বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৩০ মাঘ ১৪৩২

বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছাবে: সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১০:২৪

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, বাংলাদেশ গণতন্ত্রের যে পথে যাত্রা শুরু করেছে, সেই ট্রেনটি সফলভাবে গন্তব্যে পৌঁছাবে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন হাইস্কুল কেন্দ্রে ভোটদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সিইসি মনে করেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর দেশে একটি অংশগ্রহণমূলক ও উৎসবমুখর নির্বাচনি পরিবেশ তৈরি হয়েছে যা গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতাকে আরও সুসংহত করবে।

নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে তাঁর গৃহীত কঠোর পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে সিইসি জানান, ভোটগ্রহণের আগের দিন তিনি দেশের অধিকাংশ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন। তিনি তাঁদের স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন যে, প্রশাসনের কোনো স্তরেই কারো প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করা যাবে না। সিইসি বলেন, কেবল নিজে নিরপেক্ষ থাকলেই হবে না, বরং তাঁদের চারপাশে দায়িত্বরত সকলকেও নিরপেক্ষ রাখতে হবে যাতে ভোটারদের আস্থা অটুট থাকে। জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়াকে তিনি তাঁর জীবনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেছেন বলে মন্তব্য করেন।

বর্তমান ডিজিটাল যুগে তথ্য প্রবাহের চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সিইসি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ভিডিও এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই’ প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা বিভ্রান্তিকর ছবি নির্বাচনি প্রক্রিয়ার জন্য একটি বড় হুমকি। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই ধরণের অপপ্রচারের অনেকগুলোই সীমান্তের ওপার থেকে পরিচালিত হচ্ছে, যা নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন। এ পরিস্থিতিতে তিনি সাধারণ মানুষকে মূলধারার গণমাধ্যমের ওপর আস্থা রাখার অনুরোধ জানান এবং যেকোনো তথ্য প্রচারের আগে তার সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানান।

সিইসি যে আসনে ভোট দিয়েছেন সেই ঢাকা-৮ আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৭৫ হাজার ৪৭১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৫ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ২২ হাজার ৬৭৫ জন। সকাল থেকেই এই আসনসহ রাজধানীর বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দেশব্যাপী এই ঐতিহাসিক ভোটগ্রহণ ও জাতীয় সনদের ওপর গণভোট শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অনন্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালুর পর এবারই সর্বোচ্চ ৫০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল এবং স্বতন্ত্রসহ মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী নির্বাচনি ময়দানে লড়ছেন। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর অংশগ্রহণে এই ব্যালট যুদ্ধ দেশ ও আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, একটি অবাধ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন করতে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।


আগামীতে ১১ দলীয় ঐক্যজোট সরকার গঠন করবে: কর্নেল অলি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম-১৪ আসনের চন্দনাইশ সদর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

ভোট প্রদান শেষে দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আগামীতে ১১-দলীয় ঐক্যজোট সরকার গঠন করবে।’ চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার মানুষ চূড়ান্ত বিচারে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে বলে তিনি এ সময় মন্তব্য করেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচনী এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোনো কেন্দ্র দখলের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। গত তিন দিন ধরে নির্বাচনী এলাকাগুলোতে মোটামুটি শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে।’

তবে এ সময় তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন। তাঁর ভাষ্যমতে, বিভিন্ন গ্রামে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী জসিমের পক্ষ থেকে টাকা বিতরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং এ ঘটনায় জড়িত অনেককে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে। চট্টগ্রাম-১৪ আসনের প্রেক্ষাপট ও নিজের ছেলে ওমর ফারুকের প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম-১৩ ও ১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া) এলাকার প্রেক্ষাপটে ১১ দল সমর্থিত এলডিপির প্রার্থী ওমর ফারুক বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন। সাধারণ মানুষ ওমর ফারুকের সঙ্গে বেইমানি করবে না।’ ভোটারদের প্রলোভনের ঊর্ধ্বে থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘তারা (ভোটাররা) হয়তো অন্য পক্ষ থেকে টাকা নিতে পারে, কিন্তু ভোট দেওয়ার সময় সঠিক সিদ্ধান্তই নেবেন।’ দেশে একটি সুসংহত প্রশাসন গড়ে তোলার স্বার্থে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা অপরিহার্য বলে এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ মনে করেন।


নিজে ভোট দিয়ে ট্রাক মার্কায় ভোট চাইলেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য এবং একসময়ের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী আজ বৃহস্পতিবার নিজ কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। তবে এবারের নির্বাচনে তিনি দলীয় প্রতীকে ভোট দিতে পারেননি, কারণ তথ্য গোপন ও ঋণখেলাপির দায়ে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। প্রার্থিতা হারানোর পর এবং দল থেকে বহিষ্কারের মতো নাটকীয় পরিস্থিতির মধ্যেই তিনি ভোট প্রদান শেষে প্রকাশ্যে গণ অধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী জসিম উদ্দিনের পক্ষে ভোট চেয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন।

ভোট প্রদানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পৃথক দুটি পোস্টে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নিজেকে ‘দেবিদ্বারের মাটি ও মানুষের নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, তিনি নিজে কেন্দ্রে গিয়ে ট্রাক মার্কায় ভোট দিয়েছেন এবং দেবিদ্বারের সাধারণ ভোটারদের প্রতিও একই প্রতীকে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। মূলত ধানের শীষের প্রার্থী না থাকায় তিনি এই বিকল্প অবস্থানে গিয়ে নিজের রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করছেন বলে স্থানীয়রা মনে করছেন। তবে নির্বাচন থেকে ছিটকে পড়ার পাশাপাশি বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে তিনি বর্তমানে দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন।

সম্প্রতি মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর একটি ৫৩ সেকেন্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়, যা নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ওই ভিডিওতে তাঁকে ভোটারদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায় যে, ক্ষমতায় বিএনপি এলে এবং কেউ অন্য প্রতীকে ভোট দিলে তাঁদের ছাড় দেওয়া হবে না, এমনকি ঘরবাড়ি পুড়িয়ে ছারখার করে দেওয়ার হুমকিও প্রদান করেন তিনি। এই উসকানিমূলক বক্তব্যের জেরে গত মঙ্গলবার রাতে তাঁকে বিএনপির সকল পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। একই ঘটনায় গত বুধবার তাঁকে কুমিল্লার নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে হয়েছে। জ্যেষ্ঠ সিভিল জজ তাফরিমা তাবাসুমের সামনে হাজির হয়ে তাঁর আইনজীবী দাবি করেন যে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই’ প্রযুক্তির মাধ্যমে এডিট করা এবং তাঁর মক্কেল এমন কোনো মন্তব্য করেননি।

মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী এই ভিডিওর জন্য তাঁর প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর সমর্থকদের দায়ী করেছেন। অন্যদিকে হাসনাত আবদুল্লাহর দাবি, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী মনোনয়ন হারানোর পর থেকেই নিয়মিতভাবে ভোটার এবং প্রতিদ্বন্দ্বীদের নিয়ে অশালীন ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে আসছেন, যা নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এই আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলও এখন প্রকাশ্যে। মঞ্জুরুল আহসান বহিষ্কার হওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ও চাচাতো ভাই এএফএম তারেক মুন্সীর অনুসারীরা এলাকায় আনন্দ প্রকাশ করছেন। তারেক মুন্সী জানান, মঞ্জুরুল আহসানের বিতর্কিত অবস্থান দলের অপূরণীয় ক্ষতি করেছে।

সব মিলিয়ে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী বর্তমানে এক কঠিন রাজনৈতিক ও আইনি চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দাবি করেছেন, একটি শক্তিশালী চক্র তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে মনোনয়নপত্র বাতিল ও দল থেকে বহিষ্কার করিয়েছে। তাঁর মতে, অনেক ঋণখেলাপি প্রার্থী উচ্চ আদালত থেকে প্রার্থিতা ফিরে পেলেও তাঁকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই আজ তাঁর ভোট প্রদান এবং ট্রাক প্রতীকের পক্ষে অবস্থান নেওয়া দেবিদ্বারের নির্বাচনী সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলেছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় বর্তমানে শান্তি বজায় রাখতে এবং যেকোনো সহিংসতা রুখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে।


ভোটকেন্দ্রে কাবিলার সাথে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর কুশল বিনিময়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি চলচ্চিত্র অঙ্গনের তারকারাও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা-৮ আসনের অন্তর্গত রাজধানীর আরামবাগ ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে যান প্রখ্যাত খল ও কৌতুক অভিনেতা নজরুল ইসলাম শামীম ওরফে কাবিলা। সেখানে সংশ্লিষ্ট আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর সঙ্গে তার আকস্মিক সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, প্রিয় অভিনেতাকে কাছে পেয়ে প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত হয়ে এগিয়ে যান এবং তাঁর নিকট ভোট প্রার্থনা করেন, যার উত্তরে এই অভিনেতা হাসিমুখে ইতিবাচক সাড়া দেন।

কণ্ঠনালীর সমস্যার কারণে রুপালি পর্দায় বর্তমানে কিছুটা অনিয়মিত হলেও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেতার ভোটকেন্দ্রে সরব উপস্থিতি ভক্ত ও সাধারণ ভোটারদের মাঝে বিশেষ উদ্দীপনা সৃষ্টি করে। কুশল বিনিময় শেষে তাঁরা উভয়েই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যান। উল্লেখ্য যে, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় সাধারণ ভোটাররা সার্বিক পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলমান এই নির্বাচনে ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাপক নিরাপত্তা ও উৎসাহের মধ্য দিয়ে ভোটাররা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার পালন করছেন।


আমরা প্রচুর মাইর খেয়েছি, এবার মাইর দেব : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা-৮ আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর শাহজাহানপুরে মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা প্রচুর মাইর খেয়েছি, এখন আর মাইর খাব না, মাইর দেব।" দীর্ঘমেয়াদী লড়াইয়ের মানসিকতা ব্যক্ত করে তিনি আরও যোগ করেন, "আমরা টেস্ট ম্যাচ খেলতে নেমেছি, খেলায় থাকবেন, খেলা থেকে উঠবেন না।"

শাপলা কলি প্রতীকের বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন শক্তির মেরুকরণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, "শাপলা কলির বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ, লাঙ্গল, ধানের শীষ ও ভারত মিলেমিশে একাকার হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।" ভোটারদের ভীতি প্রদর্শনের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি মন্তব্য করেন যে, "ভোটাররা আমাদের প্রতীক শাপলা কলি মার্কায় ভোট দিচ্ছেন। সারাদেশেই একই অবস্থা। এ কারণে এনসিপির ভোটারদেরকে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। যতই ভয় দেখানো হোক জামায়াত ইসলামের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট এই নির্বাচন করবে এবং সরকার গঠন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছি।"

দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, "সরকার গঠন করার পরে চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবাজদের এদেশ থেকে বের করা হবে। চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবাজদের এদেশের ঠাঁই হবে না। আমরা চাঁদাবাজদের হাড় ভেঙে দেবো।" প্রতিকূল পরিস্থিতির মাঝেও তিনি এনসিপির জয়লাভ এবং জোটবদ্ধ সরকার গঠনের ব্যাপারে পূর্ণ দৃঢ়তা ব্যক্ত করেন।


নওগাঁয় নারী ভোটারদের দীর্ঘ লাইন, ভোট দিতে পেরে উচ্ছ্বাসিত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নওগাঁ প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই নওগাঁর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের ভিড় দেখা গেছে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দীর্ঘ হতে থাকে ভোটারদের সারি।

তবে সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ভোটারদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেয়ার অপেক্ষা করতে দেখা যায়। পুরুষ ভোটারদের পাশাপাশি মহিলা ভোটারদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। ভোট দিতে পেরে তারাও উচ্ছ্বসিত।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার সরকারি মডেল পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে বেলা ১১টায় নারীদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।

এ সময় ভোটারদের সাথে কথা হলে তারা জানান, দীর্ঘদিন পর উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারা তাদের জন্য আনন্দের। তাই সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে এসে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেয়ার পাশাপাশি গণভোটেও অংশ নিচ্ছেন তারা।

প্রথম ভোটার হিসেবে ভোট দিতে এসেছেন সুরাইয়া। তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো ভোট দিচ্ছি। আমার খুবই আনন্দ লাগছে। আগে কখনো ভোট দিইনি। এবার প্রথমবারের মতো ভোট দিচ্ছি। প্রথমবারেই একসাথে দুই ভোট দিলাম।যাকে যোগ্য মনে হচ্ছে, তাকেই ভোট দেব।

৩০ বছর বয়সী সুফিযা বেগম ভোট দিয়ে বলেন, এরআগের নির্বাচনে কেন্দ্রে ভোট দিতে আসলে দিতে পারিনি। আসলে বলা হতো আপনার ভোট হয়ে গেছে। এবারই প্রথম ভোট দিলাম কোন ধরনের সমস্যা ছাড়াই। ভোট দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। ভোটের পরিবেশ খুব ভালো আছে।

জেলা রিটার্নিং কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নওগাঁর ৬টি আসনে বিএনপি, জামাত, স্বতন্ত্রসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৩২ জন প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই ছয়টি আসনে ৭৮২টি ভোটকেন্দ্রে ৩ হাজার ১১০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ৬টি আসনে ভোটার রয়েছে ২৩ লাখ ২৯ হাজার ৫৯২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ১১ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ জন এবং নারী ভোটার রয়েছে ১১ লাখ ৬৯ হাজার ৮০৭ জন। এদের মধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে মোট ২১ জন।


ভোটকেন্দ্রে পাঁচতলায় ওঠার সময় অসুস্থ হয়ে যাত্রাবাড়ীতে ভোটারের মৃত্যু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা সংলগ্ন দনিয়া অগ্রদূত স্কুল ভোটকেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে মো. আবু সাঈদ সরকার (৫৩) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ১০টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের ছেলে মো. ফারহান ইসরাক নিঝুম জানান, মুগদার মানিকনগর এলাকার বাসিন্দা তাঁর বাবা আগে থেকেই হৃদরোগে ভুগছিলেন। ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, "আমার বাবা কাজলার দনিয়া অগ্রদূত স্কুলের কেন্দ্রে ভোট দিতে যান। ভোটকেন্দ্রের পাঁচতলায় ওঠার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আমার বাবা হার্টের রোগী ছিলেন, আগে তার দুবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল।"

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক অনাকাঙ্ক্ষিত এই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, "মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। আমরা জানতে পেরেছি, ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়ে সিঁড়িতেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।" মূলত ভোটকেন্দ্রের পাঁচতলায় সিঁড়ি বেয়ে ওঠার সময় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় সাঈদ সরকারের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহটি বর্তমানে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষিত রয়েছে।


গোপালপুরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভোট। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৭৭টি কেন্দ্রে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভোটার উপস্থিত হয়েছেন, নারী ভোটারের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টায় নলিন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু। বেলা ৯টায় দক্ষিণ পাথালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা হুমায়ূন কবির।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে বিকাল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। ভোটাররা বলেন, দীর্ঘদিন পর শান্তিপূর্ণ ভোট দেখে ভালো লাগছে। আমরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারছি।

মাওলানা হুমায়ূন বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রশাসন যদি নিরপেক্ষ নির্বাচন করে, জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। কোথাও কোথাও এজেন্টদের বের করে দেওয়ার খবর পেয়েছি। প্রশাসনের ভাইয়েরা যদি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন, আমি বিশ্বাস করি বিজয়ী হবো।

আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন, এটা অন্যরকম অনুভূতি, যা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। ১৭ বছর জেলে ছিলাম, ভোট হয়েছে কি হয় নাই জানি না। আজকে মানুষ সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে যাচ্ছে। ভোটকেন্দ্রে লাইন দেখে খুব ভালো লাগলো। আমি মনে করি, যত বেলা বাড়বে তত ভোটার উপস্থিতি বাড়বে। দীর্ঘদিন মানুষ ভোট দিতে পারেনি, এখন ভোট দিতে পারছে। আমি আশাবাদী, মানুষ আমাকেই ভোট দেবে।

নলিন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার ডা. গোলাম মোর্শেদ জানান, প্রথম ঘন্টায় প্রায় ৬০০ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি দেখে ভালো লাগছে।


পোলিং এজেন্টদের ভোট কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ তাসনিম জারার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা তাঁর পোলিং এজেন্টদের বিভিন্ন অজুহাতে ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর খিলগাঁও মডেল কলেজ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে এসে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে এই অভিযোগ করেন। তিনি জানান, নির্বাচনের শুরু থেকেই তাঁর পোলিং এজেন্টরা কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নানা ধরণের প্রতিবন্ধকতা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন, যা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায়।

তাসনিম জারা বলেন, সকাল থেকেই তাঁর এজেন্টদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে অথবা ভেতরে থাকা অবস্থায় বিভিন্ন ঠুনকো অজুহাতে বের করে দেওয়া হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন যে, কোনো কোনো কেন্দ্রে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা সম্পূর্ণ বানোয়াট নিয়ম বানিয়ে বলছেন যে পোলিং এজেন্টদের ওই নির্দিষ্ট কেন্দ্রের ভোটার হতে হবে, অথচ নির্বাচনি আইনে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এ ছাড়া পুরুষদের জন্য নির্ধারিত কেন্দ্রে তাঁর নারী এজেন্টদের দায়িত্ব পালনে বাধা দিয়ে বের করে দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

মোবাইল ফোন ব্যবহারের বিষয়টিকেও তাঁর এজেন্টদের বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন আলোচিত এই স্বতন্ত্র প্রার্থী। তিনি জানান, কোথাও বলা হচ্ছে মোবাইল নিয়ে কেন্দ্রে ঢোকাই যাবে না, আবার কোথাও বলা হচ্ছে ফোন বহন করা গেলেও তা কোনোভাবেই স্পর্শ করা যাবে না। এজেন্টদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার লক্ষে এমন বিভ্রান্তিকর ও অযৌক্তিক শর্ত আরোপ করা হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। জারা প্রশ্ন তোলেন যে, ভোটকেন্দ্রে ভোটাররা প্রবেশ করছেন এবং ভোটদান চলছে, কিন্তু প্রার্থীর বৈধ পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

এখন পর্যন্ত ঠিক কতটি কেন্দ্র থেকে এমন অভিযোগ পেয়েছেন জানতে চাইলে তাসনিম জারা বলেন, নির্দিষ্ট কোনো একটি কেন্দ্র নয় বরং আসনের অনেকগুলো কেন্দ্র থেকেই তাঁর কর্মীরা একই ধরণের সমস্যার কথা জানাচ্ছেন। এজেন্টদের অনুপস্থিতিতে ভোটের স্বচ্ছতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ জানালেও আশানুরূপ কোনো সমাধান পাচ্ছেন না বলে দাবি করেন।

উল্লেখ্য, ঢাকা-৯ আসনের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটারদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। তবে তাসনিম জারার মতো প্রার্থীর এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ নির্বাচনি পরিবেশে কিছুটা নেতিবাচক ছায়া ফেলেছে। নির্বাচনি এলাকায় বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন থেকে বারবার স্বচ্ছতার কথা বলা হলেও মাঠ পর্যায়ের এমন ঘটনা সাধারণ ভোটার ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। সব বাধা কাটিয়ে জনগণের প্রকৃত রায় নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।


হাতিয়ায় হান্নান মাসউদের স্ত্রীর ওপর হামলার অভিযোগ

আপডেটেড ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০০
নোয়াখালি জেলা প্রতিনিধি

নোয়াখালীর হাতিয়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসউদের স্ত্রী শ্যামলী সুলতানা জেদনীর ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জোড়খালী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী জেদনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে এই হামলার বিস্তারিত তথ্য জানান এবং তাঁর ওপর শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্বাচনি এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

শ্যামলী সুলতানা জেদনী অভিযোগ করেন, বুড়িরচর ইউনিয়নের আসাদিয়া ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি তাঁর ওপর হামলা চালায়। তিনি দাবি করেন, হামলাকারীরা রড দিয়ে তাঁকে আঘাত করেছে এবং তাঁর সাথে থাকা মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নিয়েছে। এ সময় তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাঁর দেবরকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। জেদনী এই হামলার জন্য স্থানীয় বিএনপি সমর্থকদের দায়ী করেছেন। বর্তমানে তিনি ওচখালী এলাকায় নিজ বাসভবনে চিকিৎসাধীন ও পর্যবেক্ষণে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। হাতিয়া ছাত্রশক্তির সদস্যসচিব আশিক এলাহী জানান, কেবল প্রার্থীর স্ত্রীর ওপর হামলা নয়, বরং বুড়িরচর, চর ঈশ্বর ও সোনাদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে তাঁদের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অনেক জায়গায় ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর মাধ্যমে নির্বাচনি পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা চলছে বলেও তাঁরা দাবি করেন। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারির অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ। বুড়িরচর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কাফি ফরাজি দাবি করেন, হান্নান মাসউদের স্ত্রী কেন্দ্র পরিদর্শন করে যাওয়ার সময় সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছে। একে ‘হামলা’ হিসেবে প্রচার করা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং রাজনৈতিকভাবে ভিত্তিহীন। তাঁর মতে, এলাকায় শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে এবং কোনো ধরনের শারীরিক সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি।

এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জানান, হান্নান মাসউদের স্ত্রীর ওপর হামলার বিষয়টি পুলিশের কানে পৌঁছেছে। তিনি ওচখালীতে গিয়ে ভুক্তভোগীর সঙ্গে দেখা করেছেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন। ওসি আরও জানান যে, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়নি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং ভোটগ্রহণ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে। স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।


ভোট জালিয়াতি ও নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের দায়ে পটুয়াখালীতে আটক ৩

ছবি : সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালে জাল ভোট প্রদানের চেষ্টার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পৌর শহরের খেপুপাড়া নেছারুদ্দিন কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হলেন তাওহীদ ইসলাম (১৪) ও সোহাগ সিকদার (৪৬)। এই বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা কাউছার হামিদ জানিয়েছেন, "তাদের দুজনকে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টায় আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।" কিশোর তাওহীদের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, "তবে বয়সে কিশোর হওয়ায় তাওহীদকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হতে পারে। এখনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি।"

অন্যদিকে, কুয়াকাটার ইসলামপুর দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোট প্রদানের গোপন কক্ষের ছবি তোলার অপরাধে বেলায়েত হোসেন (৪৬) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. শাহাদুল ইসলাম। নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে কলাপাড়া ও কুয়াকাটার বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে। বর্তমানে আটককৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


দায়িত্ব পালনকালে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ার অভিযোগে নারী আনসার সদস্য প্রত্যাহার

কেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার হওয়া আনসার সদস্য
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে একজন নারী আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটারদের কাছে নির্দিষ্ট 'দাঁড়িপাল্লা' প্রতীকে ভোট চাওয়ার অভিযোগ ওঠায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাইবান্ধা-৩ আসনের পলাশবাড়ী এ.এ.এস.বি.পি মহিলা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত শরিফা বেগম পলাশবাড়ী উপজেলা আনসার ভিডিপির সদস্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম জানান, "অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ওই নারী আনসার সদস্যকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।" তবে তিনি দাবি করেছেন যে, এই ঘটনার ফলে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের প্রভাব পড়েনি।

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও ভোট দিতে আসা সাধারণ ভোটারদের অভিযোগ অনুযায়ী, ওই আনসার সদস্য প্রকাশ্যে ভোটারদের একটি নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছিলেন, যা নজরে আসার পর উপস্থিতরা তীব্র প্রতিবাদ জানান। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অভিযুক্ত আনসার সদস্য দ্রুত কেন্দ্রের একটি কক্ষে আত্মগোপন করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্র এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে সাময়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে পুলিশ ও দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কঠোর অবস্থান নিয়ে ভোটার ছাড়া অন্যদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং পুনরায় স্বাভাবিক পরিবেশে ভোটগ্রহণ অব্যাহত থাকে।


আশুলিয়ায় গভীর রাতে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টা: সেনাবাহিনীর হাতে আটক ১৩

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের ঠিক আগের রাতে ঢাকা-১৯ আসনের আশুলিয়ায় পৃথক দুটি ভোটকেন্দ্রে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগে ১৩ জনকে আটক করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে সাভারের ধামসোনা ও নলাম এলাকার দুটি কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরবর্তীতে আটককৃতদের আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তারা পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং তাদের বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া যাচাই করা হচ্ছে।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম আজ বৃহস্পতিবার সকালে এই আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গভীর রাতে ধামসোনার নিউ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং নলাম এলাকার একটি ভোটকেন্দ্রের ভেতরে সন্দেহভাজন কিছু ব্যক্তির অবস্থানের খবর পেয়ে সেনাবাহিনী দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় নির্বাচনি শৃঙ্খলা ভঙ্গের প্রাথমিক অভিযোগে ১৩ জনকে আটক করা হয়। তবে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মামলা করা হয়নি, তবে আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনার জন্য বিষয়টি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আশুলিয়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটককৃতরা বর্তমানে থানা হাজতে রয়েছেন। তাদের পরিচয় এবং তারা কেন গভীর রাতে কেন্দ্রে প্রবেশ করেছিলেন, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। আশুলিয়া থানার ডিউটি অফিসার এসআই সায়মন জানিয়েছেন, সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাদের হস্তান্তরের পর থেকেই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নির্বাচনি এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে আশুলিয়া ও সাভারের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটের দিন ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কেন্দ্রে আসতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নির্বাচনি অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বর্তমানে নির্বাচনি এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সুশৃঙ্খলভাবে ভোটগ্রহণ চলছে।


মুন্সীগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণে বিঘ্নিত ভোটগ্রহণ

মুন্সীগঞ্জের মাকহাটি কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সদর উপজেলার মাকহাটি গুরুচরণ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে সংঘটিত এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে কেন্দ্রটিতে ভোট গ্রহণ ১৫ মিনিট বন্ধ রাখতে হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র মারফত জানা গেছে, মূলত ফুটবল ও ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে কেন্দ্রের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ১০-১২টি ককটেল বিস্ফোরিত হয়, যার ফলে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ ভোটাররা দিগ্বিদিক দৌড়াদৌড়ি শুরু করেন।

পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পর কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মো. তিতুমীর জানান, "১৫ মিনিট পর সকাল সোয়া ১০টা থেকে আবার কেন্দ্রটিতে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। এখন ভোট গ্রহণ চলছে।" ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম দ্রুত দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বর্তমানে কেন্দ্রটিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ওসি মমিন আলী। মূলত আধিপত্যের লড়াইয়ে সৃষ্ট এই অস্থিতিশীল পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে।


banner close
ad-close 20260212114028.jpg
ad-close 20260212113946.jpg