বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

চার বছর পর আবার ‘মামুনুর রশীদ জন্মোৎসব’

বিনোদন প্রতিবেদক   
প্রকাশিত
বিনোদন প্রতিবেদক   
প্রকাশিত : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৭:০০

দেশের প্রথিতযশা নাট্যজন মামুনুর রশীদ। একাধারে তিনি অভিনেতা, নাট্যকার ও নির্দেশক। বাংলাদেশের মঞ্চ, টিভি ও চলচ্চিত্র জগতের গুণী এই নাট্যব্যক্তিত্বর জন্মদিন ২৯ ফেব্রুয়ারি। এ কারণে তার জন্মদিন পালন করা হয় চার বছর পর পর। ১৯৪৮ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি জন্ম নেওয়া মামনূর রশীদের এবার ১৯তম জন্মদিন। এর আগে ২০২০ সালে যখন তার বয়স ৭২ বছর ছিল, তখন জমকালো আয়োজনে ১৮তম জন্মদিন পালিত হয় তার। ভক্ত ও সহকর্মীরাও চার বছর অপেক্ষায় থাকেন ২৯ ফেব্রুয়ারির জন্য।

এবারও ব্যতিক্রম হচ্ছে না। মামুনুর রশীদের জন্মদিন উপলক্ষে তিন দিনের বিশেষ উৎসবের আয়োজন করেছে তার হাতে গড়া নাট্যদল ‘আরণ্যক’। উৎসবে থাকবে মামুনুর রশীদ রচিত ও নির্দেশিত নাটকের মঞ্চায়ন, সংগীত, নৃত্য, সেমিনার, প্রদর্শনী, গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন, সংবর্ধনা ও থিয়েটার আড্ডা। ২৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ আয়োজনটি হবে শিল্পকলা একাডেমি, চ্যানেল আই প্রাঙ্গণ ও মহিলা সমিতিতে।

জানা গেছে, ২৯ ফেব্রুয়ারি সকালে চ্যানেল আইয়ে শুরু হবে জন্মোৎসব। ওই দিন মামুনুর রশীদকে নিয়ে লেখা একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হবে। এ বইয়ে তাকে নিয়ে লিখেছেন মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি। বিকেলে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় বিভিন্ন পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হবে প্রথম দিনের আয়োজন।

দ্বিতীয় দিন সকাল ১০টায় শিল্পকলা একাডেমির সেমিনার কক্ষে মামুনুর রশীদকে নিয়ে থাকছে বিশেষ সেমিনার। এতে প্রদর্শিত হবে তাকে নিয়ে শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র। বিকেলে মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে দেখা যাবে মামুনুর রশীদ রচিত ও নির্দেশিত ‘রাঢ়াং’ নাটকের দুটি মঞ্চায়ন। অভিনয় করবেন চঞ্চল চৌধুরী, আ খ ম হাসানসহ আরণ্যক নাট্যদলের জ্যেষ্ঠ অভিনয়শিল্পীরা।

তৃতীয় দিন ২ মার্চ সকাল ১০টায় অ্যাকটরস ইক্যুইটির উদ্যোগে হবে আরেকটি সেমিনার। এতে প্রবন্ধ পাঠের পাশাপাশি তাকে নিয়ে একটি তথ্যচিত্র দেখানো হবে, যেটি নির্মাণ করেছেন সুজাত শিমুল। এদিন বিকেলে মহিলা সমিতিতে মামুনুর রশীদ রচিত ও নির্দেশিত ‘কহে ফেসবুক’ নাটকের মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে শেষ হবে তিন দিনের আয়োজন।

মামুনুর রশীদের জন্ম ১৯৪৮ সালে টাঙ্গাইলের কালীহাতিতে মাতুলালয়ে। ছাত্রজীবন থেকেই মঞ্চনাটকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তিনি। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যোগ দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে। দেশ স্বাধীনের পরপরই দেশে ফিরে গড়ে তোলেন ‘আরণ্যক’ নাট্যদল।


পর্তুগালের লিসবনে ‘বাংলা লাইভ’ কনসার্ট, মঞ্চ মাতাবেন নগর বাউল জেমস

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিনোদনের জন্য ‘বাংলা লাইভ’ শিরোনামে এক বিশেষ ও জমকালো বাংলা সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। আগামী ২৬ জুলাই লিসবনের অন্যতম জনপ্রিয় ভেন্যু ‘লিসবোয়া উয়ু ভিভো’-তে বিকেল ৫টা থেকে এই বহুল প্রতীক্ষিত কনসার্টটি শুরু হবে। এই মেগা আয়োজনের মূল আকর্ষণ হিসেবে মঞ্চ মাতাবেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় রকস্টার ও নগর বাউলখ্যাত কিংবদন্তি ব্যান্ড তারকা জেমস। প্রবাসের মাটিতে প্রিয় তারকার কণ্ঠে দেশীয় গানের উন্মাদনা উপভোগ করতে ইতোমধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।

জেমসের পাশাপাশি এই কনসার্টের মঞ্চে পারফর্ম করবেন দেশের আলোচিত চলচ্চিত্র অভিনেতা জায়েদ খান। বিশ্বখ্যাত ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দেশ পর্তুগালে এবারই প্রথমবারের মতো পারফর্ম করতে যাচ্ছেন এই অভিনেতা। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো পর্তুগালে প্রবাসী দর্শকদের সামনে নিজের পরিবেশনা উপস্থাপন করার সুযোগ পেয়ে তিনি অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত বলে জানিয়েছেন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, জেমসের রক সংগীতের পাশাপাশি জায়েদ খানের এই উপস্থিতি ও পারফরম্যান্স উপস্থিত দর্শকদের বাড়তি আনন্দ দেবে এবং পুরো অনুষ্ঠানটিকে একটি ভিন্ন মাত্রা প্রদান করবে।

আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, রকস্টার জেমস তাঁর সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারের জনপ্রিয় ও কালজয়ী গানগুলো পরিবেশনের মাধ্যমে লিসবনের দর্শকদের এক অনন্য ও স্মরণীয় সংগীত অভিজ্ঞতা উপহার দেবেন। প্রিয় শিল্পীর পুরোনো ও শ্রোতাপ্রিয় গানগুলো সরাসরি উপভোগ করার জন্য মুখিয়ে আছেন পর্তুগালপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। জেমসের জাদুকরী কণ্ঠ ও গিটারের মূর্ছনা লিসবনের মঞ্চে এক অন্যরকম উৎসবের আমেজ তৈরি করবে বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন আয়োজক ও সংশ্লিষ্টরা।

লিসবনে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য আনন্দঘন এই বিশাল কনসার্টটির সার্বিক আয়োজন ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে প্রবাসী সংগঠন ‘কাসা দো বাংলাদেশ’ এবং ‘নোটিসিয়া বাংলা’। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত পর্তুগালের মাটিতে অনুষ্ঠিত হওয়া যেকোনো বাংলা সংগীত আয়োজনের মধ্যে এটিই হতে যাচ্ছে সবচেয়ে বড় ও জাঁকজমকপূর্ণ কনসার্ট। সুষ্ঠুভাবে এই আয়োজনটি সম্পন্ন করার জন্য ইতোমধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে, আর প্রবাসী বাঙালিরাও ২৬ জুলাইয়ের এই ঐতিহাসিক মিলনমেলার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।


নিউইয়র্কে ‘অপূর্ব মিউজিক্যাল নাইট’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব কেবল অভিনয়েই নয়, গানেও যে সমান পারদর্শী, তা তাঁর অগণিত ভক্তের অজানা নয়। সুযোগ পেলেই বন্ধুদের আড্ডায় গিটার হাতে কিংবা টিভির পর্দায় তাঁকে গান গাইতে দেখা গেছে। তবে এবার তিনি তাঁর ভক্তদের জন্য নিয়ে আসছেন নতুন এক চমক। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে ‘অপূর্ব মিউজিক্যাল নাইট’ শিরোনামে সম্পূর্ণ নিজের একটি একক কনসার্ট করতে যাচ্ছেন এই তারকা। আগামী ২৫ জুলাই নিউইয়র্কের বুকে বসবে অপূর্বর এই গানের আসর, যেখানে তিনি টানা প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে নিজের কণ্ঠে গান গেয়ে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করবেন। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এই কনসার্টের ভেন্যু ও টিকিটের মূল্য ঘোষণা করা হবে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানা গেছে।

চলতি মাসের শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে অপূর্বর এই কনসার্ট আয়োজনের খবরটি বিনোদন অঙ্গনে ভাসছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে এই কনসার্ট সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি ফটোকার্ডও ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে সে সময় কনসার্ট নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা চললেও বিষয়টি চূড়ান্ত না হওয়ায় অপূর্ব নিজে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত ছিলেন। অবশেষে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টের মাধ্যমে তিনি নিজেই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া তাঁর এই একক কনসার্টের খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন, যা প্রবাসে থাকা তাঁর ভক্তদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহের জন্ম দিয়েছে।

গত কয়েক মাস ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন ছোট পর্দার এই জনপ্রিয় অভিনেতা। মূলত ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী শাম্মা দেওয়ান তৃষাকে বিয়ে করার পর থেকেই বছরের সিংহভাগ সময় তিনি প্রবাসেই কাটান। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর স্ত্রী ও কন্যা স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন, আর পরিবারকে সময় দিতেই তাঁর এই দীর্ঘ সময় সেখানে থাকা। পারিবারিক জীবনের এই ব্যস্ততা এবং দেশের বাইরে থাকার কারণে আগের মতো নিয়মিত নাটকে বা পর্দায় অপূর্বকে এখন খুব একটা দেখা যায় না। তবে দেশে ফিরলে তিনি আবারও লাইট, ক্যামেরা ও অ্যাকশনের চেনা জগতে তুমুল ব্যস্ত হয়ে পড়েন এবং ভক্তদের নতুন কাজ উপহার দেন।

অভিনয়ে কিছুটা অনিয়মিত হলেও অপূর্বর সাম্প্রতিক কাজগুলো দর্শকমহলে দারুণভাবে প্রশংসিত হয়েছে। গত জুন মাসে সালেহ সোবহান অনীম পরিচালিত ‘হেডলাইন’ ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে দীর্ঘ দুই বছর পর ওটিটি প্ল্যাটফর্মে রাজকীয় প্রত্যাবর্তন করেছেন তিনি। এই সিরিজে সাংবাদিক জহির চরিত্রে তাঁর অনবদ্য অভিনয় দর্শকদের মন জয় করেছে। এর আগে ২০২৪ সালে তাঁকে ‘গোলাম মামুন’ ওয়েব সিরিজে দেখা গিয়েছিল। জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেই তিনি ‘গোলাম মামুন ২’ সিরিজের কাজ শুরু করবেন। এবার সিরিজটি পরিচালনা করবেন তানিম রহমান অংশু, যাঁর পরিচালিত ‘বুকের মধ্যে আগুন’ সিরিজের মাধ্যমেই অপূর্ব প্রথমবার পুলিশ কর্মকর্তা গোলাম মামুন হিসেবে পর্দায় আবির্ভূত হয়ে চমক সৃষ্টি করেছিলেন।


বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ মিস্টার বিস্ট

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

পর্দায় যার উপস্থিতি মানেই আকাশচুম্বী বাজেট, বিশাল আয়োজন আর রুদ্ধশ্বাস সব চমক, সেই বিশ্বখ্যাত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইউটিউবার জিমি ডোনাল্ডসন নিজের জীবনের সবচেয়ে বিশেষ দিনটিতে হাঁটলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে। বিশ্বজুড়ে ‘মিস্টার বিস্ট’ নামে তুমুল জনপ্রিয় ২৮ বছর বয়সী এই তারকা সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেমিকা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর থিয়া বয়সেনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে বিয়ের ছবিগুলো ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করে বিয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন তিনি। ছবির ক্যাপশনে উচ্ছ্বসিত জিমি লেখেন যে, তিনি তাঁর ‘মিসেস বিস্ট’-কে খুঁজে পেয়েছেন এবং এটি ছিল তাঁর জীবনের সেরা দিন।

ইউটিউবের পর্দায় মিলিয়ন ডলারের জমকালো প্রজেক্ট দেখিয়ে অভ্যস্ত হলেও নিজের জীবনসঙ্গীকে আপন করে নেওয়ার আয়োজনে কোনো ধরনের আড়ম্বর বা গ্ল্যামারের ঝকঝকানি রাখেননি এই তারকা। দুই পরিবারের সদস্য ও অতি ঘনিষ্ঠ কিছু প্রিয়জনের উপস্থিতিতে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও নিরিবিলি এক পরিবেশে তাদের এই পরিণয় সম্পন্ন হয়। বিয়ের সাজেও ছিল স্নিগ্ধতা ও রুচিশীলতার ছোঁয়া; থিয়া বয়সেন পরেছিলেন আইভরি ও নুড রঙের ওপর ফুল ও লেসের সূক্ষ্ম নকশা করা এক আকর্ষণীয় গাউন। অন্যদিকে মিস্টার বিস্ট সেজেছিলেন ধবধবে সাদা টুক্সিডো জ্যাকেট, সাদা শার্ট, কালো ট্রাউজার এবং কালো বো-টাইয়ের অত্যন্ত ধ্রুপদী ও আকর্ষণীয় সাজে।

এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাগদান সেরেছিলেন জিমি ও থিয়া যুগল। বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘পিপল’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জিমি জানিয়েছিলেন, তাঁর বন্ধুরা ভেবেছিলেন তিনি হয়তো সুপার বোউলের মতো বিশাল কোনো পাবলিক প্লেসে অত্যন্ত জাঁকজমকভাবে বিয়ের প্রস্তাব দেবেন। কিন্তু জিমি নিজে এর ঠিক উল্টোটা চেয়েছিলেন, কারণ জীবনের এই বিশেষ মুহূর্তটিকে তিনি একেবারে ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ হিসেবেই নিজেদের মধ্যে ধরে রাখতে চেয়েছিলেন। তাঁদের সেই একান্ত চাওয়ারই সুন্দর প্রতিফলন দেখা গেল বিয়ের এই ছিমছাম আয়োজনে।

জিমি ও থিয়ার ভালোবাসার গল্পের শুরুটা হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়, এক সাধারণ বন্ধুর মাধ্যমে। পরিচয়ের পর সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) থিয়াকে বার্তা পাঠান মিস্টার বিস্ট, যেখানে তিনি থিয়ার লেখা বই ‘দ্য মার্কড চিলড্রেন’ পড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং সেখান থেকেই তাঁদের আলাপচারিতা একসময় গভীর প্রেমে রূপ নেয়। সম্পর্কের এক বছর পূর্ণ হতেই জিমির পক্ষ থেকে বিয়ের প্রস্তাব আসলেও, থিয়া এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘হিউম্যান কগনিটিভ নিউরোসাইকোলজি’-তে তাঁর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি শেষ না করা পর্যন্ত তাঁরা বিয়ের জন্য কিছুটা সময় নেন। বিয়ের আগেই নিজেদের রসায়ন নিয়ে থিয়া জানিয়েছিলেন যে, মানসিকভাবে তাঁরা আগেই বিবাহিত ছিলেন এবং এই আনুষ্ঠানিকতা কেবল তাঁদের অটুট সম্পর্কের নতুন আরেকটি ধাপ মাত্র।


অভিনয়ে নয়, উপস্থাপক হিসেবে পর্দায় ফিরছেন তাহসান খান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

অভিনয় ও নতুন গান থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণার পর ভক্তরা যখন প্রিয় তারকা তাহসান খানকে হারানোর শঙ্কায় ছিলেন, ঠিক তখনই তাদের জন্য দারুণ এক সুখবর নিয়ে পর্দায় ফিরছেন এই জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। তবে এবার অভিনয় বা গায়কের ভূমিকায় নয়, সম্পূর্ণ নতুন এক পরিচয়ে তাকে দেখা যাবে। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সংগীত প্রতিযোগিতা ‘ইউরোভিশন সং কনটেস্ট’-এর বাংলাদেশ পর্ব ‘ভয়েজ অব বাংলাদেশ’-এর মূল সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করবেন তাহসান। তার এই প্রত্যাবর্তনের খবরে ভক্তদের মাঝে নতুন করে উচ্ছ্বাস ও উন্মাদনার সৃষ্টি হয়েছে।

দেশের সংগীতাঙ্গনের সেরা প্রতিভা খুঁজে বের করতে আয়োজিত ‘ভয়েজ অব বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় বিচারকের আসনে বসছেন দেশের পাঁচ স্বনামধন্য ও নন্দিত সংগীতশিল্পী। তারা হলেন—ফাহমিদা নবী, হামিন আহমেদ, বাপ্পা মজুমদার, শওকত আলী ইমন এবং আঁখি আলমগীর। জানা গেছে, প্রাথমিক বাছাইপর্ব শেষে বর্তমানে সেরা ১২ জন প্রতিযোগীকে নিয়ে বিশেষ গ্রুমিং পর্ব চলছে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জমকালো গ্র্যান্ড ফিনালের মাধ্যমে বাংলাদেশের চূড়ান্ত প্রতিনিধি নির্বাচন করা হবে। প্রতিযোগিতাটির বিভিন্ন পর্ব এবং গ্র্যান্ড ফিনালে জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গ এবং বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভিতে সম্প্রচারিত হবে।

১৯৫৬ সাল থেকে ইউরোপিয়ান ব্রডকাস্টিং ইউনিয়নের (ইবিইউ) উদ্যোগে আয়োজিত হয়ে আসা ‘ইউরোভিশন সং কনটেস্ট’ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও দীর্ঘতম লাইভ মিউজিক প্রতিযোগিতা হিসেবে সমাদৃত। দীর্ঘ এই ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে এবার প্রথমবারের মতো এর আঞ্চলিক সংস্করণ ‘ইউরোভিশন সং কনটেস্ট এশিয়া’-তে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক এই মেগা প্ল্যাটফর্মে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ তৈরি হওয়ায় সংগীতাঙ্গনে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আগামী ১৪ নভেম্বর থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘ইউরোভিশন সং কনটেস্ট এশিয়া ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ‘ভয়েজ অব বাংলাদেশ’-এর গ্র্যান্ড ফিনালেতে বিজয়ী শিল্পী এই মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক আসরে বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন। এশিয়া মহাদেশের এই বৃহৎ সংগীত উৎসবে বাংলাদেশ ছাড়াও অংশ নেবে দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, নেপাল, ভুটান, কম্বোডিয়া ও লাওস। বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতির মেলবন্ধনে এই আয়োজনটি এশীয় সংগীতের এক অভাবনীয় মিলনমেলায় পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


‘জন নায়াগান’-এর টিকিট বিক্রিতে বিশ্বজুড়ে সুনামি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

তামিল চলচ্চিত্রের মেগাস্টার থালাপতি বিজয়ের শেষ সিনেমা ‘জন নায়াগান’ ঘিরে বিশ্বজুড়ে সিনেমাপ্রেমী ও ভক্তদের মাঝে অভূতপূর্ব উন্মাদনার সৃষ্টি হয়েছে। রাজনীতিতে পূর্ণাঙ্গভাবে আত্মপ্রকাশ ও তামিলনাড়ুর রাজনীতির নতুন ইনিংস শুরু করার পর এটিই হতে যাচ্ছে তাঁর অভিনয় ক্যারিয়ারের সর্বশেষ চলচ্চিত্র। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাওয়া এই প্যান-ইন্ডিয়ান অ্যাকশন-ড্রামা সিনেমাটি মুক্তির আগেই বক্স অফিসে রীতিমতো সুনামি এনে দিয়েছে। বিভিন্ন জটিলতা ও অনলাইন ফাঁসের মতো ঘটনা পেছনে ফেলে বিজয়ের এই ঐতিহাসিক বিদায়ী সিনেমাটি দেখতে দর্শকমহলে অভূতপূর্ব তোলপাড় শুরু হয়েছে।

এইচ বিনোথ পরিচালিত বহুল আলোচিত এই থ্রিলার সিনেমাটি কোনো ধরনের বড় ধরনের প্রচারণা ছাড়াই কেবল অগ্রিম টিকিট বিক্রিতেই নতুন রেকর্ড গড়েছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অগ্রিম টিকিট বিক্রির মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভারতে ৬ লাখেরও বেশি টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। মঙ্গলবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কেবল অগ্রিম বুকিং থেকেই সিনেমাটি ইতোমধ্যে আয় করে নিয়েছে প্রায় ১৫ কোটি টাকা। এছাড়া প্রথম উইকেন্ডের জন্য বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির প্রি-সেল বুকিংয়ের পরিমাণ ২৭ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে, যা ভারতীয় বিনোদন দুনিয়ার জন্য একটি অবিশ্বাস্য মাইলফলক।

পুরো ভারতজুড়ে সিনেমাটির জন্য রেকর্ড পরিমাণ ৮ হাজার শো নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে অগ্রিম টিকিটের জন্য ভক্তদের তীব্র চাপে প্রেক্ষাগৃহের মালিকেরা রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন। উল্লেখ্য, তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে গত ৯ এপ্রিল সিনেমাটির একটি এইচডি (HD) প্রিন্ট অনলাইনে ফাঁস হয়ে যাওয়ায় নির্মাতারা মারাত্মক জটিলতায় পড়েছিলেন; তবে পরবর্তীতে পুলিশ এতে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সব বাধা পেরিয়ে বিজয়ের রাজনীতিতে নামার ঘোষণা এবং অভিনয় থেকে তাঁর চিরবিদায়ের বিষয়টি সিনেমাটির প্রতি দর্শকদের আগ্রহকে আকাশচুম্বী করে তুলেছে।

অনিরুদ্ধ রবিচন্দরের দুর্দান্ত সংগীতে নির্মিত ‘জন নায়াগান’ সিনেমাটিতে থালাপতি বিজয়ের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন পূজা হেগড়ে, মামিতা বাইজু, ববি দেওল ও প্রকাশ রাজের মতো জনপ্রিয় ও শক্তিশালী তারকা কাস্ট। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বিজয়ের ক্যারিয়ারের এই ঐতিহাসিক শেষ সিনেমাটি বক্স অফিসে বছরের অন্যতম সেরা এবং সর্বকালের রেকর্ড সৃষ্টকারী ওপেনিং পেতে যাচ্ছে বলেই দৃঢ়ভাবে ধারণা করছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকেরা।


চরম ক্লান্ত ক্রিস্টোফার নোলান, যাবেন তিন বছরের বিরতিতে

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

অস্কারজয়ী বিখ্যাত হলিউড পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলানের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন চলচ্চিত্র ‘দ্য ওডিসি’ বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়ে বর্তমানে বক্স অফিসে রমরমিয়ে ব্যবসা করছে। তবে গ্রিক মহাকাব্যিক এই রূপান্তর পর্দায় নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে গিয়ে নিজের শারীরিক ও মানসিক সহনশীলতার একেবারে শেষ সীমায় পৌঁছে গেছেন বলে জানিয়েছেন প্রখ্যাত এই নির্মাতা। নির্মাণকাজের এই চরম ক্লান্তির কারণে তিনি সাময়িকভাবে কাজ থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ফলে নোলানের জাদুকরী পরিচালনার নতুন কোনো সিনেমা দেখার জন্য তাঁর অগণিত ভক্তকে অন্তত আরও তিন বছর অপেক্ষা করতে হবে বলে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘টুডে’-র সঙ্গে দেওয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে নোলান সিনেমাটির নির্মাণশৈলী এবং এর পেছনের নানা কঠিন অভিজ্ঞতার কথা বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করেছেন। প্রায় দুই দশক ধরে নিজের মাথায় লালন করা এই স্বপ্নের প্রজেক্টটি বাস্তবায়নে কেন এত দীর্ঘ সময় বেছে নেওয়া হলো—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান যে, এটি এমন একটি প্রজেক্ট যা আধুনিক বড় ক্যানভাসে এর আগে কখনো তৈরি হয়নি। নোলানের মতে, এই মহাকাব্যিক গল্পটিতে প্রেম, যুদ্ধ, ঘরে ফেরা এবং পরিণত বয়সে পদার্পণের মতো নানা মাত্রার গভীর আবেগ লুকিয়ে রয়েছে, যা যেকোনো সাধারণ দর্শকের মনকে খুব সহজেই ছুঁয়ে যাবে।

গ্রিক পৌরাণিক এই জটিল গল্পকে সেলুলয়েডে জীবন্ত রূপ দেওয়াটা নির্মাতার জন্য একেবারেই সহজ কাজ ছিল না। শুটিংয়ের কঠিন অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে নোলান জানান, ছবির কেন্দ্রীয় অভিনেতা ম্যাট ড্যামনকে আগেই এই কাঠিন্য সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছিল; কিন্তু বিশাল নৌকায় শুটিং করা বা সাইক্লপসের গুহায় পৌঁছানোর দুর্গম পাহাড়ি পথ পাড়ি দেওয়ার পরই মূলত সবাই বুঝতে পারেন কাজটি কতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল। নোলান মনে করেন, এমন ছবি বানাতে গিয়ে কষ্ট না হলে বুঝতে হবে কাজে খামতি রয়ে গেছে। দর্শকদের একেবারে সাইক্লপসের গুহা কিংবা অডিসিয়াসের জাহাজের ডেকে উপস্থিত থাকার বাস্তব অনুভূতি দিতে হলিউডের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ছবি পুরোপুরি আইম্যাক্স ৭০ মিলিমিটার ফিল্মে শুট করা হয়েছে, যা নোলানের ২৫ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারেও প্রথম সম্পূর্ণ আইম্যাক্স ফিল্মের রেকর্ড।

‘ওপেনহাইমার’-এর অভূতপূর্ব সাফল্যের পর ‘দ্য ওডিসি’ নিয়ে নোলান ভক্তদের মাঝে যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে, তা বক্স অফিসেও ব্যাপক প্রভাব ফেলছে বলে নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা। ম্যাট ড্যামন, অ্যান হ্যাথাওয়ে, রবার্ট প্যাটিনসন, জেনডায়া এবং টম হল্যান্ডের মতো একঝাঁক জনপ্রিয় তারকা অভিনীত তিন ঘণ্টার এই মহাকাব্যিক থ্রিলারটি প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী কেবল উদ্বোধনী সপ্তাহান্তেই বিশ্বজুড়ে প্রায় ২০ কোটি ডলার আয় করতে পারে। সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে নতুন ইতিহাস গড়ার পথে তীব্র গতিতে ছুটে চললেও, নিজের সমস্ত মেধা ও শক্তি নিংড়ে দেওয়া নোলান যে আপাতত কিছুদিন বড় পর্দা ও লাইট-ক্যামেরার জগত থেকে দূরে থেকে বিশ্রাম নিতে যাচ্ছেন, তা তাঁর কথায় একদম স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।


শাকিবের নতুন সিনেমা ‘নিঃস্ব’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

ঢালিউডের শীর্ষ চিত্রনায়ক শাকিব খান এবং তরুণ নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয়ের জুটি আবারও বড় পর্দায় ঝড় তুলতে আসছেন। ‘বরবাদ’ সিনেমার অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক সাফল্যের পর এই সফল জুটি নতুন একটি প্রজেক্ট নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে ফেরার জোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শাকিব-হৃদয় জুটির নতুন এই আকাঙ্ক্ষিত সিনেমার নাম হতে যাচ্ছে ‘নিঃস্ব’। ইতোমধ্যে সিনেমাটিতে শাকিব খানের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত করা হলেও তাঁর বিপরীতে নায়িকা হিসেবে কে পর্দায় হাজির হবেন, তা এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। তবে সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২০২৭ সালের ঈদুল ফিতর বা রোজার ঈদে মেগাবাজেটের এই সিনেমাটি দেশব্যাপী মুক্তির পরিকল্পনা করছেন নির্মাতারা।

সম্প্রতি শাকিব খান তাঁর অফিশিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে একটি ছবি পোস্ট করে নতুন এই প্রজেক্টের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন। প্রকাশিত সেই ছবিতে মেগাস্টার শাকিব খানের সঙ্গে নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয় এবং প্রযোজক শাহরিন সুলতানা সুমিকে এক ফ্রেমে হাসিমুখে দেখা যায়। ছবিটির ক্যাপশনে শাকিব খান তাঁর ভক্তদের উদ্দেশে লেখেন, ‘বরবাদ টিম আবার ফিরছে। আবারও ইতিহাস তৈরি করা যাক।’ ঢালিউড সুপারস্টারের এমন আত্মবিশ্বাসী ঘোষণায় তাঁর অগণিত ভক্ত ও সাধারণ সিনেমাপ্রেমীদের মাঝে নতুন এই সিনেমাটি ঘিরে ইতোমধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, ব্লকবাস্টার ‘বরবাদ’-এর মতো নতুন এই ‘নিঃস্ব’ সিনেমাটিও প্রযোজনা করছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রিয়েল এনার্জি প্রোডাকশন। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার ও প্রযোজক শাহরিন সুলতানা সুমি এর আগে গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন যে, খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে ছবিটির বিস্তারিত তথ্য দর্শকদের সামনে প্রকাশ করা হবে। সেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরপরই সিনেমাটির প্রি-প্রোডাকশনের আনুষঙ্গিক কাজ শেষে পুরোদমে এর শুটিং শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যার জন্য টিম এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এর আগে গত বছরের রোজার ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া শাকিব খান ও নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয় জুটির ‘বরবাদ’ সিনেমাটি ঢালিউডে ব্যবসায়িক সাফল্যের এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছিল। সেই সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করে দর্শকমহল থেকে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ইধিকা পাল। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও নির্মাতাদের দাবি অনুযায়ী, অ্যাকশন ও রোমান্স নির্ভর সেই ছবিটি বক্স অফিসে ৭৫ কোটি টাকারও বেশি ব্যবসা করতে সক্ষম হয়েছিল। অতীতের সেই অভাবনীয় সফলতার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই এবার ‘নিঃস্ব’ সিনেমাটি দিয়ে শাকিব-হৃদয় জুটি বক্স অফিসে নতুন কোনো ইতিহাস গড়বেন বলে মনে করছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকেরা।


আসছে থিয়েট্রিক্যাল কোম্পানির প্রথম প্রযোজনা ‘মলুয়া’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

নতুন নাট্যদল ‘থিয়েট্রিক্যাল কোম্পানি’ তাদের প্রথম প্রযোজনা নিয়ে মঞ্চে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। দলটির প্রথম প্রযোজনা হিসেবে মঞ্চায়িত হতে যাচ্ছে প্রথম বাঙালি নারী কবি চন্দ্রাবতী রচিত মৈমনসিংহ গীতিকার অমর পালা ‘মলুয়া’। আগামী ২৩ ও ২৪ জুলাই সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার স্টুডিও থিয়েটার মিলনায়তনে নাটকটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে। চিরচেনা এই লোকজ আখ্যানটির ভাষ্য বয়ান ও সার্বিক নির্দেশনার দায়িত্বে রয়েছেন তরুণ নাট্যনির্দেশক সাইফুল জার্নাল।

প্রেম, আত্মমর্যাদা, সামাজিক বৈষম্য এবং নারীর অদম্য শক্তির এক কালজয়ী ও আবেগময় আখ্যান হলো ‘মলুয়া’। শতাব্দীপ্রাচীন এই লোকপালাটিকে নতুন সময়ের ভাষা, দৃশ্যরীতি ও আধুনিক নাট্য-নির্মাণের মাধ্যমে পুনরায় দর্শকদের সামনে নিয়ে এসেছে থিয়েট্রিক্যাল কোম্পানি। অতীত ও বর্তমানের মধ্যে এক সৃজনশীল সেতুবন্ধন তৈরি করে নাটকটি মূলত এই প্রশ্নটিই নতুন করে সামনে নিয়ে আসে যে, সময়ের আবর্তনে সমাজ বদলালেও নারীর প্রতি বৈষম্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিরাচরিত রূপটি কি সত্যিই কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের মুখ দেখেছে?

সম্পূর্ণ সংগীতনির্ভর এই পালা নাটকটির পারফরম্যান্স ডিজাইন করা হয়েছে মূলত একটি গানের দলকে কেন্দ্র করে, যেখানে শিল্পীরা গানের পাশাপাশি অভিনয়েও সমানভাবে অংশ নেবেন। গানের দল ‘সর্বনাম’-এর সদস্যসহ বিভিন্ন নাট্যদলের অভিনয়শিল্পী, চিত্রশিল্পী ও নাট্যপরামর্শকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে প্রযোজনাটি নির্মিত হয়েছে। নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন হাসনাত রিপন, নুসরাত ইরা, সাইদুর শাহীন, শাহরিয়ার সজীব, প্রিয়ম মজুমদার, তাহাদিল আহমেদ, হুমায়রা স্নিগ্ধা, গোপি দেবনাথ, ফরহাদ শামীম, নানজীবা শৈলী, পি টি ফজল, মারিয়া ইয়াসমিন, ধ্রুব, সানজিদা চৌধুরী অরিন এবং উম্মে প্রেমা প্রমুখ।

আধুনিক মঞ্চে লোকজ পালার এই উপস্থাপন প্রসঙ্গে নির্দেশক সাইফুল জার্নাল জানান যে, বর্তমান সময়ে বাংলার ঐতিহ্যবাহী মিউজিকের আদি ও প্রকৃত পরিবেশনার রীতি অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। পালা, পুঁথি বা গাজীর গীতের মতো যে বিষয়গুলো একসময় বাংলার প্রাত্যহিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, পরিবেশ ও পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে এখন সেগুলোর চর্চা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে; আর যেটুকু টিকে আছে, তা অনেক ক্ষেত্রেই তার মূল রূপ হারিয়েছে। তাই থিয়েট্রিক্যাল কোম্পানির পক্ষ থেকে তারা বাংলার সেই আদি লোক আঙ্গিকের মূল নির্যাসটুকু ধরে রেখে আধুনিক মঞ্চে তা নতুনভাবে উপস্থাপন করার একটি যুগোপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।


ডুমসডে’র শ্বাসরুদ্ধকর ট্রেলার প্রকাশ, মুক্তি ডিসেম্বরে

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের (এমসিইউ) ভক্তদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুক্তি পেয়েছে বছরের অন্যতম আকাঙ্ক্ষিত চলচ্চিত্র ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’র ট্রেলার। ২ মিনিট ২৫ সেকেন্ডের এই শ্বাসরুদ্ধকর ভিডিওতে ছবির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও চমকপ্রদ অংশ তুলে ধরা হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে সিনেমাপ্রেমীদের মাঝে তুমুল উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। এই মেগা প্রজেক্টের মাধ্যমে মার্ভেল দুনিয়ায় আবারও পরিচালকের আসনে ফিরেছেন সফল নির্মাতা জুটি রুশো ব্রাদার্স। ট্রেলারের সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে ভয়ংকর খলনায়ক ‘ডক্টর ডুম’ চরিত্রে হাজির হয়েছেন ভক্তদের প্রিয় রবার্ট ডাউনি জুনিয়র। মূলত এই শক্তিশালী চরিত্রটিকে থামানোর এক অলৌকিক মিশন নিয়েই নতুন এ সিনেমায় একজোট হবেন বাকি অ্যাভেঞ্জার্স ও সুপারহিরোরা।

ট্রেলারে একাধিক রহস্য ও আসন্ন বিপদের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে। একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যে প্রফেসর জেভিয়ার চরিত্রে প্যাট্রিক স্টুয়ার্টকে এক ধ্বংসযজ্ঞের সতর্কবার্তা দিয়ে বলতে শোনা যায় যে, এমন কিছু একটা আসছে যা হয়তো তারা ঠেকাতে পারবেন না এবং দিন শেষ হওয়ার আগেই তাদের কল্পনাতীত এক সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হতে হবে। অন্যদিকে, থর চরিত্রে থাকা ক্রিস হেমসওয়ার্থ হতাশার সুরে জানান, ডুমকে থামাতে তাদের একটি অলৌকিক শক্তির প্রয়োজন। আর সেই কাঙ্ক্ষিত অলৌকিক শক্তির অবিশ্বাস্য ইঙ্গিত হিসেবেই ট্রেলারে দেখা মেলে স্টিভ রজার্স চরিত্রে ক্রিস ইভান্সের। ২০১৯ সালের ব্লকবাস্টার ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’-এর পর দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে এই প্রথম তিনি তাঁর পুরোনো অবতারে পর্দায় ফিরছেন, যা ভক্তদের উন্মাদনাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

ডুমকে ঠেকানোর এই নতুন মিশনে মার্ভেল দুনিয়ার প্রায় সিংহভাগ তারকার বিশাল সমাবেশ ঘটতে যাচ্ছে। ট্রেলারের ঝলকে শাং-চি (সিমু লিউ), ইয়েলেনা বেলোভা (ফ্লোরেন্স পিউ), থান্ডারবোল্টস দল, নেমর (টেনক ওয়ের্তা), ব্ল্যাক প্যান্থারস, ফ্যান্টাস্টিক ফোর থেকে শুরু করে গ্যাম্বিট (চ্যানিং ট্যাটাম) এবং ম্যাগনেটো (ইয়ান ম্যাককেলেন)-এর মতো তুমুল জনপ্রিয় চরিত্রগুলোকে দেখা গেছে। এছাড়াও সিনেমাটিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অ্যান্থনি ম্যাকি, সেবাস্টিয়ান স্ট্যান, লেটিশিয়া রাইট, পল রাড, টম হিডলস্টন, ডেভিড হারবারসহ আরও অনেক স্বনামধন্য তারকা। এত বিশাল ও তারকা-বহুল কাস্টিং এই চলচ্চিত্রটিকে মার্ভেল ইতিহাসের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রজেক্টে পরিণত করেছে।

সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের ১৮ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে মহাকাব্যিক এই চলচ্চিত্রটি। ২০২৪ সালের কমিক-কন ইভেন্টে এই ছবিটির পাশাপাশি ‘অ্যাভেঞ্জার্স: সিক্রেট ওয়ার্স’-এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণাও দেওয়া হয়েছিল। এর আগে মুক্তিপ্রাপ্ত অ্যাভেঞ্জার্স ফ্র্যাঞ্চাইজির চারটি চলচ্চিত্র বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে ৭৭০ কোটিরও বেশি মার্কিন ডলার (৭.৭ বিলিয়ন ডলার) আয় করে এক অভাবনীয় মাইলফলক স্থাপন করেছিল। রুশো ব্রাদার্সের নির্মাণশৈলী, রবার্ট ডাউনি জুনিয়রের ডুম অবতার এবং পুরোনো হিরোদের প্রত্যাবর্তনের সমীকরণে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ বক্স অফিসে অতীতের সব সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে নতুন ইতিহাস গড়বে বলেই প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


'পেড্ডি' বিতর্ক সামলে নতুন সিনেমায় জাহ্নবী কাপুর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বলিউডের অন্যতম আলোচিত অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর সম্প্রতি তেলেগু সিনেমা ‘পেড্ডি’-তে অভিনীত ‘আচিয়াম্মা’ চরিত্রকে কেন্দ্র করে তুমুল বিতর্কের মুখে পড়েন। সিনেমাটিতে তাঁর চরিত্রটিকে যেভাবে ক্যামেরায় উপস্থাপন করা হয়েছিল—অতিরিক্ত ক্লোজআপ, নির্দিষ্ট ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল এবং কিছু রোমান্টিক দৃশ্য চরিত্রটির গভীরতার চেয়ে তাঁর শারীরিক উপস্থিতিকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছে বলে দর্শকদের একাংশ অভিযোগ তোলেন। সাধারণ দর্শকের পাশাপাশি জয়া বচ্চন, কারিনা কাপুর খান, নিত্যা মেনন, জগপতি বাবু ও ডিম্পল হায়াথির মতো তারকারাও মূলধারার সিনেমায় নারীদের আরও অর্থবহ ও শক্তিশালী চরিত্রে উপস্থাপনের জোর দাবি জানান। সামাজিক মাধ্যমে এই সমালোচনার ঝড় ওঠার মুখে ‘পেড্ডি’র পরিচালক বুচি বাবু সানা পরবর্তীতে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে বিতর্কিত দৃশ্যগুলো সিনেমা থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন।

‘পেড্ডি’ সিনেমা কেন্দ্রিক সেই বিতর্কের আবহ পুরোপুরি কাটার আগেই নতুন কাজের খবর নিয়ে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন জাহ্নবী কাপুর। ‘পাগলাইট’-খ্যাত প্রখ্যাত চিত্রপরিচালক উমেশ বিস্তের নতুন একটি চলচ্চিত্রে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। সিনেমাটির নাম এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত না হলেও, এটি যৌথভাবে প্রযোজনা করবে একতা কাপুরের ‘বালাজি মোশন পিকচার্স’ এবং অস্কারজয়ী প্রযোজক গুনীত মোঙ্গার ‘সিল্কিয়া এন্টারটেইনমেন্ট’। এই নতুন প্রজেক্টটির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো নির্মাতা উমেশ বিস্তের পরিচালনায় কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন জাহ্নবী।

চলতি বছরের অক্টোবর বা নভেম্বর মাসের মধ্যে জাহ্নবীর এই নতুন ছবিটির আনুষ্ঠানিক শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ছবিটির মূল গল্প, ঘরানা কিংবা এতে জাহ্নবীর সঙ্গে আর কোন কোন অভিনয়শিল্পী থাকছেন—সে বিষয়ে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কিংবা পরিচালকের পক্ষ থেকে এখনই বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করা হয়নি। অন্যদিকে, নির্মাতা উমেশ বিস্ত নিজেও বর্তমানে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। জাহ্নবীকে নিয়ে এই নতুন প্রজেক্টের কাজের পাশাপাশি তিনি তাঁর ২০২১ সালে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া বহুল প্রশংসিত সিনেমা ‘পাগলাইট’-এর সিক্যুয়েল ‘পাগলাইট ২’ পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যেখানে সানিয়া মালহোত্রার আবারও ফেরার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

অভিনয়, ফ্যাশন কিংবা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নিয়মিত সংবাদ শিরোনামে থাকা জাহ্নবী কাপুর বিতর্ক পেছনে ফেলে সব সময়ই কাজের দিকে মনোযোগ রাখতে পছন্দ করেন। ‘পেড্ডি’ ছবির চরিত্রায়ন সংক্রান্ত নানা আলোচনায় নিজে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও, নতুন নতুন কাজের মাধ্যমেই সমস্ত নেতিবাচকতাকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা দিচ্ছেন এই অভিনেত্রী। অভিজ্ঞ প্রযোজক ও গুণী পরিচালকের যৌথ সমন্বয়ে নির্মিত হতে যাওয়া নতুন এই সিনেমাটির মাধ্যমে জাহ্নবী নিজেকে নতুন রূপে আবিষ্কার করবেন এবং পর্দায় শক্তিশালী অভিনয়ের মাধ্যমেই দর্শকদের মন জয় করবেন বলে আশা করছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকেরা।


ওটিটি প্ল্যাটফর্মে আসছে শাকিব খানের ‘রকস্টার’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

দেশের প্রেক্ষাগৃহে তুমুল দর্শকপ্রিয়তা ও সাফল্যের পর এবার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ তারকা শাকিব খান অভিনীত আলোচিত সিনেমা ‘রকস্টার’। সিনেমা হলের গণ্ডি পেরিয়ে ঘরে বসা দর্শকদের বিনোদনের চাহিদা মেটাতে জনপ্রিয় দেশীয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে সিনেমাটির গ্র্যান্ড প্রিমিয়ার হতে যাচ্ছে। ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২২ জুলাই দিবাগত রাত ১২টা থেকে চরকি অ্যাপ এবং চরকির অফিশিয়াল ওয়েবসাইট চরকি ডট নেটে সিনেমাটি সরাসরি উপভোগ করতে পারবেন সাবস্ক্রাইবাররা। সিনেমা হলগুলোতে যারা ছবিটি দেখার সুযোগ পাননি বা পুনরায় দেখতে চান, ওটিটি রিলিজের মাধ্যমে তাদের জন্য এক দারুণ সুযোগ তৈরি হলো।

গত ঈদুল আজহার উৎসবমুখর পরিবেশে দেশের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে মুক্তি পেয়েছিল ‘রকস্টার’। উৎসবের আমেজে মুক্তিপ্রাপ্ত একাধিক সিনেমার ভিড়ে বক্স অফিস এবং দর্শকমহলে সবচেয়ে বেশি আলোচনা ও উন্মাদনার কেন্দ্রে ছিল এই সিনেমাটি। হলগুলোতে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিনেমাটি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা এটিকে ঈদের অন্যতম সফল প্রজেক্টে পরিণত করেছিল। বড় পর্দার সেই আকাশচুম্বী সাফল্যের রেশ ধরেই এবার ওটিটির বিশাল দুনিয়ায় পা রাখতে যাচ্ছে বহুল চর্চিত এই সিনেমা।

এই সিনেমার অন্যতম প্রধান আকর্ষণীয় দিক হলো শাকিব খানের সম্পূর্ণ নতুন অবতার ও ভিন্নধর্মী চরিত্রায়ন। ‘রকস্টার’ সিনেমার মাধ্যমে নিজের দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য অভিনয় ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো একজন সংগীতশিল্পীর চরিত্রে পর্দায় হাজির হয়েছেন তিনি। চিরাচরিত অ্যাকশন বা রোমান্টিক হিরোর খোলস থেকে বেরিয়ে একজন রকস্টারের জীবন, তার অন্তর্নিহিত সংগ্রাম ও সংগীতের প্রতি নিখাদ আবেগের গল্প পর্দায় অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন শাকিব খান। প্রিয় নায়কের এই ভিন্নধর্মী চরিত্র এবং রকস্টার লুক সিনেমাটি নিয়ে ভক্তদের মাঝে শুরু থেকেই এক অন্য রকম কৌতূহল ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছিল।

চরকিতে ‘রকস্টার’ মুক্তির এই ঘোষণা শাকিব ভক্ত এবং সাধারণ সিনেপ্রেমীদের জন্য এক দারুণ স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছে। ওটিটিতে মুক্তির ফলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও এখন খুব সহজেই এই বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমাটি উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। বড় পর্দায় সংগীতশিল্পী হিসেবে শাকিব খানের জাদুকরী পারফরম্যান্স ও সিনেমার গল্প ডিজিটাল স্ক্রিনেও দর্শকদের সমানভাবে মুগ্ধ করবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ২২ জুলাই মধ্যরাত থেকে চরকির পর্দায় শাকিবের এই নতুন মিউজিক্যাল জার্নির সাক্ষী হতে এখন কেবলই অপেক্ষার পালা।


আবারও মিসির আলীর চরিত্রে চঞ্চল চৌধুরী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

নব্বই দশকের প্রেক্ষাপট ও দেশীয় গল্পের নিখুঁত বয়ানে পরপর দুটি ব্লকবাস্টার সিনেমা উপহার দিয়ে দর্শকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন তরুণ ও মেধাবী নির্মাতা তানিম নূর। ২০২৫ সালের ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া ‘উৎসব’ এবং ঠিক তার পরের বছর ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়া ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ বক্স অফিসে আয়ের দিক থেকে রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি এই নির্মাতার প্রতি দর্শকদের প্রত্যাশার পারদকে আকাশচুম্বী করে তুলেছে। যখন দেশের সিনেমা পাড়ায় বিদেশি গল্পের অনুকরণে নির্মাণের প্রবণতা চরমে, ঠিক সে সময়ে মৌলিক গল্পের ওপর ভরসা রেখে তানিম নূর সাফল্যের এক নতুন আলোকবর্তিকা হয়ে উঠেছেন। এই ধারাবাহিক সফলতার পর দর্শকদের তুমুল আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল এই নির্মাতার পরবর্তী প্রজেক্ট, যা নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

গত ঈদুল ফিতরে নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ‘কিছুক্ষণ’ গল্প অবলম্বনে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নির্মাণ করে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন তানিম নূর। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, হুমায়ূন আহমেদের কালজয়ী চরিত্র ‘মিসির আলী’কে নিয়ে আগামী ঈদুল ফিতরের জন্য নতুন সিনেমা নির্মাণ করতে যাচ্ছেন তিনি। তবে এই খবরের সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে বেরিয়ে আসে এক সম্পূর্ণ নতুন তথ্য। তানিম নূর নিজেই নিশ্চিত করেছেন যে, মিসির আলীকে নিয়ে নতুন একটি সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনা চললেও তিনি এই সিনেমার পরিচালকের আসনে থাকছেন না। বরং তিনি এই প্রজেক্টের সঙ্গে একজন গুরুত্বপূর্ণ টিম মেম্বার বা নেপথ্যের কারিগর হিসেবে যুক্ত আছেন এবং সম্পূর্ণ নতুন কোনো নির্মাতা এর পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন।

সিনেমাটির সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার বিষয়ে তানিম নূর আরও জানান, হুমায়ূন আহমেদের প্রতিটি গল্প নিয়েই দারুণ সব ফিকশন ও সিনেমা নির্মাণ করা সম্ভব এবং দর্শকরাও এই গল্পগুলোর সঙ্গে দারুণভাবে সংযুক্ত বোধ করেন। তাই তাঁর এই অত্যন্ত প্রিয় উপন্যাসের কালজয়ী চরিত্রকে নিয়ে নির্মিতব্য সিনেমাটির সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে তিনি আনন্দিত। তবে যেহেতু সিনেমাটি সরাসরি হুমায়ূন আহমেদের গল্প এবং তাঁর সৃষ্ট আইকনিক চরিত্র নিয়ে নির্মিত হচ্ছে, তাই এখানে কপিরাইট বা মেধাস্বত্বের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। বর্তমানে লেখকের পরিবারের সঙ্গে কপিরাইট ইস্যু নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে এবং এই আইনি প্রক্রিয়াটি সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমে সিনেমাটির দৃশ্যধারণের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন এই নির্মাতা।

এই নতুন প্রজেক্টের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হতে যাচ্ছে এর অভিনয়শিল্পীর তালিকা। জানা গেছে, কালজয়ী ‘মিসির আলী’ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ইতোমধ্যে জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীকে প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর আগে অনম বিশ্বাস পরিচালিত ‘দেবী’ সিনেমাতেও মিসির আলীর চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করে তিনি দর্শকমহলে ব্যাপক প্রশংসা ও বাহবা কুড়িয়েছিলেন। সেই সফলতার রেশ ধরেই নতুন এই সিনেমাটিতেও চঞ্চলের ওপরই পূর্ণ ভরসা রাখছেন সংশ্লিষ্টরা। চঞ্চল চৌধুরীর পাশাপাশি এই সিনেমায় আরও একঝাঁক জনপ্রিয় ও গুণী তারকাশিল্পীর উপস্থিতি থাকবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে, যাঁদের নাম কপিরাইট ইস্যু সমাধানের পর আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ করা হবে।


কানজয়ী নির্মাতা আদনানের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা, সিয়ামের বিপরীতে খোঁজা হচ্ছে নায়িকা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বিজ্ঞাপনচিত্র, নাটক ও ওটিটি কনটেন্ট নির্মাণের পর এবার পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা নির্মাণে নামছেন পরিচিত মুখ ও জনপ্রিয় নির্মাতা আদনান আল রাজীব। তাঁর পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘আলী’ বাংলাদেশের প্রথম সিনেমা হিসেবে কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কার জিতে ইতোমধ্যে ইতিহাস গড়েছে। এবার তিনি তাঁর ভক্ত ও দর্শকদের জন্য নিয়ে আসছেন প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা, যা আগামী বছর দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিনোদন অঙ্গনে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, আদনান আল রাজীবের এই অভিষেক সিনেমার প্রধান চরিত্রে বা নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ।

সিয়ামের অভিনয়ের বিষয়টি নিয়ে জল্পনা তৈরি হলে নির্মাতা আদনান আল রাজীব নিজেই বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন। তিনি জানান যে, সিয়াম আহমেদের সঙ্গে তাঁর প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে, তবে এখনো চূড়ান্ত কোনো চুক্তি বা পাকা কথা হয়নি। নির্মাতার ভাষ্যমতে, তাঁরা বেশ কয়েকজনের সঙ্গেই আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন, যার মধ্যে সিয়ামও রয়েছেন। সবশেষ ‘জংলি’ ও ‘রাক্ষস’ সিনেমায় পুরোপুরি অ্যাকশন অবতারে হাজির হয়েছিলেন সিয়াম; তাই আদনানের এই সিনেমায় তিনি চূড়ান্ত হলে তাঁকে আবারও রোমান্টিক সিনেমার নায়ক হিসেবে পর্দায় দেখা যাবে। তবে সিনেমার নায়িকা কে হচ্ছেন, তা এখনো নির্ধারিত হয়নি এবং যোগ্য নায়িকার খোঁজ চলছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা।

আদনান আল রাজীবের প্রথম এই সিনেমাটি মূলত একটি ভিন্নধর্মী প্রেমের গল্পের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হবে। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ‘কাছে আসার গল্প’ নির্মাণের পর থেকেই এমন একটি গল্পের খোঁজ করছিলেন তিনি। গল্প তৈরির পেছনের আবেগঘন অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নির্মাতা জানান, বছরের পর বছর ধরে তিনি নিজের মতো করে একটি প্রেমের গল্প খুঁজেছেন। তাঁর মতে, গল্পগুলো অনেকটা ভালোবাসার মানুষের মতোই; কেউ হঠাৎ এসে দরজায় কড়া নাড়ে, আবার কেউ দূরে বসে থাকে। নিজের গল্পটিও তেমনই ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে লেখা, কাটাছেঁড়া ও পুনরায় লেখার পর অবশেষে গল্পটি তাঁর মনের মতো একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পেয়েছে।

বর্তমানে সিনেমার প্রি-প্রোডাকশন বা প্রাক-প্রস্তুতির কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। আদনান জানিয়েছেন, তিনি এখন সিনেমার চিত্রনাট্য নিয়ে অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন; একাধিক ড্রাফট তৈরি হচ্ছে এবং বিভিন্ন জায়গায় প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিল্পী বাছাইয়ের কাজও চলমান রয়েছে। সব চূড়ান্ত হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে শিল্পীদের নাম ঘোষণা করা হবে এবং এ বছরের শেষ দিকেই সিনেমার শুটিং শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে টিমের। কান উৎসবসহ বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তাঁর স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমাটি প্রশংসিত হলেও, নাম চূড়ান্ত না হওয়া এই প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমাটি তিনি সরাসরি দেশের দর্শকদের জন্যই আগামী বছর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দিতে চান।


banner close