বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর ইন্টেরিয়র ডিজাইন (বি এ আই ডি) ২০২৫-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ইন্টেরিয়র ডিজাইনে সৃজনশীল উৎকর্ষ উদযাপন করল বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড
বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড ২৫ জুন ২০২৬ তারিখে রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনের গ্র্যান্ড বলরুমে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর ইন্টেরিয়র ডিজাইন (বি এ আই ডি)-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজন করে। ইন্টেরিয়র ডিজাইনের অসাধারণ প্রতিভাকে স্বীকৃতি ও উদযাপনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত এই প্ল্যাটফর্মটি সেসব সৃজনশীল ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা জানায়, যারা তাঁদের চিন্তা ও নকশার মাধ্যমে আমাদের অভ্যন্তরীণ পরিসরকে নতুনভাবে রূপ দিচ্ছেন।
বি এ আই ডি ২০২৫-এ প্রফেশনাল ও অ্যামেচার—এই দুই বিভাগে মোট ২০৮টি প্রকল্প জমা পড়ে। এ বছরের আয়োজনে মোট সাতটি প্রকল্প পুরস্কৃত হয়। প্রফেশনাল বিভাগে পুরস্কারপ্রাপ্ত চারটি প্রকল্প হলো— মেকওভারস বাই আনমন (স্থপতি নাজিফা তাবাসসুম ও স্থপতি আজরিন আলম), কবিতা কুঞ্জ (স্থপতি জুবায়ের হাসান ও স্থপতি তাহমিদা আফরোজ), সোল (স্থপতি উৎস জামান) এবং অজো আইডিয়া স্পেস, গুলশান (স্থপতি মো. রবিউল ইসলাম)। অ্যামেচার বিভাগে পুরস্কৃত হয় বীর চট্টলা (সঙ্গীতা চৌধুরী)। এছাড়া প্রফেশনাল বিভাগে যাত্রা বাংলাদেশ (স্থপতি সারাওয়াত ইকবাল ও স্থপতি মনন-বিন ইউনুস) এবং ছেই ব্লু (Seuil_Bleue) (স্থপতি রাহাত ইবনে হাসান, স্থপতি বিন সাঈদ বখতি এবং স্থপতি রাকিব আহমেদ সরকার) প্রকল্পকে কমেন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিংবদন্তি স্থপতি ও ‘মাস্টার অব মাস্টার্স’ খ্যাত স্থপতি প্রফেসর শামসুল ওয়ারেস, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী হক চৌধুরী এবং প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ও পরিচালক মোঃ মহসিন হাবিব চৌধুরী সহ বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বি এ আই ডি ২০২৫-এর উপদেষ্টা স্থপতি জালাল আহমেদ, জুরি চেয়ার স্থপতি এহসান খান, ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ (আইএবি)-এর সভাপতি স্থপতি প্রফেসর আবু সাঈদ এম আহমেদ এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি মোঃ আসিফুর রহমান ভূঁইয়া। জুরি প্যানেলের সদস্য স্থপতি বায়েজিদ মাহবুব খন্দকার, শিল্পী ঢালী আল মামুন, স্থপতি তানিয়া করিম এবং স্থপতি মোহাম্মদ এমরান হোসেনও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া দেশের খ্যাতনামা স্থপতি ও ইন্টেরিয়র ডিজাইনাররাও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী হক চৌধুরী বলেন, “বার্জারে আমরা সবসময় বিশ্বাস করি যে ডিজাইনের রয়েছে মানুষের জীবনযাপন ও কর্মপরিবেশকে ইতিবাচকভাবে রূপান্তরিত করার ক্ষমতা। বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর ইন্টেরিয়র ডিজাইন এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যা সেসব সৃজনশীল পেশাজীবীকে সম্মান জানায়, যারা তাঁদের কাজের মাধ্যমে আমাদের চারপাশের পরিসরে রঙ, রূপ এবং অর্থ যোগ করেন।”
বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ও পরিচালক মোঃ মহসিন হাবিব চৌধুরী মন্তব্য করেন, “বার্জার অ্যাওয়ার্ড ফর ইন্টেরিয়র ডিজাইন ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের ডিজাইন অঙ্গনের সৃজনশীলতা, উদ্ভাবন এবং পেশাগত উৎকর্ষের অনন্য প্রকাশ ঘটিয়ে চলেছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বার্জার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ডিজাইনারদের অনুপ্রাণিত করা এবং দেশের ইন্টেরিয়র ডিজাইন শিল্পের টেকসই বিকাশে অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
নিজের বক্তব্যে স্থপতি প্রফেসর শামসুল ওয়ারেস বলেন, “দশকের পর দশক ধরে আমি এই পেশার বিকাশ, সংগ্রাম এবং ধীরে ধীরে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করার পথচলা প্রত্যক্ষ করেছি। আজকের এই আয়োজন আমাদের ইন্টেরিয়র ডিজাইন কমিউনিটি কতদূর এগিয়েছে, তারই একটি উজ্জ্বল প্রমাণ। বিএআইডি কেবল একটি পুরস্কার নয়; এটি এমন একটি আয়না, যা পুরো একটি প্রজন্মের ডিজাইনারদের সামনে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত তুলে ধরে এবং দেখায়—যখন শৃঙ্খলার সঙ্গে কল্পনার মিলন ঘটে, তখন কী অসাধারণ সৃষ্টি সম্ভব।”
দেশের শীর্ষস্থানীয় এলপিজি ব্র্যান্ড ওমেরা এলপিজির আয়োজনে অন্যতম বৃহৎ রিটেইলার এনগেজমেন্ট ক্যাম্পেইন ‘ওমেরার রঙে দোকান সাজাই, বিজয়ীর বেশে বিদেশ যাই’-এর জমকালো সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ‘উইনার্স নাইট ২০২৬’ হয়েছে।
দেশজুড়ে ওমেরা এলপিজির ব্র্যান্ড ভিজিবিলিটি শক্তিশালী করা এবং খুচরা বিক্রেতা বা রিটেইলারদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে গত জানুয়ারি মাসে এই ব্যতিক্রমী ক্যাম্পেইন শুরু হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের রিটেইলারদের ওমেরা এলপিজির ব্র্যান্ডিং উপকরণ ও সিলিন্ডার ব্যবহার করে নিজেদের দোকান সাজিয়ে ছবি পাঠানোর আহ্বান জানিয়ে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
প্রাথমিকভাবে তিন মাসের পরিকল্পনা থাকলেও রিটেইলারদের অভূতপূর্ব সাড়া ও সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে সময়সীমা এক মাস বাড়িয়ে এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত এটি পরিচালিত হয়। চার মাসব্যাপী এই আয়োজনে দেশের ৬৪ জেলা থেকে সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি রিটেইলার অংশ নেন, যা দেশের এলপিজি শিল্পে রিটেইলার সম্পৃক্ততার ক্ষেত্রে একটি নতুন মাইলফলক।
এই ক্যাম্পেইনে জাতীয় পর্যায়ের শীর্ষ ১০ বিজয়ীর পাশাপাশি ৬৪ জেলার সেরা রিটেইলারদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে জামালপুরের মেসার্স রাইশা ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী আরিফুল ইসলাম রাসেল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার হিসেবে তিনি দুইজনের বিদেশ ভ্রমণের আকর্ষণীয় ট্যুর প্যাকেজ লাভ করেন।
এছাড়া মৌলভীবাজারের আরিফ সাউন্ড অ্যান্ড লাইটিংয়ের স্বত্বাধিকারী মো. আরিফুল ইসলাম প্রথম রানার-আপ এবং হবিগঞ্জের তোফাজ্জল দিনার আরতের স্বত্বাধিকারী মো. রুবেল দ্বিতীয় রানার-আপ নির্বাচিত হন। অন্যান্য বিজয়ীদের পুরস্কার হিসেবে মোটরসাইকেল, বিদেশ ভ্রমণ, বিভিন্ন হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও আকর্ষণীয় গিফট হ্যাম্পার দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি পুরো ক্যাম্পেইনজুড়ে সাপ্তাহিক ও মাসিক বিজয়ীদেরও বিভিন্ন উপহারের মাধ্যমে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
প্রিমিয়ার ব্যাংক-এর সাব-ব্রাঞ্চগুলোর ব্যবসায়িক কার্যক্রম মূল্যায়ন এবং নতুন পরিচালনা পর্ষদের নেতৃত্বে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের লক্ষ্যে “সাব-ব্রাঞ্চ বিজনেস পারফরম্যান্স রিভিউ মিটিং-২০২৬” শনিবার, ২৭ জুন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৬৭ জন সাব-ব্রাঞ্চ ইন-চার্জ অংশগ্রহণ করেন। সাব-ব্রাঞ্চগুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনা, ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি.-এর সম্মানিত চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মনজুর মফিজ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়ামত উদ্দিন আহমেদ, এস এম ওয়ালি উল মোর্শেদ, অমলেন্দু রায়, মোহাম্মদ আল-আমীনসহ ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান ও অন্যান্য কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে এসইভিপি ও রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগ প্রধান মোহাম্মদ শামীম মুর্শেদ, এসইভিপি ও এজেন্ট ব্যাংকিং, কার্ড ও এডিসি বিভাগ প্রধান মোহাম্মদ এহসান উল আলম এবং এসএমই ও কৃষি ব্যাংকিং বিভাগ প্রধান আসিফ খান সাব-ব্রাঞ্চগুলোর ব্যবসায়িক পারফরম্যান্স বিষয়ে নতুন পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।
প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. সম্প্রতি বায়ো বিল্ড ডেভলপমেন্ট লিমিটেডের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার আওতায় প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা স্পেশাল গিফট পাবেন। সম্প্রতি পূর্বাচলে বায়ো বিল্ড ডেভলপমেন্ট লিমিটেডের অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এই অংশীদারিত্বের ফলে প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা বায়ো বিল্ড ডেভলপমেন্ট লিমিটেড থেকে বুকিং দিলে স্পেশাল গিফট আইটেড উপভোগ করতে পারবেন, যা তাদের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতায় বাড়তি সুবিধা যোগ করবে।
নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর এসইভিপি ও হেড অব ডিস্ট্রিবিউশন মামুর আহমেদ এবং বায়ো বিল্ড ডেভলপমেন্ট লিমিটেডের ডিরেক্টর ও সিইও মো. সুজল আহমেদ।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর হেড অব কার্ডস অ্যান্ড রিটেইল ব্যাংকিং জোয়ার্দ্দার তানভীর ফয়সাল; ইভিপি ও সিকিউরড কনজ্যুমার ফাইন্যা্ন্সিং অ্যান্ড এমবেডেড পেমেন্টস তাকিয়ান চৌধুরী এবং বায়ো বিল্ড ডেভলপমেন্ট লিমিটেড-এর উপদেষ্টা কর্নেল মো. মনিরুল ইসলাম-পিএসসি (অব.) ও হেড অব সেলস (জিএম) এসএম আবু সুফিয়ান সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রাইম ব্যাংক তার গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও উন্নত লাইফস্টাইল সেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি আরও জোরদার করলো। একই সঙ্গে শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কৌশলগত সহযোগিতার মাধ্যমে গ্রাহক অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করার ধারাবাহিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে প্রতিষ্ঠানটি।
এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি-তে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) এবং চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) হিসেবে যোগদান করেছেন মোঃ শাহিন হাওলাদার। এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি-তে যোগদানের আগে, মি. হাওলাদার এনআরবি ব্যাংক পিএলসি-তে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (বিজনেস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ব্যাংকিং খাতে প্রায় তিন দশকের বিস্তৃত অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি তাঁর নতুন দায়িত্বে সমৃদ্ধ দক্ষতা ও নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছেন।
মি. হাওলাদার ১৯৯৫ সালের অক্টোবর মাসে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডে প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে তাঁর ব্যাংকিং ক্যারিয়ার শুরু করেন। তাঁর কর্মজীবনে তিনি ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, প্রাইম ব্যাংক পিএলসি, মধুমতি ব্যাংক পিএলসি এবং এনআরবি ব্যাংক পিএলসি-তে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন, যেখানে তিনি ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, কৌশলগত উন্নয়ন এবং কার্যকরী উৎকর্ষতায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।
তিনি কর্পোরেট ও ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, রিটেইল ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং, কৃষি ও গ্রামীণ ব্যাংকিং, অল্টারনেটিভ ডেলিভারি চ্যানেলস (এডিসি) ও কার্ডস, ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং, বৈদেশিক রেমিট্যান্স, বিশেষ সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক বাণিজ্য ও অফশোর ব্যাংকিং এবং শাখা ব্যাংকিং-এ ব্যাপক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তিনি চিফ ডিস্ট্রিবিউশন অফিসার, চিফ বিজনেস অফিসার, হেড অব বিজনেস এবং হেড অব ব্রাঞ্চেসসহ বিভিন্ন নেতৃত্বের পদেও সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
পেশাগত দক্ষতা আরও উন্নত করতে তিনি ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট (সিআরএম), প্রজেক্ট ফাইন্যান্স, কাস্টমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট, এসএমই ফাইন্যান্সিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে দেশি ও আন্তর্জাতিক বহু প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, সেমিনার ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন।
মি. হাওলাদার ব্যাংকিং অঙ্গনে তাঁর পেশাদারিত্ব, ব্যবসায়িক দূরদর্শিতা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রতি অঙ্গীকারের জন্য ব্যাপকভাবে পরিচিত।
মি. হাওলাদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডেমোগ্রাফিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্সে এমবিএ ডিগ্রিও অর্জন করেছেন।
কার্ডহোল্ডারদের জন্য বিশেষ লাইফস্টাইল ও হসপিটালিটি সেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট হোটেলের সাথে পার্টনারশীপ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি। চুক্তির আওতায় ব্যাংক এশিয়ার ক্রেডিট কার্ডহোল্ডারগণ হোটেলের বুফে ডাইনিংয়ে একটি কিনলে একটি ফ্রি সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়া ব্যাংক এশিয়ার সকল ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডহোল্ডারগণ আ লা কার্ট ডাইনিং, হেলথ ক্লাব, সুইমিং পুল এবং ভেন্যু বুকিং-এর ক্ষেত্রে ১০% মূল্যছাড় পাবেন।
সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ব্যাংক এশিয়ার এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং হেড অব কার্ডস, এডিসি ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং জনাব জিশান আহাম্মদ এবং ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টের এরিয়া জেনারেল ম্যানেজার, আইএইচজি সাউথওয়েস্ট এশিয়া এবং ক্লাস্টার জেনারেল ম্যানেজার মি. অশ্বিনী নায়ার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এই পার্টনারশীপ ব্যাংক এশিয়ার কার্ডহোল্ডারদের জন্য আকর্ষণীয় লাইফস্টাইল সুবিধা নিশ্চিত করার অঙ্গীকারের প্রতিফলন। এটি কার্ডহোল্ডারদের জন্য ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টের বিশ্বমানের আতিথেয়তা ও সেবাসমূহ উপভোগের সুযোগ আরও সহজলভ্য করবে।
বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চায় নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতে সপ্তম বারের মতো শুরু হলো দেশের সবচেয়ে বড় টিভি রিয়্যালিটি শো ‘ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ’। “বাংলায় জাগি ভরপুর” স্লোগানকে সামনে রেখে শুদ্ধ বাংলা চর্চা নতুন প্রজন্মের মাঝে আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয়ে দেশের জনপ্রিয় চায়ের ব্র্যান্ড ‘ইস্পাহানি মির্জাপুর’ ২০১৭ সাল থেকে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে।
এ বছর ‘ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ’ আরও আকর্ষনীয়ভাবে আয়োজিত হতে যাচ্ছে। এই প্রতিযোগিতায় ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবে। আটটি বিভাগীয় শহর ও কুমিল্লায় অডিশনের মাধ্যমে বাছাইকৃত শিক্ষার্থীরা স্টুডিও রাউন্ডে প্রতিযোগিতা করবে। মোট ২১ পর্বের এ প্রতিযোগিতা চ্যানেল আই-এ সম্প্রচারিত হবে।
বিচারকমণ্ডলীতে থাকছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক, ভাষাবিদ তারিক মনজুর, বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক এবং বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ত্রপা মজুমদার।
সপ্তম বর্ষের নিবন্ধন শুরু হয়েছে ২৭ জুন, ২০২৬ থেকে, যা চলবে ৩০ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত।চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী যথাক্রমে ১০ লক্ষ, ৩ লক্ষ ও ২ লক্ষ টাকার মেধাবৃত্তি পাবে। প্রথম দশজন প্রতিযোগী ল্যাপটপসহ বই ও বইয়ের আলমারি পাবে।
উক্ত উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইস্পাহানি গ্রুপের পরিচালক জাহিদা ইস্পাহানি ও মির্জা আহমেদ ইস্পাহানি। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক মনসুর মুসা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন চ্যানেল আই-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব ফরিদুর রেজা সাগর ও ইস্পাহানি টি লিমিটেড এর মহাব্যবস্থাপক জনাব ওমর হান্নান। এ বছরের ইস্পাহানি মির্জাপুর বাংলাবিদ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের নিবন্ধনের জন্যে www.banglabid.com.bd ঠিকানায় যাবার জন্যে অনুরোধ করা যাচ্ছে।
গ্লোবাল টেক জায়ান্ট শাওমি দেশের বাজারে নিয়ে এসেছে নতুন ৫টি লাইফস্টাইল ডিভাইস, যা এখন সারাদেশে পাওয়া যাচ্ছে। নতুন এই প্রোডাক্ট লাইনে রয়েছে টু-ওয়ে ফাস্ট চার্জিং সুবিধা সহ ৩টি শক্তিশালী পাওয়ার ব্যাংক - ‘শাওমি ৬৭ ওয়াট পাওয়ার ব্যাংক ২০০০০’, ‘শাওমি ৬৭ ওয়াট পাওয়ার ব্যাংক ১০০০০’ ও ‘শাওমি ৩৩ ওয়াট পাওয়ার ব্যাংক ২০০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার’। একইসাথে, দুর্দান্ত অডিও এক্সপেরিয়েন্স দিতে শাওমি এনেছে টিভির জন্য মিনিমালিস্ট ডিজাইনের ‘শাওমি সাউন্ডবার ২.০ চ্যানেল’ ও প্রিমিয়াম ওভার-ইয়ার ওয়্যারলেস ডিভাইস ‘রেডমি হেডফোনস নিও’; যা প্রযুক্তিপ্রেমী ক্রেতাদের ডিজিটাল লাইফস্টাইলকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
এই পাওয়ার ব্যাংক ক্যাটাগরির অন্যতম আকর্ষণ ‘শাওমি ৬৭ ওয়াট পাওয়ার ব্যাংক ২০০০০ (ইনটিগ্রেটেড কেবল); মূলত নিয়মিত ব্যবহারকারী ও পেশাজীবীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে। যা ভ্রমণের সময় ল্যাপটপ, ট্যাবলেট ও স্মার্টফোনের দ্রুত চার্জিং নিশ্চিত করবে। এটি সর্বোচ্চ ৬৭ ওয়াট আউটপুট দিতে সক্ষম, যার মাধ্যমে মাত্র ৩০ মিনিটে একটি স্মার্টফোন সর্বোচ্চ ৬৭% পর্যন্ত চার্জ করা সম্ভব। এছাড়া, ৬৫ ওয়াট সেলফ-চার্জিং সাপোর্ট মাত্র ২.৫ ঘণ্টার মধ্যে পাওয়ার ব্যাংকটিকে পুরোপুরি রিচার্জ করতে পারে। ট্রিপল-পোর্ট আউটপুট, একটি স্মার্ট ডিজিটাল ডিসপ্লে ও ল্যানিয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার উপযোগী বিল্ট-ইন টাইপ-সি কেবল-সমৃদ্ধ এই পাওয়ার ব্যাংকটি অবসিডিয়ান ব্ল্যাক ও স্পেস গ্রে রঙে মাত্র ৪,৯৯৯ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।
কমপ্যাক্ট ও পকেট-সাইজ ডিজাইনে ফ্ল্যাগশিপ ৬৭ ওয়াট ফাস্ট-চার্জিংয়ের একই সুবিধা নিয়ে এসেছে ‘শাওমি ৬৭ ওয়াট পাওয়ার ব্যাংক ১০০০০ (ইনটিগ্রেটেড কেবল)’। একইভাবে, ইনটিগ্রেটেড হাই-ইলাস্টিসিটি টাইপ-সি কেবল ও মাল্টি-প্রোটোকল ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট থাকায় এটি প্রতিদিনের যাতায়াতে ফোন, ইয়ারবাডস ও ওয়্যারেবল গ্যাজেটগুলো দ্রুত চার্জ করতে সহায়তা করবে। প্যাস্টেল ব্লু ও চারকোল ব্ল্যাক রঙের এই পাওয়ার ব্যাংকটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৪,২৯৯ টাকা।
মাল্টি-ডে ট্রিপ ও একসাথে একাধিক ডিভাইস চার্জ করার সুবিধা নিয়ে বাজারে এসেছে এই পাওয়ার লাইনআপের আরেকটি ডিভাইস ‘শাওমি ৩৩ ওয়াট পাওয়ার ব্যাংক ২০০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার (ইনটিগ্রেটেড কেবল)’। ৩৩ ওয়াট চার্জিং সক্ষমতার পাশাপাশি, এই পাওয়ার ব্যাংকের ইনটিগ্রেটেড কেবলটি এমনভাবে তৈরি, যা খুব সহজেই বহন করা যাবে। এছাড়াও, অতিরিক্ত গরম, শর্ট-সার্কিট ও ওভারচার্জিং প্রতিরোধ করতে এতে উন্নত মাল্টি-প্রোটেকশন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। ক্রিম হোয়াইট ও ম্যাট ব্ল্যাক কালারের এই ডিভাইসটি পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২,৫৯৯ টাকায়।
অডিও সেগমেন্টে উন্নত মানের অভিজ্ঞতা দিতে শাওমি নিয়ে এসেছে মিনিমালিস্ট ডিজাইনের ‘শাওমি সাউন্ডবার ২.০ চ্যানেল’। এতে রিচ ২.০ চ্যানেল স্টেরিও অডিও প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে; যা সিনেমা, গেমিং ও মিউজিকের ক্ষেত্রে স্মুথ সাউন্ড ও ডিপ বেস নিশ্চিত করবে। যেকোনো টিভির নিচে চমৎকারভাবে ফিট হওয়ার জন্য এতে রয়েছে একটি স্লিক ও লো-প্রোফাইল ডিজাইন। ব্লুটুথ ওয়্যারলেস স্ট্রিমিংয়ের পাশাপাশি, অপটিক্যাল ও এইউএক্স ইনপুট সাপোর্ট সমৃদ্ধ এই সাউন্ডবারটি ঘরে বিনোদনের পরিবেশকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। কালো রঙের এই প্রিমিয়াম অডিও ডিভাইসটির বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৮,৯৯৯ টাকা।
নতুন লাইনাপের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রিমিয়াম ওয়্যারলেস অডিও ডিভাইস হলো ওভার-ইয়ার ‘রেডমি হেডফোনস নিও’। এতে ৪২ ডেসিবেল অ্যাডাপটিভ অ্যাকটিভ নয়েজ ক্যানসেলেশন, ট্রিপল-মাইক এআই নয়েজ রিডাকশন সিস্টেম, হাই-রেস অডিও সার্টিফিকেশনের ৪০ মিলিমিটার টাইটানিয়াম-প্লেটেড ডায়নামিক ড্রাইভার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। হেডফোনটিতে রয়েছে ৭২ ঘণ্টার অনবদ্য ব্যাটারি লাইফ, যেখানে মাত্র ১০ মিনিটের চার্জে ৫ ঘণ্টা প্লেব্যাক টাইম পাওয়া যাবে। একইসাথে, এটি ডুয়েল-ডিভাইস স্মার্ট কানেক্টিভিটিও সাপোর্ট করে। অবসিডিয়ান ব্ল্যাক ও স্যান্ড হোয়াইট রঙের ডিভাইসটি মাত্র ৯,৯৯৯ টাকায় বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
এ বিষয়ে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “দেশের বাজারে নতুন এই ৫টি প্রোডাক্ট নিয়ে আসা বাংলাদেশের মানুষের প্রতি আমাদের চলমান প্রতিশ্রুতিরই একটি অংশ। হাই-স্পিড চার্জিং সুবিধা ও প্রিমিয়াম অডিও অভিজ্ঞতা প্রদানের মাধ্যমে আমরা স্থানীয় প্রযুক্তিপ্রেমীদের প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হচ্ছি। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, এই নেক্সট-জেন অ্যাক্সেসরিজগুলো ক্রেতার সুবিধা, পারফরম্যান্স ও সহজলভ্যতার ক্ষেত্রে বাজারে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে।’’
স্মার্ট লিভিংয়ে বিশ্বাসী ব্র্যান্ড শাওমির নতুন এই ৫টি লাইফস্টাইল ডিভাইস এখন দেশজুড়ে শাওমির সব অথোরাইজড স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য ওয়েবসাইট https://www.mi.com/bd/ ভিজিট করুন বা শাওমি বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/XiaomiBangladesh ফলো করুন।
উৎসবমুখর পরিবেশে গতকাল থেকে রাজধানীতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘এশিয়ান কর্পোরেট ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬’। গাড়ি নির্মাতা ব্র্যান্ড চেরি ও এর বিভিন্ন অংশীদার (পার্টনার) এবং কর্পোরেট গ্রাহকদের যৌথ উদ্যোগে এই বিশেষ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।
চেরি ঢাকার সাতারকুলের মাদানি এভিনিউতে (১০০ ফিট) অবস্থিত ‘গ্রিনভিল ফুটসাল’ মাঠে আজ ২৭ জুন থেকে শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্টটি আগামী ২৯ জুন ফাইনাল ম্যাচের মাধ্যমে শেষ হবে।
এশিয়ান হোল্ডিংসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেওয়ান সাজেদুর রহমান বলেন, করপোরেট অংশীদার ও গ্রাহকদের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্কের পাশাপাশি পারস্পরিক সৌহার্দ্য, দলগত চেতনা ও সুস্থ জীবনধারা গড়ে তুলতেই এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে।
এ সময় এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর জাহেদ হোসেন এবং এজিএম সিরাজুল মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অংশীদার প্রতিষ্ঠান ও করপোরেট গ্রাহকদের প্রতিনিধিরা টুর্নামেন্টে অংশ নেন।
দেশের আবাসন খাতের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড রূপায়ণ গ্রুপের অনন্য সৃষ্টি 'রূপায়ণ সিটি উত্তরা' পরিদর্শন করেছেন আবাসন খাতের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর নেতারা। রূপায়ণ সিটির নান্দনিক ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শনের লক্ষ্যে এই পরিদর্শনে আসেন।
রিহ্যাব সভাপতি ড. আলী আফজাল নেতৃত্বে সংগঠনের কার্যকরি কমিটির ঊর্ধ্বতন সদস্যবৃন্দ উপস্থিত এতে ছিলেন। এ সময় তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুল সহ প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ।
প্রতিনিধি দলটি রূপায়ণ সিটি উত্তরার প্রিমিয়াম মেগা গেটেড কমিউনিটির বিভিন্ন প্রকল্প, আধুনিক জীবনযাত্রার সুযোগ-সুবিধা এবং পরিবেশবান্ধব আবাসন ব্যবস্থা ঘুরে দেখেন। আন্তর্জাতিক মানের এই প্রকল্পটির স্থাপত্যশৈলী, সবুজায়ন এবং উন্মুক্ত স্থানের চমৎকার সমন্বয় দেখে রিহ্যাব নেতৃবৃন্দ গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন।
মতবিনিময় সভায় রিহাব সভাপতি ড. আলী আফজাল বলেন, বাংলাদেশের আবাসন শিল্পকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে রূপায়ণ গ্রুপ যে সাহসী ও দূরদর্শী ভূমিকা রাখছে, রূপায়ণ সিটি উত্তরা তার এক অনন্য উদাহরণ। আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরী গড়তে এ ধরনের প্রকল্প দেশের আবাসন খাতকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
তিনি আরো বলেন, দেশের ভেতরে এত সুন্দর আবাসন প্রকল্প করা যায় তা অনেকের জানা নেই। কিন্তু এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করার জন্য সরকারের সুদৃষ্টি দেয়া দরকার। সরকার সহযোগিতা করলে বিশ্বের দুয়ারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে দেশ। আমি এখানে এসে দেখলাম বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছে। তারা এখানে বসবাস করছে। বিদেশী নাগরিকরা যেখানে সেখানে থাকে না। সবসময় একটি নিরাপদ স্থান খুঁজেন। তাই আমি বলতে পারি রূপায়ণ সিটি উত্তরা সুরক্ষিত একটি জায়গা।
পরিদর্শন শেষে উভয় পক্ষের মধ্যে দেশের আবাসন খাতের বর্তমান পরিস্থিতি, সম্ভাবনা ও টেকসই উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
রিহ্যাব-এর অন্যান্যরা হলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি — আব্দুর রাজ্জাক, সহ-সভাপতি, আবু খালিদ মোহাম্মদ বরকতউল্লাহ, সহ-সভাপতি, এ. এফ. এম. ওবায়দুল্লাহ, পরিচালক ড. এন. জোহা, মো. মাহবুবুর রহমান, আলহাজ গোলাম কিবরিয়া মজুমদার, ইঞ্জি. মো. মোস্তফা কামাল, এ. জেড. এম. কামরুদ্দিন, মো: জহির আহমেদ, ক্যাপ্টেন মো. শাহ আলম (অব)., মো. খাজা নজিবুল্লাহ চৌধুরী, উম্মে জাহান আরজু, হাবিবুর রহমান হাবিব, মো. এমদাদুল হক, এম. ফখরুল ইসলাম, এ. এস. এম. আব্দুল গফ্ফার মেয়াজী, মো. এমদাদুল হোসেন সোহেল, তাসনোভা মাহবুব সালাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, রূপায়ণ গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান মাহির আলী খাঁন রাতুল, ভাইস চেয়ারম্যান আলী আকবর খাঁন রতন, সাইফ আলী খান অতুল, রূপায়ণ গ্রুপের উপদেষ্টা ক্যাপ্টেন পি. জে. উল্লাহ (অব). সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
দেশের ভোক্তাদের জন্য আরও নিরাপদ, পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ ও মানসম্মত খাদ্যপণ্য উদ্ভাবন ও উন্নয়নের লক্ষ্যে এসিআই ফুডস লিমিটেড এবং বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, বিসিএসআইআর, একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। ২৪ জুন ২০২৬ তারিখে বিসিএসআইআর এর প্রধান কার্যালয়ে এই স্মারক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এসিআই ফুডস লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক ও চিফ অপারেটিং অফিসার জাকির ইবনে হাই এবং বিসিএসআইআরের সচিব মোহাম্মদ সহিদুল হক পাটোয়ারী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে বিসিএসআইআরের চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমেদ, সদস্য (উন্নয়ন) আবুল ফাতাহ মোঃ বালিগুর রহমান, সদস্য (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি) ড. মোসাঃ হোসনে আরা বেগম, আইএফএসটির পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ আহমেদ, এসিআই ফুডসের পিডি অ্যান্ড কিউএ বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার মো. নাজিমুল ইসলাম এবং এসিআই ফুডসের বিজনেস ম্যানেজার চৌধুরী তাসমিয়াহ্ জাবীন সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এই সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো খাদ্যের মান উন্নয়ন ও পুষ্টিগুণ নিশ্চিত করা, যাতে দেশের ভোক্তারা আরও নিরাপদ, পুষ্টিকর ও মানসম্মত খাদ্যপণ্য সহজে পেতে পারেন। এই চুক্তির মাধ্যমে এসিআই ফুডস ও বিসিএসআইআর মানসম্মত ও নিরাপদ খাদ্য প্রক্রিয়া উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই উদ্যোগ দেশের খাদ্যশিল্পে গবেষণাভিত্তিক খাদ্যপণ্য উদ্ভাবন ও উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।
এছাড়া এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যৌথ গবেষণা, কারিগরি সহায়তা, প্রশিক্ষণ, সেমিনার এবং জ্ঞান বিনিময়ের ক্ষেত্র আরও প্রসারিত হবে।
পিপলস ইন্স্যুরেন্স পিএলসির ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল বুধবার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কোম্পানি চেয়ারম্যান জাফর আহমেদ পাটোয়ারী।
সঞ্চালনায় ছিলেন কোম্পানি সচিব শেখ মো. সরফরাজ হোসেন।
এজিএমে ২০২৫ সালের জন্য ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ, নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী, পরিচালক নির্বাচন এবং ২০২৬ সালের জন্য নিরীক্ষক নিয়োগ অনুমোদন করা হয়। সভায় যুক্ত ছিলেন কোম্পানির ভাইস চেয়ারপারসন মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক, পরিচালক আমির হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, মোহাম্মদ আলী হোসেনসহ ২৫৬-এর বেশি শেয়ারহোল্ডার।
বিশ্ব এমএসএমই (মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প) দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নির্বাচিত সাতজন উদ্যোক্তাকে সম্মাননা দিয়েছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল শেরাটনে ‘প্রাইম ব্যাংক এসএমই উদ্যোক্তা সম্মেলন ও সম্মাননা-২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত শতাধিক উদ্যোক্তা গ্রাহক অংশ নেন। এ সময় উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও এসএমই খাতের বিকাশে ব্যাংকের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
সম্মাননাপ্রাপ্ত উদ্যোক্তারা হলেন- চট্টগ্রামের জননী খাদ্য ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী বন্দনা নাথ, ঢাকার ইনক্রেডিবল প্রা. লি.-এর স্বত্বাধিকারী মো. তৌকির আহাম্মেদ, ঢাকার ক্রিয়েটিভ আইটি ইনস্টিটিউটের স্বত্বাধিকারী মো. মনির হোসেন, নরসিংদীর মেসার্স খলিল টেক্সটাইলের স্বত্বাধিকারী মো. খলিল মিয়া, ফরিদপুরের মেসার্স সুকুমার ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী সুকুমার সাহা, যাত্রাবাড়ীর সুজন মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজের স্বত্বাধিকারী মো. তমিজ উদ্দিন এবং দিনাজপুরের সুতার কাব্যের স্বত্বাধিকারী সিরাজুম মনিরা।
উদ্যোক্তাদের পণ্যের বৈচিত্র্য, বার্ষিক রাজস্ব, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তার ধরন এবং উদ্যোগের প্রকৃতি বিবেচনায় নিয়ে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী এবং উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজিম হাসান সাত্তার। এছাড়া প্রাইম ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফয়সাল রহমান এবং অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. নাজিম এ. চৌধুরীসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রাইম ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল রহমান বলেন, “এমএসএমই খাত দেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্ভাবন, স্থানীয় শিল্পের বিকাশ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও টেকসই ব্যবসায়িক চর্চার মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিই ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চাবিকাঠি। প্রাইম ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে এমএসএমই খাতের উন্নয়ন ও অর্থায়নে কাজ করে যাচ্ছে এবং দেশের উদ্যোক্তাদের জন্য সহজতর আর্থিক সেবা, ডিজিটাল ব্যাংকিং ও ব্যবসা সম্প্রসারণে সহায়তা প্রদান করছে। তিনি আরও বলেন, আজকের এই স্বীকৃতি উদ্যোক্তাদের নতুন উদ্যমে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে এবং একটি উদ্ভাবননির্ভর ও টেকসই অর্থনীতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।”
ফুটবল বিশ্বকাপের আনন্দকে আরো রঙিন করতে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বিকাশ ও দৈনিক প্রথম আলোর উদ্যোগে চালু হলো কুইজ প্ল্যাটফর্ম ‘ফুটবল সিগমা’। ফুটবলভক্তরা বিশ্বকাপ চলাকালীন ‘footballsigmabd.com’ ওয়েবসাইটে অথবা বিকাশ অ্যাপের ‘সাজেশন’ সেকশন থেকে এই প্ল্যাটফর্মে গিয়ে কুইজ খেলে প্রতিদিন ১১জন জিতে নিতে পারেন ১০০০ টাকা করে পুরস্কার। প্রতিদিনের পুরস্কারের পাশাপাশি তিনটি স্টেজে সর্বোচ্চ স্কোরার জিতে নিতে পারেন ইলেকট্রিক বাইক, এলইডি টেলিভিশন এবং আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স।
ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে প্রতিদিনের লিডারবোর্ডে শীর্ষ ১১ জন অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকে ১,০০০ টাকা করে পুরস্কার পাবেন, যা প্রথম আলোর পক্ষ থেকে তাদের বিকাশ অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে। এছাড়া, গ্রুপ পর্ব শেষে সর্বোচ্চ মোট পয়েন্টধারী দুইজন পাবেন একটি করে ইলেকট্রিক বাইক। রাউন্ড অব ৩২ ও রাউন্ড অব ১৬ শেষে দ্বিতীয় ধাপের লিডারবোর্ডে শীর্ষ দুইজন অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকে পাবেন একটি করে এলইডি টেলিভিশন। আর পুরো টুর্নামেন্ট শেষে তিন ধাপ মিলিয়ে সর্বোচ্চ মোট পয়েন্ট অর্জনকারী অংশগ্রহণকারীর জন্য থাকছে গ্র্যান্ড প্রাইজ আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স।
অংশগ্রহণকারীদের জন্য বিশ্বকাপ চলাকালীন প্রতিদিন উন্মুক্ত করা হবে নতুন ফুটবল কুইজ। এতে থাকবে বিশ্বকাপের ইতিহাস, কিংবদন্তি ফুটবলার, জাতীয় দল, স্মরণীয় ম্যাচ, রেকর্ড এবং ফুটবলের নানা গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত নিয়ে প্রশ্ন। একজন অংশগ্রহণকারী প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুইবার কুইজে অংশ নিতে পারবেন। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য অংশগ্রহণকারীরা পাবেন ১০ পয়েন্ট। সমান পয়েন্ট অর্জনের ক্ষেত্রে কম সময়ে কুইজ সম্পন্নকারী প্রতিযোগী লিডারবোর্ডে এগিয়ে থাকবেন।
যেকোনো ফুটবলপ্রেমী footballsigmabd.com সাইট অথবা বিকাশ অ্যাপের সাজেশন অপশনে থাকা ফুটবল সিগমা থেকে কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। কুইজে অংশ নিতে ব্যবহারকারীদের বিকাশ মোবাইল নম্বর দিয়ে লগইন করে ওটিপি ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। এরপর নাম, প্রিয় দলের তথ্য দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করে কুইজে অংশ নিতে পারবেন গ্রাহকরা।