বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
১৩ কার্তিক ১৪৩৩

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক-আমরার্কের সমঝোতা স্মারক সই

ছবি: সংগৃহীত
কর্পোরেট ডেস্ক
প্রকাশিত
কর্পোরেট ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:২৫

পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন ও টেকসই বিনিয়োগের সম্ভাবনা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. এবং আমরার্ক লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। ২৭ অক্টোবর ২০২৬ইং তারিখে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি.-এর করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উক্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ এর উপস্থিতিতে ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো: জাফর ছাদেক, এফসিএ এবং আমরার্ক লিমিটেডের চেয়ারম্যান জনাব জিসু পার্ক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ্যে উক্ত সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। এ সময় শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর পরিচালক পর্ষদের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ ইউনুছ উপস্থিত ছিলেন।

এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন (গ্রীণ ফাইন্যান্স) ও টেকসই বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণে উভয় প্রতিষ্ঠান পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করবে। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্পে বিনিয়োগ ও অর্থায়নের সম্ভাবনা বিকাশে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এ লক্ষ্যে টেকসই প্রকল্পে পরিবেশবান্ধব অর্থায়নে আগ্রহী গ্রাহক, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও সম্ভাব্য অংশীদারদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন, তথ্য বিনিময়, পরিচিতি বৃদ্ধি, এবং পারস্পরিক নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ সৃষ্টিতে উভয় প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করবে। এর মাধ্যমে দেশে টেকসই বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উক্ত সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে, কেবিসিসিআই এর সেক্রেটারি জেনারেল জনাব মিলিয়ন পার্ক, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি. এর স্পেশাল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট ডিভিশনের (এসএএমডি) ইভিপি জনাব মো: মজহারুল হক, ব্যাংকের কার্ড ডিভিশনের প্রধান জনাব মো: রিয়াদ হোসেন, ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ের এসএভিপি জনাব মো: ইব্রাহিম হোসেন, কার্ড ডিভিশনের এভিপি জনাব মো: শফিউল ইসলাম, ব্যাংকের জনসংযোগ ও ব্যাংক ফাউন্ডেশনের প্রধান জনাব কে. এম. হারুনুর রশীদ-সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

চট্টগ্রামের খাবার, বাজার ও কেনাকাটায় আস্থা ও স্বস্তির নাম ফুডি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:২২
করপোরেট ডেস্ক

চট্টগ্রামের অনলাইন অর্ডারের বাজারে এই মুহূর্তে শুধু দ্রুততা বা ছাড় নয়, আরেকটি বিষয়ও জোর আলোচনায় এসেছে, সেটি হলো আস্থা। রেস্তোরাঁ কতটা স্বচ্ছ হিসাব পাচ্ছে, গ্রাহক কতটা নির্ভরযোগ্য সেবা পাচ্ছেন এবং কোনো সমস্যা হলে কার সঙ্গে কথা বলা যাচ্ছে, এসব প্রশ্ন এখন আগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি চট্টগ্রামের রেস্তোরাঁ মালিকেরা অনলাইন খাবার সরবরাহের কমিশন, অতিরিক্ত চার্জ, হিসাবের স্বচ্ছতা এবং পাওনা পরিশোধ নিয়ে প্রকাশ্যে উদ্বেগ জানিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা স্থানীয় প্ল্যাটফর্ম ফুডির ১৫ শতাংশ সমন্বিত কমিশনের উদাহরণও তুলে ধরেছেন। এটি রেস্তোরাঁ মালিকদের বক্তব্য হিসেবে সংবাদমাধ্যমে এসেছে, কোনো স্বাধীন নিরীক্ষার সিদ্ধান্ত হিসেবে নয়।

এই আলোচনার মধ্যেই চট্টগ্রামে ফুডির গল্পটি নতুনভাবে দেখা যায়। কারণ ফুডির সেবা এখন শুধু রেস্তোরাঁর খাবার অর্ডারে সীমাবদ্ধ নয়। খাবারের পাশাপাশি ফুডি মার্টের মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার এবং ফুডি শপের মাধ্যমে বিভিন্ন দৈনন্দিন পণ্য অর্ডারের সুযোগও রয়েছে। ফলে একটি প্ল্যাটফর্মের শক্তি শুধু খাবার পৌঁছে দেওয়ায় নয়, রেস্তোরাঁ, দোকান, রাইডার এবং গ্রাহকের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক তৈরি করাতেও। চট্টগ্রামে এই আস্থা ও স্বস্তির জায়গাতেই ফুডি নিজের অবস্থান আরও শক্ত করতে চাইছে।

সারা বছরজুড়ে অফারে বাড়তি সাশ্রয়

চট্টগ্রামের গ্রাহকদের জন্য ফুডিতে সারা বছরজুড়েই বিভিন্ন ধরনের অফার ও সাশ্রয়ের সুযোগ থাকে। কখনো নির্বাচিত রেস্তোরাঁয় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়, কখনো বিনামূল্যে ডেলিভারি, আবার কখনো একটি কিনলে একটি পাওয়ার সুযোগসহ বিভিন্ন ধরনের অফার দেখা যায়। অফারের ধরন, রেস্তোরাঁ এবং প্রযোজ্য শর্ত পরিবর্তিত হতে পারে। তাই অর্ডারের সময় অ্যাপে চলমান অফারের বিস্তারিত দেখে নেওয়াই সবচেয়ে ভালো।

এই সুবিধার ব্যবহারিক মূল্য বুঝতে জটিল হিসাব লাগে না। একজন মানুষ হয়তো অফিসে কয়েকজন সহকর্মীর সঙ্গে দুপুরের খাবার অর্ডার করছেন। একটি পরিবার রাতে বাইরে না গিয়ে বাসায় খাবার আনাচ্ছে। বন্ধুরা একসঙ্গে কয়েকটি পদ নিচ্ছেন। আবার কেউ হয়তো ফুডি মার্ট থেকে প্রয়োজনীয় বাজার করছেন। এসব ক্ষেত্রেই চলমান অফার মোট খরচে বাড়তি সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি করে।

ফুডির ক্ষেত্রে অফার শুধু বিশেষ কোনো প্রচারণার সময়ের বিষয় নয়। বছরজুড়ে বিভিন্ন ধরনের অফার চলতে থাকায় ব্যবহারকারীরা নিয়মিতভাবেই সাশ্রয়ের সুযোগ পান। তবে অফার মানুষকে অ্যাপ খুলতে উৎসাহ দিতে পারে, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক তৈরি করে পুরো অভিজ্ঞতা। অর্ডার ঠিকমতো আসা, পছন্দের রেস্তোরাঁ পাওয়া, অর্ডারের অবস্থা জানা এবং সমস্যা হলে সহায়তা পাওয়া, এসবই ঠিক করে একজন ব্যবহারকারী আবার ফিরবেন কি না।

চট্টগ্রামের খাবারের বৈচিত্র্যই বড় শক্তি

চট্টগ্রামকে শুধু মেজবান দিয়ে বোঝা যায় না, যদিও মেজবান শহরটির খাদ্যপরিচয়ের বড় অংশ। এখানে পুরোনো রেস্তোরাঁ আছে, নতুন প্রজন্মের খাবারের দোকান আছে, কাবাব, বিরিয়ানি, ভাতের খাবার, সামুদ্রিক খাবার, বার্গার, পিৎজা এবং নানা ধরনের নাশতার নিজস্ব বাজার আছে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মের কাজ এই বৈচিত্র্যকে এক রকম করে দেওয়া নয়। বরং মানুষ যেন নিজের পছন্দ অনুযায়ী কাছাকাছি রেস্তোরাঁ খুঁজে নিতে পারেন, সেই পথ সহজ করা।

ফুডিতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় ও পরিচিত রেস্তোরাঁ পাওয়া যায়। তালিকা সময়ের সঙ্গে বদলাতে পারে, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্থানীয় রেস্তোরাঁর উপস্থিতি। কারণ চট্টগ্রামের খাবারের বাজার শুধু কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠানের ওপর দাঁড়িয়ে নেই। পাড়ার পরিচিত দোকান, পারিবারিক রেস্তোরাঁ এবং নতুন উদ্যোক্তার রান্নাও এই শহরের খাবারের গল্পের অংশ।

রেস্তোরাঁর আস্থা গ্রাহকের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ

একজন গ্রাহক সাধারণত রেস্তোরাঁ ও প্ল্যাটফর্মের বাণিজ্যিক চুক্তি নিয়ে ভাবেন না। তিনি শুধু চান অর্ডারটি ঠিকমতো আসুক। কিন্তু পর্দার আড়ালের সম্পর্কটি ভালো না হলে তার প্রভাব শেষ পর্যন্ত গ্রাহকের অভিজ্ঞতায় পড়তে পারে। রেস্তোরাঁ যদি মনে করে হিসাব পরিষ্কার নয়, পাওনা পেতে সমস্যা হচ্ছে কিংবা কোনো অর্ডারের দায় অন্যায্যভাবে তার ওপর পড়ছে, তাহলে সেই অসন্তোষ পুরো ব্যবস্থাকে দুর্বল করে।

এই কারণেই চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক রেস্তোরাঁ মালিকদের আলোচনা শুধু ব্যবসায়ীদের বিষয় নয়। এটি অনলাইন খাবার সরবরাহ ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের প্রশ্নও। যে প্ল্যাটফর্ম রেস্তোরাঁকে অংশীদার হিসেবে সম্মান দেয়, স্বচ্ছতার জায়গা রাখে এবং গ্রাহকের সেবাকেও সমান গুরুত্ব দেয়, তার জন্য আস্থা তৈরি করা তুলনামূলক সহজ হয়। ফুডির নাম সাম্প্রতিক আলোচনায় স্থানীয় তুলনা হিসেবে আসা তাই একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। তবে সেই আস্থা ধরে রাখতে হলে বাস্তব অভিজ্ঞতাতেও একই মান বজায় রাখতে হবে।

স্থানীয় পরিচয়ও এখানে গুরুত্বপূর্ণ

চট্টগ্রামের মানুষ নিজের শহরের খাবার নিয়ে গর্ব করেন। সেই কারণে স্থানীয় বাজারে সফল হতে হলে শুধু জাতীয় পর্যায়ের বড় রেস্তোরাঁ দেখালেই হবে না। পরিচিত স্থানীয় নাম, এলাকার জনপ্রিয় খাবার এবং নতুন উদ্যোক্তার উপস্থিতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। একটি শহরের খাবারের অ্যাপ তখনই সত্যিকারের স্থানীয় মনে হয়, যখন ব্যবহারকারী সেখানে নিজের শহরের পরিচিত স্বাদ দেখতে পান। ফুডির জন্য চট্টগ্রামে এই স্থানীয় পরিচয় ধরে রাখা শুধু বৈচিত্র্যের প্রশ্ন নয়, আস্থারও প্রশ্ন।

খাবারের পাশাপাশি বাজারের প্রয়োজনও

চট্টগ্রামে ফুডির উপস্থিতি রেস্তোরাঁর খাবারে সীমাবদ্ধ নয়। ফুডি মার্ট শহরটিতে দৈনন্দিন বাজারের প্রয়োজন মেটাতেও ভূমিকা রাখছে। দুপুরে রেস্তোরাঁ থেকে খাবার অর্ডার করা হলো, রাতে দেখা গেল দুধ শেষ। পরদিন সকালের জন্য ডিম দরকার কিংবা রান্নার তেল নেই। একই পরিচিত অ্যাপে খাবারের পাশাপাশি বাজারের প্রয়োজন মেটানো গেলে আলাদা সেবা খোঁজার ঝামেলা কমে আসে।

ফুডি মার্টে সময়ভেদে ফ্ল্যাশ সেলের আয়োজনও থাকে, যেখানে নির্বাচিত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে সীমিত সময়ের বিশেষ ছাড় পাওয়া যেতে পারে। কোন পণ্যে কত ছাড় এবং কতক্ষণ সুযোগটি থাকবে, সেটি অ্যাপে দেখে নেওয়াই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য। খাবারের অফারের পাশাপাশি বাজারেও এমন সাশ্রয়ের সুযোগ ফুডিকে চট্টগ্রামের দৈনন্দিন প্রয়োজনের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে।

ফুডি শপে খাবারের বাইরের প্রয়োজন

দৈনন্দিন প্রয়োজন সবসময় খাবার কিংবা বাজারে শেষ হয় না। কখনো ব্যক্তিগত পরিচর্যার পণ্য দরকার হতে পারে, কখনো ছোট উপহার, ফ্যাশন সামগ্রী, ইলেকট্রনিকস কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনীয় পণ্য। ফুডি শপ এই জায়গাটিকেও একই অ্যাপের মধ্যে আনার চেষ্টা করছে।

ফলে চট্টগ্রামের একজন ব্যবহারকারী একই প্ল্যাটফর্মে খাবার, বাজার এবং নির্বাচিত দোকানের বিভিন্ন পণ্য দেখতে পারেন। এই সমন্বয়ই ফুডিকে শুধু খাবার সরবরাহের অ্যাপ না রেখে দৈনন্দিন অর্ডারের একটি বড় পরিসরে নিয়ে যায়। তবে দোকান ও পণ্যের প্রাপ্যতা এলাকাভেদে বদলাতে পারে। নিজের ঠিকানা অনুযায়ী অ্যাপে কী পাওয়া যাচ্ছে, সেটিই ব্যবহারকারীর জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য।

একটি অর্ডারের পেছনে একাধিক পক্ষ

অ্যাপে একটি অর্ডার দেখতে খুব ছোট। একটি বোতাম চাপা হলো। রেস্তোরাঁ বা দোকান অর্ডার প্রস্তুত করল। রাইডার নিয়ে এলেন। কিন্তু বাস্তবে প্রতিটি অর্ডারের পেছনে একাধিক পক্ষ কাজ করে। গ্রাহক চান সময়মতো সঠিক অর্ডার। রেস্তোরাঁ ও দোকান চায় ন্যায্য শর্তে বিক্রি এবং সময়মতো পাওনা। রাইডার চান সুষ্ঠু কাজের পরিবেশ ও আয়।

এই জায়গাগুলোর ভারসাম্য যত ভালো হবে, পুরো সেবার মান তত শক্ত হবে। চট্টগ্রামে ফুডির জন্য বড় সুযোগ এখানেই। শুধু প্রতিযোগীর জায়গা নেওয়া নয়, বরং এমন একটি স্থানীয় সেবার অভিজ্ঞতা তৈরি করা যেখানে রেস্তোরাঁ, দোকান, রাইডার এবং গ্রাহক সবাই স্বস্তি পান।

দ্রুত সেবার শেষ ধাপটি রাইডারের হাতে

চট্টগ্রামের মতো ব্যস্ত শহরে একটি অর্ডারের সুবিধা অ্যাপে বোতাম চাপার মধ্যেই শেষ হয় না। রেস্তোরাঁ থেকে খাবার সংগ্রহ করা, ফুডি মার্ট থেকে বাজারের প্যাকেট নেওয়া কিংবা নির্বাচিত দোকান থেকে অর্ডার সংগ্রহ করে সঠিক ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়ার শেষ দায়িত্বটি সামলান রাইডাররা। অফিসে দুপুরের খাবার, বাসায় রাতের আহার, হঠাৎ প্রয়োজনীয় বাজার কিংবা অন্য কোনো ছোট কেনাকাটা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই গ্রাহককে বাইরে বের হতে না হওয়াটাই বড় সুবিধা।

একজন রাইডার অর্ডার পৌঁছে দিলে তিনি শুধু একটি পণ্য সরবরাহ করেন না। গ্রাহকের সময় বাঁচান, যাতায়াতের ঝামেলা কমান এবং অ্যাপে শুরু হওয়া পুরো সেবাটিকে বাস্তব অভিজ্ঞতায় পরিণত করেন। চট্টগ্রামে ফুডির আস্থা ও স্বস্তির গল্পে তাই রেস্তোরাঁ, ফুডি মার্ট, ফুডি শপ এবং অফারের পাশাপাশি রাইডারদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ।

১৬২৯৫ নম্বরে একজন মানুষের কাছে পৌঁছানো

গ্রাহকের আস্থার আরেকটি পরীক্ষা হয় যখন কিছু পরিকল্পনামতো চলে না। ঠিকানা নিয়ে বিভ্রান্তি হতে পারে, অর্ডারের অবস্থান জানতে হতে পারে কিংবা রেস্তোরাঁ বা দোকানের কোনো তথ্য পরিষ্কার করা দরকার হতে পারে। ফুডির গ্রাহক সহায়তা নম্বর ১৬২৯৫। প্রয়োজন হলে ব্যবহারকারী সরাসরি এই নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। অ্যাপের ভেতরেও সহায়তার সুযোগ রয়েছে।

মানুষের সঙ্গে কথা বলার এই ব্যবস্থা ছোট বিষয় মনে হতে পারে। কিন্তু অধিকাংশ অর্ডারই সময়নির্ভর। রাতের খাবার, জরুরি বাজার কিংবা প্রয়োজনীয় কোনো পণ্যের সমস্যার উত্তর মানুষ পরদিন চান না। দ্রুত এবং মানবিক সহায়তা তাই আস্থার অংশ।

চট্টগ্রামের জন্য স্বস্তির নতুন অর্থ

চট্টগ্রামে অনলাইন অর্ডারের স্বস্তি এখন শুধু একজন রাইডার খাবার নিয়ে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। স্বস্তি হলো পছন্দের রেস্তোরাঁ পাওয়া, প্রয়োজনের বাজার একই অ্যাপে পাওয়া, ফুডি শপ থেকে দৈনন্দিন অন্য কোনো পণ্য খুঁজে নেওয়া, অর্ডারের অবস্থান জানা এবং প্রয়োজনে একজন মানুষের সঙ্গে কথা বলতে পারা।

সারা বছরজুড়ে চলমান বিভিন্ন অফার গ্রাহকের জন্য বাড়তি সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি করে। কখনো বড় ছাড়, কখনো বিনামূল্যে ডেলিভারি, কখনো একটি কিনলে একটি পাওয়ার সুযোগ, আবার ফুডি মার্টে ফ্ল্যাশ সেল। তবে দীর্ঘমেয়াদে ফুডির শক্তি হলো খাবার, বাজার ও কেনাকাটাকে রাইডার সেবা এবং মানবিক সহায়তার সঙ্গে এক জায়গায় সহজভাবে পাওয়া।

বিষয়:

নির্বাচিত

আবুল খায়ের স্টীল মেল্টিং লিমিটেড কারখানা পরিদর্শন করলেন জার্মান ভাইস মিনিস্টার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

জার্মানির অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার ও স্টেট সেক্রেটারি ড. বারবেল কোফলারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল আবুল খায়ের স্টীল মেল্টিং লিমিটেড (একেএসএমএল) কারখানা পরিদর্শন করেছে।

সোমবার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত কারখানাটি পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদলকে একেএসএমএল-এর আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তি, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অর্জন এবং পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে অবহিত করা হয়। পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান একেএসএমএল-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমরান মোমিন।

জার্মান প্রতিনিধিদলে ড. বারবেল কোফলার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জার্মান উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা জিআইজেড বাংলাদেশ, জার্মান উন্নয়ন ব্যাংক কেএফডব্লিউ এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ইডকল) এর জেষ্ঠ্য কর্মকর্তাগণ।

একেএসএমএল আধুনিক ইলেকট্রিক আর্ক ফার্নেস প্রযুক্তি, উন্নত প্রকৌশল এবং উচ্চগতির রিবার রোলিং প্রযুক্তির সমন্বয়ে স্টীল উৎপাদন করে। উচ্চ উৎপাদন সক্ষমতা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের স্টীলশিল্পে প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এর স্বীকৃতিস্বরূপ, সম্প্রতি উৎপাদন সক্ষমতা-সংক্রান্ত একটি রেকর্ডের জন্য একেএসএমএল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অর্জন করেছে। প্রাকৃতিক সম্পদের সাশ্রয়ী ব্যবহার ও পরিবেশগত দায়িত্বশীলতার অংশ হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন, ফিউম ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে বায়ুদূষণ রোধ এবং ভূগর্ভস্থ পানির পরিবর্তে বৃষ্টির পানি পুনর্ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে একেএসএমএল। কারখানাটির এসব পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ পরিদর্শন করে ভূয়সী প্রশংসা করেন জার্মান প্রতিমন্ত্রী।

এ সময় স্টীলশিল্পে নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নে একেএসএমএলের উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন জার্মান প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশের শিল্প খাতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং তাঁদের ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি, বাংলাদেশের স্টীলশিল্পের অগ্রগতি ও আধুনিকায়ন সম্পর্কেও ইতিবাচক ধারণা লাভ করেন।


নির্বাচিত

সংযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর ডিজিটাল প্রবৃদ্ধিতে জোর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সংযোগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে, এ বিষয়ে আলোচনার জন্য ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৬’। বাংলাদেশ সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং হুয়াওয়ের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে অংশ নেন নীতিনির্ধারক, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিসহ পাঁচ শতাধিক ব্যক্তি।

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. কামরুজ্জামান, এনডিসি; তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞা এবং হুয়াওয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট জেসন উ’র উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের যুগ্ম সচিব সাইদা আফরোজ।

শক্তিশালী নেটওয়ার্ক, নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল অবকাঠামো এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ, বিনিয়োগনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির দিকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, এমপি বলেন, “বাংলাদেশ ফার্স্ট’ রূপকল্পকে সামনে রেখে আমরা একটি সমৃদ্ধ ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে কাজ করছি। এ জন্য নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরি, বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা এবং আগামী পাঁচ বছরে ডিজিটাল খাতে ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি। দেশের টেলিযোগাযোগ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের উন্নয়নে হুয়াওয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রাকে আরও এগিয়ে নিতে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি।”

শুভেচ্ছা বক্তব্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. কামরুজ্জামান, এনডিসি বলেন, “বাংলাদেশ টেককানেক্ট এখন একটি জাতীয় পর্যায়ের প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে, যেখানে সরকার, শিল্পখাত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী ও গণমাধ্যমের পাঁচ শতাধিক প্রতিনিধি একত্রিত হয়েছেন। আমাদের সবার লক্ষ্য হলো নীতিনির্ধারক ও শিল্পখাতের মধ্যে সম্মিলিত সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রাকে আরও গতিশীল করা। কারণ, ডিজিটাল অবকাঠামো এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং একটি সমৃদ্ধ, বিনিয়োগনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার অন্যতম প্রধান ভিত্তি।”

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞা বলেন, “বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করতে সরকার পাঁচটি কৌশলগত অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছে। এগুলো হলো শক্তিশালী আইনি ও নীতিগত কাঠামো, নির্ভরযোগ্য সংযোগব্যবস্থা, ডিজিটাল পাবলিক অবকাঠামো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সাইবার নিরাপত্তা এবং দেশীয় উৎপাদন। আমরা ইতোমধ্যে একটি জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছি, যা আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার আশা করছি। সরকার ও শিল্পখাতের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই পাঁচটি অগ্রাধিকারের মাধ্যমে একটি সমন্বিত, নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল ব্যবস্থা গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য, যা প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ, সরকারি সেবার মান উন্নয়ন এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।”

হুয়াওয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট জেসন উ বলেন, “বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামোর উন্নয়ন ও প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণে হুয়াওয়ে সরকার এবং শিল্পখাতের অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংযোগব্যবস্থা, ক্লাউড এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তিতে আমাদের সক্ষমতার মাধ্যমে স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর দক্ষতা বাড়াতে, নতুন সেবা উদ্ভাবনে এবং বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখতে আমরা কাজ করতে চাই।”

অনুষ্ঠানে ‘ভবিষ্যত প্রযুক্তি ও কানেক্টিভিটি’, ‘শিল্পখাতে দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রযুক্তির ভূমিকা’, এবং ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: বৈশ্বিক প্রবণতা, প্রভাব ও বাংলাদেশের প্রস্তুতি’ শীর্ষক তিনটি পৃথক প্যানেল আলোচনারও আয়োজন করা হয়। আলোচনা তিনটি সঞ্চালনা করেন বিটিআরসির কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ইকবাল আহমেদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সৈয়দা নওশিন পর্ণিনী, এবং জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক ড. মো. তৈয়বুর রহমান। প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ করেন টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) এবং প্রযুক্তিশিল্পের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এসব আলোচনায় বাংলাদেশে ফাইভজি ও সংযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রযুক্তির মাধ্যমে শিল্পখাতের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের প্রস্তুতির বিষয়গুলো উঠে আসে। পাশাপাশি তৈরি পোশাক শিল্প (আরএমজি), বন্দর, কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন খাতে ফাইভজি, ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাকসেস (এফডব্লিউএ) এবং এন্টারপ্রাইজ কানেক্টিভিটির বাণিজ্যিক সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

এছাড়া ক্লাউড কম্পিউটিং, অটোমেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ও স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, অপারেটিং খরচ কমানো এবং সরকারি সেবার মান উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক আলোচনায় ব্যাংকিং, উৎপাদন, পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ এবং সরকারি সেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে নির্ভরযোগ্য ক্লাউড অবকাঠামো, প্রয়োজনীয় তথ্যের প্রস্তুতি, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং সহায়ক নীতিমালার গুরুত্ব তুলে ধরেন বক্তারা।

সম্মেলনের প্রযুক্তি প্রদর্শনীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল রূপান্তর, স্মার্ট গভর্নমেন্ট, স্মার্ট এডুকেশন, ডিজিটাল পাওয়ার, স্মার্টফোন প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিভিন্ন সমাধান তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ডিজিটাল পাওয়ার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও এন্টারপ্রাইজ এবং ডিজিটাল অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান নিয়ে উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসব বৈঠকে বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা নিজ নিজ অভিজ্ঞতা ও মতামত বিনিময়ের পাশাপাশি ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।


নির্বাচিত

শিশুদের ক্যান্সার চিকিৎসায় সহায়তার লক্ষ্যে হাতিরঝিলে চ্যারিটি রান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় সহায়তা ও সুবিধাবঞ্চিত রোগীদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে আগামী ৮ জানুয়ারি, ২০২৭ শুক্রবার ঢাকার হাতিরঝিলে আয়োজন করা হচ্ছে চ্যারিটি রান ‘অ্যাক্সিওম রিচ ৭.৫ কে টু ফাইট ক্যানসার’। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অ্যাক্সিয়ম রিচ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে আয়োজিত হচ্ছে এই ফান রান। এই ইভেন্টের মূল আয়োজনে থাকছে ৭.৫ কিলোমিটার দৌড় এবং ১৪ বছরের কম বয়সী শিশু ও ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য ১ কিলোমিটার হাঁটা। শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে বিশেষ নিবন্ধন সুবিধা। এ ছাড়া বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে ভার্চুয়াল রানের মাধ্যমে অংশ নেওয়া যাবে। । পাশাপাশি শিশু ক্যান্সার চিকিৎসায় সহায়তার জন্য অনুদান দেওয়ার সুযোগও থাকছে। দৌড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা তৈরি এবং শিশু ক্যান্সার চিকিৎসায় সহায়তা জোগাড় করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত চ্যারিটি রানের আদলে বাংলাদেশে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে দৌড়প্রেমীদের পাশাপাশি মানবিক কাজে আগ্রহী ব্যক্তিদেরও অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকছে।

২০২৩ সাল থেকে অ্যাক্সিওম রিচ ফাউন্ডেশনের চিলড্রেনস ক্যানসার ফান্ডের (সিসিএফ) মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্যান্সার আক্রান্ত ৭০ জন শিশুর চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত অ্যাক্সিওম রিচ ফাউন্ডেশন সম্প্রতি দাতব্য সংস্থাগুলোর মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান চ্যারিটি নাভিগেটরের সর্বোচ্চ ফোর-স্টার রেটিং অর্জন করেছে। ঢাকায় অ্যাক্সিওম রিচ ফাউন্ডেশনের প্রথম চ্যারিটি রান আয়োজনের উদ্যোগ নিয়ে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিউজউইকে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এ উদ্যোগের সঙ্গে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনা অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যুক্ত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেন অ্যাক্সিয়ম রিচ ফাউন্ডেশন-এর নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ এহসান।

এই আয়োজন সম্পর্কে ল্যাবএইড ক্যানসার হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও অ্যাক্সিয়ম রিচ ফাউন্ডেশন এর বোর্ড সদস্য অধ্যাপক ডা. এম. এ. খান বলেন “ক্যান্সারের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যয়বহুল হওয়ায় অনেক পরিবারের পক্ষে তা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কোনো শিশুর চিকিৎসা যেন থেমে না যায়, সে জন্য সম্মিলিত সহায়তা জরুরী। আসুন আমরা তাদের পাশে দাঁড়াই, ক‍্যান্সার চিকিৎসায় সহযোগিতা করি।”

আয়োজকেরা ঢাকায় এক হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারীর পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ভার্চুয়াল অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করছেন। নিবন্ধনকারীদের জন্য থাকছে বিশেষ মেডেল, পরিবেশবান্ধব টি-শার্ট, ব্যক্তিগত রানার বিব, হাইড্রেশন সুবিধা ও দৌড় শেষে পুষ্টিকর খাবার। এ ছাড়া বিজয়ীদের জন্য আকর্ষণীয় পুরস্কার এবং র‍্যাফেল ড্রতে অংশ নেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা এ দৌড়ের মাধ্যমে শিশু ক্যান্সার চিকিৎসার বিষয়টি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাবে। একই সঙ্গে দৌড়কে শুধু শরীরচর্চার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সামাজিক দায়িত্ব পালনের একটি মাধ্যম হিসেবেও গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

আসগর আলী হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট

ও অ্যাক্সিয়ম রিচ ফাউন্ডেশন এর বোর্ড সদস্য অধ্যাপক ডা. অখিল রঞ্জন বিশ্বাস বলেন “এই দৌড়ে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে আমরা ক্যান্সার আক্রান্ত শিশু ও তাদের পরিবারকে জানাতে পারি তারা একা নয়। সবার অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা তাদের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পথে সহায়ক হতে পারে।”

রেস ডিরেক্টর ও আল্ট্রা রানার এম. নাহিদুল ইসলাম নাহিদ বলেন, সরাসরি দৌড়ে অংশগ্রহণ, ভার্চুয়াল রানে যুক্ত হওয়া কিংবা অনুদান দেওয়ার মতো ছোট ছোট উদ্যোগও সম্মিলিতভাবে একটি ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে।


নির্বাচিত

নারী কর্মীদের জন্য স্তন ক্যানসার সচেতনতামূলক সেশন আয়োজন ব্যাংক এশিয়ার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

স্তন ক্যানসার সচেতনতা মাস উপলক্ষে ব্যাংকের নারী কর্মীদের জন্য স্তন ক্যানসার সচেতনতামূলক সেশনের আয়োজন করেছে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি। কর্মীদের সুস্বাস্থ্য ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহায়ক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার প্রতি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

২৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে রাজধানীর কারওয়ান বাজারস্থ ব্যাংক এশিয়া টাওয়ারে আয়োজিত সেশনটি পরিচালনা করেন আসগর আলী হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শিফাত তানজিলা। তিনি স্তন ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণের গুরুত্ব, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনা করেন।

ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা জনাব মোঃ সাব্বির হোসেন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোহাম্মদ জিয়াউল হাসান মোল্লা, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব মুন্তাসির রহমান এবং সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মো. জাহাঙ্গীর আলম এতে উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাংক এশিয়া কর্মীদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সার্বিক কল্যাণকে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে একটি ইতিবাচক, সহায়ক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।


নির্বাচিত

টফিতে যুক্ত হলো ১,০০০-এর বেশি নতুন কনটেন্ট

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দেশের অন্যতম ডিজিটাল বিনোদন প্ল্যাটফর্ম টফিতে যুক্ত করা হয়েছে ১,০০০-এর বেশি নতুন কনটেন্ট। জনপ্রিয় মিডিয়া ও বিনোদন প্রতিষ্ঠান শিমারুর সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এসব কনটেন্ট এনেছে টফি।

নতুন সংযোজনের মধ্যে রয়েছে জনপ্রিয় পুরোনো সিনেমা, ব্লকবাস্টার ওয়েব সিরিজসহ বিভিন্ন ধরনের প্রিমিয়াম বিনোদন। দর্শকদের ভিন্নধর্মী পছন্দ বিবেচনায় নিয়ে এসব কনটেন্ট যুক্ত করা হয়েছে। টফির এন্টারটেইনমেন্ট পাস ও এন্টারটেইনমেন্ট প্লাস সাবস্ক্রিপশন প্ল্যানে নতুন এ কনটেন্টগুলো দেখা যাবে। সীমিত সময়ের জন্য দুটি প্ল্যানেই থাকছে বিশেষ ছাড়। মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ ও স্মার্ট টিভিতে এসব কনটেন্ট উপভোগ করা যাবে।

এর পাশাপাশি টফিতে চালু হয়েছে মিনি-টকিজ ও ভার্টিক্যাল ড্রামা। মিনি-টকিজে থাকছে স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র। অন্যদিকে, ভার্টিক্যাল ড্রামায় দেখা যাবে অল্প সময়ে উপভোগ করা যায় এমন ছোট গল্পভিত্তিক কনটেন্ট। ব্যস্ত জীবনে যাঁরা কম সময়ে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় গল্প দেখতে পছন্দ করেন, তাঁদের কথা বিবেচনা করে এ দুই ধরনের কনটেন্ট চালু করা হয়েছে। এগুলো বিনা মূল্যে দেখতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

নতুন এ উদ্যোগের বিষয়ে টফির ডেপুটি ডিরেক্টর মোদাসসের আহমেদ বলেন, “কনটেন্টের পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন ধরনের স্বল্পদৈর্ঘ্যের কনটেন্ট যুক্ত করার মাধ্যমে আমরা দর্শকদেরকে বৈচিত্র্যধর্মী বিনোদন উপহার দিতে চাই। জনপ্রিয় সিনেমা ও আকর্ষণীয় ওয়েব সিরিজের পাশাপাশি ব্যস্ত দিনের ফাঁকে অল্প সময়ে দেখা যায় এমন গল্পও থাকছে। এর মাধ্যমে টফিকে দর্শকদের জন্য আরও বৈচিত্র্যময় বিনোদন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি।”

বাংলাদেশের দর্শকদের এক প্ল্যাটফর্মে নানা ধরনের বিনোদন উপভোগের সুযোগ দিচ্ছে টফি। সিনেমা, সিরিজ, লাইভ টিভি ও অন্যান্য ডিজিটাল কনটেন্টের সমাহার নিয়ে দর্শকদের ভিন্ন ভিন্ন আগ্রহ ও দেখার অভ্যাসের কথা বিবেচনায় রেখে নিয়মিতভাবে নিজেদের কনটেন্টের পরিসর বাড়াচ্ছে প্ল্যাটফর্মটি।


নির্বাচিত

কৌশলগত অংশীদারত্বে কর্মীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ আকিজ রিসোর্সের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

স্বাস্থ্যসেবা, শরীরচর্চা, ফ্যাশন ও ডাইনিংসহ বিভিন্ন খাতে পার্টনারশিপের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগ্রুপ আকিজ রিসোর্স।

এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি সুখী, ইউনাইটেড হেলথকেয়ার, শান্তা লাইফ, অ্যালাইট ইন জেন, পারসোনা, ওয়েলনেস বাই মুন, জনস ফিটনেস হাব ও ফেব্রিলাইফের সঙ্গে পার্টনারশিপ স্থাপন করছে। এ ছাড়া ওশান প্যারাডাইস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা, গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, অ্যাসকট দ্য রেসিডেন্স ঢাকা এবং বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও ক্যাফের সঙ্গেও পার্টনারশিপে যুক্ত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সম্প্রতি আকিজ রিসোর্সের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

এই উদ্যোগের আওতায় আকিজ রিসোর্সের কর্মীরা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে বিশেষ করপোরেট মূল্য ও ছাড়ে বিভিন্ন সেবা নিতে পারবেন। স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে নির্বাচিত কিছু সেবায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় মিলবে। অন্যদিকে, অংশীদার হোটেলগুলোতে হোটেল রুমের ভাড়ায় ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় থাকবে।

আকিজ রিসোর্সের কমিউনিকেশন এন্ড পার্টনারশিপ লিড মো. আশরাফুর রহমান বলেন, “কর্মীদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ ও সুবিধাজনক করতে আমরা আমাদের অংশীদার ব্র্যান্ডের পরিসর আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছি। এর মাধ্যমে কর্মীরা আরও বেশি সেবা গ্রহণের সুযোগ, পাবেন।”

বিভিন্ন খাতের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এ অংশীদারত্বের মাধ্যমে কর্মীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, বিনোদন ও লাইফস্টাইল সংশ্লিষ্ট সেবাগুলো আরও সহজলভ্য করতে চায় আকিজ রিসোর্স। কর্মীদের কল্যাণ, কর্মক্ষেত্রে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সামগ্রিক সুস্থতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন এ উদ্যোগ।


নির্বাচিত

কক্সবাজারে মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে আইপিডিসি-মেডগ্লোবাল চুক্তি সই

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

কক্সবাজারের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থা মেডগ্লোবালের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি।

এ চুক্তির আওতায় কক্সবাজারের সমিতিপাড়ায় অবস্থিত মাতৃস্বাস্থ্য সেবা ও প্রসব কেন্দ্রের কার্যক্রম উন্নয়নে অর্থায়ন করবে আইপিডিসি ফাইন্যান্স। এর ফলে জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার অন্তঃসত্ত্বা নারী, নতুন মা ও নবজাতকেরা প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজে পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে মেডগ্লোবাল গর্ভকালীন পরিচর্যা, নিরাপদ প্রসব, প্রসব-পরবর্তী সেবা ও নবজাতকের চিকিৎসাসহ পরিবার পরিকল্পনা সেবা দেবে। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী সরবরাহ করা হবে। স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়াতে ‘মাদার্স ক্লাব’ ও ‘অ্যাডোলেসেন্ট গার্লস ক্লাব’-এর মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে।

আইপিডিসি ফাইন্যান্সের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার ফাহমিদা খান বলেন, “আমরা মনে করি, আর্থিক সেবার বাইরেও মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে ভূমিকা রাখা আমাদের দায়িত্ব। মেডগ্লোবালের সঙ্গে এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে কক্সবাজারের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য মা ও নবজাতকের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ বাড়াতে চাই। এ উদ্যোগ মা, নবজাতক ও তাদের পরিবারের স্বাস্থ্য ও সুস্থতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলে আমরা আশা করি।”

বাংলাদেশে মেডগ্লোবালের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ কমান্ডার এস এম ফেরদৌসুজ্জামান, পিএসসি (অব.) বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মা ও নবজাতকের জন্য সময়মতো স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া অত্যন্ত জরুরি। আইপিডিসি ফাইন্যান্সের সহায়তায় সমিতিপাড়ার মাতৃসেবা ও প্রসবকেন্দ্রের সেবার মান উন্নয়ন এবং স্থানীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়ানো সম্ভব হবে। এর ফলে কক্সবাজারের মা ও নবজাতকদের আরও কার্যকরভাবে সেবা দেওয়া যাবে বলে আমরা আশা করছি।”

এ উদ্যোগের মাধ্যমে অন্তঃসত্ত্বা নারী, নতুন মা, নবজাতক এবং জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাস্তুচ্যুত পরিবারসহ ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী উপকৃত হবে। মেডগ্লোবাল একটি আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা, যা শরণার্থী, বাস্তুচ্যুত মানুষ ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকে। বাংলাদেশে এনজিওবিষয়ক ব্যুরোতে নিবন্ধিত সংস্থাটি কক্সবাজারে নিজস্ব কার্যালয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং কমিউনিটির কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার আরও জোরালো করেছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স।


নির্বাচিত

‘এআই পাওয়ার ট্যুরিজম, সাসটেইনেবল ডেসটিনেশন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের অন্যতম আন্তর্জাতিক মেলা, বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২৬। আগামী ২৯-৩১ অক্টোবর ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) মেলাটি অনুষ্ঠিত হবে।

এ উপলক্ষে আজ ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার), ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিটিটিএফ ২০২৬-এর রূপরেখা আলোচনা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হানিফ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন টোয়াবের সাবেক সভাপতি ও প্রধান মেলা সমন্বয়কারী মো. রাফেউজ্জামান, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের জেনারেল ম্যানেজার পিআর কামরুল ইসলাম, ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টের জেনারেল ম্যানেজার অশ্বনী নায়ার, টোয়াবের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ শাফত উদ্দিন আহমেদ, বিসিএফসিসিয়ের হেড অব সেলস রহমত আলী, টোয়াবের পরিচালক (মিডিয়া ও পিআর) মো. মিজানুর রহমান, পরিচালক (বাণিজ্য ও মেলা) আবুল বাসেত বাবু, সাবেক মেলা পরিচালক রেজাউল ইকরাম রেজা ও প্যাসিফিক এশিয়া ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশন (পাটা) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের মহাসচিব তৌফিক রহমান।

টানা ১৩ বার সফল আয়োজনের পর, এবারের ১৪তম আসরের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘এআই পাওয়ার ট্যুরিজম, সাসটেইনেবল ডেসটিনেশন’। আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন খাতের বিকাশ, পরিবেশবান্ধব পর্যটন বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক সংযোগ জোরদার করাই এ আয়োজনের লক্ষ্য।

তিন দিনব্যাপী চলা এই মেলায় নেপাল, ভারত, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া ও আজারবাইজানসহ ২০টিরও বেশি দেশের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটন প্রতিনিধি ও সংস্থা অংশ নিবে। এ বছর মেলার টাইটেল স্পন্সর হিসেবে রয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।

এছাড়াও, মেলায় ২০০-এরও বেশি বুথ ও স্টল, ২২০+ এক্সিবিটর, ২৫০+ কোয়ালিফাইড বায়ার, ২,৫০০+ ট্রেড ভিজিটর ও ৬০ হাজারেরও বেশি দর্শনার্থী অংশগ্রহণ করবে। একইসাথে, চারটি থিমভিত্তিক প্রদর্শনী হলে ২০০টিরও বেশি এয়ারলাইন্স, হোটেল ও ট্যুর অপারেটর অংশ নিবে, যা বিটিটিএফ ২০২৬-কে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের জন্যে একটি বৃহৎ প্ল্যাটফর্মে পরিণত করবে।

সংবাদ সম্মেলনে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হানিফ বলেন, “গত ১৩টি সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায় বিটিটিএফ আজ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ পর্যটন প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। এই মেলা দেশিয় পর্যটনকে বিশ্বমঞ্চে উপস্থাপনের পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর সাথে বিটুবি নেটওয়ার্কিং ও নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

মেলার সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ), বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ ও ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। মেলার এয়ারলাইন্স পার্টনার হিসেবে থাকছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, প্লাটিনাম হসপিটালিটি পার্টনার হিসেবে থাকছে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট, গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম (জিডিএস) পার্টনার হিসেবে সেবার, পিআর পার্টনার হিসেবে ওপাস কমিউনিকেশনস লিমিটেড, টেকনোলোজি পার্টনার হিসেবে এম৩৬০আইসিটি, ট্রান্সপোর্ট পার্টনার হিসেবে থাকছে কনভয় সার্ভিস, ডিজিটাল পার্টনার হিসেবে থাকছে মায়েস্ট্রো, অডিও ভিজ্যুয়াল পার্টনার হিসেবে থাকছে প্যানোরমা পিসি ক্রিয়েটরস ও রুচি এবং ভেন্যু পার্টনার হিসেবে থাকছে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি)।

বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম হিসেবে; এবং একইসাথে, বৈশ্বিক অংশীজনদের এই খাতের সাথে যুক্ত করার মধ্য দিয়ে দেশিয় পর্যটনের বিকাশে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে টোয়াব।


নির্বাচিত

উত্তরা ব্যাংকের ‘মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিষয়ক সম্মেলন-২০২৬ʼ অনুষ্ঠিত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

সম্প্রতি উত্তরা ব্যাংক পিএলসি -এর ‘মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিষয়ক সম্মেলন-২০২৬ʼ কক্সবাজারের সী পার্ল বীচ রিসোর্ট এ্যান্ড স্পা -তে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো: আবুল হাশেম। ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ পরিপালন কর্মকর্তা জনাব খন্দকার আলী সামনুন -এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মাকসুদুল হাসান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালকদ্বয় জনাব মো: রেজাউল করিম এবং জনাব মো: রাফিউল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, সকল আঞ্চলিক প্রধান এবং শাখা- উপশাখার প্রধানগণ অংশগ্রহণ করেন।


নির্বাচিত

ইউসিবি, মাস্টারকার্ড ও গ্রামীণফোনের যৌথ উদ্যোগে আসছে কো-ব্র্যান্ডেড স্টিকার পেমেন্ট কার্ড

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য সহজ ও সুবিধাজনক কন্ট্যাক্টলেস পেমেন্টের সুযোগ তৈরি করতে যৌথভাবে একটি কো-ব্র্যান্ডেড স্টিকার পেমেন্ট কার্ড আনছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি), মাস্টারকার্ড এবং গ্রামীণফোন। কার্ডটির মাধ্যমে গ্রাহকেরা দ্রুত ও সহজে পেমেন্ট করার পাশাপাশি ক্যাশব্যাক, রিওয়ার্ড এবং বিশেষ লাইফস্টাইল সুবিধাও উপভোগ করতে পারবেন।

কার্ডটির উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এইচ. ই. ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউসিবির চেয়ারম্যান শরীফ জহীর; ব্যাংকটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামদুদুর রশিদ; মাস্টারকার্ডের ইন্ডিয়া ও সাউথ এশিয়ার ডিভিশন প্রেসিডেন্ট গৌতম আগারওয়াল; শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালে মাস্টারকার্ডের কান্ট্রি ম্যানেজার সান্দুন হাপুগোদা; মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা; গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার সোলায়মান আলমসহ তিন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

প্রিপেইড স্টিকার কার্ডটি স্মার্টফোন বা অন্য কোনো উপযুক্ত ডিভাইসে লাগিয়ে ব্যবহার করা যাবে। কন্ট্যাক্টলেস পেমেন্ট সুবিধাসম্পন্ন পয়েন্ট-অফ-সেল (পিওএস) টার্মিনালে কার্ডটি ট্যাপ করেই পেমেন্ট করা যাবে। ফলে প্রচলিত পেমেন্ট কার্ড সঙ্গে বহন করার প্রয়োজন কমবে এবং দৈনন্দিন লেনদেন হবে আরও দ্রুত ও সহজ।

এই কার্ডটি ইউসিবির ব্যাংকিং সেবা, মাস্টারকার্ডের নিরাপদ পেমেন্ট প্রযুক্তি এবং গ্রামীণফোনের মাইজিপি ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের সমন্বয়ে তৈরি। এর মাধ্যমে কার্ডহোল্ডাররা সহজে পেমেন্ট করার পাশাপাশি বিভিন্ন সুবিধাও উপভোগ করতে পারবেন।

কার্ডহোল্ডাররা মাইজিপি থেকে এলিজিবল ওটিটি ও বান্ডেল কেনাকাটা, মাইজিপি শপ-এর লেনদেন এবং লার্নিং কোর্সে ১০ শতাংশ ক্যাশব্যাক পাবেন। এছাড়া এলিজিবল জিপিএফআই সাবস্ক্রিপশনে ৩ শতাংশ এবং নির্দিষ্ট রোমিং প্যাক কেনাকাটায় ৫০ টাকা ক্যাশব্যাকের সুবিধা রয়েছে। পাশাপাশি, জিপিস্টার ও মাস্টারকার্ডের পার্টনার মার্চেন্টদের কাছ থেকে পাওয়া যাবে বিশেষ অফার। নির্দিষ্ট লেনদেনের মাধ্যমে অতিরিক্ত মাইজিপি পয়েন্টসও দ্রুত অর্জন করা যাবে। সব ক্যাশব্যাক সুবিধার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য শর্তাবলি কার্যকর হবে।

ইউসিবির চেয়ারম্যান শরীফ জহীর বলেন, “গ্রাহকদের পরিবর্তিত চাহিদা অনুযায়ী নতুন ও আধুনিক আর্থিক সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন এই উদ্যোগ। ব্যাংকিং, কানেক্টিভিটি ও বৈশ্বিক পেমেন্ট প্রযুক্তির সমন্বয়ে স্টিকার পেমেন্ট কার্ডটি দৈনন্দিন ডিজিটাল লেনদেনকে আরও সহজ, সুবিধাজনক ও সাশ্রয়ী করে তুলবে। একই সঙ্গে গ্রাহকেরা পাবেন নানা ধরনের সুবিধা।”

মাস্টারকার্ডের ইন্ডিয়া ও সাউথ এশিয়ার ডিভিশন প্রেসিডেন্ট গৌতম আগারওয়াল বলেন, “পেমেন্টের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এমন ধরনের লেনদেনের ওপর, যা সহজ, নিরাপদ এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে খুব স্বাভাবিকভাবে যুক্ত। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা পেমেন্টের উদ্ভাবনী একটি ধরন নিয়ে এসেছি। এটি গ্রাহকদের জন্য আরও বিকল্প তৈরি করবে এবং বাংলাদেশে কন্ট্যাক্টলেস পেমেন্টের প্রসারে ভূমিকা রাখবে।”

কার্ডটির প্রথম বছরের ফি মওকুফ করা হয়েছে। এছাড়া কোনো কার্ডহোল্ডার এর এক বছরে ১ লাখ টাকা বা তার বেশি খরচ করলে তাঁর বার্ষিক ফি মওকুফ করা হবে।

গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার সোলায়মান আলম বলেন, “ডিজিটাল জীবনযাপনে অভ্যস্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহকেরা এমন পেমেন্ট সমাধান চাইছেন, যা সহজ, সুবিধাজনক ও তাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। স্টিকার পেমেন্ট কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহকেরা মাইজিপিতে যে ডিজিটাল সেবা ও সুবিধাগুলো ব্যবহার করেন, সেগুলোর সঙ্গে পেমেন্টের সুবিধাও যুক্ত হচ্ছে। ডিজিটাল উদ্ভাবনের মাধ্যমে মানুষের জীবনে আরও বেশি সুবিধা ও ইতিবাচক পরিবর্তন আনার যে অঙ্গীকার আমাদের রয়েছে এই উদ্যোগ তারই প্রতিফলন।”

এই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে ইউসিবি, মাস্টারকার্ড ও গ্রামীণফোন বাংলাদেশে কন্ট্যাক্টলেস পেমেন্টের ব্যবহার বাড়ানো এবং গ্রাহকদের জন্য আরও নিরাপদ ও আকর্ষণীয় ডিজিটাল লেনদেনের সুযোগ তৈরির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।


নির্বাচিত

আসছে ক্যাপিটেক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড প্রেজেন্টস মার্কেট ম্যাভেরিক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বিজনেস আর মার্কেটিংয়ের সফলতার পেছনের গল্পগুলো কী? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই আয়োজন করা হয়েছে, ক্যাপিটেক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড প্রেজেনটস মার্কেট ম্যাভেরিক। ২৭ অক্টোবর, এক প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পডকাস্টের ঘোষণা দেওয়া হয়।

এই আয়োজনে স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে হাভাস ক্রিয়েটিভ লিমিটেড। সে সাথে আরও আছে মুভরিল, আই স্ক্রিন, চ্যানেল আই অনলাইন, এবং দ্য ডেইলি স্টার।

‘মার্কেট ম্যাভেরিক’ দেশের বিজনেস কমিউনিটির জন্য একটি মাস্টারক্লাস। এখানে উঠে এসেছে দেশসেরা মার্কেটিয়ারদের ব্রেইনস্টর্মিং প্রোসেস, আইকনিক ক্যাম্পেইনের আইডিয়া এবং রিয়েল-টাইম মার্কেট ইনসাইট।

ক্যাপিটেক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড প্রেজেনটস মার্কেট ম্যাভেরিক সঞ্চালনা করেছেন এই সময়ের বিশিষ্ট লেখক এবং হাভাস ক্রিয়েটিভ লিমিটেড-এর সিইও কিঙ্কর আহসান। প্রথম সিজনে অতিথি হিসেবে আছেন, শুভাশীষ ভৌমিক, জোহেব আহমেদ, সাবরিন মারুফ তিন্নি, আসিফ ইকবাল, জীশান কিংশুক হক, এ কে এম মাহমুদুল হাসান, মো. সাইমুম হোসাইন, ড. চৌধুরী মোহাম্মদ ওয়াসিউদ্দিন, এ বি এম জাবেদ সুলতান, গোলাম সামদানি, তাজদিন হাসান এবং মনির হোসেন।

ক্যাপিটেক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাহফুজুর রহমান বলেন, “ক্যাপিটেক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট শুধু ফাইন্যান্সিয়াল গ্রোথে নয়, নলেজ শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে পুরো ইন্ডাস্ট্রিকে এগিয়ে নেওয়ায় বিশ্বাসী। ক্যাপিটেক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড বিশ্বাস করে মার্কেট ম্যাভেরিক নতুন প্রজন্মের প্রোফেশনাল ও ব্র্যান্ড বিল্ডারদের জন্য হতে পারে একটি গেম-চেঞ্জার”।

মার্কেট ম্যাভেরিক’র এপিসোডগুলো খুব দ্রুতই আই স্ক্রিনসহ, মার্কেট ম্যাভেরিকের ফেসবুক পেইজ ও ইউটিউব চ্যানেলে ব্রডকাস্ট করা হবে। ক্যাপিটেক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড আপনাদের ‘মার্কেট ম্যাভেরিক’র জার্নিতে স্বাগতম জানাচ্ছে এবং পাশে থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।

আজকের অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাভাস ক্রিয়েটিভের সিইও কিঙ্কর আহসান, ক্রিয়েটিভ বিজনেস গ্রুপের সিওও জিয়া উদ্দিন মাহমুদ, আই স্ক্রিনের হেড মাহবুব রহিম উদয়, ক্যাপিটেক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের পক্ষে সুমিত পল, মোহাম্মদ নুরুল আমিন আরমান এবং মুভরিলের ডিরেক্টর অব অপারেশনস সেলিম হোসেন।


নির্বাচিত

banner close