বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
৯ বৈশাখ ১৪৩৩

নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল

আপডেটেড
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০২
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০২

নির্ধারিত সময়ের পর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে অংশ নিতে গতকাল মঙ্গলবার ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় ছিল গতকাল বিকেল ৪টা পর্যন্ত। কিন্তু এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম তার মনোনয়নপত্র জমা দেন ৪টা ১৯ মিনিটে। নির্ধারিত সময়ের পর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ায় তার মনোনয়নপত্রটি বাতিল করে কমিশন।

এদিকে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র জমা পড়লেও তা ঝুলে গেছে আইনি জটিলতায়। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর অযোগ্যতা সংক্রান্ত ধারা অনুযায়ী তার মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে।

আরপিওর ১২(১)(চ) ধারা অনুযায়ী, সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ কোনো প্রতিষ্ঠানের চাকরি থেকে পদত্যাগ বা অবসর নেয়ার তিন বছর পার না হলে কেউ সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য নন। তথ্য অনুযায়ী, মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে যোগ দিয়েছিলেন এবং গত ডিসেম্বরে চাকরি ছাড়েন। অর্থাৎ তার চাকরি ছাড়ার পর মাত্র চার মাস অতিবাহিত হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনে ১১-দলীয় জোটের ১৩টি মনোনয়নের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ১২টি গৃহীত হয়েছে। মনিরা শারমিনের নথিপত্রে ঘাটতি থাকায় তাকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেয়ার জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে।


সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন: প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই শুরু হচ্ছে আজ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ১২ মে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে গতকাল (২১ এপ্রিল) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনে (ইসি) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া শেষ করেছেন।
এদিকে মনোনয়নপত্র বাছাই পর্ব আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে, যা আগামীকাল (২৩ এপ্রিল) বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যুগ্ম সচিব ও সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
মঈন উদ্দীন খান বলেন, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা শেষ হয়েছে মঙ্গলবার বিকেল ৪টায়। নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। ২২ এপ্রিল বিকাল ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত এবং ২৩ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।
তিনি আরও বলেন, কমিশনের কাছে যাচাই-বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল সকাল ১১টা থেকে শেষ না হওয়া পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। প্রতীক বরাদ্দ হবে ৩০ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে শেষ না হওয়া পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
উল্লেখ্য, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ৫৪ জন প্রার্থী। এরমধ্যে বিএনপি জোটের ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১৪ জন (একজন নির্ধারিত সময়ের পর জমা দিয়েছেন), স্বতন্ত্র মোর্চা থেকে একজন এবং নিজে থেকে তিনজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।


সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন আজ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা আজ শেষ হচ্ছে। মনোনয়নপত্র সংগ্রহের হিড়িক থাকলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে জোটগত সমঝোতার ভিত্তিতেই।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকালের মধ্যেই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হবে।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, সংরক্ষিত ৫০টি আসনের আনুপাতিক বণ্টনে বিএনপি জোট ৩৬টি, জামায়াত ও ১১ দলীয় জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মোর্চা ১টি আসন পাচ্ছে।

এদিকে, সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলের মধ্যেই বিএনপি তাদের ৩৬ জন নারী প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করেছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামসহ শরিক দলগুলো তাদের ১৩ প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করেছে।

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ৪৬৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে পাঁচজন নারী প্রার্থী ইতোমধ্যে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন- সানজিদা ইসলাম তুলি, নিলুফার চৌধুরী মনি, মাহবুবা রহমান, আনা মিনজ এবং নিপুন রায় চৌধুরী। আজকের মধ্যে বাকি প্রার্থীরাও তাদের ফরম জমা দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

ইসির সময়সূচি অনুযায়ী, জমা পড়া মনোনয়নপত্রগুলো ২২ ও ২৩ এপ্রিল যাচাই-বাছাই করা হবে। বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল এবং সেই আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ এপ্রিল এবং চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। যদি ভোট গ্রহণের প্রয়োজন হয়, তবে তা অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে।

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংরক্ষিত আসনে সাধারণত দলগুলো তাদের নির্ধারিত আসনের বিপরীতে অতিরিক্ত প্রার্থী দেয় না। ফলে ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হওয়ার পর বড় কোনো জটিলতা না থাকলে প্রার্থীদের বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হতে পারে। তবে কোনো আসনে একাধিক প্রার্থী বহাল থাকলে ওই আসনে সংসদ সদস্যদের ভোটে বিজয় নির্ধারণ করা হবে।


নারী আসন: আলোচনায় থেকেও মনোনয়ন পাননি যারা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনের ৩৬ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে বিএনপি।

সোমবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তাদের নাম ঘোষণা করেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তবে এই তালিকায় মনোনয়ন পাননি আলোচিত অনেক প্রার্থী। তাদের মধ্যে রয়েছেন- সৈয়দা আসিফা আশরাফি পাপিয়া, আফরোজা আব্বাস, কনকচাঁপা, বেবী নাজনীন, রিজিয়া পারভীন, মেঘনা আলম, ফারজানা সিঁথি, প্রয়াত নাসির উদ্দীন পিন্টুর স্ত্রী নাসিমা আক্তার কল্পনা, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা মওদুদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের মেয়ে অপর্ণা রায়, সালাহ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী হাসিনা আহমদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বড় ছেলের স্ত্রী নাঈমা খন্দকার, মহিলা দলের সহ-সভাপতি বেবী মওদুদ, সামিরা তাজরিন, অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক ও মাহরীন খান।

পরিচিত মুখ হিসেবে তারা রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনায় ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত বাছাইয়ে তারা বাদ পড়েছেন। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, তাদের হয়তো ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করা হতে পারে।

দলীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, এবার সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে মোট এক হাজার ২৫টি। এর মধ্যে জমা দিয়েছেন প্রায় ৯০০ জন। প্রতিটি ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল দুই হাজার টাকা এবং মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রার্থীদের ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়।

গত শুক্র ও শনিবার প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্থায়ী কমিটির সদস্যরা।

ঘোষিত নির্বাচনি তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। এরপর ২২ ও ২৩ এপ্রিল মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।

বাছাইয়ে কোনো প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হলে তার বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকবে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত। ২৭ ও ২৮ এপ্রিলের মধ্যে সেই আপিল নিষ্পত্তি করা হবে।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ এপ্রিল এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল।

১২ মে সংরক্ষিত নারী আসনের এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।


সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যারা

আপডেটেড ২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ প্রার্থীকে মনোনীত করেছে বিএনপি। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মনোনীতদের নাম ঘোষণা করেন।

যারা মনোনয়ন পেলেন-

সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা, রেজেকা সুলতানা।

রুহুল কবির রিজভী জানান, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দিতে জাতীয় কমিটির সদস্যরা দুই দিনব্যাপী সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন। সাক্ষাৎকার শেষে মনোনয়ন বোর্ড ৩৬ জনকে মনোনীত করেছে।

এর আগে গত শুক্র ও শনিবার রাজধানীর গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেয় বিএনপি। এই মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি

আপডেটেড ১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৬
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের উপনির্বাচনে নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য শপথ নিয়েছেন। তাদেরকে শপথ পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে শেরপুর-৩ আসন থেকে বিজয়ী মাহমুদুল হক রুবেল এবং বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে বিজয়ী রেজাউল করিম বাদশাকে শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার। শপথ গ্রহণ শেষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা রীতি অনুযায়ী শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসনে জয়ী হয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পরে তিনি আসনটি ছেড়ে দিলে গত ৯ এপ্রিল সেখানে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে, শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচনের আগে একজন প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় তৎকালীন ভোট গ্রহণ স্থগিত করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরবর্তীতে নতুন তফশিলে গত ৯ এপ্রিল সেখানে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।


শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শেরপুর জেলা প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ আসনের ভোটগ্রহণ চলছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ; একটানা চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

এ আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতের মাসুদুর রহমান এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মাকসবাদী) প্রার্থী মিজানুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত আসনটিতে ১২৮টি ভোটকেন্দ্র এবং ৭৫১টি ভোট কক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এরমধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ২৭টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও সাধারণ ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৬৯টি।

নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ করতে বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনীসহ পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা নির্বাচনী এলাকায় টহল দিচ্ছেন বলে জানান জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ।

জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে গত ১২ ফেব্রুয়ারি এ আসনের নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।


বগুড়া-৬ উপনির্বাচন, ভোট দিলেন বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বগুড়া জেলা প্রতিনিধি

বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের প্রার্থীরা সকালে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে শহরের শিববাটি হাসনা জাহান বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা।

এর আগে সকাল পৌনে ৮টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল শহরের জামতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন।

ভোট দেওয়ার পর রেজাউল করিম বাদশা সাংবাদিকদের বলেন, এটি উন্নয়নের নির্বাচন। উন্নয়নের স্বার্থে আমি ভোটারদের কেন্দ্রে এসে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

আসনটি শূন্য হওয়ায় এ উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনে বিএনপির রেজাউল করিম বাদশা, জামায়াতে ইসলামীর আবিদুর রহমান সোহেল এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির আল আমিন তালুকদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, নির্বাচনকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালন করছেন দুজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। ভোটগ্রহণে নিয়োজিত রয়েছেন ২ হাজার ৬৫৫ জন কর্মকর্তা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোতায়েন করা হয়েছে ১ হাজার ৩৮২ জন পুলিশ সদস্য, প্রায় ২ হাজার আনসার সদস্য, ৮ প্লাটুন বিজিবি ও ১০ প্লাটুন র‍্যাব। পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও ডগ স্কোয়াডও রয়েছে।

মোট ১৫১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৩টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১৯ হাজার ৯২৩ জন, নারী ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৭৪ জন এবং হিজড়া ভোটার ১০ জন। ২১টি পৌর ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনে কেন্দ্র রয়েছে ১৫০টি এবং বুথের সংখ্যা ৮৩৫টি। এর মধ্যে ৭৮৭টি স্থায়ী ও ৪৮টি অস্থায়ী বুথ।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ফজলুল করিম বলেন, ভোটের দিন ও পরবর্তী সময়েও বিজিবি সদস্যরা মাঠে টহলে থাকবেন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সব ধরনের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে।


স্থানীয় নির্বাচনেও থাকছে না ইভিএম

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে ১১তম কমিশন সভা শেষে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

আখতার আহমেদ বলেন, “লোকাল গভমেন্ট ইলেকশনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে কিনা— সে ব্যাপার কমিশনের নীতিগত সিদ্ধান্ত হচ্ছে ‘না’।”

বিভিন্ন সময় ইভিএম নিয়ে যেই প্রশ্ন উঠেছিল যেমন ইভিএম-এ কারচুপি করা যায় সেটি কি আপনারা কোনও তদন্ত করছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ইভিএম ব্যবহারের ব্যাপারে বলেছি যে জাতীয় নির্বাচনে এটা ব্যবহার হয়নি এবং স্থানীয় সরকারের নির্বাচন নিয়ে আমাদের এখনও পর্যন্ত নীতিগত সিদ্ধান্ত হচ্ছে ‘না’। এখানে দুর্নীতি দমন কমিশন একটা বিষয়ে তদন্ত করছে। অডিট ডিপার্টমেন্টে থেকে একটা করা হয়েছে। আপনারা জানেন যে জাতীয় পর্যায়ের তিনটি নির্বাচন নিয়ে যে পর্যালোচনা চলছে। যে জিনিসগুলো পর্যালোচনার ভেতরে আছে— সে বিষয়ে আমার কথা বলাটা বোধহয় সমীচীন হবে না।”

এই ‘মরা হাতি’ (ইভিএম) আর কতদিন টানবেন? কোনো টাইমলাইন আছে? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, “আপাতত আমার কাছে টাইমলাইন নেই। টাইমলাইন দিতে পারলে তো আমি সবচাইতে খুশিই হতাম। আমি যদি বলতাম আগামী এতদিনের ভেতরে এটা হবে তাহলে তো আমার জন্য সবচাইতে ভালো হতো। এখন আমি অফ দ্য পকেট কিছু বলতে পারবো না। ইভিএম-এর পেছনে আমাদের যে সংরক্ষণ ব্যয় তার অ্যাকাউন্টিংটা করা নেই।”

আপনারা কেন ইভিএম ব্যবহার থেকে সরে আসছেন, আপনারা কি মনে করেন যে ইভিএম কোনও ত্রুটি আছে— এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, “তিনটি তদন্ত কমিশনের অবজারভেশন আসছে, তারপরে আমরা দেখবো। অতীতেও বলেছি যে, জাতীয় নির্বাচনের সময় যে জিনিসের প্রতি সবার অনাস্থা সেটা নিয়ে কেন আমরা চর্চা করবো।”


সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ১২ মে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট আগামী ১২ মে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এ লক্ষ্যে আগামী ৮ এপ্রিল তফসিল ঘোষণা করা হবে।

সোমবার (০৬ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।


শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনে ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে স্থগিত হওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১৬ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করেছে নির্বাচন কমিশন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) ময়মনসিংহ ৩৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী বিজিবি সদস্যরা মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে নির্বাচনের আগের ৫ দিন, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচনের পরবর্তী ২ দিন অর্থাৎ আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত টহল পরিচালনাসহ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত থাকবেন।

বিজিবির ময়মনসিংহ সেক্টরের তত্ত্বাবধানে এবং ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি) এর ব্যবস্থাপনায় ইতোমধ্যে ১৬ প্লাটুন বিজিবি সদস্য শেরপুর জেলার শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় ৪টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে নির্বাচনি দায়িত্ব পালন শুরু করছেন।

শেরপুর-৩ আসনটি সীমান্তবর্তী হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবির উপস্থিতি জোরদার করা হয়েছে। এছাড়াও সীমান্তে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যরা নির্বাচনি এলাকায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করছেন।

উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুজনিত কারণে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী আগামী ৯ এপ্রিল এ আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।


বগুড়া ও শেরপুরের ভোটে নামছেন ২০ ম্যাজিস্ট্রেট

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন বগুড়া-৬ উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের ভোটকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের মাঠে যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা রোধ ও আচরণবিধি নিয়ন্ত্রণে এবার ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিয়েছে ইসি।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, আগামী ৯ এপ্রিল এই দুই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনি এলাকায় অপরাধের তাৎক্ষণিক বিচার ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য ভোটের চার দিন আগে অর্থাৎ ৫ এপ্রিল থেকে মাঠে নামবেন ম্যাজিস্ট্রেটরা। নির্বাচনের পরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত মোট সাত দিন তারা সক্রিয় থাকবেন।

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩: প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় ১০ জন করে মোট ২০ জন নির্বাহী হাকিম দায়িত্ব পালন করবেন।

‎মোবাইল কোর্ট: ‘মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯’ এর আওতায় আচরণবিধি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে তারা সরাসরি ব্যবস্থা নেবেন।

স্ট্রাইকিং ফোর্স: বিজিবিসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সাথে সমন্বয় করে শান্তি বজায় রাখবেন তারা।

নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, স্থানীয় চাহিদা, ভোটকেন্দ্রের অবস্থান ও সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা কম-বেশি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে রিটার্নিং অফিসার সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

উল্লেখ্য, এর আগে ৪ মার্চ থেকে আচরণবিধি পর্যবেক্ষণে প্রতি উপজেলায় ২ জন করে ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করলেও ভোটের মূল লড়াইয়ে এই সংখ্যা বাড়ানো হলো।


৯ এপ্রিল বগুড়া ও শেরপুরে সাধারণ ছুটি ঘোষণা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন উপ-নির্বাচন ও শূন্য আসনের ভোটগ্রহণ উপলক্ষে আগামী ৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ এবং শেরপুর-৩ নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইতিমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন বিষয়টি জানিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ শূন্য আসনের নির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে।ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং কর্মজীবী মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্যই এই ছুটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন নির্বাচনী এলাকার সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠান/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারী কর্তৃক স্ব স্ব ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে নির্বাচনি এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা প্রয়োজন।

চিঠিতে আরো বলা হয়, ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণের দিন সংশ্লিষ্ট এলাকার সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা আবশ্যক। সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারির জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছে কমিশন।

উল্লেখ্য, নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে এবং সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে ইসি নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, যার অংশ হিসেবে এই বিশেষ ছুটির ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।


banner close