আদিল হোসেন নোবেল। এছাড়াও অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন আমদানীকারক প্রতিষ্ঠান সেফপ্রো টেকনোলজিস ইনকরপোরেশন-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট পল এল একারট (চধঁষ খ. ঊপশবৎঃ)।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব বলেন, যে দেশে সিলিকন ভ্যালী আছে, সেই দেশে আমরা মাদারবোর্ড রপ্তানি করছি। নিঃসন্দেহে এটি ওয়ালটন এবং বাংলাদেশের জন্য এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।

তিনি জানান, পিসিবি এবং পিসিবিএ গ্লোবাল মার্কেট প্রায় ৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগামী ৫-৬ বছরে গ্লোবাল মার্কেট আরো ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৃদ্ধি পাবে। আমেরিকায় পিসিবিএ রপ্তানির মধ্য দিয়ে এই বিশাল গ্লোবাল মার্কেটে যাত্রা শুরু করেছে ওয়ালটন। প্রযুক্তি পণ্যের বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগি সক্ষমতায় এগিয়ে যেতে ওয়ালটনকে হার্ডওয়্যার ডিভাইসের পাশাপাশি এআই প্রযুক্তি ভিত্তিক সফটওয়্যার পণ্য, নেটওয়ার্কিং ও সাইবার সিকিউরিটি ডিভাইস তৈরির মাধ্যমে এক শক্তিশালী ইকো-সিস্টেম গড়ে তোলার পরামর্শ দেন তিনি।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ও উন্নত দেশ আমেরিকা বাংলাদেশ থেকে মাদারবোর্ডের মতো উন্নত প্রযুক্তি পণ্য আমদানি করছে। এটা শুধু ওয়ালটনের জন্যই নয়; বাংলাদেশের জন্যও অত্যন্ত গর্বের এবং ঐতিহাসিক সাফল্য।

আমেরিকার সেফপ্রো টেকনোলজিস ইনকরপোরেশন এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট পল এল একারট বলেন, ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন খাতে ওয়ালটন ইনোভেশন, কোয়ালিটি ও আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে। ওয়ালটন প্রতিটি পণ্যের ডিজাইন, নতুন উদ্ভাবন এবং উৎপাদনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এটি ওয়ালটনকে অন্যদের চেয়ে স্বতন্ত্র অবস্থান গড়ে দিয়েছে। ইতোমধ্যেই বিভিন্ন ধরনের পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে ওয়ালটন বিশ্ববাজারে সম্মানজনক স্থান করে নিয়েছে। ওয়ালটনের কাছ থেকে বিশ্বমানের মাদারবোর্ড নিতে পেরে আমরা সত্যিই আনন্দিত। ওয়ালটনের মাদারবোর্ড নিঃসন্দেহে আমাদের সিকিউরিটি ডিভাইসের মান আরো অনেক বৃদ্ধি করবে।

বাংলাদেশকে প্রযুক্তিপণ্যের হাব হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করায় তিনি ওয়ালটনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সিকিউরিটি ডিভাইসসহ টেকসই প্রযুক্তির অন্যান্য ক্ষেত্রেও ওয়ালটন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে বলে আমেরিকার এই উদ্যোক্তা উল্লেখ করেন ।

এস এম রেজাউল আলম বলেন, আমরা নিজস্ব প্রোডাকশন প্ল্যান্টে বিশ্বমানের পিসিবি ও পিসিবিএ তৈরি করছি যা ওয়ালটনের পণ্যসমূহে ব্যবহার করা হচ্ছে। নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি দেশের বাজারেও দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি উদোক্তাদের জন্য পিসিবি ও পিসিবিএ সরবরাহ করে আসছে ওয়ালটন। সম্প্রতি ইউরোপিয়ান দেশ গ্রিসেও সাফল্যের সাথে ১০ হাজার পিসেরও বেশি পিসিবি ও পিসিবিএ রপ্তানি সম্পন্ন করেছে ওয়ালটন। বাংলাদেশেই উন্নতমানের পিসিবি ও পিসিবিএ উৎপাদনের ফলে একদিকে যেমন সাশ্রয় হচ্ছে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা, সেইসঙ্গে দ্রুততম সময়ে দেশীয় উদ্যোক্তাগণ পাচ্ছেন তাদের চাহিদামত পণ্য। পাশাপাশি অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্যের মতো পিসিবি ও পিসিবিএ রপ্তানি করে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার যোগানে উল্লেখ্যযোগ্য অবদান রাখতে সক্ষম হচ্ছে ওয়ালটন।

তিনি জানান, সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে একীভূত হচ্ছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি এবং ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ইলেকট্রনিক্স এবং প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন খাতের শীর্ষ এই দুই প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণে দেশে ব্যাপক আকারে ইলেকট্রিক বাইক এবং লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদনে যাওয়া সহজ হবে।

অনুষ্ঠানে নতুন বাজারে আসা ওয়ালটনের দুই মডেলের পরিবেশবান্ধব তাকিওন ইলেকট্রিক বাইক বা ই-বাইকও উন্মোচন করেন অতিথিরা। আধুনিক ডিজাইন, শক্তিশালী মোটর, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ব্যাকআপ এবং মাত্র ১০-১৫ পয়সা খরচে প্রতি কিলোমিটারে চলার সুবিধাযুক্ত ওয়ালটনের নতুন এই ই-বাইকগুলো নগর ও গ্রামীণ জীবনের স্মার্ট ও পরিবেশবান্ধব যাতায়াত সঙ্গী হয়ে উঠবে।


টয়োটা গাড়ি ক্রয়ে বাড়তি সুবিধা পাবেন আইপিডিসির গ্রাহকরা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

গ্রাহকদের জন্য আরও আকর্ষণীয় সেবা নিশ্চিত করতে টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেডের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্বে যুক্ত হয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি। এর ফলে আইপিডিসির গ্রাহকরা টয়োটা গাড়ি ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
সম্প্রতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি’র হেড অব রিটেইল বিজনেস মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এবং টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রেমমিত সিং।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর রিজওয়ান দাউদ সামস, আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি’র হেড অব ডিস্ট্রিবিউশন মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেডের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইউসুকে ওগিনো ও সৈয়দ আসিফুর রহমান, আইপিডিসির ভারপ্রাপ্ত হেড অব অটো লোন মো. মামুনুর রহমান এবং ম্যানেজার, অ্যালায়েন্স অ্যান্ড পার্টনারশিপ মো. বোরহান উদ্দিন লালন। এছাড়াও উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর রিজওয়ান দাউদ সামস বলেন, “গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনযাপন আরও আরামদায়ক ও অত্যাধুনিক করা আমাদের প্রতিশ্রুতিরই অংশ। এই সহযোগিতার মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য গাড়ির মালিকানা অর্জন আরও সহজ হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।”
টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রেমমিত সিং বলেন, “আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি’র সঙ্গে অংশীদারত্বে যুক্ত হতে পেরে আমরা আনন্দিত। এই উদ্যোগ গ্রাহকদের জন্য আরও বেশি সুবিধা নিশ্চিত করবে এবং গাড়ি কেনার অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ, নিরবচ্ছিন্ন ও আনন্দদায়ক করে বলে আমি আশা করি।”
এই সহযোগিতা গ্রাহককেন্দ্রিক উদ্ভাবন ও কৌশলগত অংশীদারত্বে আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি’র ধারাবাহিক অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতেও গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নত করতে এবং মূল্যসংযোজিত সেবা চালুর মাধ্যমে দেশের অন্যতম শীর্ষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


শৈলান প্রবীণ নিবাসের বাসিন্দাদের পাশে মেটলাইফ বাংলাদেশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

মেটলাইফ বাংলাদেশের কর্মীরা এক স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগের মাধ্যমে প্রবীণদের জন্য নিবেদিত ভাবে কাজ করে চলা শৈলান প্রবীণ নিবাসের বাসিন্দাদের জন্য সহায়তা প্রদান করেছে।

এই উদ্যোগের আওতায়, শৈলান প্রবীণ নিবাসের বাসিন্দাদের দৈনন্দিন মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করা এবং তাদের জীবনযাপন আরেকটু সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলার উদ্দেশ্যে তাদেরকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র উপহার দিয়েছে মেটলাইফ বাংলাদেশ বাংলাদেশের কর্মীরা।

মেটলাইফ বাংলাদেশের একদল কর্মী সরাসরি প্রবীণ নিবাসে গিয়ে তাদের হাতে উপহারগুলো তুলে দেন এবং নিবাসের বাসিন্দাদের সাথে বেশ কিছুটা সময় কাটান। এই উদ্যোগটি মেটলাইফের সহমর্মিতা, স্বেচ্ছাসেবা এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতারই চমৎকার প্রতিফলন।

ঢাকার ধামরাইয়ে অবস্থিত শৈলান প্রবীণ নিবাস প্রবীণদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বাসস্থান, খাবার, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ সরবরাহ করে থাকে।

বাংলাদেশে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। প্রবীণদের সহায়তায় সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতেরই সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। মেটলাইফের কর্মীদের মত এমন স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম বৃহত্তর সামাজিক উদ্যোগগুলোকে জোরদার করার পাশাপাশি মানুষের মাঝে সচেতনতা ও সহমর্মিতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


দ্রুত ক্যাশ সহায়তা ও প্রণোদনা বিতরণে এফএও-এর সঙ্গে বিকাশের চুক্তি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এখন থেকে তাদের সুবিধাভোগীদের আর্থিক সহায়তা ও প্রণোদনা সরাসরি বিকাশ-এর মাধ্যমে প্রদান করবে। এর ফলে মাঠপর্যায়ে এফএও-এর আর্থিক ব্যবস্থাপনা যেমন আরও সহজ, স্বচ্ছ ও নিরাপদ হবে তেমনি সুবিধাভোগীরা তাদের বিকাশ অ্যাকাউন্টে তাৎক্ষণিকভাবে সহায়তা পেয়ে যাবেন, যা তারা জরুরিসহ দৈনন্দিন প্রয়োজনে কাজে লাগাতে পারবেন।

সম্প্রতি ঢাকায় এফএও বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিসে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এফএও-এর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জিয়াকুন শি, ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ দিয়া স্যানো, অ্যাসিস্ট্যান্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) একরামুল হক এবং বিকাশ-এর চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ, হেড অফ বিজনেস সেলস মাশরুর চৌধুরী, বিজনেস সেলস বিভাগের ভিপি (মাইক্রো ফাইন্যান্স পেমেন্ট) নোভেরা আয়েশা জামান।

এই চুক্তির আওতায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, জেলে, খামারি ও দিনমজুরসহ যেকোনো জনগোষ্ঠীর কাছে শর্তহীন আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দিতে বিকাশ-এর ‘ডিসবার্সমেন্ট সল্যুশন’ ব্যবহার করবে এফএও। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেকোনো সময় ঘটতে পারে বিবেচনায় সাপ্তাহিক বা যেকোনো ছুটির দিনেও তাৎক্ষণিকভাবে বিকাশ-এর এই সেবার মাধ্যমে অর্থ বিতরণ করতে সক্ষম হবে এফএও। এই তাৎক্ষণিক সহায়তা ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরি প্রয়োজন মেটাতে এবং দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি, এফএও ‘ক্যাশ-ফর-ওয়ার্ক (সিএফডাব্লিউ)’ বা ‘কাজের বিনিময়ে অর্থ’ কর্মসূচিতেও বিকাশ-এর ‘ডিসবার্সমেন্ট সল্যুশন’ ব্যবহৃত হবে। এই কর্মসূচির আওতায় কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বল্পমেয়াদি কাজ করা প্রান্তিক ও ঝুঁকিতে থাকা মানুষেরা তাদের মজুরি সরাসরি নিজেদের বিকাশ অ্যাকাউন্টে পেয়ে যাবেন। মজুরি বিতরণের এই প্রক্রিয়াটি সরাসরি ও সহজ হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও টেকসই জীবনমান উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

দেশে ছড়িয়ে থাকা যেকোনো বিকাশ এজেন্ট পয়েন্ট অথবা এটিএম বুথ থেকে ক্যাশ আউট করে সহায়তার অর্থ তুলে নিতে পারবেন সুবিধাভোগীরা। এছাড়া ক্যাশ আউট না করেও তাঁরা বিকাশ-এর মাধ্যমেই বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির মতো ইউটিলিটি সেবার বিল পরিশোধ, টাকা পাঠানো, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সরকারি সেবার ফি পরিশোধসহ বিভিন্ন ধরনের সেবা নিতে পারবেন ঘরে বসেই।


প্রান্তিক মৎস্যজীবী পরিবারের জন্য এমটিবি ফাউন্ডেশনের বিকল্প জীবিকা সহায়তা বিতরণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

এমটিবি ফাউন্ডেশন তাদের পরিচালিত ‘ক্রিয়েটিং অলটারনেটিভ লাইভলিহুড ফর ভালনারেবল ফিশিং কমিউনিটিজ থ্রু ইনকাম জেনারেটিং অ্যাক্টিভিটিজ (আইজিএএ)’ কর্মসূচির আওতায় চাঁদপুর জেলার লালপুর ইউনিয়ন ও চাঁদপুর পৌরসভা এলাকায় প্রান্তিক মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পরিবারের মাঝে বিকল্প জীবিকার সম্পদ বিতরণ করেছে।

এই কর্মসূচির অধীনে হাঁস-মুরগি পালন, বসতবাড়ির আঙিনায় সবজি চাষ এবং ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ প্রদান করা হয়। এসব আয় সৃষ্টিকারী কার্যক্রম মূলত জেলে পরিবারের নারী সদস্যদের মাধ্যমে পরিচালিত হবে, যা মাছ ধরার নিষিদ্ধ মৌসুমে বিকল্প আয়ের উৎস সৃষ্টি করে সারা বছর আয়-উপার্জনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এমটিবি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সামিয়া চৌধুরী এবং সহযোগী নাজমুস সাকিব।


লোডশেডিংয়ে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের ১ জিবি ফ্রি ডাটা দিচ্ছে বাংলালিংক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশজুড়ে বিরাজমান লোডশেডিং ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের সংকটের ফলে বিভিন্ন এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবা প্রায়শই ব্যাহত হচ্ছে। এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের নির্বিঘ্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করতে ১ জিবি ফ্রি ডাটা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশের অন্যতম শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। একটি ‘পিপল-ফার্স্ট’ প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলালিংকের এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হলো জ্বালানি সংকটের কারণে ভোগান্তিতে পড়া সাধারণ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়া। প্রতিষ্ঠানটি মনে করে, নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে মানুষের বিরক্তি যেমন বাড়ে, তেমনি জরুরি তথ্য আদান-প্রদানও অসম্ভব হয়ে পড়ে। সেই বাস্তবতাকে মাথায় রেখেই ফ্রি ডাটা প্যাকের এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যাতে গ্রাহকরা প্রিয়জনদের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্নভাবে যুক্ত থাকতে পারেন।

এই বিশেষ সুবিধার আওতায় যেসব অঞ্চলে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না, সেখানকার নির্ধারিত গ্রাহকরা ২৪ ঘণ্টা মেয়াদে ১ জিবি ইন্টারনেট সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। অফারটি গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে সক্রিয় হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে এসএমএস বা খুদেবার্তার মাধ্যমে তা জানিয়ে দেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার কাজী মাহবুব হাসান সংকটকালে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, "দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে সংযোগে বিঘ্ন ঘটছে। এমন পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের জন্য কিছু করার এটাই উপযুক্ত সময়। আমাদের লক্ষ্য সবার জন্য সর্বোত্তম ও নির্ভরযোগ্য সংযোগ নিশ্চিত করা। তবে বর্তমান পরিস্থিতির বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হচ্ছে। এই উদ্যোগ গ্রাহকদের পাশে দাঁড়াতে আমাদের একটি ছোট প্রচেষ্টা।" বাংলালিংকের এই মানবিক পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে তারা প্রয়োজনে গ্রাহকদের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং কার্যকর সমাধান প্রদানে বদ্ধপরিকর


নারী প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটে গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের স্পনসর হলো স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ

আপডেটেড ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০০
করপোরেট ডেস্ক

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন নারী ক্রিকেট লিগে আগামী পাঁচ বছরের জন্য গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে নাম লেখালো স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড (এসএফবিএল)। ২০২৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত এই দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির অধীনে ক্লাবটির অফিশিয়াল স্পনসর হিসেবে কাজ করবে দেশের এই শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানটি। নারী ক্রিকেটের উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা তৈরির লক্ষ্যেই এই সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সম্প্রতি আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে দুই পক্ষের মধ্যে এই চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়। চুক্তি স্বাক্ষর শেষে স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের সভাপতি ড. ওয়াহিদুজ্জামান তমালের হাতে সমঝোতা স্মারকটি তুলে দেন। এই মুহূর্তটি স্মরণীয় করে রাখতে সেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের (সুমন), এমপি এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান সভাপতি তামিম ইকবাল খান।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের সভাপতি ড. তমাল দেশের নারী ক্রিকেটের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও প্রসারে অঞ্জন চৌধুরীর দীর্ঘস্থায়ী সমর্থন এবং অকৃত্রিম প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বড় এই পৃষ্ঠপোষকতা ক্লাবটির নারী ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সের মান বাড়াতে এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা সম্প্রসারণে সিটি ব্যাংক-ওয়াটার ডট ওআরজি-র যৌথ উদ্যোগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশে নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার টেকসই সম্প্রসারণ নিশ্চিত করতে সিটি ব্যাংক পিএলসি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়াটার ডট ওআরজি (Water.org) একটি উদ্ভাবনী ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের সূচনা করেছে। সম্প্রতি ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দুই বছর মেয়াদী এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এই উদ্যোগের আওতায় দেশের প্রান্তিক ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা (এমএসএমই) সহজ শর্তে এবং স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা পাবেন, যার মাধ্যমে উন্নত পানি ও স্যানিটেশন অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

সম্প্রতি স্বাক্ষরিত এই চুক্তির অধীনে সিটি ব্যাংক পিএলসি পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন (ডব্লিউএসএস) খাতের উদ্যোক্তা এবং মাইক্রোফিন্যান্স প্রতিষ্ঠানগুলোর (এমএফআই) জন্য মোট ২০০ কোটি টাকার অর্থায়ন নিশ্চিত করবে। কেবল অর্থায়ন নয়, বরং এই খাতের ব্যবসায়ীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এছাড়া জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে স্থানীয় পর্যায়ে উঠান বৈঠক ও সমাবেশের আয়োজন করা হবে, যাতে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি (ওয়াশ) চর্চা আরও জোরালো হয়।

রাজধানীর একটি হোটেলে ‘শেপিং দ্য ফিউচার অব সেফ ওয়াটার’ শীর্ষক এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, এমপি। তিনি তাঁর বক্তব্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, "জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পানির স্তর নেমে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে নিরাপদ পানির সংকটকে আরও তীব্র করতে পারে।" অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক হুসনে আরা শিখা এই উদ্যোগকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের টেকসই অর্থায়ন নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেন। তিনি এসডিজি ৬ (নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন) ও এসডিজি ৮ অর্জনে ব্যাংকিং খাতের বলিষ্ঠ ভুমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে সিটি ব্যাংক পিএলসি-এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিএফও মো. মাহবুবুর রহমান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুল মেহেদী, ইভিপি মো. মহিবুর রহমান এবং ওয়াটার ডট ওআরজি-এর দক্ষিণ এশিয়ার নির্বাহী পরিচালক ও কান্ট্রি ডিরেক্টর সাজিদ অমিতসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই যৌথ উদ্যোগটি বাংলাদেশের পানি ও স্যানিটেশন খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর ভুমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও উন্নয়ন অংশীদারদের প্রতিনিধিরাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে তাদের সংহতি প্রকাশ করেন।


জনতা ব্যাংকে টাস্কফোর্স সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

জনতা ব্যাংক পিএলসির প্রধান কার্যালয়ে খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে এক বিশেষ টাস্কফোর্স সভার আয়োজন করা হয়েছে। গত ২৬ এপ্রিল রোববার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা শ্রেণীকৃত ঋণ আদায়ের বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমান এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভায় ডিএমডি কাজী আব্দুর রহমান ও মো. ফয়েজ আলমসহ সংশ্লিষ্ট মহাব্যবস্থাপক ও উপমহাব্যবস্থাপকবৃন্দ এবং অন্যান্য নির্বাহী ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণ আদায়ে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী ও কর্মকর্তাকে
যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।


মার্কেটাইলে ব্যাংকের অনুদানে বাকৃবি’তে কৃষি গবেষণা প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

মার্কেটাইল ব্যাংক পিএলসি-এর পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ‘কৃষিপণ্য ও মৎস্যের ফসলোত্তর ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে হাইব্রিড ড্রায়িং সিস্টেম উদ্ভাবন’ শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পের সমাপনী কর্মশালা সম্পন্ন হয়েছে। গত ২৫ এপ্রিল শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদ সম্মেলন কক্ষে এই আয়োজনের মাধ্যমে প্রকল্পের সফলতা ও উদ্ভাবিত প্রযুক্তির কার্যকারিতা প্রদর্শন করা হয়। ব্যাংকের বিশেষ সিএসআর তহবিল থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা অনুদানের মাধ্যমে এই জনহিতকর গবেষণা প্রকল্পটি পরিচালিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মার্কেটাইল ব্যাংক পিএলসি-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান ঝুঁকি কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন এবং উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা ড. তাপস চন্দ্র পাল। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রিসিশন এগ্রিকালচার ও টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুরুল আলম।

গবেষণা প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরে জানানো হয় যে, এই উদ্যোগের অধীনে মোট ১৯টি উন্নত মানের ড্রায়ার বা শুকানোর যন্ত্র তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০টি ড্রায়ার ইতোমধ্যেই দেশের উপকূলীয় ও পাহাড়ি জেলা—কক্সবাজার, পটুয়াখালী, সাতক্ষীরা, টাঙ্গাইল, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির ব্যবহারকারীদের মধ্যে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট যন্ত্রগুলোর মধ্যে ৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং বাকি ৬টি বিতরণের অপেক্ষায় রয়েছে। গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, এই প্রযুক্তির উদ্ভাবন কৃষিপণ্য সংরক্ষণে বিপ্লব ঘটাবে এবং কৃষকদের আর্থিক ক্ষতি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষি উদ্যোক্তা, কৃষি বিজ্ঞানী ও শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।


এমএসএমই খাতে অর্থায়ন জোরদারে কমিউনিটি ব্যাংক ও লিমেরিক ডিস্ট্রিবিউশনের কৌশলগত অংশীদারিত্ব

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশের মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ বা এমএসএমই খাতে আর্থিক সহায়তার পরিধি বাড়াতে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং লিমেরিক ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড (এলডিএল) এক কৌশলগত অংশীদারিত্বে আবদ্ধ হয়েছে। ২৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ঢাকার এই দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের তৃণমূল পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনা এবং তাঁদের ব্যবসার টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই অংশীদারিত্ব আর্থিক অন্তর্ভুক্তি জোরদার করতে এবং নতুন উদ্যোক্তা বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কমিউনিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) কিমিয়া সাদাত এবং লিমেরিক ডিস্ট্রিবিউশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর. এম. নাজমুন সাকিব নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির ফলে এমএসএমই উদ্যোক্তারা এখন থেকে আরও সহজে ও দ্রুততার সাথে ঋণের সুবিধা ও অন্যান্য আর্থিক পরিষেবা গ্রহণ করতে পারবেন। গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা এই উদ্যোগকে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ব্যাংকের হেড অব করপোরেট ও হেড অব বিজনেস (ব্রাঞ্চ) ড. মো. আরিফুল ইসলাম এবং লিমেরিক ডিস্ট্রিবিউশনের সিনিয়র এজিএম মোস্তফা আল মামুনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই সমন্বিত প্রয়াস প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের পুঁজির সংকট দূর করবে এবং ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থার সুফল সবার কাছে পৌঁছে দিতে সহায়ক হবে। সামগ্রিকভাবে এই সমঝোতা স্মারকটি দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের উন্নয়নে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করল।


এনসিসি ব্যাংক ও বিডার মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বিনিয়োগকারীদের জন্য সেবা সহজতর, দ্রুততর ও সমন্বিত করার লক্ষ্যে এনসিসি ব্যাংক ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ওয়ান স্টপ সার্ভিস বিধিমালার আলোকে স্বাক্ষরিত এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বিডার অনলাইন ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে এনসিসি ব্যাংকের অনলাইন সিস্টেম সংযুক্ত করা হবে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানিয়েছে এনসিসি ব্যাংক।

এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় এনসিসি ব্যাংক ওএসএস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনলাইনে ব্যাংক হিসাব খোলাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সেবা প্রদান করবে। এছাড়া বিডা ও এনসিসি ব্যাংকের মধ্যে সার্ভার-টু-সার্ভার সংযোগের মাধ্যমে নিরাপদ তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করা হবে।

সম্প্রতি বিডার সম্মেলন কক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিডার নির্বাহী সদস্য এয়ার কমোডর মো. শাহারুল হুদার সভাপতিত্বে এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন এবং বিডার মহাপরিচালক (ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন) জীবন কৃষ্ণ সাহা রায় নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মো. শাহীনুজ্জামান, এনসিসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান এবং ট্রানজেকশন ব্যাংকিং ও ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান শাহীন আক্তার নুহসহ উভয় পক্ষের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন বলেন, বর্তমান সরকারের বিনিয়োগবান্ধব নীতির ধারাবাহিকতায় বিডা ইতোমধ্যে একটি সমন্বিত অনলাইন পোর্টাল চালু করেছে, যার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সেবা একক প্ল্যাটফর্ম থেকে গ্রহণ করতে পারেন। এই উদ্যোগে বিভিন্ন ব্যাংকের অংশগ্রহণ বিনিয়োগ সেবা প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করবে এবং এর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া আরও সহজ, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী হবে এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ জোরদার হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীদের প্রয়োজনীয় সেবা দিতে উভয় পক্ষ অনলাইনে প্রাসঙ্গিক তথ্য বিনিময় করবে এবং সিস্টেমের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা প্রদানসহ ডাটা যাচাই, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কার্যক্রমের দক্ষ বাস্তবায়নের জন্য উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে।


বাংলালিংকের ১২তম পৃষ্ঠপোষকতায় চট্টগ্রামের জব্বারের বলীখেলা সমাপ্ত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী আবদুল জব্বারের বলীখেলার ১১৭তম আসর জমজমাট আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। লালদীঘি ময়দানে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় ১০৮ জন বলীর মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বাঘা শরীফ। ফাইনালে তিনি কুমিল্লার রাশেদ বলীকে পরাজিত করে শিরোপা জেতেন। চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বাঘা শরীফ পান ৩০ হাজার টাকা এবং রানার-আপ রাশেদ বলী পান ২০ হাজার টাকা পুরস্কার।

এবারের আসরেও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ছিল দেশের ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক, যারা টানা ১২ বছর ধরে এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান।

শাহাদাত হোসেন বলেন, “জব্বারের বলী খেলা শুধু একটি ক্রীড়া আয়োজনই নয়; এ বলীখেলা আমাদের পরিচয়ের অংশ এবং শতাধিক বছর ধরে টিকে থাকা ইতিহাসের এক অনন্য নিদর্শন।”

বাংলালিংকসহ অন্যান্য অংশীদারদের সহযোগিতায় এ প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা বলীরা অংশগ্রহণ করেন।

বাংলালিংকের ক্লাস্টার ডেপুটি ডিরেক্টর সৈয়দ হোসেন চৌধুরী বলেন, এই আয়োজনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা তাদের ঐতিহ্য সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতিরই অংশ। তিনি জানান, শহর ও গ্রাম–সব জায়গায় মানুষের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করাই তাদের লক্ষ্য।

প্রথমবারের মতো এ বছর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম টফিতে সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শকরাও ঘরে বসে এই ঐতিহ্যবাহী খেলা উপভোগ করতে পেরেছেন।

১৯০৯ সালে আবদুল জব্বার সওদাগরের হাত ধরে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতা এখন জনউৎসবে পরিণত হয়েছে।


ডিজিটাল রূপান্তরে ওরাকল ও ডাটা এজের সঙ্গে এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি সই

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

গ্রাহক সুরক্ষা জোরদার ও ব্যাংকিং সেবার মানোন্নয়নে কোর ব্যাংকিং সিস্টেম উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে এনআরবি ব্যাংক পিএলসি। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি ওরাকল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস সফটওয়্যার (ওএফএসএস) এবং তাদের স্থানীয় অংশীদার ডাটা এজ লিমিটেডের সঙ্গে একটি চুক্তি সই করেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এনআরবি ব্যাংক।

চুক্তির আওতায় এনআরবি ব্যাংকের কোর ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্মকে ওরাকল ফ্লেক্সকিউব ইউবিএস ১৪ দশমিক ৮ সংস্করণে উন্নীত করা হবে। বাংলাদেশে এই সংস্করণ চালু করা প্রথম ব্যাংক হিসেবে এটি এনআরবি ব্যাংকের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে এনআরবি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও তারেক রিয়াজ খান এবং ডাটা এজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান নূর আলম চৌধুরী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনআরবি ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. শাহীন হাওলাদার, আনোয়ার উদ্দিন ও এম রশিদুল হুদা। এছাড়া ডাটা এজ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আসিফুজ্জামান, চিফ বিজনেস অফিসার অসীম তালুকদার এবং ওএফএসএসের প্রতিনিধি কে রাজেশ কুমার, সওজাতো জাইন ও সতীশ কৃষ্ণমূর্তি উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে, আপগ্রেড করা প্ল্যাটফর্মটি গ্রাহকসেবা উন্নত করার পাশাপাশি অপারেশনাল দক্ষতা বাড়াবে এবং আধুনিক ব্যাংকিং প্রযুক্তির সঙ্গে আরও সমন্বয় নিশ্চিত করবে। এর মাধ্যমে এনআরবি ব্যাংকের ডিজিটাল সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে এবং প্রতিযোগিতামূলক ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তারেক রিয়াজ খান বলেন, “এই উদ্যোগটি ডিজিটাল রূপান্তরের প্রতি এনআরবি ব্যাংকের অঙ্গীকার এবং আমাদের সম্মানিত গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান প্রত্যাশা পূরণের প্রতি আমাদের নিষ্ঠার প্রতিফলন।”

ডাটা এজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান নূর আলম চৌধুরী বলেন, “আমরা এই প্রকল্পের সফল ও সময়মতো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আত্মবিশ্বাসী যে এটি এনআরবি ব্যাংক ও এর গ্রাহকদের জন্য ব্যাপক সুফল বয়ে আনবে।”


banner close