গ্রামীণ ডানোন ফুডস লিমিটেড, হেইফার কোরিয়া ও হেইফার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর সম্মিলিত উদ্যোগে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা ইউনিয়নে কমিউনিটি পুষ্টি ‘মিল্ক ফর স্কুল’ প্রোগ্রাম ২- উদ্বোধন করেছে। এই পর্যায়ে নাইমুরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ সাতটি নতুন স্কুলকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যার মাধ্যমে প্রায় ১,০০০ স্কুল শিক্ষার্থী এই উদ্যোগের আওতায় আসবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্রামীণ ডানোন ফুডস লিমিটেড, হেইফার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও হেইফার কোরিয়ার প্রতিনিধিগন উপস্থিত ছিলেন । যার মধ্যে ছিলেন, গ্রামীণ ডানোন ফুডস লিমিটেড এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর দীপেশ নাগ, সেলস এন্ড মার্কেটিং ডিরেক্টর সুরাইয়া সিদ্দিকা, হেইফার কোরিয়ার নির্বাহী পরিচালক হেওন লি এবং হেইফার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর নুরুন নাহারসহ প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন সিরাজগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আবু মোহাম্মদ সালেহ হাসনাত। এছাড়াও শিক্ষা অফিসার, স্থানীয় সরকারী কর্মকর্তা ও সম্মানিত ব্যক্তিবর্গও এই প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন।
‘মিল্ক ফর স্কুল’ প্রোগ্রামটি গ্রামীণ ডানোন ফুডস লিমিটেড, হেইফার কোরিয়া ও হেইফার বাংলাদেশ এর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত একটি প্রকল্প। যার লক্ষ্য হচ্ছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা- শিশুদের অপুষ্টি আর নারী দুগ্ধখামারিদের আয়ের অনিশ্চয়তা থেকে মুক্ত করা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় নারী খামারিরা দুধ সরবরাহ করেন উল্লাপাড়ায় গ্রামীণ ডানোনের প্রতিষ্ঠিত মিল্ক চিলিং সেন্টারে। সংগৃহীত এই দুধ থেকে বগুড়ার ফ্যাক্টরিতে তৈরি হয় ‘শক্তি+’ নামক পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ দই। এই দই বিনামূল্যে বিতরণ করা হয় স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে যা প্রতিদিনের নির্ভরযোগ্য পুষ্টি উৎস হিসেবে কাজ করে ও মহিলা খামারীদের উপার্জন নিশ্চিত করে।
এই অনুষ্ঠানে গ্রামীণ ডানোন ফুডস লিমিটেড এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর দীপেশ নাগ বলেন, “হেইফার কোরিয়ার সহায়তায় আরও ৭টি স্কুল সংযুক্ত করার ফলে, বেশি শিশুর কাছে পোঁছানো এবং আরও নারী দুগ্ধখামারিদের ক্ষমতায়ন করা সম্ভব হবে। তবে ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত করার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও সংস্থার এগিয়ে আসতে হবে। এই সম্মিলিত উদ্যোগটি আমাদের সবার গর্বের অংশ!”
এই প্রসঙ্গে হেইফার কোরিয়ার নির্বাহী পরিচালক হেওন লি বলেন, “’মিল্ক ফর স্কুল’ প্রোগ্রামটি আমার স্বপ্নের একটি উদ্যোগ। এই প্রোগ্রামটি আমাকে আমার শৈশবের কোরিয়ার কথা মনে করিয়ে দেয় যখন আমিও স্কুলে দুধ পেতাম- আর আজ সেই একই যত্ন বাংলাদেশী শিশুদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি। আর এই সফলতা আমাদের অংশীদার, স্থানীয় প্রশাসন, খামারি নারী ও স্থানীয় কমিউনিটির সবার।”
গ্রামীণ ডানোন ফুডস লিমিটেড অপুষ্টির বিরুদ্ধে লড়াই ও সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এক গ্লাস দুধ, এক কাপ দই- প্রতিটি শিশুর জন্য প্রতিবার এই প্রতিপাদ্যে পরিচালিত ‘মিল্ক ফর স্কুল’ প্রোগ্রামটি কীভাবে সম্মিলিত উদ্যোগের ভিত্তিতে গ্রামীণ সম্প্রদায়কে শক্তিশালী করা যায় তার একটি অন্যতম উদাহরণ।
রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসি'র স্থানীয় কার্যালয়, বিভাগীয় কার্যালয় ও কর্পোরেট-১ শাখার অংশগ্রহণে মার্চ ২০২৬ ভিত্তিক ‘ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল ২০২৬) মতিঝিলস্থ রূপালী ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমির সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম। তিনি ব্যাংকের অর্জিত সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি খেলাপী ঋণ আদায়ে সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হারুনুর রশীদ এবং মহাব্যবস্থাপক ও কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ শাহেদুর রহমান।
এতে সভাপতিত্ব করেন ট্রেনিং একাডেমির প্রিন্সিপাল ও মহাব্যবস্থাপক মো. নোমান মিয়া। সভায় স্থানীয় কার্যালয়, বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক ও কর্পোরেট-১ শাখার উপ-মহাব্যবস্থাপকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
ব্যবসায়িক উন্নয়ন ও টেকসই প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে আইএফআইসি ব্যাংকের খুলনা অঞ্চলের সকল উপশাখার অংশগ্রহণে আয়োজিত হলো ‘আইএফআইসি ব্যাংক উপশাখা বিজনেস কনফারেন্স ২০২৬ – খুলনা অঞ্চল’।
শনিবার (১১ এপ্রিল ২০২৬) খুলনা শহরস্থ একটি মিলনায়তনে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় এই বিজনেস কনফারেন্স। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব মো. মেহমুদ হোসেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সৈয়দ মনসুর মোস্তফা সহ চিফ অব ব্রাঞ্চ বিজনেস এন্ড হেড অব অপারেশন্স জনাব হেলাল আহমেদ ও চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার জনাব দিলিপ কুমার মন্ডল।
এছাড়াও খুলনা রিজিওনাল হেড জনাব মোঃ ইফতেখার আহমেদ এবং খুলনা অঞ্চলের সকল উপশাখার কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জনাব মো. মেহমুদ হোসেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “গ্রাহকদের আস্থা ও সন্তুষ্টিই আইএফআইসি ব্যাংকের অগ্রযাত্রার প্রধান চালিকাশক্তি”। মাঠপর্যায়ে কর্মরত আমাদের কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার ফলেই ব্যাংকটি দিন দিন আরও শক্তিশালী ভিত্তির উপর দাঁড়াচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, আধুনিক ও সহজলভ্য ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে খুলনা অঞ্চলের গ্রাহকদের জন্য আইএফআইসি ব্যাংক একটি নির্ভরযোগ্য আর্থিক সঙ্গী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।” একই ধারাবাহিকতায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সৈয়দ মনসুর মোস্তফা বলেন, “দেশব্যাপী বিস্তৃত আইএফআইসি ব্যাংকের উপশাখা নেটওয়ার্ক গ্রাহকসেবাকে আরও সহজ ও গতিশীল করেছে। আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণ এবং কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা টেকসই প্রবৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।”
এছাড়াও ব্যাংকের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার জনাব দিলিপ কুমার মন্ডল প্রেজেন্টেশন এর মাধ্যমে খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। সম্মেলনে আমানত সংগ্রহ, ঋণ প্রদান ও আদায় এবং পরিচালন মুনাফা অর্জনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৮টি উপশাখাকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। পরিশেষে প্রশ্ন-উত্তর পর্বের মধ্য দিয়ে শেষ হয় উক্ত সম্মেলনটি।
সারা বছর ধরে পণ্য বিক্রয় ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১২০টি পরিবেশক প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড মার্সেল। গত ১১ এপ্রিল, শনিবার রাজধানীর মার্সেল করপোরেট অফিসে ‘উইনিং টুগেদার’ স্লোগানে আয়োজিত ‘ইয়ারলি অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রাম ২০২৫’ অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। দেশজুড়ে বিস্তৃত মার্সেল ডিস্ট্রিবিউটর নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা ৫০টি জোনের পরিবেশকদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এই মর্যদাপূর্ণ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট ও বিশেষ সম্মাননা তুলে দেন মার্সেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম। গ্রাহক পর্যায়ে নিবিড় ব্র্যান্ডিং ও বিক্রয় বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখায় পরিবেশকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, “মার্সেলের পরিবেশকগণ ও কর্মকর্তাগণ নানা ধরনের বিপণন এবং ব্র্যান্ডিং কার্যক্রমের মাধ্যমে শুধু মার্সেলকেই সামনে এগিয়ে নিচ্ছেন না, বরং বাংলাদেশকেও এগিয়ে নিচ্ছেন। আপনাদের (পরিবেশকগণ) এবং আমাদের সবার অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে মার্সেল আজ বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে স্থায়ীভাবে স্থান করে নিয়েছে। আপনারা যেমন মার্সেলকে সামনে এগিয়ে নিচ্ছেন; তেমনই মার্সেলও সব সময় আপনাদের পাশে রয়েছে। ব্যতিক্রমী ও সময়োপযোগী ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম পরিচালনায় আপনাদের আরও উদ্বুদ্ধ করে তুলতে পুরস্কার প্রদানের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।” ব্যবসায়িক সফলতার এই যাত্রায় পরিবেশকদের পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি।
মনোজ্ঞ এই আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ ইনফরমেশন অফিসার মফিজুর রহমান, মার্সেলের হেড অব সেলস হাসান মো. রুহীন সাব্বির ও মো. মতিউর রহমান এবং চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক আমিন খান। শেষে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে। পুরস্কার গ্রহণকালে তোলা ছবিতে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলমকে সেরা পরিবেশকদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দিতে দেখা যায়।
সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি সম্প্রতি তাদের ঢাকা অঞ্চলের শাখাগুলোর কার্যক্রম নিয়ে ত্রৈমাসিক ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভার আয়োজন করেছে। ২০২৬ সালের ১১ এপ্রিল ব্যাংকের নিজস্ব ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাকা অঞ্চলের ৩৭ জন শাখা ব্যবস্থাপক উপস্থিত থেকে তাদের সংশ্লিষ্ট শাখার পারফরম্যান্স ও অগ্রগতি তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ খালিদ মাহমুদ খান। এছাড়া সভায় ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকদ্বয়, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ, প্রধান কার্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ এবং সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
আলোচনায় ব্যাংকের সামগ্রিক ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের বিভিন্ন দিক গুরুত্বের সাথে উঠে আসে। বিশেষ করে ঋণ ব্যবস্থাপনা, বকেয়া আদায় প্রক্রিয়া এবং গ্রাহকসেবার মানকে আরও আধুনিক ও উন্নত করার বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এছাড়া ২০২৬ সালের জন্য ব্যাংকের যে কৌশলগত ব্যবসায়িক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, তার বর্তমান অগ্রগতি ও সফল বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে সভায় বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।
অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা ব্যাংকের ব্যবসায়িক সাফল্যের নতুন নতুন সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করেন এবং প্রতিষ্ঠানের চলমান অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে নিজেদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার প্রতিশ্রুতি দেন। সভার শেষে ভবিষ্যৎ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপ আকিজ রিসোর্সেসের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আকিজ এগ্রো ফিড লিমিটেড তাদের ব্যবসায়িক অংশীদারদের অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করেছে। রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। ব্যবসায়িক কার্যক্রমে বিশেষ সাফল্যের পরিচয় দেওয়া মোট ৩৪ জন শীর্ষ অংশীদারকে এই আয়োজনে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আকিজ রিসোর্সেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও শেখ জসিম উদ্দিন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে কার্যক্রম শুরু করার পর মাত্র এক বছরের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটি দেশের ফিড শিল্পে এক অভূতপূর্ব মাইলফলক স্পর্শ করেছে। বর্তমানে গবাদিপশু, পোল্ট্রি ও মৎস্য—এই তিনটি প্রধান খাতে মোট ৬৭টি বিভিন্ন ধরনের পণ্য নিয়ে বাজারজাতকরণ অব্যাহত রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।
অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে অনুষ্ঠানে শেখ জসিম উদ্দিন বলেন, “আমাদের ব্যবসায়িক অংশীদারদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও বিশ্বাস আকিজ এগ্রো ফিডকে এই স্বল্প সময়ের মধ্যে একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। এই পুরস্কার তাঁদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা ও স্বীকৃতির প্রতীক।”
প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে আকিজ এগ্রো ফিড লিমিটেডের সিইও এ.টি.এম. হাবিব উল্লাহ বলেন, “আমাদের আগামীর লক্ষ্য- দেশের খামারি সমাজকে স্বাবলম্বী করা, উৎপাদনে নতুন মাত্রা যোগ করা এবং আকিজ এগ্রো ফিডকে লাইভস্টক শিল্পে একটি বিশ্বস্ত নাম হিসেবে তুলে ধরা। সেই সঙ্গে আমাদের ব্যবসায়িক অংশীদারদেরও নিজ নিজ ব্যবসার ধারাবাহিকতা ও উৎকর্ষ বজায় রাখতে অনুপ্রাণিত করা।”
আড়ম্বরপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আকিজ রিসোর্সেসের চিফ পিপল অফিসার মোঃ আফসার উদ্দিন, চিফ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ তৌফিক হাসান, চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (কনজ্যুমার মার্কেট ক্লাস্টার) সাবিহা ইয়াসমিনসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এই সম্মাননা প্রদানের মাধ্যমে আকিজ এগ্রো ফিড তাদের ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে একটি টেকসই ও প্রসারণশীল অংশীদারিত্বের পথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বাংলাদেশের পতাকাবাহী বিশ্বজয়ী পর্যটক; যিনি ১৮৪টি দেশ ভ্রমণ করেছেন, ফ্লাগ গার্ল খ্যাত সেই নাজমুন নাহারকে মর্যাদাপূর্ণ ‘ফ্ল্যাগ এনভয় অফ বাংলাদেশ’ স্বর্ণপদক ও সম্মানসূচক সনদ দিয়ে সম্মানিত করেছে মাইলস্টোন কলেজ ।
গত ০৮ এপ্রিল ২০২৬, দিয়াবাড়ী ক্যাম্পাসের লে. কর্নেল এম. কামালউদ্দিন হলে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর সামনে কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম ও শিক্ষকবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে পদক ও সনদটি প্রদান করেন । বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা বহনে তার অসাধারণ কৃতিত্ব উদযাপনে হলটি উচ্ছ্বাস ও প্রশংসায় মুখরিত ছিল । এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাইলস্টোন কলেজের উপাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান খান, উপাধ্যক্ষ (প্রশাসন) মো. মাসুদ আলম এবং মাইলস্টোন কলেজ ট্যুরিজম ক্লাবের মডারেটর রাশেদ খান মেনন ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাজমুন নাহার তার অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার কথা তুলে ধরেন । উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের শোনান, বিশ্বভ্রমণের যাত্রা ও অনন্য অভিজ্ঞতা। তাঁর কথা শিক্ষার্থীদের বড় স্বপ্ন দেখতে, গণ্ডির বাইরে ভাবতে এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে অনুপ্রাণিত করেছে। উল্লেখ্য যে, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মাইলস্টোন কলেজ ট্যুরিজম ক্লাবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়, যার লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রমণ, সংস্কৃতি এবং বিশ্ব অন্বেষণের প্রতি আগ্রহ তৈরি করা।
গ্লোবাল ইনোভেটিভ টেকনোলজি ব্র্যান্ড টেকনো সম্প্রতি বাংলাদেশে এর ‘স্পার্ক ৫০’ সিরিজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে। এ সিরিজে রয়েছে স্পার্ক ৫০ ফোরজি এবং স্পার্ক ৫০ ফাইভজি ফোন। স্মুথ পারফরম্যান্স, লম্বা ব্যাটারি লাইফ এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের বহু স্মার্ট ফিচারে পরিপূর্ণ এই নতুন লাইনআপটি নিয়ে ব্র্যান্ডটি বেশ আশাবাদী। নতুন নতুন স্টাইলিশ ডিজাইন আর ব্যবহারিক উদ্ভাবনী সব ফিচার নিয়ে স্মার্টফোন বাজারে টেকনোর যাত্রায় দিনদিন বাড়ছে ব্যবহারকারীর সংখ্যাও।
এই সিরিজের মূল আকর্ষণ হলো স্পার্ক ৫০ ফাইভজি, যা নতুন প্রজন্মের কানেক্টিভিটি এবং শক্তিশালী অলরাউন্ড পারফরম্যান্স নিয়ে এসেছে। ৬.৭৮-ইঞ্চি এইচডি ডিসপ্লের ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট থাকায় স্ক্রলিং আরও আরামদায়ক হয়। নেট ব্রাউজিং ও গেমিংয়ের জন্যও মেলে দারুণ ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা। ফোনটিতে রয়েছে মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৬৪০০ ফাইভজি+ প্রসেসর। আধুনিক ব্যবহারকারীদের জন্য টেকনো দ্রুত ফাইভজি পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে, যাতে সারাদিনই ভালোভাবে কাজ করা যায়।
স্পার্ক ৫০ ফাইভজি-তে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা এবং ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা, যা দিয়ে সহজেই স্পষ্ট ও প্রাণবন্ত ছবি তোলা যায়। অন্যদিকে ৬৫০০মিলি অ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারি এবং ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং থাকায় দিনভর চার্জ ব্যাকআপ নিয়েও থাকবে না কোনো দুশ্চিন্তা। ফোনটির সুরক্ষায় ব্যবহার করা হয়েছে মিলিটারি-গ্রেড প্রোটেকশন, আইপি৬৪ ধুলোবালি ও পানি প্রতিরোধ ক্ষমতা। বাড়তি নিরাপত্তার জন্য ফোনের একপাশে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর রাখা হয়েছে। এছাড়াও এতে টেকনো এআই, ফ্রিলিংক ২.০ এবং আইওএস-এর সাথে ইনস্ট্যান্ট ট্রান্সফার সুবিধা রয়েছে, যার ফলে দৈনন্দিন যোগাযোগ ও কানেক্টিভিটি হবে আরও স্মার্ট, আরো উপভোগ্য।
ফাইভজি মডেলের পাশাপাশি টেকনোর এ সিরিজে থাকছে স্পার্ক ৫০ ফোরজি, যা মূলত দৈনন্দিন ব্যবহারে নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্সের জন্য ভালো হবে। হেলিও জি৮১ প্রসেসরে চালিত এই ফোনটিতে আছে ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেটসহ ৬.৭৮ ইঞ্চি এইচডি ডিসপ্লে, ৫০ মেগাপিক্সেল রিয়ার ক্যামেরা এবং ৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। ব্যাটারির দিক দিয়ে ফোনটি ফাইভজি সংস্করণের চেয়ে এগিয়ে আছে। ৭০০০মিলি অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি থাকায় স্পার্ক ৫০ ফোরজি ফোনটি সহজেই টানা অনেকটা সময় চালানো যায়।
এছাড়াও এতে থাকা ডুয়াল স্টেরিও স্পিকার, আইপি৬৪ প্রোটেকশন, ১.৮ মিটার ড্রপ রেজিস্ট্যান্স, আইআর রিমোট কন্ট্রোল, টেকনো এআই, ফ্রিলিংক ২.০ এবং সিগন্যাল এনহ্যান্সমেন্ট চিপ ইত্যাদি সুবিধা রয়েছে। ফলে নিয়মিত ব্যবহারের জন্য এটি একটি পরিপূর্ণ ও কার্যকর স্মার্টফোন হিসেবে খুব সহজেই পছন্দের তালিকায় যোগ হয়ে যেতে পারে।
বাজারে স্পার্ক ৫০ ফোরজি পাওয়া যাবে ৪জিবি+১২৮জিবি ভ্যারিয়েন্টে ১৭,৪৯৯ টাকায় (ভ্যাট প্রযোজ্য) এবং ৬জিবি+১২৮জিবি ভ্যারিয়েন্টে ১৯,৯৯৯ টাকায় (ভ্যাট প্রযোজ্য)। অন্যদিকে, স্পার্ক ৫০ ফাইভজি আসছে ৬জিবি+১২৮জিবি কনফিগারেশনে ২৩,৯৯৯ টাকায় (ভ্যাট প্রযোজ্য)।
নিখুঁত ডিসপ্লে, উচ্চ মানের ক্যামেরা, টেকসই ডিজাইন এবং স্মার্ট ফিচার ইত্যাদি সবকিছু মিলিয়ে স্পার্ক ৫০ সিরিজটি বাংলাদেশের ক্রেতাদের জন্য স্টাইলিশ ও পারফরম্যান্সভিত্তিক স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে টেকনো-র অবস্থানকে আরো জোরদার করে তোলে।
টানা ২০ বছর ধরে বিশ্বজুড়ে এক নম্বর টেলিভিশন ব্র্যান্ডের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখেছে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওমডিয়ার সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৬ সাল থেকে বৈশ্বিক টিভি বাজারে শীর্ষস্থানটি নিজেদের দখলে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে টানা দুই দশক ধরে শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখার এক অনন্য নজির সৃষ্টি হলো।
২০২৫ সালেও বিশ্বব্যাপী টেলিভিশন বিক্রয়লব্ধ আয়ের ২৯.১ শতাংশ ছিল স্যামসাংয়ের নিয়ন্ত্রণে। [ঢাকা, ১১ এপ্রিল, ২০২৬]। মূলত প্রিমিয়াম ডিসপ্লে প্রযুক্তিতে নিয়মিত বিনিয়োগ এবং নিত্যনতুন উদ্ভাবনী পণ্য বাজারে আনাই স্যামসাংয়ের এই অভাবনীয় সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।
এই বৈশ্বিক অর্জন ও দেশীয় প্রেক্ষাপট নিয়ে স্যামসাং বাংলাদেশের কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স ডিভিশনের ডিরেক্টর ও হেড অব বিজনেস শাহরিয়ার বিন লুৎফর বলেন, “গ্লোবাল এই সাফল্য দেশের বাজারেও প্রতিফলিত হয়েছে। গত দুই দশকে বাংলাদেশের গ্রাহকেরা স্যামসাংয়ের সঙ্গে আছেন—প্রথম ফ্ল্যাট-স্ক্রিন টিভি কেনা থেকে শুরু করে আজকের উন্নত ডিসপ্লের টিভির অভিজ্ঞতা নেওয়া পর্যন্ত। এই আস্থা একদিনে তৈরি হয়নি; গ্রাহকদেরকে ধারাবাহিকভাবে উন্নতমানের পণ্য ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সরবরাহ করার মাধ্যমেই তা গড়ে উঠেছে।”
স্যামসাংয়ের এই জয়যাত্রার শুরু হয়েছিল ২০০৬ সালে তাদের বিশেষ ‘বোদো’ ডিজাইনের টেলিভিশনের মাধ্যমে, যা প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক বাজারে তাদের শীর্ষস্থানে নিয়ে যায়। এরপর ২০০৯ সালে এলইডি টিভি এবং ২০১১ সালে স্মার্ট টিভির প্রবর্তন করে প্রতিষ্ঠানটি। পরবর্তীতে সেরিফ, দ্য ফ্রেম, মাইক্রো এলইডি, নিও কিউএলইডি ৮-কে এবং ওএলইডি প্রযুক্তির মাধ্যমে তারা টিভি দেখার অভিজ্ঞতায় আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে।
উদ্ভাবনের এই ধারা বজায় রেখে তাদের ২০২৫ সালের নতুন ‘এফ’ সিরিজে যুক্ত করা হয়েছে বিশেষ ‘ভিশন এআই’ প্রযুক্তি। এতে থাকা এআই পিকচার ও আপস্কেলিং ফিচার দর্শকদের আরও নিখুঁত ও সমৃদ্ধ দৃশ্য উপভোগের সুযোগ করে দিচ্ছে। সেই সঙ্গে ডলবি অ্যাটমস অ্যাডাপ্টিভ সাউন্ড এবং এআই কাস্টমাইজেশন মোড ব্যবহারের ফলে গ্রাহকরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সেটিংস সমন্বয় করতে পারছেন। এছাড়া বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী মোড, জেনারেটিভ ওয়ালপেপার, গ্লেয়ার-ফ্রি ডিসপ্লে এবং নক্স সিকিউরিটির মতো আধুনিক সুযোগ-সুবিধাও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশে টেলিভিশন ক্যাটাগরিতে স্যামসাং একমাত্র ‘সুপারব্র্যান্ড’ হিসেবে স্বীকৃত। দেশজুড়ে বিস্তৃত বিক্রয় ও সেবা নেটওয়ার্কের কারণে বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে এটি স্থানীয় পর্যায়েও অত্যন্ত জনপ্রিয়। ভবিষ্যতে আরও উন্নত ডিসপ্লে প্রযুক্তি এবং নতুন সব মডেল বাজারে এনে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফট্ওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (BASIS) -এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বেসিস বোর্ডরুমে আয়োজিত এই চুক্তি দেশের আইসিটি খাতে উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপদের জন্য আর্থিক ও ব্যাংকিং সহায়তা আরও সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জনাব কিমিয়া সাআদত; হেড অব এজেন্ট ব্যাংকিং, ফরেন রেমিট্যান্স, ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং ও স্ট্র্যাটেজিক বিজনেস ইউনিট এস.কে পারভেজ মারেকার; এসএমই হেড হোসেন-আল-সাফীর চৌধুরী; হেড অব কার্ডস জাহির আহমেদ; হেড অব এডিসি ও হেড অব এমডি’স কো-অর্ডিনেশন টিম মো. মামুন উর রহমান এবং এজেন্ট ব্যাংকিং ডিভিশনের ম্যানেজার মো. আল আমিন সুমনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব ও বেসিসের প্রশাসক আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুল্লাহ খান। বেসিসের অন্যান্য অ্যাসোসিয়েট কমিটির সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুস্তাফা রফিকুল ইসলাম (ডিউক), মুশফিকুর রহমান, মো. রওশন কামাল জেমস, এ এইচ এম রকমুনুর জামান রনি, মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ, মো. জুয়েল, ফেরদৌস আলম এবং সাইয়েদ জাহিদ হোসেন।
এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় কমিউনিটি ব্যাংক ও বেসিস যৌথভাবে আইসিটি উদ্যোক্তাদের জন্য উপযোগী বিভিন্ন আর্থিক সমাধান চালু করবে।
আইসিটি ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করতে এই অংশীদারিত্বের আওতায় স্কিল ডেভেলপমেন্ট, রেগুলেটরি কমপ্লায়েন্স ট্রেনিং, বাজার সম্প্রসারণ উদ্যোগ এবং একটি ICT Export Accelerator গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা দেশীয় উদ্যোক্তাদের বৈশ্বিক বাজারে সংযুক্ত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
দেশের বৃহত্তম বানিজ্যিক ব্যাংক আইএফআইসি এর উদ্যোগে ব্যাংকের মুদ্রা ব্যবস্থাপনাকে আরও সুসংহত, সুশৃঙ্খল ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছে “তফসিলভুক্ত ব্যাংকের শাখা কর্তৃক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা” বিষয়ক কর্মশালা।
সম্প্রতি (০৪ এপ্রিল, ২০২৬) শনিবার, ঢাকার পুরানা পল্টনস্থ আইএফআইসি টাওয়ারে উক্ত কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকিং খাতের মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও নগদ অর্থ প্রক্রিয়াজাতকরণের বিভিন্ন দিক, চ্যালেঞ্জ ও সমাধান নিয়ে আয়োজিত এ কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি (বিবিটিএ) এর পরিচালক জনাব এ.কে.এম রেজাউল করিম। তিনি বর্তমান নীতিমালা, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা এবং আধুনিক নগদ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির উপর গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন আইএফআইসি ব্যাংকের পিএলসি-এর কাস্টমার সার্ভিস সেন্টারের প্রধান জনাব ঠাকুর লক্ষণ চন্দ্র ঘোষ এবং কারেন্সি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান জনাব উইলিয়াম চৌধুরী ।
হাইব্রিড মডেলে আয়োজিত এই কর্মশালায় আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি-এর ঢাকা ও ঢাকা অঞ্চলস্থ বিভিন্ন শাখা ও উপশাখার ৬ ¬শতাধিক কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচ্ছন্ন নোট নীতিমালা, নোট রিফান্ড রেগুলেশন, নোট সর্টিং, জাল নোট সনাক্তকরণ ও প্রচলন প্রতিরোধ এবং রিপোর্টিং প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় নৌপথ ও সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারকল্পে সমন্বয় সভা করেছে কোস্ট গার্ড।
বৃহস্পতিবার ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান
তিনি বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় নৌপথ এবং সুন্দরবন এলাকার দস্যুতা দমন, অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধ ও সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে আজ ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সকাল ১১ টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সভায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী, জেলা প্রশাসন-বাগেরহাট, পুলিশ, র্যাব, নৌ পুলিশ, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রতিনিধিগণসহ মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর, বন বিভাগ, নৌ পরিবহন অধিদপ্তর, লঞ্চ লেবার অ্যাসোসিয়েশন, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন, রিসোর্ট অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন, মৎস্য আড়তদার এবং মাঝি-মাল্লা সমিতির প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। এসময় সুন্দরবনের দস্যুতা দমন কার্যক্রম জোরদার, সীমান্তবর্তী নদীপথ দিয়ে অবৈধ অস্ত্র অনুপ্রবেশ ও মানব পাচার প্রতিরোধ, টুরিস্ট জাহাজ ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, রিসোর্টসমূহে ডাকাতি ও অপহরণ রোধ এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এছাড়াও বহিঃনোঙ্গরে ছিঁচকে চুরি ও ডাকাতি প্রতিরোধ, নিরাপত্তা কাজে ওয়াচম্যান মোতায়েনের নির্দেশনা, ফিশিং ট্রলারের মাধ্যমে চোরাচালান প্রতিরোধ, সমুদ্রে ৫৮ দিনের ফিশিং ব্যান বাস্তবায়ন, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নৌ-রুটে চলাচলরত লাইটার ও কোস্টার জাহাজসমূহের নিরাপত্তা জোরদার এবং নোঙ্গর অবস্থায় আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের উপকূলীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দস্যুতা দমন এবং সকল প্রকার অপরাধ প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
সোনালী ব্যাংক পিএলসির উদ্যোগে অডিট আপত্তি ও নিষ্পত্তির পদ্ধতি এবং অর্থঋণ মামলা বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সোনালী ব্যাংক পিএলসি, জেনারেল ম্যানেজার’স অফিস বরিশালের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
জিএম অফিস বরিশাল আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (অডিট ও আইন অনুবিভাগ) আবু সালেহ মো. মহিউদ্দিন খাঁ। জিএম অফিস বরিশালের জেনারেল ম্যানেজার ইনচার্জ মো. মাহমুদুল হকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জেনারেল ম্যানেজার মো. আলী আশরাফ আবু তাহের ও বাণিজ্যিক অডিট অধিদপ্তর খুলনার (সেক্টর-৬) উপপরিচালক নাসিফ কবির।
অন্যান্যদের মধ্যে সোনালী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ ইসমাইল, বরিশাল বিভাগীয় রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিভাগীয় নির্বাহীবৃন্দ এ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
দেশের শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ বাংলাদেশ, উৎসবের আমেজে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করতে আয়োজন করেছে ‘দারাজ বৈশাখী মেলা’। দেশজুড়ে অনলাইন ক্রেতাদের মাঝে বাংলা নববর্ষের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে ১০ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে শুরু হয়ে এই ক্যাম্পেইনটি চলবে ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত। ক্যাম্পেইন চলাকালীন থাকছে ৮০% পর্যন্ত ফ্ল্যাশ সেল, এক্সক্লুসিভ ভাউচার এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরির পণ্যে ফ্রি ডেলিভারি সুবিধা, যা বাংলা নতুন বছরের কেনাকাটাকে করবে আরও আনন্দদায়ক।
দারাজ বৈশাখী মেলায় ইলেকট্রনিক্স, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, ফ্যাশন, বিউটি অ্যান্ড ওয়েলনেস, এফএমসিজি এবং লাইফস্টাইলসহ সব ধরণের ক্যাটাগরিতে থাকছে বিশাল অফার। ফলে গ্রাহকরা তাদের প্রয়োজনীয় সব পণ্য কেনাকাটার মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ করে নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
ক্যাম্পেইনটি শুরু হচ্ছে ১০ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত বিশেষ ফ্ল্যাশ ভাউচারের মাধ্যমে, যেখানে থাকছে ৯% পর্যন্ত ছাড়। গ্রাহকরা সর্বনিম্ন ৭৪৯ টাকার কেনাকাটায় ৫০০ টাকা পর্যন্ত এবং ৫,৯৯৯ টাকার কেনাকাটায় ১,০০০ টাকা পর্যন্ত ভাউচার সংগ্রহ করতে পারবেন। এছাড়াও ক্যাম্পেইন চলাকালীন সাইট এবং ক্যাটাগরি ভেদে নিয়মিত বিরতিতে আরও ভাউচার উন্মুক্ত করা হবে। গ্রাহকদের জন্য থাকছে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়ের ‘হট ডিলস’, ৮০% পর্যন্ত ছাড়ের ‘মেগা ডিলস’ এবং নির্দিষ্ট পণ্যের ওপর ফ্রি ডেলিভারি সুবিধা।
পুরো ক্যাম্পেইন জুড়ে থাকছে থিম ভিত্তিক বিশেষ দিন: শনিবার ‘চয়েস ডে’, রবি ও সোমবার ‘ফ্যাশন ফরোয়ার্ড ডে’ এবং মঙ্গলবার ‘ইলেকট্রিক্যাল টিউজডে’। এই বিশেষ দিনগুলোতে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির পণ্যে থাকছে কিউরেটেড শপিং অভিজ্ঞতা ও বিশেষ অফার।
দারাজ বৈশাখী মেলায় থাকছে বিশেষ ‘সুপার ব্র্যান্ড ডে’; যেখানে ১২ এপ্রিল ‘ইউনিলিভার’ এবং ১৪ এপ্রিল ‘ডেটল’ বিশেষ মূল্যছাড় প্রদান করবে। পাশাপাশি দারাজের “এভরিডে লো প্রাইস” নিশ্চিত করতে দারাজ চয়েস চ্যানেলে থাকছে বিশেষ অফার- ৩টি পণ্য কিনলে ডেলিভারি ডিসকাউন্ট এবং ৫টি পণ্য কিনলে ১টি ফ্রি গিফটসহ ডেলিভারি ডিসকাউন্ট।
পেমেন্ট সুবিধা বৃদ্ধিতে দারাজ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে পার্টনারশিপ করেছে। নগদ ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন ২০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক। দারাজ-ইবিএল কো-ব্র্যান্ড কার্ডহোল্ডাররা ১৫% পর্যন্ত, অন্যান্য ইবিএল কার্ডহোল্ডাররা ১২% পর্যন্ত এবং সাউথইস্ট ব্যাংক কার্ডহোল্ডাররা ১২% পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়া ইবিএল জিপ-এর মাধ্যমে ১২ মাস পর্যন্ত ০% ইএমআই সুবিধা থাকছে।
এবারের দারাজ বৈশাখী মেলায় এক্সক্লুসিভ প্ল্যাটিনাম পার্টনার হিসেবে রয়েছে ডেটল, হায়ার, হিমালয়া এবং ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড। গোল্ড স্পন্সর হিসেবে থাকছে ম্যারিকো এবং সিলভার পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে ইমামি ও গোদরেজ।
নতুন বছরের এই অফারগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন দারাজ বৈশাখী মেলা পেজ অথবা ডাউনলোড করুন দারাজ অ্যাপ।