সোমবার, ৫ জানুয়ারি ২০২৬
২২ পৌষ ১৪৩২

গীতিকারের বাড়িতে তৈরি হলো যে গান

হাওয়াই মিঠাই গান তৈরিতে ব্যস্ত সোলস-এর সদস্যরা
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ১৮:২০

দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড সোলস পার করছে ৫০ বছর। ৫০ বছর পূর্তিতে ৫০টি গান প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছিল আগেই। এরই ধারবাহিকতায় ১৩ সেপ্টেম্বর পঞ্চম গান প্রকাশ করেছে সোলসের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে। গানের শিরোনাম ‘হাওয়াই মিঠাই’। গানটি লিখেছেন ওয়াজীহ্ রাজীব, সুর করেছেন পার্থ বড়ুয়া। এটি আড্ডাবাজি পর্বের দ্বিতীয় গান। গানটি প্রসঙ্গে পার্থ বড়ুয়া বলেন,‌‌ ‘গতবার সোলস অস্ট্রেলিয়া ট্যুরের সময় মেলবোর্নে গানটি করেছি। গানটির গীতিকার ওয়াজীহ্ রাজীব। ওর বাসা সেখানেই। ওর বাসায় যাওয়ার পর সেখানেই গানটি তৈরি ও সুর আরোপ করা হয়। আমার মনে হয় এটি একটি ব্যতিক্রমী গান হয়েছে।’ গানটি প্রকাশের পর পরই শ্রোতারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বলে জানান পার্থ বড়ুয়া। গানটির কমেন্টের ঘরে একজন লিখেছেন, এই গানটি অনেক দিন বাঁচবে। বন্ধুদের আড্ডায়, কোরাসে গাইবার জন্য দারুণ নস্টালজিক একটা গান হয়েছে। আরেকজন লিখেছেন- আহা! ভালোবাসার সেই দুরন্ত শৈশব আর কৈশোর! কী দারুণ করে ফুটিয়েছেন, গান বানিয়েছেন, গেয়েছেন। ভালোবাসা প্রিয় সোলস।

বর্তমানে সোলস অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছে। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর এডিলেড ও ২৪ সেপ্টেম্বর পার্থে কনসার্টে অংশ নেবে সোলস। এ মাসের শেষের দিকে পুরো টিম দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, সোলস এরই মধ্যে চারটি গান প্রকাশ করেছে। গানগুলো হলো- সাগরের প্রান্তরে, কিতা ভাইসাব, রিক্সা, যদি দেখো।

বিষয়:

৪০-এ দীপিকা: গ্ল্যামার ও মাতৃত্বের মিশেলে এক নতুন পথচলা

আপডেটেড ৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৬
বিনোদন ডেস্ক

বলিউডের অন্যতম শীর্ষ অভিনেত্রী এবং গ্লোবাল আইকন দীপিকা পাড়ুকোনের আজ ৪০তম জন্মদিন। ১৯৮৬ সালের ৫ জানুয়ারি ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া এই শিশুটি চার দশক পর আজ কেবল একজন সফল অভিনেত্রীই নন, বরং বিশ্বজুড়ে ভারতীয় নারীর আত্মবিশ্বাস ও সাফল্যের এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। তাঁর এই বিশেষ দিনটিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুরাগী এবং সহকর্মীদের শুভেচ্ছায় ভাসছেন তিনি। ডেনমার্ক থেকে শুরু হওয়া তাঁর জীবনের এই যাত্রা আজ তাঁকে বিশ্বমঞ্চের এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে, যেখানে তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন যে মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে যেকোনো বাধা জয় করা সম্ভব।

জীবনের এই বিশেষ ৪০তম বসন্তটি দীপিকার জন্য অনেকটা আলাদা ও তাৎপর্যপূর্ণ। গত কয়েক বছর ধরে দীপিকা পাড়ুকোন এবং রণবীর সিং যে ধরনের জাঁকজমকপূর্ণ ও রাজকীয় উদযাপনে অভ্যস্ত ছিলেন, ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপট তার চেয়ে কিছুটা ভিন্ন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এ বছর কোনো বড় পার্টি বা কোলাহলের বদলে স্বামী রণবীর সিং এবং তাঁদের ছোট সন্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরের এক শান্ত পরিবেশে জন্মদিনটি কাটাচ্ছেন তিনি। মাতৃত্বের স্বাদ পাওয়ার পর এটিই দীপিকার সবচেয়ে বড় মাইলফলক জন্মদিন, তাই জৌলুসের চেয়ে একান্ত পারিবারিক সময়কেই তিনি সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছেন। নিউ ইয়র্কের এই নির্জনতা যেন তাঁর নতুন জীবনের পূর্ণতাকেই ফুটিয়ে তুলছে।

জন্মদিনের মূল উদযাপন ব্যক্তিগত পরিসরে হলেও নিজের ভক্তদের কথা একদমই ভুলে যাননি এই অভিনেত্রী। গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে মুম্বাইয়ের একটি মিলনায়তনে তিনি ভক্তদের জন্য এক বিশেষ 'থ্যাঙ্ক ইউ' ইভেন্টের আয়োজন করেছিলেন। সেখানে শত শত ভক্তের সঙ্গে কেক কাটা, খোলামেলা আড্ডা এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা ভাগ করে নেন তিনি। ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে বলেছিলেন যে, তাঁর এই দীর্ঘ ৪০ বছরের যাত্রায় যারা ছায়ার মতো পাশে ছিলেন, তাঁদের সঙ্গে এই আনন্দটুকু ভাগ করে নেওয়া তাঁর জীবনের অন্যতম বড় প্রাপ্তি। ভক্তদের প্রতি তাঁর এই অকৃত্রিম টানই তাঁকে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে রেখেছে।

২০০৭ সালে 'ওম শান্তি ওম' সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে রাজকীয় অভিষেক থেকে শুরু করে ২০২৫ সাল পর্যন্ত দীপিকা পাড়ুকোনের ক্যারিয়ার যেন একটি রূপকথার মতো। গত বছরেও তিনি একাধিক আন্তর্জাতিক প্রজেক্ট এবং গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সচেতনতামূলক কাজে যুক্ত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন। বিশেষ করে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে তাঁর প্রতিষ্ঠিত 'লাইভ লাভ লাফ' ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি সমাজের অন্ধকার দূর করার যে নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন, তা এই ৪০ বছর বয়সে এসে আরও পরিণত ও শক্তিশালী হয়েছে। কেবল প্রকাশ পাড়ুকোনের কন্যা হিসেবে নয়, বরং নিজের অদম্য যোগ্যতায় 'পিকু', 'পদ্মাবতী' বা 'মাস্তানি'র মতো অমর চরিত্রে অভিনয় করে তিনি কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন।

বিশ্বখ্যাত লাক্সারি ফ্যাশন ব্র্যান্ডের গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে হোক বা অস্কারের জাঁকজমকপূর্ণ মঞ্চে উপস্থাপিকা হিসেবে—দীপিকা বারবার প্রমাণ করেছেন যে বয়স কেবল একটি সংখ্যা মাত্র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আজ কেবল সাধারণ শুভেচ্ছাবার্তাই নয়, বরং একজন সফল ও আত্মপ্রত্যয়ী নারীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধার প্রতিফলন ঘটছে। ভক্তদের কামনায় এখন একটাই সুর—জীবনের ৪০তম এই ধাপে পৌঁছে দীপিকা যেন আরও উজ্জ্বল হয়ে রূপালি পর্দায় ফিরে আসেন এবং সমাজের মূলধারায় ইতিবাচক পরিবর্তনের কাজগুলো আরও শক্তিশালীভাবে চালিয়ে যান। দীপিকার এই নতুন পথচলা আগামীর নারী প্রজন্মের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।


অভিনয়েও দর্শকদের মন জয় করলেন হৃদয় খান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী হৃদয় খান তাঁর সুর ও কণ্ঠের জাদুতে আগেই কোটি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। তবে এবার তিনি হাজির হয়েছেন একদম ভিন্ন এক অবতারে। সংগীতের জগত ছাপিয়ে অভিনেতা এবং নির্মাতা হিসেবে দর্শকদের সামনে আত্মপ্রকাশ করে রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি। তাঁর প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ট্র্যাপড’ ইউটিউবে মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ওটিটি দুনিয়ায় প্রশংসার জোয়ার বইছে। ভক্ত ও সমালোচকরা হৃদয়ের এই নতুন পথচলাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন এবং তাঁর সাবলীল অভিনয় দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন। ইউটিউবে ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকে কমেন্ট বক্সে দর্শকরা তাঁদের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও মুগ্ধতা প্রকাশ করে চলেছেন।

৩০ মিনিটের এই থ্রিলারধর্মী চলচ্চিত্রে নিউ ইয়র্কের অন্ধকার জগত বা আন্ডারওয়ার্ল্ডের এক জটিল গল্প ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে হৃদয় নামের এক যুবক, যে পরিস্থিতির চাপে আন্ডারওয়ার্ল্ডের ফাঁদে জড়িয়ে পড়ে। সেখান থেকে শত চেষ্টা করেও সে বেরিয়ে আসতে পারে না। এই রহস্যময় এবং টানটান উত্তেজনার গল্পটি যেভাবে চিত্রায়িত হয়েছে, তা দর্শকদের সিনেমা হলের অভিজ্ঞতার আমেজ দিয়েছে। বিশেষ করে ছবির সাউন্ড ডিজাইন, ভিজ্যুয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ এবং সিনেমাটোগ্রাফি নিয়ে চলচ্চিত্র প্রেমীরা ইতিবাচক মন্তব্য করছেন। অনেকের মতে, সংগীত পরিচালনার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকার কারণেই হৃদয় খান তাঁর ছবির শব্দের কাজকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন।

চলচ্চিত্রটিতে হৃদয় খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে ফেরা জনপ্রিয় অভিনেত্রী মোনালিসা। তাঁদের অনস্ক্রিন রসায়ন এবং মোনালিসার শক্তিশালী অভিনয় দর্শকদের জন্য ছিল বাড়তি পাওনা। হৃদয় খান জানিয়েছেন, ‘ট্র্যাপড’-এর গল্পের অনুপ্রেরণা তিনি তাঁর নিজের জীবনের কিছু ছায়া থেকে পেয়েছেন। ইউটিউবের কমেন্ট বক্সে অগণিত অনুরাগী হৃদয়ের এই ভিন্নধারার প্রচেষ্টাকে ‘মাইন্ড ব্লোয়িং’ এবং ‘চমৎকার’ হিসেবে অভিহিত করে তাঁকে আরও এমন কাজ করার অনুরোধ জানিয়েছেন। সংগীতের পাশাপাশি অভিনয়েও হৃদয় খানের এই সফল পদযাত্রা তাঁর ক্যারিয়ারে এক নতুন মাত্রা যোগ করল বলে মনে করছেন বিনোদন বিশ্লেষকরা।


হানিয়া-আসিমের বিয়ের গুঞ্জনের মাঝেই জ্যোতিষীর কড়া হুঁশিয়ারি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

২০২৬ সাল শুরু হতে না হতেই পাকিস্তানের বিনোদন জগত তথা ললিউডে বিয়ের গুঞ্জনের নতুন হাওয়া বইতে শুরু করেছে। বিশেষ করে জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমির ও গায়ক আসিম আজহারের পুরনো প্রেম নতুন করে জোড়া লাগার খবরটি এখন টক অব দ্য টাউন। ২০১৮ সাল থেকে তাঁদের মধ্যকার প্রেমের খবরটি ছিল ওপেন সিক্রেটের মতো, তবে ২০২০ সালে এক অনাকাঙ্ক্ষিত বিচ্ছেদের মাধ্যমে সেই সম্পর্কের ইতি ঘটেছিল। সম্প্রতি আসিম আজহারের অন্য একটি বাগদান ভেঙে যাওয়ার পর থেকেই হানিয়া ও আসিমের পুনরায় এক হওয়ার গুঞ্জনটি আরও জোরালো হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একে অপরের প্রতি ইতিবাচক ইঙ্গিত এবং বিভিন্ন প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে তাঁদের একসাথে উপস্থিতি ভক্তদের মনে এই বিশ্বাস জাগিয়ে তুলেছে যে, তাঁরা হয়তো চলতি বছরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন।

তবে এই আনন্দের খবরের মাঝেই এক বিপত্তির সুর তুলেছেন পাকিস্তানের প্রখ্যাত জ্যোতিষীরা। হানিয়া আমিরের বিয়ের গুঞ্জন যখন ললিউডে আলোচনার তুঙ্গে, তখন প্রখ্যাত জ্যোতিষী সামিয়া খান তাঁর রাশিফল বিশ্লেষণ করে একটি উদ্বেগজনক ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। তিনি হানিয়াকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন যে, অভিনেত্রীর এখন ক্যারিয়ারে মনোযোগ দেওয়া উচিত। সামিয়া খানের দাবি অনুযায়ী, ২০২৬ সালে যদি হানিয়া বিয়ে করেন, তবে তাঁর বিচ্ছেদের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এই বিচ্ছেদ হানিয়া আমিরের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি এবং ক্যারিয়ারের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে তিনি মনে করছেন। তাঁর এই সতর্কতা ভক্তদের মাঝে নতুন করে দুশ্চিন্তার জন্ম দিয়েছে।

অন্যদিকে, আরেক জনপ্রিয় জ্যোতিষী কিনান চৌধুরীও এই জল্পনায় যোগ দিয়েছেন। তাঁর দাবি, তিনি হানিয়া ও আসিমের আগের বিচ্ছেদের কথা অনেক আগেই সঠিকভাবে বলে দিয়েছিলেন। তাঁর বর্তমান পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, হানিয়া এই মুহূর্তে নতুন একটি সম্পর্কে আছেন এবং চলতি বছরই সেই সম্পর্কটি বিয়েতে রূপ নেওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও জ্যোতিষীদের মধ্যে মতপার্থক্য এবং বিচ্ছেদের আশঙ্কা নিয়ে নানা বিতর্ক চলছে, তবুও ভক্তরা অধীর আগ্রহে এই জুটির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছেন। এখন পর্যন্ত হানিয়া আমির বা আসিম আজহার কেউই নিজেদের সম্পর্ক বা বিয়ে নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। ২০২৬ সালটি শেষ পর্যন্ত তাঁদের জন্য শুভ পরিণয় বয়ে আনবে নাকি জ্যোতিষীদের আশঙ্কাই সত্যি হবে, তা সময়ই বলে দেবে।


গাজার শিশু হিন্দ রাজাবের মর্মান্তিক কাহিনী এবার যুক্তরাজ্যের প্রেক্ষাগৃহে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় প্রাণ হারানো পাঁচ বছরের ফিলিস্তিনি শিশু হিন্দ রাজাবের সেই হৃদয়বিদারক ঘটনা এবার রূপালি পর্দায় আসছে। ‘দ্য ভয়েস অব হিন্দ রাজাব’ শিরোনামের এই চলচ্চিত্রটি খুব শীঘ্রই যুক্তরাজ্যের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে পরিবারের সঙ্গে পালানোর সময় হামলার মুখে পড়ে ছোট্ট হিন্দ। পরিবারের অন্য সদস্যরা প্রাণ হারালেও সে একা আহত অবস্থায় দীর্ঘ সময় বেঁচে ছিল এবং সাহায্যের জন্য রেড ক্রিসেন্টের কল সেন্টারে বার বার ফোন করেছিল। সেই ঐতিহাসিক ও বেদনাদায়ক ফোনালাপের অডিওর ওপর ভিত্তি করেই তিউনিশীয় নির্মাতা কাউথার বেন হানিয়া নির্মাণ করেছেন এই শক্তিশালী সিনেমা।

৯০ মিনিটের এই চলচ্চিত্রে মূলত সেই সময়ের ভয়াবহ বাস্তবতা এবং রেড ক্রিসেন্টের কর্মীদের অসহায়ত্বের চিত্র নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে। কল সেন্টারের ভেতর থেকে উদ্ধারকর্মীরা যেভাবে হিন্দকে ফোনে সাহস জোগানোর চেষ্টা করেছিলেন এবং আমলাতান্ত্রিক ও নিরাপত্তাজনিত জটিলতার কারণে উদ্ধারকারী পাঠাতে যে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছিল, সেই সংঘাতময় দিকগুলো এখানে বিশদভাবে দেখানো হয়েছে। সিনেমার একটি অত্যন্ত মর্মস্পর্শী মুহূর্তে শোনা যায় ছোট হিন্দের সেই করুণ আকুতি—‘আমাকে ছেড়ে যাবেন না, আমি অন্ধকারে ভয় পাই।’ উদ্ধারকর্মীরা তাকে বাঁচাতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত এক মর্মান্তিক পরিণতির হাত থেকে তাকে রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

বাস্তব ঘটনার বর্ণনায় দেখা যায়, হিন্দকে উদ্ধার করতে যাওয়া দুই প্যারামেডিকও ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারান এবং দীর্ঘ ১২ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে সবার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই সাহসী ও শোকাতুর চলচ্চিত্রটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফিলিস্তিনি অভিনেতা মোতাজ মালহিস। বিশেষ বিষয় হলো, অস্কারের দৌড়ে থাকা এই প্রজেক্টটিতে নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন হলিউডের নামজাদা তারকা ব্র্যাড পিট এবং জোয়াকিন ফিনিক্স। গত বছর ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে ২৩ মিনিটের রেকর্ড ‘স্ট্যান্ডিং ওভেশন’ এবং গ্র্যান্ড জুরি প্রাইজ অর্জনকারী এই ছবিটি আগামী ১৬ জানুয়ারি যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডে বড় পর্দায় মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এটি কেবল একটি সিনেমাই নয়, বরং গাজার সাধারণ মানুষের যন্ত্রণার এক জীবন্ত দলিল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


জয়া বচ্চনের ব্যবহারে ক্ষুব্ধ পাপারাজ্জিরা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বলিউডের প্রবীণ অভিনেত্রী জয়া বচ্চন এবং পাপারাজ্জিদের মধ্যে দীর্ঘদিনের ‘দা-কুমড়া’ সম্পর্ক নতুন করে চরম তিক্ততায় রূপ নিয়েছে। সম্প্রতি পাপারাজ্জিদের ‘অশিক্ষিত’ এবং ‘রুচিবোধহীন’ বলে অভিহিত করায় বিনোদন জগতের এই কর্মীরা তাঁর ওপর দারুণ ক্ষুব্ধ হয়েছেন। জয়া বচ্চনের এই অবমাননাকর মন্তব্যের পর এবার পাল্টা জবাব দিয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় পাপারাজ্জি বারিন্দর চাওলা। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, জয়া বচ্চন একজন শ্রদ্ধেয় জ্যেষ্ঠ অভিনেত্রী হতে পারেন, কিন্তু তাই বলে কারও শিক্ষা বা পোশাক নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করার অধিকার তাঁর নেই। এই ঘটনায় পাপারাজ্জিরা মানসিকভাবে ব্যথিত হয়েছেন এবং তাঁরা মনে করছেন, জয়া বচ্চন ইচ্ছাকৃতভাবে একটি পরিশ্রমী পেশাকে অবজ্ঞা ও অপমান করেছেন।

বারিন্দর চাওলা এক সাক্ষাৎকারে জয়া বচ্চনের রূঢ় আচরণের কঠোর সমালোচনা করে একটি বিকল্প পথ বাতলে দিয়েছেন। তাঁর মতে, কোনো তারকার যদি ছবি তোলা বা লাইমলাইটে আসা পছন্দ না হয়, তবে তিনি অনুষ্ঠানস্থলের পেছনের দরজা ব্যবহার করতে পারেন। তিনি যুক্তি দেখান যে, প্রতিটি বড় অনুষ্ঠানেই অতিথিদের যাতায়াতের জন্য প্রধান প্রবেশপথ বা রেড কার্পেটের পাশাপাশি একটি গোপন বা পেছনের পথ থাকে। কিন্তু জয়া বচ্চন রেড কার্পেট বা মূল পথ দিয়ে হেঁটে যাবেন অথচ ছবি তোলা যাবে না এমন দাবি করা সম্পূর্ণ হাস্যকর এবং অগ্রহণযোগ্য। বারিন্দর আরও উল্লেখ করেন যে, আলিয়া-রণবীর বা বিরাট-অনুশকার মতো জনপ্রিয় তারকারাও তাঁদের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য প্রায়ই অনুরোধ করেন, কিন্তু তাঁরা সেটি করেন অত্যন্ত বিনয়ের সাথে, যা পাপারাজ্জিরাও সম্মান জানিয়ে আসছেন।

গত ডিসেম্বর মাসে একটি পাবলিক অনুষ্ঠানে ছবি তুলতে গেলে জয়া বচ্চন মেজাজ হারিয়ে উপস্থিত কর্মীদের দিকে বিরূপ মন্তব্য ছুড়ে দেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, নোংরা জামাকাপড় পরে মোবাইল বা ক্যামেরা নিয়ে আসা এই মানুষগুলোর আদৌ কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা আছে কি না। তাঁর এই রূঢ় মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। সাধারণ নেটিজেনদের পাশাপাশি অনেক বিনোদন প্রেমীও জয়া বচ্চনের এই ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। পরিস্থিতির অবনতি এতটাই হয়েছে যে, বর্তমানে অনেক পাপারাজ্জি ও ফটোগ্রাফার জয়া বচ্চনকে পুরোপুরি বয়কট করার এবং ভবিষ্যতে তাঁর কোনো ছবি না তোলার পরিকল্পনা করছেন। এই বিতর্কের ফলে বচ্চন পরিবারের এই জ্যেষ্ঠ সদস্যের ভাবমূর্তি নতুন করে সংকটের মুখে পড়েছে।


কলকাতার নায়িকা না কি সাবিলা নূর? ‘প্রিন্স’ সিনেমার কাস্টিং নিয়ে তুঙ্গে কৌতূহল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘প্রিন্স’ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে চলচ্চিত্র পাড়ায় নানা মুখরোচক গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। কলকাতার নায়িকা বাদ পড়া থেকে শুরু করে শুটিং অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়া—এমন সব খবরে যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উত্তাল, ঠিক তখনই নীরবতা ভেঙে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিয়েছে নির্মাতা ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। গত কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল যে, ভারতের সাথে ভিসা জটিলতা এবং অভ্যন্তরীণ কিছু সমস্যার কারণে সিনেমাটির কাজ থমকে গেছে এবং এটি হয়তো আগামী ঈদে মুক্তি পাবে না। বিশেষ করে কলকাতার অভিনেত্রী জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু এই প্রজেক্টে থাকছেন না বলে নিজেই জানিয়েছিলেন, যা জল্পনার আগুনে ঘি ঢালে। এরপর থেকেই শাকিব ভক্তরা দাবি তুলছিলেন যেন ‘তাণ্ডব’ সিনেমার পর সাবিলা নূরকেই আবারও তাঁর বিপরীতে দেখা যায়।

এসব বিভ্রান্তিকর খবরের অবসান ঘটিয়ে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড ফিল্মস’ এবং নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ এক যৌথ বিবৃতিতে সকল জল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছেন। বিবৃতিতে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে যে, ‘প্রিন্স’ সিনেমা নিয়ে ছড়িয়ে পড়া নেতিবাচক খবরগুলো নিছক গুজব ছাড়া আর কিছুই নয়। বিভিন্ন প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও সিনেমার কাজ পূর্ণ গতিতেই এগিয়ে যাচ্ছে এবং আগামী ৬ জানুয়ারি থেকে দলবল নিয়ে তাঁরা শুটিংয়ে ফিরছেন। নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ নিজেও তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, যথাসময়ে সিনেমার ফার্স্টলুক, পোস্টার এবং ট্রেলার প্রকাশ করা হবে। এই বার্তার পর শাকিব ভক্তদের মাঝে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

উল্লেখ্য যে, ‘প্রিন্স’ সিনেমাটি নব্বই দশকের ঢাকা শহরের আন্ডারওয়ার্ল্ড বা অন্ধকার জগতের অপরাধ ও রোমাঞ্চকর কাহিনী নিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে। ক্রাইম, অ্যাকশন, ভালোবাসা আর আবেগের মিশেলে তৈরি এই ছবিটির প্রথম পোস্টার গত বছরই দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। সিনেমাটিতে শাকিব খানের বিপরীতে দুই নায়িকার থাকার কথা রয়েছে, যার মধ্যে তাসনিয়া ফারিণ ইতিমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছেন। দ্বিতীয় নায়িকা নিয়ে রহস্য থাকলেও নির্মাতারা জানিয়েছেন তাঁরা দর্শকদের চমকে দেওয়ার মতো কিছুই করবেন। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী ঈদুল ফিতরেই মেগাস্টার শাকিব খানের ‘প্রিন্স’ অবতার বড় পর্দায় দেখার সুযোগ পাবেন সিনেমাপ্রেমীরা। বর্তমানে সিনেমার পুরো দল পরবর্তী ধাপের শুটিংয়ের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।


‘ঠিকানা’র বিনোদন বিভাগের প্রধান হলেন জায়েদ খান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

ঢালিউডের আলোচিত অভিনেতা জায়েদ খান প্রবাস জীবনে নিজের ক্যারিয়ারের এক নতুন এবং চমকপ্রদ অধ্যায় শুরু করেছেন। প্রায় দুই বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত এই অভিনেতা সেখানকার নিউ ইয়র্কভিত্তিক জনপ্রিয় বাংলা সংবাদমাধ্যম ‘ঠিকানা’র বিনোদন বিভাগের প্রধান বা ‘হেড অব এন্টারটেইনমেন্ট’ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। অভিনয়ের আঙিনা পেরিয়ে এবার তিনি গণমাধ্যমের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নিজের মেধা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাবেন। উল্লেখ্য যে, যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর পর থেকেই তিনি ঠিকানা নিউজের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ‘ফ্রাইডে নাইট উইথ জায়েদ খান’ নামে একটি বিশেষ টক-শো উপস্থাপনা করে আসছিলেন, যা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।

জায়েদ খানের উপস্থাপনায় ‘ফ্রাইডে নাইট উইথ জায়েদ খান’-এর প্রথম সিজনটি ডিজিটাল দুনিয়ায় রীতিমতো ঝড় তুলেছে। মোট ১২টি পর্বের এই সিজনে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় তারকারা অতিথি হিসেবে অংশ নিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমটির রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রথম সিজনেই এই শোটি ৫ কোটিরও বেশি ভিউ অর্জন করেছে, যা বাংলা টক-শো’র ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক। জায়েদ খানের প্রাণবন্ত উপস্থাপনা এবং তারকাদের অজানা সব তথ্য তুলে আনার কৌশল দর্শকদের দারুণভাবে আকৃষ্ট করেছে। এই সাফল্যের পুরস্কারস্বরূপ এবং প্রতিষ্ঠানের বিনোদন বিভাগকে আরও গতিশীল করতে কর্তৃপক্ষ তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ এই পদে আসীন করেছে।

নতুন এই দায়িত্ব গ্রহণ প্রসঙ্গে জায়েদ খান তাঁর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, দর্শকদের ভালোবাসা ও বিশ্বাসই তাঁর সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। তিনি মনে করেন, ভিউ কত হলো তার চেয়ে বড় বিষয় হলো মানুষ কতটা পছন্দ করেছে। হেড অব এন্টারটেইনমেন্ট হিসেবে যুক্ত হওয়ার পর তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, ঠিকানা নিউজে দর্শকদের জন্য ভবিষ্যতে আরও অনেক বড় ধরনের চমক বা ‘ধামাকা’ অপেক্ষা করছে। তিনি এখন থেকে অভিনয়ের পাশাপাশি বিনোদন সাংবাদিকতা ও অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনার এই নতুন চ্যালেঞ্জ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে মোকাবিলা করবেন।

উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ব্যক্তিগত ও পেশাগত কারণে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান জায়েদ খান। পরবর্তীতে আগস্ট মাসে বাংলাদেশে বড় ধরনের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে এবং তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হওয়ার কারণে তিনি আর দেশে ফিরে আসেননি। যদিও মাতৃভূমিতে ফেরার প্রবল ইচ্ছা তাঁর মনে সবসময়ই কাজ করে, তবে বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকেই তাঁর কর্মক্ষেত্র হিসেবে বেছে নিয়েছেন। বিদেশের মাটিতে দেশীয় সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করা এবং একটি প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করা জায়েদ খানের জন্য এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বর্তমানে তিনি তাঁর নতুন দায়িত্ব পালনে পূর্ণ মনোযোগ দিচ্ছেন।


মায়ের জন্মদিনে উর্বশীর রাজকীয় আয়োজন: কাটা হলো ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের কেক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বলিউড অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলা তাঁর অত্যন্ত বিলাসবহুল এবং জাঁকজমকপূর্ণ জীবনযাপনের জন্য প্রায়ই খবরের শিরোনামে থাকেন। এবার নিজের মা মীরা রাউতেলার জন্মদিন উপলক্ষে ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের প্রলেপ দেওয়া একটি বিশাল তিন তলা কেক কেটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন তিনি। গত ১ জানুয়ারি দুবাইয়ের বিশ্বখ্যাত এবং অন্যতম বিলাসবহুল হোটেল বুর্জ আল আরবে এই রাজকীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই উর্বশীর এই আকাশচুম্বী ব্যয়ের আয়োজন নিয়ে নেট দুনিয়ায় চলছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।

দুবাইয়ের এই রাজকীয় পার্টিতে উর্বশী নিজেই নিশ্চিত করেছেন যে, তাঁর মায়ের জন্য তৈরি করা কেকটি ছিল ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের পাতে মোড়ানো। কেকটির শীর্ষে একটি কারুকার্যখচিত স্বর্ণের মুকুট বসানো ছিল, যা পুরো আয়োজনকে একটি রাজকীয় রূপ দান করে। ছবিতে উর্বশীকে একটি সোনালি রঙের ঝলমলে পোশাকে এবং তাঁর মাকে বেগুনি রঙের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে দেখা গেছে। উর্বশী তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে উল্লেখ করেন যে, বিশ্বের অন্যতম উঁচু হোটেলে মায়ের জন্মদিন পালন করতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। কেবল কেক নয়, পুরো টেবিলজুড়ে ছিল দামি পানীয় এবং আকর্ষণীয় ফুলের সাজসজ্জা।

উর্বশী রাউতেলার এই এলাহি আয়োজন দেখে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ভক্তদের একাংশ তাঁর এই অভিনব ভাবনার প্রশংসা করলেও অনেকেই একে অপ্রয়োজনীয় আড়ম্বর এবং সম্পদের প্রদর্শন বলে কটাক্ষ করেছেন। এটিই প্রথম নয়, এর আগেও উর্বশী তাঁর বিভিন্ন দামি শখের কারণে আলোচনায় এসেছেন। বিশেষ করে স্বর্ণের পাতে মোড়ানো মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তিনি ইতিপূর্বে খবরের শিরোনাম হয়েছিলেন। তবে সমালোচনা সত্ত্বেও উর্বশী বরাবরই তাঁর নিজস্ব রাজকীয় ঢঙে জীবন উপভোগ করতে পছন্দ করেন, যার প্রতিফলন আবারও দেখা গেল তাঁর মায়ের জন্মদিনের এই জমকালো আয়োজনে।


দীর্ঘ বিরতি ও মান-অভিমান শেষে পর্দায় ফিরছে জনপ্রিয় দেব-শুভশ্রী জুটি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

ওপার বাংলার চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম জনপ্রিয় ও সফল জুটি দেব এবং শুভশ্রী গাঙ্গুলী তাঁদের দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত দূরত্ব ও মান-অভিমান ভুলে আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন। আগামী ২০২৬ সালের দুর্গাপূজাকে লক্ষ্য করে এই জুটির নতুন একটি সিনেমা মুক্তি পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাঁদের মধ্যে পেশাগত ও ব্যক্তিগত নানা টানাপোড়েন লক্ষ্য করা গিয়েছিল, তবে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে এই দুই তারকার পুনরায় জুটি বাঁধার খবর টলিউড পাড়ায় নতুন এক উন্মাদনার সৃষ্টি করেছে। ভক্তরা তাঁদের প্রিয় জুটিকে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও রোমান্টিক এবং অ্যাকশন ঘরানার গল্পে দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

উল্লেখ্য যে, ২০২৫ সালে প্রায় এক দশকের অপেক্ষার পর ‘ধূমকেতু’ সিনেমার মাধ্যমে দেব ও শুভশ্রীকে পর্দায় দেখা গিয়েছিল। তবে সিনেমাটি মুক্তির পর প্রচারণা নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতা এবং একে অপরের প্রতি পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ফলে তাঁদের মধ্যকার সম্পর্কের অবনতি ঘটে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, জনসমক্ষেও তাঁদের একে অপরের সমালোচনা করতে দেখা গেছে। তবে সম্প্রতি অভিনেতা ও পরিচালক পরমব্রত চ্যাটার্জির একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে দেব এবং শুভশ্রীকে দীর্ঘক্ষণ আলাপ করতে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সেখানে তাঁদের মধ্যকার আগের সেই তিক্ততা লক্ষ্য করা যায়নি, বরং অত্যন্ত সহজ ও সাবলীলভাবে কথা বলতে দেখা গেছে। এই সাক্ষাতের পরপরই তাঁদের নতুন সিনেমার গুঞ্জন আরও জোরালো হয়।

এখন পর্যন্ত নির্মাতাদের পক্ষ থেকে নতুন সিনেমার নাম বা প্রেক্ষাপট আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি সংশ্লিষ্টদের ধারণা, দেবের সাম্প্রতিক ব্যবসাসফল সিনেমা ‘খাদান’-এর সিক্যুয়েলে হয়তো শুভশ্রীকে দেখা যেতে পারে। সিনেমাটিতে প্রেম, বিনোদন এবং অ্যাকশনের এক নিখুঁত সংমিশ্রণ থাকবে বলে আভাস পাওয়া গেছে। ইতিপূর্বে দেব এবং শুভশ্রী একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন যে, উপযুক্ত চিত্রনাট্য ও সময়ের প্রয়োজনে তাঁরা আবারও জুটি বাঁধতে আগ্রহী। বিগত দেড় দশকে এই জুটি ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’, ‘চ্যালেঞ্জ’ এবং ‘খোকাবাবু’র মতো অসংখ্য সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন। আবারও তাঁদের একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত টলিউডের বাণিজ্যিক সাফল্যে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা মনে করছেন।


পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে উন্মত্ত জনতার কবলে বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুটি সাচেত-পরম্পরা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে বর্ষবরণের রাতে এক অত্যন্ত ভয়াবহ ও তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুটি সাচেত ট্যান্ডন ও পরম্পরা ঠাকুর। নতুন বছর ২০২৬-কে বরণ করে নিতে বালুরঘাটে আয়োজিত একটি জমকালো কনসার্টে আমন্ত্রিত হয়ে এসেছিলেন ‘কবীর সিং’ খ্যাত এই দম্পতি। অনুষ্ঠান চলাকালীন সবকিছু স্বাভাবিক থাকলেও বিপত্তি ঘটে ফেরার পথে। অনুষ্ঠান শেষ করে যখন তাঁরা গাড়িতে করে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হন, তখন ভক্তের উন্মাদনা এক পর্যায়ে উগ্র ‘মব’ বা উন্মত্ত জনতার তাণ্ডবে রূপ নেয়। শত শত মানুষ তাঁদের গাড়িটি ঘেরাও করে ফেলে এবং এক ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যার ফলে এই শিল্পী জুটি অল্পের জন্য শারীরিক ক্ষতি থেকে রক্ষা পেলেও তাঁদের বহনকারী গাড়িটি ব্যাপক ভাঙচুরের শিকার হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, উত্তেজিত জনতা চলন্ত গাড়ির ওপর উপর্যুপরি কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে এবং গাড়িটিকে সামনের দিকে এগোতে বাধা দেয়। এক পর্যায়ে সজোরে আঘাতের ফলে গাড়ির পেছনের কাচ বিকট শব্দে ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। ভিডিওর ভেতরে থাকা অডিওতে শোনা যায়, অপ্রত্যাশিত এই হামলার ঘটনায় সাচেত অত্যন্ত আতঙ্কিত হয়ে ‘ওহ শিট’ বলে চিৎকার করে ওঠেন। পাশেই বসা পরম্পরা ঠাকুর অত্যন্ত ভয়ার্ত অবস্থায় জনতাকে শান্ত হওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ জানাচ্ছিলেন, কিন্তু কোনো কিছুই সেই উন্মত্ত জনতাকে দমাতে পারছিল না। প্রিয় শিল্পীকে একনজর দেখার উন্মাদনা কখন যে নৃশংসতায় রূপ নেয়, তা দেখে হতভম্ব হয়ে পড়েন উপস্থিত অনেকে।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনায় শিল্পী জুটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়লেও এখন পর্যন্ত পুলিশের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেননি। ঘটনার পর তাঁরা নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করলেও বালুরঘাটের সেই বিভীষিকা নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তবে ঘটনার ভিডিওটি ইন্টারনেটে ভাইরাল হতেই স্থানীয় বাসিন্দা ও নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র সমালোচনার ঝড় বইছে। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন যে, পশ্চিমবঙ্গের মতো সংস্কৃতিমনা একটি জায়গায় আমন্ত্রিত শিল্পীদের ওপর এমন হামলা অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা ও শিল্পীদের নিরাপত্তার ওপর বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ইদানীং তারকাদের ওপর এমন ‘মব কালচার’ বা দলবদ্ধ হামলার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। উল্লেখ্য যে, এই ঘটনার কয়েকদিন আগেই প্রখ্যাত শিল্পী কৈলাস খেরের একটি কনসার্টেও উন্মত্ত জনতা তাণ্ডব চালিয়েছিল, যার জেরে মাঝপথেই অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। সাচেত ও পরম্পরার ওপর এই হামলা কেবল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি সাধারণ মানুষের উন্মাদনা ও শিষ্টাচারের অভাবকেই ফুটিয়ে তুলেছে। বিনোদন প্রেমীদের দাবি, বড় বড় তারকাদের জনসমক্ষে চলাচলের সময় আরও কঠোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে শিল্পীরা এমন আতঙ্কের মুখোমুখি না হন। আপাতত এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বালুরঘাটে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।


অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুনভাবে পথ চলতে চান তৌসিফ মাহবুব

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ছোটপর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আলোচিত অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব নতুন বছর ২০২৬-কে কেন্দ্র করে তাঁর ভক্ত ও অনুসারীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং সেই সঙ্গে নিজের জীবনের পরবর্তী অধ্যায় নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তার মাধ্যমে তিনি জানান যে, নতুন বছরে তাঁর সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হলো অতীতে করা ভুলগুলোর পুনরাবৃত্তি না করা। তাঁর মতে, মানুষ হিসেবে ভুল করা স্বাভাবিক এবং তিনি তাঁর অভিনয় জীবন ও ব্যক্তিগত জীবনেও এমন অনেক ভুল করেছেন যা তাঁকে বারবার পিছিয়ে দিয়েছে। তবে এবার তিনি সেই সমস্ত অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে আরও মসৃণ ও সফল একটি ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে চান এবং নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করতে চান।

তৌসিফ তাঁর ক্যারিয়ারের দেড় দশকের অভিজ্ঞতা থেকে অনুধাবন করেছেন যে একই ভুল বারবার করা মানে হলো নিজের উন্নতির পথকে রুদ্ধ করে দেওয়া। তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলেন যে, তাঁর আজকের এই তৌসিফ মাহবুব হয়ে ওঠার পেছনে অতীতের ভুলগুলোর একটি বড় ভূমিকা রয়েছে কারণ সেগুলো তাঁকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। তবে সেই শিক্ষাগুলো বাস্তবে কাজে লাগিয়ে এবার তিনি নতুন সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে চান। তিনি মনে করেন, ভুলগুলো শিখেও যদি কেউ একই কাজে বারবার লিপ্ত হয়, তবে সেটি মানুষকে সামনে এগোনো থেকে আটকে রাখে। তাই তাঁর সামনের যাত্রাটা যেন আরও ইতিবাচক হয়, সেই লক্ষ্যেই তিনি এখন থেকে সাবধানী পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।

ভুলের ধরন সম্পর্কে আলোকপাত করতে গিয়ে তৌসিফ মাহবুব জানান যে, কিছু মানুষ অতীতে তাঁর ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে এবং নতুন বছরে তিনি সেই ধরনের ব্যক্তিদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে চান। এছাড়া কিছু ভুল কাজের সিদ্ধান্ত যা তাঁর ক্যারিয়ারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল, সেগুলো থেকেও তিনি শিক্ষা নিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে এমন কোনো কাজে যুক্ত হতে চান না যা তাঁর পেশাদারিত্বকে ক্ষুণ্ণ করে। দেড় দশকের এই লম্বা পথচলায় তিনি এখন কাজের সংখ্যা বাড়ানোর চেয়ে কাজের গুণমানের দিকে এবং পরিবারের প্রতি বেশি মনোযোগ দিতে আগ্রহী। মূলত নিজের ভুলের সংখ্যা কমিয়ে আরও ভালো ভালো কাজ উপহার দিয়ে দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণ করাই এখন তৌসিফের প্রধান লক্ষ্য।


প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় জুটি বাঁধছেন অক্ষয় ও রানি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বলিউডে বড় ধরনের চমক নিয়ে ফিরছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ‘ওহ মাই গড’ ফ্র্যাঞ্চাইজি। এবার এই ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তিতে যুক্ত হতে চলেছেন প্রতিভাবান অভিনেত্রী রানি মুখার্জি। সবচেয়ে বড় খবর হলো, দীর্ঘ বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে এই প্রথমবার অভিনেতা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে বড় পর্দায় জুটি বাঁধতে চলেছেন তিনি। নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় এই দুই তারকাকে এর আগে কখনো একসঙ্গে কোনো সিনেমায় দেখা যায়নি, তাই তাঁদের প্রথমবারের পর্দার রসায়ন দেখতে ভক্তদের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল ও উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই নতুন কাস্টিংয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের প্রত্যাশা ও আলোচনার মাত্রা বহুগুণ বেড়ে গেছে।

সিনেমা সংশ্লিষ্ট ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা গেছে, ‘ওহ মাই গড ৩’-এর প্রি-প্রোডাকশন বা প্রাক-নির্মাণের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে সিনেমাটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এবারের সিনেমার গল্প আগের দুটি কিস্তির চেয়েও অনেক বেশি বড়, সমসাময়িক এবং জীবনঘনিষ্ঠ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিচালক অমিত রাই এমন একটি প্রেক্ষাপট তৈরি করছেন যা সরাসরি দর্শকদের হৃদয়ে নাড়া দেবে এবং আগের দুটি কিস্তির মতোই একটি শক্তিশালী সামাজিক বার্তা দেবে। অক্ষয় কুমার নিজেও চেয়েছিলেন ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তিটি যেন আরও বেশি বাস্তবসম্মত ও গভীর আবেদনের অধিকারী হয়। রানি মুখার্জির মতো শক্তিশালী অভিনেত্রীর অন্তর্ভুক্তি সিনেমার গুরুত্ব ও গভীরতাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

যদিও এই বড় কাস্টিং এবং সিনেমা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি, তবে ফেব্রুয়ারিতে রানি মুখার্জির ‘মরদানি ৩’ মুক্তি পাওয়ার পরই এই প্রজেক্টের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সামনে আসতে পারে। ২০১২ সালে ‘ওহ মাই গড’ এবং ২০২৩ সালে ‘ওহ মাই গড ২’ মুক্তি পেয়ে বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য পাওয়ার পাশাপাশি দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল। মূলত সামাজিক ও ধর্মীয় বিভিন্ন অসঙ্গতির বিরুদ্ধে সাহসের সঙ্গে কথা বলা এই ফ্র্যাঞ্চাইজি বলিউডের অন্যতম সেরা ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত। এবার অক্ষয় ও রানির এই নতুন সমীকরণ ‘ওহ মাই গড ৩’-কে কেবল জনপ্রিয়তাই নয়, বরং সাফল্যের এক নতুন শিখরে নিয়ে যাবে বলে ভক্ত-অনুরাগীরা অধীর অপেক্ষায় আছেন।


বড় পর্দায় প্রথমবার এআর রহমান, দেখা যাবে ভিন্ন এক ‘অ্যাংরি ইয়াংম্যান’ চরিত্রে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

অস্কারজয়ী বিশ্বখ্যাত সংগীত পরিচালক এআর রহমান এবার নিজের চিরচেনা সংগীতাঙ্গন পেরিয়ে বড় পর্দায় অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন। নতুন বছরে মুক্তি পেতে যাওয়া ‘মুনওয়াক’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় তাঁর এই নতুন অভিযাত্রার সূচনা হতে যাচ্ছে। এত দিন দর্শক তাঁকে সুরের মূর্ছনায় মুগ্ধ হতে দেখেছেন, কিন্তু এবার তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন এক চরিত্রে দর্শকদের সামনে হাজির হবেন। বছরের প্রথম দিনেই তাঁর অভিনয়ের এই সংবাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ভক্ত ও অনুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। সংগীতের জাদুকর থেকে অভিনেতা হয়ে ওঠার এই রূপান্তর বিনোদন জগতের অন্যতম বড় চমক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

‘মুনওয়াক’ সিনেমাটি মূলত একটি কমেডি ঘরানার গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে, যার পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছেন মনোজ এনএস এবং প্রযোজনায় রয়েছে ‘বিহাইন্ড উডস প্রোডাকশন’। পরিচালক মনোজ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, সিনেমায় রহমানকে কিছুটা ‘অ্যাংরি ইয়াংম্যান’ ঘরানার এক পরিচালকের চরিত্রে দেখা যাবে। এই চরিত্রটি কাল্পনিক হলেও সিনেমার গল্পের মোড় পরিবর্তনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সিনেমার গান রেকর্ডিং শেষে যখন পরিচালক রহমানের কাছে অভিনয়ের প্রস্তাব নিয়ে যান এবং চরিত্রটি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন, তখন তিনি গল্পের গভীরতা ও চরিত্রের ধরন শুনে তাৎক্ষণিকভাবে রাজি হয়ে যান। শুটিং চলাকালে সেটে এআর রহমানের প্রাণবন্ত ও সাবলীল অভিনয় দেখে পুরো ইউনিট রীতিমতো মুগ্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা।

অভিনয়ের পাশাপাশি এই সিনেমায় সংগীতের মূল দায়িত্বও পালন করেছেন এআর রহমান। তিনি এই ছবির জন্য পাঁচটি ভিন্ন স্বাদের গান গেয়েছেন, যা দর্শকদের জন্য বাড়তি পাওনা হিসেবে কাজ করবে। যেহেতু এই সিনেমায় ‘ইন্ডিয়ান মাইকেল জ্যাকসন’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা ও নৃত্যশিল্পী প্রভু দেবা রয়েছেন, তাই দর্শকরা যে উচ্চমানের নাচের দৃশ্য দেখতে পাবেন তা অনেকটা নিশ্চিত। তবে পরিচালক জানিয়েছেন, নাচের পাশাপাশি দর্শকদের চমকে দেওয়ার মতো আরও বেশ কিছু দৃশ্যে এআর রহমানকে এমনভাবে দেখা যাবে যা আগে কখনো কল্পনা করা যায়নি। গত বছর থেকেই রহমানকে ভিন্ন অবতারে দেখার গুঞ্জন চললেও ‘মুনওয়াক’ সিনেমার এই আনুষ্ঠানিক খবরের মাধ্যমে সব জল্পনার অবসান ঘটল। সুরের ভুবন ছাড়িয়ে রুপালি পর্দায় তাঁর এই অভিষেক নিশ্চিতভাবেই ২০২৬ সালের বিনোদন জগতের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি হতে যাচ্ছে।


banner close