রোববার, ১ মার্চ ২০২৬
১৬ ফাল্গুন ১৪৩২

কিং খানই হলেন ভারতের ‘বর্ষসেরা’ অভিনেতা

আপডেটেড
১ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১৬:২৭
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত : ১ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১৬:২৭

প্রায় পাঁচ বছরের ব্যর্থতার দায় কাটিয়ে চলতি বছরে নিজের চেনা ছন্দে ফিরেছেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। ২০২৩ সালে পর্দায় যেমন দাপট দেখিয়েছেন কিং খান, তেমনি বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বিভিন্ন র‌্যাংকিংয়েও এখন সবার শীর্ষে শাহরুখ খান। সম্প্রতি আইএমডিবি রেটিংয়ের প্রকাশিত তালিকায় ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় তারকা নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। এবার আইএমডিবির নতুন একটি তালিকাতেও তার সিনেমা রয়েছে শীর্ষস্থানে। ২০২৩ সালের শীর্ষ ১০টি জনপ্রিয় ভারতীয় চলচ্চিত্রের তালিকা প্রকাশ করেছে আইএমডিবি যা এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৬ নভেম্বরের মধ্যে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। বছরের শেষ তালিকাটি বিশ্বব্যাপী সাইটটির ২০০ মিলিয়নেরও বেশি দর্শকদের আইএমডিবির সাইট পরিদর্শন ও অনুসন্ধানের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে।

এ বছর আইএমডিবির তালিকায় জয়জয়কার শাহরুখ খানের। তার অভিনীত দুটি সিনেমাই শীর্ষ এবং দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে। তালিকায় জায়গা পেয়েছে বিজয়ের ‘লিও’ এবং রজনীকান্তের ‘জেলার’। অ্যাটলি পরিচালিত ও শাহরুখ খান অভিনীত জওয়ান তালিকার শীর্ষে রয়েছে। সিনেমাটি বছরের অন্যতম ব্লকবাস্টার ও হিন্দি চলচ্চিত্রের সর্বাধিক আয় করা চলচ্চিত্র হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। বিশ্বব্যাপী ১১০০ কোটির বেশি করেছে জওয়ান। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানেও রয়েছেন বলিউড বাদশা।

যশ রাজ ফিল্মসের ‘পাঠান’ বছরের অন্যতম হিট। সিনেমাটি শাহরুখ খানের প্রত্যাবর্তনের পাশাপাশি কিং খানকে বক্স অফিসে ইতিহাস গড়তে সাহায্য করেছে। বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে ১০০০ কোটির মাইলফলক অর্জন করেছে সিনেমাটি।

২০২৩ সালে আইএমডিবির শীর্ষ ১০টি জনপ্রিয় ভারতীয় চলচ্চিত্রের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে করণ জোহর পরিচালিত রণবীর সিং ও আলিয়া ভাটের ‘রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি’। সিনেমাটির মাধ্যমে দীর্ঘ সাত বছর পর পরিচালনায় ফিরেছেন করণ জোহর। পারিবারিক ড্রামাটি বক্স অফিসেও পেয়েছে দারুণ সফলতা। ৩৫০ কোটির বেশি আয় করে নিয়েছে বিশ্বব্যাপী।

তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে বিজয়ের ‘লিও’। লোকেশ কানাগারাজ পরিচালিত সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী ৬০০ কোটির বেশি আয় করে নিয়েছে। আর তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে অক্ষয় কুমারের ‘ও মাই গড ২’। জনপ্রিয় এ তালিকার ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে রজনীকান্তের ‘জেলার’। সপ্তম স্থানে রয়েছে সানি দেওলের প্রত্যাবর্তন চলচ্চিত্র ‘গাদার ২’। অষ্টম স্থানে রয়েছে বছরের সবচেয়ে আলোচিত-সমালোচিত চলচ্চিত্র ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। নবম স্থানে রয়েছে রণবীর-শ্রদ্ধার ‘তু ঝুঠি ম্যায় মাক্কার’ এবং দশম স্থানে আছে অজয় দেবগনের ‘ভোলা’।

বিষয়:

অভিনেতা আলভীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেটেড ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:২৮
বিনোদন ডেস্ক

নাট্যজগতের পরিচিত মুখ জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। অভিনেতার শ্বশুরবাড়ির স্বজনদের বরাত দিয়ে এই হৃদয়বিদারক তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

আজ শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে। দুপুর পৌনে ১২টায় গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে পরিবার। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর ডাক্তাররা মৃত ঘোষণা করে। ঘটনার সময় অভিনেতা জাহের আলভী পেশাগত কাজে দেশের বাইরে অবস্থান করছিলেন।

বর্তমানে নেপালে আসন্ন ঈদের নাটকের চিত্রায়ণে ব্যস্ত থাকা আলভী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ত্রীর মৃত্যুর খবর জানিয়ে একটি আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, “দুপুরে মিরপুর ডিওএইচএস-এর বাসায় আমার স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছে। আমি বর্তমানে নেপালে শুটিংরত ছিলাম । খবরটা শোনার পর থেকে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। আমি বুঝতে পারছি না আমাদের সন্তান আর আমার কথা না ভেবে সে কেন এভাবে চলে গেল। শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাংবাদিক ভাইদের অনুরোধ করছি, আমাকে একটু সময় দিন। আমি দ্রুত ঢাকা ফেরার চেষ্টা করছি, ফিরে সবার সাথে কথা বলব। ততক্ষণ পর্যন্ত এই শোকের মুহূর্তে আমাকে এবং আমার পরিবারকে একটু মানসিক স্বস্তি দিন। আমাদের সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে হলেও দয়া করে কোনো বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াবেন না। সবাই আমার ইকরার জন্য দোয়া করবেন।”

ইকরার আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে তার চাচা দিপু খান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, সংবাদটি পাওয়ার পরপরই তিনি সপরিবারে ময়মনসিংহ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। আলভীর সঙ্গে কাজ করেন এমন কয়েকজন নির্মাতাও এই শোকাবহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে একছাদের নিচে বসবাস করছিলেন আলভী ও ইকরা। ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তারা। দাম্পত্য জীবনে তাদের ‘রিজিক’ নামে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। হঠাৎ এমন চরম সিদ্ধান্তে স্তম্ভিত হয়ে পড়েছেন তাদের দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। বর্তমানে নিহতের পরিবারের মাঝে গভীর শোক বিরাজ করছে।


ফরাসি চলচ্চিত্রের সেজার অ্যাওয়ার্ডসের মঞ্চে আপ্লুত জিম ক্যারি, ফরাসি ভাষায় আবেগঘন স্মৃতিচারণ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

ফরাসি চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘সেজার অ্যাওয়ার্ডস’-এর ৫১তম আসরে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন হলিউডের কিংবদন্তি কৌতুক অভিনেতা জিম ক্যারি। ‘দ্য মাস্ক’ ও ‘ইটারনাল সানশাইন অব দ্য স্পটলেস মাইন্ড’ খ্যাত এই প্রভাবশালী অভিনেতাকে এ বছর বিশেষ সম্মানসূচক সেজার পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।

জমকালো এই অনুষ্ঠানটিতে কেবল পুরস্কার গ্রহণ করেই ক্ষান্ত হননি তিনি, বরং মঞ্চে দাঁড়িয়ে সম্পূর্ণ ফরাসি ভাষায় এক আবেগঘন ভাষণ দিয়ে উপস্থিত সবার হৃদয় জয় করে নিয়েছেন। বরেণ্য পরিচালক মিশেল গন্ড্রি এই সম্মাননা প্রদানের জন্য তাকে মঞ্চে আমন্ত্রণ জানান, যার নির্দেশনায় দুই দশক আগে ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা কাজ উপহার দিয়েছিলেন এই অভিনেতা।

মঞ্চে উঠে জিম ক্যারি যখন ভাঙা ভাঙা ফরাসি টানে কথা বলা শুরু করেন, তখন পুরো মিলনায়তন করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে। ভাষণে তিনি অভিনয় শিল্পকে ভাস্কর্যের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, প্রতিটি চরিত্রই একজন শিল্পীর হাতের কাদার মতো, যা হৃদয়ের গভীর থেকে রূপ দেওয়া হয়। বিশ্বজুড়ে অগণিত মানুষের যে অকৃত্রিম ভালোবাসা তিনি পেয়েছেন, তার জন্য নিজেকে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান বলে অভিহিত করেন এই অভিনেতা।

ভাষণের একপর্যায়ে নিজের বংশলতিকার এক অজানা ও চমকপ্রদ তথ্য দর্শকদের সামনে তুলে ধরেন জিম ক্যারি। তিনি জানান, প্রায় ৩০০ বছর আগে তার পূর্বপুরুষ মার্ক-ফ্রাঁসোয়া কারে ফ্রান্সের সেন্ট মালো শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে সেখান থেকে কানাডায় পাড়ি জমান। ফরাসি শব্দ ‘কারে’-এর আভিধানিক অর্থ হলো চতুর্ভুজ বা বর্গক্ষেত্র। অভিনেতা অত্যন্ত রসিকতার সঙ্গে বলেন যে, আজ এই সম্মাননা পাওয়ার মাধ্যমে তার জীবনের বৃত্তটি পূর্ণ হলো এবং বর্গক্ষেত্রটি পুনরায় ফ্রান্সে ফিরে এলো।

এই বিশেষ মুহূর্তে দর্শকাসনে তার মেয়ে জেন, নাতি জ্যাকসন এবং বান্ধবী মিনা উপস্থিত থেকে তাকে উৎসাহিত করেন। পরিবার ও সঙ্গিনীকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি নিজের প্রয়াত বাবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জিম ক্যারি। তিনি উল্লেখ করেন, তার জীবনের দেখা সবচাইতে মজার মানুষ ছিলেন তার বাবা, যিনি তাকে ভালোবাসা ও হাসির প্রকৃত মূল্য শিখিয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় ফরাসি ভাষায় কথা বলার পর জিম ক্যারি কৌতুক করে দর্শকদের কাছে তার উচ্চারণের ত্রুটির জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন এবং রসিকতা করে বলেন যে, ফরাসি বলতে বলতে তার জিভ এখন ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। জিম ক্যারির এই আন্তরিক প্রচেষ্টা ও চিরচেনা রসবোধ ফরাসি চলচ্চিত্র অঙ্গনের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে অক্ষয় হয়ে থাকবে।


বড়পর্দায় চঞ্চল চৌধুরীর জয়জয়কার, ঈদুল ফিতরে আসছে তিন চলচ্চিত্র

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

এক সময় টেলিভিশন নাটকে চঞ্চল চৌধুরীর উপস্থিতি মানেই ছিল উৎসবের বাড়তি আনন্দ। তবে সময়ের পরিক্রমায় তিনি এখন ছোটপর্দার চেয়ে ওটিটি এবং বড়পর্দাতেই অধিক সক্রিয়। এবারের ঈদুল ফিতরে ভক্তদের জন্য বিশেষ চমক হিসেবে চঞ্চল অভিনীত তিনটি সিনেমা মুক্তির মিছিলে রয়েছে। আসন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে এই বহুমুখী অভিনেতার ব্যস্ততা ও নতুন কাজগুলো নিয়ে বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো:

যাত্রাপথের গল্পে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’: জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস অবলম্বনে তানিম নূর নির্মাণ করেছেন ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। অধিকাংশ দৃশ্য ট্রেনের ভেতর ধারণ করা এই ছবিটিকে নিয়ে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, “হুমায়ূন আহমেদের গল্প চুম্বকের মতো টানে। তিনি তো গল্পের জাদুকর। তাঁর উপন্যাস থেকে চমৎকার একটি চিত্রনাট্য তৈরি হয়েছে। বিশাল টিম নিয়ে কাজ করতে হয়েছে। ট্রেন ও হেলিকপ্টার–দুটিই ব্যবহার করা হয়েছে। মূলত এটি একটি যাত্রাপথের গল্প।” মোশাররফ করিম ও বাঁধন অভিনীত এই ছবিতে নিজের চরিত্র নিয়ে তিনি আরও বলেন, “এই সিনেমায় প্রতিটি চরিত্রেরই গুরুত্ব আছে। আসলে এখানে গল্পটাই আসল নায়ক।”

সংগ্রামের আখ্যান ‘দম’: রেদওয়ান রনির পরিচালনায় ‘দম’ সিনেমাটির দৃশ্যধারণ হয়েছে কাজাখস্তানের কনকনে শীত আর পাবনার গ্রামীণ পরিবেশে। চঞ্চল চৌধুরী, আফরান নিশো ও পূজা চেরি অভিনীত এই ছবিটি নিয়ে চঞ্চল বলেন, “দম-এর গল্পটা প্রচণ্ড সংগ্রামের। আফরান নিশো অসাধারণ অভিনয় করেছেন। প্রত্যেকে নিজের জায়গা থেকে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।” আন্তর্জাতিক মানের কারিগরি সহায়তায় নির্মিত এই সুবিশাল ক্যানভাসের ছবিটি সম্পর্কে তিনি বলেন, “এত বড় ক্যানভাসে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার ক্যারিয়ারে এই প্রথম। আগে যেসব কাজ করেছি, সেগুলোর নির্দিষ্ট একটা পরিসর ছিল। কিন্তু ‘দম’ একেবারেই আলাদা মাপের।” হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রায় শুটিংয়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “মাইনাস দুই-তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় আগে কখনও শুটিং করিনি। প্রচণ্ড ঠান্ডায় পুরো টিমকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। সব দৃশ্যে শীতের পোশাক পরা সম্ভব ছিল না। একটি দৃশ্য শেষ করেই আমরা দৌড়ে গাড়িতে গিয়ে বসতাম, যেখানে হিটার চালু থাকত। এত প্রতিকূলতার মধ্যেও এমন গল্পে কাজ করে দারুণ তৃপ্তি পেয়েছি।”

নারীপ্রধান গল্পে বিশেষ উপস্থিতি: উল্লিখিত দুই ছবির বাইরে রায়হান রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমাতেও একটি বিশেষ চরিত্রে দেখা যাবে চঞ্চল চৌধুরীকে। নারীপ্রধান এই গল্পে কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন শবনম বুবলী ও নাজিফা তুষি। যদিও তাঁর উপস্থিতির বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে অভিনয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ভবিষ্যৎ প্রজেক্ট সংগীতে পদার্পণ: চঞ্চল চৌধুরী ইতিমধ্যে রায়হান রাফীর ‘আন্ধার’ সিনেমার কাজ শেষ করেছেন এবং লিসা গাজীর ‘শাস্তি’ সিনেমায় পরীমণির বিপরীতে অভিনয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি ব্রাত্য বসুর ‘শেকড়’ সিনেমার মাধ্যমে প্লেব্যাকেও নাম লিখিয়েছেন তিনি। ছবিটির জন্য তিনি নতুনভাবে গেয়েছেন দুটি কালজয়ী বাউল গান— ‘এই পৃথিবী যেমন আছে তেমনি ঠিক রবে’ এবং ‘ও জীবন রে, ছাড়িয়া না যাও মোরে’।

জনপ্রিয় এই অভিনেতার এমন রাজকীয় প্রত্যাবর্তন নিয়ে বিনোদন অঙ্গনের সংশ্লিষ্টরা ও তাঁর ভক্তরা উন্মুখ হয়ে আছেন। প্রতিটি ছবিতেই চঞ্চলকে ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে আবিষ্কার করতে পারবেন দর্শকরা।


১৩ জুন টেইলর সুইফট ও ট্রাভিস কেলসির বিয়ে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বিশ্ববিখ্যাত মার্কিন পপ তারকা টেইলর সুইফট জীবনের এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছেন। দীর্ঘ সময়ের প্রণয় শেষে তিনি তার জীবনসঙ্গী এনএফএল তারকা ট্রাভিস কেলসির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৩ জুন যুক্তরাষ্ট্রের রোড আইল্যান্ডের অত্যন্ত মনোরম ও বিলাসবহুল রিসোর্ট ওশান হাউস-এ এই বহুল প্রতীক্ষিত বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। ইতিমধ্যে এই রাজকীয় বিয়ের তোড়জোড় বেশ জোরালোভাবে শুরু হয়ে গেছে।

বিয়ের যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া আগামী এক মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এদিকে, এই তারকা জুটির বিয়ের খবর চাউর হওয়ার পর থেকেই সংশ্লিষ্ট রিসোর্টটিতে কক্ষ বুকিংয়ের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে এবং ভাড়াও অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে।

উল্লেখ্য যে, টেইলর সুইফটের কাছে ১৩ সংখ্যাটি বরাবরই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এবং তিনি একে তার ব্যক্তিগত সৌভাগ্যের প্রতীক বলে মনে করেন। সেই আবেগঘন ও প্রতীকী গুরুত্ব বিবেচনা করেই তারা এই তারিখটি বিয়ের জন্য চূড়ান্ত করেছেন। তাদের এই নতুন যাত্রার শুরুটা যেন স্মরণীয় ও কল্যাণকর হয়, এমন প্রত্যাশাই কাজ করেছে এই দিনটি নির্বাচনের পেছনে।

আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকায় বিনোদন ও ক্রীড়া জগতের বহু উজ্জ্বল নক্ষত্রের উপস্থিতি নিশ্চিত বলে জানা গেছে। জনপ্রিয় উপস্থাপক গ্রাহাম নর্টনসহ আরও অনেক বিশ্বখ্যাত তারকা এই রূপকথার বিয়ের সাক্ষী হতে সেখানে উপস্থিত থাকবেন।

দীর্ঘ দুই বছর নিভৃতে প্রেম করার পর গত বছরের ২৬ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে আংটি বদল করেছিলেন টেইলর সুইফট ও ট্রাভিস কেলসি। প্রিয় এই জুটির শুভ পরিণয়ের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হতে চলায় তাদের ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে এখন সাজ সাজ রব বিরাজ করছে।


প্রিয়াঙ্কার ‘দ্য ব্ল্যাফ’সহ বিশ্বজুড়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে চলতি সপ্তাহে থাকছে যেসব সিনেমা আলোচিত সিনেমা ও সিরিজ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বিনোদন জগতের জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলোতে চলতি সপ্তাহে বিভিন্ন ভাষা ও ভিন্নধর্মী গল্পের বেশ কিছু সিনেমা ও সিরিজ মুক্তি পেয়েছে। সংক্ষেপে থাকছে সেগুলোর খবর-

ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার (জিওহটস্টার): গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ইংরেজি ভাষার এই রাজনৈতিক থ্রিলার ধর্মী সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে। লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও ও শন পেন অভিনীত এই ছবিতে একটি অতি বামপন্থি গোষ্ঠীর সদস্যদের সংগ্রাম এবং ডিটেনশন ক্যাম্প থেকে বন্দিদের মুক্ত করার পরবর্তী জটিল পরিস্থিতির রোমাঞ্চকর চিত্রায়ন করা হয়েছে।

দ্য ব্ল্যাফ (প্রাইম ভিডিও): উনিশ শতকের শেষভাগের ক্যারিবীয় অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই সিনেমাটি গত ২৫ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেয়েছে। প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও কার্ল আরবান অভিনীত এই ছবিতে একজন সাবেক জলদস্যুর শান্ত জীবনে পুরোনো শত্রুর প্রত্যাবর্তনে তৈরি হওয়া সংঘাত ও টানটান উত্তেজনা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

অ্যাকিউজড (নেটফ্লিক্স): গত ২৭ ফেব্রুয়ারি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে হিন্দি ভাষার সিনেমা ‘অ্যাকিউজড’। কঙ্কনা সেন শর্মা অভিনীত এই ছবির গল্প আবর্তিত হয়েছে লন্ডন প্রবাসী একজন চিকিৎসকের জীবন নিয়ে, যার সাজানো ক্যারিয়ার যৌন হেনস্তার একটি বেনামি অভিযোগে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।

মোনার্ক: লিগ্যাসি অব মনস্টারস (অ্যাপল টিভি): সায়েন্স ফিকশন ও অ্যাডভেঞ্চার সিরিজ ‘মোনার্ক: লিগ্যাসি অব মনস্টারস’-এর দ্বিতীয় মৌসুম গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রদর্শিত হচ্ছে। এই মৌসুমে রহস্যময় স্কাল আইল্যান্ড এবং নতুন দানব টাইটান এক্স-এর সঙ্গে মোনার্কের সংঘাত নতুন এক মাত্রা লাভ করেছে।

পল ম্যাককার্টনি: ম্যান অন দ্য রান (প্রাইম ভিডিও): প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী পল ম্যাককার্টনির জীবনের অজানা অধ্যায় নিয়ে নির্মিত এই তথ্যচিত্রটি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পেয়েছে। মর্গ্যান নেভিলের পরিচালনায় এই প্রামাণ্যচিত্রে পলের নতুন ব্যান্ড গঠন, পারিবারিক স্মৃতি এবং জন লেননের সঙ্গে তার জটিল সম্পর্কের নানা দিক অপ্রকাশিত ফুটেজের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।


পপসম্রাট আজম খান: এক অমলিন উত্তরাধিকার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে পপ ধারার পথিকৃৎ কিংবদন্তি শিল্পী আজম খানের আজ জন্মদিন। তিনি ১৯৫০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। দেশের সংগীতে আধুনিক পপ ধারা প্রতিষ্ঠায় তার অবদান অনস্বীকার্য। ব্যান্ডসংগীতকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে তিনি নতুন এক স্রোতের সূচনা করেছিলেন।

তরুণ প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছিলেন তিনি। পপ গানকে শুধু জনপ্রিয়ই করেননি, গড়ে তুলেছিলেন নিবেদিত শ্রোতাও। সময়ের সঙ্গে যেন এ ধারাটি টিকে থাকে, সেই ভিত্তি গড়ে দিয়ে গেছেন এই শিল্পী। ২০১১ সালের ৫ জুন মরণব্যাধি ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। শারীরিকভাবে অনুপস্থিত হলেও তার গান এখনো সমান প্রাসঙ্গিক, আর সেসব গানই তাকে অমর করে রেখেছে।

শৈশব ও কৈশোরে অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার ভেতরে তৈরি হয় প্রতিবাদী চেতনা। স্কুলজীবনেই তিনি বুঝতে পারেন পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্যমূলক আচরণ। সেই সময় ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে গণসংগীত চর্চা শুরু করেন বন্ধুদের নিয়ে। রাজধানীর বাইরে বিভিন্ন স্থানে গেয়ে বেড়ান তারা। সাধারণ মানুষের কথা উঠে আসে তার গানে। প্রতিবাদী সুরের কারণে পুলিশের লাঠিচার্জও সহ্য করতে হয়েছে তাকে। গণআন্দোলনের দিনগুলোতেও তিনি ছিলেন সক্রিয় কণ্ঠ।

আজিমপুর ও কমলাপুরে কেটেছে তার শৈশব। ভাষা আন্দোলনের উত্তাপ তার মনে রেখাপাত করেছিল। ঘরের জানালা দিয়ে তিনি দেখতেন মাতৃভাষার দাবিতে মানুষের জড়ো হওয়া। বাইরে ভেসে আসত ‘ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়’, ‘কইমু না ভাই কইমু না অন্য কথা কইমু না’। স্কুলে শারীরিক শিক্ষার ক্লাসে সবার সঙ্গে গান গাইতেন। প্রিয় গান শুনে তা হুবহু গাওয়ার চেষ্টা করতেন, আর অসাধারণ স্মৃতিশক্তিতে দ্রুত আয়ত্ত করতেন সুর ও কথা।

জীবদ্দশায় এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, “হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গান, আবদুল আলিম, শ্যামলের গান তাদের মতো করেই গাইতাম। পরে মহল্লার বন্ধু-সমবয়সীদের সঙ্গে আড্ডায় বানিয়ে গান গাইতাম। এভাবেই একদিন গানের দিকে ঝুঁকে পড়ি। গানের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা আমার ছিল না।”

আরও এক স্মৃতিচারণে তিনি জানান, “আমি গান শুনে হুবহু গাইতে পারতাম। অনেকের কাছে এটা বিস্ময়কর ছিল।” মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে তার বক্তব্য ছিল, “দেখতে দেখতে দেশে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। পাকিস্তানি আর্মিদের গাড়ি দেখে দেয়াল টপকে একবার আজিমপুর আবার কমলাপুর— এভাবে চলছিল। দেশের মানুষকে নির্বিচারে হত্যা শুরু করেন পাকিস্তানিরা। তখন মনে হলো মরছিই যখন, মেরেই মরব।”

বন্ধুদের নিয়ে যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এক সকালে মাকে বলেছিলেন, ‘আমি যুদ্ধে যেতে চাই।’ মা কিছুক্ষণ ভেবে বলেন, ‘তোর বাবাকে বল।’ বাবার সামনে দাঁড়িয়ে শঙ্কিত কণ্ঠে নিজের ইচ্ছার কথা জানান তিনি। পরে বাবা বলেন, ‘যুদ্ধে যাবি যা, কিন্তু দেশ স্বাধীন করেই তবে ঘরে ফিরবি।’ সেই আশীর্বাদ নিয়েই সকাল সাড়ে ১০টায় দুই বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে ভারতে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পেও গান ছিল তার সঙ্গী। নতুন সুর বেঁধে সহযোদ্ধাদের শোনাতেন। থালাবাসনই হয়ে উঠত বাদ্যযন্ত্র। তার গান শুনতে মুক্তিযোদ্ধাদের ভিড় জমত। স্বাধীনতা অর্জনের পর দেশে ফিরে পুরোপুরি মনোনিবেশ করেন সংগীতে।

পরে তিনি শুনতেন বিটলস, দ্য শ্যাডোজ ও রোলিং স্টোনের গান। বন্ধুদের নিয়ে নিয়মিত আয়োজন করতেন সঙ্গীতানুষ্ঠান, যেখানে পপ গান পরিবেশন করতেন। ধীরে ধীরে পাড়া-মহল্লা পেরিয়ে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে তার জনপ্রিয়তা।

বঞ্চিত ও প্রান্তিক মানুষের জীবন উঠে আসে তার গানে। দেশপ্রেম, সচেতনতা ও তরুণদের উদ্দীপনার বার্তা ছিল তার সুরে। নানা বাধা সত্ত্বেও থেমে থাকেননি তিনি। ‘রেললাইনের ওই বস্তিতে’, ‘হাইকোর্টের মাজারে’, ‘এত সুন্দর দুনিয়ায়’, ‘অভিমানী’, ‘অনামিকা’, ‘পাপড়ি’, ‘আলাল ও দুলাল’, ‘আসি আসি বলে তুমি আর এলে না’, ‘আমি যারে চাইরে’, ‘জ্বালা জ্বালা’, ‘ও চাঁদ সুন্দর’, ‘ও রে সালেকা ও রে মালেকা’, ‘জীবনে কিছু পাব না রে’, ‘বাধা দিয়ো না’সহ অসংখ্য গান তাকে দিয়েছে অমলিন জনপ্রিয়তা।


প্রেক্ষাগৃহে আসছে হ‌ুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস অবলম্বনে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

কথাসাহিত্যিক হ‌ুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় সৃষ্টি নিয়ে দর্শকদের ব্যাপক আগ্রহের মাঝে নতুন সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এসেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নব্বই দশকের স্মৃতিবিজড়িত আমেজে সিনেমাটির প্রথম পোস্টার অবমুক্ত করা হয়। আসন্ন ঈদুল ফিতরে দেশের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে মুক্তি পেতে যাওয়া এই চলচ্চিত্রটি নিয়ে ইতোমধ্যে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মাঝে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

হ‌ুমায়ূন আহমেদের ‘কিছুক্ষণ’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমাটির পোস্টার শেয়ার করে নির্মাতা তানিম নূর দর্শকদের উদ্দেশ্যে লেখেন, "বনলতা এক্সপ্রেস’-এর অফিশিয়াল পোস্টার! উৎসবের টিম থেকে, বনলতা এক্সপ্রেস আসছে এই ঈদুল ফিতরে; আপনার কাছের প্রেক্ষাগৃহে। আপনি যাত্রী হিসেবে চড়তে আসছেন তো বনলতা এক্সপ্রেসে?" পুরোনো দিনের চলচ্চিত্রের আদলে তৈরি এই পোস্টারে সিনেমাটিকে ‘১০০% খাঁটি বাংলাদেশি ছায়াছবি’ হিসেবেও অভিহিত করা হয়েছে।

চলচ্চিত্রটির মূল কাহিনি আবর্তিত হয়েছে চিত্রা নামের এক তরুণীর এক রাতের ট্রেন ভ্রমণের বিচিত্র অভিজ্ঞতাকে কেন্দ্র করে। চিত্রা চরিত্রে সাবিলা নূর অভিনয় করার পাশাপাশি সিনেমাটিতে আরও থাকছেন মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, শরীফুল রাজ, আজমেরী হক বাঁধন ও জাকিয়া বারী মম’র মতো শক্তিশালী একঝাঁক অভিনয়শিল্পী। ‘উৎসব’ সিনেমার অভাবনীয় সাফল্যের পর নির্মাতা তানিম নূর এই নতুন প্রজেক্টটি নিয়ে দারুণ আশাবাদী।

প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও দর্শকদের আমন্ত্রণ জানিয়ে বলা হয়েছে, "একটা ট্রেন। এক রাত। আর সফরসঙ্গী? অনেক গল্প। “বনলতা এক্সপ্রেস”-এ সফরের জন্য প্রস্তুত তো আপনারা?" বর্তমানে পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ চলমান থাকা এই সিনেমাটি হইচই স্টুডিওজ, বুড়িগঙ্গা টকিজ ও ডোপ-এর যৌথ ব্যানারে নির্মিত হয়েছে। জনপ্রিয় সাহিত্যের আধারে নির্মিত হওয়ায় এবার ঈদে প্রেক্ষাগৃহে বিপুল দর্শক সমাগম হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।


বিতর্ক ও বয়কটের ডাকের মধ্যেই বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেল ‘স্ক্রিম সেভেন’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

হলিউডের জনপ্রিয় হরর ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘স্ক্রিম’-এর সপ্তম কিস্তি ‘স্ক্রিম সেভেন’ শুক্রবার বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি বাংলাদেশের দর্শকদের জন্যও সিনেমাটি একই দিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্স ও ব্লকবাস্টার সিনেমাসসহ বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে এটি প্রদর্শিত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

দীর্ঘ তিন দশকের এই জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি ঘিরে এবার দর্শকদের মাঝে যেমন উন্মাদনা রয়েছে, তেমনি এর নির্মাণ প্রক্রিয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রবল বিতর্ক। গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রিমিয়ারের সময় ফিলিস্তিনপন্থি আন্দোলনকারীরা সিনেমাটি বয়কটের ডাক দিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। এই উত্তেজনার মূলে রয়েছে অভিনেত্রী মেলিসা ব্যারেরাকে হুট করে সিনেমাটি থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনা।

ফিলিস্তিন-ইসরায়েল ইস্যুতে ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংহতি প্রকাশ করায় প্রযোজনা সংস্থা স্পাইগ্লাস মিডিয়া গ্রুপ মেলিসাকে বরখাস্ত করে। এই সিদ্ধান্ত বিশ্বজুড়ে ভক্তদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়। পরবর্তীতে মেলিসার সহ-অভিনয়শিল্পী জেনা ওর্তেগাও এই প্রজেক্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন এবং মূল পরিচালকরাও দায়িত্ব ত্যাগ করেন।

এমন পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সিনেমাটির পরিচালক কেভিন উইলিয়ামসন এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি মনে করেন, বর্তমান বিশ্বের অস্থিরতার মধ্যে মানুষ চায় তাদের বক্তব্য যেন সবার কাছে পৌঁছায়। তিনি বলেন, "বর্তমান বিশ্বে অনেক খারাপ ঘটনা ঘটছে এবং মানুষ চায় তাদের কণ্ঠস্বর যেন শোনা যায়।" বিক্ষোভকারীদের প্রতি সহমর্মিতা থাকলেও সিনেমা বয়কট করা প্রকৃত সমাধান কি না, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তবে পরিচালক এও মনে করেন, প্রত্যেকের উচিত নিজের বিবেকের কথা শুনে সিদ্ধান্ত নেওয়া।

নানা চড়াই-উতরাই আর সৃজনশীল পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে নির্মিত এই সিনেমায় সিডনি প্রেসকট চরিত্রে ফিরছেন নেভ ক্যাম্পবেল। এবারের গল্পে দেখা যাবে, সিডনির মেয়ের ওপর এক নতুন মুখোশধারী খুনি বা ‘ঘোস্টফেস’-এর নজর পড়েছে। এতে নেভ ক্যাম্পবেল ও কোর্টেনি কক্সসহ আরও অনেক পরিচিত তারকা অভিনয় করেছেন। এখন দেখার বিষয়, এত বিতর্কের মাঝেও সিনেমাটি বক্স অফিসে কতটা দাপট দেখাতে পারে।


টিভি পর্দায় প্রথমবারের মতো আসছে দর্শকনন্দিত চলচ্চিত্র ‘উৎসব’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

আলোচিত চলচ্চিত্র ‘উৎসব’ প্রথমবারের মতো ছোটপর্দায় প্রচারিত হতে যাচ্ছে। আসছে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিশেষ এই আয়োজনের আয়োজন করেছে মাছরাঙা টেলিভিশন। ঈদের দিন দুপুর ২টা ২০ মিনিটে দর্শকরা তারকাবহুল এই সিনেমাটি টেলিভিশন সেটের সামনে বসে উপভোগ করতে পারবেন।

তানিম নূরের নির্দেশনায় এই সিনেমায় একঝাঁক জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী কাজ করেছেন। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাহিদ হাসান, চঞ্চল চৌধুরী, জয়া আহসান, অপি করিম, আফসানা মিমি, তারিক আনাম খান, আজাদ আবুল কালাম, ইন্তেখাব দিনার, সুনেরাহ বিনতে কামাল, সৌম্য জ্যোতি ও সাদিয়া আয়মান। পারিবারিক সম্পর্কের গভীর রসায়ন ও সমকালীন বাস্তবতা এই সিনেমার মূল উপজীব্য বিষয়।

গত বছরের ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর থেকেই সিনেমাটি ব্যাপক আলোচনা ও প্রশংসা কুড়িয়েছে। দেশের পাশাপাশি ইউরোপ এবং আমেরিকার দর্শকদের মাঝেও এই ছবি নিয়ে প্রবল উৎসাহ দেখা গেছে। ইতিপূর্বে এটি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘চরকি’-তে অবমুক্ত করা হলেও কোনো টিভি চ্যানেলে এবারই প্রথম সিনেমাটি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা।

নব্বই দশকের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই কাহিনীটি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের ‘এ ক্রিসমাস ক্যারল’ গল্পের ছায়া অবলম্বনে তৈরি করা হয়েছে। সম্পর্কের টানাপোড়েন ও আবেগের নিবিড় চিত্রায়নের পাশাপাশি এতে চমৎকার হাস্যরসের মিশ্রণ রয়েছে। ‘পরিবার ছাড়া দেখা নিষেধ’—এমন একটি ব্যতিক্রমী স্লোগান নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে আসা এই সিনেমাটি সব বয়সী দর্শকদের মনোযোগ কাড়তে সক্ষম হয়েছে।


বিবাহের পর প্রথমবার জনসমক্ষে বিজয়–রাশমিকা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবরাকোন্ডা উদয়পুরে রাজকীয় আয়োজনে বিয়ের পর প্রথমবার স্বামী–স্ত্রী হিসেবে প্রকাশ্যে এলেন। বুধবার হায়দরাবাদে ফেরার আগে উদয়পুর বিমানবন্দরে ক্যামেরায় ধরা পড়েন তারা। মুহূর্তটি ঘিরে ভক্ত ও পাপারাজ্জিদের মধ্যে ছিল বাড়তি উচ্ছ্বাস।

হাত ধরে একসঙ্গে বিমানবন্দরে প্রবেশ করেন দুজন। ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে পাপারাজ্জিদের উদ্দেশে হাতজোড় করে শুভেচ্ছা জানান এবং উড়ন্ত চুমু ছুড়ে দেন।

রাশমিকার চেহারায় ছিল নববধূর উজ্জ্বলতা, আর বিজয়ের মুখে ধরা পড়ে স্বস্তির হাসি। পর্দার ‘শ্রীভল্লী’ ও বাস্তবের ‘সামি’ যেন নতুন অধ্যায় শুরু করলেন জীবনের।

প্রথম প্রকাশ্যে আসার দিনে দুজনেই বেছে নেন সাদামাটা কিন্তু রুচিশীল পোশাক। বিজয় ছিলেন সাদা স্যাটিন কুর্তা–পাজামা ও সাদা জুতায়, সঙ্গে কালো সানগ্লাস। রাশমিকা পরেছিলেন সোনালি নকশা করা লাল হাই–কলার অনারকলি স্যুট। স্বামীর পাশে হাঁটতে হাঁটতে আবারও নজর কাড়েন তিনি।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে শুভেচ্ছায় ভাসিয়েছেন ভক্তরা। একজন লিখেছেন, ‘দুজনকে একসঙ্গে দারুণ লাগছে, কারও নজর না লাগুক।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘এই জুটি সত্যিই অসাধারণ।’ অনেকেই বলছেন, তাদের সুখ যেন অনলাইনে আনন্দের আবহ তৈরি করেছে।

এর আগে বিয়ের ছবি প্রকাশ করে আবেগঘন বার্তা দেন বিজয়। তিনি লেখেন, ‘একদিন ওকে খুব মনে পড়ছিল। মনে হচ্ছিল, ও পাশে থাকলে দিনটা আরও সুন্দর হতো। বুঝলাম, ও-ই আমার ঘর, আমার শান্তি। তাই আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধুকেই বানালাম আমার স্ত্রী।’

পোস্টের শেষে তিনি উল্লেখ করেন—২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, যা তাদের নতুন জীবনের সূচনার দিন।

উদয়পুরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে এবার হায়দরাবাদে হবে জমকালো সংবর্ধনা। তার আগে স্বামী–স্ত্রী হিসেবে তাদের এই প্রথম উপস্থিতি ভক্তদের মধ্যে নতুন করে উচ্ছ্বাস ছড়িয়েছে।


ভিন্নধর্মী গান নিয়ে ঈদে ইত্যাদিতে আসছেন হাবিব ওয়াহিদ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

প্রতিবারের মতো এবারও ঈদুল ফিতরে ফিরছে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছেন সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অনুষ্ঠানটির নির্মাতা ও উপস্থাপক হানিফ সংকেত।

জানা গেছে, ঈদের বিশেষ পর্বের গানগুলোকে আলাদা মাত্রা দিতে প্রতি বছরই শিল্পী নির্বাচন ও উপস্থাপনায় বৈচিত্র্য রাখা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবার হাবিব গেয়েছেন একটি ব্যতিক্রমী একক গান।

নতুন গানটির শিরোনাম ‘বুঝি নাই তো আগে’। কথা লিখেছেন এস এ হক অলিক এবং সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন হাবিব নিজেই। একদল যন্ত্রশিল্পী নিয়ে ইত্যাদির বর্ণাঢ্য মঞ্চে গানটি পরিবেশন করেছেন তিনি। শুটিংয়ের সময় উপস্থিত দর্শকদের অনেকে একবার শুনেই গানের সুরে ঠোঁট মিলিয়েছেন বলে জানিয়েছেন নির্মাতা।

গত ঈদের পর্বে হাবিব ও প্রীতম হাসানের দ্বৈতকণ্ঠে একটি গান বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছিল। এবার একক পরিবেশনায় তিনি নতুন চমক নিয়ে আসছেন বলে আশা করা হচ্ছে।

ঈদের বিশেষ ইত্যাদি প্রচারিত হবে বাংলাদেশ টেলিভিশন–এ ঈদের পরদিন রাত আটটার বাংলা সংবাদের পর। অনুষ্ঠানটির রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণে রয়েছে ফাগুন অডিও ভিশন, আর পৃষ্ঠপোষকতায় কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড।


জামিন পেয়ে বাদীকে মারধরের অভিযোগ গায়ক নোবেলের বিরুদ্ধে

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে আটকে রেখে ‘হেনস্তা ও আপত্তিকর ছবি তৈরির চেষ্টা’ মামলায় গ্রেপ্তারের পরদিন জামিন পেয়েই বাদীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সামনে এ অভিযোগ করেন বাদী আনাননিয়া শবনম রোজ অনন্যা। তার দাবি, মঙ্গলবার জামিন পাওয়ার পরই বাসায় নিয়ে তাকে মারধর করা হয়।

অনন্যা বলেন, ‘সে (নোবেল) হাত-পা ধরে কান্নাকাটি করে জামিন নিয়েছে। জামিনের পর বাসায় নিয়ে ফের আমাকে মারধর শুরু করেছে। আমি কেন তার বিরুদ্ধে মামলা দিলাম, এটা বলে মারধর করেছে।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, নোবেলের আচরণ প্রকাশ্যে একরকম হলেও বাস্তবে ভিন্ন। নিজের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখিয়েও তিনি সাংবাদিকদের সামনে বিষয়টি তুলে ধরেন।

জানা যায়, গত বছরের ১৩ আগস্ট নোবেলসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন অনন্যা। মামলায় বলা হয়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে বিভিন্ন সময়ে ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা নেওয়া হয় এবং আটকে রেখে হেনস্তা ও আপত্তিকর ছবি তৈরির চেষ্টা করা হয়। আদালত মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেয়।

তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়ে গত ৭ জানুয়ারি পিবিআই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। পরে ২ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। সোমবার নোবেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ এবং মঙ্গলবার আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে।

সেদিন আদালতে উভয় পক্ষের মধ্যে আপসের আলোচনা হয়। বিচারকের প্রশ্নের জবাবে দুজনই আপসে সম্মত হন। নোবেলের আইনজীবী আপসের ভিত্তিতে জামিন আবেদন করলে আদালত এক হাজার টাকা মুচলেকায় ২ এপ্রিল পর্যন্ত জামিন দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান, আপসের শর্তে জামিন হলেও পরে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে জামিন বাতিলের আবেদন করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


বিজয়-রাশমিকা মান্দানার আজ বিয়ে, প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

আপডেটেড ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৭
বিনোদন ডেস্ক

দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় ও চর্চিত জুটি বিজয় দেবরাকোন্ডা এবং রাশমিকা মান্দানা আজ জীবনের নতুন এক অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার রাজস্থানের ঐতিহাসিক শহর উদয়পুরের এক রাজকীয় প্রাসাদে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন এই দুই তারকা। দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে তাঁদের এই পরিণয়কে ঘিরে ভারতজুড়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এই বিশেষ মুহূর্তে নবদম্পতিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিশেষ বার্তায় তিনি নবদম্পতির সুন্দর ভবিষ্যৎ ও সুখী জীবন কামনা করেছেন। বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, বিজয় ও রাশমিকার এই মিলন যেন তাঁদের জীবনে ভালোবাসার এক নতুন ও সুন্দর সূচনা নিয়ে আসে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও দায়িত্ববোধের মধ্য দিয়ে তাঁরা যেন আগামীর পথচলা সফলভাবে এগিয়ে নেন, প্রধানমন্ত্রীর এমন আন্তরিক আশীর্বাদ ও শুভেচ্ছাবার্তাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর ভক্তদের মাঝে বিয়ের আমেজ আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে।

বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতার আগে অত্যন্ত নান্দনিক ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই তারকা জুটির গায়ে হলুদের পর্ব সম্পন্ন হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, খোলা আকাশের নিচে গোলাপ ও গাঁদা ফুলের পাপড়ি দিয়ে সাজানো এক স্বপ্নিল মঞ্চে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিশেলে তৈরি সেই আয়োজনে হলুদ ও কমলা রঙের প্রাধান্য এবং সোনালি সূর্যাস্তের উষ্ণ আলো এক অপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা করেছিল। বিশেষ করে ফুলের নকশায় তৈরি বর-কনের নামফলক এবং নান্দনিক সাজসজ্জা পুরো আয়োজনকে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

এই হাই-প্রোফাইল বিয়েকে ঘিরে উদয়পুরে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা। স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি হায়দরাবাদ থেকে আসা বিশেষ নিরাপত্তা দল এবং আন্তর্জাতিক মানের তিন স্তরের সুরক্ষা বলয় তৈরি করা হয়েছে যাতে অনুষ্ঠানটি সম্পূর্ণ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকা অত্যন্ত সীমিত রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্য এবং চলচ্চিত্র জগতের হাতেগোনা কয়েকজন নিকটজনের উপস্থিতিতেই রাজস্থানের এই ঐতিহ্যবাহী প্রাসাদে সম্পন্ন হচ্ছে বিজয় ও রাশমিকার বিয়ের মূল মাহেন্দ্রক্ষণ। সব মিলিয়ে এক রাজকীয় আমেজ আর উৎসবের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে এই তারকা দম্পতির নতুন পথচলা।


banner close