দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান পূবালী ব্যাংক পিএলসি এবং শীর্ষস্থানীয় রিটেইল চেইন এসিআই লজিস্টিক্স লিমিটেড (স্বপ্ন)-এর মধ্যে গ্রাহকসেবা ও ব্যবসায়িক প্রসারে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই কৌশলগত অংশীদারিত্বের ফলে উভয় প্রতিষ্ঠান গ্রাহকসেবা উন্নয়ন, মার্কেটিং ইনোভেশন, সিআরএম ইন্টিগ্রেশন এবং কো-ব্র্যান্ডেড ক্যাম্পেইন পরিচালনায় যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে।
রাজধানীর একটি সুপরিসর ভেন্যুতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী। এছাড়া সম্মানিত অতিথি হিসেবে এসিআই লজিস্টিক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাব্বির হাসান নাসির এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ শাহনেওয়াজ খান ও এসিআই পিএলসি-র পরিচালক (ট্রেজারি, ফাইন্যান্স অ্যান্ড প্ল্যানিং) আবু হাসান জামান উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে পূবালী ব্যাংকের ঢাকা উত্তর অঞ্চলের প্রধান ও মহাব্যবস্থাপক এ কে এম আব্দুল রাকিব, মহাখালী কর্পোরেট শাখার মহাব্যবস্থাপক মোঃ শাহীন শাহরিয়ার, অল্টারনেটিভ ডেলিভারি চ্যানেল ডিভিশন প্রধান মোঃ রবিউল আলমসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী বলেন, “এই সমঝোতা স্মারক দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। গ্রাহকসেবা উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনী ব্যাংকিং সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে একটি শক্তিশালী ভ্যালু চেইন গড়ে তোলা সম্ভব হবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে মার্কেটিং ইনোভেশন, উন্নত CRM ইন্টিগ্রেশন এবং কো-ব্র্যান্ডেড উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য আরও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করা যাবে।”
সংশ্লিষ্টদের মতে, ব্যাংকিং ও রিটেইল খাতের এই সমন্বয় ডিজিটাল পেমেন্ট, লয়্যালটি সুবিধা ও বিশেষ অফারের মাধ্যমে সাধারণ গ্রাহকদের দৈনন্দিন কেনাকাটাকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করে তুলবে। একইসঙ্গে এই উদ্যোগ উভয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য পেশাগত উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনার পথ প্রশস্ত করবে বলে জানানো হয়েছে।
এবারের রমজানে প্রিয়জনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে তাৎক্ষণিক রেমিটেন্স পাঠানোকে আরও আনন্দময় ও সাশ্রয়ী করে তুলতে রেমিটেন্স প্রেরক ও গ্রাহক উভয়ের জন্য আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার অপারেটরদের সাথে মিলে নানা অফার নিয়ে এসেছে বিকাশ।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিকাশ এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, সৌদি আরব, দক্ষিণ কোরিয়া, ইতালি, সংযুক্ত আরব আমিরাত সহ বাংলাদেশি প্রবাসী অধ্যুষিত দেশগুলো থেকে বিকাশ-এ রেমিটেন্স পাঠানোকে আরও উৎসাহিত করতে ভিন্ন ভিন্ন অফার যুক্ত করা হয়েছে। নির্দিষ্ট মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) ব্যবহার করে বিকাশ-এ রেমিটেন্স পাঠালে প্রবাসীরা জিতে নিতে পারবেন আইফোন ১৭, বিমানের রাউন্ড ট্রিপ টিকিটে ক্যাশব্যাক, ল্যাপটপ, অ্যাপল ওয়াচ, ট্যাবলেট, ক্যাশব্যাক, বোনাস
সহ নানা পুরস্কার। সৌদি আরব ও যুক্তরাজ্য প্রবাসীরা বিকাশ-এ রেমিটেন্স পাঠাতে পারবেন কোনো খরচ ছাড়াই।
এদিকে, দেশে থাকা স্বজনেরা সর্বোচ্চ রেমিটেন্স গ্রহণের ভিত্তিতে ১ লাখ টাকা সমমূল্যের ইলেকট্রনিক পণ্য কেনার ডিসকাউন্ট কুপন ছাড়াও পাবেন ২৫০০০ টাকা পর্যন্ত সাপ্তাহিক ডিসকাউন্ট কুপন এবং ন্যূনতম ১০,০০০ টাকা রেমিটেন্স গ্রহণে পাচ্ছেন ৩০০ টাকার ডিসকাউন্ট কুপন।
রেমিটেন্স গ্রহণকারীদের জন্য অফার:
১ লাখ টাকার মেগা কুপন - আগামী ১৮ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত চলা এই ক্যাম্পেইনে একজন গ্রাহক মাসে সর্বোচ্চ রেমিটেন্স গ্রহণ করে ১ লাখ টাকার মেগা কুপন জেতার সুযোগ পাবেন। মেগা কুপন বিজয়ী হওয়ার জন্য গ্রাহককে উক্ত মাসে ন্যূনতম ৪০,০০০ টাকা (সরকারি ২.৫% প্রণোদনা ব্যতীত) রেমিটেন্স গ্রহণ করতে হবে। প্রতি সপ্তাহে পুরস্কার - ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রতি সপ্তাহে ৫ জন সর্বোচ্চ রেমিটেন্স গ্রহণকারী পাবেন যথাক্রমে ২৫,০০০, ২০,০০০, ১৫,০০০, ১০,০০০ ও ৫,০০০ টাকার ইলেকট্রনিক ডিভাইস কুপন। সাপ্তাহিক পুরস্কারের জন্য গ্রাহককে উক্ত সপ্তাহে ন্যূনতম ১০,০০০ টাকা (সরকারি ২.৫% প্রণোদনা ব্যতীত) রেমিটেন্স গ্রহণ করতে হবে। এছাড়াও, প্রতিদিন অন্তত ১০,০০০ টাকা রেমিটেন্স গ্রহণ করলেই গ্রাহক পাচ্ছেন নিশ্চিত ৩০০ টাকার ডিসকাউন্ট কুপন। মেগা ও সাপ্তাহিক কুপনগুলো ট্রান্সকম, সনি, সিঙ্গার, হায়ার, হাইসেন্স, ওয়ালটন সহ দেশসেরা অনেক ইলেকট্রনিক্স শোরুমে ব্যবহার করা যাবে। আর ডেইলি কুপনটি ব্যবহার করা যাবে আগোরা, মিনা বাজার, অটোবি, হাতিল, বেস্ট বাই, বেঙ্গল মিট সহ নির্দিষ্ট মার্চেন্ট আউটলেটে। অফারটি সম্পর্কে ও ডিসকাউন্ট কুপন ব্যবহার বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে এই লিংকে - https://www.bkash.com/page/rem-rmdn26-camp ।
রেমিটেন্স পাঠানো প্রবাসীদের জন্য অফার:
রমজান মাসজুড়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রবাসীরা নির্দিষ্ট এমটিও-এর মাধ্যমে বিকাশ-এ রেমিটেন্স পাঠালে তাদের জন্যও থাকছে দারুণ সব অফার:
* সৌদি আরব এর ‘বারক’ (barq) মানি ট্রান্সফার অপারেটর থেকে রেমিটেন্স পাঠাতে পারবেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
* যুক্তরাজ্য থেকে ‘এইস’ (ACE)-এর মাধ্যমে রেমিটেন্স পাঠানো যাবে কোনো খরচ ছাড়াই আর প্রতি সপ্তাহে থাকবে আইফোন ১৭ জেতার সুযোগ।
* সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ‘ইঅ্যান্ড মানি’ (e& money) এবং ‘বোটিম’ (botim) ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট পরিমাণ রেমিটেন্স পাঠিয়ে ২৫,০০০ দিরহাম পর্যন্ত জেতার সুযোগ পাচ্ছেন।
* মালয়েশিয়ার ‘মার্চেন্ট্রেড মানি’ (Merchantrade Money) থেকে সর্বোচ্চ রেমিটেন্স পাঠিয়ে ৫,০০০ রিঙ্গিত পর্যন্ত ক্যাশব্যাক এবং কার্ড চার্জে ৫০% ছাড়ের সুযোগ রয়েছে।
* সিঙ্গাপুর থেকে ‘হোমটাউন’ (Hometown)-এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ রেমিটেন্স পাঠিয়ে ১ জন পাবেন রাউন্ড ট্রিপ টিকিটে ২০০ এসজিডি ক্যাশব্যাক এবং প্রতি সপ্তাহে ৫ জন পাচ্ছেন ৫০ এসজিডি ক্যাশব্যাক।
* দক্ষিণ কোরিয়া: ‘জিএমই’ (GME)-এর মাধ্যমে রেমিটেন্স পাঠিয়ে ল্যাপটপ, অ্যাপল ওয়াচ ও ট্যাবলেট জেতার সুযোগ রয়েছে।
* ‘ট্যাপট্যাপ সেন্ড’ (Taptap Send)-এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে নির্দিষ্ট প্রোমো কোড (RMDN26) ব্যবহার করে রেমিটেন্স পাঠালে থাকছে নির্দিষ্ট অংকের বোনাস।
বিকাশ-এর মাধ্যমে রেমিটেন্স গ্রহণ সবচেয়ে সহজ, তাৎক্ষণিক ও নিরাপদ হওয়ায় দিন দিন তা প্রবাসী এবং তাদের স্বজনদের কাছে জনপ্রিয় হচ্ছে। বর্তমানে, ১৭০টিরও বেশি দেশ থেকে ১৩৫টি আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) এর মাধ্যমে প্রবাসীরা দেশে থাকা স্বজনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে তাৎক্ষণিকভাবে রেমিটেন্স পাঠাতে পারছেন। সেই রেমিটেন্স ২৭টি শীর্ষ বাণিজ্যিক ব্যাংকে সেটেলমেন্ট হয়ে প্রতি হাজারে ২৫ টাকা সরকারি প্রণোদনাসহ নিমেষেই পৌঁছে যাচ্ছে দেশে থাকা প্রিয়জনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে।
এদিকে, রেমিটেন্সের টাকা এখন আরও কম খরচে ক্যাশ আউটের সুযোগ নিতে পারছেন দেশে থাকা প্রবাসীর স্বজনেরা। দেশজুড়ে শীর্ষ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রায় ২,৫০০ এটিএম বুথ থেকে হাজারে মাত্র ৭ টাকা চার্জে বিকাশ অ্যাপ দিয়ে বা *২৪৭# ডায়াল করে গ্রাহকরা রেমিটেন্সের টাকা ক্যাশ আউট করতে পারছেন। এছাড়া, ক্যাশ আউট না করেও প্রবাসীর প্রিয়জনরা বিকাশ-এর মাধ্যমেই বিভিন্ন ধরনের পেমেন্ট, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির মতো ইউটিলিটি সেবার বিল পরিশোধ, টাকা পাঠানো, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা সরকারি সেবার ফি পরিশোধ, জাকাত-ফিতরা, অনুদান প্রদানসহ অসংখ্য সেবা নিতে পারছেন ঘরে বসেই।
তরুণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ নামে নতুন একটি সোশ্যাল ডিস্ট্রিবিউশন প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। এ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাধারণ মোবাইল ব্যবহারকারীরা নিজেদের স্মার্টফোন ব্যবহার করে মোবাইল রিচার্জ বিক্রি করে আয় করতে পারবেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলালিংক এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয় বর্তমানে প্ল্যাটফর্মটি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য বেটা সংস্করণে চালু রয়েছে। বিভিন্ন উদ্ভাবনী ও কমিউনিটি-ভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষকে ক্ষমতায়নের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলালিংক।
সম্প্রতি প্ল্যাটফর্মটির বেটা সংস্করণ চালু করা হয়েছে। বর্তমানে ‘টেস্ট অ্যান্ড লার্ন’ পদ্ধতিতে এর বিভিন্ন দিক আরও উন্নত করা হচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ উন্মুক্ত করার আগে ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা ও মতামতের ভিত্তিতে প্ল্যাটফর্মটি আরও পরিমার্জন ও আপডেট করা হবে।
সাধারণ ব্যবহারকারীরা যেন সহজ কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করে নিজেরাই খুচরা বিক্রেতা হতে পারেন, সেটা মাথায় রেখেই ‘বাংলালিংক পাওয়ার’ তৈরি করা হয়েছে। রিচার্জ বিক্রি করে তারা কমিশন ও পুরস্কার পাবেন। কোনো ধরণের প্রাথমিক বিনিয়োগ ছাড়াই আয় করার সুযোগ থাকায় এটি সবার জন্য উন্মুক্ত। তরুণ, নারী কিংবা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, যে কেউ এতে যুক্ত হতে পারবেন।
প্ল্যাটফর্মটিতে রয়েছে সহজ নিবন্ধন প্রক্রিয়া। এতে যুক্ত করা হয়েছে ডিজিটাল কেওয়াইসি যাচাই, তাৎক্ষণিক কমিশন হিসাব দেখার সুবিধা এবং পুরস্কার পাওয়ার পুরোপুরি স্বচ্ছ একটি প্রক্তিয়া। ব্যবহারকারীদের জন্য পুরো প্রক্রিয়াটি সহজ, নির্ভরযোগ্য ও ঝামেলামুক্ত রাখতে এসব সুবিধা রাখা হয়েছে।
বেটা সংস্করণ চালুর পর থেকেই প্ল্যাটফর্মটিতে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। অল্প সময়েই অনেক খুচরা বিক্রেতা এতে যুক্ত হয়েছেন। এতে বোঝা যায়, নমনীয় আয়ের সুযোগের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। সংযোগ ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে কমিউনিটিকে ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বাংলালিংকের অঙ্গীকারও এতে প্রতিফলিত হয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলালিংকের সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ডিরেক্টর মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, “ডিজিটাল উদ্ভাবনের মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য অর্থবহ সুযোগ তৈরি করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। বাংলালিংক পাওয়ারের মাধ্যমে আর্থিক ক্ষমতায়ন এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এতে আরও বেশি মানুষ বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন।”
অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারবেন।
আইএফআইসি ব্যাংক তাদের প্রতিষ্ঠানের টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতকরণ ও কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনে অনন্য ভূমিকা রাখায় একযোগে বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তাকে পদোন্নতি প্রদান করেছে। কর্মদক্ষতা, সুযোগ্য নেতৃত্ব এবং অর্পিত দায়িত্ব পালনে ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবেই এই পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
রাজধানী ঢাকার আইএফআইসি টাওয়ারে আজ ০১ মার্চ ২০২৬, রোববার, ‘সেলিব্রেটিং ক্যারিয়ার প্রগ্রেশন’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই পদোন্নতি পত্র আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। এই আয়োজনে ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের মোট ৮৮ জন কর্মকর্তাকে উচ্চতর পদে আসীন করা হয়েছে। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মনসুর মোস্তফা এবং সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সদস্যগণ সরাসরি উপস্থিত থেকে ৩৩ জন কর্মকর্তার হাতে পদোন্নতি পত্র তুলে দেন। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শাখা ও উপশাখায় কর্মরত আরও ৫৫ জন কর্মকর্তাকে ভার্চুয়ালি এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে কর্মকর্তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, “একটি প্রতিষ্ঠানের টেকসই অগ্রযাত্রায় দক্ষ ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ মানবসম্পদের বিকল্প নেই।” তিনি প্রত্যাশা করেন যে, নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে কর্মকর্তাবৃন্দ আরও সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি, স্বচ্ছ জবাবদিহিতা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়ে ব্যাংকের সামগ্রিক গ্রাহকসেবার মান বৃদ্ধিতে সচেষ্ট থাকবেন।
স্বচ্ছ ও কর্মীবান্ধব নীতি অনুসরণের ধারাবাহিকতায় ব্যাংকটি চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত সর্বমোট ২৭৫ জন কর্মকর্তাকে মেধা ও পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে পদোন্নতি প্রদান করেছে। দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ও প্রতিযোগিতামূলক বাজারে শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতেই মেধাভিত্তিক এই ক্যারিয়ার অগ্রগতিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
বৃহৎ পরিসরে আধুনিক ও উন্নত গ্রাহক সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ‘সুবর্ণচর শাখা’ স্থানান্তরিত হয়ে নোয়াখালীর চরজব্বর থানার ৫নং চরজুবলী ইউনিয়নের হারিছ চৌধুরী বাজারে অবস্থিত আনোয়ার-ইসমাইল টাওয়ারে আজ ০১ মার্চ (রবিবার) থেকে কার্যক্রম শুরু করেছে।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসান প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধান কার্যালয় হতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে নতুন ঠিকানায় সুবর্ণচর শাখার শুভ উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও যুক্ত ছিলেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ জাকির হোসেন, শামীম আহমেদ, অসীম কুমার সাহা, ড. মোঃ জাহিদ হোসেন, ড. তাপস চন্দ্র পাল ও শাহ মোঃ সোহেল খুরশীদ। অনুষ্ঠানে প্রধান কার্যালয়ের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সদস্যরাসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নতুন ঠিকানায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্রাঞ্চেস ডিভিশনের প্রধান ও এসভিপি মোঃ অলিউল্লাহ, কুমিল্লা জোনাল অফিসের প্রধান মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, সুবর্ণচর শাখা প্রধান নিজাম উদ্দিন, স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ মিয়া, মোঃ হেলাল উদ্দিন, নিজাম উদ্দিন ফারুক এবং ব্যাংকের অন্যান্য কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ তাকাফুল সোসাইটি (বিটিএস) এর উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল গত বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ হোটেল সেন্ট্রাল ইন, রুফটপ, রহমানিয়া ইন্টারন্যাশনাল কমপ্লেক্স, মতিঝিল, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ তাকাফুল সোসাইটি (বিটিএস)’র চেয়ারম্যান ড.আই ম নেছার উদ্দিন এর সভাপতিত্বে ও সেক্রটারী জেনারেল আশরাফুজ্জামান আমজাদ এর সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব তোফাজ্জল হোসেন। প্রধান আলোচক ছিলেন মানারত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রুহুল আমিন রব্বানী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ইন্সুরেন্স এর মুখ্য নিবাহী কর্মকর্তা জনাব মনিরুল আলম তপন , ফারইসৃট ইসলামী লাইফের ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব আব্দুর রহমান ভূইয়া, প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মুহাম্মদ সাইদুল আমিন, মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মুহাম্মদ সলিমুল্লাহ , স্বদেশ ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স এর ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব এ জেড কাউছার। এছাড়া ন্যাশনাল লাইফের তাকাফুল প্রজেক্ট হেড জিএম হেলাল উদ্দিন সভায় সংক্ষিপ্ত আলোচনা পেশ করেন।
প্রধান অতিথি দেশে ইসলামী বাীমার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং সরকারীভাবে আইনী ভিত্তি প্রদানে তিনি নিজে ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং সংশ্লিষ্ট সকল মহলকেও এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানান। আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে বিভিন্ন বীমা কোম্পানির প্রায় আড়াই শতাধিক উর্বধতন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
উচ্চতর ফার্মেসি শিক্ষার মানোন্নয়নে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (এসইউবি)। প্রতিষ্ঠানটির ফার্মেসি বিভাগের অধীনে ‘এম. ফাম ইন ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি অ্যান্ড ফার্মাকোলজি’ প্রোগ্রামটি চালুর বিষয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন লাভ করেছে।
শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকার এই উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে এই সফলতার খবরটি নিশ্চিত করেছে। এই অনুমোদনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমে একটি বিশেষ মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর ফলে ফার্মেসি শিক্ষায় জাতীয় মানদণ্ড পূরণ ও দক্ষ পেশাজীবী তৈরির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির অঙ্গীকার আরও সুদৃঢ় হলো।
নতুন এই বিশেষায়িত কোর্সের মাধ্যমে আধুনিক ফার্মেসি চর্চা, ওষুধের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, উন্নত রোগী সেবা এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হবে। শিক্ষার্থীরা এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে হাসপাতাল, ওষুধ শিল্প ও বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোতে কাজ করার উপযোগী হয়ে উঠবেন। উন্নত ল্যাব সুবিধা এবং অভিজ্ঞ শিক্ষক মণ্ডলীর তত্ত্বাবধানে বিশ্বমানের উচ্চতর ফার্মেসি শিক্ষা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
অনুমোদন লাভের পর স্টেট ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে। তারা জানিয়েছে, মানসম্মত শিক্ষা ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে ফার্মেসি সেক্টরে দক্ষ জনবল তৈরিতে তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাবে।
ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে যে, এই নতুন মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির কার্যক্রম আগামী ফল ২০২৬ সেশন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে। ভর্তি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সকল তথ্য ও বিস্তারিত নিয়মাবলী বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পাতা থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ বাংলাদেশ ‘রিয়েল ঈদ, রিয়েল ডিলস’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে তাদের বহুল প্রতীক্ষিত ‘৩.৩ ঈদ সেল’ শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে। ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ক্রেতাদের কেনাকাটায় ভিন্নমাত্রা যোগ করতে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ আয়োজনটি চলবে আগামী ১৮ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত।
আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই বিশাল ক্যাম্পেইনের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। এবারের আয়োজনে ক্রেতারা বিভিন্ন মেগা ডিলে সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ এবং হট ডিলগুলোতে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত বিশাল ছাড় উপভোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন। কেনাকাটাকে আরও উৎসবমুখর করতে পুরো সাইটজুড়ে ফ্রি ডেলিভারি ও বিশেষ ডিসকাউন্ট ভাউচারের সুবিধা রাখা হয়েছে।
দারাজ তাদের 'চয়েস' চ্যানেলের মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলোতে বছরজুড়ে সর্বনিম্ন দামের নিশ্চয়তা দিচ্ছে, যা বড় পরিবারের কেনাকাটাকে আরও লাভজনক করবে। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে 'সিলন ওয়ার্ল্ড কাপ ম্যানিয়া', যেখানে সর্বোচ্চ কেনাকাটা করে ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপের ম্যাচ টিকিট জেতার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া ক্যাম্পেইন চলাকালীন প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ‘পাগলা ফ্ল্যাশ’ ডিলের মাধ্যমে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ ছাড়ের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
সাশ্রয়ী কেনাকাটার পথ প্রশস্ত করতে নির্দিষ্ট দিনগুলোতে ‘ব্র্যান্ড রাশ আওয়ার’ এবং প্রতি শুক্রবার রাতে ‘জুম্মা নাইটস’ অফারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুরো সপ্তাহজুড়ে ভিন্ন ভিন্ন থিমভিত্তিক শপিং সুবিধা থাকবে, যেখানে ইলেকট্রনিক্স থেকে শুরু করে ফ্যাশন, বিউটি ও লাইফস্টাইল পণ্য বিশেষ মূল্যে পাওয়া যাবে। এই আয়োজনে ডেটল, ইউনিলিভার, লোটো এবং বাটার মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলো অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়ে পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করছে।
ডিজিটাল পেমেন্ট উৎসাহিত করতে বিকাশ, নগদসহ দেশের ১৪টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্ড বা অনলাইন পেমেন্টে ১০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ ছাড় বা ক্যাশব্যাক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া কিস্তিতে পণ্য কেনার জন্য জিরো পার্সেন্ট ইএমআই সুবিধা এবং নির্দিষ্ট কার্ড ব্যবহারকারীদের জন্য টিভি ও এসি জেতার মতো মেগা পুরস্কারের সুযোগ রয়েছে।
ক্যাম্পেইন প্রসঙ্গে দারাজ বাংলাদেশের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার কামরুল হাসান বলেন, “ঈদ মানেই আনন্দ এবং পারস্পরিক মেলবন্ধন। আমাদের ৩.৩ ঈদ সেলের মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করতে চাই যেন প্রতিটি পরিবার এই আনন্দ উৎসবের সেরা পণ্যগুলো সাশ্রয়ী মূল্যে সংগ্রহ করতে পারে। ‘রিয়েল ঈদ, রিয়েল ডিলস’ স্লোগানটি মূলত আমাদের গ্রাহকদের প্রতি প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন, যেখানে আমরা সেরা দাম, বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড এবং একটি নিরবচ্ছিন্ন শপিং অভিজ্ঞতার নিশ্চয়তা দিচ্ছি।”
ঈদের কেনাকাটা আনন্দময় করতে দারাজ বাংলাদেশ সবাইকে এই বিশাল আয়োজনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। অফারের সর্বশেষ আপডেট ও নতুন সব ডিল সম্পর্কে জানতে ক্রেতাদের দারাজ ৩.৩ ক্যাম্পেইন পেজ , দারাজ অ্যাপ অথবা প্রতিষ্ঠানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রদর্শনের অংশ হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা (আইএসডি)-তে এক ব্যতিক্রমী ইফতার কর্মসূচির আয়োজন করেছেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকার স্কুল প্রাঙ্গণে বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এই বাৎসরিক উৎসবটি পালিত হয়।
বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের শিশুদের জন্য একটি অর্থবহ ও আনন্দদায়ক স্মৃতি তৈরি করাই ছিল শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এই আয়োজনে অংশ নেওয়া পার্টনার সংগঠনগুলোর মধ্যে জাগো ফাউন্ডেশন, আবিন্তা কবির ফাউন্ডেশন, সলমেইড ও ফ্যামিলিজ ফর চিলড্রেনসহ আরও বেশ কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রায় ১৫০ জন শিশুর উপস্থিতিতে পুরো অনুষ্ঠানটি এক প্রাণবন্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আন্তর্জাতিক ব্যাকালরিয়েট (আইবি) পাঠ্যক্রমের সেবামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচিটি পরিচালিত হয়। আয়োজনের শুরুতে ৮ম গ্রেড ও ডিপ্লোমা প্রোগ্রামের স্বেচ্ছাসেবক শিক্ষার্থীরা আমন্ত্রিত শিশুদের জন্য নানা ধরনের আকর্ষণীয় খেলাধুলা, ছবি আঁকা এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করেন। এরপর সকল শিশু ও শিক্ষার্থী একত্রে ইফতার করেন এবং মাগরিবের নামাজ আদায় করেন।
অনুষ্ঠান শেষে শিশুদের হাতে উপহার হিসেবে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী, বই এবং খেলাধুলার সরঞ্জাম তুলে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য যে, এই উদ্যোগটি ক্ষুধার অবসান ও গুণগত শিক্ষার মতো জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তহবিল সংগ্রহ থেকে শুরু করে উপহার সামগ্রী সরবরাহ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধা ও শ্রমের সমন্বয় ঘটিয়েছেন।
শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার বাইরেও সহানুভূতিশীল ও দায়িত্বশীল বিশ্ব নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতেই এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। আমন্ত্রিত সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে উপহার হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে এই উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
ব্যাংকারদের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেড–এর কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সর্বাধিক ভোটে মোঃ রাশেদ আকতার সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রশীদ-উন-নবী নির্বাচিত হয়েছেন।
গত শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ ও গণনা সম্পন্ন হয়।
নির্বাচনে বিভিন্ন পদে ব্যাংকার্স ঐক্য পরিষদ ও সার্বজনীন ব্যাংকার্স পরিষদ এই দুটি প্যানেলের মোট ৪৬ জন প্রার্থী এবং ১ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ মোট ১৯ টি পদে ব্যাংকার্স ঐক্য পরিষদ প্যানেল এবং সমাজসেবা সম্পাদক সহ তিনটি কার্যনির্বাহী সদস্য পদে সার্বজনীন ব্যাংকার পরিষদ প্যানেল বিজয়ী হয়।
অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি সুবীর কুমার কুন্ডু, সহ-সভাপতি মোঃ মোফাজ্জাল মামুন খান ও মোঃ শফিকুল ইসলাম ফকির পিন্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ খায়রুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিন মোঃ মেহেদী হাসান, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইদুল ইসলাম পিন্টু, কোষাধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম মাসুদ, ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ মাহমুদুল হাসান রানা, সমাজসেবা সম্পাদক হাসিনা ফেরদৌস এবং সংস্কৃতি সম্পাদক কাজী আজিজুর রহমান।
এছাড়াও কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ লুৎফুল হাবিব, এম. এম. সাইফুল ইসলাম, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, আ. ক. ম. রোকনুজ্জামান খন্দকার, শারমিন আক্তার, মোঃ শাহিন উদ্দিন, আবেদ-উর-রহমান, ফয়সাল আহমেদ, মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর এবং আজমেরী সুলতানা।
উল্লেখ্য, আগামী ২ (দুই) বছরের জন্য নির্বাচিত এ কার্যনির্বাহী কমিটি ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেড–এ দায়িত্ব পালন করবে।
নবনির্বাচিত কমিটি সদস্যদের আস্থা ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ক্লাবের সার্বিক উন্নয়ন, সদস্য কল্যাণ ও ঐক্যভিত্তিক শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
কুমিল্লায় লাক্সারি লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ইল্লিয়ীনের ফ্ল্যাগশিপ স্টোরের ‘গ্র্যান্ড ওপেনিং’ আয়োজন শুরু হয়েছে। ২৬ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া পাঁচ দিনব্যাপী এ আয়োজন চলবে আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত। আয়োজনটি ঘিরে নগরীতে ফ্যাশনসচেতন ক্রেতাদের আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
স্টোরটিতে আধুনিক নকশা ও পরিমিত আভিজাত্যের সমন্বয় রাখা হয়েছে। আয়োজনে শহরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিত মুখদের উপস্থিতি দেখা গেছে। বিশেষ করে ব্র্যান্ডটির মেন্সওয়্যার, উইমেন্সওয়্যার, কিডসওয়্যার, ফুটওয়্যার, ফ্র্যাগরান্স ও অ্যাকসেসরিজ কালেকশন দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
ইল্লিয়ীনের সেলস অপারেশনস ম্যানেজার আবু আদম বলেন, কুমিল্লার ক্রেতাদের রুচি ও প্রত্যাশাকে বিবেচনায় রেখে স্টোরটির পরিকল্পনা করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ক্রেতাদের জন্য একটি মানসম্মত ও সুশৃঙ্খল কেনাকাটার পরিবেশ নিশ্চিত করাই ছিল প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য। উদ্বোধনের পর থেকে ক্রেতাদের অংশগ্রহণ সেই প্রচেষ্টার ইতিবাচক প্রতিফলন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আয়োজন উপলক্ষে স্টোরে বিশেষ ‘ইন-স্টোর’ কার্যক্রম রাখা হয়েছে। আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আগ্রহীরা স্টোরটি পরিদর্শন করতে পারবেন।
এআই ভিত্তিক গ্লোবাল ইনোভেটিভ টেকনোলজি ব্র্যান্ড টেকনো বাংলাদেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে নতুন একটি ডুয়েল প্রোডাক্ট লাইন। এতে থাকছে ক্যামন ৫০ সিরিজ এবং পোভা কার্ভ ২ ফাইভজি, এই দুটো ডিভাইস। এই প্রোডাক্ট লাইনটি বাজারে এনেছে অসাধারণ ফটোগ্রাফি আর ব্যাটারি ইনোভেশন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্মার্টফোন জগতে একটি অন্যতম মাইলফলক প্রতিষ্ঠা হতে যাচ্ছে।
ক্যামন ৫০ অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে আরও বেশি মানুষের কাছে প্রফেশনাল ফটোগ্রাফির অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। জনপ্রিয় ও ফ্ল্যাগশিপ সনি এলওয়াইটি-৭০০সি ওআইএস সেন্সর যুক্ত ৫০ মেগাপিক্সেল মেইন ক্যামেরা, ৮ মেগাপিক্সেল আলট্রাওয়াইড ও ৩২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরাযুক্ত এই ডিভাইসে মিলবে দুর্দান্ত ফটোগ্রাফির সুযোগ। পাশাপাশি আইপি ৬৮/৬৯/৬কে ওয়াটার এবং ডাস্ট রেজিস্ট্যান্স নিশ্চিত করবে আন্ডার ওয়াটার ফটোগ্রাফি। ক্যামেরার ফ্ল্যাশস্নাপ টেকনোলজি এবার জুমেও কাজ করবে যার জন্য যেকোন হাই মুভিং সাবজেক্ট ক্যাপচার করা আরও ইজি হবে। এছাড়াও ডিভাইসটিতে রয়েছে প্রোএক্সডিআর আই-কেয়ার প্রযুক্তিসহ ৬.৭৮ ইঞ্চি ১.৫কে ডিসপ্লে, যাতে রয়েছে ১৪৪ হার্জ হাই রিফ্রেশিং রেট। পাশাপাশি দুর্দান্ত পারফম্যান্স নিশ্চিত করতে রয়েছে মিডিয়াটেক হেলিও জি২০০ আলটিমেট প্রসেসর। স্লিম হওয়ার পরেও এই ফোনে রয়েছে ৬৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি ও ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধার পাশাপাশি এতে মিলিটারি-গ্রেড এমআইএল-এসটিডি-৮১০ ডিউরেবিলিটি সার্টিফিকেশনও রয়েছে।
ক্যামন ৫০-তে পাওয়া যাবে সম্পূর্ণ টেকনো এ-আই স্যুইট, যার মধ্যে আপগ্রেডেড এলা (Ella) অ্যাসিস্ট্যান্ট, এআই ইমেজ-টু-ভিডিও জেনারেটর, থ্রিডি ফটোস্পেস এবং এআই লাইটমাস্টার ২.০ ইত্যাদি সুবিধাও অন্তর্ভুক্ত। এই ফোনে তিনটি মেজর অ্যান্ড্রয়েড ওএস আপডেট ও পাঁচ বছর পর্যন্ত অ্যান্ড্রয়েড সিকিউরিটি আপডেট পাওয়া যাবে এছাড়াও এবং প্রথম তিন বছরে, প্রতি বছর বিনামূল্যে ৫০ জিবি টেকনো ক্লাউড স্টোরেজও পাওয়া যাবে। এর ৮জিবি+১২৮জিবি ভ্যারিয়েন্টের মূল্য ৩০,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য); এবং ৮ জিবি+২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্টের মূল্য ৩৪,৪৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য)। ডিভাইসটি এখন দেশব্যাপী টেকনো আউটলেটে পাওয়া যাচ্ছে। ক্যামন ৫০ সিরিজের ফ্ল্যাগশীপ মডেল “ক্যামন ৫০ আল্ট্রা ফাইভজি” লঞ্চ করার ও ঘোষণা দিয়েছে টেকনো এই মডেলেও রয়েছে টপ টায়ার ক্যামেরা সেটাপ। মেইন ক্যামেরা সেকশনে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেল সনি এলওয়াইটি-৭০০সি ওআইএস মেইন ক্যামেরাতে যাতে রয়েছে একটি বড় মাপের ১/১.৫৬ ইঞ্চি সেন্সর। এতে করে অল্প আলোতে অসাধারণ ডিটেইলিংসহ ছবি তোলা যাবে।
এছাড়াও এই ফ্ল্যাগশিপ মডেলে আছে একটি ৫০ মেগাপিক্সেলের থ্রিএক্স অপটিকাল টেলিফটো লেন্স, ৮ মেগাপিক্সেল আলট্রাওয়াইড লেন্স এবং দুর্দান্ত এআই ৬০এক্স সুপারজুম প্রযুক্তি। সুপারজুম ফ্ল্যাশস্ন্যাপ ব্যবহারে যেকোনো আলোতেই পাওয়া যাবে নিখুঁত ছবির নিশ্চয়তা। এতে থাকা লাইভ ফটো ও আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফি সুবিধাগুলো আগ্রহী ফটোগ্রাফারকে এনে দেবে আরো ক্রিয়েটিভ হবার সুযোগ পাশাপাশি ফ্ল্যাশস্নাপ ইন জুম টেকনোলজি তো থাকছেই। পারফম্যান্স সেকশনে পাওয়ারফুল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে আছে ৪ ন্যানোমিটারের মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৭৪০০ প্রসেসর এবং প্রোএক্সডিআর আই-কেয়ার প্রযুক্তিসহ একটি ৬.৭৮ ইঞ্চি কার্ভড অ্যামোলেড ১.৫ কে ডিসপ্লে, যাতে রয়েছে ১৪৪ হার্জ হাই রিফ্রেশিং রেট। ৬৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি ও ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা থাকায় দিনভর চার্জিং সাপোর্ট পাওয়া যায়, তাই চার্জ চলে যাবার ভয় নেই। আইপি ৬৮/৬৯/৬৯কে ওয়াটার এবং ডাস্ট রেজিস্ট্যান্স এবং মিলিটারি-গ্রেড এমআইএল-এসটিডি-৮১০ ডিউরেবিলিটি সার্টিফিকেশনও রয়েছে যা নিশ্চিত করবে দুর্দান্ত ডিউরাবিলিটি।
অন্যদিকে, আপগ্রেডেড ‘এলা অ্যাসিস্ট্যান্ট’-এর সঙ্গে মিলে সম্পূর্ণ টেকনো এআই স্যুইট, যা দৈনন্দিন স্মার্টফোন ব্যবহারকে নিয়ে যায় অনন্য মাত্রায়। এছাড়াও এতে রয়েছে এআই ইমেজ-টু-ভিডিও জেনারেটর, থ্রিডি ফটোস্পেস এবং এআই লাইটমাস্টার ২.০ ইত্যাদি সুবিধা। এই ফোনে তিনটি মেজর অ্যান্ড্রয়েড ওএস আপডেট ও পাঁচ বছর পর্যন্ত অ্যান্ড্রয়েড সিকিউরিটি আপডেট পাওয়া যাবে এবং প্রথম তিন বছরে, প্রতি বছর বিনামূল্যে ৫০ জিবি টেকনো ক্লাউড স্টোরেজ সুবিধা। এছাড়া প্রতিদিনের দুর্ঘটনা থেকে সুরক্ষা দিতে রয়েছে মিলিটারি গ্রেড এমআইএল-এসটিডি-৮১০ সার্টিফিকেশন। অতি শীঘ্রই বাজারে পাওয়া যাবে ক্যামন ৫০ আলট্রা ফাইভজি-এর ৮ জিবি+২৫৬ জিবি ও ১২ জিবি+২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্টগুলো। ক্যামন সিরিজের পাশাপাশি পোভা সিরিজের নতুন মডেল পোভা কার্ভ ২ ফাইভজি এই ফোনটি রয়েছে ৮ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার মেগা ব্যাটারি। রেগুলার ইউজে যা দিয়ে এক চার্জে টানা ৩ দিন ডিভাইসটি চালানো যাবে। বিশাল ব্যাটারি থাকার পরেও ফোনটি মাত্র ৭.৪২ মিলিমিটার আলট্রা সিম বডির সাথে এসেছে। ৪৫ ওয়াটের সুপার চার্জ থাকায় খুব তাড়াতাড়ি ব্যাটারি রিফুয়েল হয়, পাশাপাশি ইন্টেলিজেন্ট চার্জিংয়ের সুবিধাও রয়েছে।
ডিভাইসটিতে নান্দনিক ইনটারস্টেলার স্পেসশিপ ডিজাইন রয়েছে, সেইসঙ্গে কর্নিং গরিলা গ্লাস ৭-আই প্রটেকশন ও এসজিএস অনুমোদিত ১.৫ মিটার পর্যন্ত ড্রপ রেজিস্ট্যান্স সুবিধাও পাওয়া যাবে। উন্নত ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতার জন্য রয়েছে ২৩০৪ হার্জ পিডব্লিউএম ডিমিং এবং সাড়ে ৪ হাজার নিটস পিক ব্রাইটনেস সুবিধাসহ ৬.৭৮ ইঞ্চি ১৪৪ হার্জ আই-কেয়ার অ্যামোলেড ডিসপ্লে। যুগান্তকারী ট্রিপল-চিপসেটে রয়েছে এই ফোনে। মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৭১০০ ফাইভ-জি প্রসেসর ডেইলি টাস্ক ও গেমিং এর জন্য, নেটওয়ার সিগন্যাল বুস্ট করার জন্য জি১ ডুয়াল সিগন্যাল চিপসেট এবং এসই১ ওয়াইফাই চিপসেট। ক্যামেরা সেকশনে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের ফ্ল্যাশস্ন্যাপ মেইন ক্যামেরা এবং ১৩ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা। হোয়াটস্যাপ, টেলিগ্রাম, মেসেঞ্জার ও ইউটিউবের জন্য ফুল-লিংক এআই নয়েজ ক্যান্সেলেশন। এলা ২.০ এলা অ্যাসিস্ট্যান্ট, ইউটিউব স্মার্ট সামারি, এআই রাইটিং এবং ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভার/এক্সটেন্ডার ইত্যাদি সুবিধায় পরিপূর্ণ থাকবে ডিভাইসটির ইনটেলিজেন্ট ফিচার সেট। আইপি৬৪ সার্টিফিকেশন এবং টাচ ট্রান্সফার ক্যাপাবিলিটির ফলে নিয়মিত খুব সহজে ও নিখুঁতভাবে অ্যান্ড্রয়েড থেকে আইওএস-এ সুইচ করা যাবে। পোভা কার্ভ ২ ফাইভজি-তে দুটি অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন আপডেট এবং ৩ বছরের সিকিউরিটি প্যাচ রয়েছে। ডিভাইসটি এখন দেশব্যাপী সকল টেকনো আউটলেটে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৩৬,৯৯৯ টাকায় (ভ্যাট প্রযোজ্য)।
অসাধারণ ডিজাইন ও প্রিমিয়াম ক্যামেরা থেকে শুরু করে ব্যাটারির লং লাইফ এবং স্মার্ট এআই, সব ক্ষেত্রেই টেকনো’র মূল লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের ইউজারদের কাছে ফ্ল্যাগশিপ অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। ক্যামন ৫০ এবং পোভা কার্ভ ২ ফাইভজি এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে, ওদিকে ক্যামন ৫০ আলট্রা ফাইভজি-ও আসার পথে। এই সবগুলো ডিভাইসের মাধ্যমেই ব্যতিক্রমী ট্রেন্ড-সেটিং ও ইউজার-সেন্ট্রিক প্রযুক্তির তালিকায় টেকনোর অবস্থান আরো জোরদার হয়। আরো তথ্যের জন্য টেকনোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট www.tecno-mobile.com/bd অথবা ফেসবুক পেজে ভিজিট করুন।
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদের ৪০৫তম সভা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ সভাকক্ষে এই সভাটি আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ।
উক্ত সভায় ব্যাংকের ব্যবসায়িক কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে পর্ষদের ভাইস-চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ ও ফকির আখতারুজ্জামান এবং পরিচালক মো. সানাউল্লাহ সাহিদ, আব্দুল বারেক, আক্কাস উদ্দিন মোল্লা, খন্দকার শাকিব আহমেদ, ইঞ্জি. মো. তৌহিদুর রহমান, মো. মশিউর রহমান চমক, ফকির মাসরিকুজ্জামান, ফকির মনিরুজ্জামান ও আব্দুল হাকিম উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া সভায় স্বতন্ত্র পরিচালক নাসির উদ্দিন আহমেদ ও মো. রিয়াজুল করিমসহ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ এবং কোম্পানি সচিব মো. আবুল বাশার অংশগ্রহণ করেন। পর্ষদ সভার এই তথ্যগুলো সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে এক্সিকিউটিভ রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির ২০০তম সভা সম্প্রতি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সম্পন্ন হয়েছে। ব্যাংকের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিভাগ আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে নানামুখী চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আলী উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ—আহমেদ এনায়েত মনজুর, মো. শাহনেওয়াজ খান এবং মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান। সভায় সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র এক্সিকিউটিভ রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ও চিফ রিস্ক অফিসার মো. মনজুরুল ইসলাম মজুমদার। এ সংক্রান্ত তথ্য বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আলী ঝুঁকি শনাক্তকরণ এবং প্রশমনের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি ব্যাংকের টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য ব্যাংকে ঝুঁকি ও সম্মতি সংস্কৃতি তৈরির জন্য ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং আইসিসি’র স্বাধীনতার ওপরও জোর দেন।
সভায় ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকগণ এবং কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ বর্তমান ঝুঁকি পরিস্থিতি ও সেসব মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন। আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সম্ভাব্য ঝুঁকিগুলো আগেভাগেই চিহ্নিত করে তা নিরসনে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর তারা গুরুত্ব দেন।