মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

টালিউডে অভিষেকের অপেক্ষায় বুবলী

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১ আগস্ট, ২০২৪ ১৬:১১

শবনম ইয়াসমিন বুবলী- ঢালিউডের এই সময়ের চাহিদাসম্পন্ন অভিনেত্রী। সংবাদ পাঠিকা থেকে ২০১৬ সালে শাকিব খানের বিপরীতে নায়িকা হিসেবে অভিষেক হয় দেশীয় চলচ্চিত্রে। ঢাকাই সিনেমায় যুক্ত হয়েই কোটি দর্শকের মন জয় করে নিয়েছেন এই লাস্যময়ী। ক্যারিয়ারের আট বছর বছর চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রথমবার দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সিনেমায় অভিনয় করার সুযোগ পান ৩৪ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী। ‘ফ্ল্যাশব্যাক’ শিরোনামের এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন বাংলাদেশের তরুণ পরিচালন রাশেদ রাহা। এরইমধ্যে ছবিটির শুটিং, ডাবিং, এডিটিং শেষ। এখন চলছে মুক্তির জন্য প্রস্তুতি।

সবকিছু ঠিক থাকলে থাকলে আসছে দুর্গাপূজায় ভারতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বুবলীর প্রথম টালিউড সিনেমা ‘ফ্ল্যাশব্যাক’। এ প্রসঙ্গে সিনেমার নির্মাতা রাশেদ রাহা গণমাধ্যমকে বলেন, কলকাতায় ‘ফ্ল্যাশব্যাক’ সিনেমার পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ শেষের দিকে। কয়েক দিনে মধ্যে গণমাধ্যমে মুক্তির তারিখ জানাবো। কাজ আর একটু গুছিয়ে নিই। দুর্গাপূজায় দুই বাংলায় সিনেমাটি মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা আছে। সেভাবে কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, যদি কোনো কারণে দুর্গাপূজায় সিনেমাটি মুক্তি দিতে না পারি, তাহলে পুজার দুই সাপ্তাহ পর মুক্তি দেব। অর্থাৎ পূজার আমেজ থাকতে থাকতেই মুক্তি দিতে চাই ‘ফ্ল্যাশব্যাক’। ছবিটির মুক্তির জন্য বুবলী নিজেও অপেক্ষার প্রহর গুনেছেন। সিনেমাটিতে বুবলির সহশিল্পী হিসেবে আছেন পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় দুই অভিনেতা কৌশিক গাঙ্গুলি ও সৌরভ দাস। বুবলীর ভাষ্যে, ‘কৌশিক গাঙ্গুলী স্যারের মতো গুণী নির্মাতা ও অভিনেতার সঙ্গে কাজের সুযোগ পেয়ে খুব ভালো লাগছে। রাশেদ রাহা ভাইয়ের মতো প্রমিজিং ডিরেক্টর সিনেমাটি পরিচালনা করছেন। সৌরভ দাস দাদাসহ সবার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা দারুণ।’ পরিচালক রাশেদ রাহা বলেন, ‘বুবলীর কয়েকটি সিনেমা দেখে আমাদের খুব ভালো লেগেছে। সে জায়গা থেকেই তার সঙ্গে কাজের পরিকল্পনা করেছিলাম আমরা।’

ছবির গল্প ও বিষয়বস্তু নিয়ে চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী বলেন, অন্যরকম এক প্রেক্ষাপট নিয়ে সিনেমার গল্প সাজানো হয়েছে। এতে দেখা যাবে, অঞ্জন (কৌশিক গাঙ্গুলী) নামের এক মঞ্চনাটকের খ্যাতিমান অভিনেতার সঙ্গে ভবঘুরে ডিকে (সৌরভ দাস) ও নির্মাতা শ্বেতার (বুবলী) দেখা হয়। কয়েকটি দিন সিনেমার চিত্রনাট্যের চেয়েও রোমাঞ্চকর হয়ে ওঠে। সিনেমার চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন খায়রুল বাসার নির্ঝর। নির্মাতা রাশেদ রাহার সঙ্গে যৌথভাবে সিনেমার কাহিনিও লিখেছেন নির্ঝর। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন নারায়ণ চট্টোপাধ্যায় ও কাজী জাফরিন মুন। নিবেদনে রয়েছে ব্লু হোয়েল এন্টারটেইনমেন্ট ও বিগ আর এন্টারটেইনমেন্ট।

বিষয়:

ইতালিতে অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তার অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:২৯
বিনোদন ডেস্ক

ইতালির ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে গিয়ে সপরিবারে হেনস্তা ও শারীরিক লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। সোমবার দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড প্রোফাইল থেকে এক ভিডিওবার্তায় তিনি এই ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে অভিনেত্রী জানান, স্থানীয় একটি পার্কে তিনি তাঁর ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছিলেন। সেই সময় একদল ব্যক্তি হঠাৎ তাঁর ওপর চড়াও হয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। হামলাকারীরা তাঁর গায়ে কোক ও ডিম ছুড়ে মারে এবং তাঁকে শারীরিকভাবে আঘাত করে। এমনকি তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়। বাঁধনের দাবি, হামলাকারীরা তাঁকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ হিসেবে অভিযুক্ত করে হেনস্তা চালায়। তারা তাঁকে জোরপূর্বক ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে বাধ্য করার চেষ্টা করে এবং পুরো দৃশ্যটি ভিডিও ধারণ করে।

ভিডিওবার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাঁধন বলেন, ‘আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে। আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেওয়া হয়েছে। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত। আপনারা এভাবে নিজেদের ফেরাতে পারবেন না।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পুত্র ‘সজীব ওয়াজেদ জয়ও ভেনিসে আছেন, আশা করি আপনার তার কাছে বিষয়টি পৌঁছে দেবেন।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, হামলাকারীরা নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে সম্বোধন করে তাঁর ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছে।


‘ধুরন্ধর’-এর রেকর্ড ভেঙে বক্স অফিসে ‘হনুমান অংশ’-এর ইতিহাস

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বড় কোনো তারকা কিংবা বড় পরিবেশক ছাড়াই মাত্র দুই কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত ভারতীয় সিনেমা ‘হনুমান অংশ’ বক্স অফিসে অভাবনীয় এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। মুক্তির পঞ্চম উইকেন্ডে (সপ্তাহান্ত) সিনেমাটি ৪৫ কোটি ৬০ লাখ রুপি আয় করে বলিউডের আলোচিত সিনেমা ‘ধুরন্ধর’-এর রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এই সময়ে ‘ধুরন্ধর’-এর আয় ছিল ৩৫ কোটি ৮০ লাখ রুপি, যা থেকে প্রায় ১০ কোটি রুপি বেশি আয় করে নতুন নজির স্থাপন করেছে সিনেমাটি। বক্স অফিস বিশ্লেষকরা নির্মাণশৈলী ও গল্পনির্ভর এই চলচ্চিত্রটিকে ইতোমধ্যে ‘অলটাইম ব্লকবাস্টার’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

পঞ্চম উইকেন্ডের সর্বোচ্চ আয়ের তালিকায় শীর্ষে উঠে আসা ‘হনুমান অংশ’-এর পর ক্রমানুসারে রয়েছে ‘ধুরন্ধর’, ‘ছাবা’ (২২ কোটি রুপি), ‘স্ত্রী ২’ (১৬ কোটি রুপি) এবং ‘পুষ্পা ২’ (১৪ কোটি রুপি)। এদিকে মুক্তির ৩১তম দিন শেষে সিনেমাটি সামগ্রিকভাবে ১০০ কোটি রুপির ক্লাবে প্রবেশ করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন বলিউডের চলচ্চিত্র বাণিজ্য বিশ্লেষক তরণ আদর্শ। তিনি উল্লেখ করেন, মূলধারার তারকা শিল্পী ছাড়াই স্বল্প বাজেটের একটি সিনেমার এমন শতকোটি রুপি অর্জন চলচ্চিত্র বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এক বিরল ও অবিশ্বাস্য ঘটনা।

ভারতের সুপরিচিত আধ্যাত্মিক সাধক নিম করোলি বাবা তথা লক্ষ্মী নারায়ণ শর্মার বাস্তব জীবনের নানা ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে। শৈশবে মায়ের প্রয়াণের শোকে ঘর ছেড়ে স্রষ্টার সন্ধানে বের হওয়া এবং পরবর্তী আধ্যাত্মিক জীবনের নানা দিক সিনেমার মূল গল্পে তুলে ধরা হয়েছে। এতে লক্ষ্মণ দাস তথা নিম করোলি বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন শোভিনব সত্য। এছাড়া অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন চন্দন কে আনন্দ, অনিল রাস্তোগি, নিখিল দুবে ও পূর্ণিমা তিওয়ারি।

ড. বিশাল চতুর্বেদী পরিচালিত এই সিনেমাটি গত ৭ আগস্ট ভারতের মাত্র ২৫০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল। মুক্তির প্রথম সপ্তাহে মাত্র ৯০ লাখ রুপি আয় করলেও দর্শকের ইতিবাচক আলোচনা ও প্রশংসার ওপর ভর করে পরবর্তীতে সিনেমাটির আয় হু হু করে বাড়তে থাকে। কোনো বড় প্রচার ছাড়া কেবল কনটেন্টের শক্তিতে ভর করে এখনো প্রেক্ষাগৃহে দর্শক টানছে ‘হনুমান অংশ’।


৭৩তম মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুট জিতলেন জোহেইরি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বিশ্বের ১১১ জন প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে ৭৩তম মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুট জয় করেছেন ডোমিনিকান রিপাবলিকের মডেল, শিক্ষক ও সাংবাদিক জোহেইরি মোলা দোমিঙ্গেস। যুক্তরাজ্যভিত্তিক গণমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শনিবার সন্ধ্যায় ভিয়েতনামের নিয়া ট্রাং শহরে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে বিচারকদের রায়ে তিনি ‘মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬’ নির্বাচিত হন। ঐতিহ্য অনুযায়ী বিজয়ী জোহেইরির মাথায় কাঙ্ক্ষিত নীল মুকুট পরিয়ে দেন থাইল্যান্ডের নাগরিক ও গত আসরের মিস ওয়ার্ল্ড ওপাল সুচাতা চুয়াংস্রি।

প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন স্পেনের প্রতিনিধি এলিজাবেথ রেইনেস আলাবের্ন এবং দ্বিতীয় রানারআপ নির্বাচিত হয়েছেন মালয়েশিয়ার তানুসিয়া চেট্টি। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই আসরের চূড়ান্ত শীর্ষ ছয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন ইরিত্রিয়া, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, ডোমিনিকান রিপাবলিক, স্পেন ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিযোগীরা। এছাড়া দর্শকের ভোটে ‘পিপলস চয়েস অ্যাওয়ার্ড’ জিতে শীর্ষ ১২-তে জায়গা করে নেন নাইজেরিয়ার প্রতিযোগী তামুনোসোয়ে কারিবি-জর্জ। এর আগে ‘মিস ওয়ার্ল্ড ডোমিনিকান রিপাবলিক ২০২৫’ খেতাব জয়ের সুবাদেই বিশ্বমঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছিলেন জোহেইরি।

সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার বাইরে ব্যক্তিজীবনে বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী জোহেইরি মোলা। বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ও অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে স্নাতক সম্পন্ন করা এই তরুণী একজন পেশাদার মডেলের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়ভাবে সাংবাদিকতা ও শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। শিক্ষক হিসেবে তিনি শিক্ষার্থীদের সাহিত্য ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে পাঠদান করে থাকেন।

সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও নিবেদিতপ্রাণ ভূমিকা রয়েছে নতুন এই বিশ্ব সুন্দরীর। তিনি ‘ভয়েসেস অব টুমোরো’ নামের একটি অলাভজনক সেবামূলক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন; যা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ইংরেজি ভাষা শিক্ষা প্রদানসহ তাদের মানসিক বিকাশ ও সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করে। বিশ্ব সুন্দরীর খেতাব জয়ের পর তিনি মিস ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশনের দাতব্য কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিশ্বব্যাপী ‘বিউটি উইথ আ পারপাস’ প্রচারণায় নেতৃত্ব দেবেন।


চতুর্থ ও শেষ সিজন দিয়ে শেষ হচ্ছে ‘সাইলো’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বিজ্ঞান কল্পকাহিনিনির্ভর জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘সাইলো’র চতুর্থ ও চূড়ান্ত সিজনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অ্যাপল টিভি। টানটান উত্তেজনায় ভরা তৃতীয় সিজনের সফল সমাপ্তির পর প্ল্যাটফর্মটি জানিয়েছে, আগামী ২০২৭ সালের ৯ জুলাই মুক্তি পাবে সিরিজটির শেষ অধ্যায়। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পাশাপাশি দর্শকদের জন্য আসন্ন এই চূড়ান্ত সিজনের একটি আগাম প্রচার ঝলকও প্রকাশ করেছে তারা।

আমেরিকান কথাসাহিত্যিক হিউ হাউইয়ের সাড়াজাগানো ডিসটোপিয়ান উপন্যাস ত্রয়ী অবলম্বনে সিরিজটি নির্মাণ করেছেন পরিচালক গ্রাহাম ইয়োস্ট। এতে কেন্দ্রীয় চরিত্র ‘জুলিয়েট নিকোলস’-এর ভূমিকায় অভিনয় করার পাশাপাশি নির্বাহী প্রযোজক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন হলিউড তারকা রেবেকা ফার্গুসন। বিপজ্জনক ও বিষাক্ত বাইরের পরিবেশ থেকে বাঁচতে মাটির নিচে কঠোর অনুশাসন ও কৃত্রিম ইতিহাসের ওপর নির্ভর করে বসবাস করা প্রায় ১০ হাজার মানুষের ভূগর্ভস্থ জীবনসংগ্রাম নিয়ে সাজানো হয়েছে সাইলোর মূল পটভূমি।

তৃতীয় সিজনের শেষভাগে এসে পুরো কাহিনীর পেছনের রহস্য ও ইতিহাস উন্মোচিত হতে শুরু করে। গল্পের ধারাবাহিকতায় দেখা যায়, জুলিয়েট নিকোলস নির্মম শাস্তিমূলক আদেশ থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরলেও স্মৃতিভ্রষ্ট হয়ে পড়ে। অন্যদিকে মাটির নিচের সহিংস গণবিদ্রোহ কিছুটা স্তিমিত হয়ে এলেও সাইলোর অধিবাসীরা পড়তে চলেছে এক নজিরবিহীন ও মারাত্মক বিপদের মুখে।

মূল কাহিনির সমান্তরালে পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার আগের সময়ের প্রেক্ষাপটও গল্পে তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, সাংবাদিক হেলেন ড্রু (জেসিকা হেনউইক) এবং কংগ্রেস সদস্য ড্যানিয়েল কিন (অ্যাশলে জুকারম্যান) মিলে একটি গভীর রাজনৈতিক ও সামাজিক ষড়যন্ত্রের জাল উন্মোচন করেন, যার চূড়ান্ত পরিণতিতে বিশ্ব এক অবর্ণনীয় ধ্বংসযজ্ঞের মুখে পড়েছিল। চিন্তাশীল কাহিনি, আবহ সংগীত ও দৃষ্টিনন্দন সেট ডিজাইনের জন্য প্রশংসিত এই আলোচিত সিরিজটি কীভাবে চূড়ান্ত সমাপ্তির রূপ নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন দর্শক ও সমালোচকরা।


আট বিভাগে শুরু হচ্ছে ‘কবীর-লালন ভাবসংগীত উৎসব’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় দেশের আটটি বিভাগে শুরু হতে যাচ্ছে ‘কবীর-লালন ভাবসংগীত উৎসব’। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই উৎসবের আয়োজন করেছে লালন বিশ্বসংঘ। মাসব্যাপী এই আয়োজনে কবীর ও লালনের গান ও ভাবাদর্শ পরিবেশন করবেন কবীরপন্থী সম্প্রদায়, রবিদাসপন্থী সম্প্রদায়, নানকপন্থী সম্প্রদায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ এবং কবীর-লালন মিউজিক্যাল মিশনের শিল্পীরা।

উৎসবের উদ্বোধনী পর্বটি আগামী ১১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং উৎসবের উদ্বোধন করবেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান এমপি। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য ও লালন বিশ্বসংঘের চেয়ারম্যান দর্শনাচার্য অধ্যাপক আনিসুজ্জামান এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন সংগঠনটির প্রধান নির্বাহী আবদেল মাননান।

উদ্বোধনী দিনে কবীর ও লালনের দর্শনের ওপর এক বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নেবেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান প্রিয়াঙ্কা গোপ, সুফি গবেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক ড. আহসানুল হাদী এবং গবেষক সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবু। এছাড়া আধ্যাত্মিক ভাবধারার প্রতিনিধি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেবেন প্রবীণ লালনপন্থী সাধক ফকির আবুল হোসেন শাহ, কবীরপন্থী সাধক নিঝুম পাইনকা এবং গুরুদুয়ারা নানকশাহীর পক্ষে ডা. এম কে রায়।

ঢাকার উদ্বোধনী আয়োজন সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য বিভাগেও এই উৎসব ছড়িয়ে পড়বে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে, ১৯ সেপ্টেম্বর খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে, ২৫ সেপ্টেম্বর শেরপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে, ২ অক্টোবর রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে, ৪ অক্টোবর রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এবং ২৩ অক্টোবর চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে উৎসবের বিভিন্ন পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তীতে আগামী ৩০ অক্টোবর সিলেট বিভাগের শ্রীমঙ্গলে জেলা পরিষদ মাল্টিপারপাস মিলনায়তনে সমাপনী আয়োজনের মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে এই ভাবসংগীত উৎসবের।


জুডি হিউম্যানের বায়োপিক ‘বিয়িং হিউম্যান’ মুক্তি পাচ্ছে নভেম্বরে

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবন্ধী অধিকার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ জুডি হিউম্যানের সংগ্রামী জীবনের সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র ‘বিয়িং হিউম্যান’। ২০২২ সালে ‘কোডা’ চলচ্চিত্রের জন্য একাডেমি পুরস্কার (অস্কার) জয়ী পরিচালক সিয়ান হেডার এই জীবনীভিত্তিক সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন। সম্প্রতি অ্যাপল স্টুডিওস ছবিটির ট্রেলার প্রকাশ করে জানিয়েছে, আগামী ৬ নভেম্বর নির্দিষ্ট কিছু প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনীর পর ১৩ নভেম্বর থেকে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অ্যাপল টিভিতে বিশ্বজুড়ে মুক্তি পাবে চলচ্চিত্রটি।

চলচ্চিত্রে কেন্দ্রীয় চরিত্র জুডি হিউম্যানের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ৩৯ বছর বয়সী ব্রিটিশ অভিনেত্রী রুথ মেডলি। তৎকালীন মার্কিন স্বাস্থ্য ও মানবসেবা সচিব জোসেফ এ ক্যালিফানো জুনিয়রের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ‘অ্যাভেঞ্জার্স’খ্যাত তারকা মার্ক রাফ্যালো। এছাড়া চলচ্চিত্রটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন ডিলান ও’ব্রায়েন, রে ফিশার ও রব ডিলানি।

নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের বাসিন্দা জুডি হিউম্যান শৈশবে মাত্র ১৮ মাস বয়সে পোলিওতে আক্রান্ত হয়ে হুইলচেয়ারনির্ভর হয়ে পড়েন। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে পরবর্তীতে তিনি নিউইয়র্কের প্রথম হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। চলচ্চিত্রটির মূল প্রেক্ষাপট গড়ে উঠেছে ১৯৭৭ সালে সান ফ্রান্সিসকোতে ঘটা ঐতিহাসিক ২৬ দিনের প্রতিবাদ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে। ১৯৭৩ সালের মার্কিন পুনর্বাসন আইনের সেকশন ৫০৪ বাস্তবায়নে ফেডারেল সরকারের দীর্ঘসূত্রতার বিরুদ্ধে জুডির নেতৃত্বে অধিকারকর্মীরা সরকারি ভবন দখল করে টানা অবস্থান ধর্মঘট পালন করেছিলেন।

মার্কিন ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি সরকারি ভবন দখলের এই ঐতিহাসিক প্রতিবাদ পরবর্তীকালে সে দেশে প্রতিবন্ধী মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছিল। পরিচালক সিয়ান হেডার অধিকার আদায়ের সেই বাস্তব আন্দোলন ও মানবিক সংগ্রামকে চলচ্চিত্রে অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্যভাবে তুলে ধরেছেন।


‘পঞ্চায়েত’ সিরিজের পঞ্চম সিজন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নির্মাতার সুখবর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

গ্রামীণ পটভূমির জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘পঞ্চায়েত’-এর নতুন সিজন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দুটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন পরিচালক দীপক কুমার মিশ্র। তিনি জানিয়েছেন, বহুল প্রতীক্ষিত ‘পঞ্চায়েত সিজন ৫’-এর সম্পাদনার কাজ বর্তমানে পুরোদমে চলছে। যদিও মুক্তির সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি, তবে চলতি বছরের অক্টোবর কিংবা নভেম্বরের মধ্যেই ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে নতুন সিজনটি মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে নির্মাণ দল।

নির্মাতার দেওয়া দ্বিতীয় সুখবরটি হলো, পঞ্চম সিজনেই ফুলেরা গ্রামের গল্পের ইতি ঘটছে না। এক সাক্ষাৎকারে পঞ্চায়েতের সমাপ্তি নিয়ে জানতে চাওয়া হলে দীপক কুমার মিশ্র জানান, পঞ্চম সিজনেই সিরিজ শেষ করার কোনো ভাবনা তাদের নেই এবং ভবিষ্যতে আরও নতুন সিজন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে পঞ্চায়েতের নিয়মিত দর্শকদের প্রিয় চরিত্রগুলোর পথচলা আরও দীর্ঘায়িত হতে যাচ্ছে।

আসন্ন পঞ্চম সিজনে গল্পে বড় ধরনের মোড় ও চরিত্রগুলোর জীবনের নানা পরিবর্তন দেখা যাবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্মাতা। তিনি জানান, নির্বাচনের পর ফুলেরা গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রা, নির্বাচনে হেরে যাওয়া প্রধানজির ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি এবং প্রতিটি চরিত্রের জীবনের অভ্যন্তরীণ রূপান্তর নতুন সিজনে প্রাধান্য পাবে। এছাড়া কেন্দ্রীয় চরিত্র ‘সচিব জি’র জীবনের গল্পও এবার উল্লেখযোগ্যভাবে সামনের দিকে এগোবে।

এর আগে মুক্তি পাওয়া চারটি সফল সিজনের মাধ্যমে ওটিটি দুনিয়ায় তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে সিরিজটি। এতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন জিতেন্দ্র কুমার, রঘুবীর যাদব, নীনা গুপ্তা, চন্দন রায়, ফয়সাল মালিক, সানভিকা, অশোক পাঠক, পঙ্কজ ঝা ও দুর্গেশ কুমার। সচিব, প্রধান জি, প্রহ্লাদ চা, বিকাশ কিংবা বনরাকসের মতো জনপ্রিয় চরিত্রগুলোর নতুন গল্প দেখার অপেক্ষায় মুখিয়ে আছেন দর্শক ও অনুরাগীরা।


চয়নিকার বিশেষ টেলিফিল্মে আফজাল ও মম

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

নাটক পরিচালনায় ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ টেলিফিল্ম নিয়ে আসছেন জনপ্রিয় নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী। ‘সময় একটু থামো’ শিরোনামের এই নতুন টেলিফিল্মটিতে কেন্দ্রীয় দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন বরেণ্য অভিনেতা আফজাল হোসেন ও অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম। প্রযোজনা সংস্থা ‘গাঙচিল ড্রামা অ্যান্ড সিনেমা’-এর ব্যানারে আসিফ ইকবালের প্রযোজনায় নির্মিত এই বিশেষ কাজটি আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর চ্যানেল আইয়ের পর্দায় প্রচারিত হবে।

ইফফাত আরেফিন মাহমুদের গল্প অবলম্বনে নির্মিত টেলিফিল্মটির মূল প্রেক্ষাপট দীর্ঘ ১৫ বছর পর এক রাতে দুই পরিচিত মানুষের আকস্মিক দেখাকে কেন্দ্র করে। গল্পে দেখা যাবে, এক রাতে টেলিভিশন টকশো শেষে বাড়ি ফেরার পথে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আয়াজের সঙ্গে সুপরিচিত এক আর্কিটেক্টের হঠাৎ মুখোমুখি দেখা হয়। দীর্ঘ দেড় দশক পর তাঁদের এই অভাবনীয় সাক্ষাতের সূত্রে ঘটতে থাকে নানা আকর্ষণীয় ও মজাদার ঘটনাপ্রবাহ।

আফজাল হোসেন ও মম ছাড়াও টেলিফিল্মটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারজানা ছবি, রিয়া ও মোশাররফ করিম; এছাড়া অতিথি শিল্পী হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন রোজি সিদ্দিকী। কাজটির অভিজ্ঞতা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তা প্রকাশ করেছেন পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী। তিনি জানান, আফজাল হোসেনের কাছ থেকে তিনি মানুষকে সম্মান জানানো এবং কাজের প্রতি ভালোবাসা ও সততা বজায় রাখার শিক্ষা পেয়েছেন। পাশাপাশি শত ব্যস্ততার মধ্যেও সময় দেওয়ায় মম এবং সার্বিক সহযোগিতার জন্য প্রযোজক আসিফ ইকবালের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

পরিচালনার রজতজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে এর আগেও তিনটি বিশেষ নাটক নির্মাণ করেছেন চয়নিকা চৌধুরী। সেই প্রযোজনাগুলো হলো ‘জোছনায় ফেরা’, ‘বিষণ্ন মেঘ’ এবং ‘প্রথম দেখার পর’। সেই সফল ধারাবাহিকতার চূড়ান্ত পর্ব হিসেবে এবার দর্শকদের সামনে উন্মোচিত হতে যাচ্ছে আফজাল-মম জুটির নতুন টেলিফিল্ম ‘সময় একটু থামো’।


বড় পর্দায় নিয়মিত হতে চান অভিনেত্রী সাবিলা নূর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর এখন বড় পর্দায় নিয়মিত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন। সম্প্রতি একের পর এক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় তিনি সিনেমাতেই নিজের স্থায়ী অবস্থান গড়ে তুলতে আগ্রহী। সেই ধারাবাহিকতায় তানিম নূরের প্রযোজনায় ‘কানাভুলা প্যারাডক্স’ নামের একটি ভিন্নধর্মী চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছেন তিনি। সময়-ভ্রমণ, রোমান্স ও রহস্যের প্রেক্ষাপটে নির্মিতব্য এই সিনেমাটি যৌথভাবে পরিচালনা করছেন তরুণ দুই নির্মাতা আয়মান আসিব স্বাধীন ও সুস্ময় সরকার।

চট্টগ্রামের পটিয়ায় জন্ম নেওয়া সাবিলা নূর ছোটবেলা থেকেই নাচের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং প্রথম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই লাভ করেন পদ্মকুঁড়ি চ্যাম্পিয়নের খেতাব। শোবিজ অঙ্গনে ক্যারিয়ার গড়ার পূর্বপরিকল্পনা না থাকলেও ২০১০ সালে আদনান আল রাজীবের হাত ধরে মডেলিংয়ে তাঁর অভিষেক ঘটে। পরবর্তীতে নির্মাতা রেদোয়ান রনির পরিচালনায় ২০১৪ সালে ‘ইউটার্ন’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে অভিনয়ে তাঁর নিয়মিত যাত্রা শুরু হয়।

ছোট পর্দায় দীর্ঘ সফল ক্যারিয়ারের পর সম্প্রতি বড় পর্দায়ও নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন সাবিলা। গত বছর ঈদুল আজহায় চিত্রনায়ক শাকিব খানের বিপরীতে ‘তাণ্ডব’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় তাঁর অভিষেক ঘটে। এরপর চলতি বছরের ঈদুল ফিতরে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ এবং ঈদুল আজহায় ‘রকস্টার’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে সিনেপ্রেমীদের প্রশংসা কুড়ান তিনি।

বর্তমানে বেশ কয়েকটি নতুন চলচ্চিত্রের প্রস্তাব পেয়ে চিত্রনাট্য ও চরিত্র বাছাইয়ে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিচ্ছেন সাবিলা। অভিনেত্রী জানান, চলচ্চিত্রে চরিত্রের প্রয়োজনে নিজেকে যথাযথভাবে প্রস্তুত করার পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায় এবং যত্ন নিয়ে চিত্রধারণ করা সম্ভব হয়, যা অভিনয়শিল্পীদের জন্য বড় একটি সুযোগ। দর্শকের ভালোবাসা ও পারিবারিক সমর্থনকে প্রধান শক্তি বিবেচনা করে তিনি জানিয়েছেন, মানসম্মত গল্পের সিনেমার মাধ্যমেই এখন থেকে বড় পর্দায় নিজের ব্যস্ততা বাড়াতে চান তিনি।


বক্স অফিসে মামিথা বাইজুর নজিরবিহীন সাফল্য

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রে বক্স অফিসে অনন্য এক বাণিজ্যিক সাফল্য অর্জন করেছেন অভিনেত্রী মামিথা বাইজু। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া তাঁর অভিনীত তিনটি ভিন্ন চলচ্চিত্র বিশ্বব্যাপী ২০০ কোটি রুপির বেশি আয় করে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে। ২০২৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আলোচিত মালয়ালম সিনেমা ‘প্রেমালু’ দিয়ে খ্যাতি পাওয়া এবং পরের বছর তামিল ছবি ‘ডুড’-এর শতকোটি রুপি আয়ের পর এবার ক্যারিয়ারের সেরা সময় পার করছেন এই অভিনেত্রী।

চলতি বছরের শুরুর দিকে অভিনেতা ধানুশের বিপরীতে ‘কারা’ সিনেমাটি বক্স অফিসে আশানুরূপ ব্যবসা করতে না পারলেও জুলাই ও আগস্টে তাঁর ক্যারিয়ারের চিত্র নাটকীয়ভাবে বদলে যায়। গত ২৩ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় থালাপতি বিজয়ের শেষ চলচ্চিত্র ‘জন নায়াগন’। গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে মামিথার অনবদ্য অভিনয়ে সমৃদ্ধ এই সিনেমাটি বিশ্বজুড়ে ৩২৪ কোটি রুপির বেশি আয় করে বক্স অফিসে বিশাল সাফল্য এনে দেয়।

বিজয়ের ছবির রেশ কাটতে না কাটতেই এর ঠিক তিন সপ্তাহ পর গত ১৪ আগস্ট মুক্তি পায় মামিথার পরবর্তী তামিল সিনেমা ‘বিশ্বনাথ অ্যান্ড সন্স’। সুপারস্টার সুরিয়ার বিপরীতে তাঁর এই চলচ্চিত্রটিও দর্শকদের মাঝে দারুণ সাড়া ফেলে এবং বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে ইতোমধ্যেই ২০০ কোটি রুপির আয়ের ঘর অতিক্রম করেছে।

সবশেষ গত ২১ আগস্ট মুক্তিপ্রাপ্ত মালয়ালম সিনেমা ‘বেথলেহেম কুডুম্বা ইউনিট’-এর মধ্য দিয়ে নিজ ইন্ডাস্ট্রিতে ফেরেন মামিথা। নিভিন পাউলির সঙ্গে তাঁর জুটিবদ্ধ এই চলচ্চিত্রটি মুক্তির মাত্র ১৪ দিনেই বিশ্বজুড়ে ২৩১ কোটি রুপির বেশি আয় করেছে। বক্স অফিস বিশ্লেষকদের ধারণা, সিনেমাটি শিগগিরই ৩০০ কোটি রুপির ক্লাবে প্রবেশ করে সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী মালয়ালম সিনেমা ‘লোকাহ চ্যাপ্টার ১: চন্দ্র’র রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একের পর এক বড় বাজেটের ব্যবসাসফল ছবি উপহার দিয়ে মামিথা বর্তমানে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার অন্যতম নির্ভরযোগ্য অভিনেত্রীতে পরিণত হয়েছেন।


১৬ সেপ্টেম্বর মঞ্চে আসছে থিয়েটার চারণিকের ‘কালযাত্রা’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

রাজধানীর মঞ্চে আসছে নাট্যদল থিয়েটার চারণিকের নতুন নাটক ‘কালযাত্রা: একটি নিষিদ্ধ জানাজার গল্প’। এটি দলটির ষষ্ঠ প্রযোজনা। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে সন্ধ্যা ৭টায় নাটকটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন ১৭ সেপ্টেম্বর একই স্থান ও সময়ে নাটকটির দ্বিতীয় প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

মৃত্যুর পর এক যাত্রাশিল্পীর শেষ ইচ্ছা ও তা পূরণের সংকট নিয়ে নাটকটির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে। নাটকটি রচনা করেছেন মাহফুজা হিলালী এবং নির্দেশনা দিয়েছেন শামীম সাগর। প্রযোজনাটিতে একক অভিনয় করেছেন সাফিয়া খন্দকার রেখা। নাটকের গল্পে দেখা যায়, খ্যাতিমান যাত্রাশিল্পী প্রিন্সেস মহিমার মৃত্যুর পর তাঁর মেয়ে কুমকুম মায়ের একমাত্র শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী জানাজা আয়োজনের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু সেই অন্তিম ইচ্ছা পূরণ করতে গিয়ে পদে পদে ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা, সামাজিক অন্ধত্ব ও ক্ষমতার অদৃশ্য দেয়ালের মুখোমুখি হতে হয় তাকে।

মঞ্চে সীতা, দ্রৌপদী কিংবা বেহুলার মতো চরিত্রে অভিনয় করে জীবন পার করে দেওয়া এক নারী শিল্পীর বাস্তব জীবনের অপমান, যন্ত্রণা ও বঞ্চনার চিত্র এই প্রযোজনায় রূপক হিসেবে উঠে এসেছে। মায়ের শেষ ইচ্ছা বাস্তবায়নের লড়াইয়ে দাঁড়িয়ে কুমকুম উপলব্ধি করে যে মানুষের মধ্যকার কৃত্রিম পরিচয়, সামাজিক ট্যাবু ও নিষেধই সবচেয়ে বড় দেয়াল তৈরি করে। ফলে নাটকে যাত্রামঞ্চের চরিত্রগুলোর আবেগ এবং একজন প্রান্তিক শিল্পীর জীবনের নির্মম বাস্তব রূপ একাকার হয়ে প্রকাশ পেয়েছে।

নাটকের বক্তব্য নিয়ে নাট্যকার মাহফুজা হিলালী জানান, সমাজের পথপরিক্রমায় সাধারণ শিল্পীদের তুলনায় নারী শিল্পীরা যে চরম অবহেলা ও মানসিক নিষ্পেষণের শিকার হন, সেই নির্মম সত্যকে তুলে ধরতেই এই কাহিনি নির্মাণ করা হয়েছে। নির্দেশক শামীম সাগর উল্লেখ করেন, ‘কালযাত্রা’ কোনো ধর্মকে কাঠগড়ায় না তুলে ধর্মের নামে তৈরি সংকীর্ণতা, ভীতি ও সামাজিক নিষ্ঠুরতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে; যা দর্শকের বিবেককে যাত্রাশিল্পীদের সামাজিক পরিচয় ও মর্যাদার সংকটের মুখোমুখি দাঁড় করাবে।


ট্রেলার প্রকাশের পর প্রশংসায় ভাসছে নতুন ‘হ্যারি পটার’ সিরিজ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

জনপ্রিয় ফ্যান্টাসি ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘হ্যারি পটার’-এর নতুন টেলিভিশন সিরিজ ঘিরে দীর্ঘদিনের বিতর্ক ও অসন্তোষের অবসান ঘটেছে। চলতি বছরের মার্চে প্রাথমিক লুক প্রকাশের পর ভক্তদের মাঝে যে হতাশা দেখা দিয়েছিল, আনুষ্ঠানিক ট্রেলার প্রকাশের পর সেই চিত্রে আমূল পরিবর্তন এসেছে। ট্রেলারে হগওয়ার্টস স্কুলের চেনা পরিবেশ এবং নতুন অভিনয়শিল্পীদের উপস্থিতি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হ্যারি পটার ভক্তদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে।

এর আগে গত মার্চ মাসে যখন সিরিজটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও প্রাথমিক লুক প্রকাশ্যে আনা হয়, তখন সামাজিক মাধ্যমে তীব্র নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল। মূল চলচ্চিত্র সিরিজের ড্যানিয়েল র‌্যাডক্লিফ, রুপার্ট গ্রিন্ট এবং এমা ওয়াটসনের মতো কালজয়ী তারকাদের অনুপস্থিতি এবং জাদুকরি আবহ বজায় থাকবে কি না—তা নিয়ে ভক্তরা গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। একই সঙ্গে নতুন শিশুশিল্পীদের উপস্থাপন ও নির্বাচন নিয়েও সে সময় নানা প্রশ্ন উঠেছিল।

তবে ট্রেলার প্রকাশের পর দর্শকরা হ্যারি পটার, রন উইজলি এবং হারমায়োনি গ্রেঞ্জার চরিত্রে নতুন তিন অভিনয়শিল্পীর ঝলক বেশ ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করেছেন। পুরোনো অভিনয়শিল্পীদের বিকল্প কে হবেন—সেই দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে দর্শকরা এখন নতুনদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে নতুন ‘হারমায়োনি’ চরিত্রটির উপস্থাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনলাইনে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দর্শকরা মন্তব্য করেছেন যে, ট্রেলারটি তাদের চেনা অনুভূতির জগতে ফিরিয়ে নিয়েছে এবং এটি স্রেফ একটি রিমেক না হয়ে দীর্ঘ পরিসরে মূল গল্প উপভোগের মাধ্যম হতে যাচ্ছে।

ব্রিটিশ লেখিকা জে কে রোলিংয়ের বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিতব্য এই টিভি সিরিজে বইগুলোর প্রতিটি অধ্যায় বিশদভাবে পর্দায় তুলে ধরার পরিকল্পনা করা হয়েছে। চলচ্চিত্রের চেয়েও গভীর ও বিস্তৃত পরিসরে সাজানো কালজয়ী এই জাদুর দুনিয়ার গল্প আগামী ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে ছোট পর্দায় উন্মোচিত হতে যাচ্ছে।


‘আন্ধার’ সিনেমায় সিয়ামের নতুন লুক প্রকাশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

নির্মাতা রায়হান রাফীর বহুল প্রতীক্ষিত ভৌতিক চলচ্চিত্র ‘আন্ধার’-এ নিজের নতুন রূপ ও চরিত্রের নাম প্রকাশ্যে এনেছেন চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে সিনেমাটিতে তাঁর ‘ফার্স্ট লুক টেস্ট’-এর একটি ছবি শেয়ার করেন তিনি। একই সঙ্গে ক্যাপশনে সিয়াম নিশ্চিত করেন যে, এই চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনীত চরিত্রের নাম রাখা হয়েছে ‘দেলোয়ার’।

শেয়ার করা ছবিতে গাঢ় লাল আলোর আবহে সম্পূর্ণ ভিন্ন ও রহস্যময় এক অবয়বে দেখা গেছে এই অভিনেতাকে। মুখে ঘন দাড়ি, উসকোখুসকো চুল এবং পরনে গাঢ় রঙের কোট পরিহিত সিয়ামের ঠোঁটে জ্বলন্ত সিগারেট ও তীক্ষ্ণ চাহনি চরিত্রটির গভীরতা ফুটিয়ে তুলেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত সিনেমার টিজারে সিয়ামকে মারমুখী অ্যাকশনের পাশাপাশি লাশের সামনে দাঁড়ানো এবং শেষাংশে জ্বলজ্বলে নীল চোখের রহস্যময় উপস্থিতিতে দেখা যায়।

বড় বাজেটে নির্মিত ভৌতিক ঘরানার এই চলচ্চিত্রটির গল্প যৌথভাবে রচনা করেছেন শাকিব চৌধুরী, বেজবাবা সুমন এবং আদনান আদিব খান। এতে সিয়াম আহমেদের বিপরীতে কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা নাজিফা তুষি। সিয়াম ও রাফী জুটির এই নতুন রসায়ন ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে বেশ ইতিবাচক আলোচনা চলছে।

তারকাখচিত এই চলচ্চিত্রের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, মোস্তফা মনওয়ার, আফসানা মিমি, গাজী রাকায়েত এবং তানজিকা আমিন। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে চলতি বছরের অক্টোবর মাসেই বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে একযোগে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘আন্ধার’।


banner close