বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
১৮ চৈত্র ১৪৩২

বছরের সবচেয়ে বড় সেল ১১.১১-এর আগে ব্র্যান্ড শপিং অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে দারাজমল নিয়ে এলো ‘অথেন্টিসিটি গ্যারান্টি’

নতুন রূপে দারাজমল অভিজ্ঞতায় থাকছে ৩ গুণ ক্যাশব্যাকসহ মানসম্মত পণ্যের গ্যারান্টি, এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড ডিল এবং আরও নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত ডেলিভারি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১ নভেম্বর, ২০২৫ ১৬:৪৪

দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ, বছরের সবচেয়ে বড় সেল ১১.১১ উপলক্ষে দারাজমলের জন্য এনেছে এক নতুন অভিজ্ঞতা। নতুনভাবে সাজানো দারাজমলে ব্র্যান্ড ও অনুমোদিত সেলাররা এখন দিচ্ছে অথেনটিসিটি গ্যারান্টি— যেখানে ক্রেতারা পণ্যের মান নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন এবং পণ্য আসল না হলে তিন গুণ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক* (শর্ত প্রযোজ্য) পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দারাজমল নিশ্চিত করছে আরও নির্ভরযোগ্য ও নিশ্চিন্ত ব্র্যান্ড শপিং অভিজ্ঞতা।

দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম এবং একমাত্র ভার্চুয়াল মল হিসেবে দারাজমল এই অঞ্চলের ১,৫০০-এর বেশি ব্র্যান্ড এবং লক্ষ লক্ষ গ্রাহকের আস্থা অর্জন করেছে। এতে ফ্যাশন, বিউটি, ইলেকট্রনিক্স, হোম অ্যান্ড লাইফস্টাইলসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরির দেশি-বিদেশি নানা ব্র্যান্ড রয়েছে; যার মধ্যে ওয়ালটন, ইউনিলিভার, আরএফএল হাউসওয়্যার, বাটা ইত্যাদির মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলো অন্যতম। নতুন দারাজমল ডিজাইনটি এখন আরও উজ্জ্বল বেগুনি রঙের প্যালেটকে তুলে ধরে, যা আসল পণ্য, উদ্ভাবন এবং একটি প্রাণবন্ত ব্র্যান্ড শপিং অভিজ্ঞতার প্রতি এর নতুন ফোকাসকে প্রতিফলিত করে।

দারাজ গ্রুপের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার এবং দারাজ বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বেন ই বলেন, “দারাজের সামগ্রিক ব্যবসায়িক কৌশলে দারাজমল একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যেখানে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো দক্ষিণ এশিয়ায় তাদের প্রযুক্তিগত বা ব্যবসায়িক কৌশলের মাধ্যমে প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করছে। দারাজমলের মাধ্যমে আমরা ব্র্যান্ড ও গ্রাহকদের সংযোগের ধরন নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছি—যেখানে ভরসা ও বিশ্বাসই হচ্ছে মূল ভিত্তি, যা এখনকার অনলাইন ক্রেতাদের জন্য সবচেয়ে মূল্যবান। আমাদের ‘অথেন্টিসিটি গ্যারান্টি’ এই আস্থাকে আরও শক্তিশালী করে।”

দারাজমল ক্রমাগতভাবে সেইসব গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা উন্নত করছে যারা নির্ভরযোগ্য ও অফিসিয়াল ব্র্যান্ড চ্যানেলের মাধ্যমে মানসম্মত পণ্য, ওয়ারেন্টি নিশ্চয়তা এবং কার্যকর আফটার-সেলস সাপোর্ট পেতে চান। একাধিক পেমেন্ট অপশন, এক্সক্লুসিভ কার্ড অফার, সুবিধাজনক ডোর-টু-ডোর ডেলিভারি, দ্রুত কাস্টমার সার্ভিস এবং প্রায়োরিটি রিটার্নের সুবিধা সহ দারাজমল একটি বিশ্বস্ত গন্তব্যে পরিণত হয়েছে, যা প্রতিটি কেনাকাটায় গুণমান এবং আস্থা নিশ্চিত করে।

এই ১১.১১ ক্যাম্পেইনে দারাজমল দক্ষিণ এশিয়ার গ্রাহকদের দিচ্ছে ১ কোটি ১৭ লক্ষেরও বেশি ব্র্যান্ডেড পণ্যে আকর্ষণীয় অফারসহ উচ্ছ্বাস ও নিশ্চয়তার এক অনন্য সংমিশ্রণ। তিনগুণ ক্যাশব্যাকসহ মানসম্মত পণ্যের গ্যারান্টির পাশাপাশি, ক্রেতারা পাচ্ছেন ফ্রি ডেলিভারি, এক্সক্লুসিভ ব্র্যান্ড ডিল এবং প্রতিদিনের ব্র্যান্ড রাশ আওয়ারে ৬০% পর্যন্ত ফ্ল্যাশ ভাউচার সুবিধা। গ্রাহকরা দ্রুততম ২ দিনের মধ্যে ডেলিভারি এবং ঝামেলাহীন ১৪-দিনের রিটার্ন সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন, যা কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে করবে চিন্তামুক্ত।

দারাজমলের মোবাইল ব্র্যান্ড হিসেবে দারাজের সাথে এই সফল অগ্রযাত্রা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে রিয়েলমি বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যালেন চেন বলেন, "দারাজের সাথে আমাদের এই পথচলাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পেরে রিয়েলমি-তে আমরা সত্যিই রোমাঞ্চিত, বিশেষ করে দারাজের ৭.৭, ৯.৯ এবং ১০.১০ ক্যাম্পেইনের অভূতপূর্ব সাফল্যের পর, যা প্ল্যাটফর্মটিতে 'নম্বর ১' মোবাইল ব্র্যান্ড হিসেবে আমাদের অবস্থানকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে। এই সাফল্য এসেছে দারাজের সাথে আমাদের একই অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে, যার মাধ্যমে আমরা রিয়েলমি নোট ৬০এক্স, সি৭১ এবং রিয়েলমি ১৪ সিরিজের মতো আমাদের জনপ্রিয় ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি লক্ষ লক্ষ গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিয়ে তাদের অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করতে পেরেছি। আসন্ন ১১.১১-তে, আমরা সেই প্রতিশ্রুতিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আমাদের সর্বাধুনিক রিয়েলমি সি৮৫ প্রো এবং সম্পূর্ণ নতুন রিয়েলমি ১৫ সিরিজের পাশাপাশি গ্রাহকদের অন্যতম পছন্দের নোট ৬০এক্স, নোট ৭০ ও সি৭১-এর মতো ডিভাইসগুলো থাকছে অভাবনীয় সব মূল্যে! দারাজের এই ১১.১১-তে রিয়েলমির অসাধারণ অফার জানতে নিয়মিত চোখ রাখুন।"

সাধারণ সেলারদের তুলনায় দারাজমল, ব্র্যান্ডের শক্তিশালী বিশ্বাসযোগ্যতা প্রদান করে, কারণ শুধুমাত্র ভেরিফায়েড ব্র্যান্ড এবং অথোরাইজড সেলাররাই দারাজমলে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে। তারা বাংলাদেশ জুড়ে দারাজের ২ কোটির বেশি গ্রাহকের বিশাল পরিবার সরাসরি অ্যাক্সেস, প্ল্যাটফর্মের বার্ষিক ক্যাম্পেইন ক্যালেন্ডার, ‘সুপার ব্র্যান্ড ডে’-এর মতো এক্সক্লুসিভ সেলস ইভেন্ট এবং প্ল্যাটফর্মের সমন্বিত লজিস্টিক নেটওয়ার্ক থেকে উপকৃত হন।

এছাড়াও, দারাজমলের ভ্যালু-অ্যাডেড সার্ভিস স্যুইট ব্র্যান্ডগুলোর জন্য একটি সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে, যা ট্র্যাফিক বৃদ্ধি, কনভার্সন বাড়ানোর টুলস, প্রিসিশন মার্কেটিং, ইনফ্লুয়েন্সার রিচ এবং পেশাদার ব্র্যান্ড সাপোর্ট প্রদান করে—যা স্বাভাবিক ব্যবসায়িক সময়ের পাশাপাশি ১১.১১-এর মতো মেগা ক্যাম্পেইনেও ব্র্যান্ডগুলোকে এগিয়ে রাখে।
• ‘আর্লি বার্ড’ এবং ‘ফ্ল্যাশ সেল’ প্রোগ্রামের মাধ্যমে, ব্র্যান্ডগুলো নতুন পণ্য উন্মোচন এবং সীমিত সময়ের ডিলের জন্য তাৎক্ষণিক এক্সপোজার পায়, যা ২০০% পর্যন্ত বেশি ভিজিবিলিটি এবং দ্রুত পণ্য বিক্রিতে সহায়তা করে।
• ‘ফ্রি ডেলিভারি ভাউচার’ এবং ‘ভাউচার ম্যাক্স’-এর মতো কনভার্সন-ড্রাইভিং ফিচারগুলো কেনাকাটার প্রতিবন্ধকতা কমায়, গড় অর্ডার ভ্যালু বাড়ায় এবং পুনরায় কেনাকাটায় উৎসাহিত করে।
• দারাজ মার্কেটিং সলিউশনস (ডিএমএস) এআই-চালিত টার্গেটিংয়ের মাধ্যমে কম খরচে কার্যকরভাবে ট্র্যাফিককে কনভার্সনে রূপান্তর করে, অন্যদিকে অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডগুলোকে ইনফ্লুয়েন্সার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আরও বিস্তৃত ও স্বতঃস্ফূর্ত প্রচারের সুযোগ করে দেয়।
• এই টুলগুলোর পাশাপাশি, দারাজ বিজনেস সলিউশনস (ডিবিএস) সম্পূর্ণ ই-কমার্স ম্যানেজমেন্ট সেবা প্রদান করে, যা সেলারদের কার্যক্রম প্রসারিত করতে এবং দারাজমলে শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডে রূপান্তরিত হতে সহায়তা করে।

বেন আরও বলেন, "ব্র্যান্ডগুলোকে ভিজিবিলিটি, মার্কেটিং এবং ফুলফিলমেন্ট সাপোর্ট দিয়ে আমরা তাদের ডিজিটাল উপস্থিতিকে শক্তিশালী করছি এবং একই সাথে দক্ষিণ এশিয়ার গ্রাহকদের অনলাইনে কেনাকাটার একটি উন্নত ও নির্ভরযোগ্য উপায় প্রদান করছি।"

ক্রেতারা দারাজ অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের হোমপেজে ডেডিকেটেড দারাজমল চ্যানেলের মাধ্যমে সহজেই দারাজমল খুঁজে পেতে পারেন। কেনাকাটার পুরো সময়জুড়ে "মল" ব্যাজযুক্ত পণ্যগুলো সহজেই চেনা যায়, যা গ্রাহকদের এই আশ্বাস দেয় যে প্রতিটি কেনাকাটা ভেরিফায়েড ব্র্যান্ড পার্টনার বা সেলারদের কাছ থেকে আসছে এবং এর সাথে রয়েছে আসল পণ্যের নিশ্চয়তা ও নির্ভরযোগ্য সেবা।


ক্যাশ রেমিট্যান্স গ্রহণ করে মোটর সাইকেল পেলেন মাঈন উদ্দিন ও মো: জিয়াউল হক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-তে রিয়া মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে প্রবাসী আয় পাঠিয়ে উপহার হিসেবে নতুন মোটরসাইকেল জিতে নিয়েছেন দুই গ্রাহক। চলমান রেমিট্যান্স উৎসবের ১৯তম বিজয়ী হিসেবে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট শাখার গ্রাহক মাঈন উদ্দিন এবং ২০তম বিজয়ী হিসেবে ফেনী শাখার সেলফিন ব্যবহারকারী গ্রাহক মো: জিয়াউল হক এই পুরস্কার লাভ করেন। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ব্যাংকটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজধানীর ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ডিজিটাল র‍্যাফেল ড্র-এর মাধ্যমে তাদের নাম ঘোষণা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী নাসির উদ্দিনের পাঠানো রেমিট্যান্সের বিপরীতে মাঈন উদ্দিন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী মোহাম্মদ মমিনুল হকের পাঠানো অর্থের বিপরীতে জিয়াউল হক এই সাফল্য অর্জন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো: ওমর ফারুক খান। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো: রফিকুল ইসলাম, ফরেন রেমিট্যান্স সার্ভিসেস ডিভিশন প্রধান মো: মোতাহার হোসেন মোল্লা, ওভারসিজ ব্যাংকিং ডিভিশন প্রধান মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন এবং ফরেন ট্রেড প্রসেসিং ডিভিশন প্রধান মো: দাউদ খান। রিয়া মানি ট্রান্সফার বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কান্ট্রি ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম তালুকদার ও অ্যাসিস্ট্যান্ট অপারেশনস ম্যানেজার মো: আরাফাত হোসেন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য যে, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে রিয়া মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে ক্যাশ রেমিট্যান্স গ্রহণকারী গ্রাহকদের জন্য এই বিশেষ উৎসবের আয়োজন করা হয়। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রতি ব্যাংকিং কার্যদিবসে (রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার) ডিজিটাল ড্র-এর মাধ্যমে একজন করে বিজয়ীকে মোটরসাইকেল প্রদান করা হয়েছে। মাঈন উদ্দিন ও জিয়াউল হকের মাধ্যমে এই আয়োজনের সর্বমোট ২০টি মোটরসাইকেল বিতরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো।


এরিস্টোফার্মার স্টেকহোল্ডাররা পেমেন্ট পাবেন বিকাশ-এ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এরিস্টোফার্মা লিমিটেড তাদের ব্যবসায়িক অংশীদার ও স্টেকহোল্ডারদের লেনদেন প্রক্রিয়া আরও আধুনিক করার উদ্যোগ নিয়েছে। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটি তাদের স্টেকহোল্ডারদের যাবতীয় পেমেন্ট সরাসরি বিকাশ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রদান করবে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিকাশের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজধানীর এরিস্টোফার্মা প্রধান কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির ফলে মাঠ পর্যায়ে কোম্পানির আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ, নিরাপদ ও সহজতর হবে। এটি মূলত নগদ টাকার ঝুঁকি কমিয়ে একটি ক্যাশলেস ইকোসিস্টেম বা নগদহীন সমাজ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এরিস্টোফার্মা-র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ সাহিদ হাসান, ডিরেক্টর আহমেদ ইমতিয়াজ হাসান, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও কোম্পানি সেক্রেটারি মো. মমিনুল ইসলাম এবং এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মোহাম্মাদ সিদ্দিকুল আলম শিকদার। বিকাশ-এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ, হেড অফ বিজনেস সেলস মাশরুর চৌধুরী এবং বিজনেস সেলস বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার মো. সোমেল রেজা খানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে ভবিষ্যতে ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি আরও বাড়াতে উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করে।

এই চুক্তির আওতায় এরিস্টোফার্মা বিকাশ-এর ‘ডিসবার্সমেন্ট সল্যুশন’ ব্যবহার করে সরাসরি স্টেকহোল্ডারদের অ্যাকাউন্টে অর্থ পাঠাতে পারবে। এই পেমেন্ট গ্রাহকরা দেশজুড়ে থাকা যেকোনো বিকাশ এজেন্ট পয়েন্ট বা এটিএম বুথ থেকে ক্যাশ আউট করতে পারবেন। এছাড়া লেনদেনের পাশাপাশি তারা বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, মোবাইল রিচার্জ, ব্যাংকে সেভিংস খোলা এবং সরকারি ফি প্রদানের মতো বিবিধ ডিজিটাল সুবিধা ঘরে বসেই উপভোগ করতে পারবেন। আধুনিক এই ব্যবস্থাপনাটি মূলত আর্থিক নিরাপত্তার পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সময় ও শ্রম সাশ্রয় করবে।


এনসিসি ব্যাংক চালু করল গ্রিন সেভিংস অ্যাকাউন্ট

আপডেটেড ২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৪
করপোরেট ডেস্ক

আয়কর ও পরিবেশ সচেতনতাকে প্রাধান্য দিয়ে ‘গো ডিজিটাল, গো গ্রিন’ স্লোগানকে সামনে রেখে এনসিসি ব্যাংক তাদের রিটেইল ব্যাংকিং পোর্টফোলিওতে ‘এনসিসি নিওএক্স অ্যাকাউন্ট’ নামে একটি বিশেষ সঞ্চয়ী হিসাবের সূচনা করেছে। গ্রাহকদের আধুনিক ও সহজতর ডিজিটাল অভিজ্ঞতা প্রদানের পাশাপাশি টেকসই ব্যাংকিং কার্যক্রমকে উৎসাহিত করাই এই নতুন উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ব্যাংকটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলনে এই বিশেষ সেবাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে গ্রাহকরা সম্পূর্ণ অনলাইনে ঘরে বসেই হিসাব খোলা ও ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করার সুযোগ পাবেন। এছাড়া গ্রাহকদের ব্যবহারের জন্য দেওয়া হবে পরিবেশবান্ধব ও রিসাইকেলযোগ্য ডেবিট কার্ড। এই সঞ্চয়ী হিসেবে জমা করা অর্থ মূলত নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই কৃষিসহ বিভিন্ন সবুজ ও পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মো: নূরুন নেওয়াজ সেলিম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সালাম, পরিচালক ও সাবেক চেয়ারম্যান আমজাদুল ফেরদৌস চৌধুরী, পরিচালক ও সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান তানজিনা আলী এবং পরিচালক সৈয়দ আসিফ নিজাম উদ্দিন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান খায়রুল আলম চাকলাদার, পরিচালকবৃন্দ মো: মঈনউদ্দীন, মোহাম্মদ সাজ্জাদ উন নেওয়াজ, শামীমা নেওয়াজ, মোর্শেদুল আলম চাকলাদার, নাহিদ বানু এবং স্বতন্ত্র পরিচালকবৃন্দ। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. খোরশেদ আলমসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো: নূরুন নেওয়াজ সেলিম জানান, পরিবেশবান্ধব ব্যাংকিং কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়া এবং টেকসই উন্নয়নের বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এনসিসি ব্যাংক বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, ‘এনসিসি নিওএক্স সেভিংস অ্যাকাউন্ট গ্রাহকদের সবুজ অর্থায়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ এনে দিয়েছে। এতে তারা যেমন আধুনিক ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের সুবিধা পাবেন, তেমনি পরিবেশ সংরক্ষণেও ভূমিকা রাখতে পারবেন।’ তাঁর মতে, এই সেবার মাধ্যমে উদ্ভাবন ও দায়িত্বশীল ব্যাংকিংয়ের প্রতি এনসিসি ব্যাংকের অঙ্গীকার আরও জোরালো হলো, যা একটি ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গড়তে সহায়ক হবে।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন বলেন, ‘এনসিসি নিওএক্স অ্যাকাউন্ট ব্যাংকের ডিজিটাল রূপান্তর ও টেকসই ব্যাংকিং প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।’ তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সেবা গ্রাহকদের আধুনিক অভিজ্ঞতা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের পরিবেশবান্ধব উদ্যোগে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। এই অ্যাকাউন্টের গ্রাহকরা আকর্ষণীয় সুদের হার, বিনামূল্যে ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও এসএমএস অ্যালার্ট সুবিধার পাশাপাশি ‘গ্রিন ব্যাংকিং’ সহযোগী হিসেবে বিশেষ স্বীকৃতি পাবেন। এর ফলে সাধারণ গ্রাহকরা কেবল আধুনিক সেবাই উপভোগ করবেন না, বরং প্রকৃতির সুরক্ষায় সরাসরি অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।


জনতা ব্যাংকের অ্যাসেট-লায়াবিলিটি ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

ব্যাংকিং কার্যক্রমের গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং আর্থিক ভিত শক্তিশালী করার লক্ষ্যে জনতা ব্যাংক পিএলসি নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আমানত বৃদ্ধি ও বৈদেশিক রেমিট্যান্স প্রবাহ সচল রাখতে ব্যাংকটি তাদের বর্তমান পরিচালনা পদ্ধতিতে বিশেষ পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত ‘অ্যাসেট-লায়াবিলিটি ম্যানেজমেন্ট কমিটি’ বা অ্যালকো-র এক সভায় এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ফয়েজ আলম। সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের মহাব্যবস্থাপক ও উপমহাব্যবস্থাপকবৃন্দ।

সভাপতির বক্তব্যে মো: ফয়েজ আলম বর্তমান বাস্তবতার নিরিখে সুনির্দিষ্ট কর্মকৌশল প্রণয়নের তাগিদ দেন। তিনি আমানত সংগ্রহ ত্বরান্বিত করার পাশাপাশি অটো চালান ও ফরেন রেমিট্যান্স বাড়ানোর জন্য কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন। একইসঙ্গে ব্যাংকের আর্থিক ভারসাম্য বজায় রাখতে শ্রেণীকৃত ঋণ আদায় কার্যক্রম আরও জোরালো করার নির্দেশ দেন তিনি। ঋণ ঝুঁকি কমাতে এবং অবলোপনকৃত ঋণ পুনরুদ্ধারে কঠোর হওয়ার ওপর সভায় বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। ব্যাংকের সার্বিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।


ব্র্যাক ব্যাংকের গ্রাহকরা ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে পাবেন বিশেষ সুবিধা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে প্রিমিয়াম লাইফস্টাইল ও ডাইনিং সুবিধা পাবেন ব্র্যাক ব্যাংকের গ্রাহকেরা। ব্র্যাক ব্যাংকের কার্ডধারীরা ক্রাউন প্লাজার মোজাইক রেস্টুরেন্টে বুফে ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ কিংবা ডিনারে ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি’ সুবিধা পাবেন বছরজুড়েই। এ জন্য ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টের সঙ্গে চুক্তি করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ব্যাংকটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল শনিবার দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তিটি স্বাক্ষর করেন ব্র্যাক ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহীয়ুল ইসলাম ও ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টের ক্লাস্টার ডিরেক্টর অব হিউম্যান রিসোর্সেস নাজমুল হুদা। ব্র্যাক ব্যাংক জানায়, চুক্তির আওতায় ব্যাংকের গ্রাহকেরা মোজাইক, কানেকশনস ও হাউস অব হান-এ আ লা কার্ট ডাইনিংয়ে ১০ শতাংশ মূল্যছাড় সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি হোটেলের হেলথ ক্লাব, সুইমিং পুল এবং ভেন্যু বুকিংয়ের ক্ষেত্রেও ১০ শতাংশ ছাড় পাবেন।

চুক্তিসই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টের ক্লাস্টার ফাইন্যান্স ডিরেক্টর সুজন সাহা, বিক্রয় ও বিপণনের ক্লাস্টার ডিরেক্টর মো. নজরুল ইসলাম, ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অব অ্যালায়েন্সেস মো. আশরাফুল আলম, হেড অব এমপ্লয়ি ব্যাংকিং এ কে এম শাহাদুল ইসলাম ও মার্চেন্ট অ্যাকোয়ারিংয়ের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক দীপক চন্দ্র দাস প্রমুখ।


মহান স্বাধীনতা দিবসে আকিজ বাইসাইকেলের পৃষ্ঠপোষকতায় পূর্বাচলে বর্ণাঢ্য সাইক্লিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার পূর্বাচল ৩০০ ফিট রুটে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বর্ণাঢ্য সাইক্লিং প্রতিযোগিতা ‘এমসিসি মাস এমটিবি রেস চ্যালেঞ্জ ২০২৬’। দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড আকিজ বাইসাইকেলের টাইটেল স্পন্সরশিপে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন প্রায় ২০০ জন উচ্ছ্বসিত সাইকেলপ্রেমী। যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং শারীরিক সুস্থতার প্রতি সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েই ২৬ শে মার্চের এই বিশেষ দিনে আয়োজনটি সম্পন্ন হয়।

পূর্বাচলের মনোরম পরিবেশে দীর্ঘ ২৬ কিলোমিটারের এই চ্যালেঞ্জিং রুটে প্রতিযোগীরা তাদের ধৈর্য, শারীরিক সক্ষমতা এবং সাইকেল চালনার মুন্সিয়ানা প্রদর্শন করেন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী তরুণদের মধ্যে এক অভূতপূর্ব উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, আধুনিক যুগে তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ জীবনধারায় ফিরিয়ে আনতে এবং খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে সাইক্লিং একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। ২৬ কিলোমিটারের এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার মাধ্যমে প্রতিযোগীরা কেবল নিজেদের দক্ষতা নয়, বরং মানসিক দৃঢ়তারও প্রমাণ দিয়েছেন।

আকিজ বাইসাইকেল দীর্ঘ সময় ধরে দেশের সাইক্লিং কমিউনিটির উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এই আয়োজনের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে তারা যুব সমাজের মধ্যে সাইকেল চালনার অনুপ্রেরণা জোগানোর পাশাপাশি একটি শক্তিশালী সমাজ গঠনের বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি কেবল দেশীয় বাজারে মানসম্মত সাইকেল সরবরাহ করছে না, বরং আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বিশ্ববাজারে সাইকেল রপ্তানি করার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বিশ্বমানের প্রযুক্তি ও আধুনিক ডিজাইনের সমন্বয়ে তৈরি আকিজ বাইসাইকেল এখন বিদেশের মাটিতেও বাংলাদেশের সুনাম উজ্জ্বল করছে।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সাইক্লিং কেবল একটি খেলাধুলা বা শখ নয়, বরং এটি একটি সুস্থ, সচেতন এবং সুশৃঙ্খল জাতি গঠনের অনন্য মাধ্যম। যুব সমাজকে মাদক ও অলস জীবনধারা থেকে দূরে রেখে সক্রিয় ও স্বাবলম্বী করার উদ্দেশ্যেই আকিজ বাইসাইকেল নিয়মিত এমন উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত হচ্ছে। আগামী দিনগুলোতেও সাইক্লিং ইভেন্টের প্রসার এবং দেশীয় সাইক্লিং কমিউনিটিকে আরও শক্তিশালী করতে আকিজ বাইসাইকেল তাদের সহযোগিতার ধারা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে। সফলভাবে এই চ্যালেঞ্জ সম্পন্ন করার মাধ্যমে প্রতিযোগীরা সুস্থ শরীর ও মন গঠনের এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।


মেটলাইফ বাংলাদেশের সাথে এনরুট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চুক্তি স্বাক্ষর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

দেশের অন্যতম শীর্ষ মানবসম্পদ (এইচআর) পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এনরুট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড সম্প্রতি মেটলাইফ বাংলাদেশের সাথে একটি করপোরেট বীমা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির ফলে এনরুটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত পেশাজীবীরা মেটলাইফের বিশেষ বীমা সুরক্ষা সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হবেন। রাজধানীর এনরুট কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তিতে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন এনরুট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার মো. শাহজাদ হোসেন জিশান এবং মেটলাইফ বাংলাদেশের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার আলা উদ্দিন। দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে এনরুট ইন্টারন্যাশনাল দেশের বিভিন্ন জাতীয় ও বহুজাতিক সংস্থাকে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, অপারেশনাল ম্যানেজমেন্ট এবং এইচআর কৌশল সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা প্রদান করে আসছে।

বিমা দাবি নিষ্পত্তিতে ধারাবাহিক সাফল্য, কাস্টমাইজড সেবা ও উন্নত ডিজিটাল ড্যাশবোর্ডের পাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি ও অ্যাম্বুলেন্স সেবায় ক্যাশলেস সুবিধার কারণে মেটলাইফকে এই বীমা সুরক্ষার জন্য বেছে নিয়েছে এনরুট। এছাড়া শক্তিশালী আর্থিক সক্ষমতা এবং দ্রুত ও ঝামেলাহীন সেবা প্রদানের সুনামও এই সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করেছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১০ লাখ ব্যক্তিগত গ্রাহক এবং ৯০০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩ লাখ কর্মীকে বীমা সুরক্ষা দিচ্ছে মেটলাইফ। ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের মোট ২ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকার বীমা দাবি পরিশোধ করেছে। এনরুটের সাথে এই চুক্তির ফলে প্রতিষ্ঠানটির বিশাল জনবল এখন থেকে মেটলাইফের উন্নত বীমা সুবিধার আওতায় আসবে।


জনতা ব্যাংকে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে জনতা ব্যাংক পিএলসিতে মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে দিনের শুরুতে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

পরবর্তীতে জনতা ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান মুহঃ ফজলুর রহমান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মজিবর রহমানের নেতৃত্বে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে ব্যাংকের পরিচালক আব্দুল মজিদ শেখ ও আব্দুল আউয়াল সরকারসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া শ্রদ্ধা নিবেদনকালে জাতীয়তাবাদী অফিসার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, জাতীয়তাবাদী কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ এবং ব্যাংকের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।


সিটি ব্যাংক ও বিকাশের ‘পে-লেটার’ সেবায় রিচার্জের টাকা পরিশোধ করা যাবে পরে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বিকাশ-এ ব্যালেন্স না থাকলেও এখন মুহূর্তেই নিজের অথবা প্রিয়জনের মোবাইলে এক হাজার টাকা পর্যন্ত রিচার্জ করা যাচ্ছে বিকাশ অ্যাপের ‘পে-লেটার’ দিয়ে। গ্রাহক চাইলে পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যেই এই টাকা ইন্টারেস্ট ছাড়াই পরিশোধ করতে পারছেন। মোবাইল রিচার্জের মতো অতিপ্রয়োজনীয় খাতে সিটি ব্যাংক ও বিকাশ এর যৌথ ‘পে-লেটার’ সেবা গ্রাহকদের জরুরি মুহূর্তে দিচ্ছে নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল সেবা, স্বস্তি ও নিরাপত্তা।

বুধবার (২৫ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বিকাশ কর্তৃপক্ষ।

পে-লেটার সেবা পাওয়ার জন্য বিবেচিত গ্রাহকরা এই সেবার আওতায় যেকোনো অপারেটরে ১০০ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত মোবাইল রিচার্জ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে প্রোসেসিং ফি যুক্ত হবে। ইন্টারনেট, মিনিট, বান্ডেল কিংবা টকটাইমসহ যেকোনো রিচার্জ গ্রাহক তার পছন্দমতো নিতে পারবেন। কেবল প্রিপেইডই নয়, পোস্টপেইড গ্রাহকরাও তাদের মোবাইল রিচার্জে এই সুবিধা নিতে পারবেন।

পে-লেটার সেবায় নির্ধারিত অংকের টাকা একবারে বা বহুবারে নেয়ার সুযোগ আছে। বিকাশ অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্স যে অংকেরই থাকুক, গ্রাহক তার প্রয়োজনে এই পে-লেটার সেবা ব্যবহার করতে পারবেন।

যেভাবে রিচার্জ করা যাবে

বিকাশ অ্যাপের ‘মোবাইল রিচার্জ’ অপশনে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত নাম্বার ও টাকার পরিমাণ (একশ থেকে এক হাজার টাকা) দেয়ার পর পেমেন্ট স্ক্রিনে ‘পে-লেটার’ অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘৭ দিনে পরিশোধ’ সিলেক্ট করে, পরের ধাপে বিস্তারিত দেখে নিশ্চিত করলেই মোবাইল রিচার্জ সম্পন্ন হবে। যারা বিকাশ অ্যাপে পে-লেটার সেবার জন্য বিবেচিত হয়েছেন, তারাই এই সেবা ব্যবহার করতে পারবেন।

পরিশোধের নিয়ম ও সুবিধা

পে-লেটার করার সাতদিন পরে বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মোবাইল রিচার্জের টাকা পরিশোধ হয়ে যাবে। তাই, নির্ধারিত তারিখের মধ্যে গ্রাহকের বিকাশ অ্যাকাউন্টে প্রয়োজনীয় ব্যালেন্স রাখতে হবে। গ্রাহক চাইলে, এর আগেও তা পরিশোধ করতে পারবেন। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিশোধে ব্যর্থ হলে শর্তানুযায়ী বিলম্ব ইন্টারেস্ট প্রযোজ্য হবে।

বিকাশ-এর জনপ্রিয় মোবাইল রিচার্জ সেবায় এবার পে-লেটার করার সুবিধা গ্রাহকের জীবনধারাকে আরও সহজ ও নিরবচ্ছিন্ন করবে, পাশাপাশি, ক্যাশবিহীন ডিজিটাল লেনদেনের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করবে।


ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা ২৫ মার্চ, ২০২৬ বুধবার রাজধানীর ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যাংকের সামগ্রিক ব্যবসায়িক গতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করার লক্ষ্যে এই সভার আয়োজন করা হয়।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়ের রহমান উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ আবদুস সালাম, এফসিএ, এফসিএস এবং রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান। এছাড়া স্বতন্ত্র পরিচালক এস. এম. আব্দুল হামিদ, ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ ওমর ফারুক খান এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মোঃ হাবিবুর রহমান সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় ব্যাংকের সাম্প্রতিক সময়ের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির টেকসই প্রবৃদ্ধি ও সেবার মানোন্নয়নে পরিচালনা পর্ষদ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক ও নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।


বন-চর-পাহাড়-উপকূলের দুর্গম জনপদে আর্থিক সেবায় এজেন্ট ব্যাংকিং

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

একসময় ব্যাংক মানেই ছিল শহরের পাকা রাস্তা, উঁচু ভবন আর কাচঘেরা শাখা। কিন্তু সময় বদলেছে। ব্যাংকিং সেবা এখন পৌঁছে গেছে দেশের এমন সব প্রান্তে, যেখানে একসময় ব্যাংক শাখা ছিল কল্পনাতীত। বনাঞ্চলের নিভৃত গ্রাম, নদীভাঙনে গড়ে ওঠা চর, দুর্গম পাহাড়ি পথ কিংবা ঘূর্ণিঝড়প্রবণ উপকূল–সবখানেই এখন ব্যাংকিং সেবা মানুষের হাতের নাগালে।

গ্রামের কাঁচা রাস্তার পাশে ছোট্ট একটি ঘর, টিনের চালার নিচে বসে লেনদেন করছেন স্থানীয় প্রতিনিধি– এটাই এখন অনেক অঞ্চলের বাস্তব ব্যাংকিং চিত্র। এই পরিবর্তনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে ব্র্যাক ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং, যা পৌঁছে গেছে সেই সব এলাকায়, যেখানে পৌঁছানোই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক বৈচিত্র্য যেমন সমৃদ্ধ, তেমনি চ্যালেঞ্জিং। নদীভাঙন, ঘন বনাঞ্চল, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ও উপকূলীয় অঞ্চল– এসব জায়গায় প্রচলিত ব্যাংক শাখা স্থাপন ব্যয়বহুল ও জটিল। ফলে দীর্ঘদিন ধরে লাখো মানুষ আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে ছিলেন। এজেন্ট ব্যাংকিং সেই সীমাবদ্ধতাকে ভেঙে দিয়েছে। এখন ব্যাংকই পৌঁছে যাচ্ছে গ্রাহকের কাছে– স্থানীয় বিশ্বস্ত উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে। এতে সময়, খরচ ও ভোগান্তি কমেছে, আর বেড়েছে মানুষের আস্থা।

বর্তমানে ব্র্যাক ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ১,১২০টি আউটলেটের মাধ্যমে দেশের বনাঞ্চল, চরাঞ্চল, পাহাড়ি ও উপকূলীয় এলাকায় সেবা দিচ্ছে। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে গ্রাহকরা পাচ্ছেন– সেভিংস ও কারেন্ট অ্যাকাউন্ট; ডিপিএস ও এফডিআর; দেশি-বিদেশি রেমিট্যান্স; ক্ষুদ্র ও উদ্যোক্তা ঋণ; সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা বিতরণ ও ডিজিটাল লেনদেনসহ মৌলিক ব্যাংকিং সেবা। ফলে শহরকেন্দ্রিক ব্যাংকিং ধারণা ভেঙে গড়ে উঠেছে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক নেটওয়ার্ক।

সুন্দরবনসংলগ্ন অঞ্চল– শ্যামনগর, পাইকগাছা, দাকোপ, ফকিরহাট ও কয়রায় স্থাপিত ১৭টি আউটলেট এখন স্থানীয় মানুষের নিয়মিত ব্যাংকিং কেন্দ্র। আগে যেখানে নিরাপদ সঞ্চয়ের সুযোগ ছিল সীমিত, এখন সেখানে মানুষ নিশ্চিন্তে সঞ্চয় করছেন।

চর ও উপকূলীয় অঞ্চল যেমন চরফ্যাশন, টেকনাফ, কুতুবদিয়া, হাতিয়া, সুবর্ণচর, মোংলা ও কলাপাড়ায় ৭৬টি আউটলেটের মাধ্যমে সেবা পৌঁছেছে। পাশাপাশি রামগড়, পানছড়ি, মানিকছড়ি, মাটিরাঙা, লংগদু ও দীঘিনালাসহ পাহাড়ি অঞ্চলে ১১টি আউটলেট নিয়মিত সেবা দিচ্ছে। এই বিস্তারের ফলে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে এসেছে গতি, কমেছে নগদের ওপর নির্ভরতা এবং বেড়েছে আর্থিক স্বচ্ছতা।

দুর্গম অঞ্চলে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের প্রসারের ফলে মানুষের মধ্যে ব্যাংকিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ৬০ হাজারেরও বেশি গ্রাহক নতুন অ্যাকাউন্ট খুলেছেন, যাদের অধিকাংশই প্রথমবারের মতো ব্যাংকিং সেবার আওতায় এসেছেন। এই অন্তর্ভুক্তির ফলে ২০০ কোটি টাকারও বেশি আমানত সংগ্রহ হয়েছে এবং ৬৫ কোটি টাকার বেশি ঋণ সুবিধা পেয়েছেন গ্রাহকরা; যা স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করেছে।

দুর্গম অঞ্চলে ব্যাংকিং এখন শুধু লেনদেনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি হয়ে উঠেছে আর্থিক সচেতনতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি মাধ্যম। স্থানীয় এজেন্টরা কেবল সেবা প্রদানকারী নন, তারা আর্থিক পরামর্শদাতা হিসেবেও কাজ করছেন। ফলে গ্রাহকদের সঙ্গে তৈরি হচ্ছে দীর্ঘমেয়াদি আস্থার সম্পর্ক।

ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় এজেন্ট ব্যাংকিং দ্রুত ও নিরাপদ সেবা নিশ্চিত করছে। বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন, রিয়েল-টাইম ট্রানজ্যাকশন এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকিং সিস্টেমের সঙ্গে সংযোগের মাধ্যমে গ্রাহকরা শহরের মতোই নির্ভরযোগ্য সেবা পাচ্ছেন। এটি দেশের ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে গতি সঞ্চার করছে এবং ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে এগিয়ে নিচ্ছে।

আজ বন–চর–পাহাড়–উপকূলের মানুষের কাছে ব্যাংক আর দূরের কোনো প্রতিষ্ঠান নয়। এটি এখন পরিচিত মুখ, আস্থার জায়গা এবং প্রয়োজনের সঙ্গী। ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং তৈরি করেছে এক নতুন দৃষ্টান্ত– যেখানে মূল দর্শন অন্তর্ভুক্তি, সক্ষমতা ও টেকসই উন্নয়ন।


সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি-আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি এবং আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের মধ্যে সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় সীমান্ত ব্যাংকের সকল ক্রেডিট কার্ড হোল্ডারগণ আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সুরক্ষা সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হবেন। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে ক্রেডিট কার্ড হোল্ডারের পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এই 'ক্রেডিট শিল্ড' ইন্স্যুরেন্স।

সীমান্ত ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো. নুরুল আজিম এবং আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহ্ সগিরুল ইসলাম (অব.) নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় সীমান্ত ব্যাংকের পক্ষ থেকে হেড অব বিজনেস মো. শহিদুল ইসলাম, হেড অব অপারেশনস মোহাম্মদ আজিজুল হক, হেড অব কার্ডস অ্যান্ড এডিসি শরীফ জহিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিভাগীয় প্রধান (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) সামিরা ইউনুস এবং সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড জেনারেল সার্ভিসেস) লে. কর্নেল মো. খায়রুল বাশার (অব.) সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।


বাইক চালকদের জন্য উবার আনলো ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ সুবিধা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশে বাইক চালকদের জন্য ‘হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন’ নামে নতুন একটি ফিচার চালু করেছে রাইডশেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম উবার। এর মাধ্যমে চালকরা তাদের সুবিধা অনুযায়ী সাবস্ক্রিপশন বেছে নিয়ে উবার প্ল্যাটফর্মে ট্রিপ গ্রহণ করতে পারবেন। নতুন এই মডেলে ফুল-টাইম এবং পার্ট-টাইম উভয় ধরনের চালকদের জন্যই উবারে কাজ করা আরও সহজ ও লাভজনক হবে।

২০২৩ সালে ঢাকায় প্রথম সাবস্ক্রিপশন ব্যবস্থা চালু করে উবার। সেই অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করেই এখন এই হাইব্রিড মডেল আনা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো যাত্রী ও চালক উভয়ের অভিজ্ঞতার মানোন্নয়ন এবং উবার অ্যাপের মাধ্যমে রাইড নিতে চালকদের আরও উৎসাহিত করা।

ঢাকার মোটরবাইক সার্ভিসে বড় একটি সমস্যা হলো অ্যাপের বাইরে বা সরাসরি রাস্তা থেকে যাত্রী তোলা। এতে চালক বা যাত্রী কেউ-ই জিপিএস ট্র্যাকিং, বিমা সুবিধা বা অ্যাপের নিরাপত্তা ফিচারগুলো পান না। উবার মনে করে, এই হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন চালকদের আরও নমনীয়তা দেবে, যা অফলাইনে ট্রিপ নেওয়ার প্রবণতা কমিয়ে আনবে এবং যাত্রীদের জন্য সেবার মান আরও উন্নত করবে।

নতুন এই সাবস্ক্রিপশন মডেলে চালকরা শূন্য শতাংশ কমিশন সুবিধায় ট্রিপ দেওয়ার সুযোগ পাবেন। ফলে চালক তার উপার্জনের পুরো অংশই নিজের কাছে রাখতে পারবেন। যারা পার্ট-টাইম বাইক চালান, তাদের জন্য এই ব্যবস্থা বাড়তি আয়ের বড় সুযোগ তৈরি করবে বলে মনে করে উবার।

উবার বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড নাশিদ ফেরদৌস কামাল বলেন, ‘আমরা সবসময় চালকদের অভিজ্ঞতা সহজ করার চেষ্টা করি। এই হাইব্রিড সাবস্ক্রিপশন চালকদের নিজেদের পছন্দমতো কাজ করার স্বাধীনতা দেবে। এর ফলে যেমন তাদের আয় বাড়বে, তেমনি অ্যাপের মাধ্যমে ট্রিপের সংখ্যা বাড়লে যাত্রীদের নিরাপত্তা আরও বেশি করে নিশ্চিত হবে।’

বর্তমানে ঢাকার রাস্তায় প্রতিদিন হাজার হাজার উবার বাইক চালক সেবা দিচ্ছেন। নতুন সব উদ্ভাবনের মাধ্যমে উবার চালক ও যাত্রী উভয় পক্ষের জন্য অ্যাপের ব্যবহার আরও নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য করতে কাজ করে যাচ্ছে।


banner close