সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২

ভারতীয় নৌ-সেনাদের আড্ডায় রুটি বানালেন সালমান

ভারতীয় নৌ-সেনাদের আড্ডায় রুটি বানালেন সালমান
রান্না ঘরে রুটি বানাচ্ছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। ছবি: সংগৃহীত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত

সিনেমা কিংবা বাস্তবে, সবখানেই চমক দিতে ভালোবাসেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। আর সালমানের নতুন চমকের অপেক্ষায় থাকেন ভক্ত-অনুরাগীরাও। এবার সাল্লু খ্যাত এ অভিনেতার ভিন্ন রকম এক চরিত্র সাড়া ফেলেছে নেটিজেনদের মাঝে।

সম্প্রতি ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশটির নৌ-সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আড্ডায় যুক্ত হন বলিউডের ভাইজান। সাদা শার্ট, কালো প্যান্ট ও মাথায় কালো টুপি পরে নেভি অফিসারদের সঙ্গে পুরো একদিন চুটিয়ে আড্ডা দেন। 

সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে ওই আড্ডার ছবি। তাতে দেখা যায়, রান্না ঘরে ঢুকে রুটি বানাচ্ছেন সাল্লু। অন্য এক ছবিতে গানের তালে নৌ-সেনাদের সঙ্গে নাচতেও দেখা যায় তাকে।

এদিকে হত্যার হুমকি পাওয়ার পর থেকেই বেশ মানসিক চাপে আছেন সালমান। নিজের ও পরিবারের সুরক্ষায় কোনো আপষ করতে চাইছেন না তিনি। এরই মধ্যে ভারতের আদালত থেকে নিজের সঙ্গে বন্দুক রাখার অনুমতিও পেয়েছেন। 

সম্প্রতি সালমানের মুম্বাইয়ের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট চত্বরে একটি বুলেটপ্রুফ গাড়ি ঘুরতে দেখা গেছে। বলা হচ্ছে, নিজের সুরক্ষার জন্যই বুলেটপ্রুফ ল্যান্ড ক্রুজারটি কিনেছেন সালমান। আত্মরক্ষার স্বার্থেই এখন থেকে তিনি এই গাড়িতেই যাতায়াত করবেন।


উন্মুক্ত হলো ‘শেখ হাসিনা- এ ট্রু লিজেন্ড’ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র

উন্মুক্ত হলো ‘শেখ হাসিনা- এ ট্রু লিজেন্ড’ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র
‘শেখ হাসিনা- এ ট্রু লিজেন্ড’ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র মুক্তি পেয়েছে ইউটিউবে
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মবার্ষিকী ২৮ সেপ্টেম্বর। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন ঘিরে প্রামাণ্যচিত্র ‘শেখ হাসিনা-এ ট্রু লিজেন্ড’ উন্মুক্ত করেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বৈষ্টমী। সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বৈষ্টমীর ইউটিউব পেজে প্রামাণ্যচিত্রটি উন্মুক্ত করা হয়।

প্রামাণ্যচিত্রটি পরিচালনা করেছেন বৈষ্টমীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আয়শা এরিন। প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণে সহযোগিতা করেছেন কে এইচ এন রিসার্চ টিম (বাংলাদেশ), ডিডি রিসার্চ (ইউরোপভিত্তিক) ও আইডিয়াল থিংকারস অ্যাসোসিয়েশন।

আয়শা এরিন বলেন, ‘আসছে ২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন। আমরা বৈষ্টমী পরিবার মনে করছি, তার জন্মদিন ঘিরে জনমনে উচ্ছ্বাস থাকুক।’

প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটির পরিচালক জানান, প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটিতে বিদেশি গণমাধ্যম যেভাবে শেখ হাসিনার জীবন পরিক্রমাকে দেখে, তা স্থান পেয়েছে। একজন শেখ হাসিনার নেতৃত্ব নিয়ে গবেষণা করে তার রাজনীতিক হতে পারা এবং শাসক হতে পারার কী কী গুণাবলি চরিত্র নিয়ে অদম্য সত্তা হতে পেরেছেন, তা জায়গা করে নিয়েছে।

আয়শা এরিন বলেন, চলচ্চিত্রটির শুটিং করা হয়েছে ইউরোপ ও বাংলাদেশের বিভিন্ন লোকেশনে। ৪০ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটি সারাদেশের অন্তন্ত আট কোটি মানুষ দেখতে পারলে আমরা সার্থক হব বলে মনে করছি।

প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটিতে আবহ সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন নবান্ন ব্যান্ড, কে এইচ এন টিউন। এ ছাড়াও রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ও কৃষ্ণকলির জনপ্রিয় দুটি গান স্থান পেয়েছে। রয়েছে দুটি কবিতাও। সম্পাদনায় জনি গোমেজ। সিনেমাটগ্রাফার হিসাবে কেএইচএন, দুলিও (ডেনমার্ক), মোহাম্মদ রফিক ও সারাহ কাজ করেছেন।

উল্লেখ্য, বৈষ্টমী এ পর্যন্ত ‘শিল্পীসত্তা’, ‘ফিল্ম নাইট থার্টি ফার্স্ট’, ‘যিশু এসেছিল, আসবেন’ শর্টফিল্মগুলো টেলিভিশন চ্যানেলের জন্য নির্মাণ করে প্রশংসিত হয়েছিল। এ ছাড়াও আগামী বছরের শুরুতে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ‘লিলিথ’-এর, যা ১৮টি দেশে শ্যুট করে এখন সম্পাদনার টেবিলে রয়েছে। ‘সুবর্ণ রেখায় চাঁদ ও তারা’, ‘শ্রমিকের জান’, ‘জার্নি’, ‘ফুটবল’, স্বর্গীয় নগরসহ প্রায় ১১টি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি।


আলিয়ার হলিউড অভিষেক, সঙ্গী গাল গ্যাদত

আলিয়ার হলিউড অভিষেক, সঙ্গী গাল গ্যাদত
আলিয়া ভাট।
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত

ধুন্ধুমার অ্যাকশন আর অবিশ্বাস্য স্ট্যান্ট নিয়ে হাজির আলিয়া ভাট। অ্যাকশন ছবি বলেছিলেন, তাই বলে এমন অ্যাকশন নিয়ে হাজির হবেন আলিয়া, তার আঁচটুকুও আগে পাওয়া যায়নি। নেটফ্লিক্স তাদের ছবি ‘হার্ট অব স্টোন’-এর এক ঝলক প্রকাশ করল গত ২৪ সেপ্টেম্বর। সেখানেই দেখা মিলল ধুন্ধুমার সব অ্যাকশন আর মরণপণ স্ট্যান্টের।

নেটফ্লিক্সের ইউটিউব চ্যানেলে ছিল বিশ্বব্যাপী ভক্তদের জন্য ইভেন্ট ‘টুডুম: আ নেটফ্লিক্স গ্লোবাল ফ্যান ইভেন্ট’। সেখানেই এই ছবির ভিডিও দেখা যায়। ভিডিওতে ছিল ছবির ‘বিহাইন্ড দ্য সিন’ মানে শুটিংয়ের পেছনের গল্প আর কিছু অ্যাকশন ও স্ট্যান্টের দৃশ্য। তাতেই মাত দর্শক। একেবারে মারকাটারিভাবেই যে আলিয়ার অভিষেক হচ্ছে তা নিশ্চিত।

ভিডিওর শুরুতেই দেখা মেলে সাগরের তীর ধরে কেউ বাইক চালিয়ে যাচ্ছেন। এরপরই আসে ধু-ধু মরুভূমির দৃশ্য। পেছন থেকে ভেসে আসে কণ্ঠস্বর। ‘তুমি কি জান, কীসের জন্য তুমি এখানে ঢুকছ? আমাদের কোনো বন্ধু নেই, কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা যা করি সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’ এরপরই দেখা মেলে গ্যাল গ্যাদতের। হলিউডে অভিনেত্রী এই ছবিতে আছেন র‌্যাচেল স্টোন হিসেবে, যে একজন সিআইএ এজেন্ট।

দেখা মেলে আলিয়া ভাটেরও। যেখানে আলিয়াকে দেখা যায় অনেকগুলো মারমার কাটকাট অ্যাকশন দৃশ্যে। ছবিটি নিয়ে জানান তার বক্তব্যও। আলিয়া বলেন, ‘এখানে চরিত্রটি আপনার সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করবে। অনুভব সৃষ্টি করবে।’

ভিডিও থেকে জানা যায়, আলিয়াকে দেখা যাবে কেয়া ধবন হিসেবে। এর বেশি অবশ্য আলিয়াকে নিয়ে জানা যায়নি। গাল গ্যাদত ছাড়াও আলিয়ার সঙ্গে এই ছবিতে আছেন জেমি ডরন্যান।

বলে রাখা ভালো, এই ছবির শুটিংয়ের সময় আলিয়া ছিলেন অন্তঃসত্ত্বা। অন্যদিকে এটাই তার জীবনের প্রথম অ্যাকশন ছবি। সুতরাং সে সময় এমন সব ধুন্ধুমার অ্যাকশন দৃশ্যে অভিনয় করা সত্যিই চ্যালেঞ্জিং ছিল ভাট কন্যার কাছে।

ছবিটি পরিচালনা করছেন টম হারপার। ছবিটি টম ক্রুজের ‘মিশন ইম্পসিবল’-এর মতো অ্যাকশন ঘরানার ফ্রাঞ্চাইজি করার পরিকল্পনা নিয়ে বানানো হয়েছে।


আমি চরিত্রটা বিশ্বাস করে করতে পারিনি

আমি চরিত্রটা বিশ্বাস করে করতে পারিনি
অভিনেতা ফেরদৌস।
অপূর্ণ রুবেল
প্রকাশিত

অপূর্ণ রুবেল

শুক্রবার মুক্তি পেয়েছ ‘বিউটি সার্কাস’ চলচ্চিত্র। এতে বাহাদুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা ফেরদৌস। তবে তার চরিত্র ও অভিনয় নিয়ে খানিকটা অতৃপ্তি আছে তার। দৈনিক বাংলার কাছে বলেছেন বিস্তারিত।

বিউটি সার্কাসের বাহাদুর চরিত্রের সঙ্গে কীভাবে যুক্ত হলেন?

মাহমুদ দিদার যখন প্রথম গল্পটা শোনাতে আসে, তখন আমার কাছে পুরো গল্পটাই খুব ভালো লাগে। একটা মেয়ের জার্নি। ছবিতে সার্কাস একটা পার্ট। তবে আমার চরিত্রটা নিয়ে একটু আপত্তি ছিল। আমি তো এ রকম চরিত্র আগে কখনো করিনি। দিদার আমাকে অনেক কিছু বোঝায়। ডিফারেন্টভাবে উপস্থাপন করা হবে, সবাই পছন্দ করবে এ রকম অনেক কিছু। তারপর তো শুটিং হয়। শুটিংয়ের আয়োজনটা ব্যাপক ছিল। একদম রিয়েল লোকেশনে শুটিং হয়েছে। বেশ কয়েক বছর পর ফাইনালি রিলিজ হলো। বেশ সাড়াও পাচ্ছি। অনেকেই ভালো বলছেন। অনেকেই মিশ্র প্রতিক্রিয়াও দেখাচ্ছেন। তবে আমার কাছে মনে হয়েছে আমার সঙ্গে চরিত্রটা যায় না।

‘চরিত্রটা যায় না’- কেন এমনটা মনে হলো?

ব্যাপারটা জোর করে ভালোবাসা প্রকাশের মতো। চরিত্র হিসেবে ঠিক আছে। গল্পের সঙ্গে ভীষণভাবে যায়। কিন্তু আমি চরিত্রটা বিশ্বাস করে করতে পারিনি। নিজের সঙ্গে নিজে জোর করে অভিনয় করেছি। কারণ সিনেমাটা যেহেতু সাইন করে ফেলেছি, কাজটা তো করতে হবে। আসলে আমি যে চরিত্রটা যখন করি সেটা হয়ে ওঠার চেষ্টা করি। কিন্তু এটাতে সে রকম চেষ্টা করার সুযোগ হয়নি।

চরিত্রটা তো নেতিবাচক। এ রকম চরিত্র তো মনে হয় আগে করা হয়নি!

করেছি, তবে এ রকম নয়। যেমন খাইরুন সুন্দরীতে ভালোবাসতে বাসতে পাগল হয়ে যাই। ব্যাচেলরে লাইক প্লেবয়। এ রকম আর কী। তবে এটা তো দেখে অনেকেই প্রশংসা করেছেন। দু-একজন তো বললেন, আপনি নেগেটিভ ক্যারেক্টারে ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেতে পারেন।

ছবিটির একজন অভিনেতা হুমায়ূন সাধু দুই বছর আগে মারা গেছেন। শুটিংয়ে তার সঙ্গে আলাপ হয়েছিল কখনো?

শুটিং ছাড়াও সাধু ভাইয়ের সঙ্গে আমার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা হতো। শুটিংয়ে একবার চিত্রনাট্য নিয়ে আলাপ হয়েছিল। তখন সাধু ভাই বলেছিলেন, ঢাকা ফিরে আপনার সঙ্গে একটা স্ক্রিপ্ট নিয়ে বসব। তারপর আর বসা হয়নি। তবে এই ছবি করতে গিয়ে তৌকীর ভাইয়ের সঙ্গে খুব আড্ডা হয়েছে। আমরা অনেক ঘুরে বেড়িয়েছি।

এখন তো সিনেমার একটা সুদিন এসেছে। আপনি কি আপনার সুদিনের সেই সময়গুলো মিস করেন?

আমার কিন্তু ব্যক্তিগত কোনো কিছু নিয়ে আক্ষেপ নেই। আমি যা করছি বুঝে-শুনেই করি। আমার হাতে কিন্তু বেশ কিছু সিনেমা কমপ্লিট হয়ে আছে। সামনে আমার ‘দামপাড়া’, ‘মানিকের লাল কাঁকড়া’, ‘গাঙচিল’, ‘১৯৭১ সেইসব দিন’,  সিনেমাগুলো মুক্তি পাবে। মুক্তি পেলে আমার ভক্তরা নতুন করে আমাকে পাবেন। আসলে সিনেমার জন্য সঠিক সময়টা খুব জরুরি।

এত কিছু করার পরও কখনো কি মনে হয় নায়ক ফেরদৌসকে ঠিকঠাক ব্যবহার করা হয়েছে?

না। আমার কাছে মনে হয় আমরা যারা সমসাময়িক মানে মৌসুমী, শাবনূর, পপি কাউকেই পর্দায় ঠিকমতো উপস্থাপন করা হয়নি। গল্পও সে রকম আসেনি। আমাকে নিয়ে কিন্তু অনেক চ্যালেঞ্জিং চরিত্র করা যায়। কিন্তু সে রকম করা হয়নি। সবাই আমার ইমেজটা নিয়ে ভেবেছে, কিন্তু মেধা নিয়ে ভাবেনি এবং কাজ করেনি।

একটু অন্য প্রসঙ্গে জানতে চাই, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যখন আপনাকে নিয়ে সমালোচনা, ট্রল বা মিম দেখেন তখন কেমন লাগে?

যখন ফান হিসেবে করে তখন খারাপ লাগে না। কিন্তু যখন ব্যক্তিগতভাবে আঘাত করার জন্য করা হয় তখন খারাপ লাগে। মনে হয়, এই মানুষগুলোর জন্যই তো আজীবন কাজ করেছি। আমাদের তো পরিবার আছে, বাচ্চা আছে, মা আছে, স্ত্রী আছ। আমি যতটা সহজে নিতে পারব তারা তো পারবে না!


সিনেপ্লেক্সে বাংলা সিনেমার দাপট

সিনেপ্লেক্সে বাংলা সিনেমার দাপট
সিনেপ্লক্সে ছবি দেখতে দর্শকের ভিড়। ছবি: সংগৃহীত
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত

এ সময় বাংলা সিনেমার পালে সত্যিই হাওয়া এনে দিল ‘হাওয়া’ ছবিটি। তার সঙ্গী ছিল ‘পরাণ’। রাজধানী ও এর বাইরের সিনেপ্লেক্সগুলোতে বিদেশি ছবির সঙ্গে টক্কর দিয়ে দর্শকের চাহিদা মিটিয়েছে। সেই ধারা এখনো চলমান সিনেপ্লেক্সে। এখনো সেখানে বাংলা ছবির সংখ্যাই বেশি।

সাধারণত সিনেপ্লেক্সগুলোর ছবির শিডিউলের দিকে চোখ বুলালে একটা সময় আঁতকে উঠতে হতো! তালিকায় থাকা ছবির বেশিরভাগই থাকত বিদেশি। হাতো গোনা দু-একটা ছবি থাকত দেশি। গত শুক্রবার সিনেপ্লেক্সের শিডিউল দেখে চোখ ছানাবড়া! রাজধানী ও বাইরের প্রত্যেকটি সিনেপ্লেক্সে বিদেশি ছবির তুলনায় দেশি ছবির সংখ্যা বেশি।

স্টার সিনেপ্লেক্সের প্রত্যেকটি শাখায় রাজত্ব করছে বাংলা সিনেমা। পান্থপথের বসুন্ধরা শপিংমলে সাতটি সিনেমার মধ্যে মাত্র ২টি বিদেশি। ধানমন্ডির সীমান্ত সম্ভারে ৪টি সিনেমার ১টি বিদেশি, মহাখালীর এসকেএস টাওয়ারের ৫টি সিনেমার ১টি বিদেশি, মিরপুর-১ এর সনি স্কয়ারে ৫টি সিনেমার ১টি বিদেশি। যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টার্স সিনেমাসে ৭টি সিনেমার ২টি বিদেশি। চট্টগ্রামের সিলভার স্ক্রিনে পাঁচটি সিনেমার মধ্যে মাত্র ১টি বিদেশি।

শুধু তাই নয়, কোনো কোনো সিনেপ্লেক্সে কেবল বাংলা সিনেমাই চালানো হচ্ছে। কেরানীগঞ্জের লায়ন সিনেমাসের চারটি ছবিই বাংলা। সিনেস্কোপ নারায়ণগঞ্জে একটি সিনেমা চলছে, সেটিও বাংলা। বঙ্গবন্ধু মিলিটারি মিউজিয়ামের দুটি সিনেমার দুটিই দেশি বা বাংলা।

বাংলা সিনেমা বাড়ার পেছনে বাংলা ছবির দর্শক আবার হলে ফেরার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিলেন স্টার সিনেপ্লেক্সের জ্যেষ্ঠ বিপণন ব্যবস্থাপক মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘বাংলা সিনেমা চালানোটা আমাদের জন্য গর্বের। পাশাপাশি এটাও বলতে চাই, সিনেমা হলে বাংলা ছবির দর্শক ফিরেছে। শুধু বাংলা সিনেমা নিয়ে আমাদের আবেগ নয়, পাশাপাশি ব্যবসাও ভালো হচ্ছে বলেই সিনেপ্লেক্সে বাংলা সিনেমার সংখ্যাটা বাড়ছে।’

সিনেপ্লেক্সগুলোর তালিকা ঘেঁটে দেখা গেছে এখন সেখানে চলছে ‘অপারেশন সুন্দরবন’, ‘বিউটি সার্কাস’, ‘পরাণ’, ‘হাওয়া’, ‘বীরত্ব’, ‘অ্যাভাটার’ ও ‘দ্য কুইন্টেস্সেনশিয়াল কুইন্টুপলেটস মুভি’। তবে নিয়মিত বাংলা সিনেমা মুক্তি পেলে সিনেপ্লেক্সে বাংলা ছবির দাপট থাকবে। ভালো সিনেমা বানানোও একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। কারণ ভালো সিনেমা হলেই কেবল দর্শক টিকিট কেটে সেই সিনেমা দেখতে চান। বিদেশি সিনেমার চাহিদা কমে যায়। বাংলা সিনেমাও পাল্লা দিয়ে দর্শকের চাহিদা মেটাতে পারে। ব্লকবাস্টার সিনেমাসের টিম লিডার মো. রাজন বলেন, ‘গত কয়েক মাস ধরে বাংলা সিনেমা হলিউড সিনেমার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়ছে। এ সময় যেহেতু হলিউড কিংবা বিদেশি ভালো ছবি খুব একটা নেই, তাই দর্শকের চাহিদা বাংলা ছবিতেই। আগের থেকে এখন বিদেশি ছবির সঙ্গে বাংলা ছবিরও চাহিদা সিনেপ্লেক্সে বাড়ছে।’

শুধু দেশে নয়, দেশের বাইরেও চাহিদা বাড়ছে বাংলা ছবির। সম্প্রতি ‘হাওয়া’, ‘পরাণ’ ও ‘দিন-দ্য ডে’ নিয়ে বাইরে প্রবাসী বাঙালি ও বিদেশিদের আগ্রহ দেখা গেছে। নিয়মিত বাংলা সিনেমা তৈরি হলে আবার সুদিন ফিরবে বলে আশ্বাস সিনেমা সংশ্লিষ্টদের।



সালমানের পিছু নিয়েছিলেন সালমান

সালমানের পিছু নিয়েছিলেন সালমান
দক্ষিণ ভারতের মালয়ালম তারকা দুলকার সালমান।
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত

শিরোনামটা খটমটে লাগলেও ঘটনাটা খাঁটি! এক সালমানেরই পিছু নিয়েছিলেন আরেক সালমান। দুজনই তারকা। দুই ভুবনের।

সালমান খান বলিউড সুপারস্টার। আর দক্ষিণ ভারতের মালয়ালম তারকা দুলকার সালমান। জীবনের প্রথম দিকে দুলকার পিছু নিয়েছিলেন ভাইজানের। ইচ্ছা একটু দেখা করা। সম্প্রতি এই খবর জানালেন মামুত্তি পুত্র।

তখন দুলকার তরুণ। সিনেমাতে তার বাবা মামুত্তির জয়জয়কার। এদিকে বলিউডে একনাম সালমান খানের। তাকে নিয়ে ক্রেজও কম না। সালমানের সঙ্গে দেখা করার জন্য এক বন্ধুকে নিয়ে তার গাড়ির পিছু নিয়েছিলেন দুলকার। যাই হোক। পিছু নিলে কী হবে। দেখা মেলেনি প্রিয় তারকার। শৈশবে সালমান খানের দারুণ ভক্ত ছিলেন এই মালয়ালী তারকা।

দুলকারের নতুন ছবি ‘চুপ: দ্য রেভেঞ্জ অব দ্য আর্টিস্ট’ মুক্তি পেয়েছে গত ২৩ সেপ্টেম্বর। তারই প্রচারে ব্যস্ত এই তারকা। আর বালকির এই ছবি দিয়ে ফের হিন্দি ছবিতে দেখা গেল দুলকারকে। প্রচারে দুলকার জানান, সালমানের পাঁড় ভক্ত হয়ে বেড়ে ওঠার দিনগুলো।

ম্যাশবেল ইন্ডিয়ার সঙ্গে আলাপে দুলকার বলেন, ‘আমরা অলিভ যেতাম বন্ধুদের সঙ্গে। সেখানে তারকারা আসতেন। কলেজ শিক্ষার্থীদের জন্য এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কী থাকে! আমি সালমান খানের গাড়ির পিছু নিয়েছিলাম। আমি তার পাঁড় ভক্ত। তার গাড়ি নাম্বার হলো ২৭২৭। আমাদের উদ্দেশ্য ছিল গাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় তার দেখা পাওয়া। কিন্তু তার দেখা পাইনি। তিনি গাড়ির সামনের সিটে বসা ছিলেন। এখনো সালমান খানের সঙ্গে দেখা হয়নি।’

দুলকার ছাড়া এই ছবিতে দেখা যাবে সানি দেওল, পূজা ভাটকে। ছবিটি এমন একজন আর্টিস্টকে নিয়ে যে চলচ্চিত্র সমালোচকদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেন।