শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

আসছে নতুন ছবি ‘বদলা- দ্য রিভেঞ্জ’

প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১৩:২২

বাংলা চলচ্চিত্রে সুবাতাস বইছে বলা যায়। বেশ কয়েক বছর পর গত ঈদ থেকে দেশীয় চলচ্চিত্র অঙ্গণে জোয়ার আসা শুরু হয়েছে। যারফলে নতুন নতুন ছবি নির্মাণে যাচ্ছেন তরুণ সব নির্মাতারা। সিনেমার বাজার কয়েক বছর আগের চাইতে ভালো হওয়ায় বেশকিছু প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানও এগিয়ে এসেছে এই অঙ্গণে লগ্নি করার জন্য। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের চলচ্চিত্র প্রযোজনা সংস্থা ‘আজ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডে’র সঙ্গে বাণিজ্যিক ধারার চলচ্চিত্র ‘বদলা- দ্য রিভেঞ্জ’ নির্মাণে চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল নির্মাতা ঝুমুর আসমা জুঁই।

সম্প্রতি ‘আজ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডে’র পক্ষে ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাহাদাত হোসেন লিটন, সিইও আয়েশা সিদ্দিকা এবং নির্মাতা ঝুমুর আসমা জুঁই নিজ নিজ পক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বনামধন্য চলচ্চিত্র পরিচালক এবং পরিচালক সমিতির সাবেক মহাসচিব বদিউল আলম খোকন এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চিত্রগ্রাহক আসাদুজ্জামান মজনু।

জানা গেছে, খুব শিগগিরই চলচ্চিত্রটির প্রধান অভিনয়শিল্পীসহ শুটিংয়ের যাবতীয় পরিকল্পনা গণমাধ্যমকে জানানো হবে। বাংলা চলচ্চিত্রে ভিন্ন ধারার একটি ছবি ‘বদলা- দ্য রিভেঞ্জ’যুক্ত হতে যাচ্ছে বলে প্রযোজনা সূত্রে জানায়।

উল্লেখ্য, ‘বদলা- দ্য রিভেঞ্জ’-এর চিত্রনাট্য লিখেছেন রুবায়েত হাসান।


বন্ধু ফেরদৌসকে পেয়ে আপ্লুত ঋতুপর্ণা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন প্রতিবেদক

আগামী এপ্রিলে বাংলা সিনেমার তুমুল জনপ্রিয় নায়িকা সুচিত্রা সেনের জন্ম মাস। তার স্মরণে আগামী ২০ ও ২১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে আয়োজন করা হবে ‘সুচিত্রা সেন আন্তর্জাতিক বাংলা চলচ্চিত্র উৎসব’। এ উৎসব উপলক্ষে আগেই জানানো হয়েছিল ঢাকায় আসছেন দুই বাংলার সফল চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সুচিত্রা সেনের উৎসবের সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় আসেন এ টালিগঞ্জ সুন্দরী।

রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ছুটে আসেন দুই বাংলার আরেক আলোচিত অভিনেতা ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ। অনেকেই জানেন ফেরদৌস ও ঋতুপর্ণার মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুতা। সংবাদ সম্মেলনে বন্ধু ফেরদৌসকে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে ঋতুপর্ণা বলেন, ‘আজ আমি আরও আপ্লুত ও আনন্দিত, আমার প্রিয় বন্ধু ফেরদৌস এখন সংসদ সদস্য। আই এম সো প্রাউড অব হিম। অনেক কাজ করেছি একসঙ্গে, করছি, করব আগামীতে। তবে কাজের চেয়ে আমাদের বন্ধুত্বের জায়গাটা বড়। আমরা সবসময় আলোচনা করতাম, আরও ভালো কী কাজ করা যায়। ওর স্বপ্ন ছিল, সেটা পূরণ হয়েছে। আমার এই বন্ধুটি খুব ভালো মানুষ। আশা করি ও মানুষের জন্য অনেক ভালো কাজ করবে।’

বন্ধু ঋতুর মুখ থেকে প্রশংসা শুনে চুপ থাকেননি ফেরদৌসও। জানালেন, সংসদ সদস্য হওয়ার পর থেকে প্রতিনিয়ত নানা কাজে ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। এর মধ্যেও জরুরি কাজ ফেলে তিনি এলেন সংবাদ সম্মেলনে। ফেরদৌস বলেন, ‘অনেক কষ্ট করে ঋতু এসেছে। আমাদের হয়ত মনে হচ্ছে, ও দেরি করল কেন! কিন্তু ও এসেছে ডালাস (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে। সকালে ফ্লাইটও বিলম্ব করেছিল। আমার নিজেরও কিছু জরুরি কাজ ছিল, সেটা বন্ধ করে এসেছি। একটি উদ্দেশ্য তো অবশ্যই ঋতুপর্ণা। বেস্ট ফ্রেন্ড আসবে, তাকে নতুনভাবে বরণ করে নেওয়ার জন্য। আসলে মানুষের কল্যাণের জন্য, সেবা করার জন্য যে মনের ইচ্ছা থাকতে হয়, এগুলোর অনেকটা শিখেছি ঋতুর কাছ থেকে। ওর সঙ্গে আমার প্রায় ২৫ বছরের জার্নি। আমি বরাবরই ভাবতাম, প্রত্যেকটা মানুষকে কীভাবে সে সহযোগিতা করে। প্রোডাকশনের কেউ অসুস্থ হলে, কেউ মারা গেলে, ও ছুটে যায়। বিভিন্ন সংগঠনের হয়ে কাজ করে। তার এসব দিক আমাকে অনেক বেশি প্রভাবিত করেছে।’

পরে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে স্বর্ণের নৌকা উপহার দেন ফেরদৌস। সুচিত্রা সেন সম্পর্কে এই নায়িক বলেন, সুচিত্রা সেন একজনই ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। তার সম্পর্কে কিছু বলা আমার জন্য কঠিন। তাকে নিয়ে এত বড় উৎসব, এত বড় আয়োজন এটা আমাদের জন্য বিশেষ কিছু। সুচিত্রা সেনকে ঘিরে এমন কিছু হচ্ছে এটার সঙ্গে আমি যুক্ত থাকতে পারছি আমার জন্য সেরা প্রাপ্তি।’

বিষয়:

এবার কার্তিকের নায়িকা তৃপ্তি দিমরি

আপডেটেড ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:০৭
বিনোদন ডেস্ক

বলিউডের তরুণ অভিনেত্রী তৃপ্তি দিমরি। হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্র ‘পোস্টার বয়েজ’-এর মাধ্যমে অভিষেক ঘটে তার। তবে গত বছরের শেষের দিকে রণবীর কাপুরের সঙ্গে ‘অ্যানিমেল’ মুক্তির পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন তৃপ্তি দিমরি। পর্দায় তার ক্ষণিকের উপস্থিতিতেই দর্শকদের মনে উন্মাদনার ঝড় তৈরি করে। তারপর থেকিই ভারতের গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে এখন তৃপ্তি দিমরি। তাকে বলা হচ্ছে, ‘ভারতের জাতীয় ক্রাশ’। ‘অ্যানিমেল’ সিনেমায় আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মন্দানা থাকলেও অল্প সময়ের উপস্থিতিতেই সবার নজর কাড়েন তৃপ্তি।

রণবীরের কাপুরের পর এবার কার্তিকের নায়িকা হয়ে আসছেন বহুল চর্চিত অভিনেত্রী তৃপ্তি। গত বছর ‘ভুল ভুলাইয়া ২’-এর সাফল্যের পর এর তৃতীয় কিস্তি আনার ঘোষণা দেন ছবিটির নির্মাতারা। এরপর থেকেই আলোচনায় সিনেমাটি। তৃতীয় কিস্তিতেও থাকছেন কার্তিক আরিয়ান। সে সঙ্গে ফিরছেন অরিজিনাল ‘মঞ্জুলিকা’ বিদ্যা বালান। তাদের সঙ্গে যুক্ত হলেন হালের সেনসেশন তৃপ্তি দিমরি।

সম্প্রতি ‘ভুল ভুলাইয়া ৩’-এ বিদ্যা বালানের ‘মঞ্জুলিকা’ হিসেবে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কার্তিক আরিয়ান। আর এবার তৃপ্তি দিমরির অন্তর্ভুক্তির কথাও জানালেন তিনি।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই সামাজিক মাধ্যমে কার্তিক আরিয়ানের একটি পোস্ট সাড়া ফেলেছিল। সেখানে এক অভিনেত্রীর অস্পষ্ট ছবি পোস্ট করেন কার্তিক। সেই ছবি দিয়ে কার্তিক ইঙ্গিত দিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘ভুল ভুলাইয়া ৩’ সিনেমার নায়িকা হবেন কে? বেশ জল্পনাকল্পনা তৈরি হয়েছিল ছবিটি ঘিরে। তবে ভক্তদের বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি। কার্তিক নিজেই স্পষ্ট করলেন, ‘ভুল ভুলাইয়া ৩’-এ কিয়ারার পরিবর্তে এন্ট্রি নিচ্ছেন তৃপ্তি দিমরি।

১৯৯৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ভারতের উত্তরাখণ্ডে এক মধ্যবিত্ত পরিবারে তৃপ্তি দিমরির জন্ম। বাবা দীনেশ দিমরি এয়ার ইন্ডিয়ায় চাকরি করেছেন। মা মীনাক্ষী দিমরি গৃহিণী। বাবার চাকরির কারণে পরিবারের সবাইকে দিল্লিতে চলে আসতে হয়। তৃপ্তি তার প্রাথমিক পড়াশোনা ফিরোজাবাদের দিল্লি পাবলিক স্কুল (ডিপিএস) থেকে সম্পন্ন করেন এবং পরবর্তীতে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রী অরবিন্দ কলেজ থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ২০১৩ সালের দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনয় প্রশিক্ষণ নিতে তিনি পুনের ‘ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার (এফটিআই)’ অভিনয়ের কোর্স শেষ করেন। এরপরই বদলে যায় তৃপ্তির জীবন।


ম্যাডোনা-জাদুতে মুগ্ধ দর্শক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
 বিনোদন ডেস্ক

বিশ্বের সংগীতানুরাগীদের কাছে পপ কুইন ম্যাডোনা মানেই অন্যরকম এক উন্মাদনা, আলোচনা। খ্যাতি, বিতর্ক, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় নাম জড়াতে যেন জুড়ি নেই এই বিশ্বখ্যাত গায়িকার। তবে এবার বিতর্ক নয়, ছোটখাটো দুর্ঘটনারই সম্মুখীন হলেন গায়িকা। মঞ্চে পড়ে গেলেন চেয়ার থেকে! সম্প্রতি সিয়াটেলে তার লাইভ পারফরম্যান্সের মাঝে ঘটে বিপত্তি। এক ড্যান্সার চেয়ারে ম্যাডোনাকে বসিয়ে টেনে নিয়ে যেতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে উল্টে পড়েন। ড্যান্সারের হাতে ধরে থাকা চেয়ার থেকে ছিটকে গিয়ে স্টেজে মধ্যে সপাটে আছড়ে পড়েন ম্যাডোনা।

কিন্তু ছন্দপতন সামলালেন মুচকি হাসিতে। কিছুই হয়নি এমন ভঙ্গিতে ‘ওপেন ইয়োর হার্ট’-এ সুর তুললেন ম্যাডোনা। কোমর-পিঠের ভরে উল্টে পড়ে গেলেও এক সেকেন্ডের জন্যও অবশ্য গান থামাননি তিনি। পড়ে যাওয়া অবস্থাতেই স্মার্টলি শুয়ে থেকেই অডিয়েন্সকে চমকে দেন। তারপর অন্য এক ডান্সারের হাত ধরে উঠে দাঁড়িয়ে চেনা মেজাজে ম্যাজিক ছড়াতে থাকেন।

ম্যাডোনার দুর্ঘটনা সামলে নিয়ে পারফরম্যান্স চালিয়ে যাওয়া দেখে প্রশংসার ঢল। মঞ্চে ম্যাডোনার চেয়ার থেকে পড়ে যাওয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে অসংখ্য ভক্ত অনুরাগীরা কমেন্ট করে যাচ্ছেন একের পর এক। তেমনই এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘কে বলবে ম্যাডোনার বয়স ৬৫।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘এ জন্যই ম্যাডোনা লেজেন্ড। ইনস্পিরেশন।’

তবে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরেও মোটেও বিচলিত হননি গায়িকা। বরং নিজের পারফরম্যান্স বজায় রেখেছিলেন এবং দর্শকদের ব্যস্ত রেখেছিলেন তার কণ্ঠের জাদুতে। চেয়ার থেকে পড়েও নিজের গান ধরে রাখেন ম্যাডোনা এবং উঠে দাঁড়িয়ে পুনরায় নিজের ছন্দে মাতাতে থাকেন দর্শকদের।

এটিই প্রথম এমন অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা নয়। এর আগেও ম্যাডোনার একটি শোতে অন-সেট দুর্ঘটনা ঘটেছিল। পেজ সিক্সের প্রতিবেদন অনুসারে, এর আগে ২০১৫ সালের ব্রিট অ্যাওয়ার্ডের সময় ওয়ারড্রোবের ত্রুটির কারণে তিনি সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়েছিলেন।

বর্তমানে নিজের সেলিব্রেশন ট্যুর নিয়েই ব্যস্ত রয়েছেন ম্যাডোনা। গত বছর মারাত্মক ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের পরে ট্যুরটি স্থগিত করেছিলেন গায়িকা। বেশ কয়েক দিন নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এ বছর আবার নতুন করে অসমাপ্ত ট্যুরের বাকি অংশ শুরু করেছেন। বর্তমানে আমেরিকা অঞ্চলের সফরসূচি শুরু করেছেন গায়িকা।

বিষয়:

জন্মদিনে নতুন সিনেমায় দর্শকপ্রিয় সজল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন প্রতিবেদক

দীর্ঘদিন ধরেই অভিনয়ের দুনিয়ায় শুধু অভিনয়ই করে যাচ্ছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেতা আব্দুন নূর সজল। অভিনয়ের দুনিয়ায় এসে অনেকেই অনেক সময় অভিনয়ের পাশপাশি ব্যবসায়ও নিজেকে সম্পৃক্ত করে। কিন্তু সজল শুধু অভিনয়ে পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে যাচ্ছেন। যে কারণে তার সমাসাময়িক অনেকেরই অভিনয়ে জনপ্রিয়তা কমে গেলেও দিন দিন সজলের জনপ্রিয়তা যেন বেড়েই চলেছে। টিভি নাটকের চেয়ে বর্তমানে ওয়েব সিরিজ এবং চলচ্চিত্রেই বেশি মনোযোগী এই তারকা।

হৃদি হক পরিচালিত ‘১৯১৭ : সেই সব দিন’ সিনেমা মুক্তির পর এবার নতুন আরেকটি সিনেমার সঙ্গে যুক্ত হলেন তিনি। সিনেমার নাম ‘জীবনের খেলা’। ২০ ফেব্রুয়ারি ছিল সজলের জন্মদিন। বিশেষ এই দিন সন্ধ্যায় রাজধানীর এক রেস্তোরাঁয় আনুষ্ঠানিকভাবে ছবিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন তিনি। অনুষ্ঠানে ছবির সব কলাকুশলী উপস্থিত ছিলেন। রোমান্টিক ও অ্যাকশন ধাঁচের এই ছবিতে সজলের নায়িকা সিন্ডি রোলিং। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধতে যাচ্ছেন তারা। সাদামাটা প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে সিনেমাটি পরিচালনা করছেন ওয়ালিদ আহমেদ। এর আগে এই পরিচালক একই প্রযোজনা সংস্থা থেকে মেঘের কপাট নামের একটি সিনেমা পরিচালনা করেন। ছবিটি দেশ ও দেশের বাইরে বেশ সমাদৃত হয়। ‘জীবনের খেলা’ তার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র।

নতুন ছবিটি নিয়ে সজল বললেন, ‘সিনেমায় আমি এমন সব চরিত্রে কাজ করতে চেয়েছি, যেটা আগে করিনি বা করাটা আমার জন্য কঠিন এবং পরিশ্রমের। তাতে হয় নতুন কিছু তৈরি হবে অথবা আমি আরও শিখব। ভালো কাজের জন্য টিমের মধ্যে যে বন্ধন, বন্ধুত্ব ও বোঝাপড়া দরকার, সেটা পরিচালক ওয়ালিদ আহমেদের সঙ্গে আমার আছে। আশা করছি এই ছবিতে দর্শক আমাকে নতুন ভাবে পাবেন।’

অন্যদিকে নায়িকা সিন্ডি রোলিংয়ে ভাষ্য, ‘সিনেমায় বিভিন্ন রূপে-চরিত্রে হাজির হয়েছি। এবার আরও বড় পরিসরে আসছি। সজলের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করাটা আমার জন্য আনন্দের। তার কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। আমি ভাগ্যবান যে, এমন একটা প্রজেক্টে পরিচালক আমাকে যুক্ত করেছেন।’

‘জীবনের খেলা’ নিয়ে পরিচালক ওয়ালিদ আহমেদ জানান, ‘ভার্সেটাইল হিরো সজল এই সময়ে সবচেয়ে এক্সপেরিমেন্টাল আর্টিস্টদের একজন। একেক চলচ্চিত্রে তিনি একেক রূপে হাজির হচ্ছেন আর দর্শকের মন জয় করে নিচ্ছেন। তার সঙ্গে অ্যাকশন করার জন্য সিন্ডি রোলিংয়ের বিকল্প নেই। সিন্ডি আগেই তার সক্ষমতা দেখিয়েছেন। গান, গল্প আর অ্যাকশন মিলিয়ে দর্শকরা চলচ্চিত্রটি উপভোগ করবেন বলে আমার বিশ্বাস।’

নির্মাতা জানান, এই ছবির বিভিন্ন গানে কণ্ঠ দিয়েছেন হৃদয় খান, ইমরান, কনা, মেহবুবা কামাল, ঐশী এবং জেফরি ইকবাল। সংগীত পরিচালনায় হৃদয় খান, সজীব দাস ও নাভেদ পারভেজ। চলতি বছরের শেষ নাগাদ ছবিটি মুক্তি পেতে পারে।

বিষয়:

আরও উচ্চতায় আজমেরী হক বাঁধন

আপডেটেড ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:৪৭
বিনোদন প্রতিবেদক

লাক্স তারকা নির্বাচিত হওয়ার পরেও শুরুটা ভালো ছিল না আজমেরী হক বাঁধনের। মাঝখানে ব্যক্তিগত কারণ এমনকি বিয়ে এবং বিয়ে বিচ্ছেদের কারণে দারুণ হতাশ হয়ে পড়েন এই মডেল অভিনেত্রী। কমতে থাকে কাজের পরিধি। কিন্তু তার ক্যারিয়ারে হঠাৎ করে আলোর ঝলক হয়ে আসে ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ নামের একটি চলচ্চিত্র। এই সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করে দেশে তো বটেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নিজেকে মেলে ধরেন এই অভিনেত্রী। কানসহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র উৎসবে দ্যুতি ছড়ায় বাঁধনের ছবিটি।

এরপর থেকেই ভাগ্য ফেরার পালা শুরু হয় এই লাক্সকন্যার। কাজ করেন টালিগঞ্জের খ্যাতিমান নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত ‘রবীন্দ্রনাথ কখনো এখানে খেতে আসেনি’ শিরোনামের একটি ওয়েব ‍সিরিজে। পাশাপাশি ‘খুফিয়া’ নামের একটি সিনেমা দিয়ে বলিউডেও জায়গা করে নেন তিনি।

তবে এবার আরও এক উচ্চতায় নিজেকে নিয়ে যাচ্ছেন আজমেরী হক বাঁধন। এবার বেঙ্গালুরু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের অফিসিয়াল জুরি হওয়ার জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছেন বাঁধন। ভারতের বেঙ্গালুরুতে শুরু হতে যাচ্ছে ১৫তম বেঙ্গালুরু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। এটি আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে চলবে ৭ মার্চ পর্যন্ত। খবরটি জানিয়ে বাঁধন বলেন, ‘এটা আমার জন্য অনেক সম্মানের। একটু অবাক হলেও ভীষণ সম্মানিত বোধ করছি। এমনিতে আমি আমার কাজ নিয়ে বিভিন্ন দেশের উৎসবে ভ্রমণ করেছি ‘রেহানা’, ‘খুফিয়া’ নিয়ে। ওটা একধরনের অভিজ্ঞতা। আর জুরি হওয়া আরেক অভিজ্ঞতা। এটা আমাকে সমৃদ্ধ করবে।’

এই চলচ্চিত্র উৎসবের ১৫টি বিভাগে দেখানো হবে পঞ্চাশটির বেশি দেশের দুই শতাধিক চলচ্চিত্র। প্রতিযোগিতা বিভাগে থাকা চলচ্চিত্রগুলো থেকে সেরা কাজ বাছাই করতে বাঁধনের সঙ্গে জুরি হিসেবে আরও থাকবেন রাশিয়ার নিনা কোচলেইভা, স্পেনের রোজানা আলোনসো, যুক্তরাজ্যের ক্যারি শনেই ও ভারতের সীতারাম। বাঁধন ও তার জুরিবোর্ড উৎসবের এশিয়ান সিনেমা কম্পিটিশন সেকশনে থাকা চলচ্চিত্রগুলো দেখে সেরা কাজ বাছাই করবেন। এই বিভাগটি ছাড়াও উৎসবে ভারতীয় ও কান্নাড়া চলচ্চিত্রের জন্যও প্রতিযোগিতা বিভাগ রয়েছে।

আর অফিসিয়াল জুরিদের পাশাপাশি এই উৎসবে চলচ্চিত্র সমালোচকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ফিপ্রেসি ও এশিয়াভিত্তিক সংগঠন নেটপ্যাক জুরিরাও থাকবেন।


অতঃপর চলচ্চিত্রে লাক্সকন্যা মেহজাবীন

আপডেটেড ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:৪৭
বিনোদন প্রতিবেদক

ছোট পর্দায় গত কয়েক বছর ধরেই চাহিদার শীর্ষে অবস্থান করছেন লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার মেহজাবীন চৌধুরী। টিভি নাটকে যখন তার উজ্জ্বল অবস্থান, ঠিক তখন থেকেই খবর রটে সিনেমায় নামছেন এই লাস্যময়ী অভিনেত্রী। মেহজাবীন নিজেও সিনেমায় অভিনয়ের আগ্রহ প্রকাশ করে বলে আসছেন, ‘ভালো গল্প, চরিত্র ও নির্মাতা পেলে অবশ্যই বড় পর্দায় অভিনয় করব।’

অনেকগুলো প্রস্তাবও পেয়েছিলেন তিনি। শুধু দেশের সিনেমাই নয়, বলিউড থেকেও প্রস্তাব পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু মনের মতো চিত্রনাট্য না হওয়ায় সিনেমায় অভিনয় করা হয়ে ওঠেনি। তবে এতদিন না হলেও ক্যারিয়ারের ১৪ বছর পদার্পণের দিনেই ভক্তদের নতুন সিনেমায় অভিনয়ের সুখবরটি জানালেন আলোচিত এই তারকা।

১৪ বছর আগে ২১ ফেব্রুয়ারিতে অভিনয়ের খাতায় নিজের নাম লেখান তিনি। আর এমন দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম খুশির খবর দিয়ে মেহজাবীন চৌধুরী লিখেছেন, ‘২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ভাষাশহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে ১৪ বছর আগে এই দিনেই টিভি নাটকে আমার অভিনয়যাত্রা শুরু হয়েছিল। আর আজ এই বিশেষ দিনেই আমার শুভাকাঙ্ক্ষী, বন্ধুদের একটি বিশেষ খবর জানাতে চাই, বড় পর্দায় পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে আমার অভিষেক হতে যাচ্ছে এ বছরই। ২০২৩ সালের শুরুতেই আমরা এই চলচিত্রের কাজ সম্পন্ন করেছি।’

সিনেমাটির নাম ‘সাবা’। তবে বিষয়টি এতদিন গোপন রেখেছিলেন মেহজাবীন। ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অর্থাৎ নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন এই লাক্স সুন্দরী। সাবা পরিচালনা করছেন মাকসুদ হোসেন। পরিচালকের এটিই প্রথম সিনেমা। তবে প্রথম সিনেমা হলেও বিজ্ঞাপন নির্মাণে সিদ্ধাহস্ত তিনি। এর আগে মেহজাবীনকে নিয়েও বহু বিজ্ঞাপন করেছেন। সিনেমার গল্প নিয়ে ঘুরেছেন আন্তর্জাতিক বহু কো-প্রোডাকশন মার্কেটে। সাবার গল্প নিয়েও ঘুরেছেন ফিল্ম বাজার, গ্লোবাল মিডিয়া মেকার্সের মতো জাগায়গুলোতে। এরপরই সিনেমাটি নিয়ে মেহজাবীনের কাছে যাওয়া। মাকসুদ বললেন, আমরা সিনেমাটি নিয়ে এমন সময়ে গিয়েছি, যখন তিনিও সিনেমা করার জন্য প্রস্তুত। তার ওপর গল্পটিও তার দারুণ পছন্দ হয়েছে। সব কিছু ব্যাটে-বলে মিলে গিয়েছে।’

পরিচালকের সঙ্গে একই সুরে কথা বললেন অভিনেত্রীও। তার ভাষ্য, ‘সিনেমাটির গল্পের কারণেই করা। এতদিন সিনেমা কেন করছি না এমন প্রশ্নের বিপরীতে কিন্তু আমি সবসময় বলে এসেছি ভালো গল্প পেলেই সিনেমায় দেখা যাবে। সাবা ভালো গল্প। গল্পের টানেই আসা। সাবা নামটিও সুন্দর । সিনেমাটি আমার জীবনে সবসময়ই বিশেষ একটি নাম হয়ে থাকবে বলে আমার বিশ্বাস।’

গত বছরের জানুয়ারি শুরু হয়েছিল সাবার শুটিং শেষ হয় ১২ ফেব্রুয়ারি। সিনমাটির শুটিং শুরুর আগে ৬ মাস রিহার্সাল করেছেন মেহজাবীন। পরিচালক জানালেন গল্পটা কতটা পছন্দ হলে মেহজাবীনের মতো একজন জনপ্রিয় শিল্পী সিনেমার প্রতি এত এফোর্ট দেয়। এ চলতি বছরের শেষের দিকে ছবিটি মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক।


‘পাঠান-২’ নিয়ে আসছেন বলিউড কিং

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

জল্পনা ছিল আগেই। তবে সেই জল্পনাকে বাস্তবে পরিণত করতে চলতি বছরেই ‘পাঠান’ নিয়ে ফের চমক দিতে চলেছেন বলিউড কিংখ্যাত সুপারস্টার শাহরুখ খান ও খ্যাতিমান পরিচালক আদিত্য চোপড়া। বলিউড ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে খবর, ‘পাঠান’ ছবির সিক্যুয়ালের চিত্রনাট্য এরই মধ্যে তৈরি। শোনা যাচ্ছে, বছর শেষেই নাকি শুটিং শুরু করে দেবেন পাঠান-২ টিম।

সূত্র থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, পাঠান-২ ছবিই হবে যশরাজ ব্যানারে তৈরি স্পাই ইউনিভার্সের অষ্টম ছবি। দ্বিতীয় কিস্তিতে দীপিকা পাড়ুকোন তো থাকছেনই, তবে দেখা যেতে পারে আলিয়া ভাটকেও। এমনকি, টাইগারের জোয়া অর্থাৎ ক্যাটরিনাকেও চিত্রনাট্যে জায়গা দেবেন পরিচালক সিদ্ধার্থ আনন্দ। তবে খলনায়কের চরিত্রে এবার আর জন আব্রাহম নন বরং আরও বড় চমক দেবেন আদিত্য চোপড়া।

একাধিক ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই ছবির শুটিং শুরু করবেন শাহরুখ। গোটা দেশের বক্স অফিসে ৫৪০ কোটি টাকা রোজগার করে পাঠান। অন্যদিকে গোটা বিশ্বে পাঠান ছবির ঝুলিতে ১০০০ কোটি টাকা। সেই সাফল্যকে সঙ্গে নিয়েই এবার ‘পাঠান-২’ তৈরি করতে প্রস্তুত আদিত্য চোপড়া ও শাহরুখ খান।

সম্প্রতি একটি নতুন প্রতিবেদন নিশ্চিত করেছে যে শাহরুখ খান একটি সিক্যুয়ালে পাঠানের ভূমিকায় পুনরায় অভিনয় করবেন। এই বছরের শেষের দিকে ছবিটি ফ্লোরে যাবে বলেও জানা গেছে। রিপোর্ট অনুসারে, আদিত্য চোপড়া ব্যক্তিগতভাবে তার টিমের সঙ্গে স্ক্রিপ্টে কাজ করেছেন এবং পাঠানের দ্বিতীয় কিস্তি আরও বড়ভাবে ভিত্তি হিসাবে স্থাপন করছেন।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘ সাড়ে চার বছর পর ২০২৩ সালে বলিউডে রাজকীয়ভাবে প্রত্যাবর্তন করেছেন শাহরুখ খান। বছরের শুরুতেই ‘পাঠান’ দিয়ে সমালোচকদের দাঁতভাঙা জবাব দেন শাহরুখ। দুর্দান্তভাবে ফিরেই বক্স অফিস দখলে নেন বলিউড বাদশাহ। মুক্তির পরপরই বিশ্বজুড়ে ঝড় তুলে রীতিমতো ইতিহাস গড়েছিল ‘পাঠান’।

বিষয়:

ভাষা বিকৃতির যেন প্রতিযোগিতা চলছে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
জাহাঙ্গীর বিপ্লব

চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা। একাধারে তিনি অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক। দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’-এর প্রযোজক এই মুক্তিযোদ্ধা। তার প্রথম অভিনীত সিনেমা ‘মাসুদ রানা’র ৫০ বছর পূর্ণ হচ্ছে এ বছর। এদিকে আজ একুশে ফেব্রুয়ারি জীবন্ত এই কিংবদন্তির ৭৮তম জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে জন্মদিন, ভাষার মাস, নাটক-চলচ্চিত্রে ভাষার ব্যবহারসহ নানা বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন জাহাঙ্গীর বিপ্লব

শুভ জন্মদিন। বিশেষ দিনের আয়োজন…

আপনি এবং বিনোদন জগৎ এমনকি চলচ্চিত্রের অনেকেই নিশ্চয়ই জানেন, আমার জন্মদিনে কোনো আহামরি আয়োজন রাখি না। কাউকে আমন্ত্রণ কিংবা নিমন্ত্রণও করি না। তারপরও প্রতিবারই আমার বাসায় এলাহি কারবার হয়ে যায়। কারণ আমার জন্ম এমন এক দিনে, যা কারও ভুলে যাওয়ার কথা নয়। চলচ্চিত্র পরিবারে আমার অগণিত সহকর্মী, সুভাকাঙ্ক্ষী এবং আমার কাছের সাংবাদিক বন্ধুরাও সন্ধ্যার পর থেকে ফুল ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী নিয়ে আমার বাসায় হাজির হন। গভীর রাত পর্যন্ত চলে জম্পেশ আড্ডা। জীবনের এই সময়ে এসেও সবার ভালোবাসা আমাকে মুগ্ধ করে।

বিশেষ দিনে জন্ম…

সবার আগে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি, এমন একটি মহান দিনে আমার জন্ম হয়েছে। একজন বাঙালি হিসেবে এটা একই সঙ্গে আমার জন্য গর্বের এবং বেদনাদায়কও। কারণ এই দিনে ভাষার জন্য কয়েকজন সংগ্রামী যুবককে বুকের রক্ত দিয়ে শহীদ হতে হয়েছে। আমার জন্মদিন উপলক্ষে প্রায় প্রতিবছরই চ্যানেল আই বিশেষ আয়োজন করে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ২২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টায় প্রচারিত হবে আমাকে নিয়ে বিশেষ একটি অনুষ্ঠান। ‘একজনই সোহেল রানা’ নামের অনুষ্ঠানটির উপস্থাপনা করছেন সাংবাদিক আবদুর রহমান। এরই মধ্যে অনুষ্ঠানটির দৃশ্যধারণ সম্পন্ন হয়েছে। এখানে আমার জীবনের অনেক অজানা কথা শেয়ার করেছি।

বাংলা ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা…

পৃথিবীর ইতিহাসে এমন কোনো জাতি নেই যে, ভাষার জন্য আন্দোলন করে প্রাণ দিয়েছে। অথচ এখন লজ্জা লাগে। আবরণের মতো শুধুই আনুষ্ঠানিকতা হয়ে গেছে একুশ। ফেব্রুয়ারি এলে বাংলা ভাষার প্রতি দরদ দেখাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। কিন্তু বছরের এই একটি মাত্র মাসেও বাংলা ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল নই। এখনো ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, দোকানের সাইনবোর্ডে এমনকি অফিস-আদালতেও শুদ্ধ বাংলা ভাষার চর্চা হচ্ছে না। সর্বত্র ভাষা বিকৃতির প্রতিযোগিতায় শহীদ দিবসের তাৎপর্য নষ্ট হচ্ছে বলে আমি মনে করি। শহীদদের রক্তে কেনা এ দেশের ভাষা বাংলা হলেও উচ্চ আদালতে বিচার কাজ এখনো ইংরেজিতে হয়। অথচ সর্বস্তরের বাংলা ভাষা প্রচলনে ১৯৮৭ সালে একটি আইন করা হয়েছে।

একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে…

মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিতেও লজ্জা লাগে। আমরা বাংলা ভাষা ব্যবহার না করে ইংরেজির প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছি। সঠিকভাবে বাংলা না বলতে পারলেও ইংলিশ বলার কারণে আমরা সন্তানদের নিয়ে গর্ব করি। প্রতিনিয়ত কথাবার্তায় কিছু ইংলিশ, কিছু বাংলা ব্যবহার করে একদম জগাখিচুড়ি ভাষা ব্যবহার করি। আমি নিজেও এই অপরাধ থেকে মুক্ত নই। দুঃখের বিষয়, আজকাল রেডিও-টিভিতে ভাষার বিকৃতি হচ্ছে। এই প্রজন্মের তরুণরা রেডিও-টেলিভিশনসহ সব মাধ্যমে দুর্বল বাংলা কিংবা ইংরেজি ভাষা মিশিয়ে কথা বলে এক বিকৃত বাংলিশ ভাষা চালু করেছে।

চলচ্চিত্র থেকে দূরে…

অনেক দিন ধরেই চলচ্চিত্রে অভিনয় করছি না । তিন বছর আগে ‘মায়া মসনদ’ নামের একটি ধারাবাহিকে অভিনয় করেছিলাম। এতে কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা আছে। কাজটি শুরুর আগে তারা আমার সঙ্গে ধারাবাহিকটি নিয়ে যে আগ্রহ ও প্রত্যাশার কথা শুনিয়েছিলেন, এতে আমি রাজি হয়ে যাই। কিন্তু এই নাটকে আমি মাত্র ৫-৬ দিন কাজ করেছিলাম। এরপর তাদের আর কোনো খবর নেই। চলচ্চিত্র নিয়ে অনেক আগেই বলেছিলাম, দেশীয় চলচ্চিত্রশিল্প মারা গেছে। এখান থেকে চলচ্চিত্র শিল্পকে পুনরায় জীবিত করা অনেক কষ্টসাধ্য।

বিষয়:

আবারও দক্ষিণী সিনেমায় জাহ্নবী কাপুর

আপডেটেড ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:০৬
বিনোদন ডেস্ক

বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শ্রীদেবী যেমন অভিনয়ে সাফল্যের চূড়া ছুঁয়েছিলেন, তেমনি তার কন্যা বলিউডের উঠতি তারকা জাহ্নবী কাপুরও একই পথে এগিয়ে যাচ্ছেন। ২০১৮ সালে ‘ধড়ক’ ছবি দিয়ে বলিউডে অভিষেক হয়েছে তার। এরপর জাহ্নবীকে দেখা গেছে ‘গুঞ্জন সাক্সেনা’, ‘রুহি’, ‘গুড লাক জেরি’, ‘মিলি’ ও ‘বাওয়াল’র মতো প্রশংসিত ছবিতে। বক্স অফিসে ছবিগুলো আহামরি ব্যবসা না করলেও জাহ্নবী তার প্রতিভা মেলে ধরতে মোটেও ভুল করেননি। তাই হিন্দির সীমানা পেরিয়ে জয় করেছেন দক্ষিণের ইন্ডাস্ট্রি। নাম লিখিয়েছেন তেলেগু ছবিতে। ইতোপূর্বে জুনিয়র এনটিআরের সঙ্গে ‘দেবারা’ ছবির কাজ সেরেছেন।

সেই ছবি মুক্তির আগেই আরেক তেলেগু সুপারস্টারের সঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়েছেন জাহ্নবী। এবার তার নায়ক রাম চরণ। খবরটি অভিনেত্রীর বাবা, প্রযোজক বনি কাপুর নিশ্চিত করেছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘জুনিয়র এনটিআরের সঙ্গে জাহ্নবী ইতোমধ্যে একটি ছবি করেছে। শুটিংয়ের প্রতিটি মুহূর্ত ও উপভোগ করেছে। শিগগিরই সে রাম চরণের সঙ্গে একটি ছবির কাজ শুরু করবে। এই দুটি ছেলে (এনটিআর ও রাম চরণ) খুবই ভালো কাজ করছে। কাজের জন্য এখন প্রচুর তেলেগু ছবি দেখছে জাহ্নবী। আশা করছি মুক্তি পেলে ছবিগুলো ভালো করবে এবং সে আরও কাজ পাবে।’

রাম চরণের আগামী ছবিটি নির্মাণ করবেন বুচি বাবু সানা। সেখানেই নাকি দেখা যাবে জাহ্নবীকে। তবে নির্মাতা কিংবা প্রযোজক, কারও পক্ষ থেকে নায়িকার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

এখানেই শেষ নয়, বনি জানালেন, দক্ষিণী সিনেমার আরেক তারকা সুরিয়ার সঙ্গেও নাকি একটি ছবিতে অভিনয় করবেন জাহ্নবী। এতেই বোঝা যায়, বলিউডের পাশাপাশি দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের দাপুটে পায়ের ছাপ ফেলছেন এই তরুণী। কন্যার এমন পদচারণায় বনির ভাষ্য, ‘আমার স্ত্রী (শ্রীদেবী) বিভিন্ন ভাষায় কাজ করেছে। আশা করি আমার মেয়েও সেই ধারা অব্যাহত রাখবে।’


ছক ভাঙতে চান ‘আইটেম কুইন’ নোরা ফাতেহি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

ভারতীয় শোবিজে গক কয়েক বছর ধরে আইটেম গানে ঝড় তুলে আসছেন লাস্যময়ী নোরা ফাতেহি। এ কারণে এরইমধ্যে নতুন আইটেম কুইন তকমাও পেয়ে গেছেন জনপ্রিয় এই তারকা। তবে আইটেম তকমা থেকে বের হয়ে আসতে চান তিনি। এ বিষয়ে নোরা ফাতেহি বলেন, ‘আইটেম গানে আর কাজ করতে ইচ্ছে করে না। সেজন্য বিরতি ছিল। তবে আমি ঘরে বসে ছিলাম না। কেন্দ্রীয় চরিত্রে কাজের জন্য অপেক্ষা করেছি। অবশেষে তেমনটা হয়েছে। আমি ভালো একটি কাজ নিয়ে আসতে চলেছি।’

আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাবে নোরা অভিনীত এবং নির্মাতা আদিত্য দত্ত পরিচালিত নতুন সিনেমা ‘ক্র্যাক’। অ্যাকশন ঘরানার এই সিনেমার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন অর্জুন রামপাল। ছবিতে বিদ্যুত জামালের বিপরীতে দেখা যাবে, নোরা ফাতেহিকে। মূলত মুম্বাইয়ের বস্তি থেকে আন্ডারগ্রাউন্ড এক্সট্রিম স্পোর্টস জগতে একজন মানুষের যাত্রার গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। কয়েক দিন আগে সিনেমাটির ট্রেইলার মুক্তি পেয়েছে। পুরো ট্রেইলারজুড়ে ধুন্ধুমার অ্যাকশন আর রোমান্সে ভরপুর।

সিনেমাটির শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন নোরা ফাতেহি। স্টান্ট ডাবল ছাড়াই শুটিং করেন তিনি। এ সময় তিনি জানান, কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের অপেক্ষায় তিনি।

‘ক্র্যাক’ ছবিতে অভিনয়ের অভিজ্ঞতাও জানিয়েছেন নোরা। তিনি বলেন, ‘অর্জুন (অর্জুন রামপাল) স্যার স্টান্ট করছিলেন, বিদ্যুৎ (বিদ্যুৎ জামাল) স্যারও স্টান্ট করছিলেন, তাই আমিও ডাবল ছাড়াই স্টান্ট করতে চাই। বিদ্যুতের সঙ্গে যখন একটি দৃশ্যের শুটিং করছিলাম, তখন আমরা দুজনেই দ্রুত যাচ্ছিলাম। হঠাৎ আমি পড়ে যাই। অন্যদিকে আগের গতিতেই যাচ্ছিলেন বিদ্যুৎ। দড়িটি বিদ্যুতের কোমরে বাঁধা ছিল, আমি তার পেছনে ছিলাম। সে বুঝতে পারেনি আমি পড়ে গেছি। ফলে বিদ্যুৎ আমাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায়, তাও কংক্রিটের রাস্তা দিয়ে।’

নোরা বলেন, ‘আমাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার একপর্যায়ে চিৎকার করি। এরপর বিদ্যুৎ দাঁড়ান। প্রত্যেকে আমাকে জিজ্ঞাসা করেন আমি ঠিক আছি কি না। কিন্তু আমি ভ্যানিটি ভ্যানে ফিরে শিশুর মতো কেঁদেছিলাম।’

বিষয়:

রোমান্টিক ইমেজ থেকে বেরিয়ে আসছেন অপূর্ব

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন প্রতিবেদক

রোমান্টিক নায়ক হিসেবেই বেশি পরিচিত জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। ক্যারিয়ারে এত বেশি প্রেমের নাটকে অভিনয় করেছেন; যার দরুণ রোমান্টিক নাটকের রাজপুত্র হিসেবে উপাধি পেয়েছেন তিনি। টিভি নাটকে অনেক বছর ধরে কাজ করলেও বর্তমানে ওটিটি প্ল্যাটফর্মেই বেশি দেখা যাচ্ছে এই তারকাকে। কাজ করছেন অনেক বছর ধরেই। তবে এখন তার বেশিরভাগ কাজ দেখা যায় ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। তবে রোমান্টিক ইমেজ থেকে বেরিয়ে এসে এবার একটু অন্যরকম চরিত্র নিয়ে দর্শকের সামনে হাজির হচ্ছেন তিনি।

চলতি মাসের শেষ দিকে পরপর দুটি ব্যতিক্রমী কাজ নিয়ে দর্শকের সামনে আসছেন জনপ্রিয় এই রোমান্টিক হিরো। তপু খানের ‘ডার্ক জাস্টিস’ নাটকে বিচারক ও সৈয়দ শাকিলের ‘ইউএনও স্যার’ ওয়েব ফিল্মে অপূর্ব অভিনয় করেছেন সরকারি কর্মকর্তার চরিত্রে। দুই কাজেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী অবস্থান নিতে দেখা যাবে তাকে।

সঠিক প্রমাণের অভাবে অনেক সময় অপরাধীকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না। আবার অনেক অপরাধী আইনের ফাঁক গলে পার পেয়ে যায়। মূল অপরাধীদের শাস্তি দিতে এক বিচারক নেমে পড়েন সত্য উদ্ঘাটনে। এমন গল্পে তৈরি হয়েছে নাটক ডার্ক জাস্টিস। এই সিরিজে বিচারকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অপূর্ব। তিনি বলেন, ‘এটি পুরোপুরি ফিকশনধর্মী একটি কাজ। এর মধ্যে যদি কেউ বাস্তবতা খুঁজতে যায়, তাহলে বোকামি হবে। অনেক বড় ক্যানভাসে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। পোস্টার, টিজার রিলিজের পর থেকে অনেক সাড়া পাচ্ছি। দর্শকের ভালো লাগবে।’

অ্যাকশন থ্রিলার ঘরানার গল্পে নির্মিত নাটকটি পরিচালনা করেছেন তপু খান। সংলাপ ও চিত্রনাট্য লিখেছেন দেলোয়ার হোসেন দিল, ফাইট ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন চেন্নাইয়ের রকি রাজেশ। সোমবার ক্লাব ইলেভেন এন্টারটেইনমেন্ট ইউটিউব চ্যানেলে অবমুক্ত করা হয় নাটকটি।

এ ছাড়া ২৪ অক্টোবর ওটিটি প্ল্যাটফর্ম দীপ্ত প্লেতে মুক্তি পাবে অপূর্ব অভিনীত ওয়েব ফিল্ম ইউএনও স্যার। পেশাগত দায়িত্ব পালনের চ্যালেঞ্জের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে ওয়েব ফিল্মটি। এতে এক সরকারি কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেছেন অপূর্ব। এস এম আহসান হাবিবের গল্প ও মেজবাহ উদ্দিন সুমনের চিত্রনাট্যে ওয়েব ফিল্মটি পরিচালনা করেছেন সৈয়দ শাকিল। নির্মাতা বলেন, ‘ব্যক্তিগত ও পেশাগত দায়বদ্ধতার বেড়াজালে দেশের প্রতি ভালোবাসার চ্যালেঞ্জ নিয়ে একজন সরকারি পদস্থ কর্মকর্তা কী করতে পারেন, সেটাই দেখা যাবে এতে।’ ওয়েব ফিল্মে আরও অভিনয় করেছেন তানজিম সাইয়ারা তটিনী, ইন্তেখাব দিনার, জয়রাজ, নরেশ ভুঁইয়া প্রমুখ।

বিষয়:

বহুমাত্রিক প্রতিভার নাম এটিএম শামসুজ্জামান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন প্রতিবেদক

একুশে পদকপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার ও চিত্রপরিচালক এ টি এম শামসুজ্জামান। চার শতাধিক চলচ্চিত্রে খল ও কৌতুক চরিত্রে অভিনয় করে মুগ্ধ করেছেন দর্শকদের। অভিনয়গুণে মানুষের মুঠো মুঠো ভালোবাসা কুড়িয়েছেন আজীবন সম্মাননাসহ পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেতা। দেশজুড়ে তার পরিচিতি অভিনেতা হিসেবে। কিন্তু এই একটি পরিচয়ে সীমাবদ্ধ ছিলেন না তিনি। নির্মাণ করেছেন, চিত্রনাট্য লিখেছেন, সাহিত্য অঙ্গনেও রেখেছেন হাতের ছাপ। বহু গুণের অধিকারী সেই কিংবদন্তির নাম এ টি এম শামসুজ্জামান।

চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের বরেণ্য অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান সেই ১৯৬০-এর দশক থেকে চার শতাধিক চলচ্চিত্রে বহু খল ও কমেডি চরিত্রকে অমর করে রেখেছেন। দীর্ঘ ছয় দশকের ক্যারিয়ারে অভিনয়ের জোরেই নিজের নামটিকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে পেরেছিলেন এ টি এম শামসুজ্জামান। তবে তিনি ছিলেন একাধারে পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, সংলাপকার ও গল্পকার। তার লেখা চিত্রনাট্যের সংখ্যা শতাধিক।

১৯৬১ সালে উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজের সুযোগ মিলে যায় এ টি এমের। পরে নারায়ণ ঘোষ মিতার ‘জলছবি’ সিনেমার জন্য লেখেন চিত্রনাট্য। সিনেমার পর্দায় এ টি এম শামসুজ্জামানের অভিনেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৬৫ সালের দিকে। শুরুতে মূলত কমেডি চরিত্রেই তাকে দেখা যেত। ১৯৭৬ সালে আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’তে খল চরিত্রে অভিনয় করে তিনি বোদ্ধাদের নজর কাড়েন। এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি তাকে। ‘লাঠিয়াল’, ‘অশিক্ষিত’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’ এবং ‘স্বপ্নের নায়ক’ সিনেমায় এ টি এম শামসুজ্জামান যেমন খল চরিত্রে ফ্রেমবন্দি হয়েছেন, তেমনই ‘রামের সুমতি’, ‘ম্যাডাম ফুলি‘, ‘যাদুর বাঁশি’, ‘চুড়িওয়ালা’য় তার কমেডি চরিত্রের কথাও মনে রেখেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের দর্শকরা। ‘ওরা ১১ জন’, ‘সংগ্রাম’, ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’, ‘ছুটির ঘণ্টা’, ‘রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত’ এবং ‘গেরিলা’র মতো সিনেমাতেও এ টি এম শামসুজ্জামান অভিনয় করেছেন নানা ভূমিকায়।

অভিনয়ের জন্য এ টি এম শামসুজ্জামানের প্রথম পুরস্কার ছিল বাচসাস পুরস্কার। পরে ১৯৮৭ সালে কাজী হায়াতের ‘দায়ী কে’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। এরপর ১৯৯৯ সালের ‘ম্যাডাম ফুলি’, ২০০১ সালের ‘চুড়িওয়ালা’, ২০০৯ সালের ‘মন বসে না পড়ার টেবিলে’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। ২০১২ সালের ‘চোরাবালি’ সিনেমার জন্য পান পার্শ্বচরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার জাতীয় পুরস্কার। আর ২০১৭ সালে ৪২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তাকে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। চলচ্চিত্রে ব্যস্ত হওয়ার আগে ও পরে টেলিভিশনেও বহু নাটকে দেখা গেছে তাকে। ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে একুশে পদক গ্রহণ করেন তিনি।

নাটক ও চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল এই নক্ষত্রকে ছাড়া আরও একটি বছর পার হলো দেখতে দেখতেই। ২০২১ সালের এই দিনে (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর সূত্রাপুরের নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেন তিনি। আজ তার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী।


মিমি চক্রবর্তীই হচ্ছেন শাকিবের তুফান ছবির নায়িকা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন প্রতিবেদক

কে হচ্ছেন ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘তুফান’-এর নায়িকা- গত বছরের শেষের দিকে ছবির নাম ঘোষণার পর থেকেই এমন জল্পনা দর্শকমহলে। শুরুতে শোনা যাচ্ছিল ছবিটিতে নায়িকা হচ্ছেন নুসরাত ফারিয়া। তবে সেই গুঞ্জনকে নাকচ করে দিয়ে শাকিবের নায়িকা যে বাংলাদেশি কেউ হবেন না- এমনটা আগেই আভাস দিয়েছিলেন ছবিটির নির্মাতাপক্ষ। কিন্তু ভিনদেশের কোনো নায়িকা এই তারকার বিপরীতে অভিনয় করবেন তা নিয়ে কৌতূহল চলছিল চলচ্চিত্র পরিবারেও।

গত কয়েকদিন ধরে তুফান ছবিটিতে শাকিব খানের নায়িকা হিসেবে নাম শোনা যাচ্ছিল টালিগঞ্জের মিমি চক্রবর্তী ও মধুমিতা চ্যাটার্জির। তবে শেষমেশ জানা গেল পশ্চিমবঙ্গের লাস্যময়ী অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তীই হচ্ছেন তুফানের নায়িকা। বিশেষ একটি সূত্র মারফত জানা গেছে, এরই মধ্যে মিমি চক্রবর্তীর সঙ্গে প্রাথমিক আলাপ-আলোচনাও শেষ। শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কিছু জানায়নি ছবিটির বাংলাদেশি দুই প্রযোজনা সংস্থা। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন রায়হান রাফি। প্রযোজনা করছে আলফা আই, চরকি এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসভিএফ।

সিনেমাটির বাংলাদেশি অংশের একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে মিমের সঙ্গে আমাদের কথা প্রায় পাকাপাকি হয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে লিখিত চুক্তির পর কয়েকদিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসছে। যেহেতু দুই বাংলার তিন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এই প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত সেই কারণে সিদ্ধান্ত নিতে একটু সময় লাগছে। তবে নায়িকা ইস্যু ছবির তিন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের কেউই এখন কোনো মন্তব্য করতে রাজি নন। চলতি মাসেই সিনেমাটির শুট শুরু হচ্ছে ভারতে। আগামী ঈদুল আজহায় সিনেমা হলে মুক্তি পাবে।

এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজন করে সিনেমাটির নাম ঘোষণা করা হয়। সে সময় শাকিব খান বলেন, ‘দুই দেশের বড় তিনটি প্রযোজনা সংস্থা মিলে এই সিনেমায় লগ্নি করছে। আমরা কিন্তু একটি স্বপ্ন নিয়েই যৌথভাবে এগোচ্ছি, তা হলো বাংলাদেশের সিনেমা নিয়ে বিশ্ববাজারে আরও বড় কিছু ঘটানো।’

নতুন বছরের শুরু থেকেই ছবিটির শুটিং লোকেশন নিয়ে দৌড়ঝাঁপ করতে দেখা গেছে নির্মাতাকে। জানা গেছে, ভারতের ‘বাহুবলী’র সেট যারা নির্মাণ করেছিলেন, তারাই ‘তুফান’-এর সেট নির্মাণ করছেন। ছবির বড় একটি বাজেট সেট নির্মাণের কাজেই ব্যয় হচ্ছে। শাকিব খান এখন রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। তিনি দেশে ফেরার পরই শুরু হবে তুফানের শুটিং।


banner close