বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩

ডিবি কার্যালয়ে শাকিব খান

শাকিব খান
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত
বিনোদন প্রতিবেদক

রহমত উল্লাহ নামে এক প্রযোজকের বিরুদ্ধে অভিনেতা শাকিব খানের মামলা নেয়নি গুলশান থানা পুলিশ। আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ ছিল তাদের। এবার শাকিব গিয়েছেন রাজধানীর মিন্টো রোডে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয়ে। সেখানে তিনি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার জন্য গিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবির প্রধান হারুন অর রশীদ। তিনি দৈনিক বাংলাকে বলেছেন, ‘শাকিব খান অফিসে গিয়েছেন আমি শুনেছি। আমি কাজে বাইরে ছিলাম, এখন অফিসে যাচ্ছি। গিয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করবো।’

জানা যায়, আজ রোববার দুপুরে শাকিব খান সেখানে যান। বিকেল অবধি সেখানে অবস্থান করছেন। দুয়েক দিনের মধ্যে মানহানি ও মিথ্যা খবর প্রচারের অভিযোগ নিয়ে কোর্টে যাবেন এই অভিনেতা।

এর আগে শনিবার গভীর রাতে প্রযোজক রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে গুলশান থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করতে চান শাকিব খান। সেখানে শাকিব খান জানান, নিজেকে ‘অপারেশন অগ্নিপথ’ সিনেমার প্রযোজক দাবি করা রহমত উল্লাহ আসলে সেই সিনেমার প্রযোজকই নন। আর তাই প্রযোজক দাবি করে এফডিসির বিভিন্ন সমিতিতে অভিযোগ করা রীতিমত প্রতারণা।

প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতির তথ্য মতে, ২০১৬ সালের ৭ মার্চ প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতি থেকে ‘অপারেশন অগ্নিপথ’ সিনেমাটি নির্মাণের অনুমতি দেয়া হয়। ভারটেক্স মিডিয়ার নামে এই সিনেমার প্রযোজক মো. জানে আলম। প্রযোজক হিসেবে রহমত উল্লাহর নাম কোথাও উল্লেখ নেই।

জানা যায়, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ভারটেক্স মিডিয়া ‘অপারেশন অগ্নিপথ’ সিনেমাটির প্রকৃত মালিক। এই প্রতিষ্ঠান থেকেই সিনেমাটির সিংহভাগ লগ্নি করা হয়েছে। শাকিবের সঙ্গে চুক্তি ও শিডিউল সংক্রান্ত যাবতীয় আলাপও করেছিল প্রতিষ্ঠানটি।

এর আগে গত ১৫ মার্চ বিকেলে এফডিসিতে উপস্থিত হয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতি, পরিচালক সমিতি, শিল্পী সমিতি এবং ক্যামেরাম্যান সমিতিতে শাকিবের বিরুদ্ধে অসদাচরণ, মিথ্যা আশ্বাস, ধর্ষণ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে অবহেলার লিখিত অভিযোগ করেন রহমত উল্লাহ।


দর্শক আমাকে ‘আল্লু’ বানিয়েছে

আল্লু অর্জুন
আপডেটেড ২৯ মার্চ, ২০২৩ ০৯:১৬
শরীফ নাসরুল্লাহ

ঠিক ২৮ মার্চ, ২০০৩। তেলেগু সিনেমায় এলেন এক নতুন নায়ক। যদিও বাবা নামকরা চিত্র পরিচালক। শিশুশিল্পী হিসেবেই অভিষেক হয়েছিল চলচ্চিত্রে। তবু ওই দিনের অপেক্ষাটা এই নায়কের জন্য একটু অন্য রকম। কারণ, তারকা সন্তান হিসেবে নয়, নিজের ভক্ত তৈরি করে একদিন ‘পুষ্পারাজ’ হবেন গোটা ভারতে, সেই যাত্রাই শুরু হয়েছিল সেদিন। কে রাঘবেন্দ্র রাওয়ের হাত ধরেছিলেন এই নবীন নায়ক তার প্রথম যাত্রায়। ছবির নাম ‘গঙ্গোত্রী’। ২০০৩ থেকে ২০২৩ সাল। দুই দশক পেরিয়ে এই নায়কের রোমঞ্চকর সফরকে বলা যায় ‘গঙ্গোত্রী টু পুষ্পা’। নানা ইন্ডাস্ট্রির ভিড়ে আর তারকাদের ডামাডোলেও গোটা ভারতে নিজেকে তুলে ধরেছেন তার ভক্তদের কাছে ‘স্টাইল আইকন’ হিসেবে। দুই দশক পাড়ি দেয়া এই নায়কের নাম আল্লু অর্জুন।

এই দুই দশকে আল্লুর অর্জন কী? অর্জন এটাই যে, আল্লুকে পরিচয় পেতে তার পিতৃপরিচয়ের প্রয়োজন পড়ে না। প্যান ইন্ডিয়ান ‘নায়ক’ হিসেবে গোটা ভারতে আজ ‘পুষ্পা’র জয়। কিন্তু এই গোটা সফরে কী ছিল তার পুঁজি। ভয়ানক পরিশ্রম, অভিনয়ে নতুনত্ব, ভিন্ন ধারার স্টাইল, ডেডিকেশন আর এনার্জেটিক ড্যান্স ভঙ্গি দিয়ে নিজের আলাদা জায়গা করে নিয়েছেন আল্লু। তেলেগু ছবির নাচে একটা ভিন্ন স্টাইল তৈরি করেন, যা তেলেগু ছবিতে আলাদা বৈচিত্র্য নিয়ে আসে। আল্লু জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন দিনকে দিন।

২১ বছরের আল্লুর প্রথম ছবিই হিট রুপালি পর্দায়। তেলেগু দর্শক এক নতুন নায়ককে পেলেন। ধীরে ধীরে আল্লু নিজের জায়গা করে নিলেন। ‘আরিয়া’, ‘পরুগু’, ‘জুলাইয়ি’, ‘রেস গুরাম’, ‘ভেডাম’, ‘এস/ও সত্যমূর্তি’, ‘ইডারামাইলাথো’, ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’ আল্লু যেমন অভিনয়ের সবটুকু ঢেলে দিয়েছেন তার দর্শকের জন্য, দর্শকও আল্লুকে ফিরিয়ে দিয়েছেন ‘স্টাইল আইকন’ তকমা। সবশেষ প্যান ইন্ডিয়ান সিনেমা ‘পুষ্পা’ যার চূড়ান্ত নমুনা।

শুধু ঝলমলে পর্দায় উপস্থাপনই তো নয়! ব্যক্তি আল্লুও এক দারুণ মানুষ। তারকার জীবন ছাপিয়ে যায়নি বাবা কিংবা স্বামী আল্লু অর্জুনকে। ২০১১ সালের মার্চে এক রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে স্নেহা রেড্ডিকে ঘরে তুলে এনেছিলেন। ২০১৪ সালে আসে প্রথম সন্তান আয়ান আর দুই বছর পরে ২০১৬ সালে মেয়ে আরহা। ইনস্টাগ্রামে পাওয়া যায় তাদের পারিবারিক ছবি। সন্তান ও স্ত্রীর সঙ্গে খুনসুটি বলে দেয়, শুটিং সেট থেকে তারকার পোশাক খুলে রেখে একজন বাবা কিংবা স্বামী হয়েই ঘরে ফেরেন এই তারকা।

দুই দশকের এই বর্ণিল সফরে জীবনের প্রতি কতটুকু কৃতজ্ঞ এই তেলেগু তারকা? ইনস্টাগ্রাম ও টুইটারে সে কথা উঠে এসেছে গতকাল। ‘আজকের দিনে আমি চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে ২০ বছর পার করেছি। প্রচণ্ড পরিমাণে ভাগ্যবান এবং ভালোবাসায় সিক্ত আমি। ইন্ডাস্ট্রির সব প্রিয় মানুষের কাছে কৃতজ্ঞতা।’

এর পরই আল্লু জানান তার সবচেয়ে অন্তর্ভেদী কথাটি। ‘আপনাদের মতো দর্শক ভক্তদের কারণেই আমি আজকে আল্লু অর্জুন হয়ে উঠতে পেরেছি। আপনাদের সবার প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা।’

বিষয়:

‘মাইক’ চলচ্চিত্রের বিশেষ প্রদর্শনী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন প্রতিবেদক

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে উপজীব্য করে বাংলাদেশ সরকারের অনুদানে নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘মাইক’-এর বিশেষ প্রদর্শনী হলো আজ মঙ্গলবার। রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলীরা। এ ছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, সংসদ সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী, আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর, আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, কবি অসীম সাহাসহ অনেকেই।

প্রদর্শনী শেষে অতিথির বক্তব্য দিতে এসে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, শিশুতোষ এই সিনেমাটি অসাধারণ হয়েছে। এ ধরনের সিনেমা আরও হওয়া প্রয়োজন। পঁচাত্তরের পরে ইতিহাসকে উল্টো পথে চালানোর চেষ্টা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর নাম-নিশানা মুছে দেয়ার চেষ্টা হয়েছিল। যার কারণে প্রজন্ম ভুল ইতিহাস জানত, সঠিক ইতিহাস জানত না। এই সিনেমাটিতে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। ‘মাইক’ ইতিহাসের মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

বিশেষ প্রদর্শনীতে আরও উপস্থিত ছিলেন মাইক চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী তানভিন সুইটি, অভিনেতা নাদের চৌধুরী, জয়িতা মহলানবিশ, শিশুশিল্পী সানজিদ রহমান খান, আলী আবদুল্লাহ দাইয়ান ভূঁইয়া, খন্দকার মেঘদূত জলিল, মির্জা ত্বাবীব ওয়াসিতসহ চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট কলাকুশলীরা।

উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ সরকারের অনুদানে নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘মাইক’। তরুণ লেখক, কলামিস্ট ও সংগঠক এফ এম শাহীনের প্রযোজনায় চলচ্চিত্রটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন এফ এম শাহীন ও হাসান জাফরুল বিপুল। খুব দ্রুতই সিনেমাটির প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে বলে জানান পরিচালকরা।


মাধুরীকে অপমান করায় আইনি নোটিশ

মাধুরী দীক্ষিত
আপডেটেড ২৮ মার্চ, ২০২৩ ১৮:০৮
বিনোদন ডেস্ক

একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক, আমেরিকান সিটকম ‘দ্য বিগ ব্যাং থিওরি’-এর একটি পর্বের জন্য ভিডিও-স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, এটি বলিউড অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতকে বোঝাতে একটি ‘অপমানজনক শব্দ’ ব্যবহার করেছে।

আইনি নোটিশে, রাজনৈতিক বিশ্লেষক মিঠুন বিজয় কুমার দাবি করেন যে, স্ট্রিমিং জায়ান্ট ‘বিগ ব্যাং থিওরি’-র সিজন ২-এর প্রথম পর্বটি সরিয়ে ফেলুক যেখানে কুনাল নায়ারের চরিত্র রাজ কুথরাপল্লি এবং জিম পারসন্সের চরিত্র শেলডন কুপার ঐশ্বর্য রাই ও মাধুরী দীক্ষিতের মধ্যে তুলনা করেছে।

প্রশ্নের মুখে থাকা দৃশ্যে, শেলডন কুপারের চরিত্রে অভিনয় করা জিম পারসন্স ঐশ্বর্য রাইকে গরীবের মাধুরী দীক্ষিত বলে ডাকেন। তার মন্তব্যের জবাবে কুণাল নায়ারের অভিনীত চরিত্র রাজ কুথরাপল্লী উত্তর দেন, ‘মাধুরী দীক্ষিতের তুলনায় ঐশ্বর্য রাই একজন দেবী এবং মাধুরী একজন কুষ্ঠরোগীর মতো পতিতা।’

কুমার বলেছিলেন যে দুটি চরিত্রের মন্তব্যগুলো সবই অসম্মানজনক ও মানহানিকর। তিনি নেটফ্লিক্সকে এপিসোডটি সরাতে বলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, অন্যথায় নারীর প্রতি বৈষম্য প্রচারের জন্য আইনি পদক্ষেপের মুখোমুখি হতে হবে নেটফ্লিক্সকে। জানা গিয়েছে, মুম্বাইয়ে নেটফ্লিক্স-এর অফিসে নোটিস পাঠানো হয়েছে।

‘দ্য বিগ ব্যাং থিওরি’ তৈরি করেন চাক লোর ও বিল প্রাডি। ২০০৭ সালে আত্মপ্রকাশ করেছিল এই সিরিজ। ২০১৯ সালে ১২টি সিজনের পরে শেষ হয় এর যাত্রা।


আঁখি না হয়ে কোনো বড় তারকা হলে, সবকিছু দ্রুত সমাধান হতো: দগ্ধ আঁখির স্বামী

শারমিন আঁখি
আপডেটেড ২৮ মার্চ, ২০২৩ ১৭:১৬
অপূর্ণ রুবেল

হাতে মুখে এখনো পোড়ার দাগ। কিছু জায়গা কুঁচকে আছে। মাথার একসময়ের দীঘল চুল কদমফুলের মতো ছোট করে কাটা। পরণে কমলা রংয়ের জামা। গলায় কালো ওড়না। নাকে সেই চিরচেনা নথ। এভাবেই টানা দুই মাস পর ক্যামেরার সামনে এলেন শারমিন আখিঁ। ক্যামেরা তার চেনা। এই ক্যামেরার সামনেই দু মাস আগেও অভিনয় করেছেন তিনি। চরিত্রের প্রয়োজেন হেসেছেন কেঁদেছেন। কিন্তু গতকাল রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের তিন তলায় আয়োজিত সংবাদ সন্মেলনে এসে একদম প্রাপ্ত বয়স্ক আঁখি বললেন, ‘আমার বয়স আজ দুই মাস। অনেকেই হয়তো অবাক হচ্ছেন। কিন্তু এটা আমার নতুন জীবন। আজ থেকে দুই মাস আগে এই হাসপাতালে ঢুকেছিলাম অচেতন অবস্থায়। যখন আইসিইউতে ছিলাম তখন জানতাম না এই পৃথিবীতে আবার বিচরণ করব। মহান সৃষ্টিকর্তার দয়া আর ডাক্তারদের চেষ্টায় আমি নতুন জীবন পেয়েছি। তাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।’

গত ২৮ জানুয়ারি মিরপুরের একটি শুটিং বাড়ির বাথরুমে বিস্ফোরণ হওয়ায় দগ্ধ হন অভিনেত্রী শারমীন আঁখি। সেখানে তিনি অভিনেতা সজলের বিপরীতে একটি টেলিছবির শুটিং করছিলেন।

দগ্ধ হওয়ার পরপরই তাকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেয়া হয়। চিকিৎসকরা টানা দুই মাস চিকিৎসা করেন আঁখির। দুই মাস পর তাকে গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। হাসপাতাল ছাড়ার আগে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন এই অভিনেত্রী।

চিকিৎসকদের সঙ্গে শারমিন আঁখি। ছবি: দৈনিক বাংলা

শুরুতে হাসপাতালের চিকিৎসক জানান, আঁখির শরীরের ৩৫ ভাগ দগ্ধ হয়েছিল। পুড়ে গিয়েছিল কণ্ঠনালীও। সবার চেষ্টাতেই আঁখি সুস্থ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি কাজে লেগেছে রোগীর ইচ্ছাশক্তি।

সেদিনের ঘটনা মনে করে আঁখি বলেন, ‘শুটিং এ একটা দৃশ্যর শটের জন্য আমাকে শাড়ি পরতে হবে। মেকআপ রুমে মেকআপ নিয়ে শাড়ি পরার আগে ওয়াশ রুমে গেলাম। সেখানে যাওয়ার পরপরই খেলায় করলাম ওয়েল্ডিং করলে যেমন স্পার্ক করে সেরকম স্পার্ক হচ্ছে এক জায়গা থেকে। সেকেণ্ডের মধ্যে একটা নীল রংয়ের আগুন আমার চারপাশে ঘিরে ধরে। মুহুর্তের মধ্যে একটা বিস্ফোরণ ঘটে। বাথরুমের দরজটা ভেঙে আমি বাইরে ছিটকে পড়ি। সবাই ছুটে আসে। তারপর সবাই শুটিংয়ের গাড়িতে করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। এখানে আসার পর আমি আসলে বুঝতে পারি কতটা দগ্ধ হয়েছি।’

কথা বলেন আখির স্বামী রাহাত কবিরও। তিনি বলেন, ‘অনেকেই এই ঘটনা নিয়ে নানা কিছু রটনার চেষ্টা করছে। আমি বলতে চাই এটা একটা দুর্ঘটনা। তবে এরকম দুর্ঘটনা ঘটার পেছনে কারণ আছে। শুটিং হাউসের অযত্ন ও অবহেলা আছে। কারণ যেদিন এই ঘটনা ঘটে সেদিন ওই শুটিং বাড়িতে দ্বিতীয়বারের মতো শুটিং হচ্ছিলো। হাউজটি একেবারে নতুন। তাই আমি মনে করি আর্টিস্ট ইকুয়িটি ও ডিরেক্টরস গিল্ডের শুটিং হাউজ নিরাপদ করার পেছনে অনেক কিছু করার আছে। আজ যদি আঁখি না হয়ে অন্য কোনো বড় তারকা হতো তাহলে নিশ্চয় সবকিছু দ্রুত সমাধান হতো।’

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন আঁখির চিকিৎসা প্রসঙ্গে বলেন, ‘তিনি পুরোপুরি সুস্থ নন। শারিরীকভাবে একটু সুস্থ হলেও তিনি একটা ট্রমার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। তার মানসিক স্বাস্থ্যর দিকে নজর দিতে হবে। এ ছাড়া আগামী ছয় মাস তার পোষ্ট বার্নের চিকিৎসা চলবে। এখন তার রোদের আলোতে আসা যাবে না। কারণ এই সময়টা তার জন্য খুবই ঝুকিপূর্ণ।’

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় করছেন শারমিন আঁখি। চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা আঁখির মঞ্চে যাত্রা শুরু অরিন্দম নাট্য সম্প্রদায়ের মধ্য দিয়ে। এই দলের নিয়মিত প্রযোজনা তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘কবি’ নাটকের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র ‘বসন’ করেই আলোচনায় আসেন তিনি। পরবর্তীকালে টিভি নাটকে কাজ করেও আলোচনায় আসেন আঁখি।


বলিউডের কিছু লোক আমাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছিল: প্রিয়াঙ্কা

বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বলিউডের রাজনীতি নিয়ে এবার বোমা ফাটালেন সাবেক ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। তার দাবি দেশে থাকাকালীন বাজে রাজনীতির শিকার হয়েছেন তিনি। একপ্রকার বাধ্য হয়েই দেশ ছেড়েছিলেন। সম্প্রতি পডকাস্ট আর্মচেয়ার বিশেষজ্ঞ ড্যাক্স শেফার্ডের সঙ্গে কথা বলার সময় অনেক বিষয় নিয়েই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন প্রিয়াঙ্কা।

কেন প্রিয়াঙ্কা দেশে ছেড়ে সুদূর আমেরিকায় পাড়ি দিয়েছিলেন? সম্প্রতি সেসব নিয়ে খোলাসা করেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। পিগি চপস বলেন, ‘আমি আগে কখনও যা বলিনি, তা আজ বলছি…’। প্রিয়াঙ্কার কথায়, ‘সেসময় আমাকে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে একঘরে করে দেয়া হয়েছিল। আমাকে ছবিতে কাস্ট করা বন্ধ করা হয়। আমি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির রাজনীতিতে ক্লান্ত হয়ে পড়ি। আর পেরে উঠছিলাম না। মনে হল একটা বিরতি দরকার।’

প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘সেসময় মিউজিক আমায় অন্য একটি দুনিয়ার অংশ হওয়ার সুযোগ করে দেয়। আমার ম্যানেজারের পরামর্শে আমি আন্তর্জাতিক মিউজিক ভিডিওতে কাজ করি।’

প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘আমাকে কাজ পেতে হলে কেন কিছু দল, গোষ্ঠীর সঙ্গে মেলামেশা করতে হবে? ততদিনে আমি অনেক কাজ করে ফেলেছি। তাই ওরা আমার ক্যারিয়ার নষ্ট করতে উঠে পড়ে লেগেছিল। আমাকে ওদের ছবি থেকেই শুধু বাদ দেয়া হয়নি, বাকিরাও যাতে না নেয়, তার জন্য উঠে পড়ে লেগেছিল। সেসময় মিউজিকের হাত ধরেই ঠিক করে ফেলি আমেরিকা চলে যাব।’

প্রিয়াঙ্কা বলেন, সেসময় মার্কিন মুলুকের তারকা গায়ক পিটবুল, উইল.আই.অ্যাম (উইলিমায় জেমস অ্যাডামস), ফ্যারেল উইলিয়ামস, মার্কিন র‍্যাপার জায়েজদের সঙ্গে কাজ করেছি। তখন বুঝলাম, আমার মিউজের ক্যারিয়ার এখনও শেষ হয়নি। পরবর্তীকালে আমি মার্কিন মুলুকে অভিনয়ে ক্যারিয়ার গড়তে শুরু করি।’

এবিসির কোয়ান্টিকোতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা গিয়েছিল প্রিয়াঙ্কাকে। পরবর্তীকালে ‘বেওয়াচ’, ‘ম্যাট্রিক্স: রেভোলিউশনস’, ‘দ্য হোয়াইট টাইগার’-এ দেখা গিয়েছে প্রিয়াঙ্কাকে। শিগগির ‘সিটাডেল’-এ দেখা যাবে তাকে। আগামী মে মাসে মুক্তি পাবে প্রিয়াঙ্কার আরও একটি হলিউড ছবি ‘লাভ এগেইন’।


বিরাটের যে গুণে মজেছিলেন আনুশকা

আনুশকা শর্মা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

দুজন দুই ঘরানার। তবে দুজনই তারকা। একজন ক্রিকেট জগতের, আরেকজন বলিউডের ঝলমলে পৃথিবীর। দুজন এখন এক ঘরে। বিরাট কোহলি ও আনুশকা শর্মা তারকা জুটি এখন ভারতের অন্যতম আলোচিত জুটি। পরস্পর নিজেদের প্রতি ভালোবাসা দেখাতে একটুও কার্পণ্য করেন না তারা। সম্প্রতি আনুশকা জানালেন, বিরাট কোহলির কোন গুণ দেখে প্রেমে পড়েছিলেন তিনি।

স্টার স্পোর্টসকে এক সাক্ষাৎকারে আনুশকা জানিয়েছেন, তার স্বামী বিরাট তাকে জানিয়েছিলেন, তার স্মৃতিশক্তি খুব ভালো। আর এটাই মনে ধরে যায় আনুশকার। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রেম শুরুর আগে একটা বিষয় খুব ভালো লেগে যায়। সেটি ছিল তার প্রখর স্মৃতিশক্তি। এটা আমাকে সত্যিই অনেক কাজে দিত।’

আনুশকার এই কথা যে সত্য তা প্রমাণিত হলো বিরাটের কথায়। ভারতীয় এই ক্রিকেটার বলেন, ‘আমার স্মৃতিশক্তি একটু ভালো। সে আমাকে গুরুত্বপূর্ণ তারিখ মনে রাখতে বলে। আমি এগুলো বেশ মনে রাখতে পারি। আমি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো মনে রাখি। শুধু ছোটখাটো কিছু ভুলে যাই।’

বিরাট কোহলি ও আনুশকার ঘরে এসেছে মেয়ে ভামিকা। মেয়ের ওপর যেন তারকা বাবা-মায়ের কোনো ক্ষতিকর প্রভাব না পড়ে, সেদিকে বেজায় খেয়াল আনুশকার। মাতৃত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সময় সব কিছুতে অংশগ্রহণ করতে পারেন না। সে প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে আনুশকা বলেন, ‘এটা বাস্তবতা। যখন সন্তান থাকবে, তখন সামাজিক হওয়া যায় না। আমরা সুখী যে, আসলে দুজনেই আমরা খুব বেশি সামাজিক নই। আমরা সাধারণ জীবন যাপন করতে চাই। ঘরে সময় কাটাতে পছন্দ করি।’


সাবেক প্রেমিক কী করছে, তা নিয়ে মাথাব্যথা নেই এই মডেলের

জিজি হাদিদ
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

জায়ান মালিক ও সেলেনা গোমেজ প্রেম করছেন। এই খবর চাউর চারদিকে। জায়ানের সাবেক প্রেমিকা সুপার মডেল জিজি হাদিদ জানিয়েছেন, সাবেক প্রেমিক কী করছেন, সে ব্যাপারে এখন তিনি একদমই ‘ডোন্ট কেয়ার’। এতে তার কোনোই সমস্যা নেই।

যুক্তরাজ্যের সাময়িকী মিরর বলছে, নিউ ইয়র্কে এই দুই পপ তারকাকে দেখা গেছে রেস্তোরাঁয়। সেখানে রাতের খাবার খাচ্ছিলেন তারা। ভক্তদের মাঝে এ নিয়ে আলোচনার ঝড় বইছে।

২৯ বছর বয়সী জিজির মত, মালিকের সঙ্গ এখন অতীত। সুতরাং সামনে এগিয়ে যাওয়াই মূল কথা। তিনি বিষয়টি মজার হিসেবেই দেখছেন। সাবেক ‘ওয়ান ডিরেকশন’-এর সদস্য জায়ান মালিকের সঙ্গে জিজি প্রেম করেন সাত বছর। ২০২০ সালে জিজি জানিয়েছিলেন, তারা বাবা-মা হচ্ছেন।

কিন্তু ২০২১ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। তবে সন্তানের দেখভাল করার দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেন। মিররের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘জিজির কোনো সমস্যা নেই, জায়ান যার সঙ্গেই প্রেম করুক না কেন। তিনি এখন বেশ ফুরফুরে আছেন এবং তার মেয়ে খাই-এর মা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাবেন।’

যদিও চলতি মাসের শুরুতে সেলেনা জানিয়েছিলেন তিনি কারও সঙ্গে প্রেম করছেন না। এমনকি তার কোনো ক্রাশও নেই। অন্যদিকে ২০২১ সালের অক্টোবরে জিজির সঙ্গে বিচ্ছেদ এবং তাদের মেয়ে খাই জন্ম নেয়ার পরে এখন পর্যন্ত একাই আছেন।

জায়ান ও সেলেনার মেসেজ চালাচালির খবর টিকটকে ভাইরাল হওয়ার পরেই তাদের প্রেমের খবর হওয়া শুরু হয়। একজন ভক্ত দাবি করেছেন, তাদের একসঙ্গে খেতেও দেখা গেছে।


‘জ্বীন’ এর জন্য টানা ৪০-৪২ ঘণ্টা শুটিং করেছি

আবদুন নুর সজল
আপডেটেড ২৮ মার্চ, ২০২৩ ১০:৩৫
নিফাত সুলতানা

অভিনেতা আবদুন নুর সজল সম্প্রতি ভিন্ন ধরনের গল্পে নিজেকে ফুটিয়ে তুলছেন। আসছে ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাচ্ছে তার অভিনীত ছবি ‘জ্বীন’। সিনেমা ও ওটিটি নিয়ে তার ব্যস্ততা জানালেন দৈনিক বাংলাকে।

‘জ্বীন’ ছবিটি নিয়ে জানতে চাই

এক কথায় বলব, ভালো গল্পের ছবি। গল্পই এর প্রাণশক্তি। আমার সঙ্গে পূজা চেরি, জিয়াউল রোশান, মুন, ছবির পরিচালক নাদের চৌধুরীসহ অনেক শিল্পী ছিলেন। আমরা সময় নিয়ে কাজটি করেছি। টানা ৪০ থেকে ৪২ ঘণ্টা শুটিং করেছি। ঘুমহীন, একটা লম্বা সময় পাড়ি দিয়েছি যাতে করে কাজটা ঠিকভাবে সবাই করে আসতে পারি। সবার অনেক পরিশ্রম, চেষ্টা ও কষ্টের সমন্বয়ে এই ছবির গল্পটা তুলে ধরতে চেষ্টা করেছি। ছবিটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত, যা দর্শকের মন ছুঁয়ে যাবে বলে আশা করছি।

আপনার চরিত্রটা কেমন?

একজন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার। ছবিটি সাইকো থ্রিলার ও হরর ধারার। ফটোগ্রাফার সজলের কাজটা কী, সেটা দর্শক সিনেমা মুক্তির পর প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে জানবেন।

আপনার আরও কিছু ছবি মুক্তির অপেক্ষায়

এক এক করে সবগুলো ছবিই আসবে। চলতি বছরেই সবগুলো ছবি মুক্তি পাবে বলে আশা রাখছি। তবে আমি এখন জ্বীন ছবি নিয়ে খুব আশাবাদী। সেটি যেন সুন্দর করে পাড়ি দিতে পারি। তাই বেশ জোরেশোরেই প্রচার চালাচ্ছি। ছবিটা ভালো, সবাই নিজেদের জন্য, দেশের জন্য বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য ছবিটা দেখুক। আমার পাশে থাকুক।

ওটিটিতে দর্শক আপনাকে ভিন্নরূপে দেখছে। কেমন লাগছে?

খুব প্রশংসা পাচ্ছি। আমরা যারা অভিনয়কে ভালোবাসি, অভিনয় করার সুযোগটুকু পাচ্ছি তাদের কিন্তু একটাই চাওয়া থাকে, নিজেদের এমন সব ভিন্ন ভিন্ন গল্পে যুক্ত করা। যেন নিজেদের পরীক্ষিত করার সুযোগ থাকে। সেটা ভুল হতে পারে, ব্যর্থ হতে পারে, আবার শিখতেও পারি, সফলও হতে পারি। তাই এই ভিন্ন গল্পের কাজ, শিল্পীদের নিজেদের শেখার জায়গা তৈরি করা খুব দরকার। সামনে আমার দর্শক আমাকে আরও ভিন্ন গল্পের ভিন্ন চরিত্রে দেখতে পাবে।

নাটক কি কমিয়ে দিচ্ছেন?

আসলে পর্দার এই বিভাজনটা মানি না। বা এটা নিয়ে অতটা ভাবি না। আমার দর্শক আমাকে পর্দায় দেখবে। সেটা ছোট পর্দা, বড় পর্দা যেখানেই হোক। নাটক থেকে আমার শুরু। অনেক দিনের পথচলা। সেই জায়গাটা ভালোবাসি। তবে কয়েক বছর ধরেই নাটক করছি। কারণ হচ্ছে যেই গল্পগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে চাই, সেগুলোর জন্য অপেক্ষা করছি। বৈচিত্র্যময় চরিত্র ও ভিন্ন স্বাদের গল্পে নিজেকে মেলে ধরতে চাই।

কিছুদিন আগে কোরিয়ান একটি সিরিজে কণ্ঠ দিয়েছেন। অভিজ্ঞতা কেমন?

অন্য অভিনেতার চরিত্রে আমার ভয়েস যাচ্ছে, সেটাও আমাদের দেশের না। দর্শক সেটা দেখছে, বুঝতে পারছে আমার কণ্ঠ। প্রশংসা করছে। এটা খুব ভালো লাগার। তবে কাজটা কঠিন। আমার কাছে মনে হয় আমাদের শেখার শেষ নেই। এই যে হাত পা বন্ধ করে মুখে অভিনয় করা বা সেটার সঙ্গে মিলিয়ে দর্শকের কাছে পৌঁছে দেয়া। সেটাও দারুণ অভিজ্ঞতা। মনে হয়েছে নতুনভাবে শিখলাম।

দর্শকের উদ্দেশে কিছু বলার আছে?

আমি অনেক বছর পর পর ছবি করি। ভালো গল্প খুঁজি। একটা দায়িত্ববোধ থাকে, সেটি হলো, যে কাজটি আসবে সেটা যেন দর্শকের মনে জায়গা করে নেয়। জ্বীন ছবিটা ঈদে সবাইকে দেখার অনুরোধ করব। ছবিটা দেখে কেউ হতাশ হবেন না। ভালো লাগবে।


রণবীরের ছবির কোন দৃশ্যে খুশি হলেন মা নীতু

আপডেটেড ২৭ মার্চ, ২০২৩ ১৬:৫৯
বিনোদন ডেস্ক

পর পর বেশ কয়েকটি ছবি সফল না হওয়ার পর সম্প্রতি ‘তু ঝুঠি ম্যায় মক্কার’ ছবির মাধ্যমে আবার যেন স্বমহিমায় ফিরেছেন রণবীর কাপুর।

বক্স অফিসে আশানুরূপ ব্যবসাও করেছে সিনেমাটি। ছবিটি দেখে খুশি রণবীরের মা নীতু কাপুর। এই প্রসঙ্গে নীতু তার মনের কথা অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন।

আনন্দবাজার জানিয়েছে, ছবিটি দেখার পর তার সবথেকে পছন্দের দৃশ্যের কথা বলেছেন ঋষি কাপুরের স্ত্রী নীতু। ওই দৃশ্যের একটি অংশ সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে পোস্ট করেছেন নীতু। সঙ্গে লিখেছেন, ‘এই দৃশ্য এবং সংলাপগুলো আমার খুবই পছন্দ হয়েছে।’

দৃশ্যটি ছবির শেষের দিকের। যেখানে মিকি (ছবিতে রণবীরের চরিত্র) তিন্নিকে (শ্রদ্ধা কাপুর) পরিবারের গুরুত্ব বোঝায়। মিকি বলে, ‘পরিবারের সঙ্গে থাকতে আমি পছন্দ করি। ওদের থেকে আমি প্রচুর ভালোবাসা এবং স্বাধীনতা পেয়েছি। আমার সন্তানরাও যেন তাদের থেকে সমান ভালবাসা পায়, সেটাই আমার ইচ্ছা।’

লভ রঞ্জন পরিচালিত ‘তু ঝুঠি’ মুক্তির এগারো দিনের মাথায় একশো কোটির রুপির ব্যবসা স্পর্শ করে।

আগস্ট মাসে মুক্তি পাবে রণবীরের পরবর্তী ছবি ‘অ্যানিমাল’। ছবিতে রণবীরের লুক ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। সম্প্রতি এই ছবির জন্য রণবীরের কঠোর শরীরচর্চার কথা জানিয়েছিলেন অভিনেতার প্রশিক্ষক শিবোহম। নতুন ছবিতে রণবীরের নতুন অবতারে আবির্ভাবের অপেক্ষায় দিন গুনছে অনুরাগী মহল।

বিষয়:

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য গাইলো এফ মাইনর, মাদল ও ব্রিং

কনসার্ট ফর এডুকেশনে গাইছে এফ মাইনর। ছবি: তরিকুল ইসলাম
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অপূর্ণ রুবেল, ময়মনসিংহ থেকে ফিরে

দেশের সীমানার কোলঘেঁষে বেড়ে উঠছে একদল শিশু। পাহাড়ি এই জনপদে খুব একটা শিক্ষার আলো পৌঁছায় না। সুবিধাবঞ্চিত এই শিশুদের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে ময়মনসিংহে আয়োজন করা হয়েছিল কনসার্টের। ‘কনসার্ট ফর এডুকেশন’ শিরোনামের এই অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিল কারিতাস ময়মনসিংহ অঞ্চল ও গানের দল ব্রিং।

মহান স্বাধীনতা দিবসের (রোববার) সন্ধ্যায় কারিতাস ময়মনসিংহ অঞ্চলের অফিস প্রাঙ্গণের খোলা ময়দানে সংগীত পরিবেশন করে গানের দল এফ মাইনর, মাদল ও ব্রিং। নানা ধরনের গানে মুখরিত হন উপস্থিত হাজার খানেকের বেশি শ্রোতা। যাদের বেশিরভাগই ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর।

কনসার্টের আয়োজক ও ব্রিং গানের দলের ভোকাল যাদু রিছিল বলেন, ‘বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত অঞ্চল নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার ভবানীপুর গ্রাম ও ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া উপজেলার ডেফুলীয়াপাড়া গ্রামের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা সহায়তায় আমরা কনসার্ট ফর এডুকেশনের আয়োজন করেছি। দুটি গ্রামের স্কুলের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ তহবিল গড়তে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এখান থেকে পাওয়া তহবিল সঞ্চিত রেখে এর লভ্যাংশ দিয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়াশোনা নিশ্চিত করা হবে। এতে প্রতি মাসে শিক্ষকদের সম্মানি নিয়ে অনিশ্চয়তার একটা সুরাহা হবে এবং এর একটি স্থায়ী সমাধান হবে বলে আমাদের বিশ্বাস।’

উদ্যোগের অনেকটাই সফল হয়েছে বলে জানান যাদু রিছিল। তিনি বলেন, ‘সামনে আরও কয়েকটি আয়োজন পরিকল্পনা আছে। পুরো ফান্ডটা উঠে গেলে আমরা স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে সেটা হস্তান্তর করবো।’

অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করে দারুণ উচ্ছ্বসিত পাহাড়ি মেয়েদের গানের দল এফ মাইনর। দলটির অন্যতম ভোকাল পিংকি চিরান বলেন, ‘সবার সঙ্গে দারুণ সময় কেটেছে। ছোট ছোট বাচ্চাদের জন্য ফান্ড গঠনের এ উদ্যোগটা সফল হলে আমাদের ভালো লাগবে। আমাদের শ্রোতাদের অনুরোধ করবো, তারা যেন এমন উদ্যোগের সঙ্গে সবসময় থাকেন।’

বিষয়:

ফেডারেশন থেকে বের হওয়ার আবেদন ঢাকা থিয়েটারের

ঢাকা থিয়েটারের ‘বিনোদিনী’ নাটকের দৃশ্য
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন প্রতিবেদক

বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন থেকে সদস্যপদ প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ মঞ্চনাটকের দল ঢাকা থিয়েটার। ঢাকা থিয়েটারের জ্যেষ্ঠ সদস্য ও ফেডারেশনের নির্বাচিত সেক্রেটারি জেনারেল কামাল বায়েজীদকে ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটি অগঠনতান্ত্রিকভাবে তার পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার প্রতিবাদে এই পদত্যাগের আবেদন জানানো হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢাকা থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক নাট্যজন নাসির উদ্দীন ইউসুফ স্বাক্ষরিত একটি প্রত্যাহার পত্র পোস্ট করা হয়েছে নাট্যকর্মী সাইফ সুমনের অ্যাকাউন্ট থেকে। প্রত্যাহার পত্রটি বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী লাকী বরাবর দেয়া হয়েছে। তারিখ লেখা আছে ২২ মার্চ, ২০২৩।

সেখানে বলা হয়েছে, অত্যন্ত বেদনার সাথে জানাচ্ছি যে, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন ফেডারেশনের নির্বাচিত সেক্রেটারি জেনারেল ‘ঢাকা থিয়েটারে’র জ্যেষ্ঠ সদস্য জনাব কামাল বায়েজীদকে ঢোরেশনের কেন্দ্রীয় কমিটি অগঠনতান্ত্রিকভাবে তার পদ থেকে অব্যহতি দেয়ার প্রতিবাদে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নাট্যদল ‘ঢাকা থিয়েটার’ ফেডারেশন থেকে সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। এই পদত্যাগ বেদনার এবং কষ্টের। কিন্তু অন্যারের বিরেুদ্ধে প্রতিবাদ করা আমাদের আদর্শ।’

সেখানে আরও লেখা হয়েছে যে, নাসির উদ্দীন ইউসুফ ফেডারশেনের চেয়ারম্যানকে ঢাকা থিয়েটারের পক্ষ থেকে জানান যে, কামাল বায়েজীদকে অব্যহতি দান গঠনতন্ত্র অনুযায়ী হয়নি। সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার অনুরোধ করেন। একই সঙ্গে কামালের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।

কিন্তু এর কোনো উত্তর ‍ফেডারেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি। এমনকি সংকট নিরসনে দুজন জ্যেষ্ঠ নাট্যজনও তার সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু চেয়ারম্যানের কাছ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি বলে ওই পদত্যাগ পত্রে জানানো হয়েছে। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘সংকট নিরসনের উদ্যোগী হয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় ও শ্রদ্ধেয় অভিনেতা-নির্দেশক আসাদুজ্জামান নূর ও নাট্যকার-নির্দেশক-অভিনেতা মামুনুর রশীদ স্বশরীরে আপনার সঙ্গে কথা বলেছে। সংকট নিরসনের আপনার পদক্ষেপের জন্য অনুরোধ করেছে। কিন্তু আপনার পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।’

সেখানে আরও লেখা হয়েছে যে, নাসির উদ্দীন ইউসুফ সর্বশেষ এশিয়ান বাইনিয়াল চলাকালীন ফেডারেশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠক করেন। কিন্তু এরপর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হয়ে গেলেও সংকট নিরসনে কোনো প্রকার উদ্যোগ নেয়নি ফেডারেশন।

এমন অবস্থায় কামাল বায়েজীদের সম্মান, সামাজিক মর্যাদা রক্ষা ও কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যায় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ঢাকা থিয়েটার ফেডারেশনের সদস্যপদ প্রত্যাহারের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


চলে গেলেন জনপ্রিয় মালয়ালম অভিনেতা ইনোসেন্ট

মালয়ালম অভিনেতা ইনোসেন্ট
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

মারা গেছেন জনপ্রিয় মলিউড অভিনেতা ইনোসেন্ট। তামিল চলচ্চিত্রে বেশ কিছু স্মরণীয় চরিত্রকে জীবন্ত করে তুলেছিলেন তিনি। গতকাল রোববার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই অভিনেতা। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।

ইনোসেন্টকে কোচির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল গলায় সংক্রমণের কারণে। সেখানে ১৬ মার্চ থেকে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি এবং তার মৃত্যুর খবর মালয়ালম সিনেমার প্রতিটি সিনেমাপ্রেমী এবং তারকাকে আহত করেছে।

একজন অভিনেতা ছাড়াও, ইনোসেন্ট চালকুডি এলএস নির্বাচনী এলাকার সাবেক সাংসদও ছিলেন। তিনি মালয়ালম মুভি আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি। কমেডি চরিত্রে তার অভিনয় দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করত। তার অভিনীত বেশ কিছু আইকনিক চরিত্র সবসময় আলোচিত লোকের মুখেমুখে।

১৯৭২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এবং এবি রাজ পরিচালিত ‘নৃত্যশালা’ সিনেমার মাধ্যমে ইনোসেন্ট মালয়ালম চলচ্চিত্র শিল্পে প্রবেশ করেন। পরবর্তীকালে তিনি বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা এবং চরিত্র দিয়ে প্রতিটি মালয়ালি চলচ্চিত্রপ্রেমীদের হৃদয়ে স্থান করে নেন।

বর্ষীয়ান অভিনেতাকে শেষ দেখা গিয়েছিল ‘কাডুভা’ ছবিতে, যেখানে তিনি ‘এফআর ভাত্তাশেরিল’ নামের একটি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। অভিনেতাকে শেষ দেখা যাবে ফাহাদ ফাসিল অভিনীত ‘পাচুভুম অথভুথাভিলাকুম’ নামের একটি তামিল ছবিতে, যা খুব শিগগির মুক্তি পাওয়ার কথা।


রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে এবার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা শাকিবের

চলচ্চিত্র অভিনেতা শাকিব খান
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন প্রতিবেদক

‘অপারেশন অগ্নিপথ’ সিনেমার সহ-প্রযোজক রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা দায়ের করেছেন চলচ্চিত্র অভিনেতা শাকিব খান। এবার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেছেন তিনি।

সোমবার দুপুরে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জুলফিকার হায়াতের আদালতে এ মামলা করেন শাকিব। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পরে আদেশ দেবেন বলে জানান।

এর আগে গত ২৩ মার্চ বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাতুল রাকিবের আদালতে চাঁদাবাজি ও হত্যার হুমকির অভিযোগ এনে ওই প্রযোজকের বিরুদ্ধে মামলা করেন শাকিব খান। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আসামি রহমত উল্লাহকে আগামী ২৬ এপ্রিল আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন। একইসঙ্গে আগামী ৬ জুন পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন আদালত।

ওই দিন নিজের বাসার গ্যারেজে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শাকিব খান দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে প্রযোজক রহমত উল্লাহর আনা সব অভিযোগ মিথ্যা। অপারেশন অগ্নিপথ সিনেমার প্রযোজক রহমত উল্লাহ নন বলেও তিনি জানান।

গত ১৫ মার্চ বুধবার বিকেলে সশরীরে এফডিসিতে উপস্থিত হয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতি, পরিচালক সমিতি, শিল্পী সমিতি এবং ক্যামেরাম্যান সমিতিতে শাকিব খানের বিরুদ্ধে অসদাচরণ, মিথ্যা আশ্বাস, ধর্ষণ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে অবহেলা নিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন প্রযোজক রহমত উল্লাহ।

পরে ১৮ মার্চ রহমত উল্লাহর নামে মানহানির মামলা করতে রাজধানীর গুলশান থানায় যান শাকিব খান। তবে পুলিশ মামলাটি নেয়নি। তাকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয় পুলিশ।

১৯ মার্চ বিকেলে শাকিব খান তার অভিযোগ নিয়ে রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। ওইদিন ডিবির পক্ষ থেকে বলা হয়, শাকিব খানের অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হবে।


banner close