বিশিষ্ট কবি ও চিন্তক মোঃ ফয়েজ আলমের কবিতা নিয়ে এবার চারুকণ্ঠ আবৃত্তি সংসদের ত্রৈমাসিক আবৃত্তি আয়োজন ‘বিনম্র রোদের ছায়া’র ৩৭তম পর্ব অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে। গত বুধবার (২৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠানে অতিথি আলোচক ছিলেন কবি ও কথাশিল্পী জোহরা পারুল এবং গবেষক ও নাট্যসমালোচক আবু সাঈদ তুলু।
আয়োজনের প্রথম পর্বে চারুকণ্ঠের আবৃত্তিশিল্পীবৃন্দ ও আমন্ত্রিত আবৃত্তিশিল্পীরা কবির কবিতা আবৃত্তি করেন। দ্বিতীয় পর্বে কবির কবিতা ও চিন্তাজগতের নানাবিধ বিষয় নিয়ে তথ্য ও তত্ত্বগত বিষয়ে আলোকপাত করেন গবেষক ও নাট্যসমালোচক আবু সাঈদ তুলু এবং কবির লেখার জগৎ ও পারিবারিক জীবন নিয়ে কথা বলেন কবি ও কথাশিল্পী জোহরা পারুল। অনুষ্ঠানে কবি খলিল মজিদ, মামুন খানসহ বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই চারুকণ্ঠের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক জি এম মোরশেদ স্বাগত বক্তব্যে ‘বিনম্র রোদের ছায়া’র প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। এরপর চারুকণ্ঠের সাধারণ সম্পাদক ফারজানা রোজি কবির সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করেন। কবিতা আবৃত্তি পর্বে দেশ বরেণ্য কবি ও আবৃত্তিকার ফয়জুল আলম পাপপু ও রফিকুল ইসলামসহ পর্যায়ক্রমে কবির কবিতা আবৃত্তি করেন দিলশাদ জাহান পিউলী, সুসমিতা হক, রুবাইয়া রুমকি, আনোয়ার পারভেজ, কাজী রাজেশ, অনন্যা সাহা, মুরাদ হোসেন,সৈয়দ আশিকুল ইসলাম, মোফাজ্জেল হোসেন সবুজ, জেসমিন বন্যা, হিমেল অনার্য, আসমা মালিহা, জিএম মোরশেদ, শিখা সেনগুপ্ত, মুহ. সিদ্দিকুর রহমান পারভেজ ও ফারজানা রোজী।
দ্বিতীয় ও শেষ ভাগের শুরুতে কবি ও অতিথিদের শুভেচ্ছা স্মারক হিসেবে উত্তরীয় ও ক্রেস্ট তুলে দেন চারুকণ্ঠের সদস্যরা। এ পর্বে সভপতিত্ব করেন চারুকণ্ঠের সহ-সভাপতি আনোয়ার পারভেজ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রশান্ত অধিকারী।
আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড (এএফবিএল)-এর জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘ক্লেমন’ তাদের বিশেষ ক্যাম্পেইন “ক্লিয়ারলি বাংলাদেশি”-কে এক নতুন আঙ্গিকে দর্শকদের সামনে নিয়ে এসেছে। সম্প্রতি আকিজ হাউজে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ক্যাম্পেইনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে এএফবিএল-এর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার জনাব সৈয়দ জহুরুল আলম উপস্থিত থেকে এই নতুন যাত্রার শুভ সূচনা করেন। এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকে নতুনভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি জানানো হয় যে, ক্লেমন বোতলের গায়ে থাকা কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করেই এখন থেকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পুরো বাংলাদেশ ঘুরে দেখার এক অনন্য সুযোগ পাবেন দর্শকরা।
ক্যাম্পেইনটির মূল বিষয়বস্তু হিসেবে একটি আকর্ষণীয় মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করা হয়েছে, যেখানে দেশীয় সংস্কৃতি ও শেকড়ের টানকে নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ভিডিওটিতে বাংলাদেশের কৃষ্টি ও রঙের বৈচিত্র্য এমনভাবে উপস্থাপিত হয়েছে, যা প্রত্যেক বাঙালির হৃদয়ে দেশের প্রতি অনুরাগ ও গর্ব তৈরি করে। গল্পের প্রধান চরিত্রে দেখা যায় এক বিদেশি বন্ধুকে, যাকে বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে পুরান ঢাকার সরু গলি, ঐতিহ্যবাহী টমটম গাড়ি, জামদানি শাড়ি এবং রাজকীয় জমিদারবাড়ির দৃশ্যপট যেমন রয়েছে, তেমনি উঠে এসেছে রাজশাহীর আম, বগুড়ার দই ও মন্ডা মিঠাই, নাটোরের কাঁচাগোল্লা ও চট্টগ্রামের মেজবানের মতো সব জিভে জল আনা আঞ্চলিক খাবারের কথা।
এই ক্যাম্পেইনের সবচেয়ে উদ্ভাবনী দিক হলো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সংযুক্তি। ক্লেমন বোতলের কিউআর কোড স্ক্যান করার মাধ্যমে দর্শকরা একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হবেন, যেখানে বিভাগওয়ারী তথ্য, জিআই পণ্য, ঐতিহ্যবাহী খাবার, স্থানীয় গুণী ব্যক্তিত্ব এবং দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। এর মাধ্যমে ক্লেমন কেবল একটি ব্র্যান্ড হিসেবে নয়, বরং ব্যবহারকারীদের কাছে নিজ দেশ চেনার এক নতুন ডিজিটাল দুয়ার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
একটি গর্বিত দেশীয় ব্র্যান্ড হিসেবে ক্লেমন এই “ক্লিয়ারলি বাংলাদেশি” ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দেশের ঐতিহ্যকে বিশ্বদরবারে উপস্থাপনের প্রয়াস চালিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বাস করে, আধুনিক প্রযুক্তি ও দেশপ্রেমের এই মেলবন্ধন প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে দেশের কৃষ্টি ও সংস্কৃতির গৌরব ছড়িয়ে দেবে। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং আউটডোর বিলবোর্ডের মাধ্যমে এই প্রচারণাকে দেশব্যাপী ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
ব্যাংক এশিয়া ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে মার্চ প্রান্তিকে ৪,০০০ কোটি টাকার নিট আমানত প্রবৃদ্ধির এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছে। এই বিশাল অর্জন মূলত ব্যাংকের ওপর গ্রাহকদের অটুট আস্থা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির দৃঢ় অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ।
ব্যাংক এশিয়ার গ্রাহক-বান্ধব সেবা, আধুনিক ও উদ্ভাবনী ব্যাংকিং সমাধান এবং দক্ষ আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে এই সাফল্যের প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সাধারণ ব্যক্তি গ্রাহক থেকে শুরু করে করপোরেট ও প্রাতিষ্ঠানিক—সব পর্যায়ের গ্রাহকদের গভীর নির্ভরতা ও আস্থার ফলেই আমানত বৃদ্ধির এই শক্তিশালী ধারা তৈরি হয়েছে।
এই সাফল্য উদযাপন উপলক্ষে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত ‘ব্যাংক এশিয়া টাওয়ার’-এ সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সোহেল আর কে হোসেনসহ সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পর্ষদ এই অর্জনে কর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতে বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
ডিজিটাল রূপান্তর, উন্নত গ্রাহক সেবা এবং বহুমুখী পণ্য ও সেবার মাধ্যমে ব্যাংক এশিয়া দেশের ব্যাংকিং খাতে নিজেদের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করে তুলেছে। আগামীতেও এই প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে ব্যাংক এশিয়া বদ্ধপরিকর।
বিশ্ববিখ্যাত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ডিভাইস ইকোসিস্টেম প্রতিষ্ঠান অনার বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজারে তাদের নতুন হ্যান্ডসেট ‘এক্স৬ডি ফাইভ-জি’ নিয়ে এসেছে। প্রযুক্তিপ্রেমীদের সাশ্রয়ী মূল্যে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এক্স সিরিজের এই প্রথম ফাইভ-জি সমর্থিত ফোনটি উন্মোচন করা হয়েছে।
দেশের বাজারে বর্তমানে এই আধুনিক স্মার্টফোনটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ হাজার ৯৯৯ টাকা। দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারের নিশ্চয়তা দিতে ডিভাইসটিতে রয়েছে ৫২৬০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার ক্ষমতার শক্তিশালী ব্যাটারি। টানা চার বছর ব্যবহারের পরও যেন ব্যাটারির সক্ষমতা অটুট থাকে, সে জন্য এতে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ অ্যান্টি-এজিং প্রযুক্তি।
৫-জি নেটওয়ার্কে নিরবচ্ছিন্ন ভিডিও স্ট্রিমিং এবং হাই-স্পিড ব্রাউজিং নিশ্চিত করতে ফোনটিতে মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৬৩০০ প্রসেসর যুক্ত করা হয়েছে। ৪ জিবি র্যাম ও ১২৮ জিবি স্টোরেজ সমৃদ্ধ এই ফোনে র্যাম টার্বো প্রযুক্তির মাধ্যমে ভার্চুয়ালি ৮ জিবি পর্যন্ত র্যাম ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়া বাড়তি মেমোরির প্রয়োজনে গ্রাহকরা ১ টেরাবাইট পর্যন্ত মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহারের জন্য আলাদা স্লট পাবেন।
নিখুঁত ছবি তোলার জন্য এতে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ক্লিয়ার মেইন ক্যামেরা। হ্যান্ডসেটটি চলবে অ্যান্ড্রয়েড ১৬-এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি ম্যাজিক ওএস ১০ অপারেটিং সিস্টেমে। এই নতুন ফোনটি নিয়ে অনার বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ল্যাং গুও বলেন, “এই ফোনের মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষের কাছে ফাইভ-জি প্রযুক্তি আরও সহজলভ্য করতে চাই আমরা। একই সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে, যাতে ব্যবহারকারীরা দীর্ঘ সময় নির্বিঘ্নে আধুনিক প্রযুক্তির সুবিধা নিতে পারেন।”
ওশান সায়ান এবং মিডনাইট ব্ল্যাক—এই আকর্ষণীয় দুই রঙে ফোনটি এখন দেশের সব অনুমোদিত অনার বিক্রয়কেন্দ্রে পাওয়া যাচ্ছে বলে।
দি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি তাদের ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং বকেয়া ঋণ আদায়ের প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে ‘ডিপোজিট ও রিকভারি মান্থ - এপ্রিল ২০২৬’ শীর্ষক একটি বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে সম্প্রতি দেশের যশোর ও রাজশাহী অঞ্চলে পৃথক দুটি টাউন হল মিটিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে।
ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই সভার মূল লক্ষ্য ছিল রিকভারি কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করা এবং গ্রাহক সেবার মান বাড়িয়ে ব্যাংকের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করা।
যশোরের রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশন (আরআরএফ) মিলনায়তনে আয়োজিত প্রথম সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়ামত উদ্দিন আহমেদ। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এসইভিপি ও কনজিউমার ব্যাংকিং প্রধান মোহাম্মদ শামীম মোর্শেদ। এছাড়া এই সভায় সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও যশোর শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ আবুল কাশেমসহ ওই অঞ্চলের বিভিন্ন শাখা ও উপশাখার কর্মকর্তারা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
অন্যদিকে, রাজশাহীর নানকিং দরবার হলে অনুষ্ঠিত অপর এক টাউন হল মিটিংয়ে প্রধান অতিথির আসন অলঙ্কৃত করেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক অমলেন্দু রায়। বিশেষ অতিথি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন এসইভিপি এবং এসএমই ও এগ্রি ব্যাংকিং প্রধান আসিফ খান। রাজশাহী শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ হেলাল উদ্দিনসহ স্থানীয় বিভিন্ন শাখা ও উপশাখার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজিত এই সভাগুলোতে ব্যাংকের কর্মকর্তারা ‘ডিপোজিট ও রিকভারি মান্থ - এপ্রিল ২০২৬’ সফলভাবে সম্পন্ন করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এর মাধ্যমে ব্যাংকের আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী করার পাশাপাশি গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের জন্য ডিজিটাল আর্থিক সেবার পরিধি বাড়াতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ভিসা ব্র্যান্ডের স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড ও প্রিপেইড কার্ড বিক্রয় ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেছে। রাজধানীর মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এইচ এম জাহিরুল হক সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি. এর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহবুব আলম। এক বিজ্ঞপ্তিতে ব্যাংকটি এই তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্যাম্পেইনের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা ক্রেডিট কার্ডে আজীবন বার্ষিক ফি মওকুফ সুবিধা পাবেন। অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা ক্রেডিট ও প্রিপেইড কার্ডে প্রথম বছরের বার্ষিক ফি মওকুফের পাশাপাশি প্রথম লেনদেনে ১০০ টাকা ক্যাশব্যাক এবং প্রথম বছরের জন্য এসএমএস চার্জ মওকুফ সুবিধা পাবেন। এই কার্ডগুলোর মাধ্যমে দেশি ও আন্তর্জাতিক লেনদেন, টিউশন ফি পরিশোধ এবং বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন ফি প্রদানসহ বিভিন্ন অনলাইন লেনদেন সহজে সম্পন্ন করা যাবে। ফলে শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক সেবা আরও সহজলভ্য ও সুবিধাজনক হবে। কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটিতে এই অন-ক্যাম্পাস ক্যাম্পেইন ৫ এপ্রিল থেকে ৯ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত চলবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন এ. এস. এম. জি. ফারুক, রেজিস্ট্রার (ইনচার্জ); ড. মো. মনিরুজ্জামান খান, পরিচালক (এমবিএ ও ইএমবিএ); এবং কাজী সাব্বির হোসেন, ডেপুটি ডিরেক্টর (এইচআর অ্যান্ড অপারেশনস)। সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুছ সবুর খান, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব কার্ডস; মো. জহিরুল হক, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব গুলশান শাখা; এবং কাজী সাইফুল ইসলাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট (কার্ড ডিভিশন)।
এই ক্যাম্পেইন সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির মধ্যে একটি শক্তিশালী অংশীদারিত্বের প্রতিফলন, যা একাডেমিক সম্প্রদায়ের জন্য নিরাপদ, সহজ ও আধুনিক ডিজিটাল আর্থিক সেবা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে।
বাগেরহাটের রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র এলাকায় নতুন একটি উপশাখা চালুর মাধ্যমে নিজেদের সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত করেছে জনতা ব্যাংক পিএলসি। গত বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই ৩য় উপশাখাটির উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ব্যাংকের নতুন এই উপশাখাটির শুভ উদ্বোধন করেন জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমান। এই বিশেষ আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিআইএফপিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক রমনাথ পুজারি। এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রকল্প পরিচালক-ইনচার্জ অভিষেক কুমার এবং ডিপিডি মো. আলাউদ্দিনও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের জিএম-ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে খুলনা অঞ্চলের ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাহী ও কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও ব্যাংকটির এই নতুন পথচলার মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন বলে গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে।
দেশের বাজারে প্রথমবারের মতো ইন-বিল্ট এআই সুবিধাসম্পন্ন ফ্রেঞ্চ-ডোর রেফ্রিজারেটর ‘আরএফ৫৯’ নিয়ে এলো স্যামসাং। এআই এনার্জি মোড ও স্মার্টথিংস কানেক্টিভিটিসহ আধুনিক সুবিধা যুক্ত এই ফ্রিজ স্মার্ট ও স্টাইলিশ হোম অ্যাপ্লায়েন্স প্রযুক্তিতে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পণ্যটি উন্মোচন উপলক্ষে ৬ এপ্রিল গুলশান-২-এর র্যাংগস ই-মার্ট শোরুমে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন স্যামসাং বাংলাদেশের কনজিউমার ইলেকট্রনিকস ডিভিশনের হেড অব বিজনেস শাহরিয়ার বিন লুৎফর, প্রোডাক্ট প্ল্যানিংয়ের চিফ ম্যানেজার আনিকা রহমান ও রিটেইল স্ট্র্যাটেজির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রাজীব দাশ গুপ্ত এবং র্যাংগস ই-মার্টের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন র্যাংগস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সর্দার মোঃ খালেদ বিন হাসান, হেড অব সেলস গোলাম আজম খান ও জেনারেল ম্যানেজার মোঃ শরিফুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে স্যামসাং বাংলাদেশের কনজিউমার ইলেকট্রনিকস ডিভিশনের হেড অব বিজনেস শাহরিয়ার বিন লুৎফর বলেন, "বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় আরএফ৫৯ রেফ্রিজারেটরটি আমরা বাংলাদেশে নিয়ে এসেছি, যা আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আমাদের প্রতিদিনের কাজকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক করবে। বর্তমানে গ্রাহকেরা গুণগত মানের পাশাপাশি আধুনিক সুবিধা এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের দিকেও বিশেষ নজর দিচ্ছেন—এই রেফ্রিজারেটরটি গ্রাহকদের এ ধরনের চাহিদায় কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে। আমরা সবসময় মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজন বুঝে সময়োপযোগী পণ্য বাজারে নিয়ে আসতে কাজ করি, আরএফ৫৯ সে ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই অংশ।"
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত, র্যাংগস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সর্দার মোঃ খালেদ বিন হাসান বলেন, “র্যাংগস ই-মার্ট সর্বদা গ্রাহককেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। গ্রাহকদের পরিবর্তিত চাহিদা ও জীবনধারার সঙ্গে মিল রেখে আমরা নিয়মিতভাবে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পণ্য ও উদ্ভাবনী সমাধান বাজারে নিয়ে আসছি।
স্যামসাং-এর এই রেফ্রিজারেটরটি সেই ধারাবাহিকতারই একটি প্রতিফলন। ক্রেতাদের জন্য সর্বোচ্চ গুনগত মানসম্পন্ন পণ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি আমরা আকর্ষণীয় অফার, সহজ কিস্তি সুবিধা এবং বহুমুখী ইএমআই সুবিধা প্রদান করে থাকি, যাতে তারা আরও স্বাচ্ছন্দ্যে ও সাশ্রইয়ী উপায়ে তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারে।”
আরএফ৫৯ রেফ্রিজারেটরটিতে রয়েছে ফ্ল্যাট-ডোর ‘বিস্পোক’ ফিনিশ, যা আধুনিক রান্নাঘরের সঙ্গে চমৎকারভাবে মানিয়ে যায়। এতে যুক্ত করা হয়েছে ‘এআই এনার্জি মোড’ যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রাহকের ফ্রিজ ব্যবহারের ধরন বিশ্লেষণ করে বিদ্যুৎ খরচ কমায়।
ফ্রিজটিতে ব্যবহার করা ‘স্মার্টথিংস’ কানেক্টিভিটি, ব্যবহারকারীকে স্মার্টফোন অ্যাপের মাধ্যমে দূর থেকেই ফ্রিজটি নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণের সুবিধা দেয়। ফলে ফ্রিজের দরজা খোলা থাকলে বা তাপমাত্রার অস্বাভাবিক পরিবর্তন হলে তাৎক্ষণিক ‘অ্যালার্ট’ পাওয়া যাবে। এছাড়া গ্রাহকরা দূর থেকেই ‘পাওয়ার কুল’ এবং ‘পাওয়ার ফ্রিজ’ ফাংশনগুলো সচল করতে পারবেন।
দ্রুত কুলিং পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রে আরএফ৫৯ অনন্য। এর পাওয়ার কুল ও পাওয়ার ফ্রিজ ফাংশন অন্যান্য প্রতিযোগী মডেলের তুলনায় ৩৯ মিনিট দ্রুত ঠান্ডা করতে সক্ষম। পাশাপাশি, এতে ব্যবহৃত হয়েছে ‘স্পেস-ম্যাক্স’ প্রযুক্তি, যা ফ্রিজের বাইরের আকার না বাড়িয়েই ভেতরের প্রশস্ততা নিশ্চিত করে। ফলে ৬৪৯ লিটারের বিশাল জায়গা সাধারণ রান্নাঘরের স্পেসেই অনায়াসে সেট হয়ে যায়।
গ্রাহকরা দেশজুড়ে র্যাংগস ই-মার্ট-এর শোরুমগুলোতে গিয়ে নতুন আরএফ৫৯ রেফ্রিজারেটরটি দেখার ও কেনার সুযোগ পাবেন।
মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসিতে কর্মরত নারী কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশের লক্ষ্যে ‘কর্মক্ষেত্রে নারীদের জন্য নেতৃত্ব’ শীর্ষক একটি বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা ও বিভাগের ৪১ নারী কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। সম্প্রতি মিডল্যান্ড ব্যাংক ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এ কর্মশালার উদ্বোধন করেন ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান জুবায়েদ উর রহমান। মিডল্যান্ড ব্যাংক গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, জনতা ব্যাংক পিএলসির সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. মাজহারুল ইসলাম এবং মিডল্যান্ড ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান সুশান্ত শেখর দেব। তারা নেতৃত্ব, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, পেশাগত উন্নয়ন ও কর্মক্ষেত্রে নারীদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, আধুনিক ব্যাংক খাতে নারীরা এখন কেবল অংশগ্রহণকারী নন; বরং নেতৃত্ব, উদ্ভাবন ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রতিষ্ঠান গঠনে নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, মিডল্যান্ড ব্যাংক ভবিষ্যতেও নারী কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন, নেতৃত্ব বিকাশ এবং ক্যারিয়ার অগ্রগতির জন্য প্রশিক্ষণ ও মেন্টরশিপ কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল) ও শান্তা লাইফ ইনস্যুরেন্স যৌথভাবে ব্যাংকাস্যুরেন্স পণ্য ও সেবা চালু করেছে। ফলে ইবিএলের গ্রাহকেরা এখন থেকে সরাসরি ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে জীবনবিমা সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় ইবিএলের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সেবার উদ্বোধন করা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ব্যাংকটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উদ্যোগটি দেশের ব্যাংকিং ও বিমা খাতের মধ্যে সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, যা আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রাহকদের জন্য বিমা সেবাকে আরও সহজলভ্য করে তুলবে। ব্যাংকাস্যুরেন্স উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে গ্রাহকদের জন্য সহজলভ্য আর্থিক সুরক্ষা ও দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে সমন্বিত আর্থিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করা। ইবিএলের শক্তিশালী ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম এবং শান্তা লাইফ ইনস্যুরেন্সের জীবনবিমা খাতে অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে এই অংশীদারত্ব ব্যক্তি ও পরিবারের আর্থিক পরিকল্পনার সুযোগকে আরও সম্প্রসারিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে শান্তা লাইফ ইনস্যুরেন্সেরের পরিচালক আরিফ খান ও এম আনিসুল হক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাফিস আখতার আহমেদ এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক খুরশেদ কাইসার, ইবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী রেজা ইফতেখার, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এম খোরশেদ আনোয়ার, প্রধান তথ্য ও প্রযুক্তি কর্মকর্তা জাহিদুল হক, হেড অব লায়াবিলিটি অ্যান্ড ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট শারমিন আতিকসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির ও আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
সম্প্রতি ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান জামান চৌধুরী ও আস্থা লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহ সগিরুল ইসলাম (অব.) নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।
এ চুক্তির মাধ্যমে ট্রাস্ট ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডধারীদের জন্য ক্রেডিট শিল্ড কভারেজ সুবিধা চালু করা হয়েছে। একই সঙ্গে ট্রাস্ট ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডধারীরা স্বাভাবিক মৃত্যু, দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু বা স্থায়ী অক্ষমতার ক্ষেত্রে কার্ডে বকেয়া অর্থ পরিশোধের সুবিধা পাবেন, পাশাপাশি নির্ধারিত সীমার মধ্যে মনোনীত ব্যক্তিরাও অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা পাবেন। অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ অংশীদারত্ব ট্রাস্ট ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য উন্নত ও সুরক্ষিত আর্থিক সেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।
আকর্ষণীয় এবং নিরবচ্ছিন্ন এমপ্লয়ি ব্যাংকিং সুবিধা দিতে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার সঙ্গে চুক্তি করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
এই চুক্তির আওতায় ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার কর্মীরা ব্র্যাক ব্যাংকের একটি পূর্ণাঙ্গ ফাইন্যান্সিয়াল সল্যুশন প্যাকেজ পাবেন, যেখানে রয়েছে স্যালারি অ্যাকাউন্ট, মাল্টি-কারেন্সি ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, লোন-সুবিধা, ডিপিএস ও এফডি সেবাসহ ব্র্যাক ব্যাংক এমপ্লয়ি ব্যাংকিং প্রপোজিশনের আকর্ষণীয় ও উপভোগ্য সব সুবিধা।
সম্প্রতি ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং মো. মাহীয়ুল ইসলাম এবং ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার জেনারেল ম্যানেজার ডেভিড রিচার্ড ও’হ্যানলন আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
মাহীয়ুল ইসলাম বলেন, ‘ব্র্যাক ব্যাংকের এমপ্লয়ি ব্যাংকিং কেবল সাধারণ লেনদেনে সীমাবদ্ধ নয়।
এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা করতে পারেন। ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার কর্মীরা এখন থেকে ব্র্যাক ব্যাংকের এমন সব সুবিধা পাবেন যা তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, সহজে ঋণ পাওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।’
ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক পাঁচতারা হোটেল। আইএইচজি (IHG) হোটেলস অ্যান্ড রিসোর্টস পরিচালিত এই হোটেলে ২০০টিরও বেশি কক্ষ ও স্যুইট, একাধিক ডাইনিং রেস্তোরাঁ এবং প্রিমিয়াম লাইফস্টাইল সুবিধা রয়েছে।
বিভিন্ন খাতের পেশাদারদের জন্য কাঠামোগত আর্থিক সেবা পৌঁছে দিতে ব্র্যাক ব্যাংক প্রতিনিয়ত তাদের এমপ্লয়ি ব্যাংকিং পরিধি বাড়িয়ে চলেছে।
ইন্টারকন্টিনেন্টালের কর্মীদের এমপ্লয়ি ব্যাংকিং সুবিধা দেবে ব্র্যাক ব্যাংক
করপোরেট ডেস্ক
আকর্ষণীয় এবং নিরবচ্ছিন্ন এমপ্লয়ি ব্যাংকিং সুবিধা দিতে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার সঙ্গে চুক্তি করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
এই চুক্তির আওতায় ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার কর্মীরা ব্র্যাক ব্যাংকের একটি পূর্ণাঙ্গ ফাইন্যান্সিয়াল সল্যুশন প্যাকেজ পাবেন, যেখানে রয়েছে স্যালারি অ্যাকাউন্ট, মাল্টি-কারেন্সি ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, লোন-সুবিধা, ডিপিএস ও এফডি সেবাসহ ব্র্যাক ব্যাংক এমপ্লয়ি ব্যাংকিং প্রপোজিশনের আকর্ষণীয় ও উপভোগ্য সব সুবিধা।
সম্প্রতি ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং মো. মাহীয়ুল ইসলাম এবং ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার জেনারেল ম্যানেজার ডেভিড রিচার্ড ও’হ্যানলন আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
মাহীয়ুল ইসলাম বলেন, ‘ব্র্যাক ব্যাংকের এমপ্লয়ি ব্যাংকিং কেবল সাধারণ লেনদেনে সীমাবদ্ধ নয়।
এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা করতে পারেন। ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার কর্মীরা এখন থেকে ব্র্যাক ব্যাংকের এমন সব সুবিধা পাবেন যা তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, সহজে ঋণ পাওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।’
ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক পাঁচতারা হোটেল। আইএইচজি (IHG) হোটেলস অ্যান্ড রিসোর্টস পরিচালিত এই হোটেলে ২০০টিরও বেশি কক্ষ ও স্যুইট, একাধিক ডাইনিং রেস্তোরাঁ এবং প্রিমিয়াম লাইফস্টাইল সুবিধা রয়েছে।
বিভিন্ন খাতের পেশাদারদের জন্য কাঠামোগত আর্থিক সেবা পৌঁছে দিতে ব্র্যাক ব্যাংক প্রতিনিয়ত তাদের এমপ্লয়ি ব্যাংকিং পরিধি বাড়িয়ে চলেছে।
বিকাশ এজেন্ট পয়েন্ট থেকেই এখন মেটাল মোটরস লিমিটেড-এর মেকানাইজড কৃষি যানবাহন কেনার কিস্তি পরিশোধ করতে পারবেন কৃষকরা। মাঠ পর্যায়ে কিস্তি সংগ্রহ প্রক্রিয়াকে আরো সহজ ও নিরাপদ করতে বিকাশের ‘এজেন্ট টু মার্চেন্ট’ (এটুএম) ক্যাশ কালেকশন সল্যুশন ব্যবহার করবে মেটাল মোটরস। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) প্রতিষ্ঠানটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
চুক্তির আওতায় সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা বিকাশ এজেন্ট পয়েন্ট থেকে কৃষকরা সহজেই কিস্তি জমা দিতে পারবেন। জমাকৃত অর্থ সরাসরি মেটাল মোটরসের অ্যাকাউন্টে ইলেকট্রনিক মানি (ই-মানি) হিসেবে যুক্ত হবে। এতে অর্থ ব্যবস্থাপনার ঝুঁকি কমবে এবং লেনদেন প্রক্রিয়া হবে আরো দ্রুত ও সাশ্রয়ী।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেটাল মোটরসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাদিদ জামিল, পরিচালক সারাহ জামিল ও সাদ জামিল, সিইও মো. মিজানুর রহমান এবং বিকাশ-এর চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ, হেড অব বিজনেস সেলস মাশরুর চৌধুরী ও জেনারেল ম্যানেজার মো. সোমেল রেজা খানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, বিকাশ-এর ক্যাশ কালেকশন সল্যুশন ইতোমধ্যে টেলিকম, সিমেন্ট, বেভারেজ, লাইফস্টাইল, খাদ্য, ওষুধসহ বিভিন্ন খাতে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনা আরো স্বচ্ছ, নিরাপদ ও কার্যকর হচ্ছে এবং দেশের ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাও শক্তিশালী হচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রথম ব্যাংক হিসেবে ট্রেজারি বন্ডের বিপরীতে কনজিউমার ঋণ বিতরণ করার মাইলফলক অর্জন করেছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি., যা দেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা খাতে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) নির্দেশনা পাওয়ার পর, ব্যাংকটি পরবর্তী দিন সকালে প্রথম ঋণ বিতরণ সম্পন্ন করে, যা ব্যাংকটির অপারেশনাল দক্ষতা এবং সমন্বিত কার্যক্রমের উদাহরণ।
এই নতুন পণ্যটি গ্রাহকদের ট্রেজারি বন্ডের বিপরীতে ঋণ নেওয়ার সুযোগ প্রদান করবে, যার মাধ্যমে তারা তাদের বিনিয়োগ বিক্রি না করেই তহবিল অর্জন করতে পারেন। গ্রাহকদের চাহিদা পূরণে আধুনিক আর্থিক সমাধান প্রদানে এই উদ্যোগ প্রাইম ব্যাংকের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।
ব্যাংকের গুলশান শাখা, ক্রেডিট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ডিভিশন (সিএডি), ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট (সিআরএম) এবং ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট ইউনিটের মধ্যে সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই উদ্যোগের সফল বাস্তবায়ন সম্ভব হয়। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে ঋণ অনুমোদন এবং বিতরণ প্রক্রিয়া দ্রুত ও সুচারুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।
প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) এম. নাজিম এ. চৌধুরী বলেন, “এই অর্জন নিয়ন্ত্রক সংস্থার ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে থেকে গ্রাহকদের নতুন নতুন আর্থিক সমাধান প্রদানে প্রাইম ব্যাংকের উদ্ভাবনী সক্ষমতার প্রতিফলন। আমরা গ্রাহকদের জন্য প্রতিনিয়ত উন্নত আর্থিক সেবা চালু করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা তাদের জীবনকে করবে সহজ, সহনশীল ও দক্ষ।’
এই ঐতিহাসিক অর্জনের মাধ্যমে অগ্রসারমান আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রাইম ব্যাংক তার উদ্ভাবনী সক্ষমতা দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করেছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকিং খাতের আধুনিকীকরণের পথে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করছে।