রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন আজ

আপডেটেড
১৯ এপ্রিল, ২০২৪ ০০:২০
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল, ২০২৪ ০০:২০

শেষ হলো অপেক্ষার পালা। নানা নাটকীয়তা ও জলঘোলার পর আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সমিতির দ্বি-বার্ষিক (২০২৪-২০২৬) নির্বাচন। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। বহুল আলোচিত এই নির্বাচন নিয়ে বেশ কয়েক মাস ধরেই সরগরম ছিল চলচ্চিত্রপাড়া। ঈদের পর নির্বাচনের শেষ সময়ে প্রচার-প্রচারণা আরও মুখর হয়ে ওঠে।

২১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটিতে ঠাঁই পেতে এবারের নির্বাচনে ৬ জন স্বতন্ত্রসহ ২টি প্যানেল থেকে মোট ৪৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুই প্যানেলের একটিতে আছেন অভিনেতা মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল আর অন্যটিতে একসময়ের জনপ্রিয় নায়ক মাহমুদ কলি ও চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তার।

মিশা-ডিপজল পরিষদের হয়ে নির্বাচনে সহসভাপতির পদে লড়বেন মাসুম পারভেজ রুবেল ও ডি এ তায়েব। এ ছাড়া সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে আরমান, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক পদে আলেকজান্ডার বো, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক জ্যাকি আলমগীর, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে ডন এবং কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী কমল।

এ ছাড়াও কার্যকরী পরিষদের সদস্য পদে নির্বাচন করছেন অভিনেত্রী সুচরিতা, রোজিনা, আলীরাজ, সুব্রত, দিলারা ইয়াসমিন, শাহনূর, নানা শাহ, রত্না কবির, চুন্নু, সাঞ্জু জন, ফিরোজ মিয়া।

অন্যদিকে, মাহমুদ কলি-নিপুণ প্যানেলের প্রার্থী হয়েছেন- সহসভাপতি পদে ড্যানি সিডাক ও অমিত হাসান। সহ-সাধারণ সম্পাদক বাপ্পি সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক অঞ্জনা রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মারুফ আকিব, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক কাবিলা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক মামনুন হাসান ইমন ও কোষাধ্যক্ষ পদে অভিনেতা আজাদ খান।

কার্যকরী পরিষদের সদস্য পদের হিসেবে থাকছেন সুজাতা আজিম, নাদের চৌধুরী, পীরজাদা হারুন, পলি, জেসমিন আক্তার, তানভীর তনু, মো. সাইফুল, সাদিয়া মির্জা, সনি রহমান, হেলেনা জাহাঙ্গীর ও সাইফ খান।

এবারের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে থাকছেন খোরশেদ আলম খসরু। সদস্য হিসেবে আছেন এ জে রানা ও বি এইচ নিশান। মোট ভোটার সংখ্যা ৫৭০ জন। তারাই বেছে নেবেন আগামী দুই বছরের চলচ্চিত্র শিল্পীদের নেতা-অভিভাবক।

ইতোমধ্যেই ২০২৪-২৬ মেয়াদের নির্বাচন ঘিরে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। এবারই প্রথম শিল্পীদের নির্বাচনে ভ্রাম্যমাণ আদালত থাকবে।

এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতির সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু বলেন, ‘এবার ভোটার আছেন ৫৭০ জন। নির্বাচনে যেন কোনো ঝামেলা না হয় সেই চেষ্টা থাকবে। সুষ্ঠু পরিবেশে ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করব। গতবারের কোনো প্রভাব যেন এই নির্বাচনে না পড়ে সেটাও খেয়াল রাখছি।’


নির্বাচিত

ছায়ানটে রবীন্দ্রনাথের ‘বৃক্ষবন্দনা’ অবলম্বনে ‘ধরা তরু কাব্য’ মঞ্চস্থ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:০০
বিনোদন ডেস্ক

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ‘বৃক্ষবন্দনা’ কবিতার ভাব অবলম্বনে রাজধানীর ছায়ানট মিলনায়তনে মঞ্চস্থ হয়েছে বিশেষ নৃত্যনাট্য ‘ধরা তরু কাব্য: নেচারস টেল’। ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের (আইজিসিসি) উদ্যোগে গতকাল সন্ধ্যায় এই ব্যতিক্রমী পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। নৃত্য, সংগীত ও অভিনয়ের সমন্বয়ে নির্মিত এই পরিবেশনায় প্রকৃতি, মানুষ ও পরিবেশের মধ্যকার অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক এবং সহাবস্থানের দর্শনকে তুলে ধরা হয়।

রবীন্দ্রনাথের প্রকৃতিপ্রেম ও প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের দার্শনিক সংযোগকে সমকালীন নৃত্যের ভাষায় মঞ্চে রূপ দেয় ‘তুরঙ্গমী রেপার্টরি ড্যান্স থিয়েটার’। প্রযোজনাটিতে বাংলার ছয় ঋতুর রূপবৈচিত্র্য নান্দনিকভাবে উপস্থাপন করা হয়। বসন্তের পুষ্পিত সৌন্দর্য, গ্রীষ্মের উত্তাপ, বর্ষার ধারা, শরতের প্রাচুর্য এবং শীতের স্তব্ধতা—ঋতুচক্রের এই নানা রূপ ও বৈশিষ্ট্য নৃত্যশিল্পীদের অঙ্গভঙ্গি ও অভিব্যক্তিতে ফুটে ওঠে।

রবীন্দ্রনাথের ভাবনার আলোকে নির্মিত এ পরিবেশনায় প্রকৃতির সৌন্দর্যের পাশাপাশি তার অভ্যন্তরীণ স্থিতিস্থাপকতা ও শাশ্বত শক্তিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মানবজীবন ও প্রাকৃতিক জগতের গভীর বন্ধন নাট্য ও নৃত্যের মধ্য দিয়ে ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি প্রকৃতির প্রতি কেবল নান্দনিক দৃষ্টি নয়, বরং পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রকৃতির সুরক্ষায় মানুষের দায়িত্ববোধের বিষয়টিও দর্শকের সামনে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক অভিন্ন ঐতিহ্য, সাহিত্য ও প্রকৃতিপ্রেমের গভীরে প্রোথিত এবং এ ধরনের যৌথ শৈল্পিক আয়োজন প্রকৃতিকে সংরক্ষণ করার দায়বদ্ধতাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বাংলাদেশের বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে জানান, সরকার দেশের সুস্থ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সার্বিক প্রসারে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।


নির্বাচিত

প্রথম সপ্তাহেই ২০০ কোটি ছাড়াল ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই বিশ্বব্যাপী ২০০ কোটি রুপির আয়ের মাইলফলক অতিক্রম করেছে বলিউড ক্রাইম থ্রিলার ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’। বক্স অফিস ট্র্যাকিং সংস্থা স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির প্রথম সাত দিনে বিশ্বজুড়ে চলচ্চিত্রটির মোট গ্রস কালেকশন দাঁড়িয়েছে ২১২ কোটি ৪৪ লাখ রুপিতে। ওটিটি প্ল্যাটফর্মের পর বড় পর্দায়ও প্রথম সপ্তাহেই দর্শকদের ব্যাপক উপস্থিতি ও বাণিজ্যিক সাফল্য ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে সিনেমাটি।

ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারেও সিনেমাটি বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছে। মুক্তির সপ্তম দিনে শুধু ভারতেই চলচ্চিত্রটির নিট আয় হয়েছে ১০ কোটি ৫৫ লাখ রুপি। এর মাধ্যমে প্রথম সপ্তাহ শেষে দেশটিতে ছবিটির মোট গ্রস আয় দাঁড়িয়েছে ১৭৬ কোটি ৯৪ লাখ রুপি। এছাড়া ভারতে নিট আয়ের ক্ষেত্রেও সিনেমাটি ১৫০ কোটির মাইলফলকের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে; সাত দিন শেষে দেশটিতে মোট নিট আয় দাঁড়িয়েছে ১৪৮ কোটি ৪৫ লাখ রুপি।

মুক্তির প্রথম দিনে ২৫ কোটি ৭৫ লাখ রুপি আয় করে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু করেছিল সিনেমাটি। পরবর্তীতে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দারুণ গতি পায় এবং তৃতীয় দিনে এসে ছবিটির সর্বোচ্চ ৩৬ কোটি রুপি আয় হয়। দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও দর্শকদের ইতিবাচক সাড়া মিলেছে; ওভারসিজ বা বিদেশের বাজার থেকে প্রথম সপ্তাহেই সিনেমাটি সংগ্রহ করেছে ৩৫ কোটি ৫০ লাখ রুপি।

জনপ্রিয় ‘মির্জাপুর’ সিরিজের প্রিক্যুয়েল হিসেবে বড় পর্দায় এসেছে এই পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। গুরমিত সিং পরিচালিত এবং পুনীত কৃষ্ণের কাহিনীবিন্যাসে নির্মিত এই সিনেমায় মূল ধারাবাহিকের পূর্ববর্তী প্রেক্ষাপট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এতে ‘কালিন ভাইয়া’ চরিত্রে পঙ্কজ ত্রিপাঠী, ‘গুড্ডু পণ্ডিত’ চরিত্রে আলী ফজল এবং ‘মুন্না ভাইয়া’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন দিব্যেন্দু শর্মা। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন রসিকা দুগল, শ্বেতা ত্রিপাঠী, জীতেন্দ্র কুমার ও রবি কিষাণ।


নির্বাচিত

রংপুরে মঞ্চায়িত হলো কৃষক বিদ্রোহের নাটক ‘রণডঙ্কা’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

রংপুরের ঐতিহাসিক কৃষক বিদ্রোহ ও নূরলদীনের সংগ্রামের পটভূমিতে নির্মিত নাটক ‘রণডঙ্কা’ মঞ্চস্থ করেছে নাট্যদল ‘বিকন নাট্যকেন্দ্র’। দলটির ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির প্রথম দিন বৃহস্পতিবার রাতে রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে নাটকটি প্রদর্শিত হয়। আঞ্চলিক ভাষার যথাযথ প্রয়োগ ও বাস্তবধর্মী পরিবেশনার মধ্য দিয়ে রংপুরের সাধারণ মানুষের দুঃখ, বঞ্চনা ও শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ইতিহাস এ নাটকে তুলে ধরা হয়।

ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অতিরিক্ত কর আরোপ এবং অত্যাচারী ইজারাদার দেবী সিংহের নির্মম শোষণের বিরুদ্ধে রংপুরের কৃষকদের জাগরণ ও মহান নেতা নূরলদীনের ভূমিকা নিয়ে নাটকটির মূল কাহিনি গড়ে উঠেছে। আরিফুল হক রুজুর রচনা ও নির্দেশনায় প্রায় ৫০ মিনিটের এই প্রযোজনায় অংশ নেন দলটির নবীন-প্রবীণ ১৪ জন নাট্যশিল্পী। অভিনয়ের নানা আঙ্গিক ব্যবহার করে শিল্পীরা পলাশীর যুদ্ধ থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩ মার্চের উত্তাল সময় পর্যন্ত ইতিহাসের রূপরেখা মঞ্চে ফুটিয়ে তোলেন।

নাটকে নূরলদীনের কেন্দ্রীয় চরিত্রে রূপদানকারী অভিনেতা ভূপেন পাল জানান, যখনই সমাজে কোনো অন্যায় বা নিপীড়ন নেমে আসে, তখনই নূরলদীনের সংগ্রামী চেতনা সাধারণ মানুষকে প্রেরণা জোগায়; তিনি সব যুগের শোষিত মানুষের অধিকার আদায়ের এক শাশ্বত প্রতীক। নির্দেশক আরিফুল হক রুজু বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দেওয়াই তাঁদের মূল লক্ষ্য। তিনি উল্লেখ করেন, ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে নূরলদীনের বিদ্রোহ এবং পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে রংপুরে শহীদ শংকু সমজদারের আত্মত্যাগ—এই দুটি ঐতিহাসিক ঘটনাই প্রমাণ করে এ অঞ্চলের মানুষের সংগ্রামের ইতিহাস কখনোই বিস্মৃত হওয়ার নয়।

মঞ্চায়ন শেষে উপস্থিত দর্শকরা পলাশীর প্রান্তর থেকে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত রংপুরের মানুষের আত্মত্যাগ ও লড়াইয়ের দৃশ্যপট নাট্যরূপে অবলোকন করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক সিদ্দিকুর রহমানসহ স্থানীয় দর্শকরা জানান, নিখুঁত অভিনয়ের মাধ্যমে মাটির ইতিহাস তুলে ধরার এই সাহসী উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং নতুন প্রজন্মের জন্য ইতিহাসভিত্তিক এমন নাটকের নিয়মিত প্রদর্শনী হওয়া প্রয়োজন।


নির্বাচিত

রেকর্ড ২৫ মিনিট স্ট্যান্ডিং ওভেশন পেল গাজার গণহত্যা নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্র

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অপপ্রয়োগ এবং ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের হত্যাকাণ্ডের পেছনের সামরিক ও গোয়েন্দা ব্যবস্থাকে উন্মোচনকারী তথ্যচিত্র ‘নাজা’ ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অভূতপূর্ব সাড়া ফেলেছে। উৎসবে ৮০ মিনিটের এই চলচ্চিত্রটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী শেষে উপস্থিত দর্শকেরা দাঁড়িয়ে একটানা ২৪ মিনিট ৩০ সেকেন্ড করতালি দিয়ে ঐতিহাসিক অভিবাদন জানান, যা ভেনিসের সুদীর্ঘ ইতিহাসে অন্যতম দীর্ঘতম স্ট্যান্ডিং ওভেশনের নতুন রেকর্ড।

অস্কারজয়ী প্রামাণ্যচিত্র ‘নো আদার ল্যান্ড’-এর নির্মাতা ইউভাল আব্রাহাম ও র‍্যাচেল সোর প্রায় তিন বছরের গোপন ও নিবিড় অনুসন্ধানের পর এই তথ্যচিত্রটি নির্মাণ করেছেন। আন্তর্জাতিক সিনেমা ডেটাবেজ আইএমডিবি এবং বার্তা সংস্থা এএফপির বরাতে জানা যায়, চলচ্চিত্রটির নামকরণ করা হয়েছে ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা পরিভাষা ‘নাজা’ অনুসরণে, যা মূলত কোনো বিমান হামলায় প্রত্যাশিত বেসামরিক প্রাণহানির পরিমাণ নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়। প্রামাণ্যচিত্রটির তথ্য সংগ্রহের স্বার্থে তেল আবিবের বিভিন্ন ভবনের ছাদে রাতের আঁধারে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়। তবে নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের মুখমণ্ডল ও কণ্ঠস্বর পরিবর্তন করা হয়েছে।

তথ্যচিত্রে গাজায় প্রাণঘাতী হামলার লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণে ব্যবহৃত ইসরায়েলি এআই ব্যবস্থা ‘ল্যাভেন্ডার’-এর কার্যপদ্ধতি বিশদভাবে তুলে ধরা হয়েছে। নির্মাতাদের অনুসন্ধান অনুযায়ী, গাজার সেলুলার নেটওয়ার্ক, ফোনকল, মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগ ও গতিবিধি বিশ্লেষণ করে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হত্যার লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করা হতো। তথ্যচিত্রে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক সামরিক কর্মকর্তা পুরো প্রক্রিয়াটিকে একটি সুশৃঙ্খল ‘কারখানার মতো’ কার্যক্রম হিসেবে বর্ণনা করেন, যেখানে অন্য একজন কর্মকর্তা দূরনিয়ন্ত্রিত এই সামরিক অভিযানকে নিছক ভিডিও গেম পরিচালনার সঙ্গে তুলনা করেছেন। এমনকি চিহ্নিত বাড়িগুলোতে সপরিবারে নিরীহ মানুষ বসবাস করছে জেনেও নির্বিচারে হামলা চালানো এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা তথ্য এতে উঠে এসেছে। নির্মাতাদ্বয় আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘+৯৭২ ম্যাগাজিন’-এ লিখেছেন, তাঁদের অনুসন্ধানের চূড়ান্ত পর্যবেক্ষণ হলো গাজার নিরীহ মানুষের প্রাণহানি কোনোভাবেই যুদ্ধের অনিচ্ছাকৃত ‘দুঃখজনক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া’ নয়, বরং এটি অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও সুনির্দিষ্ট হিসাব-নিকাশের ফসল।

অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র ‘দ্য জোন অব ইন্টারেস্ট’-এর পরিচালক জোনাথন গ্লেজার এবং প্রযোজক জেমস উইলসনের নির্বাহী প্রযোজনায় নির্মিত এই তথ্যচিত্রটিই এবারের ভেনিস উৎসবের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে স্থান পাওয়া একমাত্র নন-ফিকশন ছবি। প্রদর্শনী শেষে উদ্বেলিত দর্শকদের অনেকে ফিলিস্তিনের পতাকা তুলে ধরে আবেগ প্রকাশ করেন। এর আগে উৎসবটিতে দীর্ঘতম করতালির নজির ছিল কাউথের বেন হানিয়ার গাজাভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘দ্য ভয়েস অব হিন্দ রজব’-এর ঝুলিতে। পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতি তেলআবিবকে দেওয়া অন্ধ সমর্থন পুনর্বিবেচনা ও নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানিয়ে নির্মাতা আব্রাহাম উল্লেখ করেন, ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও সংকটের ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক সমাধানের জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রত্যক্ষ ও দৃঢ় পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।


নির্বাচিত

প্রথম সপ্তাহেই ২০০ কোটি রুপির ক্লাবে ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই বিশ্বব্যাপী ২০০ কোটি রুপির আয়ের মাইলফলক অতিক্রম করেছে বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’। পঙ্কজ ত্রিপাঠী ও আলী ফজল অভিনীত অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার এই সিনেমাটি মুক্তির প্রথম সাত দিনে বিশ্বজুড়ে মোট ২১২ কোটি ৪৪ লাখ রুপির মোট (গ্রস) কালেকশন তুলে নিয়ে বক্স অফিসে অভাবনীয় সাফল্যের নজির গড়েছে।

চলচ্চিত্রের আয় ও পরিসংখ্যানবিষয়ক আন্তর্জাতিক পোর্টাল স্যাকনিল্ক জানিয়েছে, মুক্তির সপ্তম দিনে ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে সিনেমাটি নিট ১০ কোটি ৫৫ লাখ রুপি আয় করেছে। এতে করে দেশটিতে ছবিটির সামগ্রিক গ্রস আয় দাঁড়িয়েছে ১৭৬ কোটি ৯৪ লাখ রুপি এবং নিট সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ১৪৮ কোটি ৪৫ লাখ রুপিতে, যা দেশীয় বাজারে ১৫০ কোটি রুপির কোটা স্পর্শ করার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। উদ্বোধনী দিনে ২৫ কোটি ৭৫ লাখ রুপি দিয়ে বড় পর্দায় যাত্রা শুরুর পর প্রথম সাপ্তাহিক ছুটির তৃতীয় দিনে সর্বোচ্চ ৩৬ কোটি রুপির রেকর্ড ব্যবসা করে ছবিটি। একই সঙ্গে ভারতের বাইরে আন্তর্জাতিক বা ওভারসিজ বাজার থেকেও এখন পর্যন্ত ৩৫ কোটি ৫০ লাখ রুপি আয় করতে সক্ষম হয়েছে চলচ্চিত্রটি।

জনপ্রিয় ওটিটি ক্রাইম ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘মির্জাপুর’-এর প্রিক্যুয়েল হিসেবে বড় পর্দায় নির্মিত হয়েছে এই মেগা প্রজেক্টটি। পরিচালক গুরমিত সিংয়ের পরিচালনায় এবং পুনীত কৃষ্ণের চিত্রনাট্যে এতে মূল সিরিজের আগের ঘটনা ও চরিত্রগুলোর উত্থানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়েছে। ছবিতে কালিন ভাইয়া চরিত্রে পঙ্কজ ত্রিপাঠী, গুড্ডু পণ্ডিত রূপে আলী ফজল এবং মুন্না ভাইয়া চরিত্রে দিব্যেন্দু শর্মা প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। এ ছাড়া রসিকা দুগল, শ্বেতা ত্রিপাঠী, জীতেন্দ্র কুমার ও রবি কিষাণের মতো অভিনেতারাও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয়শৈলী প্রদর্শন করেছেন।


নির্বাচিত

মুক্তির আগেই অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’র রেকর্ড

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

প্রেক্ষাগৃহে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পাওয়ার প্রায় তিন মাস আগেই অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে অভাবনীয় সাড়া ফেলে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে মার্ভেল স্টুডিওর বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’। কেবল উত্তর আমেরিকার বাজারেই মুক্তির আগে অগ্রিম টিকিট বিক্রি থেকে সিনেমাটির ঝুলিতে জমা পড়েছে প্রায় ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ৬০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ। বাজার পর্যালোচকদের তথ্যানুযায়ী, বিক্রিত টিকিটের ৭০ শতাংশেরও বেশি সংগৃহীত হয়েছে প্রিমিয়াম লার্জ-ফরম্যাট বা ‘ইনফিনিটি ভিশন’ স্ক্রিনগুলোর মাধ্যমে, যা উন্নত প্রযুক্তি ও সুবিশাল ক্যানভাসে সিনেমাটির ভিজ্যুয়াল উপভোগে দর্শকদের তীব্র আগ্রহকেই নির্দেশ করে।

চলতি বছরের বড়দিনের ছুটির মৌসুমে প্রেক্ষাগৃহে আসতে যাওয়া ‘ডুমসডে’ বক্স অফিসে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সময়ে মুক্তি পাওয়ার তালিকায় রয়েছে ফরাসি-কানাডীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা দ্যনি ভিলনভের সাড়াজাগানো ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন কিস্তি ‘ডুন: পার্ট থ্রি’। চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আইম্যাক্স পর্দাগুলোতে ‘ডুন: পার্ট থ্রি’ জোরালো প্রভাব বিস্তার করতে পারে, আর অন্যান্য প্রিমিয়াম লার্জ-ফরম্যাট প্রেক্ষাগৃহগুলোর সিংহভাগ দখল করবে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’।

ডিসেম্বরে সিনেমাটি মুক্তির আগে প্রেক্ষাপট ও মার্ভেল মহাবিশ্বের যোগসূত্রটি দর্শকদের কাছে সহজবোধ্য করতে স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ডিজনি প্লাসে ১৫টি অপরিহার্য সিনেমা ও সিরিজের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি অতীতের গুরুত্বপূর্ণ গল্পসূত্র মনে করিয়ে দিতে কিছু অপ্রকাশিত দৃশ্য যুক্ত করে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর পুনরায় বড় পর্দায় মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম: এনকোর’। ইতোমধ্যে প্রকাশ হওয়া ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’র ট্রেলারটি ডিজনির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি এবং বিশ্বমঞ্চে সর্বকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চবার প্রদর্শিত ট্রেলার হওয়ার ঐতিহাসিক রেকর্ড গড়েছে। বিশ্বজুড়ে আলোচনার ঝড় তোলা এই মেগাবাজেট সিনেমাটি আগামী ১৮ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে চূড়ান্তভাবে মুক্তি পাবে।


নির্বাচিত

যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ছেন হলিউড তারকা অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

সন্তানরা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর এবার দীর্ঘদিনের আবাসস্থল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে পাড়ি জমানোর চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন অস্কারজয়ী হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। ফ্যাশন ম্যাগাজিন ল’অফিশিয়েল-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ‘লারা ক্রফট’খ্যাত এই তারকা জানিয়েছেন, জীবনের এক দীর্ঘ অধ্যায়ের সমাপ্তি টেনে আপাতত কোনো একক দেশে স্থায়ী হওয়ার চেয়ে বিশ্বজুড়ে ঘুরে বেড়িয়ে কিছুটা সময় ‘যাযাবর’ জীবনের অভিজ্ঞতা নিতে চান তিনি।

ভবিষ্যৎ জীবন প্রসঙ্গে জোলি জানান, স্থায়ী বসতি অবিলম্বে না গড়লেও মায়ের স্মৃতিবিজড়িত স্মারক ও পরিবারের ছবিগুলো একটি নির্দিষ্ট আশ্রয়ে সংরক্ষণ করে রাখবেন তিনি। বিদেশে অবস্থান করলেও তাঁর নিজস্ব আন্তর্জাতিক ফ্যাশন উদ্যোগের কার্যক্রম এবং জাতিসংঘ ও অলাভজনক সংস্থা ‘ম্যাডক্স ফাউন্ডেশন’-এর আওতায় বৈশ্বিক মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পুরোদমে সচল থাকবে। ভ্রমণের অংশ হিসেবে তিনি প্রাথমিক পর্যায়ে কয়েক মাস কম্বোডিয়ায় কাটানোর পরিকল্পনা করেছেন।

এর আগে লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রতি নিজের অসন্তোষের কথা জানিয়ে গত আগস্টে দ্য হলিউড রিপোর্টার-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জোলি উল্লেখ করেছিলেন, কেবল সাবেক স্বামী ব্র্যাড পিটের সঙ্গে বিচ্ছেদসংক্রান্ত জটিলতার কারণেই বাধ্য হয়ে এতদিন তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে হয়েছে। ২০১৬ সালে শুরু হওয়া আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০২৪ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়। তবে আদালতের শর্তানুযায়ী সন্তানদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁর দেশত্যাগে আইনি সীমাবদ্ধতা ছিল। গত জুলাইয়ে কনিষ্ঠ যমজ সন্তান ভিভিয়েন ও নক্সের ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার মধ্য দিয়ে ম্যাডক্স, প্যাক্স, জাহারা ও শিলোসহ ছয় সন্তানের সবাই প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় সেই আইনি বাধ্যবাধকতার অবসান ঘটেছে। লস অ্যাঞ্জেলেস ছেড়ে যাওয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত মে মাসেই ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত তাঁর ২ কোটি ৯৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার মূল্যের ঐতিহাসিক বাড়িটি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন এই বিশ্বখ্যাত তারকা।


নির্বাচিত

অস্ট্রেলিয়ায় একই মঞ্চে জেমস ও রূপম ইসলামের যৌথ কনসার্ট

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে পৌঁছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডতারকা জেমসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রখ্যাত রক সংগীতশিল্পী রূপম ইসলাম। নগরবাউল জেমসকে নিজের ‘গুরু’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তাঁর সঙ্গে একই মঞ্চে গান পরিবেশন নিয়ে গভীর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন এই সংগীতশিল্পী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেমসের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও মুগ্ধতা প্রকাশ করে যুগল ছবি পোস্টের মাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘জয় রক এবং জয় গুরু! আবার দেখা হলো। গানও হবে। সিডনি— আসছো তো সবাই?’

আগামী শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় সিডনির নরওয়েস্ট কনভেনশন সেন্টারে বহু প্রতীক্ষিত এই বিশেষ সংগীতানুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বাংলা রক সংগীতের দুই মহাতারকার এই ঐতিহাসিক যৌথ পরিবেশনাকে ঘিরে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত দুই বাংলার প্রবাসী শ্রোতা ও সংগীতপ্রেমীদের মাঝে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে।

আয়োজনটি প্রসঙ্গে এক ভিডিও বার্তায় জেমস ভক্তদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা নগরবাউল এখন সিডনি চলে এসেছি। দেখা হচ্ছে ১২ সেপ্টেম্বর, নরওয়েস্ট কনভেনশন সেন্টারে। দুই বাংলার দুই রক ব্যান্ডের কনসার্টে আপনাদের দেখার জন্য আমন্ত্রণ রইল।’

উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২৪ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত একটি বৃহৎ কনসার্টে দুই বাংলার এই দুই নন্দিত রক তারকাকে একই মঞ্চে একসঙ্গে গান পরিবেশন করতে দেখা গিয়েছিল।


নির্বাচিত

শিল্পকলায় স্বপ্নদলের ‘ত্রিংশ শতাব্দী’র ১৩০তম মঞ্চায়ন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে নাট্যদল ‘স্বপ্নদল’-এর প্রশংসিত নাটক ‘ত্রিংশ শতাব্দী’র ১৩০তম মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভারতীয় প্রখ্যাত নাট্যকার বাদল সরকারের মূল রচনা অবলম্বনে যুদ্ধবিরোধী এই নাটকটির পুনর্বিন্যাস ও নির্দেশনা দিয়েছেন নাট্যনির্দেশক জাহিদ রিপন। বুধবার সন্ধ্যায় একাডেমি প্রাঙ্গণে নাটকটির এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

নাটকটির মূল কাহিনি আবর্তিত হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে ফেলা আণবিক বোমার ধ্বংসযজ্ঞ ও এর অপ্রত্যাশিত নির্মম পরিণতিকে কেন্দ্র করে। পারমাণবিক হামলার সেই ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডির পাশাপাশি নাটকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ, বসনিয়ার যুদ্ধ, ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের দীর্ঘ সংঘাত এবং আফগানিস্তান ও ইরাকে ঘটে যাওয়া যুদ্ধ ও সহিংসতার করুণ চিত্র।

ঐতিহাসিক ঘটনার পাশাপাশি সমসাময়িক বিশ্বরাজনীতির প্রেক্ষাপটও নাটকটিতে জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে। এতে সাম্প্রতিক রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত ও ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব এবং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক নানা অমানবিক ঘটনাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে এসব সংঘাত বিশ্লেষণের মাধ্যমে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের যুদ্ধবাজ, যুদ্ধাপরাধী এবং স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর আসল রূপ ও তাদের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের দীর্ঘমেয়াদি বীভৎসতা দর্শকের সামনে উন্মোচন করা হয়েছে।

সভ্যতা বিধ্বংসী মানবসৃষ্ট যুদ্ধ, গণহত্যা ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে মানুষ হিসেবে বর্তমানের নৈতিক দায়িত্ব অনুধাবন করাই এই প্রযোজনার মূল উদ্দেশ্য। নির্দেশনার মাধ্যমে যুদ্ধ ও সহিংসতার বিপক্ষে মানবিক বিবেক জাগ্রত করা এবং দর্শকদের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মুখোমুখি দাঁড় করানোর প্রয়াস চালিয়েছে নাট্যদল স্বপ্নদল।


নির্বাচিত

গ্রীষ্মকালীন বক্স অফিসে সর্বকালের রেকর্ড, আয় ৫৮ হাজার কোটি টাকা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

উত্তর আমেরিকার চলচ্চিত্র বাণিজ্যের ইতিহাসে গ্রীষ্মকালীন বক্স অফিসে সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়ের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। বক্স অফিস ট্র্যাকিং সংস্থা রেন্ট্রাকের হিসাব অনুযায়ী, গত ১ মে থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে উত্তর আমেরিকার প্রেক্ষাগৃহগুলোর টিকিট বিক্রি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৪ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এই অভাবনীয় অর্জনের মাধ্যমে ২০১৩ সালের ৪ দশমিক ৭৫৫ বিলিয়ন ডলারের দীর্ঘ ১৩ বছরের পুরোনো রেকর্ডটি ভেঙে নতুন ইতিহাস তৈরি হলো। তবে বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০১৩ সালের আয়ের হিসাবের সঙ্গে মুদ্রাস্ফীতির সমন্বয় করা হয়নি এবং তৎকালীন ১২৩ দিনের তুলনায় এবার মৌসুমের ব্যাপ্তি ছিল ১৩০ দিন।

হলিউডের এই রেকর্ডভাঙা বাণিজ্যিক সাফল্যের পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’, ‘দ্য ওডিসি’ ও ‘টয় স্টোরি ৫’-এর মতো বড় ফ্র্যাঞ্চাইজির মেগা প্রজেক্টগুলো। এর মধ্যে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ শুধু উত্তর আমেরিকার বাজার থেকেই সংগ্রহ করেছে প্রায় ৯২৩ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১১ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা) এবং বিশ্বজুড়ে সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে (প্রায় ২৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা)। এছাড়া বাংলাদেশে গত ৩০ জুলাই মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি মুক্তির ২৪ দিনে অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রায় ১২ কোটি ৪২ লাখ টাকা আয় করেছে। অন্যদিকে ‘দ্য ওডিসি’ উত্তর আমেরিকায় প্রায় ৫৮৯ মিলিয়ন ডলার এবং বিশ্বজুড়ে প্রায় ১ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে, যার মধ্যে শুধু আইম্যাক্স সংস্করণ থেকেই এসেছে প্রায় ৪৮৬ মিলিয়ন ডলার।

রেন্ট্রাকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলচ্চিত্র বাণিজ্যের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গ্রীষ্মকালীন মৌসুমের চারটি মাসেই (মে, জুন, জুলাই ও আগস্ট) প্রতি মাসে বক্স অফিস আয় এক বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। মাসভিত্তিক হিসাবে মে মাসে ১ দশমিক ০৭ বিলিয়ন, জুনে ১ দশমিক ০৮ বিলিয়ন, জুলাইয়ে ১ দশমিক ১৮ বিলিয়ন এবং আগস্টে প্রায় ১ দশমিক ২৭ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে; যা পুরো মৌসুমের ধারাবাহিক আর্থিক প্রবাহকে শক্তিশালী করেছে।

বড় বাজেটের ফ্র্যাঞ্চাইজির পাশাপাশি তরুণদের পছন্দের ‘অবসেশন’ ও ‘ব্যাকরুমস’-এর মতো সিনেমাগুলো ব্যবসায়িকভাবে বেশ সফল হয়েছে এবং ইতিবাচক দর্শক সাড়ায় ভালো ব্যবসা করেছে ‘কায়োটি বনাম অ্যাকমি’। তবে সব ছবি কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায়নি; ‘ফল ২: ডেডপয়েন্ট’ ও ‘অনসলট’ প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্যবসা করতে ব্যর্থ হয়েছে। সামগ্রিকভাবে, ২০২৬ সালের গ্রীষ্মের এই সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করোনা মহামারি-পরবর্তী সময়ে সিনেমা হলে দর্শকদের পরিবারসহ নিয়মিত ফিরে আসার প্রবণতাকে আরও গতিশীল ও সুদৃঢ় করেছে।


নির্বাচিত

জন্মদিনে মুক্তি পেল আশা ভোঁসলের গাওয়া শেষ গান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

ভারতীয় সংগীতের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী প্রয়াত আশা ভোঁসলের প্লেব্যাক ক্যারিয়ারে রেকর্ড করা শেষ গান ‘এ মেরি জিন্দেগি, তু ছিপি হ্যায় কাহাঁ’ আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পেয়েছে। মঙ্গলবার ভারতের মুম্বাইয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গানটি উন্মোচন করা হয়। সুরসম্রাজ্ঞী হিসেবে খ্যাত এই সংগীতশিল্পীর ৯৩তম জন্মবার্ষিকী স্মরণীয় করে রাখতেই গানটি প্রকাশের দিন হিসেবে এই তারিখটি বেছে নেওয়া হয়।

আসন্ন হিন্দি পারিবারিক কমেডি-ড্রামা সিনেমা ‘ওম কা হরি’-এর জন্য গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন তিনি। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মৃত্যুবরণ করা এই সংগীত তারকা জীবনের শেষভাগে ২০২৩ সালে ৯০ বছর বয়সে তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ এই প্লেব্যাকটি রেকর্ড করেন। চলচ্চিত্রের জন্য ধারণকৃত তাঁর শেষ গান হিসেবে এটি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেয়েছে। গানটির অফিশিয়াল ভিডিওতে স্টুডিওতে রেকর্ডিংয়ের সময়কার বিভিন্ন নেপথ্য দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে মাইক্রোফোনের সামনে তাঁকে গভীর সংগীত সাধনায় মগ্ন দেখা যায়।

জীবদ্দশায় গানটি রেকর্ডিংয়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আশা ভোঁসলে জানিয়েছিলেন, সুর ও কথা শোনামাত্রই তিনি গানটির প্রেমে পড়ে যান এবং কোনো দ্বিধা ছাড়াই এতে কণ্ঠ দিতে রাজি হন। চমৎকার সুর ও ভাবনার কারণে গানটি তাঁর মন ছুঁয়ে গিয়েছিল এবং রেকর্ডিংয়ের পরও তিনি সারা দিন এটি গুনগুন করে গাইতেন বলে মন্তব্য করেছিলেন।

গানটির প্রকাশনা অনুষ্ঠানে ‘ওম কা হরি’ সিনেমার ট্রেলার ও সুরের ঝলক প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছবির অভিনয়শিল্পী রঘুবীর যাদব, সোনি রাজদান, অংশুমান ঝা ও আয়েশা কাপুর। এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রবীণ ও নবীন সংগীতশিল্পীদের পরিবেশনা শ্রোতাদের মুগ্ধ করে। চলচ্চিত্রটির অডিও অ্যালবামে আশা ভোঁসলের পাশাপাশি প্রয়াত কিংবদন্তি কিশোর কুমারের পুত্র অমিত কুমার, পরেশ পাহুজা ও রঘুবীর যাদবের কণ্ঠে গান রয়েছে।


নির্বাচিত

প্রথম পরিচালনায় আন্তর্জাতিক ১০ উৎসবে সায়নী গুপ্তার ‘আসমানি’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বলিউডের পরিচিত মুখ ও অভিনেত্রী সায়নী গুপ্তা প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্র পরিচালনায় নেমেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন। তাঁর পরিচালিত প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আসমানি’ বিশ্বের ১০টি মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচিত হয়েছে। বিনোদনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বলিউড হাঙ্গামার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী দুই মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জাপান ও ভারতের বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটি প্রদর্শিত হবে।

উৎসবের এই তালিকায় যুক্ত হওয়ার আগেই চলচ্চিত্রটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেছে। ছবিটি ৫৯তম ‘ওয়ার্ল্ডফেস্ট-হিউস্টন’ উৎসবে সেরা শিশুতোষ চলচ্চিত্র হিসেবে স্পেশাল জুরি অ্যাওয়ার্ড এবং ‘ইন্ডি-মিম ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’-এ সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে অডিয়েন্স চয়েস পুরস্কার লাভ করেছে। এক দাদি ও তাঁর নাতনির মধ্যকার আত্মিক সম্পর্ক এবং তাঁদের জীবনে একটি গাড়ির গভীর স্মৃতিকে কেন্দ্র করে ‘আসমানি’র গল্প আবর্তিত হয়েছে; যেখানে ভালোবাসা, স্বজন হারানোর ক্ষত ও নিখাদ বন্ধুত্বের মেলবন্ধন ফুটিয়ে তুলেছেন সায়নী।

১৯৮৫ সালে কলকাতায় জন্ম নেওয়া সায়নী গুপ্তা ভারতের মর্যাদাপূর্ণ ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (এফটিআইআই) থেকে অভিনয়ের প্রাতিষ্ঠানিক পাঠ গ্রহণ করেন। ২০১২ সালে ‘সেকেন্ড ম্যারেজ ডট কম’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় তাঁর অভিষেক ঘটে। পরবর্তীতে তিনি শাহরুখ খানের সঙ্গে ‘ফ্যান’, ‘জলি এলএলবি ২’, ‘জাজ্ঞা জাসুস’, ‘যাব হ্যারি মেট সেজাল’, ‘ফুকরে রিটার্নস’ এবং ‘আর্টিকেল ১৫’-এর মতো একাধিক ব্যবসাসফল ও প্রশংসিত বলিউড চলচ্চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করে নিজের অবস্থান পোক্ত করেন।

বড় পর্দায় সায়নীকে সর্বশেষ ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্র ‘খাবো কা ঝামেলা’য় দেখা গিয়েছিল। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও তিনি অত্যন্ত সফল ও নিয়মিত মুখ। ওটিটিতে তিনি ‘ফোর মোর শটস প্লিজ!’, ‘কল মি বে’, ‘দিল্লি ক্রাইম’ এবং ‘গ্লোরি’র মতো প্রশংসিত ওয়েব ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। দীর্ঘ অভিনয়ের পর প্রথম পরিচালনায় এসে এমন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি তাঁর ক্যারিয়ারে নতুন এক মাত্রা যোগ করল।


নির্বাচিত

প্রকাশ পেল অজয় দেবগনের ‘দৃশ্যম ৩’-এর ট্রেলার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বলিউডের জনপ্রিয় ক্রাইম থ্রিলার ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘দৃশ্যম’-এর তৃতীয় ও শেষ কিস্তি ‘দৃশ্যম : দ্য কনক্লুশন’-এর আনুষ্ঠানিক ট্রেলার প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার সিনেমাটির রহস্য ও টানটান উত্তেজনায় ভরা ট্রেলার প্রকাশ্যে আসতেই দর্শকমহলে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। কোনো বাণিজ্যিক নাচ-গান বা অতিপ্রাকৃতিক মারপিট ছাড়া স্রেফ জটিল চিত্রনাট্য ও অভিনয়দক্ষতার ওপর ভর করে আগের দুটি সফল কিস্তির মতোই এবারও সফল সমাপ্তির ইঙ্গিত দিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

চলচ্চিত্রের গল্প আবর্তিত হয়েছে বিজয় সালগাওকার ও তাঁর পরিবারকে কেন্দ্র করে। পরিস্থিতির শিকার হয়ে বিজয়ের বড় মেয়ের হাতে এক তরুণ নিহত হওয়ার পর পরিবারকে আইনের হাত থেকে রক্ষা করতে একের পর এক নিখুঁত কৌশল অবলম্বন করতে দেখা যায় বিজয় ও তাঁর স্ত্রীকে। অন্যদিকে নিহত সন্তানের বাবা-মা সত্য উদঘাটন ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যান। এবারের তৃতীয় পর্বে পুলিশের পক্ষ থেকে বিজয়ের বিরুদ্ধে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট ও পোক্ত প্রমাণ জোগাড় করার দৃশ্য দেখানো হয়েছে, যা পুরো পরিস্থিতিকে আরও বেশি জটিল ও রোমাঞ্চকর করে তুলেছে।

অভিনয়শিল্পীদের তালিকায় পূর্বের জনপ্রিয় শিল্পীদের পাশাপাশি নতুন কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুখের সমাবেশ ঘটেছে। অজয় দেবগন, টাবু, রজত কাপুর, সৌরভ শুক্লা ও শ্রিয়া সরণের মতো মূল চরিত্রগুলোর সঙ্গে এবার নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ভারতের দুই দাপুটে অভিনেতা প্রকাশ রাজ এবং জয়দীপ আহলাওয়াত। ট্রেলারে এই তারকাদের মুখোমুখি অভিনয় ও সংলাপের উপস্থিতি চলচ্চিত্রের উত্তেজনা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

অভিষেক পাঠক পরিচালিত ‘দৃশ্যম ৩’ আগামী ২ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। এটি মূলত একই নামের মালয়ালম চলচ্চিত্রের অফিশিয়াল হিন্দি সংস্করণ; এর আগের দুটি কিস্তিও সফলভাবে পুনঃনির্মিত হয়ে বক্স অফিসে বিপুল বাণিজ্যিক সাফল্য পেয়েছিল। বিজয় সালগাওকার এবারও নিজের বুদ্ধিমত্তা দিয়ে পরিবারকে বাঁচাতে পারবেন নাকি শেষ পর্যন্ত আইনের মুখোমুখি হতে হবে, সেই অমীমাংসিত প্রশ্নের উত্তর মিলবে আসন্ন এই চলচ্চিত্রে।


নির্বাচিত

banner close