শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
৩ মাঘ ১৪৩২

প্রকাশ্যে এল মাসুদ রানার পিস্তল

মাসুদ রানার ‘ধ্বংস পাহাড়’-এর ছায়া অবলম্বনে এম আর নাইন ডু অর ডাই সিনেমাটি
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১০ আগস্ট, ২০২৩ ১৯:৪২

ডু অর ডাই মিশনে এজেন্ট ‘এম আর নাইন’-এর হাতে থাকবে কোন পিস্তল? রানার প্রিয় সেই ওয়ালথার পিপিকে? নাকি আসছে কোনো আপগ্রেড? পিস্তল নিয়ে একটি দৃশ্য এরই মধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে। এই দৃশ্যে এ বি এম সুমনের পাশে বিসিআই টেক এক্সপার্ট ফয়সালের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ‘থ্রি ইডিয়টস’খ্যাত বলিউড অভিনেতা অমি বৈদ্য।

বাংলাদেশ ও আমেরিকার যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত কাজী আনোয়ার হোসেনের বেস্ট সেলিং গোয়েন্দা উপন্যাস মাসুদ রানার ‘ধ্বংস পাহাড়’-এর ছায়া অবলম্বনে এম আর নাইন ডু অর ডাই সিনেমাটি। এম আর নাইন: ডু অর ডাই বাংলাদেশ, কানাডা ও আমেরিকায় মুক্তি পাচ্ছে ২৫ আগস্ট। উত্তর আমেরিকায় ১৫০-এর বেশি হলে মুক্তির ঘোষণা দিয়েছে পরিবেশক স্বপ্ন স্কেয়ারক্রো। বাংলাদেশে পরিবেশনা করছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। পরিচালনা করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হলিউডের নির্মাতা আসিফ আকবর।
এরই মধ্যে সিনেমাটির পোস্টার ও গান প্রকাশ পেয়েছে। তবে এসব খুব আগ্রহ জাগাতে পারেনি দর্শকদের।

আগামী ২৫ আগস্ট বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি। আসিফ আকবরের পরিচালনায় এ সিনেমায় আছেন একঝাঁক দেশি-বিদেশি তারকা। অ্যাকশন-ঘরানার এ সিনেমায় মুখ্য ভূমিকা অর্থাৎ মাসুদ রানা চরিত্রে অভিনয় করছেন এ বি এম সুমন, খলনায়ক চরিত্রে অভিনয় করেছেন হলিউডের অভিনেতা ফ্র্যাঙ্কো গ্রিলো। এ ছাড়া আছেন সাক্ষী প্রধান, রেমি গ্রিলো, কেলি গেসনসহ আরও অনেকে। এ সিনেমায় গুপ্তচরের একটি চরিত্র বিদ্যা সিনহা মিমের করার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সেটি হয়নি।

বিষয়:

বিটিএসের রেকর্ড গড়া প্রত্যাবর্তন: বিশ্ব কাঁপাতে আসছে এ যাবৎকালের বৃহত্তম কে-পপ ট্যুর

আপডেটেড ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:৩৪
বিনোদন ডেস্ক

বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ ও ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের ব্যস্ততা শেষে দীর্ঘ তিন বছরের বিরতি কাটিয়ে বিশ্বমঞ্চে রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের প্রস্তুতি নিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বখ্যাত কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস। ব্যান্ডটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে যে, তাদের এই আসন্ন আয়োজনটি হতে যাচ্ছে ‘এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড়’ কে-পপ ট্যুর।

কোরিয়া টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে শুরু হয়ে এই বিশাল সফর চলবে আগামী বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত, যেখানে বিশ্বের ৩৪টি শহরে মোট ৭৯টি কনসার্টে অংশ নেবে জনপ্রিয় এই দলটি।

গত বুধবার মধ্যরাতে বৈশ্বিক ফ্যানডম প্ল্যাটফর্ম উইভার্সে এই ওয়ার্ল্ড ট্যুরের একটি পোস্টার ও বিস্তারিত সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। বিটিএসের এই নতুন যাত্রা শুরু হবে আগামী ৯, ১০ ও ১২ এপ্রিল দক্ষিণ কোরিয়ার গিয়ংগি প্রদেশের গোইয়াং স্টেডিয়ামে আয়োজিত তিন দিনের জমকালো কনসার্টের মধ্য দিয়ে। আয়োজক প্রতিষ্ঠান লাইভ নেশন নিশ্চিত করেছে যে, কোনো একক কে-পপ গ্রুপের জন্য এটিই হবে ইতিহাসের সর্বাধিক সংখ্যক কনসার্টের রেকর্ড। এই সফরে উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, ওশেনিয়া ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো আর্জেন্টিনা, পেরু ও কলম্বিয়ার মতো লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতেও বিটিএস পারফর্ম করবে।

এছাড়াও আগামী ১২ ও ১৩ জুন দক্ষিণ কোরিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বুসানে নিজেদের পথচলার ১৩ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ কনসার্টের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

উল্লেখ্য যে, ২০২২ সালে লাস ভেগাসের ‘বিটিএস পারমিশন টু ড্যান্স অন স্টেজ’ শোর পর দলটিকে আর কোনো ট্যুরে দেখা যায়নি। দলের সাত সদস্য—আরএম, জিন, সুগা, জে-হোপ, জিমিন, ভি ও জাংকুক সামরিক দায়িত্ব সম্পন্ন করে ফিরে আসার পর ভক্তদের জন্য এটিই হবে প্রথম বড় দলীয় আয়োজন। দীর্ঘ বিরতির অবসান ঘটিয়ে কনসার্ট সফরের পাশাপাশি আগামী ২০ মার্চ বিটিএস তাদের নতুন অ্যালবাম প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এটি ২০২২ সালের জুনে প্রকাশিত অ্যান্থোলজি অ্যালবাম ‘প্রুফ’-এর পর দীর্ঘ ৩ বছর ৯ মাস পর তাদের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম হতে যাচ্ছে। জাপান ও মধ্যপ্রাচ্যে কনসার্টের আরও কিছু তারিখ পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে বলে আয়োজক সূত্রে জানানো হয়েছে।


প্রেক্ষাগৃহে ভিন্নধর্মী দুই চলচ্চিত্র: ‘সুলতানা’স ড্রিম’ ও ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

নতুন বছরের শুরুতেই দেশের রুপালি পর্দায় মুক্তি পেয়েছে বৈচিত্র্যময় গল্পের দুটি সিনেমা। একদিকে রয়েছে নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার ধ্রুপদী সাহিত্য অবলম্বনে নির্মিত অ্যানিমেটেড ছবি “সুলতানা’স ড্রিম”, অন্যদিকে আজই প্রদর্শিত হচ্ছে আহমেদ হাসান সানির পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’।

স্প্যানিশ চলচ্চিত্রকার ইসাবেল এর্গেরার নির্দেশনায় প্রায় আড়াই বছর আগে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়া “সুলতানা’স ড্রিম” আজ থেকে স্টার সিনেপ্লেক্সের ঢাকা ও চট্টগ্রামের পাঁচটি শাখায় দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। বেগম রোকেয়ার ১৯০৫ সালের অমর সৃষ্টি Sultana’s Dream থেকে অনুপ্রাণিত এই বহুভাষিক অ্যানিমেশনটি ইতিমধ্যে বিশ্বের ১৫টির বেশি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে। আগামী ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন ছবিটির মোট ১৮টি শো চলবে।

একই দিনে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটেছে সংগীতশিল্পী আহমেদ হাসান সানির নির্মাতা হিসেবে প্রথম প্রয়াস ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ইতিহাস ও সমকালীন রাজনৈতিক কথোপকথনকে উপজীব্য করে নির্মিত এই চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইমতিয়াজ বর্ষণ। তাঁর সঙ্গে আরও রয়েছেন আজাদ আবুল কালাম, তানভীর অপূর্ব, এ কে আজাদ সেতু ও কেয়া আলম।

সিনেমাটি ঢাকা ও চট্টগ্রামের পাঁচটি শাখায় প্রতিদিন ১৪টি শো-তে প্রদর্শিত হবে। মুক্তির প্রথম দিন বিকেলেই স্টার সিনেপ্লেক্সের বসুন্ধরা শপিং মল শাখায় ছবিটির একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। মূলত ইতিহাস ও সমাজ সচেতনতামূলক এই দুটি ভিন্নধর্মী কাজ প্রেক্ষাগৃহে নতুন বছরের আমেজকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে।


শহীদ বীরউত্তম আনোয়ার হোসেন স্মরণে প্রীতম ও সেনাবাহিনীর বিশেষ গান ‘প্রহরী’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

সংগীত ও অভিনয়—উভয় ক্ষেত্রেই প্রীতম হাসান বরাবরই নতুনত্বের ছাপ রেখে চলেন, তবে তার সাম্প্রতিক কাজটি এক অনন্য ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত ১৫ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছে ‘প্রহরী’ শিরোনামের একটি বিশেষ গান, যেখানে তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের সাথে সুর মিলিয়ে গাইতে দেখা গেছে।

মূলত মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধে আত্মদানকারী অকুতোভয় বীরউত্তম লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতেই এই শৈল্পিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ১ ইস্ট বেঙ্গল (সিনিয়র টাইগার্স) রেজিমেন্টের এই সাহসী সামরিক কর্মকর্তার বীরত্বগাথা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এই গানচিত্রের মূল উদ্দেশ্য।

রাসেল মাহমুদের কথায় ‘প্রহরী’ গানটির সুর ও সংগীত পরিচালনার পাশাপাশি এতে কণ্ঠ দিয়েছেন প্রীতম হাসান। মানজুর অনিকের নির্দেশনায় নির্মিত এই ভিডিওচিত্রটি প্রযোজনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এই মহৎ প্রকল্পের নেপথ্য গল্প তুলে ধরতে গিয়ে প্রীতম হাসান বলেন, ‘আমরা অনেক দিন ধরেই এই কাজটা নিয়ে কথা বলছিলাম। সম্ভবত ডিসেম্বর থেকেই আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে তখন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। তারপরও আমরা চেয়েছি, ধারণাটাকে ঘিরে অর্থবহ কিছু করতে। অবশেষে গানটি গতকাল (১৫ জানুয়ারি) রিলিজ হয়েছে।’

এই সৃষ্টির মাধ্যমে তিনি দর্শকদের, বিশেষ করে তরুণ সমাজকে এক ভিন্নধর্মী স্বাদ দিতে চেয়েছেন। কাজের সার্থকতা নিয়ে প্রীতম আরও বলেন, ‘গানটিতে আমরা এমন কিছু করতে চেয়েছি, যেটা আগে করা হয়নি। ফলাফল নিয়ে আমি সত্যিই সন্তুষ্ট। আশা করছি, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম– যারা হলিউড বা ভিন্নধর্মী স্টাইলের দিকে বেশি ঝোঁকে– তাদের জন্য এটি হবে ভিন্নরকম এক অভিজ্ঞতা।’ মাতৃভূমির জন্য জীবন উৎসর্গকারী প্রথম সামরিক কর্মকর্তার বীরত্বের এই চিত্রায়ন সংগীতের মাধ্যমে এক ঐতিহাসিক দলিল হিসেবেই উপস্থাপিত হয়েছে।


মুক্তির আগেই আইএমডিবির তালিকায় শীর্ষে শাহরুখের ‘কিং’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

নতুন বছরে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ভারতীয় চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে দর্শকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে শাহরুখ খানের পরবর্তী সিনেমা ‘কিং’। আনুষ্ঠানিক মুক্তির আগেই জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তথ্যভাণ্ডার আইএমডিবি-র চলতি বছরের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত সিনেমার তালিকায় শীর্ষস্থানটি নিজের করে নিয়েছে এই চলচ্চিত্র।

বৈশ্বিক দর্শকদের প্রকৃত অনুসন্ধিৎসা ও আগ্রহের মানদণ্ডে এই তালিকাটি প্রস্তুত করা হয়েছে বলে আইএমডিবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। প্রতি মাসে প্ল্যাটফর্মটিতে আসা প্রায় ২৫ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারীর পেজভিউ বিশ্লেষণ করে এই র‍্যাংকিং নির্ধারণ করা হয়, যা বিশ্বজুড়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তারই একটি স্পষ্ট প্রতিফলন।

২০২৬ সালের এই বিশেষ তালিকায় স্থান পেয়েছে মোট পাঁচটি ভিন্ন ভাষার ২০টি চলচ্চিত্র। ভাষাভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এতে হিন্দি ভাষার সর্বাধিক ১০টি সিনেমা জায়গা পেয়েছে। এছাড়া তালিকায় রয়েছে পাঁচটি তেলেগু, তিনটি তামিল এবং মালয়ালম ও কন্নড় ভাষার একটি করে চলচ্চিত্র। শীর্ষ পাঁচ চলচ্চিত্রের মধ্যে ‘কিং’-এর পরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নীতেশ তিওয়ারি পরিচালিত ও রণবীর কাপুর অভিনীত ‘রামায়ণ পার্ট ১’। তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে এইচ ভিনোথ পরিচালিত থালাপতি বিজয় অভিনীত ‘জন নায়াগন’, প্রভাস অভিনীত ও সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা পরিচালিত ‘স্পিরিট’ এবং গীতু মোহনদাস পরিচালিত যশ অভিনীত সিনেমা ‘টক্সিক’।

প্রায় তিন বছরের দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে পরিচালক সিদ্ধার্থ আনন্দের ‘কিং’ ছবির মাধ্যমে পুনরায় বড় পর্দায় ফিরছেন শাহরুখ খান। মুক্তির পূর্বেই আইএমডিবির তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করে নেওয়ার ঘটনা থেকে এটিই প্রতীয়মান হয় যে, বলিউড বাদশাহর এই প্রত্যাবর্তন ঘিরে দর্শকদের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে অবস্থান করছে।


প্রেমের গুঞ্জন ছাপিয়ে বিয়ের পথে ধানুশ ও ম্রুণাল!

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

দক্ষিণী মেগাস্টার ধানুশ ও বলিউড তারকা ম্রুণাল ঠাকুরের দীর্ঘদিনের গোপন প্রণয় এবার পরিণতির পথে এগোচ্ছে বলে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বিনোদন জগতের এই চর্চিত জুটি আগামী মাসেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে পারেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর চাউর হয়েছে।

বিশেষ করে ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের উদয়পুরের একটি রাজকীয় প্রাসাদে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বড় ধরনের জাঁকজমক এড়িয়ে ব্যক্তিগত পরিসরেই এই শুভক্ষণ উদযাপন করতে আগ্রহী এই যুগল। সেখানে কেবল দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতি থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যদিও সম্পর্ক বা বিয়ের বিষয়ে এখন পর্যন্ত ধানুশ কিংবা ম্রুণাল—কারও পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। দীর্ঘদিন ধরে একে অপরকে কেবল ভালো বন্ধু দাবি করে আসলেও সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের বিশেষ রসায়ন ভক্তদের মনে বিয়ের গুঞ্জনকে আরও জোরালো করেছে। নেটিজেনদের একাংশ ধারণা করছেন, এই নীরবতার আড়ালে বড় কোনো চমকই অপেক্ষা করছে ভক্তদের জন্য।

উল্লেখ্য, এটি হতে যাচ্ছে ধানুশের দ্বিতীয় বিয়ে; এর আগে মেগাস্টার রজনীকান্তের কন্যা ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে তার দীর্ঘ ১৮ বছরের দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটে। সেই সংসারে ধানুশের দুই পুত্র সন্তানও রয়েছে। ক্যারিয়ারের শীর্ষ সময়ে থাকা ম্রুণালের সঙ্গে ধানুশের বয়সের বড় ব্যবধান সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত এই অভিনেত্রী দুই সন্তানের জনকের সঙ্গে ঘর বাঁধছেন কি না, সেই প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর পাওয়ার জন্য আরও কিছুকাল অপেক্ষা করতে হবে।


নীরবতা ভেঙে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন রাফসানের সাবেক স্ত্রী এশা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফসান সাবাব ও আলোচিত সংগীতশিল্পী জেফার রহমান। এই আলোচিত বিয়ের খবরের দুইদিন পর অবশেষে নীরবতা ভেঙে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন রাফসানের সাবেক স্ত্রী চিকিৎসক সানিয়া এশা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি কোনো নির্দিষ্ট নাম উল্লেখ না করেই জানিয়েছেন যে, এখন থেকে তিনি কেবল নিজের ক্যারিয়ার ও স্বকীয়তা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চান। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নিজের ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষই জানে বর্তমানে কী ঘটছে এবং সত্যটা কী। এ বিষয়ে আমার আর বেশি কিছু বলার প্রয়োজন মনে করি না। জীবনের এই পর্যায়ে এসে আমি আর কারও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভাবতে বা তাতে জড়াতে চাই না।’

নিজের জীবনের কঠিন সংগ্রামের কথা উল্লেখ করে এশা তার দীর্ঘ মানসিক যন্ত্রণার ইতি টেনে নতুন করে বাঁচার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। মানুষের নিঃস্বার্থ সমর্থন তাকে নতুনভাবে পথ চলার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিজে একটি অত্যন্ত কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গেছি। অনেক কিছু সহ্য করেছি, গভীর মানসিক আঘাত পেরিয়ে এসেছি এবং সেই অবস্থান থেকে উঠে এসে নিজের জন্য কিছু অর্জন করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি। এই পুরো যাত্রাপথে কাছের মানুষদের পাশাপাশি অনেক অচেনা মানুষের কাছ থেকেও যে ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছি, তা আমাকে গভীরভাবে আপ্লুত করেছে। কাছের হোক বা দূরের প্রতিটি শুভকামনা ও উৎসাহের জন্য আমি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব।’

সানিয়া এশা তার বর্তমান লক্ষ্য এবং ভবিষ্যৎ পরিচয় সম্পর্কে অত্যন্ত স্পষ্ট ও দৃঢ় বার্তা দিয়েছেন। অতীতের কোনো ছায়া যেন তার বর্তমান অর্জনকে ম্লান করতে না পারে, সেই লক্ষ্যেই তিনি এখন থেকে কেবল নিজের পেশাগত পরিচয়েই পরিচিত হতে চান। নিজের এই অবস্থানের কথা ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমার সম্পূর্ণ মনোযোগ আমার জীবন ও আমার ক্যারিয়ারকে ঘিরে। আমি নিজের জন্য এমন কিছু গড়ে তুলতে চাই—যা কঠিন সময়ে আমাকে ছেড়ে যাবে না, কিংবা কোনো বিপর্যয়ে আমাকে অসহায় করে তুলবে না। আমি আর আমার অতীত পরিচয় বহন করতে চাই না, কিংবা আগে যাকে চিনতাম তার সঙ্গে নিজের নাম জড়িয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে চাই না। আমি চাই আমার পরিচয় হোক শুধু একটাই “ডা. এশা” একটি নাম, একটি পরিচয়—যার পাশে আমি গর্বের সঙ্গে দাঁড়াতে পারি।’


বক্স অফিস ইতিহাসে নতুন রেকর্ড: বিশ্বের সর্বোচ্চ আয় করা অভিনেত্রী এখন জো সালদানা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

হলিউডের বক্স অফিস ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জো সালদানা। তার অভিনীত সর্বশেষ সিনেমা ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ মুক্তির পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের সর্বকালের সবচেয়ে বেশি আয় করা অভিনেত্রীর খেতাব অর্জন করেছেন। জেমস ক্যামেরন পরিচালিত এই ছবিটি ইতিমধ্যেই বিশ্বজুড়ে ১.২৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যবসা করেছে, যা সালদানাকে এই ঐতিহাসিক রেকর্ডের মালিক হতে সাহায্য করেছে।

এই অভাবনীয় সাফল্যের মাধ্যমে জো সালদানা এমন এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছেন, যা এর আগে কোনো অভিনয়শিল্পী অর্জন করতে পারেননি। তিনি এখন বিশ্বের একমাত্র অভিনেত্রী যিনি ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করা চারটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এই চারটি ব্লকবাস্টার সিনেমা হলো ২০০৯ সালের ‘অ্যাভাটার’, ২০২২ সালের ‘অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’, ২০১৯ সালের ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ড গেম’ এবং ২০১৮ সালের ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’।

বক্স অফিস বিশ্লেষণকারী সংস্থা ‘দ্য নাম্বার্স’-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জো সালদানার অভিনীত সিনেমাগুলোর মোট বৈশ্বিক আয় এখন দাঁড়িয়েছে ১৫.৪৭ বিলিয়ন ডলারে। এই বিপুল আয়ের মাধ্যমে তিনি হলিউডের আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্কারলেট জোহানসন এবং অভিনেতা স্যামুয়েল এল. জ্যাকসনকে পেছনে ফেলে তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছেন। অ্যাভাটার সিরিজ ছাড়াও মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সে ‘গামোরা’ চরিত্রে এবং ‘গার্ডিয়ানস অব দ্য গ্যালাক্সি’ সিরিজে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। এছাড়া স্টার ট্রেক ট্রিলজিতে ‘নয়োটা উহুরা’ চরিত্রেও তার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে, যে সিরিজটিও বিশ্বব্যাপী এক বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যবসা করেছে।

ক্যারিয়ারের এই বড় মাইলফলক অর্জনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় জো সালদানা তার সহশিল্পী, পরিচালক এবং ভক্তদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এই সাফল্য একা তার নয়। অসাধারণ সব সিনেমা, পরিচালকদের বিশ্বাস এবং দর্শকদের অফুরন্ত ভালোবাসাই তাকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে। তিনি বিশেষভাবে পরিচালক জেমস ক্যামেরন, জে. জে. আব্রামস, জো ও অ্যান্থনি রুশো এবং জেমস গানকে ধন্যবাদ জানান। আবেগাপ্লুত সালদানা বলেন, জেমস ক্যামেরন তার মধ্যে এমন সম্ভাবনা দেখেছিলেন, যা অনেক সময় তিনি নিজেও অনুধাবন করতে পারেননি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালটি জো সালদানার ক্যারিয়ারের জন্য অত্যন্ত স্মরণীয় একটি বছর ছিল। গত মার্চ মাসে ‘এমিলিয়া পেরেজ’ সিনেমায় অনবদ্য অভিনয়ের জন্য তিনি সেরা সহ-অভিনেত্রীর অস্কার জয় করেন। এর মাধ্যমে তিনি প্রথম ডোমিনিকান-আমেরিকান অভিনেত্রী হিসেবে একাডেমি পুরস্কার অর্জনের গৌরব লাভ করেন। একই সিনেমার জন্য তিনি কান চলচ্চিত্র উৎসব, গোল্ডেন গ্লোব, বাফটা এবং ক্রিটিকস চয়েস পুরস্কারও নিজের ঝুলিতে ভরেছেন। বর্তমানে তিনি ‘অ্যাভাটার’ সিরিজে নেইতিরির চরিত্রে অভিনয় চালিয়ে যাচ্ছেন।


বিবাহবার্ষিকীতে স্বামীর ‘উপহার’ ডিভোর্স নোটিশ!

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বলিউডের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি দীর্ঘ দিন রূপালি পর্দার আড়ালে থাকলেও এবার তিনি আলোচনায় এসেছেন নিজের ব্যক্তিগত জীবনের এক মর্মান্তিক অধ্যায় নিয়ে। সিনেমার কোনো দৃশ্য নয়, বরং বাস্তব জীবনে স্বামীর কাছ থেকে পাওয়া নির্মম আচরণের শিকার হয়েছেন তিনি। বিয়ের ১৫তম বার্ষিকীতে স্বামী পিটার হাগ তাকে উপহারের পরিবর্তে ডিভোর্স বা বিবাহবিচ্ছেদের আইনি নোটিশ ধরিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি দীর্ঘ পোস্টের মাধ্যমে তিনি নিজের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতার কথা সবার সামনে তুলে ধরেছেন।

সেলিনা জেটলির ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে তাদের বিবাহবার্ষিকীর দিন। সেদিন পিটার হাগ তাকে জানান যে, তার জন্য একটি বিশেষ উপহার কেনা হয়েছে এবং সেটি সংগ্রহ করতে তাদের কাছের পোস্ট অফিসে যেতে হবে। স্বামীর ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়ে সেলিনা গাড়িতে চড়ে সেখানে যান। কিন্তু পোস্ট অফিসে পৌঁছানোর পর কোনো গয়না বা স্মারকের বদলে তার হাতে তুলে দেওয়া হয় বিবাহবিচ্ছেদের আইনি কাগজপত্র। আনন্দঘন মুহূর্তটি নিমিষেই এক দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়।

কেবল বিবাহবিচ্ছেদের নোটিশই নয়, অস্ট্রিয়াতে নিজের শেষ দিনগুলোর ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথাও শেয়ার করেছেন সেলিনা। তিনি জানান, পরিস্থিতি এতটাই প্রতিকূল হয়ে পড়েছিল যে ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর রাত ১টার দিকে তাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়। সে সময় স্থানীয় প্রতিবেশীদের সহায়তায় তিনি কোনোমতে অস্ট্রিয়া ত্যাগ করেন। যখন তিনি ভারতে ফিরে আসেন, তখন তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ছিল অত্যন্ত সামান্য অর্থ। কার্যত নিঃস্ব অবস্থায় তিনি নিজের দেশে ফিরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন।

স্বামীর বিরুদ্ধে গুরুতর সব অভিযোগ এনেছেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানান, বিয়ের বহু আগে ২০০৪ সালে কেনা তার ব্যক্তিগত সম্পত্তির ওপরও এখন পিটার হাগ মালিকানা দাবি করছেন। সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয় হলো, আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও তাকে তার তিন সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। সেলিনা অভিযোগ করেন যে, তার সন্তানদের মানসিকভাবে প্রভাবিত করা হচ্ছে এবং ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে, যাতে তারা মায়ের কাছ থেকে দূরে থাকে। বর্তমানে সন্তানদের ফিরে পেতে এবং নিজের অধিকার আদায়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী।


এক যুগ পর বড় পর্দায় ফিরছেন ডলি জহুর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত গুণী অভিনেত্রী ডলি জহুর দীর্ঘ এক যুগের বিরতি ভেঙে আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন। ২০১১ সালের পর থেকে তিনি নিজেকে সিনেমা জগত থেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন। যদিও এই সময়ে তাকে নিয়মিত টেলিভিশনের নাটকগুলোতে দেখা গেছে, তবুও চলচ্চিত্রের রুপালি পর্দায় তাকে আর পাওয়া যায়নি। তবে সেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার তিনি দুটি নতুন সিনেমায় কাজ করছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সিনেমা দুটি হলো ইয়ামিন ইলানের পরিচালনায় ‘ঝামেলা’ এবং জনপ্রিয় নির্মাতা রেদওয়ান রনির ‘দম’।

ইয়ামিন ইলানের ‘ঝামেলা’ সিনেমাটি দিয়া প্রডাকশনসের ব্যানারে নির্মিত হচ্ছে। এর গল্প পারিবারিক এবং সম্পূর্ণ মৌলিক। নির্মাতা জানিয়েছেন, এটি কোনো বিদেশি সিনেমার অনুকরণ নয়। ডলি জহুর প্রথমে সিনেমায় অভিনয়ে খুব একটা আগ্রহী ছিলেন না, তবে এই সিনেমার গল্প শোনার পর তিনি সম্মতি দেন। ঢাকা ও গাজীপুরে সিনেমাটির শুটিং ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে এবং গতকাল থেকে এর শেষ অংশের দৃশ্যধারণ শুরু হয়েছে। চলতি বছরের কোনো এক ঈদে সিনেমাটি মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে ডলি জহুর ছাড়াও অভিনয় করছেন শ্যামল মাওলা, তানজিকা আমিন, রাশেদ মামুন অপু, কাজী নওশাবা আহমেদ, আবু হুরায়রা তানভীর ও সাবেরী আলমসহ আরও অনেকে।

অন্যদিকে রেদওয়ান রনি পরিচালিত ‘দম’ সিনেমাটিতে ডলি জহুরকে দেখা যাবে জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশোর মায়ের চরিত্রে। সত্য ঘটনার অনুপ্রেরণায় তৈরি এই সারভাইভাল থ্রিলার ঘরানার সিনেমার শুটিং বর্তমানে পাবনায় চলছে। এর আগে গত বছরের শেষ দিকে সিনেমাটির একটি বড় অংশের দৃশ্যধারণ কাজাখস্তানে সম্পন্ন হয়েছে। এই সিনেমায় আরও অভিনয় করছেন চঞ্চল চৌধুরী ও পূজা চেরি। নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, আসছে রোজার ঈদে সিনেমাটি মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

দীর্ঘদিন পর সিনেমায় ফেরা প্রসঙ্গে ডলি জহুর তার অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানান, সত্যি বলতে তিনি আর সিনেমায় ফিরতে চাননি এবং এখনো তিনি তথাকথিত বাণিজ্যিক ফর্মুলা নির্ভর সিনেমায় অভিনয় করতে আগ্রহী নন। তবে এই দুটি সিনেমার গল্প এবং নির্মাতাদের নির্মাণশৈলী ও পরিকল্পনা শুনে তার মনে হয়েছে কাজগুলো করা যায়। এছাড়া এই সিনেমা দুটিতে যারা অভিনয় করছেন, তারা মূলত নাটকেরই শিল্পী, যাদের সঙ্গে তার নিয়মিত কাজ ও দেখা-সাক্ষাৎ হয়। পরিচিত পরিবেশ এবং ভালো গল্পের কারণেই মূলত তিনি এই দুটি সিনেমায় কাজ করতে রাজি হয়েছেন।


গুরুতর অসুস্থতায় বাকরুদ্ধ অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া: এক সপ্তাহ ধরে বন্ধ কণ্ঠস্বর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে তিনি গলার তীব্র সংক্রমণ এবং টনসিলের প্রদাহে ভুগছেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত প্রায় আট দিন ধরে তার কণ্ঠস্বর সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে আছে বলে জানা গেছে।

অভিনেত্রী গত মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিজের এই অসুস্থতার কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, গত ৫ জানুয়ারি থেকে তিনি কথা বলতে পারছিলেন না। এরপর জোর করে কথা বলার চেষ্টা করায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে।

অসুস্থতার কারণে তাকে পূর্বনির্ধারিত বেশ কিছু শুটিং এবং অন্যান্য কাজ বাতিল করতে হয়েছে। চিকিৎসকরা তাকে কণ্ঠনালির পূর্ণ বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন। তাই তিনি আপাতত সব ধরনের কাজ থেকে বিরতি নিয়ে বিশ্রামে রয়েছেন।

তিনি আরও জানিয়েছেন, কণ্ঠস্বর বন্ধ থাকার কারণে বর্তমানে কারও ফোন রিসিভ করা বা কথা বলা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তাই জরুরি প্রয়োজনে ফোন না করে মেসেজের মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য তিনি সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছেন।


ইন্ডাস্ট্রির নায়করা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন: ইমরান হাশমি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

সন্দীপ রেড্ডি বঙ্গার পরিচালিত ব্লকবাস্টার সিনেমা অ্যানিম্যাল নিয়ে যখন অতি-পুরুষত্ব বা টক্সিক ম্যাসকুলিনিটির অভিযোগে তুমুল বিতর্ক চলছে, তখন স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে ছবিটির প্রশংসা করেছেন জনপ্রিয় বলিউড অভিনেতা ইমরান হাশমি। সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলিউড সিনেমায় আগ্রাসী প্রেম ও নারীবিদ্বেষ নিয়ে চলা বিতর্কের মাঝে নিজের স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরেছেন। তার মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতি-সচেতনতা বা ওক কালচারের বুলি আওড়ানো হলেও দিনশেষে দর্শকরা পর্দায় সেই আলফা মেল বা দাপুটে পুরুষকেই দেখতে পছন্দ করেন।

ইমরান হাশমি মনে করেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় সিনেমা নিয়ে যে শোরগোল বা সমালোচনা হয়, তা সবসময় বাস্তব চিত্র নয়। তিনি উল্লেখ করেন যে সারা বিশ্বে এখন এক ধরনের ওক কালচার শুরু হয়েছে। যে অতি-পুরুষালি চরিত্রটিকে এখানে বিষাক্ত বা টক্সিক বলা হচ্ছে, প্রেক্ষাগৃহে সেই চরিত্রটিই রাজত্ব করছে এবং মানুষ টিকিট কেটে সেই ছবিই দেখছে। তার মতে, রণবীর কাপুরের অ্যানিম্যাল সিনেমাটি সফল হওয়ার অন্যতম কারণ হলো এটি তথাকথিত ওক ব্রিগেডের চিন্তাধারার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। অনেক পুরুষ দর্শক এই ছবির চরিত্রের সঙ্গে নিজেদের মনস্তত্ত্বের মিল খুঁজে পেয়েছেন বলেই এটি বক্স অফিসে এমন ঝড় তুলতে সক্ষম হয়েছে।

নারীকেন্দ্রিক সিনেমার প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করলেও ইন্ডাস্ট্রির পুরুষ অভিনেতাদের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ইমরান। তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন যে তাদের ইন্ডাস্ট্রির নায়করা অনেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি তার অভিনীত দ্য ডার্টি পিকচার সিনেমার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ওই ধরনের সিনেমায় কাজ করার সাহস খুব কম নায়কেরই আছে। কারণ হিসেবে তিনি জানান, প্রতিটি গল্পেই নায়করা নিজেদের বিজয় বা প্রাধান্য দেখতে চান। তবে তিনি সে সময় ওই কাজটি করেছিলেন কারণ সিনেমার বিষয়বস্তু তার ভালো লেগেছিল। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, মুখে বলা যত সহজ, বাস্তবে নারীকেন্দ্রিক ছবিতে কাজ করা পুরুষ অভিনেতাদের জন্য ততটা সহজ নয়।

বর্তমান সিনেমার গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ইমরান হাশমি সত্তর ও আশির দশকের প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন। তিনি বলেন, আজ প্রেক্ষাগৃহে যা চলছে তা খুব স্পষ্ট। দর্শকের এখন একজন অতি-পুরুষালি নায়ক, একজন ভয়ংকর খলনায়ক এবং সেই চেনা ছক বা ক্লিশেগুলোর প্রয়োজন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে একসময় অমিতাভ বচ্চন বা বিনোদ খান্নার দিওয়ার বা ত্রিশূলের মতো ছবিগুলো ঠিক এই ফর্মুলাতেই সফল হয়েছিল এবং বর্তমান দর্শকরাও সেই ধাঁচের বিনোদনই খুঁজছেন। আমাদের দেশ মূলত এমনই বলে মন্তব্য করেন এই অভিনেতা।


‘ইন্ডাস্ট্রিতে আমার কোনো প্রেমিক বা গডফাদার নেই’: মিমি চক্রবর্তীর অকপট স্বীকারোক্তি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী সম্প্রতি নিজের ক্যারিয়ার, পারিশ্রমিক এবং চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির ভেতরের পরিবেশ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, নিজের কাজের মানের সঙ্গে তিনি যেমন কোনো আপস করতে রাজি নন, ঠিক তেমনি নিজের প্রাপ্য পারিশ্রমিকের বিষয়েও তিনি অত্যন্ত সচেতন। কম পারিশ্রমিকে অভিনয় করার কোনো ইচ্ছা তার নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন এই টলিউড তারকা।

মিমি চক্রবর্তী স্বীকার করেন যে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি আগের চেয়ে অনেক বেশি কূটনীতিক বা ডিপ্লোম্যাটিক হয়ে উঠেছেন। তবে তিনি এও জানান, মুখের ওপর সত্য কথা বলার পুরোনো অভ্যাসটি তার এখনো বদলায়নি। পারিশ্রমিক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেকেই তাকে কাজে ডাকেন না কারণ তিনি পারিশ্রমিকের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার দরদাম বা আপস করেন না। তার যুক্তি অত্যন্ত পরিষ্কার—কাজের ক্ষেত্রে তিনি যেহেতু নিজের শতভাগ উজাড় করে দেন, তাই পারিশ্রমিকের বেলায় ছাড় দেওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।

ক্যারিয়ারের শুরুতে প্রয়াত কিংবদন্তি পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘গানের ওপারে’ ধারাবাহিকে ‘পুপে’ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলেন মিমি। পরবর্তীতে কেন তাকে আর সেভাবে গভীর চরিত্রে পাওয়া গেল না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বেশ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, পুপে চরিত্রটি ছিল ঋতুপর্ণ ঘোষের মনের সৃষ্টি এবং সেই ম্যাজিক অন্য কারও পক্ষে পুনরায় তৈরি করা সম্ভব নয়। তবে ক্যারিয়ারের শুরুতেই এমন একটি আইকনিক চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়াকে তিনি নিজের সৌভাগ্য বলে মনে করেন।

ইন্ডাস্ট্রির রূঢ় বাস্তবতার কথা তুলে ধরে মিমি আক্ষেপের সুরে বলেন, তিনি এই সত্য মেনে নিয়েছেন যে ইন্ডাস্ট্রিতে তার কোনো প্রেমিক, বাবা কিংবা বড় ভাই নেই যাদের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা আছে। তাই তার কথা মাথায় রেখে আলাদা করে কেউ গল্প লিখবেন না বা চরিত্র তৈরি করবেন না। এই স্বজনপ্রীতির বাইরে দাঁড়িয়ে তাকে যে প্রস্তাবগুলো দেওয়া হয়, সেখান থেকেই তাকে বেছে বেছে কাজ করতে হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।


বলিউডে বিয়ের সানাই: মোদি পরিবারের বধূ হচ্ছেন শ্রদ্ধা কাপুর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বলিউডে আবারও বিয়ের সানাই বাজার প্রস্তুতি চলছে। সোনাক্ষী সিনহা ও অদিতি রাও হায়দারির বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিয়ের পিঁড়িতে বসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুর। দীর্ঘদিন ধরে চলা গুঞ্জনকে বাস্তবে রূপ দিয়ে তিনি ‘মোদি’ পরিবারের সদস্য হতে চলেছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালেই চিত্রনাট্যকার রাহুল মোদির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধবেন এই ‘আশিকি’ খ্যাত নায়িকা।

দীর্ঘদিন ধরেই চিত্রনাট্যকার রাহুল মোদির সঙ্গে শ্রদ্ধা কাপুরের প্রেমের সম্পর্ক বি-টাউনে ‘ওপেন সিক্রেট’ হিসেবে পরিচিত ছিল। বিভিন্ন কফিশপ, ডিনার ডেট থেকে শুরু করে আম্বানিদের হাই-প্রোফাইল পার্টিতেও এই জুটিকে একাধিকবার অত্যন্ত অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা গেছে। যদিও নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জনসম্মুখে কথা বলতে বরাবরই অনীহা প্রকাশ করেছেন শ্রদ্ধা, তবে তাদের রসায়ন ভক্তদের নজর এড়ায়নি।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভক্তের সরাসরি প্রশ্নের জবাবে নীরবতা ভেঙেছেন অভিনেত্রী। বিয়ের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি স্পষ্ট জানান, তিনি বিয়ে করছেন। শ্রদ্ধার এই মন্তব্যের পর থেকেই ভক্ত ও নেটিজেনদের মধ্যে বিয়ের দিনক্ষণ ও আয়োজন নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়নি, তবে ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো দাবি করছে যে বিয়ের প্রস্তুতি পুরোদমে শুরু হয়ে গেছে।

শ্রদ্ধার হবু বর রাহুল মোদি বলিউডের একজন পরিচিত মুখ, তবে তিনি ক্যামেরার সামনে নন, বরং নেপথ্যেই কাজ করে থাকেন। ‘প্যায়ার কা পঞ্চনামা ২’, ‘সোনু কে টিটু কি সুইটি’ এবং শ্রদ্ধার অভিনীত ‘তু ঝুঠি ম্যায় মক্কর’-এর মতো জনপ্রিয় সিনেমার সহকারী পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার হিসেবে তার যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। কাজের সুবাদেই শ্রদ্ধার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এবং তা পরিণয়ের দিকে গড়ায়।

বিয়ের আয়োজনের জন্য এই তারকা জুটিও বেছে নিয়েছেন রাজস্থানকে। প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও ক্যাটরিনা কাইফের পথ অনুসরণ করে উদয়পুরের একটি ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ প্যালেসে বসবে তাদের বিয়ের রাজকীয় আসর। জানা গেছে, সম্পূর্ণ ট্র্যাডিশনাল বা ঐতিহ্যবাহী কায়দায় পরিবারে


banner close