রোববার, ১ নভেম্বর ২০২৬
১৬ কার্তিক ১৪৩৩

সাময়িক বিরতিতে তাপসী পান্নু

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত : ৩০ এপ্রিল, ২০২৪ ১৪:১৫

দক্ষিণী অভিনেত্রী তাপসী পান্নু। তবে নিজেকে দক্ষিণী অভিনেত্রী ভাবতে আপত্তি এই নায়িকার। নিজেকে কেবল ভারতীয় তারকা বলতেই বেশি পছন্দ তার। ২০২৩ সালের শেষের দিকে শাহরুখ খানের বিপরীতে ‘ডাঙ্কি’ সিনেমায় অভিনয় করে নতুন করে আলোচনায় আসেন। কিছুদিন আগে বিয়ে করে নতুন জীবনে প্রবেশ করে আরেক অধ্যায় সূচনা করেন। বলা চলে, পেশাগত ও ব্যক্তিগত দুই জীবনেই ফুরফুরে মেজাজে আছেন তাপসী পান্নু।

অভিনয় জীবনের এক যুগ পেরিয়ে এখনো নিজের বৈশিষ্ট্য ও সাফল্য ধরে রেখেছেন তাপসী। এর পুরো কৃতিত্ব নিজের মেধা ও প্রচেষ্টাকেই দিতে চান অভিনেত্রী। তার ভাষ্য, ‘আমি এখন এমন এক অবস্থানে আছি, মনে হচ্ছে কিছু কাজ তো করেছি। আমি সত্যিই অনেক পরিশ্রম করেছি এবং নিজের যোগ্যতায় সব করেছি। সুতরাং আমার সাফল্য কোনো দুর্ঘটনা বা ভাগ্যের জোরে পাওয়া না। প্রতিনিয়ত চেষ্টার মধ্যে থেকেছি। তাই এই অবস্থানটা আমার জন্য বেশ আনন্দের ও সন্তুষ্টির।’

বর্তমানে কাজ থেকে কিছুটা বিশ্রামে আছেন তাপসী। বললেন, ‘আমার এখন বিরতি দরকার। সময়টা উপভোগ করা, বিশ্রাম নেওয়া দরকার। এরপর এমন কিছু দিয়ে কাজে ফেরা উচিত, যেটা পুনরায় আমাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে।’

নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে তাপসীর পর্যালোচনা এ রকম, “এখন বিশ্ব যখন অ্যাকশন, স্পাই ঘরানার ছবিতে মেতে আছে, আমি এগুলো ক্যারিয়ারের শুরুতেই করেছি ‘বেবি’ (২০১৫) ও ‘নাম শাবানা’ (২০১৭) ছবিতে। আবার ২০১৯ সালেই ‘বদলা’ ছবিতে খল চরিত্রে কাজ করেছি। নিজের চেহারা আমূল পরিবর্তন করে ‘সান্ড কি আঁখ’ (২০১৯) ছবিতে অভিনয় করেছি। স্পোর্টস-ড্রামা জনরার ছবিতেও আমাকে দেখা গেছে। হত্যা রহস্য, টাইম ট্রাভেল, থ্রিলার, ভৌতিক, বায়োপিক কত রকম ছবি করেছি। এত ধরনের ছবিতে কাজ করা নিঃসন্দেহে কঠিন ব্যাপার।”

তাপসী পান্নুকে আগামীতে দেখা যাবে জয়াপ্রদ দেসাই নির্মিত ‘ফির আয়ি হাসিন দিলরুবা’ সিনেমায়। এটি ২০২১ সালের ‘হাসিন দিলরুবা’ ছবির দ্বিতীয় কিস্তি। এতে তাপসীর সঙ্গে আছেন বিক্রান্ত ম্যাসি ও সানি কৌশল। ছবিটি মুক্তি পাবে নেটফ্লিক্সে।

বিষয়:

নির্বাচিত

‘পুরাই তো ভাই-বোন লাগছে’, অ্যাডলফ খানের সঙ্গে সেলফি পোস্ট করে মেঘনা আলম

আলোচিত মুখ অ্যাডলফ খানের সঙ্গে ক্যামেরাবন্দি হয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:০৮
বিনোদন ডেস্ক

চিত্রনায়িকা পরীমনির জন্মদিনের অনুষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহুল আলোচিত মুখ অ্যাডলফ খানের সঙ্গে ক্যামেরাবন্দি হয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম। উক্ত মিলনমেলার একটি মুহূর্তের ছবি নিজের সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে কৌতুকপূর্ণ মন্তব্য জুড়ে দিয়েছেন সাবেক এই মিস বাংলাদেশ।

ছবির ক্যাপশনে মেঘনা আলম লিখেছেন, ‘পরীমনির জন্মদিনে, সুদর্শন পুরুষ খ্যাত অ্যাডলফ খানের সঙ্গে, সাবেক মিস বাংলাদেশ ও পলিটিক্যাল এডুকেটর মেঘনা আলম! পুরাই তো ভাই-বোন লাগছে, এত শার্প ফেস আমার পাশে খুব কমই দেখা যায়।’

সামাজিক মাধ্যমে ছবিটি প্রকাশ পাওয়ার পরপরই তাঁদের একসঙ্গে উপস্থিতি এবং দুজনের চেহারার সাদৃশ্য নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে বেশ কৌতূহল ও ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, সুদর্শন অবয়বের সুবাদে অন্তর্জালে আগেই আলাদা পরিচিতি পেয়েছেন অ্যাডলফ খান; অন্যদিকে মেঘনা আলম ফ্যাশন ও মডেলিংয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নিয়মিত সরব রয়েছেন।

বিষয়:

নির্বাচিত

নেটফ্লিক্সে আসছে ‘প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’, মুক্তি পেল ট্রেলার

এলিজাবেথ বেনেট ও মিস্টার ডার্সির মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন এবং ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা প্রেমের দৃশ্য রূপালি পর্দায় নতুন আঙ্গিকে ফুটে উঠেছে
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

জেন অস্টেনের বিশ্বসাহিত্যের কালজয়ী উপন্যাস ‘প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’ অবলম্বনে নির্মিত নতুন ধারাবাহিকের আনুষ্ঠানিক ট্রেলার প্রকাশ করেছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স। প্রকাশিত ট্রেলারে কেন্দ্রীয় চরিত্র এলিজাবেথ বেনেট ও মিস্টার ডার্সির মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন এবং ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা প্রেমের দৃশ্য রূপালি পর্দায় নতুন আঙ্গিকে ফুটে উঠেছে।

নতুন এ ধারাবাহিকে এলিজাবেথ ‘লিজি’ বেনেটের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ব্রিটিশ অভিনেত্রী এমা করিন এবং মিস্টার ডার্সির ভূমিকায় পর্দায় হাজির হয়েছেন জ্যাক লোডেন। ট্রেলারের সূচনাতেই বোন জেন বেনেটের (অভিনয়ে ফ্রেয়া মাভর) সঙ্গে লিজিকে ভবিষ্যৎ নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করতে দেখা যায়, যেখানে পরিবার ও সমাজের চোখে অবিবাহিত অভিভাবিকা হওয়া অথবা প্রথাগত স্ত্রী ও মা হওয়ার বাইরে কোনো গন্তব্য না থাকার বাস্তবতার কথা আলোচনা করেন তিনি।

এরপর পর্যায়ক্রমে বেনেট পরিবারের অন্যান্য চরিত্রগুলোর উপস্থিতি নজর কাড়ে। এতে মিসেস বেনেটের ভূমিকায় রূপদান করেছেন খ্যাতনামা অভিনেত্রী অলিভিয়া কোলম্যান এবং মিস্টার বেনেটের চরিত্রে দেখা যাবে রুফাস সিওয়েলকে। এ ছাড়া লুই প্যাট্রিজকে উইকহ্যাম, জেমি ডেমেট্রিউকে মিস্টার কলিন্স এবং ফিওনা শ-কে লেডি ক্যাথরিন ডি বুর্গের চরিত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ট্রেলারের একপর্যায়ে অলিভিয়া কোলম্যানের গম্ভীর কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হয় মূল সাহিত্যের সেই ঐতিহাসিক প্রারম্ভিক বার্তা— ‘এটি একটি সর্বজনস্বীকৃত সত্য যে, বিপুল সম্পদের অধিকারী অবিবাহিত একজন পুরুষের অবশ্যই একজন স্ত্রী প্রয়োজন।’

এদিকে ট্রেলারে দেখানো একটি হ্রদের দৃশ্যকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ও সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তি কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। জামার হাতা গোটানো অবস্থায় ডার্সির আনমনে হ্রদের জলে পাথর নিক্ষেপ এবং দূর থেকে এলিজাবেথের অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকার মুহূর্তটি ১৯৯৫ সালের বিখ্যাত রূপায়ণে কলিন ফার্থ ও জেনিফার ইলের সেই কালজয়ী হ্রদের স্মৃতিকেই মনে করিয়ে দেয়। রোমান্স ও পারিবারিক ড্রামানির্ভর বহুল প্রতীক্ষিত এই ধারাবাহিকটি আগামী ৩ ডিসেম্বর বিশ্বজুড়ে নেটফ্লিক্সে উন্মুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।


নির্বাচিত

নিশো-চঞ্চল-তমাকে নিয়ে ভিকি জাহেদের প্রথম সিনেমা ‘খলনায়ক’

সিনেমাটিতে একটি বিশেষ চরিত্রে যুক্ত হয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

দেশীয় চলচ্চিত্রাঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ঘরানার পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘খলনায়ক’। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো বড় পর্দার চলচ্চিত্র পরিচালনায় নাম লেখালেন নির্মাতা ভিকি জাহেদ। চলচ্চিত্রটি নির্মাণের বিষয়ে আগেই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল; এবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হলো।

মানবচরিত্রের গভীর মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা ও রহস্যময়তাকে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্রটির গল্প ও দৃশ্যপট আবর্তিত হয়েছে। এতে দেশের শীর্ষসারির একঝাঁক শক্তিশালী অভিনয়শিল্পীর সমাবেশ ঘটেছে। কেন্দ্রীয় চরিত্রগুলোতে অভিনয় করছেন আফরান নিশো, চঞ্চল চৌধুরী ও তমা মির্জা। পাশাপাশি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রূপদান করছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, ফজলুর রহমান বাবু, ইন্তেখাব দিনার, সুজন পাটোয়ারী, গাজী রাকায়েত, বিজরী বরকতউল্লাহ, সোহেল মণ্ডল, সুজন আনোয়ার, তুষার খান ও সেঁজুতি। সিনেমাটিতে একটি বিশেষ চরিত্রে যুক্ত হয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার।

আন্তর্জাতিক মানের নির্মাণশৈলী এবং বিষয়বস্তুর গভীরতাকে প্রাধান্য দিয়ে চলচ্চিত্রটি যৌথভাবে প্রযোজনা করছে এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড ও হইচই স্টুডিওস; যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান দুটি প্রথমবারের মতো একসঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছে। মূলত বাংলা চলচ্চিত্রকে বৈশ্বিক পরিসরে তুলে ধরা এবং দর্শকদের জন্য উচ্চমানের মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার উপহার দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গল্প বলার স্বতন্ত্র ধারা, ব্যতিক্রমী নির্মাণকৌশল ও অভিনয়শিল্পী নির্বাচনে ভিন্নতা রেখে সিনেমাটি তৈরি হলেও প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ এখনো অপ্রকাশিত রাখা হয়েছে।

বিষয়:

নির্বাচিত

৩২ বছর পর আবারও বড়পর্দায় ফিরছে জনপ্রিয় সিনেমা ‘মোহরা’

গুলশান রাই প্রযোজিত ও রাজীব রাই পরিচালিত কালজয়ী এ সিনেমাটি আগামী ৬ নভেম্বর বড়পর্দায় নতুন সংস্করণে পুনঃমুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

নব্বইয়ের দশকের তুমুল জনপ্রিয় বলিউড অ্যাকশন থ্রিলার চলচ্চিত্র ‘মোহরা’ দীর্ঘ ৩২ বছর পর আবারও প্রেক্ষাগৃহে ফিরতে যাচ্ছে। গুলশান রাই প্রযোজিত ও রাজীব রাই পরিচালিত কালজয়ী এ সিনেমাটি আগামী ৬ নভেম্বর বড়পর্দায় নতুন সংস্করণে পুনঃমুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ত্রিমূর্তি ফিল্মস তাদের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে এই পুনঃমুক্তির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।

১৯৯৪ সালের ১ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে আসা এ সিনেমার মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছিল বিশাল অগ্নিহোত্রী নামের এক চরিত্রকে কেন্দ্র করে, যার ভূমিকায় ছিলেন সুনীল শেঠি। স্ত্রীর হত্যার বিচার চাইতে গিয়ে কারাবন্দী হওয়া বিশালকে মুক্ত করতে এগিয়ে আসেন অনুসন্ধানী সাংবাদিক রোমা সিং রূপী রাভিনা ট্যান্ডন। তবে কারাগার থেকে মুক্তির পর তিনি নিজেকে প্রভাবশালী জিন্দালের (নাসিরুদ্দিন শাহ) পাতা ফাঁদে আবিষ্কার করেন, যেখানে অপরাধীদের নির্মূল করতে তাঁকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে পুলিশ কর্মকর্তা অমর সাক্সেনা চরিত্রে অক্ষয় কুমার এই ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে নামলে ক্ষমতা, আনুগত্য ও গভীর বিশ্বাসঘাতকতার জটিল সংঘাত সামনে আসে। সিনেমাটিতে পরেশ রাওয়াল, গুলশান গ্রোভার, রাজা মুরাদ, সদাশিব আমরাপুরকর, পুনম ঝাওয়ার, কুলভূষণ খারবান্দা ও অবতার গিলসহ শক্তিমান একঝাঁক অভিনয়শিল্পীকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যায়।

অ্যাকশন ও রোমাঞ্চের পাশাপাশি সিনেমাটির গানগুলোও পেয়েছিল আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা। সুরকার ভিজু শাহের পরিচালনায় এবং আনন্দ বক্সী, ইন্দিভার ও সমীরের কথায় উদিত নারায়ণ, কবিতা কৃষ্ণমূর্তি ও অলকা ইয়াগনিকের গাওয়া ‘তু চিজ বারি হ্যায় মাস্ত মাস্ত’ এবং ‘টিপ টিপ বারসা পানি’ আজও ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম সফল গান হিসেবে বিবেচিত। এ ছাড়া ‘না কাজরে কি ধর’ কিংবা ‘সুবাহ সে লেকার’-এর মতো গানগুলোও দারুণ সাড়া ফেলেছিল। মুক্তির বছরে ‘হাম আপকে হ্যায় কৌন..!’-এর পর বক্স অফিসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড গড়েছিল সিনেমাটি এবং এর অডিও ক্যাসেট ও সিডির ৮০ লাখেরও বেশি কপি বিক্রি হয়েছিল।

চলচ্চিত্রটির পুনঃমুক্তি উপলক্ষে একটি পোস্টার উন্মোচন করেছে প্রযোজনা সংস্থা, যার ক্যাপশনে লেখা হয়েছে— ‘ক্ষমতা ও বিশ্বাসঘাতকতার এক মারাত্মক খেলায় প্রত্যেকেই হতে পারে একটি ঘুঁটি। সেসব টুইস্ট, রোমাঞ্চ ও গানের অভিজ্ঞতা নিন, যা ‘মোহরা’ সিনেমাকে অবিস্মরণীয় করে তুলেছিল!’ এর মাধ্যমে তিন দশকেরও বেশি সময় পর দর্শক আবারও প্রেক্ষাগৃহে অক্ষয় কুমার, সুনীল শেঠি ও রাভিনা ট্যান্ডনের সেই ধামাকা রসায়ন উপভোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন।

বিষয়:

নির্বাচিত

জনপ্রিয় গেম ‘পাবজি’ নিয়ে নেটফ্লিক্সের লাইভ-অ্যাকশন সিরিজ

জনপ্রিয় এই যুদ্ধভিত্তিক গেমটির প্রেক্ষাপট অবলম্বনে একটি লাইভ-অ্যাকশন সিরিজ নির্মাণের চূড়ান্ত উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভিডিও গেমপ্রেমীর কাছে বিপুল সমাদৃত ‘প্লেয়ারআননোনস ব্যাটলগ্রাউন্ডস’ তথা ‘পাবজি’-কে এবার রূপালি পর্দায় নিয়ে আসছে স্ট্রিমিং জায়ান্ট নেটফ্লিক্স। জনপ্রিয় এই যুদ্ধভিত্তিক গেমটির প্রেক্ষাপট অবলম্বনে একটি লাইভ-অ্যাকশন সিরিজ নির্মাণের চূড়ান্ত উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এ মেগা প্রজেক্টটিতে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনার মূল দায়িত্ব পালন করবেন এমি পুরস্কারজয়ী প্রখ্যাত হলিউড অভিনেতা ডোনাল্ড গ্লোভার। আন্তর্জাতিক বিনোদনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেডলাইনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

দীর্ঘদিনের আলোচনার পর চূড়ান্ত হওয়া এই সিরিজের যৌথ চিত্রনাট্য রচনার দায়িত্বে থাকছেন ডোনাল্ড গ্লোভার ও তাঁর ভাই স্টিফেন গ্লোভার; একই সঙ্গে তাঁরা নির্বাহী প্রযোজকের দায়িত্বও সামলাবেন। এ ছাড়া নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে যুক্ত হচ্ছেন নিওনের মাইকেল শেফার, গিলগার ফ্যাম উডেওর্জি এবং গেমটির মূল নির্মাতা দক্ষিণ কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান ক্রাফটনের তাইসিওক জ্যাং ও সুজিন লি। ‘কমিউনিটি’ ও জনপ্রিয় ড্রামা সিরিজ ‘আটলান্টা’র মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি পাওয়া ডোনাল্ড গ্লোভারের সৃষ্টিশীল দক্ষতার ওপর ভিত্তি করেই নেটফ্লিক্স তাঁকে এ সিরিজের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে এনেছে।

২০১৭ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রার পর থেকেই তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া পাবজি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সাতটি অনন্য রেকর্ড নিজেদের ঝুলিতে পুরে নেয়। পরবর্তীতে ২০২০ সালে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ক্রাফটন এটিকে চলচ্চিত্র ও টিভি সিরিজে রূপান্তরের পরিকল্পনার কথা জানায়। কেবল পাবজিই নয়, আরও বেশ কিছু বিখ্যাত ভিডিও গেম নিয়ে কনটেন্ট তৈরির কাজ এগিয়ে নিচ্ছে নেটফ্লিক্স। এর মধ্যে ‘অ্যাসাসিনস ক্রিড’-এর লাইভ-অ্যাকশন সিরিজ ও ‘গিয়ার্স অব ওয়ার’-এর চলচ্চিত্র ছাড়াও ‘মাইনক্রাফট’, ‘ম্যাজিক: দ্য গ্যাদারিং’ এবং ‘ক্ল্যাশ অব ক্ল্যানস’ অবলম্বনে তৈরি হতে যাওয়া একাধিক অ্যানিমেটেড সিরিজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।


নির্বাচিত

‘হাঙ্গার গেমস’-এ ফিরছেন জেনিফার লরেন্স

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

হলিউডের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘দ্য হাঙ্গার গেমস’-এর আইকনিক চরিত্র ক্যাটনিস এভারডিন রূপে আবারও রূপালি পর্দায় ফিরছেন অস্কারজয়ী মার্কিন অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স। শুধু তিনি নন, তাঁর সঙ্গে পুরোনো সহশিল্পী জশ হাচারসন ও উডি হ্যারেলসনেরও পুনর্মিলন ঘটছে ফ্র্যাঞ্চাইজির আসন্ন চলচ্চিত্র ‘দ্য হাঙ্গার গেমস: সানরাইজ অন দ্য রিপিং’-এর মাধ্যমে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) অ্যালেক্স কুপারের জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘কল হার ড্যাডি’-তে অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে লরেন্স বিষয়টি সরাসরি নিশ্চিত করেন। এর মধ্য দিয়ে ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মকিংজে পার্ট টু’-এর দীর্ঘ বিরতির পর প্রথমবারের মতো পর্দায় একসঙ্গে কাজ করলেন এই তিন অভিনয়শিল্পী।

দীর্ঘদিন পর পুরোনো চরিত্রে ফেরার অভিজ্ঞতাকে অবিশ্বাস্য বলে বর্ণনা করেছেন জেনিফার লরেন্স। তিনি জানান, শুটিং সেটে ফিরে পুরোনো কলাকুশলী, ক্যামেরার দল এবং সহকারী পরিচালকদের আবারও কাছে পাওয়া ছিল নস্টালজিক ও পুরোনো দিনে ফিরে যাওয়ার মতো এক চমৎকার অনুভূতি। একই সঙ্গে হাচারসন ও হ্যারেলসনের সঙ্গে পুনর্মিলনের মুহূর্তটিকে তিনি আবেগঘন ও সুন্দর এক অভিজ্ঞতা বলে উল্লেখ করেন। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ‘হ্যাপি স্যাড কনফিউজড’ পডকাস্টে চরিত্রটিতে ফেরার প্রাথমিক ইঙ্গিত দিলেও এবারই প্রথম তিনি বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করলেন।

জনপ্রিয় লেখিকা সুজান কলিন্সের ২০২৫ সালে প্রকাশিত একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে ‘দ্য হাঙ্গার গেমস: সানরাইজ অন দ্য রিপিং’। মূল ফ্র্যাঞ্চাইজির কাহিনীর ২৪ বছর আগের প্রেক্ষাপটে সাজানো এই সিনেমায় মূলত ১৬ বছর বয়সী তরুণ হেইমিচ অ্যাবারনাথির ৫০তম হাঙ্গার গেমসে অংশগ্রহণের লড়াই তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে হেইমিচের তরুণ বয়সের চরিত্রে অভিনয় করছেন জোসেফ জাদা। মূল প্রিক্যুয়েল গল্পে ক্যাটনিসের উপস্থিতি না থাকলেও উপন্যাসের সমাপ্তিতে বর্তমান সময়ের অংশে বয়োবৃদ্ধ হেইমিচের সঙ্গে ক্যাটনিস ও পিটা মেলার্কের কথোপকথন রয়েছে; মূলত সেই অংশেই দেখা যাবে লরেন্স ও হাচারসনকে। ফ্রান্সিস লরেন্সের পরিচালনা এবং বিলি রের চিত্রনাট্যে নির্মিত এ চলচ্চিত্রে আরও অভিনয় করেছেন র‍্যালফ ফাইনস, জেসি প্লেমনস, এল ফ্যানিং, ম্যাকেনা গ্রেস, হুইটনি পিক, কেলভিন হ্যারিসন জুনিয়র, মায়া হক, বিলি পোর্টার, গ্লেন ক্লোজ ও কিয়েরান কালকিন। ছবিটি আগামী ২০ নভেম্বর বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

পডকাস্টের আলাপে অভিনয়ের বাইরে শুটিং সেটে অভিনয়শিল্পীদের শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা নিয়েও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন জেনিফার লরেন্স। নিজের অতীতের একটি নাম প্রকাশ না করা চলচ্চিত্রের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, একটি অন্তরঙ্গ বা নগ্ন দৃশ্য ধারণের সময় সেটে অনুমোদনহীন কিছু কলাকুশলীর উপস্থিতির বিরুদ্ধে তিনি জোরালো আপত্তি তুলেছিলেন। লরেন্স জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো শুটিং সেটে নিরাপত্তা এবং শিল্পীর ব্যক্তিগত সম্মতির নীতিমালা কঠোরভাবে মেনে চলা উচিত। বিশেষ করে চলচ্চিত্র জগতে পা রাখা নবাগত ও তরুণ অভিনয়শিল্পীদের সুরক্ষায় এ ধরনের পেশাদার নিয়মকানুন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।


নির্বাচিত

লস অ্যাঞ্জেলেসে ‘রামায়ণ’-এর প্রিমিয়ার, সমালোচকদের প্রশংসা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বলিউড নির্মাতা নিতেশ তিওয়ারির বহুল প্রতীক্ষিত পৌরাণিক চলচ্চিত্র ‘রামায়ণ’ আগামী ৫ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী মুক্তির প্রাক্কালে গত ২৭ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে সিনেমাটির জাঁকজমকপূর্ণ ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়। প্রদর্শনী শেষে উপস্থিত চলচ্চিত্র সমালোচক ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে ছবিটি। এর বিশাল আয়োজন, নান্দনিক নির্মাণশৈলী এবং চোখধাঁধানো দৃশ্যায়ন দর্শকদের দারুণভাবে আলোড়িত করেছে।

প্রিমিয়ারে সিনেমাটির অভিনয়শিল্পীদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন দর্শকরা। বিশেষ করে রামের চরিত্রে বলিউড তারকা রণবীর কাপুরের সংযত ও গভীর অভিনয় ভূয়সী সমাদর পেয়েছে। একই সঙ্গে রাবণের শক্তিশালী চরিত্রে কন্নড় তারকা যশের উপস্থিতি ও অভিনয়শৈলীও দর্শক-সমালোচকদের মুগ্ধ করেছে। তাঁদের শক্তিশালী অভিনয়ের পাশাপাশি সিনেমাটির আবহ সংগীত ও উন্নত ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস (ভিএফএক্স) পুরো প্রদর্শনীতে একটি মহাকাব্যিক আবহ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

চলচ্চিত্রটির দৃশ্যায়ন ও দৃশ্যবিন্যাসের বিশাল পরিসরের কারণে অনেকেই এটিকে হলিউডের কালজয়ী মেগা ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘দ্য লর্ড অব দ্য রিংস’-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। তবে ইতিবাচক প্রশংসার পাশাপাশি কিছু সমালোচনামূলক পর্যবেক্ষণও এসেছে। সমালোচকদের একাংশের মতে, ভিজ্যুয়াল বা দৃশ্যগত দিক থেকে চোখধাঁধানো হলেও গল্প বলার গতি ও গভীরতার ক্ষেত্রে সিনেমাটি কোথাও কোথাও প্রত্যাশার চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে ছিল।

তিন ঘণ্টারও বেশি দৈর্ঘ্যের দীর্ঘ চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে দর্শকেরা সাধারণত ধৈর্য হারিয়ে ফেললেও ‘রামায়ণ’-এর ক্ষেত্রে তা ঘটেনি বলে উপস্থিত দর্শকেরা জানিয়েছেন। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, সুপরিকল্পিত দৃশ্যবিন্যাস এবং কাহিনীর প্রবাহের কারণে দীর্ঘ এই প্রদর্শনীর পুরোটা সময়ে বিরক্তির উদ্রেক হয়নি। প্রাথমিক এই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আগামী ৫ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটির আনুষ্ঠানিক মুক্তির পথ আরও আশাব্যঞ্জক হয়ে উঠল।


নির্বাচিত

তিন দেশের চলচ্চিত্র উৎসবে সুমিতের ‘মাস্টার’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের তিনটি মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ‘মাস্টার’। নির্মাতা রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত পরিচালিত এই সিনেমাটি প্রদর্শিত হতে যাওয়া উৎসবগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্যের লিডস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, বেলফাস্ট চলচ্চিত্র উৎসব এবং নরওয়ের অসলোতে অনুষ্ঠিতব্য ‘ফিল্মস ফ্রম দ্য সাউথ’। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নির্মাতা নিজেই এই আন্তর্জাতিক অর্জনের খবর নিশ্চিত করেছেন।

চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনীসূচি অনুযায়ী, আগামী ৩০ ও ৩১ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের লিডস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হবে ‘মাস্টার’। উৎসবটির অন্যতম মূল আকর্ষণীয় বিভাগ ‘কনস্টেলেশন’-এ জায়গা করে নিয়েছে এই সিনেমাটি। এর আগে নিজের আলোচিত চলচ্চিত্র ‘দ্য সল্ট ইন আওয়ার ওয়াটার্স’ (নোনা জলের কাব্য)-এর পর দ্বিতীয়বারের মতো মর্যাদাপূর্ণ এই উৎসবে অংশ নিচ্ছেন সুমিত। এরপর আগামী ১ নভেম্বর বেলফাস্ট চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটি দেখানো হবে এবং সবশেষে আগামী ৯ থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত নরওয়ের ‘ফিল্মস ফ্রম দ্য সাউথ’ উৎসবে প্রদর্শিত হবে ছবিটি।

সংশ্লিষ্ট চলচ্চিত্র উৎসবগুলোর পক্ষ থেকেও সিনেমাটির ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। লিডস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব কর্তৃপক্ষ ‘মাস্টার’কে বাংলাদেশের একটি চতুর ও টানটান উত্তেজনায় ভরা রাজনৈতিক নাট্যধর্মী সিনেমা হিসেবে অভিহিত করেছে। তাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, ক্ষমতার সূক্ষ্ম প্রভাব কীভাবে ব্যক্তি ও সমাজকে দুর্নীতিগ্রস্ত করে তোলে, তা এ চলচ্চিত্রে অসাধারণভাবে তুলে ধরা হয়েছে। অন্যদিকে বেলফাস্ট চলচ্চিত্র উৎসবের পক্ষ থেকে সিনেমাটির নান্দনিক নির্মাণশৈলীর প্রশংসা করে বলা হয়েছে, রঙের পরিমিত ব্যবহার, বাস্তব প্রশাসনিক স্থাপনা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দক্ষ সম্পৃক্ততার মাধ্যমে এতে একটি অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও জটিল আবহ রূপায়িত হয়েছে।

চলচ্চিত্রটির প্রেক্ষাপট নিয়ে নির্মাতা রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত জানান, সমকালীন বিশ্বকে প্রতিনিয়ত প্রভাবিত করা ক্ষমতার নীরব ও পরিবর্তনশীল কাঠামো নিয়েই ‘মাস্টার’ নির্মিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশীয় চলচ্চিত্রের এমন স্বীকৃতির মাহাত্ম্য তুলে ধরে তিনি লিডস, বেলফাস্ট ও অসলোতে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের সশরীরে উপস্থিত থেকে সিনেমাটির প্রদর্শনী উপভোগ করার আন্তরিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।


নির্বাচিত

তাহমিমা আনামের উপন্যাস অবলম্বনে হচ্ছে টিভি সিরিজ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্রিটিশ লেখিকা তাহমিমা আনামের আসন্ন উপন্যাস ‘গুড বুকস’ অবলম্বনে একটি আন্তর্জাতিক টিভি সিরিজ নির্মিত হতে যাচ্ছে। বিনোদনবিষয়ক বিশ্বখ্যাত সংবাদমাধ্যম ভ্যারাইটির এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিরিজটির চিত্রনাট্য যৌথভাবে তৈরি করছেন তাহমিমা আনাম ও এমি পুরস্কারে মনোনীত প্রখ্যাত চিত্রনাট্যকার অ্যালিসন ব্রাউন। চিত্রনাট্যকার অ্যালিসন ব্রাউন এর আগে বিশ্বজুড়ে আলোচিত সিরিজ ‘এমিলি ইন প্যারিস’, ‘ইয়াঙ্গার’, ‘আপলোড’ ও ‘স্টাক ইন দ্য মিডল’-এর মতো কাজগুলোর মাধ্যমে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন। নতুন এই সিরিজটি যৌথভাবে প্রযোজনা করছে ব্রিটিশ-আমেরিকান প্রযোজনা সংস্থা পেসসেটার প্রোডাকশনস ও কুডোস।

‘গুড বুকস’ উপন্যাসের মূল কাহিনি গড়ে উঠেছে বই প্রকাশনাজগতের ভেতরের নানা টানাপোড়েন ও বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে। এতে দেখা যাবে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি বইয়ের দোকানে কর্মরত রায়া চ্যাটার্জি নামের এক তরুণীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের শীর্ষস্থানীয় লিটারারি এজেন্ট প্রু ম্যাকনিলের আকস্মিক ও অপ্রত্যাশিত এক সাক্ষাৎ ঘটে। এই সাক্ষাতের হাত ধরে রায়ার পেশাগত জীবনে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন হয় এবং তাকে ফিরতে হয় নিজের জন্মশহর লন্ডনে। তবে নতুন সম্ভাবনার পাশাপাশি সেখানে তাকে মুখোমুখি হতে হয় ফেলে আসা শৈশব ও অতীতের নানা জটিল ও গোপন সত্যের।

এর আগে গত আগস্ট মাসে এডিনবরা আন্তর্জাতিক বইমেলায় তাহমিমা আনামের এই উপন্যাসের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, যেখানে একাধিক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন লেখিকা। মেলা চলাকালীন সময়েই যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য প্রকাশনা সংস্থা ক্যাননগেট বইটি প্রকাশের চুক্তি সম্পন্ন করে এবং প্রতিষ্ঠানটির মার্কিন সহযোগী স্ক্রিবনার বইটির উত্তর আমেরিকার স্বত্ব কিনে নেয়। জানা গেছে, ২০২৮ সালে বইটি পাঠকদের জন্য বাজারে আসবে। চুক্তির সময় প্রকাশকরা বইটিকে সমসাময়িক জনপ্রিয় ফিকশন ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ ও ‘ইয়েলোফেস’-এর একটি চমৎকার সংমিশ্রণ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তাঁদের মতে, প্রকাশনা জগতের বাস্তব চিত্র, বই নির্মাণের নেপথ্য কারিগর, তথাকথিত ইম্পোস্টার সিনড্রোম এবং বিশেষত মা ও মেয়ের সম্পর্কের নানা গভীর মনস্তাত্ত্বিক দিক গল্পটিতে দারুণভাবে উঠে এসেছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা কালজয়ী ‘বেঙ্গল ট্রিলজি’র অংশ ‘আ গোল্ডেন এজ’ ও ‘দ্য গুড মুসলিম’-এর রচয়িতা হিসেবে বিশ্বসাহিত্যে তাহমিমা আনামের শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে। তিনি তাঁর প্রথম উপন্যাসের জন্যই সম্মানজনক ‘কমনওয়েলথ রাইটার্স প্রাইজ’ এবং পরবর্তী সময়ে মর্যাদাপূর্ণ ‘ও. হেনরি অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেন। এ ছাড়া তাঁর উপন্যাস ‘আপরাইজিং’ ইতিপূর্বে ‘অরওয়েল প্রাইজ ফর পলিটিক্যাল ফিকশন’-এর সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পেয়েছিল। ঢাকার মেয়ে তাহমিমা আনাম বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নৃবিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন এবং বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যের সম্মানজনক ‘রয়্যাল সোসাইটি অব লিটারেচার’-এর একজন ফেলো হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


নির্বাচিত

মারা গেছেন ‘স্টার ট্রেক’ ও ‘এক্স-মেন’ তারকা প্যাট্রিক স্টুয়ার্ট

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

হলিউডের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘স্টার ট্রেক’ ও ‘এক্স-মেন’-এ অনন্য অভিনয়শৈলী উপহার দেওয়া খ্যাতিমান ব্রিটিশ অভিনেতা প্যাট্রিক স্টুয়ার্ট মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। স্থানীয় সময় বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মুখপাত্র কেলি বুশ নোভাক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আলঝেইমারস রোগ ও ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত লড়াইয়ের পর তাঁর জীবনাবসান হয়; এর আগে অভিনেতার এই জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

পর্দা ও মঞ্চ উভয় মাধ্যমেই সমান পারদর্শী এই অভিনেতার প্রয়াণে বিশ্ব চলচ্চিত্র ও থিয়েটার অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ‘এক্স-মেন’ সিরিজে তাঁর সহ-অভিনেতা হিউ জ্যাকম্যান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক জানিয়ে লিখেছেন, আজ বিশ্ব মঞ্চ ও পর্দার অন্যতম সেরা প্রতিভাকে হারাল, যাঁর কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার ছিল। অন্যদিকে তাঁর দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও প্রখ্যাত অভিনেতা ইয়ান ম্যাককেলেন স্মৃতিচারণ করে বলেন, প্যাট্রিক কখনো নিজের অনুভূতি লুকিয়ে রাখতেন না, যার কারণে তিনি ছিলেন অত্যন্ত নির্ভরতা ও ভালোবাসার এক ব্যক্তিত্ব।

চলচ্চিত্রের দর্শকদের কাছে স্টুয়ার্ট মূলত ‘এক্স-মেন’ সিরিজের বিজ্ঞ চরিত্র অধ্যাপক চার্লস জেভিয়ার এবং ‘স্টার ট্রেক: দ্য নেক্সট জেনারেশন’-এর ক্যাপ্টেন জ্যঁ-লুক পিকার্ড চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তবে রূপালি পর্দার কাল্পনিক মহাকাশযান বা সুপারহিরোর জগতের চেয়ে তাঁর জীবনের বড় একটি অংশ কেটেছে ধ্রুপদি থিয়েটারের মঞ্চে। শেক্সপিয়রের বিভিন্ন কালজয়ী চরিত্র ক্লডিয়াস থেকে শুরু করে ম্যাকবেথ রূপায়ণে তিনি মঞ্চ মাতিয়েছেন। এ ছাড়া একক অভিনয়ে চার্লস ডিকেন্সের ‘এ ক্রিসমাস ক্যারল’ মঞ্চস্থ করাসহ বন্ধু ইয়ান ম্যাককেলেনের সঙ্গে হ্যারল্ড পিন্টারের ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ এবং স্যামুয়েল বেকেটের ‘ওয়েটিং ফর গডো’ নাটকে ওয়েস্ট এন্ড ও ব্রডওয়ের মঞ্চে অভিনয় করে ভূয়সী প্রশংসা কুড়ান তিনি।

বর্ণাঢ্য অভিনয়জীবনে স্টুয়ার্ট তিনটি সম্মানজনক অলিভিয়ে পুরস্কার অর্জন করেন; যার একটি পেয়েছিলেন ডেভিড টেন্যান্টের বিপরীতে ‘হ্যামলেট’ নাটকে ক্লডিয়াস চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য। এ ছাড়া ১৯৯৬ সালে ‘পিটার অ্যান্ড দ্য উলফ’ অডিও রেকর্ডিংয়ের জন্য সেরা কথ্য অ্যালবাম বিভাগে গ্র্যামি পুরস্কার পান তিনি। ২০০৭ সালে রুপার্ট গুল্ডের নির্দেশনায় চিচেস্টার থেকে শুরু হয়ে লন্ডন ওয়েস্ট এন্ড ও পরবর্তীতে ব্রডওয়ে পর্যন্ত পৌঁছানো ‘ম্যাকবেথ’ নাটকে নামভূমিকায় অভিনয় করে ক্যারিয়ারের একমাত্র টনি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন লাভ করেন। দ্য টাইমস, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ও দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের মতো শীর্ষ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তাঁর সেই অভিনয় উচ্চ প্রশংসিত হয়েছিল, যা নিয়ে ২০০৮ সালে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টুয়ার্ট জানিয়েছিলেন, শৈশবে মুখস্থ করা শেক্সপিয়রের অবিস্মরণীয় সংলাপগুলোই জীবনের শেষভাগ পর্যন্ত তাঁর অভিনয়যাত্রার সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে কাজ করেছে।


নির্বাচিত

‘মিস এয়ার বাংলাদেশ ২০২৬’ বিজয়ী হলেন জেনি জাহান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে (বিসিএফইসি) অনুষ্ঠিত ‘মিস অ্যান্ড মিসেস এলিগেন্স বাংলাদেশ’ সিজন ২ (২০২৬)-এর গ্র্যান্ড ফাইনালে সম্মানজনক ‘মিস এয়ার বাংলাদেশ ২০২৬’ মুকুট অর্জন করেছেন উদীয়মান মডেল জেনি জাহান। জমকালো এই আয়োজনে কেবল মূল মুকুটই নয়, মেধা ও আত্মবিশ্বাসের অনন্য প্রকাশ ঘটিয়ে তিনি একই মঞ্চে প্রতিযোগিতার অন্যতম আকর্ষণীয় ‘মিস এলিগেন্স স্টার’ খেতাবও জয় করে নেন।

গত ১৭ অক্টোবর এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সৌন্দর্য ও মেধার এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব সম্পন্ন হয়। দেশের ফ্যাশন ও বিনোদন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই গ্র্যান্ড ফাইনালে বিভিন্ন ধাপের কঠিন বাছাই ও গ্রুমিং সেশন পেরিয়ে আসা প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে চূড়ান্ত বিজয়ীদের নির্বাচিত করা হয়। এতে জেনি জাহান তাঁর উপস্থাপনা, ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধিমত্তার সমন্বয়ে বিচারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই জোড়া সাফল্য নিজের করে নেন।

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন শিক্ষার্থী জেনি জাহান প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষ করে বর্তমানে করপোরেট খাতে পেশাদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। করপোরেট জীবনের কর্মব্যস্ততার মধ্যেও ফ্যাশন ও গ্ল্যামার জগতের প্রতি গভীর অনুরাগ থেকে তিনি নিজেকে তৈরি করেছেন। কর্মজীবনের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি নিষ্ঠা ও একাগ্রতার মাধ্যমে নিজের পছন্দের ক্ষেত্রে এগিয়ে গিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন এই তরুণী।

মডেলিংয়ের পেশাদার যাত্রা সুদৃঢ় করতে জেনি জাহান দেশের শীর্ষস্থানীয় মডেল ও ট্যালেন্ট প্রশিক্ষণ একাডেমি ‘এশিয়ান মডেল অ্যান্ড ট্যালেন্ট সেন্টার’ (এএমটিসি) থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। সেখান থেকে অর্জিত পেশাদার কৌশল ও মঞ্চ পরিবেশনার অভিজ্ঞতাই তাঁকে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে সফল হতে বড় ভূমিকা রেখেছে। সম্মানজনক এই স্বীকৃতির মাধ্যমে আগামী দিনে দেশীয় ফ্যাশন অঙ্গনে ইতিবাচক অবদান রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।


নির্বাচিত

বিবেক অগ্নিহোত্রীর ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ কার্তিক আরিয়ান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বলিউড অভিনেতা কার্তিক আরিয়ানের নতুন প্রজেক্ট ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে বলিপাড়ায় জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীর বাস্তবধর্মী এই নতুন সামরিক অ্যাকশন সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করতে পারেন কার্তিক। বিনোদনবিষয়ক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ‘ভ্যারাইটি ইন্ডিয়া’র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী ও প্রযোজক ভূষণ কুমার সিনেমাটির প্রাথমিক ঘোষণা দিলেও কার্তিকের অভিনয়ের বিষয়ে নির্মাতাদের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা আসেনি।

সিনেমাটি মূলত একটি বাস্তব সামরিক অভিযানের পটভূমিতে নির্মিত হতে যাচ্ছে। ২০২৫ সালের এপ্রিলে পেহেলগামে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার পর পাকিস্তান ও পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সন্ত্রাসীদের অবকাঠামো লক্ষ্য করে ভারতের পরিচালিত বিশেষ সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে তৈরি হচ্ছে ‘অপারেশন সিঁদুর’। চলচ্চিত্রটিতে কার্তিক আরিয়ান অভিনয় করলে এটি হবে তাঁর ক্যারিয়ারে সামরিক প্রেক্ষাপটের আরেকটি উল্লেখযোগ্য কাজ। তবে ছবিতে তাঁর সুনির্দিষ্ট চরিত্র ও কাহিনির বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

‘অপারেশন সিঁদুর’-এর কাজ শুরু করার আগে পরিচালক শিমিত আমিনের ‘ক্যাপ্টেন ইন্ডিয়া’ সিনেমার অসমাপ্ত দৃশ্যধারণ শেষ করার কথা রয়েছে কার্তিকের। এই চলচ্চিত্রটি ২০১৫ সালে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনে আটকে পড়া ভারতীয়দের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে পরিচালিত ‘অপারেশন রাহাত’ অভিযানের সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে, যা আগামী বছরের ভারতের স্বাধীনতা দিবসের সপ্তাহান্তে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া অভিনেতার হাতে থাকা অন্যান্য কাজের মধ্যে ‘নাগজিলা’ ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে এবং পরিচালক অনুরাগ বসুর সঙ্গে তাঁর পরবর্তী সিনেমাটি একই বছরের এপ্রিলে মুক্তির সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছে।

এদিকে অভিনেতা হিসেবে ক্যারিয়ারের দারুণ এক সোনালি সময় পার করছেন কার্তিক। ২০২৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত প্রশংসিত চলচ্চিত্র ‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’-এ অসামান্য অভিনয়ের জন্য সম্প্রতি তিনি ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন। এই সম্মাননা প্রাপ্তির পর মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়র থেকে নিজের সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করে অভিনেতা জানান, একসময় তাঁর এই স্বপ্নের কথা শুনে অনেকে হাসাহাসি করলেও জাতীয় পুরস্কার পাওয়া তাঁর জীবনের অন্যতম সেরা মুহূর্ত। জাতীয় পুরস্কারের সেই সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন সামরিক সিনেমা ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সম্ভাব্য খবরে কার্তিককে ঘিরে দর্শকদের প্রত্যাশা আরও বেড়ে গেছে।

বিষয়:

নির্বাচিত

সৈয়দ শাকিলের নতুন সিনেমায় শরিফুল রাজ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্রীড়া ডেস্ক

বর্তমান সময়ের অন্যতম ব্যস্ত চিত্রনায়ক শরিফুল রাজ নতুন একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। নাটক ও ওয়েব ফিল্ম নির্মাতা সৈয়দ শাকিলের পরিচালনায় নাম চূড়ান্ত না হওয়া এই সিনেমায় প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে। এর আগে ‘ছায়াবাজি’ ও ‘ইউএনও স্যার’ নামের দুটি প্রশংসিত ওয়েব ফিল্ম নির্মাণ করলেও এটিই হতে যাচ্ছে সৈয়দ শাকিলের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা। গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে অভিনেতার সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পন্ন করেছেন নির্মাতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে সিনেমার নাম ও অন্যান্য সহশিল্পীদের পরিচয় এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না; আগামী সপ্তাহে এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।

সিনেমার বিষয়বস্তু প্রসঙ্গে নির্মাতা সৈয়দ শাকিল জানিয়েছেন, তিনি বড় পর্দায় সম্পূর্ণ পারিবারিক ঘরানার একটি আবেগঘন গল্প তুলে ধরতে চান। তিনি উল্লেখ করেন, একসময় আমাদের দেশে প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে পুরো পরিবার একসঙ্গে বসে সিনেমা দেখার যে সংস্কৃতি ছিল, যাকে খাঁটি সামাজিক সিনেমা বলা হতো, তিনি ঠিক সেই ধরনের আবেগপ্রধান গল্প নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী। এমন একটি গল্প দর্শকদের সামনে নিয়ে আসাই তাঁর মূল লক্ষ্য, যা সব শ্রেণির দর্শককে গভীরভাবে স্পর্শ করবে।

রিভেঞ্জ ফিল্মস লিমিটেডের ব্যানারে নির্মিতব্য এই নতুন সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করছেন সোহানা সাদী, স্নিগ্ধা সাদী ও সারহান শাহরিয়ার সাদী সীমান্ত। ছবিটির কাজের অগ্রগতি নিয়ে প্রযোজনা সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ডিসেম্বর কিংবা আগামী বছরের জানুয়ারি মাসের মধ্যে এর দৃশ্যধারণ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী কোরবানির ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

‘আইসক্রিম’ সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু করা শরিফুল রাজ সম্প্রতি তানিম নূরের ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ দিয়ে দর্শকদের দারুণ প্রশংসা কুড়িয়েছেন। নতুন এই ছবির পাশাপাশি আগামী কোরবানির ঈদের মুক্তির মিছিলে তাঁর আরও একটি সিনেমা রয়েছে। আয়মান হাসিব স্বাধীন ও সুস্ময় সরকারের যৌথ পরিচালনায় মোহাইমিনুল ইসলাম বাপ্পীর উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিতব্য ‘কালাভুনা প্যারাডক্স’ চলচ্চিত্রেও দেখা যাবে রাজকে, যেখানে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করছেন সাবিলা নূর।

বিষয়:

নির্বাচিত

banner close