বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৩০ মাঘ ১৪৩২

পঞ্চগড়-১: ১৫৫ কেন্দ্রের মধ্যে ৮টির প্রাথমিক ফলাফলে এগিয়ে সারজিস আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:১০

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনের ১৫৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে মাত্র ৮টি কেন্দ্রের প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রাপ্ত এই আংশিক ফলাফলে ৮ হাজার ৮৪৭ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১১ দলীয় ঐক্য জোটের মনোনীত প্রার্থী সারজিস আলম। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নওশাদ জমির সংগ্রহ করেছেন ৭ হাজার ৮৩১ ভোট।

জেলা নির্বাচন অফিসের সরবরাহকৃত তথ্যানুযায়ী, পঞ্চগড় জেলার দুটি সংসদীয় আসনে এবার সর্বমোট ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং পুরো জেলায় ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২৮৬টি। এর মধ্যে পঞ্চগড়-১ আসনে ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৮০৭ জন ভোটারের বিপরীতে ১৫৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অন্যদিকে পঞ্চগড়-২ আসনে ৪ লাখ ১৪ হাজার ৩৫৬ জন ভোটারের বিপরীতে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৩১টি। কেন্দ্রভিত্তিক গণনা শেষে এখন পর্যায়ক্রমে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল সংকলনের কাজ চলমান রয়েছে।


পরাজয় বরণ করলেন পরওয়ার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৫ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার পরাজয় বরণ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনের প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগার (লবি) ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৫৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিয়া গোলাম পরওয়ার দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫৬ ভোট। মূলত ২ হাজার ৭০২ ভোটের ব্যবধানে এই আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন মোহাম্মদ আলি আসগার। ১৫০টি ভোটকেন্দ্র সম্বলিত এই আসনে মোট ৪ লাখ ২ হাজার ৭৯৮ জন ভোটার রয়েছেন। ফুলতলা ও ডুমুরিয়া উপজেলা এবং গিলাতলা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা নিয়ে গঠিত এই আসনে দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াই পরিলক্ষিত হয়েছে।


ফেনীর তিন সংসদীয় আসনেই ধানের শীষের আধিপত্য

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ফেনী জেলার তিনটি সংসদীয় আসনেই প্রাথমিক ও বেসরকারি ফলাফলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থীরা এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে সংগৃহীত তথ্যানুযায়ী এ চিত্র ফুটে উঠেছে।

ফেনী-১ আসনের মোট ১২১টি কেন্দ্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৬০টি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে, যেখানে বিএনপির রফিকুল আলম মজনু ৬৫ হাজার ৭১৫ ভোট পেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট এসএম কামাল উদ্দিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৮৪৯ ভোট। ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৬৫২ জন ভোটারের এই আসনে ৫৬ দশমিক ৪১ শতাংশ ভোটগ্রহণের তথ্য পাওয়া গেছে।

ফেনী-২ আসনে মোট ১৪৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ৬২টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন ৫৮ হাজার ১ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তাঁর বিপরীতে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ঈগল প্রতীকে সংগ্রহ করেছেন ৩১ হাজার ৯৮৩ ভোট। ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮ জন ভোটারের এই আসনে এখন পর্যন্ত ৪৯ দশমিক ০২ শতাংশ ভোট সংগৃহীত হওয়ার খবর মিলেছে।

এছাড়া ফেনী-৩ আসনের ১৬১টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৬টি কেন্দ্রের প্রাথমিক হিসেবে ধানের শীষের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ৫৪ হাজার ২৭৮ ভোট পেয়ে প্রথম অবস্থানে রয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর ডা. ফখরুদ্দিন মানিক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংগ্রহ করেছেন ৩৮ হাজার ৩২৬ ভোট। ৫ লাখ ৮ হাজার ১৯৪ জন ভোটারের এই আসনে ভোটগ্রহণের হার রেকর্ড করা হয়েছে ৫৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ। বর্তমানে অবশিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ফলাফল কেন্দ্রভিত্তিক গণনা শেষে পর্যায়ক্রমে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পৌঁছানোর অপেক্ষায় রয়েছে।


ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বেসরকারিভাবে বিজয়ী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিএনপির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় তার এই বিজয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে এদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারাদেশের মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে। সংসদীয় আসনের নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে দেশজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে সারাদেশ থেকে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: প্রাথমিক ফলাফলে রুমিন ফারহানার বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক এলাকা নিয়ে গঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ভোট গণনায় বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রাপ্ত ৪৫টি কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, রুমিন ফারহানা এখন পর্যন্ত ৩৮ হাজার ৮৩২টি ভোট পেয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিএনপি জোটের প্রার্থী এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব ২১ হাজার ৭৪১ ভোট পেয়ে বর্তমানে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। ৪৫টি কেন্দ্রের এই আংশিক ফলাফলে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায় প্রায় ১৭ হাজার ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। বর্তমানে অবশিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ফলাফল সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


জয়ের পথে ‘হ্যাঁ’ ভোট

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দেশজুড়ে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর ওপর অনুষ্ঠিত গণভোটে জনমতের পাল্লা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষেই ভারী দেখা যাচ্ছে। সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি আসনে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর এখন চলছে ফলাফল বিশ্লেষণের কাজ। বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত পাওয়া ফলাফলে অধিকাংশ ভোটার এই সনদের পক্ষেই রায় দিয়েছেন।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সংসদীয় আসনের ১০৬টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, সনদের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৬৯ হাজার ৩৪৭টি। এর বিপরীতে ‘না’ ভোট পড়েছে ১৯ হাজার ৯৪৫টি। উল্লেখ্য যে, এই ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ গণভোটে চূড়ান্তভাবে জয়ী হলে বাংলাদেশের সংবিধানে বড় ধরনের বেশকিছু সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়িত হবে। বর্তমানে সারাদেশ থেকে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল আসতে শুরু করেছে এবং প্রাথমিক উপাত্তগুলো এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে জনগণের ইতিবাচক সম্মতির প্রতিফলন ঘটাচ্ছে।


নিজ কেন্দ্রে পরাজিত হয়েছেন জামায়াত আমির

আপডেটেড ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:৪১
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের ভোট প্রদান করা কেন্দ্রেই পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ বালক শাখা কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছিলেন। তবে কেন্দ্রটির ভোট গণনা শেষে প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি ৫৬০ ভোট পেয়েছেন। তাঁর বিপরীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান ৫৬৫ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন।

কেন্দ্রটিতে সর্বমোট ১ হাজার ১৭৪টি ভোট পড়েছিল, যার মধ্যে ২৭টি ভোট বাতিল বলে গণ্য করা হয়েছে। নিজ কেন্দ্রে মাত্র ৫ ভোটের এই ব্যবধানে জামায়াত আমিরের পরাজয়টি স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক মহলে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


কক্সবাজার-১: বড় ব্যবধানে জয়ের পথে বিএনপির সালাহউদ্দিন আহমদ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায় বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিজয়ের পথে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে চকরিয়া ও পেকুয়ার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট দলীয় সূত্র থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক ফলাফলে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। মোট ১৭৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ৭৪টি কেন্দ্রের বেসরকারি হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ১১৯ ভোট। অন্যদিকে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়োতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুখ সংগ্রহ করেছেন ৪৫ হাজার ৭৩ ভোট।

উল্লেখ্য যে, এই সংসদীয় আসনে সর্বমোট ভোটারের সংখ্যা ৫ লাখ ৪০ হাজার ৪৬৮ জন, যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৯০ হাজার ২৭৫ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯২ জন। প্রাপ্ত আংশিক ফলাফলে প্রায় দ্বিগুণ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় সালাহউদ্দিন আহমদের জয় এখন কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা মাত্র। বর্তমানে অবশিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ফলাফল সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে।


কুমিল্লা-৪ আসনে হাসনাত আব্দুল্লাহকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম এই বিজয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মূলত দেবিদ্বার উপজেলার ১১৬টি ভোটকেন্দ্রের সবকটিতেই তিনি জয়লাভ করেছেন। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম জানিয়েছেন, “দেবিদ্বার আসনে ১১৬টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। সবগুলো কেন্দ্রতেই হাসনাত আবদুল্লাহ বিজয়ী হয়েছেন। আমরা সবগুলো কেন্দ্রের ফলাফল একত্রিত করছি। তবে ফলাফল বিবরণী দেখে হাসনাত আবদুল্লাহকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।”

এই আসনে হাসনাত আব্দুল্লাহর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়াইয়ে ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত এবং বিএনপির সমর্থিত ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী জসীম উদ্দিন। তবে নির্বাচনের দিন বিকেল ৫টার দিকে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। উল্লেখ্য যে, এই সংসদীয় আসনে মোট ১১৬টি কেন্দ্রে ৪ লাখ ১০ हजार ৫৫৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ১৫ হাজার ২৩৭ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩১৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩ জন। কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলের চূড়ান্ত বিবরণী পর্যালোচনার পর হাসনাত আব্দুল্লাহকে আনুষ্ঠানিকভাবে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।


ফলাফলের আগেই পরাজয় স্বীকার করে প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থীকে শিশির মনিরের শুভেচ্ছা

আপডেটেড ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী শিশির মনির আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটের ফলাফল ঘোষণার পূর্বেই নিজের পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টা ২০ মিনিটের দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বার্তার মাধ্যমে তিনি এই হার মেনে নেন এবং একই সাথে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক পোস্টে শিশির মনির লেখেন, “আমার আসনে বিজয়ী ধানের শীষ প্রার্থী জনাব নাসির উদ্দিন চৌধুরীকে অভিনন্দন। আপনাকে ফুলেল শুভেচ্ছা।”

শিশির মনিরের এই পোস্টটি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সেখানে ৭০ হাজারেরও বেশি রিয়েকশন ও পাঁচ সহস্রাধিক মন্তব্য জমা হয়েছে। মূলত মাঠপর্যায়ের তথ্যের ভিত্তিতে তিনি ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নাসির উদ্দিন চৌধুরীকে অগ্রিম অভিনন্দন জানিয়েছেন। উল্লেখ্য যে, এই সংবাদ পরিবেশন করা পর্যন্ত সুনামগঞ্জ-২ আসনের নির্বাচনী ফলাফল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বা বেসরকারিভাবে নির্বাচন কমিশন থেকে ঘোষণা করা হয়নি। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই এমন রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও পরাজয় মেনে নেওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


ঝিনাইদহ-১ আসনে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির আসাদুজ্জামান বিজয়ী

আপডেটেড ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনের বেসরকারি নির্বাচনী ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. আসাদুজ্জামান বিজয়ী ঘোষিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার কিছু আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ এই বেসরকারি ঘোষণাটি প্রদান করেন।

প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, আসাদুজ্জামান ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। অন্যদিকে, তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আবু ছালেহ মো. মতিউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৫৫ হাজার ৫৭৭ ভোট পেয়েছেন। ৩ লাখ ২৫ হাজার ২৭৮ জন ভোটারের এই আসনে বড় ব্যবধানের জয়ের মধ্য দিয়ে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।


দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুক্রবার মসজিদে দোয়া ও প্রার্থনার আহ্বান ইসির

আপডেটেড ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৮
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর করতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সব রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, পর্যবেক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী, ভোটারসহ দেশবাসীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।”

নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়া উপলক্ষ্যে এবং দেশের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনায় আগামীকাল শুক্রবার দেশজুড়ে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করার অনুরোধ জানিয়েছে কমিশন। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, “বাংলাদেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করে আগামীকাল শুক্রবার বাদ জুমা সব মসজিদে বিশেষ দোয়া এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ প্রার্থনা আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে।” মূলত সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে যারা অবদান রেখেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি দেশের শান্তি কামনায় এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছে সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটি।


ঢাকা-৮ আসনে ১২ কেন্দ্রের ফলাফলে ৯২৬ ভোটে এগিয়ে মির্জা আব্বাস

আপডেটেড ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৬
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগণনা শেষে ঢাকা-৮ আসনের ১২টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মির্জা আব্বাসের এগিয়ে থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায় বর্তমানে ৯২৬ ভোটে এগিয়ে আছেন। ১২টি কেন্দ্রের সম্মিলিত গণনায় মির্জা আব্বাস পেয়েছেন ৭ হাজার ৪২৩ ভোট এবং তাঁর বিপরীতে শাপলাকলি প্রতীকের প্রার্থী নাসীরউদ্দীন পাটওয়ারী সংগ্রহ করেছেন ৬ হাজার ৪৯৭ ভোট।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার পর এখন কেন্দ্রভিত্তিক গণনার কাজ চলছে। তবে পূর্ণাঙ্গ ফলাফলের জন্য দেশবাসীকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরের দিন শুক্রবার সকালে সারা দেশ থেকে আসা ফলাফল গণনা করে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে।”

নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছে। বাকি ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৩ জন ভোটারের অংশগ্রহণে আজ এই বিশাল নির্বাচনী কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন হয়েছে। দেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, যেখানে স্বতন্ত্রসহ মোট প্রার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ২৮ জন। উল্লেখ্য যে, এবারের সাধারণ নির্বাচনে ভোটাররা সংসদ সদস্য নির্বাচনের পাশাপাশি ‘জুলাই সনদ ২০২৫’ বাস্তবায়নের প্রশ্নে একটি গণভোটেও অংশ নিয়েছেন।


banner close
ad-close 20260212090406.gif
ad-close 20260212085811.jpg