শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ক্যানসারে আক্রান্ত রুমি

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত : ৩০ মার্চ, ২০২৪ ১৬:০১

অসুস্থ হয়ে পড়েছেন টিভি অভিনেতা ওয়ালিউল হক রুমি। দুরারোগ্য ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। বর্তমানে রাজধানীর বেসরকারি একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক অভিনেতা রওনক হাসান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কোলন ক্যানসারে আক্রান্ত রুমি। ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করিয়েছেন। সম্প্রতি অসুস্থ হয়ে পড়লে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বর্তমানে সিসিইউতে আছেন। দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে এ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এ অভিনেতা। তিনি ভক্ত-দর্শক ও অনুরাগীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

১৯৮৯ সালে থিয়েটার বেইলি রোডে ‘এখন কৃতদাস’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তার যাত্রা শুরু। একই বছর ‘কোন কাননের ফুল’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে টেলিভিশনে অভিষেক হয় তার। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি।

বিষয়:

লস অ্যাঞ্জেলেসে অভিনেতা জেমস হ্যান্ডিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

আপডেটেড ৬ জুন, ২০২৬ ১৭:৩৪
বিনোদন ডেস্ক

হলিউডের জনপ্রিয় ব্লকবাস্টার সিনেমা টপ গান ম্যাভেরিকের মাধ্যমে সমাদৃত প্রবীণ অভিনেতা জেমস হ্যান্ডি মর্মান্তিকভাবে খুনের শিকার হয়েছেন। ৮১ বছর বয়সী এই গুণী অভিনেতাকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে তাঁর নিজের বাড়ির সামনে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। গত বুধবার ক্যালিফোর্নিয়ার টারজানা এলাকায় নিজ বাসভবনের সামনে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পরপরই লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ বিভাগ নিবিড় তদন্ত শুরু করেছে এবং এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের দায়ে ৪৪ বছর বয়সী মাইকেল গ্লেডহিল নামক এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, আটককৃত ব্যক্তি নিহত অভিনেতার প্রেমিকার ছেলে। ঘটনার সময় ৯১১ জরুরি সেবা নম্বরে একটি ফোন আসে, যেখানে কলদাতা নিজেকে অজানা সমস্যার কথা জানিয়ে অভিযুক্ত হিসেবে পরিচয় দেন। কলদাতা নিজেকে ঈশ্বরের পুত্র দাবি করেন এবং স্বীকার করেন যে তিনি এক পাপী মানুষকে হত্যা করেছেন। ওই ফোনের সূত্র ধরেই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং অভিযুক্তকে হেফাজতে নেয়।

ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দেখতে পায়, জেমস হ্যান্ডি তাঁর বাগানের সামনের অংশে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। তাঁর বুকে একাধিক গভীর জখম ও ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। চিকিৎসাকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন, তবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঘটনাস্থলেই তাঁকে মৃত ঘোষণা করতে হয়। পুলিশ জানিয়েছে, পারিবারিক বা ব্যক্তিগত কোনো গভীর বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে, যা বর্তমানে অধিকতর তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে।

জেমস হ্যান্ডি ছিলেন হলিউডের একজন অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও অভিজ্ঞ অভিনেতা। দীর্ঘ ছয় দশকের ক্যারিয়ারে তিনি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন উভয় মাধ্যমেই তাঁর প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। যদিও তিনি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পার্শ্বচরিত্র বা অতিথি শিল্পী হিসেবে পর্দায় আসতেন, তবুও তাঁর প্রতিটি উপস্থিতি দর্শকদের কাছে ছিল স্মরণীয়। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে জুমানজি, লোগান, এনওয়াইপিডি ব্লু, ল অ্যান্ড অর্ডার, সিএসআই নিউইয়র্ক, ক্যাসেল এবং দ্য ওয়েস্ট উইং-এর মতো বিশ্বখ্যাত সব চলচ্চিত্র ও সিরিজ।

এই প্রবীণ অভিনেতার সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত কাজ ছিল ২০২২ সালের সুপারহিট ছবি টপ গান ম্যাভেরিক। এই সিনেমায় তিনি জিমি নামের এক বারটেন্ডারের চরিত্রে অভিনয় করে নতুন প্রজন্মের দর্শকদের মাঝেও জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। তাঁর এমন মর্মান্তিক প্রস্থানে হলিউডজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী ও ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন এবং এই জঘন্য অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


বাবুর কণ্ঠে ‘মাস্তুল’ সিনেমার গান ‘আমায় ভাসাইলি রে’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের কালজয়ী লোকসংগীতআমায় ভাসাইলি রেনতুন আঙ্গিকে গাইলেন বিশিষ্ট অভিনেতা সংগীতশিল্পী ফজলুর রহমান বাবু। মোহাম্মদ নূরুজ্জামান পরিচালিতমাস্তুলচলচ্চিত্রের প্রমোশনাল গান হিসেবে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে। গানটির নতুন করে সংগীতায়োজন করেছেন লাবিক কামাল গৌরব। আধুনিক বাদ্যযন্ত্র বাবু দরদী কণ্ঠের সংমিশ্রণে গানটি সিনেমার প্রচারণায় এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই গানটি প্রকাশের মাধ্যমেই চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ছবিটির আনুষ্ঠানিক প্রচার কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।

মাস্তুলসিনেমাটির মূল উপজীব্য হলো নদী সাগরে ভাসমান জাহাজিদের বৈচিত্র্যময় জীবন। মূলত পানির ওপর ভেসে থাকা মানুষের যাপিত জীবন তাঁদের বিচ্ছিন্ন বাস্তবতাকে কেন্দ্র করেই এই চলচ্চিত্রের গল্প আবর্তিত হয়েছে। নির্মাতা মোহাম্মদ নূরুজ্জামান জানান, সিনেমার ভাবনার সাথে মিল রেখে তাঁরা একটি শক্তিশালী নদীকেন্দ্রিক গান ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছিলেন। দীর্ঘ পর্যালোচনার পর তাঁরা কালজয়ী এই ফোক গানটিকেই প্রচারের মোক্ষম মাধ্যম হিসেবে বেছে নেন, কারণ এটি বাংলার জনজীবনের এক অবিচ্ছেদ্য সুর।

সিনেমার প্রচারণায় কেন ফজলুর রহমান বাবুকে বেছে নেওয়া হলো, তার ব্যাখ্যায় নির্মাতা জানান যে বাবুর কণ্ঠে এক ধরনের সহজাত মায়া মাটির টান রয়েছে। এর আগেও তাঁর গাওয়া বহু ফোক গান সাধারণ শ্রোতাদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। পরিচালক বলেন, গানটি চূড়ান্ত করার পর ফজলুর রহমান বাবুর কণ্ঠের কথা সবার আগে মাথায় এসেছিল। তিনি কেবল এই গানে কণ্ঠই দেননি, বরং ছবিটিতে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয়ও করেছেন। তাঁর অভিনয় সংগীতের এই মেলবন্ধন সিনেমাটিকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

মাস্তুলসিনেমায় ফজলুর রহমান বাবু ছাড়াও আরও অভিনয় করেছেন দীপক সুমন, আমিনুর রহমান মুকুল, আরিফ হাসান এবং সিফাত বন্যার মতো দক্ষ শিল্পীরা। চলচ্চিত্রটি গত বছর মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়ে আন্তর্জাতিক সমালোচকদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। উৎসবে সফলতার পর এটি বাংলাদেশে সেন্সর ছাড়পত্র পায়। বর্তমানে সিনেমাটি মুক্তির সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে বড় পর্দার অপেক্ষায় রয়েছে। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সিনেমাটির গুণগত মান সম্পর্কে ইতিবাচক ইঙ্গিত দেয়।

চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে গানটি প্রকাশের মাধ্যমে দর্শকদের মাঝে সিনেমাটি নিয়ে কৌতূহল তৈরির চেষ্টা করবে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৭ জুলাই দেশের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে মুক্তি পাবে চলচ্চিত্রটি। নির্মাতাদের প্রত্যাশা, শেকড়সন্ধানী এই গান এবং বাস্তবধর্মী জীবনঘনিষ্ঠ গল্প দর্শকদের মনে বিশেষ জায়গা করে নেবে। বিশেষ করে ফজলুর রহমান বাবুর গাওয়া গানটি সিনেমার প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


এবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল: হিমি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

ফুটবল বিশ্বকাপের মাহেন্দ্রক্ষণ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র উন্মাদনা। এই উত্তেজনার ঢেউ লেগেছে শোবিজ অঙ্গনেও। ছোট পর্দার বর্তমান সময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় সাবলীল অভিনেত্রী জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি এবার সরাসরি ফুটবল উৎসবে মেতেছেন। ল্যাটিন আমেরিকার জনপ্রিয় ফুটবল দল ব্রাজিলের প্রতি নিজের একনিষ্ঠ সমর্থন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি। তাঁর এই ভিন্নধর্মী উপস্থিতি দলের প্রতি আগাম জয়ধ্বনি ভক্তদের মাঝে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে হিমি বেছে নিয়েছেন এক শৈল্পিক আকর্ষণীয় রূপ। প্রকাশিত একটি ছবিতে তাঁকে ব্রাজিলের পতাকার রঙের সাথে সামঞ্জস্য রেখে হলুদ, সবুজ নীল রঙের চমৎকার এক শাড়িতে দেখা গেছে। ছবির প্রেক্ষাপটে রয়েছে পুরোদস্তুর ফুটবল উৎসবের আমেজযেখানে শোভা পাচ্ছে ব্রাজিলের বড় একটি পতাকা, একটি ফুটবল এবং স্টেডিয়ামে উল্লাসের চিরচেনা সরঞ্জাম ভুভুজেলা। হাস্যোজ্জ্বল হিমির এই বিশেষ অবতারটি মুহূর্তেই নেটিজেনদের নজর কেড়েছে এবং অন্তর্জালে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

ছবিটির কারিগরি দিক নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের মাঝে কিছুটা কৌতূহল বিতর্কও দেখা গেছে। নেটিজেনদের একটি বড় অংশ ধারণা করছেন, ছবিটি সম্ভবত সরাসরি ক্যামেরায় তোলা নয়, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। তবে ছবির উৎস বা এই গুঞ্জন নিয়ে অভিনেত্রী নিজে স্পষ্ট করে কিছু না জানালেও তাঁর ভক্তরা এই শৈল্পিক উপস্থাপনাটিকে দারুণভাবে গ্রহণ করেছেন। মূলত উদ্ভাবনী উপায়ে প্রিয় দলের প্রতি সংহতি প্রকাশ করাই ছিল তাঁর মূল লক্ষ্য।

ছবির ক্যাপশনে হিমি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে লিখেছেন, ‘এইবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ফুটবল বিশ্বে দীর্ঘ প্রতীক্ষিতহেক্সাবা ষষ্ঠ শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে থাকা সেলেসাও ভক্তদের জন্য হিমির এই ঘোষণা যেন বাড়তি উদ্দীপনা নিয়ে এসেছে। তাঁর এই বলিষ্ঠ মন্তব্য থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেও ফুটবলের বড় এই আসর নিয়ে তিনি যথেষ্ট রোমাঞ্চিত এবং নিজের প্রিয় দলের মাঠের নৈপুণ্য নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী।

অভিনেত্রীর এই পোস্টটি প্রকাশের পরপরই কমেন্ট বক্সে জমা হচ্ছে হাজারো মন্তব্য। বিশেষ করে যারা ব্রাজিলের কট্টর সমর্থক, তাঁরা হিমির এই অবস্থানকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন এবং তাঁর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করছেন। বিশ্বকাপের বাকি দিনগুলোতে প্রিয় দলের সমর্থনে আরও অনেক তারকার এমন সরব উপস্থিতি দেখা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হিমির এই ফুটবল প্রেম প্রমাণ করে যে, মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই সাধারণ মানুষের পাশাপাশি তারকাদের মাঝেও বিশ্বকাপের রোমাঞ্চ পুরোদমে ছড়িয়ে পড়েছে।


কন্যাসন্তানের বাবা-মা হলেন শাকিব খান ও বুবলী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

দীর্ঘদিনের গুঞ্জন জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে দ্বিতীয় সন্তানের খবর প্রকাশ করেছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় তারকা জুটি শাকিব খান শবনম বুবলী। এবার তাঁদের ঘর আলো করে এসেছে একটি কন্যাসন্তান। শুক্রবার বিকেলে চিত্রনায়িকা বুবলী নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই আনন্দ সংবাদটি ভক্ত শুভাকাঙ্ক্ষীদের সাথে শেয়ার করেন। ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খানের সাথে এক যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে তিনি এই নতুন অতিথির আগমনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বুবলী একটি বিশেষ কার্ড পোস্ট করেছেন, যেখানে তাঁদের নবাগত কন্যার নাম প্রকাশ করা হয়েছে। শাকিব বুবলী তাঁদের মেয়ের নাম রেখেছেন শারলিন খান। ওই কার্ড থেকে আরও জানা গেছে যে, গত ১১ মে তাঁদের কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়েছে। পোস্টটিতে অত্যন্ত আনন্দিত বাবা-মা হিসেবে শাকিব খান বুবলীর নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।

সুখবরটি শেয়ার করে বুবলী তাঁর পোস্টে মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। তিনি লিখেছেন, আল্লাহর অশেষ রহমতে তাঁদের পরিবারে এক নতুন সদস্যের আগমন ঘটেছে। এই খুশির মুহূর্তে যারা তাঁদের পরিবারের জন্য দোয়া করেছেন এবং বিভিন্নভাবে শুভকামনা জানিয়েছেন, তাঁদের প্রতি বুবলী আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সাথে তিনি তাঁর নবজাতক কন্যার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সুস্বাস্থ্যের জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

শাকিব খান বুবলী দম্পতির ঘরে এটি দ্বিতীয় সন্তান। তাঁদের বড় সন্তান শেহজাদ খান বীরের জন্মের সময়ও দীর্ঘ গোপনীয়তার পর খবরটি প্রকাশ্যে এসেছিল। গত বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে শাকিব খান তাঁর স্ত্রী বুবলী পুত্র বীরের সাথে অনেকটা সময় কাটিয়েছিলেন। এরপর থেকেই বিনোদন পাড়ায় বুবলীর পুনরায় মা হওয়ার বিষয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। ভক্তদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আজ সেই গুঞ্জনই বাস্তবে রূপ নিলো।

বর্তমানে এই তারকা দম্পতিকে বিনোদন জগতের সহকর্মী এবং ভক্তরা অভিনন্দন বার্তায় ভাসিয়ে দিচ্ছেন। শাকিব খান বুবলীর সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা আলোচনা থাকলেও, দ্বিতীয় সন্তানের আগমনের এই খবর তাঁদের পারিবারিক বন্ধনকে নতুনভাবে সামনে নিয়ে এসেছে। শারলিন খানের আগমনে শাকিব-বুবলীর অনুসারীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নবাগত অতিথির জন্য শুভকামনা জানাচ্ছেন।


রহস্য ও সত্যের সন্ধানে এবার অপূর্ব-ইয়াশ-বিন্দু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব দীর্ঘ দুই বছর পর আবারও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ফিরছেন। ওটিটিতে তাঁকে সর্বশেষ ২০২৪ সালেগোলাম মামুনসিরিজে দেখা গিয়েছিল। বিরতি কাটিয়ে এবার তিনি অভিনয় করেছেনহেডলাইননামের একটি নতুন ওয়েব সিরিজে। সালেহ সোবহান অনীমের পরিচালনায় এই সিরিজটি আগামী ২৫ জুন জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচই-তে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। গতকাল সিরিজটির একটি ফার্স্ট লুক পোস্টার প্রকাশের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

হেডলাইনসিরিজের মাধ্যমে দর্শকদের জন্য বড় চমক হিসেবে থাকছে অপূর্ব আফসান আরা বিন্দুর পুনর্মিলন। এক সময়কার জনপ্রিয় এই নাট্য জুটিকে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও পর্দায় একসঙ্গে দেখা যাবে। বিয়ের পর অভিনয় থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া বিন্দু প্রায় এক দশকের বিরতি শেষে ২০২৩ সালেউনিশ২০ওয়েব ফিল্ম দিয়ে ফিরেছিলেন। তবে এরপর আবারও তিন বছরের দীর্ঘ আড়ালে চলে যান তিনি। এই সিরিজের মাধ্যমে নতুন করে ওটিটি এবং দর্শকদের সামনে হাজির হচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

প্রকাশিত পোস্টারে অপূর্বর সঙ্গে অভিনেতা ইয়াশ রোহানকেও দেখা গেছে। ব্ল্যাক টাক্সিডো আর বো-টাই পরিহিত অপূর্ব ইয়াশের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি কোনো গভীর রহস্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে। পোস্টারটিতে দেখা যায়, তাঁরা দুজন যেন পুরোনো খবরের কাগজের স্তূপ ছিঁড়ে বেরিয়ে আসছেন, যা কোনো চাপা পড়া চাঞ্চল্যকর সংবাদের গভীরে প্রবেশের আবহ তৈরি করেছে। চারপাশের পুরোনো খবরের কাগজের উপস্থিতি সাংবাদিকতা অনুসন্ধানী গল্পের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সিরিজটির বিষয়বস্তু নিয়ে নির্মাতা সালেহ সোবহান অনীম জানান, বর্তমান সময়ের অস্থিরতার মাঝে দর্শকদের জন্য একটু ভিন্নধর্মী স্বস্তির গল্পের খোঁজেইহেডলাইননির্মাণ করা হয়েছে। এটি মূলত সাংবাদিকতা অনুসন্ধানের আড়ালে লুকিয়ে থাকা একটি মনস্তাত্ত্বিক ফ্যামিলি ড্রামা। নির্মাতার দাবি, এটি এমন এক ধরনের কাজ যা দর্শকদের পুরোনো দিনের প্রিয় গল্পগুলোর কথা মনে করিয়ে দেবে। সিরিজটিতে অপূর্ব, ইয়াশ বিন্দু ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সারিকা সাবরিন, ফারহানা হামিদ অর্নিল বিরল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টারটি শেয়ার করে অপূর্ব নিজেও দর্শকদের কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, প্রতিটি হেডলাইনের আড়ালে বহু অজানা সত্য ষড়যন্ত্র লুকিয়ে থাকে, যা ক্ষমতা রহস্যের চাদরে ঢাকা পড়ে যায়। সেই সত্যগুলো শেষ পর্যন্ত প্রকাশ পাবে কি না, তা নিয়েই আবর্তিত হবে সিরিজের মূল কাহিনী। অপূর্ব-বিন্দু জুটির প্রত্যাবর্তন এবং অনুসন্ধানী গল্পের সংমিশ্রণ সিরিজটিকে নিয়ে দর্শকদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ তৈরি করেছে।

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব দীর্ঘ দুই বছর পর আবারও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ফিরছেন। ওটিটিতে তাঁকে সর্বশেষ ২০২৪ সালেগোলাম মামুনসিরিজে দেখা গিয়েছিল। বিরতি কাটিয়ে এবার তিনি অভিনয় করেছেনহেডলাইননামের একটি নতুন ওয়েব সিরিজে। সালেহ সোবহান অনীমের পরিচালনায় এই সিরিজটি আগামী ২৫ জুন জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচই-তে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। গতকাল সিরিজটির একটি ফার্স্ট লুক পোস্টার প্রকাশের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

হেডলাইনসিরিজের মাধ্যমে দর্শকদের জন্য বড় চমক হিসেবে থাকছে অপূর্ব আফসান আরা বিন্দুর পুনর্মিলন। এক সময়কার জনপ্রিয় এই নাট্য জুটিকে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও পর্দায় একসঙ্গে দেখা যাবে। বিয়ের পর অভিনয় থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া বিন্দু প্রায় এক দশকের বিরতি শেষে ২০২৩ সালেউনিশ২০ওয়েব ফিল্ম দিয়ে ফিরেছিলেন। তবে এরপর আবারও তিন বছরের দীর্ঘ আড়ালে চলে যান তিনি। এই সিরিজের মাধ্যমে নতুন করে ওটিটি এবং দর্শকদের সামনে হাজির হচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

প্রকাশিত পোস্টারে অপূর্বর সঙ্গে অভিনেতা ইয়াশ রোহানকেও দেখা গেছে। ব্ল্যাক টাক্সিডো আর বো-টাই পরিহিত অপূর্ব ইয়াশের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি কোনো গভীর রহস্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে। পোস্টারটিতে দেখা যায়, তাঁরা দুজন যেন পুরোনো খবরের কাগজের স্তূপ ছিঁড়ে বেরিয়ে আসছেন, যা কোনো চাপা পড়া চাঞ্চল্যকর সংবাদের গভীরে প্রবেশের আবহ তৈরি করেছে। চারপাশের পুরোনো খবরের কাগজের উপস্থিতি সাংবাদিকতা অনুসন্ধানী গল্পের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সিরিজটির বিষয়বস্তু নিয়ে নির্মাতা সালেহ সোবহান অনীম জানান, বর্তমান সময়ের অস্থিরতার মাঝে দর্শকদের জন্য একটু ভিন্নধর্মী স্বস্তির গল্পের খোঁজেইহেডলাইননির্মাণ করা হয়েছে। এটি মূলত সাংবাদিকতা অনুসন্ধানের আড়ালে লুকিয়ে থাকা একটি মনস্তাত্ত্বিক ফ্যামিলি ড্রামা। নির্মাতার দাবি, এটি এমন এক ধরনের কাজ যা দর্শকদের পুরোনো দিনের প্রিয় গল্পগুলোর কথা মনে করিয়ে দেবে। সিরিজটিতে অপূর্ব, ইয়াশ বিন্দু ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সারিকা সাবরিন, ফারহানা হামিদ অর্নিল বিরল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টারটি শেয়ার করে অপূর্ব নিজেও দর্শকদের কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, প্রতিটি হেডলাইনের আড়ালে বহু অজানা সত্য ষড়যন্ত্র লুকিয়ে থাকে, যা ক্ষমতা রহস্যের চাদরে ঢাকা পড়ে যায়। সেই সত্যগুলো শেষ পর্যন্ত প্রকাশ পাবে কি না, তা নিয়েই আবর্তিত হবে সিরিজের মূল কাহিনী। অপূর্ব-বিন্দু জুটির প্রত্যাবর্তন এবং অনুসন্ধানী গল্পের সংমিশ্রণ সিরিজটিকে নিয়ে দর্শকদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ তৈরি করেছে।


বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

টেলিভিশন উপস্থাপিকা হিসেবে দর্শকপ্রিয়তা পাওয়া দীপ্তি চৌধুরী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার রাজধানীর বাংলামোটর এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

দীপ্তির জীবনসঙ্গীর নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। পেশায় একজন শিক্ষক গবেষক মুশতাক ইবনে আইয়ুব বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে তিনি যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনকোলজি বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

বিয়ের খবরটি নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী বলেন, “আজকে আমাদের আকদ হয়েছে। ভবিষ্যতে বড় পরিসরে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে, যেখানে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাব। আমাদের নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া চাইছি।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ভক্ত শুভাকাঙ্ক্ষীদের শুভেচ্ছায় ভাসছেন এই নবদম্পতি।


এবার কন্যাসন্তানের বাবা হলেন শাকিব খান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান এবার এক কন্যাসন্তানের পিতা হয়েছেন। অভিনেত্রী শবনম বুবলী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তার মাধ্যমে তাদের পরিবারে নতুন অতিথির আগমনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নবজাতকের আগমনের এই শুভ সংবাদটি জানিয়ে তিনি সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

শুক্রবার বুবলী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে করা এক পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে। এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই খবরটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের অভিনন্দনে ভাসছেন এই তারকা দম্পতি। অনেকেই নবজাতকের সুস্বাস্থ্য ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে শুভকামনা জানিয়েছেন।


পপগুরু আজম খানের ১৫তম প্রয়াণ দিবস স্মরণে বিশেষ আয়োজন

আজম খানকে নিয়ে বিশেষ আয়োজনে অংশ নেওয়া শিল্পীরা। ছবি : চ্যানেল আইয়ের সৌজন্যে
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বাংলা ব্যান্ড সংগীতের কিংবদন্তি এবং ‘পপগুরু’ হিসেবে খ্যাত আজম খানের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি কেবল একজন সংগীতশিল্পী ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন একটি নতুন সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অগ্রদূত এবং বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের প্রধান স্থপতি। মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশে তিনি রক সংগীতের সাথে দেশীয় আবেগের সমন্বয় ঘটিয়ে এক অনন্য সংগীতভাষার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। গিটার হাতে আজম খান যে সুরের ধারা তৈরি করেছিলেন, তা আজও তরুণ প্রজন্মের কাছে প্রেরণার উৎস হয়ে আছে।


১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখসমরের বীর যোদ্ধা আজম খান স্বাধীনতার পর গড়ে তুলেছিলেন ঐতিহাসিক ব্যান্ড ‘উচ্চারণ’। তার গানে ফুটে উঠেছে শহরের পথঘাট, তরুণদের দ্রোহ, প্রেম এবং স্বাধীনতাকামী মানুষের স্বপ্ন। “রেললাইনের বস্তিতে”, “আসি আসি বলে তুমি” কিংবা “আলাল ও দুলাল”-এর মতো গানগুলো দিয়ে তিনি নগরজীবনের বাস্তবতাকে এক ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে গিয়েছিলেন। সাধারণ মানুষের কথা সহজ ও সরাসরি ভাষায় গানের মাধ্যমে তুলে ধরাই ছিল তার সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। তার বিদ্রোহী অথচ মানবিক সংগীতধারা পরবর্তী কয়েক প্রজন্মের শিল্পীদের পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করছে।


পপগুরুর এই বিশেষ দিনটি উপলক্ষে চ্যানেল আই আজ বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় প্রচারিত হবে ‘ট্রিবিউট টু গুরু আজম খান’, যেখানে ‘উচ্চারণ’ ব্যান্ডের বর্তমান সদস্যরা স্মৃতিচারণা ও জনপ্রিয় গান পরিবেশন করবেন। অপু মাহফুজের উপস্থাপনায় এবং ইফতেখার মুনিমের পরিচালনায় এই অনুষ্ঠানে উঠে আসবে আজম খানের জীবনের অনেক অজানা গল্প। এছাড়া দুপুর সাড়ে ১২টায় ‘তারকাকথন’-এর একটি বিশেষ পর্বে অংশ নেবেন তার কন্যা অরণী খান এবং প্রথিতযশা সংগীতশিল্পী ফুয়াদ নাসের বাবু ও পার্থ মজুমদার।


আজম খান আজ সশরীরে না থাকলেও তার গান, দর্শন এবং সাংস্কৃতিক মানচিত্র প্রতিটি সুরকার ও শ্রোতার হৃদয়ে অমলিন। বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসে তিনি চিরকাল একটি অবিচ্ছেদ্য নাম এবং অনন্ত এক উচ্চারণ হয়ে থাকবেন। তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজকের এই আয়োজনগুলো বিনোদন ও সংগীতপিপাসুদের মাঝে নতুন এক আমেজ সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


বাংলা চলচ্চিত্রের অগ্রযাত্রা রুখতে চক্রান্ত চলছে: শাকিব খান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

ঈদুল আজহায় মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রকস্টার’ সিনেমাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান নেতিবাচক প্রচারণা ও সমালোচনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। তার অভিযোগ, একটি বিশেষ স্বার্থান্বেষী মহল সুপরিকল্পিতভাবে বাংলা চলচ্চিত্রের বর্তমান অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার হীন চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর উত্তরার স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটির প্রচারণায় অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শাকিব খান বলেন, যেকোনো সিনেমা মুক্তির পর সেখানে ইতিবাচক ও নেতিবাচক—উভয় ধরনের প্রতিক্রিয়া আসাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ‘রকস্টার’-এর ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যমূলকভাবে কেবল নেতিবাচক মন্তব্যগুলোই বেছে বেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। চক্রান্তকারীদের সরাসরি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, “একটা সিনেমায় পজিটিভ-নেগেটিভ রিভিউ হয়। শুধুমাত্র নেগেটিভ রিভিউ কেটে কেটে কেন প্রচার করা হলো? এই আক্ষেপটা কার প্রতি? আমার প্রতি, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের প্রতি, নাকি পুরো বাংলা সিনেমার প্রতি? চক্রান্তটা কার প্রতি আমি বুঝলাম না।”

দীর্ঘ ২৭ বছরের ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতা থেকে এই মেগাস্টার দাবি করেন, যখনই বাংলা সিনেমা নতুন ধরনের গল্প, আধুনিক নির্মাণশৈলী ও বিশ্বমানের উপস্থাপনার মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে, তখনই একটি গোষ্ঠী সেটিকে পেছনের দিকে টেনে ধরার চেষ্টা করে। শাকিব খানের ভাষায়, “কিছু স্বার্থান্বেষী মহল চায় না বাংলা সিনেমার উন্নতি হোক। তারা চায় দর্শক চেনা ছকের মর্টারগান বা মেশিন গানের মারামারিতেই আটকে থাকুক। কিন্তু সময় বদলেছে, বাংলা সিনেমা এখন নতুন পথে হাঁটছে।”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইউটিউবভিত্তিক কনটেন্ট নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করে শাকিব বলেন, কিছু ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর কেবল সাময়িক ভিউ এবং সস্তা আলোচনার জন্য বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে থাকেন। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, দিন শেষে দর্শকরাই সঠিক মূল্যায়ন করেন। শাকিব খানের মতে, মুক্তির দ্বিতীয় দিন থেকেই প্রেক্ষাগৃহগুলোতে দর্শকের উপস্থিতি বেড়েছে, যা প্রমাণ করে যে ভালো কাজকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারে না। ক্যারিয়ারের চূড়ায় টিকে থাকার লড়াইকে তিনি পাহাড়ের চূড়ায় টিকে থাকার মতো চ্যালেঞ্জিং মনে করলেও শেষ পর্যন্ত সত্যেরই জয় হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


দীর্ঘ বিরতির পর আবারও পর্দায় ফিরছেন কারিশমা কাপুর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুর দীর্ঘ বিরতির পর আবারও পর্দায় ফিরছেন ‘ব্রাউন’ নামক একটি নতুন ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে। তবে এই সিরিজে অভিনয়ের যাত্রাটি তার জন্য খুব সহজ ছিল না। কারিশমা জানান, শুরুতে এই সিরিজের প্রস্তাবটি তিনি সরাসরি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কলকাতায় টানা ৫০ থেকে ৬০ দিনব্যাপী শুটিংয়ের কথা শুনে তিনি অনাগ্রহ প্রকাশ করলেও নির্মাতাদের পীড়াপীড়িতে শেষ পর্যন্ত চিত্রনাট্য শোনেন। রিতা চরিত্রের গভীরতা ও জটিলতা অনুধাবন করার পর তিনি আর ‘না’ বলতে পারেননি। ভ্যারাইটি ইন্ডিয়া সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সিরিজটিতে রিতা চরিত্রটিকে কোনো প্রকার গ্ল্যামার ছাড়াই উপস্থাপন করা হয়েছে। কারিশমা জানান, রিতার হাঁটাচলার ধরণ থেকে শুরু করে মেকআপহীন চেহারা এবং অতিরিক্ত ধূমপানের প্রভাবে ঠোঁটের বর্ণ পরিবর্তন হয়ে যাওয়া—সবকিছুই নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কারিশমার মতে, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে গল্প বলার ধরণ পাল্টাচ্ছে এবং পর্দায় নারীদের কেবল প্রথাগতভাবে না দেখিয়ে তাদের জীবনের বাস্তব চড়াই-উতরাই ও বহুমাত্রিক রূপ ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। রিতা চরিত্রটি তার বাস্তব জীবনের ব্যক্তিত্ব থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হওয়ায় তিনি এই কাজে বাড়তি আকর্ষণ বোধ করেছেন।
কারিশমা কাপুরের ঝুলিতে যেমন ‘বিবি নং ১’ বা ‘রাজা হিন্দুস্তানি’র মতো সুপারহিট বাণিজ্যিক সিনেমা রয়েছে, তেমনি ‘ফিজা’, ‘জুবাইদা’ ও ‘শক্তি’র মতো ভিন্নধর্মী ও শক্তিশালী চলচ্চিত্রে অভিনয়ের অভিজ্ঞতাও রয়েছে। তিনি এই ধারণার সাথে একমত নন যে কেবল ওটিটি প্ল্যাটফর্মের উত্থানের কারণেই নারীদের জন্য শক্তিশালী চরিত্র লেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমরা বলতে পারি না যে আগে হিন্দি সিনেমায় শক্তিশালী চরিত্র ছিল না। ‘মাদার ইন্ডিয়া’ থেকে শুরু করে প্রতিটি দশকেই এমন কালজয়ী চরিত্র তৈরি হয়েছে।”
তিনি আরও যোগ করেন যে, ২০০০-এর দশকে তার অভিনীত ‘ফিজা’ বা ‘শক্তি’র চরিত্রগুলোও নিজ নিজ প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত দৃঢ় ছিল। তবে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আসার ফলে এখন মানুষের ভেতরের ভিন্ন ও জটিল মনস্তাত্ত্বিক দিকগুলো আরও গভীরভাবে অন্বেষণ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ‘ব্রাউন’ সিরিজে কারিশমার এই নতুন রূপ দেখার জন্য তার ভক্তরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।


নিজের তৃতীয় বিয়ের দিনক্ষণ জানালেন আমির খান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ কিছু দিন ধরেই বলিউড সুপারস্টার আমির খানের তৃতীয় বিয়ে নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছিল। অবশেষে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নিজের বিবাহের সংবাদটি নিশ্চিত করেছেন আমির খান। তার দীর্ঘদিনের প্রেমিকা গৌরী স্প্র্যাটই হতে যাচ্ছেন তার জীবনসঙ্গিনী। আগামী ৫ জুলাই তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছেন।

এর আগে একটি গণমাধ্যম খবর প্রকাশ করেছিল যে, আগামী ৫ জুলাই আমির খান ও গৌরী স্প্র্যাট ঘরোয়া পরিসরে আইনি প্রক্রিয়ায় বিবাহ সম্পন্ন করবেন। সে সময় এ প্রসঙ্গে আমির নীরবতা পালন করলেও সম্প্রতি ভারতের একটি প্রভাবশালী বিনোদন সাময়িকীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি সংবাদের সত্যতা স্বীকার করেন। আমির স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাদের বিয়ের খবরটি সত্য এবং আগামী ৫ জুলাই বিয়ের দিন ধার্য করা হয়েছে।

চলতি বছরের শুরুতে নিজের ৬০তম জন্মদিনে গৌরীকে ভক্তদের সামনে নিয়ে আসেন আমির খান। জীবনের এই পর্যায়ে এসে নতুন করে ভালোবাসার সন্ধান পাওয়ার কথা জানালেও সেই সময়ে বিবাহের প্রসঙ্গটি তিনি সুকৌশলে এড়িয়ে যান। আমির তখন জানিয়েছিলেন যে, ভবিষ্যতের পরিকল্পনার চেয়ে তারা বর্তমান সম্পর্কটাকেই বেশি উপভোগ করতে চান।

বিগত কয়েক মাসে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে আমির খান নিজের নিঃসঙ্গতা ও মানসিক পরিবর্তনের কথা অকপটে প্রকাশ করেছেন। দ্বিতীয় স্ত্রী কিরণ রাওয়ের সাথে বিচ্ছেদের পর তার চিন্তাচেতনায় যে বিবর্তন এসেছে, তা নিয়ে তিনি কথা বলেন। একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠানে আমির জানান, গৌরীর সাথে পরিচয়ের পূর্বে তিনি নিজেকে বেশ বয়োবৃদ্ধ ভাবতেন এবং এই বয়সে নতুন কোনো সঙ্গী পাবেন কি না তা নিয়ে সংশয়ে ছিলেন। পরবর্তীতে থেরাপি গ্রহণের পর তিনি উপলব্ধি করেন যে, সবার আগে নিজেকে ভালোবাসতে হবে এবং নিজের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।

গৌরীর সাথে সম্পর্কের সূচনাটি আকস্মিক ছিল উল্লেখ করে আমির জানান, তাদের পরিচয় ছিল একেবারেই অপ্রত্যাশিত। সেখান থেকেই প্রথমে বন্ধুত্ব এবং কালক্রমে তা ভালোবাসায় রূপ নেয়। এক সময় তিনি মনে করতেন মা, সন্তান ও ভাইবোনদের নিয়ে তার যে পারিবারিক পরিমণ্ডল রয়েছে, সেখানে হয়তো নতুন কোনো সঙ্গীর প্রয়োজন নেই। তবে গৌরীর আগমন তার সেই ধারণা আমূল বদলে দিয়েছে।

উল্লেখ্য, আমির খানের প্রথম স্ত্রী ছিলেন রীনা দত্ত। সেই সংসারে তাদের জুনায়েদ ও ইরা নামে দুটি সন্তান রয়েছে। রীনার সাথে বিচ্ছেদের পর ২০০৫ সালে তিনি নির্মাতা কিরণ রাওকে বিবাহ করেন। ২০২১ সালে কিরণের সাথেও তার আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ ঘটে। তবে বৈবাহিক সম্পর্কের অবসান হলেও পুত্র আজাদের খাতিরে তাদের মধ্যে এখনও অত্যন্ত চমৎকার ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান।


যেভাবে 'সিরিয়াল কিসার' হয়ে ওঠেন ইমরান হাশমি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বলিউড অভিনেতা ইমরান হাশমি দীর্ঘ সময় ধরে পর্দায় ‘সিরিয়াল কিসার’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। তবে সম্প্রতি জানা গেছে যে, তার এই আলোচিত ভাবমূর্তিটি কোনো কাকতালীয় ঘটনা ছিল না, বরং ক্যারিয়ারের শুরুতে তাকে দর্শকপ্রিয় করতে এটি ছিল একটি পরিকল্পিত বিপণন কৌশল বা পিআর স্ট্র্যাটেজি। অভিনেত্রী সোহা আলি খানের পডকাস্ট ‘অল অ্যাবাউট হার’-এ অংশ নিয়ে এই গোপন তথ্য ফাঁস করেছেন প্রখ্যাত জনসংযোগ পেশাদার পারুল গোসাই।

পারুল জানান, ইমরান হাশমি নিজেই এই তকমাটি নিয়ে বিরক্ত এবং তিনি চান মানুষ সত্যটি জানুক। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে মহেশ ভাট যখন ইমরানের প্রচারণার জন্য একটি শক্তিশালী কৌশলের প্রয়োজন অনুভব করেন, তখন পারুল খেয়াল করেন যে ইমরানের চুম্বনের দৃশ্য সংবলিত খবরগুলো পাঠকরা খুব আগ্রহ নিয়ে পড়ছে। এই পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই তিনি মহেশ ভাটকে পরামর্শ দেন ইমরানের এমন একটি ইমেজ তৈরি করতে যাতে মনে হয় তিনি প্রতিটি সিনেমায় তার নায়িকাদের চুম্বন করেন। মহেশ ভাট এই আইডিয়াটি দারুণ পছন্দ করেন এবং তা কার্যকর করেন।

তবে এই পরিকল্পনার কথা শুনে ইমরান হাশমি শুরুতে বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন এবং তার স্ত্রী পারভীন রেগে যেতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। পরে পারুল নিজে ইমরানের স্ত্রীকে বুঝিয়ে বলেছিলেন যে এটি সম্পূর্ণ একটি মার্কেটিং ক্যাম্পেইন এবং বাস্তবের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। শেষ পর্যন্ত মহেশ ভাটের নির্দেশনা মেনে ইমরান এতে রাজি হন এবং এই কৌশলটি বিশেষ করে মফস্বল অঞ্চলের দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ২০০৩ সালে ‘ফুটপাত’ দিয়ে অভিষেক হলেও ২০০৪ সালে ‘মার্ডার’ সিনেমায় মল্লিকা শেরাওয়াতের সাথে অনস্ক্রিন রসায়ন তাকে রাতারাতি তারকাখ্যাতি এনে দেয়।

ইমরান হাশমি নিজেও পরবর্তীতে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন যে তারা জেনেশুনে ব্যবসার স্বার্থে এই ভাবমূর্তিটি ব্যবহার করেছিলেন। তবে সময়ের সাথে দর্শকদের রুচি পরিবর্তনের কথা ভেবে এবং একঘেয়েমি কাটাতে তিনি পরবর্তীতে ‘জান্নাত’, ‘আওয়ারাপন’ ও ‘সাংহাই’-এর মতো সিনেমার মাধ্যমে নিজেকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন। ইমরান হাশমি মজার ছলে জানান যে, ভারতীয় সমাজের মতো রক্ষণশীল পরিবেশে একবার কোনো জোরালো ইমেজ তৈরি হয়ে গেলে তা সহজে মোছা যায় না, তাই আজও সংবাদ সম্মেলনে তাকে এই পুরনো ইমেজ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়।


নজরুলের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’-এর শতবর্ষ পালনে দেশব্যাপী কর্মসূচির আহ্বান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সৃষ্টি ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ কবিতার শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের দাবি জানিয়েছে দেশের ১৪টি জাতীয় সাংস্কৃতিক, সাহিত্য ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট সংগঠন। বুধবার বাংলাদেশ গণসংগীত সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়। বিবৃতিতে ১৯২৬ সালে রচিত এই ঐতিহাসিক সৃষ্টিকে জাতীয় পর্যায়ে যথাযথ মর্যাদায় পালনের প্রস্তাব দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বর্ণাঢ্য উৎসব, আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সাংস্কৃতিক সংগঠক ও নেতৃবৃন্দ মনে করেন, ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ কেবল একটি কবিতা বা গান নয়, বরং এটি যেকোনো জাতীয় সংকটকালে পথনির্দেশনা দেওয়া এক অনন্য চেতনার প্রতীক। ১৯২৬ সালে পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার যে আহ্বান নজরুল জানিয়েছিলেন, তার অন্তরালে ছিল একটি অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় সংকল্প। কবির সেই সাম্য ও ঐক্যের শক্তিশালী বার্তা বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটেও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। বিশেষ করে বর্তমান বিশ্বে ক্রমবর্ধমান ধর্মীয় বিদ্বেষ, সাম্প্রদায়িকতা এবং সামাজিক বিভাজনের বিরুদ্ধে নজরুলের এই দর্শন এক উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করতে পারে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, শতবর্ষ পূর্তির এই মাহেন্দ্রক্ষণে নজরুলের মানবতাবাদী আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া সময়ের দাবি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় পর্যায় পর্যন্ত যদি এই কবিতার অন্তর্নিহিত প্রগতিশীল দর্শন ছড়িয়ে দেওয়া যায়, তবে একটি মানবিক ও সম্প্রীতিময় সমাজ গঠন সহজতর হবে। নজরুল তাঁর লেখনীর মাধ্যমে আজীবন মানুষের ধর্মীয় পরিচয়ের চেয়ে মানবিক পরিচয়কে বড় করে দেখেছেন। তাঁর সেই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থানের বাণী তরুণ সমাজের মধ্যে জাগ্রত করার লক্ষ্যেই এই সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।

যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে— বাংলাদেশ নজরুলসংগীত সংস্থা, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ এবং কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরসহ আরও বেশ কিছু প্রভাবশালী সংগঠন। এই সংগঠনগুলো মনে করে, দেশের প্রতিটি প্রান্তে নজরুল চর্চাকে ত্বরান্বিত করতে হলে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা আবশ্যক। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন যে, জাতীয় কবির এই অনন্য সৃষ্টির শতবর্ষ উদযাপনের মধ্য দিয়ে দেশে প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক চেতনার বিকাশ আরও বেগবান হবে।

পরিশেষে নেতৃবৃন্দ বলেন, নজরুলের চেতনা ধারণ করার মাধ্যমেই কেবল অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়া সম্ভব। ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’-এর শতবর্ষ উদযাপনে দেশব্যাপী আলোচনা সভা, সেমিনার এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রস্তাব দিয়ে তাঁরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমকে এই প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। নজরুলের সংগ্রাম ও সাম্যের দর্শনকে জাতীয় জীবনের প্রতিটি স্তরে গভীরভাবে চর্চা করার মাধ্যমেই কবির প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব হবে বলে বিবৃতিতে একমত প্রকাশ করেন ১৪ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।


banner close