মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
৩০ চৈত্র ১৪৩২

আরও ১৬টি দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত ইসির

আপডেটেড
৮ নভেম্বর, ২০২৫ ২৩:০৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ৮ নভেম্বর, ২০২৫ ২৩:০৯

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আরও ১৬টি দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

শনিবার ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর নিবন্ধনের বিষয়ে দাবি-আপত্তি থাকলে ১৫ দিনের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তির আলোকে নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির আবেদনসমূহ যথাযথভাবে যাচাই বাছাই শেষে এ সংক্রান্ত নীতিমালার ৪.৪ (ক) অনুচ্ছেদের আলোকে বর্ণিত ১৬টি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে কারো কোন দাবি/আপত্তি/অভিযোগ থাকলে তা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ১৫ (পনের) কার্যদিবসের মধ্যে অর্থাৎ আগামী ২৭ নভেম্বরের মধ্যে সিনিয়র সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, আগারগাঁও, ঢাকা বরাবর লিখিতভাবে জানানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

পর্যবেক্ষক সংস্থা হিসেবে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধনযোগ্য বেসরকারি সংস্থাসমূহের তালিকা হল: এসো জাতি গড়ি (এজাগ), নেত্রকোনা সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এনএসডিও), ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দি রুরাল পুওর- ডরপ, হেল্প সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন, কেরানীগঞ্জ হিউম্যান রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি, দীপ্ত মহিলা উন্নয়ন সংস্থা (ডিএমইউএস), রুরাল ইকোনমিক সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (রেসডো), রাসটিক, বাঁচতে শেখা, পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর সোস্যাল এডভান্সমেন্ট (পাশা), ইন্টারন্যাশনাল আসফ লিগ্যাল এইড ফাউন্ডেশন, মানব উন্নয়ন কেন্দ্র (মউক), বাংলাদেশ সোসাইটি ফর দ্যা চেঞ্জ এন্ড অ্যাডভোকেসি নেক্সাস (বি-স্ক্যান), যুব একাডেমি, এসডিএস (শরীয়তপুর ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি) ও উইমেন এন্টারপ্রিনিয়ার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।

এর আগে গত ৬ নভেম্বর ৬৬টি দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে নিবন্ধন দিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেয় ইসি। তখন ১৬টি সংস্থার বিষয়ে দাবি-আপত্তি জানতে চেয়ে ১৫ কার্যদিবস সময় দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার কথা জানিয়েছিল ইসি।

এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য ৭৩টি স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রাথমিক তালিকা নির্ধারণ করে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন। দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ৬৬ দেশি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় ইসি।


শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি

আপডেটেড ১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৬
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের উপনির্বাচনে নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য শপথ নিয়েছেন। তাদেরকে শপথ পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে শেরপুর-৩ আসন থেকে বিজয়ী মাহমুদুল হক রুবেল এবং বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে বিজয়ী রেজাউল করিম বাদশাকে শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার। শপথ গ্রহণ শেষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা রীতি অনুযায়ী শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসনে জয়ী হয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পরে তিনি আসনটি ছেড়ে দিলে গত ৯ এপ্রিল সেখানে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে, শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচনের আগে একজন প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় তৎকালীন ভোট গ্রহণ স্থগিত করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরবর্তীতে নতুন তফশিলে গত ৯ এপ্রিল সেখানে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।


শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শেরপুর জেলা প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের ভোটগ্রহণ চলছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ; একটানা চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

এ আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতের মাসুদুর রহমান এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মাকসবাদী) প্রার্থী মিজানুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত আসনটিতে ১২৮টি ভোটকেন্দ্র এবং ৭৫১টি ভোট কক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এরমধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ২৭টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও সাধারণ ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৬৯টি।

নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনীসহ পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা নির্বাচনী এলাকায় টহল দিচ্ছেন বলে জানান জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ।

জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি এ আসনের নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।


বগুড়া-৬ উপনির্বাচন, ভোট দিলেন বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বগুড়া জেলা প্রতিনিধি

বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের প্রার্থীরা সকালে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে শহরের শিববাটি হাসনা জাহান বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা।

এর আগে সকাল পৌনে ৮টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল শহরের জামতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন।

ভোট দেওয়ার পর রেজাউল করিম বাদশা সাংবাদিকদের বলেন, এটি উন্নয়নের নির্বাচন। উন্নয়নের স্বার্থে আমি ভোটারদের কেন্দ্রে এসে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

আসনটি শূন্য হওয়ায় এ উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনে বিএনপির রেজাউল করিম বাদশা, জামায়াতে ইসলামীর আবিদুর রহমান সোহেল এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির আল আমিন তালুকদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, নির্বাচনকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালন করছেন দুজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। ভোটগ্রহণে নিয়োজিত রয়েছেন ২ হাজার ৬৫৫ জন কর্মকর্তা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোতায়েন করা হয়েছে ১ হাজার ৩৮২ জন পুলিশ সদস্য, প্রায় ২ হাজার আনসার সদস্য, ৮ প্লাটুন বিজিবি ও ১০ প্লাটুন র‍্যাব। পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও ডগ স্কোয়াডও রয়েছে।

মোট ১৫১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৩টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১৯ হাজার ৯২৩ জন, নারী ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৭৪ জন এবং হিজড়া ভোটার ১০ জন। ২১টি পৌর ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনে কেন্দ্র রয়েছে ১৫০টি এবং বুথের সংখ্যা ৮৩৫টি। এর মধ্যে ৭৮৭টি স্থায়ী ও ৪৮টি অস্থায়ী বুথ।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ফজলুল করিম বলেন, ভোটের দিন ও পরবর্তী সময়েও বিজিবি সদস্যরা মাঠে টহলে থাকবেন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সব ধরনের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে।


স্থানীয় নির্বাচনেও থাকছে না ইভিএম

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে ১১তম কমিশন সভা শেষে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

আখতার আহমেদ বলেন, “লোকাল গভমেন্ট ইলেকশনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে কিনা— সে ব্যাপার কমিশনের নীতিগত সিদ্ধান্ত হচ্ছে ‘না’।”

বিভিন্ন সময় ইভিএম নিয়ে যেই প্রশ্ন উঠেছিল যেমন ইভিএম-এ কারচুপি করা যায় সেটি কি আপনারা কোনও তদন্ত করছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ইভিএম ব্যবহারের ব্যাপারে বলেছি যে জাতীয় নির্বাচনে এটা ব্যবহার হয়নি এবং স্থানীয় সরকারের নির্বাচন নিয়ে আমাদের এখনও পর্যন্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত হচ্ছে ‘না’। এখানে দুর্নীতি দমন কমিশন একটা বিষয়ে তদন্ত করছে। অডিট ডিপার্টমেন্টে থেকে একটা করা হয়েছে। আপনারা জানেন যে জাতীয় পর্যায়ের তিনটি নির্বাচন নিয়ে যে পর্যালোচনা চলছে। যে জিনিসগুলো পর্যালোচনার ভেতরে আছে— সে বিষয়ে আমার কথা বলাটা বোধহয় সমীচীন হবে না।”

এই ‘মরা হাতি’ (ইভিএম) আর কতদিন টানবেন? কোনো টাইমলাইন আছে? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, “আপাতত আমার কাছে টাইমলাইন নেই। টাইমলাইন দিতে পারলে তো আমি সবচাইতে খুশিই হতাম। আমি যদি বলতাম আগামী এতদিনের ভেতরে এটা হবে তাহলে তো আমার জন্য সবচাইতে ভালো হতো। এখন আমি অফ দ্য পকেট কিছু বলতে পারবো না। ইভিএম-এর পেছনে আমাদের যে সংরক্ষণ ব্যয় তার অ্যাকাউন্টিংটা করা নেই।”

আপনারা কেন ইভিএম ব্যবহার থেকে সরে আসছেন, আপনারা কি মনে করেন যে ইভিএম কোনও ত্রুটি আছে— এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, “তিনটি তদন্ত কমিশনের অবজারভেশন আসছে, তারপরে আমরা দেখবো। অতীতেও বলেছি যে, জাতীয় নির্বাচনের সময় যে জিনিসের প্রতি সবার অনাস্থা সেটা নিয়ে কেন আমরা চর্চা করবো।”


সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ১২ মে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট আগামী ১২ মে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এ লক্ষ্যে আগামী ৮ এপ্রিল তফসিল ঘোষণা করা হবে।

সোমবার (০৬ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।


শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে স্থগিত হওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১৬ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করেছে নির্বাচন কমিশন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) ময়মনসিংহ ৩৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী বিজিবি সদস্যরা মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে নির্বাচনের আগের ৫ দিন, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচনের পরবর্তী ২ দিন অর্থাৎ আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত টহল পরিচালনাসহ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত থাকবেন।

বিজিবির ময়মনসিংহ সেক্টরের তত্ত্বাবধানে এবং ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) এর ব্যবস্থাপনায় ইতোমধ্যে ১৬ প্লাটুন বিজিবি সদস্য শেরপুর জেলার শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় ৪টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে নির্বাচনি দায়িত্ব পালন শুরু করছেন।

শেরপুর-৩ আসনটি সীমান্তবর্তী হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবির উপস্থিতি জোরদার করা হয়েছে। এছাড়াও সীমান্তে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যরা নির্বাচনি এলাকায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করছেন।

উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুজনিত কারণে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী আগামী ৯ এপ্রিল এ আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।


বগুড়া ও শেরপুরের ভোটে নামছেন ২০ ম্যাজিস্ট্রেট

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন বগুড়া-৬ উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের ভোটকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের মাঠে যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা রোধ ও আচরণবিধি নিয়ন্ত্রণে এবার ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিয়েছে ইসি।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, আগামী ৯ এপ্রিল এই দুই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনি এলাকায় অপরাধের তাৎক্ষণিক বিচার ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য ভোটের চার দিন আগে অর্থাৎ ৫ এপ্রিল থেকে মাঠে নামবেন ম্যাজিস্ট্রেটরা। নির্বাচনের পরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত মোট সাত দিন তারা সক্রিয় থাকবেন।

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩: প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় ১০ জন করে মোট ২০ জন নির্বাহী হাকিম দায়িত্ব পালন করবেন।

‎মোবাইল কোর্ট: ‘মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯’ এর আওতায় আচরণবিধি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে তারা সরাসরি ব্যবস্থা নেবেন।

স্ট্রাইকিং ফোর্স: বিজিবিসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সাথে সমন্বয় করে শান্তি বজায় রাখবেন তারা।

নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, স্থানীয় চাহিদা, ভোটকেন্দ্রের অবস্থান ও সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা কম-বেশি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে রিটার্নিং অফিসার সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

উল্লেখ্য, এর আগে ৪ মার্চ থেকে আচরণবিধি পর্যবেক্ষণে প্রতি উপজেলায় ২ জন করে ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করলেও ভোটের মূল লড়াইয়ে এই সংখ্যা বাড়ানো হলো।


৯ এপ্রিল বগুড়া ও শেরপুরে সাধারণ ছুটি ঘোষণা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন উপ-নির্বাচন ও শূন্য আসনের ভোটগ্রহণ উপলক্ষে আগামী ৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ এবং শেরপুর-৩ নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইতিমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন বিষয়টি জানিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ শূন্য আসনের নির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে।ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং কর্মজীবী মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্যই এই ছুটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন নির্বাচনী এলাকার সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠান/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারী কর্তৃক স্ব স্ব ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে নির্বাচনি এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা প্রয়োজন।

চিঠিতে আরো বলা হয়, ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণের দিন সংশ্লিষ্ট এলাকার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা আবশ্যক। সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারির জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছে কমিশন।

উল্লেখ্য, নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে এবং সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে ইসি নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, যার অংশ হিসেবে এই বিশেষ ছুটির ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।


শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শেরপুর জেলা প্রতিনিধি

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনে বৈধ প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে।

রোববার (১৫ মার্চ) সকালে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দ করেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।

এ সময় জামায়াত প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান মাসুদের মাঝে প্রতীক হিসেবে দাঁড়িপাল্লা বিতরণ করা হয়। এর আগে বিএনপি প্রার্থী মো. মাহমুদুল হক রুবেলকে ধানের শীষ ও বাসদ (মার্কসবাদী) প্রার্থী মিজানুর রহমানের মাঝে কাঁচি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এ নির্বাচনে মোট পাঁচজন বৈধ প্রার্থী থাকলেও তাদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ায় মোট তিনজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাতিল হয়। পরে আগামী ৯ এপ্রিল এ আসনে নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তফসিল ঘোষণা করে ইসি।


ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামুনুল হক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন ঢাকা-১৩ আসনের জামায়াত জোটের প্রার্থী মামুনুল হক। বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন একক হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে।

এ আসনে জয়ী হয়েছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। বর্তমানে তিনি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে ২৫ এর বেশি প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। শুনানির জন্য আবেদনগুলো আমলে নিয়ে ওইসব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনি অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন।

হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় এ বেঞ্চে অন্যান্য দেওয়ানি এখতিয়ারের সঙ্গে দেখা যায়, ‘২০০১ ইং সনের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ ইং সনের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ মোতাবেক ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র; যেসব বিষয় এই বেঞ্চে স্থানান্তরিত হইবে এবং উপরোল্লিখিত বিষয়াদি সংক্রান্ত রুল, আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করিবেন।’


দুই আসনের উপ-নির্বাচন: ১৬ মার্চ থেকে পুরোদমে প্রচারণায় নামছেন প্রার্থীরা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। আগামী ১৬ মার্চ প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষণা অনুযায়ী, প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণার জন্য মোট ২৩ দিন সময় পাচ্ছেন, যা ১৬ মার্চ থেকে শুরু হয়ে আগামী ৭ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চলবে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে কমিশন ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

শেরপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। এই আসনে বিএনপি থেকে মো. মাহমুদুল হক রুবেল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল তালেব মো. সাইফুদ্দিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মো. আমিনুল ইসলাম মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এই আসনের একজন বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছিল। বর্তমানে এই আসনে বাছাই কার্যক্রম শেষে আপিল গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

অন্যদিকে, বগুড়া-৬ আসনটি উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক গুরুত্ব বহন করছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছিলেন। তবে আইন অনুযায়ী একাধিক আসন রাখার সুযোগ না থাকায় তিনি ঢাকা-১৭ আসনটি নিজের জন্য রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ফলে শূন্য ঘোষিত এই আসনে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই লড়াইয়ে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন মো. রেজাউল করিম বাদশা এবং তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার মাঠে রয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা ইতোমধ্যে তাঁদের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের কাজ শেষ করেছেন।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ১১ মার্চ আপিল নিষ্পত্তি করা হবে এবং মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ধার্য করা হয়েছে ১৪ মার্চ। ১৫ মার্চ প্রতীক বরাদ্দের পরদিন থেকেই প্রার্থীরা পূর্ণাঙ্গ প্রচারণায় নামতে পারবেন। সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আগামী ৯ এপ্রিল এই দুই আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) বা ব্যালটের মাধ্যমে (কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল বিরাজ করছে যে, গুরুত্বপূর্ণ এই দুই আসনে শেষ পর্যন্ত জয়ের মালা কার গলায় ওঠে। ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনী এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।


দলীয় প্রতীকে সিটি নির্বাচন হবে কিনা, তা নির্ধারিত হবে সংসদে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর । ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দলীয় প্রতীকে সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে কী না, তা জাতীয় সংসদে নির্ধারিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ৬ সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসকদের দায়িত্বগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

করপোরেশনগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, ‘সিটি করপোরেশনগুলোতে যেহেতু সরকারি কর্মকর্তারা দায়িত্বশীল ছিলেন, আমরা মনে করছি যে এখানে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা থাকলে জনগণের সেবা বেশি পাবে এবং ভালোভাবে পাবে। এটা আমাদের বিশ্বাস আর কী।‘সেই কারণেই আমরা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছি। এতে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়বে’ বলেও মনে করেন তিনি।

মেয়াদ অনুযায়ী ধাপে ধাপে সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সেই প্রস্তুতি সরকার ও নির্বাচন কমিশনের রয়েছে।’


বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচন ৯ এপ্রিল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী ৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ এবং শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার নির্বাচন ভবন থেকে এই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। সাংবিধানিক এই সংস্থাটি আজই নির্বাচনের বিস্তারিত তফসিল প্রকাশ করবে। মূলত একটি আসনে জয়ী প্রার্থীর আসন ছেড়ে দেওয়া এবং অন্যটিতে বৈধ প্রার্থীর আকস্মিক মৃত্যুর কারণে এই দুটি সংসদীয় এলাকায় পুনরায় ভোটের আয়োজন করা হচ্ছে।

বিগত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ এই দুটি আসন থেকেই নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকা-১৭ আসনটির প্রতিনিধিত্ব করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে কমিশনকে অবহিত করেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী ওই দিন থেকেই বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য হয়ে যায়। ফলে জাতীয় সংসদের এই গুরুত্বপূর্ণ আসনটিতে পুনরায় নির্বাচন আয়োজন করা এখন কমিশনের জন্য আইনি দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের পরিস্থিতি ছিল কিছুটা ভিন্ন। সেখানে নির্বাচনের আগেই গত ৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে কিডনিজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল। কোনো বৈধ প্রার্থীর মৃত্যুর ফলে আরপিও অনুযায়ী ওই আসনের সাধারণ নির্বাচন স্থগিত রাখা হয়েছিল। স্থগিত হওয়া সেই সংসদীয় এলাকায় এখন নতুন করে নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করা হলো। ৯ এপ্রিলের এই ভোটে সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটাররা তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পাবেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সামগ্রিক চিত্রে দেখা যায়, ২৯৭টি আসনের ফলাফলে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। জোটের শরিকদের ৩টি আসন মিলিয়ে বর্তমানে সরকারি দলের মোট আসন সংখ্যা ২১২। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ৭৭টি আসন পেয়ে সংসদে প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা লাভ করেছে। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৭টি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আসনে জয়ী হয়েছে। আগামী ৯ এপ্রিলের উপনির্বাচন শেষে সংসদের চূড়ান্ত আসন বিন্যাস পূর্ণতা পাবে। এই নির্বাচনের মাধ্যমে স্থগিত ও শূন্য হওয়া দুটি আসনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে।


banner close