রোববার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

ভালো কিছু করতে পারলাম কি না, সেই স্বস্তিটা গুরুত্বপূর্ণ

খায়রুল বাসার
নিফাত সুলতানা
প্রকাশিত
নিফাত সুলতানা
প্রকাশিত : ৩ জুন, ২০২৩ ০৯:৫৪

নিয়মিত নাটক ও ওয়েব কন্টেন্টে কাজ করে ছোট পর্দার প্রিয় মুখ হয়ে উঠছেন অভিনেতা খায়রুল বাসার। মূকাভিনেতা হিসেবে তার অভিনয়ের যাত্রা শুরু হয় ২০১১ সালে। এরপর নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এখন অভিনয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। খায়রুল বাসার তার ক্যারিয়ার শুরুর গল্প ও বর্তমান ব্যস্ততা নিয়ে কথা বললেন দৈনিক বাংলার সঙ্গে।

কেমন আছেন? কিছুদিন আগেই ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘একটু আধটু পাগল না হলে এই দুনিয়ায় বাঁচা বড় দায়।’ কারণ কী?

ভালো আছি। ওটা একটা নাটকের চরিত্র। নাটকের নাম ‘প্রিয় লাইলি’। আমি একজন টিউশন শিক্ষকের চরিত্রে অভিনয় করেছি। নাটকে হঠাৎ করেই লাইলির সঙ্গে দেখা হয়, প্রেম হয়। তারপর প্রেম ভেঙে যাওয়ার পর সে পাগল হয়ে যায়। আমার পছন্দের একটা চরিত্র টিউশন মাস্টার। সেই ছবিটিই সবার সঙ্গে শেয়ার করেছি।

ঈদের কাজগুলো থেকে কেমন সাড়া পেয়েছেন?

গত ঈদের কাজগুলো খুব ভালো ছিল। ‘ডুবসাঁতার-২’, ‘বাবুই পাখির বাসা’, ‘দই ফুচকা’, ‘দ্য ফাস্ট কেস’- এগুলো দর্শক পছন্দ করেছেন।

আসন্ন ঈদের ব্যস্ততা কেমন?

ব্যস্ততা একটু কম। একটা ফিল্মের কাজ করছি। সেই ব্যস্ততায় এদিকে একটু কাজ কম করা হচ্ছে। ঈদের নাটক এখনো সেভাবে শুরু করিনি। তবে ‘প্রিয় লাইলি’ করলাম ঈদের জন্য। আরেকটা কাজ করলাম ‘সাদা পায়রা সাদা ফুল’ নামে। সামনে আরও তিন বা চারটা ফিকশন শুরু করব।

নাটকে নতুন জুটি হিসেবে সাদিয়া আয়মান ও খায়রুল বাসার বেশ পরিচিতি পাচ্ছে। এটা কেমন উপভোগ করছেন?

এটা খুব ভালো লাগছে। দর্শক আমাদের জুটিকে ভালোভাবে নিচ্ছেন। গত ঈদে যে কয়টা কাজ এসেছে, বেশির ভাগ সাদিয়ার সঙ্গে। একসঙ্গে প্রায় ১১টি নাটকে কাজ করার সুযোগ হলো। সাদিয়া খুবই সুন্দর। ওর তো ক্যারিয়ার মাত্র শুরু। তার পরও আমার কাছে মনে হয় সে খুব ভালো অভিনয় করে। তার সঙ্গে অভিনয় করে কমফোর্ট ফিল করি। আমাদের যোগাযোগ ভালো। এগুলো দর্শক ভালোভাবে নিচ্ছেন। তাদের প্রশংসা আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে আরও উৎসাহিত করে। মনে হয়, সামনে এই জুটি আরও ভালো কাজ দিতে পারবেন।

ওটিটির ব্যস্ততা কেমন যাচ্ছে?

যে ছবিটা করছি তার জন্য অন্যদিকে খুব একটা নজর দিতে পারছি না। তবে অনেক কাজ জমে আছে। ঈদের পর শুরু করব।

অভিনয়ের শুরুটা নিয়ে একটু শুনব

অভিনয়ে অনেক বছর হয়ে গেল। শুরুটা আমার মূকাভিনয় দিয়ে। ২০১১ সাল থেকে আমরা একটা সংগঠন দাঁড় করাই। আমাদের ক্যাম্পাসে মীর লোকমান ভাইয়ের মূকাভিনয় দেখে উৎসাহ পাই। একটা অনুষ্ঠানে ৮ ঘণ্টার মতো একটা শো ছিল। আমি সেখানে ছিলাম, কিন্তু আমার মনে হয়েছিল সময়টা ৫ মিনিটে চলে গেছে। তখন মনে হলো, এটা মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখার মতো একটা আর্ট। আমার শেখার আগ্রহ তৈরি হয়। তারপর একটা সংগঠন তৈরি করে সেখান থেকে মূকাভিনয় শেখা। তখন একটা গানের সংগঠনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলাম। সংগঠনের সঙ্গে থাকাকালীন একটা পরিচিতি হয়ে যায়। টুকটাক অভিনয়ও করি। তখন অনেকে আসতেন শর্টফিল্ম করবেন, তারপর সেগুলো বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালে দেয়ার পরিকল্পনা নিয়ে। তাদের সঙ্গে কাজ করতাম। চেষ্টা করতাম ভালো কিছু করার। এ রকম করেই পর্দায় অভিনয়ে মন চলে আসা। সারা দিন পরিশ্রম করেও ক্লান্ত হতাম না। ভালো লাগত। তখন মনে হলো অভিনয় নিয়েই থাকব। ক্যারিয়ার তৈরি করব। বিজ্ঞাপন করতাম। সালেহ সোবহান অনীম ভাই এবং সৈয়দ আহমেদ শাওকী ভাইয়ের হাত ধরেই আমার প্রথম ফিকশন। প্রজন্ম টকিজের শর্টফিল্ম ‘পুনরাবৃত্তি’ করি। ২০১৭ সালে আরেকটা নাটক ‘কথা হবে’ করার পর দুটো কাজ ভালো আলোচনায় আসে। তখন থেকে অভিনয়ের ডাক আসা শুরু হয়। ‘ইতি, তোমারই ঢাকা’, ‘উনপঞ্চাশ বাতাস’ করি। ২০২০ সালে কাছে আসার গল্পে কাজ করি। ২০২১ সালেও কাছে আসার গল্পে কাজের ডাক আসে। তারপর ‘নেটওয়ার্কের বাইরে’, ‘চরের মাস্টার’, ‘মহানগর’- এসব মিলিয়েই আমার চলা শুরু হয়। এখন ব্যস্ততা তৈরি হচ্ছে।

কোনো পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছেন?

আমি যখন মনস্থির করে ফেলি আমি অভিনয়ই করব, তখন কোনো চাকরির পরীক্ষা দিতাম না। অভিনয়ের পেছনে একটা দায়িত্ববোধ ছিল। কারণ অভিনয় একটা বিপ্লবের মতো, বিদ্রোহের মতো। এটা প্রেমের জায়গা। এই বিষয়গুলো কাজে লাগিয়ে সুন্দর গল্পে কাজ করা, একটা সুন্দর চরিত্রকে প্রকাশ করা। এ ধরনের চ্যালেঞ্জ শুরু থেকেই ছিল। আমি যখন বাস্তবের কিছু চরিত্র দেখি, তখন সেটা থেকে খুব প্রভাবিত হই। সবকিছু থেকেই শিখি। অভিজ্ঞতা নিই। এটাই ধরে রাখব।

কখনো হতাশা কাজ করেছিল?

২০১২ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সময়টা খুব কঠিন ছিল। খুব কঠিন অভিজ্ঞতা আছে। হতাশা ছিলই। এখনো হতাশা কাজ করে। একটা কাজ ঠিকঠাকভাবে করতে না পারলে, গল্প ভালো না পেলে নানা হতাশা কাজ করে। হতাশা আজীবন থাকবেই। এটা আমার জন্য উর্বর একটা ব্যাপার। আমি যত বেশি হতাশ হই, ততবেশি কাজে প্রভাবিত হই। একটা সময় ছিল আমার দিনগুলো গুনে গুনে যেত। তখনো অভিনয় নিয়ে চিন্তা ছিল। এখনো আছে। তবে আমার আত্মবিশ্বাস প্রবল। ভালো কিছু করতে পারলাম কি না, সেই স্বস্তি থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ।


নতুন ভিডিওতে অন্যরকম পরীমনি

আপডেটেড ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:০৩
বিনোদন প্রতিবেদক

ঢাকাই ছবির গ্ল্যামার কুইন পরীমনির কিছু প্রকাশ পাওয়া মানে সেটা নিয়ে তার ভক্তদের মাঝে অন্যরকম কিছু কাজ করা। সোশ্যাল মিডিয়ায় পরীর কিছু এলেই তা নিয়ে তার ভক্তরা মাতামাতি শুরু করে দেন।

চিত্রনায়ক শরীফুল রাজের সঙ্গে সম্পর্কের সংগ্রাম অনেক আগেই শেষ হয়েছে পরীর। এখন একমাত্র ছেলে রাজ্যকে নিয়েই ব্যস্ত পরীমনি। অভিনয়ের বাইরে পুরো সময়টা ছেলেকেই দেন এ নায়িকা। রাজ্যের বাবা-মা বলতে এখন পরীমনিই। প্রায় সময়ই ছেলের সঙ্গে নানা খুনসুটিতে মেতে ওঠেন পরীমনি। আর ভক্তদের সঙ্গেও সেসব শেয়ার করতে ভোলেন না এ নায়িকা। সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে ছেলের সঙ্গে নতুন একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন পরীমনি। ভিডিওর ক্যাপশনে লিখেছেন- ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি আমার ভ্যালেন্টাইন। আমার একটা তুমি আছ। আমার নাড়িছেঁড়া ধন।’

বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে ছেলে রাজ্যের সঙ্গে কেক কেটে ভালোবাসা দিবস উদযাপন করেন তিনি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ভিডিওটি গতকাল শনিবার প্রকাশ করেন এ চিত্রনায়িকা। ভিডিওতে দেখা যায়, পরীমনির পরনে ছিল লাল শাড়ি। খোলা চুল আর হালকা মেকআপে বেশ লাস্যময়ী দেখাচ্ছিল তাকে। অন্যদিকে মায়ের সঙ্গে ম্যাচিং করে রাজ্য পরেছিল একটি লাল পাঞ্জাবি। ভিডিওতে হাস্যোজ্জ্বল মুখেই ক্যামেরায় ধরা দেন মা-ছেলে।

ভিডিওটি পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গেই হাজার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়েছে নেটিজেনদের। কমেন্টস বক্সে রীতিমতো মন্তব্যের ঝড় উঠেছে। সেখানে কেউ কেউ লিখছেন ‘পদ্মজার পদ্ম ফুল’, ‘অনেক ভালোবাসা নিও পদ্মফুল আর পরিমনি দিদি’ ইত্যাদি। পরীর কমেন্টস বক্সে সবাই মা-ছেলেকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানাতে দেখা যায়।

রাজের সঙ্গে সংসার ভাঙার পর থেকে ছেলের দেখাশোনা একাই করছেন পরীমনি। পাশাপাশি কাজেও ফিরেছেন এ নায়িকা। ইতোমধ্যে ‘ডোডোর গল্প’ সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন পরীমনি। এরপর যুক্ত হয়েছেন ‘খেলা হবে’ নামের নতুন একটি সিনেমায়। এ ছাড়া তার হাতে রয়েছে অনম বিশ্বাসের ওয়েব সিরিজ ‘রঙিলা কিতাব’। সম্প্রতি নায়ক ফেরদৌস আহমেদের সঙ্গে একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন পরীমনি। এ ছাড়া ভালোবাসা দিবসে বঙ্গ বিডিতে মুক্তি পেয়েছে পরীমনি অভিনীত ওয়েব ফিল্ম ‘বুকিং’। এটি নির্মাণ করেছেন মিজানুর রহমান আরিয়ান। এতে পরীর বিপরীতে অভিনয় করেছেন এ বি এম সুমন।


নতুন ভিডিওতে অন্যরকম পরীমনি

চিত্রনায়িকা পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন প্রতিবেদক

ঢাকাই ছবির গ্ল্যামার কুইন পরীমনির কিছু প্রকাশ পাওয়া মানে সেটা নিয়ে তার ভক্তদের মাঝে অন্যরকম কিছু কাজ করা। সোশ্যাল মিডিয়ায় পরীর কিছু এলেই তা নিয়ে তার ভক্তরা মাতামাতি শুরু করে দেন।

চিত্রনায়ক শরীফুল রাজের সঙ্গে সম্পর্কের সংগ্রাম অনেক আগেই শেষ হয়েছে পরীর। এখন একমাত্র ছেলে রাজ্যকে নিয়েই ব্যস্ত পরীমনি। অভিনয়ের বাইরে পুরো সময়টা ছেলেকেই দেন এ নায়িকা। রাজ্যের বাবা-মা বলতে এখন পরীমনিই। প্রায় সময়ই ছেলের সঙ্গে নানা খুনসুটিতে মেতে ওঠেন পরীমনি। আর ভক্তদের সঙ্গেও সেসব শেয়ার করতে ভোলেন না এ নায়িকা। সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে ছেলের সঙ্গে নতুন একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন পরীমনি। ভিডিওর ক্যাপশনে লিখেছেন- ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি আমার ভ্যালেন্টাইন। আমার একটা তুমি আছ। আমার নাড়িছেঁড়া ধন।’

বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে ছেলে রাজ্যের সঙ্গে কেক কেটে ভালোবাসা দিবস উদযাপন করেন তিনি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ভিডিওটি শনিবার প্রকাশ করেন এ চিত্রনায়িকা। ভিডিওতে দেখা যায়, পরীমনির পরনে ছিল লাল শাড়ি। খোলা চুল আর হালকা মেকআপে বেশ লাস্যময়ী দেখাচ্ছিল তাকে। অন্যদিকে মায়ের সঙ্গে ম্যাচিং করে রাজ্য পরেছিল একটি লাল পাঞ্জাবি। ভিডিওতে হাস্যোজ্জ্বল মুখেই ক্যামেরায় ধরা দেন মা-ছেলে।

ভিডিওটি পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গেই হাজার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়েছে নেটিজেনদের। কমেন্টস বক্সে রীতিমতো মন্তব্যের ঝড় উঠেছে। সেখানে কেউ কেউ লিখছেন ‘পদ্মজার পদ্ম ফুল’, ‘অনেক ভালোবাসা নিও পদ্মফুল আর পরিমনি দিদি’ ইত্যাদি। পরীর কমেন্টস বক্সে সবাই মা-ছেলেকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানাতে দেখা যায়।

রাজের সঙ্গে সংসার ভাঙার পর থেকে ছেলের দেখাশোনা একাই করছেন পরীমনি। পাশাপাশি কাজেও ফিরেছেন এ নায়িকা। ইতোমধ্যে ‘ডোডোর গল্প’ সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন পরীমনি। এরপর যুক্ত হয়েছেন ‘খেলা হবে’ নামের নতুন একটি সিনেমায়। এ ছাড়া তার হাতে রয়েছে অনম বিশ্বাসের ওয়েব সিরিজ ‘রঙিলা কিতাব’। সম্প্রতি নায়ক ফেরদৌস আহমেদের সঙ্গে একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন পরীমনি। এ ছাড়া ভালোবাসা দিবসে বঙ্গ বিডিতে মুক্তি পেয়েছে পরীমনি অভিনীত ওয়েব ফিল্ম ‘বুকিং’। এটি নির্মাণ করেছেন মিজানুর রহমান আরিয়ান। এতে পরীর বিপরীতে অভিনয় করেছেন এ বি এম সুমন।

বিষয়:

চার বছর পর আবার ‘মামুনুর রশীদ জন্মোৎসব’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন প্রতিবেদক   

দেশের প্রথিতযশা নাট্যজন মামুনুর রশীদ। একাধারে তিনি অভিনেতা, নাট্যকার ও নির্দেশক। বাংলাদেশের মঞ্চ, টিভি ও চলচ্চিত্র জগতের গুণী এই নাট্যব্যক্তিত্বর জন্মদিন ২৯ ফেব্রুয়ারি। এ কারণে তার জন্মদিন পালন করা হয় চার বছর পর পর। ১৯৪৮ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি জন্ম নেওয়া মামনূর রশীদের এবার ১৯তম জন্মদিন। এর আগে ২০২০ সালে যখন তার বয়স ৭২ বছর ছিল, তখন জমকালো আয়োজনে ১৮তম জন্মদিন পালিত হয় তার। ভক্ত ও সহকর্মীরাও চার বছর অপেক্ষায় থাকেন ২৯ ফেব্রুয়ারির জন্য।

এবারও ব্যতিক্রম হচ্ছে না। মামুনুর রশীদের জন্মদিন উপলক্ষে তিন দিনের বিশেষ উৎসবের আয়োজন করেছে তার হাতে গড়া নাট্যদল ‘আরণ্যক’। উৎসবে থাকবে মামুনুর রশীদ রচিত ও নির্দেশিত নাটকের মঞ্চায়ন, সংগীত, নৃত্য, সেমিনার, প্রদর্শনী, গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন, সংবর্ধনা ও থিয়েটার আড্ডা। ২৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ আয়োজনটি হবে শিল্পকলা একাডেমি, চ্যানেল আই প্রাঙ্গণ ও মহিলা সমিতিতে।

জানা গেছে, ২৯ ফেব্রুয়ারি সকালে চ্যানেল আইয়ে শুরু হবে জন্মোৎসব। ওই দিন মামুনুর রশীদকে নিয়ে লেখা একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হবে। এ বইয়ে তাকে নিয়ে লিখেছেন মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি। বিকেলে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় বিভিন্ন পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হবে প্রথম দিনের আয়োজন।

দ্বিতীয় দিন সকাল ১০টায় শিল্পকলা একাডেমির সেমিনার কক্ষে মামুনুর রশীদকে নিয়ে থাকছে বিশেষ সেমিনার। এতে প্রদর্শিত হবে তাকে নিয়ে শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র। বিকেলে মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে দেখা যাবে মামুনুর রশীদ রচিত ও নির্দেশিত ‘রাঢ়াং’ নাটকের দুটি মঞ্চায়ন। অভিনয় করবেন চঞ্চল চৌধুরী, আ খ ম হাসানসহ আরণ্যক নাট্যদলের জ্যেষ্ঠ অভিনয়শিল্পীরা।

তৃতীয় দিন ২ মার্চ সকাল ১০টায় অ্যাকটরস ইক্যুইটির উদ্যোগে হবে আরেকটি সেমিনার। এতে প্রবন্ধ পাঠের পাশাপাশি তাকে নিয়ে একটি তথ্যচিত্র দেখানো হবে, যেটি নির্মাণ করেছেন সুজাত শিমুল। এদিন বিকেলে মহিলা সমিতিতে মামুনুর রশীদ রচিত ও নির্দেশিত ‘কহে ফেসবুক’ নাটকের মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে শেষ হবে তিন দিনের আয়োজন।

মামুনুর রশীদের জন্ম ১৯৪৮ সালে টাঙ্গাইলের কালীহাতিতে মাতুলালয়ে। ছাত্রজীবন থেকেই মঞ্চনাটকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তিনি। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যোগ দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে। দেশ স্বাধীনের পরপরই দেশে ফিরে গড়ে তোলেন ‘আরণ্যক’ নাট্যদল।


পর্তুগালে সম্মাননা পেলেন নৃত্যশিল্পী সাদিয়া ও ইভান

দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে অবদান রাখায় পুরষ্কৃত হয়েছেন নৃত্যশিল্পী সাইফুল ইসলাম ইভান ও সাদিয়া ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৭:৩৪
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সম্প্রতি পর্তুগালের পোর্তো শহরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, Batalha Centro de Cinema Portugal এ ঋত্বিক ঘটক পরিচালিত ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ সিনেমা প্রদর্শন, আন্তঃসাংস্কৃতিক পুরস্কার ‘২৩ প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পর্ব ছিলো ‘আন্তঃসাংস্কৃতিক পুরস্কার ‘২৩ প্রদান। এতে নৃত্যে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান করা হয় সাদিয়া ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম ইভানকে। তারা দু’জন দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে পর্তুগালে বাংলাদেশের সংস্কৃতির বিকাশে তাদের অবদান রীতিমত প্রশংসনীয়। সামাজিক এবং সাম্প্রদায়িক একীকরণ বিষয়ে কাজ করে যাওয়া পর্তুগালের আলোচিত সংগঠন ‘Espaco T’ এর ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনও ছিলো এ আয়োজনের অংশ।

পর্তুগালের সামাজিক সংগঠন Espaco T এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ কমিউনিটি অব পোর্তো এবং Batalha centro de cinema Portugal সম্মিলিতভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সম্মাননা প্রাপ্তি প্রসঙ্গে সাদিয়া ইসলাম বলেন, ‘যে কোন স্বীকৃতি কাজের অনুপ্রেরণা যোগায়, দায়িত্বও বাড়িয়ে দেয়। আর বিদেশের মাটিতে স্বীকৃতি পাওয়ার অন্যরকম অনুভূতি রয়েছে। দেশীয় সংস্কৃতিকে আমি বিদেশের মাটিতে খুব জোরালোভাবে তুলে ধরতে চাই।’

প্রসঙ্গত, ছোটবেলা থেকেই নাচের সঙ্গে সখ্য সাদিয়া ইসলামের। পর্তুগালে প্রফেশনাল ক্যারিয়ারের পাশাপাশি অব্যাহত রেখেছেন নৃত্যচর্চা। ইভান ও সাদিয়া জুটি ইউরোপে বেশ জনপ্রিয়।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন Espaco T এর প্রেসিডেন্ট জর্জ অলিভেইরা, পর্তুগীজ অলিম্পিক বিজয়ী রোজা মাতা, ডেপুটি মেয়র সিটি কাউন্সিলর পেদ্রো বাগানহা, সিটি কাউন্সিলর ড. ফার্নান্দো ফাউলো, সিটি কাউন্সিলর ড. কাতারিনা আরাউজো, পুলিশ কর্মকর্তা, ইউনিভার্সিটির প্রো ভাইস চ্যান্সেলরসহ স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ।

আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ এম্বেসির রাষ্ট্রদূত রেজিনা আহমেদ, প্রথম সচিব, বাংলাদেশ কমিউনিটি অব পোর্তোর সভাপতি শাহ আলম কাজল, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল আলিমসহ অনেকে। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন পোর্তো চ্যানেলের বিশিষ্ট একজন উপস্থাপিকা।


শ্রীদেবীর মৃত্যু: ৬ বছরেও খুলল না  রহস্যজট

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রথম লেডি সুপারস্টার বলা হয় প্রয়াত শ্রীদেবীকে। বলিউড আকাশের এই ধ্রুবতারা তামিল, তেলেগু, হিন্দি, মালয়ালমসহ বেশ কিছু কন্নড় ভাষার সিনেমাতেও দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। পাঁচ দশকের অভিনয় জীবনে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার থেকে শুরু করে কেরালা, তামিলনাড়ু, ফিল্মফেয়ার, নন্দী পুরস্কারসহ আজীবন সম্মাননা পুরস্কার ও দক্ষিণী সিনেমায় তিনটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন। শ্রীদেবী সংগ্রামী নারী চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বেশি প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তিনি ৮০ ও ৯০ দশকের ভারতের বিনোদন শিল্পের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত নারী ছিলেন এবং তাকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ও সবচেয়ে প্রভাবশালী অভিনেত্রী হিসেবে গণ্য করা হয় তাকে।

বিনোদন শিল্পে তার অবদানের জন্য ২০১৩ সালে ভারত সরকার তাকে দেশটির চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রী পদকে ভূষিত করে। এ ছাড়া তিনি তামিলনাড়ু, অন্ধ্র প্রদেশ ও কেরালা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সম্মানসূচক পুরস্কার লাভ করেন। ভারতীয় চলচ্চিত্রের শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষে ২০১৩ সালে সিএনএন-আইবিএনের এক জরিপে তিনি ‘১০০ বছরে ভারতের সেরা অভিনেত্রী’ হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ছিলেন চলচ্চিত্র প্রযোজক বনি কাপুরের স্ত্রী।

আজ এই কিংবদন্তির মৃত্যুর ৬ বছর পূর্ণ হলো। ২০১৮ সালের এই দিনে (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুবাইয়ের জুমেইরাহ এমিরেটস টাওয়ারের বাথরুমের বাথটাবের পানিতে তার মরদেহ পাওয়া যায়। অনেক পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা শ্রীদেবীর মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে ঘোষণা করেন। যদিও নায়িকার মৃত্যুকে ঘিরে নানা সময়ে নানা গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। তবে সেসবের সত্যতা মেলেনি। এসব উত্তর আজও স্পষ্ট নয়। সংবাদ মাধ্যমের কাছে অভিনেতা সঞ্জয় কাপুর জানিয়েছিলেন যে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে শ্রীদেবীর। যদিও পরবর্তীকালে অভিনেত্রীর মৃত্যুর কারণ বদলে যায়। প্রথমে জানা যায়, হার্ট অ্যাটাক। কিন্তু দু’দিন পর সোমবার বিকালে দুবাই পুলিশ নিশ্চিত করে, জলে ডুবেই মৃত্যু হয়েছে শ্রীদেবীর।

কোন জলে? দুবাইয়ের জুমেইরাহ এমিরেটস টাওয়ার্স নামে যে হোটেলে শ্রীদেবী কয়েক দিন ধরে ছিলেন, তারই বাথরুমের বাথটাবের জলে। সামান্য উচ্চতার একটা বাথটাব। জল ভরলেও উচ্চতা দেড় ফুটের বেশি হবে না! তাতে কী করে ডুবে গেলেন পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চি উচ্চতার ওই অভিনেত্রী! অনেকের মনেই প্রশ্নটা ঘুরছে।

দুবাই পুলিশ জানিয়েছে, অচৈতন্য অবস্থায় জলে ডুবে গিয়েছিলেন শ্রীদেবী। কিন্তু অচৈতন্য হলেন কীভাবে? সে প্রশ্নেরও জবাব মেলেনি। বরং আশ্চর্যজনকভাবে দু’দিন ধরে বলা ‘হার্ট অ্যাটাক’ শব্দটাও উধাও হয়ে যায়। প্রশ্ন ওঠে তাহলে কি হার্ট অ্যাটাক হয়নি? কারণ দুবাই পুলিশ বা সে দেশের মিডিয়া সেন্টার ওইদিন যে তথ্য দিয়েছে, সেখানে হার্ট অ্যাটাকের কথা বলা হয়নি। বলা হয়েছে অচৈতন্য হয়েই জলে ডুবে যাওয়ার কথা।

সুপারস্টার নায়িকার মৃত্যুতে শুরুতেই অভিযোগের আঙুল উঠেছিল স্বামী বনি কাপুরের দিকে। কিন্তু পরবর্তীতে গণমাধ্যমে নানা ব্যাখ্যা দিয়ে বণি কাপুর অবশ্য বলেছিলেন, শ্রীদেবীর মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না।


অস্কার দৌড়ে এগিয়ে এমা স্টোন

আপডেটেড ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:৩২
বিনোদন ডেস্ক

হলিউডের তরুণ তারকা এমা স্টোন। ২০১৭ সালে অস্কারে ‘লা লা ল্যান্ড’ সিনেমায় অনবদ্য অভিনয়ের জন্য প্রথমবারের মতো সেরা অভিনেত্রীর মুকুট জিতেছিলেন তিনি। ৭ বছর পর আবার অস্কার জেতার হাতছানি। বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে সম্মানজনক অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডের (অস্কারের) জমকালো আসর বসছে আগামী ১০ মার্চ। এরই মধ্যে মনোনয়নও ঘোষণা করা হয়েছে। মনোনয়ন দৌড় ও সার্বিক বিচারে সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন মার্কিন অভিনেত্রী এমা।

এমা স্টোন অভিনীত ‘পুওর থিংস’ গত বছরের সবচেয়ে আলোচিত ও সফল চলচ্চিত্র। ছবিটি বক্স অফিসে ঝড় তোলার পাশাপাশি দর্শক ও সমালোচক হৃদয়ও জয় করেছে। এ বছর ৯৬তম অস্কারের মঞ্চে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় চলচ্চিত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে ‘পুওর থিংস’কে। চলচ্চিত্রটি সেরা ছবি, সেরা পরিচালক এবং সেরা অভিনেত্রীসহ ১১টি বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছে।

এই ছবির জন্য এরই মধ্যে গ্লোল্ডেন গ্লোব, ক্রিটিকস চয়েস ও বাফটাসহ বিশ্বের বড় বড় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আসরে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার বগলদাবা করে নিয়েছেন এমা। ধারণা করা হচ্ছে, আসন্ন অস্কারেও সবাইকে টপকে সেরার মুকুট ছিনিয়ে নেবেন তিনিই।

গত বছর ভেনিস উৎসবে সেরা সিনেমার পুরস্কার জিতে নেয় ইয়োর্গস লান্থিমোসের ‘পুওর থিংস’। তবে পুরস্কার পাওয়ার আগে উৎসবে প্রিমিয়ার হওয়ার পর থেকেই ছবিটির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন সমালোচকরা। পরে গত ডিসেম্বরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর থেকে ছবিটি নিয়ে আলোচনা আরও বাড়তে থাকে। আলোচনার অন্যতম বিষয় ছিল ‘পুওর থিংস’-এ এমা স্টোনের অভিনয়। এতে অস্কারজয়ীর অভিনয়ের যেমন প্রশংসা হয়েছে, তেমন পর্দায় তার নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় চমকে দিয়েছে অনেককেই। তবে সমালোচনাকে পাত্তা না দিয়ে এমা বলেন, ‘ছবিতে বেলা চরিত্রটি নানা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায়। যে অভিজ্ঞতার মধ্যে অবশ্যই যৌনতার অভিজ্ঞতাও ছিল; এটা অবশ্যই তার জন্য, সব মানুষের জন্যই বড় অভিজ্ঞতা।’

অভিনেত্রী মনে করেন, বেলা চরিত্রটি পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে এটা জরুরি ছিল। তিনি বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘চরিত্রটি জীবনের অনেক দিক আবিষ্কার করে। এর মধ্যে খাবার, দর্শন, ভ্রমণ, নাচ যেমন ছিল, তেমনি ছিল যৌনতাও। বেলা সম্পূর্ণ মুক্ত একজন মানুষ, নিজের শরীর নিয়ে যার লজ্জা নেই। আমি এমন একজন যে সব সময় পর্দায় নগ্ন হতে চাইব না, তবে অবশ্যই নিজের অভিনীত চরিত্রটিকে সম্মান জানাতে চাই। চরিত্রের জন্য যা যা দরকার তা করতে চাই।’


আম্বানির ছেলের বিয়েতে নাচবেন কিং খান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বর্তমানে এশিয়ার শীর্ষ ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানি। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের প্রধান তিনি। ভারতজুড়ে বিশাল বিনিয়োগ তার। প্রতিবেশী দেশগুলোর ব্যবসা-বাণিজ্যেও প্রভাব কম নয়। ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ আম্বানি ও নিতা আম্বানি বেশ ঘটা করে দুই ছেলেমেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। বাকি আছে তাদের আরেক ছেলে অনন্ত আম্বানি। অনন্তের বিয়ের দিনক্ষণও নির্ধারণ করা হয়েছে। ভাই-বোনের ধারাবাহিকতায় তার বিয়েতেও চোখ-ধাঁধানো আনুষ্ঠানিকতার প্রস্তুতি চলছে। এ নিয়ে ভারতের মিডিয়াপাড়া মুখিয়ে রয়েছে। যাদের জনসমক্ষে সচরাচর দেখা যায় না, মোটা পারিশ্রমিকে তাদেরও হাজির করা হবে বলে গুঞ্জন চলছে। এরই মধ্যে তালিকায় যোগ হয়েছে শাহরুখ খানের নাম।

এর আগে মেয়ে ইশা আম্বানির বিয়েতে তারকার ঢল নামে। আয়োজন করা হয় সংগীতসন্ধ্যার। সে মঞ্চে বলিউডের বাদশা শাহরুখ খানের স্ত্রী, যাকে কেউ কখনো নাচতে দেখেননি, সেই গৌরী খানও মঞ্চে স্বামীর সঙ্গে তাল মেলান। এ নাচ নেট দুনিয়ায় ঝড় তোলে। কৌতূহলী মনে প্রশ্ন ওঠে, কত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে এ নাচ! ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, অনন্ত আম্বানি-রাধিকা মার্চেন্টের প্রি-ওয়েডিং অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১-৩ মার্চ। গুজরাটের জামনগরে বসবে বিয়ের আসর।

ছেলে অনন্তের বিয়েতেও বলিউডের নামীদামি শিল্পীদের দেখা মিলবে। আম্বানিদের সঙ্গে শাহরুখ-গৌরীর বেশ সুসম্পর্ক। মুকেশ-নিতার যেকোনো অনুষ্ঠানেই বলিউডের ‘পাওয়ার কাপল’-এর দেখা মেলে। পূজা হোক কিংবা বিয়ের অনুষ্ঠান একেবারে পরিবারের সদস্যদের মতোই মেতে ওঠেন তারা। এবার শোনা গেল, অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্টের বিয়ের অনুষ্ঠানেও দ্যুতি ছড়াবেন শাহরুখ খান।

গুজরাটের জামনগরে গোটা এক দিন কাটিয়ে বৃহস্পতিবারই মুম্বাইতে ফিরেছেন বলিউড বাদশা। নেটপাড়ায় ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে জামনগর বিমানবন্দরে প্রবেশ করতে দেখা গেছে শাহরুখকে। সেখান থেকেই জল্পনার সূত্রপাত। সম্প্রতি রণবীর-আলিয়াকেও আম্বানিদের জামনগরের বাড়িতে দেখা গিয়েছিল। তারাও অনন্ত-রাধিকার সংগীতে নাচ করবেন। রণবীর-আলিয়া তার জন্য রিহার্সালও করেছেন।

২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে মুম্বাইতে জমকালো অনুষ্ঠানে বাগদান সেরেছিলেন অনন্ত-রাধিকা। এবার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন তারা। আর সেই জমকালো বিগ ফ্যাট ইন্ডিয়ান ওয়েডিংয়েই নাচ করবেন শাহরুখ খান। এর জন্য দুই সপ্তাহ আগে থেকেই প্র্যাকটিস শুরু করেছেন বাদশা। জামনগরের বিমানবন্দর থেকে ভিডিও ভাইরাল হতেই অনুরাগীদের কৌতূহল, কত টাকা পারিশ্রমিক নেবেন এর জন্য কিং খান? যদিও এ প্রসঙ্গে কোনো যথাযথ অঙ্কের কথা জানা যায়নি, তবে বলিউড সূত্রে খবর, লাখ লাখ টাকা নিচ্ছেন তারা। কিন্তু অন্যদিকে শোনা যাচ্ছে, বন্ধুত্বের খাতিরে বিনা পারিশ্রমিকেই নাকি বলিউড বাদশা অনন্ত-রাধিকার বিয়ের আসর মাতাবেন।

বিষয়:

বন্ধু ফেরদৌসকে পেয়ে আপ্লুত ঋতুপর্ণা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন প্রতিবেদক

আগামী এপ্রিলে বাংলা সিনেমার তুমুল জনপ্রিয় নায়িকা সুচিত্রা সেনের জন্ম মাস। তার স্মরণে আগামী ২০ ও ২১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে আয়োজন করা হবে ‘সুচিত্রা সেন আন্তর্জাতিক বাংলা চলচ্চিত্র উৎসব’। এ উৎসব উপলক্ষে আগেই জানানো হয়েছিল ঢাকায় আসছেন দুই বাংলার সফল চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সুচিত্রা সেনের উৎসবের সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় আসেন এ টালিগঞ্জ সুন্দরী।

রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ছুটে আসেন দুই বাংলার আরেক আলোচিত অভিনেতা ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ। অনেকেই জানেন ফেরদৌস ও ঋতুপর্ণার মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুতা। সংবাদ সম্মেলনে বন্ধু ফেরদৌসকে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে ঋতুপর্ণা বলেন, ‘আজ আমি আরও আপ্লুত ও আনন্দিত, আমার প্রিয় বন্ধু ফেরদৌস এখন সংসদ সদস্য। আই এম সো প্রাউড অব হিম। অনেক কাজ করেছি একসঙ্গে, করছি, করব আগামীতে। তবে কাজের চেয়ে আমাদের বন্ধুত্বের জায়গাটা বড়। আমরা সবসময় আলোচনা করতাম, আরও ভালো কী কাজ করা যায়। ওর স্বপ্ন ছিল, সেটা পূরণ হয়েছে। আমার এই বন্ধুটি খুব ভালো মানুষ। আশা করি ও মানুষের জন্য অনেক ভালো কাজ করবে।’

বন্ধু ঋতুর মুখ থেকে প্রশংসা শুনে চুপ থাকেননি ফেরদৌসও। জানালেন, সংসদ সদস্য হওয়ার পর থেকে প্রতিনিয়ত নানা কাজে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। এর মধ্যেও জরুরি কাজ ফেলে তিনি এলেন সংবাদ সম্মেলনে। ফেরদৌস বলেন, ‘অনেক কষ্ট করে ঋতু এসেছে। আমাদের হয়ত মনে হচ্ছে, ও দেরি করল কেন! কিন্তু ও এসেছে ডালাস (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে। সকালে ফ্লাইটও বিলম্ব করেছিল। আমার নিজেরও কিছু জরুরি কাজ ছিল, সেটা বন্ধ করে এসেছি। একটি উদ্দেশ্য তো অবশ্যই ঋতুপর্ণা। বেস্ট ফ্রেন্ড আসবে, তাকে নতুনভাবে বরণ করে নেওয়ার জন্য। আসলে মানুষের কল্যাণের জন্য, সেবা করার জন্য যে মনের ইচ্ছা থাকতে হয়, এগুলোর অনেকটা শিখেছি ঋতুর কাছ থেকে। ওর সঙ্গে আমার প্রায় ২৫ বছরের জার্নি। আমি বরাবরই ভাবতাম, প্রত্যেকটা মানুষকে কীভাবে সে সহযোগিতা করে। প্রোডাকশনের কেউ অসুস্থ হলে, কেউ মারা গেলে, ও ছুটে যায়। বিভিন্ন সংগঠনের হয়ে কাজ করে। তার এসব দিক আমাকে অনেক বেশি প্রভাবিত করেছে।’

পরে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে স্বর্ণের নৌকা উপহার দেন ফেরদৌস। সুচিত্রা সেন সম্পর্কে এই নায়িক বলেন, সুচিত্রা সেন একজনই ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। তার সম্পর্কে কিছু বলা আমার জন্য কঠিন। তাকে নিয়ে এত বড় উৎসব, এত বড় আয়োজন এটা আমাদের জন্য বিশেষ কিছু। সুচিত্রা সেনকে ঘিরে এমন কিছু হচ্ছে এটার সঙ্গে আমি যুক্ত থাকতে পারছি আমার জন্য সেরা প্রাপ্তি।’

বিষয়:

এবার কার্তিকের নায়িকা তৃপ্তি দিমরি

আপডেটেড ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:০৭
বিনোদন ডেস্ক

বলিউডের তরুণ অভিনেত্রী তৃপ্তি দিমরি। হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্র ‘পোস্টার বয়েজ’-এর মাধ্যমে অভিষেক ঘটে তার। তবে গত বছরের শেষের দিকে রণবীর কাপুরের সঙ্গে ‘অ্যানিমেল’ মুক্তির পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন তৃপ্তি দিমরি। পর্দায় তার ক্ষণিকের উপস্থিতিতেই দর্শকদের মনে উন্মাদনার ঝড় তৈরি করে। তারপর থেকিই ভারতের গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে এখন তৃপ্তি দিমরি। তাকে বলা হচ্ছে, ‘ভারতের জাতীয় ক্রাশ’। ‘অ্যানিমেল’ সিনেমায় আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মন্দানা থাকলেও অল্প সময়ের উপস্থিতিতেই সবার নজর কাড়েন তৃপ্তি।

রণবীরের কাপুরের পর এবার কার্তিকের নায়িকা হয়ে আসছেন বহুল চর্চিত অভিনেত্রী তৃপ্তি। গত বছর ‘ভুল ভুলাইয়া ২’-এর সাফল্যের পর এর তৃতীয় কিস্তি আনার ঘোষণা দেন ছবিটির নির্মাতারা। এরপর থেকেই আলোচনায় সিনেমাটি। তৃতীয় কিস্তিতেও থাকছেন কার্তিক আরিয়ান। সে সঙ্গে ফিরছেন অরিজিনাল ‘মঞ্জুলিকা’ বিদ্যা বালান। তাদের সঙ্গে যুক্ত হলেন হালের সেনসেশন তৃপ্তি দিমরি।

সম্প্রতি ‘ভুল ভুলাইয়া ৩’-এ বিদ্যা বালানের ‘মঞ্জুলিকা’ হিসেবে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কার্তিক আরিয়ান। আর এবার তৃপ্তি দিমরির অন্তর্ভুক্তির কথাও জানালেন তিনি।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই সামাজিক মাধ্যমে কার্তিক আরিয়ানের একটি পোস্ট সাড়া ফেলেছিল। সেখানে এক অভিনেত্রীর অস্পষ্ট ছবি পোস্ট করেন কার্তিক। সেই ছবি দিয়ে কার্তিক ইঙ্গিত দিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘ভুল ভুলাইয়া ৩’ সিনেমার নায়িকা হবেন কে? বেশ জল্পনাকল্পনা তৈরি হয়েছিল ছবিটি ঘিরে। তবে ভক্তদের বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি। কার্তিক নিজেই স্পষ্ট করলেন, ‘ভুল ভুলাইয়া ৩’-এ কিয়ারার পরিবর্তে এন্ট্রি নিচ্ছেন তৃপ্তি দিমরি।

১৯৯৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ভারতের উত্তরাখণ্ডে এক মধ্যবিত্ত পরিবারে তৃপ্তি দিমরির জন্ম। বাবা দীনেশ দিমরি এয়ার ইন্ডিয়ায় চাকরি করেছেন। মা মীনাক্ষী দিমরি গৃহিণী। বাবার চাকরির কারণে পরিবারের সবাইকে দিল্লিতে চলে আসতে হয়। তৃপ্তি তার প্রাথমিক পড়াশোনা ফিরোজাবাদের দিল্লি পাবলিক স্কুল (ডিপিএস) থেকে সম্পন্ন করেন এবং পরবর্তীতে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রী অরবিন্দ কলেজ থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ২০১৩ সালের দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনয় প্রশিক্ষণ নিতে তিনি পুনের ‘ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার (এফটিআই)’ অভিনয়ের কোর্স শেষ করেন। এরপরই বদলে যায় তৃপ্তির জীবন।


ম্যাডোনা-জাদুতে মুগ্ধ দর্শক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 বিনোদন ডেস্ক

বিশ্বের সংগীতানুরাগীদের কাছে পপ কুইন ম্যাডোনা মানেই অন্যরকম এক উন্মাদনা, আলোচনা। খ্যাতি, বিতর্ক, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় নাম জড়াতে যেন জুড়ি নেই এই বিশ্বখ্যাত গায়িকার। তবে এবার বিতর্ক নয়, ছোটখাটো দুর্ঘটনারই সম্মুখীন হলেন গায়িকা। মঞ্চে পড়ে গেলেন চেয়ার থেকে! সম্প্রতি সিয়াটেলে তার লাইভ পারফরম্যান্সের মাঝে ঘটে বিপত্তি। এক ড্যান্সার চেয়ারে ম্যাডোনাকে বসিয়ে টেনে নিয়ে যেতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে উল্টে পড়েন। ড্যান্সারের হাতে ধরে থাকা চেয়ার থেকে ছিটকে গিয়ে স্টেজে মধ্যে সপাটে আছড়ে পড়েন ম্যাডোনা।

কিন্তু ছন্দপতন সামলালেন মুচকি হাসিতে। কিছুই হয়নি এমন ভঙ্গিতে ‘ওপেন ইয়োর হার্ট’-এ সুর তুললেন ম্যাডোনা। কোমর-পিঠের ভরে উল্টে পড়ে গেলেও এক সেকেন্ডের জন্যও অবশ্য গান থামাননি তিনি। পড়ে যাওয়া অবস্থাতেই স্মার্টলি শুয়ে থেকেই অডিয়েন্সকে চমকে দেন। তারপর অন্য এক ডান্সারের হাত ধরে উঠে দাঁড়িয়ে চেনা মেজাজে ম্যাজিক ছড়াতে থাকেন।

ম্যাডোনার দুর্ঘটনা সামলে নিয়ে পারফরম্যান্স চালিয়ে যাওয়া দেখে প্রশংসার ঢল। মঞ্চে ম্যাডোনার চেয়ার থেকে পড়ে যাওয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে অসংখ্য ভক্ত অনুরাগীরা কমেন্ট করে যাচ্ছেন একের পর এক। তেমনই এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘কে বলবে ম্যাডোনার বয়স ৬৫।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘এ জন্যই ম্যাডোনা লেজেন্ড। ইনস্পিরেশন।’

তবে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরেও মোটেও বিচলিত হননি গায়িকা। বরং নিজের পারফরম্যান্স বজায় রেখেছিলেন এবং দর্শকদের ব্যস্ত রেখেছিলেন তার কণ্ঠের জাদুতে। চেয়ার থেকে পড়েও নিজের গান ধরে রাখেন ম্যাডোনা এবং উঠে দাঁড়িয়ে পুনরায় নিজের ছন্দে মাতাতে থাকেন দর্শকদের।

এটিই প্রথম এমন অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা নয়। এর আগেও ম্যাডোনার একটি শোতে অন-সেট দুর্ঘটনা ঘটেছিল। পেজ সিক্সের প্রতিবেদন অনুসারে, এর আগে ২০১৫ সালের ব্রিট অ্যাওয়ার্ডের সময় ওয়ারড্রোবের ত্রুটির কারণে তিনি সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়েছিলেন।

বর্তমানে নিজের সেলিব্রেশন ট্যুর নিয়েই ব্যস্ত রয়েছেন ম্যাডোনা। গত বছর মারাত্মক ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের পরে ট্যুরটি স্থগিত করেছিলেন গায়িকা। বেশ কয়েক দিন নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এ বছর আবার নতুন করে অসমাপ্ত ট্যুরের বাকি অংশ শুরু করেছেন। বর্তমানে আমেরিকা অঞ্চলের সফরসূচি শুরু করেছেন গায়িকা।

বিষয়:

জন্মদিনে নতুন সিনেমায় দর্শকপ্রিয় সজল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন প্রতিবেদক

দীর্ঘদিন ধরেই অভিনয়ের দুনিয়ায় শুধু অভিনয়ই করে যাচ্ছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেতা আব্দুন নূর সজল। অভিনয়ের দুনিয়ায় এসে অনেকেই অনেক সময় অভিনয়ের পাশপাশি ব্যবসায়ও নিজেকে সম্পৃক্ত করে। কিন্তু সজল শুধু অভিনয়ে পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে যাচ্ছেন। যে কারণে তার সমাসাময়িক অনেকেরই অভিনয়ে জনপ্রিয়তা কমে গেলেও দিন দিন সজলের জনপ্রিয়তা যেন বেড়েই চলেছে। টিভি নাটকের চেয়ে বর্তমানে ওয়েব সিরিজ এবং চলচ্চিত্রেই বেশি মনোযোগী এই তারকা।

হৃদি হক পরিচালিত ‘১৯১৭ : সেই সব দিন’ সিনেমা মুক্তির পর এবার নতুন আরেকটি সিনেমার সঙ্গে যুক্ত হলেন তিনি। সিনেমার নাম ‘জীবনের খেলা’। ২০ ফেব্রুয়ারি ছিল সজলের জন্মদিন। বিশেষ এই দিন সন্ধ্যায় রাজধানীর এক রেস্তোরাঁয় আনুষ্ঠানিকভাবে ছবিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন তিনি। অনুষ্ঠানে ছবির সব কলাকুশলী উপস্থিত ছিলেন। রোমান্টিক ও অ্যাকশন ধাঁচের এই ছবিতে সজলের নায়িকা সিন্ডি রোলিং। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধতে যাচ্ছেন তারা। সাদামাটা প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে সিনেমাটি পরিচালনা করছেন ওয়ালিদ আহমেদ। এর আগে এই পরিচালক একই প্রযোজনা সংস্থা থেকে মেঘের কপাট নামের একটি সিনেমা পরিচালনা করেন। ছবিটি দেশ ও দেশের বাইরে বেশ সমাদৃত হয়। ‘জীবনের খেলা’ তার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র।

নতুন ছবিটি নিয়ে সজল বললেন, ‘সিনেমায় আমি এমন সব চরিত্রে কাজ করতে চেয়েছি, যেটা আগে করিনি বা করাটা আমার জন্য কঠিন এবং পরিশ্রমের। তাতে হয় নতুন কিছু তৈরি হবে অথবা আমি আরও শিখব। ভালো কাজের জন্য টিমের মধ্যে যে বন্ধন, বন্ধুত্ব ও বোঝাপড়া দরকার, সেটা পরিচালক ওয়ালিদ আহমেদের সঙ্গে আমার আছে। আশা করছি এই ছবিতে দর্শক আমাকে নতুন ভাবে পাবেন।’

অন্যদিকে নায়িকা সিন্ডি রোলিংয়ে ভাষ্য, ‘সিনেমায় বিভিন্ন রূপে-চরিত্রে হাজির হয়েছি। এবার আরও বড় পরিসরে আসছি। সজলের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করাটা আমার জন্য আনন্দের। তার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। আমি ভাগ্যবান যে, এমন একটা প্রজেক্টে পরিচালক আমাকে যুক্ত করেছেন।’

‘জীবনের খেলা’ নিয়ে পরিচালক ওয়ালিদ আহমেদ জানান, ‘ভার্সেটাইল হিরো সজল এই সময়ে সবচেয়ে এক্সপেরিমেন্টাল আর্টিস্টদের একজন। একেক চলচ্চিত্রে তিনি একেক রূপে হাজির হচ্ছেন আর দর্শকের মন জয় করে নিচ্ছেন। তার সঙ্গে অ্যাকশন করার জন্য সিন্ডি রোলিংয়ের বিকল্প নেই। সিন্ডি আগেই তার সক্ষমতা দেখিয়েছেন। গান, গল্প আর অ্যাকশন মিলিয়ে দর্শকরা চলচ্চিত্রটি উপভোগ করবেন বলে আমার বিশ্বাস।’

নির্মাতা জানান, এই ছবির বিভিন্ন গানে কণ্ঠ দিয়েছেন হৃদয় খান, ইমরান, কনা, মেহবুবা কামাল, ঐশী এবং জেফরি ইকবাল। সংগীত পরিচালনায় হৃদয় খান, সজীব দাস ও নাভেদ পারভেজ। চলতি বছরের শেষ নাগাদ ছবিটি মুক্তি পেতে পারে।

বিষয়:

আরও উচ্চতায় আজমেরী হক বাঁধন

আপডেটেড ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:৪৭
বিনোদন প্রতিবেদক

লাক্স তারকা নির্বাচিত হওয়ার পরেও শুরুটা ভালো ছিল না আজমেরী হক বাঁধনের। মাঝখানে ব্যক্তিগত কারণ এমনকি বিয়ে এবং বিয়ে বিচ্ছেদের কারণে দারুণ হতাশ হয়ে পড়েন এই মডেল অভিনেত্রী। কমতে থাকে কাজের পরিধি। কিন্তু তার ক্যারিয়ারে হঠাৎ করে আলোর ঝলক হয়ে আসে ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ নামের একটি চলচ্চিত্র। এই সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করে দেশে তো বটেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজেকে মেলে ধরেন এই অভিনেত্রী। কানসহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র উৎসবে দ্যুতি ছড়ায় বাঁধনের ছবিটি।

এরপর থেকেই ভাগ্য ফেরার পালা শুরু হয় এই লাক্সকন্যার। কাজ করেন টালিগঞ্জের খ্যাতিমান নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত ‘রবীন্দ্রনাথ কখনো এখানে খেতে আসেনি’ শিরোনামের একটি ওয়েব ‍সিরিজে। পাশাপাশি ‘খুফিয়া’ নামের একটি সিনেমা দিয়ে বলিউডেও জায়গা করে নেন তিনি।

তবে এবার আরও এক উচ্চতায় নিজেকে নিয়ে যাচ্ছেন আজমেরী হক বাঁধন। এবার বেঙ্গালুরু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অফিসিয়াল জুরি হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছেন বাঁধন। ভারতের বেঙ্গালুরুতে শুরু হতে যাচ্ছে ১৫তম বেঙ্গালুরু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। এটি আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে চলবে ৭ মার্চ পর্যন্ত। খবরটি জানিয়ে বাঁধন বলেন, ‘এটা আমার জন্য অনেক সম্মানের। একটু অবাক হলেও ভীষণ সম্মানিত বোধ করছি। এমনিতে আমি আমার কাজ নিয়ে বিভিন্ন দেশের উৎসবে ভ্রমণ করেছি ‘রেহানা’, ‘খুফিয়া’ নিয়ে। ওটা একধরনের অভিজ্ঞতা। আর জুরি হওয়া আরেক অভিজ্ঞতা। এটা আমাকে সমৃদ্ধ করবে।’

এই চলচ্চিত্র উৎসবের ১৫টি বিভাগে দেখানো হবে পঞ্চাশটির বেশি দেশের দুই শতাধিক চলচ্চিত্র। প্রতিযোগিতা বিভাগে থাকা চলচ্চিত্রগুলো থেকে সেরা কাজ বাছাই করতে বাঁধনের সঙ্গে জুরি হিসেবে আরও থাকবেন রাশিয়ার নিনা কোচলেইভা, স্পেনের রোজানা আলোনসো, যুক্তরাজ্যের ক্যারি শনেই ও ভারতের সীতারাম। বাঁধন ও তার জুরিবোর্ড উৎসবের এশিয়ান সিনেমা কম্পিটিশন সেকশনে থাকা চলচ্চিত্রগুলো দেখে সেরা কাজ বাছাই করবেন। এই বিভাগটি ছাড়াও উৎসবে ভারতীয় ও কান্নাড়া চলচ্চিত্রের জন্যও প্রতিযোগিতা বিভাগ রয়েছে।

আর অফিসিয়াল জুরিদের পাশাপাশি এই উৎসবে চলচ্চিত্র সমালোচকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ফিপ্রেসি ও এশিয়াভিত্তিক সংগঠন নেটপ্যাক জুরিরাও থাকবেন।


অতঃপর চলচ্চিত্রে লাক্সকন্যা মেহজাবীন

আপডেটেড ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:৪৭
বিনোদন প্রতিবেদক

ছোট পর্দায় গত কয়েক বছর ধরেই চাহিদার শীর্ষে অবস্থান করছেন লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার মেহজাবীন চৌধুরী। টিভি নাটকে যখন তার উজ্জ্বল অবস্থান, ঠিক তখন থেকেই খবর রটে সিনেমায় নামছেন এই লাস্যময়ী অভিনেত্রী। মেহজাবীন নিজেও সিনেমায় অভিনয়ের আগ্রহ প্রকাশ করে বলে আসছেন, ‘ভালো গল্প, চরিত্র ও নির্মাতা পেলে অবশ্যই বড় পর্দায় অভিনয় করব।’

অনেকগুলো প্রস্তাবও পেয়েছিলেন তিনি। শুধু দেশের সিনেমাই নয়, বলিউড থেকেও প্রস্তাব পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু মনের মতো চিত্রনাট্য না হওয়ায় সিনেমায় অভিনয় করা হয়ে ওঠেনি। তবে এতদিন না হলেও ক্যারিয়ারের ১৪ বছর পদার্পণের দিনেই ভক্তদের নতুন সিনেমায় অভিনয়ের সুখবরটি জানালেন আলোচিত এই তারকা।

১৪ বছর আগে ২১ ফেব্রুয়ারিতে অভিনয়ের খাতায় নিজের নাম লেখান তিনি। আর এমন দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম খুশির খবর দিয়ে মেহজাবীন চৌধুরী লিখেছেন, ‘২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ভাষাশহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে ১৪ বছর আগে এই দিনেই টিভি নাটকে আমার অভিনয়যাত্রা শুরু হয়েছিল। আর আজ এই বিশেষ দিনেই আমার শুভাকাঙ্ক্ষী, বন্ধুদের একটি বিশেষ খবর জানাতে চাই, বড় পর্দায় পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে আমার অভিষেক হতে যাচ্ছে এ বছরই। ২০২৩ সালের শুরুতেই আমরা এই চলচিত্রের কাজ সম্পন্ন করেছি।’

সিনেমাটির নাম ‘সাবা’। তবে বিষয়টি এতদিন গোপন রেখেছিলেন মেহজাবীন। ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অর্থাৎ নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন এই লাক্স সুন্দরী। সাবা পরিচালনা করছেন মাকসুদ হোসেন। পরিচালকের এটিই প্রথম সিনেমা। তবে প্রথম সিনেমা হলেও বিজ্ঞাপন নির্মাণে সিদ্ধাহস্ত তিনি। এর আগে মেহজাবীনকে নিয়েও বহু বিজ্ঞাপন করেছেন। সিনেমার গল্প নিয়ে ঘুরেছেন আন্তর্জাতিক বহু কো-প্রোডাকশন মার্কেটে। সাবার গল্প নিয়েও ঘুরেছেন ফিল্ম বাজার, গ্লোবাল মিডিয়া মেকার্সের মতো জাগায়গুলোতে। এরপরই সিনেমাটি নিয়ে মেহজাবীনের কাছে যাওয়া। মাকসুদ বললেন, আমরা সিনেমাটি নিয়ে এমন সময়ে গিয়েছি, যখন তিনিও সিনেমা করার জন্য প্রস্তুত। তার ওপর গল্পটিও তার দারুণ পছন্দ হয়েছে। সব কিছু ব্যাটে-বলে মিলে গিয়েছে।’

পরিচালকের সঙ্গে একই সুরে কথা বললেন অভিনেত্রীও। তার ভাষ্য, ‘সিনেমাটির গল্পের কারণেই করা। এতদিন সিনেমা কেন করছি না এমন প্রশ্নের বিপরীতে কিন্তু আমি সবসময় বলে এসেছি ভালো গল্প পেলেই সিনেমায় দেখা যাবে। সাবা ভালো গল্প। গল্পের টানেই আসা। সাবা নামটিও সুন্দর । সিনেমাটি আমার জীবনে সবসময়ই বিশেষ একটি নাম হয়ে থাকবে বলে আমার বিশ্বাস।’

গত বছরের জানুয়ারি শুরু হয়েছিল সাবার শুটিং শেষ হয় ১২ ফেব্রুয়ারি। সিনমাটির শুটিং শুরুর আগে ৬ মাস রিহার্সাল করেছেন মেহজাবীন। পরিচালক জানালেন গল্পটা কতটা পছন্দ হলে মেহজাবীনের মতো একজন জনপ্রিয় শিল্পী সিনেমার প্রতি এত এফোর্ট দেয়। এ চলতি বছরের শেষের দিকে ছবিটি মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক।


banner close