শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২০ ভাদ্র ১৪৩৩

চার বছর পর আবার ‘মামুনুর রশীদ জন্মোৎসব’

বিনোদন প্রতিবেদক   
প্রকাশিত
বিনোদন প্রতিবেদক   
প্রকাশিত : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৭:০০

দেশের প্রথিতযশা নাট্যজন মামুনুর রশীদ। একাধারে তিনি অভিনেতা, নাট্যকার ও নির্দেশক। বাংলাদেশের মঞ্চ, টিভি ও চলচ্চিত্র জগতের গুণী এই নাট্যব্যক্তিত্বর জন্মদিন ২৯ ফেব্রুয়ারি। এ কারণে তার জন্মদিন পালন করা হয় চার বছর পর পর। ১৯৪৮ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি জন্ম নেওয়া মামনূর রশীদের এবার ১৯তম জন্মদিন। এর আগে ২০২০ সালে যখন তার বয়স ৭২ বছর ছিল, তখন জমকালো আয়োজনে ১৮তম জন্মদিন পালিত হয় তার। ভক্ত ও সহকর্মীরাও চার বছর অপেক্ষায় থাকেন ২৯ ফেব্রুয়ারির জন্য।

এবারও ব্যতিক্রম হচ্ছে না। মামুনুর রশীদের জন্মদিন উপলক্ষে তিন দিনের বিশেষ উৎসবের আয়োজন করেছে তার হাতে গড়া নাট্যদল ‘আরণ্যক’। উৎসবে থাকবে মামুনুর রশীদ রচিত ও নির্দেশিত নাটকের মঞ্চায়ন, সংগীত, নৃত্য, সেমিনার, প্রদর্শনী, গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন, সংবর্ধনা ও থিয়েটার আড্ডা। ২৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ আয়োজনটি হবে শিল্পকলা একাডেমি, চ্যানেল আই প্রাঙ্গণ ও মহিলা সমিতিতে।

জানা গেছে, ২৯ ফেব্রুয়ারি সকালে চ্যানেল আইয়ে শুরু হবে জন্মোৎসব। ওই দিন মামুনুর রশীদকে নিয়ে লেখা একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হবে। এ বইয়ে তাকে নিয়ে লিখেছেন মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি। বিকেলে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় বিভিন্ন পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হবে প্রথম দিনের আয়োজন।

দ্বিতীয় দিন সকাল ১০টায় শিল্পকলা একাডেমির সেমিনার কক্ষে মামুনুর রশীদকে নিয়ে থাকছে বিশেষ সেমিনার। এতে প্রদর্শিত হবে তাকে নিয়ে শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র। বিকেলে মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে দেখা যাবে মামুনুর রশীদ রচিত ও নির্দেশিত ‘রাঢ়াং’ নাটকের দুটি মঞ্চায়ন। অভিনয় করবেন চঞ্চল চৌধুরী, আ খ ম হাসানসহ আরণ্যক নাট্যদলের জ্যেষ্ঠ অভিনয়শিল্পীরা।

তৃতীয় দিন ২ মার্চ সকাল ১০টায় অ্যাকটরস ইক্যুইটির উদ্যোগে হবে আরেকটি সেমিনার। এতে প্রবন্ধ পাঠের পাশাপাশি তাকে নিয়ে একটি তথ্যচিত্র দেখানো হবে, যেটি নির্মাণ করেছেন সুজাত শিমুল। এদিন বিকেলে মহিলা সমিতিতে মামুনুর রশীদ রচিত ও নির্দেশিত ‘কহে ফেসবুক’ নাটকের মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে শেষ হবে তিন দিনের আয়োজন।

মামুনুর রশীদের জন্ম ১৯৪৮ সালে টাঙ্গাইলের কালীহাতিতে মাতুলালয়ে। ছাত্রজীবন থেকেই মঞ্চনাটকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তিনি। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যোগ দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে। দেশ স্বাধীনের পরপরই দেশে ফিরে গড়ে তোলেন ‘আরণ্যক’ নাট্যদল।


নির্বাচিত

১৫ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে আসছে রজনীকান্তের ‘জেলার টু’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪৮
বিনোদন ডেস্ক

দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার সুপারস্টার রজনীকান্তের বিশ্বখ্যাত সিনেমা ‘জেলার’-এর সিক্যুয়েল ‘জেলার টু’ মুক্তির চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রথম কিস্তিটি বক্স অফিসে অভাবনীয় সাফল্যের পর থেকেই সিনেমাপ্রেমীদের মাঝে দ্বিতীয় কিস্তি নিয়ে তীব্র আগ্রহ ছিল। সম্প্রতি সিনেমাটির শুটিং শেষ হওয়ার খবরের পর থেকেই ভক্তরা অধীর আগ্রহে দিন গুনছিলেন। অবশেষে জানা গেল, আগামী ১৫ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে রজনীকান্ত অভিনীত এই হাই-ভোল্টেজ অ্যাকশন মুভিটি।

মাঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন উঠেছিল যে, কিছু দৃশ্যের পুনরায় শুটিংয়ের প্রয়োজনে সিনেমাটির মুক্তি পিছিয়ে যেতে পারে। তবে সেই জল্পনা-কল্পনা নাকচ করে দিয়ে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সান পিকচার্স বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিশ্চিত করেছে যে, পূর্বনির্ধারিত ১৫ অক্টোবর তারিখেই সিনেমাটি মুক্তি পাবে। হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জেলার’ সিনেমায় টাইগার মুথুভেল পান্ডিয়ান চরিত্রে রজনীকান্তের অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিল। নতুন কিস্তিতেও তিনি একই দাপুটে চরিত্রে ফিরছেন, যেখানে তাঁর বিপরীতে বিজয়া পান্ডিয়ান চরিত্রে থাকছেন রম্যা কৃষ্ণন। শোনা যাচ্ছে, প্রথম কিস্তির কাহিনি যেখানে শেষ হয়েছিল, দ্বিতীয় কিস্তির যাত্রা সেখান থেকেই শুরু হবে। জেলার ও তাঁর ছেলের ভাগ্য নিয়ে গল্পে কী ধরনের চমক বা টুইস্ট থাকছে, তা দেখার জন্যই এখন উদগ্রীব হয়ে আছেন দর্শকরা।


নির্বাচিত

কণ্ঠের জাদুতে কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের পাঁচ দশক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে যার কণ্ঠের জাদুতে মুগ্ধ কয়েক প্রজন্ম, সেই প্রবাদপ্রতিম সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন ৭২ বছর পূর্ণ করে ৭৩ বছরে পা দিয়েছেন। আজ ৪ সেপ্টেম্বর তাঁর জন্মদিন। দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসংখ্য কালজয়ী গান উপহার দিয়ে বাংলা গানের ভুবনে তিনি নিজের জন্য তৈরি করেছেন অনন্য এক অবস্থান।

১৯৫৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া সাবিনা ইয়াসমিন ছোটবেলা থেকেই গানের আবহে বেড়ে ওঠেন। পারিবারিকভাবেই সংগীতের সঙ্গে তাঁর পরিচয়। পরবর্তী সময়ে প্রথাগত তালিম ও দীর্ঘ সাধনার মধ্য দিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী কণ্ঠশিল্পী হিসেবে।

প্রেম, বিরহ, আনন্দ, বেদনা কিংবা দেশপ্রেম, নানা অনুভূতির গানেই সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠ পেয়েছে আলাদা মাত্রা। ১৯৬৭ সালে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ চলচ্চিত্রের ‘মধুর জোছনা দীপালি’ গানটির মাধ্যমে চলচ্চিত্রের গানে তাঁর যাত্রা শুরু হয়। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। একের পর এক জনপ্রিয় ও কালজয়ী গান দিয়ে শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নেন তিনি।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে সাবিনা ইয়াসমিন ১০ হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন। এর মধ্যে চলচ্চিত্রের গানই রয়েছে প্রায় দেড় হাজার। বাংলা চলচ্চিত্রের গানে তাঁর অবদান তাঁকে দেশের সংগীতাঙ্গনের অন্যতম প্রধান শিল্পীতে পরিণত করেছে।

শুধু চলচ্চিত্রের গান নয়, দেশাত্মবোধক গানেও সাবিনা ইয়াসমিনের অবদান অনস্বীকার্য। মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার অনুভূতি তাঁর কণ্ঠে পেয়েছে ভিন্ন এক আবেগ। তাঁর গাওয়া অসংখ্য দেশাত্মবোধক গান আজও মানুষের মনে গভীরভাবে গেঁথে আছে।

রেডিও-টেলিভিশনের স্বর্ণযুগ থেকে শুরু করে বর্তমান ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের যুগ পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে সমান জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছেন এই শিল্পী। সময় বদলেছে, গানের মাধ্যম বদলেছে, কিন্তু তাঁর কণ্ঠের আবেদন কমেনি এতটুকুও।

সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সাবিনা ইয়াসমিন ১৯৮৪ সালে একুশে পদক এবং ১৯৯৬ সালে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পদক লাভ করেন। এছাড়া জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারেও রয়েছে তাঁর অসামান্য সাফল্য।

দীর্ঘ সংগীতজীবনে অর্জন, জনপ্রিয়তা ও শ্রোতাদের ভালোবাসায় সাবিনা ইয়াসমিন আজ বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের এক উজ্জ্বল অধ্যায়। ৭৩ বছরে পা দিয়েও তাঁর কণ্ঠের আবেদন যে ফুরিয়ে যায়নি, তা প্রমাণ করে নতুন-পুরোনো প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছে তাঁর গানের অব্যাহত জনপ্রিয়তা।


নির্বাচিত

ম্যাথিউ পেরিকে নিয়ে নেটফ্লিক্সের ডকু সিরিজ ‘দ্য ওয়ান অ্যাবাউট ম্যাথিউ পেরি’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

জনপ্রিয় মার্কিন সিটকম ‘ফ্রেন্ডস’-খ্যাত প্রয়াত অভিনেতা ম্যাথু পেরির জীবন ও ক্যারিয়ার নিয়ে একটি নতুন তথ্যচিত্র সিরিজ (ডকু সিরিজ) আনছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স। ‘দ্য ওয়ান অ্যাবাউট ম্যাথিউ পেরি’ শিরোনামের তিন পর্বের এই ডকু সিরিজটি আগামী ২৭ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাবে। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করা এই অভিনেতার প্রয়াণের তিন বছর পূর্তিকে সামনে রেখে সিরিজটি প্রচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নেটফ্লিক্সের আনুষ্ঠানিক বিবরণ অনুযায়ী, একজন উদীয়মান কমেডি শিল্পী থেকে আন্তর্জাতিক তারকায় পরিণত হওয়া এবং বিশ্বজুড়ে দর্শকের প্রিয় ‘ফ্রেন্ড’ হয়ে ওঠার দীর্ঘ যাত্রা তুলে ধরা হবে এই সিরিজে। এতে পেরির সাফল্যের পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের নানা সংগ্রাম ও সংকট এবং সচেতনতা সৃষ্টিতে তাঁর সততা ও অবদানের দিকগুলো স্পষ্টভাবে অনুসন্ধান করা হবে। বিশেষ সংযোজন হিসেবে পেরি পরিবারের সংগ্রহে থাকা অপ্রকাশিত দুর্লভ ছবি ও ভিডিওচিত্র এই সিরিজে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ডকু সিরিজে পেরির স্মৃতিচারণ করতে হাজির হয়েছেন তাঁর নিকটজন, ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সৃজনশীল সহকর্মীরা; যার মধ্যে রয়েছেন অভিনেতার বোন মিয়া পেরি বোনউইক। তবে ‘ফ্রেন্ডস’ ধারাবাহিকের মূল অভিনয়শিল্পীদের কেউ এই সিরিজে সরাসরি অংশ নিয়েছেন কি না, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি প্ল্যাটফর্মটি।

আলোচিত তথ্যচিত্র ‘কোয়ায়েট অন সেট: দ্য ডার্ক সাইড অব কিডস টিভি’ ও ‘ফ্রেমিং ব্রিটনি স্পিয়ার্স’-এর সঙ্গে যুক্ত থাকা নির্মাতা মেরি রবার্টসন এটি পরিচালনা করেছেন। সনি পিকচার্স টেলিভিশনের আওতাধীন ম্যাক্সিন প্রডাকশনসের ব্যানারে তিনি সিরিজটির অন্যতম নির্বাহী প্রযোজক হিসেবেও কাজ করেছেন। এছাড়া নির্বাহী প্রযোজকদের তালিকায় রয়েছেন লিসা কালিকো, এলি হোলজম্যান ও অ্যারন সাইডম্যান। তথ্যচিত্রটির সহ-নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে লোরা মোফতাহ এবং প্রযোজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন জেসিকা কল।


নির্বাচিত

দীর্ঘ ১১ বছর পর রাজ চক্রবর্তীর প্রযোজনায় ফিরছেন মিমি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

টলিউডের অন্যতম আলোচিত জুটি নির্মাতা-প্রযোজক রাজ চক্রবর্তী ও অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী দীর্ঘ ১১ বছরের ব্যবধান পেরিয়ে আবারও পেশাদার অঙ্গনে একসঙ্গে যুক্ত হতে যাচ্ছেন। অতীতের মান-অভিমান ও কাজের দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে রাজ চক্রবর্তীর প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে নির্মিত হতে যাওয়া নতুন একটি চলচ্চিত্রে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এই অভিনেত্রী।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজ চক্রবর্তীর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘রাজ এন্টারটেইনমেন্ট ভেঞ্চার্স’-এর পক্ষ থেকে সম্প্রতি একটি নতুন কাজের প্রস্তাব দেওয়া হয় মিমিকে। একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য নির্মিতব্য এই সিনেমাটি পরিচালনা করছেন পরিচালক অয়ন চক্রবর্তী। চিত্রনাট্য ও নিজের চরিত্রটি পছন্দ হওয়ায় কাজটি করতে ইতিবাচক সম্মতি জানিয়েছেন মিমি চক্রবর্তী।

অতীতে পরিচালক রাজ এবং অভিনেত্রী মিমির যৌথ কাজ দর্শকদের একাধিক ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছে। তাঁদের জুটির ‘বোঝে না সে বোঝে না’, ‘প্রলয়’ এবং ‘যোদ্ধা’ সিনেমাগুলো দুই বাংলার দর্শকদের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘কাটমুণ্ডু’ সিনেমায় শেষবারের মতো তাঁদের একসঙ্গে কাজ করতে দেখা যায়, যার পর দীর্ঘ এক দশক তাঁরা আর কোনো প্রজেক্টে যুক্ত হননি।

পরিকল্পনা অনুযায়ী সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকেই সিনেমাটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। দীর্ঘ সময় পর রাজ ও মিমির এই পেশাদার পুনর্মিলন টলিউডের পাশাপাশি দুই বাংলার সিনেপ্রেমীদের মাঝে নতুন করে কৌতূহল ও উদ্দীপনা তৈরি করেছে।


নির্বাচিত

নতুন ধারাবাহিকে জুটি বাঁধলেন মাহিরা খান ও ওয়াহাজ আলী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

শ্রেণিবৈষম্য, সামাজিক দূরত্ব ও তীব্র প্রতিশোধের গল্প নিয়ে নির্মিত নতুন ধারাবাহিক নাটকে একসঙ্গে পর্দায় হাজির হতে যাচ্ছেন পাকিস্তানের দুই জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী মাহিরা খান ও ওয়াহাজ আলী। ‘মিট্টি দে বাওয়ে’ শিরোনামের এই নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাঁরা। সম্প্রতি নাটকটির প্রচার ঝলক বা টিজার প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাটকপ্রেমীদের মাঝে দারুণ সাড়া পড়েছে।

নাটকটির গল্পে মাহিরা খানকে দেখা যাবে প্রভাবশালী ও বিত্তশালী পরিবারের মেয়ে ‘বিলকিস’ ওরফে ‘বিল্লা’ চরিত্রে। অন্যদিকে ওয়াহাজ আলী অভিনয় করেছেন ‘বালা’ নামের এক দরিদ্র যুবকের চরিত্রে, যে মায়ের সঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে ঢোলক বাজিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। দুই ভিন্ন সামাজিক অবস্থানের কারণে তাঁদের পরিচয়ের শুরুতেই তৈরি হয় তীব্র দূরত্ব, অহংকার ও তিক্ততা।

টিজারে গল্পের একাধিক নাটকীয় মোড়ের আভাস তুলে ধরা হয়েছে। পারিবারিক ও সামাজিক টানাপোড়েনের একপর্যায়ে বালাকে কারাবরণ করতে হয়। অন্যদিকে সময়ের আবর্তে বিল্লার জীবন সম্পূর্ণ বদলে যায় এবং সে এক আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব বা পীর হিসেবে আবির্ভূত হয়। ভাগ্যক্রমে দীর্ঘদিন পর দুজনের পুনরায় দেখা হলে তাদের পুরোনো ক্ষোভ ও জিঘাংসা নতুন করে প্রকাশ্যে আসে।

টিজারের শেষাংশে নাটকের উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়, যেখানে নিজের জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বালাকে শান্তিতে বাঁচতে না দেওয়ার সংকল্প প্রকাশ করে বিল্লা। প্রেম, ক্ষমতার লড়াই ও প্রতিশোধের এই মেলবন্ধন দর্শকদের মাঝে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে। তবে অন্তর্জালে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিলেও নাটকটি কবে থেকে সম্প্রচারিত হবে, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনো তারিখ ঘোষণা করেনি প্রযোজনা সংস্থা।


নির্বাচিত

বিটিভিতে ‘ইত্যাদি’র বিশেষ সংকলিত পর্ব

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র একটি বিশেষ সংকলিত পর্ব প্রচারিত হতে যাচ্ছে। শুক্রবার রাত আটটার বাংলা সংবাদের পর বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) পর্বটি দেখতে পাবেন দর্শকরা। ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে বান্দরবানের প্রাকৃতিক পর্যটনকেন্দ্র নীলাচলের টাইগার পাহাড়ের চূড়ায় ধারণকৃত পর্বের উল্লেখযোগ্য অংশের পাশাপাশি আগের বেশ কিছু পর্বের আকর্ষণীয় দৃশ্য নিয়ে এবারের আয়োজনটি সাজানো হয়েছে।

এবারের পর্বের অন্যতম বিশেষ দিক হলো দেশের দুই প্রয়াত বরেণ্য অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান ও মাসুদ আলী খানের জীবনের শেষ যৌথ অভিনয়। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর এ টি এম শামসুজ্জামান বান্দরবানের সেই পর্বের একটি নাট্যাংশের মাধ্যমেই ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন, যেখানে তাঁর সহশিল্পী ছিলেন মাসুদ আলী খান। পরবর্তীতে প্রয়াত হওয়া এই দুই গুণী অভিনেতার জীবনের শেষ অভিনয়ের দৃশ্যটি এবারের সংকলিত পর্বে পুনরায় সম্প্রচার করা হবে।

অনুষ্ঠানে বান্দরবানের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক পর্যটনকেন্দ্রগুলোর ওপর তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদনের পাশাপাশি তুলে ধরা হয়েছে একাধিক মানবিক ও শিক্ষণীয় উদ্যোগ। এর মধ্যে রয়েছে পার্বত্য এলাকায় চঞ্চল কান্তি চাকমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রবীণদের বয়স্ক ভাতা প্রদান, গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার একটি শিক্ষক পরিবারের শিক্ষার আলো ছড়ানোর গল্প এবং বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রসৈকতগুলোর পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর একটি বিশেষ সচেতনতামূলক প্রতিবেদন।

সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানের কথায়, হানিফ সংকেতের সুর ও মেহেদীর সংগীতায়োজনে থাকছে কণ্ঠশিল্পী আঁখি আলমগীর ও মারমা শিল্পী মান মান সিং-এর দ্বৈত গান। এছাড়া বান্দরবানের রূপবৈচিত্র্য নিয়ে অপর একটি গানের সঙ্গে স্থানীয় ১১টি নৃগোষ্ঠী ও বাঙালি শিল্পীদের সমন্বয়ে শতাধিক নৃত্যশিল্পীর সম্মিলিত পরিবেশনা থাকছে। বরাবরের মতো সমসাময়িক সামাজিক অসঙ্গতি নিয়ে বিদ্রূপাত্মক নাট্যাংশ, নানি-নাতি, মামা-ভাগ্নে, দর্শকপর্ব ও চিঠিপত্র বিভাগের সমন্বয়ে পর্বটি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত।


নির্বাচিত

জন্মশতবর্ষে মহানায়ক উত্তমকুমার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বাংলা চলচ্চিত্রের অবিসংবাদিত মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ ৩ সেপ্টেম্বর। ১৯২৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর কলকাতার আহেরীটোলা স্ট্রিটে জন্ম নেওয়া এই কালজয়ী অভিনেতার বেড়ে ওঠা ভবানীপুরের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে। মাত্র ১০ বছর বয়সে চক্রবর্তী স্কুলে পড়ার সময় ‘গয়সূর’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে মঞ্চে পা রাখা উত্তমকুমার ম্যাট্রিক পাসের পর পণ্ডিত নিদানবন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে শাস্ত্রীয় সংগীতের তালিম নেন এবং ১৯৪৪ সালে কলকাতা পোর্টে ক্যাশিয়ার হিসেবে চাকরিজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৪৮ সালে গৌরীরানী গাঙ্গুলীকে বিয়ের পর একই বছর ‘দৃষ্টিদান’ চলচ্চিত্রে পার্শ্বচরিত্রের মাধ্যমে রূপালি পর্দায় তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে। তবে নায়ক হিসেবে ১৯৪৯ সালে ‘কামনা’ এবং পরবর্তীতে নাম পরিবর্তন করে ‘অরূপ কুমার’ পরিচয়ে অভিনয় করেও টানা ব্যর্থতার মুখে পড়েন তিনি। একপর্যায়ে ‘ফ্লপ মাস্টার জেনারেল’ তকমা পাওয়া সত্ত্বেও ধৈর্য ও বিনয়কে সঙ্গী করে নিজেকে নিষ্ঠার সঙ্গে তৈরি করতে থাকেন এই অভিনেতা।

১৯৫২ সালে ‘বসু পরিবার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি প্রথম বাণিজ্যিক সাফল্যের দেখা পান এবং একই বছর চাকরি ছেড়ে পুরোপুরি অভিনয়ে আত্মনিয়োগ করেন। এরপর ১৯৫৩ সালে ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে সুচিত্রা সেনের সঙ্গে তাঁর ঐতিহাসিক জুটির সূচনা ঘটে এবং একই বছর স্টার থিয়েটারে ‘শ্যামলী’ নাটকের মাধ্যমে শুরু হয় পেশাদার মঞ্চাভিনয়। ১৯৫৪ সালে ‘অগ্নিপরীক্ষা’, ‘চাঁপাডাঙ্গার বউ’, ‘সদানন্দের মেলা’ ও ‘ওরা থাকে ওধারে’ সিনেমাগুলো মুক্তির পর খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছান তিনি। পঞ্চাশের দশকে ‘সবার উপরে’, ‘সাগরিকা’, ‘শাপমোচন’, ‘হারানো সুর’ ও ‘পথে হলো দেরী’র মতো কালজয়ী সিনেমা উপহার দিয়ে বক্স অফিসের নিশ্চিত নির্ভরতায় পরিণত হন উত্তমকুমার। ক্যারিয়ারে তিনি সুচিত্রা সেন ও সুপ্রিয়া চৌধুরীর সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩০টি করে এবং সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ২৬টি সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন।

শুধু রোমান্টিক নায়কের চরিত্রেই নয়; বৈচিত্র্যময় অভিনেতা হিসেবে তিনি উকিল, সাংবাদিক, গায়ক, খলচরিত্র কিংবা দ্বৈত ভূমিকায় সমান দক্ষতার ছাপ রেখেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি ১৯৫৬ সালে ‘নবজন্ম’ ছবিতে প্লেব্যাক, ১৯৫৭ সালে ‘হারানো সুর’ দিয়ে প্রযোজনা, ১৯৬৬ সালে ‘শুধু একটি বছর’ ছবি দিয়ে পরিচালনা এবং ‘কাল তুমি আলেয়া’ দিয়ে সংগীত পরিচালনার কাজ করেন। সত্যজিৎ রায়ের ‘নায়ক’ ও ‘চিড়িয়াখানা’ তাঁর অভিনয় জীবনের অন্যতম বড় মাইলফলক, যার মধ্যে ‘নায়ক’ সিনেমা নিয়ে ১৯৬৬ সালে তিনি বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নেন। ১৯৬৭ সালে ‘চিড়িয়াখানা’ ও ‘এন্টনী ফিরিঙ্গী’ চলচ্চিত্রের জন্য ভারতের প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা হিসেবে ইতিহাস গড়েন উত্তমকুমার; অভিনেতা ও প্রযোজক হিসেবে তিনি মোট পাঁচবার জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৬৭ সালে ‘ছোটাসি মুলাকাত’ দিয়ে হিন্দি চলচ্চিত্রে পদার্পণ করা এই শিল্পীকে ১৯৬৯ সালে কলকাতায় নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

সত্তরের দশকেও সাফল্যের ধারা বজায় রাখা এই মহাতারকা ১৯৭৩ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের কন্যা অপর্ণা রায়ের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্রে ধারাভাষ্য দেন। ১৯৮০ সালের ২৪ জুলাই কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে মাত্র ৫৩ বছর বয়সে চিরবিদায় নেন মহানায়ক। শারীরিক প্রয়াণের দীর্ঘ সময় পেরিয়ে জন্মশতবর্ষে দাঁড়িয়েও তাঁর জাদুকরি হাসি, নিখুঁত বাচনভঙ্গি ও কালজয়ী অভিনয়প্রতিভা বাঙালি সংস্কৃতির ইতিহাসে অম্লান ও চিরভাস্বর হয়ে রয়েছে।


নির্বাচিত

‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ নিয়ে ভেনিস উৎসবে সুনেরাহ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ও প্রাচীন ‘ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এর মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে অফিশিয়াল সিলেকশন পেয়েছে তার অভিনীত নতুন চলচ্চিত্র ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’। এই আন্তর্জাতিক অর্জনের অংশ হিসেবে উৎসবে যোগ দিতে যাচ্ছেন তিনি।

চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন খ্যাতিমান নির্মাতা রুবাইয়াত হোসেন। এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমেই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের কোনো সিনেমা ভেনিস উৎসবের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার ঐতিহাসিক গৌরব অর্জন করল। উৎসবের মূল আয়োজনে অংশ নিতে সিনেমার পরিচালক ও অন্যান্য কলাকুশলীদের সঙ্গে খুব শিগগিরই ইতালির ভেনিস শহরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন সুনেরাহ।

নিজের প্রথম সিনেমাতেই শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ অর্জন করে চলচ্চিত্রাঙ্গনে নজর কেড়েছিলেন সুনেরাহ বিনতে কামাল। পরবর্তীতে অভিনয়দক্ষতা দিয়ে দেশীয় চলচ্চিত্রে নিজের একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন। দেশের সীমানা পেরিয়ে এবার বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের অভিনীত সিনেমা প্রদর্শন তার ক্যারিয়ারে এক নতুন মাত্রা যোগ করল।

ভেনিসের মতো বিশ্বমানের আসরে অংশগ্রহণকে কেবল ব্যক্তিগত প্রাপ্তি হিসেবে দেখছেন না এই অভিনেত্রী। তার মতে, বৈশ্বিক চলচ্চিত্রের শীর্ষস্থানীয় নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী ও চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে একই প্ল্যাটফর্মে উপস্থিত থাকার সুযোগ তার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার ও অভিনয়যাত্রায় নতুন অভিজ্ঞতা এবং সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।


নির্বাচিত

আতিফ আসলামের নতুন গানে ইয়ুমনা জায়েদি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

দক্ষিণ এশিয়ার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আতিফ আসলামের নতুন মিউজিক ভিডিওতে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে পর্দায় হাজির হয়েছেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ইয়ুমনা জায়েদি। আতিফের বহু প্রতীক্ষিত একক অ্যালবাম ‘সুবাহ আয়ে না’-এর অন্তর্গত গান ‘হুন ইশক মে’-এর দৃশ্যধারণের নতুন ঝলক ও পোস্টার প্রকাশের মধ্য দিয়ে এই তারকা জুটির কাজের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গানটির অফিশিয়াল পোস্টার প্রকাশ করেন আতিফ আসলাম। সেখানে একটি স্পোর্টস কারের পাশে আকর্ষণীয় রূপে ফ্রেমবন্দি হয়েছেন আতিফ ও ইয়ুমনা। রোমান্টিক ও মেলোডিয়াস ধারার এই গানের দৃশ্যচিত্রে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ইয়ুমনার অনস্ক্রিন উপস্থিতি ও দুজনের পারস্পরিক রসায়ন ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে বাড়তি আগ্রহের সৃষ্টি করেছে।

‘হুন ইশক মে’ শিরোনামের এই গানটির কথা ও সুর রচনা করেছেন রাজ রঞ্জোধ এবং সংগীতায়োজন করেছেন সুরকার শিরাজ উপ্পল। তারকাখচিত এই মিউজিক ভিডিওটির পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন নির্মাতা সাইফ হাসান। এতে আতিফ ও ইয়ুমনার পাশাপাশি আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন মুস্তফা আফ্রিদি।

এই প্রজেক্টের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১৮ বছরের বিরতি ভেঙে কোনো পূর্ণাঙ্গ স্টুডিও অ্যালবামে ফিরলেন আতিফ আসলাম। এর আগে ২০০৮ সালে তার সর্বশেষ একক অ্যালবাম ‘মেরি কাহানি’ প্রকাশিত হয়েছিল। দীর্ঘ এই সময়ে বিভিন্ন একক গান এবং চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকের মাধ্যমে নিয়মিত সক্রিয় থাকলেও পূর্ণাঙ্গ অ্যালবামের জন্য ভক্তদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটল নতুন এই কাজের মাধ্যমে।


নির্বাচিত

সাত বছর পর বড় পর্দায় ফিরছে ‘পোকেমন’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

অ্যানিমে ও গেমপ্রেমীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সাত বছর পর আবারও বড় পর্দায় ফিরছে জনপ্রিয় জাপানি ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘পোকেমন’। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে আয়োজিত পোকেমন ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপের সমাপনী অনুষ্ঠানে নতুন এই চলচ্চিত্রের ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি একটি সংক্ষিপ্ত টিজারও প্রকাশ করা হয়েছে। ‘পোকেমন: ওয়াইল্ড কার্ড’ শিরোনামের নতুন এই অ্যানিমেটেড সিনেমাটি ২০২৭ সালে বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

২০২০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পোকেমন দ্য মুভি: সিক্রেটস অব দ্য জঙ্গল’-এর পর এটিই হতে যাচ্ছে পোকেমনের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা। দ্য পোকেমন কোম্পানির প্রেসিডেন্ট ও সিইও সুনেকাজু ইশিহারা জানান, সাধারণত পোকেমন চলচ্চিত্রে মূল গেম বা ট্রেনারদের অভিযান কেন্দ্র করে কাহিনি তৈরি হলেও এবার নজর দেওয়া হয়েছে ‘পোকেমন ট্রেডিং কার্ড গেম’-এর ওপর। সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে একজন কার্ড খেলোয়াড়কে ঘিরে, যে কার্ড ব্যাটেলে লড়াই করে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখে। প্রকাশিত টিজারে কেন্দ্রীয় চরিত্রটিকে পিকাচুর আদলে রূপ নেওয়া সপ্তম প্রজন্মের পোকেমন ‘মিমিকিউ’-এর মতো একটি হলুদ হুডি পরিহিত অবস্থায় দেখা গেছে।

চলচ্চিত্রটির নির্মাণে যুক্ত হয়েছেন অ্যানিমে ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষস্থানীয় কলাকুশলীরা। ‘দ্য ফার্স্ট স্ল্যাম ডাঙ্ক’, ‘অ্যাটাক অন টাইটান’ ও ‘নারুটো: শিপুদেন’খ্যাত নির্মাতা কাৎসুহিকো কিতাদা এই সিনেমাটি পরিচালনা করছেন। ‘বানানা ফিশ’ ও ‘লাজারাস’-এর ডিজাইনার আকেমি হায়াশি চরিত্রগুলোর নকশার দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া ‘স্পাই এক্স ফ্যামিলি’ ও ‘বোচি দ্য রক’-খ্যাত স্বনামধন্য জাপানি অ্যানিমেশন স্টুডিও ‘ক্লোভারওয়ার্কস’ চলচ্চিত্রটি প্রযোজনার কাজ করছে।

১৯৯৬ সালে ‘পোকেমন রেড’ ও ‘পোকেমন গ্রিন’ গেমের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করা এই জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি এ বছর ৩০ বছর পূর্ণ করল। এই উপলক্ষ উদযাপন করতে ২০২৭ সালে ভক্তদের জন্য আরও কিছু নতুন প্রজেক্টের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে নতুন চলচ্চিত্রের পাশাপাশি বাজারে আসবে পোকেমনের দশম প্রজন্মের জোড়া গেম ‘পোকেমন উইন্ডস’ ও ‘পোকেমন ওয়েভস’। একই সঙ্গে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ডিজনি প্লাসে মুক্তি পাবে নতুন অ্যানিমেটেড সিরিজ ‘দ্য মিসঅ্যাডভেঞ্চারস অব স্যারফেচড অ্যান্ড পিচু’।


নির্বাচিত

শিল্পকলা একাডেমিতে ‘নজরুলের লেটোগান ও কবিগান’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে দেশব্যাপী চলমান নজরুল বর্ষ উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে এক বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘নজরুলের লেটোগান ও কবিগান’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা, শিশু-কিশোরদের বিশেষ অনুষ্ঠান ও সংগীতসন্ধ্যার মতো নানা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, সমগ্র আয়োজনটি দুটি পর্বে সাজানো হয়েছে এবং অনুষ্ঠান শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। প্রথম পর্বে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হবে দ্বিতীয় পর্বের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, যেখানে আমন্ত্রিত বিভিন্ন শিল্পীরা নজরুলের ঐতিহ্যবাহী লেটোগান ও কবিগান পরিবেশন করবেন। সংগীতপ্রেমী ও সাধারণ দর্শকদের জন্য এই অনুষ্ঠানটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও সংগীত সৃষ্টির পেছনে বাংলার লোকায়ত জীবন ও সংস্কৃতির গভীর প্রভাব রয়েছে। লেটোগান ও কবিগানের মতো ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পের ধারা থেকেই কবি তার সাহিত্যকর্মের ভাষা, ছন্দ ও সুরের উপাদান খুঁজে নিয়েছিলেন। এই পরিবেশনার মধ্য দিয়ে গ্রামীণ লোকসংস্কৃতির সঙ্গে নজরুলের আত্মিক সংযোগ এবং তার গানের বৈচিত্র্যময় রূপ নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা হবে।


নির্বাচিত

সার্টিফিকেশন বোর্ডে ছয় সিনেমা বাতিল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

প্রতারণা ও মানহীনতার অভিযোগে প্রযোজক মনজুরুল ইসলাম মেঘের ছয়টি চলচ্চিত্রের সার্টিফিকেশনের আবেদন বাতিল করেছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড। একই সঙ্গে পুরোনো ছাড়পত্র পাওয়া সিনেমা নাম পরিবর্তন করে নতুনভাবে জমা দেওয়ার দায়ে প্রযোজকের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে সাত কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ৩০ জুলাই সিনেমাগুলো ছাড়পত্রের জন্য সার্টিফিকেশন বোর্ডে জমা দেওয়া হয়েছিল।

বাতিল হওয়া সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে মঈনউদ্দিন খান পরিচালিত ‘পরিণাম’, পীযূষ কান্তি সেনের ‘রঙ্গশালা’, সজিব হোসেনের ‘রক্ত পিপাসা’ এবং মিজানুর রহমান লাবু পরিচালিত তিনটি সিনেমা ‘রসু খাঁ’, ‘পাহাড়ের আর্তনাদ’ ও ‘বনদস্যু’। গত ১২ থেকে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে এগুলো যাচাই-বাছাই করেন বোর্ড সদস্যরা। পর্যালোচনায় দেখা যায়, ‘পাহাড়ের আর্তনাদ’ সিনেমাটি ২০২২ সালে ছাড়পত্র পাওয়া ‘যমজ ভূতের গল্প’ এবং ‘বনদস্যু’ ছবিটি ২০২৩ সালে সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত ‘আমার অরণ্য’ চলচ্চিত্রের হুবহু নকল; যেখানে কেবল নাম ও প্রযোজনা সংস্থার নাম পরিবর্তন করে জমা দেওয়া হয়েছিল।

বাকি চারটি সিনেমা ‘পরিণাম’, ‘রঙ্গশালা’, ‘রক্ত পিপাসা’ ও ‘রসু খাঁ’-এর বিরুদ্ধে গল্প, চিত্রনাট্য, সংলাপ ও দৃশ্যায়নে চরম মানহীনতার অভিযোগ আনা হয়েছে। বোর্ডে দেওয়া চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, চলচ্চিত্রে অপ্রাসঙ্গিক ও অশ্লীল সংলাপ, অনিয়ন্ত্রিত ধূমপান ও মদ্যপানের দৃশ্য এবং নিম্নমানের নির্মাণ সমাজের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে। ফলে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন আইন, ২০২৩-এর ৫(১২) ধারা অনুযায়ী এই সিনেমাগুলোকে প্রদর্শনের অনুপযোগী ঘোষণা করে বাতিল করা হয়।

বোর্ডের এই সিদ্ধান্তকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন প্রযোজক মনজুরুল ইসলাম মেঘ। তিনি জানান, এফডিসির এমডি ও পরিচালক সমিতির সদস্য শাহীন সুমনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় প্রতিহিংসামূলকভাবে তার সিনেমাগুলো আটকে দেওয়া হয়েছে। নকলের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, আগে ছাড়পত্র পাওয়া সিনেমা দুটি তিনি বৈধভাবে স্বত্ব কিনে নাম পরিবর্তন করে জমা দিয়েছেন। এছাড়া অফিশিয়াল চিঠি পাওয়ার আগেই তা ছড়িয়ে দেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট পরিচালকদের হুমকির অভিযোগ এনে তিনি জানান, সাত কার্যদিবসের মধ্যেই বোর্ডের চিঠির লিখিত জবাব দেওয়া হবে এবং সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলসহ আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে।


নির্বাচিত

১৬ অক্টোবর মুক্তি পাচ্ছে দেব-শুভশ্রীর ‘দেশু ৭’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

টলিউডের জনপ্রিয় জুটি দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলী দীর্ঘ বিরতির পর আবারও একসঙ্গে বড় পর্দায় ফিরছেন। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে দেবের প্রযোজনা ও পরিচালনায় নির্মিত নতুন অ্যাকশন-রোমান্টিক চলচ্চিত্র ‘দেশু ৭’-এর ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের টিজার। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৬ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

প্রকাশিত টিজারে রোমান্স ও অ্যাকশনের সমন্বয়ে দীর্ঘ সাত বছরের দূরত্ব পেরিয়ে দুই চরিত্রের পুনর্মিলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়েছে। এতে লাদাখের পাহাড়ি পরিবেশ ও নদীর তীরের মনোরম দৃশ্যের পাশাপাশি দেবের মারমুখী অ্যাকশন অবতার দেখানো হয়েছে। টিজারের শেষাংশে দেব ও শুভশ্রীর আবেগঘন সংলাপ পুরোনো দিনের রসায়নকে নতুন করে সামনে এনেছে। এছাড়া টিজারের অন্যতম বড় চমক হিসেবে ভিন্ন লুকে ভিলেন চরিত্রে দেখা গেছে অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যকে।

সিনেমার গল্পের সঙ্গে দেব ও শুভশ্রীর বাস্তব জীবনের দূরত্বের বিষয়টিও দর্শকদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘চ্যালেঞ্জ’ সিনেমার মাধ্যমে রূপালি পর্দায় তাদের একসঙ্গে কাজের সূত্রপাত হয়। এরপর ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’, ‘রোমিও’ ও ‘খোকাবাবু’র মতো জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দেন তারা। ২০১৩ সালে ‘খোকা ৪২০’ মুক্তির পর তাদের সম্পর্কের ইতি ঘটে। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে ‘ধূমকেতু’ সিনেমায় তারা একসঙ্গে অভিনয় করলেও নানা জটিলতা কাটিয়ে সিনেমাটি দীর্ঘ এক দশক পর ২০২৫ সালের ১৪ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।

বর্তমানে ব্যক্তিগত জীবনে শুভশ্রী নির্মাতা রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে বিবাহিত জীবন যাপন করছেন এবং দেব অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রের সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন। দীর্ঘ বিরতি ও ব্যক্তিগত দূরত্বের পর রূপালি পর্দায় এই জুটির নতুন কাজ ‘দেশু ৭’ ঘিরে সিনেমাভক্তদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।


নির্বাচিত

banner close