বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
২০ কার্তিক ১৪৩৩

তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ সিটি ব্যাংকের, মুনাফায় ২০% বৃদ্ধি

ছবি: সংগৃহীত
কর্পোরেট ডেস্ক
প্রকাশিত
কর্পোরেট ডেস্ক
প্রকাশিত : ৪ নভেম্বর, ২০২৬ ২২:০৩

সিটি ব্যাংক তাদের ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এ উপলক্ষে অনলাইনের মাধ্যমে বিনিয়োগকারী, শেয়ার বিশ্লেষক এবং গণমাধ্যমের কাছে ৪ নভেম্বর তারিখে ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে ওয়েবের মাধ্যমে ইন্টারনেটে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

এ বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সিটি ব্যাংকের কনসোলিডেটেড শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪.৯৬ টাকা, যা ২০২৫ সালের একই মেয়াদে ছিল ৪.১৩ (ডিলিউটেড) টাকা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বছরের প্রথম নয় মাসে ব্যাংকটির কনসোলিডেটেড কর পরবর্তী মুনাফা (প্রফিট আফটার ট্যাক্স) দাঁড়িয়েছে ৮৬৭.৩৮ কোটি টাকা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৭২২.১৯ কোটি টাকা।

আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিএফও মো. মাহবুবুর রহমান আর্থিক প্রতিবেদনের নানাদিক বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেন। সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন ব্যাংকের সাম্প্রতিক কৌশলগত অবস্থান এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা জানান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হোলসেল ব্যাংকিং প্রধান মেসবাউল আসীফ সিদ্দিকী এবং চিফ রিস্ক অফিসার মোহাম্মদ ফিরোজ আলম। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অংশগ্রহণকারীরা নানাবিধ প্রশ্ন ঊত্থাপন করেন এবং প্যানেল সে সকল প্রশ্নের যথাযথ উত্তর প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, গত কয়েক বছরে সিটি ব্যাংকের কার্যক্রম ও ক্রমোন্নতি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের নজর কেড়েছে। এ আয়োজন ব্যাংকটির সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের সম্পর্ক উন্নয়নে নিশ্চিত ভূমিকা রাখবে।


শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক-কনকর্ড হেলথকেয়ার গ্রুপের মধ্যে চুক্তি সই

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৪ নভেম্বর, ২০২৬ ২২:০১
কর্পোরেট ডেস্ক

সম্প্রতি শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি.-এর করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এবং নোয়াপাড়া গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান কনকর্ড হেলথকেয়ার গ্রুপের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ এর উপস্থিতিতে ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: আব্দুল্লাহ আল-মামুন এবং কনকর্ড হেলথকেয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও নোয়াপড়া গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফায়জুর রহমান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে উক্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। উক্ত চুক্তির আওতায় শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের কার্ডধারীগণ কনকর্ড হেলথকেয়ার গ্রুপের বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, কনকর্ড স্টেম সেল লিমিটেড, কনকর্ড ডায়াগনস্টিক ও মলিকুলার ল্যাব বিডি লিমিটেড এবং ইডব্লিউ ভিলা মেডিকা হেলথ বাংলাদেশ লিমিটেডে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ ছাড় ও আকর্ষণীয় সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

উক্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব এম. এম. সাইফুল ইসলাম, নোয়াপাড়া গ্রুপের পরিচালক ফায়েজ ইবনে রহমান, নোয়াপাড়া গ্রুপের গ্রুপ সিওও ও সিএফও জাবেদুর রহমান, ব্যাংকের পান্থপথ শাখার ব্যবস্থাপক মো: রাজিউর রহমান, করপোরেট প্রধান কার্যালয়ের এসএভিপি মো: ইব্রাহিম হোসেন, কার্ড ডিভিশনের এভিপি মো: শফিউল ইসলাম, ব্যাংকের জনসংযোগ বিভাগের প্রধান ও ব্যাংক ফাউন্ডেশনের সিইও কে. এম. হারুনুর রশীদ-সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


বাংলাদেশ ব্যাংক-মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ২০০০ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশ ব্যাংকের ২ হাজার কোটি টাকার প্রাক-অর্থায়ন তহবিলের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি এর মধ্যে একটি অংশগ্রহণমূলক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। দেশের রপ্তানিমুখী হিমায়িত খাদ্য শিল্পের বিকাশ, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং উদ্যোক্তাদের জন্য সহজতর অর্থায়ন সুবিধা নিশ্চিত করতে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগ-২ আয়োজিত এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক (এসিডি-২) এ কে এম সাইদুজ্জামান। এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মুহাম্মদ আনছারুল কবির।

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডিএমডি ও সিবিও ড. মোঃ জাহিদ হোসেন এবং সাসটেইনেবল ফাইনান্স ইউনিটের ফোকাল পয়েন্ট অফিসার মোহাম্মদ হাসিবুল হাকিম খান।


বাংলাদেশ ব্যাংক ও সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের মধ্যে প্রাক-অর্থায়ন স্কীম বিষয়ক চুক্তি স্বাক্ষর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশ ব্যাংক ও রাষ্ট্র মালিকানাধীন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’র মধ্যে দেশের চামড়া ও চামড়াজাত শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে প্রাক-অর্থায়ন স্কীম বিষয়ক অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গত ১ নভেম্বর ২০২৬, রবিবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মোঃ আনিস উর রহমান এর উপস্থিতিতে এসএমই ও স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মোঃ জাবদুল ইসলাম এবং সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবেদুর রহমান সিকদার নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক নাহিদ রহমানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ২ হাজার কোটি টাকার এই প্রাক-অর্থায়ন স্কীমের আওতায় চামড়া ও চামড়াজাত শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে নতুন ট্যানারি স্থাপন, নতুন শিল্পবর্জ্য পরিশোধনাগার প্রতিষ্ঠা, বিদ্যামন ট্যানারির অবকাঠামো সংস্কার, সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন, চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনের জন্য নতুন অবকাঠামো নির্মাণ এবং বিদ্যমান কারখানার অবকাঠামো সংস্কার ও আধুনিকায়নের জন্য স্বল্প মূনাফায় মেয়াদি বিনিয়োগ সুবিধা প্রদান করা হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাাঁচামাল ক্রয়, বেতন-ভাতা প্রদান, ইউটিলিটি বিল পরিশোধসহ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনা, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যশিল্পের সহায়ক প্রতিষ্ঠানসমূহকে নিয়মমাফিক বিভিন্ন মেয়াদের জন্য চলতি মূলধন বিনিয়োগ সুবিধা প্রদান করা হবে।


ইসলামী ব্যাংকের ৩ টি নতুন বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব উদ্বোধন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি প্রবাসী বাংলাদেশীদের সঞ্চয় ও বিনিয়োগ বহুমুখীকরণের সুবিধার্থে নতুন ৩ টি বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব চালু করেছে। ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন ৪ নভেম্বর ২০২৬, বুধবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে প্রধান অতিথি হিসেবে এ হিসাবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। নতুন বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব ৩টি হল; মুদারাবা নন রেসিডেন্ট কনভার্টিবল টাকা (এনআরসিটি) সেভিংস একাউন্ট, আল ওয়াদীয়াহ নন রেসিডেন্ট কনভার্টিবল টাকা(এনআরসিটি) কারেন্ট একাউন্ট, মুদারাবা নন রেসিডেন্ট কনভার্টিবল টাকা (এনআরসিটি) টার্ম ডিপোজিট একাউন্ট। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর(ভারপ্রাপ্ত) মো. আলতাফ হুসাইন। স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ড. এম কামাল উদ্দীন জসীম। হিসাবগুলোর উপর সংক্ষিপ্ত তথ্য উপস্থাপন করেন অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট এর প্রধান মোঃ মনিরুজ্জামান। এ সময়ে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী, সকল জোনপ্রধান, শাখাপ্রধান ও ফরেন ফরেন এক্সচেঞ্জ ইনচার্জ এবং উপ শাখার ইনচার্জগণ ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে সংযুক্ত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহির হোসেন বলেন, “দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষস্থানে রয়েছে, দেশের প্রাপ্ত রেমিটেন্সে এ ব্যাংকের অবদান প্রায় ১৭%। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতেও এই ব্যাংকের অবদান উল্লেখযোগ্য। তিনি আরও বলেন, নতুন তিনটি এনআরসিটিএ হিসাব চালুর মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৈদেশিক মুদ্রায় অর্জিত অর্থ দেশে সঞ্চয় ও বিনিয়োগের আরও বিস্তৃত সুযোগ তৈরি হলো। এসব হিসাবে শরিয়াহসম্মত উপায়ে মুনাফা অর্জনের পাশাপাশি মূলধন ও মুনাফাসহ অর্থ বিদেশে পুনঃপ্রেরণ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে হিসাব পরিচালনার সুবিধা রয়েছে। এ উদ্যোগ বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি, প্রবাসীদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে।”


ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘মুক্ত পে’ চালু করল বাংলালিংক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেন আরও সহজ ও দ্রুত করতে ‘মুক্ত পে’ নামের ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে বাংলালিংক। এর মাধ্যমে গ্রাহকেরা টাকা পাঠানো, বিভিন্ন পরিষেবার বিল পরিশোধ এবং যেকোনো মোবাইল অপারেটরের নম্বরে রিচার্জ করতে পারবেন। উদ্বোধনী অফারের আওতায় নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত টাকা পাঠানো ও বিল পরিশোধে গ্রাহকদের কোনো ফি দিতে হবে না।

‘মুক্ত’ শব্দের অর্থ স্বাধীন। সেই ভাবনা থেকেই ‘মুক্ত পে’ চালু করা হয়েছে, যাতে দৈনন্দিন লেনদেনে বাড়তি সময়, কষ্ট ও খরচের ঝামেলা থেকে গ্রাহকেরা মুক্তি পান। গুগল প্লে স্টোর ও আইওএস অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করা যাবে। এরপর জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করে যেকোনো অপারেটরের গ্রাহকেরা এ অ্যাপে নিবন্ধন করতে পারবেন। আর বাংলালিংক গ্রাহকেরা ইন্টারনেট সংযোগবিহীন সাধারণ মোবাইল ফোন থেকে *৫২৫# ডায়াল করে এ সেবা নিতে পারবেন।

‘মুক্ত পে’এর মাধ্যমে টাকা পাঠানো, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির বিল পরিশোধ এবং সব অপারেটরের নম্বরে মোবাইল রিচার্জ করা যাবে। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও কার্ড থেকে ওয়ালেটে টাকা যোগ করার সুবিধার পাশাপাশি বাংলালিংকের সব সেবা ব্যবহারের সুযোগও থাকছে এ অ্যাপে।

উদ্বোধনী অফারের অংশ হিসেবে ওয়ালেট থেকে ওয়ালেটে টাকা পাঠানো এবং বিল পরিশোধে অ্যাপটিতে প্রথম তিন মাস কোনো চার্জ নেওয়া হবে না। এ ছাড়া বাংলালিংক নম্বরে প্রথম তিনবার রিচার্জে বোনাস পাবেন গ্রাহকেরা।

প্ল্যাটফর্মটি চালুর বিষয়ে বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইওহান বুসে বলেন, “মুক্ত পের মাধ্যমে সংযোগ সেবার বাইরেও গ্রাহকদের দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে বাংলালিংক। স্মার্টফোন হোক বা সাধারণ মোবাইল ফোন, এ সেবার মাধ্যমে ব্যক্তি, মার্চেন্ট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সহজেই ডিজিটাল অর্থনীতির অংশ হতে পারবেন।বিশেষ করে, যেসব জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এখনো ডিজিটাল আর্থিক সেবার আওতার বাইরে রয়েছেন, তাঁদের জন্য ডিজিটাল লেনদেন আরও সহজ ও সহজলভ্য করে তুলবে মুক্ত পে। বাংলাদেশে আরও বিস্তৃত ডিজিটাল আর্থিক সেবা চালুর ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে এ প্ল্যাটফর্ম।”

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য রয়েছে ‘মুক্ত পে’র আলাদা একটি মার্চেন্ট অ্যাপ। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা একটি ড্যাশবোর্ড থেকেই নিবন্ধন, গ্রাহকের কাছ থেকে পেমেন্ট গ্রহণ এবং লেনদেনের সকল হিসাব দেখতে পারবেন। এ ছাড়া, ‘মুক্ত পে’তে জাতীয় কিউআর পেমেন্ট সিস্টেম ‘বাংলা কিউআর’ যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এটি যুক্ত হলে গ্রাহকেরা বাংলা কিউআর সমর্থিত বিভিন্ন মার্চেন্ট প্রতিষ্ঠানে ‘মুক্ত পে’ ব্যবহার করে ডিজিটাল লেনদেন করতে পারবেন।

বাংলালিংকের চিফ ফিনটেক অফিসার দিমিত্রি কাশতানভ বলেন, “‘মুক্ত’ মানে স্বাধীন। আমরা যে প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছি, তার মূল ভাবনাও সেটিই। এত দিন সংযোগ সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে ছিলাম আমরা। ‘মুক্ত পে’ র মাধ্যমে এখন আমরা তাঁদের আর্থিক লেনদেনের সঙ্গেও যুক্ত হচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য, প্রতিদিনের লেনদেন যেন আরও দ্রুত, সহজ ও নির্ভরযোগ্য হয়।”

প্রচলিত টেলিযোগাযোগ সেবার বাইরে ডিজিটাল সেবার পরিসর বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘মুক্ত পে’ চালু করা বাংলালিংকের আরেকটি পদক্ষেপ। ‘মুক্ত পে’ বাংলালিংকের ডিজিটাল সেবা পোর্টফোলিওতে নতুন সংযোজন, যা দেশের ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল অর্থনীতিতে বাংলালিংকের ভূমিকাকে আরও জোরদার করছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে বাংলালিংকের গ্রাহকসংখ্যা প্রায় ৪ কোটি। অন্যদিকে,পাকিস্তান, কাজাখস্তান ও উজবেকিস্তান—এই তিন দেশ মিলিয়ে ভিওনের আর্থিক সেবা প্ল্যাটফর্মগুলোর গ্রাহকসংখ্যা ৫ কোটি ৯০ লাখ।

‘মুক্ত পে’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম জাকারিয়া বলেন, “শুরু থেকে আমাদের লক্ষ্য ছিল, প্রথম লেনদেন থেকেই সেবাটি যেন দ্রুত, সহজ ও নির্ভরযোগ্য হয়। একই সঙ্গে সকল মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকেরা যাতে এটি ব্যবহার করতে পারেন, সেটিও নিশ্চিত করতে চেয়েছি আমরা।”

বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভিওনের বৃহত্তর পরিকল্পনার সঙ্গেও ‘মুক্ত পে’ চালুর বিষয়টি যুক্ত। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে ২৫ কোটি মার্কিন ডলার প্রাথমিক বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভিওন।


ইস্পাহানি বেকারি ফ্রেশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন অভিনেতা আরিফিন শুভ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

জনপ্রিয় অভিনেতা আরিফিন শুভ ইস্পাহানি বেকারি ফ্রেশের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এ উপলক্ষে গত ২৬ অক্টোবর ঢাকার তেজগাঁও শিল্প এলাকায় অবস্থিত ইস্পাহানি করপোরেট অফিসে একটি সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইস্পাহানি ফুডস লিমিটেডের পরিচালক ইমাদ ইস্পাহানি, ইস্পাহানি টি লিমিটেড এর মহাব্যবস্থাপক ওমর হান্নান, মিডিয়াকম লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, অজয় কুমার কুণ্ডু এবং ইস্পাহানি গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ অন্যান্য প্রতিনিধিরা। এই চুক্তির আওতায় আরিফিন শুভ ইস্পাহানি বেকারি ফ্রেশে’র বিভিন্ন ব্র্যান্ড ক্যাম্পেইন, প্রচারণামূলক কার্যক্রম ও বিপণন উদ্যোগে অংশ নেবেন।

ইস্পাহানি গ্রুপের ঐতিহ্য ও সুনামের ধারাবাহিকতায় ইস্পাহানি বেকারি ফ্রেশ ভোক্তাদের কাছে মানসম্মত বেকারি পণ্য পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে। আরিফিন শুভর জনপ্রিয়তা, ব্যক্তিত্ব ও তারকাখ্যাতি ব্র্যান্ডটির প্রচারণায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করছে ইস্পাহানি ফুডস লিমিটেড। তাঁর সম্পৃক্ততার মাধ্যমে আরও বৃহত্তর পরিসরে ভোক্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন এবং ব্র্যান্ডটির পরিচিতি বাড়ানোর প্রত্যাশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরিফিন শুভ বলেন, ‘ইস্পাহানির মতো একটি বৃহৎ, সুনামধন্য ও ঐতিহ্যবাহী ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। আশা করছি, ইস্পাহানি বেকারি ফ্রেশের সঙ্গে দারুণ কিছু কাজ করতে পারব। এই ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি ভোক্তাদের কাছে ব্র্যান্ডটিকে আরও সুন্দরভাবে তুলে ধরতে চাই।’

এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে ইস্পাহানি বেকারি ফ্রেশের ব্র্যান্ড পরিচিতি আরও বিস্তৃত হবে এবং ভোক্তাদের সঙ্গে ব্র্যান্ডটির সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশা করছে ইস্পাহানি ফুডস লিমিটেড।


শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকে ‘‘জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস’’ উপলক্ষ্যে সচেতনতামূলক কর্মশালার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর সিনিয়র ব্যবস্থাপনা কমিটিকে নিয়ে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ইং তারিখে ব্যাংকের কর্পোরেট প্রধান কার্যালয়ে ‘‘জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস’’ অক্টোবর-২০২৬ উপলক্ষ্যে সচেতনতামূলক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। উক্ত কর্মশালায় শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ এর সভাপতিত্বে ব্যাংকিং সেক্টরে সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মো: আব্দুল্লাহ আল-মামুন, ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ জনাব এম. এম. সাইফুল ইসলাম এবং জনাব মো: জাফর ছাদেক, এফসিএ-সহ প্রধান কার্যালয়ের বিভাগীয় প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি কর্মকর্তাদের মধ্যে সাইবার সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল সম্পদ সুরক্ষায় অক্টোবর মাসব্যাপী ব্যাংকের সকলস্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালায় আলোচকবৃন্দ বিভিন্ন ধরণের ফিশিং, ম্যালওয়্যার, র‌্যানসমওয়্যার, সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং অননুমোদিত সিস্টেম অ্যাক্সেসের মতো ঝুঁকিগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। তাছাড়া শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে এবং নিয়মিত নিরাপত্তা নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। অপরিচিত ই-মেইল, সন্দেহজনক লিংক ও সংযুক্ত ফাইল খোলার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। কখনোই নিজের পাসওয়ার্ড, ওটিপি, পিন কিংবা গোপন তথ্য অন্য কারো সঙ্গে শেয়ার না করা। অস্বাভাবিক লেনদেন, সন্দেহজনক ই-মেইল কিংবা নিরাপত্তা-সংক্রান্ত ঘটনা পরিলক্ষিত হলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা আইটি নিরাপত্তা বিভাগকে অবহিত করতে পরামর্শ প্রদান করা হয়।

সাইবার নিরাপত্তা কোনো একক বিভাগের দায়িত্ব নয়; এটি আমাদের সবার দায়িত্ব। আমাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন, সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।


জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনকে এনসিসি ব্যাংকের আইসিইউ সুবিধাসম্পন্ন আধুনিক অ্যাম্বুলেন্স প্রদান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এনসিসি ব্যাংক পিএলসি দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনকে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) সুবিধাসম্পন্ন একটি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করেছে। হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীসহ সংকটাপন্ন রোগীদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সম্প্রতি এনসিসি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ জাকির আনাম জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন, দিনাজপুরের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আজাদের হাতে অ্যাম্বুলেন্সের চাবি হস্তান্তর করেন। এ সময় এনসিসি ব্যাংকের রাজশাহী শাখার ব্যবস্থাপক কামাল হোসেন, হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির সদস্য আবু তাহের আবু, খালেকুজ্জামান বাবু, ডাঃ গোলাম গাউস মন্টু, গোলাম রসুল রকেট, শামীম কবির, পিয়াল আহমেদ, মোকছেদ আলী মঙ্গলীয়া, ডায়াবেটিক হাসপাতালের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সফিকুল হক ছুটু এবং ঢাকাস্থ দিনাজপুর সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ মোহাম্মদ আশফাকুর রহমানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এর আগে সচিবালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি এবং প্রতিমন্ত্রী মিস ফারজানা শারমীন, এমপির উপস্থিতিতে এনসিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোঃ নূরুন নেওয়াজ সেলিম জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন, দিনাজপুরের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম আজাদের হাতে অ্যাম্বুলেন্সের চাবি হস্তান্তর করেন। পরবর্তীতে মন্ত্রীর পরামর্শক্রমে অ্যাম্বুলেন্সটিতে আইসিইউ সুবিধা ও আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজনের পর তা আনুষ্ঠানিকভাবে ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ উপলক্ষে এনসিসি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ জাকির আনাম বলেন, “এনসিসি ব্যাংক প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ব্যাংকিং কার্যক্রমের পাশাপাশি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ব্যাংকটি শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তা, কৃষি গবেষণায় অর্থায়ন, সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণ, চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে পরিবেশবান্ধব ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মানবিক সহায়তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কল্যাণে এনসিসি ব্যাংকের এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন, দিনাজপুরকে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ও আইসিইউ সুবিধাসম্পন্ন একটি অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করা হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, এই অ্যাম্বুলেন্সটি বিশেষ করে হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীসহ সংকটাপন্ন রোগীদের জরুরি পরিবহন ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মানুষের কল্যাণ এবং দেশের টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এনসিসি ব্যাংকের এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”


ফার্মেসিতে মিলবে ডানো ল্যাকটোজ রিডিউসড দুধ, আরলা ফুডস এর নতুন উদ্ভাবন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

ভোক্তাদের জন্য ডানো ল্যাক্টো রিডিউসড ফিলড মিল্ক পাউডার আরও সহজলভ্য করতে ফার্মাসিউটিক্যাল ও স্বাস্থ্যসেবা পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ফার্মা সল্যুশন্স বাংলাদেশ লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি করেছে আরলা ফুডস বাংলাদেশ। এ চুক্তির ফলে এখন থেকে ঢাকার বিভিন্ন ফার্মেসিতে পাওয়া যাবে পণ্যটি।

এ লক্ষ্যে সম্প্রতি দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ঢাকার বিভিন্ন ফার্মেসিতে ল্যাক্টো রিডিউসড-এর একমাত্র পরিবেশক হিসেবে কাজ করবে ফার্মা সল্যুশন্স বাংলাদেশ। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও পণ্যটি সরবরাহ করা হবে।

সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আরলা ফুডস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লরেন্ট পন্টি, হেড অব সেলস মাহের-ই-খোদা এবং হেড অব মার্কেটিং, করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি আনোয়ারুল আমিন। ফার্মা সল্যুশন্স বাংলাদেশ লিমিটেডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান একরাম হোসেন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পল্লব চক্রবর্তী এবং হেড অব মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস অশোক কুমার চক্রবর্তীসহ অন্য কর্মকর্তারা।

দুধে থাকা ল্যাকটোজ নামের শর্করা অনেকেই হজম করতে পারেন না। নিয়মিত দুধ পান করলে অনেক সময় পেট ফাঁপা, গ্যাস বা পেটে অস্বস্তির মতো সমস্যা হতে পারে। এ ধরণের ভোক্তাদের কথা বিবেচনা করে তৈরি করা হয়েছে ডানো ল্যাক্টো রিডিউসড ফিলড মিল্ক পাউডার।

আরলা ফুডস বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ ফিলড মিল্ক পাউডারে ল্যাকটোজের পরিমাণ প্রায় ৩৬ শতাংশ। ডানো ল্যাক্টো রিডিউসড ফিলড মিল্ক পাউডারে তা কমিয়ে প্রায় ৩ শতাংশ করা হয়েছে। তবে দুধের সকল পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ন রাখা হয়েছে। এতে রয়েছে প্রোটিন, ভিটামিন এ ও ভিটামিন ডি৩-এর মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। ল্যাক্টো রিডিউসড বাংলাদেশের প্রথম ল্যাক্টো রিডিউসড ফিলড মিল্ক পাউডার।

নতুন এ অংশীদারিত্ব সম্পর্কে আরলা ফুডস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লরেন্ট পন্টি বলেন, ‘হজমের অস্বস্তির কারণে ভোক্তারা যেন প্রয়োজনীয় দুগ্ধজাত পুষ্টি থেকে দূরে না থাকেন, সেটিই আমাদের লক্ষ্য। ফার্মেসির মাধ্যমে সরবরাহের ফলে যাঁরা তুলনামূলক সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর দুধের বিকল্প খুঁজছেন, তাঁদের কাছে ডানো ল্যাক্টো রিডিউসড আরও সহজলভ্য হবে।’

ফার্মা সল্যুশন্স বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান একরাম হোসেন বলেন, ঢাকাজুড়ে পণ্যটি ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দিতে প্রতিষ্ঠানটির স্বাস্থ্যসেবা পণ্য বিতরণ নেটওয়ার্ক কাজে লাগানো হবে। পরবর্তী সময়ে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও বিতরণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

ল্যাকটোজ হজমে সমস্যা হলে অনেকে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া কমিয়ে দেন বা এড়িয়ে চলেন। কম ল্যাকটোজযুক্ত এ দুধ তাঁদের জন্য একটি বিকল্প হতে পারে।


টেকনাফে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সচেতনতা ও আর্থিক সাক্ষরতা কর্মসূচি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

গ্রাহকদের আর্থিক সাক্ষরতা বৃদ্ধি, নিরাপদ ব্যাংকিং সেবা এবং আর্থিক জালিয়াতি প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার শাপলাপুর এলাকায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এর গ্রাহক সচেতনতা ও আর্থিক সাক্ষরতা কর্মসূচি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক (এফআইডি) মোঃ ইকবাল মহসীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক(এফআইডি) মোঃ আলী হোসেন ও ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং ডিভিশনপ্রধান আবুল লাইস মোহাম্মদ খালেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চট্টগ্রাম দক্ষিন জোনপ্রধান আব্দুল নাসের। এ সময় কক্সবাজার শাখাপ্রধান মোহাম্মাদ বোরহান উদ্দিন খান ও টেকনাফ শাখাপ্রধান মোহাম্মাদ সাইফুল্লাহসহ এজেন্ট মালিকবৃন্দ উপস্থি ছিলেন।


স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় কর্মীদের জন্য চক্ষু পরীক্ষা কর্মসূচির আয়োজন করল ব্যাংক এশিয়া

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মীদের জন্য চক্ষু পরীক্ষা কর্মসূচির আয়োজন করেছে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি। ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে রাজধানীর কারওয়ান বাজারস্থ ব্যাংক এশিয়া টাওয়ারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ চক্ষু পরীক্ষার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহণ করেন।

ফ্যাশন অপটিক্স লিমিটেডের সহযোগিতায় আয়োজিত এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল চোখের সুস্থতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, দৃষ্টিজনিত সমস্যার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ এবং চোখের যত্নে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে কর্মীদের উৎসাহিত করা।

এ ধরনের উদ্যোগ কর্মীদের স্বাস্থ্য ও সার্বিক কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি ইতিবাচক ও কর্মীবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্যাংক এশিয়ার অঙ্গীকারের প্রতিফলন।


দ্বিপাক্ষিক ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদারে CanCham Bangladesh ও BBCC-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে কানাডা-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (CanCham Bangladesh) এবং বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার অব কানাডা (BBCC)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এই চুক্তির মাধ্যমে দুই চেম্বার বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ চিহ্নিত ও সম্প্রসারণ, বাংলাদেশ থেকে কানাডায় রপ্তানি বৃদ্ধি এবং কানাডার পণ্যের বাংলাদেশে রপ্তানি ও বাজার সম্প্রসারণে যৌথভাবে কাজ করার একটি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেছে। পাশাপাশি, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং উভয় চেম্বারের সদস্যদের মধ্যে ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে।

সমঝোতা স্মারকে BBCC-এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব ফেরদৌস আহমেদ এবং CanCham Bangladesh-এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট জনাব মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন।

স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন CanCham Bangladesh-এর ট্রেজারার জনাব আলী বখতিয়ার মাহমুদ এবং বাংলাদেশ টেরি টাওয়েল অ্যান্ড লিনেন ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট জনাব এম. শাহাদাত হোসেন সোহেল।

এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে উভয় চেম্বার বাংলাদেশ ও কানাডার বাজারে ব্যবসায়িক সুযোগ অনুসন্ধানে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা করার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছে।

CanCham Bangladesh সম্পর্কে কানাডা-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (CanCham Bangladesh) বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে ব্যবসায়িক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে।

BBCC সম্পর্কে বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার অব কানাডা (BBCC) বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগ, বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে কাজ করে।


গুলশানে উদ্বোধন হলো গোল্ড কিনেন-এর প্রথম এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কর্পোরেট ডেস্ক

গোল্ড কিনেন-এর প্রথম এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে রাজধানীর গুলশানে। বাংলাদেশের প্রথম ও ১ নম্বর গোল্ড সঞ্চয় অ্যাপ গোল্ড কিনেন-এর এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রাহকরা এখন সরাসরি গোল্ড বার ও কয়েন দেখতে, গোল্ড সঞ্চয় সম্পর্কে জানতে এবং তাৎক্ষণিকভাবে পণ্য ও ভাউচার ক্রয় করতে পারবেন।

গুলশান এভিনিউতে, ‘এলিগ্যান্ট স্কয়ার’ ভবনের নিচতলায় (বাড়ি নং ৩/বি, রোড ১১১) অবস্থিত এই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারে রয়েছে গোল্ড কিনেন-এর সম্পূর্ণ ২২ ক্যারেট, হলমার্কড ও সার্টিফাইড গোল্ড বার ও কয়েনের সংগ্রহ। এর মধ্যে রয়েছে ০.৫, ১, ৫ ও ১০ গ্রামের গোল্ড বার এবং ২ ও ৪ গ্রামের গোল্ড কয়েন। সব পণ্যই তাৎক্ষণিকভাবে ক্রয়ের জন্য উপলব্ধ।

এই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার গোল্ড কিনেন-এর অ্যাপভিত্তিক সেবার পাশাপাশি সরাসরি পণ্য দেখার ও জানার সুযোগ তৈরি করেছে। এখানে আগত গ্রাহকরা পণ্যগুলো দেখে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী ক্রয় করতে পারবেন। পাশাপাশি গোল্ড কিনেন অ্যাপের মাধ্যমে কীভাবে গোল্ড সঞ্চয় করা যায় এবং প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য সেবা কীভাবে কাজ করে, সে সম্পর্কেও জানতে পারবেন। যারা ইতোমধ্যে অ্যাপে গোল্ড সঞ্চয় করছেন, তাদের জন্য এটি নিজেদের সঞ্চয়ের লক্ষ্যকে বাস্তবে দেখার সুযোগ। আর যারা প্রথমবার গোল্ড কিনেন সম্পর্কে জানতে চান, তারা ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পণ্য ও সেবা সম্পর্কে ধারণা নিতে পারবেন।

ব্যক্তিগত সংগ্রহ, বিশেষ উপলক্ষ কিংবা কর্পোরেট উপহারের জন্য এই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার থেকে হলমার্কড সার্টিফাইড গোল্ড বার ও কয়েন তাৎক্ষণিকভাবে ক্রয় করা যাবে। পাশাপাশি, এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার উদ্বোধনের সঙ্গে নতুনভাবে চালু হচ্ছে গোল্ড ভাউচার, যা সেন্টার থেকেই ক্রয় করা যাবে। গোল্ড উপহার দেওয়ার আরও একটি সুবিধাজনক উপায় হিসেবে এই ভাউচার ব্যবহার করা যাবে। প্রাপক গোল্ড কিনেন অ্যাপের মাধ্যমে ভাউচারটি রিডিম করতে পারবেন এবং রিডিম করার দিনের অফিসিয়াল বাজারমূল্য অনুযায়ী গোল্ডের পরিমাণ নির্ধারিত হবে।

প্রযুক্তির মাধ্যমে গোল্ড সঞ্চয়কে আরও সহজলভ্য করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে গোল্ড কিনেন। এই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার সেই লক্ষ্যকে আরও বিস্তৃত করেছে। এখানে আগত গ্রাহক যারা গোল্ড ক্রয় করতে চান, পণ্যের সংগ্রহ দেখতে চান, গোল্ড সঞ্চয় সম্পর্কে জানতে চান কিংবা গোল্ড কিনেন-এর সেবা সম্পর্কে আরও বুঝতে চান সবার জন্যই এই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।


banner close