ডিসঅ্যাবিলিটি-ইনক্লুসিভ (প্রতিবন্ধিতা অন্তর্ভুক্তিমূলক) বাংলাদেশ রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিজনেস অ্যান্ড ডিসঅ্যাবিলিটি নেটওয়ার্ক (বিবিডিএন)-এর সহযোগিতায় ‘এমপাওয়ারঅ্যাবিলিটি ২০২৫: পাওয়ারিং এভরি অ্যাবিলিটি’ সম্মেলন আয়োজন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
১১ নভেম্বর ২০২৫ ঢাকার লো মেরিডিয়েন হোটেলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ব্র্যাক ব্যাংকের ফ্ল্যাগশিপ সিএসআর উদ্যোগ ‘অপরাজেয় আমি’-এর আওতায় এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে নীতিনির্ধারক, বেসরকারি খাত ও উন্নয়ন সংস্থার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন। তাঁরা অঙ্গীকারকে বাস্তবে রূপ দিতে নীতিগত সহায়তা, কর্পোরেট প্রতিশ্রুতি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এবং জিআইজেড -এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই কনফারেন্সে সবার জন্য ন্যায্য সুযোগ সৃষ্টিতে সরকারি, বেসরকারি, উন্নয়ন সংস্থাসহ সকল খাতের সম্পৃক্ততা ও সহযোগিতার ওপর জোর দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. সানোয়ার জাহান ভূঁইয়া, ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান, বিবিডিএন ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আরদাশির কবির, আইএলও গ্লোবাল বিজনেস অ্যান্ড ডিসঅ্যাবিলিটি নেটওয়ার্কের ডিসঅ্যাবিলিটি ইনক্লুসন স্পেশালিস্ট ইয়োর্গেন মেনযে এবং জিআইজেড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ইয়োর্গেন শিলিং। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আইএলও, জিআইজেড, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা।
কনফারেন্সে ৫০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে, যেগুলোর মধ্যে ছিল ব্র্যাক, শিন শিন গ্রুপ, টিম গ্রুপ, এসিআই লজিস্টিকস, ব্র্যান্ড ফোরাম, বাটা, সাজিদা ফাউন্ডেশন, গ্রামীণফোন, আকিজ গ্রুপ, প্রাইম ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, ইউএনডিপি এবং সেভ দ্য চিলড্রেন। বিভিন্ন কর্পোরেট ও উন্নয়ন সংস্থার এই অংশগ্রহণ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক অগ্রযাত্রায় সম্মিলিত প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।
অনুষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল বিবিডিএন-এর সঙ্গে বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ-এর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর। এই চুক্তির মাধ্যমে দেশের বৃহত্তম নিয়োগ খাত তৈরি পোশাকশিল্পে প্রতিবন্ধী অন্তর্ভুক্তিতার লক্ষ্যে সুষম কর্মপরিবেশ, নিয়োগ প্রক্রিয়া ও এই খাতে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
কনফারেন্সে তিনটি প্যানেল আলোচনার আয়োজন করা হয়, যেখানে প্রতিবন্ধী অন্তর্ভুক্তিতার ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এখানে কর্পোরেট সংস্কৃতিতে প্রবেশগম্যতা যুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসংস্থানের পথ তৈরি এবং সরকারি নীতিমালার সঙ্গে বেসরকারি খাতের উদ্যোগকে যুক্ত করা নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনায় বার্জার পেইন্টস, লো মেরিডিয়েন হোটেলস অ্যান্ড রিসোর্টস, সমাজসেবা অধিদপ্তর, জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন সহযোগীরা প্রতিবন্ধিতা নিয়ে নিজেদের কার্যকর কৌশল ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, “অন্তর্ভুক্তি ব্র্যাক ব্যাংকের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। এটি কেবল আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর পরিধি আরও বিস্তৃত। এগুলোর মধ্যে রয়েছে জেন্ডার অন্তর্ভুক্তি, প্রতিবন্ধী অন্তর্ভুক্তি এবং সার্বিক সামাজিক অন্তর্ভুক্তি। আমাদের বুঝতে হবে, অন্তর্ভুক্তি কোনো চ্যারিটি নয়, এটি একটি টেকসই অর্থনীতির ভিত্তি। ব্র্যাক ব্যাংক ‘অপরাজেয় আমি’ উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যবসায় ও সমাজকল্যাণের মাঝে সেতুবন্ধন তৈরি করছে। আমরা প্রমাণ করে চলছি, প্রতিটি সক্ষমতাকে ক্ষমতায়ন করা মানেই গোটা জাতিকে ক্ষমতায়ন করা।”
অনুষ্ঠানে আরদাশির কবির বলেন, “বেসরকারি খাতকে শুধু প্রতিশ্রুতি দিলেই হবে না, বাস্তবায়নও করতে হবে। প্রতিবন্ধিতা অন্তর্ভুক্তিতা যাতে ব্যবসায়িক কৌশলের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে, সে লক্ষ্যে বিবিডিএন শিল্পখাতের নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে একসাথে কাজ করে যাবে।”
ড. মো. সানোয়ার জাহান ভূঁইয়া বলেন, “সরকার সকল খাতে প্রতিবন্ধী অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে নীতিগত সহায়তা, প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা ও বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের যৌথ প্রচেষ্টা এমন এক সমাজ গঠনে সহায়ক হবে, যেখানে কেউ পিছিয়ে থাকবে না।”
প্রধান অতিথি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “অন্তর্ভুক্তি আসলে ন্যায্যতার বিষয়। আমাদের দায়িত্ব হলো, প্রতিবন্ধী অন্তর্ভুক্তিতার পথে কাঠামোগত ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতা দূর করা। প্রকৃত অন্তর্ভুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে প্রত্যেক নাগরিককে তাঁর পূর্ণ সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে। সম্মিলিত প্রয়াসেই আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে পারব, যেখানে প্রতিটি সক্ষমতাকেই মূল্যায়ন করা হবে।”
সম্মেলনটি শেষ হয় সকল খাতে প্রতিবন্ধীব্যক্তিদের ন্যায্য অংশগ্রহণ নিশ্চিতে সকল খাতের সম্পৃক্ততা, অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসংস্থান প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং নীতিগত সহায়তা জোরদার করার প্রতি আহ্বান জানিয়ে।
তৃণমূল পর্যায়ে আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে ক্যাশলেস ডিজিটাল সেবা চালু করেছে গ্রামীণ ব্যাংক। এ লক্ষ্যে গ্রামীণ টেলিকমের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সমাধান সার্ভিসেস লিমিটেডের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে রোববার (২৬ জুলাই) গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ‘জিপে (GPay)’ এক্সপেরিয়েন্স বুথ উদ্বোধনের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী, গ্রামীণ গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল হাসান, গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালক নাজনীন সুলতানা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সরদার আকতার হামিদ, সমাধান সার্ভিসেস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. আহমদ আরমান সিদ্দিকী, গ্রামীণ ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মতিয়র রহমান, এ কে এম সাজ্জাদ হোসেন ও মো. রেজাউল করিম চৌধুরীসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী উল্লেখ করেন, তৃণমূল পর্যায়ে নগদ অর্থের লেনদেনে স্বচ্ছতা ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে ডিজিটাল লেনদেনের বিকল্প নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ৫০ বছরের পথচলার অভিজ্ঞতাকে ভিত্তি করে আগামী দিনের বৈশ্বিক অগ্রযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে প্রযুক্তিগত রূপান্তর অপরিহার্য।
গ্রামীণ গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. আশরাফুল হাসান জানান, ক্ষুদ্রঋণ খাতের বাস্তবতা বিবেচনায় সর্বোচ্চ সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যরা ঘরে বসেই নিরাপদে কিস্তি ও সঞ্চয়ের অর্থ লেনদেন করতে পারবেন।
গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালক নাজনীন সুলতানা মন্তব্য করেন, অতীতে গ্রামীণ ব্যাংককে ডিজিটাল করার বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রকৃত অর্থে ক্যাশলেস সেবা এবারই প্রথম বাস্তবায়িত হচ্ছে।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক সরদার আকতার হামিদ জানান, সমাধান সার্ভিসেস লিমিটেডের ‘জিপে’ অ্যাপের মাধ্যমে ব্যাংকের কিস্তি ও আমানত সংগ্রহ কার্যক্রম ক্যাশলেস করা হচ্ছে। অ্যাপটি ইতোমধ্যে প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। এর মাধ্যমে গ্রাহকরা তাৎক্ষণিকভাবে লেনদেন সম্পন্ন ও যাচাই করতে পারবেন।
সমাধান সার্ভিসেস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. আহমদ আরমান সিদ্দিকী জানান, ব্যবহারকারীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা সাপোর্ট ও হেল্পলাইন চালু রয়েছে। বাংলা কিউআর কোডসহ বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে ‘জিপে’ একটি পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ওয়ালেট হিসেবে কাজ করবে।
রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশ ব্যাংক প্রবর্তিত সর্বজনীন কিউআর কোডভিত্তিক ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা ‘বাংলা কিউআর (Bangla QR)’ সম্পর্কে গ্রাহক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা কর্মসূচি আয়োজন করেছে।
সারাদেশে প্রচারণার অংশ হিসেবে শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) রাজধানীর হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড, সাইন্সল্যাব, নিউ মার্কেট, আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, আদাবর, ধানমন্ডি, শামলী, মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় লিফলেট বিতরণ এবং জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।
প্রচারণা কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, “বাংলা কিউআর দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থায় একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। একটিমাত্র কিউআর কোডের মাধ্যমে সহজে ও নিরাপদে অর্থ পরিশোধ করা যায়। এর ফলে নগদ অর্থ বহনের প্রয়োজনীয়তা কমে, লেনদেনের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি পায়। ‘বাংলা কিউআর’-এর ব্যবহার যত বাড়বে, ক্যাশলেস লেনদেন তত সম্প্রসারিত হবে। এ বিষয়ে গ্রাহকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবার প্রসারে রূপালী ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”
প্রচারণা কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান তানভীর, মহাব্যবস্থাপক শেখ মুনজুর করিম ও তানভীর হাসনাইন মইন, চিফ ইনফরমেশন টেকনোলজি অফিসার মো. অহিদুল ইসলাম সরকারসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এছাড়াও কর্মসূচিতে ব্যাংকের বিভাগীয় কার্যালয় ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ, জোনাল অফিস ঢাকা সেন্ট্রাল এবং ধানমন্ডি কর্পোরেট, হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড, সাইন্সল্যাবরেটরী, ঢাকা লেডিস, নিউ মার্কেট, আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, আদাবর, শ্যামলী, মিরপুর ও পল্লবী শাখার ব্যবস্থাপক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে দোকানদার, ক্রেতা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ‘বাংলা কিউআর’-এর সুবিধা, ব্যবহারবিধি ও গুরুত্ব তুলে ধরে লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে তাদের অবহিত করা হয়।
রূপালী ব্যাংক ‘বাংলা কিউআর’-এর ব্যবহার বৃদ্ধি, ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
এসিআই হাইজিন প্রোডাক্টস বিজনেস এর ফিমেল হাইজিন ব্র্যান্ড ‘ফ্রিডম’ আয়োজিত “স্কুটি নাকি গোল্ড?” ক্যাম্পেইনে এখন পর্যন্ত বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে ‘ফ্রিডম ফিয়েস্তা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের স্কুটি ও গোল্ড কয়েন হস্তান্তর করা হয়। পাশাপাশি, ভোক্তাদের ব্যাপক সাড়ার প্রেক্ষিতে ক্যাম্পেইনটির মেয়াদ আগামী আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
অনুষ্ঠানে “স্কুটি নাকি গোল্ড?” ক্যাম্পেইনের বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী, স্থপতি ও শিক্ষাবিদ অপি করিম। তিনি হাইজিন সেক্টরে ফ্রিডমের উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানে এসিআই কনজ্যুমার বিজনেস-এর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম, বিজনেস ডিরেক্টর খন্দকার ইশতিয়াক আহমদ, মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন ডিরেক্টর মো. নাহিদ নেওয়াজ, জিএম সেলস মিজানুর রহমান, জিএম অপারেশন্স দীপঙ্কর বিশ্বাস, ডিজিএম শেহরিন কামাল, পিজিএম আসির আওসাফসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিজনেস ডিরেক্টর খন্দকার ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, “‘স্কুটি নাকি গোল্ড?’ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা কেবল পুরস্কারই দিচ্ছি না, বরং ভোক্তাদের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের আস্থাকে উদযাপন করছি। বাংলাদেশের নারীদের নিরাপদ হাইজিন ও সুস্থতা নিশ্চিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামীতেও নারীদের দৈনন্দিন জীবনে সহায়ক এমন আরও উদ্ভাবনী উদ্যোগ নিয়ে আসবে ফ্রিডম।”
অনুষ্ঠানের শেষাংশে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রীতমের লাইভ পরিবেশনা, ম্যাজিক শো এবং স্ট্যান্ড-আপ কমেডি উপভোগ করেন অতিথিরা।
কমিউনিটি ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি কর্তৃক হেড অফিসে ‘এ-চালান বিজনেস এক্যুইজিশন অ্যান্ড অপারেশন’ (A-Challan Business Acquisition & Operation) শীর্ষক দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জনাব সামসুল হক সুফিয়ানী। তিনি তাঁর উদ্বোধনী বক্তব্যে অটোমেটেড চালান সিস্টেমের (এ-চালান) মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব আহরণে ব্যাংকিং খাতের ভূমিকা এবং ডিজিটাল সেবা আরও গতিশীল ও সহজীকরণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
দিনব্যাপী এই কর্মশালায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞরা মূল সেশনসমূহ পরিচালনা করেন। রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব এ. কে. এম. মুখলেছুর রহমান (সিনিয়র ফাংশনাল কনসালট্যান্ট), জনাব শরিফুর রহমান (সিনিয়র আইটি কনসালট্যান্ট) এবং জনাব মো: জোবায়ের আহাম্মদ (জুনিয়র কনসালট্যান্ট)। তাঁরা এ-চালানের বাস্তবায়ন কাঠামো, কোর ব্যাংকিং সিস্টেমের (ঈইঝ) সাথে কারিগরি সংহতি, নিরাপত্তা প্রোটোকল এবং সরাসরি এ-চালান ইস্যুর সার্বিক প্রক্রিয়া বিশদভাবে তুলে ধরেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যাংকের চীফ বিজনেস অফিসার (সিবিও), চীফ ইনফরমেশন অ্যান্ড টেকনোলজি অফিসার (সিআইটিও), হেড অব ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং, চীফ ফাইনান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) এবং হেড অব ট্রেজারিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অংশগ্রহণকারীদের মূল্যায়ন ও ফিডব্যাক গ্রহণের মাধ্যমে সফলভাবে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি সমাপ্ত হয়।
বিশ্বের অন্যতম সেরা গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ডের তালিকায় স্থান করে নেয়ার লক্ষ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের টেক জায়ান্ট ওয়ালটন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশ্বজুড়ে একশটি দেশের বাজারে ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি ওয়ালটনের গ্লোবাল ব্র্যান্ড বিজনেস নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছে উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়া।
এ উপলক্ষ্যে সম্প্রতি রাজধানীতে ওয়ালটন কর্পোরেট অফিসে লিবিয়ার ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ‘আসর আল টেকনিয়া’ এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্টিজ পিএলসি’র মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির আওতায় লিবিয়ায় ওয়ালটন ব্র্যান্ডের পরিবেশক হিসেবে কাজ করবে আসর আল টেকনিয়া। প্রতিষ্ঠানটি লিবিয়ার বাজারে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, টিভি, এয়ারকন্ডিশনার, ওয়াশিং মেশিন ইত্যাদি প্রযুক্তিপণ্য বিক্রয় ও বিপণন করবে।
ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মো. জিয়াউল আলম এফসিএ, এসিএ (আইসিএইডব্লিউ) এবং আসর আল টেকনিয়া’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর আল সাদিক আল তাহির আল সগীর কারাহ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস ডিভিশনের প্রধান আব্দুর রউফ বলেন, পণ্যের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, আধুনিক ডিজাইন, টেকসই ও উচ্চ গুণগতমান, বিদ্যুৎ সাশ্রয়, পরিবেশবান্ধব এবং মূল্য প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য ব্র্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ওয়ালটন। ফলে বৈশ্বিক বাজারে ওয়ালটন ব্র্যান্ড অতি অল্প সময়ের মধ্যে ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করে নিতে সক্ষম হচ্ছে। ফলে ওয়ালটনের গ্লোবাল বিজনেস নেটওয়ার্কে প্রতিনিয়ত যুক্ত নতুন নতুন দেশের বাজার। ইতোমধ্যে বিশ্বের ৫৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ওয়ালটনের ব্র্যান্ড বিজনেস। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হয়েছে উত্তর আফিকার দেশ লিবিয়া।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে চলতি বছরে লিবিয়ার বাজারে দুই শিপমেন্টে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, এসি, টিভি এবং ওয়াশিং মেশিন রপ্তানি করা হয়েছে। লিবিয়ায় গ্লোবাল বিজনেস সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে উত্তর আফ্রিকার অন্যান্য দেশগুলোর বাজারে প্রবেশ পথ আরো সুগম হবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যদের আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস ডিভিশনের ডেপুটি হেড সাইয়েদ আল ইমরান, লিবিয়ার কান্ট্রি ম্যানেজার আব্দুল লতিফ প্রামাণিক প্রমুখ।
আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসির প্রধান কার্যালয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হলো ‘ব্রাঞ্চ অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার (BAMLCO) কনফারেন্স-২০২৬’ । শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ আয়োজিত এ কনফারেন্সের মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ (AML) এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ (CFT) বিষয়ে জ্ঞান, সচেতনতা ও পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
কনফারেন্সের উদ্বোধন করেন জনাব সৈয়দ মনসুর মোস্তফা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (BFIU) নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণের উপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি ব্যাংকের শাখা-উপশাখা পর্যায়ে ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি, কার্যকর গ্রাহক যাচাই এবং কমপ্লায়েন্স কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইএফআইসি ব্যাংকের জনাব মো: মনিতুর রহমান, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এন্ড চিফ ইনফরমেশন অফিসার (CIO) ও চিফ অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার (CAMLCO)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জনাব হেলাল আহমেদ, চিফ অব ব্রাঞ্চ বিজনেস অ্যান্ড হেড অব অপারেশন্স, জনাব আবুল কাশেম মোঃ ফজলুল কাদের, হেড অব সার্ভিস এন্ড এস্টেট, জনাব মোঃ আবদুল্লাহ আল মাসুম, হেড অব করেসপন্ডেন্ট ব্যাংকিং, জয়েন্ট ভেঞ্চার অপারেশনস এন্ড রেমিট্যান্স ডিপার্টমেন্ট, জনাব এবিএম মহসীন কামাল মোল্লা, ডেপুটি ক্যামেলকো এন্ড হেড অব এএমএল ও সিএফটি সহ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শাখার বামেলকো-রা কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করেন।
দিনব্যাপী কনফারেন্সে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধসংক্রান্ত প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএফআইইউর নির্দেশনা, সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্তকরণ ও প্রতিবেদন, ঝুঁকিভিত্তিক গ্রাহক যাচাই (CDD/EDD), লেনদেন পর্যবেক্ষণ এবং শাখা পর্যায়ে AML/CFT কমপ্লায়েন্স আরও কার্যকর করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
আইএফআইসি ব্যাংক বিশ্বাস করে, এ ধরনের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, সম্মেলন ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম ব্যাংকের AML/CFT কমপ্লায়েন্স ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সম্প্রতি সুনামগঞ্জ জেলার সদর উপজেলায় ২৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নে সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি এর এটিএম বুথ শুভ উদ্বোধন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর সম্মানিত মহাপরিচালক ও সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি’র চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, ওএসপি, বিএসপি, এসইউপি, বিজিবিএম, এনডিসি, পিএসসি, এমফিল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ নুরুল আজীম এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
২৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নে এটিএম বুথ স্থাপনের ফলে প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক ব্যাংকিং সেবা স্থানীয় অধিবাসী এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর সদস্যদের নাগালে এলো। গ্রাহকদের আর্থিক লেনদেনকে আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করতে দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে এটিএম বুথ স্থাপন করছে সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি।
প্রাইম ব্যাংক পিএলসি সম্প্রতি স্ট্র্যাটেজিক অটোসার্ভিসেস লিমিটেড (নিশান)-এর সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ঢাকায় নিশানের কর্পোরেট কার্যালয়ে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।
চুক্তির আওতায় প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর গ্রাহক ও কর্মীরা স্ট্র্যাটেজিক অটোসার্ভিসেস লিমিটেড থেকে সম্পূর্ণ নতুন নিশান গাড়ি ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ মূল্যছাড় সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
চুক্তিতে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি-এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন সিকিউরড কনজ্যুমার ফাইন্যান্সিং অ্যান্ড এমবেডেড পেমেন্টস বিভাগের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট তাকিয়ান চৌধুরী এবং স্ট্র্যাটেজিক অটোসার্ভিসেস লিমিটেড (নিশান)-এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর-সেলস মো. নাজমুল হক।
এ সময় স্ট্র্যাটেজিক অটোসার্ভিসেস লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজার- সেলস মো. মাহিদুল হক এবং ডেপুটি ম্যানেজার- সেলস মো. মুফাখখারুল ইসলাম মাসুদসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এই সহযোগিতা প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উন্নত লাইফস্টাইল সুবিধা ও বিভিন্ন সেবা প্রদানের প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।
অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র ২০২৬ সালের ব্যবসায়িক অগ্রগতি বাস্তবায়ন এবং ঋণ আদায় কার্যক্রম জোরদারকরণের লক্ষ্যে ময়মনসিংহ সার্কেলে ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬ শনিবার ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক রূবানা পারভীন।
ময়মনসিংহ সার্কেলের মহাব্যবস্থাপক মো. জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে সার্কেলাধীন বিভিন্ন অঞ্চলের অঞ্চল প্রধান এবং শাখা ব্যবস্থাপকগণ উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি মো. আনোয়ারুল ইসলাম ব্যাংকের ব্যবসায়িক অগ্রগতি ও বাস্তবায়ন, শ্রেণীকৃত ঋণ আদায়সহ ২০২৬ সালের আর্থিক সূচকসমূহের প্রবৃদ্ধি, আমদানি, রপ্তানি, রেমিট্যান্স সংগ্রহ ও প্রান্তিক পর্যায়ে এসএমই ঋণ বিতরণ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
সম্মেলনে গ্রাহকদের মাঝে বাংলা কিউআর এর ব্যবহার বৃদ্ধি, ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বৃহৎ পরিসরে আধুনিক ও উন্নত গ্রাহক সেবা দেয়ার লক্ষ্যে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ‘নয়াবাজার শাখা’ স্থানান্তরিত হয়ে নতুন ঠিকানায় ২৬ জুলাই, রোববার থেকে কার্যক্রম শুরু করেছে। এ উপলক্ষে উক্ত শাখায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আকরাম হোসেন (হুমায়ুন)।
মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের পরিচালক আলহাজ্ব মোশাররফ হোসেন এবং স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম আহম্মদ। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব মোঃ নুরুল আমীন, মোঃ মনির হোসেন, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ডা. চৌধুরী গোলাম সোবহানী প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ব্রাঞ্চেস ডিভিশনের প্রধান মোঃ অলিউল্লাহ, নয়াবাজার শাখা প্রধান মোঃ জিল্লুর রহমান, ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার প্রধান, অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিপুল সংখ্যক গ্রাহক ও ব্যবসায়ীবৃন্দ। ‘নয়াবাজার শাখা’র নতুন ঠিকানা- সোলাম্বিয়া চৌধুরী মার্কেট, হোল্ডিং নং-৩০, জিন্দাবাহার ১ম লেন, নয়াবাজার, ওয়ার্ড নং-৩২, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, থানা- কোতয়ালী, ঢাকা-১১০০।
এসবিএসি ব্যাংক পিএলসির অর্ধবার্ষিক ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন ২০২৬-এ প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মোখলেসুর রহমান। শনিবার (২৫ জুলাই, ২০২৬) রাজধানীর হোটেল ল্যা মেরিডিয়ান ঢাকায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী এস.এম. মঈনুল কবীরের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের পরিচালক মোহাম্মদ নাজমুল হক, মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এফসিএমএ, একেএম দেলাওয়ার হুসেন এফসিএমএ, ইমরুল আনোয়ার, মেজর (অব.) আবু ফাতেহ মো. বশিরুর রহমান, স্বতন্ত্র পরিচালক প্রফেসর মোঃ মাকসুদুর রহমান সরকার এফসিএমএ এবং জিয়াউর রহমান জিয়া এফসিএ প্রমুখ। সম্মেলনে ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আলতাফ হোসেন ভুঁইয়াসহ ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহী, বিভাগীয় প্রধান, শাখা ব্যবস্থাপক এবং উপশাখার ইনচার্জবৃন্দ উপস্থিত করেন।
সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৬ সালের জুন শেষে এসবিএসি ব্যাংকের আমানত হয়েছে ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি; যা বিগত ছয় মাসে প্রায় ১৩শ' কোটি টাকা বা ১২ শতাংশ বেশি এবং ঋণ দাঁড়িয়েছে নয় হাজার ৬২৭ কোটি টাকা। ছয় মাসে ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৫ কোটি টাকা। বর্তমানে ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন দাঁড়িয়েছে ৮২৪ কোটি টাকা এবং মূলধন পর্যাপ্ততার হার ১৩.৪০ শতাংশ।
সম্মেলনে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মোখলেসুর রহমান বলেন, গত কয়েক বছরে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও এসবিএসি ব্যাংক আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। ব্যাংকে কোনো তারল্য সংকট সৃষ্টি হয়নি এবং গ্রাহকরা নির্বিঘেœ তাদের প্রয়োজনীয় অর্থ উত্তোলন করতে পেরেছেন। তিনি বলেন, দক্ষ ও দায়িত্বশীল ব্যবস্থাপনার ফলে ব্যাংকের আর্থিক সূচকে টেকসই অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে এবং ব্যাংকটিকে একটি শক্ত ভিত গড়া সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও জানান, এসবিএসি ব্যাংকের পর্ষদ সুশাসন, ব্যাংকিং বিধি-বিধান পরিপালন, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং আমানতকারীদের স্বার্থ ও আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস.এম. মঈনুল কবীর বলেন, এসবিএসি ব্যাংক হবে সবার ব্যাংক। আমরা উদ্যোক্তা তৈরির মনোভাব নিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছি, দেশে ব্যাপকভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। এ জন্য কৃষি, এসএমই, নারীউদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদানে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। পাশাপাশি রেমিট্যান্স আহরণ ও বৈদেশিক বাণিজ্যেও সমান গুরুত্বারোপ করেছি। একইসঙ্গে এসবিএসি ব্যাংক ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়তে ডিজিটাল পরিসেবা তরান্বিত করা এবং শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকিংয়ের পরিসর বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, এসবিএসসি ব্যাংকের প্রধান লক্ষ্য খেলাপিঋণ সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনা। এ জন্য মানসম্মত গ্রাহক নির্বাচন করা ও ঋণ আদায় ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হবে।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)-এর অর্থায়নে পরিচালিত স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম-এর আওতায় নাটোরে আয়োজিত মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করেছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.। এ উপলক্ষে সম্প্রতি আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়নে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্ট-এর সহযোগিতায় পরিচালিত এ প্রশিক্ষণের লক্ষ্য ছিল সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক দক্ষতা বৃদ্ধি, উদ্ভাবনী সক্ষমতা বিকাশ এবং শিল্পখাতের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা জোরদার করা। মাসব্যাপী এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী ২৫ জন সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তা সফলভাবে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা টেকসই ব্যবসা পরিচালনা, ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজারে কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্ট-এর যুগ্ম পরিচালক এবং স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম-এর ডেপুটি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মো. আইয়ুব আলী। তিনি বলেন, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উদ্ভাবনভিত্তিক শিল্পায়নে দক্ষ উদ্যোক্তা গড়ে তোলার বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য অর্জনে স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম-এর মতো উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রিজিওনাল হেড মো. আব্দুল হালিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর হেড অব এস বিজনেস অ্যান্ড রিফাইন্যান্স শেখ নূর আলম। তিনি বলেন, নতুন উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের বিকাশে প্রাইম ব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উদ্যোক্তাদের জন্য পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা, উপযোগী ব্যাংকিং সেবা এবং প্রয়োজনভিত্তিক আর্থিক সমাধান প্রদানের মাধ্যমে তাদের পাশে থাকবে প্রাইম ব্যাংক।
প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. বিশ্বাস করে, দক্ষ ও উদ্ভাবনী উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত আরও শক্তিশালী হবে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। উদ্যোক্তা উন্নয়নমূলক এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে ব্যাংকটি দেশের উদ্যোক্তা ইকোসিস্টেমকে আরও সমৃদ্ধ করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
‘ONWARD & UPWARD’—এই অঙ্গীকারকে ধারণ করে দি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি.- এর অর্ধবার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন ২৫ জুলাই, ২০২৬ রাজধানীর ফোরটিস ডাউনটাউন রিসোর্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি-এর চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান, পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ- পরিচালক ও নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম, পরিচালক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন এবং পরিচালক ও প্রিমিয়ার ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম. নুরুল আলম, এফসিএস, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মনজুর মফিজ, সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিম, সম্মানিত ব্রাঞ্চ ম্যানেজারবৃন্দ এবং ব্রাঞ্চ ও হেড অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ।
স্বাগত বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মনজুর মফিজ ব্যাংকের আগামী দিনের ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ও কৌশল তুলে ধরেন। তিনি ডিপোজিট সংগ্রহে আরও গতিশীল হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে চলমান ও নতুন ডিপোজিট ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। বিদ্যমান ব্যবসায়িক ঘাটতি দূর করা, লাভজনক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি শাখাকে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ ভূমিকা পালনের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান বলেন, তিনি বলেন, ব্যাংকে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়মের কোনো স্থান নেই। আমানতকারীদের আমানত সুরক্ষা করা ব্যাংকের সর্বোচ্চ দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই দায়িত্ব সফলভাবে পালনে ব্যাংকের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
এ সময় ব্যাংকের সম্মানিত স্বতন্ত্র পরিচালকবৃন্দ সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন এবং এম. নুরুল আলম, এফসিএস বক্তব্য প্রদান করেন। তাঁরা ব্যাংকের সামগ্রিক সাফল্য অর্জনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, টিম স্পিরিট- পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টাই প্রতিষ্ঠানের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি।
সম্মেলনে সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিম ব্যাংকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক বিষয়ে উপস্থাপনা প্রদান করেন। উপস্থাপনাগুলোতে ডিপোজিট মোবিলাইজেশন, রিকভারি পারফরম্যান্স, বাংলা কিউআর, এজেন্ট ব্যাংকিংসহ ব্যাংকের বিভিন্ন কৌশলগত উদ্যোগ, ব্যবসায়িক অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।