বিশিষ্ট চলচ্চিত্র অভিনেতা আনোয়ার হোসেন। দেশের চলচ্চিত্রানুরাগীরা তাকে ভালোবেসে ‘বাংলার শেষ নবাব’ বলেন। দেশের চলচ্চিত্র দর্শকের মধ্যে তিনি নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ও ‘মুকুটহীন নবাব’ হিসেবেও খ্যাত। আজ থেকে ১১ বছর আগে ২০১৩ সালে ঢাকাই ইন্ডাস্ট্রিকে অঝোরে কাঁদিয়ে পরপারে পাড়ি দেন আনোয়ার হোসেন। অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করলেও ১৯৬৭ সালের ২৪ মার্চ মুক্তিপ্রাপ্ত খান আতাউর রহমান পরিচালিত ‘নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা’ ওই একটি চলচ্চিত্রে নবাব সিরাজের চরিত্রে অভিনয় করেই চিরকালের কিংবদন্তি হয়ে আছেন তিনি।
আনোয়ার হোসেন ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক, নাট্যধর্মী, লোককাহিনিভিত্তিক, পোশাকি ফ্যান্টাসি, সাহিত্যনির্ভর, শিশুতোষ, পারিবারিক মেলোড্রামা, নাট্যধর্মী, বক্তব্যধর্মীসহ বিভিন্ন ধরনের চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। কিন্তু ‘নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা’ হিসেবে তার ওই একটি ‘সিগনিফিকেন্ট’ চরিত্রে অভিনয়ের কোনো তুলনাই হয় না। মানুষ তাকে কখনোই ভুলবে না ওই একটি চরিত্রের কারণেই। তার ওই নিখুঁত অনবদ্য অভিনয়ের মধ্যেই বাংলার শেষ নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার গোটা আদলটিই বাংলার মানুষের মানসপটে বারবার ভেসে ওঠে।
অভিনেতা আনোয়ার হোসেন ১৯৩১ সালে ৬ নভেম্বর জামালপুর জেলার সরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। স্কুলজীবনে তিনি প্রখ্যাত নাট্যকার আসকার ইবনে সাইখের ‘পদক্ষেপ’ নাটকে প্রথম অভিনয় করেন। ময়মনসিংহে আনন্দ মোহন কলেজে পড়াকালে অনেক মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেন তিনি। আনোয়ার হোসেন তার অভিনয় দক্ষতা প্রমাণ করেই ঢাকাই ফিল্মে পদার্পণ করেন। ১৯৫৮ সালে মহিউদ্দেনের ‘তোমার আমার’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার ঢাকাই ফিল্মে অভিষেক ঘটে। চলচ্চিত্রটি ১৯৬১ সালের ১০ নভেম্বর মুক্তি পায়। সেই থেকে শুরু করে তার দীর্ঘ ৫২ বছরের ক্যারিয়ারে পাঁচ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
১৯৭৫ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত ‘লাঠিয়াল’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে প্রথমবারের মতো আয়োজিত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৮৮ সালে চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানস্বরূপ একুশে পদক লাভ করেন। অভিনেতাদের মধ্যে তিনিই সর্বপ্রথম ওই পুরস্কার লাভ করেন। ২০১১ সালে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ ছাড়া তিনি পাকিস্তানের নিগারসহ অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হন।
চলচ্চিত্রের ক্যারিয়ারে দীর্ঘ ৫২ বছরের অধিকাংশ সময় সহ-অভিনেতার কাজ করলেও অভিনয় জীবনের শুরুর দিকে তিনি সহঅভিনেতার পাশাপাশি নায়ক চরিত্রেও অভিনয় করতেন। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র- ‘সূর্যস্নান’, ‘কাচের দেয়াল’, ‘দুই দিগন্ত’, ‘রাজা এলো শহরে’, ‘বন্ধন’, ‘পালঙ্ক’, ‘গোধূলীর প্রেম’, ‘রাজা সন্ন্যাসী’, ‘সাত ভাই চম্পা’, ‘রাখালবন্ধু’, ‘পরশমণি’, ‘যাহা বাজে শেহনাই’ (উর্দু ছবি), ‘শহীদ তিতুমীর’, ‘ঈশা খাঁ’, ‘গাজী কালু চম্পাবতী’, ‘অরুণ বরুণ কিরণমালা’, ‘যে আগুনে পুড়ি’, ‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘ধাঁকাবাঁকা’, ‘কোথায় যেন দেখেছি’, ‘দীপ নেভে নাই’, ‘শেষ রাতের তারা’, ‘লালন ফকির’, ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’, ‘লাঠিয়াল’, ‘রংবাজ’, ‘ধীরে বহে মেঘনা’, ‘রূপালী সৈকতে’, ‘নয়নমণি’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘লাল সালু’, ‘ভাত দে’ প্রভৃতি।
ভারতের ছোট পর্দার সবচেয়ে জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো হচ্ছে ‘বিগ বস’। আর বিগ বস মানেই বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। তাই টিআরপি হাতের মুঠোয় রাখতে কালার্স চ্যানেলের ‘বিগ বস’ও সলমন ছাড়া অসম্পূর্ণ। গত রোববারই টেলিভিশন জগতের অন্যতম জনপ্রিয় শো ‘বিগ বস’-এর ১৮ নম্বর মৌসুমে গ্র্যান্ড প্রিমিয়ার হয়েছে। তার আগে থেকেই অবশ্য এই রিয়েলিটি শো নিয়ে উত্তেজনায় দর্শক। কে কে হবেন বিগ বসের অতিথি, এই নিয়ে প্রতি বছর থাকে নানান জল্পনা-কল্পনা। এবারও তার অন্যথা হয়নি। উন্মাদনার পারদ চড়ছে ক্রমশই।
আর এই সিজনের জন্য নাকি নির্মাতাদের কাছে মোটা পারিশ্রমিক হাঁকিয়েছেন সালমান। এই তারকার পারিশ্রমিক শুনলে হতবাক হতে বাধ্য! অংশীদারী না থাকলে একটা সিনেমা থেকে বলিউডের কোনো তারকা এত মোটা টাকা পারিশ্রমিক পান না। এমনকি গগনচুম্বী বাজেটের সিনেমার সংখ্যাও বলিউডে হাতেগোনা। দক্ষিণী সিনে ইন্ডাস্ট্রিতে তবুও কয়েকটা সিনেমার বাজেট এই অঙ্কে পৌঁছেছে। বলিউড মাধ্যম সূত্রে খবর, ‘বিগ বস ১৮’-এর জন্য প্রতি মাসে ৬০ কোটি টাকা নেবেন সালমান খান। এবার ১৫ সপ্তাহের হিসেব কষে দেখলে এই সিজনে ভাইজানের মোট পারিশ্রমিক গিয়ে দাঁড়ায় ২৫০ কোটি টাকা।
নেটফ্লিক্সের ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শর্মা’ সঞ্চালনা করার জন্য কপিল শর্মা ৬০ কোটি টাকা নিয়েছিলেন। অন্যদিকে ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’র সঞ্চালনা করার জন্য প্রায় সালমান খানের কাছাকাছি পারিশ্রমিক পান অমিতাভ বচ্চন। এই মৌসুমে ‘বিগ বস’-এর থিম ‘সময়ের তাণ্ডব’। প্রতিযোগীদের মধ্য়ে যারা চূড়ান্ত হয়েছেন, সেই তালিকায় রয়েছেন, ভিভিয়ান দেসনা, ঈষা সিং, করণবীর মেহেরা, নায়রা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুসকান বামনে, এলাইস কৌশিক, চাহাত পান্ডে, শিল্পা শিরোদকারসহ অনেকে।
সালমান খান বিগ বস উপস্থাপনা করছেন প্রায় দেড় দশক ধরে। বিভিন্ন কারণে কয়েকটি সিজনে হাজির হতে পারেননি। সেগুলো উপস্থাপনা করেছেন অমিতাভ বচ্চন, আরশাদ ওয়ারসি ও শিল্পা শেঠি। কিন্তু সালমান থাকলে যতটা উন্মাদনা হয় বিগ বস নিয়ে, তারা ততটা আলোড়ন তৈরি করতে পারেননি। ফলে বিগ বস কর্তৃপক্ষ বারবার সালমানের দ্বারস্থ হয়েছে। বেশি পারিশ্রমিক দিয়ে হলেও প্রতিবছর তাকেই নিয়ে এসেছে বিগ বসের ঘরে। বিগ বসের সালমাননির্ভরতার আরেকটি বড় কারণ ছিল সিনেমায় তার সমান্তরাল অবস্থান। প্রতি বছর তুলনামূলক কম সিনেমা করলেও কখনো ম্লান হয়নি তার তারকাখ্যাতি। বিগ বস যখন তিনি শুরু করেন, তখন সিনেমাপ্রতি নিতেন ৫ থেকে ১০ কোটি রুপি। এখন সিনেমায় তার পারিশ্রমিক পৌঁছেছে দেড়শ কোটিতে। তার সঙ্গে মিল রেখে বিগ বসেও তার টাকার অঙ্ক বেড়েছে।
বলিউডের ছোট নবাব বলে খ্যাত সাইফ আলি খান ছাড়া রেস- এত ভাবাই যায় না। অবশেষে ভক্তদের ইচ্ছাই পূর্ণ হলো। প্রবীণ চলচ্চিত্র প্রযোজক রমেশ তৌরানি জানিয়েছেন যে অভিনেতা সাইফ আলি খান তার জনপ্রিয় অ্যাকশন ফ্র্যাঞ্চাইজি রেসের চতুর্থ কিস্তিতে ফিরে আসবেন। অন্যদিকে প্রযোজনা সংস্থা টিপস ফিল্মসের প্রতিষ্ঠাতা তৌরানি আরও জানিয়েছেন, ‘রেস-৪’-এ সাইফকে মুখ্য চরিত্রে দেখা যাবে এবং ২০২৫ সালে এর শুটিং শুরু হবে।
তৌরানি পিটিআইকে বলেন, ‘সইফ, রেস ফ্র্যাঞ্চাইজিতে ফিরে আসবেন এবং তাকে বোর্ডে পেয়ে উচ্ছ্বসিত আমরা। প্রথম দুটি সিনেমায় দারুণ অভিনয় করেছেন তিনি। ছবিটিতে একঝাঁক কাস্ট থাকবে এবং আমরা চিত্রনাট্য, কাস্ট চূড়ান্ত করছি। পরিচালক আমরা চূড়ান্ত করিনি এখনো। শুটিং শুরুর আগে আমরা ছবিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করব, সম্ভবত আগামী বছর।’
হাই-অক্টেন অ্যাকশন, গ্ল্যামারাস সেটিংস এবং সূক্ষ্ম প্লটগুলোর জন্য পরিচিত এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি ২০০৮ সালের চলচ্চিত্র রেস দিয়ে শুরু হয়েছিল। এতে সাইফ এবং অক্ষয় খান্না দুই ভাই রণবীর এবং রাজীব হিসেবে বিশ্বাসঘাতকতা এবং প্রতারণার জটিল জালে জড়িয়ে পড়েন।২০১৩ সালে সিনেমার সিক্যুয়েল 'রেস-২'-এ খলনায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন সাইফ। উভয় চলচ্চিত্রই বাণিজ্যিকভাবে সফল ছিল এবং সমালোচকদের কাছ থেকে ইতিবাচক পর্যালোচনা পেয়েছিল।
ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় অংশে সুপারস্টার সালমান খানের নেতৃত্বে একটি সম্পূর্ণ নতুন কাস্ট করা হয়। তৌরানি বলেছিলেন যে, ‘এটি বলা ভুল হবে যে রেস ৩ বক্স অফিসে ভালো পারফর্ম করেনি। তৃতীয় পর্বে আগের দুই কিস্তির চেয়ে ভালো ব্যবসা হয়েছে। আমরা আশা করেছিলাম ছবিটি ২০০ থেকে ২৫০ কোটি টাকা আয় করবে, কিন্তু এটি ১৮০ কোটি টাকার বেশি আয় করেছে, যা তুচ্ছ নয়। আমাদের সবার জন্য এটি একটি লাভজনক ছবি ছিল। পার্থক্য শুধু এটুকু যে, প্রথম দুটি অংশ সমালোচকদের কাছ থেকে ভালো রিভিউ পেয়েছে, আর তৃতীয়টি ভালো সাড়া পায়নি। তবে চতুর্থ পর্বের জন্য আমরা কোনো চেষ্টার ত্রুটি রাখছি না।’
বিশ্বের সম্পদশালী অভিনেতার তালিকায় শীর্ষে চলে এসেছে মার্কিন নির্মাতা ও অভিনেতা টেইলর পেরির নাম। তার সম্পদের আকার ১৪০ কোটি ডলার। ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুসারে, অভিনেতা, নির্মাতা ও নাট্যকার টেইলর পেরির সম্পদ পৃথিবীর আর যেকোনো অভিনেতার সম্পদের থেকে বেশি। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন জেরি সিনফিল্ড।
তার সম্পদের পরিমাণ ১০০ কোটি ডলার। প্রথম দুটি নামই অনেকটা চমকের মতো। দুটি নাম সে অর্থে বাকি জনপ্রিয় অভিনেতাদের তুলনায় বেশি চর্চিত নয়। অথচ সম্পদশালী অভিনেতার তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন ডোয়াইন জনসন, তার সম্পদের পরিমাণ ৮৯ কোটি ডলার। ৮৭ কোটি ডলার নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন শাহরুখ খান। টম ক্রুজের সম্পদের পরিমাণ ৮০ কোটি, তালিকায় তার অবস্থান পঞ্চম।
টেইলর পেরি সবচেয়ে বেশি পরিচিত মাডিয়া কমেডি ফ্র্যাঞ্চাইজিতে মাভেল চরিত্রের কারণে। সিরিজটিতে ১২টি চলচ্চিত্র, ১১টি নাটক ও কিছু টিভি প্রোগ্রাম আছে। এর বাইরে তার কাজের পরিমাণ খুব কম। অবশ্য তালিকাটি হয়েছে কেবল পুরুষ অভিনেতাদের সম্পদের আকারের ওপর ভিত্তি করে। যদি নারীদের অন্তর্ভুক্ত করা হতো, তাহলে বিপুল পরিবর্তন আসত অনুক্রমে। তালিকায় সবার ওপরে থাকত জেমি গার্টজের নাম, তার সম্পদের পরিমাণ ৮০০ কোটি ডলার। শীর্ষ পাঁচে জায়গা করে নিতেন টেইলর সুইফট ও সেলেনা গোমেজও, তারা দুজনই বিলিয়নেয়ার।
টেইলর পেরির সম্পদের উৎস বহুমাত্রিক। সম্পদ বিনোদন দুনিয়া থেকে এলেও একমাত্র উৎস অভিনয় নয়। ফোর্বসে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, তিনি ৩২ কোটি ডলার আয় করেছেন মাডিয়ার প্রযোজক ও নির্মাতা হিসেবে। পেরি তেমন গুটিকয়েক অভিনেতার মধ্যে একজন, যাদের হলিউডে নিজস্ব স্টুডিও রয়েছে। ফলে নির্মাণে তার ব্যয় কম। মধ্যস্বত্বভোগীকে ফি না দেওয়ার কারণে তার আয়ের ঝুলিও বেশি হয়।
এ ছাড়া মিডিয়া জায়ান্ট ভায়াকমসিবিএসের সঙ্গেও তার চুক্তি হয়েছে, সেখানে তার ২৫ শতাংশ শেয়ার আছে। ফোর্বসের প্রতিবেদন অনুসারে, টেইলর পেরির ৩০ কোটি ডলার নগদ বিনিয়োগ আছে। বাড়ি আছে ৪ কোটি ডলারের।
প্রয়াত অভিনেত্রী ও পরিচালক সারাহ বেগম কবরীর প্রথম পরিচালনার সিনমা ‘আয়না’ দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে অভিনেত্রী সোহানা সাবার। তারপর একে এক মোরশেদুল ইসলামের প্রিয়তামেষু, খেলাঘর, মুরাদ পারভেজের চন্দ্রগ্রহণসহ অনেক আলোচিত সিনেমায় অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করা এই অভিনেত্রী বেশ কয়েক বছর ধরেই অভিনয়ে অনিয়িমত। মাঝখানে আব্বাস নামের একটি বাণিজ্যিক সিনেমায় চিত্রনায়ক নিরবের বিপরীতে অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করতে ব্যর্থ হন। কলকাতার সিনেমায় নিয়মিত হওয়ার মিশনও সফল করতে পারেননি তিনি। বলা চলে বর্তমানে ইমেজ সংকটে ভুগছেন সোহানা সাবা।
আওয়ামী লীগ সমর্থক শিল্পীদের নিয়ে গঠিত ‘আলো আসবেই’ নামে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সদস্য ছিলেন অভিনেত্রী সোহানা সাবা। গ্রুপের সদস্য হওয়ায় তিনি এখন নেটিজেনদের একাংশের চক্ষুশূল। ফলে তিনি কোনো পোস্ট করলেই তাতে হামলে পড়ছেন নেট নাগরিকরা। অভিনেত্রীর পক্ষের লোকেরা সেখানে ভালো মন্তব্য করলেও বিপক্ষের ফেসবুক ব্যবহারকারীরা একহাত নেন তাকে।
গতকাল রোববার ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেছেন সাবা। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন- ‘কেউ থামায়নি, ইতিহাসের পথে চলা, যুদ্ধজয়ের গল্পে আগামীর আশা জ্বলা। জানি বাধা আসবে, তবু থামব না কোনো দিন, দেশের জন্য আলো আনবই আমরা, সেই দিন ‘এই পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে মন্তব্যের ঝড় উঠেছে সাবার পোস্টে। ওসব কমেন্টের রিপ্লাইও দিয়েছেন অভিনেত্রী। মিশ্র মন্তব্যের প্রতিউত্তরে সোহানা লিখেছেন, আরও সুন্দর সুন্দর কমেন্ট পোস্ট করুন। অলরেডি ১০ জনকে রিপোর্টসহ ব্লকলিস্টে পাঠিয়ে দিয়েছি। বড়শি দিয়ে মাছ ধরার মতো কাজ করে এই কমেন্টবক্স খোলা রাখাটা। এর আগে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে সাবা লিখেছিলেন, ‘ভেবেছিলাম সামনে অন্ধকার ঘন/দেখেছিলাম অশনি সংকেত ও রণ/সমুদয় পাল্টানো এই উপত্যকায়/নিজেকে ভুল প্রমাণ করে তবুও বিশ্বাস করতে চাই আলো আসবেই।’ এই পোস্ট করেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া হজম করতে হয়েছে অভিনেত্রীকে।
মূলত ‘আলো আসবেই’ গ্রুপ কাণ্ডে আলোচনায় আসার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একের পর এক স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন সাবা। গত বুধবার নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসের কমেন্টে গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে সাবা বলেছেন, আমার ফেসবুকের স্টেটমেন্ট কোন পারমিশন ছাড়া পত্রিকায় বা অনলাইনে নিউজ করবেন না। সোহানা সাবা আরও বলেন, এটা আমার ব্যক্তিগত প্রোফাইল। এখানে আমি যা লিখবো তাই যদি নিউজ করে চলতে হয় আপনাদের, তবে বুঝে নেন আপনাদের কী বেহাল অবস্থা!
পশ্চিমবঙ্গেও আলোচিত বাংলাদেশের মঞ্চ, টিভি ও চলচ্চিত্রের জাঁদরেল অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। কিছুদিন আগে ভারতের স্বাধীনতা দিবসে মুক্তি পায় চঞ্চল চৌধুরী অভিনীত ছবি ‘পদাতিক’। ছবিটি পরিচালনায় ছিলেন ওপার বাংলার সৃজিত মুখার্জী। কিন্তু ভারতের খ্যাতিমান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মৃণাল সেনের এই বায়োপিক দর্শকদের থেকে তুমুল প্রশংসিত হলেও বক্স অফিসে সেই অর্থে চলেনি। এরপরও ছবিটি নিয়ে গর্বিত সৃজিত এবং চঞ্চল চৌধুরী। পদাতিক সিনেমায় কিংবদন্তি চলচ্চিত্র নির্মাতা মৃণাল সেনের চরিত্রে অভিনয় করেন চঞ্চল। তবে বক্স অফিসে তেমনভাবে সাড়া ফেলতে না পারলেও সিনেমাটি এবার ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব সাউথ এশিয়ায় (ইফসা) জায়গা করে নিয়েছে। কানাডার টরন্টোয় উৎসবের পর্দা উঠবে ১০ অক্টোবর। চলবে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রোমো প্রকাশ করে তথ্যটি সমাজমাধ্যমে নিজেই জানিয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী।
এ বছর বলিউডের অন্যতম আলোচিত ছবি দিলজিৎ দোসাঞ্জ-পরিনীতি চোপড়া অভিনীত ‘চমকিলা’ এবং বিজয় সেতুপতির ‘গান্ধী টকস’ নির্বাচিত হয়েছে। এ ছাড়া আরও দেখা যাবে অভিষেক বচ্চন-নিমরত কৌর অভিনীত ‘কালিধর লাপাতা’, বোমান ইরানি অভিনীত ‘দ্য মেহতা বয়েজ’, কানি কুশ্রুতি অভিনীত ‘অল উই ইমাজিন অ্যাস লাইট’ ও অদিতি রাও হায়দারি অভিনীত ছবি। বাংলাদেশের ‘বাড়ির নাম শাহানা’ও জায়গা করে নিয়েছে এ আসরে।
বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা আজমির চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের ৫০ বছর উদ্যাপন করা হবে এ উৎসবে। দেখানো হবে তার বর্তমান সময়ের ছবি ও একাধিক ক্লাসিক ছবি। গেস্ট অব অনার হিসেবে থাকবেন বলিউডের প্রখ্যাত নির্মাতা ইমতিয়াজ আলি, দীপা মেহতা ও বোমান ইরানি। মাস্টারক্লাস করাবেন বলিউডের অন্যতম মেধাবী অভিনেতা মনোজ বাজপায়ি, মাস্টারমেকার অনুরাগ ক্যাশপসহ আরও অনেকে। এবারের উৎসবে ১০ দিনে ১২০টির বেশি সিনেমা দেখানো হবে। শুধু তা-ই নয়, থাকছে ৩০টির বেশি চলচ্চিত্রবিষয়ক ইভেন্ট ও মাস্টারক্লাস। সেই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের নামকরা তারকার সমাগম, রেড কার্পেট লুক তো রয়েছেই।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘পদাতিক’-এর একটি দৃশ্যের ছবি পোস্ট করে সৃজিত সেখানে লিখেছেন, ‘পদাতিক আমার ২২তম বাংলা ছবি। অনেকেই যারা আমার এই ছবিটি দেখেছেন, তারা জানিয়েছেন এটা আমার করা সেরা ছবি। আমি এর আগে বেশ কিছু ছবি করেছি যেগুলো দর্শকদের থেকে ভালোবাসা পেয়েছে। কিন্তু এই ছবিটি যেমন অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে তেমনি আনন্দ দিয়েছে।’
ঢাকাই ছবির নানা কারণে আলোচনায় থাকা শবনম বুবলী সব সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব থাকেন। তাকে নিয়ে ভক্তদের ছবি ও পোস্ট ঘিরে থাকে শেয়ার-মন্তব্য। টেলিভিশনে সংবাদ পাঠিকা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করলেও পরবর্তীতে সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকমহলে ব্যাপক পরিচিতি পান। এরপর নিজের অভিনয় দক্ষতার মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছেন।
অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সরব রয়েছেন শবনম বুবলী। বিভিন্ন সময় অনুরাগীদের মধ্যে নিজের ভালো লাগার মুহূর্তগুলো ভাগ করে নেন। সম্প্রতি ফেসবুকে ভক্তদের মধ্যে কিছু ছবি শেয়ার করেছেন।
যেখানে তাকে বেশ হাসিখুশি দেখা গেছে। শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, খোলা চুলে মিষ্টি হাসিতে ডানা কাটা সাদা পোশাকে ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে এক অনন্য লুকে ধরা দিয়েছেন। মিষ্টি হাসি আর চোখের চাহনি যেন ভক্তদের চোখ ফেরাতে দিচ্ছে না। সেই পোস্টে এ অভিনেত্রী একটি গানের লিরিক্স ক্যাপশনে লিখেছেন যার অর্থ, ‘এমনভাবে হাসুন যেন আপনি স্বর্গের ফেরেশতা হিসেবে এসেছেন।’
পোস্টের কমেন্ট বক্সে ভক্ত-অনুরাগীরা অভিনেত্রীর রূপের বেশ প্রশংসা করেছেন। সাবিহা নামে একজন লিখেছেন, ‘মাশাআল্লাহ খুবই সুন্দর লাগছে, দোয়া করি এই সুন্দরটাই যেন আপনার মনের ভেতরে থাকে।’ আরেকজন অনুরাগী লিখেছেন, ‘দুইদিকে ডানা সাদা মেঘকন্যাকে দেখতে খুব সুন্দর লাগছে।’ তামিমের ভাষ্য, ‘মাশাআল্লাহ অনেক সুন্দর লাগছে আপু, তোমাকে কারও নজর না লাগে দোয়া করি ভালো থেকো সুস্থ থেকো সুন্দর থেকো।’ ফাহাদ লিখেছেন, ‘মাশাআল্লাহ কিউটের ডিব্বা মেঘপরী।’
উল্লেখ্য, বুবলীর কর্মজীবন শুরু হয় সংবাদ পাঠ দিয়ে। তিনি বাংলাদেশের জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাভিশনে ২০১৩ সালে সংবাদ পাঠ শুরু করেন।
এরপর ২০১৬ সালে বসগিরি চলচ্চিত্রের পরিচালক শামীম আহমেদ রনি তাকে এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দিলে তিনি সম্মত হন। অপু বিশ্বাসকে এই চরিত্রের জন্য নির্বাচন করা হয়েছিল। পরে অপু বিশ্বাস নিজেকে এই চলচ্চিত্র থেকে সরিয়ে নিলে তার স্থানে বুবলীকে নির্বাচন করা হয়।
জাহিদ হাসান- নাম বললেই পাঠক কিংবা দর্শকের মনে ভেসে উঠবে এমন এক অভিনেতার মুখ, যিনি বিভিন্ন সময়ে নানা রঙে পর্দায় উপস্থিত হয়েছেন। একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই তারকা একাধারে মডেল, অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক। তবে এখন টিভি পর্দায় আর আগের মতো কাজ করেন না। কেবল ঈদের নাটকেই দেখা যায় তাকে। বর্তমানে সিনেমাতেই বেশি মনোযোগী তিনি। বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী এ অভিনেতা আজ স্পর্শ করলেন জীবনের ৫৮তম বসন্তে।
এবারের জন্মদিন নিয়ে নতুন কোনো পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে এই তারকা বলেন, ‘জন্মদিন এলেই আমার মনে এক ধরনের আনন্দ কাজ করে। এই আনন্দের বেশ কিছু কারণ আছে। আমি প্রতিবারই সাংবাদিকদের কাছে এ কথাটাই বলি, এই দিনে গণমাধ্যমকর্মী থেকে আমার পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীরা যেভাবে আমাকে শুভেচ্ছায় সিক্ত করেন, এটা আমাকে মুগ্ধ করে। এ জন্য আমার জন্মদিন নিয়ে আমি নিজেও বেশ আগ্রহী। দিনটাতে বেশ ভালো লাগে। তবে বিশেষ এই দিনটি নিয়ে আহামরি কোনো পরিকল্পনা রাখি না। কোনো কাজও রাখি না। পরিবারের সঙ্গেই একান্তে সময় কাটাই। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। তা ছাড়া এখন অনেক বয়স হয়ে গেছে। এখন আর জন্মদিন নিয়ে কথা বলার দরকার নেই বলেই মনে করি।’
অনেক দিন ধরেই নাটকে অনিয়মিত জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান। কালেভদ্রে শোনা যায় নতুন নাটকে কাজ করার কথা। এ অভিনেতা এবার নতুন কাজের খবর দিলেন। টিভি নাটকে নয়, তিনি এখন মনোযোগী অনলাইন প্ল্যাটফর্মের জন্য নির্মিত কাজে। সম্প্রতি যুক্ত হয়েছেন নতুন তিনটি কনটেন্টে। এর মধ্যে দুটি ওয়েব সিরিজ ও একটি ওয়েব ফিল্ম। জাহিদ হাসান বলেন, “কাজগুলো নিয়ে এরই মধ্যে পরিচালকদের সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত হয়েছে। পরিচালক রায়হান রাফীর দুটি ও তানিম নূরের একটি কাজ। তবে ‘পালাবি কোথায়’ নামে একটিতে কাজ করেছি, বাকি দুটির নাম জানাতে পারছি না। সেগুলোর নাম পরিবর্তনের সম্ভাবনা আছে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসেই শুটিং শুরু করব।”
এদিকে জাহিদ হাসানের কাছ থেকে জানা গেল, নাটকে নিজে অভিনয় কমিয়ে দিলেও নিজের প্রযোজনা সংস্থা নিয়েই ব্যস্ত রয়েছেন তিনি। এই তারকার ভাষ্য, এখন শুধু বিশেষ কিংবা ঈদের নাটকগুলোতে অভিনয় করি। ঈদ মৌসুমে অনেক পরিচালক এসে বিনয়ের সঙ্গে প্রস্তাব করেন। সবগুলো নাটকের গল্পই থাকে আমাকে ঘিরে। এমনকি নাম ভূমিকায় অভিনয়ের প্রস্তাব আসে। এমন সব পরিচালক আসেন, যাদের আমি না করতে গিয়েও পারি না। গত কয়েক বছর ধরে একক নাটকের চেয়ে ধারাবাহিক নাটকেই বেশি কাজ করছি। এখন নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকেই নাটক এবং ওয়েব সিরিজ বানানোয় ব্যস্ত থাকি বেশি।
আবারও সরব হচ্ছেন মডেল-অভিনেতা থেকে চিত্রনায়ক বনে যাওয়া মামনুন হক ইমন। এরইমধ্যে গত ১ অক্টোবরে একটি ওটিাট প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে ইমন অভিনীত প্রথম ওয়েব ফিল্ম মায়। মুক্তির আগের দিন গত সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মহাখালীর এসকেএস সেন্টারের স্টার সিনেপ্লেক্সে ছিল মায়ার বিশেষ প্রদর্শনী। এই ওয়েব ফিল্মের অভিনয়শিল্পী, কলাকুশলীসহ এসেছিলেন অন্য তারকা ও পরিচালকরা। প্রদর্শনী শেষে কেউ কেউ বলেছেন, ‘রাহাত’ চরিত্রে বাজিমাত করেছেন মামনুন ইমন। ছবিটি দেখে অনেক তারকাই ইমন ও সারিকার অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন।
মায়া সিনেমায় রাহাত চরিত্র হয়ে উঠতে ইমনকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। কারণ, তার জন্য এটা অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল। এমন চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব তাকে আগে কোনো পরিচালক দেননি। সেই গল্প তুলে ধরে ইমন বলেন, ‘রায়হান রাফী আগের কাজগুলো যাদের সঙ্গে করেছেন, এই যেমন- ‘সুড়ঙ্গ’-তে আফরান নিশো, তাকে কিন্তু দর্শক আলাদা একটা জায়গায় রেখেছেন। শরিফুল রাজের সঙ্গেও করছেন, সেটাও অভিনয়নির্ভর দারুণ একটা গল্প। যত ওয়েব ফিল্ম রাফী বানিয়েছেন, বেশির ভাগই অভিনয়নির্ভর কাজ এবং গল্পগুলোও দুর্দান্ত। শেষে করেছে শাকিব খানকে নিয়ে ‘তুফান’। শাকিব ভাইকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ থাকার কারণে আমি দেখেছি, ‘তুফান’-এর শুটিংয়ের সময় কতটা আন্তরিক হয়ে তিনি কাজটি করতেন। আমার মাথায় এসব ছিল। আমিও যে চরিত্র পেয়েছি, সেটাতে নায়কোচিত ভাব থেকে বের হয়ে চরিত্র হয়ে উঠতে হবে, এটা ভাবতে হয়েছে।’
‘রাহাত’ চরিত্রে প্রস্তাব পাওয়ার পর থেকে ঢাকার একটি মাদকাসক্তি নিরায়ম কেন্দ্রে নিয়মিত যেতেন মামনুন ইমন। চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলতেন। মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের আচার-আচরণ সামনে থেকে পর্যবেক্ষণ করতেন। সেসব গল্পই শোনান ইমন, ‘চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের আচরণ বোঝার চেষ্টা করেছি। তারা সেখানে কী করেন, কেমন তাদের আচরণ। আবার যখন ড্রাগস নেওয়া বন্ধ করে দেন, তখন অবস্থা কেমন হয়, তা-ও বোঝার চেষ্টা করেছি। প্রথম ওয়েব ফিল্ম, চেষ্টার কমতি রাখিনি। চরিত্রটিকে নিজের ভেতর ধারণ করতে ছয় থেকে সাত দিন লেগেছে। এ-ও ভেবেছি যে সৎভাবে যদি কাজটা করি, মানুষ বুঝবে, ইমনের অভিনয়ের প্রতি যে আগ্রহ, তা শুধু মুখে মুখে নয়। বলতে পারেন, আমি চরিত্রটায় ডুবে ছিলাম।’
এদিকে আগামী সপ্তাহে নতুন একটি ছবির কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন ইমন। ময়নার চর নামের এই ছবির পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান। দুটি ছবির শুটিংও শেষ করা আছে। ‘কানামাছি’ ও ‘নুলিয়াছড়ির সোনার পাহাড়’ নামের ছবি দুটির ডাবিংও শেষ। ‘অপারেশন জ্যাকপট’ ছবির কাজ ৮০ ভাগ শেষ হয়েছে বলে জানান ইমন।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল। ছোটবেলা থেকেই গানের সঙ্গে বসবাস করলেও তার কপাল খোলে চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠ ২০০৮ আসরের প্রথম রানার আপ নির্বাচিত হওয়ার সুবাদে। ওই বছর ‘ভালোবাসার লাল গোলাপ’ সিনেমায় সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে দ্বৈত গানে কণ্ঠ দেন ইমরান। এরপর আরফিন রুমির হাত ধরে প্রথম একক অ্যালবাম রিলিজ করেন ২০১১ সালে। অ্যালবামের নাম ‘স্বপ্নলোক’। অল্প সময়ে সমসাময়িক অনেকের চেয়ে এগিয়ে যান ইমরান। সংগীতশিল্পী থেকে সংগীত পরিচালক হিসেবেও পরিচিতি পান দ্রুত।
কয়েক বছর ধরেই দেশ ও বিদেশের মাটিতে স্টেজ শো করার পাশাপাশি নতুন নতুন গানও উপহার দিচ্ছেন ইমরান। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন তিনটি গান নিয়ে আসছেন তিনি। এরই মধ্যে গান তিনটির সংগীত আয়োজন ও ভয়েস রেকর্ডিং শেষ হয়েছে। মিউজিক ভিডিওর শুটিংয়ের পরিকল্পনাও গুছিয়ে এনেছেন তিনি। গান তিনটি হলো ‘মন বুঝলি না’, ‘শুধু তোমাকে ছাড়া’ ও ‘কথা একটাই’।
ইমরানের কাছ থেকে জানা গেল, মন বুঝলি না গানটির কম্পোজিশন করেছেন ফুয়াদ আল মুক্তাদির। কথা লিখেছেন আবদার রহমান। ফুয়াদের সঙ্গে যৌথভাবে গানটি প্রযোজনা করছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি প্রযোজক সঞ্জয়। তিনি ভারতীয় অনেক গানেরও প্রযোজক।
শুধু তোমাকে ছাড়া শিরোনামের গানটি লিখেছেন আসিফ ইকবাল। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ইমরান। গানটিতে ইমরানের সঙ্গে কণ্ঠ মেলাবেন আরও এক নারী শিল্পী। তবে কে গাইবেন, সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। গানের ভিডিওতে ইমরানের সঙ্গে মডেল হবেন নাজনীন নিহা। কথা একটাই গানটি লিখেছেন রবিউল ইসলাম জীবন। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ইমরান। গানটিতে ইমরানের সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠ দিয়েছেন পড়শী।
তিনটি গানের মিউজিক ভিডিওর শুটিং হবে থাইল্যান্ডে। অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে পুরো টিম নিয়ে থাইল্যান্ডে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন ইমরান। এ প্রসঙ্গে ইমরান বলেন, ‘সামনে তিনটি উপলক্ষ আছে। ইংরেজি নববর্ষ, ভালোবাসা দিবস এবং ঈদ। উপলক্ষ তিনটিকে টার্গেট করেই বড় আয়োজনে তৈরি করা হচ্ছে গানগুলো। নতুন বছর উপলক্ষে ফুয়াদ ভাইয়ের গানটি রিলিজ করার পরিকল্পনা করছি। এবার ভালোবাসা দিবস ও ঈদ একই সময় হবে, তাই ডুয়েট গান দুটি তখন মুক্তি দেব।’
ইমরান আরও বলেন, ইতোমধ্যে সব গানের রেকর্ডিং শেষ হয়েছে। কেবল একটি গানের নারীকণ্ঠ বাকি আছে। মিউজিক ভিডিও শুটিংয়ের আগে সেই কাজ করতে চান তিনি।
বিখ্যাত ও জনপ্রিয় সিরিজ ‘পিকি ব্লাইন্ডার্স’-এর গল্প অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে সিনেমা টমি শেলবি। এই ছবিতেও নাম ভূমিকায় অভিনয় করবেন গত বছর অস্কার জয়ী তারকা কিলিয়ান মারফি। সোমবার রাতে প্রকাশ পেয়েছে সিনেমায় টমি শেলবির ফার্স্ট লুক। এতে তুলনামূলক বয়স্ক শেলবিকে দেখা গেছে? পিকি ব্লাইন্ডার্স শুরু হয়েছিল ২০১৩ সালে। সিরিজের লেখক স্টিভেন নাইট, টোবি ফিনলে ও স্টিফেন রাসেল। পরিচালনা করেছেন ওটো বাথার্স্ট (সিরিজ ওয়ান), টম হার্পার (সিরিজ ওয়ান), কোম ম্যাকার্থি (সিরিজ টু), টিম মিল্যান্টস (সিরিজ থ্রি), ডেভিড ক্যাফ্রে (সিরিজ ফোর) ও অ্যান্থনি বার্নি (সিরিজ ফাইভ ও সিক্স)। বিবিসি টু ও বিবিসি ওয়ানে স্ট্রিম হওয়া সিরিজটি দারুণ জনপ্রিয় হয়, এমনকি কিংবদন্তির পর্যায়ে পৌঁছে গেছে এটি। সেখান থেকেই সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনা। স্টিভেন নাইটের গল্পে সিনেমাটি পরিচালনা করছেন টম হার্পার এবং এর প্রযোজক নেটফ্লিক্স।
ছবিটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী বার্মিংহামের অপরাধ জগৎ নিয়ে নির্মাণ হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে, সিনেমাটিও সিরিজের মতো জনপ্রিয় হবে কি না। সিরিজের একরকম চাহিদা ছিল। ছয় সিজনে সিরিজের গল্প এগিয়েছে নিজের গতিতে। বার্মিংহামের অপরাধ জগতের অনেক কিছুই ধীরে ধীরে সময় নিয়ে বলা হয়েছিল এতে। কিন্তু সিনেমায় সে সুযোগ থাকছে না। গল্প কাটছাঁট করেই দেখাতে হবে। টমি শেলবি সেখানে নিজের ক্যারিশমা দেখাতে পারবেন কি না তা একটি সন্দেহের বিষয় এখন।
তবে এর লেখক যেহেতু স্টিভেন নাইট, দর্শক আবার আশায় বুকও বাঁধছেন। কেননা তিনি এ সিরিজকে নিয়ে গিয়েছিলেন অন্য উচ্চতায়। মারফি নিজেও সিনেমাটি করতে উৎসাহ দেখিয়েছিলেন। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছিল নাইট আর হার্পারের কাজ আমার সঙ্গে শেষ হয়নি। আমাদের আরও অনেকটা পথ একসঙ্গে চলার মতো কারণ আছে। সে ধারণা থেকেই পিকি ব্লাইন্ডার্সের সিনেমার জন্য আমি সম্মতি দিয়েছিলাম।’
অনেকদিন ধরেই খবরটি উড়ছিল দুই বাংলার চলচ্চিত্র আকাশে। তবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি পরিচালক ও নায়কের কাছ থেকে। মূলত কলকাতায় যাওয়ার পর বাংলাদেশি চিত্রপরিচালক রায়হান রাফীর সৌজন্য সাক্ষাতের পরই খবরটি ভাসতে থাকে শোবিজে।
শেষমেশ পাওয়া গেল আসল খবর। ১ অক্টোবর রাতে ডিমের খোলস ভাঙলেন রায়হান রাফী। এবার টালিউডের সুপারস্টার জিতের সঙ্গে জুটি বাঁধতে চলেছেন পরাণ খ্যাত এই নির্মাতা। ছবির নাম ঠিক করা হয়েছে ‘লায়ন’। তবে জিতের বিপরীতে কোন দেশের নায়িকা থাকছেন উড়ো খবরে তার কিছুই জানা যায়নি।
জানা গেছে, ভারতের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হচ্ছে নতুন সিনেমা। এই ছবির মাধ্যমে প্রথমবার বাংলাদেশ ও কলকাতার জনপ্রিয় দুই তারকা শরীফুল রাজ ও জিৎ গভীর সাগরে মুখোমুখি হচ্ছেন। এর আগে শরীফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিমকে নিয়ে ‘পরাণ’ বানিয়ে তরুণ নির্মাতা হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসেন রাফী। পরে আফরান নিশো ও তমা মির্জাকে নিয়ে নির্মিত ‘সুড়ঙ্গ’ সেই আলোচনাকে ছাপিয়ে যায়। সেই ‘সুড়ঙ্গ’র আলোচনাকেও পেছনে ফেলে শাকিব খান অভিনীত ‘তুফান’। বক্স অফিস বা আলোচনায় তিনটি সিনেমাই একটি অন্যটিকে ছাড়িয়ে গেছে। এবার সেই ‘তুফান’কেও ছাড়িয়ে যাবে ‘লায়ন’- এমনটাই জানালেন রাফী।
রাফী বলেন, বিশাল আয়োজনে আমাদের এই সিনেমাটি। এমন একটি গল্প নিয়ে কাজ করছি, যা দেশের দর্শক আগে দেখেনি। এটি নানা বৈচিত্র্যের থ্রিলার সিনেমা। ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎ নতুনভাবে পর্দায় আসছেন। বাংলাদেশ থেকে শরীফুল রাজের চরিত্রে চমক আছে। আগের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা বলব, আমার ‘পরাণ’, ‘সুড়ঙ্গ’, ‘তুফান’–এর চেয়েও ‘লায়ন’ বেশি আলোচিত হবে। সেভাবেই আমরা সিনেমার প্রজেক্টটিকে দাঁড় করাচ্ছি।
এর আগে ‘তুফান’সহ তিনটি সিনেমা একের পর এক ব্লকবাস্টার হয়। সেই জনপ্রিয়তা থেকে নিজের মধ্যে কোনো চাপ তৈরি হচ্ছে কি না, এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো চাপ নিচ্ছি না। আমি টেনশনেও নেই। যেভাবে আমাদের আগের তিনটি সিনেমা দর্শক গ্রহণ করেছে, সেটার চেয়েও বেটার আরও কিছু দেব এবার। যা হবে দর্শকদের প্রত্যাশার বাইরে। দর্শক যেভাবে আগের সিনেমাগুলোকে ব্লকবাস্টার করেছে। এবারও আমাদের লায়নকে ব্লকবাস্টার করবে। সেই চেষ্টাটা আমাদের থাকবে। সেই চেষ্টাই অনবরত করছি।’
আগামী ডিসেম্বর থেকে ‘লায়ন’-এর শুটিং করতে যাচ্ছেন রায়হান রাফী। জানিয়ে রাখলেন, সিনেমাটি তিনটি কিস্তিতে শেষ হবে। ‘লায়ন-১’ থেকে ৩। প্রথম কিস্তি আগামী ঈদুল ফিতরে মুক্তি দিতে চান।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) একটি দল কিনেছেন বাংলা চলচ্চিত্রের সুপার হিরো শাকিব খান। তার কসমেটিকস ও হোম কেয়ার কোম্পানি রিমার্ক-হারল্যানের হয়ে কেনা এ টিমের নাম ‘ঢাকা ক্যাপিটালস’। শাকিব খানের এ বিষয়টি ক্রিকেটপ্রেমী ও ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা বেশ ইতিবাচকভাবেই দেখছেন।
দর্শকদের রায়ে এই নামটি চূড়ান্ত করার পর আজ বুধবার সন্ধ্যায় রিমার্ক হারল্যানের হেড অফিসে ‘ঢাকা ক্যাপিটালস’ টিমের মালিক হিসেবে লোগো উন্মোচন করেন তিনি।
শাকিব খান বলেন, আসন্ন বিপিএলে আমাদের টিমের নাম সাজেস্ট করতে দেশবিদেশের আমার ভালোবাসার মানুষ এবং ক্রিকেটপ্রেমীরা অনেক রেসপন্স করেছেন, যা দেখে সত্যি উচ্ছ্বসিত হয়েছি। তাই সবার মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে আমাদের টিমের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে "ঢাকা ক্যাপিটালস"।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মামনুন হাসান ইমন, ঢাকা ক্যাপিটালসের সিইও আতিক ফাহাদসহ অনেকে।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর থেকে একে একে দেশের অনেক বড় বড় সরকারি প্রতিষ্ঠানে রদ-বদল ঘটছে। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক পদ থেকে বাদ দেওয়া হয় লিয়াকত আলী লাকিকে। এবার এই একাডেমির গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক পদ থেকে অব্যাহতি পেলেন টিভি ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি। বছরখানেক আগেই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছিলেন তিনি। তবে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সেটি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এরই মধ্য দিয়ে নিজের প্রথম সরকারি চাকরির অধ্যায়ের ইতি টানলেন এই অভিনেত্রী।
সোমবার প্রকাশিত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব নিলুফার ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জ্যোতিকা জ্যোতির অব্যাহতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এই প্রজ্ঞাপনে জ্যোতি ছাড়াও শিল্পকলা একাডেমির চুক্তিভিত্তিক আরও চারজন পরিচালককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এদিকে অব্যাহতিপত্র পেয়ে নিজেকে অনেকটা ‘ভারমুক্ত’ মনে করছেন জ্যোতিকা জ্যোতি। পাশাপাশি খানিকটা আক্ষেপও শোনা গেল তার কণ্ঠে।
ফেসবুকে অব্যাহতির প্রজ্ঞাপনের একটি ছবি পোস্ট করে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘প্রজ্ঞাপনের মধ্যদিয়ে শেষ হলো আমার প্রথম সরকারি চাকরি। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আমার চাকরির মেয়াদ থাকার পরও আমাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। আজ (১ অক্টোবর) থেকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক পদের দায়িত্বে আমি আর নেই।’
এতদিন তার সঙ্গে কাজের সুবাদে যুক্ত থাকা লেখক, গবেষক, প্রকাশকদের তিনি অনুরোধ লিখেছেন, কোনো প্রয়োজনে সরাসরি শিল্পকলার গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগে যোগাযোগ করবেন। পাশাপাশি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘দেড় বছরের এই যাত্রায় নতুন নতুন অভিজ্ঞতায় আমাকে ঋদ্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ।’
গত বছরের (২০২৩) ১৩ মার্চ থেকে জ্যোতিকা জ্যোতি দুই বছরের চুক্তিতে একাডেমির গবেষণা ও প্রকাশনা পরিচালক পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন। এরপর ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর পরিস্থিতি বিবেচনায় আর কর্মস্থলে উপস্থিত হননি তিনি।
তবে সম্প্রতি শিল্পকলায় নতুন মহাপরিচালক হিসেবে সৈয়দ জামিল আহমেদের নিয়োগ হওয়ার খবর পেয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে নিজ কর্মস্থলে যান জ্যোতি। সেখানে গিয়ে সহকর্মীদের হেনস্তার মুখে পড়েন এই অভিনেত্রী। এই ঘটনার পরপরই শিল্পকলা একাডেমির গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক পদ থেকে অব্যাহতি পেলেন জ্যোতিকা জ্যোতি।